১. ভূমিকা
যেকোনো জাতির সংস্কৃতি (ثقافة) তার অস্তিত্ব ও টিকে থাকার মেরুদণ্ড। এই সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করেই উম্মাহর সভ্যতা (حضارة) প্রতিষ্ঠিত হয়, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত হয় এবং এর জীবনধারা সংজ্ঞায়িত হয়। উম্মাহর ব্যক্তিরা এই সংস্কৃতির মাধ্যমে একটি অভিন্ন ধারায় গড়ে ওঠে, যার ফলে উম্মাহ অন্যান্য জাতি থেকে স্বতন্ত্র হয়ে ওঠে। এই সংস্কৃতি হলো: উম্মাহর বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ (আকিদা) এবং এই মতবাদ থেকে উদ্ভূত বিধি, সমাধান ও ব্যবস্থা। এটি হলো এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা জ্ঞান ও বিজ্ঞান, সেইসাথে এই বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাবলী, যেমন উম্মাহর জীবনচরিত (সিরাত) ও ইতিহাস। যদি এই সংস্কৃতি বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে এই উম্মাহ একটি স্বতন্ত্র উম্মাহ হিসেবে বিলীন হয়ে যাবে; ফলে এর লক্ষ্য ও জীবনধারা পরিবর্তিত হবে, এর আনুগত্যের কেন্দ্রবিন্দু সরে যাবে এবং এটি অন্যান্য জাতির সংস্কৃতি অনুসরণ করতে গিয়ে পথভ্রষ্ট হবে।
ইসলামী সংস্কৃতি হলো ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ (তথা আকীদা) দ্বারা অনুপ্রাণিত জ্ঞান (معارف)। এই জ্ঞান ইসলামী মতবাদকে অন্তর্ভুক্ত করে কি না, যেমন ‘তাওহীদ’ সংক্রান্ত জ্ঞান; অথবা এটি বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদের উপর ভিত্তি করে গঠিত কি না, যেমন ফিকহ (আইনশাস্ত্র), কুরআনের তাফসীর এবং হাদিস; অথবা এটি ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ (তথা আকীদা) থেকে উদ্ভূত নিয়মাবলী বোঝার জন্য একটি পূর্বশর্ত কি না, যেমন ইসলামে ইজতিহাদের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান, যেমন আরবি ভাষার জ্ঞান, হাদিস শাস্ত্রের পরিভাষা এবং উসুলুল ফিকহ (আইনশাস্ত্রের মূলনীতি)। এই সবকিছুই ইসলামী সংস্কৃতির অংশ, কারণ ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ (আকীদা)ই এর গবেষণার চালিকাশক্তি। একইভাবে, ইসলামী উম্মাহর ইতিহাসও এর সংস্কৃতির একটি অংশ, কারণ এতে তার সভ্যতা, ব্যক্তিত্ব, নেতা এবং আলেমদের সম্পর্কে সংবাদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রাক-ইসলামী আরবের ইতিহাস ইসলামী সংস্কৃতির অংশ নয়, তবে প্রাক-ইসলামী আরবের কবিতাকে এই সংস্কৃতির অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, কারণ এতে এমন প্রমাণ রয়েছে যা আরবি ভাষার শব্দ ও বাক্য গঠন বুঝতে সাহায্য করে এবং ফলস্বরূপ ইজতিহাদ, কুরআনের তাফসীর ও হাদিস বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
