# RETURN OF ISLAM > IDEAS CAN'T BE DESTROYED, THEY LIVE ON ## Posts - [Lessons from Hajj (পবিত্র হজ্ব হতে আমরা কী শিখব?)](https://returnofislam.com/2008/12/03/lessons-from-hajj/): “For Hajj are the months well known. If anyone undertakes that duty therein let there be no obscenity or wickedness nor wrangling in the Hajj. And whatever good you do Allah knows it. And take a provision for the journey but the best of provisions is right conduct. So fear Me. O Men of understanding.” [TMQ Al-Baqarah: 197] Dear brothers and sisters, the days of Hajj are upon us! May Allah (swt) reward those amongst us who have left and enable those who were unable to undertake this blessed journey to fulfil it in the future. For it is an obligation ... Read more - [Should we be 'Ramadhan Muslims'?](https://returnofislam.com/2008/08/27/should-we-be-ramadhan-muslims/): The great month of Ramadhan is upon us; the month, during which the gates of mercy are wide open, the gates of hell are shut and the shayateen are chained up. It is a month chosen by Allah (Subhanahu wa ta’aala) as a month of fasting; an act of ibadat that Allah (Subhanahu wa ta’aala) made special to Him. He (Subhanahu wa ta’aala) favoured this month over all other months by making it the month of mercy and reverence for all the believers. This month is the most superior of months in which Allah (Subhanahu wa ta’aala) revealed the Qur’an. Also, ... Read more - [Only the return of the Khilafah will silence those who attack Islam](https://returnofislam.com/2008/04/05/only-the-return-of-the-khilafah-will-silence-those-who-attack-islam/): Thursday, 03 April 2008 This week has seen new heights of arrogance as the Dutch MP Geert Wilders has released a film that attacks Islam, in particular the Noble Quran. Wilders has called for a ban on the Quran in the name of the defence of “freedom”. It is this “freedom” that he and others use to uphold the release of this film, which like the disgusting Danish cartoons, was designed to offend, provoke and incitehatred towards Islam and Muslims. This is the same “freedom” they wish every Muslim country to adopt as their values system though it is far away ... Read more - [Adopting Secularism in Government is Apostasy from Islam](https://returnofislam.com/2007/08/17/adopting-secularism-in-government-is-apostasy-from-islam/): The following is a translation of an old leaflet but is still useful and applicable today. Najmuddine Arbakan, president of the so called Islamic Welfare (Rafah) party, was appointed on Friday 12th Safar 1417 A.H./ 28th June 1996 to the office of Prime Minister of Turkey, in a coalition with the woman Tansu Chiller, president of the “True Path” party, which is a secular, non religious party. This occurred in the wake of a deal which had been concluded between them in the following manner: 1- The Prime Ministerial post will be held alternately between them, on condition that Arbakan resumes ... Read more - [Abu Ismael al-Beirawi : The Dar Paradigm and Identity](https://returnofislam.com/2007/08/15/abu-ismael-al-beirawi-the-dar-paradigm-and-identity/): Khilafah has sent you a link to a blog: Blog: Abu Ismael al-BeirawiPost: The Dar Paradigm and IdentityLink: http://abuismael.blogspot.com/2007/08/dar-paradigm-and-identity.html —Powered by Bloggerhttp://www.blogger.com/ - [Seeking our rights under a non-Islamic system](https://returnofislam.com/2007/08/10/seeking-our-rights-under-a-non-islamic-system/): Question: Is it permitted for us to seek our rights under a non-Islamic system, for example are we allowed to go through the courts under a Kufr system? If so, what are the conditions for this. Answer: 1. The person has the right to demand for his right and to demand for removing the injustice away from him and to defend himself by proving his right and removing the injustice away from him. He has the right to delegate another person (such as a solicitor) to do that on his behalf. 2. Such right has to be approved by the Shar’a ... Read more - [Going to cinema & watching licentious films?](https://returnofislam.com/2007/07/27/going-to-cinema-watching-licentious-films/): Q&A: Going to cinema & watching licentious films? The following is a draft translation from Arabic. Question: Is it allowed to go to the cinema and watch ordinary films? Is it allowed to watch sexy licentious films, knowing that it is watching pictures and not real bodies? What is our duty towards the Muslim who watches such films: do we order and forbid him, or leave him to do what he wants? Answer: It is allowed to go to the cinema to watch serious beneficial films, on condition that the rows of women in the hall should be separated from those ... Read more - [তারকা বিভ্রম আর দ্বৈতচারিতা](https://returnofislam.com/2012/11/13/fame-illusion-and-hypocrisy/): আজকাল চারদিকে তারকার ছড়াছড়ি। এখন চাইলেই খুব সহজে যে কেউ তারকা বনে যেতে পারে। রূপালী পর্দার তারকা, ক্রীড়াতারকা, রিয়েলিটি শো তারকা, সঙ্গীত তারকা। কেননা মানুষের স্বেচ্ছাচারিতা, গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানো, হুজুগ আর অন্ধ অনুকরন আজ ব্যবসার আসল মূলধন। আর এসব নিপতিত বৈশিষ্ঠ্য কেবল এটাই জানান দেয়, মানুষের চিন্তা-চেতনা আর বিবেকবোধ লোপ পেয়েছে আর তারা তাদের চিন্তাশীলতা আর মননকে বন্ধক দিয়েছে মিডিয়ার কাছে। ছোট্ট একটা উদাহরন দেই, যা আমি প্রায় সময়ই দেই। সমকামিতা: আজ থেকে এক দশক আগেও পশ্চিমা কিছু কুকুর ব্যতীত অধিকাংশ মানুষের কাছেই তা ছিলো ঘৃন্য এক কাজ। অথচ মিডিয়ার জঘন্য মিথ্যাচারিতা আর প্রতারনার ধারাবাহিক ফলস্বরূপ আজ অধিকাংশ মানুষই এই ... Read more - [কান্ডারী: নৈরাশ্যতা পেরিয়ে আশার আলোয়](https://returnofislam.com/2012/11/11/overcoming-defeatism/): নৈরাশ্য: ১) রিকশায় চড়ছিলাম। রিকশার চালকের বয়স ষাটোর্ধ্ব। হঠাৎ মনে প্রচন্ড এক ভাবনা এলো; রিকশা চালাতে সক্ষম এমন বয়সে আমি যাত্রী আর জীবনের শেষপ্রান্তে অবসরে সময়কাটানোর বয়সে ওই ব্যক্তি রিকশা চালানোর মতো পরিশ্রমের কাজ করছেন। হঠাৎ এ পরিস্থিতির সাথে মুসলিম উম্মাহ্’র বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে ভাবছিলাম। কয়েকদিন আগেও সিরিয়ায় এক বয়োবৃদ্ধ যিনি ইউটিউবে তার ভিডিও শেয়ার দিয়েছিলেন; শাহাদাহ [ইনশা’আল্লাহ] বরন করেছেন কিংবা এমন হাজারো বয়োবৃদ্ধ যাদের রক্ত কেবল তাদের প্রতিপালক আল্লাহ্; এই স্বীকারোক্তি দানের কারনে প্রবাহিত হচ্ছে অথচ এক্ষেত্রে তরুণদের নির্বিকার আচরণ পীঁড়া দেয়। ২) মাসজিদে ইকামাত আস-সলাত দানের তাৎপর্য বেশ। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই দেখি মাসজিদে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটির আন্জাম দেন ... Read more - [ফিরাসাহ্ [অন্তর্দৃষ্টি]](https://returnofislam.com/2012/10/06/firaasah/): প্রকৃতপক্ষে, ফিরাসাহ্’র স্বরুপ হলো কোন তীক্ষ্ন চিন্তা অন্তরে প্রবেশ করা এবং মতামতের উপর তা প্রবলতর হওয়া। এটা অন্তরের উপর এত বেশী প্রভাব বিস্তার করে যেভাবে সিংহ তার শিকারের উপর। - [নূরুদ্দীন জঙ্গী ও ইহুদী চক্রান্ত](https://returnofislam.com/2012/10/06/nuruddin-janki/): ইতিহাসের সোনালী পাতায় যেসব মনীষীদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে, সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) ছিলেন তাদের অন্যতম। হিজরী ৫৫৭ সালের একরাতের ঘটনা। সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) তাহাজ্জুদ ও দীর্ঘ মুনাজাতের পর ঘুমিয়ে পড়েছেন। চারিদিক নিরব নিস্তব্দ। কোথাও কোন সাড়া-শব্দ নেই। এমতাবস্থায় হঠাৎ তিনি স্বপ্নে দেখলেন স্বয়ং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কামরায় উপস্থিত। তিনি কোন ভূমিকা ছাড়াই দু’জন নীল চক্ষু বিশিষ্ট লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, (নূরুদ্দীন) মাহমূদ!  (এরা আমাকে বিরক্ত করছে),  এ দুজন থেকে আমাকে মুক্ত কর। এই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গোটা কক্ষময় পায়চারি করতে লাগলেন। ... Read more - [অত্যাচারী বাশারের বিরুদ্ধে দু’আ কুনূত](https://returnofislam.com/2012/09/11/oppressor-basshar/): Dua Qunut against the tyrant Bashar  অত্যাচারী বাশারের বিরুদ্ধে দু’আ কুনূত يا هَادِيَا مِنَ الضَلالَةِ، يَا نَاصَر الفِئَةِ القَلِيلَةِ عَلَى الفِئَةِ الكَثِيْرَةِ، اللّهُمَّ عَجِلَ بالفَرْجِ، اللّهُمَّ يَسِّرْ نُصْرَةَ دِيْنِكَ، اللّهُمَّ انْصُرْ حَمْلَةَ دَعْوَتِكَ فِي كُلِّ مَكَانٍ، ইয়া হা-দিয়া- মিন আদ-দোয়ালা-লাহ, ইয়া না-সিরা আল-ফিআতিল কালী-লাতি ’আলাল ফিআতিল কাছী-রাহ, আল্লাহুম্মা আযিলা বিল-ফারজ, আল্লাহুম্মা ইয়াস্সির নুসরাতা দী-নিক, আল্লাহুম্মানসুর হামলাতা দাওয়াতিকা ফী কুল্লি মাকা-ন O Who guides against misguidance, O Who gives victory to the small group over the large group, O Allah hasten relief, O Allah facilitate the Nussrah of your deen, O Allah help the carriers of your Da’wa everywhere. اللّهُمَّ انْتَقِمْ مِنْ ... Read more - [বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে জনদুর্ভোগ ও ইসলামের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/09/05/electricity-price-hike/): বর্তমানে মার্কিন-ব্রিটিশ-ভারতের তাবেদার শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে একের পর এক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছে তাতে করে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে নাগালের বাইরে। ক্ষমতায় আসার পর এ সরকার কর্তৃক পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির হার এখন র্পযন্ত ২.৩৪ থেকে ৫.৬১ যা দিগুনেরও বেশি। এবার আরো একধাপ এগিয়ে ৩০ শতাংশ হারে দাম বাড়লে এ মূল্য দাঁড়াবে ৭.২৯ টাকায় যা প্রায় তিনগুন। শহরাঞ্চলের আবাসিক গ্রাহকরা যদি ৪০০ ইউনিটের মধ্যে ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন তাহলে ৩৫ শতাংশ হারে দাম বাড়লে প্রতি ইউনিটের জন্য তাদের গুণতে হবে ৫.৭৯ টাকা। আর ৪০০ ইউনিট কোনোভাবে পার হয়ে গেলে প্রতি ইউনিটের জন্য দিতে হবে ১০.৬১ টাকা। যা আসলে বিশাল এক জুলুম। অনুসন্ধানে দেখা ... Read more - [বিশ্বব্যাপী পূঁজি বাজারের ধস, পূঁজিবাদের ব্যর্থতা এবং খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/09/02/fall-of-capitalism/): বিশ্বঅর্থনীতি পতনের ঘটনা প্রবাহ : বর্তমান বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সমস্যার কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরা হলো : ৪ এপ্রিল- ২০০৭      :   নিউসেঞ্চুরী লিমিডেট নামের মার্কিন সাব-প্রাইম মর্গেজ ব্যাংক দেউলিয়া ঘোষণা। মে- ২০০৭                :   এক মাসের মধ্যে প্রায় ২৫টি সাব-প্রাইম মর্গেজ ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়ে।মে-২০০৭                 :  এর এক সপ্তাহের মাঝে আর্থিক বাজারের মোট ক্ষতির পরিমান দাড়ায় প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার। জুন-২০০৭               :    শুরু হয় তারল্য সংকট এবং ঋণ প্রদান বন্ধ করে দেয় অনেক ব্যাংক। একেই বলা হয় credit crunch ফেব্রুয়ারী-২০০৮    :    Citi Group Credit মার্কেটে loss করে প্রায় ৪০.৭ বিলিয়ন ডলার, HSBC ব্যাংক এর ক্ষতির পরিমান ১৫.৫ বিলিয়ন, Merrill Lynch এর ক্ষতির পরিমান দাড়ায় ৩১.৭ বিলিয়ন। মার্চ- ... Read more - [ইসলামের জন্য রাজনৈতিক সংগ্রাম](https://returnofislam.com/2012/09/02/pollitical-strugle-for-islam/): ১. সূচনা খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদেরকে অবশ্যই রাজনৈতিক সংগ্রাম (Political Struggle) করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায়ের (Cultural stage) কাজের স্বাভাবিক এবং অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হচ্ছে রাজনৈতিক সংগ্রামের পর্যায়। যেহেতু বাংলাদেশে আমাদের এই সংগ্রামের পর্ব শুরু হয়েছে, তাই আমাদেরকে এই বিষয় সম্পর্কে সুগভীর ধারণা থাকা প্রয়োজন। এই নিবন্ধ রাজনৈতিক সংগ্রাম সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দিবে এবং পরবর্তীতে আমরা ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক সংগ্রামের অন্যান্য দিক নিয়ে আরো আলোচনা করবো। সবার সুবিধার্থে আমার আলোচনাকে আমি চারটি ভাগে ভাগ করেছি: ১. রাজনৈতিক সংগ্রাম কি? (Definition of  Political Struggle)২. রাজনৈতিক সংগ্রামের বিভিন্ন দিক (Aspects of  Political Struggle)৩. ইসলামে রাজনৈতিক সংগ্রাম (Political Struggle in Islam) ৪. রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের বৈশিষ্ট্য ... Read more - [বরফের মতোই গলে যাওয়া...](https://returnofislam.com/2012/08/30/melt-like-ice/): আজকে অফিসে আসার সময় দেখলাম অনেক গুলো বড় বড় বরফের খন্ড একটি পিকআপে করে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের গন্তব্য সম্ভবত কাওরানবাজার। গাড়ি থেকে প্রতি মূহুর্তে বরফ গলে গলে পরছে। পথিমধ্যে জ্যামে পরলো গাড়ি। এবার প্রায় অঝোর ধারায় পানি পরছে। মোটা মোটা বরফের খন্ড গুলো ধীরে ধীরে চিকন আর পাতলা হয়ে আসছে। কয়েকদিন আগে ইফতার কেনার জন্য বাইরে বের হয়েছি ঠিক ইফতারের আগ মুহূর্তে। ইফতারের বিভিন্ন পসরা সাজিয়ে রাস্তার দু’ধারে অনেক দোকান। এর পাশে ছোট দু’টি দোকানী দেখলাম বরফও বিক্রি করছে। প্রচন্ড গরমের দিনে রোজা এলে তখন বরফের বিক্রিও বেড়ে যায়। অবশ্য গরম এবার অতো বেশি না হওয়ায় তাদের বরফ অতো বিক্রি হচ্ছে ... Read more - [একজন মুসলিমের দুটো আবশ্যক থাকা গুনাবলী আর কিছু কথা](https://returnofislam.com/2012/08/30/muslim_attributes/): إنَّ الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له ، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأن محمدا عبده ورسوله .. أما بعد السلام عليكم ورحمة الله وبركاته [আমার ব্যক্তিগত আত্মোপলদ্ধি ; এই লেখা কারো সমালোচনা নয়] আমরা অনেকেই আকীদাগতভাবে এবং আমলের দিক থেকে উন্নয়নের জন্য প্রতিনিয়ত প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আলহাদুলিল্লাহ্। আমাদেরকে আল্লাহ্ সুবহানুহ্ তাআলা দ্বীন শিখার নিষ্ঠা দান করেছেন এবং আমরা দ্বীনের সৌন্দর্য বুঝতে শিখেছি। আমি আমার সকল ভাই-বোনদের যে দুটো গুণাবলীর কথা বলছি, তা আমাদের বেশ গোচরে থাকা ... Read more - [খাব্বাব বিন আল-আরাত (রা) এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2012/07/31/khabbab/): খাব্বাব ইবনুল আরাত (রা) বনু তামিমের এক সন্তান। অন্য এক গোত্রের আক্রমণে তাঁর গোত্রটি পরাজিত হয়। আক্রমণকারীরা পুরুষদেরকে হত্যা করে এবং নারী ও ছোট ছেলেমেয়েদেরকে দাসে পরিণত করে। খাব্বাব (রা) ছিলেন ছোটদের একজন। হাত বদল হয়ে তিনি পৌঁছেন মক্কার বাজারে। বনু খুজায়া’র উম্মু আন্‌মার নামের এক মহিলা তাঁকে কিনে নেয়। উম্মু আন্‌মার তাঁকে কর্মকারের কাজে নিয়োজিত করে। একজন সৎ ও কর্মঠ তরুণ রূপে তিনি গড়ে ওঠেন। যুবক খাব্বাব (রা) জানতে পারলেন যে, মুহাম্মাদ (সা) নামক এক ব্যক্তি নতুন দীন প্রচার করছেন। খোঁজ করে করে তিনি পৌঁছলেন মুহাম্মাদুর রাসূল (সা)-এর কাছে। তাঁর মুখে আল কুরআনের বাণী শুনে তিনি মুগ্ধ হন। তিনি ইসলাম ... Read more - [সায়্যিদ কুতুব ও জেলখানার ইমাম](https://returnofislam.com/2012/07/31/sayyid-qutb-prison-imam/): মিশরের শীর্ষ ইসলামি ব্যক্তিত্ব আল্লামা সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমা তাইয়্যিবার ব্যাখ্যা লেখা ও ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা সংবলিত একটি কিতাব লিখার কারণে তৎকালীন মিসরের স্বৈরশাসক তাকে ফাঁসি দিয়ে শহীদ করেছিলো। ফাঁসির আগের রাতে সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমা পড়ানোর জন্য জেলের ইমামকে পাঠানো হলো। জেলের ইমাম এসে আল্লামা সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমার তালকিন দেয়ার চেষ্টা করতে লাগলেন। তাকে দেখে সায়্যিদ কুতুব জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কি জন্য এখানে এসেছেন? ইমাম বললেন, আমি আপনাকে কালিমা পড়াতে এসেছি। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আগে আসামীকে কালিমা পড়ানো আমার দায়িত্ব। সায়্যিদ কুতুব বললেন, এই দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে? ইমাম বললেন, সরকার দিয়েছে। সায়্যিদ কুতুব বললেন, ... Read more - [মানব রচিত জীবন ব্যবস্থার এই সমাজ যেন বড় আকারের জেলখানা](https://returnofislam.com/2012/07/31/manmade-social-prison/): রমজানের ঈদের তিন দিন পর ভ্যান গাড়িতে করে কলা বিক্রেতার কাছ থেকে দুই ডজন পাকা সাগর কলা কিনেছি। ত্রিশ টাকা করে ষাট টাকা। হালি প্রতি পরেছে ১০ টাকা। দাম-দর করলে আরেকটু কমানো যেতো বোধহয়। এই কলাই রমজানে কিনতে হয়েছে ষাট টাকা ডজন হিসেবে। এর পর দিন দেখলাম আরেকজন বিক্রেতা ভ্যান গাড়িতে করে সাগর কলা বিক্রি করছে। হালি আট টাকা করে দাম চাচ্ছে। দাম-দর করিনি। ৬টাকা করে বললেও হয়তো দিয়ে দেবে। কারণ তার ভ্যান ভর্তি পাকা কলায়। আজকের মধ্যে বিক্রি করতে না পারলে পচে যাবে। লস হবে। গত বছর রমজানের ঈদের কথা মনে পরে। ঈদের কয়েকদিন পর ঢাকার ফার্মগেট থেকে একইভাবে ভ্যানে ... Read more - [রমজান এর শিক্ষা](https://returnofislam.com/2012/07/30/lessons-of-ramadan/): সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার যিনি রমজান কে সকল মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বানিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে আমাদের কে এই পবিত্র মাসে আবারও অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের কে এই মাসে ব্যাপক নফল, সাদাকা, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির (আল্লাহ্‌কে স্মরন করা), তারাবীহ-তাহাজ্জুদ ইত্যাদি আদায়ের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জনের প্রশিক্ষন নিতে বলেছেন। রমজান মাস মুমিনদের জন্য নিজেদের কে সারা বছরের জন্য প্রস্তুতি, আমর বিল মারুফ ওয়া নাহি আনিল মুনকার (সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ) এর প্রশিক্ষন, সবর (ধৈর্য) বা জুহদ (সংযম) এর জন্য নিজেদেরকে ঝালাই করে নেওয়ার, শক্তি অর্জন বা নিজেদের গুনাহ মাফের জন্য ... Read more - [যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব কি আসল?](https://returnofislam.com/2012/07/01/usa-iran-conflict/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ব্যাপক সম্পদরাজি, ভূ-রাজনৈতিক গুরত্ব ও অপরিশোধিত তেলের সর্ববৃহৎ উৎসের কারণে গত একশত বছর ধরে বিভিন্ন শক্তির সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আর এখানে ইরান অবশ্যই একটি গুরত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে পরিগণিত। একারণে যে শক্তি ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করবে এই অঞ্চলের আধিপত্য তারই। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাক দখলের পর থেকেই বিভিন্ন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তাদের সমালোচনার শিকার হয়েছে ইরান এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের যুদ্ধের হুমকির মুখে পড়েছে। ২০০২ সালে বুশের স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে শয়তানের অক্ষশক্তি ঘোষণার পর থেকে জর্জ বুশ ইরানের সাথে যে কোন সম্পর্ক রাখার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল। ... Read more - [মুসলিম বিশ্বের জন্য দুবাই কি এখন নতুন অর্থনৈতিক মডেল ?](https://returnofislam.com/2012/06/30/muslim_dubai_role_model/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) দুবাইকে মুসলিম বিশ্বের জন্য অনুকরণীয় নতুন অর্থনৈতিক সফলতা হিসেবে তুলে ধরা হয়। অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ের মধ্যে দুবাইয়ের ৪৬ বিলিয়ন ডলারের সৃজনশীল রিয়েল এস্টেট এবং খেলাধুলা আয়োজনের ভিত্তিতে গড়ে উঠা অর্থনীতি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়। অনেক অর্থনীতিবিদ জোর দিয়ে বলেছেন, তেল থেকে আলাদা এ অর্থনীতি অত্র অঞ্চলের জন্য উন্নয়নের নতুন তত্ত্ব উপস্থাপন করেছে এবং এটা ইসলামিক ধারার অর্থনৈতিক উন্নয়ন। উপসাগরীয় যুদ্ধের পর দুবাইকে তেল থেকে উপার্জিত অর্থের মাধ্যমে মুক্ত বাণিজ্য ও পর্যটনের দিকে উৎসাহিত করা হয়। যাবিল আলী ফ্রি জোনের সাফল্যকে সামনে রেখে দুবাই ইন্টারনেট সিটি, দুবাই ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/06/30/nationalism-beginning/): “এক জাতি, এক ভূমি”- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই জাতি সিংহাসন হারানোর পর আজ হতবিহ্বল ও দিশেহারা। মুসলিম বিশ্বের বর্তমান বাস্তবতা হলো বিভক্তি, কোন্দল, অত্যাচার আর পশ্চাৎপদতা। বিশ্বনেতৃত্বের আসন হারানোর পর এই বহুধাবিভক্ত মুসলিম উম্মাহর আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক এজেন্ডা বর্তমানে নির্ধারিত হয় পুঁজিবাদী পশ্চিমা কুফর সভ্যতার দ্বারা। খিলাফতের পতন পরিবর্তীতে যতই জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনা মুসলিম দেশগুলোর ভেতর প্রসারিত হচ্ছিল, ততই বিদেশী শক্তির দ্বারা পতিত এই সভ্যতা শোষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল যা এখনো পর্যন্ত বর্তমান আছে। আমরা আরো দেখতে পেয়েছি সর্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার তাগিদে পশ্চিমা সভ্যতা নতুন ... Read more - [মুক্তবাজারের কারণেই কি এশিয়ান টাইগারদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে?](https://returnofislam.com/2012/06/29/asian-_tiger_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এরং তাইওয়ানের ব্যাপক ও দ্রুত শিল্পায়নকে বুঝানোর জন্য ‘টাইগার’ অর্থনীতি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এই চার টাইগার অন্যান্য এশীয় অর্থনীতি-চীন এবং জাপানের সাথে অনেকক্ষেত্রে সাদৃশ্যপূর্ণ। যারা এশীয় ধাচের রপ্তানীমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথিকৃৎ। এই দেশসমূহ পশ্চিমা শিল্পোন্নত দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পণ্য উৎপাদন শুরু করে এবং সরকারী নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে। এ জাতিগুলোর দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, তাদের উন্নয়ন ছিল সম্পূর্ণ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত, সরকারী ভতুর্কি এবং রক্ষণশীল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ... Read more - [ঐতিহাসিকভাবে জাপানের উন্নয়ন ও বর্তমানে চীনের উন্নয়ন কি বিশ্বায়নের ফসল?](https://returnofislam.com/2012/06/28/japan_and_china_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) কথা বলা হয় যে, ঐতিহাসিকভাবে জাপান হল উদার অর্থনৈতিক আন্দোলনের সাফল্যগাঁথা-যারা মুক্তবাজার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল ও অর্ধশতাব্দীরও কম সময়কালের মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হয়। চীনের বর্তমান অগ্রগতির পেছনেও একই ধরণের কথা প্রচলিত আছে। যদিও সত্যিকারের ঘটনা যা বলা হচ্ছে মোটেও তা নয়। যেসব কৌশল গ্রহণ করার কারণে জাপানের অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তা উদারনীতি ও বিশ্বায়নের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। জাপান সরকার তার দেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় খাতসমূহকে বিকাশের জন্য বিদেশী প্রতিযোগিতা থেকে মুক্ত রেখেছে। বৈদেশিক মুদ্রা বন্টনের দায়িত্ব জাপানি সরকার স্বীয় অধিকারে রাখে-যার মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রনে রাখা, জাপানি ... Read more - [শিল্পোন্নত দেশসমূহের উন্নয়নের কারণ কি মুক্তবাজার ও মুক্ত বাণিজ্য?](https://returnofislam.com/2012/06/27/global-market-and-commerce-reason-for-development-of-developed-countries/): বৃটেনকে লাইসেজ ফেয়ার (laissez-faire) মতবাদ গ্রহণকারী রাষ্ট্র হিসেবে এবং তারাই একমাত্র মুক্তবাণিজ্য চর্চা করে থাকে বলে মনে করা হয় । বৃটেন সরকারী হস্তক্ষেপ ছাড়া অথবা খুব সামান্য হস্তক্ষেপের কারণে উন্নত একটি দেশ। তবে একথা বললে মিথ্যাবলা হবে না যে, এ রাষ্ট্রটিই সর্বপ্রথম নতুন গড়ে উঠা শিল্প সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দেশীয় শিল্পকে বিদেশী শিল্পের অসম প্রতিযোগিতার হাত থেকে রক্ষার জন্যই এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। ১৯০৭ সালে একজন ইতিহাসবেত্তা অর্থনীতিবিদ ব্রিসকো বাণিজ্য আইনের ১৭২১ সালের সংস্কারের সারমর্ম এভাবে তুলে ধরেন,‘দেশীয় উৎপাদনকারীদেরকে বিদেশী পন্য থেকে রক্ষা করতে হবে, উৎপাদিত পন্যের অবাধ রপ্তানী নিশ্চিত করতে হবে এবং যেখানে সম্ভব আর্থিক সুবিধা ... Read more - [ইসলামে কি কোন সরকারব্যবস্থা নেই?](https://returnofislam.com/2012/06/25/islamic_goverment_system/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) দীর্ঘ প্রায় চৌদ্দশত বছর ধরে এ ব্যাপারে কোন বিতর্ক ছিল না যে, ইসলামে কোন শাসনব্যবস্থা নেই। ১৯২৪ সালে যখন খিলাফত শাসনব্যবস্থা ধ্বংসের সম্মুখীন তখন এ প্রশ্নটি উত্থাপন করা হয়েছিল। এটা সে সময়ের কথা যখন অনেক ব্যক্তিই পশ্চিমা সংস্কৃতির কাছে আত্মসমর্পন করছিল এবং ইসলামে কোন শাসনব্যবস্থা থাকাকে অস্বীকার করছিল। ১৯২৫ সালে খিলাফত ধ্বংসের এক বছর পর আলী আবদুর রাজিক ‘আল ইসলাম ওয়া উসুলুল হুকুম’ বইয়ের মাধ্যমে উল্লেখ করেন, ইসলামে কোন ধরণেরই শাসন বা সরকারব্যবস্থা নেই। স্যার থমাস আরনল্ডের মত ওরিয়েন্টালিস্টও ইসলামী অনেক তথ্য প্রমাণ দ্বারা ব্যাপক সাহিত্য রচনা করে ... Read more - [বিভিন্ন উপদল ও দেশে বিভক্ত হওয়ার কারণে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কি নিতান্তই অসম্ভব?](https://returnofislam.com/2012/06/24/muslim_unity/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) অনেকে শিয়া সুন্নীর বিভক্তিকে সামনে এনে এটা প্রতিষ্ঠিত করতে চান যে আধুনিক বিশ্বে এক মুসলিম উম্মাহ্‌’র ধারণা আর বাস্তবসম্মত নয়। যদিও মুসলিমদের ইতিহাস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিভক্তির পরও ঐক্যের ইতিহাস। আজকাল নতুন নতুন সীমানার মধ্যেই মুসলিমদের ঐক্য গড়ে উঠেছে। মুসলিম উম্মাহর ইসলামী ধারনাটি বহু শতাব্দির পুরোনো একটি ধারনা হিসেবে বিবেচিত হয়। শতাব্দীকাল আগে ইসলামী ধারণার মত মুসলিম বিশ্বে ঐক্য ছিল। বর্তমান বিভক্তির কারণে অনেকেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিভেদ নিরসনের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন এবং খিলাফতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্‌’র ঐক্যের ধারণাকে তাত্ত্বিক একটি বিষয় বলে জ্ঞান করছেন। এখন আলোচনার বিষয় হচ্ছে ... Read more - [ইসলাম কি সেঁকেলে ?](https://returnofislam.com/2012/06/23/is_islam_backdated/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত দুই শতক ধরে পুরো বিশ্ব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অচিন্ত্যনীয় সাফল্য অর্জন করেছে- রেলপথের উন্নয়ন, উড়োজাহাজ, পারমাণবিক প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, আই ভি এফ, জেনেটিক উপায়ে রূপান্তরিত খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি। এসব উন্নয়নের সাথে সাথে যুগপৎভাবে পশ্চিমারাও এগিয়েছে এবং ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের একপেশে উন্নয়ন আমাদের এ ধরণের ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে যে, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হল উদার মূল্যবোধ। অনেক চিন্তাবিদ, বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকের মতে বর্তমান বিশ্বে ইসলামের কোন অবস্থান নেই। মুসলিম দেশ সমূহ বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতায় কোন ভূমিকা না রাখায় এ ধরণের ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে। পশ্চিমারা দাবী করে জ্ঞান বিজ্ঞানে ... Read more - [মুসলিম বিশ্ব কি ইসলাম চায় না এবং তারা কি এর জন্য প্রস্তুতও নয়?](https://returnofislam.com/2012/06/21/muslim_world_wants_islam/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমারা বলে আসছে যে, মুসলিমরা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা চায়; কিন্তু তারা ইসলাম চায় না। তারা বলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কিছু সংখ্যালঘু মুসলিম ইসলাম চায়। বাকীরা পশ্চিমা ব্যবস্থাকে মেনে নিয়েছে এবং পুঁজিবাদ দ্বারা জীবনকে পরিচালিত করতে চায়। তথাকথিত কিছু আধুনিক মুসলিমরাও আজকাল বলে বসেন যে, মুসলিমরা ইসলাম চায় না এবং তারা এর জন্য প্রস্তুতও নয়। যদিও পশ্চিমা বিশ্ব ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে, মুসলিম বিশ্ব ইসলাম চায় এবং ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের উত্থান তাদের জন্য হুমকি। ইউ.এস ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স কাউন্সিল তাদের ‘গ্লোবাল ২০২০’ প্রজেক্টের আওতায় ‘ম্যাপিং ... Read more - [বিগত দুই শতাব্দী ধরে বিশ্ব যে নজিরবিহীন উন্নয়ন দেখেছে তা কি পুজিঁবাদের আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ?](https://returnofislam.com/2012/06/20/last_two_centuries_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত দুই শতাব্দী ধরে বিশ্ব যে উন্নয়ন ও অগ্রগতি দেখেছে তা ইতিহাসে নজিরবিহীন এবং এটা কি পুজিঁবাদের আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ? ২০০৭ সাল ছিল ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য বছর। এ বছর পুরো বিশ্ব ইতিহাসে রেকর্ড ৫৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মত সম্পদ উৎপাদন করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতির আকার ছিল ১ ট্রিলিয়ন ডলার। পুঁজিবাদ গ্রহণের পর ইউরোপে শিল্প বিপ্লব হয় এবং এর মধ্য দিয়ে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সুচিত হয়-যা সত্যি ইতিহাসে বিরল। পুঁজিবাদের নিজস্ব অগ্রগতি বাদ দিলেও এর বিশেষজ্ঞরা সমাজতন্ত্রের পতনের পর পুঁজিবাদ এখনও বলবৎ থাকাকে এ ব্যবস্থার শক্তিশালী দিক মনে ... Read more - [পশ্চিমাদের বৈদেশিক সাহায্যই কি উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়নে ভুমিকা রাখছে?](https://returnofislam.com/2012/06/19/western-welfare-helps-developing-countries/): দশকের পর দশক ধরে বৈদেশিক সাহায্যকে উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্ব দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর এ পর্যন্ত উন্নয়নশীর দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য প্রায় ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার সাহায্য দিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এসব সাহায্য দেয়ার পেছনে কি কোন দুরভিসন্ধি কাজ করে? কখনও কখনও কেবলমাত্র মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সাহায্য করা হয়। অনেক সময় আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সহযোগীকে অনুদান দেয়া হয়। আবার কখনও কখনও গ্রহণকারী রাষ্ট্রের রাজনীতিকে প্রভাবিত করবার জন্যও সাহায্য দেয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে সমাজতন্ত্র এবং পু্ঁজিবাদের দ্বন্দ্বের সময়, এইসব আদর্শের পুরোধা সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করা কিংবা দুর্বল সহযোগীকে সাহায্য করবার জন্য আর্থিক অনুদানকে ... Read more - [বিশ্বায়ন কি মুক্তবাণিজ্যের শীর্ষ পর্যায় এবং একুশ শতকের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য?](https://returnofislam.com/2012/06/18/does-globalization-peak-of-open-market-21st-century/): ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি আমেরিকান বড় বড় কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমকে বুঝানোর জন্য সর্বপ্রথম বিশ্বায়ন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ঠান্ডা যুদ্ধের সমাপ্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্র একধরণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যয় করা অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অন্যান্য ক্ষেত্রে খরচ হওয়ায় উচ্চ উৎপাদন খরচের কারণে মার্কিন পণ্য রপ্তানি করা দুরূহ হয়ে পড়ে। নিজ গৃহে উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সেসব পণ্য মার্কিনীরা বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করতে পারছিল না। সেকারণে সস্তা বিদেশী বাজার দরকার হয়ে পড়েছিল। সস্তা শ্রম, শ্রম আইনের যথেচ্ছ অবমাননা এবং শোষণের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে উৎপাদন সুবিধার মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার নামই হল বিশ্বায়ন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাবার পর বিশ্বায়নের ... Read more - [তৃতীয় বিশ্বকে তাদের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতিকে কি আরও উদার করতে হবে?](https://returnofislam.com/2012/06/17/liberal_third_world_economy/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত তিন দশক ধরে পুরো বিশ্ব আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উন্নয়নে পুঁজিবাদের আধিপত্য দেখেছে। এটা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে করায়ত্ব করেছে এবং পুরো পৃথিবীতে তার অর্থনৈতিক দর্শনকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এশীয় বাঘ হিসেবে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং হংকং উদার অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করে সাফল্য লাভ করেছে এবং এগিয়ে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব ব্যাংকের মতে শিল্পায়ন এবং উদার অর্থনৈতিক চিন্তা গতানুগতিক সমাজ ও অর্থনীতিতে একধরণের রূপান্তর ঘটায়। এর প্রভাব দরিদ্র দেশসমূহকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যায়-যে পথে পশ্চিমা শিল্পোন্নত বিশ্ব শিল্প বিপ্লবের সময় গিয়েছে। বর্তমানে দরিদ্রতা পৃথিবীর অধিকাংশ জনগণের বাস্তবতা। প্রায় ৩ ... Read more - [খাদ্যের অপ্রতুলতাই কি তৃতীয় বিশ্বে দারিদ্র্যের কারণ?](https://returnofislam.com/2012/06/16/is-food-shortage-the-cause-of-poverty-in-the-third-world/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিশ্বব্যাপী পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, সম্পদের অপ্রতুলতা এবং গণতন্ত্রের অভাব দারিদ্র্যের সাধারণ কারণসমূহের মধ্যে প্রধান। সমাজবিজ্ঞানী ও অন্যান্য থিঙ্ক ট্যাঙ্কের মধ্যে যদিও এ ব্যাপারে কোন ঐক্যমত্য নেই। এ ব্যাপারে খুব প্রাধান্য বিস্তারকারী ধারণা হচ্ছে মুক্তবাজার অর্থনীতির সাথে পুঁজিবাদের বিকাশই হল এ সমস্যার একমাত্র সমাধান। কিন্তু খুব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, খাদ্যের অপ্রতুলতা নয়, বরং অন্যান্য কিছু বাস্তবতা শুধুমাত্র মুসলিম বিশ্ব নয় পুরো তৃতীয় বিশ্বে দরিদ্রতার জন্য দায়ী। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক এবং এদের কাঠামোগত পরিবর্তন নীতি (Structural Adjustment Policy) মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং ... Read more - [চারটি যুদ্ধে ইতোমধ্যে ইসরাইল কি নিজেকে অপরাজেয় প্রমাণ করেছে; মুসলিম উম্মাহ্‌’র কি উচিৎ এর অস্তিত্ব মেনে নেয়া?](https://returnofislam.com/2012/06/15/israel-already-in-4-war/): ১৯৪৮ সালে ইসরাইল সৃষ্টির পর থেকে এর সামরিক শক্তিকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অপরাজেয় হিসেবে তুলে ধরবার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। মজার ব্যাপার হল এ ধরণের আষাঢ়ের গল্প ইসরাইল নিজে স্বপ্রণোদিত হয়ে যতটা না প্রকাশ করবার চেষ্টা করেছে তার চেয়ে বেশী কাজ করেছে বিশ্বাসঘাতক মুসলিম শাসকগুলো। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ এর যুদ্ধগুলোতে পারদর্শিতা সামরিক ক্ষেত্রে ইসরাইলের পরিষ্কার প্রাধান্যকে প্রমাণ করে। এ পরিষ্কার প্রাধান্য ও মুসলিম ভূমির জবরদখল আরব রাষ্ট্রসমূহকে এই ধারণা দেয় যে, সামরিক নয় বরং কূটনৈতিক সমঝোতাই একমাত্র বাস্তবসম্মত বিকল্প। সেকারণে শান্তি প্রক্রিয়ার নামে বিভিন্ন পরিকল্পনায় ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। ইসরাইলের এই সামরিক ক্ষমতা সম্পর্কে আলোকপাত করতে ... Read more - [ইসরাইল কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে নিয়ন্ত্রন করে ?](https://returnofislam.com/2012/06/14/is_israel_control_usa/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) পৃথিবীর অনেক লোক ইসরাইলের দিকে অত্যন্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি নিয়ে তাকায়। অথচ শতাব্দীর পর শতাব্দী তারা ছিল নির্যাতিত একটি জাতি। মাত্র ৬০ বছর বয়সে ইসরাইল প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছে যে তার রয়েছে পৃথিবীর সর্বাধুনিক সেনাবাহিনী। এর জনসংখ্যা একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রের সমান হলেও শুরু থেকে পর পর চারটি পাতানো যুদ্ধে সে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে পরাজিত করে এমন একটি ধারণার জন্ম দেয় যে, সে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিই নয় বরং পুরো পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রন করছে। কিন্তু এটা খুঁজে বের করা দরকার কে কাকে নিয়ন্ত্রন করছে এবং তা কী পরিমাণে? বিগত ত্রিশ ... Read more - [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি অজেয়?](https://returnofislam.com/2012/06/13/is_us_undefeatable/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) একুশ শতকের শুরুর দিকে আমেরিকা হয়ে দাঁড়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথিবীব্যাপী পুরোদস্তুর আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে খুব বেশী বেগ পেতে হয়নি। মার্কসবাদ ও বাজার ব্যবস্থার মধ্যে আর তেমন কোন উল্লেখযোগ্য বিরোধ দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল পশ্চিমা উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাই যেন ‘সরকার ব্যবস্থার চূড়ান্ত অবয়ব’। এই বাস্তবতা নব্য রক্ষণশীলতার ঔদ্ধত্যপূর্ণ বিকাশকে অনাগত ভবিষ্যতের জন্য অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এই পরিবেশ অনেকের মাঝে আমেরিকাকে আধিপত্য ও অজেয়তার অনিবার্য প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু ক্ষমতার বিশ্বব্যাপী ভারসাম্য ও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বর্তমান বুদ্ধিদীপ্ত পর্যবেক্ষণ আমেরিকার অনিশ্চিত ... Read more - [ঔপনিবেশিক শাসকরা কি আফ্রিকায় স্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছিল এবং তাদের প্রস্থানই কি বর্তমান অস্থিতিশীলতার কারন](https://returnofislam.com/2012/06/12/collonialists-brought-peace-in-africa/): ঔপনিবেশিক দেশগুলো এ ধারণা পোষণ করে যে, তারা যেখানেই গিয়েছে সেখানেই কল্যাণ নিয়ে এসেছে। ঔপনিবেশিক ধারণাপুষ্ট ঐতিহাসিকরা আফ্রিকার উন্নয়ন বিশেষত শিক্ষা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য ঔপনিবেশিকদের আগমনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। কিন্তু তারা ঔপনিবেশিকদের দ্বারা সংঘটিত বর্ণবাদ, শোষণ এবং গণহত্যাকে উল্লেখ করেন না। এমনকি এইসব সাম্রাজ্যবাদীদের ধারণা শুধু আফ্রিকা নয়, পৃথিবীর অন্যান্য অংশের মানুষও তাদের সাহায্য ছাড়া চলতে পারে না। ব্যাপক সম্পদ ও খনিজ সম্পদের লোভে উপনিবেশবাদীরা আফ্রিকায় এসেছিল। ইউরোপীয়রা এ ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ দাস এবং ব্যাপক প্রাকৃতিক সম্পদের লোভে উপনিবেশ স্থাপনের জন্য আফ্রিকায় ছুটে আসত। গণতন্ত্র ও পশ্চিমা মূল্যবোধ ... Read more - [জাতিসংঘ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ততা প্রমাণ করে না।](https://returnofislam.com/2012/06/11/internationa-law-enforce-by-un/): ভবিষ্যতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার নিষ্ঠুরতা ও গণহত্যার মত ভয়াবহ কিছু যাতে না ঘটে সেজন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একটি বিশ্বসংস্থার ব্যাপারে ঐকমত্য গড়ে উঠেছিল। ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয় প্রধানত ‘পরবর্তী প্রজন্মগুলোকে যুদ্ধের উন্মাদনা থেকে রক্ষার জন্য’ এই উচ্চাভিলাষী চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে । সেসময় থেকে পুরো পৃথিবী প্রায় ২৫০ টি সংঘাতের মধ্য দিয়ে গেছে। সেকারণে এটা জোর দিয়ে বলা যায়, যে উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল তা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি তৃতীয় বিশ্বের অনেক নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন জাতিসংঘ হল ২০০টির মত সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটিনিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা-যেটি আন্তর্জাতিকতাবাদ, বহুপক্ষীয় কর্মকান্ড, গণতন্ত্র, পরমতসহিষ্ণুতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, সহনশীলতা, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রেরণায় উদ্ধুদ্ধ। ... Read more - [১৯৯০ সালে বলকান অঞ্চলে মুসলিমদের সাহায্য করবার জন্য কি পশ্চিমারা এগিয়ে এসেছিল?](https://returnofislam.com/2012/06/10/1990-bolkan/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) একটি যুক্তিসঙ্গত শান্তি প্রস্তাবনার আওতায় বিশেষত কসোভোতে একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনায় যুগোস্লাভিয়ার একপেঁশে অস্বীকৃতি জানানোকে ১৯৯৩ সালে পশ্চিমারা ন্যাটো কর্তৃক যুগোস্লাভিয়া আক্রমণের পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। ন্যাটো কর্তৃক বলকান অঞ্চলে হস্তক্ষেপ এবং বোমাবর্ষনের মাধ্যমে মাধ্যমে পশ্চিমারা বর্তমান “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” কে শুধুমাত্র ইসলামের বিরুদ্ধে একটি অভিযান বলতে নারাজ; বরং তারা বলতে চায়, পৃথিবীর যেখানে মানবতা আক্রান্ত হয় সেখানেই এ অভিযান অব্যাহত থাকবে-এমনকি মুসলিমদের রক্ষার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সাবেক উপদেষ্টা ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জেমস রুবিন ২০০৩ সালে এ ব্যাপারে সাফাই গাইতে ... Read more - [বিশ্বের তেল কি ফুরিয়ে যাচ্ছে?](https://returnofislam.com/2012/06/09/is_oil_reserve_decreasing/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটেন ও জার্মানীর বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখার দ্বন্দ্ব তাদেরকে তাদের কয়লাভিত্তিক বৃহদাকার যুদ্ধযানগুলোর জন্য বিকল্প জ্বালানী উৎসের অনুসন্ধানের দিকে ঠেলে দেয়। আর ঐ সমসাময়িক সময়েই মধ্যপ্রাচ্যে তেলক্ষেত্রগুলোর আবিষ্কার ও নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন নতুন ধারার ভোগের সমাজব্যবস্থা ও বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্যের ক্ষেত্রে নবযুগের সূচনা করে। স্বাভাবিকভাবেই জীবাশ্ম জ্বালানি অপ্রতুল এবং এটা একসময় শেষ হয়ে যাবে। বিংশ শতাব্দী জুড়ে অধিকাংশ তেলক্ষেত্রগুলোর অধিকাংশ অনাবিষ্কৃত থাকায় তেলের বিষয়টি খুব একটা আলোচনায় আসেনি। পরবর্তিতে জঙ্গি বিমান, ট্যাঙ্ক, অটোমোবাইল ইত্যাদির আবিষ্কার এ জ্বালানীর উপর সবার নির্ভরশীলতা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। যদি ... Read more - [চীন ও ভারতে উন্নয়নই কি বৈশ্বিক উঞ্চায়নের জন্য দায়ী?](https://returnofislam.com/2012/06/08/development-of-china-and-india/): জলবায়ু পরিবর্তন বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সব বিজ্ঞানের সাথে তুলনা করলে এটা ঠিক বিজ্ঞান নয়। জলবায়ু বিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। জলবায়ু পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, সবসময় জলবায়ু পরিবর্তন হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। যেমন-বরফ যুগ, যখন বিশ্বের তাপমাত্রা দীর্ঘ সময়ের জন অত্যন্ত কম ছিল। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন বলতে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বুঝায়। প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট কারণ বিশ্বের গড় তাপমাত্রার এই বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে মনে করা হয় – আর এটাই এখন বিতর্কের বিষয়। এই উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী গ্রীনহাউসের বৃদ্ধি অর্থাৎ বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এটা হল মুলত বায়ুমন্ডলের কিছু গ্যাস কর্তৃক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মত তাপ নির্গমনকারী গ্যাসসমূহকে আটকে ... Read more - [পৃথিবী কি জনসংখ্যার আধিক্যে ভারাক্রান্ত?](https://returnofislam.com/2012/06/07/world_people/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) জিনের গঠন নিয়ে বর্তমান আধুনিক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে, ১৫০০০ বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল মাত্র ১৫ মিলিয়ন (বর্তমান ঢাকা ও দিল্লীর সমান)। যীশু খ্রীস্টের সময় অর্থাৎ আজ থেকে ২০০০ বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০ মিলিয়ন (বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার সমান)। শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৮০০ শতকের দিকে জনসংখ্যা তিনগুন বেড়ে দাঁড়ায় ৭০০ মিলিয়ন (বর্তমান ইউরোপের সমান)। গত দুই শতাব্দীতে বার্ষিক ৬ ভাগ হারে বৃদ্ধিতে ১৯৫০ সালে জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২.৫ বিলিয়ন। আর ২১ শতকের শুরুর দিকে বিগত ৫০ বছরে শতকরা ১৮ ভাগ হারে জনসংখ্যা বেড়ে ... Read more - [গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত নয়](https://returnofislam.com/2012/06/06/development_of_democracy/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) প্রায় সব গবেষণায় ধরে নেয়া হয় যে, গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত – হোক সেটা অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত কিংবা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন। মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির জগৎবিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ম্যানকার ওলসেন তার পুরষ্কারপ্রাপ্ত Power & Prosperity (2000)- গ্রন্থে উল্লেখ করেন, অন্যান্য যে কোন সরকার ব্যবস্থার চেয়ে গণতন্ত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতি বেশী হয়ে থাকে। ওলসেন যুক্তি প্রদান করেন যে, সাংঘর্ষিক পরিবেশ সবসময় ধ্বংসপ্রবণতা ও দুর্নীতিকে উষ্কে দেয়, অন্যদিকে একনায়কতন্ত্রে শাসককে বেশী সময় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে লুটপাটের প্রবনতা দেখা যায়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, ব্যক্তি এবং তার উন্নয়নকে এ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়-কেননা শাসককে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন ... Read more - [ইসলাম এসেছে সকল যুগের জন্য](https://returnofislam.com/2012/05/31/islam-came-for-all-times/): ইসলামের প্রয়োগ কোন যুগ বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না, বরং ইসলাম সকল যুগেই মানুষের জন্য সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। এটা এজন্য যে, ইসলাম মানবীয় চাহিদাগুলোকে সুনিয়ন্ত্রিত করার জন্য এসেছে আর এই চাহিদাগুলো কোন যুগের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের দিকে তাকালে আমরা দেখব যে তার সুনির্দিষ্ট কিছু মানবীয় চাহিদা রয়েছে যেগুলোর উপর পৃথিবীতে তার বেঁচে থাকা ও জীবন-যাপন প্রক্রিয়া নির্ভর করে। এই চাহিদাগুলো পূরণের উপায়-উপকরণ সংগ্রহ ও এদের ক্রমোন্নতির পিছনে সে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যায় যাতে করে এসব চাহিদা পূরণের উপায় সহজ থেকে সহজতর হয়। আদিম মানুষ তার উপায়-উপকরণগুলোকে চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে উন্নত করতে করতে আজকের এই উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন অবস্থায় এসেছে ... Read more - [সঠিক ইসলামী দল করার অপরিহার্যতা [ইসলামী আলোচনা]](https://returnofislam.com/2012/05/30/joining-a-correct-islamic-party/): This is a speech given by a brother in March 2008 on the topic of “Importance of Joining a Correct Islamic Party” - [উপমহাদেশে খিলাফত আন্দোলন এবং ১৯৪৭ পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোর ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/05/30/khilafah-movement-islamic-parties/): ভূমিকা: ভারত উপমহাদেশে দুই’শ বছরের বৃটিশ শাসনামলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী সভ্যতা। সর্বাধিক নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হয়েছে মুসলিম জনগোষ্ঠী। আর অঞ্চল হিসাবে অধিক পরিমাণে শোষিত হয়েছে মুসলিম প্রধান পূর্ববাংলা। এ সময়ে দখলদার জালিম ইংরেজ শাসকদেরকে বিতাড়নের জন্য অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। বহু প্রাণহানী ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোন আন্দোলনই এ অঞ্চলের মুসলমানদেরকে এতোটা ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করতে পারেনি, যতটা পেরেছিল ‘খিলাফত আন্দোলন নামে’ পরিচিতি এক উম্মাহ্‌ কন্‌সেপ্ট থেকে উৎসারিত ঐতিহাসিক একটি আন্দোলন। অবশ্য ১৯২৪ সালে তুরস্কে উসমানী খিলাফত পতনের পর এ আন্দোলন অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। মুসলিম নেতারা খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পরিবর্তে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে ... Read more - [ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2012/05/30/education-system/): ইসলামের সাংস্কৃতিক জ্ঞান অথবা বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান– উভয়দিক থেকেই মুসলিম বিশ্ব বর্তমানে অনেক পিছিয়ে আছে। এমনকি কিছু মুসলিম দেশে যেমন: বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার কিছু দেশের অশিক্ষিতের বিস্ময়কর রকমের উচ্চহার এসব দেশকে বিপদগ্রস্ত করে তুলেছে। মুসলিম ভূখণ্ডসমূহের অবস্থা এতটা করুণ হওয়ার পেছনে অনেক ‘তথাকথিত আধুনিক মুসলিম’ ইসলামকে দায়ী করার চেষ্টা করে। ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব এবং শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিমদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতাই মূলত এর জন্য দায়ী। এ প্রবন্ধে মূলত ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব, শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিমদের ইতিহাস, শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ খিলাফত রাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইসলামে জীবনসম্পর্কে যে সমস্ত ধ্যান-ধারণা উপস্থাপন করে সেগুলো আমাদের পছন্দ, অপছন্দ এবং কাজকর্মকে ... Read more - [জ্ঞান অন্বেষণ করা](https://returnofislam.com/2012/05/20/seeking-knowledge/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, أَفَمَنْ يَعْلَمُ أَنَّمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ الْحَقُّ كَمَنْ هُوَ أَعْمَى إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ ‘যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।’ [সূরা রাদ:১৯] طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ নবী (সা) বলেন, ‘জ্ঞান অন্বেষন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয।’ নবী (সা) বলেন, ”তোমরা এমন একটি সময়ে বাস করছ যখন প্রচুর ফকীহ (ইসলামী আইনবিদ) রয়েছে এবং সামান্য কয়েকজন বক্তা রয়েছে, অর্থাৎ প্রশ্ন করবার মত লোক কম এবং বলবার মত লোক বেশি। এসময়ে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে ... Read more - [বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার (Intellectual Property Rights)](https://returnofislam.com/2012/05/19/intellectual-property-rights/): ভুমিকা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থায় বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার (intellectual property right) একটি বহুল আলোচিত বিষয়। WIPO (World Intellectual Property Organization) এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে গড়ে ৩০ লক্ষের উপর আই পি আবেদন জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত (Stop online piracy act – SOPA) এবং (Protect intellectual property act – PIPA) বিলের প্রেক্ষিতে বিষয়টি আবারো আলোচনায় উঠে আসে। অনলাইনে কপিরাইটকৃত সম্পত্তির (বই, গান, চলচ্চিত্র ইত্যাদি) আদান প্রদান রোধের উদ্দেশ্যে বিল দুটি উত্থাপিত হয়। এই আইনের আওতায় সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের যেকোন অভিযুক্ত ওয়েব সাইটের বিরুদ্ধে যেসকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে সেগুলো হচ্ছে: অনলাইনে অর্থ লেনদেনের সেবাদানকারী ... Read more - [তফসীর - সূরা বাকারাহ: আয়াত ১৫২](https://returnofislam.com/2012/04/30/tafseer-baqara152/): فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوا لِي وَلَا تَكْفُرُونِ সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [বাকারাহ: ১৫২] فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ এর ব্যখ্যা প্রসঙ্গে হাসান আল-বসরী বলেন, অর্থাৎ আমি তোমাদের উপর যা ফরজ করেছি তা পালনের মাধ্যমে আমাকে স্মরণ কর, এর ফলে তোমাদের জন্য আমার উপর যা ওয়াজিব হয় তা পূরণের মাধ্যমে আমি তোমাদের স্মরণ করব। অন্য বর্ণনায় আছে, আমার রহমতের মাধ্যমে স্মরণ করব। فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ এর ব্যখ্যা প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, তোমাদের তাকে স্মরণ করা তাকে তোমাদের স্মরণ করা হতে শ্রেয়। সহীহ হাদীসে আছে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমাকে যে মনে মনে স্মরণ করে, আমিও তাকে মনে ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা-৩: সতর্কবাণী](https://returnofislam.com/2012/04/30/self-reflection3/): بسم الله الرحمن الرحيمالسلام عليكم ورحمة الله وبركاته আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনুল কারীমে বলেছেন: “তাদের অন্তরে ব্যাধি আছে আর আল্লাহ্ তাদের ব্যাধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। [সূরা বাকারাহ্: ১০]” “Being Heard” এবং ” Instant Gratification” এই দুইটি মারাত্মক ব্যাধি। আমরা সবসময় চাই, সবাই আমাদের বলা সব কথা শুনুক এবং প্রাধান্য দিক তথাপি আমাদের মুল্যায়ন করুক। আমরা খুব দ্রুত ফলাফল প্রত্যাশী। এই মন-মানসিকতা আমাদের সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন। কিন্তু একজন সত্যিকার দ্বীনের দা’য়ী সবসময়ের কাম্য হওয়া উচিত; আল্লাহ’র সন্তুষ্টি অর্জন। যেমনটি, আমরা দেখি নুহ আ: এর বেলায়। কিংবা হাদীসে এসেছে কিয়ামাহ’র দিন এমন অনেক নবী আসবেন যাদের একজন অনুসারী ও থাকবে না। তাই, সবাইকে শুনতে হবে, মুল্যায়ন ... Read more - [আল্লাহর আনুগত্যে অগ্রগামীতা](https://returnofislam.com/2012/04/24/loyal-_to_-allah/): (নিচের প্রবন্ধটি বৈরুত, লেবানন থেকে প্রকাশিত ‘মিন মুকাওয়্যামাতিন নাফসিয়্যাতিল ইসলামিয়্যাহ’ বইটির খসড়া অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالأرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ ‘তোমরা ছুটে যাও তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হতে ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে যার প্রশস্ততা হচ্ছে আসমান ও যমীন, যা প্রস্তুত করা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য।’ [আলে ইমরান: ১৩৩] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা) বলেন, إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ الْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَنْ يَقُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ~ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَخْشَ اللَّهَ وَيَتَّقْهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَائِزُونَ ‘মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যখন তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্যে আল্লাহ্‌ ... Read more - [বিনোদন কি? ইসলামে কি বিনোদনের সুযোগ নেই?](https://returnofislam.com/2012/04/16/recreation-in-islam/): অপসংস্কৃতি আর বেহায়াপনার বিপক্ষে কথা বলতে গেলেই, উন্মাতাল অশ্লীলতা আর অনৈতিক বেলেল্লাপনার বিরুদ্ধে লিখতে গেলেই সমাজের একটি অংশ থেকে প্রতিবাদ আসে। আসে মৌলবাদের অভিযোগ। প্রগতি বিরোধী ও প্রাচীনপন্থী খেতাব পাওয়ার বিষয়টি তো খুবই পুরনো কথা। তবে সহজ সরল সাধারণ মানুষ যখন বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বক্তব্যে দ্বিধান্বিত হয়ে সত্য জানতে চান, তখন আর নিজেকে গুটিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। ইসলাম ও বিনোদনের মধ্যকার সম্পর্কটিও এমনই একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। অপসংস্কৃতির বিপক্ষে কথা বলতে গেলে প্রাসঙ্গিকভাবেই এ বিষয়টি এসে পরে যে, তাহলে ইসলামে কি বিনোদনের কোনো সুযোগ নেই? ইসলামে বিনোদনের সুযোগ আছে কি না, সে বিষয়ে আলোচনার আগে সংস্কৃতি কাকে বলে এবং বিনোদন বিষয়টি কি, ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা-২: চিন্তার সামান্য খোরাক](https://returnofislam.com/2012/04/15/self-reflection2/): بسم الله الرحمن الرحيمالسلام عليكم ورحمة الله وبركاته আলহামদুলিল্লাহ্; বর্তমান প্রজন্মে মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই দাওয়াহ্’ ও ইসলাহ্’র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি এবং সেই তাড়নায় আমরা সকলেই সচেষ্ট হচ্ছি আপন পরিমন্ডলে দাওয়াহ্’র জন্য। অনেকেই Online এ বিভিন্ন Platform এ দাওয়াহ্ করছেন। প্রতিনিয়ত কুরআন, হাদীসের বাণী, ছোট ছোট Article তথাপি আবেগপ্রবণ status দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব সারছি।এখানে, প্রশ্ন হলো আমরা যাদেরকে Prospect হিসেবে নিয়েছি তারা সকলেই সমমনা; অর্থ্যাৎ সকলেই একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন এইসব evaluate করার জন্য। তাই, online এ দাওয়াহ্ বড়জোর ইসলাহ্’র পর্যায়ে উন্নীত হয়। তাদের তুলনায় দাওয়াহ্’র অধিক হকদার; আমাদের সমাজের সেই সকল মানুষ যারা মনে করছে; ‘they are Muslim for ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা: চিন্তার সামান্য খোরাক](https://returnofislam.com/2012/04/13/self-reflection/): আলহামদুলি’ল্লাহ্; বর্তমান প্রজন্মে মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই দাওয়াহ্’ ও ইসলাহ্’র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি এবং সেই তাড়নায় আমরা সকলেই সচেষ্ট হচ্ছি আপন পরিমন্ডলে দাওয়াহ্’র জন্য। অনেকেই Online এ বিভিন্ন Platform এ দাওয়াহ্ করছেন। প্রতিনিয়ত কুরআন, হাদীসের বাণী, ছোট ছোট Article তথাপি আবেগপ্রবণ status দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব সারছি। এখানে, প্রশ্ন হলো আমরা যাদেরকে Prospect হিসেবে নিয়েছি তারা সকলেই সমমনা; অর্থাৎ সকলেই একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন এইসব evaluate করার জন্য। তাই, online এ দাওয়াহ্ বড়জোর ইসলাহ্’র পর্যায়ে উন্নীত হয়। তাদের তুলনায় দাওয়াহ্’র অধিক হকদার; আমাদের সমাজের সেই সকল মানুষ যারা মনে করছে; ‘they are Muslim for granted’; অথচ তারা ইসলামের প্রকৃত বাণী উপলব্ধি ... Read more - [বাংলা নববর্ষ উদযাপন: ইসলামী দৃষ্টিকোণ ও মুসলিমদের করণীয়](https://returnofislam.com/2012/04/13/nobo-borsho/): بسم الله الرحمن الرحيم ভূমিকা নববর্ষ, বর্ষবরণ, পহেলা বৈশাখ – এ শব্দগুলো বাংলা নতুন বছরের আগমন এবং এ উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানাদিকে ইঙ্গিত করে। এই উৎসবকে প্রচার মাধ্যমসমূহে বাঙালির ঐতিহ্য হিসেবে রঞ্জিত করা হয়ে থাকে। তাই জাতিগত একটি ঐতিহ্য হিসেবে এই উৎসবকে এবং এর সাথে সম্পৃক্ত কর্মকান্ডকে সমর্থন যোগানোর একটা বাধ্যবাধকতা অনুভূত হয় সবার মনেই – এ যে বাঙালি জাতির উৎসব! তবে বাংলাদেশে বসবাসরত বাঙালি জাতির শতকরা ৮৫ ভাগ [১] লোক আবার মুসলিমও বটে, তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে: নববর্ষ উদযাপন এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানাদি যেমন: রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে বর্ষবরণ, বৈশাখী মেলা, রমনার বটমূলে পান্তা-ইলিশের ভোজ, জীবজন্তু ও রাক্ষস-খোক্কসের প্রতিকৃতি নিয়ে গণমিছিল – এবং ... Read more - [ইসলামী দাওয়াহ বহন করার পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2012/04/11/way-to-carry-dawah/): ইসলাম অনুসরণ করার কারণে মুসলিমরা বিশ্ব থেকে পিছিয়ে পড়েনি, বরং তাদের অধঃপতন শুরু হয়েছে যখন থেকে তারা ইসলামকে অনুসরণ করা ছেড়ে দিয়েছে, তাদের ভুমিতে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের সুযোগ দিয়েছে এবং তাদের মন পশ্চিমা ধ্যান ধারণায় আচ্ছন্ন হতে দিয়েছে। - [গণঅভ্যূত্থান তৈরীর উপায়](https://returnofislam.com/2012/04/08/way_to_mass_uprise/): ১. সূচনা এ প্রবন্ধে আমরা রাজনৈতিক সংগ্রামের লক্ষ্যে জনগণকে সংগঠিত করার বিষয়ে আলোচনা করবো। একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় একটি সফল রাজনৈতিক সংগ্রামের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে জালেম শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করা। এখানে আমরা শুধুমাত্র আমাদের সংগঠনে একজন মানুষের অন্তর্ভূক্তি, ক্রমান্বয়ে তাকে সমর্থক, কর্মী, সদস্য ইত্যাদি স্তর অতিক্রমের কথা বলছি না। হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকার বিরোধী আন্দোলন, জুলুমের বিরুদ্ধে আন্দোলন তথা খিলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ফেলার কথা বলছি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করা, আন্দোলনের জন্যে সমাজে একটি গণভিত্তি তৈরী করা, ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা করা ও সব শেষে গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে সরকার ও সরকার ব্যবস্থার পতন ঘটানো – ধাপে ... Read more - [সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2012/04/08/struggle-against-colonial-imperial-powers/): ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই ঈমান ও কুফরের মধ্যে আপোষহীন দ্বন্দ ও সংগ্রাম চলে আসছে। আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) পবিত্র কুর’আনের মাধ্যমে ইসলাম ও কুফরের দ্বন্দের বিষয়টি সুস্পষ্টরূপে প্রকাশ করে দিয়েছেন এবং মুসলমানদেরকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তারা যেন কখনই কাফের শক্তিকে নিজেদের বন্ধু বা মিত্র হিসাবে না নেয়। আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করোনা। তারা তোমাদের সাথে শত্রুতা করতে বিন্দুমাত্র ত্রুটি করেনা; তারা শুধুমাত্র তোমাদের ধ্বংসই কামনা করে। বাস্তবে শত্রুতা তাদের মুখ হতে প্রকাশ হয়ে পড়েছে আর তাদের অন্তরে যা আছে তা আরও ভয়াবহ।” [সুরা আল ইমরান : ১১৮] ... Read more - [ইসলাম-বিদ্বেষীদের উদ্দেশ্যে বলছি](https://returnofislam.com/2012/04/07/to-islamophobics/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله তাদের প্রকৃতি: আপেক্ষিক নৈতিকতার মর্মর ভিত্তিপ্রস্তরে স্থাপিত পূজিবাদী সমাজের তথাকথিত প্রগতিশীলরা কেবলই সংস্কারের বুলি আওড়ায় আর ইসলামের বিরুদ্ধ বিদ্বেষ ছড়ায়। আল্লাহ্ তা’আলা এই ধরনের লোকদের মনস্তত্ত্ব ও প্রকৃত অবস্থা বর্ণনা করে, সতর্কবাণী উল্লেখ করে বলেছেন : وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ لاَ تُفْسِدُواْ فِي الأَرْضِ قَالُواْ إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ أَلا إِنَّهُمْ هُمُ الْمُفْسِدُونَ وَلَكِن لاَّ يَشْعُرُونَ “আর যখন তাদেরকে বলা হয় দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করোনা, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করছি। মনে রেখো, (বস্তুতঃ) তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করেনা।” [সূরা বাকারাহ্: ১১-১২] তোমাদের বিদ্বেষপ্রসূততা সম্পর্কে: আল্লাহ্ তা’আলা ... Read more - [সঠিক বন্ধনের ভিত্তি](https://returnofislam.com/2012/04/07/correct-basis-bonding/): একটি দাওয়াকারী দলে যোগ দেয়ার একমাত্র কারণ ঈমান। এখন বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, এই দলের সদস্যদের মধ্যকার বন্ধনটি কীসের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে? এর উত্তর হচ্ছে, এই দলের সদস্যদের বন্ধনের একমাত্র ভিত্তিও ঈমান। হাদীস শরিফে আছে, কিয়ামতের দিন যে সাত ধরনের ব্যক্তি আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে তাদের মধ্যে এক ধরনের ব্যক্তি হচ্ছে তারা যারা একত্রিত হয় পরস্পরকে আল্লাহর ভালোবাসার উদ্দেশ্যে। [বুখারী ও মুসলিম] আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহতায়ালা বলবেন: ‘আমার সুমহান ইজ্জতের খাতিরে যারা পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা স্থাপন করেছে তারা কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার বিশেষ ছায়ায় স্থান দিব। আজ এমন দিন, আমার ছায়া ছাড়া আর কোনো ... Read more - [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ এশিয়া](https://returnofislam.com/2012/04/04/us-south-asia/): ১. ভুমিকা ভারতীয় উপমহাদেশ নামে সুপরিচিত এই দক্ষিণ এশিয়া বরাবরই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। সংখ্যায় বিপুল এ অঞ্চলের অধিবাসীরা বিশেষ ধরণের বৈশিষ্ট্যের অধিকারী আর ভৌগোলিকভাবে এ অঞ্চল দূর্গম পাহাড়বেষ্টিত। যেজন্য অতীতের অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে কেবল সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পথেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করা যেত। কখনো সফলতা, কখনো ব্যর্থতা ইত্যাদি মিলিয়ে বিভিন্ন সময় শীর্ষস্থানীয় দিগ্বিজয়ীরা এসব পথেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবং এ অঞ্চলসীমায় নিজ নিজ ক্ষমতার পরিধি বিস্তারের চেষ্টা করেছে। সেই ধারাবাহিকতাতেই একসময় মোঘলদের মাধ্যমে এ অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার লাভ ঘটে। তবে নিকট অতীতে ভৌগলিক এই সীমাবদ্ধতা থেকে অনেকেই শিক্ষা নিয়েছে এবং এককভাবে কারো পক্ষে পুরো উপমহাদেশের কর্তৃত্ব ধরে রাখা ... Read more - [বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস](https://returnofislam.com/2012/04/02/history-of-political-struggle/): বাংলাদেশের এই ভূখন্ডে রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আন্দোলনের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও তার সম্ভাব্য বাধাসমূহ আলোচনা করাই এই প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের বিচারে এই প্রবন্ধে চারটি সময়কালকে (Period) আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করা হয়েছে। ১.    প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে ব্রিটিশদের আসার আগপর্যন্ত সময় কাল। (?….১৭৫৭)২.    ব্রিটিশ শাসনামলে রাজনৈতিক আন্দোলন (১৭৫৭-১৯৪৭)৩.    পাকিস্তান আমলে রাজনৈতিক সংগ্রাম। (১৯৪৮-১৯৭১)৪.    বাংলাদেশ আমল ( ১৯৭১-২০০৭) Pre-historical period এর আলোচনায় যাওয়ার আগে এই অঞ্চলের ভৌগলিক ও সাধারণ মানুষের নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ঠ্যর একটি পর্যালোচনা প্রয়োজন। যে ভূখন্ডটাকে আজকে আমরা বাংলাদেশ বলি, গত ২ হাজার বছর বা তার অধিক কাল সময় ধরে এই অঞ্চলটি ... Read more - [সত্য গ্রহণে প্রধান বাধাসমূহ ও আত্মপর্যালোচনা](https://returnofislam.com/2012/04/01/barrier-in-accepting-truth/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله সত্য জেনে তা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে যেসব প্রধান বাধাসমূহ কাজ করে তার একটি ক্ষুদ্র পর্যালোচনায় এই প্রয়াস। পূর্ববর্তীদের অন্ধ অনুসরন: অধিকাংশ মানুষেরই সত্য গ্রহণে অন্যতম প্রধান বাধা হচ্ছে তাদের পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসরন। রাসূল (صلى الله عليه وسلم) এর সত্যের আহবানে মক্কার মুশরিকদের তা গ্রহণে অন্যতম অন্তরায় ছিলো তাদের পূর্ববর্তীদের সুন্নাতে জাহিলিয়াহ্’র অন্ধ অনুসরন। বর্তমান প্রেক্ষাপট ও এর ব্যত্যয় নয়। কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللَّهُ قَالُواْ بَلْ نَتَّبِعُ مَا أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ شَيْئًا وَلاَ يَهْتَدُونَ “আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, ... Read more - [স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কিছু উপায়](https://returnofislam.com/2012/03/28/memorization/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله ইসলামী জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্মৃতিশক্তির গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে যখন সহীহ হাদীস সংকলনে তা একটি মানদন্ড। তথাপি কুরআন হিফজ করা, হাদীস বর্ণনা করা এবং দ্বীনের প্রয়োজনীয় আরকান-আহকাম ধারন করার জন্য স্মৃতিশক্তির প্রখরতা অতীব প্রয়োজনীয়। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কিছু করণীয় নিম্নে উল্লেখ করা হলো: -পরিপূর্ণ ইখলাস (اخلاص) অর্থ্যাৎ জ্ঞানর্জনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি লাভের জন্য নির্ধারণ করা। দুনিয়াবী কোন মোহ্ কিংবা জাহির করা যেনো একে কলুষিত না করে; তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিনিয়ত নিজের নিষ্ঠাকে প্রশ্ন করা। -গুনাহ্ থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে কবীরা গুণাহ্সমূহ থেকে। কেননা, দ্বীনী ইলম আল্লাহ্’র এক অশেষ ... Read more - [বিররুল ওয়ালিদাইন - একটি ঘটনা](https://returnofislam.com/2012/03/28/birrul-waalidayn/): অনেক অনেক দিন আগে, এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হাজ্জ পালনের উদ্দেশে রওনা দিলেন । মাঝ পথে হঠাৎ বাবা তার ছেলে কে বললেন” ”তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও, আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব, আমাকে নিয়ে ভয় পেয়না” এই বলে বাবা নেমে পরলেন উটেরর পিঠ থেকে, ছেলেও চলতে লাগল কাফেলার সাথে, কিছুক্ষন পর সন্ধ্যা হয়ে এল ,ছেলে আশে পাশে কোথাও বাবা কে খুজে পেলনা, সে ভয়ে উটের পিঠ থেকে নেমে উল্টা পথে হাটা শুরু করল, অনেক দূর যাওয়ার পর দেখল তার বৃদ্ধ বাবা অন্ধকারে পথ হারিয়ে বসে আছেন, ছেলে দৌড়ে বাবার ... Read more - [ইসলামে আরবী ভাষা, এর গুরুত্ব ও উম্মতের পুনর্জাগরণে এর ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/03/27/arabic-language-importance-in-revival/): ভাষা তাঁর আরও এক নিদর্শন হচ্ছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে। [রূম: ২২] ভাষা একে অপরের সাথে চিন্তা, ভাবনা ও ধারনার যোগাযোগের মাধ্যম। এর মাধ্যমে চিন্তা-ভাবনা একজন থেকে অন্যজনে প্রবাহিত হয়, এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়। লিখিত হোক বা অলিখিত, এটাই মানুষের জন্য চিন্তা-চেতনা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল হতে। ভাষা অবশ্যই আমাদের চিন্তা প্রক্রিয়ার অংশ নয় বরং এর ফলাফল। এ বিষয়টি Rational ও Empirical উভয় চিন্তার পদ্ধতি দ্বারাই প্রমাণ করা সম্ভব। এটা আমরা বুঝতে পারি যখন আমরা দেখি বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে একই চিন্তা-চেতনা একই ... Read more - [মিডিয়ার ইসলাম-বিদ্বেষ: বাস্তবতা বিবর্জিত মস্তিষ্ক ধোলাই](https://returnofislam.com/2012/03/24/media-brain-wash/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله বর্তমান বিশ্বে মিডিয়ার ইসলাম-বিদ্বেষ নিয়ে নতুনভাবে অবতারণার কোন প্রয়োজন নেই। আমি শুধু কিছু বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই; হয়তো বা তা আপনার বিশ্বদর্শন [worldview] পরিবর্তনে সহায়ক হবে। এটি এমন একটি রূপক, একজন মিথ্যেবাদী শিকারি যে প্রতিনিয়ত মিথ্যে গল্প সাজায় তার বীরত্বের বহিঃপ্রকাশের জন্য; যদি ও সে অধিকাংশ সময় সে নিজে শিকার হওয়ার ভয়ে জবুথবু থাকে। Let’s try listen it from horse’s mouth; as they say. আপনি যদি Hollywood মুভির দর্শক হন, তবে আপনি একটা বিষয় নিঃসন্দেহে বুঝতে পারবেন যে US যখন যাদের সাথে শত্রুতাভাবাপন্ন অবস্থায় থাকে তখন তাদেরকে তথাকথিত ভিলেইন [Villain] ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনের বিশ্লেষণ](https://returnofislam.com/2012/03/15/reason-behind-decline-of-ummah/): ভূমিকাঅধঃপতন উন্নতির বিপরীত। উন্নতি = বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। তারাই একটি উন্নত জাতি যারা সমাজে সকল সমস্যার সমাধানের জন্য একটি দর্শন বা আদর্শকে চিন্তার ভিত্তি হিসেবে বেছে নেয় এবং তাতে ঐক্যবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ একটি উন্নত সমাজের মানুষেরা তাদের সকল প্রবৃত্তিগত ও জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য জীবন সম্পর্কে একটি আদর্শের উপর ভিত্তি করে চলে, এই আদর্শটি আবার একটি বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থকে। এটাই উন্নত সমাজ, কেননা এটি একটি যুক্তিসঙ্গত (Rational) ও যাচাই বাছাইকৃত (Justified) মৌলিক বিশ্বাসের উপর সংগঠিত এবং সমাজের প্রতিটি ধ্যান-ধারণাই এই মৌলিক বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। অতএব, সেই সমাজই অধঃপতিত, যা কোন মৌলিক বিশ্বাসকে তার সকল চিন্তার উৎস হিসেবে বেছে ... Read more - [অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষের উপর নারীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে ইসলাম](https://returnofislam.com/2012/03/14/priority_of_women_before_men/): পূর্ব প্রকাশের পরঃ পিতা-মাতার সম্মান ও মর্যাদা বর্ণনার ক্ষেত্রেও ইসলাম নারীদেরকে অগ্রাধিকার ও অধিক সম্মান দিয়েছে। পিতার থেকে মাতার সম্মান ও মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিম্নোক্ত হাদীস থেকে যা পরিস্কারভাবে ফুটে উঠেছে। عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله من أحق الناس بحسن صحابتي ؟ قال : أمك ,, قال : ثم من ؟ قال : أمك, قال : ثم من ؟ قال : أمك, قال : ثم من ؟ قال : أبوك . (متفق عليه) “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে একবার জিজ্ঞাসা করা হলো ... Read more - [ইসলামে অর্থনৈতিক নীতিমালা](https://returnofislam.com/2012/03/13/economic-policies-in-islam/): ইসলামী অর্থনীতি প্রতিটি নাগরিকের সকল মৌলিক চাহিদা পূরনের গ্যারান্টি দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত কিছু চাহিদা পূরণের পথও সুগম করে। তবে একথা প্রত্যেক নাগরিককে মেনে নিতে হবে যে, সে ইসলামী সমাজে বাস করছে এবং এর একটি বিশেষ জীবন পদ্ধতি আছে। সামগ্রিকভাবে বলা যায় যে, শরঈ আইন প্রতিটি ব্যক্তির মৌলিক চাহিদা তথা অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করার গ্যারান্টি দেয়। এর প্রক্রিয়া হলো এই যে, কোন ব্যক্তি যদি কর্মক্ষম হয় তাহলে ইসলাম তার নিজের এবং তার উপর যাদের ভরণ পোষনের দায়িত্ব রয়েছে, তাদের জীবিকা উপার্জনার্থে কাজ করা তার জন্য আবশ্যক করে দেয়। তাই পিতার উপর ফরয হয়ে যায়, তার সন্তানের জীবিকার ব্যবস্থা করা। যদি ... Read more - [সম্মান ও মর্যাদায় নারী-পুরুষকে সমান ঘোষণা করেছে ইসলাম](https://returnofislam.com/2012/03/10/men_and_women_dignity/): পূর্ব প্রকাশের পর: মানব সমাজে নারী জন্মের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কন্যা সন্তানের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পর ইসলাম সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রেও নারী- পুরুষকে সমান ঘোষণা করেছে। জন্মগতভাবে নারী-পুরুষ আল্লাহর কাছে সমান বলে, নারীকে সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে পুরুষের সমকক্ষ ঘোষণা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ঘোষণা করেছে, يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا “হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক উৎস থেকে। আর তা থেকে তোমাদের স্ত্রীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন। এরপর তা থেকে ... Read more - [বর্তমান বিশ্বে বিদ্যমান মতাদর্শ সমূহ](https://returnofislam.com/2012/03/05/ideologies/): বর্তমান বিশ্বে তিন ধরনের মতাদর্শ বিদ্যমান আছে। ১- ইসলাম।২- গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদ।৩- সমাজতন্ত্র। গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদ (الديمقراطية الرأسمالية) এটি পশ্চিমা বিশ্ব এবং মার্কিনীদের মতবাদ। এই মতবাদ ধর্মকে রাষ্ট্র এবং জীবন থেকে আলাদা রাখার মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। “Render unto Caeser what is Caesar’s and unto God what is God’s” বলা হচ্ছে “যা কিছু সিজারের (রাজার) তা তার মত কর, আর যা কিছু খোদার তা তার (খোদার) ইচ্ছার উপর ছেড়ে দাও।” এ কারনে এই মতবাদে মানুষের জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক মানুষ নিজেই। এটি কুফুরী দৃষ্টি ভঙ্গি এবং ইসলামের সম্পূর্ন বিপরীত মতবাদ। কারণ বিধান প্রবর্তক এক মাত্র আল্লাহ তা’আলা এবং তিনি সম্পূর্ন এককভাবেই মানুষের জীবনব্যবস্থা প্রনয়নকারী। তিনি ... Read more - [একমাত্র ইসলামই দিয়েছে ‌'নারীর সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার'](https://returnofislam.com/2012/03/05/women-in-islam/): বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যে বিষয়টি নিয়ে পাশ্চাত্য খুবই শোর গোল করছে। যার সূত্র ধরে ইসলাম বিরোধী অপশক্তি গুলোও ইসলামের উপর কালিমা লেপনের অপচেষ্টায় আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে, পশ্চিমাদের এজেন্ট, কুফরী শক্তির দালালরা ইসলাম ও মুসলিমদের তাহযীব-তামাদ্দুনকে সমূলে ধ্বংস করে মুসলিম উম্মাহকে চিরতরে পঙ্গু করার জন্য যেই ভয়ংকর মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে তার নাম হচ্ছে -নারী অধিকার, নারী স্বাধীনতা। আর এ বিষয়টির ক্ষেত্রে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী কি সে সম্পর্কে অনেকেই অনেকভাবে, অনেক আঙ্গিকে লিখেছেন। আমি আমার এই লেখায় কুরআন-সুন্নাহ এবং বাস্তবতার আলোকে আমার উপলব্ধি টুকু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। বর্তমান পাশ্চাত্য এবং ইসলাম বিদ্বেষী অপশক্তি আজ অত্যন্ত কৌশলে ... Read more - [সংবাদ বিশ্লেষন: বাংলাদেশে মার্কিন সেনাসদস্যদের বিশেষ টিম](https://returnofislam.com/2012/03/05/bangladesh_usa_army/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি, মার্চ ০৪, ২০১২ এ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ প্রকাশিত বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সংক্রান্ত একটি সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষন – the underlined part is the comment and analysis) সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সহযোগিতার’ অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ দিতে মার্কিন বাহিনীর কিছু সংখ্যক সদস্য থাকলেও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ঘাঁটি নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। তিনি রোববার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “বাংলাদেশে কোনো ঘাঁটি থাকার প্রশ্নই আসে না।” মজিনার কথা শুনে মনে হয় বাংলাদেশে ঘাটি করার কোনো ইচ্ছাই নেই আমেরিকার। অথচ এই আমেরিকাই মুসলিম বিশ্বসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের ঘাটি তৈরি করে রেখেছে। সৌদি বাদশাহদের দালালির সহায়তায় তারা পবিত্র ভুমি মক্কা-মদীনার খুব কাছেই তাদের ঘাটি ... Read more - [হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর নবুয়্যতের প্রমাণ](https://returnofislam.com/2012/03/05/rational-proof-for-prophethood/): এটি সর্বজনবিদিত যে, কুরআন একটি আরবি গ্রন্থ যা মুহাম্মদ (সা)-এর মাধ্যমে এসেছে। কাজেই এটি হয় আরবদের নিকট থেকে, অথবা মুহাম্মদ (সা)-এর নিকট থেকে কিংবা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালার পক্ষ থেকে এসেছে। যেহেতু কুরআনের ভাষা ও রচনাশৈলী আরবি, কাজেই এ তিন উৎস ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে এর আগমন অসম্ভব। কুরআন আরবদের নিকট থেকে এসেছে একথা বলা মিথ্যাচার। কারণ কুরআন তাদের প্রতি অনুরূপ রচনার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। “বলুন, এরূপ দশটি সুরা নিয়ে আস।” (সুরা হুদ: আয়াত ১৩) “বলুন, এরূপ একটি সুরা নিয়ে আস।” (সুরা ইউনুস: আয়াত ৩৮) তারা অনুরূপ রচনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিল। সুতরাং এটি তাদের বক্তব্য নয়। কুরআন মুহাম্মদ (সা)-এর ... Read more - [চিন্তা ও চিন্তার পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2012/03/05/thought-and-its-method/): চিন্তা (فكر), বুদ্ধি (عقل), উপলব্ধি (ادراك) ইত্যাদি সব কিছু প্রায় একই অর্থবোধক। অর্থাৎ কোন বাস্তবতাকে যথা সম্ভব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন করার জন্য ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্য দিয়ে তাকে মানুষের মস্তিষ্কে পাঠানো এবং  পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা (previous information) ও জ্ঞানের সাথে তুলনা ও সমন্বয় করার যে প্রক্রিয়া মানুষের মধ্যে বিদ্যমান তাকেই বলা হয় ফিকর ( فكر ) বা চিন্তা। চিন্তা করার জন্য নিন্মোক্ত চারটি বিষয় বিদ্যমান থাকতে হয়। (১) বাস্তব অবস্থা (A Reality)(২) সুস্থ মস্তিষ্ক (A sane distinguishing mind)(৩) ইন্দ্রিয়সমূহ (Senses) ও(৪) পূর্ব অভিজ্ঞতা/জ্ঞান (Previous information) বিবেক-বিবেচনা ভিত্তিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতি (Rational Method)এটি হচ্ছে এমন পদ্ধতি যার মাধ্যমে মানুষ চিন্তা-ভাবনা করে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে উপলব্ধিতে পৌঁছে। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের মন ... Read more - [আল্লাহর অস্তিত্বের বৃুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ](https://returnofislam.com/2012/03/03/intellectual-proof-for-existence-of-allah/): প্রতিটি জিনিসের পেছনে একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন – এ সিদ্ধান্ত পৌঁছানোর কারণ হচ্ছে আমাদের অনুধাবনযোগ্য প্রতিটি বিষয়, যেমন: মানুষ, জীবন ও মহাবিশ্ব ইত্যাদি সীমাবদ্ধ, দুর্বল, অসম্পূর্ণ এবং তাদের অস্তিত্বের জন্য তারা অপরের উপর নির্ভরশীল। মানুষ সীমাবদ্ধ, কারণ সকল ক্ষেত্রেই সে একটি সীমার মধ্যে বেড়ে ওঠে এবং কখনোই এ সীমাবদ্ধতার বাইরে যেতে পারে না। জীবন সীমাবদ্ধ, কারণ আমরা অনুভব করতে পারি যে এটি স্বতন্ত্র প্রাণীসত্তার মধ্যেই প্রকাশিত হয় এবং তার মধ্যেই বিলুপ্ত হয়। কাজেই এটিও সীমাবদ্ধ। মহাবিশ্বও সীমাবদ্ধ, কারণ এটি কতগুলো মহাজাগতিক বস্তুর সমষ্টিমাত্র। প্রতিটি মহাজাগতিক বস্তু সীমাবদ্ধ এবং দৃশ্যতই অনেকগুলো সীমাবদ্ধ বস্তুর সমষ্টিও সীমাবদ্ধ। কাজেই নিশ্চিতভাবেই মানুষ, জীবন ও মহাবিশ্ব সীমাবদ্ধ। যখন ... Read more - [দারুল ইসলাম ও দারুল কুফর](https://returnofislam.com/2012/03/03/dar-ul-islam-dar-url-kufr/): ‘দার’ শব্দটি আরবি ভাষায় বহু অর্থে ব্যবহার হয়, যেমন: এলাকা/মহল্লা, ঘর, বসতবাড়ি, ভূমি ইত্যাদি। শরীয়াতের পরিভাষায়, দারুল ইসলাম বলতে এমন ভূমিকে বোঝায় যেটি ইসলামের আইন দ্বারা শাসিত হয় এবং যার নিরাপত্তা রক্ষিত হয় ইসলাম দ্বারা অর্থাৎ মুসলিমদের কর্তৃত্ব ও প্রতিরক্ষা দ্বারা। এমন কি, যদি সেই ভূমির অধিকাংশ অধিবাসী অমুসলিমও হয়, তবুও সেটি দারুল ইসলাম। দারুল কুফর বলতে এমন ভূমিকে বোঝায় যেটি কুফরের আইন দ্বারা শাসিত হয় এবং যার নিরাপত্তা ইসলাম দ্বারা রক্ষিত হয় না অর্থাৎ মুসলিমদের কর্তৃত্ব ও প্রতিরক্ষা দ্বারা এর নিরাপত্তা রক্ষিত হয় না। এমন কি, যদি সেই ভূমির অধিকাংশ অধিবাসী মুসলিমও হয়, তবুও সেটি দারুল কুফর। মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ ... Read more - [বইমেলা ২০১২ - কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা](https://returnofislam.com/2012/03/02/book_fair/): অনেক ব্যস্ততা সত্ত্বেও আজ গিয়েছিলাম একুশে বই মেলায়। সেই মেলার শুরু দিন থেকে যাবো যাবো করে আর যাওয়া হচ্ছিলো না। আগামীকাল শেষ হয়ে যাবে ভেবে শেষে জরুরী কিছু কাজ বাদ রেখেই আজকে গেলাম। ঘুরে আসলাম আমাদের জাতীয় জীবনের খুবই উল্লেখযোগ্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠান, মাসব্যপী অনুষ্ঠিত একুশে বই মেলায়। পুরো মেলা ঘুরে বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা ও খানিকটা সুখস্মৃতি নিয়ে অবশেষে ফিরে এলাম নিজ গন্তব্যে। প্রিয় পাঠকদের সাথে তা শেয়ার করার লোভ সংবরণ করতে না পেরে শেয়ার করছি। লেখক এবং প্রকাশক হিসেবে খুব বেশি না হলেও প্রায় ১২ বছরের সামান্য কিছু অভিজ্ঞতার আলোকে এবারের বই মেলা সম্পর্কে সংক্ষেপে আমার মূল্যায়ন। প্রথমেই মেলার ... Read more - [ইসলামী আকীদা](https://returnofislam.com/2012/03/02/islamic-aqeedah/): আকীদা (عقيدة): ইসলামের বিশ্বাস বিষয়ক সর্বশেষ ও প্রসিদ্ধতম পরিভাষা ‘আকীদা’। হিজরি চতুর্থ শতকের পূর্বে এ শব্দটির প্রয়োগ লক্ষ্য করার মত নয়। হিজরী চতুর্থ শতক থেকে এ পরিভাষাটি প্রসিদ্ধি লাভ করে। এর পরবর্তী যুগে এটিই একমাত্র পরিভাষা হয়ে যায়। আকীদা ও ই’তিকাদ শব্দদ্বয় আরবি এবং উভয়ই ‘আকদ’ (عقد) ধাতু থেকে গৃহীত। এর মূল অর্থ সন্ধান করা, গিরা দেয়া, চুক্তি করা, জমাট হওয়া, শক্ত হওয়া ইত্যাদি। যেমন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন: وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (আশ্রয় গ্রহণ করছি) গ্রন্থিতে ফুৎকার দিয়ে (জাদুকারিণীদের) অনিষ্ট হতে [সূরা ফালাক ১১৩:৪] وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي এবং আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দুর করে দিন। [সূরা তোয়া-হা: ২৭] ‘দ্বীনের বিশ্বাস’ বুঝাতে ... Read more - [পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করাই কি সব?](https://returnofislam.com/2012/03/02/is-making-good-grades-everything/): বর্তমান সমাজে আমরা সব সময়ই পরীক্ষার সম্মুখীন এবং অনেক ছাত্ররা তাদের সমস্থ সময় ব্যয় করছে পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করার জন্য। প্রাতিষ্ঠানিক চাপ, সমকক্ষদের চাপ ছাড়াও মা-বাবাদের পক্ষ থেকে থাকবে উৎসাহমূলক চাপ যাতে তাদের সন্তানরা অবসর সময়টাকেও পড়ালেখার পিছনে ব্যয় করে একটা ভাল ফলাফল করতে পারে। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনের উপর খুব বেশী জোর দেয়া হয় যেন অন্য সব কিছুই তার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। পরীক্ষাগুলোর বাস্তবতা: পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় পরীক্ষা পাশটাকে প্রধান বিষয় হিসেবে জোর দেয়া হয়। ভাল ক্যারিয়ার অর্জনের মাধ্যমে এবং নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার মধ্যে দিয়ে বস্তুতান্ত্রিক মূল্যেবোধ খোঁজার মধ্যে এই ধরনের সাফল্যের একটা যোগসূত্র আছে। এই ধরনের জীবন ব্যবস্থায় ... Read more - [রাসূলুল্লাহ্‌ (সা)-কে প্রেরণের উদ্দেশ্য](https://returnofislam.com/2012/03/01/reason-for-sending-the-messenger/): ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর উপর বিশ্বাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি না এর সাথে ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্‌’-অর্থাৎ ‘মুহাম্মদ (সা) আল্লাহ্‌’র রাসূল’ এটি যোগ করা না হয়। কেননা তাঁর মাধ্যমেই ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর বাণী আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। একজন মুসলমানকে অবশ্যই হযরত মুহাম্মদ (সা) এর শ্রেষ্ঠতম ও সর্বশেষ নবী হওয়ার উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং তাঁর নবুয়্যাত তথা তাঁকে প্রেরণ করার উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। একটি সুনির্দিষ্ট মিশন দিয়ে আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তাঁর রাসূল (সা) কে মানব জাতির কাছে পাঠিয়েছেন, আর তা হলো আল্লাহ্‌র প্রেরিত জীবন ব্যবস্থা – ইসলামকে পৃথিবীতে মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূত আর সব বাতিল জীবন ব্যবস্থার উপর অধিষ্ঠিত করতে, তাদের ... Read more - [কৃষিতে ইসলামের অবদান](https://returnofislam.com/2012/02/26/islams-contribution-to-agriculture/): কৃষি হচ্ছে মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে খাদ্য এবং তন্তু উৎপাদনের বা সংগ্রহের সুসংগঠিত পদ্ধতি। মানবসভ্যতার ইতিহাসে কৃষি সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, কারণ বিশ্বব্যাপী আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কৃষিব্যবস্থার অগ্রগতি অন্যতম প্রধান নিয়ামক। শিল্পবিপ্লবের আগ পর্যন্ত পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত ছিল। নিত্যনতুন কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং প্রয়োগের ফলে কৃষিজ উৎপাদন বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ সমস্ত কলাকৌশল নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে অনেক বিষয় কৃষির অন্তর্ভুক্ত, এর প্রধান বিষয়গুলো হচ্ছে- – কৃষিবিদ্যা (চারা উৎপাদন, রোপণ এবং ফসল সংগ্রহ) – পশুপালন বিদ্যা – মৎস্যবিজ্ঞান – উদ্যানপালন বিদ্যা (স্বল্প পরিসরে ফুল, ফল, সবজি চাষ) এ সমস্ত বিষয়ের ... Read more - [তিহাত্তর ফিরকা সংক্রান্ত হাদীসসমূহের অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/26/clarifying-73sects/): রাসূল (সা) বলেছেন: বনী ইসরাইল (আহলে কিতাবীরা/ইহুদী-খ্রীস্টানরা) বাহাত্তরটি ফিরকায় বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত তিহাত্তরটি ফিরকায় বিভক্ত হবে। তার মধ্যে এই জামা’আত ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে। [আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ, হাকিম] তিরমিযির অপর বর্ণনা হতে জানা যায়, এই জামা’আত হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (সা) ও তাঁর সাহাবীগণের পদ্ধতির উপর যারা রয়েছেন তারা। এই সম্মানিত হাদীসে বর্ণিত ‘ফিরকা’ শব্দটি নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত হয় আছেন। ‘ফিরকা’-কে এরা মাযহাব, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি নানা অর্থে বুঝে থাকেন। তাই ‘ফিরকা’ শব্দের প্রকৃত অর্থ বোঝা খুবই প্রয়োজন। আরবি ভাষায় ‘ফিরকা’ শব্দটি ‘লাফ্‌জ মুশতারাক’ অর্থাৎ বহু ধরনের অর্থ প্রকাশকারী শব্দ। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ‘ফিরকা’ শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষিতে ব্যবহার করেছেন। ... Read more - [তরীকাহ (পদ্ধতি), উসলূব (ধরন) ও ওয়াসীলা (উপকরণ)](https://returnofislam.com/2012/02/24/tariqah-method-uslub-style-and-wasila-measures/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত আলেম শাইখ আহমাদ মাহমুদ কর্তৃক লিখিত ‘Dawah to Islam’ বইটির বাংলা অনুবাদের একটি অংশ হতে গৃহীত) আলজেরিয়া রাসূল (সা) তাঁর দাওয়াতী কাজ পরিচালনার জন্য মক্কায় যেসব কথা বলেছিলেন এবং যেসব কাজ করেছিলেন তার সবই কি ছিল আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তরফ থেকে ওহী – যেগুলোর আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয? নাকি এখানে এমন কিছু কথা এবং কাজও রয়েছে যেগুলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার তরফ থেকে ওহী হিসেবে আসেনি বলে সেগুলোর আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয নয়? এই প্রেক্ষাপট থেকেই এখন আমরা তরীকাহ (পদ্ধতি), উসলূব (ধরন) এবং ওয়াসিলা (উপকরণ) নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করতে যাচ্ছি। এখানে অন্য একটি প্রশ্নও সামনে ... Read more - [সুন্নত এর প্রকৃত অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/21/the-true-meaning-of-sunnah/): সুন্নাহ কথাটির শাব্দিক অর্থ পদ্ধতি (ত্বরীকা)। এ শব্দটি এসেছে ‘সান আল শাই’ আরবী মূল শব্দ হতে। যার অর্থ কোন কিছুকে ধারালো বা উজ্জল করা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন:   سُنَّةَ مَنْ قَدْ أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِنْ رُسُلِنَا وَلا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيلا “আপনার পুর্বে আমি যত রাসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ সুন্নত ছিল, আপনি আমার সুন্নত এর কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।“ [সূরা আল-ইসরা: ৭৭] سُنَّةَ اللَّهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلُ وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللَّهِ تَبْدِيلا “যারা পুর্বে অতীত হয়ে গেছে তাদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর সুন্নত, আপনি আল্লাহর সুন্নত-এ কখনো পরিবর্তন পাবেন না।“ [সূরা আহযাব: ৬২] إِلا سُنَّةَ الأوَّلِينَ فَلَنْ ... Read more - ['লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌' এর প্রকৃত অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/20/the-true-meaning-of-la-ilaha-illallah/): ইসলামের আকীদা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ ইসলামী জীবনাদর্শের মূল ভিত্তি। বর্তমান সমাজে এই আকীদা চিন্তা-ভাবনা না করে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কিছু বিশ্বাস হিসেবে গৃহীত হচ্ছে। কিন্তু ইসলামের প্রাথমিক অনুসারীরা অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) এর সাহাবীরা (রা) তাঁদের চিন্তাকে ব্যবহার করে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন। তাঁরা (রা) ইসলামকে বুঝে শুনে নিয়েছিলেন বলেই তাঁরা এর দায়িত্ব বহনে বলিষ্ঠ ছিলেন এবং ইসলামকে পৃথিবীতে একটি বিজয়ী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। আজ যদি আমরা মুসলমানদের পুনর্জাগরণ চাই তাহলে আমাদের মাঝে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর বাস্তব উপলব্ধি তৈরী করতে হবে। ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এরা সত্যিকার মানে বুঝতে হলে আমাদের দুটো জিনিস বুঝতে হবে। প্রথমত: আল্লাহ্‌’র ... Read more - [সমাজ ও এর উপাদানসমূহ](https://returnofislam.com/2012/02/20/society-and-its-components/): সমাজ বলা হয় মানুষের এমন সমষ্টিকে যা একই চিন্তা, একই অনুভূতি-এবং একই ব্যবস্থার বন্ধনে আবদ্ধ। সমাজ হচ্ছে অনেক ব্যক্তির এমন সমন্বয়ের নাম, যেখানে বিভিন্ন প্রকার সম্পর্ক বিদ্যমান। শুধু কতিপয় মানুষ একত্রিত হওয়াকেই সমাজ বলেনা। কারন অনেক মানুষ কোথাও একত্রিত হলে তাকে একটি দল বা সমাবেশ বলা যেতে পারে, একে সমাজ বলা যায় না। যে সব উপাদান একটি সমাজকে সংগঠিত করে, সে গুলো হচ্ছে কতিপয় সম্পর্ক তথা রীতি নীতি। অন্য কথায় বলা যায় সমাজ হচ্ছে ব্যক্তি, চিন্তা, আবেগ-অনুভূতি এবং নিয়ম পদ্ধতিগুলোর সমষ্টির নাম।   তাই কোন সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে হলে সে সমাজে বসবাসকারী ব্যক্তিদের চিন্তা, অনুভূতি এবং সেখানে প্রচলিত নিয়ম-নীতি, শাসনব্যবস্থা ইত্যাদির শুদ্ধতা ... Read more - [জিহাদ নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও এর জবাব](https://returnofislam.com/2012/02/20/various-confusions-about-jihad-and-their-answers/): ‘জিহাদ’ শব্দটি এসেছে ‘জাহাদা’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া’। আরবদের কাছে শাব্দিকভাবে ‘জিহাদ’- এর অর্থ হলো ‘কোনো কাজ বা মত প্রকাশ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা বা কঠোর সাধনা করা’। আরো যেসব অর্থে জিহাদ শব্দটি ব্যবহার হয়: ১. اَلْجَد বা প্রচেষ্টা ব্যয় করা২. الطَّاقَةُ বা কঠোর সাধনা করা৩. السَّعْىُ বা চেষ্টা করা৪. اَلْمُشَقَّةُ বা কষ্ট বহন করা৫. بَذْلُ القُوَّةِ বা শক্তি ব্যয় করা৬. النِهايَةُ والغايَةُ বা শেষ পর্যায়ে পৌঁছা৭. الارْضُ الصلبة বা শক্তভূমি৮. الكفاح বা সংগ্রাম করা ইমাম নিশাপুরী (রহ)-এর তাফসীরে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ‘আল-জিহাদ অর্থ হলো কোনো উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালানো’। মোট কথা, ... Read more - [রবিউল আউয়াল মাস - মহানবীর আদর্শ ও মানুষের প্রকৃত বিকাশ](https://returnofislam.com/2012/02/20/significance-of-rabiul-awwal/): আমাদের মাঝে বছর ঘুরে আবার এসে উপস্থিত হয়েছে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস, যে মাসে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জন্ম ও ওফাত হয়েছে। সাধারনত, রাসূলুল্লাহ (সা) এর জন্ম ও ওফাত এর কারণেই এ মাসটি সুপরিচিত। কিন্তু, এ মাসের আরো অন্যান্য তাৎপর্যও রয়েছে। এই মাসেই রাসূলুল্লাহ (সা) মদিনায় হিজরত করে এসে পৌছান এবং তার উপর নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা ইসলাম-এর আলোকে যুদ্ধবিদ্ধস্ত মদিনা শহরটিকে তিনি নতুন করে গড়ে তোলেন। শুরু হয় ইসলামের পদযাত্রা। এবং পরবর্তীতে এই হিজরতের তাৎপর্যকে কেন্দ্র করেই ইসলামী হিজরী সালের গননা শুরু হয়। এছাড়াও এই রবিউল আউয়াল মাসেই রাসূলুল্লাহ সর্বাপেক্ষা প্রিয় সাহাবী হযরত আবু বকর (রা) মুসলিমদের দ্বারা ... Read more - [ইসলামী রাজনীতি: ময়দান ছেড়ে ঘরে](https://returnofislam.com/2011/05/24/islamic-politics-leaving-the-field-at-home/): কিছুদিন আগে পল্টন গিয়েছিলাম। আজাদ প্রডাক্টস এর থেকে খানিকটা সামনে এগোতেই দেখা গেলো সমাবেশ হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে নারীনীতি ও আনুসাঙ্গিক বিষয়ে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে। নোয়াখালী টাওয়ারের নিচ থেকে শুরু করে বেশ অনেকদূর পর্যন্ত নেত-কর্মীদের ভীর লক্ষ্য করার মতো। এখানে সমাবেশের কারণ জিজ্ঞেস করলে জানা গেলো, অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিলো মুক্তাঙ্গনে। কিন্তু সরকার মুক্তাঙ্গনে ১৪৪ ধারা জারি করার কারণে বাধ্য হয়ে এখানে সমাবেশ করতে হচ্ছে। এর কয়েকদিন আগে মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করতে অনেকে পুলিশের লাঠিচার্জ ও গণগ্রেফতারের শিকার হয়েছেন। তাই বাধ্য হয়েই এখানে সমাবেশ করতে হচ্ছে। গত ০৪ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী পালনের জন্য আসতে চাইলে মুফতী ... Read more - [খিলাফত এর ১৩শ বছরের ইতিহাসে ইসলামের বাস্তবায়ন](https://returnofislam.com/2011/04/30/history-of-implementation-of-islam/): বর্তমানে আমরা যে বিশ্বে বসবাস করছি সে বিশ্বে এমন কোনো রাষ্ট্র নেই যাকে ইসলামী রাষ্ট্র বলা যায়। কারণ ইসলামী রাষ্ট্র হওয়ার যে শর্ত বা বিষয়গুলো থাকা দরকার তা বর্তমান বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোতে অনুপস্থিত। এ অবস্থায় আমরা যখন পুনর্জাগরণের মাধ্যমে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলি তখন কিছু প্রশ্ন এসে যায়। যেমন – খিলাফত কী? খিলাফত প্রতিষ্ঠিত ছিল কিনা? খিলাফত কত বছর টিকে ছিল? ইত্যাদি। এ পর্যায়ে প্রথমে আমি খিলাফত কী এবং ৬২২ খৃস্টাব্দে রাসূল (সা) মদিনায় যে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ঔপনিবেশবাদী শক্তি ইসলামী ভূমিগুলো দখল করার পূর্ব পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯২৪ সালের ৩রা মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত ছিল – খিলাফতের এই সুদীর্ঘ সময় আদৌ ইসলাম বাস্তবায়িত হয়েছিল কিনা, এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব ... Read more - [ইসলামের দৃষ্টিতে শেয়ার বাজার](https://returnofislam.com/2011/04/27/stock-market-in-the-eyes-of-islam/): বর্তমানে শেয়ার বাজার বা তথাকথিত পুজিবাজার এর অবস্থা নাজুক। গ্রামের জমিজমা বেঁচে বা বাবার সমগ্র জীবনের জমানো টাকা অথবা ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ঘাম ঝরানো টাকা পুজিবাজারে খাটিয়ে ধরা খেয়ে ৯০% মুসলিমের দেশে তরুনরা আজ দিশেহারা। ইসলাম পূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা হওয়ার পরও মুসলিমরা ইসলাম থেকে অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা না নিয়ে পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীদের দেয়া ঘুনে ধরা পুঁজিবাদি অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা (capitalism) নিয়েছে। শেয়ারকেলেংকারী নতুন কিছু না, ১৯৯৬ সালেও এ ধরণের ঘটনায় সরকার তদন্ত-কমিটি (!) গঠন করে অপরাধীদের চিহ্নিত করেছিলো কিন্তু শাস্তি দিতে পারে নি। আমরা জানি এবারও এই বস্তাপঁচা গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার মাধ্যমে রাঘব বোয়াল দুর্নীতিবাজরা ধরাছোয়ার বাইরে থাকবে এবং ৩০ লক্ষ্য পুঁজিহারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ... Read more - [রমজান ও ঐক্য](https://returnofislam.com/2011/03/16/ramadan-unity/): একইদিনে সিয়াম পালন শুরু করা এবং একইদিনে ঈদ উদযাপন করা বিশ্বের সমস্ত মুসলিমের জন্য আল্লাহর তরফ থেকে প্রদত্ত একটি দায়িত্ব এবং এটি তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও বিশেষ একটি দিক। রমযান ও ঈদের দিনকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে শরঈ দলীলসমূহে চিহ্নিত করে দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন: فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ অতএব, যেই এই (রমযান) মাস প্রত্যক্ষ করবে, সে যেন এতে সিয়াম পালন করে। [বাকারা: ১৮৫] আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) এর বরাত দিয়ে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) রমযানের ব্যাপারে বলেন: لَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ ... Read more - [Ideology (মতাদর্শ)](https://returnofislam.com/2011/03/13/ideology/): আরবি ভাষাগত দিক থেকে বিবেচনা করলে মতাদর্শ (মাবদা’) শব্দটি ‘সূচনাবিন্দু’ বা ‘মৌলিক নীতিমালা’র সমার্থক৷ সাধারণ মানুষ অবশ্য এই শব্দটিকে ব্যবহার করে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাকে বুঝাতে যার উপর ভিত্তি করে অন্যান্য চিন্তা প্রতিষ্ঠত হয়; সুতরাং একজন মানুষ বলতে পারে – আমার নীতি হচ্ছে সত্যবাদিতা, আরেকজন বলতে পারে আমার নীতি হচ্ছে বিশ্বস্ততা এবং এর মাধ্যমে সে বোঝাতে চায় যে বিশ্বস্ততার ভিত্তিতে সে লোকজনের সাথে লেনদেন করে ইত্যাদি৷ প্রকৃতপক্ষে লোকজন কিছু খন্ডিত বা আংশিক চিন্তা যেগুলোর উপর ভিত্তি করে অন্যকিছু চিন্তা গড়ে উঠতে পারে সেগুলোকে মৌলিক চিন্তা বলে থাকে কারণ এগুলো অন্যকিছু চিন্তার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে৷ তাই তারা বলে সত্যবাদিতা একটি মৌলিক ... Read more - [উসূল আল ফিকহ](https://returnofislam.com/2011/03/13/usul-al-fiqh/): শাব্দিকভাবে, ‘আসল’ হলো এমন কিছু যার উপর কিছু নির্মাণ করা যায়, সেই নির্মাণ বস্তুগত হতে পারে, উদাহরনসরূপ, একটি ভবন, অথবা সেই নির্মাণ চিন্তাগতও হতে পারে যেমন, শরয়ী ইল্লাহ (কারণ) এর উপরে মা’লুল (ফলাফল) এর নির্মান কিংবা শরয়ী কোনো দলীলের ভিত্তির উপর একটি সিদ্ধান্ত নির্মাণ বা প্রতিষ্ঠা করা। ‘আসল’ শব্দটির বহুবচন হল ‘উসূল’। আর উসূল আল ফিকহ হল সে সকল নীতিমালা (কাওয়াঈদ) যার উপর ফিকহ প্রতিষ্ঠিত। আর ফিকহ-এর শাব্দিক অর্থ হল, কোনো কিছু বোঝা (ফাহম)। ফিকহ অর্জনের পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নীতিমালার সমষ্টিকে উসূল আল ফিকহ বলে। ইবন আল হাজিব এর সংজ্ঞায় বলেন, (উসূল আল ফিকহ হচ্ছে) সেইসব নীতিমালা যার মাধ্যমে মুজতাহিদ ... Read more - [A Notice](https://returnofislam.com/2011/03/12/a-notice/): We would like inform you with great pleasure that “Return of Islam” blog will be updated more frequently than before. We would be updating writings on various issues like international, political, economical etc. So, please visit us time to time.   - [The West's Scientific Obsession](https://returnofislam.com/2010/05/04/the-wests-scientific-obsession/): Science, since the industrial revolution era, has risen to such a stature that today it is the deen of many in the Western world. For many, questions such as creation, God and life can only be accurately studied, concluded and deduced through the scientific method of experimentation and deduction. Western thinkers today use science to explain many problems and issues and only accept conclusions when scientific studies have proved so. Whilst science has existed since the dawn of the world, its reverence as seen in the West is unprecedented. Whilst the West’s expansion of science initially began with the application of ... Read more - [Q&A: The Ousting of President Bakiyev in Kyrgyzstan](https://returnofislam.com/2010/05/04/qa-the-ousting-of-president-bakiyev-in-kyrgyzstan/): Question: Many things have quickly materialised in Kyrgyzstan. The Opposition moved to oust Bakiyev on 08/04/2010 and succeeded in doing so. They seized authority and Bakiyev fled to his hometown in the south of the country. Then today, the 16/04/2010, he forwarded his resignation and left for Kazakhstan.At the same time one of the first countries to recognize the revolution and ‘bless’ it was Russia such that the interim Prime Minister Roza Otunbayeva engaged in official (phone) talks between herself and the Russian Prime Minister Vladmir Putin on Thursday 08/04/2010, the very day the interim government took control. This means that ... Read more - [আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯](https://returnofislam.com/2009/08/23/ramadan-ar-talks/): আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ২ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৩ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৪ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৫ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৬ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৭ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৮ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৯ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১০ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১১ - [আল কুরআন এর সংজ্ঞা](https://returnofislam.com/2009/06/03/al-quran-definition/): কুরআনের সংজ্ঞা নিম্নরূপ, এটি আল্লাহর কালাম যা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ (সা) এর উপর আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে। এটি একটি মু’জিযা এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সূরার ক্ষেত্রেও। এটি লিপিবদ্ধ আছে এবং আমাদের কাছে এটি মুতাওয়াতির বর্ণনায় এসে পৌছেছে। এর পঠন এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ইবাদত করি এবং সূরা ফাতেহা দিয়ে এর শুরু এবং সূরা নাস দিয়ে এর সমাপ্তি। উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। প্রথমত এটি আল্লাহ-র কালাম। এবং সেই কালাম যা হচ্ছে অলৌকিক (এ’জাজ)। কোরআনের এ’জাজ হচ্ছে এর অতি উচ্চমাত্রার বাগ্মীতা বা বাকশৈলিতা। এবং আল্লাহর অন্য কোনো কথা এ কোরআনের অংশ হবে না, উদাহরনসরূপ: হাদিসে কুদসী। দ্বিতীয়ত সম্পূর্ণ কোরআনই আরবী ভাষায় ... Read more - [মুসলিম উম্মাহর ঐক্য](https://returnofislam.com/2009/06/03/unity-of-muslim-ummah/): ঐক্যবদ্ধ থাকা মুসলিম উম্মাহ-র জন্য ফরয এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়া হারাম। আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, وَٱعْتَصِمُواْ بِحَبْلِ ٱللَّهِ جَمِيعاً وَلاَ تَفَرَّقُواْ তোমরা আল্লাহ-র রজ্জু শক্তভাবে আকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা আলে ইমরান ৩:১০২] আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালার আয়াত ও রাসূল (সা) এর বহু হাদীস থেকে একথা স্পষ্ট যে, বিশ্বের মুসলিমরা এক উম্মত। ভাষা, বর্ণ, অঞ্চল, জাতিয়তাবাদ ইত্যাদির ভিত্তিতে মুসলিমদের বিভক্ত করা আল্লাহ ও তার রাসূল (সা)-এর আদেশ এর সম্পূর্ণ পরিপন্থি। যেমন আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, وَكَذٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطاً لِّتَكُونُواْ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيداً “আর এভাবেই আমরা তোমাদেরকে একটি ন্যায়পরায়ণ উম্মত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী ... Read more - [ইসলামী খিলাফত সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মডেল](https://returnofislam.com/2009/02/23/foreign-policy-of-the-islamic-caliphate-state/): প্রেক্ষিত: মার্কিন ও ভারতের সাথে টাস্কফোর্স, ট্রানজিট, টিফা ও যৌথ সামরিক মহড়া ইসলামী খিলাফত সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মডেল ১. সূচনা বিগত ৩৮ বছর ধরে বাংলাদেশের সকল সরকার ধারাবাহিকভাবে বিদেশী শক্তিগুলোর প্রতি নতজানু নীতি অবলম্বন করেছে। বিদেশীদের স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করার ক্ষেত্রে তারা কখনও দ্বিধা করেনি। ক্ষমতায় আসীন হবার পর থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকেও আমরা একই পথ অনুসরণ করতে দেখছি। নব্য-ক্রুসেডার কাফের-মুশরেক রাষ্ট্রগুলোর পদসেবা করার জন্য ক্ষমতাসীন সরকার শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রকার চুক্তি স্বাক্ষর করার এবং সন্ত্রাস দমনের নামে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে আসছে। সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর সাথে আজ পর্যন্ত সরকার যেসব চুক্তি করার বা নীতি বাস্তবায়নের তৎপরতা দেখাচ্ছে ... Read more - [Lessons from Hajj (পবিত্র হজ্ব হতে আমরা কী শিখব?)](https://returnofislam.com/2008/12/03/lessons-from-hajj/): “For Hajj are the months well known. If anyone undertakes that duty therein let there be no obscenity or wickedness nor wrangling in the Hajj. And whatever good you do Allah knows it. And take a provision for the journey but the best of provisions is right conduct. So fear Me. O Men of understanding.” [TMQ Al-Baqarah: 197] Dear brothers and sisters, the days of Hajj are upon us! May Allah (swt) reward those amongst us who have left and enable those who were unable to undertake this blessed journey to fulfil it in the future. For it is an obligation ... Read more - [Should we be 'Ramadhan Muslims'?](https://returnofislam.com/2008/08/27/should-we-be-ramadhan-muslims/): The great month of Ramadhan is upon us; the month, during which the gates of mercy are wide open, the gates of hell are shut and the shayateen are chained up. It is a month chosen by Allah (Subhanahu wa ta’aala) as a month of fasting; an act of ibadat that Allah (Subhanahu wa ta’aala) made special to Him. He (Subhanahu wa ta’aala) favoured this month over all other months by making it the month of mercy and reverence for all the believers. This month is the most superior of months in which Allah (Subhanahu wa ta’aala) revealed the Qur’an. Also, ... Read more - [Only the return of the Khilafah will silence those who attack Islam](https://returnofislam.com/2008/04/05/only-the-return-of-the-khilafah-will-silence-those-who-attack-islam/): Thursday, 03 April 2008 This week has seen new heights of arrogance as the Dutch MP Geert Wilders has released a film that attacks Islam, in particular the Noble Quran. Wilders has called for a ban on the Quran in the name of the defence of “freedom”. It is this “freedom” that he and others use to uphold the release of this film, which like the disgusting Danish cartoons, was designed to offend, provoke and incitehatred towards Islam and Muslims. This is the same “freedom” they wish every Muslim country to adopt as their values system though it is far away ... Read more - [Adopting Secularism in Government is Apostasy from Islam](https://returnofislam.com/2007/08/17/adopting-secularism-in-government-is-apostasy-from-islam/): The following is a translation of an old leaflet but is still useful and applicable today. Najmuddine Arbakan, president of the so called Islamic Welfare (Rafah) party, was appointed on Friday 12th Safar 1417 A.H./ 28th June 1996 to the office of Prime Minister of Turkey, in a coalition with the woman Tansu Chiller, president of the “True Path” party, which is a secular, non religious party. This occurred in the wake of a deal which had been concluded between them in the following manner: 1- The Prime Ministerial post will be held alternately between them, on condition that Arbakan resumes ... Read more - [Abu Ismael al-Beirawi : The Dar Paradigm and Identity](https://returnofislam.com/2007/08/15/abu-ismael-al-beirawi-the-dar-paradigm-and-identity/): Khilafah has sent you a link to a blog: Blog: Abu Ismael al-BeirawiPost: The Dar Paradigm and IdentityLink: http://abuismael.blogspot.com/2007/08/dar-paradigm-and-identity.html —Powered by Bloggerhttp://www.blogger.com/ - [Seeking our rights under a non-Islamic system](https://returnofislam.com/2007/08/10/seeking-our-rights-under-a-non-islamic-system/): Question: Is it permitted for us to seek our rights under a non-Islamic system, for example are we allowed to go through the courts under a Kufr system? If so, what are the conditions for this. Answer: 1. The person has the right to demand for his right and to demand for removing the injustice away from him and to defend himself by proving his right and removing the injustice away from him. He has the right to delegate another person (such as a solicitor) to do that on his behalf. 2. Such right has to be approved by the Shar’a ... Read more - [Going to cinema & watching licentious films?](https://returnofislam.com/2007/07/27/going-to-cinema-watching-licentious-films/): Q&A: Going to cinema & watching licentious films? The following is a draft translation from Arabic. Question: Is it allowed to go to the cinema and watch ordinary films? Is it allowed to watch sexy licentious films, knowing that it is watching pictures and not real bodies? What is our duty towards the Muslim who watches such films: do we order and forbid him, or leave him to do what he wants? Answer: It is allowed to go to the cinema to watch serious beneficial films, on condition that the rows of women in the hall should be separated from those ... Read more - [সিরিয়া: সাম্রাজ্যবাদের লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র](https://returnofislam.com/2013/09/12/syria-a-new-field-in-the-fight-against-imperialism/): সারা বিশ্বের নজর এখন সিরিয়ার দিকে। দেশি-বিদেশী সমস্ত মিডিয়াতে এই মুহুর্তে আলোচনার বিষয় একটাই আর তা হল কবে আমেরিকা সিরিয়াতে আক্রমন করতে যাচ্ছে। পছন্দের এজেন্টদের ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত করতে লিবিয়াতে যখন ১ মাসের মধ্যেই পশ্চিমারা সামরিক হামলা চালিয়েছে, তখন ২ বছরেরও অধিক সময় ধরে চলা সিরিয় সংঘাতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু এবং তার চাইতে বহুগুন বেশি সংখ্যকের উদ্ধাস্তু হিসেবে প্রতিবেশি দেশসমূহে আশ্রয়গ্রহণ স্বত্ত্বেও পশ্চিমাদের নীরবতা লক্ষ্যনীয়। তাহলে কেন হঠাৎ আমেরিকা সিরিয়া আক্রমনের তোড়জোড় শুরু করল? কেনই বা এতদিন পশ্চিমারা নীরব ছিল? সম্ভাব্য এই আক্রমনের লক্ষ্য ও পরিনতিই বা কী হতে পারে? আমেরিকার মদদে ১৯৭০ সালে বাশার আল-আসাদের পিতা হাফিয কর্তৃক সামরিক অভ্যুত্থানের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৭ (ইহুদী এবং খ্রীষ্টানদের সাথে বির্তক)](https://returnofislam.com/2013/09/11/the-islamic-state-e17/): খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অমুসলিমরা মুসলিমদের শক্তিসার্মথ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে যায়। তারা বুঝতে পারে যে, মুসলিমদের শক্তিসার্মথ্য আসলে তাদের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত। আর, তারা এটাও বুঝতে পারে যে, যে হৃদয় ইসলামের জন্য সকল প্রকার অত্যাচার নির্যাতনের পথ পাড়ি দিয়েছে সে হৃদয় কখনো দ্বীন ইসলাম রক্ষায় অকাতরে প্রাণ উৎসর্গ করতে পিছপা হবে না। বরং এ হৃদয় সবসময়ই ইসলাম রক্ষায় অবলীলায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। এছাড়া, মুসলিমরা এ সময় মদীনায় তাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করছিলো, ইসলামের সমস্ত হুকুম- আহকামকে বাস্তবায়িত করেছিলো এবং প্রতিদিনই দ্বীন ইসলাম নতুন এক উচ্চতায় উঠছিলো যা মুসলিমদের ক্রমশঃ করছিলো আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান ও সত্যিকার অর্থে পরিতৃপ্ত। কিন্তু, ইসলামের শত্রুরা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৬ (মদীনার জীবন)](https://returnofislam.com/2013/09/11/the-islamic-state-e16/): ইসলামের রয়েছে একটি নির্দিষ্ট জীবনব্যবস্থা যেটা মূলতঃ রূপ লাভ করছে জীবন সম্পর্কে কিছু বিশেষ ধ্যানধারনার থেকে। এগুলোই হচ্ছে ইসলামী সংস্কৃতির মূল উপাদান, যেটা অন্য যে কোন সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ন ভাবে আলাদা। ইসলামী জীবনব্যবস্থাকে তিনটি মূল বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ ১.        