উম্মাহর সংস্কৃতি তার ব্যক্তিদের চরিত্র গঠন করে। এটি ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিকে সংগঠিত করে এবং (তা দ্বারা) বস্তু, বক্তব্য ও কাজ বিচার করার পদ্ধতিকে গঠন করে, ঠিক যেমন এটি তার প্রবণতাগুলোকে গঠন করে, যার ফলে (এই সংস্কৃতি) তার মানসিকতা, স্বভাব (নাফসিয়্যা) এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। সুতরাং, সমাজে উম্মাহর সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিস্তার করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সোভিয়েত ইউনিয়ন ঐতিহাসিকভাবে তার সন্তানদের কমিউনিস্ট সংস্কৃতির ওপর গড়ে তুলেছিল এবং তার সংস্কৃতিতে পুঁজিবাদী বা ইসলামী চিন্তাধারার কোনো অনুপ্রবেশ রোধ করার চেষ্টা করেছিল। সমগ্র পশ্চিমা বিশ্ব তার সন্তানদের এমন পুঁজিবাদী সংস্কৃতির ওপর লালন-পালন করেছে যা জীবন থেকে ধর্মকে বিচ্ছিন্ন করার নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তারা সেই ভিত্তির ওপর তাদের জীবনকে সংগঠিত ও প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং যুদ্ধ করেছে—যেমনটি তারা আজও করে চলেছে—যাতে ইসলামী সংস্কৃতি তাদের মতবাদ ও সংস্কৃতিতে প্রবেশ করতে না পারে। ইসলামী রাষ্ট্র তার সন্তানদের মধ্যে ইসলামী সংস্কৃতিকে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইসলামী বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয় এমন কোনো চিন্তাধারার প্রচার থেকে সবাইকে বিরত রেখেছে। রাষ্ট্র দাওয়াহ ও জিহাদের মাধ্যমে তার সংস্কৃতিকে অন্যান্য রাষ্ট্র ও জাতির কাছেও পৌঁছে দিয়েছে। এটি ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ না আল্লাহ পৃথিবী এবং তার উপর বসবাসকারী সকলকে উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করেন (অর্থাৎ কেয়ামত দিবস পর্যন্ত)।
উম্মাহর সংস্কৃতি সংরক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিশ্চয়তা হলো, এর সংস্কৃতি তার সন্তানদের হৃদয়ে মুখস্থ থাকবে এবং বইপত্রে সংরক্ষিত থাকবে। এর পাশাপাশি উম্মাহর উপর একটি রাষ্ট্র থাকবে, যা এই সংস্কৃতির বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ থেকে উদ্ভূত নিয়মকানুন অনুযায়ী এর বিষয়াদি পরিচালনা ও দেখাশোনা করবে।
শিক্ষা হলো উম্মাহর সংস্কৃতিকে তার সন্তানদের হৃদয়ে এবং বইয়ের পাতায় সংরক্ষণ করার একটি পদ্ধতি, তা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাক্রমই হোক না কেন। শিক্ষাক্রম বলতে বোঝায় রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা ও নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শিক্ষা, যার বাস্তবায়নের দায়িত্ব রাষ্ট্রের উপর ন্যস্ত থাকে, যেমন শিক্ষার শুরুর বয়স, অধ্যয়নের বিষয় এবং শিক্ষাদান পদ্ধতি নির্ধারণ করা। অন্যদিকে, অনানুষ্ঠানিক শিক্ষাক্রম মুসলমানদের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়, যাতে তারা ঘরে, মসজিদে, ক্লাবে, গণমাধ্যমের মাধ্যমে, সাময়িক প্রকাশনার মাধ্যমে ইত্যাদি ক্ষেত্রে শিক্ষা দিতে পারে, যা শিক্ষাক্রমের সংগঠন ও নীতিমালার অধীন নয়। তবে উভয় ক্ষেত্রেই, রাষ্ট্র এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ যে (শিক্ষিত) চিন্তাভাবনা এবং জ্ঞান হয় ইসলামি বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ থেকে উদ্ভূত হবে অথবা তার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠবে। আমরা এখানে খিলাফত রাষ্ট্রের শিক্ষাক্রমের ভিত্তিগুলো উপস্থাপন করছি।
২. খিলাফত রাষ্ট্রে শিক্ষা নীতি এবং এর সংগঠন
খিলাফত রাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষা পাঠ্যক্রম সম্পর্কিত শরীয়াহ বিধি এবং প্রশাসনিক নীতিমালার সমষ্টি নিয়ে গঠিত। শিক্ষা সম্পর্কিত শরীয়াহ বিধিগুলো ইসলামী আকীদা থেকে উদ্ভূত এবং সেগুলোর শরীয়াহভিত্তিক প্রমাণ রয়েছে, যেমন অধ্যয়নের বিষয়বস্তু এবং ছাত্র ও ছাত্রীদের মধ্যে পৃথকীকরণ। আর শিক্ষা সম্পর্কিত প্রশাসনিক নীতিমালা হলো সেই অনুমোদিত উপায় ও পদ্ধতি, যা ক্ষমতায় থাকা শাসক এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য উপকারী বলে মনে করেন। এগুলো পার্থিব বিষয়, যা শিক্ষা সম্পর্কিত শরীয়াহ বিধি এবং উম্মাহর মৌলিক চাহিদা বাস্তবায়নের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে হওয়া অনুযায়ী বিকাশ ও পরিবর্তনের অধীন। একইভাবে, এগুলো অন্য জাতির অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং অনুমোদিত গবেষণা থেকে গ্রহণ করা যেতে পারে।
শরিয়াহ বিধি ও প্রশাসনিক কানুনসমূহের এই ব্যবস্থার জন্য এমন একটি বিকল্প কাঠামোর প্রয়োজন, যা খিলাফত রাষ্ট্রে শিক্ষার মৌলিক উদ্দেশ্যগুলো অর্জনে সক্ষম হবে, অর্থাৎ ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠন করতে পারবে। এই কাঠামোটি পাঠ্যক্রম নির্ধারণ, যোগ্য শিক্ষক নির্বাচন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং স্কুল, ইনস্টিটিউট ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগার ও শিক্ষামূলক উপকরণ সরবরাহসহ শিক্ষার সমস্ত দিকের তত্ত্বাবধান, সংগঠন এবং হিসাবরক্ষণের দায়িত্ব পালন করে।
আমরা এখন ‘সংবিধানের ভূমিকা’ (মুকাদিমাত আদ-দুস্তুর) থেকে ‘শিক্ষা নীতির’ বেশিরভাগ ধারা উপস্থাপন করছি, যা হলো ইসলামি রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধান।
ধারা ১৭০
ইসলামী আকীদাহ্ হবে শিক্ষা নীতির মূল ভিত্তি। পাঠ্যসূচী এবং শিক্ষার পদ্ধতি এমনভাবে পরিকল্পিত হবে যাতে এই মূল ভিত্তি থেকে বিচ্যূত হবার কোন সুযোগ না থাকে।
ধারা ১৭১
শিক্ষা নীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যক্তির চিন্তা ও চরিত্রকে ইসলামী ব্যক্তিত্বের রূপদান করা। পাঠ্যসূচীর অন্তর্গত সকল বিষয়েরই এ ভিত্তির উপর গভীরভাবে প্রোথিত থাকা আবশ্যক।
ধারা ১৭২
শিক্ষার লক্ষ্য হচ্ছে ইসলামী ব্যক্তিত্ব গঠন করা এবং জীবনের প্রয়োজনীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে জনগণকে শিক্ষা দান করা। শিক্ষার পদ্ধতি এ লক্ষ্য পূরণের জন্য পরিকল্পিত হবে এবং এই লক্ষ্য পূরণ থেকে বিচ্যুত অন্যকোন পদ্ধতিতে নিবৃত্ত করা হবে।
ধারা ১৭৩
ইসলামী সংস্কৃতি ও আরবী ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সপ্তাহে ব্যয়কৃত সময় অন্য বিষয়গুলো শিক্ষার পিছনে ব্যয়কৃত সময়ের সমান হওয়া আবশ্যক।
ধারা ১৭৪
পরীক্ষালব্ধ বিজ্ঞান (empirical sciences) যেমন গণিত ও সাংস্কৃতিক বিষয়গুলোর (cultural subjects) মধ্যে সুস্পষ্ট বিভাজন থাকা আবশ্যক। পরীক্ষালব্ধ বিজ্ঞান এবং এর সাথে সম্পর্কিত যেকোন বিষয় অবশ্যই প্রয়োজন অনুসারে শেখানো হবে এবং কোন নির্দিষ্ট স্তরে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। অপরদিকে, সাংস্কৃতিক বিষয়গুলো প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে অবশ্যই ইসলামী ধারণা ও বিধিবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী শেখানো হবে। উচ্চশিক্ষার স্তরে এ বিষয়গুলো একটি নির্দিষ্ট বিষয়রূপে এমনভাবে শেখানো যেতে পারে, যাতে করে তা কোনক্রমেই উক্ত নীতিমালা ও শিক্ষার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হয়।