ইসলামী জীবনব্যবস্থা ইসলামী আকীদাহ বা বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। ২.        ইসলামী জীবনব্যবস্থায় মানুষের সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয় আল্লাহ নির্ধারিত হালাল-হারামের উপর ভিত্তি করে। ৩.        আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এ জীবনব্যবস্থায় সুখের প্রকৃত অর্থ। এটাই হচ্ছে ইসলামী জীবনব্যবস্থা এবং এ রকম একটি জীবনই মুসলিমদের এক এবং একমাত্র কাম্য। কিন্তু, এ রকম একটি জীবনব্যবস্থা পেতে হলে মুসলিমদের অবশ্যই দরকার একটি ইসলামী রাষ্ট্র, যা ... Read more - [পুঁজিবাদী গণতন্ত্রের মোড়লরাই মুসলিম বিশ্বে স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছে](https://returnofislam.com/2013/09/10/the-twists-of-capitalist-democracy-have-perpetuated-dictatorship-in-the-muslim-world/): ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানকে গতন্ত্রের বসন্ত, আরবদের বহুদিনের কাঙ্খিত অর্জন ইত্যাদি নানা নামে অভিহিত করেছিল পশ্চিমা পুঁজিবাদী বিশ্ব। বিশ্বে যা কিছু ভাল অর্জন সবই তারা গণতান্ত্রিক চেতনার নামে চালিয়ে দেয়। এক বছরের মাথায় সেনা অভ্যুত্থানে মিসরে বিশ্ব স্বীকৃত প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট মুরসির সরকারের পতন ঘটানো হয়েছে। প্রেসিডেন্টের পক্ষে-বিপক্ষে কয়েক দিন ধরে চলা বিক্ষোভের পর সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান ঘটায়। ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট মুরসি ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সাংবিধানিক আদালতের প্রধান বিচারপতি আদলি মানসুরকে মিসরের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সেনাবাহিনী। একই সাথে দেশটির সংবিধান স্থগিত করা হয়েছে এবং সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল আল ফাত্তাহ আল সিসি দেশে আগাম ... Read more - [মার্ক্সীয় অর্থনীতির মূলভিত্তি ও চিন্তার ভুল](https://returnofislam.com/2013/09/10/the-fundamentals-and-thinking-of-the-marxist-economy-are-wrong/): অর্থনীতিবিষয়ক অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক (Socialist) ধারণার জন্ম হয়েছে বিগত উনিশ শতকে। সমাজতান্ত্রিকরা খুবই কঠোরভাবে পুঁজিবাদী (Capitalist) অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে। সমাজতন্ত্রের এই শক্তিশালী আবির্ভাবের অন্যতম কারণ হল পুঁজিবাদের দ্বারা সৃষ্ট সামাজিক অসমতা। সমাজতান্ত্রিক তত্ত্বগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও প্রভাবশালী হচ্ছে কার্ল মার্ক্সের তত্ত্ব। যার উপর ভিত্তি করে কমিঊনিস্ট পার্টি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান যুগেও তার তত্ত্বের অনেক প্রভাব রয়েছে। তার সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থের নাম হল ‘দাস ক্যাপিটাল’ (পুঁজি) যার মাধ্যমে তিনি পুঁজিবাদী চিন্তাবিদদের আক্রমণ করেন। পুঁজিবাদী অর্থনীতির প্রবক্তা এড্যাম স্মিথ এর মতে, ”কোন পণ্যের মূল্য নির্ভর করে সে পণ্য উৎপাদন করতে যে পরিমাণ শ্রম ব্যয়িত হয়েছে তার উপর।” অর্থাৎ, যে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৫ (জিহাদের সূচনা)](https://returnofislam.com/2013/09/09/the-islamic-state-e15/): মদীনা নামক যে ভূমিকে রাসূল (সা) বসবাস করবার জন্য বেছে নিয়েছিলেন, সেখানে তিনি (সা) ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সাথেই ইসলামী হুকুম-আহকামও বাস্তবায়ন করেছিলেন। বস্তুতঃ মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরই আল্লাহর তরফ থেকে হুকুম-আহকামের আয়াত নাযিল হতে থাকে। রাসূল (সা) ইসলামী রাষ্ট্রের মূলভিত্তি এবং মদীনার সমাজকে ইসলামী আকীদাহ ও আইন-কানুনের ভিত্তিতেই শক্তিশালী করেছিলেন এবং মদীনার মুসলিমদের (মুহাজির ও আনসার) মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এরপর শরীয়াহর মাধ্যমে ইসলামী শাসনব্যবস্থা মদীনার মুসলিমদের জীবনে বাস্তবিক ভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে ইসলামী শাসনব্যবস্থার আলোকে গঠিত এই সমাজই সমস্ত পৃথিবীতে ইসলামের বার্তা বহনের গুরুদায়িত্ব পালন করে। The number of Muslims substantially increased and they became a ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৪ (জিহাদের প্রস্তুতি)](https://returnofislam.com/2013/09/08/the-islamic-state-e14/): মদীনার প্রান্তসীমায় অবস্থিত ইহুদী গোত্রগুলোর সাথে চুক্তি সম্পন্ন হবার পর রাসূল (সা) যখন বুঝলেন যে, মদীনার নবগঠিত ইসলামী সমাজ দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তখন তিনি জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন। কারণ, দ্বীন ইসলামের আহবানকে সমস্ত পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে কুফর নিয়ন্ত্রিত ভূমিকে ইসলামের পতাকাতলে নিয়ে আসা ইসলামী রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। আর ইসলামের আহবানকে ছড়িয়ে দেবার এ কাজটি কোন ভাবেই মিশনারীদের কাজের সাথে তুলনীয় নয়। বরং, ইসলামী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো মানুষকে ইসলামের দিকে আহবান করা, তাদেরকে ইসলামী ধ্যান-ধারণা ও হুকুম-আহকাম শিক্ষা দেয়া ও সমাজের মানুষকে এ আলোকে গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি সমাজ ও রাষ্ট্রে দ্বীন ইসলাম বাস্তবায়নের পথে যে কোন ধরনের ... Read more - [মুনকার পরিবর্তনের জন্য শক্তি প্রয়োগ সামর্থ্যের উপর নির্ভরশীল](https://returnofislam.com/2013/09/07/armed-rebellion-against-the-ruler-depends-on-the-ability-of-the-rebel/): মুনকারের অপসারন একটি ফরজ দায়িত্ব এবং একে প্রতিহত করার জন্য শক্তিপ্রয়োগ নির্ভর করে সামর্থ্যের উপরে। শরীয়াহ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত এবং নিষিদ্ধ সমস্ত কাজই হচ্ছে মুনকার, যেমন কোন ফরয কাজে অবহেলা করা অথবা কোন হারাম কাজ সম্পাদন করা। মুনকারের অপসারন করা আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত হুকুম শর’ঈ যা ব্যক্তিগত, দলগত, সাংগঠনিক, জাতিগত এবং রাষ্ট্রীয় সমস্ত পর্যায়ে সকল মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আবু সাঈদ আল খুদরী থেকে মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, “আমি রাসূল (সা) কে বলতে শুনেছি, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ কোন মুনকার দেখে তাহলে সে যেন তার হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি সে তাতে সক্ষম না হয় তাহলে সে যেন মুখ দিয়ে তা সম্পাদন ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৩ (ইসলামী সমাজ গঠন)](https://returnofislam.com/2013/09/06/the-islamic-state-e13/): আল্লাহ তা’য়ালা প্রতিটি মানুষকে দিয়েছেন বেঁচে থাকার প্রবৃত্তি। এ প্রবৃত্তির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ীই মানুষ সবসময় একত্রিত হয়ে দলবদ্ধ ভাবে বসবাস করতে চায়। আর দলবদ্ধ মানুষের পরস্পরের উপর নির্ভরশীলতা এবং একে অন্যের সাথে মেলামেশা একটি স্বাভাবিক প্রকৃতিগত ব্যাপার। কিন্তু, শুধুমাত্র কিছু মানুষের দলবদ্ধ ভাবে বসবাসের ব্যাপারটি একটি সমাজ তৈরী করে না। মূলতঃ ততক্ষন পর্যন্ত এই দলবদ্ধ মানুষগুলো একটি সমাজ তৈরী করতে পারে না, যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সকলের মাঝে বিদ্যমান একই ধরনের কিছু চিন্তা-ভাবনা দ্বারা পরস্পর আবদ্ধ হয়। একই ধরনের কিছু কারণকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক বা হুমকি মনে করে থাকে এবং তা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে চায়। দলবদ্ধ কিছু মানুষের মধ্যে যদি ... Read more - [সিরিয়া আক্রমনে ইউরোপের অবস্থান](https://returnofislam.com/2013/09/05/europe-strategy-in-syria-attack/): বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী, ডেভিড ক্যামেরন গত ২৯শে আগষ্ট মানবিকতার দোহাই দিয়ে আবেগপ্রবন আবেদন করা সত্ত্বেও সিরিয়ায় সামরিক সংশ্লিষ্টতার জন্য সংসদীয় অনুমোদন নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বৈশ্বিক বিষয়াদি, বিশেষ করে সিরিয়ার জন্য যখন আমেরিকা একটি জোট গঠন করতে সচেষ্ট তখন ইউরোপীয় অবস্থান (বিশেষ করে বৃটেন ও ফ্রান্স) অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। যখন আরব বসন্তের বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলী ক্রমাগতভাবে বিশ্বকে কাঁপিয়ে চলছে, তখন ইউরোপ ও আমেরিকার বিভাজন ও মতানৈক্য আরো প্রকটভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। বৃটেন ও ফ্রান্স উভয়েরই বিশ্ব ময়দানে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে। কিন্তু উভয়েই বিশ্বশক্তি আমেরিকা কর্তৃক পর্যদুস্ত হয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তি হিসেবে উভয়কে প্রতিস্থাপন করে আমেরিকা ও সোভিয়েত রাশিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১২ (ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা)](https://returnofislam.com/2013/09/04/the-islamic-state-e12/): আল্লাহর রাসূল (সা) অবশেষে মদীনায় এসে পৌঁছালেন এবং বিপুল সংখ্যক মদীনাবাসী তাঁকে সানন্দে বরণ করে নিলো। এদের মধ্যে মুসলিম, ইহুদী ও মূর্তিপূজারী সবধরনের মানুষই ছিলো। মদীনাবাসী অধীর আগ্রহে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলো এবং সকলেই সাক্ষী হতে চেয়েছিলো সেই আনন্দঘন মূহুর্তের, যখন আল্লাহর রাসূল (সা) উপস্থিত হবেন তাঁর নতুন আবাসভূমিতে। সেখানে উপস্থিত হওয়া মাত্রই মুসলিমরা তাকে ঘিরে ধরলো এবং আন্তরিক আথিতেয়তার মাধ্যমে তাঁর সেবাশ্রষশার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লো। বস্তুতঃ ইসলামের আহবানকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য তারা তাদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত ছিলো। আনসারদের মধ্যে সবাই চাচ্ছিলো যেন নবী (সা) তার গৃহেই অবস্থান করে। কিন্তু রাসূল (সা) তাঁর উটনীর রশি ছেড়ে দিলেন। উটনী ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১১ (আকাবার দ্বিতীয় শপথ)](https://returnofislam.com/2013/09/03/the-islamic-state-e11/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আকাবার প্রথম শপথ ছিলো মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত ও সাহায্য। কারণ, যদিও এ শপথের সময় মাত্র অল্পকিছু মদীনাবাসী ইসলাম গ্রহন করেছিলো, তারপরও মুসা’ব (রা) এর একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার ফলে মাত্র একবছরের মধ্যে মদীনাবাসীর মধ্যে প্রচলিত ভ্রান্ত ও ঘুঁণেধরা ধ্যান-ধারনা ও আবেগ-অনভূতিগুলো পরিবতির্ত হয়ে গিয়েছিলো। যা কিনা মক্কায় এর থেকে অনেক বেশী সংখ্যক মানুষ ইসলাম গ্রহন করার পরও সম্ভব হয়নি। মক্কার জনগোষ্ঠির একটা বিরাট অংশ নিজেদের ইসলামের আহবান থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলো এবং ইসলামকে সম্পূর্নভাবে প্রত্যাখান করেছিলো, ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১০ (মদীনায় দাওয়াতী কার্যক্রম)](https://returnofislam.com/2013/09/01/the-islamic-state-e10/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আনসারদের যে দলটি রাসূল (সা) এর সাথে আকাবায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলো, তারা মদীনায় ফিরে যাবার পর সেখানকার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় ইসলামের আহবান। পরবর্তীতে তারা আল্লাহর রাসূল (সা) এর কাছে দ্বীন ও কুরআন শিক্ষার জন্য মদীনায় একজনকে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি প্রেরণ করে। রাসূল (সা) সাধারনত যারা ইসলাম গ্রহন করতো তাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত করতেন এবং তাদেরকে ব্যক্তিত্বকে ইসলামের আলোকে গঠন করতেন, যেন তারা পুরোপুরি ভাবেই ইসলামের আদর্শকে উপলব্ধি করতে পারে। বস্তুতঃ ইসলামের আলোকে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৯ (আকাবার প্রথম শপথ)](https://returnofislam.com/2013/08/30/the-islamic-state-e9/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আকাবার প্রথম শপথ: পরের বছর মদীনা থেকে বারো জনের একটি দল হজ্জ্বের উদ্দেশ্যে মক্কায় আগমন করে এবং আকাবার উপত্যকায় মুহাম্মদ (সা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে। এখানেই তারা মুহাম্মদ (সা) এর সাথে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়, যা আকাবার প্রথম শপথ নামে পরিচিত । তারা আল্লাহর রাসূল (সা)-কে এ মর্মে অঙ্গীকার দেয় যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন (জিনাহ) করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, প্রতিবেশীর সাথে দূর্ব্যবহার করবে না এবং সর্বাবস্থায় ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৮ (দাওয়াতী কার্যক্রমের সম্প্রসারণ)](https://returnofislam.com/2013/08/28/the-islamic-state-e8/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুহাম্মদ (সা) বনু সাকিফ এবং তায়েফ গোত্র কর্তৃক নির্মম আঘাতে ক্ষতবিক্ষত এবং হজ্জের মৌসুমে কিন্দা, কালব, বনু ’আ-মির ও বনু হানিফা কর্তৃক সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যাত হবার পর থেকেই মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা) এবং তাঁর সাহাবীদের প্রতি কুরাইশদের সহিংসতা চুড়ান্ত আকার ধারন করে। এ অবস্থা কুরাইশদের মুহাম্মদ (সা) এবং তাঁর দলকে সমাজ ও বর্হিজগৎ থেকে আরো বিচ্ছিন্ন করার সুযোগ তৈরী করে দেয়। কিন্তু এ সমস্ত ঘটনা আল্লাহর রাসূল (সা) ও তাঁর সাহাবীদের দৃঢ় ঈমানে না কোন ফাটল ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৭ ইসলামী দাওয়াতের দুটি পর্যায়](https://returnofislam.com/2013/08/27/the-islamic-state-e7/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মক্কায় মুহাম্মদ (সা)-এর দাওয়াতী কার্যক্রমের মূলত দুটি পর্যায় রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাসূল (সা) সাহাবীদের দ্বীন শিক্ষা দেন এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আত্মিক উন্নতি ঘটান। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে দ্বীন ইসলামের প্রচার করেন এবং সেই সাথে শুরু হয় সংগ্রাম। প্রথম পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বীনের এই সম্পর্কে নতুন ধ্যান-ধারণা তাদের অন্তরে দৃঢ় ভাবে প্রোথিত করে সেই আলোকে তাদের চরিত্রকে গড়ে তোলা এবং তাদের সংগটিত করা। আর পরবর্তী  পর্যায়ের  লক্ষ্য ছিল  এই আদর্শ  ভিত্তিক  ধ্যান-ধারণা  গুলোকে  এমন এক  চালিকা  ... Read more - [আমেরিকা কি সিরিয়া আক্রমন করবে?](https://returnofislam.com/2013/08/27/america-syria/): গত বুধবার, ২১ আগষ্ট, সিরিয় সরকার দামেস্কের পাশেই আল-ঘুটায় জনসাধারনের উপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে আক্রমন চালিয়ে প্রায় ১৭২৯ জনকে হত্যা করে। এর একদিন পরেই ফরাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট ফেবিয়াস বলেন, এধরনের আক্রমন প্রমানিত হলে ‘পাল্টা আক্রমন’ (reaction with force)-এর প্রয়োজন হতে পারে। গত শুক্রবার ২৩শে আগষ্টে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব চাক হেজেল বলেন, ক্রুজ মিসাইল দ্বারা সম্ভাব্য আক্রমনের প্রস্তুতির জন্য নৌবাহিনীর কিছু এসেট সিরিয়ার কাছে পৌছানোর আদেশ দিয়েছে পেন্টাগন। এছাড়া বৃটেনও খুব শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে কথা বলেন এবং ঐক্যমতে পৌছান যে এধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিপক্ষে একটি ‘শক্তিশালী জবাব’ (serious response) দিতে হবে। গত রবিবার, ওয়াশিংটনের বেশ কিছু ... Read more - [সন্তানকে সবার আগে নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষা দিন](https://returnofislam.com/2013/08/25/give-moral-and-ideological-education-to-the-child-first/): অনেক কষ্ট করে একটি সন্তানকে ছোট থেকে বড় করার পর তার কাছ থেকে পিতা-মাতা ও অভিভাবকগণ অন্তত: এতোটুকু অবশ্যই আশা করেন যে, তারা যেন তাদেরকে মান্য করে, শ্রদ্ধা করে এবং কখনো তাদের অবাদ্ধাচারণ না করে। কিন্তু আমাদের আজকের সমাজের সম্মানিত অভিভাবকগণ কি তাদের আদরের সন্তানদের কাছ থেকে এমন ন্যুনতম শালীন ও উত্তম ব্যবহার পাচ্ছেন? বাস্তবতার আলোকে সত্য কথা বলতে গেলে অধিকাংশ অভিভাবকগণই দু’চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না। আজকাল অনেককে খুবই দুঃখ ও আক্ষেপ করে বলতে শোনা যায় যে, ‘সন্তান কথা শুনে না। তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে।’ সাম্প্রতিক সময়ে তো অবস্থা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সন্তান কর্তৃক আপন পিতাকে হত্যার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৬ (ইসলামী দাওয়াতের জনসংযোগ পর্যায়)](https://returnofislam.com/2013/08/25/the-islamic-state-e6/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসূল (সা) দাওয়াতী জীবনে আপোসের পরিবর্তে সংগ্রামের পথই বেছে নিয়েছিলেন এবং তাঁর দলকে কুরাইশদের সামনে সরাসরি এবং দৃঢ় ভাবে উপস্থাপন করে তাদের দিকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। ফলে, কুরাইশদের উপর এর প্রভাব যা হবার কথা তাই হয়েছিল। ইসলামের এ দৃঢ় আহবানকে অস্বীকার করায় তাদের এর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। এছাড়া ইসলামের আহবানের যে প্রকৃতি ছিল তা স্বভাবতই একে কুরাইশ এবং তৎকালীন সমাজের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত করেছিল। কারণ, এ আহবান ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৫ (দাওয়াতী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সহিংসতা)](https://returnofislam.com/2013/08/24/the-islamic-state-e5/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুহাম্মদ (সা) কে যখন আল্লাসে অনুযায়ী দরদাম হাঁকতে পারে? আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রথমদিকে রাসূল হিসাবে মনোনিত করেন, তখন মক্কার মুশরিকরা তাকে এবং তাঁর প্রচারিত বানীকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। দাওয়াতী কাজের প্রাথমিক দিকে কুরাইশরা তাঁর আহবানকে সাধু-সন্যাসীদের সমগোত্রীয় ভেবে উপেক্ষা করতে থাকে এবং ভাবতে থাকে যে, ইসলাম গ্রহণকারী মুসলিমরা হয়তো ধীরে ধীরে আবার তাদের পূর্বপুরুষের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করবে। মূলতঃ এই কারনেই কুরাইশরা প্রথমদিকে তাঁর (সা) কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। মুহাম্মদ (সা) যখনই কুরাইশদের সম্মুখীন হতেন তারা বলতো, “এই ... Read more - [শাইখ তাকী উদ্দিন আন-নাবহানীর সংক্ষিপ্ত জীবনী](https://returnofislam.com/2013/08/23/short-biography-of-shaikh-taqi-uddin-an-nabahani/): এটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লার ইচ্ছা যে আমরা মহাকালের একেবারে শেষ সময় অতিবাহিত করছি। এটা এমন এক যুগ যখন কুফরের কালো রাত এমনভাবে আমাদের ঘিরে রেখেছে যে, যেকোন সৎ লোক শুধুমাত্র পদে পদে ধাক্কা খাবে। আল্লাহ্‌’র জমিনে আল্লাহ্‌র আইন আজকে নির্বাসিত, অথচ অপরাধ ও শোষণের অবাধ চর্চা সবজায়গায়। কিন্তু, ইনশাআল্লাহ্‌, এই কালো রাত একদিন শেষ হবে, খিলাফাহ’র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন দিনের সূর্য উদয় হবে, সেই সাথে যারা নির্ঘুমভাবে সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তাদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসবে। এই খিলাফাহ’র ডাক, যা হারিয়ে গিয়েছিল, তা এখন যেকোন মানুষের মুখে, এই খিলাফাহ’র ডাকই এখন নতুন করে উদয় হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, ... Read more - [টিকফা চুক্তি: মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অর্থনৈতিক দাসত্বের কৌশলপত্র](https://returnofislam.com/2013/08/22/tikfa-agreement/): গত ১৭ জুন, ২০১৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদ সভায় টিকফা চুক্তির খসড়া অনুমোদন হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া দাবি করেন- “এ চুক্তির কারণে আমেরিকা আর একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেনা”। যদিও দুই সরকারের কোনো এক পক্ষ এ চুক্তির কোনো ধারা উপধারা বিস্তারিতভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি শুধুমাত্র কিছু অস্পষ্ট বিবৃতি দেয়া ছাড়া, যেমন: ‘বাংলাদেশের জন্য এ চুক্তি সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিবে’, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি একটি বিরাট মাইলফলক’ এবং আরো অনেক কিছু। তাই এ চুক্তির বিষয়বস্তু যা প্রকাশিত হয়েছে তার গভীর বিশ্লেষণের প্রয়োজন। এর জন্য আমরা সাহায্য নিব, টিকফার খসড়া, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে ... Read more - [ইলমুল ফিকহ : উৎপত্তি ও বিকাশ](https://returnofislam.com/2013/08/21/origin-and-development-of-ilmul-fiqh/): ভূমিকা: “প্রত্যেক জিনিসেরই একটি স্তম্ভ রয়েছে। দ্বীন ইসলামের স্তম্ভ হলো ফিকহ” [হাদীস]   ইসলাম মানুষকে তার জীবন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও বুদ্ধিবৃত্তিক একটি আকীদা প্রদান করে যা তাদের সকল চিন্তা, আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মূলভিত্তি। এরূপ কোন ভিত্তি এমন একটি সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থার অস্তিত্ব দাবী করে যার প্রতিটি অংশ হবে মূল আকীদার অনুগামী ও তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব, ইসলামী জ্ঞানের এমন একটি শাখার আর্বিভাব অনিবার্য ছিল যা ব্যবহারিক জীবনের এই চাহিদাকে সম্পূর্ণ করবে। “ইলমুল ফিকহ” হচ্ছে ইসলামী জ্ঞানের সেই বিশেষ শাখা। ফিকহ এর সংজ্ঞা: প্রখ্যাত অভিধান বিশারদ আল্লামা আবুল ফযল জামালুদ্দীন মুহাম্মদ আল মিসরী (রহ) বলেন, العلم بالشيء والفهمُ له “ফিকহ শব্দের আভিধানিক ... Read more - [দালাল সৌদি রাজপরিবারের ইতিহাস](https://returnofislam.com/2013/08/21/al-saud-the-puppet-rulers/): [১. মিশরের মুরসি সরকারের পতনের পর সৌদি সরকারের ভূমিকায় মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এই দালাল রাজপরিবারের ইতিহাস তাই মুসলিম উম্মাহর জেনে রাখা প্রয়োজন। ২. সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনাকে ওয়াহাবী মতবাদের সমালোচনা হিসেবে ভেবে যারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তারা লক্ষ করুন – এই নোটে কোথাও ওয়াহাবী মতবাদের প্রশংসা/সমালোচনা করা হয়নি – এটা এখানে প্রাসঙ্গিকও নয়। এখানে স্রেফ বলা হয়েছে – সৌদ পরিবার মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক উসমানিয়া খিলাফত ভাঙতে ওয়াহাবী মতবাদকে ব্যবহার করেছিল। আর সৌদ পরিবার জেনে-বুঝে দালালি করেছে তৎকালীন বিশ্বমোড়ল ও খিলাফতের শত্রু ব্রিটেনের। ৩. মাজারকেন্দ্রিক শিরকের চর্চা আর কবর জিয়ারত এক কথা নয়। মাজারকেন্দ্রিক শিরক পরিত্যাজ্য, কিন্তু কবর জিয়ারত ... Read more - [আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা](https://returnofislam.com/2013/08/21/al-wala-wal-bara/): সূচনা: তিনটি কারণে ‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এক. ধারণাটি ইসলামি আক্বীদার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন প্রধান ভিত্তি। শাইখ আহমাদ ইবনে আতিক (রহ) বলেন: “তাওহীদের বাধ্যবাধকতা এবং এর বিপরীতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির পরে আল্লাহ্‌র কিতাবে অন্য কোন বিষয়েই ‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’-র চেয়ে বেশি প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অন্য কোন বিষয় এতো পরিষ্কারভাবে ব্যখ্যা করা হয়নি।” যদি ওয়ালা’ (আনুগত্য) বলতে আল্লাহ, তার নবী-রাসূলগণ ও মুমিনদের প্রতি নিষ্ঠাপূর্ন ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রকাশকে বোঝায়। অন্যদিকে বারা’ (সম্পর্কচ্ছেদ) বলতে মিথ্যা ও মিথ্যার অনুসারী মানুষদের সাথে শত্রুতা পোষন ও সম্পর্কচ্ছেদ বোঝায়। আর প্রকৃতপক্ষে এসবের উদ্ভব ঈমানের সবচেয়ে মৌলিক বিষয়গুলো থেকেই। দুই. মুসলিমরা বর্তমানে এমন একটি কঠিন ... Read more - [সিরিয়ার দামেস্ক হতে উম্মাহর এক সিংহের গর্জন](https://returnofislam.com/2013/08/21/roar_of_a_lion_from_dameshk_syria/): দামেস্কের বিভিন্ন এলাকায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে নৃশংস হত্যাকান্ড বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উম্মাহ্‌’র সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক আশ-শামের জনগণের সাহায্যে এগিয়ে আসার এটাই যথোপযুক্ত সময়! এই নরঘাতক [বাশার] এবং তার চক্রান্তের সহযোগী এবং যারা উম্মাহ্‌’র শত্রু পূর্ব-পশ্চিমা রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক সরবরাহকৃত রাসায়নিক অস্ত্রের মতো বিভিন্ন মারণাস্ত্র দ্বারা আমাদেরকে হত্যা করেছে, তাদের পরাজিত করার এটাই যথোপযুক্ত সময়! শোকার্ত মা আর শ্বাসকষ্টে কাঁতর শিশুদের কান্নার রোল এতটাই প্রবল ছিল যে, ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও পশ্চিমা মারণাস্ত্রের শিকার নারী-পুরুষ-শিশুর মরদেহের স্তুপে দাঁড়ানো স্বাধীনতাকামী বীর যোদ্ধাগণ এবং এক আল্লাহ্‌’তে বিশ্বাসী উন্নত শিরে শোক প্রকাশকারীগণের গর্জনেও তা শোনা যাচ্ছিল। বাশার এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি শাসককে লানত বর্ষণ করতে গিয়ে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: মিশর, মালী, সৌদি ও কাতার সংক্রান্ত কিছু ঘটনাবলির বিভ্রান্তি ও এর জবাব](https://returnofislam.com/2013/08/21/egypt-mali-saudi-qatar/): প্রশ্ন: সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাবলি আমার কিছু ধারনার মধ্যে বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে: ১. আমরা সবাই জানি, মিশরের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা। তাই যদি হয়ে থাকে, কেন হচ্ছে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য এবং কুয়েতের মতো দেশ মিশরকে আর্থিকভাবে সাহায্য করছে যেখানে এইসব দেশ ব্রিটেনের দালালী করে? ২. মালীতে বিদ্রোহীদেরকে দমানোর জন্য ফ্রান্সকে সাহায্য করছে মধ্যপ্রাচ্য যদিওবা মালীতে প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে ব্রিটেনের কোন প্রভাব নেই? ৩. আরও লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের আল-আরাবিয়া চ্যানেল এবং কাতারের আল-জাজিরা চ্যানেল অভিন্ন বিষয়ে একে অপরের বিপরীতমুখী বক্তব্য দিতে দেখা যায় যদিওবা তারা উভয়ই ব্রিটেনের দালালি করে, সেই সাথে কাতারে সাম্প্রতিক যে পরিবর্তনটা হল তাতে কি ব্রিটেনের স্বার্থে কি কোন আঘাত হানবে? ... Read more - [ধর্মনিরপেক্ষতার মুখ ও মুখোশ](https://returnofislam.com/2013/08/03/face_and_mask_of_secularism/): আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যেই দাবি করে, তারা ধর্মনিরপেক্ষ। তাদের ভারতমাতাও প্রকাশ্যেই বলে, বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার চায় ভারত। আবার এই আওয়ামী লীগনেত্রী শেখ হাসিনাই দাবি করেন, তারা বাংলাদেশে ইসলামের সেবক! নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান তো বলেছেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পক্ষেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব! ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশ পরে মুখে নিজেদের ইসলামের সেবক দাবিকারী এই শ্রেণির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কতটুকু ধর্মনিরপেক্ষতা বোঝেন, আর কতটুকুই বা ইসলাম বোঝেন, সেটা একটু খতিয়ে দেখা দরকার। Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদটিকে “সকল ধর্মের সমান স্বাধীনতা” বা “সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে” – এই মুখোশে বোঝাতে চান কেউ কেউ। প্রকৃতপক্ষে সেকুলারিজম মানে হলো, ধর্মীয় আইন-কানুন থেকে রাষ্ট্র আলাদা থাকবে। Oxford ... Read more - [পশ্চিমা সমাজে স্বাধীনতা](https://returnofislam.com/2013/07/26/freedom-in-west/): জীবন থেকে দ্বীনকে পৃথকীকরণের ধারণার বশবর্তী হয়ে পশ্চিমারা নিজেদেরকে আইন তৈরির ক্ষমতা প্রদান করেছে। এটা এই দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করে যে মানুষ অন্যের তোয়াক্কা না করে এমন জীবনযাপন করবে যাতে সে নিজেকে পরিতুষ্ট করতে পারে; যেখানে তার নিজের খেয়ালখুশীর প্রতিফলন ঘটবে কিন্তু অন্যদের নয়। তারা মনে করে মানুষ এরূপ অধিকার ভোগ করতে পারবে না যদি না সে স্বাধীন হয়। আর এটা থেকেই পাওয়া যায় বিশ্বাস, মালিকানা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ধারণা। এটা স্বাধীনতার এ ধারণাকে পবিত্র বলে বিবেচনা করে। এই স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কৌশলগত অর্থ রয়েছে। বিশ্বাসের স্বাধীনতা একজনকে পছন্দসই ধর্ম বেছে নেয়ার সুযোগ করে দেয়। অথবা দৈনন্দিন ব্যাপার হলেও তাকে এক বিশ্বাস ... Read more - [খিলাফত প্রতিষ্ঠার পর পূর্বের লেনদেন, চুক্তি ও বিচারিক রায়ের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে?](https://returnofislam.com/2013/07/26/post-khilafah-cases/): পুনঃরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ১। পুর্বে যে সকল বিষয়ে বিচার কার্যকর হয়েছে?২। পুর্বের যেকোন লেনদেন৩। বর্তমানের যেকোন চুক্তিগুলো কি করা হবে? তা হতে পারে ব্যাক্তি পর্যায়ে বা সরকার পর্যায়ে। খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্বেকার চুক্তি, লেনদেন ও বিচারিত রায় যা নিষ্পন্ন হয়েছে এবং কার্যকর করা হয়ে গেছে তা খিলাফতের আগের সময়ে বৈধ। খিলাফতের বিচারব্যবস্থা এ ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করবে না বা মামলা পুনরায় শুরুও করবে না। এদের ব্যাপারে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবার পর নতুন কোন মামলা গৃহীত হবে না। তবে দুটি বিষয় এর বাইরে থাকবে; ১) খিলাফতের পূর্বে যে মামলাটি নিষ্পন্ন হয়েছে এবং কার্যকরী হয়েছে ... Read more - [মুরসি পরবর্তী মিশর কোন দিকে যাচ্ছে?](https://returnofislam.com/2013/07/15/egypt-after-mursi/): গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসির ক্ষমতা চ্যুতির পরে, মিশর আবারো অস্থিতিশীল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। মুরসির স্বপক্ষে ও বিপক্ষে হাজারো সমর্থক রাস্তায় অবস্থান করছে। তারা পরস্পর এবং সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় সহিংস ঘটনার সূত্রপাত ঘটছে। মুরসির সংঘটন, মুসলিম ব্রাদারহুড দেশকে সিরিয়ার মতো সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে অভিযুক্ত করেছে। রিপাবলিক গার্ড কম্পাউন্ডের সামনে সেনাবাহিনী কতৃক মুরসির সমর্থক ৫১ জন হত্যা ও ৪৩০ জন আহত হওয়ার পর ব্রাদারহুড এই অভিযোগ তুলল। অপরদিকে সেনাবাহিনী আন্দোলনরত মুরসির সমর্থকদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়েছে। বিদ্যমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে তাকালে যে কারো প্রশ্ন জাগবে, কোন দিকে যাচ্ছে মিশর? মূলত তিনটি কারণের ভিত্তিতে সেকুলার দলগুলো জনগণকে ... Read more - [সাম্প্রতিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিশ্লেষণ](https://returnofislam.com/2013/07/10/recent-politics-bd/): بسم الله الرحمن الرحيم  দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশের অবস্থান। কিছুতেই যেন কাটছে না এই অস্থিতিশীলতা। একের পর এক ট্র্যাজেডি, দুর্ঘটনার নামের আড়ালে হত্যাকান্ড, খুন, গুম, ধর্ষণ ছাপিয়ে আসে নিত্যনতুন ইস্যু। বাংলাদেশ যেন আজ ইস্যুবহুল রাষ্ট্রের আঁধারে ডুবে থাকা একটি ভূমি। প্রতি নির্বাচনের পূর্বেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে যায়, এই বিষয়টি আমাদের কমবেশি জানা। কারণ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেই এই উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদীরা বহু আগে থেকেই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আসছে; এ নতুন কিছু নয়। তবে এইবারে বাংলাদেশের অবস্থা যেন একটু ভিন্ন। প্রতিবার আমরা রাজনৈতিক সংঘাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের কারসাজি দেখতে পাই, যা কিনা এক কথায় নির্বাচন পূর্ববর্তী মঞ্চ ... Read more - [সারা বিশ্বে একইসাথে চাঁদ দেখার পক্ষে বিভিন্ন আলেমদের বক্তব্য](https://returnofislam.com/2013/07/08/worldwide-moon-sighting/): সারা বিশ্বে একইসাথে চাঁদ [ইত্তিহাদ উল মাতো’লী] দেখা নিয়ে বিভিন্ন আলেমদের বক্তব্য: ইমাম আন-নাসাফী (মৃ: ৭০১ হি) বলেন: وَيَلْزَمُ أَهْلَ الْمَشْرِقِ بِرُؤْيَةِ أَهْلِ الْمَغْرِبِপূর্বের বাসিন্দাদের (চাঁদ) দেখা পশ্চিমের বাসিন্দাদের উপর আরোপিত হবে। [বাহরুর রায়েক শরহু কানযিদ দাকায়েক, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ১৮০] ফাতওয়ায়ে ইবনু তাইমিয়্যা গ্রন্থের বলা হচ্ছে- يشمل كل من بلغه رؤية الهلال من اى بلد او اقليم من غير تحديد مسافة اصلاঅর্থাৎ নব চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ যতটুকু পৌঁছবে ততটুকু তার আওতাভূক্ত হবে। তা কিছুতেই দূরত্বের কারণে কোন দেশ, মহাদেশ বা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না। [ফাতওয়ায়ে ইবনু তাইমিয়্যা, খন্ড-২৫, পৃঃ-১০৭] অথবা [তামামুল মিন্নাহ ১/৩৯৮] উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম ও গবেষক আল্লামা আশরাফ ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: বাবার চাচা ও মায়ের মামার সামনে হিজাবের উন্মুক্ততা সংক্রান্ত](https://returnofislam.com/2013/07/06/hijab-with-parents-uncle/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু নারীর জন্য কি এটি জরুরী যে সে তার পিতার চাচা ও মায়ের মামার সামনে হিজাব উন্মুক্ত না করে আসবে? আল্লাহ আপনাকে বরকতময় করুন সম্মানিত ভাই আমার। উত্তর: ওয়া আলাইকুম আস-সালামু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু পবিত্র আল্লাহ বলেন: [তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা…] সুতরাং তিনি ব্যক্তির ভাইয়ের কন্যাগণকে হারাম করেছেন এবং তার ভাইয়ের পুত্রগণের কন্যাগণকেও হারাম করেছেন এবং এদের বাইরে এই ধারার ... Read more - [মুরসির পতন](https://returnofislam.com/2013/07/04/fall-of-mursi/): মিশরে মুরসির পতনে যেসব ইসলামপন্থী ব্যথিত হয়েছেন, তাদের আবেগকে সম্মান জানাই। মুরসির পতনে এটা স্পষ্ট যে, পাকিস্তানের মতো মিশরেও প্রকৃত শাসনকর্তৃত্ব মার্কিনপন্থী সেনাবাহিনীর হাতেই। এছাড়া বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মিডিয়া পশ্চিমাঘেঁষা হওয়ায় মিশরের সর্বময় কর্তৃত্ব পেছন থেকে মার্কিনীদের হাতেই ছিল এবং আছে। অথচ মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা মুরসি এই মার্কিনীদের খুশি রাখার চেষ্টা কম করেননি। ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্লোগান দিয়ে গত ৩০ জুন ২০১২-তে ক্ষমতায় এলেও গত এক বছরে মিশরে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ মুরসি নেননি। বরং এমন একটি সংবিধান গ্রহণ করেছেন যেটি হোসনী মোবারক আমলের মতোই আলংকরিকভাবে ইসলামের কথা বলে – যেমনটা পাকিস্তানের সংবিধানে আছে বা বাংলাদেশ সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: অনৈসলামিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকারের দাবী করা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2013/07/01/is-it-legal-to-demand-their-rights-in-the-non-islamic-system/): প্রশ্ন: অনৈসলামিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকারের দাবী করা কি বৈধ? উদাহারনস্বরূপ, বর্তমান কুফর ব্যবস্থায় আমরা কি কোর্টে বিচারের জন্য যেতে পারি ? যদি যাওয়া যায় তবে তার জন্য কোন শর্ত আছে কি? উত্তর: ১। কোন ব্যক্তি তার অধিকার আদায়ের জন্য, তা দাবী করতে পারে। যদি তার উপর কোন জুলুম হয়, তবে তা থেকে নিজেকে রক্ষা করা ও নিজেকে সঠিক বলে প্রমাণ করার অধিকার তার আছে। পাশাপাশি এই অধিকারগুলোর দাবী সে নিজে করতে পারে অথবা তার পক্ষ হতে কোন উকিল নিয়োগ করতে পারে। ২। তবে যে অধিকারগুলো সে দাবী করবে তা অবশ্যই শারীয়া কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। এক্ষেত্রে কোনটি জুলুম আর কোনটি অধিকার ... Read more - [ধ্বংসাত্মক টিকফা চুক্তি!](https://returnofislam.com/2013/07/01/destructive-ticfa-contract/): বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিকভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল? তাহলে কেন এই ধ্বংসাত্মক টিকফা চুক্তি! কথিত আছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল। কিছু লোকের ধারণা যেহেতু তৈরী পোশাক রপ্তানি খাতের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎসগুলির মধ্যে একটি এবং যার অধিকাংশ রপ্তানি হয় আমেরিকায় এছাড়া আমেরিকায় ১ লক্ষেরও বেশী প্রবাসী রয়েছে যারা দেশে রেমিটেন্সে অনেক অবদান রাখছে এতে বিশ্বের পরাশক্তি আমেরিকার প্রতি কোন চ্যালেঞ্জ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব এমনকি আত্মঘাতিও বটে। যদি বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা হয় তাহলে অর্থনৈতিভাবে অনেক দূরবস্থায় পরতে হবে এমন চিন্তাও বিদ্যমান। মুসলিম হিসাবে আমরা আল্লাহর কাছে বাধ্য এই সাম্রাজ্যবাদী ক্রুসেডারকে প্রতিরোধ করা। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন- “….এবং আল্লাহ তায়ালা কখনোই মুমিনদের উপর কাফেরদের ... Read more - [ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2013/07/01/islamic-social-system/): নিম্মোক্ত প্রবন্ধটি সামাজিক ব্যবস্থা সম্বন্ধে মনোনিবেশ করা হয়েছে যা সমাজে সকল নারী পুরুষের মধ্যে সকল ব্যক্তিগত (ঘরে) ও সার্বজনিক (বাহিরে) সম্পর্ক ও একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়াকে সুগঠিত করে। যদিও এটা বুঝা যায় যে ইসলামে সমাজের জন্য ব্যবস্থা সমূহ প্রতিটি একে অপরের সাথে পারস্পরিকভাবে সম্পর্কিত তাই একটি ব্যবস্থা ছাড়া আরেকটি ব্যবস্থা প্রয়োগের চেষ্টা করাটা শুধুমাত্র দুনিয়াবী জীবনে সর্বনাশা পরিনতির সৃষ্টি করেনা বরং আখিরাতেও দূর্দশার কারন হয় এবং এভাবে প্রয়োগ অনৈসলামিক এবং আল্লাহকে রাগান্বিত করে। উদাহারন স্বরুপ সমাজের ভারসাম্য এবং ইসলামী মূল্যবোধকে নিশ্চত করতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বিচার ব্যবস্থা নির্দিৃষ্ট করে দিয়েছেন এবং তার উপর ভিত্তি করে শাস্তি দিতে বলেছেন। এ কারণেই, ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খলীফা নির্বাচনের জন্য সময়সীমা বেধে দেয়ার দলীল কী?](https://returnofislam.com/2013/06/27/time-limit-of-caliph-selection/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু হে শায়খ, পূর্ববর্তী খলীফার অব্যাহতির পর তিনদিনের মধ্যে নতুন খলীফা নিয়োগ দেয়া সম্পর্কে একটি প্রশ্ন করতে চাই। ‘আজহিযাহ’ বইটিতে উল্লেখ রয়েছে যে এই সময়সীমা উমর (রা) সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে নেয়া হয়েছে যেখানে তিনি (রা) তিনদিনের মধ্যে ঐক্যমতে পৌছাতে না পারলে ছয় সাহাবীর মধ্যে অনৈক্যকারীকে হত্যার নির্দেশ দেন। আমার প্রশ্ন হলো কেউ কেউ বলেন, এই রেওয়ায়াত তারীখ আত-তাবারি হতে নেয়া হয়েছে যা দূর্বল (জয়ীফ) শ্রেনীর (বর্ণনার) মধ্যে পড়ে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? ... Read more - [সামর্থ্য অর্জন ব্যতিত শরী’আহর দায়িত্ব অর্পিত হয় না](https://returnofislam.com/2013/06/23/capacity-takleef/): আল্লাহ্‌ তা’আলা কাউকে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না, আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, আমি কাউকে তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব অর্পন করি না। আমার এক কিতাব আছে, যা সত্য ব্যক্ত করে এবং তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। [আল মুমিনুন: ৬২] আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না। [বাকারা: ২৮৬] আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রতিটি দায়িত্বের একটি উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছেন এবং সেই উদ্দেশ্য পালনের সাথে সামর্থ্যকে সংযুক্ত করেছেন। আমরা যদি নিন্মোক্ত আয়াত গুলোর দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি দেখব এবং প্রতিটি কাজের সামর্থ্যকে আইনপ্রনেতা আল্লাহ তা’আলা নিজেই নির্ধারণ করেছেন, আর সন্তানবতী নারীরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ন দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি দুধ খাওয়াবার পূর্ণ ... Read more - [ইসলামি আহকাম অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের স্বরূপ](https://returnofislam.com/2013/06/23/nature-of-political-party/): সুরা আল ইমরানের ১০৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “তোমাদের মধ্য হতে এমন একটি (অথবা একাধিক দল হোক, যারা আল খায়ের (অর্থাৎ ইসলাম)-এর দিকে আহবান করে, সৎকাজের আদেশ করে এবং অসৎকাজের নিষেধ করে এবং তারাই সফলকাম।” এই আয়াতের দুটি আলোচনা পর্যায় রয়েছে যা আমরা অনুসন্ধান করব। প্রথম পর্যায়ে আমাদের উপর্যুক্ত আয়াতের তাফসীর অর্থাৎ আয়াতের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত আলোচনা করব। দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘তাশরি’ সংক্রান্ত অর্থাৎ আয়াতের শার’আ ও হুকুম সংক্রান্ত আলোচনা। আমরা অনেকেই তাফসীর ও তাশরি-এর ব্যাপারদ্বয়কে গুলিয়ে ফেলি। অনেক ভাইয়েরাই যারা তাফসীর শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন, তা থেকে আহকাম নেয়ার চেষ্টা করেন; বিশেষ করে সেই সকল মুফাস্‌সিরিনের তাফসীর থেকে যারা মুজতাহিদ পর্যায়ের। কেননা অনেক মুজতাহিদ মুফাস্‌সির তাদের তাফসীরে আহকাম ... Read more - [মুহাম্মদ ইবনে কাশিম এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের আগমন](https://returnofislam.com/2013/06/22/muhammad-bin-kasim-islam-in-india/): খিলাফত হচ্ছে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার নাম। আর খিলাফত রাষ্ট্র দিয়ে বুঝায় ইসলামি রাষ্ট্রকে যেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা থেকে সামাজিক ও পারিবারিক সকল বিষয় আল্লাহর নিকট একমাত্র জীবন ব্যাবস্থা ইসলাম দিয়ে পরিচালনা করা হয়। ৬২২ খৃষ্টাব্দে রাসূল (সাঃ) মদিনাতে হিজরতের পর সেখানে ইসলামের সর্বপ্রথম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন যা যুগের পর যুগ ধরে রাসুলের (সাঃ)  পর থেকে খলীফাদের মাধ্যমে পৃথিবীর কিছু অঞ্চল ব্যাতিত অধিকাংশ অঞ্চলেই বিস্তৃতি লাভ করে। খলীফাগণ রাসূল (সাঃ)-এর দেখানো পথ অনুসারে দাওয়া ও জিহাদের মাধ্যমে ইসলামি খিলাফত রাষ্ট্রের বিস্তৃতি ঘটান। এই দাওয়া ও জিহাদের পেছনে রয়েছে বহু বীর সেনা মুজাহিদদের একান্ত প্রচেষ্টা। যারা নিজের জীবনের মায়াকে উপেক্ষা করে শহীদের মর্যাদা লাভের ... Read more - [ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্রের পরাশক্তি রোম ও পারস্য বিজয়](https://returnofislam.com/2013/06/22/liberation-of-rome-persia/): বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে  রাসূল (সাঃ) মদিনাতে  হিজরত করার পর সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র  প্রতিষ্ঠা করেন যার পরিচালনা হতো এমন এক আদর্শ দিয়ে যেটা মহান আল্লাহর নিকট একমাত্র জীবনব্যবস্থা। রাসুল (সাঃ) – এর সময় থেকেই সেই আদর্শের ধারক ও বাহকগন দাওয়াত ও জিহাদের মাধ্যমে সেই মানবতার আদর্শকে পৌঁছে দেয়া শুরু করেন মদিনার বাইরে নতুন নতুন অঞ্চলে, যেসব অঞ্চলের শাসকগণ সেই অঞ্চলের সাধারণ জনগনের উপর খোদা হয়ে বসে ছিল, প্রতিষ্ঠা করত সেথায় সীমাবদ্ধ জ্ঞানে আবদ্ধ মানব তৈরি শাসন, অত্যাচারে অত্যাচারে নিষ্পেষিত করত নাগরিকদের জীবন, বঞ্চিত করত তাদের প্রাপ্য ন্যায্য অধিকার। হয়ত কোন কোন শাসক রাসুল (সা) ও তার উত্তরসূরি  খিলাফতের শাসকদের  দাওয়াত ... Read more - [সালাহুদ্দীন আইয়ুউবী](https://returnofislam.com/2013/06/16/salahuddin-ayubi/): মহান আল্লাহ এই মহাজগতের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহ মানুষ সহ বহু প্রকারের প্রাণী, জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে মানুষকে করেছেন সৃষ্টির সেরা জীব। আর তাদের হাতেই ন্যাস্ত করেছেন পৃথিবীর পরিচালনার ভার। আর সঠিক উপায়ে পরিচালনার জন্য পৃথিবীর ঊষালগ্ন থেকেই সেখানে প্রেরণ করেছেন নবী-রাসুল যারা  মানুষের মাঝে আল্লাহর আইন-কানুন ও জীবন চলার পদ্ধতি শিক্ষা দিয়ে সে অনুযায়ী চলতে মানুষকে সাহায্য করেছেন। আর নবী-রাসুলদের এই কাজের সাহায্যার্থে আল্লাহ তাদের অনেকের উপর প্রেরণ করেছেন আসমানি কিতাব এবং তাদের দিয়েছেন সর্বযুগের চিরন্তন আদর্শ ইসলাম। রাসূল (সাঃ) ছিলেন সেই নবী – রাসুলদের মধ্যে শেষ রাসুল যার পর আর কোন নবী বা রাসূল আসবেন না। কিন্তু মানুষের মাঝে আল্লাহর ... Read more - [ইসলাম কি সাম্প্রদায়িক?](https://returnofislam.com/2013/06/12/is-islam-sectarian/): “সাম্প্রদায়িকতা” শব্দের ব্যবহারিক অর্থ হলো রাষ্ট্রের কোন সাম্প্রদায়ের উপর বিশেষ করে সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়ের উপর কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা দল (কতৃক) জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতর সাম্প্রদায়িকতা বলতে আমরা সচরাচর হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার-নির্যাতনকে বুঝে থাকি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর থেকে হিন্দুদের জমি ও ঘর বাড়ী দখল, ব্যবসা বা সম্পত্তি থেকে উৎখাতের প্রক্রিয়া কাদের দ্বারা সূচিত হয়েছিলো তা আমরা সকলেই জানি। আওয়ামী দাঙ্গাবাজদের দ্বারা শুধু যে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছিলো তাই নয়, পার্বত্য চট্রগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীকে জোর করে বাঙ্গালী বানানোর প্রক্রিয়ায় তাদের উপরও বৈষম্যের সূচনা হয়েছিলো। ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনীতির ভারতে যেভাবে কংগ্রেস মুসলমানের উপর বছরের পর বছর অত্যাচার চালিয়ে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: দিয়তের অর্থ নিরুপন](https://returnofislam.com/2013/06/09/amount-of-diiot/): প্রশ্ন: মানুষের জন্য সহজ করবার উদ্দেশ্যে ১২০০০ রৌপ্য দিরহামকে দিয়তের অর্থরূপে হিসেব করলে কি বৈধ হবে, যদিও ফুকাহারা দিয়ত উটের হিসেবে নির্ধারন করেছেন যারা উট ব্যবহার করে, স্বর্ণ দ্বারা যারা স্বর্ণ ব্যবহার করে এবং ব্যাংক নোট দ্বারা যারা ব্যাংক নোট ব্যবহার করে। উত্তর: যারা উট ব্যবহার করে তাদের জন্য দিয়ত ১০০ উট, এবং যারা স্বর্ণ ব্যবহার করে তাদের জন্য ১০০০ দিনার, এবং যারা রৌপ্য ব্যবহার করে তাদের জন্য ১২,০০০ দিরহামই সঠিক। তথাপি, বর্তমান যুগে ব্যাংকনোট আর স্বর্ণ ও রৌপ্য দ্বারা সংরক্ষিত নয়, তাই তারা ঐসকল লোকদের মধ্যে পরিগনিত হবে না যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যবহার করে। কিয়াস করে এটি অর্থ দ্বারা ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: গণতন্ত্র নামক ভ্রান্ত চিন্তা হতে কিভাবে পরিত্রান পেতে পারি?](https://returnofislam.com/2013/06/08/democracy-is-hypocisy/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: বর্তমান (যুগ)-এ বিপজ্জনক ধারনাসমূহ উম্মাহর অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে এবং আমাদের বিশুদ্ধ দ্বীন হতে পৃথক ভ্রান্ত বিশ্বাস আমাদের আক্বীদাকে আহত ও আক্রমন করেছে। এবং এসকল বিপজ্জনক চিন্তাদির মধ্যে একটি চিন্তা হলো গণতন্ত্র। আমাদের জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা হলো যে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিমগণ দাবী করে গণতন্ত্র ইসলামের একটি অংশ এবং তারা কুরআন ও সুন্নাহ হতে দলীল ব্যবহার করে তাদের এই ভ্রান্ত ধারনাকে ন্যায্যতা প্রদানের জন্য। ১. শাইখ, গণতন্ত্রের ব্যপারে আপনার মতামত কী?২. আমরা কিভাবে এ সমস্যা হতে পরিত্রান পেতে পারি?৩. আপনার মতামত ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খিলাফত ছাড়া কি জুমার সালাত ফরয?](https://returnofislam.com/2013/06/06/caliphate-salat-al-jumah/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: একজনের সাথে আলোচনার সময় (আমরা প্রত্যক্ষ করি), একজন ব্যক্তি সময় মতোই সালাত আদায় করে কিন্তু সবার সাথে জুমা সালাত আদায় করে না। বরং, তিনি যুহর সালাত আদায় করেন। সে যা করছে সে ব্যপারে যখন আমি প্রশ্ন তুললাম তখন সে জবাবে বলল, জুমা সালাতের জন্য সহীহ হওয়ার শর্তের মধ্যে খিলাফতের উপস্থিতিও একটি শর্ত। ফুকাহারা কেউ কি এধরনের মতামত পোষন করেছেন? এ ব্যপারে দলের মতামত কী? আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। জবাব: জুমার সালাত ফরয কোনো খিলাফত থাকুক বা না থাকুক। ... Read more - [পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অধিকার](https://returnofislam.com/2013/06/03/women-right-in-men-ruled-society/): পুরুষতান্ত্রিক চেতনার সমাজে কোনো আইনই নারীকে তার সঠিক প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে পারবে না, হয়তো মিডিয়ার চোখে কিছু সফল মামলা দেখে আমরা পুলকিত হব, হাততালি দেব, কিন্তু অন্তরালে নারীরা ঠিকই বৈষম্যের শিকার হবে। শুধুমাত্র সম্পত্তিতে অধিকারের ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার হবে না, বরং শিকার হবে ঘরোয়া সহিংসতা, যৌন নির্যাতন ও এসিড-সন্ত্রাসের মত বিভিন্নমুখী বৈষম্য ও নির্যাতনের। অনেক প্রাচীনকাল থেকেই মানব সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা দেখা গিয়েছে। এ বিষয়টি মানবচরিত্রের সাথেও অনেকটা সম্পর্কিত। যেহেতু অধিকাংশক্ষেত্রেই পুরুষ তুলনামূলকভাবে নারী হতে বেশি পেশী শক্তি বহন করে, তাই উন্নত চিন্তাবিহীন সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা বিস্তার করে। সমাজের এ বাস্তবতায় ধর্ম অনেকক্ষেত্রে ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় । আর সে ধর্ম যদি আলোকিত ... Read more - [খিলাফত প্রতিষ্ঠা করাই পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়](https://returnofislam.com/2013/05/11/caliphate-only-solution/): মানব ইতিহাসের শুরু থেকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা মানুষের সামনে দুটি পথ খোলা রেখেছেন- আল্লাহ্‌, তাঁর নবী-রাসুল, আল্লাহ্‌’র ও’হী, আখিরাত-হাশর, জান্নাত-জাহান্নাম বিশ্বাসের পথ আর অন্যটি হচ্ছে অবিশ্বাস ও কুফরের পথ। মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই ঈমান আর কুফরের এক চিরন্তন দ্বন্দ্ব ও সংঘাত চলে আসছে। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন, “এবং আমি তাকে (মানুষকে) দুটো পথ (ভালো-মন্দ) দেখিয়েছি।” [সূরা আল-বালাদ:১০] বর্তমান সময়ে এসে এই সংঘাত বিশ্বজনীন রূপ লাভ করেছে। আজ সেই সংঘাতের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্‌ এবং পশ্চিমা বিশ্ব তথা আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সকল অবিশ্বাসী কুফর শক্তি। মুসলমানদের উপর আমেরিকার আগ্রাসন এই উম্মাহ্‌’র উপর পশ্চিমা পুঁজিবাদী বিশ্বের ধারাবাহিক হত্যা, নির্যাতন, দখলদারিত্ব ... Read more - [মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর শর‌য়ী বিধান](https://returnofislam.com/2013/04/28/mlm/): এমএলএম (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং) বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নামে পরিচিত ব্যবসা পদ্ধতিটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে বিদ্যমান। অবশ্য দেশ ও এলাকাভিত্তিক এ পদ্ধতিকে বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করা হয়। যেমনঃ কেউ কেউ বলে ডাইরেক্ট মার্কেটিং সিস্টেম, আবার কেউ কেউ বলে টিমওয়ার্ক মার্কেটিং সিস্টেম, কেউ বা ফ্রিডম এন্টারপ্রাইজ, কেউ বলে হোম বেইজ মার্কেটিং, কেউ বলে হলিডে বিজনেস ইত্যাদি ইত্যাদি। এমএলএম এর আবিস্কার : ১৯৪০ সালে আমেরিকার একজন কেমিস্ট ডাঃ কার্ল রেইন বোর্গ কর্তৃক সর্বপ্রথম প্রবর্তিত হয় এ পদ্ধতিটি। তার কোম্পানীর নাম ছিল ক্যালিফোর্নিয়া ভিটামিন কোম্পানী। ১৯৪০ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সারা বিশ্বে ১২৫টিরও বেশি দেশে প্রায় ১২৫০০ এর বেশি কোম্পানীর অধীনে প্রায় ... Read more - [হুক্‌ম শর'ঈ](https://returnofislam.com/2013/04/26/legal-verdict/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইসলাম’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত হুক্‌ম শর’ঈ হচ্ছে, বান্দা’র (‘ঈবাদ) কার্যাবলী সম্পর্কে আইনপ্রণেতা’র (আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার) বক্তব্য। বক্তব্যটি হতে পারে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত (ক্বাত’ঈ ছুবুত) অর্থাৎ কোন দ্বিমতের অবকাশ নেই যথা কুরআন ও হাদীস মুতাওয়াতির অথবা অমীমাংসিতভাবে প্রমাণিত (জন্নিঈ ছুবুত) অর্থাৎ একাধিক মতের অবকাশ রয়েছে যথা অ-মুতাওয়াতির হাদীস সমূহ। যদি বক্তব্যটি ক্বাত’ঈ ছুবুত হয়, তবে এর অর্থ নির্দিষ্ট (ক্বাত’ঈ দালালাহ) এবং হুকুমটি চূড়ান্ত, অর্থাৎ এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। এরূপ একটি উদাহরণ হচ্ছে ফরজ সালাতের রাকাতের সংখ্যা, কারণ হাদীস মুতাওয়াতিরে এর উল্লেখ রয়েছে। অনুরূপভাবে ... Read more - [বস্তু ও কর্ম সমূহের মূল হুকুমের পার্থক্য](https://returnofislam.com/2013/04/26/hukm-regarding-object-and-action/): বস্তুর জন্য শর’ঈ হুকুম: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন: هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُمْ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا “তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য জগতের সকল বস্তু সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা বাকারা: ২৯) তিনি আরো বলেন: أَلَمْ تَرَوْا أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً তোমরা কি দেখ না আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে যাকিছু আছে, সবই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করে দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ন করে দিয়েছেন? (সূরা লুকমান: ২০) قُلْ مَنْ حَرَّمَ زِينَةَ اللَّهِ الَّتِي أَخْرَجَ لِعِبَادِهِ وَالطَّيِّبَاتِ مِنَ الرِّزْقِ قُلْ هِيَ لِلَّذِينَ آَمَنُوا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا خَالِصَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ ... Read more - [সাভার হত্যাকান্ড!](https://returnofislam.com/2013/04/26/savar-tragedy/): ধারাবাহিকভাবে পুনরায় আরেকটি হত্যাকান্ড!! এটি কোন অস্বাভাবিক বা অনাকাঙ্খিত ঘটনা নয়। একে একে ঘটানো এই হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আসছে গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী যালিম শাসকগোষ্ঠী। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদানে ব্যর্থ এই শাসকেরা লাগাতারভাবে প্রতারণার খেলা করে যাচ্ছে এই উম্মাহ’র সাথে। একের পর এক গার্মেন্টসে আগুন, ধ্বসের পর আশার বাণীর মূলা ঝুলানো হয় আমাদের সামনে আর আমরা তা ধরে ঝুলতে থাকি, ন্যায়ের আশায়। অথচ বাস্তবতা হল, না তারা আমাদের নিরাপত্তা বা অধিকার প্রদান করছে; উপরন্তু দুর্নীতির ছোবলে চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক হত্যাকান্ড। তাজরীন ফ্যাশন, চট্টগ্রামে গার্ডার ধ্বসের দ্বারা কৃত হত্যায় রক্তের গন্ধ বাতাসে মিলিয়ে যাওয়ার পূর্বেই দূর্নীতির ছোবলে পূরনায় আক্রান্ত এই উম্মাহ। রাসূল (সাঃ) ... Read more - [বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বিশ্লেষন](https://returnofislam.com/2013/04/24/posibilities-politics/): সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতি সঙ্কটের আবর্তে ঘুরছে যদিও বা এই সঙ্কট কৃত্রিম এবং এই সঙ্কট আমেরিকা-ব্রিটেন ও ভারতের তৈরি। এবং বাংলাদেশে এটি নতুন কিছু নয় প্রতিবারই যখন নির্বাচন ঘনিয়ে আসে তখনই এই ধরণের পরিস্থিতি সাম্রাজ্যবাদীরা তৈরি করে থাকে যাতে তাদের সুযোগ্য অনুগত দালাল আগামীবার ক্ষমতায় আসে এবং তাদের স্বার্থ অনুগত দাসের মত করে রক্ষা করে। তাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজনৈতিক গতি বিধি নির্ধারণ করতে গেলে আমাদের বাংলাদেশকে ঘিরে মার্কিন, ব্রিটিশ ও ভারতের নীতি সমূহের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যা হল: ১. আমেরিকা এ অঞ্চলে ইসলামী খিলাফতের পুনরুত্থান ঠেকানোর পরিকল্পনা করছে, তার নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রসমূহের বলয় দ্বারা চীনকে ঘীরে রাখতে চাচ্ছে এবং এ অঞ্চলের বাণিজ্য ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৪ (দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা)](https://returnofislam.com/2013/04/23/the-islamic-state-e4/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসুল (সা)-এর নিকট ওহী নাযিলের শুরু থেকেই ইসলামের দাওয়াত মানুষের কাছে পরিচিত ছিল। মক্কার মানুষ প্রথম থেকেই জানতো যে, মুহাম্মদ (সা) মানুষকে এক নতুন দ্বীনের দিকে আহবান জানাচ্ছেন এবং বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহন করেছে। তারা আরও জানতো যে, তিনি এসব মুসলিমদের সাথে একত্রে মিলিত হন, তাদের দেখাশোনা করেন এবং মুসলিমরা যে কুরাইশ সমাজের লোকচক্ষুর আড়ালে একত্রিত হয়ে নতুন দ্বীন শিক্ষা করে এটাও তারা জানতো। মক্কার লোকেরা ইসলামি দাওয়াতের ব্যাপারে এবং যারা ... Read more - [রাসুল (সা)-এর দেখানো আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা কিভাবে অপরাধ দূরীকরণে ভূমিকা রাখে?](https://returnofislam.com/2013/04/17/eliminate-pessimism/): আজকে আমি আলোচনা করব এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যে মানুষ এসেছিলেন সমস্ত বিশ্বের জন্য রহমত সরূপ। তিনি হচ্ছেন আমাদের সবার প্রাণপ্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা)। আর তিনিই যে পৃথিবীর জন্য রহমত সরূপ তা আল্লাহ্‌ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন “আমিতো তোমাকে বিশ্ব জগতের জন্য কেবল রহমত রূপেই প্রেরণ করেছি” (সূরা আম্বিয়া: ১০৭)। আমরা কি জানি রাসূল (সা) কিভাবে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করেছিলেন এবং কিভাবে সমাজ থেকে আপরাধ নির্মূল করেছিলেন? বর্তমান সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কিভাবে সমাজ গঠনে ও অপরাধ নির্মূলে ভূমিকা রাখছে? বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় অপরাধ একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের সংবাদপত্র বা টিভি মিডিয়ার প্রধান শিরোনামই ... Read more - [কেন ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে অসার ? - ১ম পর্ব](https://returnofislam.com/2013/04/14/secularism-is-rationally-false/): (১ম পর্ব) ১৮০২ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন ডানবুরি ব্যাপিস্টদের কাছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের নীতি ব্যাখ্যা করে একটি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিটিকে ভিত্তি করে আমেরিকান সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করে প্রথম সংশোধন করা হয়। তিনি চিঠিতে লিখেন “Believing with you that religion is a matter which lies solely between Man and his God, that he owes account to none other for his faith or his worship, that the legitimate powers of government reach actions only & not opinions, I contemplate with sovereign reverence that act of the whole American people which declared that their legislature should “makes no law respecting an establishment of religion, or ... Read more - [বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয়](https://returnofislam.com/2013/04/14/geo-politics_bd/): বেশ দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শাহবাগ রাজনীতি থেকে শুরু করে হেফাজতে ইসলামীর লংমার্চ এবং অন্যান্য সকল ইস্যুগুলোর ফলে বাংলাদেশ একরকম গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু প্রশ্ন হল আসলেই কি বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ধারাবাহিক চক্রান্তের বেড়াজালে ঘুরেফিরে আটকা পরে আছে?? একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, বর্তমানে যেসকল বিষয়সমূহ আমাদের সামনে সুনিপুণভাবে তুলে আনা হচ্ছে, তার প্রত্যেকটি সাম্রাজ্যবাদীদের সুদীর্ঘ পরিকল্পনার ক্ষুদ্র অংশবিশেষ। বাংলাদেশে প্রতি নির্বাচন পূর্ববর্তী মৌসুমে এই ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়ে থাকে এবং নির্বাচন পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখা হয়। আর এর মধ্যেই জনগণের নিকট ৫ ... Read more - [কেন ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে অসার? (২য় পর্ব)](https://returnofislam.com/2013/04/13/secularism-is-rationally-false_2/): ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ব্যার্থতা: ১। পশ্চিমের ধর্মনিরপেক্ষ বাদীরা প্রায়ই বলে থাকে, “keep your religion to yourself, don’t bring it into politics” একই সুর ধরে আমাদের দেশের কেউ কেউ বলে, “ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার” কিন্তু এই ধারণাটা যৌক্তিক কিনা তা সমাজের সর্বোচ্চ সংগঠনটির (রাষ্ট্র) দিকে তাকালে দেখতে পাই। আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যত ধর্ম ও ধর্ম প্রচারক এসেছে সকলেই সমাজ সংস্কারের কাজ করেছেন। কিন্তু রাজনীতি ছাড়া সমাজের পরিবর্তন কখনো সম্ভব নয়। সকল ধর্ম প্রচারকরাই রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার নীতি গুলোকে পরিবর্তিত ও প্রভাবিত করেছিলেন এবং বিধিবিধান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাই বলা যায় সমাজে মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াই এক ধরনের রাজনৈতিক প্রচেষ্টা। যে সমাজে ধর্ম বিদ্যমান সেখানে ... Read more - [সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করা মুসলিমদের অন্যতম দায়িত্ব](https://returnofislam.com/2013/04/12/changing-the-society-obligation/): সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করা মুসলিমদের অন্যতম দায়িত্ব। ইসলাম একজন মুসলিমকে কেবল কিছু ব্যক্তিগত ইবাদাতের দায়িত্ব দিয়ে ছেড়ে দেয়নি বরং সমাজের প্রতি তার দায়িত্বগুলোও সুস্পষ্ট করে দিয়েছে। তাই যখন সমাজে ইসলাম থাকেনা বরং মানবরচিত শাসনব্যাবস্থার ফলাফল হিসেবে সমাজের সর্বত্র বৈষম্য, জুলুম, বিশৃংখলা ছড়িয়ে পড়ে তখন এই সমাজ পরিবর্তন করে ইসলামিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ না করে একজন মুসলিমের চুপচাপ বসে থাকার অনুমতি নেই। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন: “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যাক্তি অন্যায় কাজ হতে দেখলে সে যেন তার হাত দ্বারা তা প্রতিহত করে। তার এই সামর্থ্য না থাকলে সে যেন তার মুখ দ্বারা তা প্রতিহত করে। তার এই সামর্থ্যও না থাকলে সে ... Read more - [ইসলামের জন্য আন্দোলনকারী ভাইদের প্রতি](https://returnofislam.com/2013/04/06/to-the-dawah-carriers-of-islam/): ইসলামের জন্য আন্দোলনকারী ভাইদের প্রতি, সৎপথের পথিকদের প্রতি আল্লাহ’র রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। সন্দেহাতীতভাবে আজকে মুসলিম উম্মাহ’র বজ্রকন্ঠ কাফির-যালিমসহ ইসলামের বিরুদ্ধবাদীদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে দিয়েছে। তাকবীর ধ্বনিতে বার বার কেঁপে উঠছে তাদের মসনদসমূহ। দেরিতে হলেও এই আন্দোলনে তারা ভীত, প্রকম্পিত। মুসলিম উম্মাহ’র আল্লাহ (سبحانه و تعالى) ও তাঁর রাসূলের (صلى الله عليه و سلم) প্রতি ভালোবাসা এবং ইসলামের দুশমনদের প্রতি ঘৃণার প্রবলতায় আতঙ্কে আছে তারা। কিন্তু, আমাদের যে বিষয়টি বুঝতে হবে তা হল, ইসলাম এবং উম্মাহ’র স্বার্থে জ্বলে উঠা এই আগুন যেন কোনভাবেই যালিম সাম্রাজ্যের ফায়দার উৎস হয়ে না দাঁড়ায়। আমাদের বুঝতে হবে দীর্ঘ সময় পর পাওয়া এই ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) এর প্রতি ভালোবাসা ও নাস্তিকতার মূল উৎপাটন](https://returnofislam.com/2013/04/05/love2prophet/): আল্লাহ্ তা’আলা রাসূল (সা) সম্পর্কে বলেন, হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। (আহজাব: ৪৫) রাসূল (সা) এর প্রতি ভালবাসা বলতে বোঝায় তাকে মান্য করা এবং তাকে সৃষ্টি কূলের মাঝে সর্বশ্রেষ্ট মনে করা। আল বাইদাওয়ী বলেন “ভালবাসা হচ্ছে মান্য করার ইচ্ছা করা”। আরবি ভাষায় ভালবাসা মানে কাউকে সু-উচ্চে তুলে ধরার ইচ্ছা করা। ভালোবাসা হচ্ছে কোন কিছুর প্রতি তাড়না যা মানুষের সেই বিষয়ের প্রতি আচরণ নির্ধারণ করে। এই তাড়না হতে পারে প্রবৃত্তিগত যার সাথে কোন দৃষ্টিভঙ্গীর সম্পর্ক নেই, যেমন: মানুষের তাড়না মালিকানার প্রতি, বেঁচে থাকার জন্য, ন্যায়ের জন্য, পরিবার-সন্তানের জন্য ইত্যাদি। আবার তাড়না হতে পারে কোন নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীর ... Read more - [আপনার নিকট আল্লাহ'র অস্তিত্বের স্বপক্ষে কোন প্রমাণ আছে কি?](https://returnofislam.com/2013/04/03/existence-of-allah/): যারা স্রষ্টাতে বিশ্বাস করেনা, তারা প্রায়ই বলে থাকে স্রষ্টাতে বিশ্বাস একটি অন্ধ বিশ্বাস অর্থাৎ স্রষ্টাতে বিশ্বাস কোন যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। আরও বলা হয় যে, স্রষ্টাতে বিশ্বাস সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। স্রষ্টাতে বিশ্বাস কি বিজ্ঞানভিত্তিক কি না বিচার করার আগে দেখা যাক বিজ্ঞান আসলে কী? আমাদের চারপাশে মহাবিশ্ব, তার অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণই বিজ্ঞান। বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করে মহাবিশ্বের কর্মধারা। এটা বিজ্ঞানের আলোচ্য বা বিবেচ্য বিষয় নয় যে, কে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন বা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি। বিজ্ঞান শুধুমাত্র মহাবিশ্বের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে। সেক্ষেত্রে, স্রষ্টা আছেন কিনা তার উত্তর পেতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা ভুল। ... Read more - [সেনাবাহিনী ও গণতান্ত্রিক রাজনীতি সমাচার !!](https://returnofislam.com/2013/04/02/army-and-democratic/): সেনাবাহিনী নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটাকে অগণতান্ত্রিক সরকার আনার চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন। অতীতের মতো বর্তমানেও বাংলাদেশের রাজনীতি সেনাবাহিনী নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনী প্রভাব বিস্তার করেছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক ভূমিকা জনগণ কতৃক প্রশংসিত হয়েছে। তাই দেখা যায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটে সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা। এটাও ঠিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের মতো সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক ভূমিকার পেছনে ছিল মূলত এই দেশের স্বার্বভৌমের প্রতীক মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং আধিপত্যবাদী ভারতের সক্রিয় সমর্থন, বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় মার্কিন-ভারত-বৃটেন এর ভূমিকা ছিল দেখার মতো। কাজে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল সেনাবাহিনী। বিগত গণতান্ত্রিক সরকার ... Read more - [আপনি কার উপাসনা করেন? ](https://returnofislam.com/2013/03/31/whome-do-you-worship/): তিটি মানব সন্তানই কোন একটি সত্ত্বার উপাসনা করতে চায় । কিন্তু মানুষ উপাসনা করতে চায় কেন? প্রকৃতিগতভাবে মানুষ দুর্বল । সে দুর্বলতা আমরা আমাদের মাঝে উপলব্ধি করতে পারি এবং কোন কিছুর উপর নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি । ফলে মানুষ যখন তার চেয়ে শক্তিশালী কারও অস্তিত্ব টের পায়,তখন প্রায়শঃ তারা তত্ত্বাবধান, নিরাপত্তা ও আশা পুরণের জন্য ঐ সত্ত্বার উপর নির্ভর করে । প্রাচীনকালে মানুষ সূর্য, চাদঁ, তারা, পর্বত, পশু এমনকি তার নিজ হাতে তৈরি মূর্তির সম্মুখেও মাথা নত করত।  তেমনিভাবে, বর্তমান কালে আমরা দেখতে পাই, অসংখ্য দেবতার অস্তিত্ব- যাদের সামনে মানুষ মাথা নত করে। অনেক দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদকে উপদেবতা জ্ঞানে আরাধনা ... Read more - [ইসলাম শুধুমাত্র নামাজ, রোজা ও কয়েকটি রীতিনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়](https://returnofislam.com/2013/03/31/islam-is-not-just-some-rituals/): আজকাল ইসলাম কয়েকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সর্বস্ব ব্যাপার হয়ে দারিয়েছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া, রমযানের রোযা রাখা, হজ্ব করা, লম্বা জামা ও টুপি পড়া এবং জুম্মার নামাজের পর লম্বা দোয়া করা ইত্যাদিকেই বর্তমানে ইসলামের বিধিবিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমাদের প্রাত্যহিক কার্যাবলীর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আমাদের পছন্দ ও অপছন্দ ইসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত। টাকা, ফূর্তি এবং স্থুল বাসনা চরিতার্থ করাই এখন প্রত্যেকের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ইসলাম প্রচলিত অন্যান্য ধর্মের মত নয়। এটি মানবজাতির জন্য একটি ব্যবহারিক ও সামগ্রিক জীবনবিধান। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং জীবনযাপনের নিয়ম-কানুন তিনিই প্রদান করেছেন। আল্লাহ পাক সূরা আল মায়েদাহ্-তে বলেন- ... Read more - [বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত আলোচনা: পরিবর্তন নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ফায়দা লুটের উত্তম পরিবেশে বাংলাদেশ?](https://returnofislam.com/2013/03/28/present_bd/): বেশ দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শাহবাগ রাজনীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সকল ইস্যুগুলোর ফলে বাংলাদেশ একরকম গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু প্রশ্ন হল আসলেই কি বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ধারাবাহিক চক্রান্তের বেড়াজালে ঘুরেফিরে আটকা পরে আছে?? একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, বর্তমানে যেসকল বিষয়সমূহ আমাদের সামনে সুনিপুণভাবে তুলে আনা হচ্ছে, তার প্রত্যেকটি সাম্রাজ্যবাদীদের সুদীর্ঘ পরিকল্পনার ক্ষুদ্র অংশবিশেষ। বাংলাদেশে প্রতি নির্বাচন পূর্ববর্তী মৌসুমে এই ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়ে থাকে এবং নির্বাচন পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখা হয়। আর এর মধ্যেই জনগণের নিকট ৫ বছর যাবৎ হয়ে আসা ... Read more - [ইসলামের বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2013/03/24/islamic-judicial/): ইসলামের বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থাকে বর্বরোচিত এবং পশ্চাদপদ হিসাবে আখ্যায়িত করে ইসলামের শত্রুরা ব্যাপকভাবে আক্রমণ করে আসছে। এই অপবাদ নিরসন করতে আজকের এই প্রবন্ধে ইসলামের বিচার এবং শাস্তির ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করা হয়েছে এবং পশ্চিমাদের অপপ্রচার (বিকৃতি) উন্মোচন করা হয়েছে। ইসলামের বিচার ব্যবস্থা : যে কোন বিষয়ে ইসলামের সিদ্ধান্ত বা রায় কে বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করাকে ইসলামের বিচার ব্যবস্থার মূলনীতি হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে। এটি নিম্নলিখিত দায়িত্বগুলো পালন করবে : ১) জনগণের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি; ২) সামাজিক অধিকারের জন্য ক্ষতিকর সবকিছু প্রতিহত করা; ৩) জনগণ এবং সরকারের (যথা- খলীফা, ওয়ালী’র ইত্যাদির) মধ্যে উদ্ভুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই আদালত এবং বিচার ... Read more - [অধিকতর গণতন্ত্রচর্চা: জঙ্গলযাত্রা শুভহোক](https://returnofislam.com/2013/03/20/practicing-democracy/): মানুষ আর প্রাণীজগতের অন্য জন্তুগুলার মাঝে পার্থক্য কেবলই চিন্তা করিবার সামর্থ্যের উপর। প্রাণীকুলের চিন্তাশক্তি (intellect) না থাকায় ইহারা প্রবৃত্তি (instinct) দ্বারা পরিচালিত হয়। টিকিয়া থাকিবার প্রবৃত্তি তাহাদের ঐক্যবদ্ধ করে আর পারস্পরিক চাহিদা পূরণে দলবদ্ধভাবে শিকার করিয়া থাকে। এই সময়ের রাষ্ট্রগুলা যেমন টিকিয়া থাকিবার প্রবণতা নামক জংলী নীতিতে গড়িয়া উঠিয়াছে, তেমনই মানুষের ঐক্যবদ্ধ হইবার যে বন্ধন তাহাও স্রেফ পারস্পরিক স্বার্থে। বস্তুগত লাভের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হইবার এই বন্ধনকে ডাকাতির বন্ধনও বলা যায়। কারণ ডাকাতগণ ডাকাতির মাল ভাগাভাগিতে খুব সততার পরিচয় দেয়। যদিও ইহাদের কর্মই অনৈতিক। এইখানে মুনাফাই নীতি, সর্বোচ্চ মুনাফাই বড় সাফল্য। আর এই নীতির আদর্শিক রূপকে আদর করিয়া পুঁজিবাদ নামে ডাকা হয়। ... Read more - [সংকীর্ণ জীবন](https://returnofislam.com/2013/03/20/narrow-life/): ১) সদ্য বেসরকারি নামকরা ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ পাশ করা কোন কর্মোদীপ্ত মেধাবী যুবক। ভার্সিটি থেকে বেরোনোর সাথে সাথেই চাকরি পেলো কোন নামকরা বেসরকারী ব্যাংকে; যার পে স্কেলও বেশ ভালো। বছর দুয়েক না যেতেই ব্যাংক তার জন্য অনুমোদন করলো ফ্ল্যাট আর গাড়ীর লোন। আর, ওই যুবকও সাত পাচ না ভেবে সেই সুযোগ লুফে নিলো; যদিও বাকী জীবন তাকে এই লোনের ঘানি টানতে হবে। আমেরিকান ইসলামী সুবক্তা আর মনোবিদ ইয়াসির ফাজাগা একটি বেশ সুন্দর মন্তব্য করেছিলেন একবার, যা অনেকটা এমন: ”We buy things that we don’t need, with the money we don’t have, to impress the people we don’t like.” অনেকেই হয়তো আপাতঃদৃষ্টিতে ... Read more - [শুধু আবেগ নির্ভর আন্দোলন নয়, চাই বিবেক নিয়ন্ত্রিত সঠিক সিদ্ধান্ত](https://returnofislam.com/2013/03/15/shudhu-abeg-nirvor-andolon/): মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিষয় দান করেছেন। একটি হচ্ছে আবেগ, অপরটি বিবেক। আবেগ এবং বিবেক এই দু’টি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ দু’টো এমন বিষয় যার কোনো একটিকেও বাদ দেয়া সম্ভব নয়। মানুষের যে কোনো কাজে এই দু’টি বিষয়ের সমন্বিত ও পরিমিত উপস্থিতি সেই কাজ ও বিষয়কে সর্বোচ্চ সফলতায় উন্নীত করতে পারে। একইভাবে এই দু’টি বিষয়ের সমন্বয়হীনতা বা কম-বেশি যে কোনো কাজ বিশেষত আন্দোলনকে নিক্ষেপ করতে পারে অন্ধকার আস্তাকুড়ে। আবেগ হচ্ছে গতি। দ্রুততা। চলার শক্তি। আর বিবেক হচ্ছে নিয়ন্ত্রক। এখন যদি কোনো গাড়ির গতি যত দ্রুত আর শক্তিশালীই হোক না কেন, যদি সেই গাড়ির নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ন্ত্রক সুস্থ্য ... Read more - [মুমিনের কোনোদিন পরাজয় নাই...](https://returnofislam.com/2013/03/15/believer-never-fails/): (51) قُلْ لَنْ يُصِيبَنَا إِلا مَا كَتَبَ اللهُ لَنَا هُوَ مَوْلانَا وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ (52) قُلْ هَلْ تَرَبَّصُونَ بِنَا إِلا إِحْدَى الْحُسْنَيَيْنِ وَنَحْنُ نَتَرَبَّصُ بِكُمْ أَنْ يُصِيبَكُمُ اللهُ بِعَذَابٍ مِنْ عِنْدِهِ أَوْ بِأَيْدِينَا فَتَرَبَّصُوا إِنَّا مَعَكُمْ مُتَرَبِّصُونَ “হে নবী আপনি বলে দিন! আল্লাহ আমাদের জন্য যা লিখে রেখেছেন তার বাইরে আমাদের কিছুই হবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক, আর আল্লাহর উপরই যেন মুমিনরা তাওয়াক্কুল করে। হে নবী আপনি (অবিশ্বাসীদেরকে) বলে দিন! তোমরা কেবল আমাদের জন্য দু’টি কল্যাণের একটিরই অপেক্ষা করছ (হয়তো আমরা তোমাদের হাতে শহীদ হবো অথবা বিজয়ী হবো) আর আমরাও তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছি মহান আল্লাহর আযাবের। হয়তো এই আযাব ... Read more - [নারী, ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে](https://returnofislam.com/2013/03/06/women-pot-to-fire/): বাঙ্গালী নারীর অতীত অবস্থা: আমরা যদি মাত্র দুই প্রজন্ম আগে ফিরে যাই,আমাদের দাদী-নানীদের যে চিত্র দেখব তা কম-বেশী একই রকমের। শৈশব পেরোতে না পেরোতে সংসার, কিছু বুঝে উঠার আগে মা, তার পর কোল জুরে একের পর এক সন্তান, বিরাট সংসারের ঝক্কি এক হাতে সামলানো সেই সাথে ক্ষেত-খামারে কাজ করা মানুষের খাদ্য যোগান দেয়া। তার উপর আছে শ্বাশুড়ীর গঞ্জনা। সবার উপরে আছে স্বামীর অবহেলা। কবে যে পৌড়া থেকে বৃদ্ধায় পরিনত হয়, নারী টের পায় না। এক সময় সে তার নিজ সন্তানের বোঝা বলে গন্য হয়। জন্মের সময় পরিবারে ভ্রুকুন্ঠনের উদ্রেককারী এই নারী মৃত্যুর মাধ্যমে পৃথিবীর বিরাট উপকার সাধন করে চলে যায়। বেগম ... Read more - [চট্টগ্রামে ইসলামের বিজয়: আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ তার এক জ্বলন্ত নিদর্শন](https://returnofislam.com/2013/02/25/conquest-of-islam-in-chittagong-andarkilla-shahi-jame-mosque-is-one-of-his-burning-signs/): আজকাল ইসলাম ও রাজনীতি এ দুটিকে এক করে দেখতে চান না। এটি সম্ভবত কয়েক শতকের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার শাসন তারপর তাদের ষড়যন্ত্রে ভারত পাকিস্তান নামে অখণ্ড ভারতের বিভক্তি, পাকিস্তানের জালেম শাসকদের দ্বারা শোষণ, পরবর্তী বাংলাদেশের একের পর এক ব্রিটিশ আমেরিকার দালাল শাসকদের দ্বারা জুলুম অত্যাচারের শিকার হেতু তারা ইসলামকে স্বরূপে দেখতে না পাওয়ার কারণে হয়েছে। তায় এটি অনেক ধর্ম প্রাণ মুসলিমো আজকাল ইসলামকে রাজনীতিতে দেখতে চান না। তায় বাংলাদেশের শহর গ্রাম মফস্বল সর্বস্তরের জনগণ অসচেতনতার সহিত Secularism ধারণ করে যাচ্ছে। ইসলামকে ব্যক্তিগত ইবাদত বন্দেগির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। যদি এমনই হত ইসলামের Approach তবে আপনি মুসলিম হিসাবে যে গর্ববোধ করেন তার ছিটেফোটাও ... Read more - [শাহবাগে রাজনীতি](https://returnofislam.com/2013/02/19/politics-of-shahbag/): শাহবাগের আন্দোলন আজ দু সপ্তাহ হতে যাচ্ছে। কিন্তু এর পরিণতি কি বা কারা এর দ্বারা লাভবান হতে যাচ্ছে এ নিয়ে জনগণের মাঝে সচ্ছ ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না তাই আজকের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা। এই আন্দোলন প্রথম শুরু হয় যখন বাংলাদেশের সেকুলার ব্লককে আশাহত করে বাংলাদেশের সেকুলার দল আওয়ামীলীগ যুদ্ধ অপরাধের বিচারকে পরবর্তী নির্বাচনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে যেয়ে কাদের মোল্লাহ কে সরকার দলীয় প্রসিকিউসনের মাধ্যমে তাকে ফাসির হাত হতে বাঁচিয়ে দেয়, এবং পরবর্তীদেরও বাঁচানোর রাস্তা খুলে দেয়। পরবর্তী নির্বাচনে যাতে বিএনপি না আসলেও জামাত অংশগ্রহণ করে এবং আওয়ামীলীগের বিজয় নিশ্চিত হয় এবং আরও বছর ক্ষণেক আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকতে পারে । যা ভারত ... Read more - [দাওয়ার আমানত ও আল্লাহ্‌র সাথে কৃত ওয়াদা](https://returnofislam.com/2013/02/12/amanah-of-dawah/): আমরা যারা দুনিয়াতে দাওয়ার কাজ করছি আমদের মনে হতে পারে যে দুনিয়াতে আমরা সবচেয়ে উত্তম কারণ আমরা আমাদের জীবন সম্পদ সব কিছু দিয়ে দাওয়ার কাজ করছি। কিন্তু আমরা যদি গভীর ভাবে আমাদের কাজ গুলো পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখব যে আমরা প্রায়শয় দুনিয়াবি (বস্তুগত মূল্যের দিকে জড়িয়ে পড়া) কাজের মাঝে আল্লাহ্‌র দেওয়া আমানত এবং তাঁর (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সাথে কৃত ওয়াদা সম্পর্কে ভূলে যাই। এবং যা আমাদের আমানতের খেয়ানত এবং ওয়াদা ভঙ্গের মত গর্হিত কাজের দিকে নিয়ে যায়। তাই আল্লাহ্‌র আমানত ও তার (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ওয়াদা সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি গভীর করার জন্য নিম্নোক্ত আলোচনাটি করা হল। আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ... Read more - [রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: জাগরণ নাকি চক্রান্তের বেড়াজালে বাংলাদেশ?](https://returnofislam.com/2013/02/11/rising-politics-war-crime/): বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের কিছু উল্লেখযোগ্য ইস্যুর মধ্যে একটি হল যুদ্ধপরাধ ইস্যু। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে; যদিও বিচার রায় কার্যক্রম শুরু করে ক্ষমতার মেয়াদ যখন শেষ পর্যায়ে। নানা জল্পনা-কল্পনা, ধ্যান-ধারণা শেষে সর্বপ্রথম আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির রায় দেওয়া হয় এবং কয়দিন পূর্বে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন। এই রায়ের মধ্যে চমকপ্রদ অংশ হল এই জায়গায় যে, যার (আবুল কালাম আযাদ) ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে তিনি পলাতক আর যিনি হাতের নাগালে অর্থ্যাৎ রায় বাস্তবায়নে সুবিধাজনক স্থানে যিনি তাকে দেওয়া হল যাবজ্জীবন। আর এই সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় দেয়ার পর ফাঁসির ... Read more - [প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য্যধারণ করা](https://returnofislam.com/2013/01/25/being-steadfast/): “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমাদের অনুগ্রহকে সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সুরা মায়েদা-০৩) ইসলাম একটা সম্পূর্ণ ও সত্য জীবন ব্যবস্থা যা অন্যান্য সকল বিশ্বাস ব্যবস্থা বা মতবাদ থেকে পৃথক একজন ব্যক্তি যখনই লা-ইলাহা ইল্লালাহ সাক্ষ্য দেয় তখনই মৌখিকভাবে অন্যান্য সকল ব্যবস্থাকে অস্বীকার করে একজন ব্যাক্তি নামাযের জন্য কিভাবে পবিত্র হবে সেটি যেমন ইসলাম বলে তেমনি তার আকীদাকে ভ্রান্ত আকিদা থেকে কি ভাবে রিক্ষা করবে সেটা ইসলাম বলে দেয় তেমনি একটা রাষ্ট্রের অর্থনীতি কিভাবে পরিলক্ষিত হয় তাও বলে দেয়। তেমনি কোন শাসক সমাজ পরিচালনা করবে বা শাসকের জবাবদীহিতা কি রকম হবে ... Read more - [ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কি আমাদের সশস্ত্র লড়াইয়ে অবতীর্ন হতে হবে?](https://returnofislam.com/2013/01/22/is-fighting-a-method/): যদিও মুসলিমরা ১৯২৪ সালে তাদের রাষ্ট্র হারিয়েছিল তাদের হৃদয়ে তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা টিকে ছিল ঠিকই এবং এর দ্বারা বিভিন্ন ইসলামী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতের পুনঃআগমনের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এইসব আন্দোলনগুলো খিলা-ফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির কথা বলে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য জিহাদকেই একমাত্র পথ দাবি করে। যারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগ সন্দেহের উর্ধ্বে। বর্তমানে যেহেতু অধিক থেকে অধিকতর মানুষের এই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এই দায়িত্ব পালন করতে তারা সঠিক পদ্ধতির খোঁজ করছেন। তাই এই সকল পদ্ধতি কুরআন ও সূন্নাহ’র আলোকে মূল্যায়ন করা সবচেয়ে ... Read more - [বিশ্বাসের একটি ভাষা আছে](https://returnofislam.com/2013/01/22/faith-has-a-language/): কুরআন হলো আল্লাহ্’র সাথে আমাদের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম; যাতে এর মাধ্যমে তিনি আমাদের তার নির্দেশিত পথের দিশা দান করতে পারেন। কিন্তু এই যোগাযোগ [communication] কি সত্যিই ঘটছে? - [ধৈর্যের সাথে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হওয়া এবং আল্লাহ’র হুকুমে তুষ্ট থাকা](https://returnofislam.com/2013/01/16/sabr-hardship/): ইসলামের একদম শুরু থেকেই যখন আদি পিতা ইব্রাহীম (আ) দা’ওয়াহ করছিলেন তখন থেকেই থেকেই তিনি প্রচুর প্রতিকূল বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা) ও সাহাবাগণও (রা) একইভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ পর্যন্ত ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দা’য়ীরা সম্মুখীন হয়ে আসছে বিভিন্ন প্রতিকুল অবস্থার। যুগের পরিবর্তনে হয়ত পরিবেশের পরিবর্তন ঘটেছে; কিন্তু প্রতিকূলতা আজও বর্তমান। অর্থ্যাৎ ইসলাম প্রতিষ্ঠায় প্রতিকূলতার সম্মূখীন হওয়া দা’য়ীদের জন্য অবশ্যম্ভাবী এক বাস্তবতা। এই প্রতিকূলতা পরিবার, সমাজ, বন্ধু-স্বজন, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি ক্ষেত্র হতে আসতে পারে। কিন্তু একজন দা’য়ীর জন্য এটা অনুধাবন করা অত্যাবশ্যকীয় যে, এই সকল প্রতিকূলতা আসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার পক্ষ থেকে। তিনি সুবহানাহু ওয়া ... Read more - [সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ এর দায়িত্ব](https://returnofislam.com/2013/01/16/enjoining-good-forbidding-munkar/): ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে “শাসককে জবাবদিহিতা করার ফিকহ” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজিত হয়েছিল। যেখানে ইবন কামালুদ্দিন আল হানাফি, উস্তাদ মুহাম্মদ আলি, উস্তাদ ইয়াহিয়া আবু ইয়ুসুফ, উস্তাদ কামাল আবু যাহ্‌রা, উস্তাদ আবু লুকমান ফাতহুল্লাহ প্রমুখ এ বিষয়ে লেকচার দেন। আমি চেষ্টা করছি লেকচারগুলোর ট্রান্সক্রিপ্ট যোগাড় করে বাংলায় আনুবাদ করতে। আপাতত দুটো লেকচার বাংলায় অনুবাদ করেছি আলহামদুলিল্লাহ এবং বাকিগুলোর কাজ চলছে, যা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে ইনশাল্লাহ। যেসব লেকচার গুলো অনুবাদ করা হবে বা হয়েছে তার তালিকা: · সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ এর দায়িত্ব · ইসলামে জবাবদিহিতা · শাসককে জবাবদিহিতা করা মুসলিমদের অত্যাবশ্যকীয় কাজ · শাসক ইসলাম দিয়ে শাসন করতে বাধ্য ... Read more - [পশ্চিমা বিশ্বে নারী নির্যাতন](https://returnofislam.com/2012/12/17/treatment-of-women-in-west/): পশ্চিমের নারী স্বাধীনতার অলীক ধারণা: নারী নির্যাতনের সমাধান হিসাবে পশ্চিমা বিশ্ব সমস্ত পৃথিবীব্যাপী ফ্রিডম বা স্বাধীনতার ধ্যানধারণাকে জোরের সাথে প্রচার করলেও, প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার মিথ্যা শোগানে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পশ্চিমের নারীরা হয়েছে এক অভিনব দাসত্বের শিকার। বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা, সুপার হিট হলিউড মুভি, নামী-দামী ফ্যাশন ম্যাগাজিন কিংবা চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপনের সাহায্যে তারা মুসলিম বিশ্বেও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করছে তাদের মুক্ত-স্বাধীন নারীদের। তাদের ইলেক্ট্রনিক আর প্রিন্ট মিডিয়াতে আধুনিকা নারীদের দেখলে মনে হয় জীবনের সবক্ষেত্রেই তারা প্রচন্ড রকম স্বাধীন। স্বাধীন সমাজে তাদের ভূমিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে, স্বাধীন পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে কিংবা স্বাধীন পুরুষের সাথে সম্পর্ক তৈরীর ক্ষেত্রে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের শরীরের ওজন, প্রতিটি অঙ্গের মাপ, ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৩ (সাহাবাদের গঠন পর্যায়)](https://returnofislam.com/2012/12/17/the-islamic-state-e3/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে দাওয়াতের প্রাথমিক পর্যায়ে রাসুল (সা) যাদের মাঝেই ইসলাম গ্রহণ করার মতো মনমানসিকতা লক্ষ্য করতেন, জাতি, বর্ণ, বয়স, সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি ভেদাভেদে তাদের কাছেই তাঁর এ আহবান পৌঁছে দিতেন। তিনি কখনো তাঁর নির্বাচিত কিছু সংখ্যক মানুষের কাছে দ্বীনের আহবান পৌঁছে দেননি বরং সকল শ্রেনীর মানুষকে তিনি সমান ভাবে ইসলামের দিকে আহবান করেছেন এবং তারপর ইসলাম গ্রহণে তাদের মনমানসিকতা বিচারে সমর্থ হয়েছেন। এভাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ ঈমান আনে এবং ইসলাম গ্রহণ করে। নও মুসলিমদের পরিপূর্ণ ভাবে দ্বীন এবং ... Read more - [মৃত্যুপুরীতে বসবাস](https://returnofislam.com/2012/12/15/land-of-death/): পুরো দেশটা মনে হচ্ছে এক মৃত্যুপুরী। ঘর থেকে বাইরে বের হওয়ার আগে শতবার ভাবতে হয়। যুদ্ধের ময়দানে বেসামরিক লোকদের হেটে যাওয়ার চেয়েও কঠিন হয়ে গেছে বাসা থেকে অফিসে আসা। কখন কার আঘাতে কে আহত বা নিহত হবে সেটি আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন জানে না, তেমনি আক্রমণকারীও জানে না সে একটু পরে কাকে খুন করবে, জখম করবে। এ কেমন দেশ?এ কেমন স্বাধীনতা? একটি জংগলেও বোধহয় প্রাণীরা এতোটা শংকিত ও আতংকিত থাকে না।পুরো দেশ জুড়ে, বিশেষত ঢাকা শহরে এবং এর সড়ক পথে বর্তমান পরিস্থিতি গৃহযুদ্ধের মতো। কখন কোন চিপা গলি থেকে কে হরতাল বা অবরোধের পক্ষে আর কে বিপক্ষে মিছিল বের করবে, কে রড, ... Read more - [সাহাবীগণ ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ](https://returnofislam.com/2012/12/14/companions-and-laa-ilaha-illallah/): সাহাবীগণ (রা) কিভাবে এই মহান কালিমাকে বুঝেছিলেন ও এর দাবিগুলো পূরণ করেছিলেন, সেটা ইমাম সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহ (রহ) সুন্দরভাবে ব্যখ্যা করেছেন। মুহম্মদ ইবন আবদুল মালিক আল মুসাইসি বলেন: ১৭০ হিজরিতে আমরা সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহর সাথে ছিলাম। এক ব্যক্তি তাকে ঈমান সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলো। তিনি জবাব দিলেন, ‘এটা হলো সত্যের স্বীকোরোক্তি ও আমল।’ লোকটি জিজ্ঞাসা করলো, এটা কি বাড়ে-কমে? তিনি জবাব দিলেন, আল্লাহ ইচ্ছা করলে এটা বাড়ে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে এটা কমে; এমনভাবে কমে যে আর এতটুকুই বাকি থাকে [তিনি তার বা হাত দিয়ে তা দেখান]। লোকটি প্রশ্ন করলো, ঈমানকে যারা আমলহীন স্বীকরোক্তি বলে তাদেরকে আমরা কিভাবে মোকাবেলা করবো? [সম্ভবত তিনি মুরজিয়্যাদের ... Read more - [খিলাফাহ কিভাবে মুসলিম বিশ্বে শিল্পায়ন ঘটাবে?](https://returnofislam.com/2012/12/12/industrialization/): ভূমিকা খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজ করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই যে প্রশ্নটির সম্মূখীন হই তা হলো, খিলাফাহ কিভাবে এই একবিংশ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকার সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকবে? মুসলমানদের মধ্যে এ ধারণা প্রবল যে বর্তমান পরাশক্তিগুলো শুধু সামরিকভাবেই নয় বরং অর্থনৈতিকভাবেও খুবই শক্তিশালী। উম্মাহর মধ্যে প্রচলিত এ ধারণার কারণে ‘খিলাফাহ শুধুমাত্র স্বপ্ন… আজকের দুনিয়ায় এর বাস্তবায়ন কখনোই সম্ভব নয়’ এমন বোধ অনেকাংশেই শক্তিশালী হয়েছে। আমরা যদি উম্মাহকে খিলাফতের প্রয়োজনীয়তা তথা মুসলিম বিশ্বের যাবতীয় সমস্যা মোকাবেলায় খিলাফতের অপরিহার্যতার বিষয়টি বোঝাতে চাই তাহলে শুধুমাত্র ইসলামী শরীয়াহর দলীলই সব সময় যথেষ্ট নয়। উম্মাহর আস্থা অর্জনের জন্য আমাদেরকে খিলাফত কিভাবে বাস্তবে মুসলিম বিশ্বের সমস্যাগুলোর সমাধান করবে ... Read more - [ইসলামী সমাজব্যবস্থায় নারীর সম্মান ও মর্যাদা](https://returnofislam.com/2012/12/12/women-in-islamic-society/): প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য – তথা সমগ্র বিশ্বব্যাপী নারী নির্যাতন একটি সমস্যা। কিন্তু এ সম্পর্কিত সমস্ত আলোচনায় এমনভাবে এ ব্যাপারটিকে উপস্থাপন করা হয় যেন এটি শুধুমাত্র মুসলিম বিশ্বেরই একটি সমস্যা আর এর কারণ হিসেবে সব সময় দায়ী করা হয় ইসলামকে। ইসলামে নারীর অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে অনেক ভ্রান্ত ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে। যেমন: – ইসলাম পুরুষকে দিয়েছে নারী নির্যাতন করার অধিকার। – নারীর নেই শিক্ষা গ্রহণ, রাজনীতি কিংবা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের অধিকার। – নারীর নেই কোন বিষয়ে নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার। – নারীর নেই স্বামী নির্বাচন বা তালাকের অধিকার। – হিজাব বা পর্দাপ্রার মূল উদ্দেশ্য নারীদের অবরুদ্ধ করা। – হিল্লা বিয়ে, গ্রামগঞ্জের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ২ (শুরুর কথা)](https://returnofislam.com/2012/12/12/the-islamic-state-e2/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] শুরুর কথাঃ রাসূল হিসাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হবার পর মুহাম্মদ (সা) সর্বপ্রথম আহবান জানালেন তার সহধর্মিনী খাদিজা (রা)কে এবং তিনি তাঁর উপর বিশ্বাস স্থাপন করলেন। তারপর তিনি তাঁর চাচাতো ভাই আলী (রা) কে ইসলামের দাওয়াত দেন এবং তিনিও তাঁর উপর বিশ্বাস আনেন। এরপর তিনি তাঁর ক্রীতদাস যায়েদ (রা) কে আহবান করলে যায়েদ (রা)ও তাঁর উপর ঈমান আনেন। তারপর তিনি তাঁর বন্ধু আবু বকর (রা) কে আহবান জানান এবং তিনিও বিশ্বাস স্থাপন করেন। এরপর তিনি জনসাধারনকে ইসলামের দিকে ... Read more - [সম্পদ যথেষ্ট, সম্পদের বিতরণই মূল অর্থনৈতিক সমস্যা](https://returnofislam.com/2012/12/12/distribution-of-wealth/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং জীবন পরিচালনা করার জন্য সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ তিনি সৃষ্টি করে তা মানুষের ব্যবহারের জন্য অর্পণ করেছেন। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, “তিনিই সে সত্তা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমিনে রয়েছে সেই সমস্ত।” [সূরা বাকারা : ২৯] “এবং আয়ত্ত্বাধীন করে দিয়েছে তোমাদের, যা আছে নভোমন্ডলে ও যা আছে ভূমন্ডলে; তার পক্ষ থেকে।” [সূরা আল জাসিয়া : ১৩] আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরো বলেছেন, “যেন সম্পদ তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যে আবর্তিত না হয়” [সূরা হাশর: ৭] আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা বাদ দিলে তার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ১ (ভূমিকা)](https://returnofislam.com/2012/12/12/the-islamic-state-e1/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ভূমিকা: বর্তমান প্রজন্ম সেই ইসলামী রাষ্ট্রের স্মরণ থেকে বিস্মৃত হয়েছে, যা সত্যিকার ভাবে ইসলাম কায়েম করেছিল। আর ইসলামী রাষ্ট্রের (উসমানী খিলাফত-এর) সমাপনী বছর গুলোতে যারা এখানে বসবাস করেছে, যখন পশ্চিমা বিশ্ব এ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষনা করে, তারা মূলতঃ একটি ক্ষয়ে যাওয়া ধ্বংসোম্মুখ রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাক্ষী যেখানে ইসলামী বিধিবিধানের খুব ক্ষুদ্র একটি অংশই কার্যকর ছিল। তাই আজ অধিকাংশ মুসলিমদের পক্ষেই ইসলামী শাসন-ব্যবস্থার সত্যিকারের স্বরূপ নির্নয় করা খুবই কঠিন। সমস্ত মুসলিম জাতির মনমগজ আজ বর্তমানে বিরাজমান ... Read more - [উম্মু শুরাইক (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2012/12/09/umm-shuraik/): উম্মু শুরাইক (রা) মক্কার একজন মহিলা। ইসলামের কথা পৌঁছালো তাঁর কানে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন। অতঃপর নেমে পড়লেন দাওয়াতি কাজে। তিনি বিভিন্ন বাড়িতে যেতেন। আলাপ করতেন বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে। সুযোগ বুঝে ইসলামের মর্মকথা তুলে ধরতেন তাদের কাছে। একসময় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। মুশরিক নেতারা তাঁকে গ্রেফতার করে। তুলে দেয় তাঁর গোত্রের লোকদের হাতে। তাঁকে শাস্তি দিতে বলে। তাঁর গোত্রের লোকেরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। তাঁকে শুকনো রুটি ও মধু খেতে বাধ্য করে। অতঃপর তাঁকে প্রচণ্ড রোদে গরম বালুর ওপর শুইয়ে দেয়। প্রচণ্ড রোদ আর গরম বালুর উত্তাপে তিনি ছটফট করতে থাকেন। পিপাসায় কাঁতারাতে থাকেন। একটু পানি দেবার জন্য লোকদেরকে বারবার অনুরোধ ... Read more - [বাংলাদেশকে ঘিরে সাম্রাজ্যবাদীদের পরিকল্পনার সার সংক্ষেপ ও খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/12/08/imperialist-conspiracy/): বাংলাদেশকে ঘিরে সাম্রাজ্যবাদীদের সমস্ত পরিকল্পনা আজ জাতির সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। আমাদের অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এসব পরিকল্পনার মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচন করতে হবে। এর সার সংক্ষেপ নিম্নরুপ: ১. ক্রুসেডারদের মোড়ল আমেরিকা এ অঞ্চলে ইসলামী খিলাফতের পুনরুত্থান ঠেকানোর পরিকল্পনা করছে এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রসমূহের বলয় দ্বারা চীনকে ঘীরে রাখতে চাচ্ছে। এ অঞ্চলে তার ঘনঘন সামরিক মহড়া এবং নানা অজুহাতে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি, এ পরিকল্পনারই অংশ, যা এখন তার পররাষ্ট্রনীতির প্রধান ভিত্তি, যা “এশিয়ান পিভট” (Asian pivot) নামে পরিচিত। বাংলাদেশের সাথে মার্কিনীদের কৌশলগত ও নিরাপত্তা সংলাপ, তার এ নীতি বাস্তবায়নের একটি অংশ। ২. তাছাড়া, ভারত যাতে তার হয়ে কাজ করে, এজন্য ভারতকে নিয়ে মার্কিন ... Read more - [মানুষ হতে হতাশ হয়ে পড়ার মারাত্মক পরিনতি](https://returnofislam.com/2012/12/07/danger-of-dismissing-people/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুমিনদের প্রতি উত্তম ধারণা রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলছেন, তোমরা যখন একথা শুনলে, তখন ঈমানদার পুরুষ ও নারীগণ কেন নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করনি এবং বলনি যে, এটা তো নির্জলা অপবাদ? [সূরা আন-নূর: ১২] এছাড়াও আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি বলে যে, মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে, তবে সেই (ব্যক্তিই) মানুষকে ধ্বংস করে দিল (আরেক ভাষ্য অনুযায়ী – ‘সেই ব্যক্তিই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত’) [মুসলিম] মুসলিমদের মধ্যে যে কল্যাণ রয়েছে এর গুরুত্ব আমাদের অবশ্যই উপলব্ধি করতে হবে। আর যদি তা না করে আমরা উম্মাহকে কল্যাণের তালিকা হতে বাদ দিয়ে দেই ... Read more - [হারিস (রা) ও ইকরিমা (রা)-এর আত্মত্যাগ](https://returnofislam.com/2012/12/06/sacrifice-of-haaris-and-ikrima/): মুহাম্মদুর রাসূল (সা)-এর শাসনকালেই খ্রিস্টান রোমানরা মুসলিমদের সঙ্গে শত্রুতা শুরু করে। মুহাম্মদুর রাসূল (সা)-এর ইন্তিকালের পর তাদের শত্রুতার মাত্রা বেড়ে যায়। আবু বকর আস্‌ সিদ্দিক (রা)-এর শাসনকালে মুসলিম বাহিনী সিরিয়ার বহু জনপদ থেকে রোমানদেরকে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়। রোমানরা বিশাল সেনাবাহিনী সংগঠিত করে সিরিয়ার অন্তর্গত ইয়ারমুক উপত্যকায় মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এই যুদ্ধে এক লাখ বিশ হাজার খ্রিস্টান রোমানদের মুকাবিলা করেন মাত্র ছাব্বিশ হাজার মুসলিম। যুদ্ধ চলাকালেই আল-মদিনায় আবু বকর আস্‌ সিদ্দিক (রা) ইন্তিকাল করেন। আমিরুল মুমিনীন হন উমর বিন আল-খাত্তাব (রা) বিপুল সংখ্যক রোমান সৈন্য মুসলিমদের হাতে নিহত হয়। যুদ্ধে মুসলিমরা বিজয়ী হন। তবে বেশ কিছু নামীদামী মুসলিমও এই ... Read more - [রিয্‌ক ও জীবনকাল একমাত্র আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে](https://returnofislam.com/2012/11/30/rizk-and-ajl/): রিয্‌ক-এর আভিধানিক অর্থ এমন বস্তু যা কোনো প্রাণী খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যা দ্বারা সে দৈহিক শক্তি সঞ্চয়, প্রবৃদ্ধি সাধন ও জীবন রক্ষা করে থাকে। রিয্‌কের জন্য মালিকানা-স্বত্ব শর্ত নয়। সকল জীবজন্তুই রিয্‌ক ভোগ করে থাকে, কিন্তু তারা এর মালিক হয় না। কারণ মালিক হওয়ার যোগ্যতাই তাদের নেই। অনুরূপভাবে ছোট শিশুরাও মালিক নয়, কিন্তু ওদের রিয্‌ক অব্যাহতভাবে তাদের কাছে পৌঁছতে থাকে। কুরআনের বহু আয়াত থেকে একথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয় যে, রিয্‌ক একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। যেমন: নিশ্চয়ই আল্লাহই আমার রিয্‌কদাতা, অসীম শক্তিধর। [সূরা যারিয়াত: ৫৮] আর জমিনে বিচরণশীল প্রাণীর জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর। [সূরা হুদ: ৬] আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের উপাসনা ... Read more - [ফিলিস্তিন: বর্তমান পরিস্থিতি, প্রতিক্রিয়া ও করণীয়](https://returnofislam.com/2012/11/19/palestine-reaction-identity/): بسم الله الرحمن الرحيم ১) ইয়াকুব আলাইহি সালামেরই অপর নাম ইসরাইল। হিব্রু ইসরাইল শব্দটি আরবী আবদুল্লাহ্’র সমার্থক হলেও; আজ ইসরাইলীরা হচ্ছে আদু’আল্লাহ্ [আল্লাহ্’র শত্রু]। তিনি মৃত্যুশয্যায় তার সন্তানদের জিজ্ঞেস করেছিলেন: “তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বলল: আমার পর তোমরা কার এবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের এবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।” [সুরা বাকারাহ: ১৩৩] অথচ তাদের সীমালঙ্গন আর বিধিবিধান না মানার কারনে তাদের উপর আরোপিত হয়েছে লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা: “আর তাদের উপর আরোপ করা হল লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এমন হলো এ ... Read more - [সালাফিবাদ ও সুফিবাদের মাঝে..](https://returnofislam.com/2012/11/19/between-salafism-sufism/): দুঃখজনক হলেও সত্য বর্তমান সময়ে উম্মাহর মধ্যে এমন কিছু দল আছে যারা উম্মাহর মধ্যে অতীতকাল থেকে আক্বীদার শাখা, উসুল আল ফিক্বহ কিংবা ফিক্বহ নিয়ে বিদ্যমান বিভেদগুলোকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। প্রতিটি দলই বাকি দলগুলোকে বর্জন করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচারণা চালায় এবং একে অপরকে ভীষণ শত্রু মনে করে অথচ তারা ভুলে যায় আমাদের মুসলিম ভুমিগুলো শত্রুদের দখলে, উদাহরণস্বরূপ – ইসরা এবং মিরাজের ভুমি প্যালেস্টাইন। তারা ভুলে যায় মুসলিম ভূমিগুলোত প্রতিদিন রক্তে রঞ্জিত হয় সাম্রাজ্যবাদী কিংবা এদের দালাল দ্বারা কিংবা তারা ভুলে যায় ইসলামের শত্রুরা ধ্বংস করতে ব্যস্ত আমাদের দ্বীনের মূল শিক্ষা, শরীয়াহ আইন এমন কি আক্বীদার অনেক বিষয় পর্যন্তও। সালাফি কিংবা সুফি ... Read more - [মুমিনদের ভবিষ্যত অবশ্যই অবশ্যই অতীত হতে উত্তম হবে](https://returnofislam.com/2012/11/16/believer-past-future/): মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, وَالضُّحَى (1) وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَى (2) مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى (3) وَلَلْآَخِرَةُ خَيْرٌ لَكَ مِنَ الْأُولَى (4) وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى (5) অর্থ: ‍”কসম আলোকিত সকালের, কসম রাতের যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়। আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি। আর অবশ্যই আপনার ভবিষ্যত সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে উত্তম। আর অচিরেই আপনার রব আপনাকে এমন কিছু দান করবেন, যার ফলে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।” (সূরা দুহা, আয়াত ১-৫) সূরায় দুহা’র এই আয়াত গুলো প্রিয়নবী সা. এর উপর এমন এক সময় অবতীর্ণ হয়েছিলো, যখন তিনি নানাবিধ পেরেশানি আর মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। নবুওয়াতের ... Read more - [তারকা বিভ্রম আর দ্বৈতচারিতা](https://returnofislam.com/2012/11/13/fame-illusion-and-hypocrisy/): আজকাল চারদিকে তারকার ছড়াছড়ি। এখন চাইলেই খুব সহজে যে কেউ তারকা বনে যেতে পারে। রূপালী পর্দার তারকা, ক্রীড়াতারকা, রিয়েলিটি শো তারকা, সঙ্গীত তারকা। কেননা মানুষের স্বেচ্ছাচারিতা, গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানো, হুজুগ আর অন্ধ অনুকরন আজ ব্যবসার আসল মূলধন। আর এসব নিপতিত বৈশিষ্ঠ্য কেবল এটাই জানান দেয়, মানুষের চিন্তা-চেতনা আর বিবেকবোধ লোপ পেয়েছে আর তারা তাদের চিন্তাশীলতা আর মননকে বন্ধক দিয়েছে মিডিয়ার কাছে। ছোট্ট একটা উদাহরন দেই, যা আমি প্রায় সময়ই দেই। সমকামিতা: আজ থেকে এক দশক আগেও পশ্চিমা কিছু কুকুর ব্যতীত অধিকাংশ মানুষের কাছেই তা ছিলো ঘৃন্য এক কাজ। অথচ মিডিয়ার জঘন্য মিথ্যাচারিতা আর প্রতারনার ধারাবাহিক ফলস্বরূপ আজ অধিকাংশ মানুষই এই ... Read more - [কান্ডারী: নৈরাশ্যতা পেরিয়ে আশার আলোয়](https://returnofislam.com/2012/11/11/overcoming-defeatism/): নৈরাশ্য: ১) রিকশায় চড়ছিলাম। রিকশার চালকের বয়স ষাটোর্ধ্ব। হঠাৎ মনে প্রচন্ড এক ভাবনা এলো; রিকশা চালাতে সক্ষম এমন বয়সে আমি যাত্রী আর জীবনের শেষপ্রান্তে অবসরে সময়কাটানোর বয়সে ওই ব্যক্তি রিকশা চালানোর মতো পরিশ্রমের কাজ করছেন। হঠাৎ এ পরিস্থিতির সাথে মুসলিম উম্মাহ্’র বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত নিয়ে ভাবছিলাম। কয়েকদিন আগেও সিরিয়ায় এক বয়োবৃদ্ধ যিনি ইউটিউবে তার ভিডিও শেয়ার দিয়েছিলেন; শাহাদাহ [ইনশা’আল্লাহ] বরন করেছেন কিংবা এমন হাজারো বয়োবৃদ্ধ যাদের রক্ত কেবল তাদের প্রতিপালক আল্লাহ্; এই স্বীকারোক্তি দানের কারনে প্রবাহিত হচ্ছে অথচ এক্ষেত্রে তরুণদের নির্বিকার আচরণ পীঁড়া দেয়। ২) মাসজিদে ইকামাত আস-সলাত দানের তাৎপর্য বেশ। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই দেখি মাসজিদে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটির আন্জাম দেন ... Read more - [ফিরাসাহ্ [অন্তর্দৃষ্টি]](https://returnofislam.com/2012/10/06/firaasah/): প্রকৃতপক্ষে, ফিরাসাহ্’র স্বরুপ হলো কোন তীক্ষ্ন চিন্তা অন্তরে প্রবেশ করা এবং মতামতের উপর তা প্রবলতর হওয়া। এটা অন্তরের উপর এত বেশী প্রভাব বিস্তার করে যেভাবে সিংহ তার শিকারের উপর। - [নূরুদ্দীন জঙ্গী ও ইহুদী চক্রান্ত](https://returnofislam.com/2012/10/06/nuruddin-janki/): ইতিহাসের সোনালী পাতায় যেসব মনীষীদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ আছে, সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) ছিলেন তাদের অন্যতম। হিজরী ৫৫৭ সালের একরাতের ঘটনা। সুলতান নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) তাহাজ্জুদ ও দীর্ঘ মুনাজাতের পর ঘুমিয়ে পড়েছেন। চারিদিক নিরব নিস্তব্দ। কোথাও কোন সাড়া-শব্দ নেই। এমতাবস্থায় হঠাৎ তিনি স্বপ্নে দেখলেন স্বয়ং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কামরায় উপস্থিত। তিনি কোন ভূমিকা ছাড়াই দু’জন নীল চক্ষু বিশিষ্ট লোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, (নূরুদ্দীন) মাহমূদ!  (এরা আমাকে বিরক্ত করছে),  এ দুজন থেকে আমাকে মুক্ত কর। এই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে নূরুদ্দীন জঙ্গী (র:) অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগ্রত হলেন এবং কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গোটা কক্ষময় পায়চারি করতে লাগলেন। ... Read more - [অত্যাচারী বাশারের বিরুদ্ধে দু’আ কুনূত](https://returnofislam.com/2012/09/11/oppressor-basshar/): Dua Qunut against the tyrant Bashar  অত্যাচারী বাশারের বিরুদ্ধে দু’আ কুনূত يا هَادِيَا مِنَ الضَلالَةِ، يَا نَاصَر الفِئَةِ القَلِيلَةِ عَلَى الفِئَةِ الكَثِيْرَةِ، اللّهُمَّ عَجِلَ بالفَرْجِ، اللّهُمَّ يَسِّرْ نُصْرَةَ دِيْنِكَ، اللّهُمَّ انْصُرْ حَمْلَةَ دَعْوَتِكَ فِي كُلِّ مَكَانٍ، ইয়া হা-দিয়া- মিন আদ-দোয়ালা-লাহ, ইয়া না-সিরা আল-ফিআতিল কালী-লাতি ’আলাল ফিআতিল কাছী-রাহ, আল্লাহুম্মা আযিলা বিল-ফারজ, আল্লাহুম্মা ইয়াস্সির নুসরাতা দী-নিক, আল্লাহুম্মানসুর হামলাতা দাওয়াতিকা ফী কুল্লি মাকা-ন O Who guides against misguidance, O Who gives victory to the small group over the large group, O Allah hasten relief, O Allah facilitate the Nussrah of your deen, O Allah help the carriers of your Da’wa everywhere. اللّهُمَّ انْتَقِمْ مِنْ ... Read more - [বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে জনদুর্ভোগ ও ইসলামের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/09/05/electricity-price-hike/): বর্তমানে মার্কিন-ব্রিটিশ-ভারতের তাবেদার শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে একের পর এক বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছে তাতে করে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে নাগালের বাইরে। ক্ষমতায় আসার পর এ সরকার কর্তৃক পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির হার এখন র্পযন্ত ২.৩৪ থেকে ৫.৬১ যা দিগুনেরও বেশি। এবার আরো একধাপ এগিয়ে ৩০ শতাংশ হারে দাম বাড়লে এ মূল্য দাঁড়াবে ৭.২৯ টাকায় যা প্রায় তিনগুন। শহরাঞ্চলের আবাসিক গ্রাহকরা যদি ৪০০ ইউনিটের মধ্যে ব্যবহার সীমাবদ্ধ রাখতে পারেন তাহলে ৩৫ শতাংশ হারে দাম বাড়লে প্রতি ইউনিটের জন্য তাদের গুণতে হবে ৫.৭৯ টাকা। আর ৪০০ ইউনিট কোনোভাবে পার হয়ে গেলে প্রতি ইউনিটের জন্য দিতে হবে ১০.৬১ টাকা। যা আসলে বিশাল এক জুলুম। অনুসন্ধানে দেখা ... Read more - [বিশ্বব্যাপী পূঁজি বাজারের ধস, পূঁজিবাদের ব্যর্থতা এবং খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/09/02/fall-of-capitalism/): বিশ্বঅর্থনীতি পতনের ঘটনা প্রবাহ : বর্তমান বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সমস্যার কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরা হলো : ৪ এপ্রিল- ২০০৭      :   নিউসেঞ্চুরী লিমিডেট নামের মার্কিন সাব-প্রাইম মর্গেজ ব্যাংক দেউলিয়া ঘোষণা। মে- ২০০৭                :   এক মাসের মধ্যে প্রায় ২৫টি সাব-প্রাইম মর্গেজ ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে পড়ে।মে-২০০৭                 :  এর এক সপ্তাহের মাঝে আর্থিক বাজারের মোট ক্ষতির পরিমান দাড়ায় প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার। জুন-২০০৭               :    শুরু হয় তারল্য সংকট এবং ঋণ প্রদান বন্ধ করে দেয় অনেক ব্যাংক। একেই বলা হয় credit crunch ফেব্রুয়ারী-২০০৮    :    Citi Group Credit মার্কেটে loss করে প্রায় ৪০.৭ বিলিয়ন ডলার, HSBC ব্যাংক এর ক্ষতির পরিমান ১৫.৫ বিলিয়ন, Merrill Lynch এর ক্ষতির পরিমান দাড়ায় ৩১.৭ বিলিয়ন। মার্চ- ... Read more - [ইসলামের জন্য রাজনৈতিক সংগ্রাম](https://returnofislam.com/2012/09/02/pollitical-strugle-for-islam/): ১. সূচনা খিলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদেরকে অবশ্যই রাজনৈতিক সংগ্রাম (Political Struggle) করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায়ের (Cultural stage) কাজের স্বাভাবিক এবং অবশ্যম্ভাবী পরিণতি হচ্ছে রাজনৈতিক সংগ্রামের পর্যায়। যেহেতু বাংলাদেশে আমাদের এই সংগ্রামের পর্ব শুরু হয়েছে, তাই আমাদেরকে এই বিষয় সম্পর্কে সুগভীর ধারণা থাকা প্রয়োজন। এই নিবন্ধ রাজনৈতিক সংগ্রাম সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা দিবে এবং পরবর্তীতে আমরা ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক সংগ্রামের অন্যান্য দিক নিয়ে আরো আলোচনা করবো। সবার সুবিধার্থে আমার আলোচনাকে আমি চারটি ভাগে ভাগ করেছি: ১. রাজনৈতিক সংগ্রাম কি? (Definition of  Political Struggle)২. রাজনৈতিক সংগ্রামের বিভিন্ন দিক (Aspects of  Political Struggle)৩. ইসলামে রাজনৈতিক সংগ্রাম (Political Struggle in Islam) ৪. রাজনৈতিক সংগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের বৈশিষ্ট্য ... Read more - [বরফের মতোই গলে যাওয়া...](https://returnofislam.com/2012/08/30/melt-like-ice/): আজকে অফিসে আসার সময় দেখলাম অনেক গুলো বড় বড় বরফের খন্ড একটি পিকআপে করে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের গন্তব্য সম্ভবত কাওরানবাজার। গাড়ি থেকে প্রতি মূহুর্তে বরফ গলে গলে পরছে। পথিমধ্যে জ্যামে পরলো গাড়ি। এবার প্রায় অঝোর ধারায় পানি পরছে। মোটা মোটা বরফের খন্ড গুলো ধীরে ধীরে চিকন আর পাতলা হয়ে আসছে। কয়েকদিন আগে ইফতার কেনার জন্য বাইরে বের হয়েছি ঠিক ইফতারের আগ মুহূর্তে। ইফতারের বিভিন্ন পসরা সাজিয়ে রাস্তার দু’ধারে অনেক দোকান। এর পাশে ছোট দু’টি দোকানী দেখলাম বরফও বিক্রি করছে। প্রচন্ড গরমের দিনে রোজা এলে তখন বরফের বিক্রিও বেড়ে যায়। অবশ্য গরম এবার অতো বেশি না হওয়ায় তাদের বরফ অতো বিক্রি হচ্ছে ... Read more - [একজন মুসলিমের দুটো আবশ্যক থাকা গুনাবলী আর কিছু কথা](https://returnofislam.com/2012/08/30/muslim_attributes/): إنَّ الحمد لله نحمده ونستعينه ونستغفره ونعوذ بالله من شرور أنفسنا ومن سيئات أعمالنا من يهده الله فلا مضل له ومن يضلل فلا هادي له ، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأن محمدا عبده ورسوله .. أما بعد السلام عليكم ورحمة الله وبركاته [আমার ব্যক্তিগত আত্মোপলদ্ধি ; এই লেখা কারো সমালোচনা নয়] আমরা অনেকেই আকীদাগতভাবে এবং আমলের দিক থেকে উন্নয়নের জন্য প্রতিনিয়ত প্রানান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আলহাদুলিল্লাহ্। আমাদেরকে আল্লাহ্ সুবহানুহ্ তাআলা দ্বীন শিখার নিষ্ঠা দান করেছেন এবং আমরা দ্বীনের সৌন্দর্য বুঝতে শিখেছি। আমি আমার সকল ভাই-বোনদের যে দুটো গুণাবলীর কথা বলছি, তা আমাদের বেশ গোচরে থাকা ... Read more - [খাব্বাব বিন আল-আরাত (রা) এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2012/07/31/khabbab/): খাব্বাব ইবনুল আরাত (রা) বনু তামিমের এক সন্তান। অন্য এক গোত্রের আক্রমণে তাঁর গোত্রটি পরাজিত হয়। আক্রমণকারীরা পুরুষদেরকে হত্যা করে এবং নারী ও ছোট ছেলেমেয়েদেরকে দাসে পরিণত করে। খাব্বাব (রা) ছিলেন ছোটদের একজন। হাত বদল হয়ে তিনি পৌঁছেন মক্কার বাজারে। বনু খুজায়া’র উম্মু আন্‌মার নামের এক মহিলা তাঁকে কিনে নেয়। উম্মু আন্‌মার তাঁকে কর্মকারের কাজে নিয়োজিত করে। একজন সৎ ও কর্মঠ তরুণ রূপে তিনি গড়ে ওঠেন। যুবক খাব্বাব (রা) জানতে পারলেন যে, মুহাম্মাদ (সা) নামক এক ব্যক্তি নতুন দীন প্রচার করছেন। খোঁজ করে করে তিনি পৌঁছলেন মুহাম্মাদুর রাসূল (সা)-এর কাছে। তাঁর মুখে আল কুরআনের বাণী শুনে তিনি মুগ্ধ হন। তিনি ইসলাম ... Read more - [সায়্যিদ কুতুব ও জেলখানার ইমাম](https://returnofislam.com/2012/07/31/sayyid-qutb-prison-imam/): মিশরের শীর্ষ ইসলামি ব্যক্তিত্ব আল্লামা সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমা তাইয়্যিবার ব্যাখ্যা লেখা ও ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা সংবলিত একটি কিতাব লিখার কারণে তৎকালীন মিসরের স্বৈরশাসক তাকে ফাঁসি দিয়ে শহীদ করেছিলো। ফাঁসির আগের রাতে সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমা পড়ানোর জন্য জেলের ইমামকে পাঠানো হলো। জেলের ইমাম এসে আল্লামা সায়্যিদ কুতুব রহ. কে কালিমার তালকিন দেয়ার চেষ্টা করতে লাগলেন। তাকে দেখে সায়্যিদ কুতুব জিজ্ঞাসা করলেন আপনি কি জন্য এখানে এসেছেন? ইমাম বললেন, আমি আপনাকে কালিমা পড়াতে এসেছি। মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার আগে আসামীকে কালিমা পড়ানো আমার দায়িত্ব। সায়্যিদ কুতুব বললেন, এই দায়িত্ব আপনাকে কে দিয়েছে? ইমাম বললেন, সরকার দিয়েছে। সায়্যিদ কুতুব বললেন, ... Read more - [মানব রচিত জীবন ব্যবস্থার এই সমাজ যেন বড় আকারের জেলখানা](https://returnofislam.com/2012/07/31/manmade-social-prison/): রমজানের ঈদের তিন দিন পর ভ্যান গাড়িতে করে কলা বিক্রেতার কাছ থেকে দুই ডজন পাকা সাগর কলা কিনেছি। ত্রিশ টাকা করে ষাট টাকা। হালি প্রতি পরেছে ১০ টাকা। দাম-দর করলে আরেকটু কমানো যেতো বোধহয়। এই কলাই রমজানে কিনতে হয়েছে ষাট টাকা ডজন হিসেবে। এর পর দিন দেখলাম আরেকজন বিক্রেতা ভ্যান গাড়িতে করে সাগর কলা বিক্রি করছে। হালি আট টাকা করে দাম চাচ্ছে। দাম-দর করিনি। ৬টাকা করে বললেও হয়তো দিয়ে দেবে। কারণ তার ভ্যান ভর্তি পাকা কলায়। আজকের মধ্যে বিক্রি করতে না পারলে পচে যাবে। লস হবে। গত বছর রমজানের ঈদের কথা মনে পরে। ঈদের কয়েকদিন পর ঢাকার ফার্মগেট থেকে একইভাবে ভ্যানে ... Read more - [রমজান এর শিক্ষা](https://returnofislam.com/2012/07/30/lessons-of-ramadan/): সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার যিনি রমজান কে সকল মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বানিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে আমাদের কে এই পবিত্র মাসে আবারও অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদের কে এই মাসে ব্যাপক নফল, সাদাকা, কোরআন তিলাওয়াত, জিকির (আল্লাহ্‌কে স্মরন করা), তারাবীহ-তাহাজ্জুদ ইত্যাদি আদায়ের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জনের প্রশিক্ষন নিতে বলেছেন। রমজান মাস মুমিনদের জন্য নিজেদের কে সারা বছরের জন্য প্রস্তুতি, আমর বিল মারুফ ওয়া নাহি আনিল মুনকার (সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ) এর প্রশিক্ষন, সবর (ধৈর্য) বা জুহদ (সংযম) এর জন্য নিজেদেরকে ঝালাই করে নেওয়ার, শক্তি অর্জন বা নিজেদের গুনাহ মাফের জন্য ... Read more - [যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্ব কি আসল?](https://returnofislam.com/2012/07/01/usa-iran-conflict/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ব্যাপক সম্পদরাজি, ভূ-রাজনৈতিক গুরত্ব ও অপরিশোধিত তেলের সর্ববৃহৎ উৎসের কারণে গত একশত বছর ধরে বিভিন্ন শক্তির সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। আর এখানে ইরান অবশ্যই একটি গুরত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে পরিগণিত। একারণে যে শক্তি ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করবে এই অঞ্চলের আধিপত্য তারই। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরাক দখলের পর থেকেই বিভিন্ন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তাদের সমালোচনার শিকার হয়েছে ইরান এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের যুদ্ধের হুমকির মুখে পড়েছে। ২০০২ সালে বুশের স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে শয়তানের অক্ষশক্তি ঘোষণার পর থেকে জর্জ বুশ ইরানের সাথে যে কোন সম্পর্ক রাখার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছিল। ... Read more - [মুসলিম বিশ্বের জন্য দুবাই কি এখন নতুন অর্থনৈতিক মডেল ?](https://returnofislam.com/2012/06/30/muslim_dubai_role_model/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) দুবাইকে মুসলিম বিশ্বের জন্য অনুকরণীয় নতুন অর্থনৈতিক সফলতা হিসেবে তুলে ধরা হয়। অপেক্ষাকৃত স্বল্প সময়ের মধ্যে দুবাইয়ের ৪৬ বিলিয়ন ডলারের সৃজনশীল রিয়েল এস্টেট এবং খেলাধুলা আয়োজনের ভিত্তিতে গড়ে উঠা অর্থনীতি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়। অনেক অর্থনীতিবিদ জোর দিয়ে বলেছেন, তেল থেকে আলাদা এ অর্থনীতি অত্র অঞ্চলের জন্য উন্নয়নের নতুন তত্ত্ব উপস্থাপন করেছে এবং এটা ইসলামিক ধারার অর্থনৈতিক উন্নয়ন। উপসাগরীয় যুদ্ধের পর দুবাইকে তেল থেকে উপার্জিত অর্থের মাধ্যমে মুক্ত বাণিজ্য ও পর্যটনের দিকে উৎসাহিত করা হয়। যাবিল আলী ফ্রি জোনের সাফল্যকে সামনে রেখে দুবাই ইন্টারনেট সিটি, দুবাই ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনে জাতীয়তাবাদের ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/06/30/nationalism-beginning/): “এক জাতি, এক ভূমি”- এই চেতনা ও আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে একদা যে মুসলিম উম্মাহ্‌ পরিণত হয়েছিল বিশ্বের প্রভাবশালী সভ্যতায় সেই একই জাতি সিংহাসন হারানোর পর আজ হতবিহ্বল ও দিশেহারা। মুসলিম বিশ্বের বর্তমান বাস্তবতা হলো বিভক্তি, কোন্দল, অত্যাচার আর পশ্চাৎপদতা। বিশ্বনেতৃত্বের আসন হারানোর পর এই বহুধাবিভক্ত মুসলিম উম্মাহর আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক এজেন্ডা বর্তমানে নির্ধারিত হয় পুঁজিবাদী পশ্চিমা কুফর সভ্যতার দ্বারা। খিলাফতের পতন পরিবর্তীতে যতই জাতীয়তাবাদী চিন্তা চেতনা মুসলিম দেশগুলোর ভেতর প্রসারিত হচ্ছিল, ততই বিদেশী শক্তির দ্বারা পতিত এই সভ্যতা শোষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছিল যা এখনো পর্যন্ত বর্তমান আছে। আমরা আরো দেখতে পেয়েছি সর্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার তাগিদে পশ্চিমা সভ্যতা নতুন ... Read more - [মুক্তবাজারের কারণেই কি এশিয়ান টাইগারদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে?](https://returnofislam.com/2012/06/29/asian-_tiger_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং এরং তাইওয়ানের ব্যাপক ও দ্রুত শিল্পায়নকে বুঝানোর জন্য ‘টাইগার’ অর্থনীতি শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এই চার টাইগার অন্যান্য এশীয় অর্থনীতি-চীন এবং জাপানের সাথে অনেকক্ষেত্রে সাদৃশ্যপূর্ণ। যারা এশীয় ধাচের রপ্তানীমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথিকৃৎ। এই দেশসমূহ পশ্চিমা শিল্পোন্নত দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পণ্য উৎপাদন শুরু করে এবং সরকারী নীতি গ্রহণের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে। এ জাতিগুলোর দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, তাদের উন্নয়ন ছিল সম্পূর্ণ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রিত, সরকারী ভতুর্কি এবং রক্ষণশীল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ... Read more - [ঐতিহাসিকভাবে জাপানের উন্নয়ন ও বর্তমানে চীনের উন্নয়ন কি বিশ্বায়নের ফসল?](https://returnofislam.com/2012/06/28/japan_and_china_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) কথা বলা হয় যে, ঐতিহাসিকভাবে জাপান হল উদার অর্থনৈতিক আন্দোলনের সাফল্যগাঁথা-যারা মুক্তবাজার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল ও অর্ধশতাব্দীরও কম সময়কালের মধ্যে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হয়। চীনের বর্তমান অগ্রগতির পেছনেও একই ধরণের কথা প্রচলিত আছে। যদিও সত্যিকারের ঘটনা যা বলা হচ্ছে মোটেও তা নয়। যেসব কৌশল গ্রহণ করার কারণে জাপানের অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তা উদারনীতি ও বিশ্বায়নের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। জাপান সরকার তার দেশের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় খাতসমূহকে বিকাশের জন্য বিদেশী প্রতিযোগিতা থেকে মুক্ত রেখেছে। বৈদেশিক মুদ্রা বন্টনের দায়িত্ব জাপানি সরকার স্বীয় অধিকারে রাখে-যার মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রনে রাখা, জাপানি ... Read more - [শিল্পোন্নত দেশসমূহের উন্নয়নের কারণ কি মুক্তবাজার ও মুক্ত বাণিজ্য?](https://returnofislam.com/2012/06/27/global-market-and-commerce-reason-for-development-of-developed-countries/): বৃটেনকে লাইসেজ ফেয়ার (laissez-faire) মতবাদ গ্রহণকারী রাষ্ট্র হিসেবে এবং তারাই একমাত্র মুক্তবাণিজ্য চর্চা করে থাকে বলে মনে করা হয় । বৃটেন সরকারী হস্তক্ষেপ ছাড়া অথবা খুব সামান্য হস্তক্ষেপের কারণে উন্নত একটি দেশ। তবে একথা বললে মিথ্যাবলা হবে না যে, এ রাষ্ট্রটিই সর্বপ্রথম নতুন গড়ে উঠা শিল্প সুরক্ষার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে। দেশীয় শিল্পকে বিদেশী শিল্পের অসম প্রতিযোগিতার হাত থেকে রক্ষার জন্যই এক ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। ১৯০৭ সালে একজন ইতিহাসবেত্তা অর্থনীতিবিদ ব্রিসকো বাণিজ্য আইনের ১৭২১ সালের সংস্কারের সারমর্ম এভাবে তুলে ধরেন,‘দেশীয় উৎপাদনকারীদেরকে বিদেশী পন্য থেকে রক্ষা করতে হবে, উৎপাদিত পন্যের অবাধ রপ্তানী নিশ্চিত করতে হবে এবং যেখানে সম্ভব আর্থিক সুবিধা ... Read more - [ইসলামে কি কোন সরকারব্যবস্থা নেই?](https://returnofislam.com/2012/06/25/islamic_goverment_system/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) দীর্ঘ প্রায় চৌদ্দশত বছর ধরে এ ব্যাপারে কোন বিতর্ক ছিল না যে, ইসলামে কোন শাসনব্যবস্থা নেই। ১৯২৪ সালে যখন খিলাফত শাসনব্যবস্থা ধ্বংসের সম্মুখীন তখন এ প্রশ্নটি উত্থাপন করা হয়েছিল। এটা সে সময়ের কথা যখন অনেক ব্যক্তিই পশ্চিমা সংস্কৃতির কাছে আত্মসমর্পন করছিল এবং ইসলামে কোন শাসনব্যবস্থা থাকাকে অস্বীকার করছিল। ১৯২৫ সালে খিলাফত ধ্বংসের এক বছর পর আলী আবদুর রাজিক ‘আল ইসলাম ওয়া উসুলুল হুকুম’ বইয়ের মাধ্যমে উল্লেখ করেন, ইসলামে কোন ধরণেরই শাসন বা সরকারব্যবস্থা নেই। স্যার থমাস আরনল্ডের মত ওরিয়েন্টালিস্টও ইসলামী অনেক তথ্য প্রমাণ দ্বারা ব্যাপক সাহিত্য রচনা করে ... Read more - [বিভিন্ন উপদল ও দেশে বিভক্ত হওয়ার কারণে মুসলিম বিশ্বের ঐক্য কি নিতান্তই অসম্ভব?](https://returnofislam.com/2012/06/24/muslim_unity/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) অনেকে শিয়া সুন্নীর বিভক্তিকে সামনে এনে এটা প্রতিষ্ঠিত করতে চান যে আধুনিক বিশ্বে এক মুসলিম উম্মাহ্‌’র ধারণা আর বাস্তবসম্মত নয়। যদিও মুসলিমদের ইতিহাস ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিভক্তির পরও ঐক্যের ইতিহাস। আজকাল নতুন নতুন সীমানার মধ্যেই মুসলিমদের ঐক্য গড়ে উঠেছে। মুসলিম উম্মাহর ইসলামী ধারনাটি বহু শতাব্দির পুরোনো একটি ধারনা হিসেবে বিবেচিত হয়। শতাব্দীকাল আগে ইসলামী ধারণার মত মুসলিম বিশ্বে ঐক্য ছিল। বর্তমান বিভক্তির কারণে অনেকেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে বিভেদ নিরসনের একমাত্র উপায় বলে মনে করছেন এবং খিলাফতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্‌’র ঐক্যের ধারণাকে তাত্ত্বিক একটি বিষয় বলে জ্ঞান করছেন। এখন আলোচনার বিষয় হচ্ছে ... Read more - [ইসলাম কি সেঁকেলে ?](https://returnofislam.com/2012/06/23/is_islam_backdated/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত দুই শতক ধরে পুরো বিশ্ব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অচিন্ত্যনীয় সাফল্য অর্জন করেছে- রেলপথের উন্নয়ন, উড়োজাহাজ, পারমাণবিক প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, আই ভি এফ, জেনেটিক উপায়ে রূপান্তরিত খাদ্যদ্রব্য ইত্যাদি। এসব উন্নয়নের সাথে সাথে যুগপৎভাবে পশ্চিমারাও এগিয়েছে এবং ইতিহাসে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের একপেশে উন্নয়ন আমাদের এ ধরণের ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে যে, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হল উদার মূল্যবোধ। অনেক চিন্তাবিদ, বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকের মতে বর্তমান বিশ্বে ইসলামের কোন অবস্থান নেই। মুসলিম দেশ সমূহ বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতায় কোন ভূমিকা না রাখায় এ ধরণের ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে। পশ্চিমারা দাবী করে জ্ঞান বিজ্ঞানে ... Read more - [মুসলিম বিশ্ব কি ইসলাম চায় না এবং তারা কি এর জন্য প্রস্তুতও নয়?](https://returnofislam.com/2012/06/21/muslim_world_wants_islam/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বছরের পর বছর ধরে পশ্চিমারা বলে আসছে যে, মুসলিমরা গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা চায়; কিন্তু তারা ইসলাম চায় না। তারা বলে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কিছু সংখ্যালঘু মুসলিম ইসলাম চায়। বাকীরা পশ্চিমা ব্যবস্থাকে মেনে নিয়েছে এবং পুঁজিবাদ দ্বারা জীবনকে পরিচালিত করতে চায়। তথাকথিত কিছু আধুনিক মুসলিমরাও আজকাল বলে বসেন যে, মুসলিমরা ইসলাম চায় না এবং তারা এর জন্য প্রস্তুতও নয়। যদিও পশ্চিমা বিশ্ব ঠিকই বুঝতে পেরেছে যে, মুসলিম বিশ্ব ইসলাম চায় এবং ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের উত্থান তাদের জন্য হুমকি। ইউ.এস ন্যাশনাল ইন্টিলিজেন্স কাউন্সিল তাদের ‘গ্লোবাল ২০২০’ প্রজেক্টের আওতায় ‘ম্যাপিং ... Read more - [বিগত দুই শতাব্দী ধরে বিশ্ব যে নজিরবিহীন উন্নয়ন দেখেছে তা কি পুজিঁবাদের আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ?](https://returnofislam.com/2012/06/20/last_two_centuries_development/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত দুই শতাব্দী ধরে বিশ্ব যে উন্নয়ন ও অগ্রগতি দেখেছে তা ইতিহাসে নজিরবিহীন এবং এটা কি পুজিঁবাদের আধিপত্যের বহিঃপ্রকাশ? ২০০৭ সাল ছিল ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য বছর। এ বছর পুরো বিশ্ব ইতিহাসে রেকর্ড ৫৪ ট্রিলিয়ন ডলারের মত সম্পদ উৎপাদন করে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর বিশ্ব অর্থনীতির আকার ছিল ১ ট্রিলিয়ন ডলার। পুঁজিবাদ গ্রহণের পর ইউরোপে শিল্প বিপ্লব হয় এবং এর মধ্য দিয়ে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সুচিত হয়-যা সত্যি ইতিহাসে বিরল। পুঁজিবাদের নিজস্ব অগ্রগতি বাদ দিলেও এর বিশেষজ্ঞরা সমাজতন্ত্রের পতনের পর পুঁজিবাদ এখনও বলবৎ থাকাকে এ ব্যবস্থার শক্তিশালী দিক মনে ... Read more - [পশ্চিমাদের বৈদেশিক সাহায্যই কি উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়নে ভুমিকা রাখছে?](https://returnofislam.com/2012/06/19/western-welfare-helps-developing-countries/): দশকের পর দশক ধরে বৈদেশিক সাহায্যকে উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্ব দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর এ পর্যন্ত উন্নয়নশীর দেশগুলোকে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য প্রায় ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলার সাহায্য দিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এসব সাহায্য দেয়ার পেছনে কি কোন দুরভিসন্ধি কাজ করে? কখনও কখনও কেবলমাত্র মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সাহায্য করা হয়। অনেক সময় আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সহযোগীকে অনুদান দেয়া হয়। আবার কখনও কখনও গ্রহণকারী রাষ্ট্রের রাজনীতিকে প্রভাবিত করবার জন্যও সাহায্য দেয়া হয়। বিংশ শতাব্দীতে সমাজতন্ত্র এবং পু্ঁজিবাদের দ্বন্দ্বের সময়, এইসব আদর্শের পুরোধা সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই অন্য দেশের আভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করা কিংবা দুর্বল সহযোগীকে সাহায্য করবার জন্য আর্থিক অনুদানকে ... Read more - [বিশ্বায়ন কি মুক্তবাণিজ্যের শীর্ষ পর্যায় এবং একুশ শতকের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য?](https://returnofislam.com/2012/06/18/does-globalization-peak-of-open-market-21st-century/): ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি আমেরিকান বড় বড় কোম্পানিগুলোর কার্যক্রমকে বুঝানোর জন্য সর্বপ্রথম বিশ্বায়ন শব্দটি ব্যবহৃত হয়। ঠান্ডা যুদ্ধের সমাপ্তির কারণে যুক্তরাষ্ট্র একধরণের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যয় করা অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে অন্যান্য ক্ষেত্রে খরচ হওয়ায় উচ্চ উৎপাদন খরচের কারণে মার্কিন পণ্য রপ্তানি করা দুরূহ হয়ে পড়ে। নিজ গৃহে উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সেসব পণ্য মার্কিনীরা বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি করতে পারছিল না। সেকারণে সস্তা বিদেশী বাজার দরকার হয়ে পড়েছিল। সস্তা শ্রম, শ্রম আইনের যথেচ্ছ অবমাননা এবং শোষণের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে উৎপাদন সুবিধার মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ার নামই হল বিশ্বায়ন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাবার পর বিশ্বায়নের ... Read more - [তৃতীয় বিশ্বকে তাদের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতিকে কি আরও উদার করতে হবে?](https://returnofislam.com/2012/06/17/liberal_third_world_economy/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিগত তিন দশক ধরে পুরো বিশ্ব আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে উন্নয়নে পুঁজিবাদের আধিপত্য দেখেছে। এটা অর্থনৈতিক উন্নয়নকে করায়ত্ব করেছে এবং পুরো পৃথিবীতে তার অর্থনৈতিক দর্শনকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এশীয় বাঘ হিসেবে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং হংকং উদার অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করে সাফল্য লাভ করেছে এবং এগিয়ে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল এবং বিশ্ব ব্যাংকের মতে শিল্পায়ন এবং উদার অর্থনৈতিক চিন্তা গতানুগতিক সমাজ ও অর্থনীতিতে একধরণের রূপান্তর ঘটায়। এর প্রভাব দরিদ্র দেশসমূহকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যায়-যে পথে পশ্চিমা শিল্পোন্নত বিশ্ব শিল্প বিপ্লবের সময় গিয়েছে। বর্তমানে দরিদ্রতা পৃথিবীর অধিকাংশ জনগণের বাস্তবতা। প্রায় ৩ ... Read more - [খাদ্যের অপ্রতুলতাই কি তৃতীয় বিশ্বে দারিদ্র্যের কারণ?](https://returnofislam.com/2012/06/16/is-food-shortage-the-cause-of-poverty-in-the-third-world/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিশ্বব্যাপী পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, সম্পদের অপ্রতুলতা এবং গণতন্ত্রের অভাব দারিদ্র্যের সাধারণ কারণসমূহের মধ্যে প্রধান। সমাজবিজ্ঞানী ও অন্যান্য থিঙ্ক ট্যাঙ্কের মধ্যে যদিও এ ব্যাপারে কোন ঐক্যমত্য নেই। এ ব্যাপারে খুব প্রাধান্য বিস্তারকারী ধারণা হচ্ছে মুক্তবাজার অর্থনীতির সাথে পুঁজিবাদের বিকাশই হল এ সমস্যার একমাত্র সমাধান। কিন্তু খুব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, খাদ্যের অপ্রতুলতা নয়, বরং অন্যান্য কিছু বাস্তবতা শুধুমাত্র মুসলিম বিশ্ব নয় পুরো তৃতীয় বিশ্বে দরিদ্রতার জন্য দায়ী। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক এবং এদের কাঠামোগত পরিবর্তন নীতি (Structural Adjustment Policy) মিশর, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং ... Read more - [চারটি যুদ্ধে ইতোমধ্যে ইসরাইল কি নিজেকে অপরাজেয় প্রমাণ করেছে; মুসলিম উম্মাহ্‌’র কি উচিৎ এর অস্তিত্ব মেনে নেয়া?](https://returnofislam.com/2012/06/15/israel-already-in-4-war/): ১৯৪৮ সালে ইসরাইল সৃষ্টির পর থেকে এর সামরিক শক্তিকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অপরাজেয় হিসেবে তুলে ধরবার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। মজার ব্যাপার হল এ ধরণের আষাঢ়ের গল্প ইসরাইল নিজে স্বপ্রণোদিত হয়ে যতটা না প্রকাশ করবার চেষ্টা করেছে তার চেয়ে বেশী কাজ করেছে বিশ্বাসঘাতক মুসলিম শাসকগুলো। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ এর যুদ্ধগুলোতে পারদর্শিতা সামরিক ক্ষেত্রে ইসরাইলের পরিষ্কার প্রাধান্যকে প্রমাণ করে। এ পরিষ্কার প্রাধান্য ও মুসলিম ভূমির জবরদখল আরব রাষ্ট্রসমূহকে এই ধারণা দেয় যে, সামরিক নয় বরং কূটনৈতিক সমঝোতাই একমাত্র বাস্তবসম্মত বিকল্প। সেকারণে শান্তি প্রক্রিয়ার নামে বিভিন্ন পরিকল্পনায় ইসরাইলের সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। ইসরাইলের এই সামরিক ক্ষমতা সম্পর্কে আলোকপাত করতে ... Read more - [ইসরাইল কি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বকে নিয়ন্ত্রন করে ?](https://returnofislam.com/2012/06/14/is_israel_control_usa/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) পৃথিবীর অনেক লোক ইসরাইলের দিকে অত্যন্ত ভয়ার্ত দৃষ্টি নিয়ে তাকায়। অথচ শতাব্দীর পর শতাব্দী তারা ছিল নির্যাতিত একটি জাতি। মাত্র ৬০ বছর বয়সে ইসরাইল প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছে যে তার রয়েছে পৃথিবীর সর্বাধুনিক সেনাবাহিনী। এর জনসংখ্যা একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ রাষ্ট্রের সমান হলেও শুরু থেকে পর পর চারটি পাতানো যুদ্ধে সে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে পরাজিত করে এমন একটি ধারণার জন্ম দেয় যে, সে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিই নয় বরং পুরো পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রন করছে। কিন্তু এটা খুঁজে বের করা দরকার কে কাকে নিয়ন্ত্রন করছে এবং তা কী পরিমাণে? বিগত ত্রিশ ... Read more - [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি অজেয়?](https://returnofislam.com/2012/06/13/is_us_undefeatable/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) একুশ শতকের শুরুর দিকে আমেরিকা হয়ে দাঁড়ায় পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথিবীব্যাপী পুরোদস্তুর আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্রে খুব বেশী বেগ পেতে হয়নি। মার্কসবাদ ও বাজার ব্যবস্থার মধ্যে আর তেমন কোন উল্লেখযোগ্য বিরোধ দেখা যায়নি। মনে হচ্ছিল পশ্চিমা উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাই যেন ‘সরকার ব্যবস্থার চূড়ান্ত অবয়ব’। এই বাস্তবতা নব্য রক্ষণশীলতার ঔদ্ধত্যপূর্ণ বিকাশকে অনাগত ভবিষ্যতের জন্য অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এই পরিবেশ অনেকের মাঝে আমেরিকাকে আধিপত্য ও অজেয়তার অনিবার্য প্রতিচ্ছবি হিসেবে উপস্থাপন করে। কিন্তু ক্ষমতার বিশ্বব্যাপী ভারসাম্য ও মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে বর্তমান বুদ্ধিদীপ্ত পর্যবেক্ষণ আমেরিকার অনিশ্চিত ... Read more - [ঔপনিবেশিক শাসকরা কি আফ্রিকায় স্থিতিশীলতা নিয়ে এসেছিল এবং তাদের প্রস্থানই কি বর্তমান অস্থিতিশীলতার কারন](https://returnofislam.com/2012/06/12/collonialists-brought-peace-in-africa/): ঔপনিবেশিক দেশগুলো এ ধারণা পোষণ করে যে, তারা যেখানেই গিয়েছে সেখানেই কল্যাণ নিয়ে এসেছে। ঔপনিবেশিক ধারণাপুষ্ট ঐতিহাসিকরা আফ্রিকার উন্নয়ন বিশেষত শিক্ষা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে অগ্রগতির জন্য ঔপনিবেশিকদের আগমনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। কিন্তু তারা ঔপনিবেশিকদের দ্বারা সংঘটিত বর্ণবাদ, শোষণ এবং গণহত্যাকে উল্লেখ করেন না। এমনকি এইসব সাম্রাজ্যবাদীদের ধারণা শুধু আফ্রিকা নয়, পৃথিবীর অন্যান্য অংশের মানুষও তাদের সাহায্য ছাড়া চলতে পারে না। ব্যাপক সম্পদ ও খনিজ সম্পদের লোভে উপনিবেশবাদীরা আফ্রিকায় এসেছিল। ইউরোপীয়রা এ ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। এ ব্যাপারে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই যে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ দাস এবং ব্যাপক প্রাকৃতিক সম্পদের লোভে উপনিবেশ স্থাপনের জন্য আফ্রিকায় ছুটে আসত। গণতন্ত্র ও পশ্চিমা মূল্যবোধ ... Read more - [জাতিসংঘ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখা ও সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের উপযুক্ততা প্রমাণ করে না।](https://returnofislam.com/2012/06/11/internationa-law-enforce-by-un/): ভবিষ্যতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার নিষ্ঠুরতা ও গণহত্যার মত ভয়াবহ কিছু যাতে না ঘটে সেজন্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর একটি বিশ্বসংস্থার ব্যাপারে ঐকমত্য গড়ে উঠেছিল। ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয় প্রধানত ‘পরবর্তী প্রজন্মগুলোকে যুদ্ধের উন্মাদনা থেকে রক্ষার জন্য’ এই উচ্চাভিলাষী চেতনায় উদ্ধুদ্ধ হয়ে । সেসময় থেকে পুরো পৃথিবী প্রায় ২৫০ টি সংঘাতের মধ্য দিয়ে গেছে। সেকারণে এটা জোর দিয়ে বলা যায়, যে উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিসংঘ গঠিত হয়েছিল তা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব এমনকি তৃতীয় বিশ্বের অনেক নীতিনির্ধারকেরা মনে করেন জাতিসংঘ হল ২০০টির মত সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটিনিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা-যেটি আন্তর্জাতিকতাবাদ, বহুপক্ষীয় কর্মকান্ড, গণতন্ত্র, পরমতসহিষ্ণুতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, সহনশীলতা, মানবাধিকার ও স্বাধীনতার প্রেরণায় উদ্ধুদ্ধ। ... Read more - [১৯৯০ সালে বলকান অঞ্চলে মুসলিমদের সাহায্য করবার জন্য কি পশ্চিমারা এগিয়ে এসেছিল?](https://returnofislam.com/2012/06/10/1990-bolkan/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) একটি যুক্তিসঙ্গত শান্তি প্রস্তাবনার আওতায় বিশেষত কসোভোতে একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনায় যুগোস্লাভিয়ার একপেঁশে অস্বীকৃতি জানানোকে ১৯৯৩ সালে পশ্চিমারা ন্যাটো কর্তৃক যুগোস্লাভিয়া আক্রমণের পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। ন্যাটো কর্তৃক বলকান অঞ্চলে হস্তক্ষেপ এবং বোমাবর্ষনের মাধ্যমে মাধ্যমে পশ্চিমারা বর্তমান “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” কে শুধুমাত্র ইসলামের বিরুদ্ধে একটি অভিযান বলতে নারাজ; বরং তারা বলতে চায়, পৃথিবীর যেখানে মানবতা আক্রান্ত হয় সেখানেই এ অভিযান অব্যাহত থাকবে-এমনকি মুসলিমদের রক্ষার ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সাবেক উপদেষ্টা ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জেমস রুবিন ২০০৩ সালে এ ব্যাপারে সাফাই গাইতে ... Read more - [বিশ্বের তেল কি ফুরিয়ে যাচ্ছে?](https://returnofislam.com/2012/06/09/is_oil_reserve_decreasing/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ব্রিটেন ও জার্মানীর বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখার দ্বন্দ্ব তাদেরকে তাদের কয়লাভিত্তিক বৃহদাকার যুদ্ধযানগুলোর জন্য বিকল্প জ্বালানী উৎসের অনুসন্ধানের দিকে ঠেলে দেয়। আর ঐ সমসাময়িক সময়েই মধ্যপ্রাচ্যে তেলক্ষেত্রগুলোর আবিষ্কার ও নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন নতুন ধারার ভোগের সমাজব্যবস্থা ও বিশ্ব রাজনীতির ভারসাম্যের ক্ষেত্রে নবযুগের সূচনা করে। স্বাভাবিকভাবেই জীবাশ্ম জ্বালানি অপ্রতুল এবং এটা একসময় শেষ হয়ে যাবে। বিংশ শতাব্দী জুড়ে অধিকাংশ তেলক্ষেত্রগুলোর অধিকাংশ অনাবিষ্কৃত থাকায় তেলের বিষয়টি খুব একটা আলোচনায় আসেনি। পরবর্তিতে জঙ্গি বিমান, ট্যাঙ্ক, অটোমোবাইল ইত্যাদির আবিষ্কার এ জ্বালানীর উপর সবার নির্ভরশীলতা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। যদি ... Read more - [চীন ও ভারতে উন্নয়নই কি বৈশ্বিক উঞ্চায়নের জন্য দায়ী?](https://returnofislam.com/2012/06/08/development-of-china-and-india/): জলবায়ু পরিবর্তন বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সব বিজ্ঞানের সাথে তুলনা করলে এটা ঠিক বিজ্ঞান নয়। জলবায়ু বিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞান প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। জলবায়ু পরিবর্তন নতুন কিছু নয়, সবসময় জলবায়ু পরিবর্তন হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। যেমন-বরফ যুগ, যখন বিশ্বের তাপমাত্রা দীর্ঘ সময়ের জন অত্যন্ত কম ছিল। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন বলতে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বুঝায়। প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট কারণ বিশ্বের গড় তাপমাত্রার এই বৃদ্ধির জন্য দায়ী বলে মনে করা হয় – আর এটাই এখন বিতর্কের বিষয়। এই উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী গ্রীনহাউসের বৃদ্ধি অর্থাৎ বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এটা হল মুলত বায়ুমন্ডলের কিছু গ্যাস কর্তৃক কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মত তাপ নির্গমনকারী গ্যাসসমূহকে আটকে ... Read more - [পৃথিবী কি জনসংখ্যার আধিক্যে ভারাক্রান্ত?](https://returnofislam.com/2012/06/07/world_people/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) জিনের গঠন নিয়ে বর্তমান আধুনিক গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে যে, ১৫০০০ বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যার পরিমাণ ছিল মাত্র ১৫ মিলিয়ন (বর্তমান ঢাকা ও দিল্লীর সমান)। যীশু খ্রীস্টের সময় অর্থাৎ আজ থেকে ২০০০ বছর আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫০ মিলিয়ন (বর্তমান ইন্দোনেশিয়ার সমান)। শিল্প বিপ্লবের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৮০০ শতকের দিকে জনসংখ্যা তিনগুন বেড়ে দাঁড়ায় ৭০০ মিলিয়ন (বর্তমান ইউরোপের সমান)। গত দুই শতাব্দীতে বার্ষিক ৬ ভাগ হারে বৃদ্ধিতে ১৯৫০ সালে জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২.৫ বিলিয়ন। আর ২১ শতকের শুরুর দিকে বিগত ৫০ বছরে শতকরা ১৮ ভাগ হারে জনসংখ্যা বেড়ে ... Read more - [গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত নয়](https://returnofislam.com/2012/06/06/development_of_democracy/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি আদনান খান রচিত “Geopolitical Myths” বইটির বাংলা অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) প্রায় সব গবেষণায় ধরে নেয়া হয় যে, গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত – হোক সেটা অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত কিংবা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন। মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির জগৎবিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ম্যানকার ওলসেন তার পুরষ্কারপ্রাপ্ত Power & Prosperity (2000)- গ্রন্থে উল্লেখ করেন, অন্যান্য যে কোন সরকার ব্যবস্থার চেয়ে গণতন্ত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতি বেশী হয়ে থাকে। ওলসেন যুক্তি প্রদান করেন যে, সাংঘর্ষিক পরিবেশ সবসময় ধ্বংসপ্রবণতা ও দুর্নীতিকে উষ্কে দেয়, অন্যদিকে একনায়কতন্ত্রে শাসককে বেশী সময় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থেকে লুটপাটের প্রবনতা দেখা যায়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, ব্যক্তি এবং তার উন্নয়নকে এ ব্যবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়-কেননা শাসককে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন ... Read more - [ইসলাম এসেছে সকল যুগের জন্য](https://returnofislam.com/2012/05/31/islam-came-for-all-times/): ইসলামের প্রয়োগ কোন যুগ বিশেষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না, বরং ইসলাম সকল যুগেই মানুষের জন্য সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। এটা এজন্য যে, ইসলাম মানবীয় চাহিদাগুলোকে সুনিয়ন্ত্রিত করার জন্য এসেছে আর এই চাহিদাগুলো কোন যুগের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের দিকে তাকালে আমরা দেখব যে তার সুনির্দিষ্ট কিছু মানবীয় চাহিদা রয়েছে যেগুলোর উপর পৃথিবীতে তার বেঁচে থাকা ও জীবন-যাপন প্রক্রিয়া নির্ভর করে। এই চাহিদাগুলো পূরণের উপায়-উপকরণ সংগ্রহ ও এদের ক্রমোন্নতির পিছনে সে নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যায় যাতে করে এসব চাহিদা পূরণের উপায় সহজ থেকে সহজতর হয়। আদিম মানুষ তার উপায়-উপকরণগুলোকে চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে উন্নত করতে করতে আজকের এই উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন অবস্থায় এসেছে ... Read more - [সঠিক ইসলামী দল করার অপরিহার্যতা [ইসলামী আলোচনা]](https://returnofislam.com/2012/05/30/joining-a-correct-islamic-party/): This is a speech given by a brother in March 2008 on the topic of “Importance of Joining a Correct Islamic Party” - [উপমহাদেশে খিলাফত আন্দোলন এবং ১৯৪৭ পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামী দলগুলোর ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/05/30/khilafah-movement-islamic-parties/): ভূমিকা: ভারত উপমহাদেশে দুই’শ বছরের বৃটিশ শাসনামলে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ইসলামী সভ্যতা। সর্বাধিক নির্যাতন ও নিগ্রহের শিকার হয়েছে মুসলিম জনগোষ্ঠী। আর অঞ্চল হিসাবে অধিক পরিমাণে শোষিত হয়েছে মুসলিম প্রধান পূর্ববাংলা। এ সময়ে দখলদার জালিম ইংরেজ শাসকদেরকে বিতাড়নের জন্য অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। বহু প্রাণহানী ও রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোন আন্দোলনই এ অঞ্চলের মুসলমানদেরকে এতোটা ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করতে পারেনি, যতটা পেরেছিল ‘খিলাফত আন্দোলন নামে’ পরিচিতি এক উম্মাহ্‌ কন্‌সেপ্ট থেকে উৎসারিত ঐতিহাসিক একটি আন্দোলন। অবশ্য ১৯২৪ সালে তুরস্কে উসমানী খিলাফত পতনের পর এ আন্দোলন অনেকটা স্তিমিত হয়ে পড়ে। মুসলিম নেতারা খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পরিবর্তে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে ... Read more - [ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2012/05/30/education-system/): ইসলামের সাংস্কৃতিক জ্ঞান অথবা বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান– উভয়দিক থেকেই মুসলিম বিশ্ব বর্তমানে অনেক পিছিয়ে আছে। এমনকি কিছু মুসলিম দেশে যেমন: বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফ্রিকার কিছু দেশের অশিক্ষিতের বিস্ময়কর রকমের উচ্চহার এসব দেশকে বিপদগ্রস্ত করে তুলেছে। মুসলিম ভূখণ্ডসমূহের অবস্থা এতটা করুণ হওয়ার পেছনে অনেক ‘তথাকথিত আধুনিক মুসলিম’ ইসলামকে দায়ী করার চেষ্টা করে। ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব এবং শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিমদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতাই মূলত এর জন্য দায়ী। এ প্রবন্ধে মূলত ইসলামে শিক্ষার গুরুত্ব, শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলিমদের ইতিহাস, শিক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ খিলাফত রাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইসলামে জীবনসম্পর্কে যে সমস্ত ধ্যান-ধারণা উপস্থাপন করে সেগুলো আমাদের পছন্দ, অপছন্দ এবং কাজকর্মকে ... Read more - [জ্ঞান অন্বেষণ করা](https://returnofislam.com/2012/05/20/seeking-knowledge/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, أَفَمَنْ يَعْلَمُ أَنَّمَا أُنْزِلَ إِلَيْكَ مِنْ رَبِّكَ الْحَقُّ كَمَنْ هُوَ أَعْمَى إِنَّمَا يَتَذَكَّرُ أُولُو الْأَلْبَابِ ‘যে ব্যক্তি জানে যে, যা কিছু আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবর্তীর্ণ হয়েছে তা সত্য সে কি ঐ ব্যক্তির সমান, যে অন্ধ? তারাই বোঝে, যারা বোধশক্তি সম্পন্ন।’ [সূরা রাদ:১৯] طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ নবী (সা) বলেন, ‘জ্ঞান অন্বেষন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরয।’ নবী (সা) বলেন, ”তোমরা এমন একটি সময়ে বাস করছ যখন প্রচুর ফকীহ (ইসলামী আইনবিদ) রয়েছে এবং সামান্য কয়েকজন বক্তা রয়েছে, অর্থাৎ প্রশ্ন করবার মত লোক কম এবং বলবার মত লোক বেশি। এসময়ে জ্ঞান অর্জনের চেয়ে ... Read more - [বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার (Intellectual Property Rights)](https://returnofislam.com/2012/05/19/intellectual-property-rights/): ভুমিকা পশ্চিমা সমাজ ব্যবস্থায় বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি অধিকার (intellectual property right) একটি বহুল আলোচিত বিষয়। WIPO (World Intellectual Property Organization) এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে গড়ে ৩০ লক্ষের উপর আই পি আবেদন জমা পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপিত (Stop online piracy act – SOPA) এবং (Protect intellectual property act – PIPA) বিলের প্রেক্ষিতে বিষয়টি আবারো আলোচনায় উঠে আসে। অনলাইনে কপিরাইটকৃত সম্পত্তির (বই, গান, চলচ্চিত্র ইত্যাদি) আদান প্রদান রোধের উদ্দেশ্যে বিল দুটি উত্থাপিত হয়। এই আইনের আওতায় সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের যেকোন অভিযুক্ত ওয়েব সাইটের বিরুদ্ধে যেসকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে সেগুলো হচ্ছে: অনলাইনে অর্থ লেনদেনের সেবাদানকারী ... Read more - [তফসীর - সূরা বাকারাহ: আয়াত ১৫২](https://returnofislam.com/2012/04/30/tafseer-baqara152/): فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ وَاشْكُرُوا لِي وَلَا تَكْفُرُونِ সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না। [বাকারাহ: ১৫২] فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ এর ব্যখ্যা প্রসঙ্গে হাসান আল-বসরী বলেন, অর্থাৎ আমি তোমাদের উপর যা ফরজ করেছি তা পালনের মাধ্যমে আমাকে স্মরণ কর, এর ফলে তোমাদের জন্য আমার উপর যা ওয়াজিব হয় তা পূরণের মাধ্যমে আমি তোমাদের স্মরণ করব। অন্য বর্ণনায় আছে, আমার রহমতের মাধ্যমে স্মরণ করব। فَاذْكُرُونِي أَذْكُرْكُمْ এর ব্যখ্যা প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, তোমাদের তাকে স্মরণ করা তাকে তোমাদের স্মরণ করা হতে শ্রেয়। সহীহ হাদীসে আছে, আল্লাহ তা’আলা বলেন, আমাকে যে মনে মনে স্মরণ করে, আমিও তাকে মনে ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা-৩: সতর্কবাণী](https://returnofislam.com/2012/04/30/self-reflection3/): بسم الله الرحمن الرحيمالسلام عليكم ورحمة الله وبركاته আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনুল কারীমে বলেছেন: “তাদের অন্তরে ব্যাধি আছে আর আল্লাহ্ তাদের ব্যাধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। [সূরা বাকারাহ্: ১০]” “Being Heard” এবং ” Instant Gratification” এই দুইটি মারাত্মক ব্যাধি। আমরা সবসময় চাই, সবাই আমাদের বলা সব কথা শুনুক এবং প্রাধান্য দিক তথাপি আমাদের মুল্যায়ন করুক। আমরা খুব দ্রুত ফলাফল প্রত্যাশী। এই মন-মানসিকতা আমাদের সমাজব্যবস্থার প্রতিফলন। কিন্তু একজন সত্যিকার দ্বীনের দা’য়ী সবসময়ের কাম্য হওয়া উচিত; আল্লাহ’র সন্তুষ্টি অর্জন। যেমনটি, আমরা দেখি নুহ আ: এর বেলায়। কিংবা হাদীসে এসেছে কিয়ামাহ’র দিন এমন অনেক নবী আসবেন যাদের একজন অনুসারী ও থাকবে না। তাই, সবাইকে শুনতে হবে, মুল্যায়ন ... Read more - [আল্লাহর আনুগত্যে অগ্রগামীতা](https://returnofislam.com/2012/04/24/loyal-_to_-allah/): (নিচের প্রবন্ধটি বৈরুত, লেবানন থেকে প্রকাশিত ‘মিন মুকাওয়্যামাতিন নাফসিয়্যাতিল ইসলামিয়্যাহ’ বইটির খসড়া অনুবাদের একাংশ হতে গৃহীত) আল্লাহ তা’য়ালা বলেন, وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالأرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ ‘তোমরা ছুটে যাও তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ হতে ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে যার প্রশস্ততা হচ্ছে আসমান ও যমীন, যা প্রস্তুত করা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য।’ [আলে ইমরান: ১৩৩] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা) বলেন, إِنَّمَا كَانَ قَوْلَ الْمُؤْمِنِينَ إِذَا دُعُوا إِلَى اللَّهِ وَرَسُولِهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ أَنْ يَقُولُوا سَمِعْنَا وَأَطَعْنَا وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ ~ وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَخْشَ اللَّهَ وَيَتَّقْهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْفَائِزُونَ ‘মুমিনদের বক্তব্য কেবল এ কথাই যখন তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্যে আল্লাহ্‌ ... Read more - [বিনোদন কি? ইসলামে কি বিনোদনের সুযোগ নেই?](https://returnofislam.com/2012/04/16/recreation-in-islam/): অপসংস্কৃতি আর বেহায়াপনার বিপক্ষে কথা বলতে গেলেই, উন্মাতাল অশ্লীলতা আর অনৈতিক বেলেল্লাপনার বিরুদ্ধে লিখতে গেলেই সমাজের একটি অংশ থেকে প্রতিবাদ আসে। আসে মৌলবাদের অভিযোগ। প্রগতি বিরোধী ও প্রাচীনপন্থী খেতাব পাওয়ার বিষয়টি তো খুবই পুরনো কথা। তবে সহজ সরল সাধারণ মানুষ যখন বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বক্তব্যে দ্বিধান্বিত হয়ে সত্য জানতে চান, তখন আর নিজেকে গুটিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। ইসলাম ও বিনোদনের মধ্যকার সম্পর্কটিও এমনই একটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। অপসংস্কৃতির বিপক্ষে কথা বলতে গেলে প্রাসঙ্গিকভাবেই এ বিষয়টি এসে পরে যে, তাহলে ইসলামে কি বিনোদনের কোনো সুযোগ নেই? ইসলামে বিনোদনের সুযোগ আছে কি না, সে বিষয়ে আলোচনার আগে সংস্কৃতি কাকে বলে এবং বিনোদন বিষয়টি কি, ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা-২: চিন্তার সামান্য খোরাক](https://returnofislam.com/2012/04/15/self-reflection2/): بسم الله الرحمن الرحيمالسلام عليكم ورحمة الله وبركاته আলহামদুলিল্লাহ্; বর্তমান প্রজন্মে মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই দাওয়াহ্’ ও ইসলাহ্’র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি এবং সেই তাড়নায় আমরা সকলেই সচেষ্ট হচ্ছি আপন পরিমন্ডলে দাওয়াহ্’র জন্য। অনেকেই Online এ বিভিন্ন Platform এ দাওয়াহ্ করছেন। প্রতিনিয়ত কুরআন, হাদীসের বাণী, ছোট ছোট Article তথাপি আবেগপ্রবণ status দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব সারছি।এখানে, প্রশ্ন হলো আমরা যাদেরকে Prospect হিসেবে নিয়েছি তারা সকলেই সমমনা; অর্থ্যাৎ সকলেই একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন এইসব evaluate করার জন্য। তাই, online এ দাওয়াহ্ বড়জোর ইসলাহ্’র পর্যায়ে উন্নীত হয়। তাদের তুলনায় দাওয়াহ্’র অধিক হকদার; আমাদের সমাজের সেই সকল মানুষ যারা মনে করছে; ‘they are Muslim for ... Read more - [আত্ম-সমালোচনা: চিন্তার সামান্য খোরাক](https://returnofislam.com/2012/04/13/self-reflection/): আলহামদুলি’ল্লাহ্; বর্তমান প্রজন্মে মুসলিম হিসেবে আমরা সকলেই দাওয়াহ্’ ও ইসলাহ্’র প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি এবং সেই তাড়নায় আমরা সকলেই সচেষ্ট হচ্ছি আপন পরিমন্ডলে দাওয়াহ্’র জন্য। অনেকেই Online এ বিভিন্ন Platform এ দাওয়াহ্ করছেন। প্রতিনিয়ত কুরআন, হাদীসের বাণী, ছোট ছোট Article তথাপি আবেগপ্রবণ status দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব সারছি। এখানে, প্রশ্ন হলো আমরা যাদেরকে Prospect হিসেবে নিয়েছি তারা সকলেই সমমনা; অর্থাৎ সকলেই একটা নির্দিষ্ট পর্যায়ের জ্ঞান রাখেন এইসব evaluate করার জন্য। তাই, online এ দাওয়াহ্ বড়জোর ইসলাহ্’র পর্যায়ে উন্নীত হয়। তাদের তুলনায় দাওয়াহ্’র অধিক হকদার; আমাদের সমাজের সেই সকল মানুষ যারা মনে করছে; ‘they are Muslim for granted’; অথচ তারা ইসলামের প্রকৃত বাণী উপলব্ধি ... Read more - [বাংলা নববর্ষ উদযাপন: ইসলামী দৃষ্টিকোণ ও মুসলিমদের করণীয়](https://returnofislam.com/2012/04/13/nobo-borsho/): بسم الله الرحمن الرحيم ভূমিকা নববর্ষ, বর্ষবরণ, পহেলা বৈশাখ – এ শব্দগুলো বাংলা নতুন বছরের আগমন এবং এ উপলক্ষে আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানাদিকে ইঙ্গিত করে। এই উৎসবকে প্রচার মাধ্যমসমূহে বাঙালির ঐতিহ্য হিসেবে রঞ্জিত করা হয়ে থাকে। তাই জাতিগত একটি ঐতিহ্য হিসেবে এই উৎসবকে এবং এর সাথে সম্পৃক্ত কর্মকান্ডকে সমর্থন যোগানোর একটা বাধ্যবাধকতা অনুভূত হয় সবার মনেই – এ যে বাঙালি জাতির উৎসব! তবে বাংলাদেশে বসবাসরত বাঙালি জাতির শতকরা ৮৫ ভাগ [১] লোক আবার মুসলিমও বটে, তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে: নববর্ষ উদযাপন এবং সংশ্লিষ্ট অনুষ্ঠানাদি যেমন: রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে বর্ষবরণ, বৈশাখী মেলা, রমনার বটমূলে পান্তা-ইলিশের ভোজ, জীবজন্তু ও রাক্ষস-খোক্কসের প্রতিকৃতি নিয়ে গণমিছিল – এবং ... Read more - [ইসলামী দাওয়াহ বহন করার পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2012/04/11/way-to-carry-dawah/): ইসলাম অনুসরণ করার কারণে মুসলিমরা বিশ্ব থেকে পিছিয়ে পড়েনি, বরং তাদের অধঃপতন শুরু হয়েছে যখন থেকে তারা ইসলামকে অনুসরণ করা ছেড়ে দিয়েছে, তাদের ভুমিতে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের সুযোগ দিয়েছে এবং তাদের মন পশ্চিমা ধ্যান ধারণায় আচ্ছন্ন হতে দিয়েছে। - [গণঅভ্যূত্থান তৈরীর উপায়](https://returnofislam.com/2012/04/08/way_to_mass_uprise/): ১. সূচনা এ প্রবন্ধে আমরা রাজনৈতিক সংগ্রামের লক্ষ্যে জনগণকে সংগঠিত করার বিষয়ে আলোচনা করবো। একথা নির্দ্বিধায় বলা যায় একটি সফল রাজনৈতিক সংগ্রামের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে জালেম শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত করা। এখানে আমরা শুধুমাত্র আমাদের সংগঠনে একজন মানুষের অন্তর্ভূক্তি, ক্রমান্বয়ে তাকে সমর্থক, কর্মী, সদস্য ইত্যাদি স্তর অতিক্রমের কথা বলছি না। হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকার বিরোধী আন্দোলন, জুলুমের বিরুদ্ধে আন্দোলন তথা খিলাফত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে ফেলার কথা বলছি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরী করা, আন্দোলনের জন্যে সমাজে একটি গণভিত্তি তৈরী করা, ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা করা ও সব শেষে গণঅভ্যূত্থানের মাধ্যমে সরকার ও সরকার ব্যবস্থার পতন ঘটানো – ধাপে ... Read more - [সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামের অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2012/04/08/struggle-against-colonial-imperial-powers/): ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই ঈমান ও কুফরের মধ্যে আপোষহীন দ্বন্দ ও সংগ্রাম চলে আসছে। আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) পবিত্র কুর’আনের মাধ্যমে ইসলাম ও কুফরের দ্বন্দের বিষয়টি সুস্পষ্টরূপে প্রকাশ করে দিয়েছেন এবং মুসলমানদেরকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তারা যেন কখনই কাফের শক্তিকে নিজেদের বন্ধু বা মিত্র হিসাবে না নেয়। আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদেরকে ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করোনা। তারা তোমাদের সাথে শত্রুতা করতে বিন্দুমাত্র ত্রুটি করেনা; তারা শুধুমাত্র তোমাদের ধ্বংসই কামনা করে। বাস্তবে শত্রুতা তাদের মুখ হতে প্রকাশ হয়ে পড়েছে আর তাদের অন্তরে যা আছে তা আরও ভয়াবহ।” [সুরা আল ইমরান : ১১৮] ... Read more - [ইসলাম-বিদ্বেষীদের উদ্দেশ্যে বলছি](https://returnofislam.com/2012/04/07/to-islamophobics/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله তাদের প্রকৃতি: আপেক্ষিক নৈতিকতার মর্মর ভিত্তিপ্রস্তরে স্থাপিত পূজিবাদী সমাজের তথাকথিত প্রগতিশীলরা কেবলই সংস্কারের বুলি আওড়ায় আর ইসলামের বিরুদ্ধ বিদ্বেষ ছড়ায়। আল্লাহ্ তা’আলা এই ধরনের লোকদের মনস্তত্ত্ব ও প্রকৃত অবস্থা বর্ণনা করে, সতর্কবাণী উল্লেখ করে বলেছেন : وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ لاَ تُفْسِدُواْ فِي الأَرْضِ قَالُواْ إِنَّمَا نَحْنُ مُصْلِحُونَ أَلا إِنَّهُمْ هُمُ الْمُفْسِدُونَ وَلَكِن لاَّ يَشْعُرُونَ “আর যখন তাদেরকে বলা হয় দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করোনা, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করছি। মনে রেখো, (বস্তুতঃ) তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করেনা।” [সূরা বাকারাহ্: ১১-১২] তোমাদের বিদ্বেষপ্রসূততা সম্পর্কে: আল্লাহ্ তা’আলা ... Read more - [সঠিক বন্ধনের ভিত্তি](https://returnofislam.com/2012/04/07/correct-basis-bonding/): একটি দাওয়াকারী দলে যোগ দেয়ার একমাত্র কারণ ঈমান। এখন বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, এই দলের সদস্যদের মধ্যকার বন্ধনটি কীসের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে? এর উত্তর হচ্ছে, এই দলের সদস্যদের বন্ধনের একমাত্র ভিত্তিও ঈমান। হাদীস শরিফে আছে, কিয়ামতের দিন যে সাত ধরনের ব্যক্তি আল্লাহর আরশের নিচে ছায়া পাবে তাদের মধ্যে এক ধরনের ব্যক্তি হচ্ছে তারা যারা একত্রিত হয় পরস্পরকে আল্লাহর ভালোবাসার উদ্দেশ্যে। [বুখারী ও মুসলিম] আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহতায়ালা বলবেন: ‘আমার সুমহান ইজ্জতের খাতিরে যারা পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা স্থাপন করেছে তারা কোথায়? আজ আমি তাদেরকে আমার বিশেষ ছায়ায় স্থান দিব। আজ এমন দিন, আমার ছায়া ছাড়া আর কোনো ... Read more - [মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ এশিয়া](https://returnofislam.com/2012/04/04/us-south-asia/): ১. ভুমিকা ভারতীয় উপমহাদেশ নামে সুপরিচিত এই দক্ষিণ এশিয়া বরাবরই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক মঞ্চ। সংখ্যায় বিপুল এ অঞ্চলের অধিবাসীরা বিশেষ ধরণের বৈশিষ্ট্যের অধিকারী আর ভৌগোলিকভাবে এ অঞ্চল দূর্গম পাহাড়বেষ্টিত। যেজন্য অতীতের অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে কেবল সুনির্দিষ্ট কয়েকটি পথেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করা যেত। কখনো সফলতা, কখনো ব্যর্থতা ইত্যাদি মিলিয়ে বিভিন্ন সময় শীর্ষস্থানীয় দিগ্বিজয়ীরা এসব পথেই এ অঞ্চলে প্রবেশ করেছে এবং এ অঞ্চলসীমায় নিজ নিজ ক্ষমতার পরিধি বিস্তারের চেষ্টা করেছে। সেই ধারাবাহিকতাতেই একসময় মোঘলদের মাধ্যমে এ অঞ্চলে ইসলামের বিস্তার লাভ ঘটে। তবে নিকট অতীতে ভৌগলিক এই সীমাবদ্ধতা থেকে অনেকেই শিক্ষা নিয়েছে এবং এককভাবে কারো পক্ষে পুরো উপমহাদেশের কর্তৃত্ব ধরে রাখা ... Read more - [বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস](https://returnofislam.com/2012/04/02/history-of-political-struggle/): বাংলাদেশের এই ভূখন্ডে রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আন্দোলনের এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সেই ইতিহাসকে সামনে রেখে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও তার সম্ভাব্য বাধাসমূহ আলোচনা করাই এই প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের বিচারে এই প্রবন্ধে চারটি সময়কালকে (Period) আলাদা আলাদা ভাবে ভাগ করা হয়েছে। ১.    প্রাগৈতিহাসিক সময় থেকে ব্রিটিশদের আসার আগপর্যন্ত সময় কাল। (?….১৭৫৭)২.    ব্রিটিশ শাসনামলে রাজনৈতিক আন্দোলন (১৭৫৭-১৯৪৭)৩.    পাকিস্তান আমলে রাজনৈতিক সংগ্রাম। (১৯৪৮-১৯৭১)৪.    বাংলাদেশ আমল ( ১৯৭১-২০০৭) Pre-historical period এর আলোচনায় যাওয়ার আগে এই অঞ্চলের ভৌগলিক ও সাধারণ মানুষের নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ঠ্যর একটি পর্যালোচনা প্রয়োজন। যে ভূখন্ডটাকে আজকে আমরা বাংলাদেশ বলি, গত ২ হাজার বছর বা তার অধিক কাল সময় ধরে এই অঞ্চলটি ... Read more - [সত্য গ্রহণে প্রধান বাধাসমূহ ও আত্মপর্যালোচনা](https://returnofislam.com/2012/04/01/barrier-in-accepting-truth/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله সত্য জেনে তা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে যেসব প্রধান বাধাসমূহ কাজ করে তার একটি ক্ষুদ্র পর্যালোচনায় এই প্রয়াস। পূর্ববর্তীদের অন্ধ অনুসরন: অধিকাংশ মানুষেরই সত্য গ্রহণে অন্যতম প্রধান বাধা হচ্ছে তাদের পূর্বপুরুষদের অন্ধ অনুসরন। রাসূল (صلى الله عليه وسلم) এর সত্যের আহবানে মক্কার মুশরিকদের তা গ্রহণে অন্যতম অন্তরায় ছিলো তাদের পূর্ববর্তীদের সুন্নাতে জাহিলিয়াহ্’র অন্ধ অনুসরন। বর্তমান প্রেক্ষাপট ও এর ব্যত্যয় নয়। কুরআন কারীমে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: وَإِذَا قِيلَ لَهُمُ اتَّبِعُوا مَا أَنزَلَ اللَّهُ قَالُواْ بَلْ نَتَّبِعُ مَا أَلْفَيْنَا عَلَيْهِ آبَاءَنَا أَوَلَوْ كَانَ آبَاؤُهُمْ لاَ يَعْقِلُونَ شَيْئًا وَلاَ يَهْتَدُونَ “আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, ... Read more - [স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কিছু উপায়](https://returnofislam.com/2012/03/28/memorization/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله ইসলামী জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রে স্মৃতিশক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্মৃতিশক্তির গুরুত্ব সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে যখন সহীহ হাদীস সংকলনে তা একটি মানদন্ড। তথাপি কুরআন হিফজ করা, হাদীস বর্ণনা করা এবং দ্বীনের প্রয়োজনীয় আরকান-আহকাম ধারন করার জন্য স্মৃতিশক্তির প্রখরতা অতীব প্রয়োজনীয়। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির কিছু করণীয় নিম্নে উল্লেখ করা হলো: -পরিপূর্ণ ইখলাস (اخلاص) অর্থ্যাৎ জ্ঞানর্জনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি লাভের জন্য নির্ধারণ করা। দুনিয়াবী কোন মোহ্ কিংবা জাহির করা যেনো একে কলুষিত না করে; তা নিশ্চিত করা এবং প্রতিনিয়ত নিজের নিষ্ঠাকে প্রশ্ন করা। -গুনাহ্ থেকে বিরত থাকা। বিশেষ করে কবীরা গুণাহ্সমূহ থেকে। কেননা, দ্বীনী ইলম আল্লাহ্’র এক অশেষ ... Read more - [বিররুল ওয়ালিদাইন - একটি ঘটনা](https://returnofislam.com/2012/03/28/birrul-waalidayn/): অনেক অনেক দিন আগে, এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হাজ্জ পালনের উদ্দেশে রওনা দিলেন । মাঝ পথে হঠাৎ বাবা তার ছেলে কে বললেন” ”তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও, আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব, আমাকে নিয়ে ভয় পেয়না” এই বলে বাবা নেমে পরলেন উটেরর পিঠ থেকে, ছেলেও চলতে লাগল কাফেলার সাথে, কিছুক্ষন পর সন্ধ্যা হয়ে এল ,ছেলে আশে পাশে কোথাও বাবা কে খুজে পেলনা, সে ভয়ে উটের পিঠ থেকে নেমে উল্টা পথে হাটা শুরু করল, অনেক দূর যাওয়ার পর দেখল তার বৃদ্ধ বাবা অন্ধকারে পথ হারিয়ে বসে আছেন, ছেলে দৌড়ে বাবার ... Read more - [ইসলামে আরবী ভাষা, এর গুরুত্ব ও উম্মতের পুনর্জাগরণে এর ভূমিকা](https://returnofislam.com/2012/03/27/arabic-language-importance-in-revival/): ভাষা তাঁর আরও এক নিদর্শন হচ্ছে আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। নিশ্চয় এতে জ্ঞানীদের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে। [রূম: ২২] ভাষা একে অপরের সাথে চিন্তা, ভাবনা ও ধারনার যোগাযোগের মাধ্যম। এর মাধ্যমে চিন্তা-ভাবনা একজন থেকে অন্যজনে প্রবাহিত হয়, এক স্থান হতে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়। লিখিত হোক বা অলিখিত, এটাই মানুষের জন্য চিন্তা-চেতনা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল হতে। ভাষা অবশ্যই আমাদের চিন্তা প্রক্রিয়ার অংশ নয় বরং এর ফলাফল। এ বিষয়টি Rational ও Empirical উভয় চিন্তার পদ্ধতি দ্বারাই প্রমাণ করা সম্ভব। এটা আমরা বুঝতে পারি যখন আমরা দেখি বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে একই চিন্তা-চেতনা একই ... Read more - [মিডিয়ার ইসলাম-বিদ্বেষ: বাস্তবতা বিবর্জিত মস্তিষ্ক ধোলাই](https://returnofislam.com/2012/03/24/media-brain-wash/): بسم الله الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله বর্তমান বিশ্বে মিডিয়ার ইসলাম-বিদ্বেষ নিয়ে নতুনভাবে অবতারণার কোন প্রয়োজন নেই। আমি শুধু কিছু বিষয়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই; হয়তো বা তা আপনার বিশ্বদর্শন [worldview] পরিবর্তনে সহায়ক হবে। এটি এমন একটি রূপক, একজন মিথ্যেবাদী শিকারি যে প্রতিনিয়ত মিথ্যে গল্প সাজায় তার বীরত্বের বহিঃপ্রকাশের জন্য; যদি ও সে অধিকাংশ সময় সে নিজে শিকার হওয়ার ভয়ে জবুথবু থাকে। Let’s try listen it from horse’s mouth; as they say. আপনি যদি Hollywood মুভির দর্শক হন, তবে আপনি একটা বিষয় নিঃসন্দেহে বুঝতে পারবেন যে US যখন যাদের সাথে শত্রুতাভাবাপন্ন অবস্থায় থাকে তখন তাদেরকে তথাকথিত ভিলেইন [Villain] ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ্‌র অধঃপতনের বিশ্লেষণ](https://returnofislam.com/2012/03/15/reason-behind-decline-of-ummah/): ভূমিকাঅধঃপতন উন্নতির বিপরীত। উন্নতি = বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। তারাই একটি উন্নত জাতি যারা সমাজে সকল সমস্যার সমাধানের জন্য একটি দর্শন বা আদর্শকে চিন্তার ভিত্তি হিসেবে বেছে নেয় এবং তাতে ঐক্যবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ একটি উন্নত সমাজের মানুষেরা তাদের সকল প্রবৃত্তিগত ও জৈবিক চাহিদা মেটানোর জন্য জীবন সম্পর্কে একটি আদর্শের উপর ভিত্তি করে চলে, এই আদর্শটি আবার একটি বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থকে। এটাই উন্নত সমাজ, কেননা এটি একটি যুক্তিসঙ্গত (Rational) ও যাচাই বাছাইকৃত (Justified) মৌলিক বিশ্বাসের উপর সংগঠিত এবং সমাজের প্রতিটি ধ্যান-ধারণাই এই মৌলিক বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। অতএব, সেই সমাজই অধঃপতিত, যা কোন মৌলিক বিশ্বাসকে তার সকল চিন্তার উৎস হিসেবে বেছে ... Read more - [অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষের উপর নারীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে ইসলাম](https://returnofislam.com/2012/03/14/priority_of_women_before_men/): পূর্ব প্রকাশের পরঃ পিতা-মাতার সম্মান ও মর্যাদা বর্ণনার ক্ষেত্রেও ইসলাম নারীদেরকে অগ্রাধিকার ও অধিক সম্মান দিয়েছে। পিতার থেকে মাতার সম্মান ও মর্যাদা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নিম্নোক্ত হাদীস থেকে যা পরিস্কারভাবে ফুটে উঠেছে। عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله من أحق الناس بحسن صحابتي ؟ قال : أمك ,, قال : ثم من ؟ قال : أمك, قال : ثم من ؟ قال : أمك, قال : ثم من ؟ قال : أبوك . (متفق عليه) “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে একবার জিজ্ঞাসা করা হলো ... Read more - [ইসলামে অর্থনৈতিক নীতিমালা](https://returnofislam.com/2012/03/13/economic-policies-in-islam/): ইসলামী অর্থনীতি প্রতিটি নাগরিকের সকল মৌলিক চাহিদা পূরনের গ্যারান্টি দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত কিছু চাহিদা পূরণের পথও সুগম করে। তবে একথা প্রত্যেক নাগরিককে মেনে নিতে হবে যে, সে ইসলামী সমাজে বাস করছে এবং এর একটি বিশেষ জীবন পদ্ধতি আছে। সামগ্রিকভাবে বলা যায় যে, শরঈ আইন প্রতিটি ব্যক্তির মৌলিক চাহিদা তথা অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করার গ্যারান্টি দেয়। এর প্রক্রিয়া হলো এই যে, কোন ব্যক্তি যদি কর্মক্ষম হয় তাহলে ইসলাম তার নিজের এবং তার উপর যাদের ভরণ পোষনের দায়িত্ব রয়েছে, তাদের জীবিকা উপার্জনার্থে কাজ করা তার জন্য আবশ্যক করে দেয়। তাই পিতার উপর ফরয হয়ে যায়, তার সন্তানের জীবিকার ব্যবস্থা করা। যদি ... Read more - [সম্মান ও মর্যাদায় নারী-পুরুষকে সমান ঘোষণা করেছে ইসলাম](https://returnofislam.com/2012/03/10/men_and_women_dignity/): পূর্ব প্রকাশের পর: মানব সমাজে নারী জন্মের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কন্যা সন্তানের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পর ইসলাম সম্মান ও মর্যাদার ক্ষেত্রেও নারী- পুরুষকে সমান ঘোষণা করেছে। জন্মগতভাবে নারী-পুরুষ আল্লাহর কাছে সমান বলে, নারীকে সম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে পুরুষের সমকক্ষ ঘোষণা করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ঘোষণা করেছে, يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوا رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُمْ مِنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَخَلَقَ مِنْهَا زَوْجَهَا وَبَثَّ مِنْهُمَا رِجَالًا كَثِيرًا وَنِسَاءً وَاتَّقُوا اللَّهَ الَّذِي تَسَاءَلُونَ بِهِ وَالْأَرْحَامَ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلَيْكُمْ رَقِيبًا “হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন এক উৎস থেকে। আর তা থেকে তোমাদের স্ত্রীদেরকেও সৃষ্টি করেছেন। এরপর তা থেকে ... Read more - [বর্তমান বিশ্বে বিদ্যমান মতাদর্শ সমূহ](https://returnofislam.com/2012/03/05/ideologies/): বর্তমান বিশ্বে তিন ধরনের মতাদর্শ বিদ্যমান আছে। ১- ইসলাম।২- গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদ।৩- সমাজতন্ত্র। গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদ (الديمقراطية الرأسمالية) এটি পশ্চিমা বিশ্ব এবং মার্কিনীদের মতবাদ। এই মতবাদ ধর্মকে রাষ্ট্র এবং জীবন থেকে আলাদা রাখার মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। “Render unto Caeser what is Caesar’s and unto God what is God’s” বলা হচ্ছে “যা কিছু সিজারের (রাজার) তা তার মত কর, আর যা কিছু খোদার তা তার (খোদার) ইচ্ছার উপর ছেড়ে দাও।” এ কারনে এই মতবাদে মানুষের জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক মানুষ নিজেই। এটি কুফুরী দৃষ্টি ভঙ্গি এবং ইসলামের সম্পূর্ন বিপরীত মতবাদ। কারণ বিধান প্রবর্তক এক মাত্র আল্লাহ তা’আলা এবং তিনি সম্পূর্ন এককভাবেই মানুষের জীবনব্যবস্থা প্রনয়নকারী। তিনি ... Read more - [একমাত্র ইসলামই দিয়েছে ‌'নারীর সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার'](https://returnofislam.com/2012/03/05/women-in-islam/): বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যে বিষয়টি নিয়ে পাশ্চাত্য খুবই শোর গোল করছে। যার সূত্র ধরে ইসলাম বিরোধী অপশক্তি গুলোও ইসলামের উপর কালিমা লেপনের অপচেষ্টায় আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে, পশ্চিমাদের এজেন্ট, কুফরী শক্তির দালালরা ইসলাম ও মুসলিমদের তাহযীব-তামাদ্দুনকে সমূলে ধ্বংস করে মুসলিম উম্মাহকে চিরতরে পঙ্গু করার জন্য যেই ভয়ংকর মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে তার নাম হচ্ছে -নারী অধিকার, নারী স্বাধীনতা। আর এ বিষয়টির ক্ষেত্রে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী কি সে সম্পর্কে অনেকেই অনেকভাবে, অনেক আঙ্গিকে লিখেছেন। আমি আমার এই লেখায় কুরআন-সুন্নাহ এবং বাস্তবতার আলোকে আমার উপলব্ধি টুকু শেয়ার করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। বর্তমান পাশ্চাত্য এবং ইসলাম বিদ্বেষী অপশক্তি আজ অত্যন্ত কৌশলে ... Read more - [সংবাদ বিশ্লেষন: বাংলাদেশে মার্কিন সেনাসদস্যদের বিশেষ টিম](https://returnofislam.com/2012/03/05/bangladesh_usa_army/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি, মার্চ ০৪, ২০১২ এ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এ প্রকাশিত বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি সংক্রান্ত একটি সংবাদের প্রতি প্রতিক্রিয়া ও বিশ্লেষন – the underlined part is the comment and analysis) সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে ‘সহযোগিতার’ অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণ দিতে মার্কিন বাহিনীর কিছু সংখ্যক সদস্য থাকলেও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ঘাঁটি নেই বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। তিনি রোববার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “বাংলাদেশে কোনো ঘাঁটি থাকার প্রশ্নই আসে না।” মজিনার কথা শুনে মনে হয় বাংলাদেশে ঘাটি করার কোনো ইচ্ছাই নেই আমেরিকার। অথচ এই আমেরিকাই মুসলিম বিশ্বসহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের ঘাটি তৈরি করে রেখেছে। সৌদি বাদশাহদের দালালির সহায়তায় তারা পবিত্র ভুমি মক্কা-মদীনার খুব কাছেই তাদের ঘাটি ... Read more - [হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর নবুয়্যতের প্রমাণ](https://returnofislam.com/2012/03/05/rational-proof-for-prophethood/): এটি সর্বজনবিদিত যে, কুরআন একটি আরবি গ্রন্থ যা মুহাম্মদ (সা)-এর মাধ্যমে এসেছে। কাজেই এটি হয় আরবদের নিকট থেকে, অথবা মুহাম্মদ (সা)-এর নিকট থেকে কিংবা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালার পক্ষ থেকে এসেছে। যেহেতু কুরআনের ভাষা ও রচনাশৈলী আরবি, কাজেই এ তিন উৎস ছাড়া অন্য কোনো উৎস থেকে এর আগমন অসম্ভব। কুরআন আরবদের নিকট থেকে এসেছে একথা বলা মিথ্যাচার। কারণ কুরআন তাদের প্রতি অনুরূপ রচনার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। “বলুন, এরূপ দশটি সুরা নিয়ে আস।” (সুরা হুদ: আয়াত ১৩) “বলুন, এরূপ একটি সুরা নিয়ে আস।” (সুরা ইউনুস: আয়াত ৩৮) তারা অনুরূপ রচনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিল। সুতরাং এটি তাদের বক্তব্য নয়। কুরআন মুহাম্মদ (সা)-এর ... Read more - [চিন্তা ও চিন্তার পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2012/03/05/thought-and-its-method/): চিন্তা (فكر), বুদ্ধি (عقل), উপলব্ধি (ادراك) ইত্যাদি সব কিছু প্রায় একই অর্থবোধক। অর্থাৎ কোন বাস্তবতাকে যথা সম্ভব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন করার জন্য ইন্দ্রিয়গুলোর মধ্য দিয়ে তাকে মানুষের মস্তিষ্কে পাঠানো এবং  পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা (previous information) ও জ্ঞানের সাথে তুলনা ও সমন্বয় করার যে প্রক্রিয়া মানুষের মধ্যে বিদ্যমান তাকেই বলা হয় ফিকর ( فكر ) বা চিন্তা। চিন্তা করার জন্য নিন্মোক্ত চারটি বিষয় বিদ্যমান থাকতে হয়। (১) বাস্তব অবস্থা (A Reality)(২) সুস্থ মস্তিষ্ক (A sane distinguishing mind)(৩) ইন্দ্রিয়সমূহ (Senses) ও(৪) পূর্ব অভিজ্ঞতা/জ্ঞান (Previous information) বিবেক-বিবেচনা ভিত্তিক তথা বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতি (Rational Method)এটি হচ্ছে এমন পদ্ধতি যার মাধ্যমে মানুষ চিন্তা-ভাবনা করে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে উপলব্ধিতে পৌঁছে। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের মন ... Read more - [আল্লাহর অস্তিত্বের বৃুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ](https://returnofislam.com/2012/03/03/intellectual-proof-for-existence-of-allah/): প্রতিটি জিনিসের পেছনে একজন সৃষ্টিকর্তা রয়েছেন – এ সিদ্ধান্ত পৌঁছানোর কারণ হচ্ছে আমাদের অনুধাবনযোগ্য প্রতিটি বিষয়, যেমন: মানুষ, জীবন ও মহাবিশ্ব ইত্যাদি সীমাবদ্ধ, দুর্বল, অসম্পূর্ণ এবং তাদের অস্তিত্বের জন্য তারা অপরের উপর নির্ভরশীল। মানুষ সীমাবদ্ধ, কারণ সকল ক্ষেত্রেই সে একটি সীমার মধ্যে বেড়ে ওঠে এবং কখনোই এ সীমাবদ্ধতার বাইরে যেতে পারে না। জীবন সীমাবদ্ধ, কারণ আমরা অনুভব করতে পারি যে এটি স্বতন্ত্র প্রাণীসত্তার মধ্যেই প্রকাশিত হয় এবং তার মধ্যেই বিলুপ্ত হয়। কাজেই এটিও সীমাবদ্ধ। মহাবিশ্বও সীমাবদ্ধ, কারণ এটি কতগুলো মহাজাগতিক বস্তুর সমষ্টিমাত্র। প্রতিটি মহাজাগতিক বস্তু সীমাবদ্ধ এবং দৃশ্যতই অনেকগুলো সীমাবদ্ধ বস্তুর সমষ্টিও সীমাবদ্ধ। কাজেই নিশ্চিতভাবেই মানুষ, জীবন ও মহাবিশ্ব সীমাবদ্ধ। যখন ... Read more - [দারুল ইসলাম ও দারুল কুফর](https://returnofislam.com/2012/03/03/dar-ul-islam-dar-url-kufr/): ‘দার’ শব্দটি আরবি ভাষায় বহু অর্থে ব্যবহার হয়, যেমন: এলাকা/মহল্লা, ঘর, বসতবাড়ি, ভূমি ইত্যাদি। শরীয়াতের পরিভাষায়, দারুল ইসলাম বলতে এমন ভূমিকে বোঝায় যেটি ইসলামের আইন দ্বারা শাসিত হয় এবং যার নিরাপত্তা রক্ষিত হয় ইসলাম দ্বারা অর্থাৎ মুসলিমদের কর্তৃত্ব ও প্রতিরক্ষা দ্বারা। এমন কি, যদি সেই ভূমির অধিকাংশ অধিবাসী অমুসলিমও হয়, তবুও সেটি দারুল ইসলাম। দারুল কুফর বলতে এমন ভূমিকে বোঝায় যেটি কুফরের আইন দ্বারা শাসিত হয় এবং যার নিরাপত্তা ইসলাম দ্বারা রক্ষিত হয় না অর্থাৎ মুসলিমদের কর্তৃত্ব ও প্রতিরক্ষা দ্বারা এর নিরাপত্তা রক্ষিত হয় না। এমন কি, যদি সেই ভূমির অধিকাংশ অধিবাসী মুসলিমও হয়, তবুও সেটি দারুল কুফর। মুসলিম উম্মাহর শ্রেষ্ঠ ... Read more - [বইমেলা ২০১২ - কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা](https://returnofislam.com/2012/03/02/book_fair/): অনেক ব্যস্ততা সত্ত্বেও আজ গিয়েছিলাম একুশে বই মেলায়। সেই মেলার শুরু দিন থেকে যাবো যাবো করে আর যাওয়া হচ্ছিলো না। আগামীকাল শেষ হয়ে যাবে ভেবে শেষে জরুরী কিছু কাজ বাদ রেখেই আজকে গেলাম। ঘুরে আসলাম আমাদের জাতীয় জীবনের খুবই উল্লেখযোগ্য একটি বিশেষ অনুষ্ঠান, মাসব্যপী অনুষ্ঠিত একুশে বই মেলায়। পুরো মেলা ঘুরে বেশ কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা ও খানিকটা সুখস্মৃতি নিয়ে অবশেষে ফিরে এলাম নিজ গন্তব্যে। প্রিয় পাঠকদের সাথে তা শেয়ার করার লোভ সংবরণ করতে না পেরে শেয়ার করছি। লেখক এবং প্রকাশক হিসেবে খুব বেশি না হলেও প্রায় ১২ বছরের সামান্য কিছু অভিজ্ঞতার আলোকে এবারের বই মেলা সম্পর্কে সংক্ষেপে আমার মূল্যায়ন। প্রথমেই মেলার ... Read more - [ইসলামী আকীদা](https://returnofislam.com/2012/03/02/islamic-aqeedah/): আকীদা (عقيدة): ইসলামের বিশ্বাস বিষয়ক সর্বশেষ ও প্রসিদ্ধতম পরিভাষা ‘আকীদা’। হিজরি চতুর্থ শতকের পূর্বে এ শব্দটির প্রয়োগ লক্ষ্য করার মত নয়। হিজরী চতুর্থ শতক থেকে এ পরিভাষাটি প্রসিদ্ধি লাভ করে। এর পরবর্তী যুগে এটিই একমাত্র পরিভাষা হয়ে যায়। আকীদা ও ই’তিকাদ শব্দদ্বয় আরবি এবং উভয়ই ‘আকদ’ (عقد) ধাতু থেকে গৃহীত। এর মূল অর্থ সন্ধান করা, গিরা দেয়া, চুক্তি করা, জমাট হওয়া, শক্ত হওয়া ইত্যাদি। যেমন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন: وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (আশ্রয় গ্রহণ করছি) গ্রন্থিতে ফুৎকার দিয়ে (জাদুকারিণীদের) অনিষ্ট হতে [সূরা ফালাক ১১৩:৪] وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِنْ لِسَانِي এবং আমার জিহ্বা থেকে জড়তা দুর করে দিন। [সূরা তোয়া-হা: ২৭] ‘দ্বীনের বিশ্বাস’ বুঝাতে ... Read more - [পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করাই কি সব?](https://returnofislam.com/2012/03/02/is-making-good-grades-everything/): বর্তমান সমাজে আমরা সব সময়ই পরীক্ষার সম্মুখীন এবং অনেক ছাত্ররা তাদের সমস্থ সময় ব্যয় করছে পরীক্ষায় ভালোভাবে পাশ করার জন্য। প্রাতিষ্ঠানিক চাপ, সমকক্ষদের চাপ ছাড়াও মা-বাবাদের পক্ষ থেকে থাকবে উৎসাহমূলক চাপ যাতে তাদের সন্তানরা অবসর সময়টাকেও পড়ালেখার পিছনে ব্যয় করে একটা ভাল ফলাফল করতে পারে। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনের উপর খুব বেশী জোর দেয়া হয় যেন অন্য সব কিছুই তার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে। পরীক্ষাগুলোর বাস্তবতা: পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থায় পরীক্ষা পাশটাকে প্রধান বিষয় হিসেবে জোর দেয়া হয়। ভাল ক্যারিয়ার অর্জনের মাধ্যমে এবং নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার মধ্যে দিয়ে বস্তুতান্ত্রিক মূল্যেবোধ খোঁজার মধ্যে এই ধরনের সাফল্যের একটা যোগসূত্র আছে। এই ধরনের জীবন ব্যবস্থায় ... Read more - [রাসূলুল্লাহ্‌ (সা)-কে প্রেরণের উদ্দেশ্য](https://returnofislam.com/2012/03/01/reason-for-sending-the-messenger/): ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর উপর বিশ্বাস অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি না এর সাথে ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ্‌’-অর্থাৎ ‘মুহাম্মদ (সা) আল্লাহ্‌’র রাসূল’ এটি যোগ করা না হয়। কেননা তাঁর মাধ্যমেই ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর বাণী আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। একজন মুসলমানকে অবশ্যই হযরত মুহাম্মদ (সা) এর শ্রেষ্ঠতম ও সর্বশেষ নবী হওয়ার উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং তাঁর নবুয়্যাত তথা তাঁকে প্রেরণ করার উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। একটি সুনির্দিষ্ট মিশন দিয়ে আল্লাহ্‌ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তাঁর রাসূল (সা) কে মানব জাতির কাছে পাঠিয়েছেন, আর তা হলো আল্লাহ্‌র প্রেরিত জীবন ব্যবস্থা – ইসলামকে পৃথিবীতে মানুষের মস্তিষ্কপ্রসূত আর সব বাতিল জীবন ব্যবস্থার উপর অধিষ্ঠিত করতে, তাদের ... Read more - [কৃষিতে ইসলামের অবদান](https://returnofislam.com/2012/02/26/islams-contribution-to-agriculture/): কৃষি হচ্ছে মূলত উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে খাদ্য এবং তন্তু উৎপাদনের বা সংগ্রহের সুসংগঠিত পদ্ধতি। মানবসভ্যতার ইতিহাসে কৃষি সবসময়ই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে, কারণ বিশ্বব্যাপী আর্থসামাজিক অবস্থা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কৃষিব্যবস্থার অগ্রগতি অন্যতম প্রধান নিয়ামক। শিল্পবিপ্লবের আগ পর্যন্ত পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত ছিল। নিত্যনতুন কলাকৌশল উদ্ভাবন এবং প্রয়োগের ফলে কৃষিজ উৎপাদন বহুগুনে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ সমস্ত কলাকৌশল নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমানে অনেক বিষয় কৃষির অন্তর্ভুক্ত, এর প্রধান বিষয়গুলো হচ্ছে- – কৃষিবিদ্যা (চারা উৎপাদন, রোপণ এবং ফসল সংগ্রহ) – পশুপালন বিদ্যা – মৎস্যবিজ্ঞান – উদ্যানপালন বিদ্যা (স্বল্প পরিসরে ফুল, ফল, সবজি চাষ) এ সমস্ত বিষয়ের ... Read more - [তিহাত্তর ফিরকা সংক্রান্ত হাদীসসমূহের অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/26/clarifying-73sects/): রাসূল (সা) বলেছেন: বনী ইসরাইল (আহলে কিতাবীরা/ইহুদী-খ্রীস্টানরা) বাহাত্তরটি ফিরকায় বিভক্ত হয়েছিল। আমার উম্মত তিহাত্তরটি ফিরকায় বিভক্ত হবে। তার মধ্যে এই জামা’আত ছাড়া বাকি সবাই জাহান্নামে যাবে। [আবু দাউদ, মুসনাদে আহমদ, হাকিম] তিরমিযির অপর বর্ণনা হতে জানা যায়, এই জামা’আত হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (সা) ও তাঁর সাহাবীগণের পদ্ধতির উপর যারা রয়েছেন তারা। এই সম্মানিত হাদীসে বর্ণিত ‘ফিরকা’ শব্দটি নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত হয় আছেন। ‘ফিরকা’-কে এরা মাযহাব, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি নানা অর্থে বুঝে থাকেন। তাই ‘ফিরকা’ শব্দের প্রকৃত অর্থ বোঝা খুবই প্রয়োজন। আরবি ভাষায় ‘ফিরকা’ শব্দটি ‘লাফ্‌জ মুশতারাক’ অর্থাৎ বহু ধরনের অর্থ প্রকাশকারী শব্দ। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে ‘ফিরকা’ শব্দটি ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষিতে ব্যবহার করেছেন। ... Read more - [তরীকাহ (পদ্ধতি), উসলূব (ধরন) ও ওয়াসীলা (উপকরণ)](https://returnofislam.com/2012/02/24/tariqah-method-uslub-style-and-wasila-measures/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত আলেম শাইখ আহমাদ মাহমুদ কর্তৃক লিখিত ‘Dawah to Islam’ বইটির বাংলা অনুবাদের একটি অংশ হতে গৃহীত) আলজেরিয়া রাসূল (সা) তাঁর দাওয়াতী কাজ পরিচালনার জন্য মক্কায় যেসব কথা বলেছিলেন এবং যেসব কাজ করেছিলেন তার সবই কি ছিল আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তরফ থেকে ওহী – যেগুলোর আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয? নাকি এখানে এমন কিছু কথা এবং কাজও রয়েছে যেগুলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার তরফ থেকে ওহী হিসেবে আসেনি বলে সেগুলোর আনুগত্য করা আমাদের জন্য ফরয নয়? এই প্রেক্ষাপট থেকেই এখন আমরা তরীকাহ (পদ্ধতি), উসলূব (ধরন) এবং ওয়াসিলা (উপকরণ) নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করতে যাচ্ছি। এখানে অন্য একটি প্রশ্নও সামনে ... Read more - [সুন্নত এর প্রকৃত অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/21/the-true-meaning-of-sunnah/): সুন্নাহ কথাটির শাব্দিক অর্থ পদ্ধতি (ত্বরীকা)। এ শব্দটি এসেছে ‘সান আল শাই’ আরবী মূল শব্দ হতে। যার অর্থ কোন কিছুকে ধারালো বা উজ্জল করা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন:   سُنَّةَ مَنْ قَدْ أَرْسَلْنَا قَبْلَكَ مِنْ رُسُلِنَا وَلا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحْوِيلا “আপনার পুর্বে আমি যত রাসূল প্রেরণ করেছি, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ সুন্নত ছিল, আপনি আমার সুন্নত এর কোন ব্যতিক্রম পাবেন না।“ [সূরা আল-ইসরা: ৭৭] سُنَّةَ اللَّهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلُ وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللَّهِ تَبْدِيلا “যারা পুর্বে অতীত হয়ে গেছে তাদের ব্যাপারে এটাই ছিল আল্লাহর সুন্নত, আপনি আল্লাহর সুন্নত-এ কখনো পরিবর্তন পাবেন না।“ [সূরা আহযাব: ৬২] إِلا سُنَّةَ الأوَّلِينَ فَلَنْ ... Read more - ['লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌' এর প্রকৃত অর্থ](https://returnofislam.com/2012/02/20/the-true-meaning-of-la-ilaha-illallah/): ইসলামের আকীদা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ ইসলামী জীবনাদর্শের মূল ভিত্তি। বর্তমান সমাজে এই আকীদা চিন্তা-ভাবনা না করে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া কিছু বিশ্বাস হিসেবে গৃহীত হচ্ছে। কিন্তু ইসলামের প্রাথমিক অনুসারীরা অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) এর সাহাবীরা (রা) তাঁদের চিন্তাকে ব্যবহার করে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর সত্যতা বুঝতে পেরেছিলেন। তাঁরা (রা) ইসলামকে বুঝে শুনে নিয়েছিলেন বলেই তাঁরা এর দায়িত্ব বহনে বলিষ্ঠ ছিলেন এবং ইসলামকে পৃথিবীতে একটি বিজয়ী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। আজ যদি আমরা মুসলমানদের পুনর্জাগরণ চাই তাহলে আমাদের মাঝে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এর বাস্তব উপলব্ধি তৈরী করতে হবে। ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ এরা সত্যিকার মানে বুঝতে হলে আমাদের দুটো জিনিস বুঝতে হবে। প্রথমত: আল্লাহ্‌’র ... Read more - [সমাজ ও এর উপাদানসমূহ](https://returnofislam.com/2012/02/20/society-and-its-components/): সমাজ বলা হয় মানুষের এমন সমষ্টিকে যা একই চিন্তা, একই অনুভূতি-এবং একই ব্যবস্থার বন্ধনে আবদ্ধ। সমাজ হচ্ছে অনেক ব্যক্তির এমন সমন্বয়ের নাম, যেখানে বিভিন্ন প্রকার সম্পর্ক বিদ্যমান। শুধু কতিপয় মানুষ একত্রিত হওয়াকেই সমাজ বলেনা। কারন অনেক মানুষ কোথাও একত্রিত হলে তাকে একটি দল বা সমাবেশ বলা যেতে পারে, একে সমাজ বলা যায় না। যে সব উপাদান একটি সমাজকে সংগঠিত করে, সে গুলো হচ্ছে কতিপয় সম্পর্ক তথা রীতি নীতি। অন্য কথায় বলা যায় সমাজ হচ্ছে ব্যক্তি, চিন্তা, আবেগ-অনুভূতি এবং নিয়ম পদ্ধতিগুলোর সমষ্টির নাম।   তাই কোন সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে হলে সে সমাজে বসবাসকারী ব্যক্তিদের চিন্তা, অনুভূতি এবং সেখানে প্রচলিত নিয়ম-নীতি, শাসনব্যবস্থা ইত্যাদির শুদ্ধতা ... Read more - [জিহাদ নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও এর জবাব](https://returnofislam.com/2012/02/20/various-confusions-about-jihad-and-their-answers/): ‘জিহাদ’ শব্দটি এসেছে ‘জাহাদা’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়া’। আরবদের কাছে শাব্দিকভাবে ‘জিহাদ’- এর অর্থ হলো ‘কোনো কাজ বা মত প্রকাশ করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা বা কঠোর সাধনা করা’। আরো যেসব অর্থে জিহাদ শব্দটি ব্যবহার হয়: ১. اَلْجَد বা প্রচেষ্টা ব্যয় করা২. الطَّاقَةُ বা কঠোর সাধনা করা৩. السَّعْىُ বা চেষ্টা করা৪. اَلْمُشَقَّةُ বা কষ্ট বহন করা৫. بَذْلُ القُوَّةِ বা শক্তি ব্যয় করা৬. النِهايَةُ والغايَةُ বা শেষ পর্যায়ে পৌঁছা৭. الارْضُ الصلبة বা শক্তভূমি৮. الكفاح বা সংগ্রাম করা ইমাম নিশাপুরী (রহ)-এর তাফসীরে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ‘আল-জিহাদ অর্থ হলো কোনো উদ্দেশ্য বা ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালানো’। মোট কথা, ... Read more - [রবিউল আউয়াল মাস - মহানবীর আদর্শ ও মানুষের প্রকৃত বিকাশ](https://returnofislam.com/2012/02/20/significance-of-rabiul-awwal/): আমাদের মাঝে বছর ঘুরে আবার এসে উপস্থিত হয়েছে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাস, যে মাসে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জন্ম ও ওফাত হয়েছে। সাধারনত, রাসূলুল্লাহ (সা) এর জন্ম ও ওফাত এর কারণেই এ মাসটি সুপরিচিত। কিন্তু, এ মাসের আরো অন্যান্য তাৎপর্যও রয়েছে। এই মাসেই রাসূলুল্লাহ (সা) মদিনায় হিজরত করে এসে পৌছান এবং তার উপর নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা ইসলাম-এর আলোকে যুদ্ধবিদ্ধস্ত মদিনা শহরটিকে তিনি নতুন করে গড়ে তোলেন। শুরু হয় ইসলামের পদযাত্রা। এবং পরবর্তীতে এই হিজরতের তাৎপর্যকে কেন্দ্র করেই ইসলামী হিজরী সালের গননা শুরু হয়। এছাড়াও এই রবিউল আউয়াল মাসেই রাসূলুল্লাহ সর্বাপেক্ষা প্রিয় সাহাবী হযরত আবু বকর (রা) মুসলিমদের দ্বারা ... Read more - [ইসলামী রাজনীতি: ময়দান ছেড়ে ঘরে](https://returnofislam.com/2011/05/24/islamic-politics-leaving-the-field-at-home/): কিছুদিন আগে পল্টন গিয়েছিলাম। আজাদ প্রডাক্টস এর থেকে খানিকটা সামনে এগোতেই দেখা গেলো সমাবেশ হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে নারীনীতি ও আনুসাঙ্গিক বিষয়ে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশ হচ্ছে। নোয়াখালী টাওয়ারের নিচ থেকে শুরু করে বেশ অনেকদূর পর্যন্ত নেত-কর্মীদের ভীর লক্ষ্য করার মতো। এখানে সমাবেশের কারণ জিজ্ঞেস করলে জানা গেলো, অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিলো মুক্তাঙ্গনে। কিন্তু সরকার মুক্তাঙ্গনে ১৪৪ ধারা জারি করার কারণে বাধ্য হয়ে এখানে সমাবেশ করতে হচ্ছে। এর কয়েকদিন আগে মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করতে অনেকে পুলিশের লাঠিচার্জ ও গণগ্রেফতারের শিকার হয়েছেন। তাই বাধ্য হয়েই এখানে সমাবেশ করতে হচ্ছে। গত ০৪ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী পালনের জন্য আসতে চাইলে মুফতী ... Read more - [খিলাফত এর ১৩শ বছরের ইতিহাসে ইসলামের বাস্তবায়ন](https://returnofislam.com/2011/04/30/history-of-implementation-of-islam/): বর্তমানে আমরা যে বিশ্বে বসবাস করছি সে বিশ্বে এমন কোনো রাষ্ট্র নেই যাকে ইসলামী রাষ্ট্র বলা যায়। কারণ ইসলামী রাষ্ট্র হওয়ার যে শর্ত বা বিষয়গুলো থাকা দরকার তা বর্তমান বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোতে অনুপস্থিত। এ অবস্থায় আমরা যখন পুনর্জাগরণের মাধ্যমে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার কথা বলি তখন কিছু প্রশ্ন এসে যায়। যেমন – খিলাফত কী? খিলাফত প্রতিষ্ঠিত ছিল কিনা? খিলাফত কত বছর টিকে ছিল? ইত্যাদি। এ পর্যায়ে প্রথমে আমি খিলাফত কী এবং ৬২২ খৃস্টাব্দে রাসূল (সা) মদিনায় যে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা ঔপনিবেশবাদী শক্তি ইসলামী ভূমিগুলো দখল করার পূর্ব পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯২৪ সালের ৩রা মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত ছিল – খিলাফতের এই সুদীর্ঘ সময় আদৌ ইসলাম বাস্তবায়িত হয়েছিল কিনা, এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব ... Read more - [ইসলামের দৃষ্টিতে শেয়ার বাজার](https://returnofislam.com/2011/04/27/stock-market-in-the-eyes-of-islam/): বর্তমানে শেয়ার বাজার বা তথাকথিত পুজিবাজার এর অবস্থা নাজুক। গ্রামের জমিজমা বেঁচে বা বাবার সমগ্র জীবনের জমানো টাকা অথবা ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ঘাম ঝরানো টাকা পুজিবাজারে খাটিয়ে ধরা খেয়ে ৯০% মুসলিমের দেশে তরুনরা আজ দিশেহারা। ইসলাম পূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা হওয়ার পরও মুসলিমরা ইসলাম থেকে অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা না নিয়ে পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীদের দেয়া ঘুনে ধরা পুঁজিবাদি অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা (capitalism) নিয়েছে। শেয়ারকেলেংকারী নতুন কিছু না, ১৯৯৬ সালেও এ ধরণের ঘটনায় সরকার তদন্ত-কমিটি (!) গঠন করে অপরাধীদের চিহ্নিত করেছিলো কিন্তু শাস্তি দিতে পারে নি। আমরা জানি এবারও এই বস্তাপঁচা গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার মাধ্যমে রাঘব বোয়াল দুর্নীতিবাজরা ধরাছোয়ার বাইরে থাকবে এবং ৩০ লক্ষ্য পুঁজিহারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ... Read more - [রমজান ও ঐক্য](https://returnofislam.com/2011/03/16/ramadan-unity/): একইদিনে সিয়াম পালন শুরু করা এবং একইদিনে ঈদ উদযাপন করা বিশ্বের সমস্ত মুসলিমের জন্য আল্লাহর তরফ থেকে প্রদত্ত একটি দায়িত্ব এবং এটি তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকারও বিশেষ একটি দিক। রমযান ও ঈদের দিনকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্টভাবে শরঈ দলীলসমূহে চিহ্নিত করে দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন: فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ অতএব, যেই এই (রমযান) মাস প্রত্যক্ষ করবে, সে যেন এতে সিয়াম পালন করে। [বাকারা: ১৮৫] আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা) এর বরাত দিয়ে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) রমযানের ব্যাপারে বলেন: لَا تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ ... Read more - [Ideology (মতাদর্শ)](https://returnofislam.com/2011/03/13/ideology/): আরবি ভাষাগত দিক থেকে বিবেচনা করলে মতাদর্শ (মাবদা’) শব্দটি ‘সূচনাবিন্দু’ বা ‘মৌলিক নীতিমালা’র সমার্থক৷ সাধারণ মানুষ অবশ্য এই শব্দটিকে ব্যবহার করে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাকে বুঝাতে যার উপর ভিত্তি করে অন্যান্য চিন্তা প্রতিষ্ঠত হয়; সুতরাং একজন মানুষ বলতে পারে – আমার নীতি হচ্ছে সত্যবাদিতা, আরেকজন বলতে পারে আমার নীতি হচ্ছে বিশ্বস্ততা এবং এর মাধ্যমে সে বোঝাতে চায় যে বিশ্বস্ততার ভিত্তিতে সে লোকজনের সাথে লেনদেন করে ইত্যাদি৷ প্রকৃতপক্ষে লোকজন কিছু খন্ডিত বা আংশিক চিন্তা যেগুলোর উপর ভিত্তি করে অন্যকিছু চিন্তা গড়ে উঠতে পারে সেগুলোকে মৌলিক চিন্তা বলে থাকে কারণ এগুলো অন্যকিছু চিন্তার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে৷ তাই তারা বলে সত্যবাদিতা একটি মৌলিক ... Read more - [উসূল আল ফিকহ](https://returnofislam.com/2011/03/13/usul-al-fiqh/): শাব্দিকভাবে, ‘আসল’ হলো এমন কিছু যার উপর কিছু নির্মাণ করা যায়, সেই নির্মাণ বস্তুগত হতে পারে, উদাহরনসরূপ, একটি ভবন, অথবা সেই নির্মাণ চিন্তাগতও হতে পারে যেমন, শরয়ী ইল্লাহ (কারণ) এর উপরে মা’লুল (ফলাফল) এর নির্মান কিংবা শরয়ী কোনো দলীলের ভিত্তির উপর একটি সিদ্ধান্ত নির্মাণ বা প্রতিষ্ঠা করা। ‘আসল’ শব্দটির বহুবচন হল ‘উসূল’। আর উসূল আল ফিকহ হল সে সকল নীতিমালা (কাওয়াঈদ) যার উপর ফিকহ প্রতিষ্ঠিত। আর ফিকহ-এর শাব্দিক অর্থ হল, কোনো কিছু বোঝা (ফাহম)। ফিকহ অর্জনের পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন নীতিমালার সমষ্টিকে উসূল আল ফিকহ বলে। ইবন আল হাজিব এর সংজ্ঞায় বলেন, (উসূল আল ফিকহ হচ্ছে) সেইসব নীতিমালা যার মাধ্যমে মুজতাহিদ ... Read more - [A Notice](https://returnofislam.com/2011/03/12/a-notice/): We would like inform you with great pleasure that “Return of Islam” blog will be updated more frequently than before. We would be updating writings on various issues like international, political, economical etc. So, please visit us time to time.   - [The West's Scientific Obsession](https://returnofislam.com/2010/05/04/the-wests-scientific-obsession/): Science, since the industrial revolution era, has risen to such a stature that today it is the deen of many in the Western world. For many, questions such as creation, God and life can only be accurately studied, concluded and deduced through the scientific method of experimentation and deduction. Western thinkers today use science to explain many problems and issues and only accept conclusions when scientific studies have proved so. Whilst science has existed since the dawn of the world, its reverence as seen in the West is unprecedented. Whilst the West’s expansion of science initially began with the application of ... Read more - [Q&A: The Ousting of President Bakiyev in Kyrgyzstan](https://returnofislam.com/2010/05/04/qa-the-ousting-of-president-bakiyev-in-kyrgyzstan/): Question: Many things have quickly materialised in Kyrgyzstan. The Opposition moved to oust Bakiyev on 08/04/2010 and succeeded in doing so. They seized authority and Bakiyev fled to his hometown in the south of the country. Then today, the 16/04/2010, he forwarded his resignation and left for Kazakhstan.At the same time one of the first countries to recognize the revolution and ‘bless’ it was Russia such that the interim Prime Minister Roza Otunbayeva engaged in official (phone) talks between herself and the Russian Prime Minister Vladmir Putin on Thursday 08/04/2010, the very day the interim government took control. This means that ... Read more - [আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯](https://returnofislam.com/2009/08/23/ramadan-ar-talks/): আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ২ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৩ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৪ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৫ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৬ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৭ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৮ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ৯ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১০ আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ – আলোচনা ১১ - [আল কুরআন এর সংজ্ঞা](https://returnofislam.com/2009/06/03/al-quran-definition/): কুরআনের সংজ্ঞা নিম্নরূপ, এটি আল্লাহর কালাম যা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ (সা) এর উপর আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে। এটি একটি মু’জিযা এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সূরার ক্ষেত্রেও। এটি লিপিবদ্ধ আছে এবং আমাদের কাছে এটি মুতাওয়াতির বর্ণনায় এসে পৌছেছে। এর পঠন এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ইবাদত করি এবং সূরা ফাতেহা দিয়ে এর শুরু এবং সূরা নাস দিয়ে এর সমাপ্তি। উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। প্রথমত এটি আল্লাহ-র কালাম। এবং সেই কালাম যা হচ্ছে অলৌকিক (এ’জাজ)। কোরআনের এ’জাজ হচ্ছে এর অতি উচ্চমাত্রার বাগ্মীতা বা বাকশৈলিতা। এবং আল্লাহর অন্য কোনো কথা এ কোরআনের অংশ হবে না, উদাহরনসরূপ: হাদিসে কুদসী। দ্বিতীয়ত সম্পূর্ণ কোরআনই আরবী ভাষায় ... Read more - [মুসলিম উম্মাহর ঐক্য](https://returnofislam.com/2009/06/03/unity-of-muslim-ummah/): ঐক্যবদ্ধ থাকা মুসলিম উম্মাহ-র জন্য ফরয এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়া হারাম। আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, وَٱعْتَصِمُواْ بِحَبْلِ ٱللَّهِ جَمِيعاً وَلاَ تَفَرَّقُواْ তোমরা আল্লাহ-র রজ্জু শক্তভাবে আকড়ে ধর এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না। [সূরা আলে ইমরান ৩:১০২] আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালার আয়াত ও রাসূল (সা) এর বহু হাদীস থেকে একথা স্পষ্ট যে, বিশ্বের মুসলিমরা এক উম্মত। ভাষা, বর্ণ, অঞ্চল, জাতিয়তাবাদ ইত্যাদির ভিত্তিতে মুসলিমদের বিভক্ত করা আল্লাহ ও তার রাসূল (সা)-এর আদেশ এর সম্পূর্ণ পরিপন্থি। যেমন আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, وَكَذٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطاً لِّتَكُونُواْ شُهَدَآءَ عَلَى ٱلنَّاسِ وَيَكُونَ ٱلرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيداً “আর এভাবেই আমরা তোমাদেরকে একটি ন্যায়পরায়ণ উম্মত করেছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী ... Read more - [ইসলামী খিলাফত সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মডেল](https://returnofislam.com/2009/02/23/foreign-policy-of-the-islamic-caliphate-state/): প্রেক্ষিত: মার্কিন ও ভারতের সাথে টাস্কফোর্স, ট্রানজিট, টিফা ও যৌথ সামরিক মহড়া ইসলামী খিলাফত সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মডেল ১. সূচনা বিগত ৩৮ বছর ধরে বাংলাদেশের সকল সরকার ধারাবাহিকভাবে বিদেশী শক্তিগুলোর প্রতি নতজানু নীতি অবলম্বন করেছে। বিদেশীদের স্বার্থ অনুযায়ী কাজ করার ক্ষেত্রে তারা কখনও দ্বিধা করেনি। ক্ষমতায় আসীন হবার পর থেকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকেও আমরা একই পথ অনুসরণ করতে দেখছি। নব্য-ক্রুসেডার কাফের-মুশরেক রাষ্ট্রগুলোর পদসেবা করার জন্য ক্ষমতাসীন সরকার শুরু থেকেই বিভিন্ন প্রকার চুক্তি স্বাক্ষর করার এবং সন্ত্রাস দমনের নামে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে আসছে। সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর সাথে আজ পর্যন্ত সরকার যেসব চুক্তি করার বা নীতি বাস্তবায়নের তৎপরতা দেখাচ্ছে ... Read more - [রুটি রুজির সংগ্রাম, মরে চলি অবিরাম](https://returnofislam.com/2015/05/28/bread-is-sustenance/): গত ১১ই মে ২০১৫ তারিখে মালয়েশিয়া সমুদ্র উপকূলে চারটি নৌযান থেকে ১ হাজার ৪০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে এরা সবাই মিয়ানমার ও বাংলাদেশের নাগরিক। গত কয়েকদিন ধরেই থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের জঙ্গল থেকে এমন কয়েকশত রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উদ্ধার করা হয়। সম্প্রতি থাই নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাচারকারীরা অভিবাসীবাসীদের জঙ্গলে গোপন ঘাঁটিতে না এনে সাগরে রাখছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১২ই মে ২০১৫) একাধিক বার্তা সংস্থার খবর অনুযায়ী,  মালয়েশিয়ায় মালাক্কা প্রণালীতে ৭-৮ হাজার অভিবাসী ভাসমান অবস্থায় আটকে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট মিডিয়ায় অভিবাসীদের এই জীবন-মৃত্যুর খবর ব্যাপক হারে কভারেজ পাচ্ছে। বাংলাদেশের কক্সবাজার-টেকনাফের উপকূলীয় অঞ্চলে পুলিশের অভিযান, পাচারকারী ... Read more - [মুসলিম ভূমিসমূহে পঞ্চাশের অধিক অপ্রয়োজনীয় জাতিরাষ্ট্র ও তাদের দালাল শাসকদের কারণেই মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলিমগণ আজ সমুদ্রে ভেসে চলা ফেনার মত](https://returnofislam.com/2015/05/23/nationalism-is-obstacle-for-unity/): পত্রিকাগুলোতে মে মাসে মানবপাচার বিষয়ে যেসব খবর আসে: ১. থাইল্যান্ডের জঙ্গলে গলা-পচা ২৬টি লাশরে মধ্যে ১০টি বাংলাদশির, ১৬টি রোহিঙ্গাদের। ওই বন্দশিবিরে দুজন জীবিত থাকাতইে হয়েছে সমস্যা। তাঁরাই জানিয়েছেনে, লাশগুলোর অন্তত ১০টি বাংলাদশির।সেখানকার আরকেটি গণকবরে মেলে ৫০ জনের লাশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই জঙ্গল থেকেই ৩৭ জন বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। (প্রথম আলো, ৫মে, ২০১৫) ২.গত মাসে ভূমধ্যসাগরে ৯০০ জন যাত্রী নিয়ে শরণার্থীদের একটি জাহাজ ডুবে যায়। জীবিত উদ্ধার পায় মাত্র ২৮ জন, যাদের একজন বাংলাদেশি; বেশির ভাগই আরব ও আফ্রিকার যুদ্ধবধ্বিস্ত দেশের মানুষ। বাংলাদেশেও কি যুদ্ধ চলছে? তাহলে এ দেশের উদ্বাস্তু মানুষের লাশ কেন সীমান্তে, থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়ার জঙ্গলে, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে, গ্রিক ... Read more - [বিদেশী মিউচ্যুয়াল ফান্ড আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে...... আসলেই?](https://returnofislam.com/2015/05/23/mutual-fund/): “Foreign mutual funds……will be to bring in increasing foreign investments, which will then be available as a source of capital, investment in telecom, digitization, and the IT sector and in general (fields) as well.” — Oh really? উপরের কথাগুলো বলেছেন সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় [May 7, 2015 in Digital Investment Summit, Dhaka]। তিনি বিদেশী মিউচুয়াল ফান্ডকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি অপারেট করতে দেয়ার নীতি গ্রহন করতে যাচ্ছেন। তার এই নীতির সপক্ষে উপরের যুক্তি তুলে ধরেন। অর্থাৎ তিনি বলেন যে এই মুক্তনীতি আমাদের টেলিকম, ডিজিটাইজেশন, আইটি, এবং সাধারণ খাতে বিনিয়োগের পুঁজি যোগান দিবে। তাই কি? তবে বাস্তবতা একটু বিশ্লেষণ করা যাক। আমাদের মত ... Read more - [বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় মেয়রের পক্ষে নগর উন্নয়ন সম্ভব নয়](https://returnofislam.com/2015/05/13/development-impossible-for-mayor/): বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় মেয়রের পক্ষে নগর উন্নয়ন সম্ভব নয়। শুধুমাত্র খিলাফত ব্যবস্থায় ওয়ালি এবং আমিল (মেয়র) ব্যাবস্থা নগরে প্রকৃত ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম। আমরা জানি, বাংলাদেশে বর্তমানে মেয়র নির্বাচন ও নিয়োগ হয় স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর মাধ্যমে। যেহেতু, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ চিন্তার মানুষের তৈরি বৈষম্য মূলক ব্যবস্থা যেইখানে ধনী আরো ধনী হয় এবং গরিব আরো নিঃস্ব হয়ে পড়ে এবং জনগণের উপর অন্যায়ভাবে কর আরোপিত হয় সেহেতু কোনো এলাকা/পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করাও জনগণের মাঝে কিছু বৈষম্যের উপর ভিত্তি করে হয়। অর্থাৎ, যে পৌরসভার মানুষজন নিজ যোগ্যতায় তাদের এলাকার উন্নতি সাধন করেছেন এবং দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে ... Read more - [স্থলসীমান্ত বিল পাস: গণতান্ত্রিক রাজনীতির গরু মেরে জুতা দান](https://returnofislam.com/2015/05/11/landborder-bill/): গত বুধবার ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় স্থলসীমান্ত বিল পাস হয়। ‘৭৪ সালে হওয়া ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির একটি দফা ছিল এই স্থলসীমান্ত নির্ণয় এবং ২০১৫-তে এসে এর বাস্তব রূপ দেখা যায়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, ছিটমহলবাসীর পরিচয়, সমুদ্র জয়ের পরে শেখ হাসিনার ভূমি বিজয় শ্লোগানে জয়জয়কার চারদিক। দাবি করা হচ্ছে, এর ফলে বাংলাদেশ-ভারতের বহুদিনকার সীমান্ত বিরোধের অবসান ঘটবে। কাঁটাতারে ঘেরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত জেলখানার নাম বাংলাদেশ। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর নামে স্থলসীমান্ত বিল একটি মেকি নাটক ছাড়া আর কিছুই না। আমরা দেখি, সেই ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি একটি দাসত্বনামা ছাড়া আর কিছুই নয়। ফারাক্কা মরণবাঁধের দরূন পদ্মার একাংশ আজ মৃত। বছরের পর বছর ধরে, ভারতীয় আগ্রাসন ... Read more - [মু'তাজিলাদের উত্থান-পতন](https://returnofislam.com/2015/05/10/mutazilah/): অষ্টম শতকের মধ্যভাগে মুসলিমরা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নতুন এক উচ্চতায় উঠে আসে। বিভিন্ন অঞ্চল বিজয়ের সাথে সাথে সেইসব অঞ্চলের বিভিন্ন সাহিত্য ও দর্শনশাস্ত্রের সংস্পর্শে আসা এর পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ ছিল । মূলতঃ মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রীক,লাতিন,পারস্য ও ভারতীয় নানা শাস্ত্র আরবীতে অনূদিত হতে শুরু করে। নানা প্রায়োগিক বিজ্ঞানের সাথে গ্রীসের দার্শনিক সক্রেটিস, এরিস্টটল, প্লেটোদের দার্শনিক শাস্ত্রও আরবিতে অনূদিত হয়। এই গ্রীক দর্শনের প্রভাবে যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানকে কেন্দ্র করে মুসলিম ধর্মশাস্ত্রে নতুন ঘরানার এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হল। এদেরকেই আমরা মুতাজিলা হিসেবে চিনে থাকি। মুতাজিলাদের উৎপত্তি: মুতাজিলারা এত দ্রুত ও ব্যাপকহারে বিস্তার লাভ করে যে এদের আবির্ভাব ঠিক কোথা থেকে কিভাবে শুরু হয়েছিল ... Read more - [ভারচ্যুয়াল অর্থনীতির সারকথা](https://returnofislam.com/2015/05/07/reality-of-virtual-economics/): ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির আরকটি প্রবঞ্চনাপূর্ণ উপাখ্যান হচ্ছে ভারচ্যুয়াল অর্থনীতি। সম্পদ ও আয়ের সুষম বণ্টনের যে হটকারি প্রস্তাবনা ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা উপস্থাপন করে, ভারচ্যুয়াল অর্থনীতির পক্ষেও তারা সেই প্রস্তাবনাকেই বর্ধিত করে। তারা মনে করে ব্যবসায়ে লগ্নিকৃত পুঁজিকে (ইকুইটি এবং ঋণ) যদি লেনদেনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় তবে উদ্বৃত্ত পুঁজি যথাযথ খাতে প্রবাহিত হবে এবং জাতীয় আয়ের ন্যায্য বণ্টন নিশিচত হবে। দ্বিতীয় আরেকটি ধারনা হচ্ছে বাজারের সব ধরনের গতিপ্রকৃতি অনুমান-পটুতার ভিত্তিতে লাভ অর্জন করার অধিকার সবার আছে। সুতরাং পুঁজি লেনদেনের তারল্য এবং নানা বিশিষ্টের আর্থিকপত্র (Financial Instrument) সৃষ্টির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর যেকোনো অনুমানকে বাস্তবে রূপ দেবার বন্দোবস্ত থাকতে হবে যা বাজারকে পরিণত এবং পূর্ণবিকশিত (Market Completeness) ... Read more - [নাগরিক সমস্যার কারণ ও ইসলামিক সমাধান: প্রেক্ষিত আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন](https://returnofislam.com/2015/04/19/urbanaisation-problem-in-capitalism/): ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহানগরে প্রধান প্রধান নাগরিক সমস্যাসমূহ কি কি? সমস্যাসমূহের কারণ: বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থাই ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহানগরীতে নাগরিক সমস্যাসমূহের প্রধান কারণঃ ১. পুঁজিবাদের প্রকৃতিই হল সব নাগরিক সুবিধাকে শাসকশ্রেণীর নাগালের মধ্যে রাখা ও এগুলোকে কেন্দ্রীভূত করা। ঢাকা ও চট্রগ্রামে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভাল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, অফিস -আদালত, সচিবালয়, সশস্ত্রবাহিনীসমূহের সদর দপ্তর, প্রধান বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, কল কারখানা ইত্যাদি। একারণে গ্রাম থেকে নারী পুরুষ নির্বিশেষে শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, জীবিকা অন্বেষণ ও উন্নত জীবনের আশায় এসব নগরীতে চলে আসছে এবং বিধায় নগরীগুলো আরও বেশী জনাকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। এমকি ভিক্ষা করা, রিক্সা চালানো, গৃহকর্মীর কাজ, গার্মেন্টস ও ... Read more - [নববর্ষের ইতিবৃত্ত](https://returnofislam.com/2015/04/13/bangla-new-year/): আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপর বাংলাদেশে লাগবে সুরের ও রঙের মাতন। চারদিকে দেখা যাবে লাল, নীল, হলুদ রঙ। মাথার উপর উঠে নাচবে নানা রঙের পশু-পাখি। গ্লানি ও জ্বরা মুছে যাওয়ার কামনায় হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবি পরা তরুণ আর বাসন্তি রঙের শাড়ি পরা তরুণীদের পদচারনায় মুখরিত হবে জনপথ। বাতাস ভরে উঠবে ইলিশের গন্ধে। মেলায়, মাঠে ময়দানে চলবে পানতা পানের হিড়িক। বছর ঘুরে এলো বৈশাখ; এসো হে বৈশাখ এসো এসো। বৈশাখ এলেই বারবার উঠে আসে একটা শব্দ- ‘হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্য’। এই হাজার বছরের ঐতিহ্যকে স্বরন করিয়ে দিতে আজ অজপাড়াগায়েও বৈশাখী উৎসব পালন করা হয়; বৈশাখী মেলা বসে সর্বত্র। আগে পুরাতন ... Read more - [ইয়েমেন: খায়রা উম্মাহ’র রক্তক্ষরণ ও মুসলিম শাসকদের বিশ্বাসঘাতকতার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত](https://returnofislam.com/2015/04/11/bloodshed-ummah-yemen/): ১৯২৪ সালে খিলাফত ধ্বংসের পর থেকে মুসলিম বিশ্ব অভিভাবকহীন। তখন থেকে খাইরা উম্মাহ’র জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত কাফেরদের কাছ থেকে নিরাপদ নয়। ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, চেচনিয়া, বসনিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া এবং সর্বশেষ সংযোজন ইয়েমেন।  পুঁজিবাদ ও গনতন্ত্রের ধ্বজাধারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তির দিক থেকে এখন ক্ষয়িষ্ণু। সেকারণে সে এখন আগের মত পৃথিবীর সব জায়গায় নিজে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে না। কিন্তু এজেন্টদের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামরিক জোট গঠন করে স্বীয় স্বার্থরক্ষা করার হীন কৌশল প্রয়োগ করার সক্ষমতা তার রয়েছে। ইয়েমেনের সংকট মূলত: সে অঞ্চলে আমেরিকা ও ব্রিটেনের মধ্যকার প্রতিযোগিতার ফসল। দুঃখজনক হলেও সত্য মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম শাসকগণ আজকে আমেরিকা ও ব্রিটেনের স্বার্থ সুরক্ষার ... Read more - [আরব বসন্ত - স্বপ্ন থেকে অরাজকতা](https://returnofislam.com/2015/03/31/arab-spring-dream-to-chaos/): এখন থেকে দীর্ঘ চার বছর পূর্বে তিউনিশিয়ার এক বাজারে মুহাম্মদ বুয়াজিজী’র আত্মাহুতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের মোবারক, গাদ্দাফী, বেন আলী, বাশার আল আসাদ ও আব্দুল্লাহ সালেহদের মতো ফেরাউন সমতূল্য যে সমস্ত অত্যাচারী আর জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে স্বত:স্ফূর্ত আন্দোলন শুরু হয়েছিল, আরব বসন্ত খ্যাত যে আন্দোলনের মাধ্যমে আরবের নির্যাতিত জনগণ পরিবর্তনের আশার আলো দেখেছিল, আজ সে আন্দোলন সিরিয়া, মিশর, ইয়েমেন, তিউনিসিয়া কিংবা লিবিয়াতে সীমাহীন অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ আর বিশৃঙ্খলায় পর্যবসিত হয়েছে; আর সেইসাথে, প্রতিটি দেশেই আন্দোলন পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থা দাপটের সাথে টিকে আছে। যে আন্দোলনের খাতিরে মানুষ জালিম শাসকের রক্তচক্ষু, ঘাতকের বুলেট কিংবা সামরিক হস্তক্ষেপ এ সবকিছুকে উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছিল এবং সত্যিকার পরিবর্তনের আশায় দ্বিধাহীন ... Read more - [নুসরাহ-ই ইসলাম/খিলাফত প্রতিষ্ঠার শরী’আহ সম্মত পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2015/03/17/nussrah-the-only-way/): সমাজে প্রচলিত ভুল চিন্তা: নুসরাহ এর বিষয়টি জানার পর কিছু লোক যা বলতে পারে:  যুক্তিখন্ডন:  ১. নির্বাচন কোন ব্যবস্থা নয়, বরং নেতা নির্বাচনের একটি উপায় মাত্র। পৃথিবীর ইতিহাসে কোন ব্যবস্থাই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বা প্রতিস্থাপিত হয়নি। যেমন: মদীনাতে ইসলাম, ইউরোপে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, রাশিয়া বা চীনে সমাজতন্ত্র নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং মদীনাতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আউস ও খাজরাজ গোত্রের সামরিক সক্ষমতা সম্পন্ন নেতৃবৃন্দ কতৃক রাসূলুল্লাহ (সা) কে নুসরাহ প্রদানের মাধ্যমে, সাধারণ জনগন ও দার্শনিকদের সাথে শাসক ও যাজকসম্প্রদায়ের শত শত বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাধ্যমে ইউরোপে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অত্যাচারী জারদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়াতে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত ... Read more - [পুঁজিবাদি গণতান্ত্রিক আদর্শের উনুনে ঝলসানো এক দেশ আজ বাংলাদেশ](https://returnofislam.com/2015/02/09/burned-bangladesh-by-democracy/): বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা হরতালের কারণে গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এর আগে গত রোববারের (২রা ফেব্রুয়ারী) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও একই কারণে পেছানো হয়েছিল। পরীক্ষা পেছানোর কথা জানিয়ে গত রোববারই শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পরীক্ষার দিন হরতাল থাকলে তা পরিবর্তন করা হবে। হরতালের কারণে পরীক্ষা পেছানো নতুন কোনো ঘটনা নয়। আমরা ১৯৯৬ সালেও দেখেছি আওয়ামীলীগের ডাকা হরতালের কারণে ৩ মাস এস. এস. সি পরীক্ষা পেছানো হয়েছিল। সরকারের হরতাল পেছানোর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নয়, বরং ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার নিমিত্তে বিরোধী দলের প্রতি জনগণের আক্রোশ বৃদ্ধিই তার লক্ষ্য। সরকার যদি জনগণের নিরাপত্তার কথাই চিন্তা করতো তবে অফিস আদালত বন্ধ ... Read more - [সুবিধাভোগী রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ বাংলাদেশ এবং ভুক্তভোগী আমজনতা](https://returnofislam.com/2015/02/08/chained-bangladesh-by-democracy/): বাংলাদেশে এই মুহুর্তে একটি রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২০১৫ সালের প্রথম থেকেই দুইটি বিবাদমান পক্ষের ক্ষমতার চেয়ারে যাওয়ার দ্বন্দের মাঝখানে পরে অবরোধ – হরতালে, পেট্রোল বোমায়, সংঘর্ষে, পুলিশী নির্যাতনে অসংখ্য মানুষ আহত-নিহত হয়েছে, অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছে, সর্বোপরি পুরো দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পরেছে। এ যেন এক অঘোষিত যুদ্ধের মাঝে পরে গেছে বাংলাদেশ। চলমান বাস্তবতার দিকে কেউ এক পলক তাকালে যে কারো কাছেই একটি বিষয় প্রকট ভাবে চোখে পরবে, তা হলো, এই যে মারামারি –হানাহানি, সংঘর্ষ এতে কিন্ত দেশের ঐই সব রাজনীতিবিদ যারা ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য বা মসনদে বসার জন্য বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে উসকানি দিচ্ছে, কিংবা টক শো তে বিভিন্ন ... Read more - [প্রকাশ্যে ও গোপনে আল্লাহ্’কে ভয় করা](https://returnofislam.com/2015/02/01/fearing-allah/): অধ্যায় ৫: প্রকাশ্যে এবং গোপনে আল্লাহ্’কে ভয় করা আল্লাহ্’কে ভয় করা ফরয এবং যার দলিল হচ্ছে কুর’আন এবং সুন্নাহ্। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কু’রআনে বলেন: وَإِيَّايَ فَاتَّقُونِ “একমাত্র আমাকেই ভয় কর। ” [সূরা আল-বাক্বারা :৪১] وَإِيَّايَ فَارْهَبُونِ “আমি ছাড়া কাউকে ভয় করো না। ” [সূরা আল-বাক্বারা: ৪০] إِنَّمَا ذَلِكُمُ الشَّيْطَانُ يُخَوِّفُ أَوْلِيَاءَهُ فَلَا تَخَافُوهُمْ وَخَافُونِ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ “নিশ্চয়ই শয়তান শুধুমাত্র তার বন্ধুগণ হতে তোমাদেরকে ভয় প্রদর্শন করে; কিন্তু যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তবে তাদেরকে ভয় করো না এবং আমাকেই ভয় করো। ” [সূরা আলি ইমরান: ১৭৫] وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفْسَهُ “আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁর (শাস্তি) সমপর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। ... Read more - [ইসলামী ব্যাংকিং-এর প্রয়োজনীয়তা ও বিকল্প](https://returnofislam.com/2015/01/30/necessity-of-islami-banking/): একটি যুক্তি প্রায়ই উপস্থাপিত হয় যে ইসলামী ব্যাংক পুরোপুরি ইসলামী না হলেও মানুষের প্রয়োজন পূরণের জন্য এটি আবশ্যক। আরেকটি যুক্তি হল মানুষ যেমন ত্রুটিহীন নয় ইসলামী ব্যাংকও তেমন ত্রুটিহীন নয়, কিন্তু তারা ক্রমাগত চেষ্টা করছে ইসলামী শারিয়াহ যথাযথভাবে অনুসরণ করে ‘ব্যাংকিং’ সেবা দান করার। এবং এই ক্রমাগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যাংকিং-এর একটি যথার্থ ইসলামী বিকল্পধারা তৈরি হবে। তাই আমাদের কর্তব্য হচ্ছে ইসলামী ব্যাংককে সহযোগিতা করা। প্রথমেই দেখছি প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি। কোন বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা পরিমাপের জন্য একটি মানদণ্ড প্রয়োজন। আমি এখানে সেই মানদণ্ডকে নির্ধারণ করছি “কোন ‘আইনসিদ্ধ অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আবশ্যকীয় উপায়” হিসেবে। এখন দেখা যাক ইসলামী ব্যাংক মানুষের কোন কোন মানবিক সমস্যার সমাধান ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা - ধারা ১](https://returnofislam.com/2015/01/27/constitution-art-1/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি হিযবুত তাহরীর প্রণীত “খিলাফত রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা – এর প্রয়োজনীয় দলিলসমূহ, সাধারণ বিধিসমূহ” বইটি থেকে নেওয়া হয়েছে ধারা ১ ইসলামী আক্বীদাহ হলো রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। সুতরাং, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, কাঠামো, জবাবদিহিতা কিংবা রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত অন্য কোন বিষয়, যা কিনা ইসলামী আক্বীদাহ হতে উৎসারিত নয়, তা রাষ্ট্রে বিরাজ করতে পারবে না। একই সময়ে, ইসলামী আক্বীদাহ রাষ্ট্রের সংবিধান এবং আইন-কানুনের ভিত্তি হিসেবেও কাজ করবে; তাই, সংবিধান এবং আইন-কানুনের সাথে সম্পর্কিত এমন কোন বিষয়ও রাষ্ট্রে বিরাজ করতে পারবে না, যা কিনা ইসলামী আকীদাহ হতে উদ্ভূত নয়। দলিলসমূহের বিস্তারিত ব্যাখ্যা কোন একটি রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে কিছু নতুন চিন্তার আবির্ভাবের ফলে, যার উপর ... Read more - [ব্যাংকিং ও ইসলামী ব্যাংকিং](https://returnofislam.com/2015/01/25/banking-islamic/): যে কোন বিষয় সম্বন্ধে সম্যক ধারনা পাওয়া যায় যখন সেই বিষয়টি সামগ্রিক সামাজিক কাঠামোর অধীনে বিবেচনা করা হয়। ইসলামী ব্যাংকিং এর বিষয়টিও তেমনই। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যাঙ্কিং এর একটি বিশেষ ভূমিকা আছে। এই বিশেষ ভূমিকার কারনে ‘ব্যাঙ্কিং ব্যবসা’ অন্যান্য ‘ব্যবসা/বাণিজ্য’ থেকে পৃথক। তার আইনি কাঠামোও পৃথক। ব্যাঙ্কিং ব্যবসা ছাড়া অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের নামের সঙ্গে ‘ব্যাংক’ শব্দটি যুক্ত করতে পারেনা (ব্যাঙ্ক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১, ধারা-৮)। ব্যাঙ্ক-কোম্পানি বলতে বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনাকারী কোন কোম্পানিকে বুঝায় (ব্যাঙ্ক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১, ধারা-৭(ণ))। এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে সকল কোম্পানি পণ্য উৎপাদন বা বাণিজ্য পরিচালনা করে এবং শুধুমাত্র এই উৎপাদন বা বানিজ্যের অর্থ সংস্থানের জন্য জনগণের ... Read more - [এটা কি রাষ্ট্র নাকি মৃত্যুপুরী?](https://returnofislam.com/2015/01/24/state-or-city-of-death/): – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মহসিন খান বলেছেন ‘স্যুট এ্যাট সাইট’ অর্থাৎ দেখা মাত্র গুলি। – এর আগে বিজিবি প্রধানের একই বক্তব্য ছিল – মন্ত্রীসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ‘নাশকতাকারীদের’ ধরতে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। – বিরোধী দলকে নিঃশেষ করতে নির্দেশ চান সাংসদ শামীম উসমান – রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন সরকার সাংবিধানিক শাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। – এ ছাড়া প্রতিদিন মন্ত্রী সাংসদরা এক প্রকার মুখস্ত বলে বেড়াচ্ছেন ‘সর্বোচ্চ কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে’ – রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যক্তিবর্গের হুমকি ধমকি ও তা কার্যকরে সরকারের নীতি নির্ধারণী কমিটির সভায় তার অনুমোদন। একদিকে আওয়ামি সরকার দেশের জনগণের সম্পদ ব্যবহার করছে ... Read more - [জ্বলছে; জ্বলুক বাংলাদেশ !](https://returnofislam.com/2015/01/23/burning-bangladesh/): “দেশপ্রেমিক” বিপ্লবী “বাঙালি” জনতা আজ নির্বাক দর্শকে পরিণত হয়েছে। দুই নেত্রীর অন্তর্দাহে যখন জ্বলে যাচ্ছে বাংলাদেশ তখন কোথায় গেল আমাদের দেশপ্রেম, কোথায় গেল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। মূলত এগুলো কিছু ফাকা বুলি ছাড়া আর কিছুই না। আজ প্রতিবাদী মানুষকে জনগণের অর্থে প্রতিপালিত পুলিশ-বিজিবি দ্বারা পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে, এবং প্রতিবাদের নামে মানুষকে আগুন এ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, জনগণের সম্পদ জ্বালানো হচ্ছে, ভাংচুর করা হচ্ছে। আজ জনগণের জান নিয়ে পুতুল খেলায় মগ্ন দুই নেত্রী। বিষয়টা যেন এমন পুতুল নাচের সুতো যেন তাদের হাতে, তারাও নাচায় আমরাও নাচি। কখনো সরকার তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রধারী বাহিনী দিয়ে মানুষ মারছে অন্যদিকে বিএনপি তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে।   আজ আমরা কি সে দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন আমরা স্বয়ং নিজে অথবা আমাদের ... Read more - [গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মৃত্যু, কুফরি মৃত্যু](https://returnofislam.com/2015/01/23/democracy-kufri/): গত ৬ই জানুয়ারী থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র রক্ষার নামে বিরোধী পক্ষের অবরোধ কর্মসূচীর জ্বালাও পোড়াও এবং সরকার পক্ষের দমন নিপীড়ন ও গণগ্রেফতারে আতঙ্কিত বাংলাদেশের জনমনে একটি প্রশ্ন উঠেছে যে এই গণতন্ত্র টা কি জিনিস? কিভাবে এটা রক্ষা হয়? এটা রক্ষার সাথে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সম্পর্কই বা কী? এবং এটা রক্ষার নামে যত নিরীহ মানুষ প্রান হারাচ্ছে এবং বিনা অপরাধে কারাবরণ করছে এর দায়ভার কার? এবং এর থেকে মুক্তির কার্যকর উপায় কী? প্রথম কথা, আমরা প্রথম এই ধরণের রাজনৈতিক সংকট দেখছি না এর আগেও আমরা এই দেশে দুই পক্ষের ক্ষমতার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বলি দেখেছি, বহুবার দেখেছি। এবং যখনি এ ধরণের ... Read more - [খবর বিশ্লেষণ: অবরুদ্ধ দেশ, উত্তরণের উপায়](https://returnofislam.com/2015/01/22/free-from-democracy/): রাজনৈতিক দাবি আদায়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরতাল–অবরোধ এখন আতংক ও দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। হরতাল-অবোরধের নামে একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটছে। দিন দিন এ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বেড়েই চলছে । অবরোধ কর্মসুচি পালনের নামে গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, নির্বিচারে বাস-ট্রাকে ভাঙচুর-আগুন, রেললাইন উপড়ে ফেলে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী –“অবোরধের বিভীষিকায় মধ্যরাতে পুড়ল ৫ প্রাণ”, “সহিংস রাজনীতির শিকার ফেনীর এস.এস.