ধারা ১৭৫
শিক্ষার সকল স্তরে অবশ্যই ইসলামী সংস্কৃতি শিক্ষা দিতে হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে চিকিৎসা, প্রকৌশল, পদার্থবিদ্যা এবং অন্যান্য বিষয়ের মত ইসলামী সংস্কৃতির বিভিন্ন বিভাগ প্রবর্তন করা হবে।
ধারা ১৭৬
কারিগরী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মত বিষয়গুলো একদিকে বিজ্ঞানের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে, যেমন: ব্যবসা প্রশাসন, নৌবিদ্যা ও কৃষিবিদ্যা ইত্যাদি। এ ধরনের বিষয়গুলো কোনরূপ সীমাবদ্ধতা বা শর্ত ছাড়াই শেখানো হবে। তারপরও মাঝেমধ্যে কারিগরী ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতির সাথে সম্পৃক্ত এবং একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গী দ্বারা প্রভাবিত থাকতে পারে, যেমন চারুশিল্প (অঙ্কন শিল্প) ও ভাস্কর্য। এ সকল ক্ষেত্রে যদি এগুলো ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবে এ বিষয়গুলো শেখানো যাবে না।
ধারা ১৭৭
একমাত্র রাষ্ট্র প্রণীত শিক্ষা পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম অনুমোদন করা হবে এবং অন্য কোন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। বেসরকারী বিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি থাকবে, তবে এগুলো বিদেশী হতে পারবে না, এবং তাদের অবশ্যই রাষ্ট্রের প্রণীত শিক্ষা পাঠ্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, শিক্ষানীতির উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং রাষ্ট্র নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয় ক্ষেত্রেই, নারী-পুরুষ মেলামেশা করতে পারবে না। এছাড়া, এসকল বিদ্যালয় কোন ধর্ম, গোত্র বা বর্ণের লোকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকতে পারবে না।
ধারা ১৭৮
নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিককে জীবন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয় শিক্ষা দান রাষ্ট্রের বাধ্যতামূলক দায়িত্ব। অন্ততঃ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত এটি সবার জন্য বিনামূল্যে প্রদান করতে হবে। রাষ্ট্রের সর্বাত্মক চেষ্টা করা উচিত যাতে করে সবাই বিনামূল্যে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ অব্যাহত রাখতে পারে।
ধারা ১৭৯
রাষ্ট্রকে বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে যথেষ্ট পরিমাণ পাঠাগার এবং পরীক্ষাগার সহ জ্ঞান বৃদ্ধির সুবিধাসমূহের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে যারা ফিক্হ, হাদীস, তাফসীর, চিকিৎসা, প্রকৌশল, রসায়নবিদ্যা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে চায়, তারা তা করতে পারে। রাষ্ট্রের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মুজতাহিদ, সৃজনশীল বিজ্ঞানী ও আবিস্কারক তৈরী করার লক্ষ্যে এটি করা হবে।