সি পরীক্ষার্থী অনিক ও শাহরিয়ার”, “বাসে–ট্রাকে বোমা দুই যুবক নিহত, অবরোধে অর্ধশতক গাড়িতে আগুন”,‍ “পুলিশের বাসে পেট্রলবোমা, দগ্ধ ৫ পুলিশ” এই হল অবরোধের আংশিক চিত্র । বিরোধী দলের কথা অনুযায়ী, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ... Read more - [খবর বিশ্লেষণ: যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ](https://returnofislam.com/2015/01/22/petrol-bomb-fire/): খবর: রাজধানীর সংসদ ভবনের পূর্ব পাশে খেজুর বাগান রোডে যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ। এতে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন দুজন ছাত্রী এবং আহত হয়েছে অপর একজন ছাত্রী। এছাড়া এর পূর্বেও শুধুমাত্র এই কয়েকদিনের অবরোধ/হরতালে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানেই বাসে/গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আহত প্রায় অর্ধ শতাধিক, নিহত ৫ (এটি লেখা পর্যন্ত) ২০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই অবরোধ/হরতালের নামে হাসিনা/খালেদার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেখে আসছে। এইসকল যালিমেরা ধারাবাহিকভাবেই শোষণের জন্য ক্ষমতায় আসে, আর এরপর নিজেদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জনগণের ক্ষতি করে চলেছে। তাদের লালিত গুন্ডাদের দ্বারা জনগণের জান-মাল ধ্বংসে লিপ্ত। মায়ের কোলের শিশু থেকে বয়স্ক ব্যক্তি পর্যন্ত কেউই আজ স্বস্তিতে নেই। আবার, ... Read more - [আর বান্দাদের মধ্যে আলেমগণই আল্লাহকে বেশি ভয় করে..](https://returnofislam.com/2015/01/05/people-who-fear-allah-most/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ“নিশ্চয়ই তাঁর বান্দাদের আলেমগণই আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে ভয় করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিশালি ও ক্ষমাশীল“। [আল-ফাতির: ২৮] এ আয়াতের ব্যাপারে ইবন কাছীর বলেন, (كلما كانت المعرفة به أتمّ والعلم به أكمل، كانت الخشية له أعظم وأكثر) “আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতার ব্যাপারে জ্ঞান যত বেশি পূর্ণ হবে তত বেশি তাকে বেশি ভয় করবে তারা যারা এই পুর্নাঙ্গ জ্ঞান ধারণ করে”। ইমাম কুরতুবি বলেন, (فَمَنْ عَلِمَ أَنَّهُ عَزَّ وَجَلَّ قَدِيرٌ أَيْقَنَ بِمُعَاقَبَتِهِ عَلَى الْمَعْصِيَةِ) “আলেম তারাই যারা আল্লাহর ক্ষমতার ব্যাপার জ্ঞান রাখেন। তারা আল্লাহর শাস্তির ব্যাপারে কোনো সন্দেহের মধ্যে নেই ... Read more - [যৌথ সামরিক মহড়া ও সেমিনার হল সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার হাতিয়ার যার মাধ্যমে সে তার ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়](https://returnofislam.com/2014/12/24/joint-exercise-objective/): খবর: গত ১৪/০৯/১৪ তারিখে রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ মিলিটারি এবং যুক্তরাষ্ট্র আর্মির প্যাসিফিক কমান্ড যৌথভাবে ৩৮তম প্যাসিফি আর্মি ম্যানেজমেন্ট সেমিনার (PAMS) এ আয়োজন করে। ৩২টি দেশের বিভিন্ন সমকালীন বিষয়ে মতবিনিময় এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে “আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ” মোকাবেলায় দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান কুখ্যাত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সকল দেশকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি’র প্যাসিফিক কমান্ডার জেনারেল ভিনসেন্ট ব্রুকস, যাতে সকল দেশ একমত হয়েছে। মন্তব্য:দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর থাকার ফলে অবস্থানগত কারণেই বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে ধরা হয়। আন্দামান নিকোবার দ্বীপপুঞ্জে যদিওবা মার্কিনীদের বৃহৎ নৌবহরের উপস্থিতি রয়েছেম তারপরও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নিজেদের ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে আরও সুসংহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের ... Read more - [আল্লাহ্‌'র ভয়ে এবং স্মরণে ক্রন্দন করা](https://returnofislam.com/2014/12/10/fear-of-allah/): অধ্যায় ৬ সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌’র ভয়ে ক্রন্দন করা মানদুব (Recommended) এবং এর দলীল হচ্ছে কুর’আন এবং সুন্নাহ্‌: কুর’আন-এর দলীলের ক্ষেত্রে: أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ، وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ “তোমরা কি এই বিষয়ে আশ্চর্যবোধ করছো? এবং হাসছো-ক্রন্দন করছো না?” [সূরা আন-নাজম: ৫৯-৬০] وَيَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُونَ وَيَزِيدُهُمْ خُشُوعًا “তারা ক্রন্দন করতে করতে নতমস্তকে ভুমিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়ভাব আরো বৃদ্ধি পায়।” [সূরা আল-ইস্‌রা:১০৯] إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِمْ آَيَاتُ الرَّحْمَنِ خَرُّوا سُجَّدًا وَبُكِيًّا “তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহ্‌’র আয়াতসমূহ পাঠ করা হতো, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়তো এবং ক্রন্দন করতো।” [সূরা মারইয়াম:৫৮] সুন্নাহ্‌’র দলীলের ক্ষেত্রে: ইবনে মাস’উদ বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (সা) আমাকে বলেন: اقْرَأْ عَلَيَّ ... Read more - [কর্মের মানদন্ড](https://returnofislam.com/2014/11/17/standard-of-actions/): অনেকেই উদ্দেশ্যহীনভাবে জীবনে অগ্রসর হতে থাকে। তাই তারা পরিমাপ করার কোনো মানদন্ড ছাড়াই তাদের কার্যাবলী সম্পাদন করে। ফলে, তাদের খারাপ কাজকে ভালো মনে করে তা করতে দেখবেন। তারা ভালো কাজকে খারাপ মনে করে তা হতে বিরত থাকে। বৈরুত, দামেস্ক কিংবা বাগদাদের মতো বৃহৎ ইসলামী শহরগুলোতে একজন মুসলিম নারী তার পা উন্মুক্ত করে, তার সৌন্দর্য ও আকর্ষনীয়তা দেখিয়ে মনে করে যে সে একটি ভালো কাজ করছে। একইভাবে, মসজিদমুখী নেক ব্যাক্তি শাসকের দুর্নীতির ব্যাপারে কথা বলা থেকে বিরত থাকে, কারণ তা রাজনীতি আর রাজনৈতিক কথা বলাই খারাপ। এধরনের নারী ও পুরুষ পাপে নিপতিত। কারণ তারা তাদের কার্যাবলী পরিমাপ করার জন্য কোনো মাপকাঠি গ্রহণ ... Read more - [চালের বাজারে অস্থিরতা: পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থা এর জন্য দায়ী](https://returnofislam.com/2014/11/13/capitalism-market/): সম্প্রতি চালে বাজার আবার অস্থির হয়ে ওঠেছে। পাইকারী থেকে শুরু করে খুচরা বাজারে এর প্রভাব চোখে পড়ার মতো। খুচরা বাজারে প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় শ্রীলংকাতে টন প্রতি ৪৫০ ডলার দরে ৫০ হাজার টন চাল রপ্তানি ঘোষণা করেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি তার চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার উদ্ধোধনের ভাষনে এ রপ্তানির বিষয়টি গর্ব করে উল্লেখও করেছেন। উল্লেখ্য ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জুলাই- সেপ্টেম্বরে তুলনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে একই সময়ে চালের আমদানিও বেড়েছে। ৪৫০ ডলার দরে রপ্তানিযোগ্য চালের উৎপাদন খরচ পড়বে ৪৩৬ ডলার এবং লাভ হবে ১৪ ডলার। অর্থাৎ প্রতিকেজি চালের মূল্য হবে ৩৩টাকা। এই সরকারের তথাকথিত মধ্যম আয়ের দেশে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: নবীদের ইজতিহাদ প্রসঙ্গে – শাইখ আতা আবু রাশতা](https://returnofislam.com/2014/11/13/qa-ijtihad-of-the-prophets/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব  প্রশ্ন: সকল নবীই কি তাদের ইজতিহাদে সঠিক নাকি শুধু মুস্তফা (সা)? প্রশ্নটি উত্থাপিত হয় নিম্নোক্ত প্রসঙ্গে – ইবন কাছীর সূরা আম্বিয়া ৭৮ নং আয়াত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ ও আবদুল্লাহ বিন আব্বাস কে উদ্ধৃত করে বলেন যে তারা বলেছেন, নবী দাউদ (আ) মেষপালক ও গৃহস্থের মালিক যার ক্ষেত মাড়িয়েছিল মেষপালকের ভেড়াটি তাদের মধ্যে ফয়সালা দিয়েছিলেন যাতে ভেড়াটি গৃহস্থকে দিয়ে দেয়া হয়। পরে তার ছেলে সুলায়মান তাকে বলেন, এটি পরিবর্তন করুন, হে আল্লাহর নবী! অতঃপর তিনি রায়টি ব্যাখ্যা ... Read more - [ব্যর্থ ধর্মনিরপেক্ষ গনতান্ত্রিক কুফরী শাসনব্যবস্থা/সংবিধানই দেশের আজকের অস্থিতিশীলতা, অচলাবস্থা ও সংঘাতের প্রধান কারণ](https://returnofislam.com/2014/11/13/failed-democratic-system/): জনগণের মধ্যে থাকা কিছু অগভীর (ভুল) ধারণা: হাসিনা-খালেদা মহিলা হওয়ায় দেশে সংঘাত ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সুতরাং পুরুষ শাসন এ সংঘাত ও চলাবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে। সত্যিকারের গনতন্ত্র চর্চা না হওয়ায় এ সংঘাত। সুতরাং সমাধান হল আরও গনতান্ত্রিক হওয়া। মন্দের ভাল হিসেবে বিকল্প না থাকায় এক দলকে ছেড়ে অপর দলকে বেছে নেয়া উচিত। গনতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যতিত বৈধ ও গ্রহণযোগ্য পন্থায় ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ বাঁচাও-মানুষ বাঁচাও, নতুন ধারার রাজনীতি… ইত্যাদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার, সর্বদলীয় অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার, দু নেত্রীর মধ্যকার সংলাপ ইত্যাদি বর্তমান সংকটের সম্ভাব্য সমাধান। সংকটের কারণ: ওবামা, বুশ ও মনমোহন সিং এর ... Read more - [খিলাফত ও ভারতীয় উপমহাদেশ](https://returnofislam.com/2014/11/12/khilafah-in-indian-subcontinent/): খিলাফত রাষ্ট্র ধ্বংসের পর আরও একটি বার্ষিকী অতিক্রম করছে মুসলিম উম্মাহ। এই মুহুর্তে অতিব জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে ইতিহাস ফিরে দেখা এবং এই পতন ও ধ্বংসের প্রতি মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল তা খতিয়ে দেখা। ধারণা করা হয়, খিলাফত ধ্বংসের প্রতি মুসলিমদের ও তৎকালীন আলেম-ওলামাদের কোন প্রতিক্রিয়াই ছিল না এবং তারা এর গুরুত্ব বুঝতে পারেন নি। কিন্তু এটি সত্য না; ইতিহাস সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট যে, মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল, কিভাবে তাঁরা এটি রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন এবং আল্লাহর ছায়াকে দুনিয়া থেকে নির্মূল হতে দেখে কীরূপ কষ্ট সহ্য করেছিলেন। এই ভারত উপমহাদেশের মুসলিম ও তাদের গড়ে তোলা খিলাফত আন্দোলন তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ। মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া জানার ... Read more - [ব্যক্তিপর্যায় ও প্রকাশ্য গণসংযোগ](https://returnofislam.com/2014/11/02/individual-and-public-interaction/): ব্যক্তিপর্যায় এবং প্রকাশ্য গণসংযোগের গুরুত্বের বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) কর্তৃক অনুসৃত পদ্ধতি থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই এই দুই পর্যায়ের গণসংযোগকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক পুরষ্কৃত মহান ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁর পবিত্র গ্রন্থে নুহ (আ)-এর ঘটনা উল্লেখ করেন: যেখানে আমরা দেখি, তিনি (আ) তার জাতি হতে প্রাপ্ত সাড়ার ব্যাপারে তার রবের কাছে নালিশ জানান, এবং ৯৫০ বছরের এই দীর্ঘ সময়জুড়ে তিনি (আ) কী পরিমাণ ধৈর্য্যসহকারে তার জাতির কাছে দাওয়াহ্‌ পৌঁছে দেন। জাতির কাছে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যাসহ, সুস্পষ্টরূপে বক্তব্য উপস্থাপন এবং সরল-সঠিকপথের দিকে আহ্বানের পরই কেবল তিনি (আ) আল্লাহ্‌’র নিকট অভিযোগ জানান। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরও উল্লেখ ... Read more - [মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনের মূল কারণ চিন্তার অধঃপতন](https://returnofislam.com/2014/08/23/ummah-declined-by-thought/): মুসলিম উম্মাহ্ বর্তমানে যে পশ্চাদপদতা ও লাঞ্ছনার গহ্বরে পতিত তা থেকে উম্মাহ্কে উদ্ধার করা এবং উম্মাহকে কুফরী চিন্তা, কুফরী ব্যবস্থা, কুফরী বিধি-বিধান, কুফর দেশসমূহের আধিপত্য ও প্রভাব-প্রতিপত্তি থেকে মুক্ত করা কেবল মাত্র তখনই সম্ভব হবে যখন উম্মাহর চিন্তার বর্তমান অধঃপতনকে পরিবর্তন করে উন্নত চিন্তার বিকাশ ঘটানো যাবে। আর এটা করার উপায় হচ্ছে যে চিন্তাগুলো মুসলিম উম্মাহ্কে অপদস্থতার এই চরম অবস্থা পর্যন্ত এনে পৌঁছিয়েছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে ইসলামী চিন্তা দ্বারা সেগুলোর পরিবর্তন ঘটানো। বস্তুতঃ উম্মাহর বর্তমান অবস্থার কারণ হচ্ছে ইসলামকে বুঝে তার বিধি-বিধানকে মান্য করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অবহেলা এবং দুর্বলতা, যা অনেক আগে থেকে শুরু হয়ে আজও চলছে। এই চিন্তাগত অধঃপতনের দরুন উম্মাহ্‘র ... Read more - [জনমতের গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2014/08/01/importance-of-public-opinion/): প্রকাশ্য সামাজিক পর্যায়ে জনগণ যে বিষয়টাকে সম্মান বা অসম্মান করে তার ভিত্তিতেইএকটা জাতি পরিচালিত হয়। ব্যক্তিগত মতামতের ভূমিকা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গৌণ। মানুষের সংগঠিত মতামত বা কাজ যা সামাজিক সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে করা হয় কেবল তার দ্বারাই জনমত প্রভাবিত হয়। আলাদা আলাদা ভাবে ব্যক্তিরা কী মনে করে বা বিশ্বাস করে তার দ্বারা সমাজ পরিচালিত হয় না। সমাজের সম্মিলিত নীতিবোধই সবসময় জনমত তৈরী করে ও ব্যক্তির মতামতকে প্রভাবিত করে। এর একটা উদাহরণ হচ্ছে কুরাইশদের দ্বারা বয়কট চুক্তির বিলোপ সাধন। আবু জেহেল ও কুরাইশ নেতারা একে পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয় বললেও জনমতের চাপের কারণে কুরাইশরা এই বয়কটের সমাপ্তি টানতে বাধ্য হয়েছিল। সমাজ পরিবর্তন করতে হলে সমাজের প্রত্যেককেই পরিবর্তন করতে হবে এমন কোনও আবশ্যকতা ... Read more - ["ইসরাইল রাষ্ট্র"-এর বৈধতার ভিত্তি কী?](https://returnofislam.com/2014/07/27/illegitimate-israel/): গাজা শহরের ওপর চলমান বর্বর ইসরাইলি আগ্রাসন দীর্ঘদিনের বিতর্ককে বিশ্বব্যাপী নতুন করে উজ্জীবিত করেছে। “মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট” নিরসনের জন্য পশ্চিমা থেকে Two-State Solution [দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলকে মেনে নেয়া]-এর কথা বলা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের জনমত মূলত রাষ্ট্র হিসেবে “ইসরাইল”-এর অস্তিত্বেরই বিপক্ষে। খোদ ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনেই এসেছে – Two-State Solution এখন মৃত: http://tinyurl.com/nvxq3g7 মধ্যপ্রাচ্যে এই আগ্রাসী সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের উপস্থিতি শুধু মুসলিমরাই মানছেন না, তা নয়। মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টান, এমনকি ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি অংশও ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মেনে নিতে অনিচ্ছুক। ১৯৪৮ সালে জাতিসঙ্ঘের মাধ্যমে এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার আগ থেকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইহুদিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি নিয়ে বহু বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য ... Read more - [গ্যাস উত্তোলনে কনকো ফিলিপস, জাতীয় সম্পদের অবাধ লুণ্ঠন](https://returnofislam.com/2014/07/06/looting-ummahs-wealth/): বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরত্বে, বঙ্গোপসাগর অবস্থিত দুটি ব্লক ডিএস ০৮-১০ এবং ডিএস ০৮-১১ এখন যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কনকোফিলিপস এর আওতাধীন। ৩০০০-৩৫০০ ফুট গভীরতা সম্পন্ন ব্লক দুটি গভীর সমুদ্রে ৫১৫৮ বর্গ কিঃমিঃ(১২,৭০,০০০ একর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান “শেভরন কর্পোরেশন” ২০০৭ সালে ‘কনকো ফিলিপস’ প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয়। তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কনকোফিলিপসকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাস উৎপাদনের দায়িত্ব দেয় “শেভরন কর্পোরেশন”। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় হাইড্রোকার্বন জরিপ চালিয়ে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার   আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বরপত্র আহবান করে। বঙ্গোপসাগরের ৮টি ব্লকের জন্য কনকোফিলিপস প্রতিষ্ঠানটি ... Read more - ['দারুল ইসলাম' তথা খিলাফত রাষ্ট্রের শর’ঈ সংজ্ঞা](https://returnofislam.com/2014/07/05/darul-islam-khilafah/): “দারুল ইসলাম” হল হুকুম শর’ঈ এর এমন একটি আবশ্যিক শর্ত যেটাকে সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রে কখনই মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তা অথবা আবেগ প্রাধান্য পেতে পারে না। এই খিলাফাহ রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে উম্মাহর সাথে রাষ্ট্রের প্রধানের (খলীফার) “চুক্তির” ওপর ভিত্তি করে এই শর্তে যে খলীফা হুকুম শরী’আকে ১০০ ভাগ বাস্তবায়ন করবে। ইসলামী আইনের ইতিহাসে এই “দারুল ইসলাম” কে ফুকাহারা (ফিকহ শাস্ত্রের আলেম) খিলাফাহ বা ইমামাহ বা সুলতানিয়্যাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং কুরআন ও সুন্নাহর নুসুস (দলীল) থেকে এই রাষ্ট্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছেন। শাখা প্রশাখা নিয়ে কিছু ইখতিলাফ থাকলেও রাষ্ট্রের মুল সংজ্ঞা এবং শর্ত নিয়ে তেমন মতবিরোধ কখনই ছিল না। আরবি ভাষায় “দার” এর বেশ ... Read more - [রমজান ও বিশ্বকাপ](https://returnofislam.com/2014/07/01/ramadan-and-worldcup/): এসেছে মুসলিমদের ইবাদতের জন্য হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম মাস রমজান। এ মহিমান্বিত মাসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা পবিত্র কুরআনকে মানব জাতির মুক্তির জন্য একমাত্র বিধান হিসেবে পৃথিবীর বুকে নাযিল করেছিলেন। অপরদিকে এসেছে ক্রীড়া জগতের সর্ববৃহৎ আসর বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৪, যা বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমীদের বহু প্রতিক্ষিত বিনোদনের একটি আসর। এই ২০ তম বিশ্বকাপ আসরে শুধুমাত্র প্রাইজমানি প্রাদানে ব্যয় হবে ৫৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর স্বাগতিক দেশ ব্রাজিল এই আসরের আয়োজনে আনুমানিক খরচ নির্ধারন করেছে ১৪ বিলয়ন মার্কিন ডলার যার, সম্পূর্ণটা শুধু মাত্র ক্রীড়া বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যয় হবে। বছরের প্রতিটি মাসের মতো এ মাসেও আমাদের এই সমাজ শুধুমাত্র আমোদ-ফুর্তি করে এক মহা ব্যস্ত সময় ... Read more - [উসুলি কা'ইদাহ "সকল বস্তুর 'আসল' হল ইবাহা" প্রয়োগ করে কি করে গণতন্ত্রকে জায়েয এবং খিলাফতকে ধ্বংস করা হয়েছিল](https://returnofislam.com/2014/06/20/usooli-qaidah-ibaha/): ইবাহা যারাই বলে থাকেন ইসলামে ইবাদতের ‘তউকিফি’ (অর্থাৎ ওয়াহি দ্বারা সুনির্দিষ্ট) ইস্যুগুলো ছাড়া বাকি সব *একশন (কাজ)* বাই ডিফল্ট মুবাহ বা হালাল, তারা ইসলামী আইনবিজ্ঞানের (উসুল আল ফিকহ) বিষয়ে সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে খুব ভয়ংকরভাবেই উম্মাহকে ভুল পথে চালিত করছেন। পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় আমাদের অনেকের মনে এটা গেঁথে গেছে (কিছু ভ্রান্ত প্রচারনার দ্বারা) কোন বিষয় যদি ইসলামের সাথে কনফ্লিক্ট না করে এবং ঐ ব্যাপারে কোন শরিয়ার নুসুস (দলীল) যদি না থাকে, তাহলেই তা মুবাহ বা হালাল। এই ভয়ংকর চিন্তার কারনেই মুসলিম উম্মাহকে “ইসলামিক গণতন্ত্র”, “ইসলামিক সমাজতন্ত্র”, “সোশ্যাল জাস্টিস” ইত্যাদি কুফরি চিন্তা গলধঃকরণ করানো হয়েছিল। খিলাফত ধ্বংসের বিস্তারিত ইতিহাস নিয়ে ... Read more - [মার্কিনীদের উদার গণতন্ত্র মেকি এবং বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র একটি একক কর্তৃত্বসম্পন্ন রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2014/06/03/usa-fake-democracy/): “এটা চিন্তার বাইরে এবং দুঃখের বিষয় যে, সরকার ও জনগণের মধ্যে পরস্পরবিরোধী সম্পর্ক বিদ্যমান; যেখানে অনাস্থা ও ভয় বিরাজমান এবং সরকারী নীতি ও কর্মপদ্ধতি জাতির সাংবিধানিক ভিত্তিকে ভেঙে দিচ্ছে। এবং এই একক কর্তৃত্বের ক্রমবর্ধমান কালো অধ্যায় যদি বর্জন করা না হয়, আমেরিকা বসবাসের জন্য জীবন্ত নরকে পরিণত হবে” – মাইকেল পেইন ইদানিংকালে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ও বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরবৃত্তির নতুন নতুন তথ্য বিশ্বব্যাপী শীর্ষ খবরে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) নিজ দেশের লাখ লাখ নাগরিকের ওপর মেটা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তি করছে এবং গুগলের মতো প্রধান প্রধান মার্কিন কোম্পানীগুলোর ওপর নজরদারি করছে। এনএসএ’র এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধাচরণ করে গুগলের সিইও এরিক ... Read more - [একমাত্র ইসলামই পারে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন ও শোষণের পরিসমাপ্তি ঘটাতে](https://returnofislam.com/2014/06/02/only-islam-can-eradicate-oppression-on-women-in-capitalism/): এটা সবার কাছে পরিষ্কার যে বর্তমানে মুসলিম নারীরা ইসলামের প্রতি আক্রমণের ফল ভোগ করছে। পশ্চিমা পুঁজিবাদীরা ইসলামে নারী সংক্রান্ত নীতির প্রতি নগ্ন আক্রমণ ও হেয় প্রতিপন্ন করার কোন চেষ্টাই বাদ রাখেনি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, নির্যাতিত মুসলিম নারীদের স্বাধীনতার নামে তাদের পোষাক-পরিচ্ছদে বাধা দেয়া হচ্ছে। জনসমক্ষে অর্ধ-নগ্ন থাকতে পারাই হচ্ছে পশ্চিমাদের নির্ধারিত নারী মুক্তির সংজ্ঞা। তাই পশ্চিমা দেশগুলোতে দেখা যায় নারী স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের আহবান বলতে আসলে কী বোঝায়, এ আহ্বান নারীদের শোষণ করার আহ্বান ব্যতীত আর কিছু নয়। সকলের কাছেই স্পষ্ট নগ্নতা বিষয়টি শুধুই নারীকেন্দ্রিক আর শুধু নারীরাই এই আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে। এই আহ্বান নারীকে যৌন লালসার বস্তুর পর্যায়ে নামিয়ে আনে ... Read more - [গুজরাটের কান্না](https://returnofislam.com/2014/05/17/a-cry-from-gujurat/): This is an old Speech given by brother Muinuddin in UK in 2002 regarding the Gujurat massacre happened in India that year.. https://archive.org/details/ACryFromGujurat150902 - [খিলাফত প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভুমিকা কী?](https://returnofislam.com/2014/05/16/what-is-the-role-of-young-people-in-establishing-the-khilafah/): ১৯২৪ সালে বৃটিশ পররাষ্ট্র সচিব লর্ড কার্জন অনেক দম্ভসহকারে বলেছিলেন “বাস্তবতা এমন যে তুরস্ক আজ মৃত, আর কখন শক্ত হয়ে দাড়াতে পারবে না। কারণ আমরা তাঁর নৈতিক শক্তিকে ভেঙ্গে দিয়েছি আর তা হলো খিলাফত ও ইসলাম। (The situation now is that Turkey is dead and will never rise again, because we have destroyed its moral strength, the Caliphate and Islam) খিলাফত, মুসলিম উম্মাহর সোনালী অতীত। খিলাফত মুসলিম উম্মাহ এর গৌরব,তার ঐতিহ্যের নাম। ১৯২৪ সালে মুস্তফা কামাল পাশা দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায় খিলাফত। এখন প্রায় ৯০ বছর পর ২০১৪ সালে এসে বিশ্বের সব যায়গায় দাবি উঠেছে খিলাফত এর। এখন মুসলিম উম্মাহ এর ... Read more - [ছোট রাষ্ট্রের নিরাপত্তা: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট](https://returnofislam.com/2014/03/26/small-state-security-in-bangladesh-context/): সূচনা: পৃথিবীর চিন্তাশীল মানুষেরা আজকে নতুন করে নিজ নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে, তা তারা যে দেশের নাগরিকই হয়ে থাকুক না কেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম, রীতিনীতি ও সংস্থাসমূহ ইতিমধ্যেই সচেতন মানুষের আস্থা হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা রক্ষা এবং নিজস্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা আদৌ যাবে কিনা, তা নিয়ে মানুষের মনে আজকে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা (World Order) মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহের সাথে সাথে আঞ্চলিক ও জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যু বাংলাদেশের মানুষের মনে যে নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে, তা থেকে মুক্তির উপায় আমাদেরকেই খুঁজতে হবে। এই প্রবন্ধে আমি প্রথমেই আজকের আলোচনার শিরোনামের প্রচলিত ধারণাগত ভিত্তি এবং বর্তমান ... Read more - [ইসলামী দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2014/03/19/importance-of-maintaining-the-right-atmosphere-within-the-islamic-party/): দাওয়ার অগ্রগতির জন্য দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বিরাজমান থাকার বিষয়টি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। এ বিষয়টি যদি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন না করা হয় বা অবহেলা করা হয় তবে তা দাওয়ার ফরজিয়্যাত পালনে অবহেলার দিকে নিয়ে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে আল্লাহর ক্রোধ আমাদের উপর আপতিত হবে। নিম্নের আলোচনায় আমরা দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি আলোচনা করব। এক্ষেত্রে আমাদের জানতে হবে, পরিবেশ বলতে আমরা কী বুঝি, ভুল পরিবেশের উদাহরণ এবং তা কিভাবে উদ্ভুত হয়, সবশেষে সঠিক পরিবেশ কী এবং তা কিভাবে বজায় রাখতে হয়। পরিবেশের অর্থ: কোনো চিন্তাকে কোথাও ক্রমাগত বাস্তবায়ন করতে থাকলে একটি পরিবেশের সূচনা হয়। সাধারনত মানুষ একটি পরিবেশকে অনুভব ... Read more - [আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা (সিলাত আর-রাহিম)](https://returnofislam.com/2014/02/25/keeping-ties-with-the-relatives/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইজতেমাঈ ফিল ইসলাম ’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত যখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জাহিলিয়্যাতের গোত্রীয়বাদ হারাম করেছেন তখন তিনি গোত্রীয়বাদকে উম্মাহর সন্তানদের একমাত্র বন্ধনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করাকে হারাম করেছেন, এবং হারাম করেছেন যাতে এটি মুসলিমদের সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রন না করে। তবে, তিনি মানুষকে তার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে ও সদয় হতে নির্দেশ দিয়েছেন। হাকিম ও ইবন হিব্বানে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বললেন, “দাতার হাত উপরে থাকে (অর্থাৎ, তা উত্তম), অতএব, নিকটাত্বীয়দের দিয়ে (দান) শুরু করো। তোমার মা, বাবা, বোন ও ভাই এবং ... Read more - [ইসলামের দৃষ্টিতে নির্বাচন (Election)](https://returnofislam.com/2014/02/20/election-accoding-to-islam/): Election বা নির্বাচন হচ্ছে ইসলামী শরীয়া’র অনুমোদিত উপায়সমুহের একটি যার মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই করা হয়। রাসূল (সা) বা’ইয়াতে আকাবায় বলেছেন, أَخْرِجُوا إِلَيَّ مِنْكُمْ اثْنَيْ عَشَرَ نَقِيبًا يَكُونُونَ عَلَى قَوْمِهِمْ “তোমাদের মধ্য থেকে বার জন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি (নাকীব) নিয়ে এসো, যারা তাদের দায়িত্বের ব্যাপারে জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে”। বর্তমানে ইসলামী ভূমিতে সকল ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থায়ই অনৈসলামিক। কেননা, এগুলো কুফর শাসনব্যবস্থা যা আল্লাহর কিতাব ও রাসূল (সা) এর সুন্নাহ থেকে নেয়া হয়নি (শুধুমাত্র কতিপয় অংশ ব্যতিত)। যেকোনো মুসলিম যারা আল্লাহ ও রাসূল (সা)-কে বিশ্বাস করে তাদের পক্ষে এই ব্যবস্থায় কোনরূপ সাহায্য বা অংশগ্রহণ কিংবা শাসনব্যবস্থায় কোনো ভূমিকা রাখা সম্পূর্নরূপে হারাম। বরং প্রতিটি মুসলিমের উচিৎ সবোর্চ্চ ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের কি অস্ত্র ধরতে হবে?](https://returnofislam.com/2014/01/25/armed-struggle-to-establish-khilafah/): যদিও মুসলিমরা ১৯২৪ সালে তাদের রাষ্ট্র হারিয়েছিল তাদের হৃদয়ে তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা টিকে ছিল ঠিকই এবং এর দ্বারা বিভিন্ন ইসলামী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতের পুনঃআগমনের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এইসব আন্দোলনগুলো খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির কথা বলে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য জিহাদকেই একমাত্র পথ দাবি করে। যারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগ সন্দেহের উর্ধ্বে। বর্তমানে যেহেতু অধিক থেকে অধিকতর মানুষের এই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এই দায়িত্ব পালন করতে তারা সঠিক পদ্ধতির খোঁজ করছেন। তাই এই সকল পদ্ধতি কুরআন ও সূন্নাহ’র আলোকে মূল্যায়ন করা সবচেয়ে ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থায় শ্রমিক-মালিকদের অধিকার ও শিল্পখাতের স্থিতিশীলতা](https://returnofislam.com/2014/01/18/rights-of-workers-owners-and-industrial-stability-in-khilafah/): একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থাই পারে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার নিশ্চিত করে শিল্পখাতকে স্থিতিশীল ও ঐক্যবদ্ধভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮,১০০ টাকা করার দাবিতে ২১ শে সেপ্টেম্বর ২০১৩ থেকে সহিংস আন্দোলন শুরু করে। শত শত শ্রমিক পুলিশের আঘাতে আহত হয়, অনেক সম্পদ ভাংচুর ও লুটপাট হয়। ঢাকা এবং তার আশেপাশের কারখানাগুলোতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কয়েকশত কারখানার কাজ বন্ধ থাকে। চলতি বছরের (২০১৩) জুন মাসে সরকার কর্তৃক সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ বোর্ড গঠন করে দেয়া হয়েছে যেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা গত আগষ্ট মাসে তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছিল। ১৭ সেপ্টেম্বর গার্মেন্টস মালিকদের ... Read more - [বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল?](https://returnofislam.com/2014/01/18/bangladesh-dependency-us/): একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল। অনেকে মনে করেন যেহেতু তৈরী পোষাক খাত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং যুক্তরাষ্ট্র এর অন্যতম ক্রেতা, তাই বর্তমান বিশ্বের পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করা অসম্ভবতো বটেই; এক কথায় আত্মহননের শামিল। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রায় ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশী রয়েছেন যারা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় উৎস। তাই ইসলামী রাষ্ট্র, খিলাফত প্রতিষ্ঠা মানেই হলো জাতিকে অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয়া; যেমন – যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে পারে ইত্যাদি। কিন্তু মুসলিম হিসেবে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে, যদি আমরা এই ক্রুসেডারকে প্রতিহত না করি। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ... Read more - [প্রশ্নোত্তর : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের স্বরুপ](https://returnofislam.com/2014/01/18/usa-iran-relation/): প্রশ্ন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইরানের বাস্তবতা ব্যাখ্যা করবেন কি? অন্য কথায়, ইরান কি আঞ্চলিক রাজনীতিতে স্বাধীনভাবে মার্কিন প্রভাবমুক্ত হয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে অগ্রসর হয়? আমরা কি বলতে পারি যে, ইরান এ অঞ্চলে একটি মতবাদ প্রচার করতে চায়, যার নাম জাফরী মাযহাব? সবশেষে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে আমেরিকার প্রকৃত অবস্থান কি? উত্তর: প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হলে আমাদেরকে প্রথমে সংক্ষেপে ইরানের সরকারের বাস্তবতা, বিপ্লবের পর থেকে আজ পর্যন্ত রাজনৈতিক পথ পরিক্রমা, প্রজাতন্ত্র ঘোষণা এবং এসব কিছুর সাথে আমেরিকার সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে হবে: ১) ইরানি বিপ্লবের শুরু থেকেই আমেরিকার সম্পৃক্ততা ছিল সুস্পষ্ট। ফ্রান্সের নিউফ্‌ল-লে-শ্যাঁতো’তে (Neauphle-le-Château) খোমেনীর অবস্থানকালে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি দল ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবনে মাস'উদ (রা)-এর আল-কুরআন চর্চা](https://returnofislam.com/2014/01/10/devotion-to-quran-abdullah-bin-masood/): আবদুল্লাহ (রা)-এর আম্মার নাম ছিল উম্মু আব্‌দ। সেই জন্য আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা)-কে লোকেরা ইবনু মাসউদ (রা)-কে লোকেরা ইবনু উম্মু আব্‌দ বলে ডাকত। ছোটবেলায় তিনি উকবা ইবনু আবি মুআইতের ছাগল পাল নিয়ে মক্কার উপত্যকাগুলোতে চরাতেন। তিনি শুনতেন যে মক্কার এক ব্যক্তি নবুয়্যত লাভ করেছেন। তবে তিনি তাঁকে চিনতেন না। সারাদিন তিনি ছাগল নিয়ে মক্কার বাইরেই থাকতেন। সাঁঝে শহরে ফিরতেন। একদিন তিনি যথারীতি ছাগল চরাচ্ছিলেন। সহসা দেখতে পান, দুইজন লোক তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন। তাঁরা খুব পিপাসার্ত ছিলেন। কাছে এসে একজন বলেন, ‘ওহে ছেলে, আমরা খুব পিপাসার্ত। কিছু দুধ দুইয়ে তুমি আমাদেরকে দাও।’ আবদুল্লাহ বললেন, ‘তা আমি পারব না। ছাগলগুলো তো আমার ... Read more - [মানতূক ও মাফহূম](https://returnofislam.com/2014/01/07/mantooq-mafhoom/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ইসলামকে প্রেরণ করেছেন চুড়ান্ত বাণী রূপে যা বিচার দিবস অবধি অব্যাহত থাকবে। এমনকি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এই বাণীকে পরিপূর্ণ রূপে ও সকল বিষয়ের ব্যখ্যাসরূপ বর্ণনা করেছেন, ما كانَ حَديثًا يُفتَرىٰ وَلٰكِن تَصديقَ الَّذى بَينَ يَدَيهِ وَتَفصيلَ كُلِّ شَيءٍ وَهُدًى وَرَحمَةً لِقَومٍ يُؤمِنونَ এটি (তথা কুরআন) কোনো মনগড়া কথা নয়, বরং পূর্ববর্তী (ওহীর) সত্যায়ন, প্রত্যেক বিষয়ের বিশদ বিবরণ এবং ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্য রহমত ও হেদায়েত [সূরা ইউসূফ: ১১১] وَنَزَّلنا عَلَيكَ الكِتٰبَ تِبيٰنًا لِكُلِّ شَيءٍ আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বিষয়ের সুস্পষ্ট বর্ণনা.. [সূরা আন-নাহল: ৮৯] তথাপি দেখা যায় যে, কুরআন ও ... Read more - [নুসরাহ - অন্বেষন করতে হয় নাকি প্রস্তুত করতে হয়?](https://returnofislam.com/2013/12/20/nussrah-seek-or-prepare/): আরব বসন্ত নামে পরিচিত বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বিশেষ করে আশ-শামের আন্দোলনের পর গত বেশ কিছুদিন ধরে নুসরাহ বিষয়টি উম্মাহের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে উম্মাহ বা শাবাব, যারা দাওয়াহ করেন তারা যেসব চিন্তা বা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে তা হল: ১. হিযব যারা শরীয়া’হ ও রাজনৈতিক বিষয়াদি সম্পর্কে সবচেয়ে সজাগ, তা সত্ত্বেও তারা কেন নুসরাহ অন্বেষনের জন্য জোড় তাগিদ দেয়?২. কেনই বা হিযব এমন একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরী করছেনা যাদের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্টিত হওয়া যায়?৩. এবং কেনই বা হিযব আল-শামে সশস্ত্র ব্রিগেড বা রেজিমেন্ট গঠন করছেনা; যেটি খিলাফত প্রতিষ্ঠার আর্মির জন্য নিউক্লিয়াস স্বরূপ কাজ করবে। হিযব এমন একটি দল যেটি এক ... Read more - [মুসলিম সেনাবাহিনী, তাগুত, নুসরাহ ও খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা](https://returnofislam.com/2013/12/18/muslim-army-taghut-nusrah-and-reestablishing-the-caliphate/): মুসলিম সেনাবাহিনী, তাগুত, নুসরাহ ও খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা: একটি ফিকহি (আইনী) ও বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা ইদানিং খুব শোনা যায় খিলাফাহ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলিম ভূমিসমূহের “ক্ষমতাধর গোষ্ঠী” (আহল উল হাল ওয়াল ‘আকদ) তথা মুসলিম আর্মিদের কাছ থেকে “নুসরাহ” (সহায়তা) চাওয়া নাকি বোকার স্বর্গে বসবাস। যেসব মুসলিম ভাইরা এ ধারনাটি পোষণ করেন, নিম্নে তাদের কিছু যুক্তি তুলে ধরা হল: – মুসলিম বিশ্বের আর্মি হোল তাগুত (খোদাদ্রোহী শক্তি) যারা সাম্রাজ্যবাদী কুফর শক্তিকে টিকিয়ে রাখার মূল ইন্সট্রুমেন্ট। যেমন, ১৯৯২ সনে আলজেরিয়ায় বিপুল ভোটে বিজয়ী “ইসলামিক স্যালভেশন ফ্রন্ট” (এফ আই এস) কে ক্ষমতাচ্যুত আর্মি করেছিল, এবারো যেমন আমরা দেখলাম মিসরে। তাই কিভাবে আমরা তাগুত এর কাছ থেকে ... Read more - [বাইতুল-মাল ও এর বিভাগ সমূহ](https://returnofislam.com/2013/12/18/state-treasury-and-its-devisions/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ আবদুল কাদীম যাল্লুম (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আল-আমওয়াল ফী দাওলাতিল খিলাফাহ’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত বাইতুল-মাল বা ট্রেজারি (State Treasury) বলতে এমন সক্ষম কর্তৃপক্ষকে বুঝানো হয় যা মুসলিমদের ন্যায্য অধিকার পূরণার্থে রাষ্ট্রের সমস্ত আয় ও ব্যয়ের জন্য দায়িত্বশীল। অতএব ভূমি, দালানকোঠা, খনিজ, অর্থ বা ব্যবসায়িক পণ্য প্রভৃতি যেসব সম্পদের উপর মুসলিমগণ শর’ঈ হুকুম অনুযায়ী অধিকারপ্রাপ্ত, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য তা নির্ধারিত নয়, তবে কোন খাতে এগুলো ব্যয় করা হবে সেটা নির্ধারিত, সেগুলোই হচ্ছে মুসলিমদের ট্রেজারির মালিকানাধীন সম্পদ, এক্ষেত্রে এটা বিবেচনার বিষয় নয় যে এই সম্পদগুলো ইতিমধ্যে ট্রেজারির সংরক্ষণের আওতায় চলে এসেছে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: "তোমরা যেমন, তোমাদের উপর সেরূপ শাসকই নিযুক্ত হবে"](https://returnofislam.com/2013/12/18/your-ruler-as-you-are/): প্রশ্ন: “তোমরা যেমন, তোমাদের উপর সেরূপ শাসকই নিযুক্ত হবে” এই হাদীসটি কি দূর্বল (জায়ীফ), এর বিশুদ্ধতা কতটুকু? উত্তর: আদ-দায়লামী তার মুসনাদ আল-ফিরদাউসে হাদীসটি আবু বাকরা হতে মারফূ সনদে বর্ণনা করেছেন। বায়হাকী শুয়াবুল ঈমানে আবু ইসহাক আল-শাবি’ হতে মুরসাল সনদে বর্ণনা করেছেন। আল-সুয়ূতী হাদীসটি সম্পর্কে বলেন: এটি দূর্বল (জায়ীফ) আল-শাওকানী বলেন, হাদীসটি: ইয়াহইয়া বিন হিশাম; ইউনুস বিন ইসহাক > তার পিতা > তার দাদা > আবু বাকরা হতে মারফূ সনদে এসেছে। আল-সাখাউঈ হাদীসটি সম্পর্কে বলেন, ইয়াহইয়ার হাদীসটি জাল হাদীসগুলোর অন্যতম যা ইয়াহইয়া বিন হিশাম > ইউনূস বিন ইসহাক > (আবু ইসহাক) উমর বিন আবদিল্লাহ (আস-সাবি’ঈ) হতে মুরসাল সনদে বর্ণিত। তারপর তিনি বলেন, এই ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: ইসলামী ব্যাংকের সাথে Profit Sales (মুরাবাহা) প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা সম্পর্কিত হুকুম](https://returnofislam.com/2013/12/01/rulings-profit-sales-murabaha/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু আল-রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব  প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু সম্মানিত শাইখ, আমি ইসলামী ব্যাংকের সাথে profit sales (মুরাবাহা) প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা সম্পর্কিত হুকুমটি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি, উদাহরণস্বরুপ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়ায় গাড়ি বা বাড়ি ক্রয় করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। আমি জানি যে এটা হারাম কিন্তু যখন কাউকে এ ব্যাপারে উপদেশ দেই তখন বিস্তারিত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করতে পারিনা। আমি এমন একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ দিচ্ছি যার ব্যাপারে অনেকের ধারণা হচ্ছে তারা ইসলামী ব্যাংকের সাথে যেভাবে লেনদেন করছে ... Read more - [টিকফা চুক্তি ও আমাদের করণীয়](https://returnofislam.com/2013/11/29/tikfa-agreement-and-our-duty/): ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা বলে যখন ব্রিটিশরা ভারতে আসে তখন জনগণ প্রথমে খুশিই হয়েছিল। কারণ ইংরেজরা হয়তো এখানে বিনিয়োগ করে এদেশের উন্নয়নই করবে!! কিন্তু জনগণ পরে স্বচক্ষে ইংরেজদের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিনিয়োগের অন্তরালে সেসময়ের সুপার পাওয়ার উসমানী খিলাফত [অটোমান] রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভারত জয়ের নীল নকশা দেখতে পায়। পরবর্তীতে এই ইংরেজরাই প্রায় ১৫০ বছর সরাসরি ভারত উপমহাদেশ শাসন করে, এমনকি এখনো এদেশের শাসকদের এজেন্ট বানিয়ে তারা আগের মতই শাসন করে যাচ্ছে। আমেরিকার টিকফা চুক্তি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্যের চাইতে কি ব্যাতিক্রম কিছু??? আসুন দেখি …… সবশেষ হাসিনার কেবিনেটে পাশ হওয়া টিকফা চুক্তির মূল কথাগুলো এরকম: [১] চুক্তির শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশের বাজার উন্মুক্ত করে ... Read more - [হরতাল - গণতান্ত্রিক নির্যাতনের হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2013/11/23/strikes-tools-of-democratic-repression/): আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির দুই বিবাদমান জোট (A team vs B team) অস্থির সময় পার করছে। আওয়ামী-বিএনপির রাজনীতির মূল কথা ‘যেকোন উপায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের কল্যাণ সাধন করা’ – এটা জনগণের কাছে পরিস্কার। সচেতন জনগণ পরিবর্তন চায়, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সরকারী দলের লুটপাট এবং বিরোধী জোটের হরতাল নামক নির্যাতন থেকে গণমানুষ মুক্তি চায়। হরতাল ডেকে গাড়ী ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, বাসে ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দিয়ে জনমনে আতংক তৈরী করা, সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষতি করা আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি জোটের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। হরতালে সারা দেশে শতশত মানুষ আহত-নিহত হওয়া একটা মামুলি ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় না ... Read more - [প্রাক-নির্বাচনী নাটকের পুনঃর্মঞ্চায়ন](https://returnofislam.com/2013/11/04/reenactment-of-pre-election-drama/): প্রতি নির্বাচনের পূর্বে আমরা আওয়ামী-বিএনপিসহ অন্যান্যদের দেখতে পায়, সংলাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন হামকো-তুমকো কর্মকান্ডে, যদিও সারাবছর জনগণের স্বার্থে তাদের কোন খবর থাকেনা। বরং তাদের দাসত্ব করতে দেখা যায় তাদের প্রভু আমেরিকা-ভারতের; এর কারণও আছে বৈকি! নির্বাচনের পূর্বেই আমেরিকার নিকট দেয় প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতেই তাদের এই ঋণ শোধের দাসত্ব। সরকারে আওয়ামী-বিএনপির যেই আসুক না কেন, ২০ বছর অবধি আমরা এই দাসত্বই দেখে আসছি দেশের স্বার্থ তাদের সামনে বলি দেওয়ার মাধ্যমে। অর্থ্যাৎ, আওয়ামী-বিএনপির জন্যই আমেরিকা আর আমেরিকার স্বার্থেই আওয়ামী-বিএনপি। শুধু বাংলাদেশ নয়, তথা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়াকে কেন্দ্র করেই আমেরিকার এই চক্রান্ত, যার অংশস্বরূপ বাংলাদেশ। আরব বিশ্ব থেকে বিতাড়িত আমেরিকা আজ এশিয়া উপমহাদেশে তার ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খিলাফত প্রতিষ্ঠায় জিহাদের ভূমিকা কী?](https://returnofislam.com/2013/11/03/what-is-the-role-of-jihad-in-establishing-the-caliphate/): প্রশ্ন: এমন অনেকেই আছে যারা বলে, হিযব তার খিলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিতে মাদানী যুগকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র মক্কী যুগকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এটি খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সশস্ত্র সংগ্রাম বা জিহাদকে শরীয়া’হ-র সাথে সাংঘর্ষিক মনে করে যার কারণ হিসেবে তুলে আনা হয় রাসূল (সা) তা করেননি। প্রশ্নকর্তা আরও বলেন: কেন হচ্ছে খিলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতির জন্য মাদানী যুগকে নেয়া হইনি যেখানে জিহাদ করা জায়েজ এবং ফরজ ছিল? এর কি কোন সুস্পষ্ট উত্তর আছে? ওয়া জাযাকাল্লাহু খাইরান।   উত্তর: প্রশ্নে এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা ব্যাখ্যা-সাপেক্ষ: ১. যেকোন যথার্থ দলীল আমাদেরকে অবশ্যই মান্য করতে হবে যদি তা কুরআন বা সুন্নাহ থেকে উঠে আসে। এক্ষেত্রে আমাদেরকে ... Read more - [সুমাইয়া বিন্‌তু খুব্‌বাত (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2013/10/10/sumaiya-bintu-khubabat-ra/): সুমাইয়া বিন্‌তু খুব্‌রাত (রা) আবু হুজাইফা ইবনুল মুগীরা আল মাখযুমীর দাসী ছিলেন। ইয়াসির (রা) ছিলেন ইয়ামানের অধিবাসী। একবার তিনি মক্কায় এসে এখানেই স্থায়ীভাবে থেকে যাবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাইরের কেউ মক্কায় স্থায়ীভাবে থাকতে হলে কোনো না কোনো গোত্রের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে হতো। ইয়াসির (রা) আবু হুযাইফা ইবনুল মুগীরার সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং মক্কাতে বসবাস শুরু করতে থাকেন। আবু হুযাইফা তার দাসী সুমাইয়া (রা)-কে ইয়াসির (রা)-এর সঙ্গে বিয়ে দেন। সুখেই কাটছিলো তাঁদের দিনগুলো। ইতোমধ্যে মুহাম্মাদুর রাসূল (সা) নবুয়্যত লাভ করেন। গোপনে তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন। ইয়াসির (রা) ও সুমাইয়া (রা) ইসলামের কথা অবগত হন এবং ইসলাম গ্রহণ ... Read more - [যুক্তরাষ্ট্রের আশু পতন ও খিলাফতের উত্থান](https://returnofislam.com/2013/10/08/the-fall-of-ashu-in-the-united-states-and-the-rise-of-caliphate/): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ধ্বসের শুরু হয়েছে ২০০৭ সাল থেকে। এর পর ২০০৮ সালে এসে তা বিশ্ব মন্দায় রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে ওবামা প্রশাসন বেইল আউট প্যকেজের মাধ্যেমে জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বড় বড় পুঁজিপতিদের কোম্পানিকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা চালায় এবং একে একে মার্কিন জনগণের উপর ট্যাক্সের মাত্রা বড়িয়ে তার তার বাজেট ঘাটতি পূরনের চেষ্টা চালায়। এতে করেও ওবামা প্রশাসন মার্কিন অর্থনীতিতে সচলতা ফেরাতে পারেনি। বর্তমানে অর্থনৈতিক অচল অবস্থা রাজনৈতিক অচল অবস্থা তৈরি করেছে এবং এই অচলাবস্থার কারণে ৮ লাখেরও বেশি কর্মচারীকে বিনা বেতনে ছুটি দিতে হয়েছে এবং জাতীয় পার্ক, পর্যটন এলাকা, সরকারি ওয়েবসাইট, অফিস ভবন এবং নাসাসহ আরও অনেক কিছু বন্ধ করে দিতে ... Read more - [বাংলাদেশের রামপাল বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনে ভারতের আধিপত্য বিস্তারের কূটকৌশল](https://returnofislam.com/2013/10/08/indias-dominance-in-setting-up-rampal-power-plant-in-bangladesh/): পুঁজিবাদের বেসরকারিকরণ চিন্তার কারণেই বিদ্যুৎ আজ সামর্থের বাইরে এবং অপ্রাপ্য, যা গণতন্ত্র দ্বারা সুরক্ষিত। গণতন্ত্রের দ্বারা পুঁজিবাদের বাস্তবায়নে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারই দায়ী। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কিছু ব্যক্তি মালিকানায়, দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে নিরাপত্তা দান করে, তারাই মূলত বিদ্যুৎ সম্পদের পূর্ণ সুবিদা পেয়ে থাকে আর অন্যদিকে সাধারণ জনগণ কষ্টের সম্মুখীন হয়। বিদ্যুৎ হলো উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ ও বিপননের মতো ক্রমানুসারিক সমন্বিত এবং বহু স্তরে বিন্যস্ত এক প্রক্রিয়া যার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা ও টেকসই প্রযুক্তি। তবে বর্তমান বাংলাদেশে এই প্রযুক্তিগত বিষয়টি বেশ পিছিয়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সঙ্কট সৃষ্টি হলে তা শিল্প, কৃষি, উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন ইত্যাদি সবকিছুকেই বিপর্যয়ে নিক্ষেপ করে। বাংলাদেশের ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থা কি মাত্র ত্রিশ বছর টিকে ছিল?](https://returnofislam.com/2013/10/07/did-the-caliphate-system-last-only-thirty-years/): এতে কোন সন্দেহ নেই যে, ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে সারা বিশ্বের নেতা রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ (সা) এর হাতে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তা ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ বিশ্বাসঘাতক কামাল আতাতুর্কের হাতে তা ধ্বংস হয়। খুলাফায়ে রাশেদিনের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা বা খিলাফত ব্যবস্থা যে ধারাবাহিকভাবে টিকেছিল তা ঐতিহাসিক বাস্তবতা ও শরীয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করলে তা আমাদের কাছে বোধগম্য হবে। আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে এ ব্যবস্থার ধারাবাহিক অস্তিত্ব বুঝতে চাই, তাহলে দেখতে হবে প্রথমতঃ এ ব্যবস্থার কাঠামো কি ইতিহাস জুড়ে টিকেছিল কিনা। দ্বিতীয়তঃ এ কাঠামোতে সময়ের আবর্তে কি কোন পরিবর্তন এসেছে কিনা। রাসুল (সা) ... Read more - [আমাদের উপাস্য কি আল্লাহ না টাকা ?](https://returnofislam.com/2013/10/05/is-our-god-allah-or-money/): আমাদের বর্তমান সমাজের মানুষের প্রধান লক্ষ্য হল যে কোন উপায়েই হোক সম্পদশালী ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া। সমাজের সবাই তাদের সম্পদ বৃদ্ধির চিন্তায় মগ্ন। যেন টাকা পয়সাই হচ্ছে জীবনে সাফল্যের চূড়ান্ত মাপকাঠি। কেউই তার বর্তমান অবস্থায় সন্তুষ্ট নয়। সবার চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা ক্রমাগত বাড়ছে। আর এসব চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য মানুষ সবসময় নতুন নতুন সুযোগের সন্ধান করছে। এখন মানুষের লক্ষ্য হল অর্থ উপার্জন – তা যে কোন উপায়েই হোক না কেন। ঘুষ নিয়ে হোক, অন্যের কাছ থেকে ছিনতাই করে হোক অথবা সুদের একাউন্টে টাকা জমিয়ে সেই টাকা দ্বিগুন বা তিনগুন হবার অপেক্ষা ইত্যাদি যে কোন উপায়েই হোক টাকা উপার্জন করতে হবে। কেননা ... Read more - [কমিউনিজমের রাজনৈতিক বিবর্তন](https://returnofislam.com/2013/10/05/the-political-evolution-of-communism/): সোভিয়েত রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বস্তুবাদী সভ্যতা ও পাশ্চাত্যের পুঁজিতান্ত্রিক ভোগবাদী সভ্যতা উভয়ই যখন পৃথিবীর আলো বাতাসে টিকে ছিল, তখন এই দুই সভ্যতার মধ্যকার পার্থক্য বোঝার উপায় স্পষ্ট ছিল। কালক্রমে বস্তুবাদী সভ্যতার পতন হলো-পৃথিবীর আলো বাতাস ছেড়ে সেটা ঠাঁই করে নিল সচেতন বস্তুবাদীদের কাগজে-কলমে পৃথিবীর দখল চলে গেল ভোগবাদীদের একক আধিপত্যে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটা ঘটতে শরু করল এরপর, যখন ভোগবাদী আর বস্তুবাদী সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য ঘুচতে লাগল আর বস্তুবাদীরা ভোগবাদী সভ্যতার গৌরবে আহ্‌লাদিত হয়ে উঠতে শুরু করল। ভোগবাদীদের নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের প্রয়োজনে উদ্ভাবিত ‘আধুনিকতা’, ‘প্রগতিশীলতা’, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘বৈজ্ঞানিকতার দোহাই’ ইত্যাদি বিভিন্ন ধ্যান-ধারণা বস্তুবাদীরা ধীরে ধীরে নিজেদের ঈমান-আকীদার অংশ করে নিল এবং এখন আমরা দেখছি পশ্চিমা ... Read more - [বিশ্ববাসীর উপর আমেরিকার গুপ্তচরবৃত্তি](https://returnofislam.com/2013/10/04/us-spying/): কিছুদিন পূর্বে সি.আই.এ (central intelligence agency) এবং এন.এস.এ (national security agency) এর সাবেক পরামর্শক এডওয়ার্ড স্লোডেন কর্তৃক ফাঁস করা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় যে আমেরিকা সারা বিশ্বের সাধারণ নাগরিকদের ব্যাক্তিগত ইমেইল, ছবি, ফোনালাপ এবং তাদের পাঠানো ক্ষুদ্র বার্তার (SMS) উপর গোপন নজরদারি করার জন্য প্রিজম (PRISM) নামে একটি গোপন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের এই ঘৃণ্য কর্মসূচির জন্য আমেরিকা শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সবার কাছ থেকে কঠিন প্রতিবাদের মুখে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী আমেরিকার নানা অপকর্মের দোসর ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর জাস্টিস কমিশনার আমেরিকার এ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে একটি প্রতিবাদ লিপি পাঠায়, যেখানে সে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর নাগরিকদের ব্যক্তিগত অধিকার সুরক্ষা সম্পর্কিত সাতটি প্রশ্নের উত্তর ... Read more - [একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থাই উচ্চমানের নারী শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনবে](https://returnofislam.com/2013/10/04/women-in-khilafah/): পশ্চিমা সরকারসমূহ মালালার নারী শিক্ষার সংগ্রামের ঘটনাটিকে ঔপনিবেশিক রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করেছে ২০১২ অক্টোবর মাসে ১৫ বছরের পাকিস্তানী কিশোরী মালালা ইউসুফযাই এর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে হতভম্ব ও মর্মাহত করেছে। বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন, পশ্চিমা সরকার ও রাজনীতিবীদরা ফলাও করে একথা প্রচার করে যে, পাকিস্তানে ইসলামপন্থীরাই এ হত্যা চেষ্টার জন্য দায়ী। এবং পশ্চিমা শক্তি নারী অধিকার ও নারী শিক্ষার পক্ষে যুক্তি স্থাপন করে। প্রাক্তন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ও জাতীসংঘের আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন এবং প্রাক্তন মার্কিন পররাষ্টমন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টনসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন সংগঠন নারী শিক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের ... Read more - [সিরিয়ার গণজাগরণ কেন ভিন্ন?](https://returnofislam.com/2013/10/04/why-syrian-revolution-is-different/): গত ২৬ মাসে সিরিয়ায় যা ঘটেছে তা থেকে এটি প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, সিরিয়ার গণজাগরণ ‘আরব বসন্ত’ নামে পরিচিত অন্য সবগুলোর মত নয়, বরং এটি একটি অনন্য গণজাগরণ। বর্তমানকে অনুধাবন ও ভবিষ্যতের আশাবাদের জন্য অতীতের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। সিরিয়ার গণজাগরণের বর্তমান বাস্তবতা ও অবস্থা বুঝতে একজন সক্ষম হবে না, যদি না সে সেই ইতিহাসকে অনুধাবন করে যা গণজাগরণ শুরু হওয়ার গতিপ্রকৃতিকে নির্ধারণ করেছে। প্রথম মহাযুদ্ধ : বিভক্তি ও আধিপত্য বিস্তার সর্বশেষ বৈধ ইসলামী রাষ্ট্র উসমানীয় খিলাফত প্রথম মহাযুদ্ধে মিত্র বাহিনীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর বিজয়ীরা, বিশেষতঃ ব্রিটেন ও ফ্রান্স মুসলিম ভূমিসমূহ দখল করে নেয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাইলফলক এ ... Read more - [বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল](https://returnofislam.com/2013/10/01/how-britain-devided-the-muslim-countries/): আরব বিশ্বজুড়ে জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টির প্রক্রিয়া ছিল এক মর্মান্তিক ঘটনা। একশো বছর আগেও অধিকাংশ আরব অঞ্চল উসমানী খিলাফতের অংশ ছিল। উসমানী খিলাফত ছিল একটি বিশাল বহুজাতিক রাষ্ট্র, যার কেন্দ্র বা রাজধানী ছিল ইস্তাম্বুল। বর্তমানে আরব বিশ্বের মানচিত্র খুবই জটিল একটি গোলকধাঁধার মতো মনে হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের কিছু জটিল ঘটনা উসমানী সাম্রাজ্যের পতন এবং নতুন জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটায়। নবসৃষ্ট এসব রাষ্ট্রের নিজস্ব সীমানা ছিল যা গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে বিভক্ত এবং মুসলিমদেরকে একে অন্যের থেকে আলাদা করে ফেলে। এই ঘটনার পেছনে অনেক কারণ থাকলেও, বৃটেনের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। সেইসময়ে বৃটেনের বিবাদমান ৩ পক্ষের সাথে সই করা ৩ টি আলাদা চুক্তিতে পরস্পর বিরোধী ... Read more - [হারামের উপায়ও হারাম হিসেবে সাব্যস্ত হবে](https://returnofislam.com/2013/10/01/the-way-of-haram-will-also-be-proved-as-haram/): শরীয়াহ’র নীতি (قاعِدَة) বলে- إذا غلب على الظن أنها توصل إلى الحرام، فإن كان يُخشى أن توصل فلا تكون حراماً “যদি নিছক পরিমাণ সন্দেহ প্রতিষ্টিত হত, যে এটি হারামের দিকে নির্দেশ করছে এমন হারামের উপায় নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে। যদি শুধুমাত্র ভয়ের উদ্রেক হয় যে এটি হারামের দিকে নির্দেশ করে তাহলে এটি হারাম হবে না” কুরআনে এই নীতিটির প্রমাণ পাওয়া যায়, আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ “আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা আরাধনা করে তাদেরকে তোমরা মন্দ বলো না। তাহলে তারা ধৃষ্টতায় অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে”। [সূরা আন-আম:১০৮] কাফিরদের অপমান করা ... Read more - [মিশনারী আগ্রাসন | ইসলামী রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2013/09/29/the-missionary-invasion/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মিশনারী আক্রমন: ইসলামী রাষ্ট্রে বিজ্ঞানের নাম করে ইউরোপের অনুপ্রবেশ শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ কাজের জন্য তাদের মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ ছিল। মূলতঃ এটি ছিল বিজ্ঞান ও মানবতার নামে মিশনারীদের (ধর্মপ্রচার প্রতিষ্ঠান) ছদ্মাবরণে পরোক্ষভাবে উপনিবেশিকতার প্রসার। এ আক্রমনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল মুসলিম ভূখন্ডে রাজনৈতিক গোয়েন্দা শাখা কার্যকর করতে এবং সাংস্কৃতিক উপনিবেশিকতার বিপ্লব ঘটাতে, যাতে করে মুসলিম ভূখন্ড গুলো পশ্চিমা কুচক্রীদের অন্যতম প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। এ উপনিবেশবাদের সূচনা হয় যখন মুসলিম বিশ্ব পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের দ্বার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৭ (বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে একটি একক জাতিতে পরিণত করা)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e37/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] সমস্ত আরব উপদ্বীপের জনগোষ্ঠী দ্বীন ইসলামে প্রবেশ করার পর এবং আরব ভূখন্ড থেকে মূর্তিপূজা নিশ্চিহ্ন হবার পর আল্লাহর রাসূল (সা) ইন্তিকাল করেন। এ সময় সমস্ত আরব উপদ্বীপ ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের অন্তর্ভূক্ত এবং সম্পূর্ন ভাবে ইসলামের আকীদাহ্ ও শাসনব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত আইন-কানুন দিয়ে শাসিত। আল্লাহতায়ালা তাঁর দ্বীনকে পরিপূর্ণ করা, মুসলিমদের উপর তাঁর নিয়ামতকে সম্পূর্ন করা এবং দ্বীন ইসলামকে তাঁর পছন্দনীয় জীবনব্যবস্থা হিসাবে মনোনীত করার পরই রাসূল (সা) ইন্তিকাল করেন। এর মধ্যে প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর রাজা ও শাসকবৃন্দের কাছে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৬ (ইসলামের বিজয়যাত্রা সুসংহতকরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e36/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] অতীতে মুসলিমরা বহু দেশ জয় করে সেখানে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছে। বস্তুতঃ ইসলামই তাদের শাসন-ক্ষমতা ও নেতৃত্ব-কর্তৃত্বে উপবিষ্ট হবার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ, অমুসলিমদের দ্বারা শাসিত হওয়া মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ। আল্লাহতায়ালা সূরা নিসাতে বলেছেন, “আল্লাহ কখনোই মু’মিনদের উপর কাফিরদেরকে জন্য কোন পথ রাখবেন না।” [সুরা নিসাঃ ১৪১] এছাড়া, আল্লাহতায়ালা সম্মান ও মর্যাদা মু’মিনদের জন্য নির্ধারিত করেছেন। তিনি সুরা মুনাফিকুনে বলেছেন, “এবং সম্মান ও মর্যাদা তো শুধু আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মু’মিনদের জন্যই নির্দিষ্ট, কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৫ (ইসলাম প্রচারে জিহাদের ভূমিকা)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e35/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুসলিম উম্মাহর পার্থিব জীবনের মূল উদ্দেশ্য হলো সমস্ত মানবজাতির কাছে ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দেয়া। এ লক্ষ্যে, মুসলিম উম্মাহকে সবসময়ই বিশ্বের কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে হয়েছে। আর, ইসলামের বাণী প্রচার-প্রসারের গুরুদায়িত্ব সবসময় ইসলামী রাষ্ট্রের কাঁধেই অর্পিত হয়েছে। তাই, অন্যান্য দেশ জয় করা এবং অত্যন্ত সফলতার সাথে লক্ষ্য অর্জন করা ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। প্রকৃতপক্ষে, ইসলাম নির্ধারিত দায়িত্ব-কর্তব্যকে সঠিক ভাবে পালন করার কারণেই অতীতে মুসলিমদের বিজয়ের ধারা অব্যাহত ছিল। আর, এ দায়িত্ব সঠিক ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৪ (ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e34/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি বলতে মূলতঃ বুঝায় এ রাষ্ট্রের সাথে অন্যান্য রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক। এ সম্পর্ক মুসলিম উম্মাহর পররাষ্ট্র বিষয়ক কার্যাবলী দেখাশুনা করার ভিত্তিতেই গড়ে উঠে। বস্তুতঃ ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি একটি স্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয় ভিত্তির উপর গঠিত। আর তা হলো, সমগ্র পৃথিবীতে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দেয়া এবং সকল জাতি ও সমাজের কাছে ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দেয়া। এটাই হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। মুসলিম উম্মাহ্‌কে যেই শাসন করুক না কেন, এই ভিত্তি অপরিবর্তনীয় এবং এ ব্যাপারে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৩ (ইসলামী রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীন নীতিমালা)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e33/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ইসলামী রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীন নীতিমালা বলতে মূলতঃ বুঝায় রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইসলামের হুকুম-আহ্কামকে বাস্তবায়িত করা। আল্লাহ্ প্রদত্ত এ সমস্ত হুকুম-আহ্কামকে ইসলামী রাষ্ট্র এর নিজস্ব ব্যবস্থার অধীনেই বাস্তবায়িত করতো। এ রাষ্ট্র জনগণের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক ও লেনদেন নির্ধারন ও দেখাশুনা করা, হুদুদ ও আল্লাহ্ প্রদত্ত শাস্তি সমূহ বাস্তবায়ন করা, সমাজের সর্বস্তরে উচ্চ মানের মূল্যবোধ বজায় রাখা, সমাজে ইসলামের বিভিন্ন রীতি-নীতি ও ইবাদতকে নিশ্চিত করা এবং সেইসাথে ইসলামী আইন-কানুনের ভিত্তিতে জনগণের সমস্ত বিষয়াদির তদারকি করতো। বস্তুতঃ ইসলামী রাষ্ট্রের অধীনে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩২ (ইসলামী রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e32/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসূল (সা)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবাগণ সর্বসম্মতিক্রমে রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে রাসূল (সা)-এর স্থলে একজন খলিফা নিয়োগ করে তাকে বাই’য়াত দেবার সিদ্ধান্ত নেন। এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, মুসলিমরা ১৩৪২ হিজরী বা ১৯২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে খলিফা নিয়োগ করে। তবে, তারা নিযুক্ত খলিফাকে আমির আল-মু’মিনীন (মুমিনদের নেতা) কিংবা সাধারন ভাবে ইমাম বলেও সম্বোধন করত। ইসলামের ইতিহাসে বাই’য়াত গ্রহন ছাড়া কখনো কেউ খলিফা হয়নি। ইসলামী রাষ্ট্র এই নিয়মের ধারাবাহিকতা তার অস্তিত্ব টিকে থাকার শেষদিন পর্যন্ত রক্ষা করেছে। তবে, বাই’য়াতের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩১ (ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি ইহুদীদের আচরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e31/): ইহুদীরা আসলে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য কখনোই তেমন কোন হুমকী ছিল না। আরবরাই মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা)-এর শাসন কর্তৃত্বের সামনে হুমকী হয়ে দাঁড়িয়েছিল, বিশেষ করে কুরাইশরা ছিল এ ব্যাপারে অগ্রগামী। এজন্যই তিনি (সা) ইহুদীদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন, যেন ইহুদীরা তাঁর কর্তৃত্ব মেনে নেয় এবং রাসূল (সা)-এর শত্রুপক্ষের সাথে কোনরকম মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ না হয়। কিন্তু, ইহুদীরা যখন দেখতে থাকে যে, ইসলামী রাষ্ট্র দিনে দিনে শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং হেযাযে মুসলিমদের শাসন-কর্তৃত্ব ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানারকম অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করে। বদরের যুদ্ধে কাফিরদের উপর মুসলিমদের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর তারা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের মিথ্যা অপপ্রচারের মাত্রা ... Read more - [ইসলামী সভ্যতা (আল হাদারাহ আল ইসলামিয়্যাহ)](https://returnofislam.com/2013/09/23/islamic-civilization-al-hadarah-al-islamiyah/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইসলাম’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত হাদারাহ (সভ্যতা) ও মাদানিয়্যাহ (বস্তুগত অগ্রসরমানতা) এর মাঝে একটি পার্থক্য রয়েছে। হাদারাহ বলতে জীবন সম্পর্কে সামগ্রিক ধারণা এবং মাদানিয়্যাহ বলতে জীবন যাপনের উপকরণের বস্তুগত অবস্থা কে বোঝায়। হাদারাহ অনেকবেশী নির্দিষ্ট এবং তা জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীর উপর নির্ভর করে, পক্ষান্তরে মাদানিয়্যাহ সুনির্দিষ্ট হতে পারে কিংবা সার্বজনীন হতে পারে। কাজেই হাদারাহ হতে উদ্ভূত বস্তুসমূহ অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট, যেমন মূর্তি। আবার বিজ্ঞান ও তার অগ্রযাত্রা, শিল্প ও তার বিবর্তন ইত্যাদি থেকে উদ্ভূত বস্তু সমূহ অনেকবেশী সার্বজনীন এবং তা কোন নির্দিষ্ট জাতির জন্য ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩০ (ইসলামী রাষ্ট্রের কাঠামো)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e30/): মদীনায় পা রাখার প্রথম দিন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সা) মুসলিম ও অমুসলিম সহ সবাইকে শাসন করেছেন এবং তাদের সমস্ত বিষয় দেখাশুনা করেছেন। ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করার পর তিনি (সা) একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ গঠনে মনোনিবেশ করেন যেন, এ সমাজ প্রকৃত অর্থেই একটি জনকল্যাণমূলক সমাজে পরিণত হয়। মদীনার রাষ্টপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে তিনি (সা) ইহুদী গোত্র, বনু দামরাহ এবং বনু মুদলাজের সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তীতে তিনি (সা) কুরাইশ এবং আইলাহ, আল-যারবা ও উযরাহ’র গোত্র প্রধানদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তিনি (সা) একথাও মেনে নেন যে, কোন গোত্রের মানুষকেই হজ্জ্ব করতে বাধাঁ দেয়া যাবে না আর, না কারো পবিত্র মাসে আক্রান্ত হবার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৯ (আরব উপদ্বীপ শাসন)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e29/): তাবুক অভিযানের মাধ্যমে মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা) ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্তের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছিলেন, যার ফলে ইসলামের শত্রুপক্ষের লোকেরা এ রাষ্ট্রকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে বাধ্য হয়েছিলো। একই সাথে, এ অভিযান বহির্বিশ্বে ইসলামের উদাত্ত আহবানকে ছড়িয়ে দেয়ার পদ্ধতি হিসাবে তাঁর উত্তরসূরীদের কাছে একটি চমৎকার দৃষ্টান্তও হয়ে থাকলো। আল্লাহর রাসূল (সা) তাবুকের অভিযান থেকে ফিরে আসার পরপরই ইয়েমেন, হাজরামাউত ও ওমান সহ আরব উপদ্বীপের সমস্ত দক্ষিনাঞ্চল রাসূল (সা) এর আনুগত্য স্বীকার করে ইসলামের পতাকাতলে চলে আসে। শুধু তাই নয়, তারা ইসলামী রাষ্ট্রের শাসন-কর্তৃত্বকেও মেনে নেয়। হিজরী নবম সালে, এ অঞ্চলের দূতেরা উদ্বিগ্ন চিত্তে একে একে আল্লাহর রাসূল (সা)-এর কাছে আসতে লাগলো এবং ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৮ (তাবুকের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e28/): আল্লাহর রাসূল (সা)-এর কাছে, এ মর্মে সংবাদ পৌঁছে যে, মু’তার যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধাদের অসাধারণ রণকৌশলের জন্য রোমানদের বিশাল বাহিনীকে বাধ্যতামূলক সৈন্য প্রত্যাহার করতে হয়েছিল, সে অসহনীয় লজ্জাজনক স্মৃতি মুছে ফেলার জন্য তারা আরব উপদ্বীপের উত্তরাংশে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে। এ সময় রোমান বাহিনীকে মুকাবিলা করার জন্য রাসূল (সা) নিজেই সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন, যেন রোমানদের এ উচ্চাভিলাসকে এমন ভাবে ধ্বংস করে দেয়া যায়, যাতে তারা ভবিষ্যতে আর কখনোই মুসলিমদের ভূমি আক্রমণ করা বা মুসলিমদের ব্যাপারে কোনরকম হস্তক্ষেপ করার দুঃসাহস না করে। সময়টা ছিল গ্রীষ্মের শেষভাগ। অসহনীয় গরমের ফলে চারিদিকে চলছিল খরা আর অনাবৃষ্টি। এছাড়া, মদীনা থেকে আল-শামের দূরত্বও ছিল ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৭ (হুনায়ুনের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/21/the-islamic-state-e27/): হাওয়াজিন গোত্রের লোকেরা যখন শুনতে পেল কিভাবে মুসলিমরা মক্কা জয় করে নিয়েছে, তখন তারা আশঙ্কা করতে লাগল যে, তারাও হয়ত মুসলিমদের আক্রমণের শিকার হতে পারে কিংবা তাদের ঘরবাড়ী মুসলিমদের হাতে ধ্বংস হতে পারে। এজন্য, সম্ভাব্য এ বিপদ মুকাবিলার জন্য তারা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করল। মালিক ইবন ’আউফ আল-নাদরি হাওয়াজিন ও বনু ছাকিফ গোত্রের যোদ্ধাদের একত্রিত করে মুসলিমদের আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে উতাস উপত্যকায় পৌঁছাল। মুসলিমদের মক্কা বিজয়ের ১৫ দিন পর হাওয়াজিন ও বনু ছাকিফ গোত্রের ধেয়ে আসা এ সৈন্যবাহিনীর সংবাদ মুসলিমদের কাছে পৌঁছাল। সাথে সাথে তারা তাদেরকে মুকাবিলা করার প্রস্তুতি নিল। এদিকে, মালিক তার সৈন্যদল সহ উতাস উপত্যকায় অবস্থান ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৬ (মক্কা বিজয়)](https://returnofislam.com/2013/09/20/the-islamic-state-e26/): কুরাইশদের সাথে আল্লাহর রাসূল (সা)-এর হুদাইবিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পরপরই খুযাআ’হ গোত্র মুহাম্মদ (সা)-এর নিরাপত্তায় চলে আসে এবং বনু বকর কুরাইশদের পক্ষ নেয়। এরপর থেকে আল্লাহর রাসুলের সাথে কুরাইশদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্কই বজায় থাকে এবং উভয়পক্ষই আবার ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করে। মুসলিমদের সাথে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য কুরাইশরা তাদের ব্যবসার ক্ষেত্রকে বিস্তৃত করে। এদিকে, আল্লাহর রাসূল (সা) সমগ্র মানবজাতির কাছে ইসলামের আহবান ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি আরব ভূ-খন্ডে ইসলামী রাষ্ট্রের অবস্থানকে সুসংহত ও শক্তিশালী করেন এবং ইসলামী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তার ব্যাপারে জোর দেন। খায়বারে ইহুদীদের কর্তৃত্ব ধ্বংস করার পর তিনি (সা) বিভিন্ন রাজ্যের অধিপতিদের কাছে তাঁর দূত পাঠিয়ে বর্হিবিশ্বের সাথে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৫ (মু’তার যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/20/the-islamic-state-e25/): প্রতিনিধি দল বহির্বিশ্ব থেকে মদীনায় প্রত্যাবর্তনের পরপরই আল্লাহর রাসূল (সা) তাঁর সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং আরব ভূ-খন্ডের বাইরে জিহাদ করার ঘোষনা দেন। এ লক্ষ্যে, তিনি (সা) রোমান ও পারস্যের গতিবিধি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে আরম্ভ করেন। আর, রোমান সাম্রাজ্যের সাথে তাঁর সীমান্ত যুক্ত থাকায় তিনি (সা) তাদের গতিবিধির উপর বিশেষ ভাবে নজর দেন এবং গুপ্তচরের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকেন। রাসূল (সা) তাঁর প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতার কারণে এটা বুঝতে পেরেছিলেন যে, যদি একবার আরব ভূ-খন্ডের বাইরে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছানো যায়, তবে ইসলামের আহবানকে বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে। তাই তিনি (সা) এ লক্ষ্যে, আল-শাম (বৃহত্তর সিরিয়া) থেকেই জিহাদের সূচনা ... Read more - [ব্যর্থ গণতন্ত্রের সমাধান কি "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" ?](https://returnofislam.com/2013/09/19/is-the-solution-to-a-failed-democracy-a-supervisory-government/): আওয়ামী লীগের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উঠিয়ে নেয়া পরবর্তী তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হবে কি হবে কিনা? কিংবা বিদ্যমান সংশোধিত সংবিধানের আলোকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নাকি নতুন কোন নির্বাচনী রূপরেখা প্রণয়ন করা হবে তা নিয়ে সকল জল্পনা কল্পনা আবর্তিত হচ্ছে। এই রূপ একটি রাজনৈতিক সংকট ছিয়ানব্বই সালে জাতি প্রত্যক্ষ করে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অবিশ্বাস থেকে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বি.এন.পি কে বাধ্য করা হয় “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা” সংবিধানে সংযোজন করতে। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে তৎকালীন এই আন্দোলন সংগঠিত হয় বি.এন.পি বিরুদ্ধে, যা এখন বি.এন.পি নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ... Read more - [আপনার ধান্দা কী?](https://returnofislam.com/2013/09/19/what-is-your-treasure/): আজকাল আমাদের সমাজে এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল যে কোন না কোন ধান্ধার পেছনে ঘুরছে না? উঠতি বয়সের তরুণ থেকে শুরু করে বয়সী কর্মজীবি মানুষ, সবাই একটার পর একটা ধান্দায় সমস্ত জীবন পার করে দিচ্ছে। নিজের ধান্দা ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করার সময় কারো নেই। সবার মুখে একই কথা “ভাই আমি খুবই ব্যস্ত, আমার কোন সময় নেই।” আসুন আমরা দেখি কোন ধান্দার পেছনে আমরা পাগলের মত ছুটে চলেছি আর কি নিয়েই বা সমাজের তরুণ বৃদ্ধ সবাই এত ব্যস্ত। এখনকার দিনে তরুণদের একমাত্র ধান্দা হচ্ছে যত বেশী পারা যায় ফুর্তি করা, আনন্দে থাকা, জীবনের স্বাদ উপভোগ করা। সবার মধ্যে একই ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৪ (প্রতিবেশী দেশে দূত প্রেরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/18/the-islamic-state-e24/): যেহেতু, ইসলাম একটি সার্বজনীন দ্বীন এবং এ দ্বীন প্রেরণ করাই হয়েছে মানব জাতির সার্বিক কল্যাণে, তাই হেযাযে ইসলামী দাওয়াত একটা সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছানোর সাথে সাথেই মুহাম্মদ (সা) হেযাযের বাইরে ইসলামের আহবান ছড়িয়ে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করতে লাগলেন। কারণ, আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন,  “এবং আমি তোমাকে সমস্ত সৃষ্টিজগতের জন্য রহমত হিসাবে পাঠিয়েছি।” [সুরা আম্বিয়াঃ ১০৭] আল্লাহতায়ালা সুরা সাবা-তে আরও বলেছেন, “এবং আমি তোমাকে সমস্ত মানবজাতির প্রতি সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী হিসাবে প্রেরণ করেছি।” [সুরা সাবাঃ ২৮] এছাড়া, আল্লাাহতায়ালা সুরা তওবাতে বলেছেন, “নিশ্চয়ই তিনি রাসূল পাঠিয়েছেন হেদায়েত ও সত্যদ্বীন সহকারে যেন এই দ্বীন সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী হয়, যদিও মুশরিকরা তা ঘৃণা করে।” [সুরা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৩ (খায়বারের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/18/the-islamic-state-e23/): আল্লাহর রাসূল (সা) হুদাইবিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ১৫ দিন মদীনায় অবস্থান করেন। এরপর, তিনি (সা) সাহাবীদের খায়বার আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেন। সে সাথে তিনি (সা) এটাও বলেন যে, শুধু যারা হুদাইবিয়া প্রান্তরে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিল তারাই যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। বস্তুতঃ হুদাইবিয়া প্রান্তরে যাত্রা করার পূর্বেই রাসূল (সা) কুরাইশদের সাথে খায়বারের ইহুদী গোত্রগুলোর গোপন আঁতাতের খবর পেয়েছিলেন। মুসলিমদেরকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য তারা একত্রিত হয়ে গোপনে মদীনা আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছিল। গোপন এ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবহিত হবার পরই তিনি (সা) কুরাইশদের সাথে যুদ্ধবিরতী চুক্তি সম্পাদন করার লক্ষ্যে মক্কায় শান্তিপূর্ণ সফরের পরিকল্পনা করেন। যেন, কুরাইশ ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২২ (হুদাইবিয়ার সন্ধি)](https://returnofislam.com/2013/09/17/the-islamic-state-e22/): এভাবে, আল্লাহর রাসূল (সা) মদীনায় হিজরতের পর একে একে ছয়টি বছর পার হয়ে যায়। ইতিমধ্যে, রাসূল (সা) মদীনায় ইসলামী সমাজের সার্বিক সুসংহত অবস্থা এবং শত্রু মুকাবিলায় তাঁর সৈন্যবাহিনীর শক্তিসামর্থ্য সম্পর্কে মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যান। আর, ইসলামী রাষ্ট্রও সমস্ত আরব ভূ-খন্ডে  অন্যতম শক্তি হিসাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কিন্তু, তা সত্তেও, রাসূল (সা) তাঁর দাওয়াতী কার্যক্রম বিস্তারে নতুন নতুন পদক্ষেপের কথা চিন্তা করতে থাকেন, যাতে একই সাথে ইসলামের আহবানও হয় প্রতিনিয়ত শক্তিশালী, আর শত্রুপক্ষ হয় আরও দূর্বল। এরমধ্যে, রাসূল (সা) এর কাছে সংবাদ পৌঁছে যে, খায়বার ও মক্কার লোকেরা একত্রিত হয়ে আবারও মুসলিমদের আক্রমণ করার ফন্দি আঁটছে। এ খবর শোনার পর, মক্কার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২১ (আল-আহযাবের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/17/the-islamic-state-e21/): ওহুদ যুদ্ধের পর অতর্কিত আক্রমণ সহ বিভিন্ন গোত্রের বিরদ্ধে যে সব শাস্তিমূলক পদক্ষেপ রাসূল (সা) নিয়েছিলেন তা মদীনার মুসলিমদের অবস্থানকে পুণরায় উপরে তুলে ধরতে এবং ইসলামী রাষ্ট্রের শাসন-কর্তৃত্বকে সুসংহত করতে গুরুতপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলো । আল্লাহর রাসুলের এ সমস্ত সুচিন্তিত পদক্ষেপ মূলতঃ মুসলিমদের প্রভাব বলয়কে বিস্তৃত করে এবং আরব ভূ-খন্ডে রাতারাতি তাদের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। আর, সমস্ত আরব ভূ-খন্ড মুসলিমদের শক্তিসামর্থ্যের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক হয়ে যায়। এরপর থেকে আরব গোত্রগুলো তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণের গন্ধ পাওয়া মাত্রই মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করার চাইতে পালিয়ে যাওয়াকেই শ্রেয় মনে করতো। গাতফান ও দুমান আল-জুন্দাল গোত্রের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২০ (বিদ্রোহ দমন)](https://returnofislam.com/2013/09/16/the-islamic-state-e20/): বদরের যুদ্ধে মুসলিমদের সংখ্যা ছিলো অতি নগন্য এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের দিক থেকেও তারা ছিলো খুবই দূর্বল। কিন্তু, তারপরও, কাফিরদের সাথে মুসলিমের এ প্রথম মুকাবিলায় মুসলিমরা বীরের মতো বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। মুসলিমদের এ বীরত্বপূর্ণ বিজয় কাফিরদের আত্মবিশ্বাসের ভীত এতো সাংঘাতিক ভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিলো যে, তারা শোকে-দুঃখে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছিলো। এছাড়া, কুফরশক্তির উপর মুসলিমদের এ বিজয় মদীনার অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ সহ ইহুদীদের নানারকম চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকেও অনেকটা দমিয়ে দিয়েছিলো। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ ফল স্বরূপ, কিছু ইহুদী গোত্র মুসলিমদের সাথে শান্তিচুক্তি করতে বাধ্য হয়, আর কিছু গোত্র মদীনা থেকে বিতাড়িত হয়। মদীনাতে মুসলিমদের শক্তিসামর্থ্য ক্রমশঃ বাড়ছিলো, আর কুরাইশরা এক মূহুর্ত সময় নষ্ট না করে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৯ (বনু কুরাইযা গোত্রকে শায়েস্তা)](https://returnofislam.com/2013/09/15/the-islamic-state-e19/): বদরের যুদ্ধের পূর্ব হতেই ইহুদীরা মুসলিমদের প্রতি সবসময়ই তীব্র হিংসা-বিদ্বেষ পোষন করতো। বদরের প্রান্তরে মুসলিমদের নাটকীয় বিজয়ের পর তাদের বিদ্বেষের মাত্রা চরম আকার ধারণ করলো। মুসলিমদের সাথে কৃত চুক্তির কোন তোয়াক্কা না করেই তারা মুসলিমদের অপদস্ত করার জন্য নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র ও হীন পরিকল্পনা করতে থাকলো। মুসলিমরা তাদের বিরুদ্ধে এ সব ষড়যন্ত্রকে দৃঢ়তার সাথে প্ির তহত করেছিলো এবং অত্যন্ত রূঢ় ভাষায় এর জবাব দিয়েছিলো। বনু কুরাইযার বাজারে সংঘটিত জঘন্য ঘটনাটিই প্রমাণ করে দেয় যে, মদীনার ইহুদীরা মুসলিমদের উক্তত্য করার জন্য কত হীন পন্থা অবলম্বন করতো। বনু কুরাইযার বাজারে একবার এক মুসলিম নারী সোনার দোকানে তার গয়না নিয়ে বসেছিলো। এ সময় পেছন থেকে ... Read more - [কেন মিশরে আমেরিকা সফল হতে পারছে না ?](https://returnofislam.com/2013/09/14/why-cant-america-succeed-in-egypt/): সহিংস অভ্যুত্থানের পরে মিশরে ‘old guard’ এর ফিরে আসার প্রতিক্রিয়া মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের বাহিরেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর লক্ষে লড়াই করতে গিয়ে ওবামা প্রশাসনও প্রচন্ড বিক্ষোভের মাত্রা অনুভব করতে পেরেছে। আরব বসন্ত-২০১১ এর শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর বারবার অবস্থার পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার সুযোগগুলো দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এটা এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য আমেরিকার সংশ্লিষ্টতাকে আরো স্পষ্ট করে তোলে। ১৯৭৯ সালে মিশর-ইসরাইল শান্তি চুক্তির পরে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রধান মিত্রশক্তিতে পরিনত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমেরিকা তার মিত্রশক্তির উপর নির্ভর করে। সাধারনত সেনাবাহিনীই সর্বোচ্চ মিত্রশক্তি হিসাবে কাজ করে কারণ তারাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৮ (বদরের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/13/the-islamic-state-e18/): হিজরী দ্বিতীয় সনের রমজান মাসের ৮ তারিখে রাসূল (সা) তিনশত পাঁচ জন সাহাবী ও সত্তরটি উট নিয়ে কাফিরদের উদ্দেশ্যে অভিযানে বের হন। এ সময় তিনি ’আমর ইবন উম্ম মাখতুমকে নামাজে ইমামতির দায়িত্ব এবং আবু লুবাবাহকে মদীনার দায়িত্বে নিযুক্ত করেন। উটের পিঠে চড়ে রাসূল (সা) এর দলটি আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কুরাইশদের এক বাণিজ্য কাফেলাকে খুঁজে ফিরছিলো। পথ চলতে চলতে তারা আবু সুফিয়ানের কাফেলা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে থাকেন। সৈন্যদল দাফরান উপত্যকায় পৌঁছালে রাসূল (সা) সেখানে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় তাদের কাছে খবর পৌঁছে যে, মক্কার কুরাইশরা তাদের বাণিজ্য কাফেলাকে রক্ষা করার জন্য তাদের দিকে ধেয়ে আসছে। মুসলিমদের কাছে এ খবর পৌঁছার ... Read more - [সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের ক্রমবর্ধমান হুমকি অপশক্তির পদধ্বনি](https://returnofislam.com/2013/09/12/the-growing-threat-of-military-intervention-in-syria-is-a-snail-of-the-ups-and-downs/): ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠাকে নস্যাৎ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ দালাল বাশারের বিকল্প তৈরি করাই এর লক্ষ্য আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরোধীতার অজুহাতে আমেরিকা এবং তার মিত্রদের কর্তৃক সামরিক অভিযানের প্রচারণা সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অভিযানকে তারা “মানবতা ও নৈতিকতা রক্ষার” আবরণে ঢেকে রেখেছে অথচ তারা এসবের তোয়াক্কা করেনা। বাগ্রাম, গুয়ানতানামো এবং আবু গারিব কারাগারগুলোতে…আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়াসহ সকল কাফের সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো যুগ যুগ ধরে মানবিক এবং নৈতিক মূল্যবোধকে পদদলিত করেছে…আর গুপ্তচরবৃত্তির কথা না হয় বাদই দিলাম! পারমাণবিক এবং জীবাণু অস্ত্রের অপব্যবহার, ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং পৈশাচিক হত্যাকান্ডের প্রতিযোগীতায় তাদের কুখ্যাতি রয়েছে যার নিদর্শন হিরোশিমা-নাগাসাকি থেকে শুরু করে ইরাক এবং আফগানিস্তান, ককেশাস, ... Read more - [জন্মপূর্বে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ - ইসলামী শরী’আহর হুকুম](https://returnofislam.com/2013/09/12/gender-selection-before-birth/): প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিভিন্নভাবে তার কাঙ্খিত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টা চালিয়েছে এবং অনাকাঙ্খিত সন্তানের জন্ম নিরোধ ও বর্জনের জন্য অতীতে প্রচলিত বহুবিদ উপায়ও অবলম্বন করেছে। আইয়্যামে জাহিলিয়ার যুগে, ছেলে সন্তান খুবই কাঙ্খিত ছিল কেননা সে যুদ্ধ-বিগ্রহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং তাদের গোত্রকে উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে পরিচালিত করবে। অপরদিকে, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পথিত করে ধ্বংস করা হতো। যেমন: আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “আর যখন কন্যা সন্তানকে জিজ্ঞাসা করা হবে কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হলো।” [সূরা আত-তাকউইর: ৯] যখন অনাকাঙ্খিত সন্তান নষ্ট করার অন্যান্য পদ্ধতি উদ্ভাবিত হলো, যেমন: মায়ের গর্ভাশয় পর্যবেক্ষণ করে সন্তানটির লিঙ্গের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা, মানুষ তখন ... Read more - [সিরিয়া: সাম্রাজ্যবাদের লড়াইয়ের নতুন ক্ষেত্র](https://returnofislam.com/2013/09/12/syria-a-new-field-in-the-fight-against-imperialism/): সারা বিশ্বের নজর এখন সিরিয়ার দিকে। দেশি-বিদেশী সমস্ত মিডিয়াতে এই মুহুর্তে আলোচনার বিষয় একটাই আর তা হল কবে আমেরিকা সিরিয়াতে আক্রমন করতে যাচ্ছে। পছন্দের এজেন্টদের ক্ষমতায় যাওয়া নিশ্চিত করতে লিবিয়াতে যখন ১ মাসের মধ্যেই পশ্চিমারা সামরিক হামলা চালিয়েছে, তখন ২ বছরেরও অধিক সময় ধরে চলা সিরিয় সংঘাতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু এবং তার চাইতে বহুগুন বেশি সংখ্যকের উদ্ধাস্তু হিসেবে প্রতিবেশি দেশসমূহে আশ্রয়গ্রহণ স্বত্ত্বেও পশ্চিমাদের নীরবতা লক্ষ্যনীয়। তাহলে কেন হঠাৎ আমেরিকা সিরিয়া আক্রমনের তোড়জোড় শুরু করল? কেনই বা এতদিন পশ্চিমারা নীরব ছিল? সম্ভাব্য এই আক্রমনের লক্ষ্য ও পরিনতিই বা কী হতে পারে? আমেরিকার মদদে ১৯৭০ সালে বাশার আল-আসাদের পিতা হাফিয কর্তৃক সামরিক অভ্যুত্থানের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৭ (ইহুদী এবং খ্রীষ্টানদের সাথে বির্তক)](https://returnofislam.com/2013/09/11/the-islamic-state-e17/): খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অমুসলিমরা মুসলিমদের শক্তিসার্মথ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে যায়। তারা বুঝতে পারে যে, মুসলিমদের শক্তিসার্মথ্য আসলে তাদের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত। আর, তারা এটাও বুঝতে পারে যে, যে হৃদয় ইসলামের জন্য সকল প্রকার অত্যাচার নির্যাতনের পথ পাড়ি দিয়েছে সে হৃদয় কখনো দ্বীন ইসলাম রক্ষায় অকাতরে প্রাণ উৎসর্গ করতে পিছপা হবে না। বরং এ হৃদয় সবসময়ই ইসলাম রক্ষায় অবলীলায় জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। এছাড়া, মুসলিমরা এ সময় মদীনায় তাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করছিলো, ইসলামের সমস্ত হুকুম- আহকামকে বাস্তবায়িত করেছিলো এবং প্রতিদিনই দ্বীন ইসলাম নতুন এক উচ্চতায় উঠছিলো যা মুসলিমদের ক্রমশঃ করছিলো আত্মবিশ্বাসে বলিয়ান ও সত্যিকার অর্থে পরিতৃপ্ত। কিন্তু, ইসলামের শত্রুরা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৬ (মদীনার জীবন)](https://returnofislam.com/2013/09/11/the-islamic-state-e16/): ইসলামের রয়েছে একটি নির্দিষ্ট জীবনব্যবস্থা যেটা মূলতঃ রূপ লাভ করছে জীবন সম্পর্কে কিছু বিশেষ ধ্যানধারনার থেকে। এগুলোই হচ্ছে ইসলামী সংস্কৃতির মূল উপাদান, যেটা অন্য যে কোন সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ন ভাবে আলাদা। ইসলামী জীবনব্যবস্থাকে তিনটি মূল বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ ১.        ইসলামী জীবনব্যবস্থা ইসলামী আকীদাহ বা বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। ২.        ইসলামী জীবনব্যবস্থায় মানুষের সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয় আল্লাহ নির্ধারিত হালাল-হারামের উপর ভিত্তি করে। ৩.        আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই এ জীবনব্যবস্থায় সুখের প্রকৃত অর্থ। এটাই হচ্ছে ইসলামী জীবনব্যবস্থা এবং এ রকম একটি জীবনই মুসলিমদের এক এবং একমাত্র কাম্য। কিন্তু, এ রকম একটি জীবনব্যবস্থা পেতে হলে মুসলিমদের অবশ্যই দরকার একটি ইসলামী রাষ্ট্র, যা ... Read more - [পুঁজিবাদী গণতন্ত্রের মোড়লরাই মুসলিম বিশ্বে স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছে](https://returnofislam.com/2013/09/10/the-twists-of-capitalist-democracy-have-perpetuated-dictatorship-in-the-muslim-world/): ২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানকে গতন্ত্রের বসন্ত, আরবদের বহুদিনের কাঙ্খিত অর্জন ইত্যাদি নানা নামে অভিহিত করেছিল পশ্চিমা পুঁজিবাদী বিশ্ব। বিশ্বে যা কিছু ভাল অর্জন সবই তারা গণতান্ত্রিক চেতনার নামে চালিয়ে দেয়। এক বছরের মাথায় সেনা অভ্যুত্থানে মিসরে বিশ্ব স্বীকৃত প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের প্রেসিডেন্ট মুরসির সরকারের পতন ঘটানো হয়েছে। প্রেসিডেন্টের পক্ষে-বিপক্ষে কয়েক দিন ধরে চলা বিক্ষোভের পর সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান ঘটায়। ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্ট মুরসি ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সাংবিধানিক আদালতের প্রধান বিচারপতি আদলি মানসুরকে মিসরের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সেনাবাহিনী। একই সাথে দেশটির সংবিধান স্থগিত করা হয়েছে এবং সংসদ ভেঙে দেয়া হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল আল ফাত্তাহ আল সিসি দেশে আগাম ... Read more - [মার্ক্সীয় অর্থনীতির মূলভিত্তি ও চিন্তার ভুল](https://returnofislam.com/2013/09/10/the-fundamentals-and-thinking-of-the-marxist-economy-are-wrong/): অর্থনীতিবিষয়ক অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক (Socialist) ধারণার জন্ম হয়েছে বিগত উনিশ শতকে। সমাজতান্ত্রিকরা খুবই কঠোরভাবে পুঁজিবাদী (Capitalist) অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে। সমাজতন্ত্রের এই শক্তিশালী আবির্ভাবের অন্যতম কারণ হল পুঁজিবাদের দ্বারা সৃষ্ট সামাজিক অসমতা। সমাজতান্ত্রিক তত্ত্বগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও প্রভাবশালী হচ্ছে কার্ল মার্ক্সের তত্ত্ব। যার উপর ভিত্তি করে কমিঊনিস্ট পার্টি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান যুগেও তার তত্ত্বের অনেক প্রভাব রয়েছে। তার সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থের নাম হল ‘দাস ক্যাপিটাল’ (পুঁজি) যার মাধ্যমে তিনি পুঁজিবাদী চিন্তাবিদদের আক্রমণ করেন। পুঁজিবাদী অর্থনীতির প্রবক্তা এড্যাম স্মিথ এর মতে, ”কোন পণ্যের মূল্য নির্ভর করে সে পণ্য উৎপাদন করতে যে পরিমাণ শ্রম ব্যয়িত হয়েছে তার উপর।” অর্থাৎ, যে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৫ (জিহাদের সূচনা)](https://returnofislam.com/2013/09/09/the-islamic-state-e15/): মদীনা নামক যে ভূমিকে রাসূল (সা) বসবাস করবার জন্য বেছে নিয়েছিলেন, সেখানে তিনি (সা) ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সাথে সাথেই ইসলামী হুকুম-আহকামও বাস্তবায়ন করেছিলেন। বস্তুতঃ মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরই আল্লাহর তরফ থেকে হুকুম-আহকামের আয়াত নাযিল হতে থাকে। রাসূল (সা) ইসলামী রাষ্ট্রের মূলভিত্তি এবং মদীনার সমাজকে ইসলামী আকীদাহ ও আইন-কানুনের ভিত্তিতেই শক্তিশালী করেছিলেন এবং মদীনার মুসলিমদের (মুহাজির ও আনসার) মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এরপর শরীয়াহর মাধ্যমে ইসলামী শাসনব্যবস্থা মদীনার মুসলিমদের জীবনে বাস্তবিক ভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে ইসলামী শাসনব্যবস্থার আলোকে গঠিত এই সমাজই সমস্ত পৃথিবীতে ইসলামের বার্তা বহনের গুরুদায়িত্ব পালন করে। The number of Muslims substantially increased and they became a ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৪ (জিহাদের প্রস্তুতি)](https://returnofislam.com/2013/09/08/the-islamic-state-e14/): মদীনার প্রান্তসীমায় অবস্থিত ইহুদী গোত্রগুলোর সাথে চুক্তি সম্পন্ন হবার পর রাসূল (সা) যখন বুঝলেন যে, মদীনার নবগঠিত ইসলামী সমাজ দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তখন তিনি জিহাদের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করলেন। কারণ, দ্বীন ইসলামের আহবানকে সমস্ত পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিয়ে কুফর নিয়ন্ত্রিত ভূমিকে ইসলামের পতাকাতলে নিয়ে আসা ইসলামী রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। আর ইসলামের আহবানকে ছড়িয়ে দেবার এ কাজটি কোন ভাবেই মিশনারীদের কাজের সাথে তুলনীয় নয়। বরং, ইসলামী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো মানুষকে ইসলামের দিকে আহবান করা, তাদেরকে ইসলামী ধ্যান-ধারণা ও হুকুম-আহকাম শিক্ষা দেয়া ও সমাজের মানুষকে এ আলোকে গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি সমাজ ও রাষ্ট্রে দ্বীন ইসলাম বাস্তবায়নের পথে যে কোন ধরনের ... Read more - [মুনকার পরিবর্তনের জন্য শক্তি প্রয়োগ সামর্থ্যের উপর নির্ভরশীল](https://returnofislam.com/2013/09/07/armed-rebellion-against-the-ruler-depends-on-the-ability-of-the-rebel/): মুনকারের অপসারন একটি ফরজ দায়িত্ব এবং একে প্রতিহত করার জন্য শক্তিপ্রয়োগ নির্ভর করে সামর্থ্যের উপরে। শরীয়াহ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত এবং নিষিদ্ধ সমস্ত কাজই হচ্ছে মুনকার, যেমন কোন ফরয কাজে অবহেলা করা অথবা কোন হারাম কাজ সম্পাদন করা। মুনকারের অপসারন করা আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত হুকুম শর’ঈ যা ব্যক্তিগত, দলগত, সাংগঠনিক, জাতিগত এবং রাষ্ট্রীয় সমস্ত পর্যায়ে সকল মুসলিমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আবু সাঈদ আল খুদরী থেকে মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, “আমি রাসূল (সা) কে বলতে শুনেছি, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ কোন মুনকার দেখে তাহলে সে যেন তার হাত দিয়ে তা পরিবর্তন করে দেয়, যদি সে তাতে সক্ষম না হয় তাহলে সে যেন মুখ দিয়ে তা সম্পাদন ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৩ (ইসলামী সমাজ গঠন)](https://returnofislam.com/2013/09/06/the-islamic-state-e13/): আল্লাহ তা’য়ালা প্রতিটি মানুষকে দিয়েছেন বেঁচে থাকার প্রবৃত্তি। এ প্রবৃত্তির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ীই মানুষ সবসময় একত্রিত হয়ে দলবদ্ধ ভাবে বসবাস করতে চায়। আর দলবদ্ধ মানুষের পরস্পরের উপর নির্ভরশীলতা এবং একে অন্যের সাথে মেলামেশা একটি স্বাভাবিক প্রকৃতিগত ব্যাপার। কিন্তু, শুধুমাত্র কিছু মানুষের দলবদ্ধ ভাবে বসবাসের ব্যাপারটি একটি সমাজ তৈরী করে না। মূলতঃ ততক্ষন পর্যন্ত এই দলবদ্ধ মানুষগুলো একটি সমাজ তৈরী করতে পারে না, যতক্ষন পর্যন্ত না তারা সকলের মাঝে বিদ্যমান একই ধরনের কিছু চিন্তা-ভাবনা দ্বারা পরস্পর আবদ্ধ হয়। একই ধরনের কিছু কারণকে নিজেদের অস্তিত্বের জন্য বিপদজনক বা হুমকি মনে করে থাকে এবং তা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে চায়। দলবদ্ধ কিছু মানুষের মধ্যে যদি ... Read more - [সিরিয়া আক্রমনে ইউরোপের অবস্থান](https://returnofislam.com/2013/09/05/europe-strategy-in-syria-attack/): বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী, ডেভিড ক্যামেরন গত ২৯শে আগষ্ট মানবিকতার দোহাই দিয়ে আবেগপ্রবন আবেদন করা সত্ত্বেও সিরিয়ায় সামরিক সংশ্লিষ্টতার জন্য সংসদীয় অনুমোদন নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। বৈশ্বিক বিষয়াদি, বিশেষ করে সিরিয়ার জন্য যখন আমেরিকা একটি জোট গঠন করতে সচেষ্ট তখন ইউরোপীয় অবস্থান (বিশেষ করে বৃটেন ও ফ্রান্স) অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। যখন আরব বসন্তের বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত ঘটনাবলী ক্রমাগতভাবে বিশ্বকে কাঁপিয়ে চলছে, তখন ইউরোপ ও আমেরিকার বিভাজন ও মতানৈক্য আরো প্রকটভাবে প্রকাশিত হচ্ছে। বৃটেন ও ফ্রান্স উভয়েরই বিশ্ব ময়দানে বিভিন্ন উচ্চাকাঙ্খা রয়েছে। কিন্তু উভয়েই বিশ্বশক্তি আমেরিকা কর্তৃক পর্যদুস্ত হয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশক্তি হিসেবে উভয়কে প্রতিস্থাপন করে আমেরিকা ও সোভিয়েত রাশিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১২ (ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা)](https://returnofislam.com/2013/09/04/the-islamic-state-e12/): আল্লাহর রাসূল (সা) অবশেষে মদীনায় এসে পৌঁছালেন এবং বিপুল সংখ্যক মদীনাবাসী তাঁকে সানন্দে বরণ করে নিলো। এদের মধ্যে মুসলিম, ইহুদী ও মূর্তিপূজারী সবধরনের মানুষই ছিলো। মদীনাবাসী অধীর আগ্রহে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিলো এবং সকলেই সাক্ষী হতে চেয়েছিলো সেই আনন্দঘন মূহুর্তের, যখন আল্লাহর রাসূল (সা) উপস্থিত হবেন তাঁর নতুন আবাসভূমিতে। সেখানে উপস্থিত হওয়া মাত্রই মুসলিমরা তাকে ঘিরে ধরলো এবং আন্তরিক আথিতেয়তার মাধ্যমে তাঁর সেবাশ্রষশার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লো। বস্তুতঃ ইসলামের আহবানকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য তারা তাদের জীবন বাজি রাখতেও প্রস্তুত ছিলো। আনসারদের মধ্যে সবাই চাচ্ছিলো যেন নবী (সা) তার গৃহেই অবস্থান করে। কিন্তু রাসূল (সা) তাঁর উটনীর রশি ছেড়ে দিলেন। উটনী ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১১ (আকাবার দ্বিতীয় শপথ)](https://returnofislam.com/2013/09/03/the-islamic-state-e11/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আকাবার প্রথম শপথ ছিলো মুসলিমদের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত ও সাহায্য। কারণ, যদিও এ শপথের সময় মাত্র অল্পকিছু মদীনাবাসী ইসলাম গ্রহন করেছিলো, তারপরও মুসা’ব (রা) এর একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার ফলে মাত্র একবছরের মধ্যে মদীনাবাসীর মধ্যে প্রচলিত ভ্রান্ত ও ঘুঁণেধরা ধ্যান-ধারনা ও আবেগ-অনভূতিগুলো পরিবতির্ত হয়ে গিয়েছিলো। যা কিনা মক্কায় এর থেকে অনেক বেশী সংখ্যক মানুষ ইসলাম গ্রহন করার পরও সম্ভব হয়নি। মক্কার জনগোষ্ঠির একটা বিরাট অংশ নিজেদের ইসলামের আহবান থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলো এবং ইসলামকে সম্পূর্নভাবে প্রত্যাখান করেছিলো, ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১০ (মদীনায় দাওয়াতী কার্যক্রম)](https://returnofislam.com/2013/09/01/the-islamic-state-e10/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আনসারদের যে দলটি রাসূল (সা) এর সাথে আকাবায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলো, তারা মদীনায় ফিরে যাবার পর সেখানকার প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যায় ইসলামের আহবান। পরবর্তীতে তারা আল্লাহর রাসূল (সা) এর কাছে দ্বীন ও কুরআন শিক্ষার জন্য মদীনায় একজনকে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি প্রেরণ করে। রাসূল (সা) সাধারনত যারা ইসলাম গ্রহন করতো তাদেরকে পরিপূর্ণ ভাবে ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত করতেন এবং তাদেরকে ব্যক্তিত্বকে ইসলামের আলোকে গঠন করতেন, যেন তারা পুরোপুরি ভাবেই ইসলামের আদর্শকে উপলব্ধি করতে পারে। বস্তুতঃ ইসলামের আলোকে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৯ (আকাবার প্রথম শপথ)](https://returnofislam.com/2013/08/30/the-islamic-state-e9/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আকাবার প্রথম শপথ: পরের বছর মদীনা থেকে বারো জনের একটি দল হজ্জ্বের উদ্দেশ্যে মক্কায় আগমন করে এবং আকাবার উপত্যকায় মুহাম্মদ (সা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে। এখানেই তারা মুহাম্মদ (সা) এর সাথে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়, যা আকাবার প্রথম শপথ নামে পরিচিত । তারা আল্লাহর রাসূল (সা)-কে এ মর্মে অঙ্গীকার দেয় যে, তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না, চুরি করবে না, অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন (জিনাহ) করবে না, তাদের সন্তানদের হত্যা করবে না, প্রতিবেশীর সাথে দূর্ব্যবহার করবে না এবং সর্বাবস্থায় ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৮ (দাওয়াতী কার্যক্রমের সম্প্রসারণ)](https://returnofislam.com/2013/08/28/the-islamic-state-e8/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুহাম্মদ (সা) বনু সাকিফ এবং তায়েফ গোত্র কর্তৃক নির্মম আঘাতে ক্ষতবিক্ষত এবং হজ্জের মৌসুমে কিন্দা, কালব, বনু ’আ-মির ও বনু হানিফা কর্তৃক সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাখ্যাত হবার পর থেকেই মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা) এবং তাঁর সাহাবীদের প্রতি কুরাইশদের সহিংসতা চুড়ান্ত আকার ধারন করে। এ অবস্থা কুরাইশদের মুহাম্মদ (সা) এবং তাঁর দলকে সমাজ ও বর্হিজগৎ থেকে আরো বিচ্ছিন্ন করার সুযোগ তৈরী করে দেয়। কিন্তু এ সমস্ত ঘটনা আল্লাহর রাসূল (সা) ও তাঁর সাহাবীদের দৃঢ় ঈমানে না কোন ফাটল ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৭ ইসলামী দাওয়াতের দুটি পর্যায়](https://returnofislam.com/2013/08/27/the-islamic-state-e7/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মক্কায় মুহাম্মদ (সা)-এর দাওয়াতী কার্যক্রমের মূলত দুটি পর্যায় রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাসূল (সা) সাহাবীদের দ্বীন শিক্ষা দেন এবং তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আত্মিক উন্নতি ঘটান। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে দ্বীন ইসলামের প্রচার করেন এবং সেই সাথে শুরু হয় সংগ্রাম। প্রথম পর্যায়ের মূল লক্ষ্য ছিল দ্বীনের এই সম্পর্কে নতুন ধ্যান-ধারণা তাদের অন্তরে দৃঢ় ভাবে প্রোথিত করে সেই আলোকে তাদের চরিত্রকে গড়ে তোলা এবং তাদের সংগটিত করা। আর পরবর্তী  পর্যায়ের  লক্ষ্য ছিল  এই আদর্শ  ভিত্তিক  ধ্যান-ধারণা  গুলোকে  এমন এক  চালিকা  ... Read more - [আমেরিকা কি সিরিয়া আক্রমন করবে?](https://returnofislam.com/2013/08/27/america-syria/): গত বুধবার, ২১ আগষ্ট, সিরিয় সরকার দামেস্কের পাশেই আল-ঘুটায় জনসাধারনের উপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে আক্রমন চালিয়ে প্রায় ১৭২৯ জনকে হত্যা করে। এর একদিন পরেই ফরাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট ফেবিয়াস বলেন, এধরনের আক্রমন প্রমানিত হলে ‘পাল্টা আক্রমন’ (reaction with force)-এর প্রয়োজন হতে পারে। গত শুক্রবার ২৩শে আগষ্টে আমেরিকার প্রতিরক্ষা সচিব চাক হেজেল বলেন, ক্রুজ মিসাইল দ্বারা সম্ভাব্য আক্রমনের প্রস্তুতির জন্য নৌবাহিনীর কিছু এসেট সিরিয়ার কাছে পৌছানোর আদেশ দিয়েছে পেন্টাগন। এছাড়া বৃটেনও খুব শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাথে কথা বলেন এবং ঐক্যমতে পৌছান যে এধরনের অস্ত্র ব্যবহারের বিপক্ষে একটি ‘শক্তিশালী জবাব’ (serious response) দিতে হবে। গত রবিবার, ওয়াশিংটনের বেশ কিছু ... Read more - [সন্তানকে সবার আগে নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষা দিন](https://returnofislam.com/2013/08/25/give-moral-and-ideological-education-to-the-child-first/): অনেক কষ্ট করে একটি সন্তানকে ছোট থেকে বড় করার পর তার কাছ থেকে পিতা-মাতা ও অভিভাবকগণ অন্তত: এতোটুকু অবশ্যই আশা করেন যে, তারা যেন তাদেরকে মান্য করে, শ্রদ্ধা করে এবং কখনো তাদের অবাদ্ধাচারণ না করে। কিন্তু আমাদের আজকের সমাজের সম্মানিত অভিভাবকগণ কি তাদের আদরের সন্তানদের কাছ থেকে এমন ন্যুনতম শালীন ও উত্তম ব্যবহার পাচ্ছেন? বাস্তবতার আলোকে সত্য কথা বলতে গেলে অধিকাংশ অভিভাবকগণই দু’চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না। আজকাল অনেককে খুবই দুঃখ ও আক্ষেপ করে বলতে শোনা যায় যে, ‘সন্তান কথা শুনে না। তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে।’ সাম্প্রতিক সময়ে তো অবস্থা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। সন্তান কর্তৃক আপন পিতাকে হত্যার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৬ (ইসলামী দাওয়াতের জনসংযোগ পর্যায়)](https://returnofislam.com/2013/08/25/the-islamic-state-e6/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসূল (সা) দাওয়াতী জীবনে আপোসের পরিবর্তে সংগ্রামের পথই বেছে নিয়েছিলেন এবং তাঁর দলকে কুরাইশদের সামনে সরাসরি এবং দৃঢ় ভাবে উপস্থাপন করে তাদের দিকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। ফলে, কুরাইশদের উপর এর প্রভাব যা হবার কথা তাই হয়েছিল। ইসলামের এ দৃঢ় আহবানকে অস্বীকার করায় তাদের এর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। এছাড়া ইসলামের আহবানের যে প্রকৃতি ছিল তা স্বভাবতই একে কুরাইশ এবং তৎকালীন সমাজের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত করেছিল। কারণ, এ আহবান ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৫ (দাওয়াতী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সহিংসতা)](https://returnofislam.com/2013/08/24/the-islamic-state-e5/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুহাম্মদ (সা) কে যখন আল্লাসে অনুযায়ী দরদাম হাঁকতে পারে? আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রথমদিকে রাসূল হিসাবে মনোনিত করেন, তখন মক্কার মুশরিকরা তাকে এবং তাঁর প্রচারিত বানীকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে। দাওয়াতী কাজের প্রাথমিক দিকে কুরাইশরা তাঁর আহবানকে সাধু-সন্যাসীদের সমগোত্রীয় ভেবে উপেক্ষা করতে থাকে এবং ভাবতে থাকে যে, ইসলাম গ্রহণকারী মুসলিমরা হয়তো ধীরে ধীরে আবার তাদের পূর্বপুরুষের ধর্মে প্রত্যাবর্তন করবে। মূলতঃ এই কারনেই কুরাইশরা প্রথমদিকে তাঁর (সা) কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। মুহাম্মদ (সা) যখনই কুরাইশদের সম্মুখীন হতেন তারা বলতো, “এই ... Read more - [শাইখ তাকী উদ্দিন আন-নাবহানীর সংক্ষিপ্ত জীবনী](https://returnofislam.com/2013/08/23/short-biography-of-shaikh-taqi-uddin-an-nabahani/): এটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’লার ইচ্ছা যে আমরা মহাকালের একেবারে শেষ সময় অতিবাহিত করছি। এটা এমন এক যুগ যখন কুফরের কালো রাত এমনভাবে আমাদের ঘিরে রেখেছে যে, যেকোন সৎ লোক শুধুমাত্র পদে পদে ধাক্কা খাবে। আল্লাহ্‌’র জমিনে আল্লাহ্‌র আইন আজকে নির্বাসিত, অথচ অপরাধ ও শোষণের অবাধ চর্চা সবজায়গায়। কিন্তু, ইনশাআল্লাহ্‌, এই কালো রাত একদিন শেষ হবে, খিলাফাহ’র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নতুন দিনের সূর্য উদয় হবে, সেই সাথে যারা নির্ঘুমভাবে সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে তাদের জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসবে। এই খিলাফাহ’র ডাক, যা হারিয়ে গিয়েছিল, তা এখন যেকোন মানুষের মুখে, এই খিলাফাহ’র ডাকই এখন নতুন করে উদয় হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, ... Read more - [টিকফা চুক্তি: মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অর্থনৈতিক দাসত্বের কৌশলপত্র](https://returnofislam.com/2013/08/22/tikfa-agreement/): গত ১৭ জুন, ২০১৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রী পরিষদ সভায় টিকফা চুক্তির খসড়া অনুমোদন হয়। মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া দাবি করেন- “এ চুক্তির কারণে আমেরিকা আর একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবেনা”। যদিও দুই সরকারের কোনো এক পক্ষ এ চুক্তির কোনো ধারা উপধারা বিস্তারিতভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ করেনি শুধুমাত্র কিছু অস্পষ্ট বিবৃতি দেয়া ছাড়া, যেমন: ‘বাংলাদেশের জন্য এ চুক্তি সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিবে’, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি একটি বিরাট মাইলফলক’ এবং আরো অনেক কিছু। তাই এ চুক্তির বিষয়বস্তু যা প্রকাশিত হয়েছে তার গভীর বিশ্লেষণের প্রয়োজন। এর জন্য আমরা সাহায্য নিব, টিকফার খসড়া, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সাথে ... Read more - [ইলমুল ফিকহ : উৎপত্তি ও বিকাশ](https://returnofislam.com/2013/08/21/origin-and-development-of-ilmul-fiqh/): ভূমিকা: “প্রত্যেক জিনিসেরই একটি স্তম্ভ রয়েছে। দ্বীন ইসলামের স্তম্ভ হলো ফিকহ” [হাদীস]   ইসলাম মানুষকে তার জীবন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও বুদ্ধিবৃত্তিক একটি আকীদা প্রদান করে যা তাদের সকল চিন্তা, আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মূলভিত্তি। এরূপ কোন ভিত্তি এমন একটি সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থার অস্তিত্ব দাবী করে যার প্রতিটি অংশ হবে মূল আকীদার অনুগামী ও তার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অতএব, ইসলামী জ্ঞানের এমন একটি শাখার আর্বিভাব অনিবার্য ছিল যা ব্যবহারিক জীবনের এই চাহিদাকে সম্পূর্ণ করবে। “ইলমুল ফিকহ” হচ্ছে ইসলামী জ্ঞানের সেই বিশেষ শাখা। ফিকহ এর সংজ্ঞা: প্রখ্যাত অভিধান বিশারদ আল্লামা আবুল ফযল জামালুদ্দীন মুহাম্মদ আল মিসরী (রহ) বলেন, العلم بالشيء والفهمُ له “ফিকহ শব্দের আভিধানিক ... Read more - [দালাল সৌদি রাজপরিবারের ইতিহাস](https://returnofislam.com/2013/08/21/al-saud-the-puppet-rulers/): [১. মিশরের মুরসি সরকারের পতনের পর সৌদি সরকারের ভূমিকায় মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এই দালাল রাজপরিবারের ইতিহাস তাই মুসলিম উম্মাহর জেনে রাখা প্রয়োজন। ২. সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনাকে ওয়াহাবী মতবাদের সমালোচনা হিসেবে ভেবে যারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন, তারা লক্ষ করুন – এই নোটে কোথাও ওয়াহাবী মতবাদের প্রশংসা/সমালোচনা করা হয়নি – এটা এখানে প্রাসঙ্গিকও নয়। এখানে স্রেফ বলা হয়েছে – সৌদ পরিবার মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের প্রতীক উসমানিয়া খিলাফত ভাঙতে ওয়াহাবী মতবাদকে ব্যবহার করেছিল। আর সৌদ পরিবার জেনে-বুঝে দালালি করেছে তৎকালীন বিশ্বমোড়ল ও খিলাফতের শত্রু ব্রিটেনের। ৩. মাজারকেন্দ্রিক শিরকের চর্চা আর কবর জিয়ারত এক কথা নয়। মাজারকেন্দ্রিক শিরক পরিত্যাজ্য, কিন্তু কবর জিয়ারত ... Read more - [আল-ওয়ালা ওয়াল-বারা](https://returnofislam.com/2013/08/21/al-wala-wal-bara/): সূচনা: তিনটি কারণে ‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এক. ধারণাটি ইসলামি আক্বীদার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন প্রধান ভিত্তি। শাইখ আহমাদ ইবনে আতিক (রহ) বলেন: “তাওহীদের বাধ্যবাধকতা এবং এর বিপরীতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির পরে আল্লাহ্‌র কিতাবে অন্য কোন বিষয়েই ‘আল ওয়ালা ওয়াল বারা’-র চেয়ে বেশি প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অন্য কোন বিষয় এতো পরিষ্কারভাবে ব্যখ্যা করা হয়নি।” যদি ওয়ালা’ (আনুগত্য) বলতে আল্লাহ, তার নবী-রাসূলগণ ও মুমিনদের প্রতি নিষ্ঠাপূর্ন ভালোবাসা ও সহযোগিতা প্রকাশকে বোঝায়। অন্যদিকে বারা’ (সম্পর্কচ্ছেদ) বলতে মিথ্যা ও মিথ্যার অনুসারী মানুষদের সাথে শত্রুতা পোষন ও সম্পর্কচ্ছেদ বোঝায়। আর প্রকৃতপক্ষে এসবের উদ্ভব ঈমানের সবচেয়ে মৌলিক বিষয়গুলো থেকেই। দুই. মুসলিমরা বর্তমানে এমন একটি কঠিন ... Read more - [সিরিয়ার দামেস্ক হতে উম্মাহর এক সিংহের গর্জন](https://returnofislam.com/2013/08/21/roar_of_a_lion_from_dameshk_syria/): দামেস্কের বিভিন্ন এলাকায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে নৃশংস হত্যাকান্ড বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উম্মাহ্‌’র সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ কর্তৃক আশ-শামের জনগণের সাহায্যে এগিয়ে আসার এটাই যথোপযুক্ত সময়! এই নরঘাতক [বাশার] এবং তার চক্রান্তের সহযোগী এবং যারা উম্মাহ্‌’র শত্রু পূর্ব-পশ্চিমা রাষ্ট্রসমূহ কর্তৃক সরবরাহকৃত রাসায়নিক অস্ত্রের মতো বিভিন্ন মারণাস্ত্র দ্বারা আমাদেরকে হত্যা করেছে, তাদের পরাজিত করার এটাই যথোপযুক্ত সময়! শোকার্ত মা আর শ্বাসকষ্টে কাঁতর শিশুদের কান্নার রোল এতটাই প্রবল ছিল যে, ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র ও পশ্চিমা মারণাস্ত্রের শিকার নারী-পুরুষ-শিশুর মরদেহের স্তুপে দাঁড়ানো স্বাধীনতাকামী বীর যোদ্ধাগণ এবং এক আল্লাহ্‌’তে বিশ্বাসী উন্নত শিরে শোক প্রকাশকারীগণের গর্জনেও তা শোনা যাচ্ছিল। বাশার এবং মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি শাসককে লানত বর্ষণ করতে গিয়ে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: মিশর, মালী, সৌদি ও কাতার সংক্রান্ত কিছু ঘটনাবলির বিভ্রান্তি ও এর জবাব](https://returnofislam.com/2013/08/21/egypt-mali-saudi-qatar/): প্রশ্ন: সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাবলি আমার কিছু ধারনার মধ্যে বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে: ১. আমরা সবাই জানি, মিশরের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করে আমেরিকা। তাই যদি হয়ে থাকে, কেন হচ্ছে সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্য এবং কুয়েতের মতো দেশ মিশরকে আর্থিকভাবে সাহায্য করছে যেখানে এইসব দেশ ব্রিটেনের দালালী করে? ২. মালীতে বিদ্রোহীদেরকে দমানোর জন্য ফ্রান্সকে সাহায্য করছে মধ্যপ্রাচ্য যদিওবা মালীতে প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে ব্রিটেনের কোন প্রভাব নেই? ৩. আরও লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের আল-আরাবিয়া চ্যানেল এবং কাতারের আল-জাজিরা চ্যানেল অভিন্ন বিষয়ে একে অপরের বিপরীতমুখী বক্তব্য দিতে দেখা যায় যদিওবা তারা উভয়ই ব্রিটেনের দালালি করে, সেই সাথে কাতারে সাম্প্রতিক যে পরিবর্তনটা হল তাতে কি ব্রিটেনের স্বার্থে কি কোন আঘাত হানবে? ... Read more - [ধর্মনিরপেক্ষতার মুখ ও মুখোশ](https://returnofislam.com/2013/08/03/face_and_mask_of_secularism/): আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যেই দাবি করে, তারা ধর্মনিরপেক্ষ। তাদের ভারতমাতাও প্রকাশ্যেই বলে, বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ সরকার চায় ভারত। আবার এই আওয়ামী লীগনেত্রী শেখ হাসিনাই দাবি করেন, তারা বাংলাদেশে ইসলামের সেবক! নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান তো বলেছেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পক্ষেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব! ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশ পরে মুখে নিজেদের ইসলামের সেবক দাবিকারী এই শ্রেণির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কতটুকু ধর্মনিরপেক্ষতা বোঝেন, আর কতটুকুই বা ইসলাম বোঝেন, সেটা একটু খতিয়ে দেখা দরকার। Secularism বা ধর্মনিরপেক্ষতা মতবাদটিকে “সকল ধর্মের সমান স্বাধীনতা” বা “সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে” – এই মুখোশে বোঝাতে চান কেউ কেউ। প্রকৃতপক্ষে সেকুলারিজম মানে হলো, ধর্মীয় আইন-কানুন থেকে রাষ্ট্র আলাদা থাকবে। Oxford ... Read more - [পশ্চিমা সমাজে স্বাধীনতা](https://returnofislam.com/2013/07/26/freedom-in-west/): জীবন থেকে দ্বীনকে পৃথকীকরণের ধারণার বশবর্তী হয়ে পশ্চিমারা নিজেদেরকে আইন তৈরির ক্ষমতা প্রদান করেছে। এটা এই দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করে যে মানুষ অন্যের তোয়াক্কা না করে এমন জীবনযাপন করবে যাতে সে নিজেকে পরিতুষ্ট করতে পারে; যেখানে তার নিজের খেয়ালখুশীর প্রতিফলন ঘটবে কিন্তু অন্যদের নয়। তারা মনে করে মানুষ এরূপ অধিকার ভোগ করতে পারবে না যদি না সে স্বাধীন হয়। আর এটা থেকেই পাওয়া যায় বিশ্বাস, মালিকানা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ধারণা। এটা স্বাধীনতার এ ধারণাকে পবিত্র বলে বিবেচনা করে। এই স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কৌশলগত অর্থ রয়েছে। বিশ্বাসের স্বাধীনতা একজনকে পছন্দসই ধর্ম বেছে নেয়ার সুযোগ করে দেয়। অথবা দৈনন্দিন ব্যাপার হলেও তাকে এক বিশ্বাস ... Read more - [খিলাফত প্রতিষ্ঠার পর পূর্বের লেনদেন, চুক্তি ও বিচারিক রায়ের ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত হবে?](https://returnofislam.com/2013/07/26/post-khilafah-cases/): পুনঃরায় খিলাফত প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ১। পুর্বে যে সকল বিষয়ে বিচার কার্যকর হয়েছে?২। পুর্বের যেকোন লেনদেন৩। বর্তমানের যেকোন চুক্তিগুলো কি করা হবে? তা হতে পারে ব্যাক্তি পর্যায়ে বা সরকার পর্যায়ে। খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্বেকার চুক্তি, লেনদেন ও বিচারিত রায় যা নিষ্পন্ন হয়েছে এবং কার্যকর করা হয়ে গেছে তা খিলাফতের আগের সময়ে বৈধ। খিলাফতের বিচারব্যবস্থা এ ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করবে না বা মামলা পুনরায় শুরুও করবে না। এদের ব্যাপারে খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবার পর নতুন কোন মামলা গৃহীত হবে না। তবে দুটি বিষয় এর বাইরে থাকবে; ১) খিলাফতের পূর্বে যে মামলাটি নিষ্পন্ন হয়েছে এবং কার্যকরী হয়েছে ... Read more - [মুরসি পরবর্তী মিশর কোন দিকে যাচ্ছে?](https://returnofislam.com/2013/07/15/egypt-after-mursi/): গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসির ক্ষমতা চ্যুতির পরে, মিশর আবারো অস্থিতিশীল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। মুরসির স্বপক্ষে ও বিপক্ষে হাজারো সমর্থক রাস্তায় অবস্থান করছে। তারা পরস্পর এবং সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ায় সহিংস ঘটনার সূত্রপাত ঘটছে। মুরসির সংঘটন, মুসলিম ব্রাদারহুড দেশকে সিরিয়ার মতো সংঘাতের দিকে ঠেলে দেয়ার জন্য সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে অভিযুক্ত করেছে। রিপাবলিক গার্ড কম্পাউন্ডের সামনে সেনাবাহিনী কতৃক মুরসির সমর্থক ৫১ জন হত্যা ও ৪৩০ জন আহত হওয়ার পর ব্রাদারহুড এই অভিযোগ তুলল। অপরদিকে সেনাবাহিনী আন্দোলনরত মুরসির সমর্থকদের “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়েছে। বিদ্যমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে তাকালে যে কারো প্রশ্ন জাগবে, কোন দিকে যাচ্ছে মিশর? মূলত তিনটি কারণের ভিত্তিতে সেকুলার দলগুলো জনগণকে ... Read more - [সাম্প্রতিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিশ্লেষণ](https://returnofislam.com/2013/07/10/recent-politics-bd/): بسم الله الرحمن الرحيم  দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশের অবস্থান। কিছুতেই যেন কাটছে না এই অস্থিতিশীলতা। একের পর এক ট্র্যাজেডি, দুর্ঘটনার নামের আড়ালে হত্যাকান্ড, খুন, গুম, ধর্ষণ ছাপিয়ে আসে নিত্যনতুন ইস্যু। বাংলাদেশ যেন আজ ইস্যুবহুল রাষ্ট্রের আঁধারে ডুবে থাকা একটি ভূমি। প্রতি নির্বাচনের পূর্বেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে যায়, এই বিষয়টি আমাদের কমবেশি জানা। কারণ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেই এই উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদীরা বহু আগে থেকেই তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে আসছে; এ নতুন কিছু নয়। তবে এইবারে বাংলাদেশের অবস্থা যেন একটু ভিন্ন। প্রতিবার আমরা রাজনৈতিক সংঘাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের কারসাজি দেখতে পাই, যা কিনা এক কথায় নির্বাচন পূর্ববর্তী মঞ্চ ... Read more - [সারা বিশ্বে একইসাথে চাঁদ দেখার পক্ষে বিভিন্ন আলেমদের বক্তব্য](https://returnofislam.com/2013/07/08/worldwide-moon-sighting/): সারা বিশ্বে একইসাথে চাঁদ [ইত্তিহাদ উল মাতো’লী] দেখা নিয়ে বিভিন্ন আলেমদের বক্তব্য: ইমাম আন-নাসাফী (মৃ: ৭০১ হি) বলেন: وَيَلْزَمُ أَهْلَ الْمَشْرِقِ بِرُؤْيَةِ أَهْلِ الْمَغْرِبِপূর্বের বাসিন্দাদের (চাঁদ) দেখা পশ্চিমের বাসিন্দাদের উপর আরোপিত হবে। [বাহরুর রায়েক শরহু কানযিদ দাকায়েক, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ১৮০] ফাতওয়ায়ে ইবনু তাইমিয়্যা গ্রন্থের বলা হচ্ছে- يشمل كل من بلغه رؤية الهلال من اى بلد او اقليم من غير تحديد مسافة اصلاঅর্থাৎ নব চাঁদ উদিত হওয়ার সংবাদ যতটুকু পৌঁছবে ততটুকু তার আওতাভূক্ত হবে। তা কিছুতেই দূরত্বের কারণে কোন দেশ, মহাদেশ বা অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকবে না। [ফাতওয়ায়ে ইবনু তাইমিয়্যা, খন্ড-২৫, পৃঃ-১০৭] অথবা [তামামুল মিন্নাহ ১/৩৯৮] উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম ও গবেষক আল্লামা আশরাফ ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: বাবার চাচা ও মায়ের মামার সামনে হিজাবের উন্মুক্ততা সংক্রান্ত](https://returnofislam.com/2013/07/06/hijab-with-parents-uncle/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু নারীর জন্য কি এটি জরুরী যে সে তার পিতার চাচা ও মায়ের মামার সামনে হিজাব উন্মুক্ত না করে আসবে? আল্লাহ আপনাকে বরকতময় করুন সম্মানিত ভাই আমার। উত্তর: ওয়া আলাইকুম আস-সালামু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু পবিত্র আল্লাহ বলেন: [তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা…] সুতরাং তিনি ব্যক্তির ভাইয়ের কন্যাগণকে হারাম করেছেন এবং তার ভাইয়ের পুত্রগণের কন্যাগণকেও হারাম করেছেন এবং এদের বাইরে এই ধারার ... Read more - [মুরসির পতন](https://returnofislam.com/2013/07/04/fall-of-mursi/): মিশরে মুরসির পতনে যেসব ইসলামপন্থী ব্যথিত হয়েছেন, তাদের আবেগকে সম্মান জানাই। মুরসির পতনে এটা স্পষ্ট যে, পাকিস্তানের মতো মিশরেও প্রকৃত শাসনকর্তৃত্ব মার্কিনপন্থী সেনাবাহিনীর হাতেই। এছাড়া বিচার বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মিডিয়া পশ্চিমাঘেঁষা হওয়ায় মিশরের সর্বময় কর্তৃত্ব পেছন থেকে মার্কিনীদের হাতেই ছিল এবং আছে। অথচ মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতা মুরসি এই মার্কিনীদের খুশি রাখার চেষ্টা কম করেননি। ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্লোগান দিয়ে গত ৩০ জুন ২০১২-তে ক্ষমতায় এলেও গত এক বছরে মিশরে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ মুরসি নেননি। বরং এমন একটি সংবিধান গ্রহণ করেছেন যেটি হোসনী মোবারক আমলের মতোই আলংকরিকভাবে ইসলামের কথা বলে – যেমনটা পাকিস্তানের সংবিধানে আছে বা বাংলাদেশ সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: অনৈসলামিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকারের দাবী করা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2013/07/01/is-it-legal-to-demand-their-rights-in-the-non-islamic-system/): প্রশ্ন: অনৈসলামিক ব্যবস্থায় নিজেদের অধিকারের দাবী করা কি বৈধ? উদাহারনস্বরূপ, বর্তমান কুফর ব্যবস্থায় আমরা কি কোর্টে বিচারের জন্য যেতে পারি ? যদি যাওয়া যায় তবে তার জন্য কোন শর্ত আছে কি? উত্তর: ১। কোন ব্যক্তি তার অধিকার আদায়ের জন্য, তা দাবী করতে পারে। যদি তার উপর কোন জুলুম হয়, তবে তা থেকে নিজেকে রক্ষা করা ও নিজেকে সঠিক বলে প্রমাণ করার অধিকার তার আছে। পাশাপাশি এই অধিকারগুলোর দাবী সে নিজে করতে পারে অথবা তার পক্ষ হতে কোন উকিল নিয়োগ করতে পারে। ২। তবে যে অধিকারগুলো সে দাবী করবে তা অবশ্যই শারীয়া কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। এক্ষেত্রে কোনটি জুলুম আর কোনটি অধিকার ... Read more - [ধ্বংসাত্মক টিকফা চুক্তি!](https://returnofislam.com/2013/07/01/destructive-ticfa-contract/): বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিকভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল? তাহলে কেন এই ধ্বংসাত্মক টিকফা চুক্তি! কথিত আছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল। কিছু লোকের ধারণা যেহেতু তৈরী পোশাক রপ্তানি খাতের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎসগুলির মধ্যে একটি এবং যার অধিকাংশ রপ্তানি হয় আমেরিকায় এছাড়া আমেরিকায় ১ লক্ষেরও বেশী প্রবাসী রয়েছে যারা দেশে রেমিটেন্সে অনেক অবদান রাখছে এতে বিশ্বের পরাশক্তি আমেরিকার প্রতি কোন চ্যালেঞ্জ করা সম্পূর্ণ অসম্ভব এমনকি আত্মঘাতিও বটে। যদি বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা হয় তাহলে অর্থনৈতিভাবে অনেক দূরবস্থায় পরতে হবে এমন চিন্তাও বিদ্যমান। মুসলিম হিসাবে আমরা আল্লাহর কাছে বাধ্য এই সাম্রাজ্যবাদী ক্রুসেডারকে প্রতিরোধ করা। আল্লাহ্ তা’আলা বলেন- “….এবং আল্লাহ তায়ালা কখনোই মুমিনদের উপর কাফেরদের ... Read more - [ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2013/07/01/islamic-social-system/): নিম্মোক্ত প্রবন্ধটি সামাজিক ব্যবস্থা সম্বন্ধে মনোনিবেশ করা হয়েছে যা সমাজে সকল নারী পুরুষের মধ্যে সকল ব্যক্তিগত (ঘরে) ও সার্বজনিক (বাহিরে) সম্পর্ক ও একে অপরের সাথে মিথস্ক্রিয়াকে সুগঠিত করে। যদিও এটা বুঝা যায় যে ইসলামে সমাজের জন্য ব্যবস্থা সমূহ প্রতিটি একে অপরের সাথে পারস্পরিকভাবে সম্পর্কিত তাই একটি ব্যবস্থা ছাড়া আরেকটি ব্যবস্থা প্রয়োগের চেষ্টা করাটা শুধুমাত্র দুনিয়াবী জীবনে সর্বনাশা পরিনতির সৃষ্টি করেনা বরং আখিরাতেও দূর্দশার কারন হয় এবং এভাবে প্রয়োগ অনৈসলামিক এবং আল্লাহকে রাগান্বিত করে। উদাহারন স্বরুপ সমাজের ভারসাম্য এবং ইসলামী মূল্যবোধকে নিশ্চত করতেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বিচার ব্যবস্থা নির্দিৃষ্ট করে দিয়েছেন এবং তার উপর ভিত্তি করে শাস্তি দিতে বলেছেন। এ কারণেই, ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খলীফা নির্বাচনের জন্য সময়সীমা বেধে দেয়ার দলীল কী?](https://returnofislam.com/2013/06/27/time-limit-of-caliph-selection/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু হে শায়খ, পূর্ববর্তী খলীফার অব্যাহতির পর তিনদিনের মধ্যে নতুন খলীফা নিয়োগ দেয়া সম্পর্কে একটি প্রশ্ন করতে চাই। ‘আজহিযাহ’ বইটিতে উল্লেখ রয়েছে যে এই সময়সীমা উমর (রা) সিদ্ধান্তের উপর ভিত্তি করে নেয়া হয়েছে যেখানে তিনি (রা) তিনদিনের মধ্যে ঐক্যমতে পৌছাতে না পারলে ছয় সাহাবীর মধ্যে অনৈক্যকারীকে হত্যার নির্দেশ দেন। আমার প্রশ্ন হলো কেউ কেউ বলেন, এই রেওয়ায়াত তারীখ আত-তাবারি হতে নেয়া হয়েছে যা দূর্বল (জয়ীফ) শ্রেনীর (বর্ণনার) মধ্যে পড়ে। এ ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? ... Read more - [সামর্থ্য অর্জন ব্যতিত শরী’আহর দায়িত্ব অর্পিত হয় না](https://returnofislam.com/2013/06/23/capacity-takleef/): আল্লাহ্‌ তা’আলা কাউকে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না, আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, আমি কাউকে তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব অর্পন করি না। আমার এক কিতাব আছে, যা সত্য ব্যক্ত করে এবং তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। [আল মুমিনুন: ৬২] আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না। [বাকারা: ২৮৬] আল্লাহ্‌ তা’আলা প্রতিটি দায়িত্বের একটি উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছেন এবং সেই উদ্দেশ্য পালনের সাথে সামর্থ্যকে সংযুক্ত করেছেন। আমরা যদি নিন্মোক্ত আয়াত গুলোর দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি দেখব এবং প্রতিটি কাজের সামর্থ্যকে আইনপ্রনেতা আল্লাহ তা’আলা নিজেই নির্ধারণ করেছেন, আর সন্তানবতী নারীরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ন দু’বছর দুধ খাওয়াবে, যদি দুধ খাওয়াবার পূর্ণ ... Read more - [ইসলামি আহকাম অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের স্বরূপ](https://returnofislam.com/2013/06/23/nature-of-political-party/): সুরা আল ইমরানের ১০৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে- “তোমাদের মধ্য হতে এমন একটি (অথবা একাধিক দল হোক, যারা আল খায়ের (অর্থাৎ ইসলাম)-এর দিকে আহবান করে, সৎকাজের আদেশ করে এবং অসৎকাজের নিষেধ করে এবং তারাই সফলকাম।” এই আয়াতের দুটি আলোচনা পর্যায় রয়েছে যা আমরা অনুসন্ধান করব। প্রথম পর্যায়ে আমাদের উপর্যুক্ত আয়াতের তাফসীর অর্থাৎ আয়াতের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত আলোচনা করব। দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘তাশরি’ সংক্রান্ত অর্থাৎ আয়াতের শার’আ ও হুকুম সংক্রান্ত আলোচনা। আমরা অনেকেই তাফসীর ও তাশরি-এর ব্যাপারদ্বয়কে গুলিয়ে ফেলি। অনেক ভাইয়েরাই যারা তাফসীর শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন, তা থেকে আহকাম নেয়ার চেষ্টা করেন; বিশেষ করে সেই সকল মুফাস্‌সিরিনের তাফসীর থেকে যারা মুজতাহিদ পর্যায়ের। কেননা অনেক মুজতাহিদ মুফাস্‌সির তাদের তাফসীরে আহকাম ... Read more - [মুহাম্মদ ইবনে কাশিম এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের আগমন](https://returnofislam.com/2013/06/22/muhammad-bin-kasim-islam-in-india/): খিলাফত হচ্ছে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার নাম। আর খিলাফত রাষ্ট্র দিয়ে বুঝায় ইসলামি রাষ্ট্রকে যেই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যাবস্থা থেকে সামাজিক ও পারিবারিক সকল বিষয় আল্লাহর নিকট একমাত্র জীবন ব্যাবস্থা ইসলাম দিয়ে পরিচালনা করা হয়। ৬২২ খৃষ্টাব্দে রাসূল (সাঃ) মদিনাতে হিজরতের পর সেখানে ইসলামের সর্বপ্রথম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন যা যুগের পর যুগ ধরে রাসুলের (সাঃ)  পর থেকে খলীফাদের মাধ্যমে পৃথিবীর কিছু অঞ্চল ব্যাতিত অধিকাংশ অঞ্চলেই বিস্তৃতি লাভ করে। খলীফাগণ রাসূল (সাঃ)-এর দেখানো পথ অনুসারে দাওয়া ও জিহাদের মাধ্যমে ইসলামি খিলাফত রাষ্ট্রের বিস্তৃতি ঘটান। এই দাওয়া ও জিহাদের পেছনে রয়েছে বহু বীর সেনা মুজাহিদদের একান্ত প্রচেষ্টা। যারা নিজের জীবনের মায়াকে উপেক্ষা করে শহীদের মর্যাদা লাভের ... Read more - [ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্রের পরাশক্তি রোম ও পারস্য বিজয়](https://returnofislam.com/2013/06/22/liberation-of-rome-persia/): বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে  রাসূল (সাঃ) মদিনাতে  হিজরত করার পর সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র  প্রতিষ্ঠা করেন যার পরিচালনা হতো এমন এক আদর্শ দিয়ে যেটা মহান আল্লাহর নিকট একমাত্র জীবনব্যবস্থা। রাসুল (সাঃ) – এর সময় থেকেই সেই আদর্শের ধারক ও বাহকগন দাওয়াত ও জিহাদের মাধ্যমে সেই মানবতার আদর্শকে পৌঁছে দেয়া শুরু করেন মদিনার বাইরে নতুন নতুন অঞ্চলে, যেসব অঞ্চলের শাসকগণ সেই অঞ্চলের সাধারণ জনগনের উপর খোদা হয়ে বসে ছিল, প্রতিষ্ঠা করত সেথায় সীমাবদ্ধ জ্ঞানে আবদ্ধ মানব তৈরি শাসন, অত্যাচারে অত্যাচারে নিষ্পেষিত করত নাগরিকদের জীবন, বঞ্চিত করত তাদের প্রাপ্য ন্যায্য অধিকার। হয়ত কোন কোন শাসক রাসুল (সা) ও তার উত্তরসূরি  খিলাফতের শাসকদের  দাওয়াত ... Read more - [সালাহুদ্দীন আইয়ুউবী](https://returnofislam.com/2013/06/16/salahuddin-ayubi/): মহান আল্লাহ এই মহাজগতের সকল কিছুর সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহ মানুষ সহ বহু প্রকারের প্রাণী, জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন। তাদের মধ্যে মানুষকে করেছেন সৃষ্টির সেরা জীব। আর তাদের হাতেই ন্যাস্ত করেছেন পৃথিবীর পরিচালনার ভার। আর সঠিক উপায়ে পরিচালনার জন্য পৃথিবীর ঊষালগ্ন থেকেই সেখানে প্রেরণ করেছেন নবী-রাসুল যারা  মানুষের মাঝে আল্লাহর আইন-কানুন ও জীবন চলার পদ্ধতি শিক্ষা দিয়ে সে অনুযায়ী চলতে মানুষকে সাহায্য করেছেন। আর নবী-রাসুলদের এই কাজের সাহায্যার্থে আল্লাহ তাদের অনেকের উপর প্রেরণ করেছেন আসমানি কিতাব এবং তাদের দিয়েছেন সর্বযুগের চিরন্তন আদর্শ ইসলাম। রাসূল (সাঃ) ছিলেন সেই নবী – রাসুলদের মধ্যে শেষ রাসুল যার পর আর কোন নবী বা রাসূল আসবেন না। কিন্তু মানুষের মাঝে আল্লাহর ... Read more - [ইসলাম কি সাম্প্রদায়িক?](https://returnofislam.com/2013/06/12/is-islam-sectarian/): “সাম্প্রদায়িকতা” শব্দের ব্যবহারিক অর্থ হলো রাষ্ট্রের কোন সাম্প্রদায়ের উপর বিশেষ করে সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়ের উপর কোন বিশেষ গোষ্ঠী বা দল (কতৃক) জুলুম, নির্যাতন ইত্যাদি। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিতর সাম্প্রদায়িকতা বলতে আমরা সচরাচর হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার-নির্যাতনকে বুঝে থাকি। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর থেকে হিন্দুদের জমি ও ঘর বাড়ী দখল, ব্যবসা বা সম্পত্তি থেকে উৎখাতের প্রক্রিয়া কাদের দ্বারা সূচিত হয়েছিলো তা আমরা সকলেই জানি। আওয়ামী দাঙ্গাবাজদের দ্বারা শুধু যে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছিলো তাই নয়, পার্বত্য চট্রগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীকে জোর করে বাঙ্গালী বানানোর প্রক্রিয়ায় তাদের উপরও বৈষম্যের সূচনা হয়েছিলো। ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনীতির ভারতে যেভাবে কংগ্রেস মুসলমানের উপর বছরের পর বছর অত্যাচার চালিয়ে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: দিয়তের অর্থ নিরুপন](https://returnofislam.com/2013/06/09/amount-of-diiot/): প্রশ্ন: মানুষের জন্য সহজ করবার উদ্দেশ্যে ১২০০০ রৌপ্য দিরহামকে দিয়তের অর্থরূপে হিসেব করলে কি বৈধ হবে, যদিও ফুকাহারা দিয়ত উটের হিসেবে নির্ধারন করেছেন যারা উট ব্যবহার করে, স্বর্ণ দ্বারা যারা স্বর্ণ ব্যবহার করে এবং ব্যাংক নোট দ্বারা যারা ব্যাংক নোট ব্যবহার করে। উত্তর: যারা উট ব্যবহার করে তাদের জন্য দিয়ত ১০০ উট, এবং যারা স্বর্ণ ব্যবহার করে তাদের জন্য ১০০০ দিনার, এবং যারা রৌপ্য ব্যবহার করে তাদের জন্য ১২,০০০ দিরহামই সঠিক। তথাপি, বর্তমান যুগে ব্যাংকনোট আর স্বর্ণ ও রৌপ্য দ্বারা সংরক্ষিত নয়, তাই তারা ঐসকল লোকদের মধ্যে পরিগনিত হবে না যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যবহার করে। কিয়াস করে এটি অর্থ দ্বারা ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: গণতন্ত্র নামক ভ্রান্ত চিন্তা হতে কিভাবে পরিত্রান পেতে পারি?](https://returnofislam.com/2013/06/08/democracy-is-hypocisy/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: বর্তমান (যুগ)-এ বিপজ্জনক ধারনাসমূহ উম্মাহর অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে এবং আমাদের বিশুদ্ধ দ্বীন হতে পৃথক ভ্রান্ত বিশ্বাস আমাদের আক্বীদাকে আহত ও আক্রমন করেছে। এবং এসকল বিপজ্জনক চিন্তাদির মধ্যে একটি চিন্তা হলো গণতন্ত্র। আমাদের জন্য একটি মারাত্মক সমস্যা হলো যে ইন্দোনেশিয়ার মুসলিমগণ দাবী করে গণতন্ত্র ইসলামের একটি অংশ এবং তারা কুরআন ও সুন্নাহ হতে দলীল ব্যবহার করে তাদের এই ভ্রান্ত ধারনাকে ন্যায্যতা প্রদানের জন্য। ১. শাইখ, গণতন্ত্রের ব্যপারে আপনার মতামত কী?২. আমরা কিভাবে এ সমস্যা হতে পরিত্রান পেতে পারি?৩. আপনার মতামত ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খিলাফত ছাড়া কি জুমার সালাত ফরয?](https://returnofislam.com/2013/06/06/caliphate-salat-al-jumah/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন: একজনের সাথে আলোচনার সময় (আমরা প্রত্যক্ষ করি), একজন ব্যক্তি সময় মতোই সালাত আদায় করে কিন্তু সবার সাথে জুমা সালাত আদায় করে না। বরং, তিনি যুহর সালাত আদায় করেন। সে যা করছে সে ব্যপারে যখন আমি প্রশ্ন তুললাম তখন সে জবাবে বলল, জুমা সালাতের জন্য সহীহ হওয়ার শর্তের মধ্যে খিলাফতের উপস্থিতিও একটি শর্ত। ফুকাহারা কেউ কি এধরনের মতামত পোষন করেছেন? এ ব্যপারে দলের মতামত কী? আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। জবাব: জুমার সালাত ফরয কোনো খিলাফত থাকুক বা না থাকুক। ... Read more - [পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অধিকার](https://returnofislam.com/2013/06/03/women-right-in-men-ruled-society/): পুরুষতান্ত্রিক চেতনার সমাজে কোনো আইনই নারীকে তার সঠিক প্রাপ্য বুঝিয়ে দিতে পারবে না, হয়তো মিডিয়ার চোখে কিছু সফল মামলা দেখে আমরা পুলকিত হব, হাততালি দেব, কিন্তু অন্তরালে নারীরা ঠিকই বৈষম্যের শিকার হবে। শুধুমাত্র সম্পত্তিতে অধিকারের ক্ষেত্রেই বৈষম্যের শিকার হবে না, বরং শিকার হবে ঘরোয়া সহিংসতা, যৌন নির্যাতন ও এসিড-সন্ত্রাসের মত বিভিন্নমুখী বৈষম্য ও নির্যাতনের। অনেক প্রাচীনকাল থেকেই মানব সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা দেখা গিয়েছে। এ বিষয়টি মানবচরিত্রের সাথেও অনেকটা সম্পর্কিত। যেহেতু অধিকাংশক্ষেত্রেই পুরুষ তুলনামূলকভাবে নারী হতে বেশি পেশী শক্তি বহন করে, তাই উন্নত চিন্তাবিহীন সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা বিস্তার করে। সমাজের এ বাস্তবতায় ধর্ম অনেকক্ষেত্রে ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় । আর সে ধর্ম যদি আলোকিত ... Read more - [খিলাফত প্রতিষ্ঠা করাই পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়](https://returnofislam.com/2013/05/11/caliphate-only-solution/): মানব ইতিহাসের শুরু থেকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা মানুষের সামনে দুটি পথ খোলা রেখেছেন- আল্লাহ্‌, তাঁর নবী-রাসুল, আল্লাহ্‌’র ও’হী, আখিরাত-হাশর, জান্নাত-জাহান্নাম বিশ্বাসের পথ আর অন্যটি হচ্ছে অবিশ্বাস ও কুফরের পথ। মানব সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই ঈমান আর কুফরের এক চিরন্তন দ্বন্দ্ব ও সংঘাত চলে আসছে। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা বলেন, “এবং আমি তাকে (মানুষকে) দুটো পথ (ভালো-মন্দ) দেখিয়েছি।” [সূরা আল-বালাদ:১০] বর্তমান সময়ে এসে এই সংঘাত বিশ্বজনীন রূপ লাভ করেছে। আজ সেই সংঘাতের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ্‌ এবং পশ্চিমা বিশ্ব তথা আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সকল অবিশ্বাসী কুফর শক্তি। মুসলমানদের উপর আমেরিকার আগ্রাসন এই উম্মাহ্‌’র উপর পশ্চিমা পুঁজিবাদী বিশ্বের ধারাবাহিক হত্যা, নির্যাতন, দখলদারিত্ব ... Read more - [মাল্টিলেভেল মার্কেটিং এর শর‌য়ী বিধান](https://returnofislam.com/2013/04/28/mlm/): এমএলএম (মাল্টিলেভেল মার্কেটিং) বা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নামে পরিচিত ব্যবসা পদ্ধতিটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে বিদ্যমান। অবশ্য দেশ ও এলাকাভিত্তিক এ পদ্ধতিকে বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করা হয়। যেমনঃ কেউ কেউ বলে ডাইরেক্ট মার্কেটিং সিস্টেম, আবার কেউ কেউ বলে টিমওয়ার্ক মার্কেটিং সিস্টেম, কেউ বা ফ্রিডম এন্টারপ্রাইজ, কেউ বলে হোম বেইজ মার্কেটিং, কেউ বলে হলিডে বিজনেস ইত্যাদি ইত্যাদি। এমএলএম এর আবিস্কার : ১৯৪০ সালে আমেরিকার একজন কেমিস্ট ডাঃ কার্ল রেইন বোর্গ কর্তৃক সর্বপ্রথম প্রবর্তিত হয় এ পদ্ধতিটি। তার কোম্পানীর নাম ছিল ক্যালিফোর্নিয়া ভিটামিন কোম্পানী। ১৯৪০ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সারা বিশ্বে ১২৫টিরও বেশি দেশে প্রায় ১২৫০০ এর বেশি কোম্পানীর অধীনে প্রায় ... Read more - [হুক্‌ম শর'ঈ](https://returnofislam.com/2013/04/26/legal-verdict/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইসলাম’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত হুক্‌ম শর’ঈ হচ্ছে, বান্দা’র (‘ঈবাদ) কার্যাবলী সম্পর্কে আইনপ্রণেতা’র (আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার) বক্তব্য। বক্তব্যটি হতে পারে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত (ক্বাত’ঈ ছুবুত) অর্থাৎ কোন দ্বিমতের অবকাশ নেই যথা কুরআন ও হাদীস মুতাওয়াতির অথবা অমীমাংসিতভাবে প্রমাণিত (জন্নিঈ ছুবুত) অর্থাৎ একাধিক মতের অবকাশ রয়েছে যথা অ-মুতাওয়াতির হাদীস সমূহ। যদি বক্তব্যটি ক্বাত’ঈ ছুবুত হয়, তবে এর অর্থ নির্দিষ্ট (ক্বাত’ঈ দালালাহ) এবং হুকুমটি চূড়ান্ত, অর্থাৎ এ নিয়ে কোন দ্বিমত নেই। এরূপ একটি উদাহরণ হচ্ছে ফরজ সালাতের রাকাতের সংখ্যা, কারণ হাদীস মুতাওয়াতিরে এর উল্লেখ রয়েছে। অনুরূপভাবে ... Read more - [বস্তু ও কর্ম সমূহের মূল হুকুমের পার্থক্য](https://returnofislam.com/2013/04/26/hukm-regarding-object-and-action/): বস্তুর জন্য শর’ঈ হুকুম: আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন: هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُمْ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا “তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য জগতের সকল বস্তু সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা বাকারা: ২৯) তিনি আরো বলেন: أَلَمْ تَرَوْا أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً তোমরা কি দেখ না আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে যাকিছু আছে, সবই তোমাদের কাজে নিয়োজিত করে দিয়েছেন এবং তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ন করে দিয়েছেন? (সূরা লুকমান: ২০) قُلْ مَنْ حَرَّمَ زِينَةَ اللَّهِ الَّتِي أَخْرَجَ لِعِبَادِهِ وَالطَّيِّبَاتِ مِنَ الرِّزْقِ قُلْ هِيَ لِلَّذِينَ آَمَنُوا فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا خَالِصَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ ... Read more - [সাভার হত্যাকান্ড!](https://returnofislam.com/2013/04/26/savar-tragedy/): ধারাবাহিকভাবে পুনরায় আরেকটি হত্যাকান্ড!! এটি কোন অস্বাভাবিক বা অনাকাঙ্খিত ঘটনা নয়। একে একে ঘটানো এই হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আসছে গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী যালিম শাসকগোষ্ঠী। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রদানে ব্যর্থ এই শাসকেরা লাগাতারভাবে প্রতারণার খেলা করে যাচ্ছে এই উম্মাহ’র সাথে। একের পর এক গার্মেন্টসে আগুন, ধ্বসের পর আশার বাণীর মূলা ঝুলানো হয় আমাদের সামনে আর আমরা তা ধরে ঝুলতে থাকি, ন্যায়ের আশায়। অথচ বাস্তবতা হল, না তারা আমাদের নিরাপত্তা বা অধিকার প্রদান করছে; উপরন্তু দুর্নীতির ছোবলে চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক হত্যাকান্ড। তাজরীন ফ্যাশন, চট্টগ্রামে গার্ডার ধ্বসের দ্বারা কৃত হত্যায় রক্তের গন্ধ বাতাসে মিলিয়ে যাওয়ার পূর্বেই দূর্নীতির ছোবলে পূরনায় আক্রান্ত এই উম্মাহ। রাসূল (সাঃ) ... Read more - [বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বিশ্লেষন](https://returnofislam.com/2013/04/24/posibilities-politics/): সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতি সঙ্কটের আবর্তে ঘুরছে যদিও বা এই সঙ্কট কৃত্রিম এবং এই সঙ্কট আমেরিকা-ব্রিটেন ও ভারতের তৈরি। এবং বাংলাদেশে এটি নতুন কিছু নয় প্রতিবারই যখন নির্বাচন ঘনিয়ে আসে তখনই এই ধরণের পরিস্থিতি সাম্রাজ্যবাদীরা তৈরি করে থাকে যাতে তাদের সুযোগ্য অনুগত দালাল আগামীবার ক্ষমতায় আসে এবং তাদের স্বার্থ অনুগত দাসের মত করে রক্ষা করে। তাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য রাজনৈতিক গতি বিধি নির্ধারণ করতে গেলে আমাদের বাংলাদেশকে ঘিরে মার্কিন, ব্রিটিশ ও ভারতের নীতি সমূহের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। যা হল: ১. আমেরিকা এ অঞ্চলে ইসলামী খিলাফতের পুনরুত্থান ঠেকানোর পরিকল্পনা করছে, তার নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রসমূহের বলয় দ্বারা চীনকে ঘীরে রাখতে চাচ্ছে এবং এ অঞ্চলের বাণিজ্য ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৪ (দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা)](https://returnofislam.com/2013/04/23/the-islamic-state-e4/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসুল (সা)-এর নিকট ওহী নাযিলের শুরু থেকেই ইসলামের দাওয়াত মানুষের কাছে পরিচিত ছিল। মক্কার মানুষ প্রথম থেকেই জানতো যে, মুহাম্মদ (সা) মানুষকে এক নতুন দ্বীনের দিকে আহবান জানাচ্ছেন এবং বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ ইসলামকে দ্বীন হিসাবে গ্রহন করেছে। তারা আরও জানতো যে, তিনি এসব মুসলিমদের সাথে একত্রে মিলিত হন, তাদের দেখাশোনা করেন এবং মুসলিমরা যে কুরাইশ সমাজের লোকচক্ষুর আড়ালে একত্রিত হয়ে নতুন দ্বীন শিক্ষা করে এটাও তারা জানতো। মক্কার লোকেরা ইসলামি দাওয়াতের ব্যাপারে এবং যারা ... Read more - [রাসুল (সা)-এর দেখানো আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা কিভাবে অপরাধ দূরীকরণে ভূমিকা রাখে?](https://returnofislam.com/2013/04/17/eliminate-pessimism/): আজকে আমি আলোচনা করব এমন একজন মানুষ সম্পর্কে যে মানুষ এসেছিলেন সমস্ত বিশ্বের জন্য রহমত সরূপ। তিনি হচ্ছেন আমাদের সবার প্রাণপ্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা)। আর তিনিই যে পৃথিবীর জন্য রহমত সরূপ তা আল্লাহ্‌ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন “আমিতো তোমাকে বিশ্ব জগতের জন্য কেবল রহমত রূপেই প্রেরণ করেছি” (সূরা আম্বিয়া: ১০৭)। আমরা কি জানি রাসূল (সা) কিভাবে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করেছিলেন এবং কিভাবে সমাজ থেকে আপরাধ নির্মূল করেছিলেন? বর্তমান সেকুলার পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কিভাবে সমাজ গঠনে ও অপরাধ নির্মূলে ভূমিকা রাখছে? বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায় অপরাধ একটি মারাত্মক সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের সংবাদপত্র বা টিভি মিডিয়ার প্রধান শিরোনামই ... Read more - [কেন ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে অসার ? - ১ম পর্ব](https://returnofislam.com/2013/04/14/secularism-is-rationally-false/): (১ম পর্ব) ১৮০২ সালে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসন ডানবুরি ব্যাপিস্টদের কাছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের নীতি ব্যাখ্যা করে একটি চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিটিকে ভিত্তি করে আমেরিকান সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করে প্রথম সংশোধন করা হয়। তিনি চিঠিতে লিখেন “Believing with you that religion is a matter which lies solely between Man and his God, that he owes account to none other for his faith or his worship, that the legitimate powers of government reach actions only & not opinions, I contemplate with sovereign reverence that act of the whole American people which declared that their legislature should “makes no law respecting an establishment of religion, or ... Read more - [বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয়](https://returnofislam.com/2013/04/14/geo-politics_bd/): বেশ দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শাহবাগ রাজনীতি থেকে শুরু করে হেফাজতে ইসলামীর লংমার্চ এবং অন্যান্য সকল ইস্যুগুলোর ফলে বাংলাদেশ একরকম গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু প্রশ্ন হল আসলেই কি বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ধারাবাহিক চক্রান্তের বেড়াজালে ঘুরেফিরে আটকা পরে আছে?? একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, বর্তমানে যেসকল বিষয়সমূহ আমাদের সামনে সুনিপুণভাবে তুলে আনা হচ্ছে, তার প্রত্যেকটি সাম্রাজ্যবাদীদের সুদীর্ঘ পরিকল্পনার ক্ষুদ্র অংশবিশেষ। বাংলাদেশে প্রতি নির্বাচন পূর্ববর্তী মৌসুমে এই ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়ে থাকে এবং নির্বাচন পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখা হয়। আর এর মধ্যেই জনগণের নিকট ৫ ... Read more - [কেন ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে অসার? (২য় পর্ব)](https://returnofislam.com/2013/04/13/secularism-is-rationally-false_2/): ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের ব্যার্থতা: ১। পশ্চিমের ধর্মনিরপেক্ষ বাদীরা প্রায়ই বলে থাকে, “keep your religion to yourself, don’t bring it into politics” একই সুর ধরে আমাদের দেশের কেউ কেউ বলে, “ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার” কিন্তু এই ধারণাটা যৌক্তিক কিনা তা সমাজের সর্বোচ্চ সংগঠনটির (রাষ্ট্র) দিকে তাকালে দেখতে পাই। আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যত ধর্ম ও ধর্ম প্রচারক এসেছে সকলেই সমাজ সংস্কারের কাজ করেছেন। কিন্তু রাজনীতি ছাড়া সমাজের পরিবর্তন কখনো সম্ভব নয়। সকল ধর্ম প্রচারকরাই রাষ্ট্র ও সমাজ পরিচালনার নীতি গুলোকে পরিবর্তিত ও প্রভাবিত করেছিলেন এবং বিধিবিধান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাই বলা যায় সমাজে মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াই এক ধরনের রাজনৈতিক প্রচেষ্টা। যে সমাজে ধর্ম বিদ্যমান সেখানে ... Read more - [সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করা মুসলিমদের অন্যতম দায়িত্ব](https://returnofislam.com/2013/04/12/changing-the-society-obligation/): সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করা মুসলিমদের অন্যতম দায়িত্ব। ইসলাম একজন মুসলিমকে কেবল কিছু ব্যক্তিগত ইবাদাতের দায়িত্ব দিয়ে ছেড়ে দেয়নি বরং সমাজের প্রতি তার দায়িত্বগুলোও সুস্পষ্ট করে দিয়েছে। তাই যখন সমাজে ইসলাম থাকেনা বরং মানবরচিত শাসনব্যাবস্থার ফলাফল হিসেবে সমাজের সর্বত্র বৈষম্য, জুলুম, বিশৃংখলা ছড়িয়ে পড়ে তখন এই সমাজ পরিবর্তন করে ইসলামিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ না করে একজন মুসলিমের চুপচাপ বসে থাকার অনুমতি নেই। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন: “তোমাদের মধ্যে কোন ব্যাক্তি অন্যায় কাজ হতে দেখলে সে যেন তার হাত দ্বারা তা প্রতিহত করে। তার এই সামর্থ্য না থাকলে সে যেন তার মুখ দ্বারা তা প্রতিহত করে। তার এই সামর্থ্যও না থাকলে সে ... Read more - [ইসলামের জন্য আন্দোলনকারী ভাইদের প্রতি](https://returnofislam.com/2013/04/06/to-the-dawah-carriers-of-islam/): ইসলামের জন্য আন্দোলনকারী ভাইদের প্রতি, সৎপথের পথিকদের প্রতি আল্লাহ’র রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। সন্দেহাতীতভাবে আজকে মুসলিম উম্মাহ’র বজ্রকন্ঠ কাফির-যালিমসহ ইসলামের বিরুদ্ধবাদীদের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে দিয়েছে। তাকবীর ধ্বনিতে বার বার কেঁপে উঠছে তাদের মসনদসমূহ। দেরিতে হলেও এই আন্দোলনে তারা ভীত, প্রকম্পিত। মুসলিম উম্মাহ’র আল্লাহ (سبحانه و تعالى) ও তাঁর রাসূলের (صلى الله عليه و سلم) প্রতি ভালোবাসা এবং ইসলামের দুশমনদের প্রতি ঘৃণার প্রবলতায় আতঙ্কে আছে তারা। কিন্তু, আমাদের যে বিষয়টি বুঝতে হবে তা হল, ইসলাম এবং উম্মাহ’র স্বার্থে জ্বলে উঠা এই আগুন যেন কোনভাবেই যালিম সাম্রাজ্যের ফায়দার উৎস হয়ে না দাঁড়ায়। আমাদের বুঝতে হবে দীর্ঘ সময় পর পাওয়া এই ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) এর প্রতি ভালোবাসা ও নাস্তিকতার মূল উৎপাটন](https://returnofislam.com/2013/04/05/love2prophet/): আল্লাহ্ তা’আলা রাসূল (সা) সম্পর্কে বলেন, হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। (আহজাব: ৪৫) রাসূল (সা) এর প্রতি ভালবাসা বলতে বোঝায় তাকে মান্য করা এবং তাকে সৃষ্টি কূলের মাঝে সর্বশ্রেষ্ট মনে করা। আল বাইদাওয়ী বলেন “ভালবাসা হচ্ছে মান্য করার ইচ্ছা করা”। আরবি ভাষায় ভালবাসা মানে কাউকে সু-উচ্চে তুলে ধরার ইচ্ছা করা। ভালোবাসা হচ্ছে কোন কিছুর প্রতি তাড়না যা মানুষের সেই বিষয়ের প্রতি আচরণ নির্ধারণ করে। এই তাড়না হতে পারে প্রবৃত্তিগত যার সাথে কোন দৃষ্টিভঙ্গীর সম্পর্ক নেই, যেমন: মানুষের তাড়না মালিকানার প্রতি, বেঁচে থাকার জন্য, ন্যায়ের জন্য, পরিবার-সন্তানের জন্য ইত্যাদি। আবার তাড়না হতে পারে কোন নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীর ... Read more - [আপনার নিকট আল্লাহ'র অস্তিত্বের স্বপক্ষে কোন প্রমাণ আছে কি?](https://returnofislam.com/2013/04/03/existence-of-allah/): যারা স্রষ্টাতে বিশ্বাস করেনা, তারা প্রায়ই বলে থাকে স্রষ্টাতে বিশ্বাস একটি অন্ধ বিশ্বাস অর্থাৎ স্রষ্টাতে বিশ্বাস কোন যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণের উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। আরও বলা হয় যে, স্রষ্টাতে বিশ্বাস সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। স্রষ্টাতে বিশ্বাস কি বিজ্ঞানভিত্তিক কি না বিচার করার আগে দেখা যাক বিজ্ঞান আসলে কী? আমাদের চারপাশে মহাবিশ্ব, তার অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণই বিজ্ঞান। বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণের মাধ্যমে বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করে মহাবিশ্বের কর্মধারা। এটা বিজ্ঞানের আলোচ্য বা বিবেচ্য বিষয় নয় যে, কে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন বা এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি। বিজ্ঞান শুধুমাত্র মহাবিশ্বের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করে। সেক্ষেত্রে, স্রষ্টা আছেন কিনা তার উত্তর পেতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা ভুল। ... Read more - [সেনাবাহিনী ও গণতান্ত্রিক রাজনীতি সমাচার !!](https://returnofislam.com/2013/04/02/army-and-democratic/): সেনাবাহিনী নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটাকে অগণতান্ত্রিক সরকার আনার চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন। অতীতের মতো বর্তমানেও বাংলাদেশের রাজনীতি সেনাবাহিনী নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠছে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনী প্রভাব বিস্তার করেছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক ভূমিকা জনগণ কতৃক প্রশংসিত হয়েছে। তাই দেখা যায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটে সেনাবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা। এটাও ঠিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের মতো সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক ভূমিকার পেছনে ছিল মূলত এই দেশের স্বার্বভৌমের প্রতীক মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং আধিপত্যবাদী ভারতের সক্রিয় সমর্থন, বিশেষ করে ওয়ান ইলেভেনের সময় মার্কিন-ভারত-বৃটেন এর ভূমিকা ছিল দেখার মতো। কাজে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল সেনাবাহিনী। বিগত গণতান্ত্রিক সরকার ... Read more - [আপনি কার উপাসনা করেন? ](https://returnofislam.com/2013/03/31/whome-do-you-worship/): তিটি মানব সন্তানই কোন একটি সত্ত্বার উপাসনা করতে চায় । কিন্তু মানুষ উপাসনা করতে চায় কেন? প্রকৃতিগতভাবে মানুষ দুর্বল । সে দুর্বলতা আমরা আমাদের মাঝে উপলব্ধি করতে পারি এবং কোন কিছুর উপর নির্ভর করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি । ফলে মানুষ যখন তার চেয়ে শক্তিশালী কারও অস্তিত্ব টের পায়,তখন প্রায়শঃ তারা তত্ত্বাবধান, নিরাপত্তা ও আশা পুরণের জন্য ঐ সত্ত্বার উপর নির্ভর করে । প্রাচীনকালে মানুষ সূর্য, চাদঁ, তারা, পর্বত, পশু এমনকি তার নিজ হাতে তৈরি মূর্তির সম্মুখেও মাথা নত করত।  তেমনিভাবে, বর্তমান কালে আমরা দেখতে পাই, অসংখ্য দেবতার অস্তিত্ব- যাদের সামনে মানুষ মাথা নত করে। অনেক দার্শনিক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদকে উপদেবতা জ্ঞানে আরাধনা ... Read more - [ইসলাম শুধুমাত্র নামাজ, রোজা ও কয়েকটি রীতিনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়](https://returnofislam.com/2013/03/31/islam-is-not-just-some-rituals/): আজকাল ইসলাম কয়েকটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান সর্বস্ব ব্যাপার হয়ে দারিয়েছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া, রমযানের রোযা রাখা, হজ্ব করা, লম্বা জামা ও টুপি পড়া এবং জুম্মার নামাজের পর লম্বা দোয়া করা ইত্যাদিকেই বর্তমানে ইসলামের বিধিবিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আমাদের প্রাত্যহিক কার্যাবলীর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, আমাদের পছন্দ ও অপছন্দ ইসলামের সম্পূর্ণ বিপরীত। টাকা, ফূর্তি এবং স্থুল বাসনা চরিতার্থ করাই এখন প্রত্যেকের জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। ইসলাম প্রচলিত অন্যান্য ধর্মের মত নয়। এটি মানবজাতির জন্য একটি ব্যবহারিক ও সামগ্রিক জীবনবিধান। আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং জীবনযাপনের নিয়ম-কানুন তিনিই প্রদান করেছেন। আল্লাহ পাক সূরা আল মায়েদাহ্-তে বলেন- ... Read more - [বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত আলোচনা: পরিবর্তন নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ফায়দা লুটের উত্তম পরিবেশে বাংলাদেশ?](https://returnofislam.com/2013/03/28/present_bd/): বেশ দীর্ঘ সময় যাবৎ বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। শাহবাগ রাজনীতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সকল ইস্যুগুলোর ফলে বাংলাদেশ একরকম গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মত দিচ্ছেন অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। কিন্তু প্রশ্ন হল আসলেই কি বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধের দিকে যাচ্ছে নাকি সাম্রাজ্যবাদীদের ধারাবাহিক চক্রান্তের বেড়াজালে ঘুরেফিরে আটকা পরে আছে?? একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে, বর্তমানে যেসকল বিষয়সমূহ আমাদের সামনে সুনিপুণভাবে তুলে আনা হচ্ছে, তার প্রত্যেকটি সাম্রাজ্যবাদীদের সুদীর্ঘ পরিকল্পনার ক্ষুদ্র অংশবিশেষ। বাংলাদেশে প্রতি নির্বাচন পূর্ববর্তী মৌসুমে এই ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়ে থাকে এবং নির্বাচন পর্যন্ত তা টিকিয়ে রাখা হয়। আর এর মধ্যেই জনগণের নিকট ৫ বছর যাবৎ হয়ে আসা ... Read more - [ইসলামের বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2013/03/24/islamic-judicial/): ইসলামের বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থাকে বর্বরোচিত এবং পশ্চাদপদ হিসাবে আখ্যায়িত করে ইসলামের শত্রুরা ব্যাপকভাবে আক্রমণ করে আসছে। এই অপবাদ নিরসন করতে আজকের এই প্রবন্ধে ইসলামের বিচার এবং শাস্তির ব্যবস্থার উপর আলোকপাত করা হয়েছে এবং পশ্চিমাদের অপপ্রচার (বিকৃতি) উন্মোচন করা হয়েছে। ইসলামের বিচার ব্যবস্থা : যে কোন বিষয়ে ইসলামের সিদ্ধান্ত বা রায় কে বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করাকে ইসলামের বিচার ব্যবস্থার মূলনীতি হিসাবে গ্রহণ করা হয়েছে। এটি নিম্নলিখিত দায়িত্বগুলো পালন করবে : ১) জনগণের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি; ২) সামাজিক অধিকারের জন্য ক্ষতিকর সবকিছু প্রতিহত করা; ৩) জনগণ এবং সরকারের (যথা- খলীফা, ওয়ালী’র ইত্যাদির) মধ্যে উদ্ভুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা। ইসলামের জন্মলগ্ন থেকেই আদালত এবং বিচার ... Read more - [অধিকতর গণতন্ত্রচর্চা: জঙ্গলযাত্রা শুভহোক](https://returnofislam.com/2013/03/20/practicing-democracy/): মানুষ আর প্রাণীজগতের অন্য জন্তুগুলার মাঝে পার্থক্য কেবলই চিন্তা করিবার সামর্থ্যের উপর। প্রাণীকুলের চিন্তাশক্তি (intellect) না থাকায় ইহারা প্রবৃত্তি (instinct) দ্বারা পরিচালিত হয়। টিকিয়া থাকিবার প্রবৃত্তি তাহাদের ঐক্যবদ্ধ করে আর পারস্পরিক চাহিদা পূরণে দলবদ্ধভাবে শিকার করিয়া থাকে। এই সময়ের রাষ্ট্রগুলা যেমন টিকিয়া থাকিবার প্রবণতা নামক জংলী নীতিতে গড়িয়া উঠিয়াছে, তেমনই মানুষের ঐক্যবদ্ধ হইবার যে বন্ধন তাহাও স্রেফ পারস্পরিক স্বার্থে। বস্তুগত লাভের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হইবার এই বন্ধনকে ডাকাতির বন্ধনও বলা যায়। কারণ ডাকাতগণ ডাকাতির মাল ভাগাভাগিতে খুব সততার পরিচয় দেয়। যদিও ইহাদের কর্মই অনৈতিক। এইখানে মুনাফাই নীতি, সর্বোচ্চ মুনাফাই বড় সাফল্য। আর এই নীতির আদর্শিক রূপকে আদর করিয়া পুঁজিবাদ নামে ডাকা হয়। ... Read more - [সংকীর্ণ জীবন](https://returnofislam.com/2013/03/20/narrow-life/): ১) সদ্য বেসরকারি নামকরা ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ পাশ করা কোন কর্মোদীপ্ত মেধাবী যুবক। ভার্সিটি থেকে বেরোনোর সাথে সাথেই চাকরি পেলো কোন নামকরা বেসরকারী ব্যাংকে; যার পে স্কেলও বেশ ভালো। বছর দুয়েক না যেতেই ব্যাংক তার জন্য অনুমোদন করলো ফ্ল্যাট আর গাড়ীর লোন। আর, ওই যুবকও সাত পাচ না ভেবে সেই সুযোগ লুফে নিলো; যদিও বাকী জীবন তাকে এই লোনের ঘানি টানতে হবে। আমেরিকান ইসলামী সুবক্তা আর মনোবিদ ইয়াসির ফাজাগা একটি বেশ সুন্দর মন্তব্য করেছিলেন একবার, যা অনেকটা এমন: ”We buy things that we don’t need, with the money we don’t have, to impress the people we don’t like.” অনেকেই হয়তো আপাতঃদৃষ্টিতে ... Read more - [শুধু আবেগ নির্ভর আন্দোলন নয়, চাই বিবেক নিয়ন্ত্রিত সঠিক সিদ্ধান্ত](https://returnofislam.com/2013/03/15/shudhu-abeg-nirvor-andolon/): মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বিষয় দান করেছেন। একটি হচ্ছে আবেগ, অপরটি বিবেক। আবেগ এবং বিবেক এই দু’টি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ দু’টো এমন বিষয় যার কোনো একটিকেও বাদ দেয়া সম্ভব নয়। মানুষের যে কোনো কাজে এই দু’টি বিষয়ের সমন্বিত ও পরিমিত উপস্থিতি সেই কাজ ও বিষয়কে সর্বোচ্চ সফলতায় উন্নীত করতে পারে। একইভাবে এই দু’টি বিষয়ের সমন্বয়হীনতা বা কম-বেশি যে কোনো কাজ বিশেষত আন্দোলনকে নিক্ষেপ করতে পারে অন্ধকার আস্তাকুড়ে। আবেগ হচ্ছে গতি। দ্রুততা। চলার শক্তি। আর বিবেক হচ্ছে নিয়ন্ত্রক। এখন যদি কোনো গাড়ির গতি যত দ্রুত আর শক্তিশালীই হোক না কেন, যদি সেই গাড়ির নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ন্ত্রক সুস্থ্য ... Read more - [মুমিনের কোনোদিন পরাজয় নাই...](https://returnofislam.com/2013/03/15/believer-never-fails/): (51) قُلْ لَنْ يُصِيبَنَا إِلا مَا كَتَبَ اللهُ لَنَا هُوَ مَوْلانَا وَعَلَى اللهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ (52) قُلْ هَلْ تَرَبَّصُونَ بِنَا إِلا إِحْدَى الْحُسْنَيَيْنِ وَنَحْنُ نَتَرَبَّصُ بِكُمْ أَنْ يُصِيبَكُمُ اللهُ بِعَذَابٍ مِنْ عِنْدِهِ أَوْ بِأَيْدِينَا فَتَرَبَّصُوا إِنَّا مَعَكُمْ مُتَرَبِّصُونَ “হে নবী আপনি বলে দিন! আল্লাহ আমাদের জন্য যা লিখে রেখেছেন তার বাইরে আমাদের কিছুই হবে না। তিনিই আমাদের অভিভাবক, আর আল্লাহর উপরই যেন মুমিনরা তাওয়াক্কুল করে। হে নবী আপনি (অবিশ্বাসীদেরকে) বলে দিন! তোমরা কেবল আমাদের জন্য দু’টি কল্যাণের একটিরই অপেক্ষা করছ (হয়তো আমরা তোমাদের হাতে শহীদ হবো অথবা বিজয়ী হবো) আর আমরাও তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছি মহান আল্লাহর আযাবের। হয়তো এই আযাব ... Read more - [নারী, ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে](https://returnofislam.com/2013/03/06/women-pot-to-fire/): বাঙ্গালী নারীর অতীত অবস্থা: আমরা যদি মাত্র দুই প্রজন্ম আগে ফিরে যাই,আমাদের দাদী-নানীদের যে চিত্র দেখব তা কম-বেশী একই রকমের। শৈশব পেরোতে না পেরোতে সংসার, কিছু বুঝে উঠার আগে মা, তার পর কোল জুরে একের পর এক সন্তান, বিরাট সংসারের ঝক্কি এক হাতে সামলানো সেই সাথে ক্ষেত-খামারে কাজ করা মানুষের খাদ্য যোগান দেয়া। তার উপর আছে শ্বাশুড়ীর গঞ্জনা। সবার উপরে আছে স্বামীর অবহেলা। কবে যে পৌড়া থেকে বৃদ্ধায় পরিনত হয়, নারী টের পায় না। এক সময় সে তার নিজ সন্তানের বোঝা বলে গন্য হয়। জন্মের সময় পরিবারে ভ্রুকুন্ঠনের উদ্রেককারী এই নারী মৃত্যুর মাধ্যমে পৃথিবীর বিরাট উপকার সাধন করে চলে যায়। বেগম ... Read more - [চট্টগ্রামে ইসলামের বিজয়: আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ তার এক জ্বলন্ত নিদর্শন](https://returnofislam.com/2013/02/25/conquest-of-islam-in-chittagong-andarkilla-shahi-jame-mosque-is-one-of-his-burning-signs/): আজকাল ইসলাম ও রাজনীতি এ দুটিকে এক করে দেখতে চান না। এটি সম্ভবত কয়েক শতকের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার শাসন তারপর তাদের ষড়যন্ত্রে ভারত পাকিস্তান নামে অখণ্ড ভারতের বিভক্তি, পাকিস্তানের জালেম শাসকদের দ্বারা শোষণ, পরবর্তী বাংলাদেশের একের পর এক ব্রিটিশ আমেরিকার দালাল শাসকদের দ্বারা জুলুম অত্যাচারের শিকার হেতু তারা ইসলামকে স্বরূপে দেখতে না পাওয়ার কারণে হয়েছে। তায় এটি অনেক ধর্ম প্রাণ মুসলিমো আজকাল ইসলামকে রাজনীতিতে দেখতে চান না। তায় বাংলাদেশের শহর গ্রাম মফস্বল সর্বস্তরের জনগণ অসচেতনতার সহিত Secularism ধারণ করে যাচ্ছে। ইসলামকে ব্যক্তিগত ইবাদত বন্দেগির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই। যদি এমনই হত ইসলামের Approach তবে আপনি মুসলিম হিসাবে যে গর্ববোধ করেন তার ছিটেফোটাও ... Read more - [শাহবাগে রাজনীতি](https://returnofislam.com/2013/02/19/politics-of-shahbag/): শাহবাগের আন্দোলন আজ দু সপ্তাহ হতে যাচ্ছে। কিন্তু এর পরিণতি কি বা কারা এর দ্বারা লাভবান হতে যাচ্ছে এ নিয়ে জনগণের মাঝে সচ্ছ ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না তাই আজকের এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা। এই আন্দোলন প্রথম শুরু হয় যখন বাংলাদেশের সেকুলার ব্লককে আশাহত করে বাংলাদেশের সেকুলার দল আওয়ামীলীগ যুদ্ধ অপরাধের বিচারকে পরবর্তী নির্বাচনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে যেয়ে কাদের মোল্লাহ কে সরকার দলীয় প্রসিকিউসনের মাধ্যমে তাকে ফাসির হাত হতে বাঁচিয়ে দেয়, এবং পরবর্তীদেরও বাঁচানোর রাস্তা খুলে দেয়। পরবর্তী নির্বাচনে যাতে বিএনপি না আসলেও জামাত অংশগ্রহণ করে এবং আওয়ামীলীগের বিজয় নিশ্চিত হয় এবং আরও বছর ক্ষণেক আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকতে পারে । যা ভারত ... Read more - [দাওয়ার আমানত ও আল্লাহ্‌র সাথে কৃত ওয়াদা](https://returnofislam.com/2013/02/12/amanah-of-dawah/): আমরা যারা দুনিয়াতে দাওয়ার কাজ করছি আমদের মনে হতে পারে যে দুনিয়াতে আমরা সবচেয়ে উত্তম কারণ আমরা আমাদের জীবন সম্পদ সব কিছু দিয়ে দাওয়ার কাজ করছি। কিন্তু আমরা যদি গভীর ভাবে আমাদের কাজ গুলো পর্যবেক্ষণ করি তাহলে দেখব যে আমরা প্রায়শয় দুনিয়াবি (বস্তুগত মূল্যের দিকে জড়িয়ে পড়া) কাজের মাঝে আল্লাহ্‌র দেওয়া আমানত এবং তাঁর (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সাথে কৃত ওয়াদা সম্পর্কে ভূলে যাই। এবং যা আমাদের আমানতের খেয়ানত এবং ওয়াদা ভঙ্গের মত গর্হিত কাজের দিকে নিয়ে যায়। তাই আল্লাহ্‌র আমানত ও তার (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ওয়াদা সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি গভীর করার জন্য নিম্নোক্ত আলোচনাটি করা হল। আল্লাহ্‌ তা’আলা পবিত্র কুরআনে ... Read more - [রাজনৈতিক বিশ্লেষণ: জাগরণ নাকি চক্রান্তের বেড়াজালে বাংলাদেশ?](https://returnofislam.com/2013/02/11/rising-politics-war-crime/): বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের কিছু উল্লেখযোগ্য ইস্যুর মধ্যে একটি হল যুদ্ধপরাধ ইস্যু। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে; যদিও বিচার রায় কার্যক্রম শুরু করে ক্ষমতার মেয়াদ যখন শেষ পর্যায়ে। নানা জল্পনা-কল্পনা, ধ্যান-ধারণা শেষে সর্বপ্রথম আবুল কালাম আযাদের ফাঁসির রায় দেওয়া হয় এবং কয়দিন পূর্বে কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন। এই রায়ের মধ্যে চমকপ্রদ অংশ হল এই জায়গায় যে, যার (আবুল কালাম আযাদ) ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে তিনি পলাতক আর যিনি হাতের নাগালে অর্থ্যাৎ রায় বাস্তবায়নে সুবিধাজনক স্থানে যিনি তাকে দেওয়া হল যাবজ্জীবন। আর এই সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদন্ড রায় দেয়ার পর ফাঁসির ... Read more - [প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য্যধারণ করা](https://returnofislam.com/2013/01/25/being-steadfast/): “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্নাঙ্গ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমাদের অনুগ্রহকে সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।” (সুরা মায়েদা-০৩) ইসলাম একটা সম্পূর্ণ ও সত্য জীবন ব্যবস্থা যা অন্যান্য সকল বিশ্বাস ব্যবস্থা বা মতবাদ থেকে পৃথক একজন ব্যক্তি যখনই লা-ইলাহা ইল্লালাহ সাক্ষ্য দেয় তখনই মৌখিকভাবে অন্যান্য সকল ব্যবস্থাকে অস্বীকার করে একজন ব্যাক্তি নামাযের জন্য কিভাবে পবিত্র হবে সেটি যেমন ইসলাম বলে তেমনি তার আকীদাকে ভ্রান্ত আকিদা থেকে কি ভাবে রিক্ষা করবে সেটা ইসলাম বলে দেয় তেমনি একটা রাষ্ট্রের অর্থনীতি কিভাবে পরিলক্ষিত হয় তাও বলে দেয়। তেমনি কোন শাসক সমাজ পরিচালনা করবে বা শাসকের জবাবদীহিতা কি রকম হবে ... Read more - [ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য কি আমাদের সশস্ত্র লড়াইয়ে অবতীর্ন হতে হবে?](https://returnofislam.com/2013/01/22/is-fighting-a-method/): যদিও মুসলিমরা ১৯২৪ সালে তাদের রাষ্ট্র হারিয়েছিল তাদের হৃদয়ে তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা টিকে ছিল ঠিকই এবং এর দ্বারা বিভিন্ন ইসলামী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতের পুনঃআগমনের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এইসব আন্দোলনগুলো খিলা-ফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির কথা বলে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য জিহাদকেই একমাত্র পথ দাবি করে। যারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগ সন্দেহের উর্ধ্বে। বর্তমানে যেহেতু অধিক থেকে অধিকতর মানুষের এই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এই দায়িত্ব পালন করতে তারা সঠিক পদ্ধতির খোঁজ করছেন। তাই এই সকল পদ্ধতি কুরআন ও সূন্নাহ’র আলোকে মূল্যায়ন করা সবচেয়ে ... Read more - [বিশ্বাসের একটি ভাষা আছে](https://returnofislam.com/2013/01/22/faith-has-a-language/): কুরআন হলো আল্লাহ্’র সাথে আমাদের সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম; যাতে এর মাধ্যমে তিনি আমাদের তার নির্দেশিত পথের দিশা দান করতে পারেন। কিন্তু এই যোগাযোগ [communication] কি সত্যিই ঘটছে? - [ধৈর্যের সাথে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হওয়া এবং আল্লাহ’র হুকুমে তুষ্ট থাকা](https://returnofislam.com/2013/01/16/sabr-hardship/): ইসলামের একদম শুরু থেকেই যখন আদি পিতা ইব্রাহীম (আ) দা’ওয়াহ করছিলেন তখন থেকেই থেকেই তিনি প্রচুর প্রতিকূল বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সা) ও সাহাবাগণও (রা) একইভাবে বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ পর্যন্ত ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দা’য়ীরা সম্মুখীন হয়ে আসছে বিভিন্ন প্রতিকুল অবস্থার। যুগের পরিবর্তনে হয়ত পরিবেশের পরিবর্তন ঘটেছে; কিন্তু প্রতিকূলতা আজও বর্তমান। অর্থ্যাৎ ইসলাম প্রতিষ্ঠায় প্রতিকূলতার সম্মূখীন হওয়া দা’য়ীদের জন্য অবশ্যম্ভাবী এক বাস্তবতা। এই প্রতিকূলতা পরিবার, সমাজ, বন্ধু-স্বজন, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি ক্ষেত্র হতে আসতে পারে। কিন্তু একজন দা’য়ীর জন্য এটা অনুধাবন করা অত্যাবশ্যকীয় যে, এই সকল প্রতিকূলতা আসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার পক্ষ থেকে। তিনি সুবহানাহু ওয়া ... Read more - [সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ এর দায়িত্ব](https://returnofislam.com/2013/01/16/enjoining-good-forbidding-munkar/): ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে “শাসককে জবাবদিহিতা করার ফিকহ” শীর্ষক কর্মশালা আয়োজিত হয়েছিল। যেখানে ইবন কামালুদ্দিন আল হানাফি, উস্তাদ মুহাম্মদ আলি, উস্তাদ ইয়াহিয়া আবু ইয়ুসুফ, উস্তাদ কামাল আবু যাহ্‌রা, উস্তাদ আবু লুকমান ফাতহুল্লাহ প্রমুখ এ বিষয়ে লেকচার দেন। আমি চেষ্টা করছি লেকচারগুলোর ট্রান্সক্রিপ্ট যোগাড় করে বাংলায় আনুবাদ করতে। আপাতত দুটো লেকচার বাংলায় অনুবাদ করেছি আলহামদুলিল্লাহ এবং বাকিগুলোর কাজ চলছে, যা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে ইনশাল্লাহ। যেসব লেকচার গুলো অনুবাদ করা হবে বা হয়েছে তার তালিকা: · সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ এর দায়িত্ব · ইসলামে জবাবদিহিতা · শাসককে জবাবদিহিতা করা মুসলিমদের অত্যাবশ্যকীয় কাজ · শাসক ইসলাম দিয়ে শাসন করতে বাধ্য ... Read more - [পশ্চিমা বিশ্বে নারী নির্যাতন](https://returnofislam.com/2012/12/17/treatment-of-women-in-west/): পশ্চিমের নারী স্বাধীনতার অলীক ধারণা: নারী নির্যাতনের সমাধান হিসাবে পশ্চিমা বিশ্ব সমস্ত পৃথিবীব্যাপী ফ্রিডম বা স্বাধীনতার ধ্যানধারণাকে জোরের সাথে প্রচার করলেও, প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতার মিথ্যা শোগানে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পশ্চিমের নারীরা হয়েছে এক অভিনব দাসত্বের শিকার। বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা, সুপার হিট হলিউড মুভি, নামী-দামী ফ্যাশন ম্যাগাজিন কিংবা চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপনের সাহায্যে তারা মুসলিম বিশ্বেও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করছে তাদের মুক্ত-স্বাধীন নারীদের। তাদের ইলেক্ট্রনিক আর প্রিন্ট মিডিয়াতে আধুনিকা নারীদের দেখলে মনে হয় জীবনের সবক্ষেত্রেই তারা প্রচন্ড রকম স্বাধীন। স্বাধীন সমাজে তাদের ভূমিকা নির্ধারণের ক্ষেত্রে, স্বাধীন পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে কিংবা স্বাধীন পুরুষের সাথে সম্পর্ক তৈরীর ক্ষেত্রে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের শরীরের ওজন, প্রতিটি অঙ্গের মাপ, ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ৩ (সাহাবাদের গঠন পর্যায়)](https://returnofislam.com/2012/12/17/the-islamic-state-e3/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে দাওয়াতের প্রাথমিক পর্যায়ে রাসুল (সা) যাদের মাঝেই ইসলাম গ্রহণ করার মতো মনমানসিকতা লক্ষ্য করতেন, জাতি, বর্ণ, বয়স, সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি ভেদাভেদে তাদের কাছেই তাঁর এ আহবান পৌঁছে দিতেন। তিনি কখনো তাঁর নির্বাচিত কিছু সংখ্যক মানুষের কাছে দ্বীনের আহবান পৌঁছে দেননি বরং সকল শ্রেনীর মানুষকে তিনি সমান ভাবে ইসলামের দিকে আহবান করেছেন এবং তারপর ইসলাম গ্রহণে তাদের মনমানসিকতা বিচারে সমর্থ হয়েছেন। এভাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ ঈমান আনে এবং ইসলাম গ্রহণ করে। নও মুসলিমদের পরিপূর্ণ ভাবে দ্বীন এবং ... Read more - [মৃত্যুপুরীতে বসবাস](https://returnofislam.com/2012/12/15/land-of-death/): পুরো দেশটা মনে হচ্ছে এক মৃত্যুপুরী। ঘর থেকে বাইরে বের হওয়ার আগে শতবার ভাবতে হয়। যুদ্ধের ময়দানে বেসামরিক লোকদের হেটে যাওয়ার চেয়েও কঠিন হয়ে গেছে বাসা থেকে অফিসে আসা। কখন কার আঘাতে কে আহত বা নিহত হবে সেটি আক্রান্ত ব্যক্তি যেমন জানে না, তেমনি আক্রমণকারীও জানে না সে একটু পরে কাকে খুন করবে, জখম করবে। এ কেমন দেশ?এ কেমন স্বাধীনতা? একটি জংগলেও বোধহয় প্রাণীরা এতোটা শংকিত ও আতংকিত থাকে না।পুরো দেশ জুড়ে, বিশেষত ঢাকা শহরে এবং এর সড়ক পথে বর্তমান পরিস্থিতি গৃহযুদ্ধের মতো। কখন কোন চিপা গলি থেকে কে হরতাল বা অবরোধের পক্ষে আর কে বিপক্ষে মিছিল বের করবে, কে রড, ... Read more - [সাহাবীগণ ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ](https://returnofislam.com/2012/12/14/companions-and-laa-ilaha-illallah/): সাহাবীগণ (রা) কিভাবে এই মহান কালিমাকে বুঝেছিলেন ও এর দাবিগুলো পূরণ করেছিলেন, সেটা ইমাম সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহ (রহ) সুন্দরভাবে ব্যখ্যা করেছেন। মুহম্মদ ইবন আবদুল মালিক আল মুসাইসি বলেন: ১৭০ হিজরিতে আমরা সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহর সাথে ছিলাম। এক ব্যক্তি তাকে ঈমান সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলো। তিনি জবাব দিলেন, ‘এটা হলো সত্যের স্বীকোরোক্তি ও আমল।’ লোকটি জিজ্ঞাসা করলো, এটা কি বাড়ে-কমে? তিনি জবাব দিলেন, আল্লাহ ইচ্ছা করলে এটা বাড়ে, আল্লাহ ইচ্ছা করলে এটা কমে; এমনভাবে কমে যে আর এতটুকুই বাকি থাকে [তিনি তার বা হাত দিয়ে তা দেখান]। লোকটি প্রশ্ন করলো, ঈমানকে যারা আমলহীন স্বীকরোক্তি বলে তাদেরকে আমরা কিভাবে মোকাবেলা করবো? [সম্ভবত তিনি মুরজিয়্যাদের ... Read more - [খিলাফাহ কিভাবে মুসলিম বিশ্বে শিল্পায়ন ঘটাবে?](https://returnofislam.com/2012/12/12/industrialization/): ভূমিকা খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাজ করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই যে প্রশ্নটির সম্মূখীন হই তা হলো, খিলাফাহ কিভাবে এই একবিংশ শতকে ইউরোপ ও আমেরিকার সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকবে? মুসলমানদের মধ্যে এ ধারণা প্রবল যে বর্তমান পরাশক্তিগুলো শুধু সামরিকভাবেই নয় বরং অর্থনৈতিকভাবেও খুবই শক্তিশালী। উম্মাহর মধ্যে প্রচলিত এ ধারণার কারণে ‘খিলাফাহ শুধুমাত্র স্বপ্ন… আজকের দুনিয়ায় এর বাস্তবায়ন কখনোই সম্ভব নয়’ এমন বোধ অনেকাংশেই শক্তিশালী হয়েছে। আমরা যদি উম্মাহকে খিলাফতের প্রয়োজনীয়তা তথা মুসলিম বিশ্বের যাবতীয় সমস্যা মোকাবেলায় খিলাফতের অপরিহার্যতার বিষয়টি বোঝাতে চাই তাহলে শুধুমাত্র ইসলামী শরীয়াহর দলীলই সব সময় যথেষ্ট নয়। উম্মাহর আস্থা অর্জনের জন্য আমাদেরকে খিলাফত কিভাবে বাস্তবে মুসলিম বিশ্বের সমস্যাগুলোর সমাধান করবে ... Read more - [ইসলামী সমাজব্যবস্থায় নারীর সম্মান ও মর্যাদা](https://returnofislam.com/2012/12/12/women-in-islamic-society/): প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য – তথা সমগ্র বিশ্বব্যাপী নারী নির্যাতন একটি সমস্যা। কিন্তু এ সম্পর্কিত সমস্ত আলোচনায় এমনভাবে এ ব্যাপারটিকে উপস্থাপন করা হয় যেন এটি শুধুমাত্র মুসলিম বিশ্বেরই একটি সমস্যা আর এর কারণ হিসেবে সব সময় দায়ী করা হয় ইসলামকে। ইসলামে নারীর অধিকার ও মর্যাদা সম্পর্কে অনেক ভ্রান্ত ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে। যেমন: – ইসলাম পুরুষকে দিয়েছে নারী নির্যাতন করার অধিকার। – নারীর নেই শিক্ষা গ্রহণ, রাজনীতি কিংবা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের অধিকার। – নারীর নেই কোন বিষয়ে নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার। – নারীর নেই স্বামী নির্বাচন বা তালাকের অধিকার। – হিজাব বা পর্দাপ্রার মূল উদ্দেশ্য নারীদের অবরুদ্ধ করা। – হিল্লা বিয়ে, গ্রামগঞ্জের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ২ (শুরুর কথা)](https://returnofislam.com/2012/12/12/the-islamic-state-e2/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] শুরুর কথাঃ রাসূল হিসাবে দায়িত্ব প্রাপ্ত হবার পর মুহাম্মদ (সা) সর্বপ্রথম আহবান জানালেন তার সহধর্মিনী খাদিজা (রা)কে এবং তিনি তাঁর উপর বিশ্বাস স্থাপন করলেন। তারপর তিনি তাঁর চাচাতো ভাই আলী (রা) কে ইসলামের দাওয়াত দেন এবং তিনিও তাঁর উপর বিশ্বাস আনেন। এরপর তিনি তাঁর ক্রীতদাস যায়েদ (রা) কে আহবান করলে যায়েদ (রা)ও তাঁর উপর ঈমান আনেন। তারপর তিনি তাঁর বন্ধু আবু বকর (রা) কে আহবান জানান এবং তিনিও বিশ্বাস স্থাপন করেন। এরপর তিনি জনসাধারনকে ইসলামের দিকে ... Read more - [সম্পদ যথেষ্ট, সম্পদের বিতরণই মূল অর্থনৈতিক সমস্যা](https://returnofislam.com/2012/12/12/distribution-of-wealth/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং জীবন পরিচালনা করার জন্য সুনির্দিষ্ট দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ তিনি সৃষ্টি করে তা মানুষের ব্যবহারের জন্য অর্পণ করেছেন। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, “তিনিই সে সত্তা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমিনে রয়েছে সেই সমস্ত।” [সূরা বাকারা : ২৯] “এবং আয়ত্ত্বাধীন করে দিয়েছে তোমাদের, যা আছে নভোমন্ডলে ও যা আছে ভূমন্ডলে; তার পক্ষ থেকে।” [সূরা আল জাসিয়া : ১৩] আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরো বলেছেন, “যেন সম্পদ তোমাদের বিত্তশালীদের মধ্যে আবর্তিত না হয়” [সূরা হাশর: ৭] আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত জীবন ব্যবস্থা বাদ দিলে তার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র - পর্ব ১ (ভূমিকা)](https://returnofislam.com/2012/12/12/the-islamic-state-e1/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ভূমিকা: বর্তমান প্রজন্ম সেই ইসলামী রাষ্ট্রের স্মরণ থেকে বিস্মৃত হয়েছে, যা সত্যিকার ভাবে ইসলাম কায়েম করেছিল। আর ইসলামী রাষ্ট্রের (উসমানী খিলাফত-এর) সমাপনী বছর গুলোতে যারা এখানে বসবাস করেছে, যখন পশ্চিমা বিশ্ব এ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধ ঘোষনা করে, তারা মূলতঃ একটি ক্ষয়ে যাওয়া ধ্বংসোম্মুখ রাষ্ট্র ব্যবস্থার সাক্ষী যেখানে ইসলামী বিধিবিধানের খুব ক্ষুদ্র একটি অংশই কার্যকর ছিল। তাই আজ অধিকাংশ মুসলিমদের পক্ষেই ইসলামী শাসন-ব্যবস্থার সত্যিকারের স্বরূপ নির্নয় করা খুবই কঠিন। সমস্ত মুসলিম জাতির মনমগজ আজ বর্তমানে বিরাজমান ... Read more - [উম্মু শুরাইক (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2012/12/09/umm-shuraik/): উম্মু শুরাইক (রা) মক্কার একজন মহিলা। ইসলামের কথা পৌঁছালো তাঁর কানে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন। অতঃপর নেমে পড়লেন দাওয়াতি কাজে। তিনি বিভিন্ন বাড়িতে যেতেন। আলাপ করতেন বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে। সুযোগ বুঝে ইসলামের মর্মকথা তুলে ধরতেন তাদের কাছে। একসময় বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। মুশরিক নেতারা তাঁকে গ্রেফতার করে। তুলে দেয় তাঁর গোত্রের লোকদের হাতে। তাঁকে শাস্তি দিতে বলে। তাঁর গোত্রের লোকেরা তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। তাঁকে শুকনো রুটি ও মধু খেতে বাধ্য করে। অতঃপর তাঁকে প্রচণ্ড রোদে গরম বালুর ওপর শুইয়ে দেয়। প্রচণ্ড রোদ আর গরম বালুর উত্তাপে তিনি ছটফট করতে থাকেন। পিপাসায় কাঁতারাতে থাকেন। একটু পানি দেবার জন্য লোকদেরকে বারবার অনুরোধ ... Read more - [বাংলাদেশকে ঘিরে সাম্রাজ্যবাদীদের পরিকল্পনার সার সংক্ষেপ ও খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2012/12/08/imperialist-conspiracy/): বাংলাদেশকে ঘিরে সাম্রাজ্যবাদীদের সমস্ত পরিকল্পনা আজ জাতির সামনে দিবালোকের মতো স্পষ্ট। আমাদের অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে এসব পরিকল্পনার মুখোশ জাতির সামনে উন্মোচন করতে হবে। এর সার সংক্ষেপ নিম্নরুপ: ১. ক্রুসেডারদের মোড়ল আমেরিকা এ অঞ্চলে ইসলামী খিলাফতের পুনরুত্থান ঠেকানোর পরিকল্পনা করছে এবং তার নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রসমূহের বলয় দ্বারা চীনকে ঘীরে রাখতে চাচ্ছে। এ অঞ্চলে তার ঘনঘন সামরিক মহড়া এবং নানা অজুহাতে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি, এ পরিকল্পনারই অংশ, যা এখন তার পররাষ্ট্রনীতির প্রধান ভিত্তি, যা “এশিয়ান পিভট” (Asian pivot) নামে পরিচিত। বাংলাদেশের সাথে মার্কিনীদের কৌশলগত ও নিরাপত্তা সংলাপ, তার এ নীতি বাস্তবায়নের একটি অংশ। ২. তাছাড়া, ভারত যাতে তার হয়ে কাজ করে, এজন্য ভারতকে নিয়ে মার্কিন ... Read more - [মানুষ হতে হতাশ হয়ে পড়ার মারাত্মক পরিনতি](https://returnofislam.com/2012/12/07/danger-of-dismissing-people/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুমিনদের প্রতি উত্তম ধারণা রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলছেন, তোমরা যখন একথা শুনলে, তখন ঈমানদার পুরুষ ও নারীগণ কেন নিজেদের লোক সম্পর্কে উত্তম ধারণা করনি এবং বলনি যে, এটা তো নির্জলা অপবাদ? [সূরা আন-নূর: ১২] এছাড়াও আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি বলে যে, মানুষ ধ্বংস হয়ে গেছে, তবে সেই (ব্যক্তিই) মানুষকে ধ্বংস করে দিল (আরেক ভাষ্য অনুযায়ী – ‘সেই ব্যক্তিই মানুষের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত’) [মুসলিম] মুসলিমদের মধ্যে যে কল্যাণ রয়েছে এর গুরুত্ব আমাদের অবশ্যই উপলব্ধি করতে হবে। আর যদি তা না করে আমরা উম্মাহকে কল্যাণের তালিকা হতে বাদ দিয়ে দেই ... Read more - [হারিস (রা) ও ইকরিমা (রা)-এর আত্মত্যাগ](https://returnofislam.com/2012/12/06/sacrifice-of-haaris-and-ikrima/): মুহাম্মদুর রাসূল (সা)-এর শাসনকালেই খ্রিস্টান রোমানরা মুসলিমদের সঙ্গে শত্রুতা শুরু করে। মুহাম্মদুর রাসূল (সা)-এর ইন্তিকালের পর তাদের শত্রুতার মাত্রা বেড়ে যায়। আবু বকর আস্‌ সিদ্দিক (রা)-এর শাসনকালে মুসলিম বাহিনী সিরিয়ার বহু জনপদ থেকে রোমানদেরকে তাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়। রোমানরা বিশাল সেনাবাহিনী সংগঠিত করে সিরিয়ার অন্তর্গত ইয়ারমুক উপত্যকায় মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এই যুদ্ধে এক লাখ বিশ হাজার খ্রিস্টান রোমানদের মুকাবিলা করেন মাত্র ছাব্বিশ হাজার মুসলিম। যুদ্ধ চলাকালেই আল-মদিনায় আবু বকর আস্‌ সিদ্দিক (রা) ইন্তিকাল করেন। আমিরুল মুমিনীন হন উমর বিন আল-খাত্তাব (রা) বিপুল সংখ্যক রোমান সৈন্য মুসলিমদের হাতে নিহত হয়। যুদ্ধে মুসলিমরা বিজয়ী হন। তবে বেশ কিছু নামীদামী মুসলিমও এই ... Read more - [রিয্‌ক ও জীবনকাল একমাত্র আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে](https://returnofislam.com/2012/11/30/rizk-and-ajl/): রিয্‌ক-এর আভিধানিক অর্থ এমন বস্তু যা কোনো প্রাণী খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, যা দ্বারা সে দৈহিক শক্তি সঞ্চয়, প্রবৃদ্ধি সাধন ও জীবন রক্ষা করে থাকে। রিয্‌কের জন্য মালিকানা-স্বত্ব শর্ত নয়। সকল জীবজন্তুই রিয্‌ক ভোগ করে থাকে, কিন্তু তারা এর মালিক হয় না। কারণ মালিক হওয়ার যোগ্যতাই তাদের নেই। অনুরূপভাবে ছোট শিশুরাও মালিক নয়, কিন্তু ওদের রিয্‌ক অব্যাহতভাবে তাদের কাছে পৌঁছতে থাকে। কুরআনের বহু আয়াত থেকে একথা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয় যে, রিয্‌ক একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। যেমন: নিশ্চয়ই আল্লাহই আমার রিয্‌কদাতা, অসীম শক্তিধর। [সূরা যারিয়াত: ৫৮] আর জমিনে বিচরণশীল প্রাণীর জীবিকার দায়িত্ব আল্লাহর। [সূরা হুদ: ৬] আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদের উপাসনা ... Read more - [ফিলিস্তিন: বর্তমান পরিস্থিতি, প্রতিক্রিয়া ও করণীয়](https://returnofislam.com/2012/11/19/palestine-reaction-identity/): بسم الله الرحمن الرحيم ১) ইয়াকুব আলাইহি সালামেরই অপর নাম ইসরাইল। হিব্রু ইসরাইল শব্দটি আরবী আবদুল্লাহ্’র সমার্থক হলেও; আজ ইসরাইলীরা হচ্ছে আদু’আল্লাহ্ [আল্লাহ্’র শত্রু]। তিনি মৃত্যুশয্যায় তার সন্তানদের জিজ্ঞেস করেছিলেন: “তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন ইয়াকুবের মৃত্যু নিকটবর্তী হয়? যখন সে সন্তানদের বলল: আমার পর তোমরা কার এবাদত করবে? তারা বললো, আমরা তোমার পিতৃ-পুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্যের এবাদত করব। তিনি একক উপাস্য।” [সুরা বাকারাহ: ১৩৩] অথচ তাদের সীমালঙ্গন আর বিধিবিধান না মানার কারনে তাদের উপর আরোপিত হয়েছে লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা: “আর তাদের উপর আরোপ করা হল লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এমন হলো এ ... Read more - [সালাফিবাদ ও সুফিবাদের মাঝে..](https://returnofislam.com/2012/11/19/between-salafism-sufism/): দুঃখজনক হলেও সত্য বর্তমান সময়ে উম্মাহর মধ্যে এমন কিছু দল আছে যারা উম্মাহর মধ্যে অতীতকাল থেকে আক্বীদার শাখা, উসুল আল ফিক্বহ কিংবা ফিক্বহ নিয়ে বিদ্যমান বিভেদগুলোকে চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। প্রতিটি দলই বাকি দলগুলোকে বর্জন করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচারণা চালায় এবং একে অপরকে ভীষণ শত্রু মনে করে অথচ তারা ভুলে যায় আমাদের মুসলিম ভুমিগুলো শত্রুদের দখলে, উদাহরণস্বরূপ – ইসরা এবং মিরাজের ভুমি প্যালেস্টাইন। তারা ভুলে যায় মুসলিম ভূমিগুলোত প্রতিদিন রক্তে রঞ্জিত হয় সাম্রাজ্যবাদী কিংবা এদের দালাল দ্বারা কিংবা তারা ভুলে যায় ইসলামের শত্রুরা ধ্বংস করতে ব্যস্ত আমাদের দ্বীনের মূল শিক্ষা, শরীয়াহ আইন এমন কি আক্বীদার অনেক বিষয় পর্যন্তও। সালাফি কিংবা সুফি ... Read more - [মুমিনদের ভবিষ্যত অবশ্যই অবশ্যই অতীত হতে উত্তম হবে](https://returnofislam.com/2012/11/16/believer-past-future/): মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, وَالضُّحَى (1) وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَى (2) مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى (3) وَلَلْآَخِرَةُ خَيْرٌ لَكَ مِنَ الْأُولَى (4) وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى (5) অর্থ: ‍”কসম আলোকিত সকালের, কসম রাতের যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়। আপনার রব আপনাকে পরিত্যাগ করেননি এবং অসন্তুষ্টও হননি। আর অবশ্যই আপনার ভবিষ্যত সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে উত্তম। আর অচিরেই আপনার রব আপনাকে এমন কিছু দান করবেন, যার ফলে আপনি সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।” (সূরা দুহা, আয়াত ১-৫) সূরায় দুহা’র এই আয়াত গুলো প্রিয়নবী সা. এর উপর এমন এক সময় অবতীর্ণ হয়েছিলো, যখন তিনি নানাবিধ পেরেশানি আর মানসিক কষ্টের মধ্যে ছিলেন। নবুওয়াতের ... Read more - [ইসলাম কিভাবে সুশাসন নিশ্চিত করে](https://returnofislam.com/2016/09/24/islam-ensures-good-governance/): “যারা আল্লাহ’কে ছেড়ে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তাদের দৃষ্টান্ত ঐ মাকড়সার ন্যায়, যেটি একটি ঘর বানিয়েছে; এবং নিঃসন্দেহে সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই অধিক দুর্বল। যদি তারা জানত।” [সূরা আনকাবুত : ৪১] আমরা সকলেই মুসলিম দেশসমূহের এবং অন্যান্য দেশের জনগণের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। বর্তমানে পুরো বিশ্বজুড়ে মুসলিম, অমুসলিম নির্বিশেষে সকলেই যে অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছে তা আমরা প্রত্যক্ষ করছি। আর এই অবিচারের ব্যাপকতা অর্থনীতি, শিক্ষা এবং অধিকার হতে শুরু করে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেও পরিব্যপ্ত হয়েছে। সমগ্র বিশ্বেই এই ভয়াবহ অবস্থার মাত্রা একইরকম। জনগণের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তোলার কাজে এই গণতান্ত্রিক ব্যবসা পুরোপুরিভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মুসলিম হিসেবে আমার এবং আমাদের সকলের আল্লাহ ... Read more - [গুলশান ৭৯ নম্বর – “আদর্শিক ফোড়া”র শিকার বাংলাদেশ"](https://returnofislam.com/2016/09/23/gulshan-79-ideological-conspiracy/): গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ক্যাফেতে রক্তের বন্যা বয়ে গেল। এর আগে যা যা নিয়ে লিখেছি, এই ঘটনা তারই চলমান প্রবাহ মাত্র। কিছুদিন আগেই আদর্শিক যুদ্ধের (Ideological Conflict) পুণরাবির্ভাব নিয়ে লিখেছিলাম ( http://goo.gl/hKkyOd ), যেখানে বলেছিলাম যে পশ্চিমা আদর্শিক চিন্তাবিদ এবং ভূরাজনীতি বিশারদরা কিভাবে চিন্তা করছেন সামনের দিনগুলি নিয়ে। তারা সামনের দিনগুলিতে বিশ্বের Balance of Power-এ ব্যাপক পরিবর্তনের আশংকা করছেন বলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তথা পশ্চিমা বিশ্বকে ‘উদ্ভট’ সব কৌশল অবলম্বন করার উপদেশ দিচ্ছেন। ‘উদ্ভট’ বলছি আসলে সেগুলি উদ্ভট বলে নয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছে সেগুলি উদ্ভট ঠেকবে সেজন্যে। যেমন – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুখে অন্য কথা বললেও দুনিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানে সে আসলে স্থিতিশীলতা চায় ... Read more - [কুরআন-এর সাত হরফে নাযিল হওয়া](https://returnofislam.com/2016/09/21/seven-letters-of-quran/): আল্লাহর রাসূল (সা) বলেছেন: “এই কুরআন সাতটি ভিন্ন হরফে নাযিল হয়েছে, সুতরাং কুরআন হতে যা তোমাদের জন্য সহজতর হয় তা পাঠ কর“। [মুত্তাফাকুন আলাইহি]  তিনি (সা) আরো বলেছেন: “জিবরাঈল আমাকে একটি পদ্ধতি শিখিয়েছে এবং আমি তা অনুশীলন করতে থাকা অবস্থায় সে আমাকে আরো (পদ্ধতি) শিখিয়েছে। আমি তার কাছে আরো প্রত্যাশা করতে থাকি এবং সেও বাড়াতে থাকে যতক্ষন না (সর্বমোট) সাতটি হরফ হয়“। [বুখারী] সাত হরফ-এর অর্থের ব্যাপারে আলেমগণ মতবিভেদ করেছেন, তাদের মধ্যে কেউ উপনীত হয়েছেন, এটি মুতাওয়াতির পঠনে ভাষার প্রাঞ্জলতার মতভিন্নতা এবং সাতটি ভাষ্যে তা সংরক্ষিত হওয়া। (যেমন), ই’রাবের ভিন্নতা, (শব্দের) বেশি কিংবা কম হওয়া, কিংবা দ্রুততা কিংবা বিলম্ব হওয়া, পাক খাওয়া কিংবা ... Read more - [১৮তম অধ্যায়: উদারপন্থা ও চরমপন্থা](https://returnofislam.com/2016/07/29/moderation-and-extremism/): পশ্চিমাদের ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিক ও পরিমন্ডল রয়েছে, বাস্তব জীবন থেকে ইসলামের দূরত্ব সৃষ্টির জন্য এই সবগুলোকে প্রয়োগ করা হয়। এই প্রপাগান্ডা কেবল এর ভাবমূর্তিকে খাটো করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতকে ধ্বংস করা, এর হুকুমসমূহকে অকার্যকর করা এবং ইসলামকে প্রাচীনকালের বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা। ইসলাম যাতে পুরো পৃথিবীকে আবারও নেতৃত্ব দিতে না পারে সেটাকে লক্ষ্য করেই এরূপ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা সার্বক্ষনিকভাবে ইসলামকে ভয় পায়। সে কারণে তাদের ষড়যন্ত্রও এক মুহুর্তের জন্য থেমে নেই কারণ যদি তাদের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যায় এবং মুসলিমরা তাদের হারানো গৌরব ফিরে পায়। পশ্চিমাদের দৃষ্টিতে মুসলিমরা এমন এক ... Read more - [১৭তম অধ্যায়: ইসলাম গ্রহণের পরও কি রাসূলুল্লাহ্ (সা) নাজ্জাশীকে কুফর শাসনের অনুমোদন দিয়েছিলেন?](https://returnofislam.com/2016/07/28/did-the-rasool-accept-the-najashi-who-had-embraced-islam-to-rul-by-the-law-of-kufr/): যারা ইসলামের দাওয়াহ্ সঠিকভাবে বহন করতে চায় এবং দলীয় কিংবা ব্যক্তি জীবনে একে প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে, তারা কুফর শাসনব্যবস্থা ধ্বংসের নামে কখনওই এতে অংশগ্রহণ করতে পারে না। কারণ কুফর ব্যবস্থা ও আইন-কানুনসমূহ বাস্তবায়নকারী কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তা কেবল শক্তিশালীই হয়, ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না। কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সমর্থনে যেসব দলিল পেশ করা হয় তা একধরনের আত্নপ্রবঞ্চণা, তারও আগে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও মুমিনদের সাথে প্রবঞ্চণার নামান্তরমাত্র। বিশেষত: যখন তা হয় অর্থ ও প্রামাণ্যতার দিক থেকে অকাট্য শারী’আহ্ দলিলের সাথে সাংঘর্ষিক। অর্থ ও প্রামাণ্যতার দিক থেকে অকাট্য শারী’আহ্ দলিলের বিরোধীতার সমর্থনে শারী’আহ্’কে বিবেচনায় না এনে মনগড়া মাসলাহা (Interest) অবলম্বন ... Read more - [১৬তম অধ্যায়: খন্ডিত সংস্কার ও আমূল সংস্কার](https://returnofislam.com/2016/07/27/patchwork-reform-and-radical-reform/): মুসলিমদের আজকের এ করুণ দশায় অবস্থার পরিবর্তন ও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মত উত্তম বিকল্পের জন্য কাজ করতে অনেক ইসলামী আন্দোলনের উন্মেষ ঘটেছে। এ আন্দোলনগুলো মূলত দু’ধরনের। প্রথম ধরনের আন্দোলন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার দাওয়াহ্’র ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। সুতরাং তারা, যা ধ্বংস হয়েছে তা ঠিক করার চেষ্টা করে এবং যা দূষিত হয়ে গেছে তার সংস্কার সাধনের চেষ্টা করে। দ্বিতীয় ধরনের আন্দোলন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পথের উপর নির্ভর করে এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গী হল, ভিত্তিমূল যেখানে দূনীর্তিগ্রস্ত হয়ে গেছে সেখানে সংস্কার সাধন করে বাস্তবে তেমন কোন সুফল পাওয়া যাবে না, তাই খন্ডিত সংস্কার আদৌ কোন কাজে আসবে না। এ দুই আন্দোলনের ... Read more - [ভিন্ন বিষয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ হুকুম](https://returnofislam.com/2016/07/26/the-combining-together-of-different-things/): ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে অনেক সময় শারী’আহ্ একই প্রকার হুকুম প্রদান করেছে, যদিও মানব যুক্তি ঠিক তার উল্টো কাজ করে। শারী’আহ্ পবিত্র হওয়ার ক্ষেত্রে পানি এবং ধুলাকে একই মর্যাদায় স্থান দিয়েছে, যদিও পানি পরিষ্কার করে অথচ ধুলা অপরিষ্কার করে। এটা স্বর্ণ এবং গমের ক্ষেত্রে রিবা আল-ফাদল (অতিরিক্ত পরিমাণ) কে নিষিদ্ধ করেছে, যদিও এদের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। এটা যিনাহ্ এবং মুরতাদ (দ্বীনত্যাগ) এর শাস্তি মৃত্যুদন্ড বিধান করেছে অথচ অপরাধ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। এটা মুসলিম ও অমুসলিমদের সুরক্ষা দিয়েছে যদিও বিশ্বাসের দিক থেকে তারা ভিন্ন। কোন নারীর উপর যিনাহ্’র দায় চাপানো মিথ্যা অভিযুক্তকারী এবং মদ পানকারী উভয়কেই ৮০টি দোররা মারার হুকুম দিয়েছে ... Read more - [সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়ে ভিন্ন হুকুম](https://returnofislam.com/2016/07/25/the-distinction-between-similar-things/): সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়বস্তুর মধ্যে ভিন্নতার উদাহরণ হিসেবে যেমন আমরা বলতে পারি শারী’আহ্ স্থান-কালের মধ্যে পার্থক্য বিধান করেছে যদিও মুসলিমদের কাছে মর্যাদার দৃষ্টিকোনে সব স্থান-কাল একই। যেমন শারী’আহ্ লাইলাতুল ক্বদরের রাতকে অন্যান্য রাতের উপর মর্যাদা দিয়েছে, মক্কাকে মদীনার উপর এবং মদীনাকে অন্যান্য শহরসমূহের উপর প্রাধান্য দিয়েছে। কছর (সংক্ষিপ্ত) নামাযের ক্ষেত্রে পার্থক্য বিধান করেছে, যেমন: ৪ রাকাত নামায সংক্ষিপ্ত করা যায়, কিন্তু ৩ বা ২ রাকাতে যায় না। এটা মনি (বীর্য) এবং মাজিহ (প্রাকবীর্য তরল) এর মধ্যে পার্থক্য করেছে। একই স্থান হতে নির্গত হওয়া সত্ত্বেও মনি (বীর্য) পাক এবং মাজিহ (প্রাকবীর্য তরল) নাপাক। স্বেচ্ছায় মনি নির্গত হলে গোসলকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং রোজা ভঙ্গের ... Read more - [১৫তম অধ্যায়: হারামের মাধ্যমে হালালে পৌঁছানো যায় না (উদ্দেশ্য পদ্ধতির ন্যায্যতা প্রমান করে না)](https://returnofislam.com/2016/07/24/the-halaal-is-not-reached-through-the-haraam/): কিছু কিছু মুসলিমের চিন্তা যুক্তিনির্ভর সাদৃশ্যতা (Rational Analogy) দ্বারা প্রভাবিত। এই সাদৃশ্যতা বিবেচনায় তারা শারী’আহ্ প্রদত্ত ইঙ্গিত অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লেখিত ইল্লাহ্ (হুকুমের পেছনে ঐশী বা শারী’আহ্ প্রদত্ত কারণ) এর উপর নির্ভর করে না। তাদের মতে চিন্তা ব্যবহার করে সমগ্র শারী’আহ্ হতে যুক্তিনির্ভর ক্বিয়াস (Rational Qiyas) অনুধাবন করা যায়, তার জন্য নির্দিষ্ট কোন দলিলের প্রয়োজন নাই। শারী’আহ্ প্রদত্ত সুস্পষ্ট কোন ইঙ্গিত ছাড়াই এক হুকুমের সাথে অন্য হুকুমের সাদৃশ্যতা বিবেচনা করে মানব চিন্তা তা অনুধাবনে সক্ষম। শারী’আহ্ হুকুম ও অন্যান্য হুকুমের মধ্যে মাসলাহা’র (সুবিধা) ভিত্তিতে প্রাধান্য বিবেচনা করেও তা উপলদ্ধি করা সম্ভব। উপরের যুক্তিগুলো কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের দৃষ্টিতে সমস্ত শারী’আহ্ আমাদের ... Read more - [১৪তম অধ্যায়: মাসলাহা’র (সুবিধা) দোহাই দিয়ে হারামকে অনুমোদন দেয়া](https://returnofislam.com/2016/07/23/permitting-the-haraam-under-the-pretext-of-the-public-interest/): শারীআহ্ কিছু বিষয়কে আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে আর কিছু বিষয়কে নিষেধ করেছে। কোনভাবেই তার রদবদল, পরিবর্তন ও বিকৃত করা আমাদের জন্য বৈধ নয়। সর্বজ্ঞানী আইনপ্রণেতা আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা শুধুমাত্র যেখানে প্রয়োজন সেখানেই রুখসাহ্-কে (অব্যহতি) অনুমোদন দিয়েছেন। সুতরাং শয়তান বা মানুষের প্রবৃত্তি সুবিধার দোহাই দিয়ে যতই এতে প্ররোচনা দিক না কেন, যে স্থানে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) রুখসাহ্ (অব্যহতি) প্রদান করেননি সে স্থানে তাঁর হুকুমকে পাশ কাটানোর কোন অনুমোদন নাই। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত রুখসাহ্ ব্যতীত বাধ্যতামূলক হুকুমসমূহ পরিত্যাগ করাকে অনুমোদন দেয় আর নিষেধ অমান্য করাকে বৈধতা দান করে সে কাফির কিংবা অজ্ঞ ফাসিকদের অন্তর্ভূক্ত। কিছু বিপথগামী ব্যক্তি ... Read more - [১৩তম অধ্যায়: সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ:) এবং কুফর ব্যবস্থার অধীনে শাসন](https://returnofislam.com/2016/07/22/sayyiduna-yusuf-and-ruling-within-a-kufr-system/): সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ) সম্পর্কে তাদের বক্তব্য হচ্ছে, তিনি (আ) এমন একটি জাহেলী সমাজে বসবাস করতেন যেখানে শিরকী বিশ্বাসের কতৃর্ত্ব ছিল। সমাজটির নৈতিক বিপর্যয়ও ছিল ব্যাপক। লোভ এবং অবিচার এতই বিস্তার লাভ করেছিল যে সেই সমাজের লোকেরা ইউসুফ (আ)-এর নিষ্পাপ চরিত্রের নিদর্শন পেয়ে তাকে কারাবন্দি করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইউসুফ (আ) এর সততা ও স্বপ্নের সুব্যাখ্যা দেয়ার বিষয়টি উপলদ্ধি করে রাজা তাকে কারামুক্ত করেন এবং নিজের নিকটবর্তী করেন। সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ) রাজাকে বলেছিলেন তাকে যেন কোষাগারের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং রাজা তাঁর অনুরোধ রেখেছিলেন। তাই তাদের বক্তব্য হচ্ছে, ইউসুফ (আ) জাহেলী শাসন ও শাসনব্যবস্থার মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যা ছিল বনী ইসরাইলের ... Read more - [১২তম অধ্যায়: কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণ](https://returnofislam.com/2016/07/21/participation-in-a-kufr-system/): দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বান্দার প্রতি তাঁর বিশেষ অনুগ্রহ পূর্ণ করেছেন। তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “এবং সত্য ও ইনসাফ (এর আলোকে) আপনার ররের কথাগুলো পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। তাঁর কথা পরিবর্তন করার কেউ নেই। এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।” (সূরা আল আনআম: ১১৫) নিশ্চয়ই দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করা বান্দার প্রতি আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র একটি বিশেষ রহমত। কুর’আনকে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সুরক্ষিত করেছেন এবং পরিবর্তন ও রদবদল হতে নিরাপদ রেখেছেন। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “নিশ্চয়ই সন্দেহাতীতভাবে আমি কুর’আন নাযিল করেছি এবং নিশ্চয়ই আমি তা সংরক্ষন করবো।” [সূরা হিজর: ৯] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) একে সংরক্ষণ করেছেন যাতে তা ... Read more - [গণতন্ত্র, শূ’রা নয়](https://returnofislam.com/2016/07/20/democracy-is-not-shura/): নিজেদেরকে জ্ঞানী বলে দাবিকারী কিছু লোক যখন বলে, ইসলামের শুরু গণতন্ত্র দিয়ে আর শেষ একনায়কতন্ত্র দিয়ে, তখন তা শুনে একজন হাসবে না কাঁদবে তা ঠিক করতে পারে না। তারা প্রমাণ হিসেবে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র নিম্নোক্ত আয়াতটি উল্লেখ করে: “কাজে কর্মে তাদের পরামর্শ করুন। অতঃপর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলেন, তখন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র উপর ভরসা করুন।” (সূরা আলি ইমরান: ১৫৯) আমাদের আলোচনার সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি চিন্তা নিয়ে এখনও আলোকপাত করা বাকী রয়েছে, আর তা হলো কিছু লোকের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র ইসলাম দ্বারা অনুমোদিত যেহেতু কুর’আন ও সুন্নাহ্’তে শূ’রার বিষয়টি পরোক্ষভাবে এসেছে। তারা বলে গণতন্ত্র শূ’রা ছাড়া আর কিছুই ... Read more - [বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ পশ্চিমা সভ্যতার ফলাফল নয়](https://returnofislam.com/2016/07/19/science-and-technology-are-not-products-of-the-western-civilisation/): এরকম ধারণা বিরাজমান রয়েছে যে পশ্চিমাদের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন গণতন্ত্রের বাস্তবায়নের ফসল। অথচ এর পক্ষালম্বনকারীরা বাস্তব চিত্র সম্পর্কে অজ্ঞ। এর কারণ বৈজ্ঞানিক নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত আবিষ্কারসমূহ কোন দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে সংযুক্ত নয় বরং এটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত মানুষের চিন্তাশক্তি দ্বারা কোনকিছু অর্জনের ক্ষমতা। যে কোনো পুঁজিবাদী, সমাজতান্ত্রিক বা মুসলিম ব্যক্তি যে তার মনকে মুক্তভাবে চলতে দেয় সেই এটা অর্জন করতে পারে। কোন ধর্ম বা জীবনব্যবস্থার এক্ষেত্রে কোন প্রভাব নেই, যদি না বিশেষ কোন আদর্শ বিজ্ঞানকে অনুমোদন দেয় ও মানুষের মনের ব্যবহারকে বৈধতা দেয় অথবা এটি পূর্বের গীর্জার মত এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। এটা সর্বজনবিদিত যে, ইসলামী আদর্শ কেবলমাত্র পরীক্ষা ... Read more - [পশ্চিমা সমাজে স্বাধীনতা](https://returnofislam.com/2016/07/18/freedoms-in-the-west/): জীবন থেকে দ্বীনকে পৃথকীকরণের ধারণার বশবর্তী হয়ে পশ্চিমারা নিজেদেরকে আইন তৈরির ক্ষমতা প্রদান করেছে। এটা এই দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করে যে মানুষ অন্যের তোয়াক্কা না করে এমন জীবনযাপন করবে যাতে সে নিজেকে পরিতুষ্ট করতে পারে; যেখানে তার নিজের খেয়ালখুশীর প্রতিফলন ঘটবে কিন্তু অন্যদের নয়। তারা মনে করে মানুষ এরূপ অধিকার ভোগ করতে পারবে না যদি না সে স্বাধীন হয়। আর এটা থেকেই পাওয়া যায় বিশ্বাস, মালিকানা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ধারণা। এটা স্বাধীনতার এ ধারণাকে পবিত্র বলে বিবেচনা করে। এই স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কৌশলগত অর্থ রয়েছে। বিশ্বাসের স্বাধীনতা একজনকে পছন্দসই ধর্ম বেছে নেয়ার সুযোগ করে দেয়। অথবা দৈনন্দিন ব্যাপার হলেও তাকে এক বিশ্বাস ... Read more - [তা-গূত কী?](https://returnofislam.com/2016/07/17/what-is-tagbut/): ইসলামের দৃষ্টিতে বিচারের জন্য আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও নিকট শরণাপন্ন হওয়াকে তাগুতের নিকট শরণাপন্ন হওয়া বুঝায়। তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “আপনি কি তাদেরকে প্রত্যক্ষ করেননি যারা দাবী করে যা আপনার উপর নাযিল হয়েছে, এবং যা আপনার পূর্বে নাযিল হয়েছে, তার উপর তারা ঈমান এনেছে, এবং তারা বিবাদমান বিষয়গুলোর মিমাংসার জন্য তাগুতের শরণাপন্ন হতে চায় অথচ তা প্রত্যাখ্যানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু শয়তান তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলতে চায়।” (সূরা আন নিসা: ৬০) তাগুতের শাসন মানেই জাহেলিয়াতের শাসন। এর প্রতিটি আইন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইবনে আল-কাইয়্যিম তার রচিত গ্রন্থ আ’লাম আল-মুয়াক্কি’ন এ বলেন, “বান্দা ... Read more - [গণতন্ত্র](https://returnofislam.com/2016/07/16/democracy/): পশ্চিমা সভ্যতা দুনিয়া থেকে দ্বীনের পৃথকীকরণ বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। এই চিন্তা ও ভিত্তিতে বিশ্বাসের দরুণ পশ্চিমারা জনগণের জীবন থেকে দ্বীনের প্রতিটি প্রভাব বিনষ্ট করেছে। এর অনুকরণে তারা মৌলিক চিন্তার আদলে এর উপর ভিত্তি করে জীবন সম্পর্কিত সকল চিন্তা ও সমাধান বিকশিত করেছে। অতএব গণতন্ত্রের মাধ্যমে মানুষ নিজেদের উপর আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র কর্তৃত্বের পরিবর্তে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে নিজেদের কাজের মাপকাঠি হিসেবে তারা স্বার্থকে গ্রহণ করলো এবং সর্বোচ্চ মাত্রার ঈন্দ্রীয়গত পরিতুষ্টিকে সুখ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করলো। এটাই ছিল ব্যক্তিপূঁজার চিন্তা পরবর্তীতে ব্যক্তিস্বাধীনতার পূঁজার দিকে ধাবিত করে। এসব চিন্তার উপরে ভিত্তি করেই পাশ্চাত্য সভ্যতা গড়ে উঠেছে এবং পাশাপাশি এসব চিন্তার সাথে সাংঘর্ষিক ... Read more - [বিচ্যুতি ও আপোষের ব্যাপারে সতর্ক থাকা](https://returnofislam.com/2016/07/15/alertness-to-deviation-and-compromise/): কোনো আদর্শিক ফিকরাহ্’র (আক্বীদা ও সমাধান সম্বলিত চিন্তাসমূহ) উপরে প্রতিষ্ঠিত দল যখন বাস্তবতার মোকাবিলা করতে মাঠে নামে তখন তার উপর অনেক ঝড়-ঝাঁপটা আসে এবং তাকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলতে চায়। এই আন্দোলনটির প্রতি শাসকবর্গের আচরণ হবে অন্যান্য আন্দোলন থেকে পৃথক। কারণ অন্যান্য আন্দোলনগুলো আংশিক চিন্তা উপস্থাপন করে, যার ফলে তারা শাসকের জন্য মোটেও হুমকি হিসেবে কাজ করেনা। বরং শাসকবর্গ কতৃর্ক সংঘটিত বিভিন্ন ত্রুটি ও অপূর্ণতার খালি জায়গাগুলো পূরণ করে দেয়। কিন্তু আদর্শিক ফিকরাহ’র ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত চরম আন্দোলনটি নিজস্ব ভিত্তির আলোকে বিভিন্ন বিষয়ের মোকাবিলা করে এবং কোনো জোড়াতালি দেওয়া সমাধানকে মেনে নেয়না অথবা পরিস্থিতির সাথেও তাল মেলায়না। না তারা কোনো আংশিক সমাধান ... Read more - [১১তম অধ্যায়: চিন্তা (Idea) ও পদ্ধতি (Method) হিসেবে আদর্শের প্রতি আনুগত্য](https://returnofislam.com/2016/07/14/adhering-to-the-ideology-as-a-thought-and-method/): যখন পশ্চিমা কাফেররা তাদের জীবনব্যবস্থাকে এমনভাবে চাপিয়ে দিতে সক্ষম হলো যাতে তা জনগণ অনুসরণ করে, তখন মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনযাপনগত অবস্থান কারও নিকট আর ঈর্ষণীয় পর্যায়ে রইলো না। মুসলিমরা আক্বীদাহ্’র সাথে সাংঘর্ষিক চিন্তাসমূহ দ্বারা নিজেদের জীবন পরিচালিত করতে লাগলো। উম্মাহ্ কখনও যেসব বিজাতীয় চিন্তাসমূহকে গ্রহণ করেনি, তা হতে উৎসারিত পশ্চিমা জীবনদর্শনের সাথে ইসলামী আক্বীদা’হ্ হতে উৎসারিত চিন্তাসমূহের সামঞ্জস্যবিধানের চেষ্টার ফলে মুসলিমরা তাদের সঠিক পরিচিতি ও ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেললো। অজ্ঞতা ও সবকিছু নিজেদের ভিত্তি হতে গ্রহণের অক্ষমতাই এসব ভ্রান্তচিন্তা বিস্তার লাভের জন্য দায়ী। তারা ইসলাম এবং ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক এমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি বিষয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের চেষ্টা করলো। নিজেদের ... Read more - [১০ম অধ্যায়: ক্রমান্বয়ে ইসলামের বাস্তবায়ন](https://returnofislam.com/2016/07/09/gradualism/): ক্রমাণ্বয়ে বা ধাপে ধাপে ইসলামকে বাস্তবায়নের যে দূষিত চিন্তাটি সমাজে বিদ্যমান সেটি এবং তা থেকে উদ্ভূত অন্যসব দূষিত চিন্তা যেমন বিদ্যমান ব্যবস্থাসমূহে অংশগ্রহণ প্রভৃতি বিষয়ে আমরা এখানে আলোকপাত করতে চাই, সেগুলোর প্রতি ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতে চাই এবং এসব চিন্তার  ভ্রান্তি সম্পর্কে উম্মাহকে সচেতন করতে চাই। সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রচেষ্টারত কিছু দলের লোক মানুষের মনে ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য এরকম একটি  দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে থাকে যে,  ইসলাম থেকে গণতন্ত্র এসেছে ।এর কারণ হচ্ছে তাদের কর্মকাণ্ডের সাথে এ জাতীয় চিন্তার জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। অতএব প্রথমেই আমাদের বোঝা দরকার, ধাপেধাপে ইসলামের বাস্তবায়ন বলতে কি বোঝায়? যারা এই চিন্তাকে ধারণ করে তাদের মতে ... Read more - [কর্মকান্ড কি আংশিক হবে নাকি ব্যাপক এবং ভারসাম্যপূর্ণ হবে?](https://returnofislam.com/2016/07/08/should-the-work-be-partial-or-comprehensive-and-balanced/): কিছু মুসলিম কর্মী আছেন যারা ইসলামী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সমন্বিত এবং সুষম পদক্ষেপ গ্রহণ করার একটি ধারণা উপস্থাপন করেন আবার অনেকে আংশিক কর্মকাণ্ড জোরালোভাবে পরিচালনা করার কথা বলেন। সমন্বিত পদক্ষেপ বলতে বুঝানো হয় অন্যান্য বিষয় ও দিক বাদ দিয়ে কেবল কোনো একটি আংশিক বিষয় বা দিকের উপরে কর্মকাণ্ডকে সীমিত না করা। ইসলামী পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে ইবাদাত সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, সামাজিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা বিদ্যমান। নবুয়্যতের যুগে ইসলামের প্রথমদিককার কর্মকাণ্ড ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। রাসূল (সা) তখন ইসলামের সমস্ত দিকের অনুসরণ করছিলেন। কর্মক্ষেত্রে অথবা নৈতিক শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে, তিনি ছিলেন একজন মুরব্বী, শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি ছিলেন শিক্ষক, জিহাদের ময়দানে ছিলেন নেতৃত্বদানকারী, পরিকল্পনার ... Read more - [আন্দোলন কি আঞ্চলিক হবে নাকি বৈশ্বিক?](https://returnofislam.com/2016/07/07/should-the-movement-be-regional-or-global/): যেহেতু সমগ্র পৃথিবীর জন্য ইসলাম একটি দ্বীন হিসেবে এসেছে এবং মুহাম্মাদ (সা) পুরো মানবজাতির জন্য নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন সেজন্য কিছু মুসলিম প্রস্তাব করে যে ইসলামী আন্দোলনকেও বৈশ্বিক হতে হবে। এছাড়া বাস্তবতা বিবেচনা করলেও দেখা যায় ইসলামী আন্দোলনকে বৈশ্বিক বিভিন্ন আন্দোলনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। উপরন্তু, ইসলামী পরিবর্তন সূচিত করার লক্ষ্যে যে বিশাল কর্মকাণ্ডের প্রয়োজন সেজন্যও প্রয়োজন বৈশ্বিক আন্দোলন। যারা এরূপ ধারণা পোষণ করে তারা প্রমাণ হিসেবে কুরআনের এ আয়াতগুলো উদ্ধৃত করে: “এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমণ্ডলীর জন্যে এবং রাসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্যে।” (আল কুরআন ২:১৪৩) “বলে দিন (হে মুহাম্মাদ): ‘হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের সবার ... Read more - [একাধিক দলের বৈধতা](https://returnofislam.com/2016/07/06/the-permissibility-for-plurality-of-groups/): এই বিষয়টি আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে একাধিক দলের বৈধতাকে যেসব দলীলের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয় সেগুলোকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এর ফলে অন্যান্য যেসব মত একাধিক দলের উপস্থিতিকে অনুমোদন করে সেগুলোও বৈধ হয়ে যায়নি। কারণ কোনো বিষয় অবৈধ হলেই বিপরীত বিষয়টি বৈধ বলে প্রমাণিত হয়ে যায়না। এর জন্য এমনসব দলীলের প্রয়োজন যেগুলো ইসতিদলাল ও ইসতিনবাদের যথার্থতাকে প্রমাণ করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এক্ষেত্রে কী কী দলীল বিদ্যমান?  অসংখ্য দলীল রয়েছে যেগুলো ফুরু’র (আহকাম) ক্ষেত্রে মতভেদকে অনুমোদন করে, উসূলের (আক্বীদাহ) ক্ষেত্রে নয়। ফুরু সংক্রান্ত মতভেদকে অনুমোদনের ব্যাপারে সুন্নাহ’তে নির্দেশনা আছে। এজন্যই আমরা দেখি সাহাবীদেরকে (রা), তাবিঈন এবং ... Read more - [৯ম অধ্যায়: একাধিক ইসলামী দল বা আন্দোলন থাকা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2016/07/05/is-it-allowed-to-have-more-than-one-movement-calling-to-islam/): এই বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে কোনো আন্দোলন বা দলের কর্মসূচীর জন্য একটি সামগ্রিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতে আমরা চেষ্টা করেছি। বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে আমরা একে ভারাক্রান্ত করে তুলিনি বরং যেসব মৌলিক বিষয় অবশ্যই মেনে চলতে হবে সেগুলো আমরা বর্ণনা করেছি এবং বিস্তারিত বর্ণনার বিষয়টি দল ও এর মুজতাহিদগণের উপর ছেড়ে দিয়েছি। বর্তমানে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এমন অনেক কর্মপ্রচেষ্টা বিদ্যমান, যেগুলো কোনো সঠিক ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত না। অনেক দলের ক্ষেত্রে বলা যায় যে তারা শরীআ’হ’র প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ পূরণ করেনি। আংশিক কাজ করতে ইচ্ছুক এমন কিছু মুসলিমের সমষ্টি ছাড়া তারা আর কিছুই না। এমনকি তারা আংশিক সমস্যাসমূহের সমাধানও করতে পারে না ... Read more - [৮ম অধ্যায়: দলের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনাসমূহ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা](https://returnofislam.com/2016/07/04/the-obligation-of-adopting-thoughts-necessary-for-the-work-of-the-group/): যেকোনো ধরনের দল হলেই চলবে এমন ধারণা শরীআ’হ দেয় না। বরং শরীয়াহ এমন একটি দল প্রতিষ্ঠার দাবী করে যার উদ্দেশ্য হবে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশ বাস্তবায়ন করা। নিচের দলীলটি আমাদেরকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেয়। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তাআলা) বলেন;  “আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকবে যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।” (আল কুরআন ৩:১০৪) ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে এমন একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করতে শরীয়াহ আমাদেরকে বাধ্য করে যে দলটি তাকে  প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অর্থাৎ ইসলামের আধিপত্য ও প্রতিষ্ঠালাভ এবং ক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তা ও ... Read more - [আক্বীদাহ’র গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2016/07/03/the-importance-of-the-creed/): যেহেতু ইসলামী আক্বীদাহ হচ্ছে দলটির কাজের প্রেরণা এবং আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয়াদি দিয়ে শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা এর উদ্দেশ্য সেহেতু দলটির জন্য বাধ্যতামূলক নিজের বিকাশক্রিয়া (culture) কে এমনভাবে গ্রহণ করা যার সঙ্গে আক্বীদাহ’র জোরোলো সম্পর্ক থাকবে। যার লক্ষ্য হবে দলের কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, উদ্বেগ, আন্তরিকতা, তীব্র ভালোবাসা, আগ্রহ এবং ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা। এটি মুসলিমদের মধ্যে চলার পথে দুঃখ যন্ত্রণা সহ্য করার ক্ষমতাও জাগিয়ে তুলবে । দাওয়াত বহনকারীকে এটি এমনভাবে গড়ে তুলবে যাতে সে লোকজনের প্রশংসার জন্য বসে থাকবে না বরং সে তার রব ও সেইদিনের ভয় করবে যেদিন দুশ্চিন্তায় মানুষের চেহারা বিমর্ষ হবে। রবের সন্তুষ্টি ও আখিরাতের পরম সুখ লাভের জন্য সে ... Read more - [৭ম অধ্যায়: দলের বিকাশ প্রক্রিয়া (Culture)](https://returnofislam.com/2016/07/02/the-culture-of-the-group/): উম্মাহর দরকার হচ্ছে বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের, আর পরিবর্তনের জন্য আবশ্যক হল ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কোনো রাজনৈতিক কাঠোমোর মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। সুতরাং কাঠামোটির সঠিক বৈশিষ্ট্য ও গাঠনিক উপাদানগুলোর বিষয়ে এবং পূর্ববর্তী কাঠামোগুলোর সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা অপরিহার্য, যাতে সেসবের ব্যর্থতার কারণ বুঝা সম্ভব হয় এবং তা এড়িয়ে চলা যায়। এজন্য কাঠামোগত দিকটি পর্যবেক্ষন করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই দিকটি কায়দা বা ধরনের (style) অন্তর্গত একটি বিষয়। কায়দা বা ধরনের বিষয়টি মূলত মুসলিমদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে যাতে কাজের যথার্থতা ও উপযুক্ততা অনুযায়ী তারা তা নির্ধারণ করে। এই বিষয়টি দলীয় কৃষ্টির বা সংস্কৃতির একটি অংশ। — যে সমাজে মুসলিমরা বাস করে তাতে ... Read more - [ক্বিয়াস আক্বলী (যুক্তির ভিত্তিতে ক্বিয়াস নির্ধারণ)](https://returnofislam.com/2016/07/01/the-rational-analogy/): আক্বল সাদৃশ্যতাপূর্ণ ও তুলনীয় বস্তু সম্পর্কে একই ধরনের নিয়ম প্রদান করে। সেকারণে এমন দু’টি বিষয়ের মধ্যে স্বরূপতা আনা হয় যেগুলোর মধ্যে সাদৃশ্যতা রয়েছে। এবং আক্বল ভিন্ন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন হুকুম প্রদান করে।  এ অবস্থা ক্বিয়াস শরী’আহ এর সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ শরী’আহ একই ধরনের বিষয়ে ভিন্ন ধরনের হুকুম প্রদান করেছে এবং ভিন্ন ধরনের বিষয়ে একই হুকুম প্রদান করেছে। শরী’আহ একই বিষয়কে দু’ভাবে দেখেছে, যেমন: দু’টি ভিন্ন সময়কে। লাইলাতুল ক্বদরকে অন্যান্য রাতের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। একই ধরনের স্থানকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছে, মক্কাকে মদীনার উপর এবং মদীনাকে অন্যান্য স্থানের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। সালাতের ক্ষেত্রে চার রাকাআত এর নামাজ ও তিন রাকাআতের মধ্যে ... Read more - [আল মাসলাহাহ (জনস্বার্থ)](https://returnofislam.com/2016/06/30/public-interest/): মাসলাহাহ মানে হল কোন উপযোগিতা অর্জন করা বা ক্ষতি থেকে মুক্ত থাকা। এটা মনের ভিত্তিতে হতে পারে আবার শরী’আহ দ্বারা ঠিক করা হতে পারে। যদি মানুষের মনকে এ ব্যাপারে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে মানুষের পক্ষে সত্যিকারের উপযোগিতা খুজে বের করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে যাবে। কারণ আমাদের মন সীমিত। মানুষের মন তার সব প্রয়োজন ও বাস্তবতাকে ধারণ করতে পারে না। সেকারণে সে তার জন্য সঠিক উপযোগিতা নির্ধারণ করতে সক্ষম নয় যেহেতু কোন একটি জিনিস উপকারী না ক্ষতিকর এ বিষয়ের বাস্তবতাকে মানুষ সঠিকভাবে উপলদ্ধি করতে পারে না। স্রষ্টা ব্যতিত আর কেউ মানুষের বাস্তবতা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখে না। কোনটা কীভাবে হলে মানুষের স্বার্থ ... Read more - [শরী’য়াহ বুঝার নিয়মসমূহ](https://returnofislam.com/2016/06/29/the-rules-of-understanding-the-shara/): দলটি শরী’য়াহ’র উৎস সুনির্দিষ্ট করবার পর কীভাবে এসব উৎস থেকে শরী’য়াহ গ্রহণ ও এগুলোকে ব্যবহার করবে তা উপলদ্ধি করবে। অন্য কথায়, এটি এমন নীতিমালা (কাওয়া’ইদ) বুঝার দিকে মনোনিবেশ করবে যেগুলোর মাধ্যমে একজন উৎস থেকে আহকাম বের করে নিয়ে আসতে পারে। এটা নিঃসন্দেহাতীত যে, যখন একজন ইসলামী চিন্তাবিদ একটি শরী’য়া হুকুম বের করবার জন্য মনস্থির করে তখন তার মনে উসুলের নীতিমালাসমূহ থাকে যেগুলোর ভিত্তিতে সে একটি হুকুম প্রণয়ন করে। এমন কোন জ্ঞান নেই যার কোন মূলনীতি নেই, হতে পারে সেটি লিখিত অথবা অলিখিত।  শরীয়া যে কোন বর্ণণা হতে পারে আম বা সার্বজনীন, খাস বা সুনির্দিষ্ট, মুজমাল বা সংক্ষিপ্ত, মুফাসসাল বা বি¯তৃত, মুতলাক ... Read more - [শরী’য়াহর উৎস](https://returnofislam.com/2016/06/28/sources-of-the-shara/): যেহেতু প্রতিটি হুকুমকে একটি সঠিক উৎস থেকে আসতে হবে সেহেতু উৎস অধ্যয়ন করবার পর সে সম্পর্কে যথার্থ উপলদ্ধি তৈরির পরই তা গ্রহণ করতে হবে। এটা সর্বজনবিদিত যে, ইসলামি আইনের প্রধান উৎস হল কুরআন ও সুন্নাহ, যেগুলোর ব্যাপারে কোনরূপ মতানৈক্য নেই। লদ্ধ উৎসসমূহ হল, ইজমা, ক্বিয়াস, ইসতিহসান (আইনগত প্রাধান্য), মাজহাব আস সাহাবা (সাহাবীদের মতামত), শা’রা মান কাবলানা (পূর্ববর্তীদের শরীয়াহ), এ সবগুলোর ব্যাপারে মতানৈক্য রয়েছে । উৎস সম্পর্কে অন্তর্নিহিত দৃষ্টিভঙ্গি দলের শরীয়া গ্রহণ সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়।   এটা সর্বজনবিদিত যে, লদ্ধ উৎসসমূহ নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট প্রমাণাদির উপর। সুতরাং, যদি কোন কিছু চূড়ান্তভাবে শরীয়ার উৎস হিসেবে পরিগণিত হয়, তাহলে এটাকে কোরআন ও সুন্নাহ থেকে ... Read more - [শরী’য়াহ উপলদ্ধি করা](https://returnofislam.com/2016/06/27/understanding-the-shara/): চিন্তাকে ব্যবহার করে বাস্তবতাকে প্রকৃতভাবে বুঝবার পর শরীয়া দলিল থেকে উৎসারিত শরীয় হুকুম বাস্তবতায় প্রয়োগের জন্য উদ্ভুত হয়। চিন্তাকে সমাধান বের করবার জন্য উৎস হিসেবে গ্রহণ করা অনুমোদিত নয়। এখানে চিন্তার কাজ হল শরীয়া দলিলে থাকা শরীয়া সমাধান উপলদ্ধি করা।  শরীয়া বুঝতে হলে আমাদেরকে জানতে হবে দলটি কোন উৎস থেকে শরীয়া এবং ঊসুলী মূলনীতি গ্রহণ করে এবং কিসের দ্বারা দলটি মন্দ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চায়। এভাবে, জনগনের সামনে নিয়ে যাবার জন্য বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবে এবং ইজতিহাদি প্রক্রিয়ার যথার্থ জ্ঞান অর্থাৎ অবরোহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কিত জ্ঞান রাখবে।  - [মানাত (বাস্তবতা) উপলদ্ধি](https://returnofislam.com/2016/06/26/understanding-the-reality/): আহকাম বুঝবার জন্য ইসলামি পদ্ধতির ভিত্তি হল: সমস্যাকে গভীরভাবে উপলদ্ধি করা, এর মর্মোদ্ধার করা, সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া দলিল এবং সবশেষে এই শরীয়া দলিল থেকে হুকুম বের করে নিয়ে আসা। সুতরাং পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করা একটি দলের উপস্থিতি এটি যে বাস্তবতায় আছে তার সাথে সম্পর্কযুক্ত। কেননা এ বাস্তবতার নিরীখেই দলটিকে ঐ বাস্তবতা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় শরীয়া হুকুম বের করতে হবে। আর কোন বিষয়ের বাস্তবতা বুঝতে হলে একজনকে ঐ বিষয়টি গভীরভাবে অধ্যয়ন করতে হবে। শরী’আহ বুঝতে হলে প্রথমেই এর উৎস সুনির্দিষ্ট করতে হবে এবং উসুল ও মূলনীতি গ্রহণ করতে হবে যার ভিত্তিতে হুকুসমূহ বের করে আনতে হবে। হুকুম আহরণের এই প্রক্রিয়া সম্পন্নের ... Read more - [৬ষ্ঠ অধ্যায়: আহকাম (হুকুম) বুঝবার জন্য ইসলামের পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/06/25/the-method-of-islam-in-understanding-the-rules/): দ্বীন প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ সংক্রান্ত দায়িত্ব বহন শরী’আহ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় জ্ঞানভিত্তিক হতে হবে। এটি একারণে যে, আমরা ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি জ্ঞান ছাড়া কোন কাজের মূল্য নেই এবং জ্ঞান ও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার প্রতি আন্তরিক সদিচ্ছা ছাড়া কোন ইবাদতের মূল্য নেই। সুতরাং দলের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া জ্ঞানের সীমা কতটুকু? কোন বিকাশ প্রক্রিয়ার (culturing process) মাধ্যমে দলটি গঠিত হবে এবং কিসের ভিত্তিতে এর শাবাবগন ও উম্মাহ তৈরি হবে? উপযুক্ত শরীয়া জ্ঞানের ভিত্তিতে সৎ কাজের আদেশ প্রদান ও অসৎ কাজের নিষেধ সংঘটিত হয়, যা দলটিকে গ্রহণ করতে হবে। যদি দলটি এমন কিছু গ্রহণ করে যা শরী’আর ... Read more - [শাসকদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ কি পরিবর্তনের সঠিক পদ্ধতি যা অনুসরণে আমরা কি বাধ্য?](https://returnofislam.com/2016/06/24/some-muslims-hold-the-view-that-raising-arms-in-the-face-of-the-rulers-today-is-the-method-of-change-that-we-are-obliged-to-follow/): তারা দলিল হিসেবে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন না করলে ’অসৎ শাসক’দের বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা) এর অস্ত্রধারণ করবার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন। এ অবস্থার প্রতিক্রিয়ায় বলতে চাই যে, অমত পোষণ করলেনও এ ধরনের চিন্তা যারা পোষণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এটুকু বলব যে, আলোচ্য হুকুমের মানাত (যে বাস্তবতার জন্য হুকুমটি এসেছে) বুঝতে পারলে হাদীসটি হৃদয়ঙ্গম করাও সহজতর হবে। এ হাদীসটি মূলত দার ঊল ইসলামের ইমাম এর বিষয়ে যাকে আইনগতভাবে শরঈ বায়া’আত দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ মুসলিমদের বায়া’আতের মাধ্যমে তিনি একজন ইমাম হয়েছেন। আর এই ইমাম যে ভূমিকে শাসন করেন তাকে দার ঊল ইসলাম বলা হয়। অর্থাৎ এ ভূমি ইসলাম দ্বারা শাসিত হয় এবং ... Read more - [কারও কারও মতে রাসূলুল্লাহ (সা) এর সীরাতের যথার্থতা যাচাই করা হয়নি](https://returnofislam.com/2016/06/23/some-others-say-the-sirah-of-the-messenger-has-not-been-verified/): এর অর্থ হল, যে বিষয়ের দলিল প্রমাণিত নয় সেটি মানতে আমরা বাধ্য নই। ফলে আমরা সে অনুযায়ী কাজও করতে পারি না। তারা মনে করে, খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য মক্কী জীবনে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাজকে অনুসরণ না করবার ব্যাপারে তাদের মতামতের পক্ষে এটি একটি দলিল। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিক্রিয়ায় আমরা বলতে পারি, সীরাত হল বর্ণণা ও ঘটনার সংগ্রহ যে ব্যাপারে নিরীক্ষা ও দালিলিক প্রমাণ অত্যাবশ্যকীয়। যেহেতু এটা রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাজের সাথে সম্পর্কযুক্ত সেহেতু তা ওহীর অংশ। সুতরাং মুসলিমদের মুস্তফা (সা) এর সীরাতের ব্যাপারে এমনভাবে সচেতন থাকতে হবে যেভাবে তারা কোরআন ও হাদীসের ব্যাপারে সচেতন থাকে। সীরাতে মক্কী জীবনের কাজ বলতে রাসূলুল্লাহ (সা) ... Read more - [কিছু মুসলিম মনে করে, (আনুষ্ঠানিক) ইবাদত করাটাই হলো প্রয়োজনীয় কাজ; ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা নয়](https://returnofislam.com/2016/06/22/some-muslims-say-that-ritual-worship-is-what-is-required-and-not-the-work-to-establish-the-islamic-state/): তারা আরও বলে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) লোকদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার প্রতি ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন, কিন্তু ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে নয় অথবা আল্লাহর প্রতি ইবাদত হল কেন্দ্রীয় ইস্যু, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নয়; কিংবা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা জরুরী নয় যতটা জরুরী আল্লাহর ইবাদত করা। তাদের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে তারা এ জাতীয় আরো কিছু কথা বলে থাকে । এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অবশ্যই ইবাদতের বাস্তবতাকে সংজ্ঞায়িত করব এবং দেখাব কীভাবে তা অর্জন করতে হয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং মানুষকে সৃষ্টির অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হল ইবাদত করা। ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এর অর্থ হল, আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে উপাস্য ... Read more - [কিছু মুসলিম বলে যে, খিলাফত প্রতিষ্ঠা করার কাজের বাধ্যবাধকতা কেবলমাত্র শাসক ও তাদের পারিষদবর্গকে আহবানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত](https://returnofislam.com/2016/06/21/some-muslim-say-the-obligation-to-work-to-establish-the-khilafah-must-be-restricted-to-calling-rulers-and-their-entourager/): মালা’আ হল একটি জনগোষ্ঠীর প্রধান। তাদের হাতে জনগনের সব বিষয় থাকে এবং তারা সব সময় শাসকদের চারপাশে থাকে। যদি তাদের ক্ষেত্রে দাওয়াত সফল হয় তাহলে ইসলামের সুবিধা হবে, সমাজকে সহজেই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। যে বিষয়টি দাওয়াত কেবলমাত্র শাসকশ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবার উপলদ্ধি তৈরি করেছে তা হল, সাধারণ জনগনকে দাওয়াত প্রদান করবার মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করা শুরু করলে তা তাদের জন্য শাসক কতৃক লাঞ্চণা বয়ে নিয়ে আসবে। তারা এমন বোঝায় ভারাক্রান্ত হয়ে যাবে, যা বহনে তারা অক্ষম এবং মুসলিমদের এ অবস্থায় পর্যবসিত হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘মুসলিমদের নিজেদের অবমানিত করা উচিত নয়।’ যখন তাঁকে (সা) জিজ্ঞেস ... Read more - [৫ম অধ্যায়: যেসব পদ্ধতি শরী’য়া পদ্ধতির সাথে সাংঘর্ষিক](https://returnofislam.com/2016/06/20/method-contrary-to-the-sharee-method/): আমরা ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কর্মপদ্ধতি, তা অনুসরণ করা ও এ পথ থেকে বিচ্যুত না হওয়ার গুরুত্ব উপস্থাপন করেছি। তবে আমরা দেখতে পাই কিছু ইসলামি দল ও চিন্তাবিদগন এ পদ্ধতি ব্যতিরেকে অন্য পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। যাইহোক যারাই এসব পদ্ধতি গ্রহণ করছেন, আমাদেরকে সে বিষয়ে অবশ্যই আলোচনা করতে হবে। দ্রুত পরীক্ষা করে এ বিষয়ে এমনভাবে অজ্ঞানতার পদার্কে উন্মোচন করতে হবে যাতে মুসলিমগণ অবিরতভাবে হতবুদ্ধি না হয় এবং গোলকধাঁধায় হারিয়ে না যায় অথবা দাওয়াত বহনের ক্ষেত্রে সন্দিহান না থাকে। নিম্নে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি উপস্থাপন করব।   - [শরীয় হুকুমসমূহ কী নিরীক্ষামূলক?](https://returnofislam.com/2016/06/19/the-sharee-rules-as-an-experiment/): দ্বিতীয় প্রশ্নের ক্ষেত্রে: কিছু লোক আছে যারা ইসলামি রাষ্ট্র বাস্তবায়নের কাজকে নিরীক্ষামূলক হিসেবে নিয়েছে এবং এ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিরীক্ষামূলক পরিকল্পনা থেকে উদ্ভুত দাওয়াতের মাধ্যমে এগুবে বলে মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল এ বিষয়ে এভাবে চূড়ান্ত কিছু বলা কী সমীচীন? পদ্ধতিকে নিরীক্ষামূলক বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা অপাংক্তেয়। এর অর্থ ‘শারী’য় পদ্ধতি’ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইসলামে যে কোন কাজের পদ্ধতি শরীয় হুকুম দ্বারা স্বীকৃত যা এর দলিলের বিশুদ্ধতার উপর নির্ভর করে। দলটি শরীয়া গ্রহণে যেমনি বাধ্য তেমনি এইসব দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রেও রয়েছে বাধ্যবাধকতা এবং প্রমাণিত কোন শরীয় হুকুম থেকে চ্যুত হওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ তাদের নেই। সুতরাং এটা লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূণ নিরীক্ষামূলক ... Read more - [আজকাল কিছু মুসলিম তরীকার সাথে ধরনকে (উসলুব) গুলিয়ে ফেলে](https://returnofislam.com/2016/06/18/confusing-the-method-with-styles-by-some-muslims-today/): এ ধরনের সন্দেহ কিছু মুসলিমের মধ্যে সৃষ্টি হবার কারণ হল তারা মনে করে, রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় থেকে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্নতর। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় সমাজের বিভক্তি ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের, অর্থাৎ বংশ এবং গোত্র। আজকে এ বিভক্তি আরও জটিল ও পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত। একটি রাষ্ট্রের সাথে আগের গোত্র সমূহের তুলনা করা চলে, যার জনসংখ্যা ছিল হাজার হাজার। এখন এ সংখ্যা মিলিয়ন মিলিয়ন। তখন দাওয়াত ছিল লোকদের কুফর থেকে ইসলাম গ্রহণের জন্য। আর আজকে দাওয়াত করা হয় মুসলিমদের ইসলামী জীবনধারা পুণপ্রবর্তনের জন্য। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় সুপার পাওয়ার পারস্য ও রোমানরা মক্কায় তার দাওয়াতে হস্তক্ষেপ করেনি। কিন্তু আজকের দিনে শাসকেরা পশ্চিমাদের আজ্ঞাবহ ও ... Read more - [তরীকাহ (পদ্ধতি) এবং উসলূব (ধরন)](https://returnofislam.com/2016/06/17/the-method-and-styles/): এখন যে প্রশ্নটি উত্থিত হয়, তা হল, রাসূলুল্লাহ (সা) মক্কায় যা বলেছিলেন এবং করেছিলেন তা কি ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কিনা এবং একারণে এটা মানতে আমরা বাধ্য অথবা এমন কোন কাজ বা কর্ম করেছেন কিনা যা ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেগুলো একজন অনুসরণ করতে বাধ্য নয়? এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই পদ্ধতি, উপকরণ ও ধরনের প্রশ্ন আসে। আরেকটি প্রশ্ন উত্থিত হয়, তা হল, পদ্ধতি (যা হল কিছু শর’ঈ হুকুমের সমষ্টি কিন্তু উপকরণ নয়) নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো যাবে কিনা এবং যদি পরীক্ষার পর এটা কোন ফল দেয় তাহলে এটা সঠিক, অন্যথায় নয়? প্রথম বিষয়টির ক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্তভাবে বলতে পারি, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ... Read more - [নুসরাহ বা বস্তুগত সমর্থন অনুসন্ধান](https://returnofislam.com/2016/06/16/seeking-the-material-support/): এবার আসা যাক পদ্ধতিগত নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান প্রসঙ্গে আর তা হল নুসরাহ বা বস্তুগত সমর্থন। এটা নিয়ে সাবধানতার সাথে বিশে­ষণ করে দেখা যাক আমাদের কী অনুসরণ করা উচিত, বিশেষ করে আমরা যখন দেখতে পাই যে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যারা কাজ করেন তারা নুসরাহর বিষয়টি অত্যন্ত কম গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন। তারা মনে করে এটি একটি side বিষয় বা এর ইসনাদ (বর্ণণার সূত্র) ততটা শক্তিশালী নয় বিধায় এটি গ্রহণ করবার প্রয়োজন নেই। তারা কেবল এখানেই থেমে থাকে না। বরং রাসূলুল্লাহ (সা) এর সবগুলো সীরাতে সামান্য কিছু ব্যত্যয় ছাড়া সুস্পষ্ট বর্ণণা থাকা সত্তেও এ বিধান ও যারা এর অনুসরণ করে তাদের ... Read more - [মদীনায় হিজরত](https://returnofislam.com/2016/06/15/the-migration-to-madinah/): মদীনায় হিজরত দাওয়াতের ক্ষেত্রে আলোচনা ও সহিষ্ণুতার পর্যায় থেকে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলাম বাস্তবায়নের পর্যায়ে উন্নীত হবার একটি ধাপ। এটা দারুল কুফর থেকে দারুল ইসলামে উন্নিত হওয়া যা মদীনাতে রাসূলুল্লাহ (সা) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেখানে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ইসলাম বহন করেছিলেন। আর তা করা হয়েছিল ইসলাম দ্বারা শাসিত একটি রাষ্ট্রের মাধ্যমে। এ রাষ্ট্র ইসলামকে বাস্তবায়ন করে এবং এর দিকে দলিল প্রমাণসহ আহ্বান করে ও দাওয়াতকে ক্ষমতার সাথে বহন করে যাতে করে বাতিলের অত্যাচার ও ক্ষতির হাত থেকে একে সুরক্ষা দেয়া যায়। যখন রাসূলুল্লাহ (সা) মদীনাতে পৌঁছলেন তখন সেখানকার অনেক লোক তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছিল। রাসূলুল্লাহ (সা) সর্বপ্রথম একটি মসজিদ ণির্মাণ করেছিলেন। এ ... Read more - [আল ‘আকাবার শপথ](https://returnofislam.com/2016/06/14/the-pledge-of-al-aqabah/): মুস’আব (রা)  মক্কায় ফিরে আসলেন। আনসারদের মধ্য থেকে কিছু মুসলিম তাদের তীর্থযাত্রী মুশরিক লোকদের সাথে হজ্জ করবার জন্য এল। তাশরীকের (১০ জিলহজ্জ থেকে শুরু করে ৪ দিন) মাঝামাঝি এক দিনে তারা রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে শপথবদ্ধ হলেন। তাদের মধ্যে তেয়াত্তর জন পুরুষ ও দুইজন নারী ছিল। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে কেবল তার চাচা ছিলেন। আসাদ বিন জুরারাহ বলেন, ‘ রাসূলুল্লাহ (সা) এর চাচা আল আব্বাস সর্বপ্রথম কথা বললেন। তিনি বললেন, ‘হে খাজরাজের লোকেরা! তোমরা মুহম্মদ (সা) সাথে দেখা করে তাকে আমন্ত্রন জানাচ্ছ। মুহম্মদ (সা) তার গোত্রের লোকদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সম্মানিত। আল্লাহর কসম! আমাদের মধ্য হতে যারা তাকে বিশ্বাস করে অথবা ... Read more - [দাওয়াতের আহ্বানে মদীনাবাসীর প্রতিক্রিয়া](https://returnofislam.com/2016/06/13/the-response-of-the-people-of-madinah/): রাসূলুল্লাহ (সা) গোত্রসমূহকে প্রতিবছর মাজান্না, উ’কাজ এবং মিনায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও তার নিজের প্রতি ক্রমাগতভাবে আহ্বান জানাচ্ছিলেন, যাতে করে তিনি তাঁর রবের বাণী নিরাপদে মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে পারেন এবং এর প্রতিদানে তারা জান্নাত অর্জন করতে পারে। আরবের একটি গোত্রও তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি এবং তিনি নির্যাতিত ও চরিত্র হননের অপচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন যতক্ষণ না আল্লাহর ইচ্ছায় দ্বীন বিজয়ী হওয়া, প্রভূর মদদপুষ্ট হওয়া ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ার সময় এসেছিল। অত:পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা রাসূলুল্লাহ (সা) কে আনসারদের একটি গোত্রের কাছে প্রেরণ করেন। তিনি (সা) এমন একটি দলের সাথে বসলেন যারা তাদের মাথা মুন্ডন করছিলেন । রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) কতৃক গোত্রসমূহকে ইসলামের দিকে আহ্বান](https://returnofislam.com/2016/06/12/the-rasool-s-offers-islam-to-the-tribes/): যখন রাসূলুল্লাহ (সা) এর চাচা আবু তালিব ও বিবি খাদিজা (রা) একই বছরে ইন্তেকাল করলেন তখন তাদের মৃত্যুর কারণে তার ভাগ্যাকাশে দূর্যোগের মেঘ আরও ঘনীভূত হল। চাচার মৃত্যুর পর কুরাইশগন রাসূলুল্লাহ (সা) এর উপর নির্যাতনের খড়গহস্ত আরও কঠিনভাবে চালাতে উদ্যত হল। এ ব্যাপারে তিনি (সা) বলতেন, ‘আবু তালিবের মৃত্যুর পর কুরাইশগন যত ঘৃণিত কাজ করেছিল ততটা আর কখনওই করেনি।’ (সীরাতে ইবনে হিশাম) আবু তালিবের মৃত্যুর পর নিজের ও তাঁর লোকদের সুরক্ষা ও নুসরার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) তায়েফ গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বানু সাকিফ গোত্রের কিছু নেতৃস্থানীয় লোকের সাথে দেখা করেছিলেন। তিনি তাদের সাথে ইসলামকে সমর্থন করা ও এর পাশে দাঁড়ানোর জন্য ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময়ে গণসংযোগ পর্যায়](https://returnofislam.com/2016/06/11/the-stage-of-interaction-in-his-s-time/): কুরাইশদের সাথে দাওয়াত নিয়ে সংঘাত ছিল স্বাভাবিক। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) এই দলটিকে সাহসী ও চ্যালেঞ্জিং পদ্ধতিতে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছিলেন। দাওয়াতের প্রকৃতির কারণে মক্কার সমাজ ও কুরাইশদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়েছে। এ দাওয়াত এক আল্লাহর উপাসনা ও তাওহীদের প্রতি আহ্বান করেছিল এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য সব কিছুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে বলেছিল ও যে দূনীর্তিগ্রস্ত নষ্ট শাসনব্যবস্থার মধ্যে তারা বসবাস করত তার সমূল উৎপাটন করবার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। তিনি তাদের স্রষ্টাকে উপহাস করতেন, সস্তা জীবনধারাকে আক্রমণ করতেন এবং তাদের জীবনব্যবস্থার অবৈধ দিকসমূহ উন্মোচন করতেন। তিনি সত্য দিয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করতেন এবং তারাও করত মিথ্যে ও গুজব দ্বারা। তিনি লোকদের সুস্পষ্টভাবে আহ্বান ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা)—এর সময়ে ব্যক্তি তৈরির ধাপ](https://returnofislam.com/2016/06/10/the-stage-of-culturing-in-his-s-time/): যখন রাসূলুল্লাহ (সা) কে দাওযাতের কাজের দায়িত্ব দেয়া হল তখন তিনি লোকদের সেদিকে আহ্বান জানাতে আরম্ভ করলেন। কেউ কেউ তার আহ্বানের উপর বিশ্বাস স্থাপন করল এবং কেউ কেউ অবিশ্বাস করল। যখন মক্কায় ইসলাম ব্যাপক পরিচিতি লাভ করল তখন সাধারণ জনতা এটা নিয়ে কথা বলা শুরু করল। রাসূলুল্লাহ (সা) শুরুতে তাদের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করতেন। মক্কায় তিনি লোকদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিতেন আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী, ‘হে চাদরাবৃত, উঠুন, সতর্ক করুন’। (সূরা মুদ্দাসির: ১-২) তিনি প্রথমে দলটিকে গোপনে সংঘটিত করেন। সাহাবাগন (রা) তখন লোকালয় থেকে দূরে উপত্যকায় গিয়ে সালাত আদায় করতেন। নতুন কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ (সা) তৎক্ষণাৎ কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য কাউকে ... Read more - [৪র্থ অধ্যায়: যে ভাবে দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র) প্রতিষ্ঠা করতে হয়](https://returnofislam.com/2016/06/09/how-to-establish-dar-al-islam/): আমরা এখন শরীয়া কতৃক নির্ধারিত কর্মপদ্ধতি ও এর বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা করব যা দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। আমরা আলোচনাকে প্রধানত দু’টি ভাগে বিভক্ত করব – - [আজকের পদ্ধতিও হবে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পদ্ধতির অনুরূপ](https://returnofislam.com/2016/06/08/the-method-today-is-the-same-as-the-method-of-rasools/): সুতরাং, দলটিকে রাসূলুল্লাহ (সা) সে কর্মকান্ডসমূহের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে যেগুলো তাকে মদীনাতে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে গেছে। অবশ্যই পদ্ধতির বিভিন্ন ধাপসমূহ রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে নিতে হবে এবং দাওয়াতের নিয়মসমূহ সেসময়ের বাস্তবতা থেকে বুঝতে হবে। সুতরাং, দাওয়াত ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের সাথে এগিয়ে যাবে, শত প্রতিকূলতার মাঝে; কেউ এ প্রতিকূলতা থেকে পরিত্রাণ পাবে না। যখন রাসূলুল্লাহ (সা) এর উপর আয়াত নাজিল হচ্ছিল তখন ওয়ারাকা বিন নওফেল বলেছিলেন, ‘তুমি মিথ্যুক হিসেবে সাব্যস্ত হবে, ক্ষতির শিকার হবে, পরবাসে যেতে বাধ্য হবে এবং যুদ্ধের মুখোমুখি হবে। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, ‘তারা কি আমাকে তাড়িয়ে দেবে?’ ওরাকা বললেন, ‘তোমার আগে এমন একজন নবীও আসেনি ... Read more - [বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনই কর্মপদ্ধতি বিষয়ক হুকুমগুলোকে ঢেকে দিয়েছে](https://returnofislam.com/2016/06/07/the-intellactual-invansion-helped-to-obliterate-the-rules-of-the-method/): বাস্তবতার নিরীখে আমরা দেখতে পাই যে, মুসলিমগন ব্যাপক বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং পশ্চিমা কাফেররা এক্ষেত্রে যথেষ্ট সফলতার পরিচয় দিয়ে মুসলিমদের ইসলামের সঠিক উপলদ্ধি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। একারণে মুসলিমরা ইসলামকে পশ্চিমা বুদ্ধিবৃত্তিক মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে ব্যাখ্যা দিতে শুরু করে যা হল দ্বীনকে জীবন থেকে আলাদা করা। যা পশ্চিমাদের জন্য পরবতীর্ ধাপ নিয়ে কাজ করবার পথকে সুগম করেছে, অর্থাৎ তারা ইসলামী খিলাফতকে ধ্বংস করে মুসলিমদের জীবন থেকে ইসলামকে আলাদা করে ফেলল এবং ৫০ টিরও বেশী ক্ষুদ্র অকার্যকর স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত করে ফেলল। তারপর পশ্চিমারা প্রতিটি রাষ্ট্রে একজন করে তাদের প্রতি আজ্ঞাবহ শাসক বসাল যারা সেসব দেশের সম্পদকে পশ্চিমের প্রয়োজন মেটানোর ... Read more - [যারা ত্বারিকা (পদ্ধতি) কে উপেক্ষা করে](https://returnofislam.com/2016/06/06/those-who-neglected-the-method/): যে জন্য আমরা ইসলামকে ফিকরা (চিন্তা) এবং ত্বারিকা (পদ্ধতি) এ দুয়ের সমষ্টি হিসেবে দেখাতে বাধ্য হচ্ছি তা হলো এই যে, এভাবে না দেখার কারণে মুসলিমরা অনেক শরীয়া বিধান বর্জন করছে এই বলে যে আমরা এগুলো অনুসরনে বাধ্য নই। তারা এই অজুহাতও দেখায় যে, রাসূলুল্লাহ (সা) অমুক কাজটি অমুক অবস্থা ও পরিস্থিতির কারণে সেসময় করেছিলেন। তাই, যদি সেগুলো আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় তাহলে আমরা সেগুলো এখন গ্রহণ করব, অন্যথায় পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য কোন আইন গ্রহণ করব। এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই অনেকে ইসলামের পেনাল কোড পরিবর্তনের জন্য আহ্বান করে কেননা তারা মনে করে এগুলো বর্তমান সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা চাবুক ... Read more - [ইসলামে রয়েছে ফিকরাহ (চিন্তা) এবং তরীকা (পদ্ধতি)](https://returnofislam.com/2016/06/05/in-islam-there-is-fikraah-and-a-tareeqah/): যখন আমরা আল্লাহর হুকুমকে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য পদ্ধতির কথা চিন্তা করব তখন এ ব্যাপারে আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়া নিয়মকানুন অনুসন্ধান করব যাতে মুসলিমগন পরম করুণাময়ের কাছ থেকে পূর্ণ সচেতনতা, নির্দেশনা ও হেদায়েতের মাধ্যমে অগ্রসর হতে পারবে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “বলে দিন: এই আমার পথ। আমি আল্লাহ দিকে বুঝে সুঝে দাওয়াত দেই— আমি এবং আমার অনুসারীরা” । (সূরা ইউসুফ: ১১২) এটা অবশ্যই বলা উচিত হবে না যে, ‘শরীয়ার প্রকৃতিই এমন যে, এটি যে কোন বিষয়ে একটি হুকুমকে আমাদের সম্মুখে পরিষ্কার ভাবে উপস্থাপন করে এবং তারপর তা কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে তা লোকদের মন, পরিস্থিতি কিংবা, স্বার্থরক্ষার জন্য যে পদ্ধতি সুবিধাজনক হয় ... Read more - [কীভাবে একটি রাজনৈতিক দল বা সংগঠন তৈরী করতে হয়](https://returnofislam.com/2016/06/04/how-to-build-the-political-party/): একটি সংগঠন বা দল তার শরীয়া লক্ষ্য অর্জনের জন্য শরীয়ার কোন পদ্ধতিকে অনুসরণ করবে? এই লক্ষ্যকে উপলদ্ধিতে আনবার জন্য দলটি কী ধরনের শরীয়া নীতিমালা মেনে চলবে? দাওয়ার সংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক শরীয়া নিয়মের বেলায় দলটির উপলব্ধির ক্ষেত্রে মানদন্ড ও নীতিমালা কি হবে? শরীয়া নিয়মনীতিকে দলটি কীভাবে দেখে? এর উৎসসমূহ কী? দলটি কী মনে করে একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আল্লাহসুবহানাহু ওয়া তা’আলার একাধিক হুকুম আছে? শরীয়া যেসব বিষয়ে ইক্বতিলাফ বা অনৈক্য রয়েছে সেসব ব্যাপারে দলটির অবস্থান কী? চিন্তাকে দলটি কীভাবে দেখে এবং আক্বীদা ও শর’ই হুকুমসমূহ গ্রহণ করবার ক্ষেত্রে চিন্তার ভূমিকা কী? বাস্তবতার ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গী কী? দলটি কী একে চিন্তার উৎস বা চিন্তার বিষয় ... Read more - [ইসলামের ভিত্তিতে একটি রাজনৈতিক দলের উপস্থিতির অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/06/03/the-obligation-of-the-existence-of-a-political-party-on-the-basis-of-islam/): উপরোক্ত আয়াতে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের অপরিহার্যতা ছাড়া অন্য কোন কিছুর কথা বলা হয়নি। এটি দলের সাধারণ প্রকৃতি ও এর কাজ সম্পর্কেও ধারণা দিয়েছে। কোন মারুফাত প্রতিষ্ঠা এবং মুনকারাতের মূলোৎপাটিত করার জন্য কাজ করতে হবে তা স্থির করার বেলায় দলটি যে বাস্তবতায় কাজ করবে তার সাথে সম্পর্কযুক্ত যাকে বুঝে নিয়ে দলটি সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় শর’ঈ হুকুম গ্রহণ করবে যাতে করে এই বাস্তবতাকে পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এই আয়াতের সাথে মিল রেখে যে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং শাসককে জবাবদিহী করবার জন্য কাজ করছে—তার কাজ ও এর দৃষ্টিভঈী কাজের বাস্তবতার সাথে সম্পর্কযুক্ত হবে: তারা শাসকের কাজ পর্যবেক্ষণ করবে ও অবহেলার জন্য সত্যের প্রতি ... Read more - [দলটির বৈশিষ্ট্য](https://returnofislam.com/2016/06/02/characteristics-of-the-required-group/): খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজের মাধ্যমে যারা পূণার্ঙ্গ ইসলামকে বাস্তবায়ন করবে এরকম একটি দল থাকা শরীয়াগতভাবে বাধ্যতামূলক। নীচের প্রসিদ্ধ আয়াতের মাধ্যমে এটা অনুধাবন করা যায়: ‘আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকবে যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।’ (সূরা আল ইমরান: ১০৪) উপরোক্ত আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলমানদের এটা সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা করে দিয়েছেন যে, তাদের মধ্যে কমপক্ষে একটি ইসলামী দল থাকতে হবে যারা মানবজাতিকে কল্যাণের দিকে ডাকবে ও সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজের ব্যাপারে নিষেধ করবে।  আদেশ সূচক নির্দেশটি হল: ‘এমন একটা দল থাকবে’ যা একটি ... Read more - [৩য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনকারী একটি দল বর্তমান থাকার অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/06/01/the-obligation-of-the-presence-of-a-group-that-carries-the-dawah/): শরীয়াহ প্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে দলটি সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে। আমরা এখানে এমন কোন দলের দায়িত্ব নিয়ে আলোকপাত করব না যা আংশিকভাবে শরীয়াহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে, যেমন: দরিদ্র মুসলিমদের সাহায্য করবার জন্য গড়ে উঠা দাতব্য প্রতিষ্ঠান, নির্দেশনা ও উপদেশ দেবার জন্য গড়ে তোলা সংগঠন, মসজিদ নিমাের্ণর জন্য প্রতিষ্ঠান, কুরআন শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। বরং আমরা এমন একটি দল নিয়ে কথা বলব যারা পুরো দ্বীন বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাধে তুলে নেবে। আর এটা করা হবে খিলাফত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যা মুসলিমদের জীবনে ইসলামকে বাস্তবায়ন করবে। এর দায়িত্ব হবে শরীয়াহ প্রদত্ত সব মারুফাত বাস্তবায়ন করা ও সব মুনকারাতকে দূরীভূত করা। এই রাষ্ট্র ... Read more - [শাসকদের জবাবদিহী করা](https://returnofislam.com/2016/05/30/accounting-the-rulers/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কতৃক প্রদত্ত ও ব্যাখ্যাকৃত শরীয়া কেবলমাত্র কিছু চিন্তার সমষ্টি নয়, বরং আইনপ্রণেতা এসবকে বাস্তবিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। সেকারণে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বাস্তব হুকুমসমূহ উপস্থাপন করেছেন যাতে এগুলো বাস্তবে অস্তিত্বশীল হয় এবং যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা যাতে বর্জিত হয় ও এসবের বাস্তবায়নের পদ্ধতি হিসেবে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা বাতলে দিয়েছেন। শরীয়াকে রক্ষার জন্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা শাসকদের জন্য আইন দিয়েছেন ও তাকে নির্দেশ এবং বিধিনিষেধ দিয়েছেন যাতে সে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করে ও এর রক্ষক হয়। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) উম্মাহকে শাসকের আনুগত্যের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাকে অবহেলার ক্ষেত্রে জবাবদিহী করতে বলেছেন। ব্যক্তি ও দল উভয়ক্ষেত্রে ... Read more - [জ্ঞানের অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/05/29/importance-of-knowledge/): এখানে এটা সবার কাছে স্পষ্ট যে, জ্ঞান এবং সমসাময়িক মারুফ ও মুনকার সর্ম্পকে ওলেমাদের পরিষ্কার ধারণা প্রদান, লোকদের মারুফ সম্পাদন ও মুনকার বর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।   আলেমগন হল সে ব্যক্তিবর্গ যারা অন্যদের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করে। তাদের ব্যক্তিগত ইবাদতের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানার্জন করা তাদের জন্য ফরয। এর অতিরিক্ত হিসেবে উম্মাহর উপর অর্পিত বাধ্যবাধকতা সর্ম্পকেও তারা জ্ঞান লাভ করে। সুতরাং জ্ঞানার্জন একটি সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা এবং উলেমাগন উম্মাহর পক্ষ থেকে তা সম্পাদন করেন ও এর জন্য তারা যথার্থ পুরষ্কার অর্জন করবেন। এই জ্ঞানার্জন করবার পরও তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব থেকে মাহরুম হতে পারবেন না। অন্যদের মত তাদেরও ব্যক্তি ... Read more - [যারা দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে নিবেদিত](https://returnofislam.com/2016/05/28/those-entrusted-with-the-establishment-of-the-deen/): এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাবার পূর্বে আমরা জানার চেষ্টা করব শরীয়ার হুকুম সমূহ বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাদের উপর বর্তায়। উম্মাহর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তি, দল ও শাসকবৃন্দ। প্রত্যেক অংশের উপরে রয়েছে শরীয়াহ প্রদত্ত সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব। তারা যে বিষয়ে নিবেদিত সে বিষয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিলে তাদেরকে উপদেশ, জবাবদিহিতা এবং সংশোধনের আওতায় আনতে হবে। যদি এ বিষয়টি বুঝবার বাস্তবতা আমাদের কাছে পরিষ্কার না হয় তাহলে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের ফরয দায়িত্ব পালনে জটিলতার সৃষ্টি হবে। একারণে আমরা নীচের কথাগুলো বলতে পারি। শরীয়ার কিছু কিছু দায়িত্ব কেবলমাত্র খলিফার উপরে বর্তায়- এছাড়া অন্য কারও উপর নয়। আরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে যা ব্যক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট ... Read more - [দ্বিতীয় দিক: সৎ কাজের আদেশ প্রদান ও অসৎ কাজের নিষেধ](https://returnofislam.com/2016/05/27/enjoining-the-maroof-and-forbidding-the-munkar/): আমরা ইতোমধ্যে বলেছি যে, ইসলাম সব মারুফ ও মুনকারকে আমাদের সামনে পরিষ্কার করেছে এবং একজন মুসলিমকে অবশ্যই সব মারুফ মেনে চলতে হবে এবং মুনকার থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানে যে প্রশ্নটি খুব বেশী শোনা যায়, সেটি হল একজন মুসলিমকে সে যেসব মারুফ মেনে চলে তার আদেশ করবে, নাকি এর অধিকাংশ কিংবা কম? একই প্রশ্ন মুনকার থেকে নিষেধ করার ক্ষেত্রেও উত্থিত হয়।  এ ব্যাপারে কথা বলবার আগে আমাদের অবশ্যই এ বাস্তবতা বুঝতে হবে যে, শরীয়া এগুলোকে কীভাবে অনুধাবন করতে বলে। শরীয়া মনে করে এমন একটি ইসলামী সমাজ কায়েম হবে যেখানে এমন একটি ধারণাও গ্রহণ করা হবে না যা শরীয়ার ধারণার বিরুদ্ধে যাবে, ... Read more - [আমলের সাথে জড়িত জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরযে আইন](https://returnofislam.com/2016/05/26/it-is-fard-ayni-on-every-muslim-to-know-the-rules-pertaining-to-his-actions/): মুকাল্লাফ (আইনগতভাবে দায়িত্বশীল ব্যক্তি) এর ক্ষেত্রে শরীয়া বিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের উপর তার জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করা ফরয। কারণ তাকে অবশ্যই আল্লাহ প্রদত্ত বিধিনিষেধ অনুযায়ী সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু এটা কখনওই তার কাজের সাথে সম্পৃক্ত শরীয়া জ্ঞান অর্জন ব্যতিরেকে সম্ভবপর নয়। সুতরাং মুসলমানের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া জ্ঞান অর্জন করা ফরযে আইন এবং এটা কখনও সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা নয়। আর এর চেয়ে বেশী কিছুই হল মুস্তাহাব। যখন সে সালাত আদায় করবে তখন তাকে অবশ্যই সালাত আদায়ের পদ্ধতি জানতে হবে। যদি তার সম্পদ নিসাব অতিক্রম করে থাকে ও একবছর পূর্ণ হয় তাকে অবশ্যই যাকাত ... Read more - [মা’রূফ ও মুনকারের জ্ঞান](https://returnofislam.com/2016/05/25/knowledge-of-the-maroof-and-the-munkar/): মা’রুফের আদেশ ও মুনকারের নিষেধের জন্য এর জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যকীয়। জ্ঞান সবসময় বিধিনিষেধের আগে আসে। জ্ঞান ব্যতিরেকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ সম্ভবপর নয়। সুতরাং একজন মুসলিমের জন্য শরীয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতে কতটুকু জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য? এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, কাজের আগে কাজের ব্যাপারে জ্ঞান অগ্রগন্য। আবার কাজটিও শরীয়া জ্ঞান অনুসারে হতে হবে। আর না হয় কাজ আল্লাহর ইবাদত হবে না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা একজন মুসলিমকে মা’রুফাত পালনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং একারণে এ সর্ম্পকিত জ্ঞান থাকা বাঞ্চণীয়। একইভাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা একজন মুসলিমকে মুনকারাত থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং একারণে এ সর্ম্পকিত জ্ঞান থাকা বাঞ্চণীয়। ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়](https://returnofislam.com/2016/05/24/islam-can-not-be-establish-without-establishment-of-the-islamic-state/): ভাবতে খুব আশ্চর্যজনক লাগে যখন লোকজন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ না করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে মুসলিমদের মধ্যে কেউ কেউ ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজটিকে সাধারণ শরীয়া দায়িত্ব মনে করে এবং এটিকে অন্য হুকুমের উপর অগ্রাধিকার প্রদান করে না। এমনকি আরও বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা যায় যে, অনেক মুসলিমগন শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বশীল খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ না করে বর্তমান শাসনব্যবস্থার মধ্যে শরীয়া হুকুম বাস্তবায়ন করতে চায়। সুতরাং আমরা অবশেষে বলতে পারি যে, সামষ্টিক দায়িত্বসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অনিবার্য বাধ্যবাধকতা হল ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা-যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী পরিচালিত হয়। আজকে মুসলিমদের ... Read more - [সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরযে ক্বিফায়া](https://returnofislam.com/2016/05/23/the-most-importance-obligations-of-sufficiency/): যেমন ধরা যাক: যখন আমরা ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজটিকে ফরযে ক্বিফায়ার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি, তখন কুরআন ও সুন্নাহের ভিত্তিতেই সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। ’যেসব লোক আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৪) ’যেসব লোক আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৫) ’যারা আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই ফাসেক (মিথ্যাবাদী)।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৭) ‘অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে বিচারক বলে মনে না করে।….’ (সূরা নিসা:৬৫) ‘আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তদানুযায়ী ফয়সালা করুন; তাদের প্রবৃত্তির ... Read more - [বাধ্যবাধকতার মধ্যে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা](https://returnofislam.com/2016/05/22/priorities-in-the-obligation/): ফরযসমূহ পালনের ব্যাপারে রয়েছে শরীয়াহ নির্ধারিত অগ্রাধিকার। যখন মুসলিমগন সব ধরনের ফরযে আইন ও ফরযে ক্বিফায়া সঠিকভাবে সুসম্পন্ন করতে পারছে তখন কোন সমস্যা নেই। তবে যখন দ্বন্দ শুরু হয় তখন ফরযে আইন ফরযে ক্বিফায়ার উপরে প্রাধান্য লাভ করে। আবার যদি ফরযে আইন আমলসমূহের মধ্যে দ্বন্দ তৈরি হয় তখন শরীয়ার ভিত্তিতে প্রাধান্য নির্ধারণ করতে হবে, মনের ভিত্তিতে নয়। যেমন পরিবারের নাফাকা (ভরণপোষণ) ঋণ পরিশোধের উপর এবং ঋণ পরিশোধ হজ্জের জন্য টাকা জমা দেয়ার উপর প্রাধান্য লাভ করে। রমযানের রোজা নদরের (প্রতিশ্রুত) রোজার উপর প্রাধান্য লাভ করে। জুম্মার নামায কারও প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার উপর প্রাধান্য লাভ করে ইত্যাদি…. ইত্যাদি। ফরযে ক্বিফায়া বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও ... Read more - [ফরযে কিফায়া (সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা)](https://returnofislam.com/2016/05/21/fard-kifaai/): এটা হল সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা যা মুসলমানদের মধ্য হতে যে কেউ সম্পন্ন করলেই হবে। প্রত্যেকের সম্পন্ন করা প্রয়োজনীয়  নয়। এ অপরিহার্যতাটি থাকবে কিছু সংখ্যক বা অনেকের উপর । যদি তারা তা না করেন তবে সকল মুসলিম ততক্ষন পর্যন্ত গুনাহগার হবেন  যতক্ষন না কাজটি সম্পন্ন হয়। তবে যারা এটি বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করেছে ও পরিশ্রম বিনিয়োগ করেছে তারা এ গোনাহ থেকে মুক্ত হবে। এ কথা কারো মনে করার সুযোগ নেই যে অপর মুসলমানের সাথে গুনাহ্ ভাগাভাগি করার ফলে গুনাহ্ হাল্কা হয়ে যাবে তাই সে সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা থেকে রেহাই পেয়ে যাবে। এটা সত্য নয়, বরং ক্বিয়ামতের দিন তাকে একাই আল্লাহর সম্মুখে দন্ডায়মান হতে ... Read more - [ফরযে আইন (ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতা) ও ফরযে কিফায়া (সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা)](https://returnofislam.com/2016/05/20/fard-ayni-and-fard-kifaai/): যে ব্যক্তি শরীয়াগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে নিরীক্ষা করবে সে দেখতে পাবে যে, এদের কিছু ব্যক্তিগত ও কিছু সামষ্টিক। ফরযে আইন (ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতা) হল এমন বাধ্যবাধকতা যা প্রত্যেক মুকাল্লীফকে (আইনগতভাবে দায়িত্বশীল ব্যক্তি) অবশ্যই পালন করতে হবে। যদি কোন মুসলিম এই বাধ্যবাধকতাকে ত্যাগ করে তাহলে সে পাপমুক্ত হবে না-যদিও সে ব্যতিত সব মুসলিম এই দায়িত্ব পালন করে। আর যদি কোন মানুষ এই হুকুম না মানে, কিন্তু একমাত্র ঐ ব্যক্তি তা মানে তাহলে সে আল্লাহর দোষারোপ ও পাপমুক্ত হবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরযে আইন জানা ও মানা অত্যাবশ্যকীয়। এতে করে সে অভিযোগ এবং বাধ্যকতার স্রষ্টার সামনে বিবেকের পীড়ন থেকে মুক্তি পাবে। ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মত ... Read more - [প্রথম দিক: আমর বিল মা’রূফ এবং নাহি আ’নিল মুনকার](https://returnofislam.com/2016/05/19/abiding-by-the-maroof-and-abstaining-from-the-munkar/): মুসলমানদের আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং সব ইসলামি আক্বীদার (আল্লাহ, তার ফেরেশতা, কিতাব, রাসূল, ক্বিয়ামত দিবস এবং ক্বাদা ওয়াল ক্বদর অর্থাৎ ভাল মন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং কুরআন ও হাদীসে সুনিশ্চিত দলিলে যা এসেছে) উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। সুতরাং, ঈমান হল প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরযে আইন (ব্যক্তিগতভাবে ফরয)। তাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলোতে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং এগুলোই ভিত্তি। সুতরাং, তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলায় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এমনভাবে যে, তিনি সব কিছুর স্রষ্টা এবং তার সমকক্ষ কেউ নেই। নিখুত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ও সব সীমাবদ্ধতামুক্ত সত্তা আমাদের স্রষ্টা। এ মহাবিশ্বে যা আছে, যার উপর জীবন নির্ভরশীল ও মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়-তা ... Read more - [২য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনে ঈমানের গুরুত্ব এবং ফরয কাজসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকার](https://returnofislam.com/2016/05/18/the-importance-of-imaan-in-conveying-the-dawah-and-the-priorities-regarding-the-obligation/): মা’রূফাতের সমন্বয়ে ইসলাম গঠিত এবং আল্লাহ একে প্রতিষ্ঠিত করবার ও মুনকারাত থেকে বিরত থাকবার ও অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। সর্ব্বোচ্চ এবং সর্বপ্রধান মারুফ হচ্ছে আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তায়ালার ঊপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাাস, ইসলামি আকীদার অন্যান্য ভিত্তিসমূহ। মুনকারাতের চূড়ান্ত পর্যায় হল যে কোন ধরনের কুফরের নগ্ন বহিপ্রকাশ। আল্লাহ একে পরিত্যাগ করার, বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ও এর ফাঁদে পা না দেবার ব্যাপারে সাবধান করেছেন। মা’রুফের শ্রেণীবিভাগে ঈমানের পরে তাকওয়া আসে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও রাসূল (সা) এর আনুগত্যের মাধ্যমে এটা অনুধাবন করা যায়। এটা হল ঈমানের ফলাফল, এটা তা সম্পূর্ণ করে এবং এর প্রয়োজনের খাতিরে তা আসে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ... Read more - [একে অপরকে সত্যের ব্যাপারে সতর্ক করা (তাওয়াসী) দাওয়াতের অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/17/admonition-of-each-other-to-the-truth-is-part-of-conveying-the-dawah/): কুরআন ও সুন্নাহ দাওয়াতের ধারণাকে একে অপরকে সত্যের ব্যাপারে সতর্ক করা (তাওয়াসী) সাথে সর্ম্পকযুক্ত করেছে, সুসংবাদ প্রদান করা (তাবসীর), লোকদের সতর্ক করা (নসীহা) এবং তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়া, আহলে কিতাবদের সাথে সর্বোত্তম পন্থায় বিতর্ক করা, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা। এছাড়াও আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘কসম যুগের, নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তূ তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পর তাকীদ দেয় সত্যের এবং তাকীদ দেয় সবরের।’ (সূরা আল আসর : ১-৩) তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ ... Read more - [তাবলীগ দাওয়াতের আরেকটি অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/16/tableeg-is-a-part-of-conveying-dawah/): একইভাবে পবিত্র কোরআন দাওয়াতকে লোকদের সম্মুখে ’সাক্ষ্য দান করা’ বলে উল্লেখ করেছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘‘এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।’’ (সূরা আল বাক্বারা : ১৪৩) রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘…..বিশ্বাসীরা হল পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষীদাতা।’ (ইবনে মাজাহ) তিনি (সা) আরও বলেন, ‘যারা এখানে উপস্থিত আছ (সাক্ষীদাতারূপে), তারা যারা অনুপস্থিত তাদের কাছে পৌছে দাও।’ কুরআন দাওয়াতের কাজকে তাবলীগ (বহন করা) অর্থে উল্লেখ করেছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘হে রসূল, পৌঁছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে। আর যদি আপনি এরূপ না করেন, ... Read more - [সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ দাওয়াতের একটি অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/15/enjoining-the-maroof-and-forbidding-the-munkar-is-part-of-conveying-dawah/): এ ব্যাপারে ইমাম আন নববী (র) তার শরহে সহিহ মুসলিম-এ ’সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ শিরোনামে অধ্যায়ে বলেন,  “এ বিষয়ে অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজের নির্দেশ সম্পর্কে- যা বহুপূর্বে দেখা যেত , কিন্তু বর্তমানে তা পরিত্যাজ্য তবে সামান্যতম কিছু নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।” এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন মন্দ কাজ পরিব্যপ্তি লাভ করে, তখন ভাল ও মন্দ সব ধরনের লোক শাস্তিপ্রাপ্ত হয়। আর এমতাবস্থায় যদি কেউ অত্যাচারী শাসককে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবার জন্য উপদেশ না দেয় তাহলে আল্লাহ সবার উপর শাস্তি নাযিল করেন: ‘অতএব যারা রাসূলের আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে ... Read more - [১ম অধ্যায়: ইসলামী দাওয়াত বহন করার গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2016/05/14/the-importance-of-conveying-the-islamic-dawah/): দাওয়াত হচ্ছে আসক্তি ও উৎসাহ তৈরি করবার বিষয়। একজনকে ইসলামের দিকে আহ্বান করবার অর্থ হল আপনি যে বিষয়ে একজনকে আহ্বান করছেন সে বিষয়ে ঝোঁক ও প্রবল ইচ্ছা তৈরি করা। সুতরাং ইসলামের দিকে দাওয়াতের অর্থ কেবলমাত্র কথা বলাই নয়, বরং ঝোঁক ও প্রবল ইচ্ছা তৈরি করবার জন্য কথা বলা ও কর্মকান্ড পরিচালনাকেও বুঝায়। অর্থাৎ দাওয়াত কথা বলা ও কর্মকান্ড উভয়কেই বুঝায়। একজন মুসলিম অবশ্যই নিজ জীবনে ইসলামকে ধারণ করবে এবং বাস্তব উদাহরণ দিয়ে লোকদের ইসলামের দিকে আহ্বান করবে এবং সত্য উপলদ্ধি থেকে ইসলামের ব্যাপারে সঠিক চিত্র তুলে ধরবে।  তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার যে আল্লাহ ... Read more - [ইসলামের দাওয়াত](https://returnofislam.com/2016/05/13/dawah-to-islam/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী গবেষক শাইখ আহমদ মাহমুদ কর্তৃক রচিত “Dawah to Islam” বইটির খসড়া অনুবাদ হতে গৃহীত) সূচনা সকল প্রশংসা জগতসমূহের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার প্রতি এবং সালাম পেশ করছি রাহমাতুল্লীল আলামীন ও সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহম্মদ (সা), তাঁর পবিবার ও তাঁর সাহাবীদের প্রতি এবং যারা বিচার দিবসের আগ পর্যন্ত তাঁকে ইহসানের সাথে অনুসরণ করবেন তাদের প্রতি। অত:পর, – ‘ইসলামের দাওয়াত‘ শীর্ষক এই বইয়ে আমরা ইসলামের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এই বিষয়টি ব্যাপক, অনেক শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত ও চিন্তাগ্রাহ্য। এটা এমন এক পথ যা কুসুমাস্তীর্ণ নয় বরং বন্ধুর। আমাদের পূর্ববর্তী আলেম ও মুজতাহিদগন (র) ইবাদত, মুয়ামালাত, বিবাহ, উত্তরাধিকার ইত্যাদির মত এত ব্যাপকভাবে এ ... Read more - [খিলাফত একটি স্বতন্ত্র শাসনব্যবস্থা এবং গণতন্ত্র একটি কুফরী শাসনব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2016/04/25/khilafah-is-an-unique-system/): সকল প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং হিদায়াত দিয়েছেন। দরুদ এবং সালাম পেশ করছি রাসূলুল্লাহ (সা) এর প্রতি, যাকে মহান আল্লাহ পুরো বিশ্ববাসীর নিকট রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। আরো সালাম প্রেরণ করছি তাঁর পবিত্র পরিবারের উপর, সাহাবাগণ (রা)-এর উপর এবং পরবর্তীতে যারা তাঁদের অনুসরণ করেছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে, যে বিষয়টি নিয়ে বেশিরভাগ সাধারণ মুসলিম অজ্ঞতার মধ্যে রয়েছেন। সে বিষয়টি হচ্ছে “খিলাফাহ একটি স্বতন্ত্র (Unique) শাসনব্যবস্থা”। এবং আলোচনা শেষে “গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা একটী কুফরী শাসনব্যবস্থা” নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হবে। চেষ্টা করবো যতটুকু সহজ, সংক্ষিপ্তভাবে ও দলীল সহকারে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা যায়। ... Read more - [নারীর প্রতি সহিংসতা; একই সমস্যায় ঘুরপাক খাচ্ছে সমাজ: সমাধান কোথায়?](https://returnofislam.com/2016/04/22/violence-towards-women-solution/): আমাদের আবেগ-আক্রান্ত সমস্যার selective outcry (তনু হত্যা) সমাধানটা কি শুধুমাত্র এই একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে হবে? সমাজ থেকে যাতে এই সমস্যাগুলো আর উঠে না আসে, আমাদের ওই ভাবে সচেতন হওয়া উচিত নয় কি? আমরা কি শুধু ক্যান্সার থেকে সৃষ্ট লক্ষণগলো তাড়ানোর জন্য সাময়িক হৈচৈ করব? নাকি পুরো ক্যান্সার দুরিকরণে সচেতন হয়ে চেষ্টা করব? আমরা যখনই কতগুলো সমস্যা নিয়ে কথা বলি তার শুরুতেই আপনাকে ভাবতে হবে সমস্যাগুলো যেমন- ইভ টিজিং, ধর্ষণ, হত্যা, পরকিয়ার কারণে নিজ সন্তান-স্বামী/স্ত্রী হত্যা…… কেন হচ্ছে?  যার কারণে(মানুষ) এই সমস্যা গুলোর সৃষ্টি তার স্বভাবটাই (nature) বা কেমন?  মানুষের স্বভাব: মানুষের মধ্যে সাধারনত দুটো রুপ বিদ্যমান; একটা organic needs বা ... Read more - [তনু হত্যা : পশ্চিমা সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ফল](https://returnofislam.com/2016/04/07/women-are-insecured-because-of-western-culture/): ঘটনা: কুমিল্লার সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু’র মৃতদেহ ২০ মার্চ রাত সোয়া দশটার দিকে খুঁজে পান স্বয়ং তনুরই বাবা ইয়ার হোসেন। ইয়ার হোসেন সাহেবের কথায় “একটু উঁচু জায়গায় জঙ্গল ও গাছ গাছালির মধ্যে তনুকে পেলাম। গাছের তলায় ওর মাথা দক্ষিণ দিক আর পা উত্তর দিকে পরে আছে। মাথার নিচটা থেতলে গেছে। পুরো মুখে রক্ত ও আঁছড়ের দাগ। আমরা পাঁচজন মিলে সিএমএইচ-এ নিয়ে যাই।” সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তনুকে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা এখন সবার মুখে মুখে। ধারনা করা হচ্ছে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। এজন্য ধর্ষককে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে ... Read more - [খিলাফতই ইসলাম প্রতিষ্ঠার একমাত্র পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/03/21/khilafah-is-the-only-way-to-establish-islam/): “তোমরাই সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎকাজে আদেশ করবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে”। (আল ইমরানঃ ১১০) সময়ের শুরু থেকেই যুগে যুগে পথহারা মানুষের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ পাক অসংখ্য নবী-রাসূলকে পাঠিয়েছেন। দুনিয়ার যাবতীয় মিথ্যাচার, যুলুম এবং মিথ্যা উপাস্য থেকে মুখ ফিরিয়ে মানুষ যাতে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার উপাসনা করতে পারে এবং সিরাত্বাল মুস্তাক্বিমের অনুসারী হতে পারে এজন্য পৃথিবীর প্রতিটি জনপদে আল্লাহ নবী-রাসূলদের পাঠিয়েছেন। তৎকালীন আরবের এক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে যখন মানুষ একত্ববাদের পরিবর্তে মূর্তিপূজা এবং নানারকম অনাচারে ডুবে গিয়েছিল তখন শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর আগমনে পৃথিবীর বিপন্ন মানবতার জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করে। নব্যুয়াত প্রাপ্তির পর ... Read more - [ইসলাম এক সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/03/15/islam-is-a-specific-way-of-life/): ইসলাম অন্য সবকিছু হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি। এটি মুসলিমদের জন্য এমন এক জীবনপদ্ধতি ধার্য করেছে যার একটি নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় ধারা রয়েছে যা পরিবর্তিত কিংবা পরিবর্ধিত হয়না। এটি তাদের এমনভাবে এ জীবনপদ্ধতি অনুযায়ী চলার নির্দেশ করে যাতে তারা এ পদ্ধতি ছাড়া অন্য কোনো পদ্ধতিতে জীবনধারন করার ব্যাপারে চিন্তা (فكرياً) ও মনন (نفسياً) থেকে স্বস্তি না পায়, এবং এ পদ্ধতি ব্যতিরেকে তারা যেন প্রশান্তি না পায়।  ইসলাম জীবন সম্পর্কে একগুচ্ছ ধারণা (مفاهيم) নিয়ে এসেছে। এটি কিছু সাধারন দিকনির্দেশনা (خطوط عريضة) নিয়ে এসেছে অর্থাৎ, কিছু সর্বজনীন চিন্তা এনেছে যা মানুষের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে, মানুষ যত সমস্যার মুখোমুখি হয়, তার ... Read more - [বিদ্যুৎ কি লাভজনক ব্যবসায়িক পণ্য?](https://returnofislam.com/2016/02/12/electricity-a-profitable-product/): প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও গবেষণা সংস্থা বিল্ড (বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট) এর সহায়তায় ঢাকার তারা ভরা রেডিসন হোটেলে দুই দিন ব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলনে (২৪ ও ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬) জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি মার্কিন হলার বিনিয়োগুলো ঘোষণা দিয়েছে সামিট গ্রুপ। সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে ভারতের রিলায়েন্স ও আদানী গ্রুপ আলাদা আলাদা ভাবে বাংলাদেশে মোট ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা জানান। [সূত্র: প্রথম আলো ২৫/১/২০১৬] একটি ধর্মনিরপেক্ষ পুঁজিবাদী রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশে মালিকানার অবাধ স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের শাসক শ্রেণি বিদ্যুতখাতকে দেশি-বিদেশি পুঁজিপতিদের মুনাফা অর্জনের আনন্দময় ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিদ্যুৎ খাতকে শুধু কিছু কোম্পানির ব্যবসার ক্ষেত্রে পরিণত করেই সরকার থেমে যায়নি বরং দেশকে ... Read more - [“(পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়) শিক্ষা ধংসের চাবিকাঠি”](https://returnofislam.com/2016/01/20/capitalistic-destructive-education-system/): শিক্ষা উন্নয়নের পূর্বশর্ত- এই কথাটি আমাদের সমাজে খুবই প্রচলিত একটি বাক্য। ছোটকাল থেকেই এটা শুনে-বুঝেই বড় হচ্ছে নতুন প্রজন্ম। এরূপ আরও অনেক মন্ত্র মুখস্থ করতে বড় হওয়া শিশুরা জীবনে উন্নয়ন ঘটাতে দৌড়ঝাঁপ-প্রতিযোগিতা শুরু করেন। শিশু অবস্থায় তাদের ওজনের তুলনায় ব্যাগের ওজন বেশি থাকে আর বড় হলে তাদের জ্ঞানের তুলনায় টাকার ওজন বেশি হয়ে যায়। প্রতিযোগিতামূলক এই ব্যবস্থাতে শিশু অবস্থায় স্কুলে ভর্তির দৌড়ঝাঁপ এস.এস.সির গণ্ডি পেরুনোর পরও থামেনা কলেজে ভর্তির জন্য এবং এরপর ভার্সিটির ভর্তি তো আছে। লক্ষ্য একটাই, কিছু একটা করা; জীবনে উন্নতি সাধন। শেয়ার বাজারে শেয়ারের দাম নিম্নগতিতে হলেও উর্ধগতিতে বেড়ে চলেছে এসকল প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ফি। একদিকে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ... Read more - [খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা সরকারের কোন সাফল্য নয়](https://returnofislam.com/2016/01/02/food-sufficiency/): শীতকালে প্রচুর সবজি বাজারে দেখা যাওয়া কিংবা রাশিয়াতে উদ্ধৃত আলু রপ্তানি করা দেখে আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় এর পেছনে সরকারের নীতিগত কোন অবদান রয়েছে। সরকারের দশ টাকায় কৃষকের ব্যাংক একাউন্ট খোলা বা সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি কিংবা বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকে এই উৎপাদনশীলতার কারন হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। কারন যেখানে বাংলাদেশের প্রান্তিক কৃষকের নুন আনতে পান্তা ফুরায় সেখানে তাদের উপর “অনিশ্চিত মুনাফার” (যা কিনা নুন কিনতেই ফুরিয়ে যায়) বিনিময়ে ঋণের বোঝা চাপানো হচ্ছে। ২০১৪-২০১৫ সালে বাজেটের ২.১ % বরাদ্ধ রাখা হয়েছে কৃষিতে অপরদিকে জনপ্রশাসন ও জননিরাপওার জন্য বরাদ্ধ প্রায় ৩৫% । যেখানে দেশের ৮০% ভুমি কৃষিতে ব্যবহারযোগ্য সেখানে এইরূপ পরিকল্পনা ... Read more - [খাদেমুল আমেরিকার নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তথাকথিত ইসলামিক জোট- পশ্চিমা কুফর শক্তির ঘৃণ্য চক্রান্তের সর্বশেষ দৃষ্টান্ত](https://returnofislam.com/2015/12/31/american-led-saudi-coalition/): বাস্তবতা: গত মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫) সৌদি আরব ৩৪টি মুসলিম দেশের সমন্বয়ে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, মিশর, আফগানিস্তান ও অন্যান্য মুসলিম দেশে তথাকথিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য একটি সামরিক জোটের ঘোষণা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং বলে যে, বাংলাদেশ এই জোটে অংশগ্রহনের জন্য আন্তরিকভাবে সম্মত হয়েছে কারণ এটা ‘সহিংস উগ্রবাদের’ বিরুদ্ধে তার সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, অন্যকথায়, ইসলামের বিরুদ্ধে যালিম হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  কারণ: মার্কিন নেতৃত্বাধীন  ক্রুসেডার পশ্চিমারা শক্তিশালী খিলাফত রাষ্ট্রের দাবিতে নিষ্ঠাবান মুসলিমদের বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে অংশগ্রহণকে ঠেকাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে যা সিরিয়াতে তীব্ররূপ ধারন করেছে। সকল বিকল্প ব্যবহার শেষে, অবশেষে ... Read more - [জনসংখ্যার আধিক্য: আশির্বাদ নাকি অভিশাপ!](https://returnofislam.com/2015/12/11/population-is-power/): মা হওয়ার প্রতি উদ্ধুদ্ধ করার জন্য গোটা একদিন ছুটি ধার্য করেছে সরকার। সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা বিজ্ঞাপন দিয়ে দেশের দম্পতিদের গর্ভধারন করার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। যেই ভাবে শিশু জন্ম হার কমছে তা ক্রমশ নিন্ম হতে নিন্মগামী হচ্ছে। যা যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে সে দেশের সরকারের। দম্পতিদের যৌন সংসর্গ স্থাপনের জন্য বাড়তি ছুটির দিন ধার্য করা হয়েছে। এমনকি বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হচ্ছে “ডু ইট ফর মম, ডু ইট ফর কান্ট্রি”। উপরের তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে ডেনমার্ক সম্পর্কে। আবার, ডেনমার্কের মতই সন্তান জন্ম দানের জন্য মা-বাবাদের উদ্ধুদ্ধ করতে ২০০৭ সাল হতে ২০১২ সালকে জাতীয় গর্ভধারন দিবস হিসেবে ঘোষনা করেছে রাশিয়া ... Read more - [বিদেশী নাগরিকের হত্যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অসুস্থ চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ](https://returnofislam.com/2015/11/29/foreigners-killing/): গত ২৮শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশানের এক সড়কের ফুটপাতে ইতালিয় নাগরিক সিজার তাবেলাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কয়েক দিন যেতে না যেতেই রংপুরে খুন করা হয় জাপানি নাগরিক কুনিও হোশিকে। যদিও খুন হত্যা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। দেশে গড়ে প্রতিদিন ১০টির অধিক হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয় এর মাঝে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয় গড়ে ২-৩ টি। দেশীয় হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও সিজার এবং কুনিও হোশিকে হত্যার পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। উত্তেজনা তৈরি হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক যেহেতু তারা দুজনই ছিল দুটি ভিন্ন রাষ্ট্রের নাগরিক। কারা এবং কেন এই হত্যাকাণ্ডগুলো সংগঠিত করেছে সে ব্যাপারে নিরাপত্তা বাহিনী ... Read more - [পুঁজিবাদি গণতন্ত্রের থাবায় শিক্ষা](https://returnofislam.com/2015/11/29/democratic-capitalism-destroys-education/): ১) বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো কিছুদিন পর পর বন্ধ করতে হয় কারণ আধিপত্য বিস্তার, হল দখল, এক সংগঠন কর্তৃক অন্য সংগঠন এর ছাত্রকে হত্যা, শিক্ষককে লাঞ্চনা, পরীক্ষা বাতিল ও পেছানোর দাবিতে। ২) আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আদায় করছে অতিরিক্ত টিউশন ফি, সার্টিফিকেট বিক্রি, মানসম্মত শিক্ষকের অভাব, তার উপর সরকার সময়ে সময়ে যুক্ত করেছ বর্ধিত ভ্যাট ইত্যাদি। ৩) স্কুল কলেজে প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেতন বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের কর্ম বিরতি, অতিরিক্ত ফি আদায়, প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা ইত্যাদি। সমস্যার মূল কারণ: “লেখা পড়া করে যে গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে”,“পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি”। এধরনের বাক্য ছোটবেলা থেকে পুঁজিবাদী এই শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দিয়ে আমাদের বড় করেছে। তাই ... Read more - [ভারতীয় পানি আগ্রাসনের এক নতুন অধ্যায়](https://returnofislam.com/2015/11/07/water-issue-with-india/): খবর: ভারত ধারাবাহিকভাবে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে। সমগ্র প্রকল্পের আওতায় ৩৮টি নদ-নদীর মধ্যে আন্তঃসংযোগ ঘটানো হবে। এতে ৩০টি সংযোগ রক্ষাকারী খাল ও ৩৪টি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। ভারতের ভিতর দিয়ে আসা ৫৪টি নদীর মধ্যে ভারত ইতিমধ্যে বাঁধ দিয়েছে। এই প্রকল্পের মূল বিষয়টি হচ্ছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রহ্মপুত্র ও উত্তর ভারতের গঙ্গার পানি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে সুদূর দক্ষিণাত্যে এবং পশ্চিমে রাজস্থানে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এই দুই বড় নদী ও তাদের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা খাল দ্বারা সংযোগ করে এদিককার পানি ওদিকে নেয়ার এক বিশালকার প্রকল্প হচ্ছে নদী সংযোগ প্রকল্প। এই ভাবে ৩৭টি নদীকে ৩০টি খাল দ্বারা সংযোগ করা হবে। খালগুলোর মোট দৈর্ঘ্য ... Read more - [‘উন্নয়নের জোয়ার বনাম ক্ষমতা’](https://returnofislam.com/2015/10/22/development-vs-power/): বেশ কিছুদিন যাবৎ ঢাকা চট্টগ্রাম সহ সারাদেশের প্রধান প্রধান জনবহুল সড়কগুলোর রাস্তার পাশে বিলবোর্ডগুলোতে একটি বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। আর সেই বিজ্ঞাপনটি হল- “এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”। যা কিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে পুর্বে আর কখনোই দেখা যায়নি এবং মিডিয়ায় বিভিন্ন নেতা কর্মীদের বক্তব্যে প্রায়ই শোনা যাচ্ছে যে-“উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশ”। সত্যি কথা বলতে গেলে বর্তমান সরকার “উন্নয়নের জোয়ার” নামক শব্দটি ব্যপকভাবেই জনগণের কাছে পৌছাতে পেরেছেন। সরকার মুলত জনগণকে যা বোঝাতে চাচ্ছেন তা হল- “চারিদিকে শুধু উন্নয়ন আর উন্নয়ন হচ্ছে যা কিনা শুধু বর্তমান সরকারের জন্যই সম্ভব হয়েছে এবং যদি বর্তমান সরকার ক্ষমতায় না থাকতো, তাহলে এতো দ্রুত গতিতে বাংলাদেশ উন্নতি ... Read more - [শিক্ষার উপর ভ্যাট - পুঁজিবাদি অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক শাসনের দেউলিয়াপনা এবং ইসলামি রাষ্ট্র - খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2015/09/22/vat-on-education/): শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি জাতি তাঁর সভ্যতা সংস্কৃতি কাল ক্রমে চর্চা, গবেষণা, সভ্যতার বিকাশ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখে। আর শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রণীত শিক্ষা নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্র তাঁর নিজ সংস্কৃতি, আদর্শ, চিন্তা গুলোকে জনগণের মাঝে প্রোথিত করে এবং একটি আদর্শনির্ভর জাতি গঠনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব দরবারে নিজের শক্তিমত্তার জানান দেয় ও বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে নিজের আধিপত্যকে বজায় রাখতে সক্ষম হয়।  বাংলাদেশ এমনি একটি দেশ। যা পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক নীতি ও গণতান্ত্রিক শাসন কাঠামো দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্র। আর পুঁজিবাদি অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যই হল- পুঁজির স্বাধীনতা। যা মালিকানার স্বাধীনতার নামে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সকল বিষয়ে অর্থাৎ খাদ্য, ... Read more - [গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষণই যেন এক কালবেলা…](https://returnofislam.com/2015/08/10/child-oppression-in-democracy/): এ মুহূর্তে বাংলাদেশে একটি খুব আলোচিত একটি ঘটনা হচ্ছে শিশু রাকিব হত্যা। নৃশংস বর্বর এ ঘটনা মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে অথচ মাত্র কিছুদিন পূর্বেই আমরা কেঁপে উঠেছিলাম শিশু রাজনের লোমহর্ষক হত্যা কান্ডের ঘটনায়। খুব কম সময়ের মধ্যে পরপর এরকম বেশ কিছু হত্যা কান্ড অতঃপর পত্রপত্রিকায় তার নিউজ, ইন্টারনেট, টিভি তে আলোচনা, প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের মনে হতে পারে হঠাৎ বুঝি এ ধরনের ঘটনা ব্যপক ভাবে শুরু হয়েছে। আসলে মোটেও তা নয় বরং এটাই এখন এ দেশের, এই সমাজের বাস্তব চিত্র। খুব অল্প সংখ্যক ঘটনাই মিডিয়াতে আসে এবং মানুষ তা জানতে পারে অথচ প্রতিদিনই এমনই অনেক নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটে চলেছে। রাজন হত্যার দু ... Read more - [উপমহাদেশে ইসলামি শাসনের ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা](https://returnofislam.com/2015/07/11/islamic-ruling-indian-subcontinent/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম বাঙালী জাতীয়তাবাদ নিয়ে। বাম বুদ্ধিজীবীদের একটি চিন্তা সেকুলার মহলে বেশ জনপ্রিয়ঃ বাঙ্গালী সমাজে ইসলাম ধর্মের প্রভাব হল একটি প্রতিক্রিয়াশীলতার বিষয়, অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে হিন্দুদের দ্বারা অর্থনীতিক নিপীড়ন বাঙালী সমাজে পাকিস্তান আন্দোলনের মাধ্যমে ‘মুসলমানিত্ব’-এর দাবীকে জোরালো করে। বাম দার্শনিকদের চোখে ‘ইসলামী শাসন’-এর বিষয়টি বাঙ্গালী মুসলিম সমাজে গভীরভাবে প্রথিত না। ওনাদের সাথে আলোচনা করলে এও শুনতে হয় ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ কখনই ‘কেন্দ্রিয় খিলাফতের’ আওতাধীনে ছিল না। আরও একটি ভ্রান্ত ধারণা তারা ছড়ানঃ আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশ *মূলত* এই অঞ্চলের মানুষ (Indigenous people) দ্বারা শাসিত হয়ে এসেছিল যেখানে জাতীয়তাবাদী চেতনাই মুখ্য ছিল, তারা কখনই খিলাফতের ... Read more - [ভর্তি, নাকি আরেক ভোগান্তি?](https://returnofislam.com/2015/07/07/admission-suffering/): এবছর ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। তার দাবি হচ্ছে ছাত্রছাত্রী ও অবিভাবকদের ভোগান্তি কমানো ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশন করা। যার অংশ হিসেবে তিনি টেলিটক সিমের মাধ্যমে এস এম এস ও শিক্ষাবোর্ডের প্রণীত ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন ও রোল নাম্বার দিয়ে ঢুকে কাঙ্ক্ষিত পাঁচটি কলেজ ও বিষয়ের জন্য আবেদন করার ব্যবস্থা করে দেন। ডিজিটালাইজেশন শব্দটি শুনতে সুন্দর হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনা বলেও একটি কথা রয়েছে। তাই আসুন বর্তমান সরকারের ভর্তির ব্যাবস্থাপনার উপর একটু চোখ বুলাই- ১. রেজাল্টের ভিক্তিতে ভাল কলেজগুলোতে ভাল ছাত্র-ছাত্রী, মধ্যম মানের কলেজ গুলোতে মধ্যম মানের ছাত্র-ছাত্রী ও নিম্নমানের কলেজগুলোতে নিম্ন ... Read more - [লুত (আ) ও তার জাতির বর্ণনা](https://returnofislam.com/2015/06/29/the-people-of-lut/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, وَكَأَيِّنْ مِنْ آيَةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَمُرُّونَ عَلَيْهَا وَهُمْ عَنْهَا مُعْرِضُونَ “আর আকাশ ও জমীনের কত নিদর্শনই না তারা অতিক্রম করে যায়, কিন্তু তারা তা হতে উদাসীন“। [সূরা ইউসুফ: ১০৫] আমরা অনেকেই জানি ভু-মধ্যসাগরের কাছে এক উপসাগরে অবস্থিত সডম জাতিই পৃথিবীতে সর্বপ্রথম সমকামিতা নামক ব্যাধির জন্ম দেয়। এই সডম শব্দ হতে ইংরেজিতে সডমাইট শব্দটি এসেছে। সমকামিদের এজন্যই অনেকে ‘সডমাইটস’ (ٍsodomites) বলে অভিহিত করে থাকেন। এই পথভ্রষ্ট জাতির কাছেই প্রেরিত হয়েছিলেন আল্লাহর নবী লুত (আ)। তিনি ডেসপারেট চেষ্টা করেও তাদের পতন ঠেকাতে পারেন নি। এ জাতিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কঠিনভাবে শাস্তি দেন, যার বিস্তারিত বর্ণনা পবিত্র ... Read more - [জাতীয় বাজেট, পুঁজিবাদের ভয়াল ছোবল](https://returnofislam.com/2015/06/22/national-budget-another-oppression/): খবর: জাতীয় সংসদে আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট প্রস্তাব দিলেন, আকারে তা বিশাল, ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই বাজেট হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা, যা ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে জিডিপি যতটা বেড়েছে, বাজেট সেই তুলনায় বাড়েনি, বরং কমেছে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।ব্যয় করতে না পারায় অর্থমন্ত্রী চলতি অর্থবছরের বাজেটে বড় ধরনের সংশোধন করেছেন। এতে বাজেট হচ্ছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার, যা জিডিপির ১৫ দশমিক ... Read more - [রমজান মাস - মুনাফা নাকি তাকওয়া অর্জনের মাস?](https://returnofislam.com/2015/06/21/ramadan-profit-or-taqwa/): রমজান মাস তাই বিভিন্ন মহলে সাড়া পড়ে গেছে, ১. কাপড় ব্যবসায়ীরা নতুন মডেলের কাপড় সংগ্রহে ব্যস্ত। সাড়া বছর এই একটি মাসের জন্য তারা অপেক্ষা করে। পুরাতন কাপড় সরিয়ে নতুন কাপড়ে শোরুম সাজাচ্ছে ক্রেতা আকৃষ্টে চলছে বিভিন্ন কৌশল। দাম ও পাওয়া যায় অন্য মাস থেকে দ্বিগুন বা তিনগুন। ২. নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস এর ব্যবসায়ীরা যেমন: ছোলা, চিনি, খেজুর, বিভিন্ন ডাল, তেল ইত্যাদি মজুদ করা হয়েছে যাতে রমজানে চওড়া দামে বিক্রি করা যায়। দাম বাড়ছে ২-২০ টাকা বেশি। যেন এ মাস না হলে আর কখন? ৩. সবজির বাজার তো ২০ থেকে ৩০ টাকার স্থলে ৬০ থেকে ৭০ টাকা করতে হবে, তা না হলে ... Read more - [পুঁজিবাদি সমাজে পারিবারিক সমস্যা ও এর প্রকৃত সমাধান](https://returnofislam.com/2015/06/19/family-crisis-in-capitalistic-society/): খবর: ‘‘কক্সবাজারের চকরিয়ার বদরল্কালি ইউনিয়নে চৌধুরি পাড়ায় আব্দুল গনি – ফাতেমা বেগম দম্পতির তিন মেয়ে এক ছেলে। গত শুক্রবার তাদের বাসা থেকে তিন মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (৯), শিরোজান্নাত (৯), ও তহুরা জান্নাত (২০) এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তিন মেয়ের বাবা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি দিয়ে নিজের মেয়েদের জবাই করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আব্দুল গনি দাবী করেন, স্ত্রী ফাতেমার অনৈতিক সম্পর্কের কারনে চরম মানসিক বিপর্যয়ে পরে তিনি নিজের মেয়েদের হত্যা করেছেন। তার স্ত্রী ফাতেমা ও গনীর বিরুদ্ধে পাল্টা পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন।’’ (কালের কন্ঠ ২২মে ২০১৫) মন্তব্য: পারিবারিক খুন, পরকীয়ার পাশাপাশি আত্বহননের ঘটনায় সমাজে আতংক ছড়িয়ে পরছে। ... Read more - [আত-তোঈফা আয-যোহেরা তথা বিজয়ী দল সম্পর্কে ব্যাখ্যা](https://returnofislam.com/2015/05/31/winner-team/): প্রশ্ন: আত-তোঈফা আয-যোহেরা (বিজয়ী দল) সম্পর্কে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে। এ হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা কী? এগুলো কি উসূলের আলেম কিংবা হাদীসের আলেমগণ সম্পর্কে বলা হয়েছে – যেমনটি কেউ কেউ ব্যাখ্যা করেছেন? এছাড়াও, আমরা মাঝে-মধ্যে শুনি যে অমুক বা তমুক দল হচ্ছে বিজয়ী দল – এক্ষেত্রে আমাদের ব্যাখ্যা কী হওয়া উচিত? আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুন। উত্তর: আলোচনাটি আমি দুটি অংশে করবো, ১. প্রথমত এই হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা২. (আমাদের জীবনে) হাদীসগুলোর প্রয়োগ বিজয়ী দল (الطائفة الظاهرة) সম্পর্কে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে।  বুখারীতে বর্ণিত আল মুগীরাহ ইবনে শু’বাহ বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন,  لاَ يَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ حَتَّى يَأْتِيَهُمْ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ ظَاهِرُونَ “আমার উম্মাহর মধ্যে সবসময়ই একটি দল থাকবে ... Read more - [খিলাফতই নিপীড়িত মুসলিমদের একমাত্র সমাধান](https://returnofislam.com/2015/05/28/khilafah-is-solution-for-the-oppressed/): গত ৮ই মে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূল থেকে অন্তত ২ হাজার ৭৩০ জন অভিবাসীদর উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাইরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় আছে আরও প্রায়ই চার হাজার মানুষ, জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNHCR), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IMO) এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে জানা যায় ১১ দিনে প্রায় তিন হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা মুসলিমকে উদ্ধার করা হয়েছে যাদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছে, অনেকে মরনাপন্ন অবস্থায়, অনেকে সাগরে নিখোঁজ হয়েছে এবং আরও চার হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম সাগরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। যাদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে এবং যাদের বয়স ১ বছরেরও নিচে। শত শত মুসলিমকে থাইল্যান্ড ও মালেশিয়াতে জীবন্ত কবর দেয়া হয়েছে, বহু নারীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।  আমাদের ... Read more - [রুটি রুজির সংগ্রাম, মরে চলি অবিরাম](https://returnofislam.com/2015/05/28/bread-is-sustenance/): গত ১১ই মে ২০১৫ তারিখে মালয়েশিয়া সমুদ্র উপকূলে চারটি নৌযান থেকে ১ হাজার ৪০০ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে এরা সবাই মিয়ানমার ও বাংলাদেশের নাগরিক। গত কয়েকদিন ধরেই থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলের জঙ্গল থেকে এমন কয়েকশত রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উদ্ধার করা হয়। সম্প্রতি থাই নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাচারকারীরা অভিবাসীবাসীদের জঙ্গলে গোপন ঘাঁটিতে না এনে সাগরে রাখছে। (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১২ই মে ২০১৫) একাধিক বার্তা সংস্থার খবর অনুযায়ী,  মালয়েশিয়ায় মালাক্কা প্রণালীতে ৭-৮ হাজার অভিবাসী ভাসমান অবস্থায় আটকে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ইলেকট্রনিক-প্রিন্ট মিডিয়ায় অভিবাসীদের এই জীবন-মৃত্যুর খবর ব্যাপক হারে কভারেজ পাচ্ছে। বাংলাদেশের কক্সবাজার-টেকনাফের উপকূলীয় অঞ্চলে পুলিশের অভিযান, পাচারকারী ... Read more - [মুসলিম ভূমিসমূহে পঞ্চাশের অধিক অপ্রয়োজনীয় জাতিরাষ্ট্র ও তাদের দালাল শাসকদের কারণেই মানবপাচারের শিকার বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলিমগণ আজ সমুদ্রে ভেসে চলা ফেনার মত](https://returnofislam.com/2015/05/23/nationalism-is-obstacle-for-unity/): পত্রিকাগুলোতে মে মাসে মানবপাচার বিষয়ে যেসব খবর আসে: ১. থাইল্যান্ডের জঙ্গলে গলা-পচা ২৬টি লাশরে মধ্যে ১০টি বাংলাদশির, ১৬টি রোহিঙ্গাদের। ওই বন্দশিবিরে দুজন জীবিত থাকাতইে হয়েছে সমস্যা। তাঁরাই জানিয়েছেনে, লাশগুলোর অন্তত ১০টি বাংলাদশির।সেখানকার আরকেটি গণকবরে মেলে ৫০ জনের লাশ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে এই জঙ্গল থেকেই ৩৭ জন বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। (প্রথম আলো, ৫মে, ২০১৫) ২.গত মাসে ভূমধ্যসাগরে ৯০০ জন যাত্রী নিয়ে শরণার্থীদের একটি জাহাজ ডুবে যায়। জীবিত উদ্ধার পায় মাত্র ২৮ জন, যাদের একজন বাংলাদেশি; বেশির ভাগই আরব ও আফ্রিকার যুদ্ধবধ্বিস্ত দেশের মানুষ। বাংলাদেশেও কি যুদ্ধ চলছে? তাহলে এ দেশের উদ্বাস্তু মানুষের লাশ কেন সীমান্তে, থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়ার জঙ্গলে, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমিতে, গ্রিক ... Read more - [বিদেশী মিউচ্যুয়াল ফান্ড আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে...... আসলেই?](https://returnofislam.com/2015/05/23/mutual-fund/): “Foreign mutual funds……will be to bring in increasing foreign investments, which will then be available as a source of capital, investment in telecom, digitization, and the IT sector and in general (fields) as well.” — Oh really? উপরের কথাগুলো বলেছেন সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয় [May 7, 2015 in Digital Investment Summit, Dhaka]। তিনি বিদেশী মিউচুয়াল ফান্ডকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে সরাসরি অপারেট করতে দেয়ার নীতি গ্রহন করতে যাচ্ছেন। তার এই নীতির সপক্ষে উপরের যুক্তি তুলে ধরেন। অর্থাৎ তিনি বলেন যে এই মুক্তনীতি আমাদের টেলিকম, ডিজিটাইজেশন, আইটি, এবং সাধারণ খাতে বিনিয়োগের পুঁজি যোগান দিবে। তাই কি? তবে বাস্তবতা একটু বিশ্লেষণ করা যাক। আমাদের মত ... Read more - [বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় মেয়রের পক্ষে নগর উন্নয়ন সম্ভব নয়](https://returnofislam.com/2015/05/13/development-impossible-for-mayor/): বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় মেয়রের পক্ষে নগর উন্নয়ন সম্ভব নয়। শুধুমাত্র খিলাফত ব্যবস্থায় ওয়ালি এবং আমিল (মেয়র) ব্যাবস্থা নগরে প্রকৃত ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম। আমরা জানি, বাংলাদেশে বর্তমানে মেয়র নির্বাচন ও নিয়োগ হয় স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর মাধ্যমে। যেহেতু, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ চিন্তার মানুষের তৈরি বৈষম্য মূলক ব্যবস্থা যেইখানে ধনী আরো ধনী হয় এবং গরিব আরো নিঃস্ব হয়ে পড়ে এবং জনগণের উপর অন্যায়ভাবে কর আরোপিত হয় সেহেতু কোনো এলাকা/পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করাও জনগণের মাঝে কিছু বৈষম্যের উপর ভিত্তি করে হয়। অর্থাৎ, যে পৌরসভার মানুষজন নিজ যোগ্যতায় তাদের এলাকার উন্নতি সাধন করেছেন এবং দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে ... Read more - [স্থলসীমান্ত বিল পাস: গণতান্ত্রিক রাজনীতির গরু মেরে জুতা দান](https://returnofislam.com/2015/05/11/landborder-bill/): গত বুধবার ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় স্থলসীমান্ত বিল পাস হয়। ‘৭৪ সালে হওয়া ইন্দিরা-মুজিব চুক্তির একটি দফা ছিল এই স্থলসীমান্ত নির্ণয় এবং ২০১৫-তে এসে এর বাস্তব রূপ দেখা যায়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন, ছিটমহলবাসীর পরিচয়, সমুদ্র জয়ের পরে শেখ হাসিনার ভূমি বিজয় শ্লোগানে জয়জয়কার চারদিক। দাবি করা হচ্ছে, এর ফলে বাংলাদেশ-ভারতের বহুদিনকার সীমান্ত বিরোধের অবসান ঘটবে। কাঁটাতারে ঘেরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত জেলখানার নাম বাংলাদেশ। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর নামে স্থলসীমান্ত বিল একটি মেকি নাটক ছাড়া আর কিছুই না। আমরা দেখি, সেই ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি একটি দাসত্বনামা ছাড়া আর কিছুই নয়। ফারাক্কা মরণবাঁধের দরূন পদ্মার একাংশ আজ মৃত। বছরের পর বছর ধরে, ভারতীয় আগ্রাসন ... Read more - [মু'তাজিলাদের উত্থান-পতন](https://returnofislam.com/2015/05/10/mutazilah/): অষ্টম শতকের মধ্যভাগে মুসলিমরা বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নতুন এক উচ্চতায় উঠে আসে। বিভিন্ন অঞ্চল বিজয়ের সাথে সাথে সেইসব অঞ্চলের বিভিন্ন সাহিত্য ও দর্শনশাস্ত্রের সংস্পর্শে আসা এর পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ ছিল । মূলতঃ মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় গ্রীক,লাতিন,পারস্য ও ভারতীয় নানা শাস্ত্র আরবীতে অনূদিত হতে শুরু করে। নানা প্রায়োগিক বিজ্ঞানের সাথে গ্রীসের দার্শনিক সক্রেটিস, এরিস্টটল, প্লেটোদের দার্শনিক শাস্ত্রও আরবিতে অনূদিত হয়। এই গ্রীক দর্শনের প্রভাবে যুক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞানকে কেন্দ্র করে মুসলিম ধর্মশাস্ত্রে নতুন ঘরানার এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হল। এদেরকেই আমরা মুতাজিলা হিসেবে চিনে থাকি। মুতাজিলাদের উৎপত্তি: মুতাজিলারা এত দ্রুত ও ব্যাপকহারে বিস্তার লাভ করে যে এদের আবির্ভাব ঠিক কোথা থেকে কিভাবে শুরু হয়েছিল ... Read more - [ভারচ্যুয়াল অর্থনীতির সারকথা](https://returnofislam.com/2015/05/07/reality-of-virtual-economics/): ধনতান্ত্রিক অর্থনীতির আরকটি প্রবঞ্চনাপূর্ণ উপাখ্যান হচ্ছে ভারচ্যুয়াল অর্থনীতি। সম্পদ ও আয়ের সুষম বণ্টনের যে হটকারি প্রস্তাবনা ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থা উপস্থাপন করে, ভারচ্যুয়াল অর্থনীতির পক্ষেও তারা সেই প্রস্তাবনাকেই বর্ধিত করে। তারা মনে করে ব্যবসায়ে লগ্নিকৃত পুঁজিকে (ইকুইটি এবং ঋণ) যদি লেনদেনের জন্য উন্মুক্ত করা হয় তবে উদ্বৃত্ত পুঁজি যথাযথ খাতে প্রবাহিত হবে এবং জাতীয় আয়ের ন্যায্য বণ্টন নিশিচত হবে। দ্বিতীয় আরেকটি ধারনা হচ্ছে বাজারের সব ধরনের গতিপ্রকৃতি অনুমান-পটুতার ভিত্তিতে লাভ অর্জন করার অধিকার সবার আছে। সুতরাং পুঁজি লেনদেনের তারল্য এবং নানা বিশিষ্টের আর্থিকপত্র (Financial Instrument) সৃষ্টির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীর যেকোনো অনুমানকে বাস্তবে রূপ দেবার বন্দোবস্ত থাকতে হবে যা বাজারকে পরিণত এবং পূর্ণবিকশিত (Market Completeness) ... Read more - [নাগরিক সমস্যার কারণ ও ইসলামিক সমাধান: প্রেক্ষিত আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন](https://returnofislam.com/2015/04/19/urbanaisation-problem-in-capitalism/): ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহানগরে প্রধান প্রধান নাগরিক সমস্যাসমূহ কি কি? সমস্যাসমূহের কারণ: বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থাই ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহানগরীতে নাগরিক সমস্যাসমূহের প্রধান কারণঃ ১. পুঁজিবাদের প্রকৃতিই হল সব নাগরিক সুবিধাকে শাসকশ্রেণীর নাগালের মধ্যে রাখা ও এগুলোকে কেন্দ্রীভূত করা। ঢাকা ও চট্রগ্রামে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভাল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, অফিস -আদালত, সচিবালয়, সশস্ত্রবাহিনীসমূহের সদর দপ্তর, প্রধান বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, কল কারখানা ইত্যাদি। একারণে গ্রাম থেকে নারী পুরুষ নির্বিশেষে শিক্ষা, চিকিৎসা, আইনি সহায়তা, জীবিকা অন্বেষণ ও উন্নত জীবনের আশায় এসব নগরীতে চলে আসছে এবং বিধায় নগরীগুলো আরও বেশী জনাকীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। এমকি ভিক্ষা করা, রিক্সা চালানো, গৃহকর্মীর কাজ, গার্মেন্টস ও ... Read more - [নববর্ষের ইতিবৃত্ত](https://returnofislam.com/2015/04/13/bangla-new-year/): আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপর বাংলাদেশে লাগবে সুরের ও রঙের মাতন। চারদিকে দেখা যাবে লাল, নীল, হলুদ রঙ। মাথার উপর উঠে নাচবে নানা রঙের পশু-পাখি। গ্লানি ও জ্বরা মুছে যাওয়ার কামনায় হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবি পরা তরুণ আর বাসন্তি রঙের শাড়ি পরা তরুণীদের পদচারনায় মুখরিত হবে জনপথ। বাতাস ভরে উঠবে ইলিশের গন্ধে। মেলায়, মাঠে ময়দানে চলবে পানতা পানের হিড়িক। বছর ঘুরে এলো বৈশাখ; এসো হে বৈশাখ এসো এসো। বৈশাখ এলেই বারবার উঠে আসে একটা শব্দ- ‘হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্য’। এই হাজার বছরের ঐতিহ্যকে স্বরন করিয়ে দিতে আজ অজপাড়াগায়েও বৈশাখী উৎসব পালন করা হয়; বৈশাখী মেলা বসে সর্বত্র। আগে পুরাতন ... Read more - [ইয়েমেন: খায়রা উম্মাহ’র রক্তক্ষরণ ও মুসলিম শাসকদের বিশ্বাসঘাতকতার সর্বশেষ দৃষ্টান্ত](https://returnofislam.com/2015/04/11/bloodshed-ummah-yemen/): ১৯২৪ সালে খিলাফত ধ্বংসের পর থেকে মুসলিম বিশ্ব অভিভাবকহীন। তখন থেকে খাইরা উম্মাহ’র জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত কাফেরদের কাছ থেকে নিরাপদ নয়। ফিলিস্তিন, কাশ্মীর, চেচনিয়া, বসনিয়া, আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া এবং সর্বশেষ সংযোজন ইয়েমেন।  পুঁজিবাদ ও গনতন্ত্রের ধ্বজাধারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তির দিক থেকে এখন ক্ষয়িষ্ণু। সেকারণে সে এখন আগের মত পৃথিবীর সব জায়গায় নিজে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারে না। কিন্তু এজেন্টদের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও সামরিক জোট গঠন করে স্বীয় স্বার্থরক্ষা করার হীন কৌশল প্রয়োগ করার সক্ষমতা তার রয়েছে। ইয়েমেনের সংকট মূলত: সে অঞ্চলে আমেরিকা ও ব্রিটেনের মধ্যকার প্রতিযোগিতার ফসল। দুঃখজনক হলেও সত্য মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম শাসকগণ আজকে আমেরিকা ও ব্রিটেনের স্বার্থ সুরক্ষার ... Read more - [আরব বসন্ত - স্বপ্ন থেকে অরাজকতা](https://returnofislam.com/2015/03/31/arab-spring-dream-to-chaos/): এখন থেকে দীর্ঘ চার বছর পূর্বে তিউনিশিয়ার এক বাজারে মুহাম্মদ বুয়াজিজী’র আত্মাহুতির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের মোবারক, গাদ্দাফী, বেন আলী, বাশার আল আসাদ ও আব্দুল্লাহ সালেহদের মতো ফেরাউন সমতূল্য যে সমস্ত অত্যাচারী আর জালিম শাসকদের বিরুদ্ধে স্বত:স্ফূর্ত আন্দোলন শুরু হয়েছিল, আরব বসন্ত খ্যাত যে আন্দোলনের মাধ্যমে আরবের নির্যাতিত জনগণ পরিবর্তনের আশার আলো দেখেছিল, আজ সে আন্দোলন সিরিয়া, মিশর, ইয়েমেন, তিউনিসিয়া কিংবা লিবিয়াতে সীমাহীন অরাজকতা, গৃহযুদ্ধ আর বিশৃঙ্খলায় পর্যবসিত হয়েছে; আর সেইসাথে, প্রতিটি দেশেই আন্দোলন পূর্ববর্তী শাসনব্যবস্থা দাপটের সাথে টিকে আছে। যে আন্দোলনের খাতিরে মানুষ জালিম শাসকের রক্তচক্ষু, ঘাতকের বুলেট কিংবা সামরিক হস্তক্ষেপ এ সবকিছুকে উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছিল এবং সত্যিকার পরিবর্তনের আশায় দ্বিধাহীন ... Read more - [নুসরাহ-ই ইসলাম/খিলাফত প্রতিষ্ঠার শরী’আহ সম্মত পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2015/03/17/nussrah-the-only-way/): সমাজে প্রচলিত ভুল চিন্তা: নুসরাহ এর বিষয়টি জানার পর কিছু লোক যা বলতে পারে:  যুক্তিখন্ডন:  ১. নির্বাচন কোন ব্যবস্থা নয়, বরং নেতা নির্বাচনের একটি উপায় মাত্র। পৃথিবীর ইতিহাসে কোন ব্যবস্থাই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বা প্রতিস্থাপিত হয়নি। যেমন: মদীনাতে ইসলাম, ইউরোপে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র, রাশিয়া বা চীনে সমাজতন্ত্র নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং মদীনাতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আউস ও খাজরাজ গোত্রের সামরিক সক্ষমতা সম্পন্ন নেতৃবৃন্দ কতৃক রাসূলুল্লাহ (সা) কে নুসরাহ প্রদানের মাধ্যমে, সাধারণ জনগন ও দার্শনিকদের সাথে শাসক ও যাজকসম্প্রদায়ের শত শত বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাধ্যমে ইউরোপে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অত্যাচারী জারদের বিরুদ্ধে সংঘটিত বলশেভিক বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়াতে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত ... Read more - [পুঁজিবাদি গণতান্ত্রিক আদর্শের উনুনে ঝলসানো এক দেশ আজ বাংলাদেশ](https://returnofislam.com/2015/02/09/burned-bangladesh-by-democracy/): বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা হরতালের কারণে গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। এর আগে গত রোববারের (২রা ফেব্রুয়ারী) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও একই কারণে পেছানো হয়েছিল। পরীক্ষা পেছানোর কথা জানিয়ে গত রোববারই শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পরীক্ষার দিন হরতাল থাকলে তা পরিবর্তন করা হবে। হরতালের কারণে পরীক্ষা পেছানো নতুন কোনো ঘটনা নয়। আমরা ১৯৯৬ সালেও দেখেছি আওয়ামীলীগের ডাকা হরতালের কারণে ৩ মাস এস. এস. সি পরীক্ষা পেছানো হয়েছিল। সরকারের হরতাল পেছানোর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নয়, বরং ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার নিমিত্তে বিরোধী দলের প্রতি জনগণের আক্রোশ বৃদ্ধিই তার লক্ষ্য। সরকার যদি জনগণের নিরাপত্তার কথাই চিন্তা করতো তবে অফিস আদালত বন্ধ ... Read more - [সুবিধাভোগী রাজনীতির বৃত্তে আবদ্ধ বাংলাদেশ এবং ভুক্তভোগী আমজনতা](https://returnofislam.com/2015/02/08/chained-bangladesh-by-democracy/): বাংলাদেশে এই মুহুর্তে একটি রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ২০১৫ সালের প্রথম থেকেই দুইটি বিবাদমান পক্ষের ক্ষমতার চেয়ারে যাওয়ার দ্বন্দের মাঝখানে পরে অবরোধ – হরতালে, পেট্রোল বোমায়, সংঘর্ষে, পুলিশী নির্যাতনে অসংখ্য মানুষ আহত-নিহত হয়েছে, অনেকেই নিঃস্ব হয়ে গেছে, সর্বোপরি পুরো দেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পরেছে। এ যেন এক অঘোষিত যুদ্ধের মাঝে পরে গেছে বাংলাদেশ। চলমান বাস্তবতার দিকে কেউ এক পলক তাকালে যে কারো কাছেই একটি বিষয় প্রকট ভাবে চোখে পরবে, তা হলো, এই যে মারামারি –হানাহানি, সংঘর্ষ এতে কিন্ত দেশের ঐই সব রাজনীতিবিদ যারা ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য বা মসনদে বসার জন্য বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে উসকানি দিচ্ছে, কিংবা টক শো তে বিভিন্ন ... Read more - [প্রকাশ্যে ও গোপনে আল্লাহ্’কে ভয় করা](https://returnofislam.com/2015/02/01/fearing-allah/): অধ্যায় ৫: প্রকাশ্যে এবং গোপনে আল্লাহ্’কে ভয় করা আল্লাহ্’কে ভয় করা ফরয এবং যার দলিল হচ্ছে কুর’আন এবং সুন্নাহ্। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কু’রআনে বলেন: وَإِيَّايَ فَاتَّقُونِ “একমাত্র আমাকেই ভয় কর। ” [সূরা আল-বাক্বারা :৪১] وَإِيَّايَ فَارْهَبُونِ “আমি ছাড়া কাউকে ভয় করো না। ” [সূরা আল-বাক্বারা: ৪০] إِنَّمَا ذَلِكُمُ الشَّيْطَانُ يُخَوِّفُ أَوْلِيَاءَهُ فَلَا تَخَافُوهُمْ وَخَافُونِ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ “নিশ্চয়ই শয়তান শুধুমাত্র তার বন্ধুগণ হতে তোমাদেরকে ভয় প্রদর্শন করে; কিন্তু যদি তোমরা বিশ্বাসী হও তবে তাদেরকে ভয় করো না এবং আমাকেই ভয় করো। ” [সূরা আলি ইমরান: ১৭৫] وَيُحَذِّرُكُمُ اللَّهُ نَفْسَهُ “আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁর (শাস্তি) সমপর্কে তোমাদের সতর্ক করেছেন। ... Read more - [ইসলামী ব্যাংকিং-এর প্রয়োজনীয়তা ও বিকল্প](https://returnofislam.com/2015/01/30/necessity-of-islami-banking/): একটি যুক্তি প্রায়ই উপস্থাপিত হয় যে ইসলামী ব্যাংক পুরোপুরি ইসলামী না হলেও মানুষের প্রয়োজন পূরণের জন্য এটি আবশ্যক। আরেকটি যুক্তি হল মানুষ যেমন ত্রুটিহীন নয় ইসলামী ব্যাংকও তেমন ত্রুটিহীন নয়, কিন্তু তারা ক্রমাগত চেষ্টা করছে ইসলামী শারিয়াহ যথাযথভাবে অনুসরণ করে ‘ব্যাংকিং’ সেবা দান করার। এবং এই ক্রমাগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যাংকিং-এর একটি যথার্থ ইসলামী বিকল্পধারা তৈরি হবে। তাই আমাদের কর্তব্য হচ্ছে ইসলামী ব্যাংককে সহযোগিতা করা। প্রথমেই দেখছি প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি। কোন বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা পরিমাপের জন্য একটি মানদণ্ড প্রয়োজন। আমি এখানে সেই মানদণ্ডকে নির্ধারণ করছি “কোন ‘আইনসিদ্ধ অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আবশ্যকীয় উপায়” হিসেবে। এখন দেখা যাক ইসলামী ব্যাংক মানুষের কোন কোন মানবিক সমস্যার সমাধান ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা - ধারা ১](https://returnofislam.com/2015/01/27/constitution-art-1/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি হিযবুত তাহরীর প্রণীত “খিলাফত রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা – এর প্রয়োজনীয় দলিলসমূহ, সাধারণ বিধিসমূহ” বইটি থেকে নেওয়া হয়েছে ধারা ১ ইসলামী আক্বীদাহ হলো রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। সুতরাং, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, কাঠামো, জবাবদিহিতা কিংবা রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কিত অন্য কোন বিষয়, যা কিনা ইসলামী আক্বীদাহ হতে উৎসারিত নয়, তা রাষ্ট্রে বিরাজ করতে পারবে না। একই সময়ে, ইসলামী আক্বীদাহ রাষ্ট্রের সংবিধান এবং আইন-কানুনের ভিত্তি হিসেবেও কাজ করবে; তাই, সংবিধান এবং আইন-কানুনের সাথে সম্পর্কিত এমন কোন বিষয়ও রাষ্ট্রে বিরাজ করতে পারবে না, যা কিনা ইসলামী আকীদাহ হতে উদ্ভূত নয়। দলিলসমূহের বিস্তারিত ব্যাখ্যা কোন একটি রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে কিছু নতুন চিন্তার আবির্ভাবের ফলে, যার উপর ... Read more - [ব্যাংকিং ও ইসলামী ব্যাংকিং](https://returnofislam.com/2015/01/25/banking-islamic/): যে কোন বিষয় সম্বন্ধে সম্যক ধারনা পাওয়া যায় যখন সেই বিষয়টি সামগ্রিক সামাজিক কাঠামোর অধীনে বিবেচনা করা হয়। ইসলামী ব্যাংকিং এর বিষয়টিও তেমনই। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যাঙ্কিং এর একটি বিশেষ ভূমিকা আছে। এই বিশেষ ভূমিকার কারনে ‘ব্যাঙ্কিং ব্যবসা’ অন্যান্য ‘ব্যবসা/বাণিজ্য’ থেকে পৃথক। তার আইনি কাঠামোও পৃথক। ব্যাঙ্কিং ব্যবসা ছাড়া অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের নামের সঙ্গে ‘ব্যাংক’ শব্দটি যুক্ত করতে পারেনা (ব্যাঙ্ক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১, ধারা-৮)। ব্যাঙ্ক-কোম্পানি বলতে বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনাকারী কোন কোম্পানিকে বুঝায় (ব্যাঙ্ক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১, ধারা-৭(ণ))। এই ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে যে সকল কোম্পানি পণ্য উৎপাদন বা বাণিজ্য পরিচালনা করে এবং শুধুমাত্র এই উৎপাদন বা বানিজ্যের অর্থ সংস্থানের জন্য জনগণের ... Read more - [এটা কি রাষ্ট্র নাকি মৃত্যুপুরী?](https://returnofislam.com/2015/01/24/state-or-city-of-death/): – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মহসিন খান বলেছেন ‘স্যুট এ্যাট সাইট’ অর্থাৎ দেখা মাত্র গুলি। – এর আগে বিজিবি প্রধানের একই বক্তব্য ছিল – মন্ত্রীসভা কমিটির সভাপতি ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ‘নাশকতাকারীদের’ ধরতে এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। – বিরোধী দলকে নিঃশেষ করতে নির্দেশ চান সাংসদ শামীম উসমান – রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন সরকার সাংবিধানিক শাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। – এ ছাড়া প্রতিদিন মন্ত্রী সাংসদরা এক প্রকার মুখস্ত বলে বেড়াচ্ছেন ‘সর্বোচ্চ কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে’ – রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ব্যক্তিবর্গের হুমকি ধমকি ও তা কার্যকরে সরকারের নীতি নির্ধারণী কমিটির সভায় তার অনুমোদন। একদিকে আওয়ামি সরকার দেশের জনগণের সম্পদ ব্যবহার করছে ... Read more - [জ্বলছে; জ্বলুক বাংলাদেশ !](https://returnofislam.com/2015/01/23/burning-bangladesh/): “দেশপ্রেমিক” বিপ্লবী “বাঙালি” জনতা আজ নির্বাক দর্শকে পরিণত হয়েছে। দুই নেত্রীর অন্তর্দাহে যখন জ্বলে যাচ্ছে বাংলাদেশ তখন কোথায় গেল আমাদের দেশপ্রেম, কোথায় গেল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। মূলত এগুলো কিছু ফাকা বুলি ছাড়া আর কিছুই না। আজ প্রতিবাদী মানুষকে জনগণের অর্থে প্রতিপালিত পুলিশ-বিজিবি দ্বারা পাখির মতো গুলি করা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে, এবং প্রতিবাদের নামে মানুষকে আগুন এ পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, জনগণের সম্পদ জ্বালানো হচ্ছে, ভাংচুর করা হচ্ছে। আজ জনগণের জান নিয়ে পুতুল খেলায় মগ্ন দুই নেত্রী। বিষয়টা যেন এমন পুতুল নাচের সুতো যেন তাদের হাতে, তারাও নাচায় আমরাও নাচি। কখনো সরকার তার লাইসেন্সকৃত অস্ত্রধারী বাহিনী দিয়ে মানুষ মারছে অন্যদিকে বিএনপি তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে।   আজ আমরা কি সে দিনের অপেক্ষায় আছি যেদিন আমরা স্বয়ং নিজে অথবা আমাদের ... Read more - [গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মৃত্যু, কুফরি মৃত্যু](https://returnofislam.com/2015/01/23/democracy-kufri/): গত ৬ই জানুয়ারী থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র রক্ষার নামে বিরোধী পক্ষের অবরোধ কর্মসূচীর জ্বালাও পোড়াও এবং সরকার পক্ষের দমন নিপীড়ন ও গণগ্রেফতারে আতঙ্কিত বাংলাদেশের জনমনে একটি প্রশ্ন উঠেছে যে এই গণতন্ত্র টা কি জিনিস? কিভাবে এটা রক্ষা হয়? এটা রক্ষার সাথে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সম্পর্কই বা কী? এবং এটা রক্ষার নামে যত নিরীহ মানুষ প্রান হারাচ্ছে এবং বিনা অপরাধে কারাবরণ করছে এর দায়ভার কার? এবং এর থেকে মুক্তির কার্যকর উপায় কী? প্রথম কথা, আমরা প্রথম এই ধরণের রাজনৈতিক সংকট দেখছি না এর আগেও আমরা এই দেশে দুই পক্ষের ক্ষমতার লড়াইয়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বলি দেখেছি, বহুবার দেখেছি। এবং যখনি এ ধরণের ... Read more - [খবর বিশ্লেষণ: অবরুদ্ধ দেশ, উত্তরণের উপায়](https://returnofislam.com/2015/01/22/free-from-democracy/): রাজনৈতিক দাবি আদায়ের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হরতাল–অবরোধ এখন আতংক ও দুর্ভোগের আরেক নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। হরতাল-অবোরধের নামে একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটছে। দিন দিন এ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বেড়েই চলছে । অবরোধ কর্মসুচি পালনের নামে গাড়িতে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, নির্বিচারে বাস-ট্রাকে ভাঙচুর-আগুন, রেললাইন উপড়ে ফেলে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী –“অবোরধের বিভীষিকায় মধ্যরাতে পুড়ল ৫ প্রাণ”, “সহিংস রাজনীতির শিকার ফেনীর এস.এস.সি পরীক্ষার্থী অনিক ও শাহরিয়ার”, “বাসে–ট্রাকে বোমা দুই যুবক নিহত, অবরোধে অর্ধশতক গাড়িতে আগুন”,‍ “পুলিশের বাসে পেট্রলবোমা, দগ্ধ ৫ পুলিশ” এই হল অবরোধের আংশিক চিত্র । বিরোধী দলের কথা অনুযায়ী, জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ... Read more - [খবর বিশ্লেষণ: যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ](https://returnofislam.com/2015/01/22/petrol-bomb-fire/): খবর: রাজধানীর সংসদ ভবনের পূর্ব পাশে খেজুর বাগান রোডে যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ। এতে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন দুজন ছাত্রী এবং আহত হয়েছে অপর একজন ছাত্রী। এছাড়া এর পূর্বেও শুধুমাত্র এই কয়েকদিনের অবরোধ/হরতালে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানেই বাসে/গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আহত প্রায় অর্ধ শতাধিক, নিহত ৫ (এটি লেখা পর্যন্ত) ২০ বছরেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই অবরোধ/হরতালের নামে হাসিনা/খালেদার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দেখে আসছে। এইসকল যালিমেরা ধারাবাহিকভাবেই শোষণের জন্য ক্ষমতায় আসে, আর এরপর নিজেদের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে জনগণের ক্ষতি করে চলেছে। তাদের লালিত গুন্ডাদের দ্বারা জনগণের জান-মাল ধ্বংসে লিপ্ত। মায়ের কোলের শিশু থেকে বয়স্ক ব্যক্তি পর্যন্ত কেউই আজ স্বস্তিতে নেই। আবার, ... Read more - [আর বান্দাদের মধ্যে আলেমগণই আল্লাহকে বেশি ভয় করে..](https://returnofislam.com/2015/01/05/people-who-fear-allah-most/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ“নিশ্চয়ই তাঁর বান্দাদের আলেমগণই আল্লাহকে সত্যিকার অর্থে ভয় করে। নিশ্চয়ই আল্লাহ শক্তিশালি ও ক্ষমাশীল“। [আল-ফাতির: ২৮] এ আয়াতের ব্যাপারে ইবন কাছীর বলেন, (كلما كانت المعرفة به أتمّ والعلم به أكمل، كانت الخشية له أعظم وأكثر) “আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতার ব্যাপারে জ্ঞান যত বেশি পূর্ণ হবে তত বেশি তাকে বেশি ভয় করবে তারা যারা এই পুর্নাঙ্গ জ্ঞান ধারণ করে”। ইমাম কুরতুবি বলেন, (فَمَنْ عَلِمَ أَنَّهُ عَزَّ وَجَلَّ قَدِيرٌ أَيْقَنَ بِمُعَاقَبَتِهِ عَلَى الْمَعْصِيَةِ) “আলেম তারাই যারা আল্লাহর ক্ষমতার ব্যাপার জ্ঞান রাখেন। তারা আল্লাহর শাস্তির ব্যাপারে কোনো সন্দেহের মধ্যে নেই ... Read more - [যৌথ সামরিক মহড়া ও সেমিনার হল সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার হাতিয়ার যার মাধ্যমে সে তার ভূ-রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়](https://returnofislam.com/2014/12/24/joint-exercise-objective/): খবর: গত ১৪/০৯/১৪ তারিখে রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ মিলিটারি এবং যুক্তরাষ্ট্র আর্মির প্যাসিফিক কমান্ড যৌথভাবে ৩৮তম প্যাসিফি আর্মি ম্যানেজমেন্ট সেমিনার (PAMS) এ আয়োজন করে। ৩২টি দেশের বিভিন্ন সমকালীন বিষয়ে মতবিনিময় এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে “আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ” মোকাবেলায় দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান কুখ্যাত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সকল দেশকে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি’র প্যাসিফিক কমান্ডার জেনারেল ভিনসেন্ট ব্রুকস, যাতে সকল দেশ একমত হয়েছে। মন্তব্য:দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর থাকার ফলে অবস্থানগত কারণেই বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে ধরা হয়। আন্দামান নিকোবার দ্বীপপুঞ্জে যদিওবা মার্কিনীদের বৃহৎ নৌবহরের উপস্থিতি রয়েছেম তারপরও দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে নিজেদের ভূ-কৌশলগত অবস্থানকে আরও সুসংহত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের ... Read more - [আল্লাহ্‌'র ভয়ে এবং স্মরণে ক্রন্দন করা](https://returnofislam.com/2014/12/10/fear-of-allah/): অধ্যায় ৬ সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌’র ভয়ে ক্রন্দন করা মানদুব (Recommended) এবং এর দলীল হচ্ছে কুর’আন এবং সুন্নাহ্‌: কুর’আন-এর দলীলের ক্ষেত্রে: أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيثِ تَعْجَبُونَ، وَتَضْحَكُونَ وَلَا تَبْكُونَ “তোমরা কি এই বিষয়ে আশ্চর্যবোধ করছো? এবং হাসছো-ক্রন্দন করছো না?” [সূরা আন-নাজম: ৫৯-৬০] وَيَخِرُّونَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُونَ وَيَزِيدُهُمْ خُشُوعًا “তারা ক্রন্দন করতে করতে নতমস্তকে ভুমিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়ভাব আরো বৃদ্ধি পায়।” [সূরা আল-ইস্‌রা:১০৯] إِذَا تُتْلَى عَلَيْهِمْ آَيَاتُ الرَّحْمَنِ خَرُّوا سُجَّدًا وَبُكِيًّا “তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহ্‌’র আয়াতসমূহ পাঠ করা হতো, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়তো এবং ক্রন্দন করতো।” [সূরা মারইয়াম:৫৮] সুন্নাহ্‌’র দলীলের ক্ষেত্রে: ইবনে মাস’উদ বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ (সা) আমাকে বলেন: اقْرَأْ عَلَيَّ ... Read more - [কর্মের মানদন্ড](https://returnofislam.com/2014/11/17/standard-of-actions/): অনেকেই উদ্দেশ্যহীনভাবে জীবনে অগ্রসর হতে থাকে। তাই তারা পরিমাপ করার কোনো মানদন্ড ছাড়াই তাদের কার্যাবলী সম্পাদন করে। ফলে, তাদের খারাপ কাজকে ভালো মনে করে তা করতে দেখবেন। তারা ভালো কাজকে খারাপ মনে করে তা হতে বিরত থাকে। বৈরুত, দামেস্ক কিংবা বাগদাদের মতো বৃহৎ ইসলামী শহরগুলোতে একজন মুসলিম নারী তার পা উন্মুক্ত করে, তার সৌন্দর্য ও আকর্ষনীয়তা দেখিয়ে মনে করে যে সে একটি ভালো কাজ করছে। একইভাবে, মসজিদমুখী নেক ব্যাক্তি শাসকের দুর্নীতির ব্যাপারে কথা বলা থেকে বিরত থাকে, কারণ তা রাজনীতি আর রাজনৈতিক কথা বলাই খারাপ। এধরনের নারী ও পুরুষ পাপে নিপতিত। কারণ তারা তাদের কার্যাবলী পরিমাপ করার জন্য কোনো মাপকাঠি গ্রহণ ... Read more - [চালের বাজারে অস্থিরতা: পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থা এর জন্য দায়ী](https://returnofislam.com/2014/11/13/capitalism-market/): সম্প্রতি চালে বাজার আবার অস্থির হয়ে ওঠেছে। পাইকারী থেকে শুরু করে খুচরা বাজারে এর প্রভাব চোখে পড়ার মতো। খুচরা বাজারে প্রতি কেজিতে ২-৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় শ্রীলংকাতে টন প্রতি ৪৫০ ডলার দরে ৫০ হাজার টন চাল রপ্তানি ঘোষণা করেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি তার চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার উদ্ধোধনের ভাষনে এ রপ্তানির বিষয়টি গর্ব করে উল্লেখও করেছেন। উল্লেখ্য ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জুলাই- সেপ্টেম্বরে তুলনায় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে একই সময়ে চালের আমদানিও বেড়েছে। ৪৫০ ডলার দরে রপ্তানিযোগ্য চালের উৎপাদন খরচ পড়বে ৪৩৬ ডলার এবং লাভ হবে ১৪ ডলার। অর্থাৎ প্রতিকেজি চালের মূল্য হবে ৩৩টাকা। এই সরকারের তথাকথিত মধ্যম আয়ের দেশে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: নবীদের ইজতিহাদ প্রসঙ্গে – শাইখ আতা আবু রাশতা](https://returnofislam.com/2014/11/13/qa-ijtihad-of-the-prophets/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব  প্রশ্ন: সকল নবীই কি তাদের ইজতিহাদে সঠিক নাকি শুধু মুস্তফা (সা)? প্রশ্নটি উত্থাপিত হয় নিম্নোক্ত প্রসঙ্গে – ইবন কাছীর সূরা আম্বিয়া ৭৮ নং আয়াত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আবদুল্লাহ বিন মাসউদ ও আবদুল্লাহ বিন আব্বাস কে উদ্ধৃত করে বলেন যে তারা বলেছেন, নবী দাউদ (আ) মেষপালক ও গৃহস্থের মালিক যার ক্ষেত মাড়িয়েছিল মেষপালকের ভেড়াটি তাদের মধ্যে ফয়সালা দিয়েছিলেন যাতে ভেড়াটি গৃহস্থকে দিয়ে দেয়া হয়। পরে তার ছেলে সুলায়মান তাকে বলেন, এটি পরিবর্তন করুন, হে আল্লাহর নবী! অতঃপর তিনি রায়টি ব্যাখ্যা ... Read more - [ব্যর্থ ধর্মনিরপেক্ষ গনতান্ত্রিক কুফরী শাসনব্যবস্থা/সংবিধানই দেশের আজকের অস্থিতিশীলতা, অচলাবস্থা ও সংঘাতের প্রধান কারণ](https://returnofislam.com/2014/11/13/failed-democratic-system/): জনগণের মধ্যে থাকা কিছু অগভীর (ভুল) ধারণা: হাসিনা-খালেদা মহিলা হওয়ায় দেশে সংঘাত ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সুতরাং পুরুষ শাসন এ সংঘাত ও চলাবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে। সত্যিকারের গনতন্ত্র চর্চা না হওয়ায় এ সংঘাত। সুতরাং সমাধান হল আরও গনতান্ত্রিক হওয়া। মন্দের ভাল হিসেবে বিকল্প না থাকায় এক দলকে ছেড়ে অপর দলকে বেছে নেয়া উচিত। গনতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যতিত বৈধ ও গ্রহণযোগ্য পন্থায় ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ বাঁচাও-মানুষ বাঁচাও, নতুন ধারার রাজনীতি… ইত্যাদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার, সর্বদলীয় অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার, দু নেত্রীর মধ্যকার সংলাপ ইত্যাদি বর্তমান সংকটের সম্ভাব্য সমাধান। সংকটের কারণ: ওবামা, বুশ ও মনমোহন সিং এর ... Read more - [খিলাফত ও ভারতীয় উপমহাদেশ](https://returnofislam.com/2014/11/12/khilafah-in-indian-subcontinent/): খিলাফত রাষ্ট্র ধ্বংসের পর আরও একটি বার্ষিকী অতিক্রম করছে মুসলিম উম্মাহ। এই মুহুর্তে অতিব জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে ইতিহাস ফিরে দেখা এবং এই পতন ও ধ্বংসের প্রতি মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল তা খতিয়ে দেখা। ধারণা করা হয়, খিলাফত ধ্বংসের প্রতি মুসলিমদের ও তৎকালীন আলেম-ওলামাদের কোন প্রতিক্রিয়াই ছিল না এবং তারা এর গুরুত্ব বুঝতে পারেন নি। কিন্তু এটি সত্য না; ইতিহাস সাক্ষী হিসেবে যথেষ্ট যে, মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল, কিভাবে তাঁরা এটি রক্ষার চেষ্টা করেছিলেন এবং আল্লাহর ছায়াকে দুনিয়া থেকে নির্মূল হতে দেখে কীরূপ কষ্ট সহ্য করেছিলেন। এই ভারত উপমহাদেশের মুসলিম ও তাদের গড়ে তোলা খিলাফত আন্দোলন তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ। মুসলিমদের প্রতিক্রিয়া জানার ... Read more - [ব্যক্তিপর্যায় ও প্রকাশ্য গণসংযোগ](https://returnofislam.com/2014/11/02/individual-and-public-interaction/): ব্যক্তিপর্যায় এবং প্রকাশ্য গণসংযোগের গুরুত্বের বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) কর্তৃক অনুসৃত পদ্ধতি থেকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই এই দুই পর্যায়ের গণসংযোগকে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক পুরষ্কৃত মহান ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁর পবিত্র গ্রন্থে নুহ (আ)-এর ঘটনা উল্লেখ করেন: যেখানে আমরা দেখি, তিনি (আ) তার জাতি হতে প্রাপ্ত সাড়ার ব্যাপারে তার রবের কাছে নালিশ জানান, এবং ৯৫০ বছরের এই দীর্ঘ সময়জুড়ে তিনি (আ) কী পরিমাণ ধৈর্য্যসহকারে তার জাতির কাছে দাওয়াহ্‌ পৌঁছে দেন। জাতির কাছে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যাসহ, সুস্পষ্টরূপে বক্তব্য উপস্থাপন এবং সরল-সঠিকপথের দিকে আহ্বানের পরই কেবল তিনি (আ) আল্লাহ্‌’র নিকট অভিযোগ জানান। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরও উল্লেখ ... Read more - [মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনের মূল কারণ চিন্তার অধঃপতন](https://returnofislam.com/2014/08/23/ummah-declined-by-thought/): মুসলিম উম্মাহ্ বর্তমানে যে পশ্চাদপদতা ও লাঞ্ছনার গহ্বরে পতিত তা থেকে উম্মাহ্কে উদ্ধার করা এবং উম্মাহকে কুফরী চিন্তা, কুফরী ব্যবস্থা, কুফরী বিধি-বিধান, কুফর দেশসমূহের আধিপত্য ও প্রভাব-প্রতিপত্তি থেকে মুক্ত করা কেবল মাত্র তখনই সম্ভব হবে যখন উম্মাহর চিন্তার বর্তমান অধঃপতনকে পরিবর্তন করে উন্নত চিন্তার বিকাশ ঘটানো যাবে। আর এটা করার উপায় হচ্ছে যে চিন্তাগুলো মুসলিম উম্মাহ্কে অপদস্থতার এই চরম অবস্থা পর্যন্ত এনে পৌঁছিয়েছে সেগুলোকে চিহ্নিত করে ইসলামী চিন্তা দ্বারা সেগুলোর পরিবর্তন ঘটানো। বস্তুতঃ উম্মাহর বর্তমান অবস্থার কারণ হচ্ছে ইসলামকে বুঝে তার বিধি-বিধানকে মান্য করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অবহেলা এবং দুর্বলতা, যা অনেক আগে থেকে শুরু হয়ে আজও চলছে। এই চিন্তাগত অধঃপতনের দরুন উম্মাহ্‘র ... Read more - [জনমতের গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2014/08/01/importance-of-public-opinion/): প্রকাশ্য সামাজিক পর্যায়ে জনগণ যে বিষয়টাকে সম্মান বা অসম্মান করে তার ভিত্তিতেইএকটা জাতি পরিচালিত হয়। ব্যক্তিগত মতামতের ভূমিকা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গৌণ। মানুষের সংগঠিত মতামত বা কাজ যা সামাজিক সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে করা হয় কেবল তার দ্বারাই জনমত প্রভাবিত হয়। আলাদা আলাদা ভাবে ব্যক্তিরা কী মনে করে বা বিশ্বাস করে তার দ্বারা সমাজ পরিচালিত হয় না। সমাজের সম্মিলিত নীতিবোধই সবসময় জনমত তৈরী করে ও ব্যক্তির মতামতকে প্রভাবিত করে। এর একটা উদাহরণ হচ্ছে কুরাইশদের দ্বারা বয়কট চুক্তির বিলোপ সাধন। আবু জেহেল ও কুরাইশ নেতারা একে পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয় বললেও জনমতের চাপের কারণে কুরাইশরা এই বয়কটের সমাপ্তি টানতে বাধ্য হয়েছিল। সমাজ পরিবর্তন করতে হলে সমাজের প্রত্যেককেই পরিবর্তন করতে হবে এমন কোনও আবশ্যকতা ... Read more - ["ইসরাইল রাষ্ট্র"-এর বৈধতার ভিত্তি কী?](https://returnofislam.com/2014/07/27/illegitimate-israel/): গাজা শহরের ওপর চলমান বর্বর ইসরাইলি আগ্রাসন দীর্ঘদিনের বিতর্ককে বিশ্বব্যাপী নতুন করে উজ্জীবিত করেছে। “মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কট” নিরসনের জন্য পশ্চিমা থেকে Two-State Solution [দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলকে মেনে নেয়া]-এর কথা বলা হলেও মধ্যপ্রাচ্যের জনমত মূলত রাষ্ট্র হিসেবে “ইসরাইল”-এর অস্তিত্বেরই বিপক্ষে। খোদ ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনেই এসেছে – Two-State Solution এখন মৃত: http://tinyurl.com/nvxq3g7 মধ্যপ্রাচ্যে এই আগ্রাসী সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের উপস্থিতি শুধু মুসলিমরাই মানছেন না, তা নয়। মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিস্টান, এমনকি ইহুদি সম্প্রদায়ের একটি অংশও ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মেনে নিতে অনিচ্ছুক। ১৯৪৮ সালে জাতিসঙ্ঘের মাধ্যমে এই রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার আগ থেকে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইহুদিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি নিয়ে বহু বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য ... Read more - [গ্যাস উত্তোলনে কনকো ফিলিপস, জাতীয় সম্পদের অবাধ লুণ্ঠন](https://returnofislam.com/2014/07/06/looting-ummahs-wealth/): বন্দর নগরী চট্রগ্রাম থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরত্বে, বঙ্গোপসাগর অবস্থিত দুটি ব্লক ডিএস ০৮-১০ এবং ডিএস ০৮-১১ এখন যুক্তরাষ্ট্রের তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কনকোফিলিপস এর আওতাধীন। ৩০০০-৩৫০০ ফুট গভীরতা সম্পন্ন ব্লক দুটি গভীর সমুদ্রে ৫১৫৮ বর্গ কিঃমিঃ(১২,৭০,০০০ একর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান “শেভরন কর্পোরেশন” ২০০৭ সালে ‘কনকো ফিলিপস’ প্রতিষ্ঠানটি কিনে নেয়। তেল ও গ্যাস উৎপাদন এবং মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কনকোফিলিপসকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তেল ও গ্যাস উৎপাদনের দায়িত্ব দেয় “শেভরন কর্পোরেশন”। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় হাইড্রোকার্বন জরিপ চালিয়ে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার   আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বরপত্র আহবান করে। বঙ্গোপসাগরের ৮টি ব্লকের জন্য কনকোফিলিপস প্রতিষ্ঠানটি ... Read more - ['দারুল ইসলাম' তথা খিলাফত রাষ্ট্রের শর’ঈ সংজ্ঞা](https://returnofislam.com/2014/07/05/darul-islam-khilafah/): “দারুল ইসলাম” হল হুকুম শর’ঈ এর এমন একটি আবশ্যিক শর্ত যেটাকে সংজ্ঞায়িত করার ক্ষেত্রে কখনই মস্তিষ্ক প্রসূত চিন্তা অথবা আবেগ প্রাধান্য পেতে পারে না। এই খিলাফাহ রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে থাকে উম্মাহর সাথে রাষ্ট্রের প্রধানের (খলীফার) “চুক্তির” ওপর ভিত্তি করে এই শর্তে যে খলীফা হুকুম শরী’আকে ১০০ ভাগ বাস্তবায়ন করবে। ইসলামী আইনের ইতিহাসে এই “দারুল ইসলাম” কে ফুকাহারা (ফিকহ শাস্ত্রের আলেম) খিলাফাহ বা ইমামাহ বা সুলতানিয়্যাহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং কুরআন ও সুন্নাহর নুসুস (দলীল) থেকে এই রাষ্ট্রের সংজ্ঞা নির্ধারণ করেছেন। শাখা প্রশাখা নিয়ে কিছু ইখতিলাফ থাকলেও রাষ্ট্রের মুল সংজ্ঞা এবং শর্ত নিয়ে তেমন মতবিরোধ কখনই ছিল না। আরবি ভাষায় “দার” এর বেশ ... Read more - [রমজান ও বিশ্বকাপ](https://returnofislam.com/2014/07/01/ramadan-and-worldcup/): এসেছে মুসলিমদের ইবাদতের জন্য হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম মাস রমজান। এ মহিমান্বিত মাসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা পবিত্র কুরআনকে মানব জাতির মুক্তির জন্য একমাত্র বিধান হিসেবে পৃথিবীর বুকে নাযিল করেছিলেন। অপরদিকে এসেছে ক্রীড়া জগতের সর্ববৃহৎ আসর বিশ্বকাপ ফুটবল-২০১৪, যা বিশ্বজুড়ে ফুটবল প্রেমীদের বহু প্রতিক্ষিত বিনোদনের একটি আসর। এই ২০ তম বিশ্বকাপ আসরে শুধুমাত্র প্রাইজমানি প্রাদানে ব্যয় হবে ৫৭৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর স্বাগতিক দেশ ব্রাজিল এই আসরের আয়োজনে আনুমানিক খরচ নির্ধারন করেছে ১৪ বিলয়ন মার্কিন ডলার যার, সম্পূর্ণটা শুধু মাত্র ক্রীড়া বিনোদনের উদ্দেশ্যে ব্যয় হবে। বছরের প্রতিটি মাসের মতো এ মাসেও আমাদের এই সমাজ শুধুমাত্র আমোদ-ফুর্তি করে এক মহা ব্যস্ত সময় ... Read more - [উসুলি কা'ইদাহ "সকল বস্তুর 'আসল' হল ইবাহা" প্রয়োগ করে কি করে গণতন্ত্রকে জায়েয এবং খিলাফতকে ধ্বংস করা হয়েছিল](https://returnofislam.com/2014/06/20/usooli-qaidah-ibaha/): ইবাহা যারাই বলে থাকেন ইসলামে ইবাদতের ‘তউকিফি’ (অর্থাৎ ওয়াহি দ্বারা সুনির্দিষ্ট) ইস্যুগুলো ছাড়া বাকি সব *একশন (কাজ)* বাই ডিফল্ট মুবাহ বা হালাল, তারা ইসলামী আইনবিজ্ঞানের (উসুল আল ফিকহ) বিষয়ে সাধারণ মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে খুব ভয়ংকরভাবেই উম্মাহকে ভুল পথে চালিত করছেন। পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় আমাদের অনেকের মনে এটা গেঁথে গেছে (কিছু ভ্রান্ত প্রচারনার দ্বারা) কোন বিষয় যদি ইসলামের সাথে কনফ্লিক্ট না করে এবং ঐ ব্যাপারে কোন শরিয়ার নুসুস (দলীল) যদি না থাকে, তাহলেই তা মুবাহ বা হালাল। এই ভয়ংকর চিন্তার কারনেই মুসলিম উম্মাহকে “ইসলামিক গণতন্ত্র”, “ইসলামিক সমাজতন্ত্র”, “সোশ্যাল জাস্টিস” ইত্যাদি কুফরি চিন্তা গলধঃকরণ করানো হয়েছিল। খিলাফত ধ্বংসের বিস্তারিত ইতিহাস নিয়ে ... Read more - [মার্কিনীদের উদার গণতন্ত্র মেকি এবং বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র একটি একক কর্তৃত্বসম্পন্ন রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2014/06/03/usa-fake-democracy/): “এটা চিন্তার বাইরে এবং দুঃখের বিষয় যে, সরকার ও জনগণের মধ্যে পরস্পরবিরোধী সম্পর্ক বিদ্যমান; যেখানে অনাস্থা ও ভয় বিরাজমান এবং সরকারী নীতি ও কর্মপদ্ধতি জাতির সাংবিধানিক ভিত্তিকে ভেঙে দিচ্ছে। এবং এই একক কর্তৃত্বের ক্রমবর্ধমান কালো অধ্যায় যদি বর্জন করা না হয়, আমেরিকা বসবাসের জন্য জীবন্ত নরকে পরিণত হবে” – মাইকেল পেইন ইদানিংকালে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ও বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তচরবৃত্তির নতুন নতুন তথ্য বিশ্বব্যাপী শীর্ষ খবরে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) নিজ দেশের লাখ লাখ নাগরিকের ওপর মেটা তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে গুপ্তচরবৃত্তি করছে এবং গুগলের মতো প্রধান প্রধান মার্কিন কোম্পানীগুলোর ওপর নজরদারি করছে। এনএসএ’র এহেন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধাচরণ করে গুগলের সিইও এরিক ... Read more - [একমাত্র ইসলামই পারে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন ও শোষণের পরিসমাপ্তি ঘটাতে](https://returnofislam.com/2014/06/02/only-islam-can-eradicate-oppression-on-women-in-capitalism/): এটা সবার কাছে পরিষ্কার যে বর্তমানে মুসলিম নারীরা ইসলামের প্রতি আক্রমণের ফল ভোগ করছে। পশ্চিমা পুঁজিবাদীরা ইসলামে নারী সংক্রান্ত নীতির প্রতি নগ্ন আক্রমণ ও হেয় প্রতিপন্ন করার কোন চেষ্টাই বাদ রাখেনি। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, নির্যাতিত মুসলিম নারীদের স্বাধীনতার নামে তাদের পোষাক-পরিচ্ছদে বাধা দেয়া হচ্ছে। জনসমক্ষে অর্ধ-নগ্ন থাকতে পারাই হচ্ছে পশ্চিমাদের নির্ধারিত নারী মুক্তির সংজ্ঞা। তাই পশ্চিমা দেশগুলোতে দেখা যায় নারী স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের আহবান বলতে আসলে কী বোঝায়, এ আহ্বান নারীদের শোষণ করার আহ্বান ব্যতীত আর কিছু নয়। সকলের কাছেই স্পষ্ট নগ্নতা বিষয়টি শুধুই নারীকেন্দ্রিক আর শুধু নারীরাই এই আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে। এই আহ্বান নারীকে যৌন লালসার বস্তুর পর্যায়ে নামিয়ে আনে ... Read more - [গুজরাটের কান্না](https://returnofislam.com/2014/05/17/a-cry-from-gujurat/): This is an old Speech given by brother Muinuddin in UK in 2002 regarding the Gujurat massacre happened in India that year.. https://archive.org/details/ACryFromGujurat150902 - [খিলাফত প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভুমিকা কী?](https://returnofislam.com/2014/05/16/what-is-the-role-of-young-people-in-establishing-the-khilafah/): ১৯২৪ সালে বৃটিশ পররাষ্ট্র সচিব লর্ড কার্জন অনেক দম্ভসহকারে বলেছিলেন “বাস্তবতা এমন যে তুরস্ক আজ মৃত, আর কখন শক্ত হয়ে দাড়াতে পারবে না। কারণ আমরা তাঁর নৈতিক শক্তিকে ভেঙ্গে দিয়েছি আর তা হলো খিলাফত ও ইসলাম। (The situation now is that Turkey is dead and will never rise again, because we have destroyed its moral strength, the Caliphate and Islam) খিলাফত, মুসলিম উম্মাহর সোনালী অতীত। খিলাফত মুসলিম উম্মাহ এর গৌরব,তার ঐতিহ্যের নাম। ১৯২৪ সালে মুস্তফা কামাল পাশা দ্বারা ধ্বংস হয়ে যায় খিলাফত। এখন প্রায় ৯০ বছর পর ২০১৪ সালে এসে বিশ্বের সব যায়গায় দাবি উঠেছে খিলাফত এর। এখন মুসলিম উম্মাহ এর ... Read more - [ছোট রাষ্ট্রের নিরাপত্তা: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট](https://returnofislam.com/2014/03/26/small-state-security-in-bangladesh-context/): সূচনা: পৃথিবীর চিন্তাশীল মানুষেরা আজকে নতুন করে নিজ নিজ দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে, তা তারা যে দেশের নাগরিকই হয়ে থাকুক না কেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম, রীতিনীতি ও সংস্থাসমূহ ইতিমধ্যেই সচেতন মানুষের আস্থা হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা রক্ষা এবং নিজস্ব ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা আদৌ যাবে কিনা, তা নিয়ে মানুষের মনে আজকে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা (World Order) মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহের সাথে সাথে আঞ্চলিক ও জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যু বাংলাদেশের মানুষের মনে যে নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে, তা থেকে মুক্তির উপায় আমাদেরকেই খুঁজতে হবে। এই প্রবন্ধে আমি প্রথমেই আজকের আলোচনার শিরোনামের প্রচলিত ধারণাগত ভিত্তি এবং বর্তমান ... Read more - [ইসলামী দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2014/03/19/importance-of-maintaining-the-right-atmosphere-within-the-islamic-party/): দাওয়ার অগ্রগতির জন্য দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বিরাজমান থাকার বিষয়টি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। এ বিষয়টি যদি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন না করা হয় বা অবহেলা করা হয় তবে তা দাওয়ার ফরজিয়্যাত পালনে অবহেলার দিকে নিয়ে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে আল্লাহর ক্রোধ আমাদের উপর আপতিত হবে। নিম্নের আলোচনায় আমরা দলের মধ্যে সঠিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি আলোচনা করব। এক্ষেত্রে আমাদের জানতে হবে, পরিবেশ বলতে আমরা কী বুঝি, ভুল পরিবেশের উদাহরণ এবং তা কিভাবে উদ্ভুত হয়, সবশেষে সঠিক পরিবেশ কী এবং তা কিভাবে বজায় রাখতে হয়। পরিবেশের অর্থ: কোনো চিন্তাকে কোথাও ক্রমাগত বাস্তবায়ন করতে থাকলে একটি পরিবেশের সূচনা হয়। সাধারনত মানুষ একটি পরিবেশকে অনুভব ... Read more - [আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা (সিলাত আর-রাহিম)](https://returnofislam.com/2014/02/25/keeping-ties-with-the-relatives/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইজতেমাঈ ফিল ইসলাম ’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত যখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা জাহিলিয়্যাতের গোত্রীয়বাদ হারাম করেছেন তখন তিনি গোত্রীয়বাদকে উম্মাহর সন্তানদের একমাত্র বন্ধনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করাকে হারাম করেছেন, এবং হারাম করেছেন যাতে এটি মুসলিমদের সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রন না করে। তবে, তিনি মানুষকে তার আত্মীয়ের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতে ও সদয় হতে নির্দেশ দিয়েছেন। হাকিম ও ইবন হিব্বানে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) বললেন, “দাতার হাত উপরে থাকে (অর্থাৎ, তা উত্তম), অতএব, নিকটাত্বীয়দের দিয়ে (দান) শুরু করো। তোমার মা, বাবা, বোন ও ভাই এবং ... Read more - [ইসলামের দৃষ্টিতে নির্বাচন (Election)](https://returnofislam.com/2014/02/20/election-accoding-to-islam/): Election বা নির্বাচন হচ্ছে ইসলামী শরীয়া’র অনুমোদিত উপায়সমুহের একটি যার মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই করা হয়। রাসূল (সা) বা’ইয়াতে আকাবায় বলেছেন, أَخْرِجُوا إِلَيَّ مِنْكُمْ اثْنَيْ عَشَرَ نَقِيبًا يَكُونُونَ عَلَى قَوْمِهِمْ “তোমাদের মধ্য থেকে বার জন নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি (নাকীব) নিয়ে এসো, যারা তাদের দায়িত্বের ব্যাপারে জনগনের প্রতিনিধিত্ব করে”। বর্তমানে ইসলামী ভূমিতে সকল ক্ষমতাসীন শাসনব্যবস্থায়ই অনৈসলামিক। কেননা, এগুলো কুফর শাসনব্যবস্থা যা আল্লাহর কিতাব ও রাসূল (সা) এর সুন্নাহ থেকে নেয়া হয়নি (শুধুমাত্র কতিপয় অংশ ব্যতিত)। যেকোনো মুসলিম যারা আল্লাহ ও রাসূল (সা)-কে বিশ্বাস করে তাদের পক্ষে এই ব্যবস্থায় কোনরূপ সাহায্য বা অংশগ্রহণ কিংবা শাসনব্যবস্থায় কোনো ভূমিকা রাখা সম্পূর্নরূপে হারাম। বরং প্রতিটি মুসলিমের উচিৎ সবোর্চ্চ ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের কি অস্ত্র ধরতে হবে?](https://returnofislam.com/2014/01/25/armed-struggle-to-establish-khilafah/): যদিও মুসলিমরা ১৯২৪ সালে তাদের রাষ্ট্র হারিয়েছিল তাদের হৃদয়ে তাদের দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা টিকে ছিল ঠিকই এবং এর দ্বারা বিভিন্ন ইসলামী আন্দোলনের সৃষ্টি হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতের পুনঃআগমনের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। এইসব আন্দোলনগুলো খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির কথা বলে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এই মহান দায়িত্ব পালনের জন্য জিহাদকেই একমাত্র পথ দাবি করে। যারা এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন তাদের আন্তরিকতা ও ত্যাগ সন্দেহের উর্ধ্বে। বর্তমানে যেহেতু অধিক থেকে অধিকতর মানুষের এই দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং এই দায়িত্ব পালন করতে তারা সঠিক পদ্ধতির খোঁজ করছেন। তাই এই সকল পদ্ধতি কুরআন ও সূন্নাহ’র আলোকে মূল্যায়ন করা সবচেয়ে ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থায় শ্রমিক-মালিকদের অধিকার ও শিল্পখাতের স্থিতিশীলতা](https://returnofislam.com/2014/01/18/rights-of-workers-owners-and-industrial-stability-in-khilafah/): একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থাই পারে শ্রমিক ও মালিকদের অধিকার নিশ্চিত করে শিল্পখাতকে স্থিতিশীল ও ঐক্যবদ্ধভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮,১০০ টাকা করার দাবিতে ২১ শে সেপ্টেম্বর ২০১৩ থেকে সহিংস আন্দোলন শুরু করে। শত শত শ্রমিক পুলিশের আঘাতে আহত হয়, অনেক সম্পদ ভাংচুর ও লুটপাট হয়। ঢাকা এবং তার আশেপাশের কারখানাগুলোতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কয়েকশত কারখানার কাজ বন্ধ থাকে। চলতি বছরের (২০১৩) জুন মাসে সরকার কর্তৃক সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ বোর্ড গঠন করে দেয়া হয়েছে যেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতিনিধিরা গত আগষ্ট মাসে তাদের বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছিল। ১৭ সেপ্টেম্বর গার্মেন্টস মালিকদের ... Read more - [বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল?](https://returnofislam.com/2014/01/18/bangladesh-dependency-us/): একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল। অনেকে মনে করেন যেহেতু তৈরী পোষাক খাত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং যুক্তরাষ্ট্র এর অন্যতম ক্রেতা, তাই বর্তমান বিশ্বের পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করা অসম্ভবতো বটেই; এক কথায় আত্মহননের শামিল। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রায় ১০ লাখের বেশি বাংলাদেশী রয়েছেন যারা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার একটি বড় উৎস। তাই ইসলামী রাষ্ট্র, খিলাফত প্রতিষ্ঠা মানেই হলো জাতিকে অর্থনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয়া; যেমন – যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে পারে ইত্যাদি। কিন্তু মুসলিম হিসেবে আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে, যদি আমরা এই ক্রুসেডারকে প্রতিহত না করি। আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ... Read more - [প্রশ্নোত্তর : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কের স্বরুপ](https://returnofislam.com/2014/01/18/usa-iran-relation/): প্রশ্ন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইরানের বাস্তবতা ব্যাখ্যা করবেন কি? অন্য কথায়, ইরান কি আঞ্চলিক রাজনীতিতে স্বাধীনভাবে মার্কিন প্রভাবমুক্ত হয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা অনুসারে অগ্রসর হয়? আমরা কি বলতে পারি যে, ইরান এ অঞ্চলে একটি মতবাদ প্রচার করতে চায়, যার নাম জাফরী মাযহাব? সবশেষে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে আমেরিকার প্রকৃত অবস্থান কি? উত্তর: প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হলে আমাদেরকে প্রথমে সংক্ষেপে ইরানের সরকারের বাস্তবতা, বিপ্লবের পর থেকে আজ পর্যন্ত রাজনৈতিক পথ পরিক্রমা, প্রজাতন্ত্র ঘোষণা এবং এসব কিছুর সাথে আমেরিকার সম্পর্ক খতিয়ে দেখতে হবে: ১) ইরানি বিপ্লবের শুরু থেকেই আমেরিকার সম্পৃক্ততা ছিল সুস্পষ্ট। ফ্রান্সের নিউফ্‌ল-লে-শ্যাঁতো’তে (Neauphle-le-Château) খোমেনীর অবস্থানকালে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি দল ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবনে মাস'উদ (রা)-এর আল-কুরআন চর্চা](https://returnofislam.com/2014/01/10/devotion-to-quran-abdullah-bin-masood/): আবদুল্লাহ (রা)-এর আম্মার নাম ছিল উম্মু আব্‌দ। সেই জন্য আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা)-কে লোকেরা ইবনু মাসউদ (রা)-কে লোকেরা ইবনু উম্মু আব্‌দ বলে ডাকত। ছোটবেলায় তিনি উকবা ইবনু আবি মুআইতের ছাগল পাল নিয়ে মক্কার উপত্যকাগুলোতে চরাতেন। তিনি শুনতেন যে মক্কার এক ব্যক্তি নবুয়্যত লাভ করেছেন। তবে তিনি তাঁকে চিনতেন না। সারাদিন তিনি ছাগল নিয়ে মক্কার বাইরেই থাকতেন। সাঁঝে শহরে ফিরতেন। একদিন তিনি যথারীতি ছাগল চরাচ্ছিলেন। সহসা দেখতে পান, দুইজন লোক তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন। তাঁরা খুব পিপাসার্ত ছিলেন। কাছে এসে একজন বলেন, ‘ওহে ছেলে, আমরা খুব পিপাসার্ত। কিছু দুধ দুইয়ে তুমি আমাদেরকে দাও।’ আবদুল্লাহ বললেন, ‘তা আমি পারব না। ছাগলগুলো তো আমার ... Read more - [মানতূক ও মাফহূম](https://returnofislam.com/2014/01/07/mantooq-mafhoom/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ইসলামকে প্রেরণ করেছেন চুড়ান্ত বাণী রূপে যা বিচার দিবস অবধি অব্যাহত থাকবে। এমনকি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এই বাণীকে পরিপূর্ণ রূপে ও সকল বিষয়ের ব্যখ্যাসরূপ বর্ণনা করেছেন, ما كانَ حَديثًا يُفتَرىٰ وَلٰكِن تَصديقَ الَّذى بَينَ يَدَيهِ وَتَفصيلَ كُلِّ شَيءٍ وَهُدًى وَرَحمَةً لِقَومٍ يُؤمِنونَ এটি (তথা কুরআন) কোনো মনগড়া কথা নয়, বরং পূর্ববর্তী (ওহীর) সত্যায়ন, প্রত্যেক বিষয়ের বিশদ বিবরণ এবং ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্য রহমত ও হেদায়েত [সূরা ইউসূফ: ১১১] وَنَزَّلنا عَلَيكَ الكِتٰبَ تِبيٰنًا لِكُلِّ شَيءٍ আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বিষয়ের সুস্পষ্ট বর্ণনা.. [সূরা আন-নাহল: ৮৯] তথাপি দেখা যায় যে, কুরআন ও ... Read more - [নুসরাহ - অন্বেষন করতে হয় নাকি প্রস্তুত করতে হয়?](https://returnofislam.com/2013/12/20/nussrah-seek-or-prepare/): আরব বসন্ত নামে পরিচিত বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বিশেষ করে আশ-শামের আন্দোলনের পর গত বেশ কিছুদিন ধরে নুসরাহ বিষয়টি উম্মাহের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে উম্মাহ বা শাবাব, যারা দাওয়াহ করেন তারা যেসব চিন্তা বা প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছে তা হল: ১. হিযব যারা শরীয়া’হ ও রাজনৈতিক বিষয়াদি সম্পর্কে সবচেয়ে সজাগ, তা সত্ত্বেও তারা কেন নুসরাহ অন্বেষনের জন্য জোড় তাগিদ দেয়?২. কেনই বা হিযব এমন একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরী করছেনা যাদের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্টিত হওয়া যায়?৩. এবং কেনই বা হিযব আল-শামে সশস্ত্র ব্রিগেড বা রেজিমেন্ট গঠন করছেনা; যেটি খিলাফত প্রতিষ্ঠার আর্মির জন্য নিউক্লিয়াস স্বরূপ কাজ করবে। হিযব এমন একটি দল যেটি এক ... Read more - [মুসলিম সেনাবাহিনী, তাগুত, নুসরাহ ও খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা](https://returnofislam.com/2013/12/18/muslim-army-taghut-nusrah-and-reestablishing-the-caliphate/): মুসলিম সেনাবাহিনী, তাগুত, নুসরাহ ও খিলাফাহ পুনঃপ্রতিষ্ঠা: একটি ফিকহি (আইনী) ও বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা ইদানিং খুব শোনা যায় খিলাফাহ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলিম ভূমিসমূহের “ক্ষমতাধর গোষ্ঠী” (আহল উল হাল ওয়াল ‘আকদ) তথা মুসলিম আর্মিদের কাছ থেকে “নুসরাহ” (সহায়তা) চাওয়া নাকি বোকার স্বর্গে বসবাস। যেসব মুসলিম ভাইরা এ ধারনাটি পোষণ করেন, নিম্নে তাদের কিছু যুক্তি তুলে ধরা হল: – মুসলিম বিশ্বের আর্মি হোল তাগুত (খোদাদ্রোহী শক্তি) যারা সাম্রাজ্যবাদী কুফর শক্তিকে টিকিয়ে রাখার মূল ইন্সট্রুমেন্ট। যেমন, ১৯৯২ সনে আলজেরিয়ায় বিপুল ভোটে বিজয়ী “ইসলামিক স্যালভেশন ফ্রন্ট” (এফ আই এস) কে ক্ষমতাচ্যুত আর্মি করেছিল, এবারো যেমন আমরা দেখলাম মিসরে। তাই কিভাবে আমরা তাগুত এর কাছ থেকে ... Read more - [বাইতুল-মাল ও এর বিভাগ সমূহ](https://returnofislam.com/2013/12/18/state-treasury-and-its-devisions/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ আবদুল কাদীম যাল্লুম (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আল-আমওয়াল ফী দাওলাতিল খিলাফাহ’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত বাইতুল-মাল বা ট্রেজারি (State Treasury) বলতে এমন সক্ষম কর্তৃপক্ষকে বুঝানো হয় যা মুসলিমদের ন্যায্য অধিকার পূরণার্থে রাষ্ট্রের সমস্ত আয় ও ব্যয়ের জন্য দায়িত্বশীল। অতএব ভূমি, দালানকোঠা, খনিজ, অর্থ বা ব্যবসায়িক পণ্য প্রভৃতি যেসব সম্পদের উপর মুসলিমগণ শর’ঈ হুকুম অনুযায়ী অধিকারপ্রাপ্ত, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য তা নির্ধারিত নয়, তবে কোন খাতে এগুলো ব্যয় করা হবে সেটা নির্ধারিত, সেগুলোই হচ্ছে মুসলিমদের ট্রেজারির মালিকানাধীন সম্পদ, এক্ষেত্রে এটা বিবেচনার বিষয় নয় যে এই সম্পদগুলো ইতিমধ্যে ট্রেজারির সংরক্ষণের আওতায় চলে এসেছে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: "তোমরা যেমন, তোমাদের উপর সেরূপ শাসকই নিযুক্ত হবে"](https://returnofislam.com/2013/12/18/your-ruler-as-you-are/): প্রশ্ন: “তোমরা যেমন, তোমাদের উপর সেরূপ শাসকই নিযুক্ত হবে” এই হাদীসটি কি দূর্বল (জায়ীফ), এর বিশুদ্ধতা কতটুকু? উত্তর: আদ-দায়লামী তার মুসনাদ আল-ফিরদাউসে হাদীসটি আবু বাকরা হতে মারফূ সনদে বর্ণনা করেছেন। বায়হাকী শুয়াবুল ঈমানে আবু ইসহাক আল-শাবি’ হতে মুরসাল সনদে বর্ণনা করেছেন। আল-সুয়ূতী হাদীসটি সম্পর্কে বলেন: এটি দূর্বল (জায়ীফ) আল-শাওকানী বলেন, হাদীসটি: ইয়াহইয়া বিন হিশাম; ইউনুস বিন ইসহাক > তার পিতা > তার দাদা > আবু বাকরা হতে মারফূ সনদে এসেছে। আল-সাখাউঈ হাদীসটি সম্পর্কে বলেন, ইয়াহইয়ার হাদীসটি জাল হাদীসগুলোর অন্যতম যা ইয়াহইয়া বিন হিশাম > ইউনূস বিন ইসহাক > (আবু ইসহাক) উমর বিন আবদিল্লাহ (আস-সাবি’ঈ) হতে মুরসাল সনদে বর্ণিত। তারপর তিনি বলেন, এই ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: ইসলামী ব্যাংকের সাথে Profit Sales (মুরাবাহা) প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা সম্পর্কিত হুকুম](https://returnofislam.com/2013/12/01/rulings-profit-sales-murabaha/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু আল-রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব  প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু সম্মানিত শাইখ, আমি ইসলামী ব্যাংকের সাথে profit sales (মুরাবাহা) প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা সম্পর্কিত হুকুমটি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য আপনাকে অনুরোধ করছি, উদাহরণস্বরুপ ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়ায় গাড়ি বা বাড়ি ক্রয় করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। আমি জানি যে এটা হারাম কিন্তু যখন কাউকে এ ব্যাপারে উপদেশ দেই তখন বিস্তারিত ব্যাখ্যা উপস্থাপন করতে পারিনা। আমি এমন একটি বাস্তবসম্মত উদাহরণ দিচ্ছি যার ব্যাপারে অনেকের ধারণা হচ্ছে তারা ইসলামী ব্যাংকের সাথে যেভাবে লেনদেন করছে ... Read more - [টিকফা চুক্তি ও আমাদের করণীয়](https://returnofislam.com/2013/11/29/tikfa-agreement-and-our-duty/): ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা বলে যখন ব্রিটিশরা ভারতে আসে তখন জনগণ প্রথমে খুশিই হয়েছিল। কারণ ইংরেজরা হয়তো এখানে বিনিয়োগ করে এদেশের উন্নয়নই করবে!! কিন্তু জনগণ পরে স্বচক্ষে ইংরেজদের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিনিয়োগের অন্তরালে সেসময়ের সুপার পাওয়ার উসমানী খিলাফত [অটোমান] রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভারত জয়ের নীল নকশা দেখতে পায়। পরবর্তীতে এই ইংরেজরাই প্রায় ১৫০ বছর সরাসরি ভারত উপমহাদেশ শাসন করে, এমনকি এখনো এদেশের শাসকদের এজেন্ট বানিয়ে তারা আগের মতই শাসন করে যাচ্ছে। আমেরিকার টিকফা চুক্তি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্যের চাইতে কি ব্যাতিক্রম কিছু??? আসুন দেখি …… সবশেষ হাসিনার কেবিনেটে পাশ হওয়া টিকফা চুক্তির মূল কথাগুলো এরকম: [১] চুক্তির শর্ত মোতাবেক বাংলাদেশের বাজার উন্মুক্ত করে ... Read more - [হরতাল - গণতান্ত্রিক নির্যাতনের হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2013/11/23/strikes-tools-of-democratic-repression/): আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির দুই বিবাদমান জোট (A team vs B team) অস্থির সময় পার করছে। আওয়ামী-বিএনপির রাজনীতির মূল কথা ‘যেকোন উপায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে নিজেদের কল্যাণ সাধন করা’ – এটা জনগণের কাছে পরিস্কার। সচেতন জনগণ পরিবর্তন চায়, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সরকারী দলের লুটপাট এবং বিরোধী জোটের হরতাল নামক নির্যাতন থেকে গণমানুষ মুক্তি চায়। হরতাল ডেকে গাড়ী ভাংচুর, ককটেল বিষ্ফোরণ, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ, বাসে ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দিয়ে জনমনে আতংক তৈরী করা, সাধারণ মানুষের জান-মালের ক্ষতি করা আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি জোটের রাজনৈতিক সংস্কৃতি। হরতালে সারা দেশে শতশত মানুষ আহত-নিহত হওয়া একটা মামুলি ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় না ... Read more - [প্রাক-নির্বাচনী নাটকের পুনঃর্মঞ্চায়ন](https://returnofislam.com/2013/11/04/reenactment-of-pre-election-drama/): প্রতি নির্বাচনের পূর্বে আমরা আওয়ামী-বিএনপিসহ অন্যান্যদের দেখতে পায়, সংলাপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন হামকো-তুমকো কর্মকান্ডে, যদিও সারাবছর জনগণের স্বার্থে তাদের কোন খবর থাকেনা। বরং তাদের দাসত্ব করতে দেখা যায় তাদের প্রভু আমেরিকা-ভারতের; এর কারণও আছে বৈকি! নির্বাচনের পূর্বেই আমেরিকার নিকট দেয় প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতেই তাদের এই ঋণ শোধের দাসত্ব। সরকারে আওয়ামী-বিএনপির যেই আসুক না কেন, ২০ বছর অবধি আমরা এই দাসত্বই দেখে আসছি দেশের স্বার্থ তাদের সামনে বলি দেওয়ার মাধ্যমে। অর্থ্যাৎ, আওয়ামী-বিএনপির জন্যই আমেরিকা আর আমেরিকার স্বার্থেই আওয়ামী-বিএনপি। শুধু বাংলাদেশ নয়, তথা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়াকে কেন্দ্র করেই আমেরিকার এই চক্রান্ত, যার অংশস্বরূপ বাংলাদেশ। আরব বিশ্ব থেকে বিতাড়িত আমেরিকা আজ এশিয়া উপমহাদেশে তার ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: খিলাফত প্রতিষ্ঠায় জিহাদের ভূমিকা কী?](https://returnofislam.com/2013/11/03/what-is-the-role-of-jihad-in-establishing-the-caliphate/): প্রশ্ন: এমন অনেকেই আছে যারা বলে, হিযব তার খিলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিতে মাদানী যুগকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র মক্কী যুগকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এটি খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সশস্ত্র সংগ্রাম বা জিহাদকে শরীয়া’হ-র সাথে সাংঘর্ষিক মনে করে যার কারণ হিসেবে তুলে আনা হয় রাসূল (সা) তা করেননি। প্রশ্নকর্তা আরও বলেন: কেন হচ্ছে খিলাফত প্রতিষ্ঠার পদ্ধতির জন্য মাদানী যুগকে নেয়া হইনি যেখানে জিহাদ করা জায়েজ এবং ফরজ ছিল? এর কি কোন সুস্পষ্ট উত্তর আছে? ওয়া জাযাকাল্লাহু খাইরান।   উত্তর: প্রশ্নে এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা ব্যাখ্যা-সাপেক্ষ: ১. যেকোন যথার্থ দলীল আমাদেরকে অবশ্যই মান্য করতে হবে যদি তা কুরআন বা সুন্নাহ থেকে উঠে আসে। এক্ষেত্রে আমাদেরকে ... Read more - [সুমাইয়া বিন্‌তু খুব্‌বাত (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা](https://returnofislam.com/2013/10/10/sumaiya-bintu-khubabat-ra/): সুমাইয়া বিন্‌তু খুব্‌রাত (রা) আবু হুজাইফা ইবনুল মুগীরা আল মাখযুমীর দাসী ছিলেন। ইয়াসির (রা) ছিলেন ইয়ামানের অধিবাসী। একবার তিনি মক্কায় এসে এখানেই স্থায়ীভাবে থেকে যাবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাইরের কেউ মক্কায় স্থায়ীভাবে থাকতে হলে কোনো না কোনো গোত্রের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে হতো। ইয়াসির (রা) আবু হুযাইফা ইবনুল মুগীরার সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিতে আবদ্ধ হন এবং মক্কাতে বসবাস শুরু করতে থাকেন। আবু হুযাইফা তার দাসী সুমাইয়া (রা)-কে ইয়াসির (রা)-এর সঙ্গে বিয়ে দেন। সুখেই কাটছিলো তাঁদের দিনগুলো। ইতোমধ্যে মুহাম্মাদুর রাসূল (সা) নবুয়্যত লাভ করেন। গোপনে তিনি ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকেন। ইয়াসির (রা) ও সুমাইয়া (রা) ইসলামের কথা অবগত হন এবং ইসলাম গ্রহণ ... Read more - [যুক্তরাষ্ট্রের আশু পতন ও খিলাফতের উত্থান](https://returnofislam.com/2013/10/08/the-fall-of-ashu-in-the-united-states-and-the-rise-of-caliphate/): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ধ্বসের শুরু হয়েছে ২০০৭ সাল থেকে। এর পর ২০০৮ সালে এসে তা বিশ্ব মন্দায় রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে ওবামা প্রশাসন বেইল আউট প্যকেজের মাধ্যেমে জনগণের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে বড় বড় পুঁজিপতিদের কোম্পানিকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা চালায় এবং একে একে মার্কিন জনগণের উপর ট্যাক্সের মাত্রা বড়িয়ে তার তার বাজেট ঘাটতি পূরনের চেষ্টা চালায়। এতে করেও ওবামা প্রশাসন মার্কিন অর্থনীতিতে সচলতা ফেরাতে পারেনি। বর্তমানে অর্থনৈতিক অচল অবস্থা রাজনৈতিক অচল অবস্থা তৈরি করেছে এবং এই অচলাবস্থার কারণে ৮ লাখেরও বেশি কর্মচারীকে বিনা বেতনে ছুটি দিতে হয়েছে এবং জাতীয় পার্ক, পর্যটন এলাকা, সরকারি ওয়েবসাইট, অফিস ভবন এবং নাসাসহ আরও অনেক কিছু বন্ধ করে দিতে ... Read more - [বাংলাদেশের রামপাল বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনে ভারতের আধিপত্য বিস্তারের কূটকৌশল](https://returnofislam.com/2013/10/08/indias-dominance-in-setting-up-rampal-power-plant-in-bangladesh/): পুঁজিবাদের বেসরকারিকরণ চিন্তার কারণেই বিদ্যুৎ আজ সামর্থের বাইরে এবং অপ্রাপ্য, যা গণতন্ত্র দ্বারা সুরক্ষিত। গণতন্ত্রের দ্বারা পুঁজিবাদের বাস্তবায়নে, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারই দায়ী। বর্তমান পুঁজিবাদী ব্যবস্থা কিছু ব্যক্তি মালিকানায়, দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে নিরাপত্তা দান করে, তারাই মূলত বিদ্যুৎ সম্পদের পূর্ণ সুবিদা পেয়ে থাকে আর অন্যদিকে সাধারণ জনগণ কষ্টের সম্মুখীন হয়। বিদ্যুৎ হলো উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ ও বিপননের মতো ক্রমানুসারিক সমন্বিত এবং বহু স্তরে বিন্যস্ত এক প্রক্রিয়া যার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা ও টেকসই প্রযুক্তি। তবে বর্তমান বাংলাদেশে এই প্রযুক্তিগত বিষয়টি বেশ পিছিয়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে সঙ্কট সৃষ্টি হলে তা শিল্প, কৃষি, উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন ইত্যাদি সবকিছুকেই বিপর্যয়ে নিক্ষেপ করে। বাংলাদেশের ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থা কি মাত্র ত্রিশ বছর টিকে ছিল?](https://returnofislam.com/2013/10/07/did-the-caliphate-system-last-only-thirty-years/): এতে কোন সন্দেহ নেই যে, ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে সারা বিশ্বের নেতা রাহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ (সা) এর হাতে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তা ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ বিশ্বাসঘাতক কামাল আতাতুর্কের হাতে তা ধ্বংস হয়। খুলাফায়ে রাশেদিনের পর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা বা খিলাফত ব্যবস্থা যে ধারাবাহিকভাবে টিকেছিল তা ঐতিহাসিক বাস্তবতা ও শরীয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যবেক্ষণ করলে তা আমাদের কাছে বোধগম্য হবে। আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে এ ব্যবস্থার ধারাবাহিক অস্তিত্ব বুঝতে চাই, তাহলে দেখতে হবে প্রথমতঃ এ ব্যবস্থার কাঠামো কি ইতিহাস জুড়ে টিকেছিল কিনা। দ্বিতীয়তঃ এ কাঠামোতে সময়ের আবর্তে কি কোন পরিবর্তন এসেছে কিনা। রাসুল (সা) ... Read more - [আমাদের উপাস্য কি আল্লাহ না টাকা ?](https://returnofislam.com/2013/10/05/is-our-god-allah-or-money/): আমাদের বর্তমান সমাজের মানুষের প্রধান লক্ষ্য হল যে কোন উপায়েই হোক সম্পদশালী ও প্রতিষ্ঠিত হওয়া। সমাজের সবাই তাদের সম্পদ বৃদ্ধির চিন্তায় মগ্ন। যেন টাকা পয়সাই হচ্ছে জীবনে সাফল্যের চূড়ান্ত মাপকাঠি। কেউই তার বর্তমান অবস্থায় সন্তুষ্ট নয়। সবার চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা ক্রমাগত বাড়ছে। আর এসব চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য মানুষ সবসময় নতুন নতুন সুযোগের সন্ধান করছে। এখন মানুষের লক্ষ্য হল অর্থ উপার্জন – তা যে কোন উপায়েই হোক না কেন। ঘুষ নিয়ে হোক, অন্যের কাছ থেকে ছিনতাই করে হোক অথবা সুদের একাউন্টে টাকা জমিয়ে সেই টাকা দ্বিগুন বা তিনগুন হবার অপেক্ষা ইত্যাদি যে কোন উপায়েই হোক টাকা উপার্জন করতে হবে। কেননা ... Read more - [কমিউনিজমের রাজনৈতিক বিবর্তন](https://returnofislam.com/2013/10/05/the-political-evolution-of-communism/): সোভিয়েত রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বস্তুবাদী সভ্যতা ও পাশ্চাত্যের পুঁজিতান্ত্রিক ভোগবাদী সভ্যতা উভয়ই যখন পৃথিবীর আলো বাতাসে টিকে ছিল, তখন এই দুই সভ্যতার মধ্যকার পার্থক্য বোঝার উপায় স্পষ্ট ছিল। কালক্রমে বস্তুবাদী সভ্যতার পতন হলো-পৃথিবীর আলো বাতাস ছেড়ে সেটা ঠাঁই করে নিল সচেতন বস্তুবাদীদের কাগজে-কলমে পৃথিবীর দখল চলে গেল ভোগবাদীদের একক আধিপত্যে। উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনটা ঘটতে শরু করল এরপর, যখন ভোগবাদী আর বস্তুবাদী সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য ঘুচতে লাগল আর বস্তুবাদীরা ভোগবাদী সভ্যতার গৌরবে আহ্‌লাদিত হয়ে উঠতে শুরু করল। ভোগবাদীদের নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের প্রয়োজনে উদ্ভাবিত ‘আধুনিকতা’, ‘প্রগতিশীলতা’, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘বৈজ্ঞানিকতার দোহাই’ ইত্যাদি বিভিন্ন ধ্যান-ধারণা বস্তুবাদীরা ধীরে ধীরে নিজেদের ঈমান-আকীদার অংশ করে নিল এবং এখন আমরা দেখছি পশ্চিমা ... Read more - [বিশ্ববাসীর উপর আমেরিকার গুপ্তচরবৃত্তি](https://returnofislam.com/2013/10/04/us-spying/): কিছুদিন পূর্বে সি.আই.এ (central intelligence agency) এবং এন.এস.এ (national security agency) এর সাবেক পরামর্শক এডওয়ার্ড স্লোডেন কর্তৃক ফাঁস করা তথ্যের মাধ্যমে জানা যায় যে আমেরিকা সারা বিশ্বের সাধারণ নাগরিকদের ব্যাক্তিগত ইমেইল, ছবি, ফোনালাপ এবং তাদের পাঠানো ক্ষুদ্র বার্তার (SMS) উপর গোপন নজরদারি করার জন্য প্রিজম (PRISM) নামে একটি গোপন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের এই ঘৃণ্য কর্মসূচির জন্য আমেরিকা শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে সবার কাছ থেকে কঠিন প্রতিবাদের মুখে পড়েছে। বিশ্বব্যাপী আমেরিকার নানা অপকর্মের দোসর ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর জাস্টিস কমিশনার আমেরিকার এ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে একটি প্রতিবাদ লিপি পাঠায়, যেখানে সে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর নাগরিকদের ব্যক্তিগত অধিকার সুরক্ষা সম্পর্কিত সাতটি প্রশ্নের উত্তর ... Read more - [একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থাই উচ্চমানের নারী শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনবে](https://returnofislam.com/2013/10/04/women-in-khilafah/): পশ্চিমা সরকারসমূহ মালালার নারী শিক্ষার সংগ্রামের ঘটনাটিকে ঔপনিবেশিক রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করেছে ২০১২ অক্টোবর মাসে ১৫ বছরের পাকিস্তানী কিশোরী মালালা ইউসুফযাই এর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাটি মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে হতভম্ব ও মর্মাহত করেছে। বিশ্বের প্রভাবশালী গণমাধ্যম, মানবাধিকার সংগঠন, পশ্চিমা সরকার ও রাজনীতিবীদরা ফলাও করে একথা প্রচার করে যে, পাকিস্তানে ইসলামপন্থীরাই এ হত্যা চেষ্টার জন্য দায়ী। এবং পশ্চিমা শক্তি নারী অধিকার ও নারী শিক্ষার পক্ষে যুক্তি স্থাপন করে। প্রাক্তন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ও জাতীসংঘের আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন এবং প্রাক্তন মার্কিন পররাষ্টমন্ত্রী হিলারী ক্লিন্টনসহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন সংগঠন নারী শিক্ষার বিষয়টি গুরুত্বের ... Read more - [সিরিয়ার গণজাগরণ কেন ভিন্ন?](https://returnofislam.com/2013/10/04/why-syrian-revolution-is-different/): গত ২৬ মাসে সিরিয়ায় যা ঘটেছে তা থেকে এটি প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, সিরিয়ার গণজাগরণ ‘আরব বসন্ত’ নামে পরিচিত অন্য সবগুলোর মত নয়, বরং এটি একটি অনন্য গণজাগরণ। বর্তমানকে অনুধাবন ও ভবিষ্যতের আশাবাদের জন্য অতীতের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। সিরিয়ার গণজাগরণের বর্তমান বাস্তবতা ও অবস্থা বুঝতে একজন সক্ষম হবে না, যদি না সে সেই ইতিহাসকে অনুধাবন করে যা গণজাগরণ শুরু হওয়ার গতিপ্রকৃতিকে নির্ধারণ করেছে। প্রথম মহাযুদ্ধ : বিভক্তি ও আধিপত্য বিস্তার সর্বশেষ বৈধ ইসলামী রাষ্ট্র উসমানীয় খিলাফত প্রথম মহাযুদ্ধে মিত্র বাহিনীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর বিজয়ীরা, বিশেষতঃ ব্রিটেন ও ফ্রান্স মুসলিম ভূমিসমূহ দখল করে নেয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মাইলফলক এ ... Read more - [বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে বিভক্ত করেছিল](https://returnofislam.com/2013/10/01/how-britain-devided-the-muslim-countries/): আরব বিশ্বজুড়ে জাতিরাষ্ট্র সৃষ্টির প্রক্রিয়া ছিল এক মর্মান্তিক ঘটনা। একশো বছর আগেও অধিকাংশ আরব অঞ্চল উসমানী খিলাফতের অংশ ছিল। উসমানী খিলাফত ছিল একটি বিশাল বহুজাতিক রাষ্ট্র, যার কেন্দ্র বা রাজধানী ছিল ইস্তাম্বুল। বর্তমানে আরব বিশ্বের মানচিত্র খুবই জটিল একটি গোলকধাঁধার মতো মনে হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের কিছু জটিল ঘটনা উসমানী সাম্রাজ্যের পতন এবং নতুন জাতিরাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটায়। নবসৃষ্ট এসব রাষ্ট্রের নিজস্ব সীমানা ছিল যা গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে বিভক্ত এবং মুসলিমদেরকে একে অন্যের থেকে আলাদা করে ফেলে। এই ঘটনার পেছনে অনেক কারণ থাকলেও, বৃটেনের ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি। সেইসময়ে বৃটেনের বিবাদমান ৩ পক্ষের সাথে সই করা ৩ টি আলাদা চুক্তিতে পরস্পর বিরোধী ... Read more - [হারামের উপায়ও হারাম হিসেবে সাব্যস্ত হবে](https://returnofislam.com/2013/10/01/the-way-of-haram-will-also-be-proved-as-haram/): শরীয়াহ’র নীতি (قاعِدَة) বলে- إذا غلب على الظن أنها توصل إلى الحرام، فإن كان يُخشى أن توصل فلا تكون حراماً “যদি নিছক পরিমাণ সন্দেহ প্রতিষ্টিত হত, যে এটি হারামের দিকে নির্দেশ করছে এমন হারামের উপায় নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত হবে। যদি শুধুমাত্র ভয়ের উদ্রেক হয় যে এটি হারামের দিকে নির্দেশ করে তাহলে এটি হারাম হবে না” কুরআনে এই নীতিটির প্রমাণ পাওয়া যায়, আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, وَلَا تَسُبُّوا الَّذِينَ يَدْعُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ فَيَسُبُّوا اللَّهَ عَدْوًا بِغَيْرِ عِلْمٍ “আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা আরাধনা করে তাদেরকে তোমরা মন্দ বলো না। তাহলে তারা ধৃষ্টতায় অজ্ঞতাবশতঃ আল্লাহকে মন্দ বলবে”। [সূরা আন-আম:১০৮] কাফিরদের অপমান করা ... Read more - [মিশনারী আগ্রাসন | ইসলামী রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2013/09/29/the-missionary-invasion/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মিশনারী আক্রমন: ইসলামী রাষ্ট্রে বিজ্ঞানের নাম করে ইউরোপের অনুপ্রবেশ শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ কাজের জন্য তাদের মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ ছিল। মূলতঃ এটি ছিল বিজ্ঞান ও মানবতার নামে মিশনারীদের (ধর্মপ্রচার প্রতিষ্ঠান) ছদ্মাবরণে পরোক্ষভাবে উপনিবেশিকতার প্রসার। এ আক্রমনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল মুসলিম ভূখন্ডে রাজনৈতিক গোয়েন্দা শাখা কার্যকর করতে এবং সাংস্কৃতিক উপনিবেশিকতার বিপ্লব ঘটাতে, যাতে করে মুসলিম ভূখন্ড গুলো পশ্চিমা কুচক্রীদের অন্যতম প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। এ উপনিবেশবাদের সূচনা হয় যখন মুসলিম বিশ্ব পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের দ্বার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৭ (বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে একটি একক জাতিতে পরিণত করা)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e37/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] সমস্ত আরব উপদ্বীপের জনগোষ্ঠী দ্বীন ইসলামে প্রবেশ করার পর এবং আরব ভূখন্ড থেকে মূর্তিপূজা নিশ্চিহ্ন হবার পর আল্লাহর রাসূল (সা) ইন্তিকাল করেন। এ সময় সমস্ত আরব উপদ্বীপ ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের অন্তর্ভূক্ত এবং সম্পূর্ন ভাবে ইসলামের আকীদাহ্ ও শাসনব্যবস্থা থেকে উদ্ভুত আইন-কানুন দিয়ে শাসিত। আল্লাহতায়ালা তাঁর দ্বীনকে পরিপূর্ণ করা, মুসলিমদের উপর তাঁর নিয়ামতকে সম্পূর্ন করা এবং দ্বীন ইসলামকে তাঁর পছন্দনীয় জীবনব্যবস্থা হিসাবে মনোনীত করার পরই রাসূল (সা) ইন্তিকাল করেন। এর মধ্যে প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর রাজা ও শাসকবৃন্দের কাছে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৬ (ইসলামের বিজয়যাত্রা সুসংহতকরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e36/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] অতীতে মুসলিমরা বহু দেশ জয় করে সেখানে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত করেছে। বস্তুতঃ ইসলামই তাদের শাসন-ক্ষমতা ও নেতৃত্ব-কর্তৃত্বে উপবিষ্ট হবার নির্দেশ দিয়েছে। কারণ, অমুসলিমদের দ্বারা শাসিত হওয়া মুসলিমদের জন্য নিষিদ্ধ। আল্লাহতায়ালা সূরা নিসাতে বলেছেন, “আল্লাহ কখনোই মু’মিনদের উপর কাফিরদেরকে জন্য কোন পথ রাখবেন না।” [সুরা নিসাঃ ১৪১] এছাড়া, আল্লাহতায়ালা সম্মান ও মর্যাদা মু’মিনদের জন্য নির্ধারিত করেছেন। তিনি সুরা মুনাফিকুনে বলেছেন, “এবং সম্মান ও মর্যাদা তো শুধু আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মু’মিনদের জন্যই নির্দিষ্ট, কিন্তু মুনাফিকরা তা জানে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৫ (ইসলাম প্রচারে জিহাদের ভূমিকা)](https://returnofislam.com/2013/09/25/the-islamic-state-e35/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] মুসলিম উম্মাহর পার্থিব জীবনের মূল উদ্দেশ্য হলো সমস্ত মানবজাতির কাছে ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দেয়া। এ লক্ষ্যে, মুসলিম উম্মাহকে সবসময়ই বিশ্বের কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে হয়েছে। আর, ইসলামের বাণী প্রচার-প্রসারের গুরুদায়িত্ব সবসময় ইসলামী রাষ্ট্রের কাঁধেই অর্পিত হয়েছে। তাই, অন্যান্য দেশ জয় করা এবং অত্যন্ত সফলতার সাথে লক্ষ্য অর্জন করা ছিল ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়। প্রকৃতপক্ষে, ইসলাম নির্ধারিত দায়িত্ব-কর্তব্যকে সঠিক ভাবে পালন করার কারণেই অতীতে মুসলিমদের বিজয়ের ধারা অব্যাহত ছিল। আর, এ দায়িত্ব সঠিক ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৪ (ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e34/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি বলতে মূলতঃ বুঝায় এ রাষ্ট্রের সাথে অন্যান্য রাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক। এ সম্পর্ক মুসলিম উম্মাহর পররাষ্ট্র বিষয়ক কার্যাবলী দেখাশুনা করার ভিত্তিতেই গড়ে উঠে। বস্তুতঃ ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি একটি স্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয় ভিত্তির উপর গঠিত। আর তা হলো, সমগ্র পৃথিবীতে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দেয়া এবং সকল জাতি ও সমাজের কাছে ইসলামের সুমহান বাণী পৌঁছে দেয়া। এটাই হচ্ছে ইসলামী রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। মুসলিম উম্মাহ্‌কে যেই শাসন করুক না কেন, এই ভিত্তি অপরিবর্তনীয় এবং এ ব্যাপারে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩৩ (ইসলামী রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীন নীতিমালা)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e33/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] ইসলামী রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীন নীতিমালা বলতে মূলতঃ বুঝায় রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইসলামের হুকুম-আহ্কামকে বাস্তবায়িত করা। আল্লাহ্ প্রদত্ত এ সমস্ত হুকুম-আহ্কামকে ইসলামী রাষ্ট্র এর নিজস্ব ব্যবস্থার অধীনেই বাস্তবায়িত করতো। এ রাষ্ট্র জনগণের মাঝে বিভিন্ন ধরনের সম্পর্ক ও লেনদেন নির্ধারন ও দেখাশুনা করা, হুদুদ ও আল্লাহ্ প্রদত্ত শাস্তি সমূহ বাস্তবায়ন করা, সমাজের সর্বস্তরে উচ্চ মানের মূল্যবোধ বজায় রাখা, সমাজে ইসলামের বিভিন্ন রীতি-নীতি ও ইবাদতকে নিশ্চিত করা এবং সেইসাথে ইসলামী আইন-কানুনের ভিত্তিতে জনগণের সমস্ত বিষয়াদির তদারকি করতো। বস্তুতঃ ইসলামী রাষ্ট্রের অধীনে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩২ (ইসলামী রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতা)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e32/): [নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘আদ-দাওলাতুল ইসলামীয়্যাহ’ (ইসলামী রাষ্ট্র) বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে নেয়া হয়েছে] আল্লাহর রাসূল (সা)-এর ইন্তেকালের পর সাহাবাগণ সর্বসম্মতিক্রমে রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে রাসূল (সা)-এর স্থলে একজন খলিফা নিয়োগ করে তাকে বাই’য়াত দেবার সিদ্ধান্ত নেন। এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, মুসলিমরা ১৩৪২ হিজরী বা ১৯২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে খলিফা নিয়োগ করে। তবে, তারা নিযুক্ত খলিফাকে আমির আল-মু’মিনীন (মুমিনদের নেতা) কিংবা সাধারন ভাবে ইমাম বলেও সম্বোধন করত। ইসলামের ইতিহাসে বাই’য়াত গ্রহন ছাড়া কখনো কেউ খলিফা হয়নি। ইসলামী রাষ্ট্র এই নিয়মের ধারাবাহিকতা তার অস্তিত্ব টিকে থাকার শেষদিন পর্যন্ত রক্ষা করেছে। তবে, বাই’য়াতের ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩১ (ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি ইহুদীদের আচরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/24/the-islamic-state-e31/): ইহুদীরা আসলে ইসলামী রাষ্ট্রের জন্য কখনোই তেমন কোন হুমকী ছিল না। আরবরাই মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা)-এর শাসন কর্তৃত্বের সামনে হুমকী হয়ে দাঁড়িয়েছিল, বিশেষ করে কুরাইশরা ছিল এ ব্যাপারে অগ্রগামী। এজন্যই তিনি (সা) ইহুদীদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিলেন, যেন ইহুদীরা তাঁর কর্তৃত্ব মেনে নেয় এবং রাসূল (সা)-এর শত্রুপক্ষের সাথে কোনরকম মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ না হয়। কিন্তু, ইহুদীরা যখন দেখতে থাকে যে, ইসলামী রাষ্ট্র দিনে দিনে শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং হেযাযে মুসলিমদের শাসন-কর্তৃত্ব ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে, তখন তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানারকম অপপ্রচার ও কুৎসা রটনা করে। বদরের যুদ্ধে কাফিরদের উপর মুসলিমদের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর তারা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে তাদের মিথ্যা অপপ্রচারের মাত্রা ... Read more - [ইসলামী সভ্যতা (আল হাদারাহ আল ইসলামিয়্যাহ)](https://returnofislam.com/2013/09/23/islamic-civilization-al-hadarah-al-islamiyah/): নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিযামুল ইসলাম’ বইটির খসড়া অনুবাদ-এর একাংশ হতে গৃহীত হাদারাহ (সভ্যতা) ও মাদানিয়্যাহ (বস্তুগত অগ্রসরমানতা) এর মাঝে একটি পার্থক্য রয়েছে। হাদারাহ বলতে জীবন সম্পর্কে সামগ্রিক ধারণা এবং মাদানিয়্যাহ বলতে জীবন যাপনের উপকরণের বস্তুগত অবস্থা কে বোঝায়। হাদারাহ অনেকবেশী নির্দিষ্ট এবং তা জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গীর উপর নির্ভর করে, পক্ষান্তরে মাদানিয়্যাহ সুনির্দিষ্ট হতে পারে কিংবা সার্বজনীন হতে পারে। কাজেই হাদারাহ হতে উদ্ভূত বস্তুসমূহ অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট, যেমন মূর্তি। আবার বিজ্ঞান ও তার অগ্রযাত্রা, শিল্প ও তার বিবর্তন ইত্যাদি থেকে উদ্ভূত বস্তু সমূহ অনেকবেশী সার্বজনীন এবং তা কোন নির্দিষ্ট জাতির জন্য ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ৩০ (ইসলামী রাষ্ট্রের কাঠামো)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e30/): মদীনায় পা রাখার প্রথম দিন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সা) মুসলিম ও অমুসলিম সহ সবাইকে শাসন করেছেন এবং তাদের সমস্ত বিষয় দেখাশুনা করেছেন। ইসলামী রাষ্ট্র গঠন করার পর তিনি (সা) একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ গঠনে মনোনিবেশ করেন যেন, এ সমাজ প্রকৃত অর্থেই একটি জনকল্যাণমূলক সমাজে পরিণত হয়। মদীনার রাষ্টপ্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে তিনি (সা) ইহুদী গোত্র, বনু দামরাহ এবং বনু মুদলাজের সাথে চুক্তি করেন। পরবর্তীতে তিনি (সা) কুরাইশ এবং আইলাহ, আল-যারবা ও উযরাহ’র গোত্র প্রধানদের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তিনি (সা) একথাও মেনে নেন যে, কোন গোত্রের মানুষকেই হজ্জ্ব করতে বাধাঁ দেয়া যাবে না আর, না কারো পবিত্র মাসে আক্রান্ত হবার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৯ (আরব উপদ্বীপ শাসন)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e29/): তাবুক অভিযানের মাধ্যমে মূলতঃ আল্লাহর রাসূল (সা) ইসলামী রাষ্ট্রের সীমান্তের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছিলেন, যার ফলে ইসলামের শত্রুপক্ষের লোকেরা এ রাষ্ট্রকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে বাধ্য হয়েছিলো। একই সাথে, এ অভিযান বহির্বিশ্বে ইসলামের উদাত্ত আহবানকে ছড়িয়ে দেয়ার পদ্ধতি হিসাবে তাঁর উত্তরসূরীদের কাছে একটি চমৎকার দৃষ্টান্তও হয়ে থাকলো। আল্লাহর রাসূল (সা) তাবুকের অভিযান থেকে ফিরে আসার পরপরই ইয়েমেন, হাজরামাউত ও ওমান সহ আরব উপদ্বীপের সমস্ত দক্ষিনাঞ্চল রাসূল (সা) এর আনুগত্য স্বীকার করে ইসলামের পতাকাতলে চলে আসে। শুধু তাই নয়, তারা ইসলামী রাষ্ট্রের শাসন-কর্তৃত্বকেও মেনে নেয়। হিজরী নবম সালে, এ অঞ্চলের দূতেরা উদ্বিগ্ন চিত্তে একে একে আল্লাহর রাসূল (সা)-এর কাছে আসতে লাগলো এবং ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৮ (তাবুকের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/22/the-islamic-state-e28/): আল্লাহর রাসূল (সা)-এর কাছে, এ মর্মে সংবাদ পৌঁছে যে, মু’তার যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধাদের অসাধারণ রণকৌশলের জন্য রোমানদের বিশাল বাহিনীকে বাধ্যতামূলক সৈন্য প্রত্যাহার করতে হয়েছিল, সে অসহনীয় লজ্জাজনক স্মৃতি মুছে ফেলার জন্য তারা আরব উপদ্বীপের উত্তরাংশে আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছে। এ সময় রোমান বাহিনীকে মুকাবিলা করার জন্য রাসূল (সা) নিজেই সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দেবার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন, যেন রোমানদের এ উচ্চাভিলাসকে এমন ভাবে ধ্বংস করে দেয়া যায়, যাতে তারা ভবিষ্যতে আর কখনোই মুসলিমদের ভূমি আক্রমণ করা বা মুসলিমদের ব্যাপারে কোনরকম হস্তক্ষেপ করার দুঃসাহস না করে। সময়টা ছিল গ্রীষ্মের শেষভাগ। অসহনীয় গরমের ফলে চারিদিকে চলছিল খরা আর অনাবৃষ্টি। এছাড়া, মদীনা থেকে আল-শামের দূরত্বও ছিল ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৭ (হুনায়ুনের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/21/the-islamic-state-e27/): হাওয়াজিন গোত্রের লোকেরা যখন শুনতে পেল কিভাবে মুসলিমরা মক্কা জয় করে নিয়েছে, তখন তারা আশঙ্কা করতে লাগল যে, তারাও হয়ত মুসলিমদের আক্রমণের শিকার হতে পারে কিংবা তাদের ঘরবাড়ী মুসলিমদের হাতে ধ্বংস হতে পারে। এজন্য, সম্ভাব্য এ বিপদ মুকাবিলার জন্য তারা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করল। মালিক ইবন ’আউফ আল-নাদরি হাওয়াজিন ও বনু ছাকিফ গোত্রের যোদ্ধাদের একত্রিত করে মুসলিমদের আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে উতাস উপত্যকায় পৌঁছাল। মুসলিমদের মক্কা বিজয়ের ১৫ দিন পর হাওয়াজিন ও বনু ছাকিফ গোত্রের ধেয়ে আসা এ সৈন্যবাহিনীর সংবাদ মুসলিমদের কাছে পৌঁছাল। সাথে সাথে তারা তাদেরকে মুকাবিলা করার প্রস্তুতি নিল। এদিকে, মালিক তার সৈন্যদল সহ উতাস উপত্যকায় অবস্থান ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৬ (মক্কা বিজয়)](https://returnofislam.com/2013/09/20/the-islamic-state-e26/): কুরাইশদের সাথে আল্লাহর রাসূল (সা)-এর হুদাইবিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পরপরই খুযাআ’হ গোত্র মুহাম্মদ (সা)-এর নিরাপত্তায় চলে আসে এবং বনু বকর কুরাইশদের পক্ষ নেয়। এরপর থেকে আল্লাহর রাসুলের সাথে কুরাইশদের শান্তিপূর্ণ সম্পর্কই বজায় থাকে এবং উভয়পক্ষই আবার ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করে। মুসলিমদের সাথে সংঘটিত বিভিন্ন যুদ্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য কুরাইশরা তাদের ব্যবসার ক্ষেত্রকে বিস্তৃত করে। এদিকে, আল্লাহর রাসূল (সা) সমগ্র মানবজাতির কাছে ইসলামের আহবান ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি আরব ভূ-খন্ডে ইসলামী রাষ্ট্রের অবস্থানকে সুসংহত ও শক্তিশালী করেন এবং ইসলামী রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীন নিরাপত্তার ব্যাপারে জোর দেন। খায়বারে ইহুদীদের কর্তৃত্ব ধ্বংস করার পর তিনি (সা) বিভিন্ন রাজ্যের অধিপতিদের কাছে তাঁর দূত পাঠিয়ে বর্হিবিশ্বের সাথে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৫ (মু’তার যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/20/the-islamic-state-e25/): প্রতিনিধি দল বহির্বিশ্ব থেকে মদীনায় প্রত্যাবর্তনের পরপরই আল্লাহর রাসূল (সা) তাঁর সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত করেন এবং আরব ভূ-খন্ডের বাইরে জিহাদ করার ঘোষনা দেন। এ লক্ষ্যে, তিনি (সা) রোমান ও পারস্যের গতিবিধি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে আরম্ভ করেন। আর, রোমান সাম্রাজ্যের সাথে তাঁর সীমান্ত যুক্ত থাকায় তিনি (সা) তাদের গতিবিধির উপর বিশেষ ভাবে নজর দেন এবং গুপ্তচরের মাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকেন। রাসূল (সা) তাঁর প্রজ্ঞা ও দূরদর্শীতার কারণে এটা বুঝতে পেরেছিলেন যে, যদি একবার আরব ভূ-খন্ডের বাইরে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছানো যায়, তবে ইসলামের আহবানকে বিশ্বে দ্রুত ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে। তাই তিনি (সা) এ লক্ষ্যে, আল-শাম (বৃহত্তর সিরিয়া) থেকেই জিহাদের সূচনা ... Read more - [ব্যর্থ গণতন্ত্রের সমাধান কি "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" ?](https://returnofislam.com/2013/09/19/is-the-solution-to-a-failed-democracy-a-supervisory-government/): আওয়ামী লীগের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার উঠিয়ে নেয়া পরবর্তী তে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল হবে কি হবে কিনা? কিংবা বিদ্যমান সংশোধিত সংবিধানের আলোকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন নাকি নতুন কোন নির্বাচনী রূপরেখা প্রণয়ন করা হবে তা নিয়ে সকল জল্পনা কল্পনা আবর্তিত হচ্ছে। এই রূপ একটি রাজনৈতিক সংকট ছিয়ানব্বই সালে জাতি প্রত্যক্ষ করে। মূলত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অবিশ্বাস থেকে তৎকালীন ক্ষমতাসীন বি.এন.পি কে বাধ্য করা হয় “তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা” সংবিধানে সংযোজন করতে। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে তৎকালীন এই আন্দোলন সংগঠিত হয় বি.এন.পি বিরুদ্ধে, যা এখন বি.এন.পি নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন ... Read more - [আপনার ধান্দা কী?](https://returnofislam.com/2013/09/19/what-is-your-treasure/): আজকাল আমাদের সমাজে এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল যে কোন না কোন ধান্ধার পেছনে ঘুরছে না? উঠতি বয়সের তরুণ থেকে শুরু করে বয়সী কর্মজীবি মানুষ, সবাই একটার পর একটা ধান্দায় সমস্ত জীবন পার করে দিচ্ছে। নিজের ধান্দা ছাড়া অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করার সময় কারো নেই। সবার মুখে একই কথা “ভাই আমি খুবই ব্যস্ত, আমার কোন সময় নেই।” আসুন আমরা দেখি কোন ধান্দার পেছনে আমরা পাগলের মত ছুটে চলেছি আর কি নিয়েই বা সমাজের তরুণ বৃদ্ধ সবাই এত ব্যস্ত। এখনকার দিনে তরুণদের একমাত্র ধান্দা হচ্ছে যত বেশী পারা যায় ফুর্তি করা, আনন্দে থাকা, জীবনের স্বাদ উপভোগ করা। সবার মধ্যে একই ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৪ (প্রতিবেশী দেশে দূত প্রেরণ)](https://returnofislam.com/2013/09/18/the-islamic-state-e24/): যেহেতু, ইসলাম একটি সার্বজনীন দ্বীন এবং এ দ্বীন প্রেরণ করাই হয়েছে মানব জাতির সার্বিক কল্যাণে, তাই হেযাযে ইসলামী দাওয়াত একটা সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছানোর সাথে সাথেই মুহাম্মদ (সা) হেযাযের বাইরে ইসলামের আহবান ছড়িয়ে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা করতে লাগলেন। কারণ, আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেছেন,  “এবং আমি তোমাকে সমস্ত সৃষ্টিজগতের জন্য রহমত হিসাবে পাঠিয়েছি।” [সুরা আম্বিয়াঃ ১০৭] আল্লাহতায়ালা সুরা সাবা-তে আরও বলেছেন, “এবং আমি তোমাকে সমস্ত মানবজাতির প্রতি সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী হিসাবে প্রেরণ করেছি।” [সুরা সাবাঃ ২৮] এছাড়া, আল্লাাহতায়ালা সুরা তওবাতে বলেছেন, “নিশ্চয়ই তিনি রাসূল পাঠিয়েছেন হেদায়েত ও সত্যদ্বীন সহকারে যেন এই দ্বীন সকল দ্বীনের উপর বিজয়ী হয়, যদিও মুশরিকরা তা ঘৃণা করে।” [সুরা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২৩ (খায়বারের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/18/the-islamic-state-e23/): আল্লাহর রাসূল (সা) হুদাইবিয়া থেকে প্রত্যাবর্তনের পর ১৫ দিন মদীনায় অবস্থান করেন। এরপর, তিনি (সা) সাহাবীদের খায়বার আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দেন। সে সাথে তিনি (সা) এটাও বলেন যে, শুধু যারা হুদাইবিয়া প্রান্তরে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিল তারাই যেন যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। বস্তুতঃ হুদাইবিয়া প্রান্তরে যাত্রা করার পূর্বেই রাসূল (সা) কুরাইশদের সাথে খায়বারের ইহুদী গোত্রগুলোর গোপন আঁতাতের খবর পেয়েছিলেন। মুসলিমদেরকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে ধ্বংস করার জন্য তারা একত্রিত হয়ে গোপনে মদীনা আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছিল। গোপন এ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে অবহিত হবার পরই তিনি (সা) কুরাইশদের সাথে যুদ্ধবিরতী চুক্তি সম্পাদন করার লক্ষ্যে মক্কায় শান্তিপূর্ণ সফরের পরিকল্পনা করেন। যেন, কুরাইশ ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২২ (হুদাইবিয়ার সন্ধি)](https://returnofislam.com/2013/09/17/the-islamic-state-e22/): এভাবে, আল্লাহর রাসূল (সা) মদীনায় হিজরতের পর একে একে ছয়টি বছর পার হয়ে যায়। ইতিমধ্যে, রাসূল (সা) মদীনায় ইসলামী সমাজের সার্বিক সুসংহত অবস্থা এবং শত্রু মুকাবিলায় তাঁর সৈন্যবাহিনীর শক্তিসামর্থ্য সম্পর্কে মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যান। আর, ইসলামী রাষ্ট্রও সমস্ত আরব ভূ-খন্ডে  অন্যতম শক্তি হিসাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কিন্তু, তা সত্তেও, রাসূল (সা) তাঁর দাওয়াতী কার্যক্রম বিস্তারে নতুন নতুন পদক্ষেপের কথা চিন্তা করতে থাকেন, যাতে একই সাথে ইসলামের আহবানও হয় প্রতিনিয়ত শক্তিশালী, আর শত্রুপক্ষ হয় আরও দূর্বল। এরমধ্যে, রাসূল (সা) এর কাছে সংবাদ পৌঁছে যে, খায়বার ও মক্কার লোকেরা একত্রিত হয়ে আবারও মুসলিমদের আক্রমণ করার ফন্দি আঁটছে। এ খবর শোনার পর, মক্কার ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২১ (আল-আহযাবের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/17/the-islamic-state-e21/): ওহুদ যুদ্ধের পর অতর্কিত আক্রমণ সহ বিভিন্ন গোত্রের বিরদ্ধে যে সব শাস্তিমূলক পদক্ষেপ রাসূল (সা) নিয়েছিলেন তা মদীনার মুসলিমদের অবস্থানকে পুণরায় উপরে তুলে ধরতে এবং ইসলামী রাষ্ট্রের শাসন-কর্তৃত্বকে সুসংহত করতে গুরুতপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলো । আল্লাহর রাসুলের এ সমস্ত সুচিন্তিত পদক্ষেপ মূলতঃ মুসলিমদের প্রভাব বলয়কে বিস্তৃত করে এবং আরব ভূ-খন্ডে রাতারাতি তাদের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। আর, সমস্ত আরব ভূ-খন্ড মুসলিমদের শক্তিসামর্থ্যের ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক হয়ে যায়। এরপর থেকে আরব গোত্রগুলো তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণের গন্ধ পাওয়া মাত্রই মুসলিমদের সাথে যুদ্ধ করার চাইতে পালিয়ে যাওয়াকেই শ্রেয় মনে করতো। গাতফান ও দুমান আল-জুন্দাল গোত্রের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ২০ (বিদ্রোহ দমন)](https://returnofislam.com/2013/09/16/the-islamic-state-e20/): বদরের যুদ্ধে মুসলিমদের সংখ্যা ছিলো অতি নগন্য এবং যুদ্ধ সরঞ্জামের দিক থেকেও তারা ছিলো খুবই দূর্বল। কিন্তু, তারপরও, কাফিরদের সাথে মুসলিমের এ প্রথম মুকাবিলায় মুসলিমরা বীরের মতো বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো। মুসলিমদের এ বীরত্বপূর্ণ বিজয় কাফিরদের আত্মবিশ্বাসের ভীত এতো সাংঘাতিক ভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিলো যে, তারা শোকে-দুঃখে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছিলো। এছাড়া, কুফরশক্তির উপর মুসলিমদের এ বিজয় মদীনার অভ্যন্তরে গৃহযুদ্ধ সহ ইহুদীদের নানারকম চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রকেও অনেকটা দমিয়ে দিয়েছিলো। এ ঘটনার প্রত্যক্ষ ফল স্বরূপ, কিছু ইহুদী গোত্র মুসলিমদের সাথে শান্তিচুক্তি করতে বাধ্য হয়, আর কিছু গোত্র মদীনা থেকে বিতাড়িত হয়। মদীনাতে মুসলিমদের শক্তিসামর্থ্য ক্রমশঃ বাড়ছিলো, আর কুরাইশরা এক মূহুর্ত সময় নষ্ট না করে ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৯ (বনু কুরাইযা গোত্রকে শায়েস্তা)](https://returnofislam.com/2013/09/15/the-islamic-state-e19/): বদরের যুদ্ধের পূর্ব হতেই ইহুদীরা মুসলিমদের প্রতি সবসময়ই তীব্র হিংসা-বিদ্বেষ পোষন করতো। বদরের প্রান্তরে মুসলিমদের নাটকীয় বিজয়ের পর তাদের বিদ্বেষের মাত্রা চরম আকার ধারণ করলো। মুসলিমদের সাথে কৃত চুক্তির কোন তোয়াক্কা না করেই তারা মুসলিমদের অপদস্ত করার জন্য নিত্যনতুন ষড়যন্ত্র ও হীন পরিকল্পনা করতে থাকলো। মুসলিমরা তাদের বিরুদ্ধে এ সব ষড়যন্ত্রকে দৃঢ়তার সাথে প্ির তহত করেছিলো এবং অত্যন্ত রূঢ় ভাষায় এর জবাব দিয়েছিলো। বনু কুরাইযার বাজারে সংঘটিত জঘন্য ঘটনাটিই প্রমাণ করে দেয় যে, মদীনার ইহুদীরা মুসলিমদের উক্তত্য করার জন্য কত হীন পন্থা অবলম্বন করতো। বনু কুরাইযার বাজারে একবার এক মুসলিম নারী সোনার দোকানে তার গয়না নিয়ে বসেছিলো। এ সময় পেছন থেকে ... Read more - [কেন মিশরে আমেরিকা সফল হতে পারছে না ?](https://returnofislam.com/2013/09/14/why-cant-america-succeed-in-egypt/): সহিংস অভ্যুত্থানের পরে মিশরে ‘old guard’ এর ফিরে আসার প্রতিক্রিয়া মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের বাহিরেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর লক্ষে লড়াই করতে গিয়ে ওবামা প্রশাসনও প্রচন্ড বিক্ষোভের মাত্রা অনুভব করতে পেরেছে। আরব বসন্ত-২০১১ এর শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর বারবার অবস্থার পরিবর্তনের ফলে আমেরিকার সুযোগগুলো দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এটা এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারের জন্য আমেরিকার সংশ্লিষ্টতাকে আরো স্পষ্ট করে তোলে। ১৯৭৯ সালে মিশর-ইসরাইল শান্তি চুক্তির পরে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার প্রধান মিত্রশক্তিতে পরিনত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমেরিকা তার মিত্রশক্তির উপর নির্ভর করে। সাধারনত সেনাবাহিনীই সর্বোচ্চ মিত্রশক্তি হিসাবে কাজ করে কারণ তারাই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র – পর্ব ১৮ (বদরের যুদ্ধ)](https://returnofislam.com/2013/09/13/the-islamic-state-e18/): হিজরী দ্বিতীয় সনের রমজান মাসের ৮ তারিখে রাসূল (সা) তিনশত পাঁচ জন সাহাবী ও সত্তরটি উট নিয়ে কাফিরদের উদ্দেশ্যে অভিযানে বের হন। এ সময় তিনি ’আমর ইবন উম্ম মাখতুমকে নামাজে ইমামতির দায়িত্ব এবং আবু লুবাবাহকে মদীনার দায়িত্বে নিযুক্ত করেন। উটের পিঠে চড়ে রাসূল (সা) এর দলটি আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে কুরাইশদের এক বাণিজ্য কাফেলাকে খুঁজে ফিরছিলো। পথ চলতে চলতে তারা আবু সুফিয়ানের কাফেলা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে থাকেন। সৈন্যদল দাফরান উপত্যকায় পৌঁছালে রাসূল (সা) সেখানে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় তাদের কাছে খবর পৌঁছে যে, মক্কার কুরাইশরা তাদের বাণিজ্য কাফেলাকে রক্ষা করার জন্য তাদের দিকে ধেয়ে আসছে। মুসলিমদের কাছে এ খবর পৌঁছার ... Read more - [সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের ক্রমবর্ধমান হুমকি অপশক্তির পদধ্বনি](https://returnofislam.com/2013/09/12/the-growing-threat-of-military-intervention-in-syria-is-a-snail-of-the-ups-and-downs/): ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠাকে নস্যাৎ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ দালাল বাশারের বিকল্প তৈরি করাই এর লক্ষ্য আসাদ সরকারের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরোধীতার অজুহাতে আমেরিকা এবং তার মিত্রদের কর্তৃক সামরিক অভিযানের প্রচারণা সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই অভিযানকে তারা “মানবতা ও নৈতিকতা রক্ষার” আবরণে ঢেকে রেখেছে অথচ তারা এসবের তোয়াক্কা করেনা। বাগ্রাম, গুয়ানতানামো এবং আবু গারিব কারাগারগুলোতে…আমেরিকা, বৃটেন, ফ্রান্স, রাশিয়াসহ সকল কাফের সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো যুগ যুগ ধরে মানবিক এবং নৈতিক মূল্যবোধকে পদদলিত করেছে…আর গুপ্তচরবৃত্তির কথা না হয় বাদই দিলাম! পারমাণবিক এবং জীবাণু অস্ত্রের অপব্যবহার, ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র এবং পৈশাচিক হত্যাকান্ডের প্রতিযোগীতায় তাদের কুখ্যাতি রয়েছে যার নিদর্শন হিরোশিমা-নাগাসাকি থেকে শুরু করে ইরাক এবং আফগানিস্তান, ককেশাস, ... Read more - [জন্মপূর্বে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ - ইসলামী শরী’আহর হুকুম](https://returnofislam.com/2013/09/12/gender-selection-before-birth/): প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ বিভিন্নভাবে তার কাঙ্খিত সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণের চেষ্টা চালিয়েছে এবং অনাকাঙ্খিত সন্তানের জন্ম নিরোধ ও বর্জনের জন্য অতীতে প্রচলিত বহুবিদ উপায়ও অবলম্বন করেছে। আইয়্যামে জাহিলিয়ার যুগে, ছেলে সন্তান খুবই কাঙ্খিত ছিল কেননা সে যুদ্ধ-বিগ্রহে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং তাদের গোত্রকে উন্নতি ও অগ্রগতির দিকে পরিচালিত করবে। অপরদিকে, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পথিত করে ধ্বংস করা হতো। যেমন: আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “আর যখন কন্যা সন্তানকে জিজ্ঞাসা করা হবে কি অপরাধে তাকে হত্যা করা হলো।” [সূরা আত-তাকউইর: ৯] যখন অনাকাঙ্খিত সন্তান নষ্ট করার অন্যান্য পদ্ধতি উদ্ভাবিত হলো, যেমন: মায়ের গর্ভাশয় পর্যবেক্ষণ করে সন্তানটির লিঙ্গের পরীক্ষা নিরীক্ষা করা, মানুষ তখন ... Read more - [সা’দ ইবনুর রাবী’ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-rabi/): সা’দ ইবনুর রাবী আল-আনসারী মদীনার খাযরাজ গোত্রের বনু আল-হারিস শাখার সন্তান। হায়সাম উল্লেখ করেছেন, ‘আবু রাবী’ তাঁর কুনিয়াত বা ডাকনাম। পিতা আর-রাবী ও মাতা হুযাইলা বিন্তু ইন্বা। সীরাত বিশেষজ্ঞরা তাঁর জন্মসন সম্পর্কে নীরব। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৪, তাবাকাত- ৩/৫২২, উসুদুল গাবা- ২/২৭৭) সা’দ ইবনুর রাবী’র ইসলাম গ্রহণের সময়কাল সম্পর্কে মতভেদ দেখা যায়। আবু নু’য়াইম তাঁর ‘দালায়িল’ গ্রন্থে ’আকীল ইবন আবী তালিব ও যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, প্রথম ’আকাবায়, যে বার ছয়জন ইয়াসরিববাসী মক্কায় রাসূলুল্লাহর হাতে সা. ইসলাম গ্রহণ করে বায়’য়াত করেন তাঁদের একজন ছিলেন সা’দ। সেই ছয় ব্যক্তি হলেনঃ ১. আস’য়াদ ইবন যুরারা ২. আবুল হায়সাম ইবন আত-তায়্যিহান ৩. আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা ... Read more - [সা’দ ইবন ’উবাদা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-ubada/): আসল নাম সা’দ, ডাকনাম আবু কায়স ও আবু সাবিত। প্রথমটি অধিকতর প্রসিদ্ধ। (উসুদুল গাবা- ২/২৮৩) লকব বা উপাধি সায়্যিদুল খাযরাজ। মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের ‘সায়িদাহ’ শাখার সন্তান। পিতার নাম ’উবাদা ইবন দুলাইম এবং মাতার নাম ’উমরা বিন্তু মাস’উদ। ’উমরা সাহাবিয়্যা (মহিলা সাহাবী) ছিলেন এবং হিজরী ৫ম সনে ইন্তিকাল করেন। সা’দ তখন রাসূলুল্লাহর সা. সাথে ‘দুমাতুল জান্দাল’ যুদ্ধে যোগদানের জন্য মদীনার বাইরে। মদীনায় ফিরে রাসূল সা. তাঁর মার কবরে যান এবং তাঁর জন্য দু’আ করেন। (তাবাকাত- ৩/৬১৪; আল-ইসাবা- ২/৩০) হযরত সা’দের সম্মানিত দাদা ‘দুলাইম’ ছিলেন খাযরাজ গোত্রের সবচেয়ে বড় নেতা। তাছাড়া মদীনার জনকল্যাণমূলক কাজেও তাঁর খ্যাতি ছিল। সায়িদাহ খান্দানের সম্মান ও গৌরব ... Read more - [সা’দ ইবন মু’য়াজ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-muaz/): আসল নাম সা’দ, ডাকনাম আবু ’আমর, লকব বা উপাধি সায়্যিদুল আউস। মদীনার বিখ্যাত আউস গোত্রের আবদুল আশহাল শাখার সন্তান। পিতার নাম মু’য়াজ ইবন নু’মান, মাতা কাবশা মতান্তরে কুবাইশা ‘বিনতু রাফি’। প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবূ সা’ঈদ আল খুদরীর চাচাতো বোন। জাহিলী যুগেই পিতা মু’য়াজ্জের মৃত্যু হয়। তবে মাতা কাবশা হিজরাতের পরে ঈমান আনেন এবং সা’দের ইনতিকালের পরেও বহু দিন জীবিত ছিলেন। গোটা আউস গোত্রের মধ্যে আবদুল আশহাল শাখাটি ছিল সর্বাধিক অভিজাত এবং বংশানুক্রমে নেতৃত্ব ছিল তাদেরই হাতে। সা’দ ছিলেন তাঁর সময়ে একজন বড় মাপের নেতা। (দ্রঃ সীরাতু ইবন হিশাম- ২/২৫২, উসুদুল গাবা- ২/২৯৬, তাবাকাত- ৩/৪২০, তাহজীবুত তাহজীর- ৩/৪৮১) তাঁর জন্ম সন সম্পর্কে ... Read more - [আবু আইউব আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/abu-ayub-al-ansari/): নাম খালিদ, ডাক নাম আবু আইউব। পিতা যায়িদ ইবন কুলাইব আল-নাজ্জারী আল-খাযরাজী। কেউ কেউ মালিক ইবন নাজ্জারের সাথে সম্পর্কের কারণে ‘আল-মালিকী’ এবং আনসারদের ‘আযদী’ হওয়ার কারণে তাঁকে ‘আল-আযদী’ বলেও উল্লেখ করে থাকেন। (দারিয়া-ই মা’য়ারিফ-ই-ইসলামিয়্যা, উর্দু ১/৭৪২), মাতা হিন্দা বিনতু সা’দ। (উসুদুল গাবা- ২/৮০) তবে ইবন সা’দের মতে যাহরা বিনতু সা’দ। (তাবাকাত- ৩/৪৮৪) ‘যাহরা’ আবু আইউবের পিতার মামাতো বোন। আবু আইউব চল্লিশ ‘আমুল ফীল’ (হস্তী বৎসর) অর্থাৎ হিজরাতের একত্রিশ বছর পূর্বে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। ইতিহাসে তিনি ‘আবু আইউব’ ডাক নামে পরিচিত। (দারিয়া-ই-মা’য়ারিফ-ই-ইসলামিয়্যা, (উর্দু)- ১/৭৪২) নাজ্জার খান্দানটি ইয়াসরিবের অন্যতম অভিজাত খান্দান। আর সেই আভিজাত্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে রাসূলুল্লাহর সা. মাতুল গোত্র হওয়ার কারণে। ... Read more - [জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/jabir-ibn-abd-allah/): নাম জাবির, কুনিয়াত বা ডাকনামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথাঃ আবু ’আবিদিল্লাহ, আবু ’আবদির রহমান, ও আবু মুহাম্মাদ। ইবনুল আসীর প্রথমটি অধিকতর সঠিক বলে মনে করেছেন। (উসুদুল গাবা ১/২৫৭, আল-ইসাবা- ১/২১৩, তাহজীবুল আসমা ওয়া আল-লুগাত- ১/১৪৪) পিতা ’আবদুল্লাহ ইবন ’আমর এবং মাতা নাসীবা বিনতু উকবা। তাঁর বংশের উর্ধ্বতন পুরুষ হারাম ইবন কা’ব- এর মাধ্যমে পিতা-মাতা উভয়ের বংশ একত্রে মিলিত হয়েছে। জাবিরের পিতৃবংশের উর্ধ্বতন পুরুষ সালামা-র বংশধরগণ মদীনার হাররা ও মসজিদে কিবলাতাইন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তবে তাঁর নিজ গোত্র বনু হারামের বসতি ছিল কবরস্থান ও ছোট্ট একটি মসজিদের মধ্যবর্তী স্থানে। তাঁর পিতা ’আবদুল্লাহ ইবন আমর ছিলেন শেষ ’আকাবায় মনোনীত অন্যতম ‘নাকীব’। (তাবাকাত- ৩/৬২০, ... Read more - [’উবাদা ইবনুস সামিত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/ubada-ibnus-samit/): আবুল ওয়ালীদ ’উবাদা মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনী সালীম শাখার সন্তান। হিজরতের ৩৮ বছর পূর্বে ৫৮৬ খৃষ্টাব্দে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। (আ’লাম- ৪/৩০) পিতা সামিত ইবন কায়স এবং মাতা কুররাতুল আইন। মা ছিলেন ’উবাদা ইবন নাদলা ইবন মালিক ইবন আজলানের কন্যা। তিনি নিজের পিতার নামে ছেলের নাম রাখেন ’উবাদা’ (উসুদুল গাবা- ৩/১০৬) ‘উবাদার ভাই আউস ইবন সামিতের স্ত্রী খুওয়াইলা বিনতু সা’লাবা। তিনি সেই মহিলা যাঁর শানে সূ’রা মুজাদিলার জিহারের আয়াত নাযিল হয়। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৫১)। মদীনার পশ্চিম দিকে কুবা সংলগ্ন প্রস্তরময় অঞ্চলে ছিল বনী সালীমের বসতি। ‘উতুম কাওয়াকিল’ নামে সেখানে তাদের কয়েকটি কিল্লা ছিল। এরই ভিত্তিতে বলা চলে ’উবাদার বাড়ীটি মদীনার কেন্দ্রস্থলের ... Read more - [উসাইদ ইবন হুদাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/usaid-ibn-hudair/): প্রখ্যাত আনসারী সাহাবী উসাইদ মদীনার ঐতিহ্যবাহী আউস গোত্রের বনী ’আবদুল আশহাল শাখার সন্তান। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪০) সীরাতের বিভিন্ন গ্রন্থে তাঁর একাধিক কুনিয়াত বা ডাকনাম দেখতে পাওয়া যায়। যেমনঃ পুত্র ইয়াহইয়ার নাম অনুসারে আবু ইয়াহইয়া, আবু ঈসা-এ নামে রাসূলুল্লাহ সা. তাঁকে ডেকেছেন বলে বর্ণিত আছে। (উসুদুল গাবা- ১/৯২) তাছাড়া আবু ’আতীক, আবু হুদাইর, আবু ’আমর ইত্যাদি নামের কথাও জানা যায়। (দ্রঃ সীয়ারে আনসার- ১/২২৮), উসুদুল গাবা- ১/৯২, আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪০, আল-আলাম- ১/৩৩০) তাঁর পিতার নাম হুদাইর ইবন সিমাক এবং মাতার নাম উম্মু উসাইদ বিনতু উসকুন। হুদাইর ছিলেন আউস গোত্রের একজন রয়িস বা নেতা। ইসলামপূর্ব যুগে মদীনার চির বৈরী আউস ও খাযরাজ গোত্রদ্বয়ের ... Read more - [আবুল হায়সাম ইবন আত-তায়্যিহান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/abul-haysam-ibn-at-tayyhan/): আবুল হায়সাম উপনামেই তিনি ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। আসল নাম এবং কোন্ গোত্রের সন্তান সে সম্পর্কে মতভেদ আছে। একটি মতে ‘আবদুল্লাহ’ তাঁর আসল নাম। তবে অন্য একটি মতে ‘মালিক’ তাঁর নাম। আর এ মতের ওপরই মুসা ইবন ’উকবা, ইবন সা’দ, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, আবূ মা’শার ও মুহাম্মাদ ইবন ’উমার ঐক্যমত পোষণ করেছেন। তেমনিভাবে তাঁর গোত্র ও পিতার নামের ব্যাপারেও মতভেদ আছে। এক মতে পিতা বালী ইবন আমর ইবন আল-হাফ ইবন কুদা’য়া। এই হিসাবে তাঁকে আল-বালাবী বলা হয়। এটাই ইবন সা’দের মত। এ মতের বিরোধিতা করেছেন ইবন ইসহাক ও আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আম্মারা আল-আনসারী। ইবন ইসহাক বলেছেন, আবুল হায়সাম, যিনি বদরে অংশগ্রহণ করেছেন ... Read more - [আস’য়াদ ইবন যুরারা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/asyad-ibn-zurarah/): আবূ উমামা আস’য়াদ, যিনি আস’য়াদ আল-খায়র নামেও পরিচিত, মদীনার খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখার সন্তান। তাঁর পিতা যুরারা ইবন ’আদাস। (আল-ইসাবা-১/৩৪; উসুদুল গাবা-১/৭১) তাঁর জন্মের সন-তারিখ সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। হযরত রাসূলে কারীমের সা. নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে সমগ্র আরব উপদ্বীপ কুফর ও গুমরাহীর অন্ধকারে আচ্ছন্ন ছিল। তবে এর মধ্যেও কিছু লোক বিশুদ্ধ স্বভাব বা ফিতরাতের দাবী অনুসারে তাওহীদ বা একত্ববাদের প্রবক্তা ছিলেন। আস’য়াদ ইবন ইবন যুরারা তাঁদেরই একজন। (তাবাকাত- ১/১৪৬) ইসলাম-পূর্ব যুগেও ইয়াসরিবের (মদীনা) লোকেরা নিজেদের ঝগড়া বিবাদে কুরাইশদের সমর্থন লাভ এবং তা ফায়সালার উদ্দেশ্যে মক্কায় যাতায়াত করতো। তাছাড়া হজ্জ ও ’উমরা আদায়ের জন্যও তারা সেখানে যেত। অতঃপর মক্কায় ইসলামের অভ্যূদয় ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন মাখরামা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/abdullah-ibn-makhrama/): পুরো নাম আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ, পিতা মাখরামা ইবন আবদিল উযযা এবং মাতা বাহসানা বিনতু সাফওয়ান। কুরাইশ বংশের আমেরী শাখার সন্তান। (আল ইসাবা-২/৩৬৫)। ইসলামী দাওয়াতের সূচনা লগ্নে মক্কায় ইসলাম গ্রহণ করেন। জাফর ইবন আবী তালিবের (রা) সাথে হাবশাগামী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। সেখান থেকে সরাসরি মদীনায় চলে যায় এবং হযরত কুলসুম ইবন হিদামের বাড়ীতে অতিথি হন। হরযত রাসূলে কারীম সা: ফারওয়া ইবন আমর আল বায়াদীর (রা) সাথে তার দ্বীনী ভাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে দেন। মদীনায় আসার পর সর্ব প্রথম বদর যুদ্ধে যোগদান করে বদরী সাহাবী হওয়ার মহা সম্মান অর্জন করেন। তখন তার বয়স ত্রিশ বছর। বদরের পর, উহুদ সহ সকল যুদ্ধে ... Read more - [ওয়াকিদ ইবন আবদিল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/waqid-ibn-abdillah/): নাম ওয়াকিদ, পিতা আবদুল্লাহ। বনী তামিম গোত্রের হানজালী ইয়ারবূয়ী শাখার সন্তান। জাহিলী যুগে খাত্তাব ইবন নুফাইলের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। (তাবাকাত-৩/৩৯০, আল ইসাবা -৩/৬২৮)। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনালগ্নে হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের বাড়ীতে প্রবেশের পূর্বেই ওয়াকিদ ইসলাম গ্রহণ করেন। হিজরাতের নির্দেশ আসার পর তিনি মদীনায় হিজরাত করেন এবং হযরত রিফায়া ইবন আবদিল মুনজিরের অতিথি হন। মদীনায় রাসূল সা: বিশর ইবন বারা ইবন মারুর এর সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক কায়েম করে দেন। (তাবাকাত-৩/৩৯০)। হযরত রাসূলে কারীম সা: মদীনায় হিজরাতের সতেরতম মাসটি ছিল রজব মাস। এ মাসে তিনি কুরাইশদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশের ... Read more - [আমর ইবন সাঈদ ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/amr-ibn-saeed-ibn-al-aas/): আমরের ডাক নাম আবু উকবা। পিতা সাঈদ ইবনুল আস। কুরাইশ বংশের উমাইয়া শাখার সন্তান। মা বনী মাখযুমের কন্যা। আমর হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের ফুফাতো ভাই। (উসুদুল গাবা-৪/১০৬)। (আল ইসাবা-২/৫৩৯)। সাঈদ ইবনুল আসের ৫ ছেলে- খালিদ, আবান, সাঈদ, আবদুল্লাহ, ও আমর। আগে পরে তারা সকলে ইসলাম গ্রহণ করেন। যুবাইর ইবন বাককার বলেন: সাঈদ ইবনুল আসের ছেলে আবু উহায়হা সাঈদ ইবন সাঈদ তায়িফ অবরোধের সময় শাহাদাত বরণ করেন। আবদুল্লাহ ইবন সাঈদের পূর্ব নাম ছিল হাকাম। রাসূল সা: তা পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন। আমর ইবন ‍সাঈদ আজনাদাইনের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। খালিদ অত:পর আমর ইসলাম গ্রহণ করেন। ইবন ইসহাক বলেন, আমরের কোন সন্তানাদি ছিল ... Read more - [আবু আহমাদ ইবন জাহাশ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/abu-ahmad-ibn-jahash/): আসল নাম আবদ মতান্তরে আবদুল্লাহ, ডাকনাম আবু আহমাদ। পিতা জাহশ ইবন রিয়াব এবং মাতা উমাইমা বিনতু আবদিল মুত্তালিব। একদিকে রাসূলুল্লাহ সা: এর ফুফাতো ভাই, অন্যদিকে রাসুল সা: এর স্ত্রী উম্মুল মুমিনীন হযরত যয়নাব বিনতু জাহাশের আপন ভাই। (আনসাবুল আশরাফ-১/৮৮, আল ইসাবা-৪/৩)। মক্কায় রাসূলুল্লাহর সা: ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বে আহমাদ তার অন্য দুই ভাই- আবদুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহর সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। মক্কায় রাসূলুল্লাহ সা: হযরত আল আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেওয়ার পূর্বেই তাদের ইসলাম গ্রহণের কাজটি সম্পন্ন হয়। বালাযুরী বলেছেন, তার অন্য দুই ভাই আবদুল্লাহ ও উবাদুল্লাহ হাবশায় হিজরাত করলেও তিনি হাবশায় হিজরাত করেননি। তিনি আরও বলেছেন, যে সব বর্ণনায় ... Read more - [মারসাদ ইবন আবী মারসাদ আল গানাবী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/marsad-ibn-abi-marsad-al-ghanabi/): মারসাদের পিতার নাম আবু মারসাদ কান্নায ইবন হুসাইন। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই পিতা পুত্র উভয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং বদর যুদ্ধের পূর্বেই হিজরাত করে মদীনায় চলে যান। মারসাদ মক্কায় হামযা ইবন আবদিল মুত্তালিবের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন এবং মদীনায় হিজরাতের পর রাসূল সা: তাকে প্রখ্যাত আনসারী ‍সাহাবী উবাদা ইবন সামিতের ভাই আউস ইবন সামিতের সাথে মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। (তাবাকাত-৩/৪৮. আল ইসাবা-৩/৩৯৮) হযরত মারসাদ ও পিতা আবু মারসাদ কান্নায বদর যুদ্ধের বীরযোদ্ধা। এ যুদ্ধে মারসাদ ‘সাবাল’ নামক একটি ঘোড়ার পিঠে সাওয়ার হয়ে রাসূলুল্লাহর সা: পাশপাশি অত্যন্ত বীরত্ব সহকারে যুদ্ধ করেন। উহুদ যুদ্ধেও তিনি যোগদান করেন। (তাবাকাত-৩/৪৮, সীরাতু ইবন ... Read more - [মিসতাহ ইবন উসাসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/mistah-ibn-usasa/): প্রকৃত নাম আউফ, ডাক নাম আবু আব্বাদ, এবং লকব বা উপাধি মিসতাহ। পিতা উসাসা ইবন আব্বাদ এবং মা হযরত আবু বকরের খালা মতান্তরে খালাত বোন। মাতা পিতা দুজনেই ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। (আল ইসাবা-৩/৪০৮) মিসতাহ ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসূল সা: তার ও যায়েদ ইবন মুযায়্যিনের মধ্যে ভাতৃ সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। তার হিজরাতের সময়কাল সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায় না। তবে তিনি বদর যুদ্ধের পূর্বেই হিজরাত করে মদীনায় চলে যান এবং বদর যুদ্ধে তার যোগদানের কথা ইতিহাস ও সীরাত গ্রন্থ সমূহে পাওয়া যায়। বনী মুসতালিক যুদ্ধে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। এ যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে, ... Read more - [আমর ইবন উমাইয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/amr-ibn-umayyah/): নাম আমর কুনিয়াত বা ডাক নাম আবু উমাইয়া। পিতার নাম উমাইয়া। বনী কিনানা গোত্রের সন্তান। ইবন হিশাম তাকে রাসূলুল্লাহর সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির কাছাকাছি সময়ের জাহিলী আরবের একজন শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ব্যক্তিরূপে উল্লেখ করেছেন এবং এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনাও বর্ণনা করেছেন। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/২০৪,২০৭)। তিনি বদর ও উহুদ যুদ্ধে মক্কার পৌত্তলিকদের পক্ষে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত বীরত্ব ও সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেন। উহুদের পরই তিনি ইসলাম গ্রহণ করে মদীনায় হিজরাত করেন। ইসলাম গ্রহণের পর সর্ব প্রথম বীরে মাউনা এর ঘটনায় অংশ গ্রহণ করেন। ঘটনাটি ছিল এই রকম: উহুদ যুদ্ধের পর চতুর্থ মাসে নাজদের বনী কিলাব গোত্রের সরদার আবু বারা আমের ইবন মালেক ইবন জাফর ... Read more - [আবান ইবন সাঈদ ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/aban-ibn-saeed-ibn-al-aas/): হযরত আবানের পিতার নাম আবু উহায়হা সাঈদ ইবনুল আস এবং মাতার নাম হিন্দা বিনতু মুগীরা। তার বংশের উপরের দিকের পঞ্চম পুরুষ আবদ মান্নাফে গিয়ে রাসূল সা: এর নসবের সাথে তার নসব মিলিত হয়েছে। (উসুদুল গাবা-১/৩৫) তার পিতা সাঈদ ছিল কুরাইশদের এক মর্যাদাবান ব্যক্তি। সে হিজরী ২য় অথবা ৩য় সনে কাফির অবস্থায় তায়িফে মারা যায় এবং তাকে সেখানেই দাফন করা হয়। (আনসাবুল আশরাফ-১/১৪২.৩৬৮)। তার কয়েকজন সুযোগ্য পুত্র ছিলেন। ইসলামের সূচনা পর্বেই তাদের মধ্যে খালিদ ও আমর ইসলাম গ্রহণ করে হাবশায় হিজরাত করেন। (আল ইসাবা-১/১৩)। আবান তার অন্য দুই ভাই উবাইদা ও আল আসের সাথে পৌত্তলিক থেকে গেলেন। তার দুই ভাই খালিদ ও ... Read more - [মুআইকিব ইবন আবী ফাতিমা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/muayqib-ibn-abi-fatimah/): মুআইকিব ছিলেন দাওস গোত্রের সন্তান। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে তিনি দাসে পরিণত হয়ে মক্কার সাঈদ ইবনুল আসের নিকট উপনীত হন। (আনসাবুল আশরাফ-১/২০০)। অন্য একটি বর্ণনামতে তিনি আযদ গোত্রের সন্তান এবং মক্কার বনী আবদি শামসের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং হাবশাগামী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। হাবশা থেকে খাইবার যুদ্ধের সময় মদীনায় আসেন। একটি বর্ননামতে তিনি আবু মূসা আশআরীর সাথে মক্কা থেকে মদীনায় আসেন এবং খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আবার কোন কোন বর্ণনায় তার বদর যুদ্ধ ও বাইয়াতে রিদওয়ানে যোগদানের কথা পাওয়া যায় এই বর্ণনা দ্বারা বুঝা যায়, তিনি খাইবার যুদ্ধের পূর্বে ... Read more - [হিশাম ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/hisham-ibnul-as/): নাম হিশাম, কুনিয়াত বা ডাক নাম আবুল আস ও আবু মুতী। ইবন হিব্বান বলেন: জাহিলী যুগে হিশামের কুনিয়াত ছিল আবুল আস অর্থাত অবাধ্যের পিতা। ইসলাম গ্রহণের পর রাসূল সা: তা পরিবর্তন করে রাখেন আবু মুতী- অনুগতের পিতা। (আল ইসাবা-২/৬০৪) তার পিতা আল আস ইবন ওয়ায়িল। কুরাইশ গোত্রের বনী সাহম শাখার সন্তান। মিসর বিজয়ী প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আমর ইবনুল আসের ছোট ভাই। সৌভাগ্য বা দূর্ভাগ্য বয়সের তারতম্যের ওপর নির্ভর করে না। হিশাম আমর অপেক্ষা ছোট হলেও বড় ভাইয়ের চেয়ে অধিকতর সৌভাগ্যের অধিকারী ছিলেন। আমর যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে হাবুডুব খাচ্ছেন, হিশামের ললাট তখন ইসলামের নূর ঝলক দিচেছ। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ... Read more - [কুদামাহ ইবন মাজউন (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/qudamah-ibn-majoon/): নাম কুদামাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু উমার। পিতা মাজউন ইবন হাবীব এবং মা সুখাইলা বিনতুল আনবাস। (টীকা : সীরাতু ইবন হিশাম-১/২৫৩)। কুরাইশ বংশের বনী জুমাহ শাখার সন্তান। হযরত উমারের বোন সাফিয়্যা বিনতুল খাত্তাব তার স্ত্রী। হযরত কুদামাহ ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীকের (রা) আহবানে যে সকল ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেন উসমান ইবন মাজউন ও তার অন্য দুই ভাই কুদামাহ ও আবদুল্লাহ অন্যতম। তিনি দুই হিজরাতের অধিকারী। ইসলাম গ্রহণের পর অন্য দুই ভায়ের সাথে প্রথমে তিনি হাবশায় হিজরাত করেন। অত:পর মক্কাবাসীরা সকলে ইসলামের দীক্ষা নিয়েছে এমন একটি মিথ্যা গুজব শুনে অনেকে হাবশা থেকে মক্কায় প্রত্যাবর্তন করেন। এই ... Read more - [হাজ্জাজ ইবন ইলাত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/hajjaj-ibn-ilat/): নাম হাজ্জাজ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু কিলাব, মতান্তরে আবু মুহাম্মাদ ও আবু আবদুল্লাহ। পিতা ইলাত ইবন খালিদ। বনী সুলাইম গোত্রের সন্তান। ইবন সাদ বলেন, রাসূল সা: যখন খাইবারে তখন তিনি তার খিদমতে ‍হাজির হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। তারপর মদীনায় বসতি স্থাপন করেন। ইবন শিহাব থেকে বর্ণিত। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি রাসূলুল্লাহর সা: নবুওয়াত সত্য বলে স্বীকার করে তার কাছে লোক পাঠান। (আল ইসাবা-১/৩১৩)। তার ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে একটি চমকপ্রদ কাহিনী ইতিহাসে দেখা যায়। ইবন আব আদ দুনিয়া ‘হাওয়াতিফুল জিন’ গ্রন্থে এবং ইবন আসাকির ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: হাজ্জাজের ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি ছিল এমন। তিনি একটি কাফিলার ... Read more - [উসমান ইবন তালহা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/uthman-ibn-talha/): নাম উসমান, পিতার নাম তালহা ইবন আবী তালহা এবং মাতার নাম উম্মু সাঈদ সালামা। মক্কার কুরাইশ বংশের বনু আমর শাখার সন্তান। জাহিলী যুগে পবিত্র কাবার হাজেব বা তত্ত্বাবধায়ক ও চাবির রক্ষক ছিলেন। ইসলামী যুগেও এ দায়িত্ব পালন করেন। (উসুদুল গাবা-৩/৩৭২)। উসমান ইবন তালহার পিতা তালহা,তিন ভাই মুসাফি, কিলাব ও হারেস এবং তার চাচা উসমান ইবন আবী তালহা উহুদ যুদ্ধে কাফির অবস্থায় মুসলিম বাহিনীর হাতে নিহত হয়। তার পিতা তালহা হযরত আলীর (রা) সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আলী (রা) তরবারির এক আঘাতে তাকে জাহান্নামে পৌঁছে দেন। (সীরাতু ইবন হিশাম ১ম খন্ড, টীকা নং-৩, পৃ. ৪৭০)। উসমান ইবন তালহার ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে ... Read more - [আমের ইবন রাবীয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/amer-ibn-rabiyya/): নাম আমের, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ এবং পিতা রাবীয়া। তার খান্দান হযরত উমারের (রা) পিতা খাত্তাব এর ‍হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিল। খাত্তাব তাকে এত ভালোবাসতেন যে, তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করেন। এ কারণে প্রথম জীবনে আমের ইবনুল খাত্তাব (খাত্তাবের পুত্র আমের) নামে পরিচিত হন। কিন্তু কুরআন যখন প্রথা বাতিল করে প্রত্যেক মানুষকে তার জন্মদাতা পিতার নামে পরিচয় গ্রহণের নির্দেশ দেয়, তখন হযরত আমেরও খাত্তাবের পরিবর্তে নিজের জন্মদাতা পিতা রাবীয়ার নামে পরিচিত হন। উল্লিখিত সম্পর্কের কারণে হযরত আমের ও হযরত উমারের মধ্যে শেষ জীবন পর্যন্ত অত্যন্ত মধুর সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। হযরত উমারের ‘বাইতুল মাকদাস’ সফরের সময় হযরত আমের তার সফরসঙ্গী ছিলেন। যে বছর ... Read more - [সালামা ইবন হিশাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/salama-ibn-hisham/): নাম সালামা, ডাক নাম আবু হাশেম। পিতা হিশাম ইবন মুগীরা এবং মাতা দাবায়া বিনতু আমের। ইসলামের ঘোরতর শত্রু আবু জাহলের ভাই। ড: মুহাম্মাদ হামীদুল্লাহ সালামার মা দাবায়া বিনতু আমেরের জাহিলী জীবনের এক চমকপ্রদ কাহিনী বর্ণনা করেছেন। হাইসাম ও ইবনুল কালবী বর্ণনা করেছেন: মুত্তালিব ইবন আবী ওয়াদায়া ইবন আব্বাসকে বলেছেন: দাবায়া বিনতু আমের ছিলেন হাওজা ইবন আলীর স্ত্রী। হাওজা মারা গেলে দাবায়া উত্তরাধিকারী হিসাবে প্রচুর সম্পত্তি লাভ করেন। অত:পর তিনি পিতৃ গোত্রে ফিরে আসেন। সেখানে আবদুল্লাহ ইবন জুদয়ান আত তাইমী দাবায়ার পিতার নিকট তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। তার পিতা রাজী হন এবং আবদুল্লাহর সাথে তাকে বিয়ে দেন। এদিকে দাবায়ার পিতা বলেন,আমি তো ... Read more - [ওয়ালীদ ইবনুল ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/waleed-ibnul-waleed-ibnul-mugheera/): নাম ওয়ালীদ, পিতা ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা। কুরাইশ গোত্রের বনী মাখযুম শাখার সন্তান। প্রখ্যাত সাহাবী ও সেনানায়ক হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও হিশাম ইবনুল ওয়ালীদের ভাই। একটি বর্ণনায় জানা যায়, তিনি হিশামের সহোদর ও খালিদের বৈমাত্রীয় ভাই। হযরত রাসূলে কারীমের সা: মক্কী জীবনে ওয়ালীদ ইসলাম গ্রহণ করেননি। এ সময় মুসলমানদের সাথে তার আচরণ কেমন ছিল, সীরাত গ্রন্থাবলীতে সে সম্পর্কে তেমন কিছু উল্লেখ নেই। তবে দেখা যায়, মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে বদর যুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং পরাজিত হয়ে হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ মতান্তরে সুলাইত ইবন কায়েসের সা: হাতে বন্দী হন। (আনসাবুল আশরাফ-১/৩০২)। ওয়ালীদের অন্য দুই ভাই খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ... Read more - [আমর ইবন আবাসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/amr-ibn-abasa/): তার নাম আমর, আবু নাজীহ কুনিয়াত বা ডাকনাম। পিতা ‍আবাসা ইবন আমের এবং মাতা রামলা বিনতুল ওয়াকীয়া। প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবুযার আল গিফারীর (রা) বৈপিত্রীয় ভাই। (আল ইসাবা-৩/৫)। জীবনের প্রথম থেকেই আমর ছিলেন সত প্রকৃতির লোক। জাহিলী যুগে যখন গোটা আরব মূর্তি পূজায় লিপ্ত তখনও তিনি এ কাজকে ঘৃণা এবং মূর্তি পূজারীদের পথভ্রষ্ট বলে মনে করতেন। তিনি নিজেকে ইসলামের চতুর্থ ব্যক্তি অথবা ইসলামের এক চতুর্থাংশ বলে দাবী করতেন। তার কাছে যখন জানতে চাওয়া হলো, আপনি কিসের ভিত্তিতে এ দাবী করেন? তিনি বললেন: জাহিলী যুগে আমি মানুষকে পথভ্রষ্ট বলে বিশ্বাস করতাম। মূর্তির কোন গুরুত্ব আমার কাছে ছিল না। আমি জানতাম, এগুলি যেমন ... Read more - [সাওবান ইবন নাজদাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/sawban-ibn-najdah/): নাম সাওবান, পিতার নাম নাজদাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্রাহ। ইয়ামানের প্রসিদ্ধ হিময়ার গোত্রের সন্তান। (আসাহ হুস সিয়ার-৫৯৯) কোন কারণে তিনি দাসে পরিণত হন। হযরত রাসূলে কারীম সা: তাকে খরীদ করেন এবং পরে আযাদ করে দেন। আযাদ করার সময় তিনি সাওবানকে বলেন, ইচ্ছা করলে তুমি স্বগোত্রীয় লোকদের কাছে চলে যেতে পার অথবা আমার সাথে থাকতে পার। আমার সাথে থাকলে আমার পরিবারের সদস্য বলে গণ্য হবে। সাওবান নিজ গোত্রে ফিরে যাওয়ার চেয়ে রাসূলুল্লাহর সা: সাহচর্যে থাকাকেই শ্রেয় মনে করেন। হযরত রাসূলে কারীমের ওফাতের পর অল্প কিছুদিন তিনি মদীনায় ছিলেন। রাসূল সা: ছাড়া মদীনা তার কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। তিনি মদীনা ছেড়ে শামের ... Read more - [তুলাইব ইবন উমাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/tulaib-ibn-umayr/): নাম তুলাইব, ডাকনাম আবু আদী। পিতা উমাইর ইবন ওয়াহাব, মাতা রাসুলুল্লাহর (মা) ফুফু আরওয়া বিনতু আবদুল মুত্তালিব। কুরাইশ বংশের বনী আবদী শাখার সন্তান। (আনসাবুল আশরাফ-১/৮৮)। হযরত তুলাইবের জন্ম ও ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। ইসলামের সূচনা পর্বেই যে তিনি এক কাফিলায় শরিক হন সে কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ইতিহাসে বর্ণিত কিছু কিছু ঘটনা দ্বারা বুঝা যায়, তার মামাতো ভাই মুহাম্মাদ ও তার দ্বীনের প্রতি ছিল তার সীমাহীন ভক্তি ও ভালোবাসা। রাসূল সা: প্রতি কুরাইশদের বৈরী আচরণে তুলাইব ছিলেন সব সময় ক্রুব্ধ। রাসূল সা: এর প্রতি কুরাইশদের রূঢ় আচরণের কঠিন জবাবও তিনি মাঝে মাঝে দিতেন। আর এসব কাজে ... Read more - [ফাদল ইবন আব্বাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/fadl-ibn-abbas/): নাম ফাদল, ডাক নাম আবু মুহাম্মাদ। পিতা প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) এবং মাতা লুবাবা বিনতুল হারেস আল হিলালিয়্যাহ। রাসূল সা: এর চাচাতো ভাই। পিতার জ্যেষ্ঠ সন্তান। এ কারণে পিতা আব্বাসকে ডাকা হতো আবুল ফাদলের পিতা বলে এবং ‍মাতা লুবাবাকে বলা হতো উম্মুল ফাদল বা ফাদলের মা। বদর যুদ্ধের পূর্বেই পরিবারের অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন ; কিন্তু মক্কার কাফিরদের ভয়ে প্রকাশ করেননি। মক্কা বিজয়ের অল্প কিছুদিন পূর্বে পিতা হযরত আব্বাস ও ছোট ভাই আবদুল্লাহর (রা) সাথে মদীনায় হিজরাত করেন। হিজরাতের সময় তার বয়স ছিল তের বছর এবং আবদুল্লাহর বয়স আট বছর। (হায়াতুস সাহাবা-১/৩৭৩) তিনি মদীনায় হিজরাতের পর ... Read more - [আবু বারযাহ আল আসলামী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/abu-barzah-al-aslami/): আবু বারযাহর আসল নামের ব্যাপারে রিজাল শাস্ত্রবিদদের যথেষ্ট মতপার্থক্য আছে। সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য মতানুসারে নাদলা ইবন উবাইদ তার নাম এবং আবু বারযাহ কুনিয়াত বা উপনাম। (আল ইসাবা-৪/১৯) মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মুসলমান হওয়ার পর কাফিরদের সাথে যত সংঘর্ষ হয়েছে তার সবগুলিতে তিনি হযরত রাসূলে কারীমের সা: সাথে ছিলেন। মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলে কারীম সা: তার চরম শত্রুকেও ক্ষমা করে দেন। তবে শত্রুতা ও বিদ্রোহের সীমা লংঘনকারী কতিপয় দুষ্কৃতিকারীকে সেদিন হত্যা করা হয়েছিল। আবদুর রহমান ইবন খাতাল ছিল এমনি একজন। এ ব্যক্তি প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু তার এক মুসলমান দাসকে হত্যা করে ইসলামী দণ্ড ‘কিসাস’ থেকে বাঁচার ... Read more - [উকবা ইবন আমের আল জুহানী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/uqba-ibn-amer-al-juhani/): নাম উকবা, ডাক নাম আবু আমর, পিতা আমের। বনু জুহানা গোত্রের লোক। হযরত রাসূলে কারীম সা: যখন মদীনায় আসেন, উকবা তখন মদীনা থেকে বহু দূরে ছাগলের রাখালী করছিলেন। রাসূল সা: এর আগমন সংবাদ মদীনার অলি গলি ও তার আশ পাশের মরু ভূমি ও মরুদ্যানে ছড়িয়ে পড়ে। রাসূল সা: এর সাথে উকবার প্রথম সাক্ষাত কিভাবে ঘটে তা উকবার মুখেই শোনা যাক: ‘রাসূল সা: যখন মদীনায় এলেন আমি তখন মদীনার বাইরে আমার ছাগল চড়াচ্ছিলাম। খবরটি আমার কাছে পৌঁছার পর আমি সব কিছু ছেড়ে তার সাথে সাক্ষাতের জন্য চলে আসি। রাসূল সা: এর খিদমতে হাজির হয়ে আমি আরজ করলাম: ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমাকে বাইয়াত (আনুগত্যের ... Read more - [বুরাইদাহ ইবনুল হুসাইব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/buraydah-ibnul-husayb/): নাম বুরাইদাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্লাহ। পিতার নাম হুসাইব ইবন আবদিল্লাহ। বনু আসলাম গোত্রের সরদার। রাসুল সা: হিজরাতের সময় বুরাইদাহ ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কা থেকে মদীনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ‘গামীম’ নামক স্থানে পৌঁছলে বুরাইদাহ রাসূলুল্লাহর খিদমতে হাজির হন। রাসূল সা: তার সামনে ইসলামের দাওয়াত পেশ করেন এবং তিনি বিনা বাক্য ব্যয়ে তা কবুল করেন। উল্লেখ্য যে, এই ‘গামীম’ মক্কা থেকে দুই মনযিল দূরে অবস্থিত। এখানে তার সাথে বনু আসলামের আরও আশি ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে। রাসূল সা: সেখানে ইশার নামায আদায় করেন এবং বুরাইদাহ ও তার সঙ্গীরা রাসূল সা: পেছনে ইকতিদা করে নামায আদায় করেন। (হায়াতুস ... Read more - [আবু সুফইয়ান ইবন হারেস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/abu-sufyan-ibn-hares/): মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সা: ও আবু সুফইয়ান ইবন হারেসের মধ্যে যতখানি গভীর ও শক্ত সম্পর্ক ছিল তা খুব কম লোকের সাথেই ছিল। তার দুজন একই পরিবারে একই সময়ে জন্মগ্রহণ করেন। তারা দুজন পরষ্পর চাচাতো ভাই। আবু সুফইয়ানের পিতা হারেস ইবন আবদুল মুত্তালিব ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা: বড় চাচা। তিনি ইসলাম পূর্ব যুগে মারা যান। (টীকা: সীরাতু ইবন হিশাম-১/১৬৩)। রাসূল সা: ও আবু সুফইয়ান পরষ্পর দুধ ভাই। হযরত হালীমা আস সাদিয়্যাহ তাদের দুজনকে দুধ পান করান। রাসুল সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্ব পর্যন্ত তাদের দুজনের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল। দুজনের চেহারার মধ্যেও যথেষ্ট মিল ছিল। ইবনুল মোবারক ইবরাহীম ইবন মুনজির প্রমূখের মতে আবু সুফইয়ানের নাম ... Read more - [উমাইর ইবন আবী ওয়াককাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/umair-ibn-abi-waqqas/): নাম উমাইর, পিতা আবু ওয়াককাস, মাতা হামনা বিনতু সুফইয়ান। ইরান বিজয়ী হযরত সা’দ ইবন আবী ওয়াককাসের সহোদর। হযরত উমাইরের বড় ভাই সা’দ ইবন আবী ওয়াককাস ইসলামের সূচনা পর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন। তখন হযরত উমাইরের বয়স যদিও কম তথাপি তিনি বড় ভাই এর পদাঙ্ক অনুসরণ করেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে হিজরাত করে মদীনায় পৌঁছেন। রাসূল সা: মদীনার আবদুল আশহাল গোত্রের সরদার হযরত সা’দ ইবন মুয়াজের ছোট ভাই হযরত আমর ইবন মুয়াজের সাথে তার দ্বীনী ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দেন। তারা দুজনই প্রায় সমবয়সী ছিলেন। হিজরী ২য় সনে বদর যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। হযরত রাসূলে কারীম সা: সৈনিক নির্বাচন করছেন। হযরত উমাইরও সমাবেশে হাজির ... Read more - [শুকরান সালেহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shukran-saleh/): নাম সালেহ, লকব বা উপাধি ‘শুকরান’। পিতার নাম আদী। হযরত আবদুর রহমান ইবন আউফের (রা) হাবশী বংশজাত দাস। তবে এই দাসত্বের মধ্যেও নেতৃত্বদান তার ভাগ্যে ছিল। হযরত রাসূলে কারীম সা: নিজের কাজের জন্য তাকে নির্বাচন করেন। অর্থের বিনিময়ে তাকে আবদুর রহমানের নিকট থেকে খরীদ করেন। কোন কোন বর্ণনা মতে হযরত আবদুর রহমান কোন রকম অর্থ বিনিময় ছাড়াই তাকে রাসূল সা: এর অনুকূলে হিবা করেন। তার জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। তিনি কখন কিভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন সে সম্পর্কেও তেমন কোন তথ্য সীরাতের গ্রন্থসমূহে পাওয়া যায় না। অধিকাংশ যুদ্ধে হযরত শুকরান যুদ্ধলদ্ধ সম্পদ ও কয়েদীদের হিফাজতের দায়িত্বে নিয়োজিত হতেন। এ কারণে ... Read more - [মিহরায ইবন নাদলা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/mihraj-ibn-nadla/): নাম মিহরায, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু ফাদলাহ। তবে প্রধানত: আখরাম আল আসাদী উপাধিতে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি কখন কিভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন তা সঠিকভাবে জানা যায় না। তবে তিনি প্রথম পর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন বলে সীরাত বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত। মক্কা থেকে মদীনায় হিজরাত করার পর আবদুল আশহাল গোত্রের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং হযরত আম্মার ইবন হাযামের (রা) সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। মূসা ইবন উকবা, ইবন ইসহাক ও অন্যরা তাকে বদরী সাহাবীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ওয়াকিদী আয়্যূব ইবন নুমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: বদরে মুসয়াব ইবন উমাইরের ভাই আবু আযীয ইবন উমাইর বন্দী হয়। তাকে মিহরায ইবন নাদলার হিফাজতে ... Read more - [শুজা ইবন ওয়াহাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shuja-ibn-wahhab/): নাম শুজা, কুনিয়াত আবু ওয়াহাব এবং পিতা ওয়াহাব। জাহিলী যুগে তার খান্দান বনী আবদে শাࢮস এর হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিল। (উসুদুল গাবা-২/৩৮৬)। যারা ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন, হযরত শুজা তাদেরই একজন। মক্কার মুশরিকদের অত্যাচারে বাধ্য হয়ে হাবশা হিজরাতকারী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশা যান। (আল ইসাবা-৩/১৩৮)। তাদের হাবশা অবস্থানকালে যখন সেখানে এ গুজব রটে যে মক্কার সকল বাসিন্দা রাসুলুল্লাহর সা: আনুগত্য মেনে নিয়েছে, তখন স্বদেশের ভালোবাসা অনেকের মত তাকেও মক্কায় টেনে নিয়ে আসে। মক্কায় এসে দেখেন খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কিছুদিন মক্কায় অবস্থানের পর নিরাপদে মদীনায় হিজরাত করেন। এখানে হযরত আউসের সাথে তার দ্বীনী ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বদর, উহুদ সহ ... Read more - [শাম্মাস ইবন উসমান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shammas-ibn-uthman/): নাম শাম্মাস, পিতার নাম উসমান এবং মাতার নাম সাফিয়্যাহ। কুরাইশ গোত্রের বনু মাখযুম শাখার সন্তান। হিশাম কালবী থেকে বর্ণিত হয়েছে, তার প্রকৃত নাম ছিল উসমান। শাম্মাস নামকরণের কারণ এই যে, একবার জাহিলী যুগে পরম সুন্দর এক খৃস্টান পুরুষ মক্কায় আসে। তার চেহারা থেকে যেন সূর্যের কিরণ চমকাচ্ছিল। তার এ অত্যাশ্চার্য সৌন্দর্য দেখে মানুষ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে। হযরত শাম্মাসের মামা উতবা ইবন রাবী’য়া এ সময় দাবী করলো যে, তার কাছে এর থেকেও বেশি সূর্য কিরণ বিচ্ছুরিত হচ্ছে এমন মানুষ আছে। আর সে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হযরত শাম্মাসকে উপস্থাপন করে। সেদিন থেকে উসমান শাম্মাসে পরিণত হন। শাম্মাস অর্থ অতিরিক্ত সূর্য কিরণ বিচ্ছুরণকারী। (উসুদুল গাবা-৩/৩৭৫)। ... Read more - [উকাশা ইবন মিহসান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/ukasha-ibn-mihsan/): নাম উকাশা বা উককাশা, কুনিয়াত বা ডাক নাম আবু মিহসান। পিতা মিহসান ইবন হুরসান। জাহিলী যুদে বনী আবদে শামসের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। হিজরতের পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং অন্যদের সাথে মক্কা ছেড়ে মদীনায় চলে যান। (উসুদুল গাবা-৪/২)। বদর যুদ্ধে সাহসিকতার জন্য দারুণ নাম করেন। এ যুদ্ধে তার হাতের তরবারিটি ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। রাসুল সা: তাকে একটি খেজুরের ছড়ি দান করেন এবং তা দিয়েই তিনি সূচালো ছুরির মত শত্রুর ওপর আক্রমণ চালান। যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তিনি এ ছড়ি দিয়েই লড়ে যান। (ইসতীয়াব) ইবন সাদ যায়িদ ইবন আসলাম ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করছেন: বদরের দিন উকাশা ইবন মিহসানের অসিটি ভেঙ্গে ... Read more - [আবু রাফে (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/abu-rafe/): হযরত আবু রাফে’র (রা) প্রকৃত নামের ব্যাপারে প্রচুর মতভেদ দেখা যায়। যেমন: ইবরাহীম, আসলাম, সিনান, ইয়াসার, সালেহ, আবদুর রহমান, কারমান, ইয়াযীদ, সাবেত, হুরমুয ইত্যাদি। এর মধ্যে আসলাম নামটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। (আল ইসাবা-৪/৬৭) আবু রাফে তার কুনিয়াত বা ডাকনাম। বংশ কৌলিন্যের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, হযরত রাসূলে কারীমের সা: খিদমত করার সৌভাগ্য তার হয়েছিল। রাসুল সা: তাকে স্বীয় পরিবারের মধ্যে শামিল করে নেন। এর বেশি খান্দানী শরাফত কোন মানুষের জন্য আর হতে পারে ‍না। আসলে তিনি ছিলেন একজন হাবশী দাস। হযরত আবু রাফে প্রথম হযরত আব্বাসের (রা) দাস ছিলেন। তিনি রাসুল সা:কে হিবা বা দান করেন। পরে হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত ... Read more - [উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/ubaidah-ibn-al-harith/): নাম উবাইদাহ, কুনিয়াত আবুল হারিস বা আবু মুআবিয়া। পিতা আল হারিস এবং মাতা সুখাইলা। দাদা আব্দুল মুত্তালিব ইবন আবদে মান্নাফ। কুরাইশ গোত্রের সন্তান। উবাইদাহ ইবনুল হারিস, আবু সালামা ইবনে আবদিল আসাদ, আল আরকাম ইবন আবিল ‍আরকাম এবং উসমান ইবন মাজউন হযরত আবু বকরের দাওয়াতে সাড়া দিয়ে এক সাথে ঈমান আনেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: তখন আল আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেননি। হযরত উবাইদাহ যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তিনি বনী আবদে মান্নাফের একজন নেতা। মক্কায় হযরত বিলালকে তিনি দ্বীনী ভাই হিসাবে গ্রহণ করেন। মদীনায় হিজরাতের নির্দেশ হলো। হযরত উবাইদাহ তার দুই ভাই তুফাইল, হুসাইন এবং মিসতাহ ইবন উসাসাহকে সাথে ... Read more - [হাকীম ইবন হাযাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/hakeem-ibn-hazam/): নাম হাকীম, ডাক নাম আবু খালিদ। পিতা হাযাম ইবনে খুওয়াইলিদ, মাতা যয়নাব মতান্তরে সাফিয়্যা। হাকীম নিজেই বলছেন: আমি ‘আমুল ফীল’ (হস্তী বৎসর) অর্থাত আবরাহার কাবা আক্রমণের তের বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করি। ওয়াকিদী বলেন: হাকীমের জন্ম রাসূলুল্লাহর সা: জন্মের পাঁচ বছর পূর্বে। তার পিতা হাযাম ফিজার যুদ্ধে মারা যায়। তিনি নিজেও এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুবাইর ইবন বাকার বলেন: হাকীম কাবার অভ্যন্তরে জন্ম গ্রহণ করেন। (আল ইসাবা-১/৩৪৯)। ইতিহাস বলছে, তিনি আরবের একমাত্র সন্তান যে কাবার অভ্যন্তরে ভূমিষ্ট হয়েছে। তার মা কয়েকজন বান্ধবী সহ কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। সেদিন কোন এক বিশেষ উপলক্ষ্যে কাবার দরযা খোলা ছিল। সে সময় তার মা ছিলেন গর্ভবতী। ... Read more - [আকীল ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/aqeel-ibn-abi-talib/): নাম আকীল ডাক নাম আবু ইয়াযীদ। পিতা আবু তালিব ইবন আবদিল মুত্তালিব মাতা ফাতিমা। কুরাইশ বংশের হাশেমী শাখার সন্তান। চতুর্থ খলীফা হযরত আলীর সৎ ভাই এবং আলী অপেক্ষা বিশ বছর বড়। আকীল পিতা আবু তালিবের কাছে প্রতিপালিত হন। রাসুলুল্লাহর সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে একবার মক্কায় দারুণ অভাব দেখা দেয়। কুরাইশদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সা: ও আব্বাসের অবস্থা তুলনামূলকভাবে একটু ভালো চিল। একদিন রাসূলুল্লাহ সা: আব্বাসকে বললেন: চাচা, আপনার ভাই আবু তালিবের অবস্থা তো আপনার জানা। তার সন্তান সংখ্যা বেশি। চলুন না আমরা তার কিছু সন্তানের দায়িত্ব নেই। তারা দুজন আবু তালিবের কাছে গিয়ে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করলেন। আবু তালিব বললেন, আকীল ছাড়া ... Read more - [আবু সালামা ইবন আবদিল আসাদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abu-salama-ibn-abdul-asad/): নাম আবদুল্লাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু সালামা। পিতা আবদুল আসাদ, মাতা বাররাহ বিনতু আবদিল মুত্তালিব। রাসুলুল্লাহর সা: ফুফাতো ভাই। তাছাড়া সঠিক বর্ণনা অনুযায়ী রাসুলুল্লাহর সা: দুধভাই। আবু লাহাবের দাসী ‘সুওয়াইবা’ রাসুল্লাহ সা: হামযা ও আবু সালামাকে দুধ পান করান। (সীরাতু ইবন হিশাম-২/৯৬)। হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে অবস্থান নেওয়ার পূর্বে তিনি মুমিনদের দলে শামিল হন। হযরত আবু বকর (রা) ইসলাম গ্রহণের পর সর্বপ্রথম উসমান ইবন আফফান, তালহা ইবন উবাইদিল্লাহ, যুবাইর ইবনুল আওয়াম, সাদ ইবন আবী ওয়াক্কাসকে ইসলামের দাওয়াত দেন। তাদের সকলকে রাসুলুল্লাহর সা: এর খিদমতে নিয়ে আসেন। তারা সকলে একসাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরের দিন তিনি ... Read more - [‍সালামা ইবনুল আকওয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/salama-ibnul-aqwa/): নাম সিনান, পিতা আমর ইবনুল আকওয়া। কুনিয়াত বা ডাক নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথা: আবু মুসলিম, আবু ইয়াস, আবু আমের ইত্যাদি। তবে পুত্র ইয়াসের নাম অনুসারে আবু ইয়াস ডাক নামটি অধিক প্রসিদ্ধ। (আল ইসতিয়াব)। সীরাত বিশেষজ্ঞরা সালামার ইসলাম গ্রহণের সময়কাল সম্পর্কে নীরব। তবে এতটুকু ঐতিহাসিক সত্য যে, হিজরী ৬ষ্ঠ সনের পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদীনায়ও হিজরত করেন। অধিকাংশ মুহাজির পরিবার পরিজন সহ হিজরাত করেন; কিন্তু হযরত সালামা আল্লাহর রাস্তায় স্ত্রী ও সন্তানদের ত্যাগ করেই হিজরাত করেন। মদীনায় আসার পর তিনি প্রায় সকল যুদ্ধেই অংশগ্রহণ করেন। হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রেক্ষাপটে ‘বাইয়াতে রিদওয়ান’ বা ‘বাইয়াতে শাজারা’ এর ইসলামের ইতিহাসে এক বিশেষ গুরুত্ব ... Read more - [উমাইর ইবন ওয়াহাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/umair-ibn-wahhab/): নাম উমাইর, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু উমাইয়া। পিতা ওয়াহাব, মাতা উম্মু সাখীলা। কুরাইশদের অন্যতম বীর নেতা। ইসলাম পূর্ব জীবনে ইসলাম ও রাসুলুল্লাহর সা: চরম দুশমন। তীক্ষ ও গভীর দৃষ্টি সম্পন্ন প্রখর অনুধাবন ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিত্ব। তিনি বদর যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে যোগ দেন এবং যুদ্ধ শুরুর পূর্ব মুহুর্তে কুরাইশ বাহিনী তাকে মুসলিম বাহিনীর শক্তি নিরূপণের দায়িত্ব দেয়। তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে মুসলিম বাহিনীর আশে পাশে চক্কর মেরে কুরাইশ চাউনীতে ফিরে গিয়ে জানান, ‘তারা তিনশোর মত হবে। এর কিছু কম বা বেশিও হতে পারে।’ তার অনুমান যথাযথ ছিল। কুরাইশরা তাকে জিজ্ঞেস করে,‘পেছনে তাদের কোন সাহায্য আসার সম্ভাবনা আছে কি? তিনি জবাব দেন, ... Read more - [আবুল আস ইবন রাবী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abul-as-ibn-rabi/): আবুল আসের প্রকৃত নামের ব্যাপারে ইতিহাসে বিস্তর মতভেদ দেখা যায়। যেমন: লাকীত, হিশাম, মিহশাম, ইয়াসির, ইয়াসিম ইত্যাদি। তবে তার কুনিয়াত বা ডাকনাম আবুল ‘আস’। এ নামেই তিনি ইতিহাসে খ্যাত। তার পিতা ‘রাবী’ ইবনে ‘আবদিল উযযা’ মাতা হযরত খাদীজার (রা) সহোদরা হালা বিনতু খুওয়াইলিদ। তিনি কুরাইশ গোত্রের ‘আবদু শামস’ শাখার সন্তান হওয়ার কারণে তাকে সংক্ষেপে ‘আবশামী’ বলা হয়। খালা হযরত খাদীজা (রা) ও খালু রাসুলুল্লাহ সা: বাড়ীতে আবুল আসের অবাধ যাতায়াত ছিল। তিনি ছিলেন ‍খালা খালুর অতি স্নেহের পাত্র। আবুল আস ধীরে ধীরে যৌবনে পদার্পণ করেন। তার আকর্ষণীয় চেহারা সকলের মন কেড়ে নেয়। বংশ গৌরব এবং আরবীয় বীরত্ব, প্রখর আত্মমর্যাদাবোধ ইত্যাদি গুণের ... Read more - [শুরাহবীল ইবন হাসান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/shurahbeel-ibn-hasan/): নাম শুরাহবীল, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্লাহ বা আবু আবদির রহমান। পিতা আবদুল্লাহ ইবনুল মুতা’, মাতা হাসানা। তবে আবু আমরের মতে হাসানা তার মেয়ের নাম। যাই হোক,শুরাহবীলের পিতা মারা যাওয়ার পর তার মা হাসানা দ্বিতীয়বার সুফইয়ান আনসারীকে বিয়ে করেন। এ কারণে তিনি পিতার পরিবর্তে মাতার নামে পরিচিত হন। এই হাসানার বংশ সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন কিন্দা গোত্রের, কেউ বলেছেন ‍তামীম গোত্রের, আবার অনেকের মতে বনী জুমাহ গোত্রের। তিনি মক্কায় ইসলামের প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পরিবারের অন্যদের সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। অত:পর সেখান থেকে মদীনায় চলে যান। (সীরাতু ইবন হিশাম-২/৩৬৪, ৩৬৯)। শুরাহবীল ইসলামের সূচনা পর্বেই মুসলমান হওয়ার গৌরব অর্জন ... Read more - [যায়িদ ইবনুল খাত্তাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/zayd-ibnul-khattab/): নাম যায়িদ, ডাক নাম আবু আবদির রহমান। পিতা খাত্তাব ইবন নুফাইল, মাতা আসমা বিনতু ওয়াহাব। হযরত উমার ইবনুল খাত্তাবের বৈমাত্রীয় ভাই এবং বয়সে হযরত উমার থেকে বড়। (উসুদুল গাবা-২/২২৮)। ইসলামের সূচনা পর্বে উমারের বাড়াবাড়ির কারণে যদিও খাত্তাবের বাড়ী সন্ত্রস্ত ছিল, তথাপি যায়িদ উমারের পূর্বেই ইসলাম কবুল করেন এবং মুহাজিরদের প্রথম কাফিলার সাথে মদীনায় হিজরাতও করেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: মদীনায় আসার পর মা’ন ইবন ’আদী আল ’আজলানীর সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দেন। মদীনায় আসার পর সর্বপ্রথম ‘বদর’ যুদ্ধে শরীক হন। তারপর উহুদেও অংশ গ্রহণ করেন। দারুন ‍সাহসী ছিলেন। প্রত্যেক যুদ্ধে তিনি যতটা না বিজয় কামনা করতেন তার চেয়ে ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন সুহাইল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abdullah-ibn-suhail/): নাম আবদুল্লাহ, ডাক নাম বা কুনিয়াত আবু সুহাইল। পিতা সুহাইল এবং মাতা ফাখতা বিনতু আমের। ইসলামের প্রথম পর্বে ঈমান আনেন এবং হাবশা অভিমূখী দ্বিতীয় কাফিলার সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। কিছুদিন হাবশায় অবস্থানের পর মক্কায় ফিরে এলে পিতা তাকে বন্দী করে এবং তার ওপর নির্দয় অত্যাচার চালায়। আবদুল্লাহ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইসলাম ত্যাগ করে পুনরায় মুশরিকী জীবনে বা পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার ভান করেন। মাতা পিতা ও মক্কার মুশরিকরা তার বাহ্যিক আচরণ দেখে ইসলাম পরিত্যাগ সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। এদিকে হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কা ছেড়ে মদীনায় চলে যান। মক্কা ও মদীনার মাঝে সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয়। মক্কাবাসীরা আবদুল্লাহকে তাদের সহযোদ্ধা ... Read more - [আমের ইবন ফুহাইরা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/amer-ibn-fuhairah/): নাম আমের, ডাক নাম আবু আমর। পিতা ফুহাইরা, মতান্তরে ফুহাইরা তাঁর মাতার নাম। ইবন হিশাম বলেন, ‘আমের ইবন ফুহাইরা বনী আসাদের এক অনারব নিগ্রো দাস। হযরত আবু বকর সিদ্দীক তাঁকে খরীদ করে আযাদ করে দেন। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/২৫৯)। অন্য একটি বর্ণনা মতে, আমের ছিলেন হযরত আয়িশার বৈপিত্রীয় ভাই ইযদ গোত্রের তুফাইল ইবন আবদিল্লাহর দাস। হযরত সিদ্দীকে আকবর রা: হিজরাতের পূর্বে যাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত করেন ‘আমের ইবন ফুহাইরা তাদের মধ্যে সপ্তম ব্যক্তি। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/৩১৮)। হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কায় হযরত আরকামের গৃহে আশ্রয় গ্রহণের পূর্বেই ইসলামের সেই সূচনালগ্নে ‘আমের ইবন ফুহাইরা তাওহীদের দাওয়াত কবুল করেন। একে তো অসহায় দাস, তার ... Read more - [‘উতবা ইবন গাযওয়ান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/utbah-ibn-ghazwan/): নাম উতবা, ডাক নাম আবু আবদিল্লাহ। পিতা গাযওয়ান ইবন জাবির। ‍জাহিলী যুগে তার গোত্র বনী নাওফাল ইবন আবদে মান্নাফের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল। ইসলামের সূচনালগ্নে তাওহীদের আহবানে সাড়া দানকারীদের মধ্যে উতবা অন্য ব্যক্তি। একবার এক ভাষণে তিনি দাবী করেন, তিনি সপ্তম মুসলমান। (উসুদুল গাবা-৩) মক্কায় কাফিরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হাবশার দ্বিতীয় হিজরাতে শরিক হন। তখন তার বয়স ৪০ বছর। কিছুদিন হাবশায় থাকার পর আবার মক্কায় ফিরে এসে বসবাস করতে থাকেন। হযরত রাসূলে করীম সা: তখনও মক্কায়। (আল ইসতিসাব, উসুদুল গাবা-৩/৩৬৪)। রাসুলুল্লাহ সা: যখন মদীনায় হিজরাত করেন এবং কুফর ও ইসলামের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হলো, তিনি এবং মিকদাদ একটি কুরাইশ বাহিনীর সাথে ... Read more - [হাতিব ইবন আবী বালতা’য়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/hatib-ibn-abi-baltaya/): নাম হাতিব, কুনিয়াত আবু মুহাম্মাদ, আবু আবদিল্লাহ। পিতার নাম আবু বালতা’য়া আমর। তাঁর বংশ পরিচয় ও মক্কায় উপস্থিতির ব্যাপারে সীরাত লেখকদের মতভেদ আছে। সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য মতে পিতৃ-পুরষের আদি বাসস্থান ইয়ামান। বনী আসাদ, অত:পর যুবাইর ইবনুল আওয়ামের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ হয়ে তারা মক্কায় বসবাস করতো। আবার কেউ বলেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে হুমাইদের দাস ছিলেন। মুকাতাবা বা চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ পরিশোধ করে দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন। (উসুদুল গাবা-১/৩৬১)। মারযুবানী তাঁর মুজামুশ শু’য়ারা গ্রন্থে বলেন, “তিনি জাহিলী যুগে কুরাইশদের অন্যতম খ্যাতিমান ঘোড় সাওয়ার ও কবি ছিলেন”। (আল ইসাবা-১/৩০০) হিজরাতের পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদীনা ইসলামের কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর তাঁর দাস সা’দকে ... Read more - [সালেম মাওলা আবী হুজাইফা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/salem-mawla-abi-huzaifa/): হযরত রাসূলে কারীম(সা) একদিন সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন, “তোমরা কুরআন শেখ চার ব্যক্তির নিকট থেকেঃ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, সালেম মাওলা আবী হুজাইফা, উবাই ইবনে কা’ব ও মুয়ায ইবনে জাবাল।” কে এই সালেম মাওলা আবী হুজাইফা- যাকে কুরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ(সা) নির্ভরযোগ্য বলে ঘোষণা করেছেন? তাঁর নাম সালেম, কুনিয়াত আবু আব্দুল্লাহ। পিতার নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। ইবন মুন্দাহ বলেছেন, ‘উবায়েদ ইবনে রাবী’য়া। আবার কারো কারো মতে, মা’কাল। ইরানী বংশোদ্ভূত। পারস্যের ইসতাখরান তাঁর পূর্বপুরুষের আবাসভূমি। হযরত সুবাইতা বিনতু ইউ’য়ার আল আনসারিয়্যার দাস হিসেবে মদীনায় পৌছেন। হযরত সুবাইতা ছিলেন আবী হুজাইফার(রা) স্ত্রী। সুবাইতা তাকে নিঃশর্ত আযাদ করে দিলে আবু হুজাইফা তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করেন। ... Read more - [আবু হুজাইফা ইবন উতবা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/abu-hudhayfa-ibn-utbah/): নাম আবু হুজাইফা হাশীম, মতান্তরে হাশেম, পিতা উতবা, মাতা ফাতিমা বিনতু সাফওয়ান এবং ডাকনাম উম্মু সাফওয়ান। কুরাইশ গোত্রের সন্তান। আবু হুজাইফা সাবেকীনে ইসলাম অর্থাৎ প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা উতবা ইসলামের চরম দুশমন কুরাইশ নেতৃবৃন্দের এক প্রধান পুরুষ। ইসলামের বিরোধিতায় সে তার জীবন উৎসর্গ করেছিল। কিন্তু আল্লাহর কি মহিমা, তারই পুত্র আবু হুজাইফা ইসলামের দাওয়াত গ্রহণ করতে মোটেও বিলম্ব করেননি। মক্কায় রাসূলুল্লাহ (সা) হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেওয়ার পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণের গৌরব অর্জন করেন এবং আরো অনেকের মত কুরাইশদের হাতে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন। (উসুদুল গাবা-৫/১৭০) ইবন ইসহাক বলেন, তিনি তেতাল্লিশ (৪৩) জনের পর ... Read more - [মুগীরা ইবন শু’বা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/mughira-ibn-shuba/): নাম আবু আবদিল্লাহ মুগীরা, পিতা শু’বা ইবন আবী আমের। আবু আবদিল্লাহ ছাড়াও আবু মুহাম্মাদ ও আবু ঈসা তাঁর কুনিয়াত। বনী সাকীফ গোত্রের সন্তান। তাঁর মা উমামা বিনতু আফকাম বনী নাসের ইবন মুয়াবিয়া গোত্রের কন্যা। হিজরী পঞ্চম সনে খন্দক যুদ্ধের বছর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ঐ বছরই মক্কা থেকে মদীনায় হিজরাত করে রাসূলুল্লাহর (সা) সাহচর্যে অবস্থান করতে থাকেন। (আল-ইসাবা-৩/৪৫২, উসূদুল গাবা-৪/৪০৬, আল-ইসতিয়াব) হযরত রাসূলে কারীমের (সা) সাথে মুগীরার সর্বপ্রথম কখন পরিচয় হয় সে সম্পর্কে একটি ঘটনা বায়হাকী বর্ণনা করেছেন। মুগীরা বলেনঃ আমি প্রথম যেদিন রাসূলুল্লাহর সাথে পরিচিত হই, সেদিন আবু জাহল ও আমি মক্কার এক ছোট্ট গলিপথ দিয়ে হাঁটছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহর ... Read more - [খাব্বাব ইবনুল আরাত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/khabbab-ibn-al-arat/): নাম খাব্বাব, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ, পিতার নাম আরাত। তাঁর বংশ সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন, তিনি বনু তামীম, আবার কেউ বলেছেন, বনু খুযা’য়া গোত্রের সন্তান। তবে সহীহ মতানুযায়ী তিনি বনু তামীম গোত্রের সন্তান। (সীরাত ইবন হিশাম-১/২৫৪) শৈশবে তিনি দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়েন। তাঁর দাসত্বের কাহিনী ইতিহাসে এভাবে বর্ণিত হয়েছেঃ বনু খুযা’য়া গোত্রের উম্মু আনমার নাম্মী এক মহিলা মক্কার দাস কেনা-বেচার বাজারে গেল। তার উদ্দেশ্য, সে সুস্থ ও তাজা-মোটা দেখে এমন একটি দাস কিনবে, যে তার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করতে পারবে। বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনীত দাসদের চেহারা সে গভীরভাবে দেখতে লাগলো। অবশেষে সে একটি কিশোর দাস নির্বাচন করলো, যে তখনও যৌবনে ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন হুজাফাহ আস-সাহমী-(রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/abdullah-ibn-hujafah-as-sahmi/): আবু হুজাফাহ আবদুল্লাহ নাম। পিতার নাম হুজাফাহ। কুরাইশ গোত্রের বনী সাহম শাখার সন্তান। ইসলামী দাওয়াতের প্রথম ভাগে মুসলমান হন এবং দীর্ঘদিন যাবত হযরত রাসূলেপাকের (সা) সাহচর্যে অবস্থান করেন। তাঁর ভাই কায়েস ইবন হুজাফাহকে সঙ্গে করে হাবশাগামী মুহাজিরদের দ্বিতীয় কাফিলার সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। (আল-ইসতিয়াব) একমাত্র বদর ছাড়া সকল যুদ্ধেই তিনি রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে শরিক হন। আবু সাঈদ আল খুদরী (রা) তাঁকে ‘বদরী’ বা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বলে উল্লেখ করেছেন। তবে মুসা বিন উকবা, ইবন ইসহাক ও অন্যরা তাঁকে ‘বদরী’ বলে উল্লেখ করেননি। (আল-ইসতিয়াব) রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁকে একটি অভিযানের আমীর বানিয়ে পাঠান। যাত্রার প্রাক্কালে তাঁর অধীনস্থ সৈনিকদের রাসূল (সা) নির্দেশ দেন, কক্ষণো ... Read more - [খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/khalid-ibn-al-waleed/): নাম আবু সুলাইমান খালিদ, লকব সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি)। পিতা ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা এবং মাতা লুবাবা আস-সুগরা, উম্মুল মুমিনীন হযরত মাইমুনা বিনতুল হারিস ও হযরত আব্বাস ইবন আবদিল মুত্তালিবের স্ত্রী লুবাবা আল-কুবরার বোন। রাসূলুল্লাহ (সা) ও হযরত আব্বাস (রা) তাঁর খালু। (উসুদুল গাবা-২/৯৩) তাঁর খান্দান ছিল জাহিলী আরবের কুরাইশদের মধ্যে অতি সম্ভ্রান্ত। কুব্বা ও আয়িন্না (সৈন্য ও সেনা ক্যাম্পের পরিচালন দায়িত্ব) –এ দু’টি দায়িত্ব ছিল তাঁর খান্দানের ওপর। ইসলামের অভ্যুদয়ের সময় খালিদ ছিলেন এই পদে অধিষ্ঠিত। (আল-ইসতিয়াব-১/১৫৭) হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রাককালে মুসলমানদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য কুরাইশদের যে দলটি মক্কা থেকে বের হয়েছিল, তার নেতা ছিলেন খালিদ। উহুদ যুদ্ধে বীরত্বের সাথে মুসলিম বাহিনীর ... Read more - [আমর ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/amr-ibnul-as/): আমর নাম, আবু আবদিল্লাহ ও আবু মহাম্মাদ কুনিয়াত। পিতা আস ও মাতা নাবিগা। তাঁর বংশের উর্ধপুরুষ কা’ব ইবন লুই-এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহর (সা) নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। জাহিলী যুগেই আমর ইবনুল আসের খান্দান-‘বনু সাহম’ সম্ভ্রান্ত খান্দান হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। কুরাইশদের ঝগড়া-বিবাদের সালিশ-মিমাংসার দায়িত্ব এই খান্দানের ওপর অর্পিত হত। তাঁর জম্ম ও শৈশবকাল সম্পর্কে বিশেষ কোন তথ্য পাওয়া যায় না। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে পর্যন্ত তিনি ছিলেন কট্টর ইসলাম-দুশমন। কুরাইশ নেতৃবৃন্দের সাথে একাত্ম হয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরোধিতায় তাঁর ছিল দারুণ উৎসাহ। বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহর (সা) চরম শত্রু কুরাইশদের তিন প্রধান পুরুষের একজন ছিলেন তিনি। যাদের বুরুদ্ধে শেকায়েত করে রাসূলুল্লাহ (সা) আল্লাহর ... Read more - [মিকদাদ ইবন ’আমর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/miqdad-ibn-amr/): নাম মিকদাদ, কুনিয়াত আবুল আসওয়াদ, আবু ’আমর ও আবু সাঈদ। পিতা ’আমর ইবন সা’লাবা। তাঁর পিতৃ পুরুষের আদি বাসস্থান ‘বাহারা’। ইবনুল কালবী বর্ণনা করেন, মিকদাদের পিতা ’আমর তাঁর গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে ‘কিসাস’ বা প্রতিশোধের ভয়ে ‘হাদরামাউতেই’ পালিয়ে যান এবং কিন্দার সাথে মৈত্রী চুক্তি করেন। এ কারণে তাঁকে ‘কিন্দী’ বলা হয়। তিনি হাদরামাউতের এক নারীকে বিয়ে করেন এবং তার গর্ভেই ‘মিকদাদ’ জম্মগ্রহণ করেন। এই হাদরামাউতেই মিকদাদ বেড়ে ওঠেন। এখানে আবু শাম্মার ইবন হাজার আল কিন্দী নামক এক ব্যক্তির সাথে তাঁর ঝগড়া হয় এবং তরবারির এক আঘাতে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। অতঃপর পালিয়ে মক্কায় চলে যান। মক্কায় তিনি আল-আসওয়াদ ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনিল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-amr-ibnil-as/): নাম আবদুল্লাহ, কুনিয়াত আবু মুহাম্মাদ, আবু আবদির রহমান ও আবু নুসাইর। তবে প্রথমোক্ত কুনিয়াত দু’টি সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। পিতা প্রখ্যাত সেনানায়ক ও কূটনীতিবিদ হযরত ‘আমার ইবনুল’ আস (রা) ও মাতা রীতা বিনতু মুনাববিহ। বর্ণিত আছে, আবদুল্লাহর ইসলাম-পূর্ব নাম ‘আল-আস’ (পাপী, অবাধ্য)। আবু যারয়া তাঁর তারীখে উল্লেখ করেছেন, একটি জানাযার অনুষ্ঠানে রাসূল (সা) তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তোমার নাম কি?’ তিনি যখন বললেন, ‘আল-আস’, আসূল (সা) তখন বললেন, না, আজ থেকে তোমার নাম হবে ‘আবদুল্লাহ’। সেই দিন থেকে ‘আল-আস’ হলেন আবদুল্লাহ। ইবন সা’দ বলেন, আবদুল্লাহ তাঁর পিতা আমর ইবনুল আসের পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, পুত্র আবদুল্লাহ অপেক্ষা পিতা আমরের বয়স ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-jahash/): নাম আবদুল্লাহ, আবু মুহাম্মাদ কুনিয়াত। পিতা জাহাশ, মাতা উমায়মা। বিভিন্ন দিক দিয়ে রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক। মা উমায়মা বিনতু আবদিল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহর (সা) ফুফু। বোন উম্মুল মু’মিনীন হযরত যয়নাব বিনতু জাহাশ রাসূলুল্লাহর (সা) স্ত্রী। তাই একাধারে তিনি রাসূলুল্লাহর (সা) ফুফাতো ভাই ও শ্যালক। তাঁর জম্ম সন সম্পর্কে ইতিহাসে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে হিজরী তৃতীয় সনে উহুদের যুদ্ধে শাহাদাত বরণের সময় তাঁর বয়স হয়েছিল চল্লিশ বছরের কিছু বেশী। এ তথ্যের উপর ভিত্তি করে বলা যায় রাসূলুল্লাহর (সা) নবুয়াত লাভের চব্বিশ/পঁচিশ বছর পূর্বে তিনি মক্কায় জম্ম গ্রহণ করেন। জাহিলী যুগে তিনি হারব ইবন উমাইয়্যার হালীফ (মৈত্রী বন্ধনে আবদ্ধ) ছিলেন। ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-umar/): আবদুল্লাহ নাম, কুনিয়াত আবু আবদির রহমান। পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব, মাতা যায়নাব। সঠিক বর্ণনা মতে হিজরী তৃতীয় সনে উহুদ যুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর। এই হিসাবে নবওয়াতের দ্বিতীয় বছরে তার জম্ম। নবওয়াতের ষষ্ঠ বছরে হযরত্ন উমার যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন আবদুল্লাহর বয়স প্রায় পাঁচ। বুদ্ধি হওয়ার পব থেকেই আবদুল্লাহ নিজের বাড়ীটি ইসলামের আলোকে আলোকিত দেখতে পান। ইসলামী পরিবেশেই তিনি বেড়ে ওঠেন। অবশ্য কোন কোন বর্ণনা মতে, পিতার পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহন করেন। তবে সঠিক মত এই যে, পিতার ইসলাম গ্রহণের সময় তিনি অল্প বয়স্ক। অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান হিসাবে তিনিও পিতার ধর্মানুসারী হয়ে যান। হযরত উমার (রা) কাফিরদের অত্যাচারে ... Read more - [উসমান ইবন মাজউন (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/uthman-ibn-majoon/): নাম উসমান, কুনিয়াত আবু সায়িব। পিতা মাজউন, মাতা সুখাইলা বিনতু উনাইস। জাহিলী যুগেও তিনি অত্যন্ত পূতঃ পবিত্র স্বভাব-প্রকৃতির অধিকারী ছিলেন। স যুগের বিপুল সংখ্যক লোক মদ পানে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু তিনি তা একবারও স্পর্শ করেননি। যারা মদপান করতো, তাদেরকে তিনি বলতেন, এমন জিনিস পান করে কী লাভ যাতে মানুষের বুদ্ধি লোপ পায়, নীচ শ্রেণীর লোকের হাসির পাত্রে অরিণত হতে হয় এবং নেশা অবস্থায় মা-বোনের কোন বাছ-বিচার থাকেনা? তাঁর অন্তরটিও ছিল দারুণ স্বচ্ছ। রাসূলুল্লাহর (সা) দাওয়াত খুব দ্রুত তাঁকে প্রভাবিত করে। সীরাত লাখকদের মতে তাঁর পুর্বে মাত্র তের ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি হলেন চৌদ্দতম মুসলমান। ইবন সা’দের একটি বর্ণনায় জানা যায়, ... Read more - [আম্মার ইবন ইয়াসির (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/ammar-ibn-yasir/): নাম ‘আম্মার, কুনিয়াত ‘আবুল ইয়াকজান’। পিতা ইয়াসির, মাতা সুমাইয়্যা। পিতা কাহতান বংশের সন্তান। আদি বাসস্থান ইয়ামন। তাঁর এক ভাই হারিয়ে যায়। হারানো ভাইয়ের খোঁজে অন্য দু’ভাই হারিস ওমালিককে সংগে করে তিনি মক্কায় পৌঁছেন। অন্য দু’ভাই ইয়ামন ফিরে গেলেও ইয়াসির একা মক্কায় থেকে যান। মক্কার বনী মাখযুমের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আবু হুজাইফা মাখযুমির ‘সুমাইয়্যা’ নাম্নী এক দাসীকে বিয়ে করেন। এই সুমাইয়্যার গর্ভেই হযরত আম্মার জম্মগ্রহণ করেন। আবু হুজাইফা শিশুকালেই আম্মারকে আযাদ করে দেন এবং আমরণ পিতা-পুত্রের মত দু’জনের সম্পর্ক বজায় রাখেন। হযরত আম্মার ও হযরত সুহাইব ইবন সিনান দু’জনই একই সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। আম্মার বলেনঃ ‘আমি সুহাইবকে আরকামের বাড়ীর দরযায় দাঁড়িয়ে ... Read more - [সুহাইব ইবন সিনান আর-রুমী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/suhaib-ibn-sinan-ar-rumi/): নাম ‘সুহাইব, কুনিয়াত আবু ইয়াহইয়া। পিতা সিনান, মাতা সালমা বিনতু কাঈদ। পিতা আরবের বনী নুমাইর এবং মাতা বনী তামীম খান্দানের সন্তান। তাঁকে রুমী বা রোমবাসী বলা হয়। আসলে তিনি কিন্তু রোমবাসী ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন আরব। রাসূলুল্লাহর (সা) নবুওয়াত প্রপ্তির আনুমানিক দ’দশক পূর্বে পারশ্য সাম্রাটের প্রতিনিধি হিসাবে তার পিতা সিনান ইবনে মালিক বসরার এক প্রচীন শহর ‘উবুল্লার’ শাসক ছিলেন। সুহাইব ছিলেন পিতার প্রিয়তম সন্তান। তাঁর মা সুহাইবকে সংগে করে আরো কিছু লোক লস্করসহ একবার ইরাকের ‘সানিয়্যা’ নামক পল্লীতে বেড়াতে যান। হঠাৎ এক রাতে রোমান বাহিনী অতর্কিতে পল্লীটির ওপর আক্রমন করে ব্যাপক হত্যাও লুটতরাজ চালায়। নারী ও শিশুদের বন্দী করে দাস ... Read more - [আবু মুসা আল আশয়ারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abu-musa-al-ashari/): আব্দুল্লাহ নাম, আবু মুসা কুনিয়াত। কুনিয়াত দ্বারাই তিনি অধিক পরিচিত। পিতা কায়েস, মাতা তাইয়েব্র। তার ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। এতটুকু জানা যায় যে, তিনি ইয়ামানের অধিবাসী ছিলেন। তথাকার আল আশয়ার গোত্রের সন্তার হওয়ায় তিনি আল আশয়ারী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। হযরত আবু মুসা ইসলামের পরিচয় লাভ করে ইয়ামান থেকে মক্কায় আসেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা) এর হাতে বাইয়াত হন। মক্কার আবদু শামস গোত্রের সাথে বন্ধু সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিছুদিন মক্কায় অবস্থানের পর স্বদেশবাসীকে ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইয়ামান ফিরে যান। হযরত আবু মুসা ছিলেন তার খান্দানের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। খান্দানের লোকেরা খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে দাওয়াতে সাড়া দেয়। ... Read more - [মুসয়াব ইবন ’উমাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/musab-ibn-umair/): নাম মুসয়াব, কুনিয়াত আবু মুহাম্মদ। ইসলাম গ্রহণের পর লকব হয় মুসয়াব আল-খায়ের। পিতা ’উমাইর এবং মাতা খুনাস বিনতু মালিক। পিতা-মাতার পরম আদরে ঐশ্বর্যের মধ্যে লালিত মক্কার অন্যতম সুদর্শন যুবক ছিলেন তিনি। মা সম্পদশালী হওয়ার কারণে অত্যন্ত ভোগ বিলাসের মধ্যে তাঁকে প্রতিপালন করেন। তখনকার যুগে মক্কার যত রকমের চমৎকার পোশাক ও উৎকৃষ্ট খুশবু পাওয়া যেত সবই তিনি ব্যবহার করতেন। রাসূলুল্লাহর সা. সামনে কোনভাবে তাঁর প্রসংগ উঠলে বলতেনঃ ‘মক্কায় মুসয়াবের চেয়ে সুদর্শন এবং উৎকৃষ্ট পোশাকধারী আর কেউ ছিল না।’ (তাবাকাত) ঐতিহাসিকরা বলেছেনঃ ‘তিনি ছিলেন মক্কার সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি ব্যবহারকারী।’ সৌন্দর্য্য, সুরুচি ও সৎ স্বভাবের সাথে সাথে আল্লাহ তা’আলা তাঁর অন্তরটি দারুণ স্বচ্ছ করে তৈরী করেছিলেন। তাওহীদের ... Read more - [আসমা’ বিনত আবী বকর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/asma-bint-abi-bakr/): হযরত রাসূলে কারীমের (সা) জীবনকালের অন্তরঙ্গ বন্ধু, ওফাতের পর তাঁর প্রথম খলীফা হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রা) হযরত আসমার (রা) পিতা। মাতা কুতাইলা বিনত ‘আবদিল ‘উযযা। এই ‘আবদুল ‘উযযা ছিলেন কুরায়শ বংশের একজন বিখ্যাত সম্মানীয় নেতা। আবূ বকরের (রা) সম্মানিত পিতা আবূ কুহাফা বা আবূ ‘আতীক তাঁর পিতামহ। ‘আবদুল্লাহ ইবন আবী বকর তাঁর সহোদর ভাই ও উম্মুল মু‘মিনীন হযরত ‘আয়িশা (রা) সৎ বোন। রাসূলুল্লাহর (সা) হাওয়ারী তথা বিশেষ সাহায্যকারী যুবায়র ইবনুল ‘আওয়াম (রা) স্বামী এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে শহীদ হযরত ‘আবদুল্লাহর ইবন যুবায়র (রা) তাঁর পুত্র। হিজরাতের ২৭ (সাতাশ) বছর পূর্বে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তখন তাঁর পিতা হযরত আবূ বকর ... Read more - [ইকরিমা ইবন আবী জাহল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/ikrima-ibn-abi-jahl/): রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর সম্পর্কে বলেনঃ ‘শিগগিরই ইকরিমা কুফর ত্যাগ করে মুমিন হিসেবে তোমাদের কাছে আসছে। তোমরা তার পিতাকে (আবু জাহল) গালি দেবেনা। কারণ মৃতকে গালি দিলে জীবিতদের মনোকষ্টের কারণ হয় এবং মৃতের কাছে তা পৌঁছেনা।’ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা. যখন মক্কায় দ্বীনের দাওয়াত দিতে শুরু করেন তখন ইকরিমার বয়সের তৃতীয় দশকটি শেষ হতে চলেছে। কুরাইশদের মধ্যে বংশের দিক দিয়ে তিনি ছিলেন সর্বাধিক সম্মানিত ও ধনশালী। মক্কার সম্ভ্রান্ত গৃহের সন্তান সা’দ ইবন আবী ওয়াক্কাস, মুস’য়াব ইবন উমাইর প্রমুখে রমত তাঁরও উচিত ছিল প্রথম স্তরেই ইসলাম গ্রহণ করা। কিন্তু তাঁর পিতার জন্য তা সম্ভব হয়নি। তাঁর পিতা আবু জাহল ছিল মক্কার সবচেয়ে বড় ... Read more - [সুরাকা ইবন মালিক (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/suraqah-ibn-malik/): কুরাইশদের মাঝে যখন এ কথাটি ছড়িয়ে পড়লো যে, মুহাম্মাদ সা. মক্কায় নেই তখন একদিকে যেমন কুরাইশ নেতৃবৃন্দ খবরটি বিশ্বাসই করত পারছিলনা, অন্য দিকে মক্কায় একটি ভীতির ভাবও ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে তারা বনু হাশিমের প্রতিটি বাড়ীতে তল্লাশী শুরু করে দেয়। মুহাম্মাদের সা. ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বাড়ী-ঘর তল্লশী করতে করতে তারা আবু বকরের বাড়ীতে উপস্থিত হয়। তাদের সাড়া পেয়ে আবু বকরের মেয়ে আসমা বেরিয়ে আসেন। কুরাইশ নেতা আবু জাহল তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, ‘তোমার আব্বা কোথায়?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘তিনি এখন কোথায় তাতো আমি জানিনা।’ নরাধম আবু জাহল আসমার গালে সজোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিলে তাঁর কানের দুলটি ছিট্‌কে পড়ে এবং তিনিও মাটিতে  লুটিয়ে ... Read more - [সাঈদ ইবন ’আমের আল–জুমাহী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/saeed-ibn-amer-al-jumahi/): ঐতিহাসিকরা বলেছেনঃ সাঈদ ইবন ’আমের এমন ব্যক্তি যিনি দুনিয়ার বিনিময়ে আখিরাত খরিদ করে নেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সা. অন্য সব কিছুর ওপর প্রাধান্য দান করেন। তাঁর পিতার নাম ’আমের এবং মাতা আরওয়া বিনতু আবী মুয়ীত। খাইবার বিজয়ের পূর্বে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মক্কার কুরাইশরা ধোঁকা দিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. সাহাবী খুবাইব ইবন আদীকে রা. বন্দী করে মক্কায় নিয়ে আসে এবং সমবেত জনমণ্ডলীর সামনে প্রকাশ্যে জীবিত অবস্থায় অত্যন্ত নৃশংসভাবে তাঁর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে তাঁকে শুলবিদ্ধ করে। এ হৃদয় বিদারক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য মক্কায় ঢেড়া পিটিয়ে দেওয়া হয়। এ দৃশ্য দেখার জন্য মক্কার তানয়ীম এলাকা থেকে আগত লোকদের মধ্যে সাঈদ ইবন ’আমের ... Read more - [তুফাইল ইবন ’আমর আদ–দাওসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/tufail-ibn-amr-ad-dawsi/): নাম তাঁর তুফাইল। ‘যুন-নূর’ উপাধি। ‘দাওস’ গোত্রের সন্তান হওয়ার কারণে দাওসী বলা হয়। কবীলা-দাওস ইয়ামনে বসবাসকালী একটি শক্তিশালী গোত্র। তিনি ছিলেন এ গোত্রের ‘রয়িস’ বা সরদার। ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল তাঁর পেশা। এ কারণে মাঝে মধ্যে তাঁকে মক্কায় আসা-যাওয়া করতে হতো। তুফাইল ছিলেন জাহিলী যুগের আরবের সম্ভ্রান্ত ও আত্মমর্যাদাশীল ব্যক্তিবর্গের অন্যতম। তাঁর ‍চুলো থেকে হাঁড়ি কখনো নামতো না। অতিথির জন্য তাঁর বাড়ীর দরজা থাকতো সর্বদা উন্মুক্ত। তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধা, প্রখর বুদ্ধিমত্তা, সহজাত কাব্য প্রতিভা ও সূক্ষ্ণ অনুভূতির অধিকারী। ভাষার মধুরতা, তিক্ততা ও ভাষার ইন্দ্রজাল সম্পর্কে তিনি ছিলেন সুবিজ্ঞ। একবার তুফাইল ইবন ’আমর ব্যবসা উপলক্ষে তাঁর গোত্রের আবাসস্থল তিহামা অঞ্চল থেকে মক্কায় উপস্থিত ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/abdullah-ibn-umm-maktoum/): মুয়ায্‌যিনুর রাসূল হযরত আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম সেই মহান সাহাবী যাঁর জন্য সপ্তম আকাশের ওপর থেকে নবী করীমকে সা. তিরস্কার করা হয়েছে এবং যাঁর শানে আল্লাহর নিকট থেকে হযরত জিবরীল আ. অহী নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নিকট অবতরণ করেছেন। তিনি সেই গর্বিত মহাপুরুষ যাঁর সম্পর্কে আল-কুরআনের সর্বমোট ষোলটি আয়াত নাযিল হয়েছে। মদীনাবাসীরা তাঁকে ডাকতেন আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম বলে। তবে ইরাকীদের নিকট তিনি ‘উমার ইবন উম্মে মাকতুম’ নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন মক্কার কুরাইশ গোত্রের সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. সাথে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্কও ছিল। তিনি ছিলেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজা বিনতু খুওয়ালিদের মামাতো ভাই। তাঁর পিতা কায়েস বিন যায়িদ ও মাতা আতিকা বিনতু আবদিল্লাহ। ... Read more - [উসামা ইবন যায়িদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/usama-ibn-zayd/): হিজরাতের পূর্বে মক্কায় নবুওয়াতের সপ্তম বছর চলছে। রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবীরা তখন কুরাইশদের চরম বাড়াবাড়ির শিকার। ইসলামী দাওয়াতের কঠিন দায়িত্ব ও বোঝা পালন করতে গিয়ে পদে পদে তিনি নানা রকম দুঃখ বেদনা ও মুসীবতের সম্মুখীন হচ্ছেন। এমন সময় তাঁর জীবনে একটু খুশির আলোক আভা দেখা দিল। সুসংবাদ দানকারী খুশীর বার্তা নিয়ে এলো, ‘উম্মু আয়মন’ একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন। রাসূলুল্লাহর সা. পবিত্র মুখমণ্ডল আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো। সেই সৌভাগ্যবান নবজাতক, যার ধরাপৃষ্ঠে আগমণ সংবাদে আল্লাহর রাসূল সা. এত উৎফুল্ল হয়েছিলেন, তিনি উসামা ইবন যায়িদ। শিশুটির ভূমিষ্ঠ হওয়ার সংবাদে রাসূলুল্লাহর সা. এত উৎফুল্ল হওয়াতে সাহাবীরা কিন্তু বিস্মিত হননি। কারণ, রাসূলুল্লাহর সা. ... Read more - [সালমান আল–ফারেসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/salman-al-farisi/): রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘সালমান নবী পরিবারেরই একজন।’ এটি একজন সত্য-সন্ধানী ও আল্লাহকে পাওয়ার অভিলাষী এক ব্যক্তির জীবন কথা। তিনি হযরত সালমান আল-ফারেসী। সালমান আল-ফারেসীর যবানেই তাঁর সেই সত্য প্রাপ্তির চমকপ্রদ বর্ণনা রয়েছে। তিনি বলেনঃ আমি তখন পারস্যের ইসফাহার অঞ্চলের একজন পারসী নওজোয়ান। আমার গ্রামটির নাম ‘জায়্যান’। বাবা ছিলেন গ্রামের দাহকান-সর্দার। সর্বাধিক ধনবান ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। জন্মের পর থেকেই আমি ছিলাম তাঁর কাছে আল্লাহর সৃষ্টিজগতের মধ্যে সবচে বেশি প্রিয়। আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার প্রতি তাঁর স্নেহ ও ভালবাসাও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে কোন অমঙ্গলের আশংকায় তিনি আমাকে মেয়েদের মত ঘরে আবদ্ধ করে রাখেন। আমার বাবা-মার মাজুসী ধর্মে আমি কঠোর ... Read more - [আবু যার আল–গিফারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/abu-dharr-al-ghiffari/): বাইরের জগতের সাথে মক্কার সংযুক্তি ঘটিয়েছে যে ‘অদ্দান’ উপত্যকাটি, সেখানেই ছিল ‘গিফার’ গোত্রের বসতি। মক্কার কুরাইশদের বাণিজ্য কাফিলা ওখান দিয়ে সিরিয়া যাতায়াত করত। এসব  কাফিলার নিরাপত্তার বিনিময়ে যে সামান্য অর্থ লাভ করতো তা দিয়েই তারা জীবিকা নির্বাহ করতো। ডাকাতি, রাহাজানিও ছিল তাদের পেশা। যখন কোন বাণিজ্য কাফিলা তাদের দাবী অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী বা অর্থ আদায় করত না তখন তারা লুটতরাজ চালাতো। জুনদুন ইবন জুনাদাহ, আবু যার নামেই যিনি পরিচিত- তিনিও ছিলেন এ কবীলারই সন্তান। বাল্যকাল থেকেই তিনি অসীম সাহস, প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও দূরদৃষ্টির জন্য ছিলেন সকলের থেকে স্বতন্ত্র। জাহিলী যুগে জীবনের প্রথম ভাগে তাঁর পেশাও ছিল রাহাজানি। ‘গিফার’ গোত্রের একজন দুঃসাহসী ডাকাত ... Read more - [আবু হুরাইরা আদ–দাওসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abu-huraira-ad-dawsi/): আবু হুরাইরা, এ নামটি জানে না মুসলিম জাতির মধ্যে এমন কেউ কি আছে? ইসলামপূর্ব জাহিলী যুগে লোকে তাঁকে ডাকতো- ‘আবদু শামস’ বলে। পরবর্তীকালে আল্লাহ তা’আলা যখন ইসলামের দিকে হিদায়াত দান করে তাঁর ওপর অনুগ্রহ করলেন এবং রাসূলুল্লাহর সা. সাথে সাক্ষাৎ দানে মাধ্যমে তাঁকে গৌরবান্বিত করলেন, রাসূল সা. তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘নাম কি?’ তিনি জবাব দিলেন, ‘আবদু শামস (অরুন দাস)।’ রাসূল সা. বললেন, ‘না আজ  থেকে তোমার নাম আবদুর রহমান।’ আবু হুরাইরা রা. বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার নামে কোরবান হোক। আমার নাম আজ  থেকে আবদুর রহমান-ই হবে।’ ‘আবু হুরাইরা’ তাঁর কুনিয়াত বা উপনাম। ছোট বেলায় একটি বিড়াল শাবকের সাথে তিনি ... Read more - [আল–আরকাম ইবন আবিল আরকাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/al-arqam-ibn-abil-arqam/): নাম আবু আবদিল্লাহ আল আরকাম। পিতা আবূল আরকাম আবদু মান্নাফ, মাতা উমাইমা। হযরত আরকামের খান্দান জাহিলী যুগের আরবে বিশেষ মর্যাদা ও ক্ষমতার অধিকারী ছিল। তাঁর দাদা আবু জুনদুব আসাদ ইবন আবদিল্লাহ তার যুগে মক্কার একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন। হযরত আরকাম এগারো অথবা বারো জনের পরে ইসলাম গ্রহণ করেন। আল–বিদায়া গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, হযরত আবু বকর ইসলাম গ্রহণের পর উসমান ইবন আফ্‌ফান, তালহা ইবন উবাইদিল্লাহ, যুবাইর ইবনুল আওয়াম ও সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাসের নিকট ইসলামের দাওয়াত পেশ করেন। তাঁরা সকলে সাথে সাথে এ দাওয়াত কবুল করেন। পরদিন তিনি উসমান ইবন মাজউন, আবু উবাইদা এবং আল-আরকাম ইবন আবিল আরকামকে নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. খিদমতে হাজির হন। ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abdullah-ibn-masud/): রাসূলুল্লাহ সা. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. সম্পর্কে বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করে আনন্দ পেতে চায়, যেমন তা অবতীর্ণ হয়েছে- সে যেন ইবন উম্মু আবদের পাঠের অনুসরণে কুরআন পাঠ করে।’ এটা সেই সময়ের কথা যখন তিনি একজন কিশোর মাত্র, তখনও যৌবনে পদার্পণ করেননি। কুরাইশ গোত্রের এক সর্দার ’উকবা ইবন আবু মু’ইতের একপাল ছাগল নিয়ে তিনি মক্কার গিরিপথগুলোতে চরিয়ে বেড়াতেন। লোকের তাঁকে ‘ইবন উম্মু আবদ’ বলে ডাকতো। তবে তাঁর নাম আবদুল্লাহ, পিতার নাম মাসউদ, কুনিয়াত আবু আবদির রহমান এবং মাতার নাম উম্মু আবদ। তাঁর গোত্রে যে একজন নবীর আবির্ভাব ‍ঘটেছে, সে সম্পর্কে নানা খবর এ কিশোর ছেলে সবসময় শুনতেন। তবে অল্প ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abdullah-ibn-abbas/): আবদুল্লাহ নাম, আবুল আব্বাস কুনিয়াত। পিতা আব্বাস, মাতা উম্মুল ফাদল লুবাবা। কুরাইশ বংশের হাশেমী শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই এবং উম্মুল মুমিনীন হযরত মায়মুনা রা. তাঁর আপন খালা। মহান সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রা. নানা দিক থেকেই সম্মান ও গৌরবের অধিকারী ছিলেন। রক্ত-সম্পর্কের দিক দিয়ে তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই। অগাধ জ্ঞান পাণ্ডিত্যের জন্য তিনি আরব জাতি তথা উম্মাতে মুহাম্মাদীর ‘হাবর ও বাহর’ (পূণ্যবান জ্ঞানী ও সমুদ্র) উপাধি লাভ করেছিলেন। তাকওয়া ও পরহিযগারীর তিনি ছিলেন বাস্তব নমুনা। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি দিনে রোযাদার, রাতে ইবাদাত গোযার এবং রাতের শেষে প্রহরে তাওবাহ ও ইসতিগফারকারী। আল্লাহর ভয়ে তিনি এত ... Read more - [যায়িদ ইবন হারিসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/zayd-ibn-haritha/): আবু উসামা যায়িদ নাম। হিব্‌বু রাসূলিল্লাহ (রাসূলুল্লহার প্রীতিভাজন) তাঁর উপাধি, পিতা হারিসা এবং মাতা সু’দা বিনতু সা’লাবা। সু’দা বিনতু সা’লাবা তাঁর শিশু পুত্র যায়িদকে সঙ্গে করে পিতৃ গোত্র বনী মা’নের নিকট যাওয়ার জন্য যাত্রা করলেন। পিতৃ-গোত্রে পৌঁছার পূর্বেই একদিন রাতে বনী কায়নের লুটেরা দল তাঁদের তাঁবু আক্রমণ করে ধন সম্পদ, উট ইত্যাদি লুণ্ঠন এবং শিশুদের বন্দী করে নিয়ে যায়। এই বন্দী শিশুদের মধ্যে তাঁর পুত্র যায়িদ ইবন হারিসাও ছিলেন। যায়িদের বয়স তখন আট বছর। লুটেরা দল তাঁকে বিক্রির উদ্দেশ্যে ‘উকাজ’ মেলায় নিয়ে যায়, হাকীম ইবন হিযাম ইবন খুয়াইলিদ নামে এক কুরাইশ নেতা চার শো’ দিরহামে তাঁকে খরীদ করেন। তাঁর সাথে আরো ... Read more - [জা’ফর ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/jafar-ibn-abi-talib/): আবু আবদিল্লাহ জা’ফর নাম, পিতা আবু তালিব এবং মাতা ফাতিমা। কুরাইশ গোত্রের হাশেমী শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. চাচাত ভাই এবং হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহুর সহোদর। বয়সে আলী রা. থেকে দশ বছর বড়। বনী আবদে মান্নাফের পাঁচ ব্যক্তির চেহারা রাসূলুল্লাহর সা. চেহারার সাথে এত বেশী মিল ছিল যে প্রায়শঃ ক্ষীণ দৃষ্টির লোকেরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলতো। সে পাঁচ ব্যক্তি হলেনঃ ১. আবু সুফিয়ান ইবনুল হারিস ইবন আবদিল মুত্তালিব। তিনি একাধারে রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই এবং দুধ ভাইও। ২. কুসাম ইবনুল আব্বাস ইবন মুত্তালিব। তিনিও রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই। ৩. আস-সায়িব ইবন ’উবায়িদ ইবন আবদে ইয়াযিদ ইবন হাশিম। তিনি ... Read more - [বিলাল ইবন রাবাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/bilal-ibn-rabah/): আবু আবদুল্লাহ বিলাল তাঁর নাম। পিতা রাবাহ এবং মাতা হামামাহ। হাবশী বংশোদ্ভূত ক্রীতদাস। তবে মক্কায় জন্মলাভ করেছিলেন। বনু জুমাহ ছিল তাদের মনিব। হাবশী দাস হিসাবে তাঁর বাহ্যিক রং কালো হলেও অন্তর ছিল দারুণ স্বচ্ছ। আরবের গৌরবর্ণের লোকেরা যখন আভিজাত্যের ও কৌলিণ্যের বিভ্রান্তিতে লিপ্ত হয়ে হকের দাওয়াত অস্বীকার করে চলেছিল, তখনই তাঁর অন্তর ঈমানের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল। অল্প কিছু লোক দাওয়াতে হক কবুল করলেও যে সাত ব্যক্তি প্রকাশ্য ঘোষণার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে এ হাবশী গোলাম অন্যতম। চিরকালই দুর্বলরা অত্যাচার উৎপীড়নের শিকার হয়ে থাকে। বিলালের সামাজিক অবস্থানের কারণে তাঁর ওপর অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে। শাস্তি ও যন্ত্রণার নানা রকম অনুশীলনের মাধ্যমে ... Read more - [আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/abbas-ibn-abdul-muttalib/): নাম আবুল ফজল আব্বাস। পিতা আবদুল মুত্তালিব, মাতা নাতিলা, মতান্তরে নাসিলা বিনতু খাব্‌বাব। রাসূলুল্লাহর সা. চাচা। তবে দু’জন ছিলেন প্রায় সমবয়সী। ঐতিহাসিকদের ধারণা, সম্ভবতঃ তিনি রাসূলুল্লাহর সা. দুই বা তিন বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছোট বেলায় একবার তিনি হারিয়ে যান। মা মান্নত মানেন, আব্বাস ফিরে এলে কা’বায় রেশমী গিলাফ চড়াবেন। কিছু দিন পর তিনি সহি-সালামতে ফিরে এলে অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে আবদুল মুত্তালিব তাঁর মান্নত পুরা করেন। জাহিলী যুগে তিনি ছিলেন কুরাইশদের একজন প্রতাপশালী রঈস। পুরুষানুক্রমে খানায়ে কা’বার রক্ষণাবেক্ষণ ও হাজীদের পানি পান করানোর দায়িত্ব লাভ করেন। রাসূলুল্লাহ সা. নবুওয়াত লাভ করলেন। মক্কায় প্রকাশ্যে তিনি তাওহীদের দাওয়াত দিতে লাগলেন। হযরত আব্বাস যদিও ... Read more - [হামযা ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/hamza-ibn-abdul-muttalib/): নাম তাঁর হামযা, আবু ইয়ালা ও আবু ’আম্মারা কুনিয়াত এবং আসাদুল্লাহ উপাধি। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. আপন চাচা। হযরত হামযার জননী হালা বিনতু উহাইব রসূলুল্লাহর সা. জননী হযরত আমিনার চাচাতো বোন। তাছাড়া হামযা ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. দুধ ভাই। আবু লাহাবের দাসী ‘সুওয়াইবা’ তাঁদের দু’জনকে দুধ পান করিয়েছিল। বয়সে তিনি রাসূলুল্লাহর সা. অপেক্ষা দু’বছর মতান্তরে চার বছর বড়। ছোট বেলা থেকেই তরবারি চালনা, তীরন্দাযী ও কুস্তির প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। ভ্রমণ ও শিকারে ছিল তাঁর সীমাহীন আকর্ষণ। জীবনের বিরাট এক অংশ তিনি এ কাজে ব্যয় করেন। বেশ কিছুকাল যাবত মক্কার অলি গলিতে তাওহীদের দাওয়াত উচ্চারিত হচ্ছিলো। তবে হামযার মত সিপাহী-স্বভাব মানুষের ... Read more - [সাঈদ ইবন যায়িদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/saeed-ibn-zayd/): নাম সাঈদ, কুনিয়াত আবুল আ’ওয়ার। পিতা যায়িদ, মাতা ফাতিমা বিন্‌তু বা’জা। উর্ধ্বপুরুষ কা’ব ইবন লুই-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। সাঈদের পিতা যায়িদ ছিলেন জাহিলী যুগের মক্কার মুষ্টিমেয় সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের একজন যাঁরা ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বেই শিরক ও পৌত্তলিকতা থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখেন, সব রকম পাপাচার ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকেন। এমন কি মুশরিকদের হাতে যবেহ করা জন্তুর গোশ্‌তও পরিহার করতেন। একবার নবুওয়াত প্রকাশের পূর্বে ‘বালদাহ’ উপত্যকায় রাসূলুল্লাহর সা. সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। রাসূলুল্লাহর সা. সামনে খাবার আনা হলে তিনি খেতে অস্বীকৃতি জানান। যায়িদকে খাওয়ার অনুরোধ করা হলে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদেরকে বলেনঃ ‘তোমাদের দেব-দেবীর নামে যবেহকৃত পশুর ... Read more - [আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/abu-ubaidah-ibn-al-zarrah/): রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেনঃ ‘লিকুল্লি উম্মাতিন আমীনুন, ওয়া আমীনু হাজিহিল উম্মাহ আবু উবাইদা- প্রত্যেক জাতিরই একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছে। আর এ মুসলিম জাতির পরম বিশ্বাসী ব্যক্তি আবু উবাইদা।’ তিনি ছিলেন উজ্জ্বল মুখমণ্ডল, গৌরকান্তি, হালকা পাতলা গড়ন ও দীর্ঘদেহের অধিকারী। তাঁকে দেখলে যে কোন ব্যক্তির চোখ জুড়িয়ে যেত, সাক্ষাতে অন্তরে ভক্তি ও ভালোবাসার উদয় হত এবং হৃদয়ে একটা নির্ভরতার ভাব সৃষ্টি হত। তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধাবী, অত্যন্ত বিনয়ী ও লাজুক প্রকৃতির। তবে যে কোন সংকট মুহূর্তে সিংহের ন্যায় চারিত্রিক দৃঢ়তা তাঁর মধ্যে ফুটে উঠত। তাঁর চারিত্রিক দীপ্তি ও তীক্ষ্ণতা ছিল তরবারীর ধারের ন্যায়। রাসূলের সা. ভাষায় তিনি ছিলেন উম্মাতে মুহাম্মাদীর ‘আমীন’- বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি। ... Read more - [সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/saad-ibn-abi-waqqas/): নাম আবু ইসহাক সা’দ, পিতা আবু ওয়াক্কাস মালিক। ইতিহাসে তিনি সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাস নামে খ্যাত। কুরাইশ বংশের বনু যুহরা শাখার সন্তান। মাতার নাম ‘হামনা’। পিতা-মাতা উভয়েই ছিলেন কুরাইশ বংশের। সা’দের পিতা আবু ওয়াক্‌কাস ইসলাম গ্রহণ করে রাসূলুল্লাহর সা. সাহাবী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। তাঁর অন্তিম রোগশয্যায় রাসূল সা. তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। মাতা হামনাও ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তবে প্রথমতঃ তাঁর পুত্র সা’দের ইসলাম গ্রহণের কথা শুনে হৈ চৈ ও বিলাপ শুরু করে লোকজন জড়ো করে ফেললেন। মায়ের কাণ্ড দেখে ক্ষোভে দুঃখে হতভম্ব হয়ে সা’দ ঘরের এক কোণে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকলেন। কিছুক্ষণ বিলাপ ও হৈ চৈ করার পর মা পরিষ্কার বলে ... Read more - [আবদুর রহমান ইবন ’আউফ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/abdur-rahman-ibn-awf/): ইমাম বুখারীর মতে জাহিলী যুগে আবদুর রহমান ইবন ’আউফের নাম ছিল ’আবদু ’আমর। ইবন সা’দ তাঁর ‘তাবাকাতে’ উল্লেখ করেছেন, জাহিলী যুগে তাঁর নাম ছিল ’আবদু কা’বা। ইসলাম গ্রহণের পর রাসূল সা. তাঁর নাম রাখেন ‘আবদুর রহমান’। তাঁর মাতা-পিতা উভয়ে ছিলেন ‘যুহরা’ গোত্রের লোক। মাতার নাম শিফা বিনতু ’আউফ। দাদা ও নানা উভয়ের নাম ’আউফ। ইবন সা’দ ওয়াকিদীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন, তিনি ’আমূল ফীলের (হস্তীর বৎসর) দশ বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। এ বর্ণনার ভিত্তিতে তিনি রাসূলুল্লাহ সা. থেকে বয়সে দশ বছর ছোট। রাসূল সা. ’আমুল ফীলের ঘটনায় পঞ্চাশ দিন পর জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ইবন হাজার তাঁকে রাসূলুল্লাহর সা. তের বছর ছোট বলে উল্লেখ করেছেন। ... Read more - [তাল্‌হা ইবন উবাইদুল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/talha-ibn-ubaidullah/): আবু মুহাম্মাদ তাল্‌হা তাঁর নাম। পিতা উবাইদুল্লাহ এবং মাতা সা’বা। কুরাইশ গোত্রের তাইম শাখার সন্তান। হযরত আবু বকর রা.ও ছিলেন এই তাইম কবীলার লোক। তাঁর মা সা’বা ছিলেন প্রখ্যাত শহীদ সাহাবী হযরত ’আল ইবনুল হাদরামীর বোন। হযরত তালহা ইসলামের সূচনা পর্বেই মাত্র পনেরো বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীকের রা. দাওয়াতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। জাহিলী যুগে আবু বকরের বাড়ীতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের তিনি ছিলেন নিয়মিত সদস্য। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি বড় চমকপ্রদ। তিনি গেছেন কুরাইশদের বাণিজ্য কাফিলার সাথে সিরিয়া। তাঁরা যখন বসরা শহরে পৌঁছলেন, দলের অন্য কুরাইশ ব্যবসায়ীরা তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাজারের বিভিন্ন স্থানে কেনা-বেচায় ব্যস্ত হয়ে ... Read more - [যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/zubaira-ibnul-awam/): নাম যুবাইর, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ এবং ‘হাওয়ারিয়্যূ রাসূলিল্লাহ’ লকব। পিতার নাম ‘আওয়াম’ এবং মাতা ‘সাফিয়্যা বিনতু আবদিল মুত্তালিব।’ মা হযরত সাফিয়্যা ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. ফুফু। সুতরাং যুবাইর ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. ফুফাতো ভাই। উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজাতুল কুবরা ছিলেন তাঁর ফুফু। অন্যদিকে হযরত সিদ্দিকে আকবরের কন্যা হযরত আসমাকে বিয়ে করায় রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন তাঁর ভায়রা। হযরত আসমা রা. ছিলেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশার রা. বোন। এভাবে রাসূলুল্লাহর সা. সঙ্গে ছিল তাঁর একাধিক আত্মীয়তার সম্পর্ক। হযরত যুবাইর রা. হিজরাতের আটাশ বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকালীন জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। তবে এটা নিশ্চিত যে প্রথম থেকেই তাঁর মা তাঁকে এমনভাবে ... Read more - [’আলী ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/ali-ibn-abi-talib/): নাম আলী, লকব আসাদুল্লাহ, হায়দার ও মুরতাজা, কুনিয়াত আবুল হাসান ও আবু তুরাব। পিতা আবু তালিব আবদু মান্নাফ, মাতা ফাতিমা। পিতা-মাতা উভয়ে কুরাইশ বংশের হাশিমী শাখার সন্তান। আলী রাসূলুল্লাহর সা. আপন চাচাতো ভাই। রাসূলুল্লাহর সা. নবুওয়াত প্রাপ্তির দশ বছর পূর্বে তাঁর জন্ম। আবু তালিব ছিলেন ছাপোষা মানুষ। চাচাকে একটু সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাসূল সা. নিজ দায়িত্বে নিয়ে নেন আলীকে। এভাবে নবী পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তিনি বেড়ে ওঠেন। রাসূল সা. যখন নবুওয়াত লাভ করেন, আলীর বয়স তখন নয় থেকে এগারো বছরের মধ্যে। একদিন ঘরের মধ্যে দেখলেন, রাসূলে কারীম সা. ও উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা রা. সিজদাবনত। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এ ... Read more - [’উসমান ইবন ’আফ্‌ফান (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/uthman-ibn-affan/): নাম ’উসমান, কুনিয়াত আবু ’আমর, আবু আবদিল্লাহ, আবু লায়লা এবং লকব যুন-নূরাইন। (তাবাকাত ৩/৫৩, তাহজীবুত তাহজীব) পিতা ’আফ্‌ফান, মাতা আরওরা বিনতু কুরাইয। কুরাইশ বংশের উমাইয়্যা শাখার সন্তান। তাঁর উর্ধ্ব পুরুষ ’আবদে মান্নাফে গিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। খুলাফায়ে রাশেদার তৃতীয় খলীফা। তাঁর নানী বায়দা বিনতু আবদিল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহর সা. ফুফু। জন্ম হস্তীসনের ছ’বছর পরে ৫৭৬ খৃষ্টাব্দে। (আল–ইসতিয়াব) এ হিসাবে রাসূলে করীম সা. থেকে তিনি ছয় বছর ছোট। তবে তাঁর জন্মসন সম্পর্কে বিস্তর মতভেদ রয়েছে। ফলে শাহাদাতের সময় তাঁর সঠিক বয়স কত ছিল সে সম্পর্কে অনুরূপ মতপার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। কোন কোন বর্ণনা মতে, তাঁর জন্ম হয় তায়েফে। (ফিত্‌নাতুল কুবরা, ডঃ তোহা হুসাইন) হযরত ’উসমান রা. ছিলেন মধ্যমাকৃতির সুঠাম দেহের অধিকারী। ... Read more - [’উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/umar-ibn-al-khattab/): নাম ’উমার, লকব ফারুক এবং কুনিয়াত আবু হাফ্‌স। পিতা খাত্তাব ও মাতা হান্‌তামা। কুরাইশ বংশের আ’দী গোত্রের লোক। ’উমারের অষ্টম উর্ধ্ব পুরুষ কা’ব নামক ব্যক্তির মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। পিতা খাত্তাব কুরাইশ বংশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। মাতা ‘হানতামা’ কুরাইশ বংশের বিখ্যাত সেনাপতি হিশাম ইবন মুগীরার কন্যা। ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ এই মুগীরার পৌত্র। মক্কার ‘জাবালে ’আকিব’- এর পাদদেশে ছিল জাহিলী যুগে বনী ‘আ’দী ইবন কা’বের বসতি। এখানেই ছিল হযরত উমারের বাসস্থান। ইসলামী যুগে ’উমারের নাম অনুসারে পাহাড়টির নাম হয় ‘জাবালে ’উমার’- ’উমারের পাহাড়। (তাবাকাতে ইবন সা’দ ৩/৬৬) ’উমারের চাচাত ভাই, যায়িদ বিন নুফাইল। হযরত রাসূলে কারীমের আবির্ভাবের পূর্বে ... Read more - [আবু বকর আস-সিদ্দীক (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/abu-bakr-as-siddiq/): আবদুল্লাহ নাম, সিদ্দীক ও আতীক উপাধি, ডাকনাম বা কুনিয়াত আবু বকর। পিতার নাম ’উসমান, কুনিয়াত আবু কুহাফা। মাতার নাম সালমা এবং কুনিয়াত উম্মুল খায়ের। কুরাইশ বংশের উপর দিকে ষষ্ঠ পুরুষ ‘মুররা’ তে গিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহর জন্মের দু’বছরের কিছু বেশী সময় পর তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং অনুরূপ সময়ের ব্যবধানে তাঁরা উভয়ে ইনতিকাল করেন। তাই মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল রাসূলুল্লাহর সা. বয়সের সমান। তিনি ছিলেন উজ্জ্বল গৌরবর্ণ, পাতলা ছিপছিপে ও প্রশস্ত ললাট বিশিষ্ট। শেষ বয়সে চুল সাদা হয়ে গিয়েছিল। মেহেন্দীর খিজাব লাগাতেন। অত্যন্ত দয়ালু ও সহনশীল ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্মানিত কুরাইশ ব্যক্তিবর্গের অন্যতম। জ্ঞান, মেধা, অভিজ্ঞতা, ... Read more - [খাদীজা বিনতু খুওয়াইলিদ(রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/khadija-bint-khuwaylid/): নাম তাঁর খাদীজা। কুনিয়াত ‘উম্মু হিন্দ’ এবং লকব ‘তাহিরা’। পিতা খুওয়াইলিদ, মাতা ফাতিমা বিনতু যায়িদ। জন্ম ‘আমুল ফীল’ বা হস্তীবর্ষের পনের বছর আগে মক্কা নগরীতে। পিতৃ-বংশের  উর্ধ্ব পুরুষ কুসাঈ-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। জাহিলী যুগেই পূতপবিত্র চরিত্রের জন্য ‘তাহিরা’ উপাধি লাভ করেন। (আল–ইসাবা) রাসূলুল্লাহ সা. ও খাদীজার রা. মধ্যে ফুফু-ভাতিজার দূর সম্পর্ক ছিল। এ কারণে, নবুওয়াত লাভের পর খাদীজা রা. রাসূলুল্লাহকে সা. তাঁর চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবন নাওফিলের কাছে নিয়ে গিয়ে বলেন, ‘আপনার ভাতিজার কথা শুনুন।’ সম্ভবতঃ বংশগত সম্পর্কের ভিত্তিতেই তিনি একথা বলেছিলেন। পিতা খুওয়াইলিদ তৎকালীন আরব সমাজের বিশিষ্ট তাওরাত ও ইনজীল বিশেষজ্ঞ ওয়ারাকা ইবন নাওফিলকে খাদীজার বর ... Read more - [বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি কী হবে: তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নাকি ইসলাম?](https://returnofislam.com/2016/11/26/foundation-of-bangladesh-secularism-or-islam/): জন্মলগ থেকেই বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ দ্বারা শাসিত হয়ে আসছে, কখনও আওয়ামী লীগ কর্তৃক তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে, আবার কখনও বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টি কর্তৃক অন্যান্য শ্লোগাণের নামে। তথাপিও মহান ইসলামী উম্মাহ্‌’র অংশ, এদেশের মুসলিমদেরকে বিশ্বব্যাপী ইসলামী জাগরণ হতে বিচ্ছিন্ন রাখা যায়নি। এবং বিশেষ করে, এই শতাব্দীর শুরু থেকে রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে ইসলামের পক্ষে গণজোয়ার, ব্যাপক প্রসার ও জনসমর্থন, এবং ইসলামী রাজনৈতিক কর্মকান্ড প্রচন্ড গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে; এবং ইসলামী শাসনের (খিলাফত) দাবী একটি গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে সাম্রাজ্যবাদী ক্রুসেডার শক্তিসমূহ, মার্কিন ও তার মিত্ররা, এবং তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত দালাল শাসকেরা শঙ্কিত; এবং ইসলাম যাতে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে না পারে সেজন্য তারা একত্রে ... Read more - [আশুরা শুধুমাত্র শোক আর বিশ্লেষণের জন্য নয়](https://returnofislam.com/2016/10/09/ashura-isnot-only-for-mourn-and-analysis/): :: আশুরা শুধুমাত্র শোক আর বিশ্লেষণের জন্য নয়; বরং নব্য ফিরাউন (আমেরিকা) ও মুসলিম ভূমিসমূহে তার সহকারী হামান আর কারুনদের উৎখাত করে খিলাফত প্রতিষ্ঠার মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই দিনের মূল শিক্ষা :: মহররম মাস এবং বিশেষ করে আশুরার দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য খুবই পবিত্র এবং পাশাপাশি ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপুর্ন। বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনার অবতারনা এই মাসেই হয়েছিল যা চিরকাল মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে। আশুরা বলতে আমরা অনেকেই শুধু কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকেই স্মরণ করি কিন্তু এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত নই যে এই মহররমেই আল্লাহ সুবহানাওয়াতা’লা মুসা (আ) কে বিজয় দান করেছিলেন অত্যাচারী যালেম ফিরাউনের বিরুদ্ধে। তাই এটি শুধু শোকের মাস নয়, ... Read more - [ইসলাম কিভাবে সুশাসন নিশ্চিত করে](https://returnofislam.com/2016/09/24/islam-ensures-good-governance/): “যারা আল্লাহ’কে ছেড়ে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তাদের দৃষ্টান্ত ঐ মাকড়সার ন্যায়, যেটি একটি ঘর বানিয়েছে; এবং নিঃসন্দেহে সব ঘরের মধ্যে মাকড়সার ঘরই অধিক দুর্বল। যদি তারা জানত।” [সূরা আনকাবুত : ৪১] আমরা সকলেই মুসলিম দেশসমূহের এবং অন্যান্য দেশের জনগণের অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। বর্তমানে পুরো বিশ্বজুড়ে মুসলিম, অমুসলিম নির্বিশেষে সকলেই যে অবিচারের সম্মুখীন হচ্ছে তা আমরা প্রত্যক্ষ করছি। আর এই অবিচারের ব্যাপকতা অর্থনীতি, শিক্ষা এবং অধিকার হতে শুরু করে অন্যান্য সকল ক্ষেত্রেও পরিব্যপ্ত হয়েছে। সমগ্র বিশ্বেই এই ভয়াবহ অবস্থার মাত্রা একইরকম। জনগণের জীবনযাত্রাকে সহজ করে তোলার কাজে এই গণতান্ত্রিক ব্যবসা পুরোপুরিভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। মুসলিম হিসেবে আমার এবং আমাদের সকলের আল্লাহ ... Read more - [গুলশান ৭৯ নম্বর – “আদর্শিক ফোড়া”র শিকার বাংলাদেশ"](https://returnofislam.com/2016/09/23/gulshan-79-ideological-conspiracy/): গুলশান ৭৯ নম্বর রোডের ক্যাফেতে রক্তের বন্যা বয়ে গেল। এর আগে যা যা নিয়ে লিখেছি, এই ঘটনা তারই চলমান প্রবাহ মাত্র। কিছুদিন আগেই আদর্শিক যুদ্ধের (Ideological Conflict) পুণরাবির্ভাব নিয়ে লিখেছিলাম ( http://goo.gl/hKkyOd ), যেখানে বলেছিলাম যে পশ্চিমা আদর্শিক চিন্তাবিদ এবং ভূরাজনীতি বিশারদরা কিভাবে চিন্তা করছেন সামনের দিনগুলি নিয়ে। তারা সামনের দিনগুলিতে বিশ্বের Balance of Power-এ ব্যাপক পরিবর্তনের আশংকা করছেন বলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে তথা পশ্চিমা বিশ্বকে ‘উদ্ভট’ সব কৌশল অবলম্বন করার উপদেশ দিচ্ছেন। ‘উদ্ভট’ বলছি আসলে সেগুলি উদ্ভট বলে নয়, বরং সাধারণ মানুষের কাছে সেগুলি উদ্ভট ঠেকবে সেজন্যে। যেমন – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুখে অন্য কথা বললেও দুনিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু স্থানে সে আসলে স্থিতিশীলতা চায় ... Read more - [কুরআন-এর সাত হরফে নাযিল হওয়া](https://returnofislam.com/2016/09/21/seven-letters-of-quran/): আল্লাহর রাসূল (সা) বলেছেন: “এই কুরআন সাতটি ভিন্ন হরফে নাযিল হয়েছে, সুতরাং কুরআন হতে যা তোমাদের জন্য সহজতর হয় তা পাঠ কর“। [মুত্তাফাকুন আলাইহি]  তিনি (সা) আরো বলেছেন: “জিবরাঈল আমাকে একটি পদ্ধতি শিখিয়েছে এবং আমি তা অনুশীলন করতে থাকা অবস্থায় সে আমাকে আরো (পদ্ধতি) শিখিয়েছে। আমি তার কাছে আরো প্রত্যাশা করতে থাকি এবং সেও বাড়াতে থাকে যতক্ষন না (সর্বমোট) সাতটি হরফ হয়“। [বুখারী] সাত হরফ-এর অর্থের ব্যাপারে আলেমগণ মতবিভেদ করেছেন, তাদের মধ্যে কেউ উপনীত হয়েছেন, এটি মুতাওয়াতির পঠনে ভাষার প্রাঞ্জলতার মতভিন্নতা এবং সাতটি ভাষ্যে তা সংরক্ষিত হওয়া। (যেমন), ই’রাবের ভিন্নতা, (শব্দের) বেশি কিংবা কম হওয়া, কিংবা দ্রুততা কিংবা বিলম্ব হওয়া, পাক খাওয়া কিংবা ... Read more - [১৮তম অধ্যায়: উদারপন্থা ও চরমপন্থা](https://returnofislam.com/2016/07/29/moderation-and-extremism/): পশ্চিমাদের ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিক ও পরিমন্ডল রয়েছে, বাস্তব জীবন থেকে ইসলামের দূরত্ব সৃষ্টির জন্য এই সবগুলোকে প্রয়োগ করা হয়। এই প্রপাগান্ডা কেবল এর ভাবমূর্তিকে খাটো করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর উদ্দেশ্য ছিল খিলাফতকে ধ্বংস করা, এর হুকুমসমূহকে অকার্যকর করা এবং ইসলামকে প্রাচীনকালের বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা। ইসলাম যাতে পুরো পৃথিবীকে আবারও নেতৃত্ব দিতে না পারে সেটাকে লক্ষ্য করেই এরূপ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তারা সার্বক্ষনিকভাবে ইসলামকে ভয় পায়। সে কারণে তাদের ষড়যন্ত্রও এক মুহুর্তের জন্য থেমে নেই কারণ যদি তাদের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যায় এবং মুসলিমরা তাদের হারানো গৌরব ফিরে পায়। পশ্চিমাদের দৃষ্টিতে মুসলিমরা এমন এক ... Read more - [১৭তম অধ্যায়: ইসলাম গ্রহণের পরও কি রাসূলুল্লাহ্ (সা) নাজ্জাশীকে কুফর শাসনের অনুমোদন দিয়েছিলেন?](https://returnofislam.com/2016/07/28/did-the-rasool-accept-the-najashi-who-had-embraced-islam-to-rul-by-the-law-of-kufr/): যারা ইসলামের দাওয়াহ্ সঠিকভাবে বহন করতে চায় এবং দলীয় কিংবা ব্যক্তি জীবনে একে প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে, তারা কুফর শাসনব্যবস্থা ধ্বংসের নামে কখনওই এতে অংশগ্রহণ করতে পারে না। কারণ কুফর ব্যবস্থা ও আইন-কানুনসমূহ বাস্তবায়নকারী কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তা কেবল শক্তিশালীই হয়, ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না। কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সমর্থনে যেসব দলিল পেশ করা হয় তা একধরনের আত্নপ্রবঞ্চণা, তারও আগে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও মুমিনদের সাথে প্রবঞ্চণার নামান্তরমাত্র। বিশেষত: যখন তা হয় অর্থ ও প্রামাণ্যতার দিক থেকে অকাট্য শারী’আহ্ দলিলের সাথে সাংঘর্ষিক। অর্থ ও প্রামাণ্যতার দিক থেকে অকাট্য শারী’আহ্ দলিলের বিরোধীতার সমর্থনে শারী’আহ্’কে বিবেচনায় না এনে মনগড়া মাসলাহা (Interest) অবলম্বন ... Read more - [১৬তম অধ্যায়: খন্ডিত সংস্কার ও আমূল সংস্কার](https://returnofislam.com/2016/07/27/patchwork-reform-and-radical-reform/): মুসলিমদের আজকের এ করুণ দশায় অবস্থার পরিবর্তন ও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মত উত্তম বিকল্পের জন্য কাজ করতে অনেক ইসলামী আন্দোলনের উন্মেষ ঘটেছে। এ আন্দোলনগুলো মূলত দু’ধরনের। প্রথম ধরনের আন্দোলন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার দাওয়াহ্’র ক্ষেত্রে সংস্কারমূলক পদ্ধতির উপর নির্ভর করে। সুতরাং তারা, যা ধ্বংস হয়েছে তা ঠিক করার চেষ্টা করে এবং যা দূষিত হয়ে গেছে তার সংস্কার সাধনের চেষ্টা করে। দ্বিতীয় ধরনের আন্দোলন পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট পথের উপর নির্ভর করে এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গী হল, ভিত্তিমূল যেখানে দূনীর্তিগ্রস্ত হয়ে গেছে সেখানে সংস্কার সাধন করে বাস্তবে তেমন কোন সুফল পাওয়া যাবে না, তাই খন্ডিত সংস্কার আদৌ কোন কাজে আসবে না। এ দুই আন্দোলনের ... Read more - [ভিন্ন বিষয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ হুকুম](https://returnofislam.com/2016/07/26/the-combining-together-of-different-things/): ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে অনেক সময় শারী’আহ্ একই প্রকার হুকুম প্রদান করেছে, যদিও মানব যুক্তি ঠিক তার উল্টো কাজ করে। শারী’আহ্ পবিত্র হওয়ার ক্ষেত্রে পানি এবং ধুলাকে একই মর্যাদায় স্থান দিয়েছে, যদিও পানি পরিষ্কার করে অথচ ধুলা অপরিষ্কার করে। এটা স্বর্ণ এবং গমের ক্ষেত্রে রিবা আল-ফাদল (অতিরিক্ত পরিমাণ) কে নিষিদ্ধ করেছে, যদিও এদের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। এটা যিনাহ্ এবং মুরতাদ (দ্বীনত্যাগ) এর শাস্তি মৃত্যুদন্ড বিধান করেছে অথচ অপরাধ দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। এটা মুসলিম ও অমুসলিমদের সুরক্ষা দিয়েছে যদিও বিশ্বাসের দিক থেকে তারা ভিন্ন। কোন নারীর উপর যিনাহ্’র দায় চাপানো মিথ্যা অভিযুক্তকারী এবং মদ পানকারী উভয়কেই ৮০টি দোররা মারার হুকুম দিয়েছে ... Read more - [সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়ে ভিন্ন হুকুম](https://returnofislam.com/2016/07/25/the-distinction-between-similar-things/): সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয়বস্তুর মধ্যে ভিন্নতার উদাহরণ হিসেবে যেমন আমরা বলতে পারি শারী’আহ্ স্থান-কালের মধ্যে পার্থক্য বিধান করেছে যদিও মুসলিমদের কাছে মর্যাদার দৃষ্টিকোনে সব স্থান-কাল একই। যেমন শারী’আহ্ লাইলাতুল ক্বদরের রাতকে অন্যান্য রাতের উপর মর্যাদা দিয়েছে, মক্কাকে মদীনার উপর এবং মদীনাকে অন্যান্য শহরসমূহের উপর প্রাধান্য দিয়েছে। কছর (সংক্ষিপ্ত) নামাযের ক্ষেত্রে পার্থক্য বিধান করেছে, যেমন: ৪ রাকাত নামায সংক্ষিপ্ত করা যায়, কিন্তু ৩ বা ২ রাকাতে যায় না। এটা মনি (বীর্য) এবং মাজিহ (প্রাকবীর্য তরল) এর মধ্যে পার্থক্য করেছে। একই স্থান হতে নির্গত হওয়া সত্ত্বেও মনি (বীর্য) পাক এবং মাজিহ (প্রাকবীর্য তরল) নাপাক। স্বেচ্ছায় মনি নির্গত হলে গোসলকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং রোজা ভঙ্গের ... Read more - [১৫তম অধ্যায়: হারামের মাধ্যমে হালালে পৌঁছানো যায় না (উদ্দেশ্য পদ্ধতির ন্যায্যতা প্রমান করে না)](https://returnofislam.com/2016/07/24/the-halaal-is-not-reached-through-the-haraam/): কিছু কিছু মুসলিমের চিন্তা যুক্তিনির্ভর সাদৃশ্যতা (Rational Analogy) দ্বারা প্রভাবিত। এই সাদৃশ্যতা বিবেচনায় তারা শারী’আহ্ প্রদত্ত ইঙ্গিত অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লেখিত ইল্লাহ্ (হুকুমের পেছনে ঐশী বা শারী’আহ্ প্রদত্ত কারণ) এর উপর নির্ভর করে না। তাদের মতে চিন্তা ব্যবহার করে সমগ্র শারী’আহ্ হতে যুক্তিনির্ভর ক্বিয়াস (Rational Qiyas) অনুধাবন করা যায়, তার জন্য নির্দিষ্ট কোন দলিলের প্রয়োজন নাই। শারী’আহ্ প্রদত্ত সুস্পষ্ট কোন ইঙ্গিত ছাড়াই এক হুকুমের সাথে অন্য হুকুমের সাদৃশ্যতা বিবেচনা করে মানব চিন্তা তা অনুধাবনে সক্ষম। শারী’আহ্ হুকুম ও অন্যান্য হুকুমের মধ্যে মাসলাহা’র (সুবিধা) ভিত্তিতে প্রাধান্য বিবেচনা করেও তা উপলদ্ধি করা সম্ভব। উপরের যুক্তিগুলো কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের দৃষ্টিতে সমস্ত শারী’আহ্ আমাদের ... Read more - [১৪তম অধ্যায়: মাসলাহা’র (সুবিধা) দোহাই দিয়ে হারামকে অনুমোদন দেয়া](https://returnofislam.com/2016/07/23/permitting-the-haraam-under-the-pretext-of-the-public-interest/): শারীআহ্ কিছু বিষয়কে আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে আর কিছু বিষয়কে নিষেধ করেছে। কোনভাবেই তার রদবদল, পরিবর্তন ও বিকৃত করা আমাদের জন্য বৈধ নয়। সর্বজ্ঞানী আইনপ্রণেতা আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা শুধুমাত্র যেখানে প্রয়োজন সেখানেই রুখসাহ্-কে (অব্যহতি) অনুমোদন দিয়েছেন। সুতরাং শয়তান বা মানুষের প্রবৃত্তি সুবিধার দোহাই দিয়ে যতই এতে প্ররোচনা দিক না কেন, যে স্থানে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) রুখসাহ্ (অব্যহতি) প্রদান করেননি সে স্থানে তাঁর হুকুমকে পাশ কাটানোর কোন অনুমোদন নাই। যে ব্যক্তি আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত রুখসাহ্ ব্যতীত বাধ্যতামূলক হুকুমসমূহ পরিত্যাগ করাকে অনুমোদন দেয় আর নিষেধ অমান্য করাকে বৈধতা দান করে সে কাফির কিংবা অজ্ঞ ফাসিকদের অন্তর্ভূক্ত। কিছু বিপথগামী ব্যক্তি ... Read more - [১৩তম অধ্যায়: সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ:) এবং কুফর ব্যবস্থার অধীনে শাসন](https://returnofislam.com/2016/07/22/sayyiduna-yusuf-and-ruling-within-a-kufr-system/): সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ) সম্পর্কে তাদের বক্তব্য হচ্ছে, তিনি (আ) এমন একটি জাহেলী সমাজে বসবাস করতেন যেখানে শিরকী বিশ্বাসের কতৃর্ত্ব ছিল। সমাজটির নৈতিক বিপর্যয়ও ছিল ব্যাপক। লোভ এবং অবিচার এতই বিস্তার লাভ করেছিল যে সেই সমাজের লোকেরা ইউসুফ (আ)-এর নিষ্পাপ চরিত্রের নিদর্শন পেয়ে তাকে কারাবন্দি করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইউসুফ (আ) এর সততা ও স্বপ্নের সুব্যাখ্যা দেয়ার বিষয়টি উপলদ্ধি করে রাজা তাকে কারামুক্ত করেন এবং নিজের নিকটবর্তী করেন। সাইয়্যিদুনা ইউসুফ (আ) রাজাকে বলেছিলেন তাকে যেন কোষাগারের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং রাজা তাঁর অনুরোধ রেখেছিলেন। তাই তাদের বক্তব্য হচ্ছে, ইউসুফ (আ) জাহেলী শাসন ও শাসনব্যবস্থার মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যা ছিল বনী ইসরাইলের ... Read more - [১২তম অধ্যায়: কুফর শাসনব্যবস্থায় অংশগ্রহণ](https://returnofislam.com/2016/07/21/participation-in-a-kufr-system/): দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বান্দার প্রতি তাঁর বিশেষ অনুগ্রহ পূর্ণ করেছেন। তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “এবং সত্য ও ইনসাফ (এর আলোকে) আপনার ররের কথাগুলো পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। তাঁর কথা পরিবর্তন করার কেউ নেই। এবং তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।” (সূরা আল আনআম: ১১৫) নিশ্চয়ই দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করা বান্দার প্রতি আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র একটি বিশেষ রহমত। কুর’আনকে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সুরক্ষিত করেছেন এবং পরিবর্তন ও রদবদল হতে নিরাপদ রেখেছেন। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “নিশ্চয়ই সন্দেহাতীতভাবে আমি কুর’আন নাযিল করেছি এবং নিশ্চয়ই আমি তা সংরক্ষন করবো।” [সূরা হিজর: ৯] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) একে সংরক্ষণ করেছেন যাতে তা ... Read more - [গণতন্ত্র, শূ’রা নয়](https://returnofislam.com/2016/07/20/democracy-is-not-shura/): নিজেদেরকে জ্ঞানী বলে দাবিকারী কিছু লোক যখন বলে, ইসলামের শুরু গণতন্ত্র দিয়ে আর শেষ একনায়কতন্ত্র দিয়ে, তখন তা শুনে একজন হাসবে না কাঁদবে তা ঠিক করতে পারে না। তারা প্রমাণ হিসেবে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র নিম্নোক্ত আয়াতটি উল্লেখ করে: “কাজে কর্মে তাদের পরামর্শ করুন। অতঃপর যখন কোন কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলেন, তখন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র উপর ভরসা করুন।” (সূরা আলি ইমরান: ১৫৯) আমাদের আলোচনার সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি চিন্তা নিয়ে এখনও আলোকপাত করা বাকী রয়েছে, আর তা হলো কিছু লোকের দৃষ্টিতে গণতন্ত্র ইসলাম দ্বারা অনুমোদিত যেহেতু কুর’আন ও সুন্নাহ্’তে শূ’রার বিষয়টি পরোক্ষভাবে এসেছে। তারা বলে গণতন্ত্র শূ’রা ছাড়া আর কিছুই ... Read more - [বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ পশ্চিমা সভ্যতার ফলাফল নয়](https://returnofislam.com/2016/07/19/science-and-technology-are-not-products-of-the-western-civilisation/): এরকম ধারণা বিরাজমান রয়েছে যে পশ্চিমাদের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন গণতন্ত্রের বাস্তবায়নের ফসল। অথচ এর পক্ষালম্বনকারীরা বাস্তব চিত্র সম্পর্কে অজ্ঞ। এর কারণ বৈজ্ঞানিক নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত আবিষ্কারসমূহ কোন দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে সংযুক্ত নয় বরং এটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রদত্ত মানুষের চিন্তাশক্তি দ্বারা কোনকিছু অর্জনের ক্ষমতা। যে কোনো পুঁজিবাদী, সমাজতান্ত্রিক বা মুসলিম ব্যক্তি যে তার মনকে মুক্তভাবে চলতে দেয় সেই এটা অর্জন করতে পারে। কোন ধর্ম বা জীবনব্যবস্থার এক্ষেত্রে কোন প্রভাব নেই, যদি না বিশেষ কোন আদর্শ বিজ্ঞানকে অনুমোদন দেয় ও মানুষের মনের ব্যবহারকে বৈধতা দেয় অথবা এটি পূর্বের গীর্জার মত এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়। এটা সর্বজনবিদিত যে, ইসলামী আদর্শ কেবলমাত্র পরীক্ষা ... Read more - [পশ্চিমা সমাজে স্বাধীনতা](https://returnofislam.com/2016/07/18/freedoms-in-the-west/): জীবন থেকে দ্বীনকে পৃথকীকরণের ধারণার বশবর্তী হয়ে পশ্চিমারা নিজেদেরকে আইন তৈরির ক্ষমতা প্রদান করেছে। এটা এই দৃষ্টিভঙ্গী পোষণ করে যে মানুষ অন্যের তোয়াক্কা না করে এমন জীবনযাপন করবে যাতে সে নিজেকে পরিতুষ্ট করতে পারে; যেখানে তার নিজের খেয়ালখুশীর প্রতিফলন ঘটবে কিন্তু অন্যদের নয়। তারা মনে করে মানুষ এরূপ অধিকার ভোগ করতে পারবে না যদি না সে স্বাধীন হয়। আর এটা থেকেই পাওয়া যায় বিশ্বাস, মালিকানা, মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার ধারণা। এটা স্বাধীনতার এ ধারণাকে পবিত্র বলে বিবেচনা করে। এই স্বাধীনতার সুনির্দিষ্ট কৌশলগত অর্থ রয়েছে। বিশ্বাসের স্বাধীনতা একজনকে পছন্দসই ধর্ম বেছে নেয়ার সুযোগ করে দেয়। অথবা দৈনন্দিন ব্যাপার হলেও তাকে এক বিশ্বাস ... Read more - [তা-গূত কী?](https://returnofislam.com/2016/07/17/what-is-tagbut/): ইসলামের দৃষ্টিতে বিচারের জন্য আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারও নিকট শরণাপন্ন হওয়াকে তাগুতের নিকট শরণাপন্ন হওয়া বুঝায়। তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “আপনি কি তাদেরকে প্রত্যক্ষ করেননি যারা দাবী করে যা আপনার উপর নাযিল হয়েছে, এবং যা আপনার পূর্বে নাযিল হয়েছে, তার উপর তারা ঈমান এনেছে, এবং তারা বিবাদমান বিষয়গুলোর মিমাংসার জন্য তাগুতের শরণাপন্ন হতে চায় অথচ তা প্রত্যাখ্যানের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু শয়তান তাদেরকে পথভ্রষ্ট করে ফেলতে চায়।” (সূরা আন নিসা: ৬০) তাগুতের শাসন মানেই জাহেলিয়াতের শাসন। এর প্রতিটি আইন আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এবং রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইবনে আল-কাইয়্যিম তার রচিত গ্রন্থ আ’লাম আল-মুয়াক্কি’ন এ বলেন, “বান্দা ... Read more - [গণতন্ত্র](https://returnofislam.com/2016/07/16/democracy/): পশ্চিমা সভ্যতা দুনিয়া থেকে দ্বীনের পৃথকীকরণ বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। এই চিন্তা ও ভিত্তিতে বিশ্বাসের দরুণ পশ্চিমারা জনগণের জীবন থেকে দ্বীনের প্রতিটি প্রভাব বিনষ্ট করেছে। এর অনুকরণে তারা মৌলিক চিন্তার আদলে এর উপর ভিত্তি করে জীবন সম্পর্কিত সকল চিন্তা ও সমাধান বিকশিত করেছে। অতএব গণতন্ত্রের মাধ্যমে মানুষ নিজেদের উপর আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র কর্তৃত্বের পরিবর্তে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। ফলে নিজেদের কাজের মাপকাঠি হিসেবে তারা স্বার্থকে গ্রহণ করলো এবং সর্বোচ্চ মাত্রার ঈন্দ্রীয়গত পরিতুষ্টিকে সুখ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করলো। এটাই ছিল ব্যক্তিপূঁজার চিন্তা পরবর্তীতে ব্যক্তিস্বাধীনতার পূঁজার দিকে ধাবিত করে। এসব চিন্তার উপরে ভিত্তি করেই পাশ্চাত্য সভ্যতা গড়ে উঠেছে এবং পাশাপাশি এসব চিন্তার সাথে সাংঘর্ষিক ... Read more - [বিচ্যুতি ও আপোষের ব্যাপারে সতর্ক থাকা](https://returnofislam.com/2016/07/15/alertness-to-deviation-and-compromise/): কোনো আদর্শিক ফিকরাহ্’র (আক্বীদা ও সমাধান সম্বলিত চিন্তাসমূহ) উপরে প্রতিষ্ঠিত দল যখন বাস্তবতার মোকাবিলা করতে মাঠে নামে তখন তার উপর অনেক ঝড়-ঝাঁপটা আসে এবং তাকে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলতে চায়। এই আন্দোলনটির প্রতি শাসকবর্গের আচরণ হবে অন্যান্য আন্দোলন থেকে পৃথক। কারণ অন্যান্য আন্দোলনগুলো আংশিক চিন্তা উপস্থাপন করে, যার ফলে তারা শাসকের জন্য মোটেও হুমকি হিসেবে কাজ করেনা। বরং শাসকবর্গ কতৃর্ক সংঘটিত বিভিন্ন ত্রুটি ও অপূর্ণতার খালি জায়গাগুলো পূরণ করে দেয়। কিন্তু আদর্শিক ফিকরাহ’র ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত চরম আন্দোলনটি নিজস্ব ভিত্তির আলোকে বিভিন্ন বিষয়ের মোকাবিলা করে এবং কোনো জোড়াতালি দেওয়া সমাধানকে মেনে নেয়না অথবা পরিস্থিতির সাথেও তাল মেলায়না। না তারা কোনো আংশিক সমাধান ... Read more - [১১তম অধ্যায়: চিন্তা (Idea) ও পদ্ধতি (Method) হিসেবে আদর্শের প্রতি আনুগত্য](https://returnofislam.com/2016/07/14/adhering-to-the-ideology-as-a-thought-and-method/): যখন পশ্চিমা কাফেররা তাদের জীবনব্যবস্থাকে এমনভাবে চাপিয়ে দিতে সক্ষম হলো যাতে তা জনগণ অনুসরণ করে, তখন মুসলিমদের বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক জীবনযাপনগত অবস্থান কারও নিকট আর ঈর্ষণীয় পর্যায়ে রইলো না। মুসলিমরা আক্বীদাহ্’র সাথে সাংঘর্ষিক চিন্তাসমূহ দ্বারা নিজেদের জীবন পরিচালিত করতে লাগলো। উম্মাহ্ কখনও যেসব বিজাতীয় চিন্তাসমূহকে গ্রহণ করেনি, তা হতে উৎসারিত পশ্চিমা জীবনদর্শনের সাথে ইসলামী আক্বীদা’হ্ হতে উৎসারিত চিন্তাসমূহের সামঞ্জস্যবিধানের চেষ্টার ফলে মুসলিমরা তাদের সঠিক পরিচিতি ও ব্যক্তিত্বকে হারিয়ে ফেললো। অজ্ঞতা ও সবকিছু নিজেদের ভিত্তি হতে গ্রহণের অক্ষমতাই এসব ভ্রান্তচিন্তা বিস্তার লাভের জন্য দায়ী। তারা ইসলাম এবং ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক এমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি বিষয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের চেষ্টা করলো। নিজেদের ... Read more - [১০ম অধ্যায়: ক্রমান্বয়ে ইসলামের বাস্তবায়ন](https://returnofislam.com/2016/07/09/gradualism/): ক্রমাণ্বয়ে বা ধাপে ধাপে ইসলামকে বাস্তবায়নের যে দূষিত চিন্তাটি সমাজে বিদ্যমান সেটি এবং তা থেকে উদ্ভূত অন্যসব দূষিত চিন্তা যেমন বিদ্যমান ব্যবস্থাসমূহে অংশগ্রহণ প্রভৃতি বিষয়ে আমরা এখানে আলোকপাত করতে চাই, সেগুলোর প্রতি ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতে চাই এবং এসব চিন্তার  ভ্রান্তি সম্পর্কে উম্মাহকে সচেতন করতে চাই। সমাজ পরিবর্তনের জন্য প্রচেষ্টারত কিছু দলের লোক মানুষের মনে ইসলামের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য এরকম একটি  দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করে থাকে যে,  ইসলাম থেকে গণতন্ত্র এসেছে ।এর কারণ হচ্ছে তাদের কর্মকাণ্ডের সাথে এ জাতীয় চিন্তার জোরালো সম্পর্ক রয়েছে। অতএব প্রথমেই আমাদের বোঝা দরকার, ধাপেধাপে ইসলামের বাস্তবায়ন বলতে কি বোঝায়? যারা এই চিন্তাকে ধারণ করে তাদের মতে ... Read more - [কর্মকান্ড কি আংশিক হবে নাকি ব্যাপক এবং ভারসাম্যপূর্ণ হবে?](https://returnofislam.com/2016/07/08/should-the-work-be-partial-or-comprehensive-and-balanced/): কিছু মুসলিম কর্মী আছেন যারা ইসলামী কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সমন্বিত এবং সুষম পদক্ষেপ গ্রহণ করার একটি ধারণা উপস্থাপন করেন আবার অনেকে আংশিক কর্মকাণ্ড জোরালোভাবে পরিচালনা করার কথা বলেন। সমন্বিত পদক্ষেপ বলতে বুঝানো হয় অন্যান্য বিষয় ও দিক বাদ দিয়ে কেবল কোনো একটি আংশিক বিষয় বা দিকের উপরে কর্মকাণ্ডকে সীমিত না করা। ইসলামী পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে ইবাদাত সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, সামাজিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা বিদ্যমান। নবুয়্যতের যুগে ইসলামের প্রথমদিককার কর্মকাণ্ড ছিল স্বয়ংসম্পূর্ণ। রাসূল (সা) তখন ইসলামের সমস্ত দিকের অনুসরণ করছিলেন। কর্মক্ষেত্রে অথবা নৈতিক শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে, তিনি ছিলেন একজন মুরব্বী, শিক্ষাক্ষেত্রে তিনি ছিলেন শিক্ষক, জিহাদের ময়দানে ছিলেন নেতৃত্বদানকারী, পরিকল্পনার ... Read more - [আন্দোলন কি আঞ্চলিক হবে নাকি বৈশ্বিক?](https://returnofislam.com/2016/07/07/should-the-movement-be-regional-or-global/): যেহেতু সমগ্র পৃথিবীর জন্য ইসলাম একটি দ্বীন হিসেবে এসেছে এবং মুহাম্মাদ (সা) পুরো মানবজাতির জন্য নবী হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন সেজন্য কিছু মুসলিম প্রস্তাব করে যে ইসলামী আন্দোলনকেও বৈশ্বিক হতে হবে। এছাড়া বাস্তবতা বিবেচনা করলেও দেখা যায় ইসলামী আন্দোলনকে বৈশ্বিক বিভিন্ন আন্দোলনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। উপরন্তু, ইসলামী পরিবর্তন সূচিত করার লক্ষ্যে যে বিশাল কর্মকাণ্ডের প্রয়োজন সেজন্যও প্রয়োজন বৈশ্বিক আন্দোলন। যারা এরূপ ধারণা পোষণ করে তারা প্রমাণ হিসেবে কুরআনের এ আয়াতগুলো উদ্ধৃত করে: “এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমণ্ডলীর জন্যে এবং রাসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্যে।” (আল কুরআন ২:১৪৩) “বলে দিন (হে মুহাম্মাদ): ‘হে মানবমণ্ডলী! তোমাদের সবার ... Read more - [একাধিক দলের বৈধতা](https://returnofislam.com/2016/07/06/the-permissibility-for-plurality-of-groups/): এই বিষয়টি আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে একাধিক দলের বৈধতাকে যেসব দলীলের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয় সেগুলোকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এর ফলে অন্যান্য যেসব মত একাধিক দলের উপস্থিতিকে অনুমোদন করে সেগুলোও বৈধ হয়ে যায়নি। কারণ কোনো বিষয় অবৈধ হলেই বিপরীত বিষয়টি বৈধ বলে প্রমাণিত হয়ে যায়না। এর জন্য এমনসব দলীলের প্রয়োজন যেগুলো ইসতিদলাল ও ইসতিনবাদের যথার্থতাকে প্রমাণ করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এক্ষেত্রে কী কী দলীল বিদ্যমান?  অসংখ্য দলীল রয়েছে যেগুলো ফুরু’র (আহকাম) ক্ষেত্রে মতভেদকে অনুমোদন করে, উসূলের (আক্বীদাহ) ক্ষেত্রে নয়। ফুরু সংক্রান্ত মতভেদকে অনুমোদনের ব্যাপারে সুন্নাহ’তে নির্দেশনা আছে। এজন্যই আমরা দেখি সাহাবীদেরকে (রা), তাবিঈন এবং ... Read more - [৯ম অধ্যায়: একাধিক ইসলামী দল বা আন্দোলন থাকা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2016/07/05/is-it-allowed-to-have-more-than-one-movement-calling-to-islam/): এই বইয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে কোনো আন্দোলন বা দলের কর্মসূচীর জন্য একটি সামগ্রিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করতে আমরা চেষ্টা করেছি। বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে আমরা একে ভারাক্রান্ত করে তুলিনি বরং যেসব মৌলিক বিষয় অবশ্যই মেনে চলতে হবে সেগুলো আমরা বর্ণনা করেছি এবং বিস্তারিত বর্ণনার বিষয়টি দল ও এর মুজতাহিদগণের উপর ছেড়ে দিয়েছি। বর্তমানে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এমন অনেক কর্মপ্রচেষ্টা বিদ্যমান, যেগুলো কোনো সঠিক ভিত্তির উপরে প্রতিষ্ঠিত না। অনেক দলের ক্ষেত্রে বলা যায় যে তারা শরীআ’হ’র প্রয়োজনীয় শর্তসমূহ পূরণ করেনি। আংশিক কাজ করতে ইচ্ছুক এমন কিছু মুসলিমের সমষ্টি ছাড়া তারা আর কিছুই না। এমনকি তারা আংশিক সমস্যাসমূহের সমাধানও করতে পারে না ... Read more - [৮ম অধ্যায়: দলের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনাসমূহ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা](https://returnofislam.com/2016/07/04/the-obligation-of-adopting-thoughts-necessary-for-the-work-of-the-group/): যেকোনো ধরনের দল হলেই চলবে এমন ধারণা শরীআ’হ দেয় না। বরং শরীয়াহ এমন একটি দল প্রতিষ্ঠার দাবী করে যার উদ্দেশ্য হবে একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশ বাস্তবায়ন করা। নিচের দলীলটি আমাদেরকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেয়। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তাআলা) বলেন;  “আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকবে যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।” (আল কুরআন ৩:১০৪) ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে এমন একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করতে শরীয়াহ আমাদেরকে বাধ্য করে যে দলটি তাকে  প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অর্থাৎ ইসলামের আধিপত্য ও প্রতিষ্ঠালাভ এবং ক্ষমতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তা ও ... Read more - [আক্বীদাহ’র গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2016/07/03/the-importance-of-the-creed/): যেহেতু ইসলামী আক্বীদাহ হচ্ছে দলটির কাজের প্রেরণা এবং আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয়াদি দিয়ে শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করা এর উদ্দেশ্য সেহেতু দলটির জন্য বাধ্যতামূলক নিজের বিকাশক্রিয়া (culture) কে এমনভাবে গ্রহণ করা যার সঙ্গে আক্বীদাহ’র জোরোলো সম্পর্ক থাকবে। যার লক্ষ্য হবে দলের কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, উদ্বেগ, আন্তরিকতা, তীব্র ভালোবাসা, আগ্রহ এবং ত্যাগের মানসিকতা গড়ে তোলা। এটি মুসলিমদের মধ্যে চলার পথে দুঃখ যন্ত্রণা সহ্য করার ক্ষমতাও জাগিয়ে তুলবে । দাওয়াত বহনকারীকে এটি এমনভাবে গড়ে তুলবে যাতে সে লোকজনের প্রশংসার জন্য বসে থাকবে না বরং সে তার রব ও সেইদিনের ভয় করবে যেদিন দুশ্চিন্তায় মানুষের চেহারা বিমর্ষ হবে। রবের সন্তুষ্টি ও আখিরাতের পরম সুখ লাভের জন্য সে ... Read more - [৭ম অধ্যায়: দলের বিকাশ প্রক্রিয়া (Culture)](https://returnofislam.com/2016/07/02/the-culture-of-the-group/): উম্মাহর দরকার হচ্ছে বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের, আর পরিবর্তনের জন্য আবশ্যক হল ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কোনো রাজনৈতিক কাঠোমোর মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা। সুতরাং কাঠামোটির সঠিক বৈশিষ্ট্য ও গাঠনিক উপাদানগুলোর বিষয়ে এবং পূর্ববর্তী কাঠামোগুলোর সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করা অপরিহার্য, যাতে সেসবের ব্যর্থতার কারণ বুঝা সম্ভব হয় এবং তা এড়িয়ে চলা যায়। এজন্য কাঠামোগত দিকটি পর্যবেক্ষন করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই দিকটি কায়দা বা ধরনের (style) অন্তর্গত একটি বিষয়। কায়দা বা ধরনের বিষয়টি মূলত মুসলিমদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে যাতে কাজের যথার্থতা ও উপযুক্ততা অনুযায়ী তারা তা নির্ধারণ করে। এই বিষয়টি দলীয় কৃষ্টির বা সংস্কৃতির একটি অংশ। — যে সমাজে মুসলিমরা বাস করে তাতে ... Read more - [ক্বিয়াস আক্বলী (যুক্তির ভিত্তিতে ক্বিয়াস নির্ধারণ)](https://returnofislam.com/2016/07/01/the-rational-analogy/): আক্বল সাদৃশ্যতাপূর্ণ ও তুলনীয় বস্তু সম্পর্কে একই ধরনের নিয়ম প্রদান করে। সেকারণে এমন দু’টি বিষয়ের মধ্যে স্বরূপতা আনা হয় যেগুলোর মধ্যে সাদৃশ্যতা রয়েছে। এবং আক্বল ভিন্ন বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন হুকুম প্রদান করে।  এ অবস্থা ক্বিয়াস শরী’আহ এর সাথে সাংঘর্ষিক। কারণ শরী’আহ একই ধরনের বিষয়ে ভিন্ন ধরনের হুকুম প্রদান করেছে এবং ভিন্ন ধরনের বিষয়ে একই হুকুম প্রদান করেছে। শরী’আহ একই বিষয়কে দু’ভাবে দেখেছে, যেমন: দু’টি ভিন্ন সময়কে। লাইলাতুল ক্বদরকে অন্যান্য রাতের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। একই ধরনের স্থানকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করেছে, মক্কাকে মদীনার উপর এবং মদীনাকে অন্যান্য স্থানের উপর প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। সালাতের ক্ষেত্রে চার রাকাআত এর নামাজ ও তিন রাকাআতের মধ্যে ... Read more - [আল মাসলাহাহ (জনস্বার্থ)](https://returnofislam.com/2016/06/30/public-interest/): মাসলাহাহ মানে হল কোন উপযোগিতা অর্জন করা বা ক্ষতি থেকে মুক্ত থাকা। এটা মনের ভিত্তিতে হতে পারে আবার শরী’আহ দ্বারা ঠিক করা হতে পারে। যদি মানুষের মনকে এ ব্যাপারে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে মানুষের পক্ষে সত্যিকারের উপযোগিতা খুজে বের করা অত্যন্ত দুরূহ হয়ে যাবে। কারণ আমাদের মন সীমিত। মানুষের মন তার সব প্রয়োজন ও বাস্তবতাকে ধারণ করতে পারে না। সেকারণে সে তার জন্য সঠিক উপযোগিতা নির্ধারণ করতে সক্ষম নয় যেহেতু কোন একটি জিনিস উপকারী না ক্ষতিকর এ বিষয়ের বাস্তবতাকে মানুষ সঠিকভাবে উপলদ্ধি করতে পারে না। স্রষ্টা ব্যতিত আর কেউ মানুষের বাস্তবতা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখে না। কোনটা কীভাবে হলে মানুষের স্বার্থ ... Read more - [শরী’য়াহ বুঝার নিয়মসমূহ](https://returnofislam.com/2016/06/29/the-rules-of-understanding-the-shara/): দলটি শরী’য়াহ’র উৎস সুনির্দিষ্ট করবার পর কীভাবে এসব উৎস থেকে শরী’য়াহ গ্রহণ ও এগুলোকে ব্যবহার করবে তা উপলদ্ধি করবে। অন্য কথায়, এটি এমন নীতিমালা (কাওয়া’ইদ) বুঝার দিকে মনোনিবেশ করবে যেগুলোর মাধ্যমে একজন উৎস থেকে আহকাম বের করে নিয়ে আসতে পারে। এটা নিঃসন্দেহাতীত যে, যখন একজন ইসলামী চিন্তাবিদ একটি শরী’য়া হুকুম বের করবার জন্য মনস্থির করে তখন তার মনে উসুলের নীতিমালাসমূহ থাকে যেগুলোর ভিত্তিতে সে একটি হুকুম প্রণয়ন করে। এমন কোন জ্ঞান নেই যার কোন মূলনীতি নেই, হতে পারে সেটি লিখিত অথবা অলিখিত।  শরীয়া যে কোন বর্ণণা হতে পারে আম বা সার্বজনীন, খাস বা সুনির্দিষ্ট, মুজমাল বা সংক্ষিপ্ত, মুফাসসাল বা বি¯তৃত, মুতলাক ... Read more - [শরী’য়াহর উৎস](https://returnofislam.com/2016/06/28/sources-of-the-shara/): যেহেতু প্রতিটি হুকুমকে একটি সঠিক উৎস থেকে আসতে হবে সেহেতু উৎস অধ্যয়ন করবার পর সে সম্পর্কে যথার্থ উপলদ্ধি তৈরির পরই তা গ্রহণ করতে হবে। এটা সর্বজনবিদিত যে, ইসলামি আইনের প্রধান উৎস হল কুরআন ও সুন্নাহ, যেগুলোর ব্যাপারে কোনরূপ মতানৈক্য নেই। লদ্ধ উৎসসমূহ হল, ইজমা, ক্বিয়াস, ইসতিহসান (আইনগত প্রাধান্য), মাজহাব আস সাহাবা (সাহাবীদের মতামত), শা’রা মান কাবলানা (পূর্ববর্তীদের শরীয়াহ), এ সবগুলোর ব্যাপারে মতানৈক্য রয়েছে । উৎস সম্পর্কে অন্তর্নিহিত দৃষ্টিভঙ্গি দলের শরীয়া গ্রহণ সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়।   এটা সর্বজনবিদিত যে, লদ্ধ উৎসসমূহ নির্ভর করে সুনির্দিষ্ট প্রমাণাদির উপর। সুতরাং, যদি কোন কিছু চূড়ান্তভাবে শরীয়ার উৎস হিসেবে পরিগণিত হয়, তাহলে এটাকে কোরআন ও সুন্নাহ থেকে ... Read more - [শরী’য়াহ উপলদ্ধি করা](https://returnofislam.com/2016/06/27/understanding-the-shara/): চিন্তাকে ব্যবহার করে বাস্তবতাকে প্রকৃতভাবে বুঝবার পর শরীয়া দলিল থেকে উৎসারিত শরীয় হুকুম বাস্তবতায় প্রয়োগের জন্য উদ্ভুত হয়। চিন্তাকে সমাধান বের করবার জন্য উৎস হিসেবে গ্রহণ করা অনুমোদিত নয়। এখানে চিন্তার কাজ হল শরীয়া দলিলে থাকা শরীয়া সমাধান উপলদ্ধি করা।  শরীয়া বুঝতে হলে আমাদেরকে জানতে হবে দলটি কোন উৎস থেকে শরীয়া এবং ঊসুলী মূলনীতি গ্রহণ করে এবং কিসের দ্বারা দলটি মন্দ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চায়। এভাবে, জনগনের সামনে নিয়ে যাবার জন্য বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করবে এবং ইজতিহাদি প্রক্রিয়ার যথার্থ জ্ঞান অর্থাৎ অবরোহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কিত জ্ঞান রাখবে।  - [মানাত (বাস্তবতা) উপলদ্ধি](https://returnofislam.com/2016/06/26/understanding-the-reality/): আহকাম বুঝবার জন্য ইসলামি পদ্ধতির ভিত্তি হল: সমস্যাকে গভীরভাবে উপলদ্ধি করা, এর মর্মোদ্ধার করা, সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া দলিল এবং সবশেষে এই শরীয়া দলিল থেকে হুকুম বের করে নিয়ে আসা। সুতরাং পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করা একটি দলের উপস্থিতি এটি যে বাস্তবতায় আছে তার সাথে সম্পর্কযুক্ত। কেননা এ বাস্তবতার নিরীখেই দলটিকে ঐ বাস্তবতা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয় শরীয়া হুকুম বের করতে হবে। আর কোন বিষয়ের বাস্তবতা বুঝতে হলে একজনকে ঐ বিষয়টি গভীরভাবে অধ্যয়ন করতে হবে। শরী’আহ বুঝতে হলে প্রথমেই এর উৎস সুনির্দিষ্ট করতে হবে এবং উসুল ও মূলনীতি গ্রহণ করতে হবে যার ভিত্তিতে হুকুসমূহ বের করে আনতে হবে। হুকুম আহরণের এই প্রক্রিয়া সম্পন্নের ... Read more - [৬ষ্ঠ অধ্যায়: আহকাম (হুকুম) বুঝবার জন্য ইসলামের পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/06/25/the-method-of-islam-in-understanding-the-rules/): দ্বীন প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ সংক্রান্ত দায়িত্ব বহন শরী’আহ সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় জ্ঞানভিত্তিক হতে হবে। এটি একারণে যে, আমরা ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি জ্ঞান ছাড়া কোন কাজের মূল্য নেই এবং জ্ঞান ও আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার প্রতি আন্তরিক সদিচ্ছা ছাড়া কোন ইবাদতের মূল্য নেই। সুতরাং দলের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া জ্ঞানের সীমা কতটুকু? কোন বিকাশ প্রক্রিয়ার (culturing process) মাধ্যমে দলটি গঠিত হবে এবং কিসের ভিত্তিতে এর শাবাবগন ও উম্মাহ তৈরি হবে? উপযুক্ত শরীয়া জ্ঞানের ভিত্তিতে সৎ কাজের আদেশ প্রদান ও অসৎ কাজের নিষেধ সংঘটিত হয়, যা দলটিকে গ্রহণ করতে হবে। যদি দলটি এমন কিছু গ্রহণ করে যা শরী’আর ... Read more - [শাসকদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ কি পরিবর্তনের সঠিক পদ্ধতি যা অনুসরণে আমরা কি বাধ্য?](https://returnofislam.com/2016/06/24/some-muslims-hold-the-view-that-raising-arms-in-the-face-of-the-rulers-today-is-the-method-of-change-that-we-are-obliged-to-follow/): তারা দলিল হিসেবে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন না করলে ’অসৎ শাসক’দের বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সা) এর অস্ত্রধারণ করবার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন। এ অবস্থার প্রতিক্রিয়ায় বলতে চাই যে, অমত পোষণ করলেনও এ ধরনের চিন্তা যারা পোষণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এটুকু বলব যে, আলোচ্য হুকুমের মানাত (যে বাস্তবতার জন্য হুকুমটি এসেছে) বুঝতে পারলে হাদীসটি হৃদয়ঙ্গম করাও সহজতর হবে। এ হাদীসটি মূলত দার ঊল ইসলামের ইমাম এর বিষয়ে যাকে আইনগতভাবে শরঈ বায়া’আত দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ মুসলিমদের বায়া’আতের মাধ্যমে তিনি একজন ইমাম হয়েছেন। আর এই ইমাম যে ভূমিকে শাসন করেন তাকে দার ঊল ইসলাম বলা হয়। অর্থাৎ এ ভূমি ইসলাম দ্বারা শাসিত হয় এবং ... Read more - [কারও কারও মতে রাসূলুল্লাহ (সা) এর সীরাতের যথার্থতা যাচাই করা হয়নি](https://returnofislam.com/2016/06/23/some-others-say-the-sirah-of-the-messenger-has-not-been-verified/): এর অর্থ হল, যে বিষয়ের দলিল প্রমাণিত নয় সেটি মানতে আমরা বাধ্য নই। ফলে আমরা সে অনুযায়ী কাজও করতে পারি না। তারা মনে করে, খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য মক্কী জীবনে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাজকে অনুসরণ না করবার ব্যাপারে তাদের মতামতের পক্ষে এটি একটি দলিল। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিক্রিয়ায় আমরা বলতে পারি, সীরাত হল বর্ণণা ও ঘটনার সংগ্রহ যে ব্যাপারে নিরীক্ষা ও দালিলিক প্রমাণ অত্যাবশ্যকীয়। যেহেতু এটা রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাজের সাথে সম্পর্কযুক্ত সেহেতু তা ওহীর অংশ। সুতরাং মুসলিমদের মুস্তফা (সা) এর সীরাতের ব্যাপারে এমনভাবে সচেতন থাকতে হবে যেভাবে তারা কোরআন ও হাদীসের ব্যাপারে সচেতন থাকে। সীরাতে মক্কী জীবনের কাজ বলতে রাসূলুল্লাহ (সা) ... Read more - [কিছু মুসলিম মনে করে, (আনুষ্ঠানিক) ইবাদত করাটাই হলো প্রয়োজনীয় কাজ; ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা নয়](https://returnofislam.com/2016/06/22/some-muslims-say-that-ritual-worship-is-what-is-required-and-not-the-work-to-establish-the-islamic-state/): তারা আরও বলে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) লোকদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার প্রতি ইবাদতের দিকে আহ্বান করেছেন, কিন্তু ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে নয় অথবা আল্লাহর প্রতি ইবাদত হল কেন্দ্রীয় ইস্যু, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নয়; কিংবা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা জরুরী নয় যতটা জরুরী আল্লাহর ইবাদত করা। তাদের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে তারা এ জাতীয় আরো কিছু কথা বলে থাকে । এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা অবশ্যই ইবাদতের বাস্তবতাকে সংজ্ঞায়িত করব এবং দেখাব কীভাবে তা অর্জন করতে হয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং মানুষকে সৃষ্টির অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য হল ইবাদত করা। ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ এর অর্থ হল, আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে উপাস্য ... Read more - [কিছু মুসলিম বলে যে, খিলাফত প্রতিষ্ঠা করার কাজের বাধ্যবাধকতা কেবলমাত্র শাসক ও তাদের পারিষদবর্গকে আহবানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত](https://returnofislam.com/2016/06/21/some-muslim-say-the-obligation-to-work-to-establish-the-khilafah-must-be-restricted-to-calling-rulers-and-their-entourager/): মালা’আ হল একটি জনগোষ্ঠীর প্রধান। তাদের হাতে জনগনের সব বিষয় থাকে এবং তারা সব সময় শাসকদের চারপাশে থাকে। যদি তাদের ক্ষেত্রে দাওয়াত সফল হয় তাহলে ইসলামের সুবিধা হবে, সমাজকে সহজেই পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। যে বিষয়টি দাওয়াত কেবলমাত্র শাসকশ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবার উপলদ্ধি তৈরি করেছে তা হল, সাধারণ জনগনকে দাওয়াত প্রদান করবার মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করা শুরু করলে তা তাদের জন্য শাসক কতৃক লাঞ্চণা বয়ে নিয়ে আসবে। তারা এমন বোঝায় ভারাক্রান্ত হয়ে যাবে, যা বহনে তারা অক্ষম এবং মুসলিমদের এ অবস্থায় পর্যবসিত হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘মুসলিমদের নিজেদের অবমানিত করা উচিত নয়।’ যখন তাঁকে (সা) জিজ্ঞেস ... Read more - [৫ম অধ্যায়: যেসব পদ্ধতি শরী’য়া পদ্ধতির সাথে সাংঘর্ষিক](https://returnofislam.com/2016/06/20/method-contrary-to-the-sharee-method/): আমরা ইতোমধ্যে রাসূলুল্লাহ (সা) এর কর্মপদ্ধতি, তা অনুসরণ করা ও এ পথ থেকে বিচ্যুত না হওয়ার গুরুত্ব উপস্থাপন করেছি। তবে আমরা দেখতে পাই কিছু ইসলামি দল ও চিন্তাবিদগন এ পদ্ধতি ব্যতিরেকে অন্য পদ্ধতি গ্রহণ করছেন। যাইহোক যারাই এসব পদ্ধতি গ্রহণ করছেন, আমাদেরকে সে বিষয়ে অবশ্যই আলোচনা করতে হবে। দ্রুত পরীক্ষা করে এ বিষয়ে এমনভাবে অজ্ঞানতার পদার্কে উন্মোচন করতে হবে যাতে মুসলিমগণ অবিরতভাবে হতবুদ্ধি না হয় এবং গোলকধাঁধায় হারিয়ে না যায় অথবা দাওয়াত বহনের ক্ষেত্রে সন্দিহান না থাকে। নিম্নে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি উপস্থাপন করব।   - [শরীয় হুকুমসমূহ কী নিরীক্ষামূলক?](https://returnofislam.com/2016/06/19/the-sharee-rules-as-an-experiment/): দ্বিতীয় প্রশ্নের ক্ষেত্রে: কিছু লোক আছে যারা ইসলামি রাষ্ট্র বাস্তবায়নের কাজকে নিরীক্ষামূলক হিসেবে নিয়েছে এবং এ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিরীক্ষামূলক পরিকল্পনা থেকে উদ্ভুত দাওয়াতের মাধ্যমে এগুবে বলে মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল এ বিষয়ে এভাবে চূড়ান্ত কিছু বলা কী সমীচীন? পদ্ধতিকে নিরীক্ষামূলক বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা অপাংক্তেয়। এর অর্থ ‘শারী’য় পদ্ধতি’ এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ইসলামে যে কোন কাজের পদ্ধতি শরীয় হুকুম দ্বারা স্বীকৃত যা এর দলিলের বিশুদ্ধতার উপর নির্ভর করে। দলটি শরীয়া গ্রহণে যেমনি বাধ্য তেমনি এইসব দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রেও রয়েছে বাধ্যবাধকতা এবং প্রমাণিত কোন শরীয় হুকুম থেকে চ্যুত হওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ তাদের নেই। সুতরাং এটা লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতিপূণ নিরীক্ষামূলক ... Read more - [আজকাল কিছু মুসলিম তরীকার সাথে ধরনকে (উসলুব) গুলিয়ে ফেলে](https://returnofislam.com/2016/06/18/confusing-the-method-with-styles-by-some-muslims-today/): এ ধরনের সন্দেহ কিছু মুসলিমের মধ্যে সৃষ্টি হবার কারণ হল তারা মনে করে, রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় থেকে বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্নতর। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় সমাজের বিভক্তি ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের, অর্থাৎ বংশ এবং গোত্র। আজকে এ বিভক্তি আরও জটিল ও পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত। একটি রাষ্ট্রের সাথে আগের গোত্র সমূহের তুলনা করা চলে, যার জনসংখ্যা ছিল হাজার হাজার। এখন এ সংখ্যা মিলিয়ন মিলিয়ন। তখন দাওয়াত ছিল লোকদের কুফর থেকে ইসলাম গ্রহণের জন্য। আর আজকে দাওয়াত করা হয় মুসলিমদের ইসলামী জীবনধারা পুণপ্রবর্তনের জন্য। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় সুপার পাওয়ার পারস্য ও রোমানরা মক্কায় তার দাওয়াতে হস্তক্ষেপ করেনি। কিন্তু আজকের দিনে শাসকেরা পশ্চিমাদের আজ্ঞাবহ ও ... Read more - [তরীকাহ (পদ্ধতি) এবং উসলূব (ধরন)](https://returnofislam.com/2016/06/17/the-method-and-styles/): এখন যে প্রশ্নটি উত্থিত হয়, তা হল, রাসূলুল্লাহ (সা) মক্কায় যা বলেছিলেন এবং করেছিলেন তা কি ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কিনা এবং একারণে এটা মানতে আমরা বাধ্য অথবা এমন কোন কাজ বা কর্ম করেছেন কিনা যা ওহী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেগুলো একজন অনুসরণ করতে বাধ্য নয়? এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই পদ্ধতি, উপকরণ ও ধরনের প্রশ্ন আসে। আরেকটি প্রশ্ন উত্থিত হয়, তা হল, পদ্ধতি (যা হল কিছু শর’ঈ হুকুমের সমষ্টি কিন্তু উপকরণ নয়) নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো যাবে কিনা এবং যদি পরীক্ষার পর এটা কোন ফল দেয় তাহলে এটা সঠিক, অন্যথায় নয়? প্রথম বিষয়টির ক্ষেত্রে আমরা নিম্নোক্তভাবে বলতে পারি, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ... Read more - [নুসরাহ বা বস্তুগত সমর্থন অনুসন্ধান](https://returnofislam.com/2016/06/16/seeking-the-material-support/): এবার আসা যাক পদ্ধতিগত নিয়মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান প্রসঙ্গে আর তা হল নুসরাহ বা বস্তুগত সমর্থন। এটা নিয়ে সাবধানতার সাথে বিশে­ষণ করে দেখা যাক আমাদের কী অনুসরণ করা উচিত, বিশেষ করে আমরা যখন দেখতে পাই যে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যারা কাজ করেন তারা নুসরাহর বিষয়টি অত্যন্ত কম গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেন। তারা মনে করে এটি একটি side বিষয় বা এর ইসনাদ (বর্ণণার সূত্র) ততটা শক্তিশালী নয় বিধায় এটি গ্রহণ করবার প্রয়োজন নেই। তারা কেবল এখানেই থেমে থাকে না। বরং রাসূলুল্লাহ (সা) এর সবগুলো সীরাতে সামান্য কিছু ব্যত্যয় ছাড়া সুস্পষ্ট বর্ণণা থাকা সত্তেও এ বিধান ও যারা এর অনুসরণ করে তাদের ... Read more - [মদীনায় হিজরত](https://returnofislam.com/2016/06/15/the-migration-to-madinah/): মদীনায় হিজরত দাওয়াতের ক্ষেত্রে আলোচনা ও সহিষ্ণুতার পর্যায় থেকে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইসলাম বাস্তবায়নের পর্যায়ে উন্নীত হবার একটি ধাপ। এটা দারুল কুফর থেকে দারুল ইসলামে উন্নিত হওয়া যা মদীনাতে রাসূলুল্লাহ (সা) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেখানে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ইসলাম বহন করেছিলেন। আর তা করা হয়েছিল ইসলাম দ্বারা শাসিত একটি রাষ্ট্রের মাধ্যমে। এ রাষ্ট্র ইসলামকে বাস্তবায়ন করে এবং এর দিকে দলিল প্রমাণসহ আহ্বান করে ও দাওয়াতকে ক্ষমতার সাথে বহন করে যাতে করে বাতিলের অত্যাচার ও ক্ষতির হাত থেকে একে সুরক্ষা দেয়া যায়। যখন রাসূলুল্লাহ (সা) মদীনাতে পৌঁছলেন তখন সেখানকার অনেক লোক তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছিল। রাসূলুল্লাহ (সা) সর্বপ্রথম একটি মসজিদ ণির্মাণ করেছিলেন। এ ... Read more - [আল ‘আকাবার শপথ](https://returnofislam.com/2016/06/14/the-pledge-of-al-aqabah/): মুস’আব (রা)  মক্কায় ফিরে আসলেন। আনসারদের মধ্য থেকে কিছু মুসলিম তাদের তীর্থযাত্রী মুশরিক লোকদের সাথে হজ্জ করবার জন্য এল। তাশরীকের (১০ জিলহজ্জ থেকে শুরু করে ৪ দিন) মাঝামাঝি এক দিনে তারা রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে শপথবদ্ধ হলেন। তাদের মধ্যে তেয়াত্তর জন পুরুষ ও দুইজন নারী ছিল। রাসূলুল্লাহ (সা) এর সাথে কেবল তার চাচা ছিলেন। আসাদ বিন জুরারাহ বলেন, ‘ রাসূলুল্লাহ (সা) এর চাচা আল আব্বাস সর্বপ্রথম কথা বললেন। তিনি বললেন, ‘হে খাজরাজের লোকেরা! তোমরা মুহম্মদ (সা) সাথে দেখা করে তাকে আমন্ত্রন জানাচ্ছ। মুহম্মদ (সা) তার গোত্রের লোকদের মধ্য থেকে সবচেয়ে সম্মানিত। আল্লাহর কসম! আমাদের মধ্য হতে যারা তাকে বিশ্বাস করে অথবা ... Read more - [দাওয়াতের আহ্বানে মদীনাবাসীর প্রতিক্রিয়া](https://returnofislam.com/2016/06/13/the-response-of-the-people-of-madinah/): রাসূলুল্লাহ (সা) গোত্রসমূহকে প্রতিবছর মাজান্না, উ’কাজ এবং মিনায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও তার নিজের প্রতি ক্রমাগতভাবে আহ্বান জানাচ্ছিলেন, যাতে করে তিনি তাঁর রবের বাণী নিরাপদে মানুষের দ্বারে পৌঁছে দিতে পারেন এবং এর প্রতিদানে তারা জান্নাত অর্জন করতে পারে। আরবের একটি গোত্রও তাঁর আহ্বানে সাড়া দেয়নি এবং তিনি নির্যাতিত ও চরিত্র হননের অপচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন যতক্ষণ না আল্লাহর ইচ্ছায় দ্বীন বিজয়ী হওয়া, প্রভূর মদদপুষ্ট হওয়া ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হওয়ার সময় এসেছিল। অত:পর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা রাসূলুল্লাহ (সা) কে আনসারদের একটি গোত্রের কাছে প্রেরণ করেন। তিনি (সা) এমন একটি দলের সাথে বসলেন যারা তাদের মাথা মুন্ডন করছিলেন । রাসূলুল্লাহ (সা) তাদের ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) কতৃক গোত্রসমূহকে ইসলামের দিকে আহ্বান](https://returnofislam.com/2016/06/12/the-rasool-s-offers-islam-to-the-tribes/): যখন রাসূলুল্লাহ (সা) এর চাচা আবু তালিব ও বিবি খাদিজা (রা) একই বছরে ইন্তেকাল করলেন তখন তাদের মৃত্যুর কারণে তার ভাগ্যাকাশে দূর্যোগের মেঘ আরও ঘনীভূত হল। চাচার মৃত্যুর পর কুরাইশগন রাসূলুল্লাহ (সা) এর উপর নির্যাতনের খড়গহস্ত আরও কঠিনভাবে চালাতে উদ্যত হল। এ ব্যাপারে তিনি (সা) বলতেন, ‘আবু তালিবের মৃত্যুর পর কুরাইশগন যত ঘৃণিত কাজ করেছিল ততটা আর কখনওই করেনি।’ (সীরাতে ইবনে হিশাম) আবু তালিবের মৃত্যুর পর নিজের ও তাঁর লোকদের সুরক্ষা ও নুসরার জন্য রাসূলুল্লাহ (সা) তায়েফ গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বানু সাকিফ গোত্রের কিছু নেতৃস্থানীয় লোকের সাথে দেখা করেছিলেন। তিনি তাদের সাথে ইসলামকে সমর্থন করা ও এর পাশে দাঁড়ানোর জন্য ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময়ে গণসংযোগ পর্যায়](https://returnofislam.com/2016/06/11/the-stage-of-interaction-in-his-s-time/): কুরাইশদের সাথে দাওয়াত নিয়ে সংঘাত ছিল স্বাভাবিক। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা) এই দলটিকে সাহসী ও চ্যালেঞ্জিং পদ্ধতিতে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছিলেন। দাওয়াতের প্রকৃতির কারণে মক্কার সমাজ ও কুরাইশদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়েছে। এ দাওয়াত এক আল্লাহর উপাসনা ও তাওহীদের প্রতি আহ্বান করেছিল এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য সব কিছুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে বলেছিল ও যে দূনীর্তিগ্রস্ত নষ্ট শাসনব্যবস্থার মধ্যে তারা বসবাস করত তার সমূল উৎপাটন করবার জন্য আহ্বান জানিয়েছিল। তিনি তাদের স্রষ্টাকে উপহাস করতেন, সস্তা জীবনধারাকে আক্রমণ করতেন এবং তাদের জীবনব্যবস্থার অবৈধ দিকসমূহ উন্মোচন করতেন। তিনি সত্য দিয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করতেন এবং তারাও করত মিথ্যে ও গুজব দ্বারা। তিনি লোকদের সুস্পষ্টভাবে আহ্বান ... Read more - [রাসূলুল্লাহ (সা)—এর সময়ে ব্যক্তি তৈরির ধাপ](https://returnofislam.com/2016/06/10/the-stage-of-culturing-in-his-s-time/): যখন রাসূলুল্লাহ (সা) কে দাওযাতের কাজের দায়িত্ব দেয়া হল তখন তিনি লোকদের সেদিকে আহ্বান জানাতে আরম্ভ করলেন। কেউ কেউ তার আহ্বানের উপর বিশ্বাস স্থাপন করল এবং কেউ কেউ অবিশ্বাস করল। যখন মক্কায় ইসলাম ব্যাপক পরিচিতি লাভ করল তখন সাধারণ জনতা এটা নিয়ে কথা বলা শুরু করল। রাসূলুল্লাহ (সা) শুরুতে তাদের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ করতেন। মক্কায় তিনি লোকদের প্রকাশ্যে দাওয়াত দিতেন আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী, ‘হে চাদরাবৃত, উঠুন, সতর্ক করুন’। (সূরা মুদ্দাসির: ১-২) তিনি প্রথমে দলটিকে গোপনে সংঘটিত করেন। সাহাবাগন (রা) তখন লোকালয় থেকে দূরে উপত্যকায় গিয়ে সালাত আদায় করতেন। নতুন কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ (সা) তৎক্ষণাৎ কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য কাউকে ... Read more - [৪র্থ অধ্যায়: যে ভাবে দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র) প্রতিষ্ঠা করতে হয়](https://returnofislam.com/2016/06/09/how-to-establish-dar-al-islam/): আমরা এখন শরীয়া কতৃক নির্ধারিত কর্মপদ্ধতি ও এর বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা করব যা দারুল ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। আমরা আলোচনাকে প্রধানত দু’টি ভাগে বিভক্ত করব – - [আজকের পদ্ধতিও হবে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর পদ্ধতির অনুরূপ](https://returnofislam.com/2016/06/08/the-method-today-is-the-same-as-the-method-of-rasools/): সুতরাং, দলটিকে রাসূলুল্লাহ (সা) সে কর্মকান্ডসমূহের দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে যেগুলো তাকে মদীনাতে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে গেছে। অবশ্যই পদ্ধতির বিভিন্ন ধাপসমূহ রাসূলুল্লাহ (সা) থেকে নিতে হবে এবং দাওয়াতের নিয়মসমূহ সেসময়ের বাস্তবতা থেকে বুঝতে হবে। সুতরাং, দাওয়াত ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের সাথে এগিয়ে যাবে, শত প্রতিকূলতার মাঝে; কেউ এ প্রতিকূলতা থেকে পরিত্রাণ পাবে না। যখন রাসূলুল্লাহ (সা) এর উপর আয়াত নাজিল হচ্ছিল তখন ওয়ারাকা বিন নওফেল বলেছিলেন, ‘তুমি মিথ্যুক হিসেবে সাব্যস্ত হবে, ক্ষতির শিকার হবে, পরবাসে যেতে বাধ্য হবে এবং যুদ্ধের মুখোমুখি হবে। রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, ‘তারা কি আমাকে তাড়িয়ে দেবে?’ ওরাকা বললেন, ‘তোমার আগে এমন একজন নবীও আসেনি ... Read more - [বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনই কর্মপদ্ধতি বিষয়ক হুকুমগুলোকে ঢেকে দিয়েছে](https://returnofislam.com/2016/06/07/the-intellactual-invansion-helped-to-obliterate-the-rules-of-the-method/): বাস্তবতার নিরীখে আমরা দেখতে পাই যে, মুসলিমগন ব্যাপক বুদ্ধিবৃত্তিক আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং পশ্চিমা কাফেররা এক্ষেত্রে যথেষ্ট সফলতার পরিচয় দিয়ে মুসলিমদের ইসলামের সঠিক উপলদ্ধি থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। একারণে মুসলিমরা ইসলামকে পশ্চিমা বুদ্ধিবৃত্তিক মূলনীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে ব্যাখ্যা দিতে শুরু করে যা হল দ্বীনকে জীবন থেকে আলাদা করা। যা পশ্চিমাদের জন্য পরবতীর্ ধাপ নিয়ে কাজ করবার পথকে সুগম করেছে, অর্থাৎ তারা ইসলামী খিলাফতকে ধ্বংস করে মুসলিমদের জীবন থেকে ইসলামকে আলাদা করে ফেলল এবং ৫০ টিরও বেশী ক্ষুদ্র অকার্যকর স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত করে ফেলল। তারপর পশ্চিমারা প্রতিটি রাষ্ট্রে একজন করে তাদের প্রতি আজ্ঞাবহ শাসক বসাল যারা সেসব দেশের সম্পদকে পশ্চিমের প্রয়োজন মেটানোর ... Read more - [যারা ত্বারিকা (পদ্ধতি) কে উপেক্ষা করে](https://returnofislam.com/2016/06/06/those-who-neglected-the-method/): যে জন্য আমরা ইসলামকে ফিকরা (চিন্তা) এবং ত্বারিকা (পদ্ধতি) এ দুয়ের সমষ্টি হিসেবে দেখাতে বাধ্য হচ্ছি তা হলো এই যে, এভাবে না দেখার কারণে মুসলিমরা অনেক শরীয়া বিধান বর্জন করছে এই বলে যে আমরা এগুলো অনুসরনে বাধ্য নই। তারা এই অজুহাতও দেখায় যে, রাসূলুল্লাহ (সা) অমুক কাজটি অমুক অবস্থা ও পরিস্থিতির কারণে সেসময় করেছিলেন। তাই, যদি সেগুলো আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় তাহলে আমরা সেগুলো এখন গ্রহণ করব, অন্যথায় পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য কোন আইন গ্রহণ করব। এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই অনেকে ইসলামের পেনাল কোড পরিবর্তনের জন্য আহ্বান করে কেননা তারা মনে করে এগুলো বর্তমান সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা চাবুক ... Read more - [ইসলামে রয়েছে ফিকরাহ (চিন্তা) এবং তরীকা (পদ্ধতি)](https://returnofislam.com/2016/06/05/in-islam-there-is-fikraah-and-a-tareeqah/): যখন আমরা আল্লাহর হুকুমকে প্রতিষ্ঠিত করবার জন্য পদ্ধতির কথা চিন্তা করব তখন এ ব্যাপারে আল্লাহ প্রদত্ত শরীয়া নিয়মকানুন অনুসন্ধান করব যাতে মুসলিমগন পরম করুণাময়ের কাছ থেকে পূর্ণ সচেতনতা, নির্দেশনা ও হেদায়েতের মাধ্যমে অগ্রসর হতে পারবে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, “বলে দিন: এই আমার পথ। আমি আল্লাহ দিকে বুঝে সুঝে দাওয়াত দেই— আমি এবং আমার অনুসারীরা” । (সূরা ইউসুফ: ১১২) এটা অবশ্যই বলা উচিত হবে না যে, ‘শরীয়ার প্রকৃতিই এমন যে, এটি যে কোন বিষয়ে একটি হুকুমকে আমাদের সম্মুখে পরিষ্কার ভাবে উপস্থাপন করে এবং তারপর তা কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে তা লোকদের মন, পরিস্থিতি কিংবা, স্বার্থরক্ষার জন্য যে পদ্ধতি সুবিধাজনক হয় ... Read more - [কীভাবে একটি রাজনৈতিক দল বা সংগঠন তৈরী করতে হয়](https://returnofislam.com/2016/06/04/how-to-build-the-political-party/): একটি সংগঠন বা দল তার শরীয়া লক্ষ্য অর্জনের জন্য শরীয়ার কোন পদ্ধতিকে অনুসরণ করবে? এই লক্ষ্যকে উপলদ্ধিতে আনবার জন্য দলটি কী ধরনের শরীয়া নীতিমালা মেনে চলবে? দাওয়ার সংশ্লিষ্ট বিপুলসংখ্যক শরীয়া নিয়মের বেলায় দলটির উপলব্ধির ক্ষেত্রে মানদন্ড ও নীতিমালা কি হবে? শরীয়া নিয়মনীতিকে দলটি কীভাবে দেখে? এর উৎসসমূহ কী? দলটি কী মনে করে একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আল্লাহসুবহানাহু ওয়া তা’আলার একাধিক হুকুম আছে? শরীয়া যেসব বিষয়ে ইক্বতিলাফ বা অনৈক্য রয়েছে সেসব ব্যাপারে দলটির অবস্থান কী? চিন্তাকে দলটি কীভাবে দেখে এবং আক্বীদা ও শর’ই হুকুমসমূহ গ্রহণ করবার ক্ষেত্রে চিন্তার ভূমিকা কী? বাস্তবতার ক্ষেত্রে তাদের দৃষ্টিভঙ্গী কী? দলটি কী একে চিন্তার উৎস বা চিন্তার বিষয় ... Read more - [ইসলামের ভিত্তিতে একটি রাজনৈতিক দলের উপস্থিতির অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/06/03/the-obligation-of-the-existence-of-a-political-party-on-the-basis-of-islam/): উপরোক্ত আয়াতে একটি ইসলামী রাজনৈতিক দলের অপরিহার্যতা ছাড়া অন্য কোন কিছুর কথা বলা হয়নি। এটি দলের সাধারণ প্রকৃতি ও এর কাজ সম্পর্কেও ধারণা দিয়েছে। কোন মারুফাত প্রতিষ্ঠা এবং মুনকারাতের মূলোৎপাটিত করার জন্য কাজ করতে হবে তা স্থির করার বেলায় দলটি যে বাস্তবতায় কাজ করবে তার সাথে সম্পর্কযুক্ত যাকে বুঝে নিয়ে দলটি সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় শর’ঈ হুকুম গ্রহণ করবে যাতে করে এই বাস্তবতাকে পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এই আয়াতের সাথে মিল রেখে যে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং শাসককে জবাবদিহী করবার জন্য কাজ করছে—তার কাজ ও এর দৃষ্টিভঈী কাজের বাস্তবতার সাথে সম্পর্কযুক্ত হবে: তারা শাসকের কাজ পর্যবেক্ষণ করবে ও অবহেলার জন্য সত্যের প্রতি ... Read more - [দলটির বৈশিষ্ট্য](https://returnofislam.com/2016/06/02/characteristics-of-the-required-group/): খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজের মাধ্যমে যারা পূণার্ঙ্গ ইসলামকে বাস্তবায়ন করবে এরকম একটি দল থাকা শরীয়াগতভাবে বাধ্যতামূলক। নীচের প্রসিদ্ধ আয়াতের মাধ্যমে এটা অনুধাবন করা যায়: ‘আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকবে যারা আহবান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভাল কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।’ (সূরা আল ইমরান: ১০৪) উপরোক্ত আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলমানদের এটা সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা করে দিয়েছেন যে, তাদের মধ্যে কমপক্ষে একটি ইসলামী দল থাকতে হবে যারা মানবজাতিকে কল্যাণের দিকে ডাকবে ও সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজের ব্যাপারে নিষেধ করবে।  আদেশ সূচক নির্দেশটি হল: ‘এমন একটা দল থাকবে’ যা একটি ... Read more - [৩য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনকারী একটি দল বর্তমান থাকার অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/06/01/the-obligation-of-the-presence-of-a-group-that-carries-the-dawah/): শরীয়াহ প্রদত্ত দায়িত্ব হিসেবে দলটি সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করবে। আমরা এখানে এমন কোন দলের দায়িত্ব নিয়ে আলোকপাত করব না যা আংশিকভাবে শরীয়াহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে, যেমন: দরিদ্র মুসলিমদের সাহায্য করবার জন্য গড়ে উঠা দাতব্য প্রতিষ্ঠান, নির্দেশনা ও উপদেশ দেবার জন্য গড়ে তোলা সংগঠন, মসজিদ নিমাের্ণর জন্য প্রতিষ্ঠান, কুরআন শিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। বরং আমরা এমন একটি দল নিয়ে কথা বলব যারা পুরো দ্বীন বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাধে তুলে নেবে। আর এটা করা হবে খিলাফত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যা মুসলিমদের জীবনে ইসলামকে বাস্তবায়ন করবে। এর দায়িত্ব হবে শরীয়াহ প্রদত্ত সব মারুফাত বাস্তবায়ন করা ও সব মুনকারাতকে দূরীভূত করা। এই রাষ্ট্র ... Read more - [শাসকদের জবাবদিহী করা](https://returnofislam.com/2016/05/30/accounting-the-rulers/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কতৃক প্রদত্ত ও ব্যাখ্যাকৃত শরীয়া কেবলমাত্র কিছু চিন্তার সমষ্টি নয়, বরং আইনপ্রণেতা এসবকে বাস্তবিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। সেকারণে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বাস্তব হুকুমসমূহ উপস্থাপন করেছেন যাতে এগুলো বাস্তবে অস্তিত্বশীল হয় এবং যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা যাতে বর্জিত হয় ও এসবের বাস্তবায়নের পদ্ধতি হিসেবে ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা বাতলে দিয়েছেন। শরীয়াকে রক্ষার জন্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা শাসকদের জন্য আইন দিয়েছেন ও তাকে নির্দেশ এবং বিধিনিষেধ দিয়েছেন যাতে সে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করে ও এর রক্ষক হয়। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) উম্মাহকে শাসকের আনুগত্যের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তাকে অবহেলার ক্ষেত্রে জবাবদিহী করতে বলেছেন। ব্যক্তি ও দল উভয়ক্ষেত্রে ... Read more - [জ্ঞানের অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2016/05/29/importance-of-knowledge/): এখানে এটা সবার কাছে স্পষ্ট যে, জ্ঞান এবং সমসাময়িক মারুফ ও মুনকার সর্ম্পকে ওলেমাদের পরিষ্কার ধারণা প্রদান, লোকদের মারুফ সম্পাদন ও মুনকার বর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।   আলেমগন হল সে ব্যক্তিবর্গ যারা অন্যদের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জন করে। তাদের ব্যক্তিগত ইবাদতের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানার্জন করা তাদের জন্য ফরয। এর অতিরিক্ত হিসেবে উম্মাহর উপর অর্পিত বাধ্যবাধকতা সর্ম্পকেও তারা জ্ঞান লাভ করে। সুতরাং জ্ঞানার্জন একটি সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা এবং উলেমাগন উম্মাহর পক্ষ থেকে তা সম্পাদন করেন ও এর জন্য তারা যথার্থ পুরষ্কার অর্জন করবেন। এই জ্ঞানার্জন করবার পরও তারা তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব থেকে মাহরুম হতে পারবেন না। অন্যদের মত তাদেরও ব্যক্তি ... Read more - [যারা দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে নিবেদিত](https://returnofislam.com/2016/05/28/those-entrusted-with-the-establishment-of-the-deen/): এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাবার পূর্বে আমরা জানার চেষ্টা করব শরীয়ার হুকুম সমূহ বাস্তবায়নের দায়িত্ব কাদের উপর বর্তায়। উম্মাহর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তি, দল ও শাসকবৃন্দ। প্রত্যেক অংশের উপরে রয়েছে শরীয়াহ প্রদত্ত সুনির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব। তারা যে বিষয়ে নিবেদিত সে বিষয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিলে তাদেরকে উপদেশ, জবাবদিহিতা এবং সংশোধনের আওতায় আনতে হবে। যদি এ বিষয়টি বুঝবার বাস্তবতা আমাদের কাছে পরিষ্কার না হয় তাহলে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধের ফরয দায়িত্ব পালনে জটিলতার সৃষ্টি হবে। একারণে আমরা নীচের কথাগুলো বলতে পারি। শরীয়ার কিছু কিছু দায়িত্ব কেবলমাত্র খলিফার উপরে বর্তায়- এছাড়া অন্য কারও উপর নয়। আরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে যা ব্যক্তির জন্য সুনির্দিষ্ট ... Read more - [দ্বিতীয় দিক: সৎ কাজের আদেশ প্রদান ও অসৎ কাজের নিষেধ](https://returnofislam.com/2016/05/27/enjoining-the-maroof-and-forbidding-the-munkar/): আমরা ইতোমধ্যে বলেছি যে, ইসলাম সব মারুফ ও মুনকারকে আমাদের সামনে পরিষ্কার করেছে এবং একজন মুসলিমকে অবশ্যই সব মারুফ মেনে চলতে হবে এবং মুনকার থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানে যে প্রশ্নটি খুব বেশী শোনা যায়, সেটি হল একজন মুসলিমকে সে যেসব মারুফ মেনে চলে তার আদেশ করবে, নাকি এর অধিকাংশ কিংবা কম? একই প্রশ্ন মুনকার থেকে নিষেধ করার ক্ষেত্রেও উত্থিত হয়।  এ ব্যাপারে কথা বলবার আগে আমাদের অবশ্যই এ বাস্তবতা বুঝতে হবে যে, শরীয়া এগুলোকে কীভাবে অনুধাবন করতে বলে। শরীয়া মনে করে এমন একটি ইসলামী সমাজ কায়েম হবে যেখানে এমন একটি ধারণাও গ্রহণ করা হবে না যা শরীয়ার ধারণার বিরুদ্ধে যাবে, ... Read more - [আমলের সাথে জড়িত জ্ঞানার্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরযে আইন](https://returnofislam.com/2016/05/26/it-is-fard-ayni-on-every-muslim-to-know-the-rules-pertaining-to-his-actions/): মুকাল্লাফ (আইনগতভাবে দায়িত্বশীল ব্যক্তি) এর ক্ষেত্রে শরীয়া বিধান অনুযায়ী, প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন ও প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের উপর তার জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দ্বীনী জ্ঞান অর্জন করা ফরয। কারণ তাকে অবশ্যই আল্লাহ প্রদত্ত বিধিনিষেধ অনুযায়ী সব কাজ সম্পন্ন করতে হবে। কিন্তু এটা কখনওই তার কাজের সাথে সম্পৃক্ত শরীয়া জ্ঞান অর্জন ব্যতিরেকে সম্ভবপর নয়। সুতরাং মুসলমানের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় শরীয়া জ্ঞান অর্জন করা ফরযে আইন এবং এটা কখনও সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা নয়। আর এর চেয়ে বেশী কিছুই হল মুস্তাহাব। যখন সে সালাত আদায় করবে তখন তাকে অবশ্যই সালাত আদায়ের পদ্ধতি জানতে হবে। যদি তার সম্পদ নিসাব অতিক্রম করে থাকে ও একবছর পূর্ণ হয় তাকে অবশ্যই যাকাত ... Read more - [মা’রূফ ও মুনকারের জ্ঞান](https://returnofislam.com/2016/05/25/knowledge-of-the-maroof-and-the-munkar/): মা’রুফের আদেশ ও মুনকারের নিষেধের জন্য এর জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যকীয়। জ্ঞান সবসময় বিধিনিষেধের আগে আসে। জ্ঞান ব্যতিরেকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ সম্ভবপর নয়। সুতরাং একজন মুসলিমের জন্য শরীয়ার দৃষ্টিভঙ্গিতে কতটুকু জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য? এটা বললে অত্যুক্তি হবে না যে, কাজের আগে কাজের ব্যাপারে জ্ঞান অগ্রগন্য। আবার কাজটিও শরীয়া জ্ঞান অনুসারে হতে হবে। আর না হয় কাজ আল্লাহর ইবাদত হবে না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা একজন মুসলিমকে মা’রুফাত পালনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং একারণে এ সর্ম্পকিত জ্ঞান থাকা বাঞ্চণীয়। একইভাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা একজন মুসলিমকে মুনকারাত থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং একারণে এ সর্ম্পকিত জ্ঞান থাকা বাঞ্চণীয়। ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়](https://returnofislam.com/2016/05/24/islam-can-not-be-establish-without-establishment-of-the-islamic-state/): ভাবতে খুব আশ্চর্যজনক লাগে যখন লোকজন ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ না করে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আরও আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে মুসলিমদের মধ্যে কেউ কেউ ইসলামী খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজটিকে সাধারণ শরীয়া দায়িত্ব মনে করে এবং এটিকে অন্য হুকুমের উপর অগ্রাধিকার প্রদান করে না। এমনকি আরও বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা যায় যে, অনেক মুসলিমগন শরীয়া বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্বশীল খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ না করে বর্তমান শাসনব্যবস্থার মধ্যে শরীয়া হুকুম বাস্তবায়ন করতে চায়। সুতরাং আমরা অবশেষে বলতে পারি যে, সামষ্টিক দায়িত্বসমূহের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অনিবার্য বাধ্যবাধকতা হল ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা-যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী পরিচালিত হয়। আজকে মুসলিমদের ... Read more - [সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরযে ক্বিফায়া](https://returnofislam.com/2016/05/23/the-most-importance-obligations-of-sufficiency/): যেমন ধরা যাক: যখন আমরা ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজটিকে ফরযে ক্বিফায়ার মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকি, তখন কুরআন ও সুন্নাহের ভিত্তিতেই সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। ’যেসব লোক আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৪) ’যেসব লোক আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না তারাই জালেম।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৫) ’যারা আল্লাহ্ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই ফাসেক (মিথ্যাবাদী)।’ (সূরা মায়েদাহ:৪৭) ‘অতএব, তোমার পালনকর্তার কসম, সে লোক ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে বিচারক বলে মনে না করে।….’ (সূরা নিসা:৬৫) ‘আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তদানুযায়ী ফয়সালা করুন; তাদের প্রবৃত্তির ... Read more - [বাধ্যবাধকতার মধ্যে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা](https://returnofislam.com/2016/05/22/priorities-in-the-obligation/): ফরযসমূহ পালনের ব্যাপারে রয়েছে শরীয়াহ নির্ধারিত অগ্রাধিকার। যখন মুসলিমগন সব ধরনের ফরযে আইন ও ফরযে ক্বিফায়া সঠিকভাবে সুসম্পন্ন করতে পারছে তখন কোন সমস্যা নেই। তবে যখন দ্বন্দ শুরু হয় তখন ফরযে আইন ফরযে ক্বিফায়ার উপরে প্রাধান্য লাভ করে। আবার যদি ফরযে আইন আমলসমূহের মধ্যে দ্বন্দ তৈরি হয় তখন শরীয়ার ভিত্তিতে প্রাধান্য নির্ধারণ করতে হবে, মনের ভিত্তিতে নয়। যেমন পরিবারের নাফাকা (ভরণপোষণ) ঋণ পরিশোধের উপর এবং ঋণ পরিশোধ হজ্জের জন্য টাকা জমা দেয়ার উপর প্রাধান্য লাভ করে। রমযানের রোজা নদরের (প্রতিশ্রুত) রোজার উপর প্রাধান্য লাভ করে। জুম্মার নামায কারও প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষার উপর প্রাধান্য লাভ করে ইত্যাদি…. ইত্যাদি। ফরযে ক্বিফায়া বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও ... Read more - [ফরযে কিফায়া (সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা)](https://returnofislam.com/2016/05/21/fard-kifaai/): এটা হল সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা যা মুসলমানদের মধ্য হতে যে কেউ সম্পন্ন করলেই হবে। প্রত্যেকের সম্পন্ন করা প্রয়োজনীয়  নয়। এ অপরিহার্যতাটি থাকবে কিছু সংখ্যক বা অনেকের উপর । যদি তারা তা না করেন তবে সকল মুসলিম ততক্ষন পর্যন্ত গুনাহগার হবেন  যতক্ষন না কাজটি সম্পন্ন হয়। তবে যারা এটি বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করেছে ও পরিশ্রম বিনিয়োগ করেছে তারা এ গোনাহ থেকে মুক্ত হবে। এ কথা কারো মনে করার সুযোগ নেই যে অপর মুসলমানের সাথে গুনাহ্ ভাগাভাগি করার ফলে গুনাহ্ হাল্কা হয়ে যাবে তাই সে সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা থেকে রেহাই পেয়ে যাবে। এটা সত্য নয়, বরং ক্বিয়ামতের দিন তাকে একাই আল্লাহর সম্মুখে দন্ডায়মান হতে ... Read more - [ফরযে আইন (ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতা) ও ফরযে কিফায়া (সামষ্টিক বাধ্যবাধকতা)](https://returnofislam.com/2016/05/20/fard-ayni-and-fard-kifaai/): যে ব্যক্তি শরীয়াগত বাধ্যবাধকতা নিয়ে নিরীক্ষা করবে সে দেখতে পাবে যে, এদের কিছু ব্যক্তিগত ও কিছু সামষ্টিক। ফরযে আইন (ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতা) হল এমন বাধ্যবাধকতা যা প্রত্যেক মুকাল্লীফকে (আইনগতভাবে দায়িত্বশীল ব্যক্তি) অবশ্যই পালন করতে হবে। যদি কোন মুসলিম এই বাধ্যবাধকতাকে ত্যাগ করে তাহলে সে পাপমুক্ত হবে না-যদিও সে ব্যতিত সব মুসলিম এই দায়িত্ব পালন করে। আর যদি কোন মানুষ এই হুকুম না মানে, কিন্তু একমাত্র ঐ ব্যক্তি তা মানে তাহলে সে আল্লাহর দোষারোপ ও পাপমুক্ত হবে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরযে আইন জানা ও মানা অত্যাবশ্যকীয়। এতে করে সে অভিযোগ এবং বাধ্যকতার স্রষ্টার সামনে বিবেকের পীড়ন থেকে মুক্তি পাবে। ব্যক্তিগত বাধ্যবাধকতার মত ... Read more - [প্রথম দিক: আমর বিল মা’রূফ এবং নাহি আ’নিল মুনকার](https://returnofislam.com/2016/05/19/abiding-by-the-maroof-and-abstaining-from-the-munkar/): মুসলমানদের আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং সব ইসলামি আক্বীদার (আল্লাহ, তার ফেরেশতা, কিতাব, রাসূল, ক্বিয়ামত দিবস এবং ক্বাদা ওয়াল ক্বদর অর্থাৎ ভাল মন্দ আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং কুরআন ও হাদীসে সুনিশ্চিত দলিলে যা এসেছে) উপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। সুতরাং, ঈমান হল প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরযে আইন (ব্যক্তিগতভাবে ফরয)। তাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলোতে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এবং এগুলোই ভিত্তি। সুতরাং, তাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলায় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে এমনভাবে যে, তিনি সব কিছুর স্রষ্টা এবং তার সমকক্ষ কেউ নেই। নিখুত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ও সব সীমাবদ্ধতামুক্ত সত্তা আমাদের স্রষ্টা। এ মহাবিশ্বে যা আছে, যার উপর জীবন নির্ভরশীল ও মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়-তা ... Read more - [২য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনে ঈমানের গুরুত্ব এবং ফরয কাজসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকার](https://returnofislam.com/2016/05/18/the-importance-of-imaan-in-conveying-the-dawah-and-the-priorities-regarding-the-obligation/): মা’রূফাতের সমন্বয়ে ইসলাম গঠিত এবং আল্লাহ একে প্রতিষ্ঠিত করবার ও মুনকারাত থেকে বিরত থাকবার ও অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। সর্ব্বোচ্চ এবং সর্বপ্রধান মারুফ হচ্ছে আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) তায়ালার ঊপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাাস, ইসলামি আকীদার অন্যান্য ভিত্তিসমূহ। মুনকারাতের চূড়ান্ত পর্যায় হল যে কোন ধরনের কুফরের নগ্ন বহিপ্রকাশ। আল্লাহ একে পরিত্যাগ করার, বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ও এর ফাঁদে পা না দেবার ব্যাপারে সাবধান করেছেন। মা’রুফের শ্রেণীবিভাগে ঈমানের পরে তাকওয়া আসে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা ও রাসূল (সা) এর আনুগত্যের মাধ্যমে এটা অনুধাবন করা যায়। এটা হল ঈমানের ফলাফল, এটা তা সম্পূর্ণ করে এবং এর প্রয়োজনের খাতিরে তা আসে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া ... Read more - [একে অপরকে সত্যের ব্যাপারে সতর্ক করা (তাওয়াসী) দাওয়াতের অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/17/admonition-of-each-other-to-the-truth-is-part-of-conveying-the-dawah/): কুরআন ও সুন্নাহ দাওয়াতের ধারণাকে একে অপরকে সত্যের ব্যাপারে সতর্ক করা (তাওয়াসী) সাথে সর্ম্পকযুক্ত করেছে, সুসংবাদ প্রদান করা (তাবসীর), লোকদের সতর্ক করা (নসীহা) এবং তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়া, আহলে কিতাবদের সাথে সর্বোত্তম পন্থায় বিতর্ক করা, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করা। এছাড়াও আরও অনেক উদাহরণ রয়েছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘কসম যুগের, নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তূ তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পর তাকীদ দেয় সত্যের এবং তাকীদ দেয় সবরের।’ (সূরা আল আসর : ১-৩) তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ ... Read more - [তাবলীগ দাওয়াতের আরেকটি অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/16/tableeg-is-a-part-of-conveying-dawah/): একইভাবে পবিত্র কোরআন দাওয়াতকে লোকদের সম্মুখে ’সাক্ষ্য দান করা’ বলে উল্লেখ করেছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘‘এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য।’’ (সূরা আল বাক্বারা : ১৪৩) রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘…..বিশ্বাসীরা হল পৃথিবীতে আল্লাহর সাক্ষীদাতা।’ (ইবনে মাজাহ) তিনি (সা) আরও বলেন, ‘যারা এখানে উপস্থিত আছ (সাক্ষীদাতারূপে), তারা যারা অনুপস্থিত তাদের কাছে পৌছে দাও।’ কুরআন দাওয়াতের কাজকে তাবলীগ (বহন করা) অর্থে উল্লেখ করেছে। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘হে রসূল, পৌঁছে দিন আপনার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে। আর যদি আপনি এরূপ না করেন, ... Read more - [সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ দাওয়াতের একটি অংশ](https://returnofislam.com/2016/05/15/enjoining-the-maroof-and-forbidding-the-munkar-is-part-of-conveying-dawah/): এ ব্যাপারে ইমাম আন নববী (র) তার শরহে সহিহ মুসলিম-এ ’সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ’ শিরোনামে অধ্যায়ে বলেন,  “এ বিষয়ে অর্থাৎ সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজের নির্দেশ সম্পর্কে- যা বহুপূর্বে দেখা যেত , কিন্তু বর্তমানে তা পরিত্যাজ্য তবে সামান্যতম কিছু নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়।” এই বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন মন্দ কাজ পরিব্যপ্তি লাভ করে, তখন ভাল ও মন্দ সব ধরনের লোক শাস্তিপ্রাপ্ত হয়। আর এমতাবস্থায় যদি কেউ অত্যাচারী শাসককে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকবার জন্য উপদেশ না দেয় তাহলে আল্লাহ সবার উপর শাস্তি নাযিল করেন: ‘অতএব যারা রাসূলের আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে ... Read more - [১ম অধ্যায়: ইসলামী দাওয়াত বহন করার গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2016/05/14/the-importance-of-conveying-the-islamic-dawah/): দাওয়াত হচ্ছে আসক্তি ও উৎসাহ তৈরি করবার বিষয়। একজনকে ইসলামের দিকে আহ্বান করবার অর্থ হল আপনি যে বিষয়ে একজনকে আহ্বান করছেন সে বিষয়ে ঝোঁক ও প্রবল ইচ্ছা তৈরি করা। সুতরাং ইসলামের দিকে দাওয়াতের অর্থ কেবলমাত্র কথা বলাই নয়, বরং ঝোঁক ও প্রবল ইচ্ছা তৈরি করবার জন্য কথা বলা ও কর্মকান্ড পরিচালনাকেও বুঝায়। অর্থাৎ দাওয়াত কথা বলা ও কর্মকান্ড উভয়কেই বুঝায়। একজন মুসলিম অবশ্যই নিজ জীবনে ইসলামকে ধারণ করবে এবং বাস্তব উদাহরণ দিয়ে লোকদের ইসলামের দিকে আহ্বান করবে এবং সত্য উপলদ্ধি থেকে ইসলামের ব্যাপারে সঠিক চিত্র তুলে ধরবে।  তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন, ‘তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার যে আল্লাহ ... Read more - [ইসলামের দাওয়াত](https://returnofislam.com/2016/05/13/dawah-to-islam/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি প্রখ্যাত ইসলামী গবেষক শাইখ আহমদ মাহমুদ কর্তৃক রচিত “Dawah to Islam” বইটির খসড়া অনুবাদ হতে গৃহীত) সূচনা সকল প্রশংসা জগতসমূহের অধিপতি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার প্রতি এবং সালাম পেশ করছি রাহমাতুল্লীল আলামীন ও সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহম্মদ (সা), তাঁর পবিবার ও তাঁর সাহাবীদের প্রতি এবং যারা বিচার দিবসের আগ পর্যন্ত তাঁকে ইহসানের সাথে অনুসরণ করবেন তাদের প্রতি। অত:পর, – ‘ইসলামের দাওয়াত‘ শীর্ষক এই বইয়ে আমরা ইসলামের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এই বিষয়টি ব্যাপক, অনেক শাখা প্রশাখায় বিস্তৃত ও চিন্তাগ্রাহ্য। এটা এমন এক পথ যা কুসুমাস্তীর্ণ নয় বরং বন্ধুর। আমাদের পূর্ববর্তী আলেম ও মুজতাহিদগন (র) ইবাদত, মুয়ামালাত, বিবাহ, উত্তরাধিকার ইত্যাদির মত এত ব্যাপকভাবে এ ... Read more - [খিলাফত একটি স্বতন্ত্র শাসনব্যবস্থা এবং গণতন্ত্র একটি কুফরী শাসনব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2016/04/25/khilafah-is-an-unique-system/): সকল প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং হিদায়াত দিয়েছেন। দরুদ এবং সালাম পেশ করছি রাসূলুল্লাহ (সা) এর প্রতি, যাকে মহান আল্লাহ পুরো বিশ্ববাসীর নিকট রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছেন। আরো সালাম প্রেরণ করছি তাঁর পবিত্র পরিবারের উপর, সাহাবাগণ (রা)-এর উপর এবং পরবর্তীতে যারা তাঁদের অনুসরণ করেছেন। আজ আমরা আলোচনা করবো খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে, যে বিষয়টি নিয়ে বেশিরভাগ সাধারণ মুসলিম অজ্ঞতার মধ্যে রয়েছেন। সে বিষয়টি হচ্ছে “খিলাফাহ একটি স্বতন্ত্র (Unique) শাসনব্যবস্থা”। এবং আলোচনা শেষে “গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা একটী কুফরী শাসনব্যবস্থা” নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হবে। চেষ্টা করবো যতটুকু সহজ, সংক্ষিপ্তভাবে ও দলীল সহকারে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা যায়। ... Read more - [নারীর প্রতি সহিংসতা; একই সমস্যায় ঘুরপাক খাচ্ছে সমাজ: সমাধান কোথায়?](https://returnofislam.com/2016/04/22/violence-towards-women-solution/): আমাদের আবেগ-আক্রান্ত সমস্যার selective outcry (তনু হত্যা) সমাধানটা কি শুধুমাত্র এই একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে হবে? সমাজ থেকে যাতে এই সমস্যাগুলো আর উঠে না আসে, আমাদের ওই ভাবে সচেতন হওয়া উচিত নয় কি? আমরা কি শুধু ক্যান্সার থেকে সৃষ্ট লক্ষণগলো তাড়ানোর জন্য সাময়িক হৈচৈ করব? নাকি পুরো ক্যান্সার দুরিকরণে সচেতন হয়ে চেষ্টা করব? আমরা যখনই কতগুলো সমস্যা নিয়ে কথা বলি তার শুরুতেই আপনাকে ভাবতে হবে সমস্যাগুলো যেমন- ইভ টিজিং, ধর্ষণ, হত্যা, পরকিয়ার কারণে নিজ সন্তান-স্বামী/স্ত্রী হত্যা…… কেন হচ্ছে?  যার কারণে(মানুষ) এই সমস্যা গুলোর সৃষ্টি তার স্বভাবটাই (nature) বা কেমন?  মানুষের স্বভাব: মানুষের মধ্যে সাধারনত দুটো রুপ বিদ্যমান; একটা organic needs বা ... Read more - [তনু হত্যা : পশ্চিমা সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ফল](https://returnofislam.com/2016/04/07/women-are-insecured-because-of-western-culture/): ঘটনা: কুমিল্লার সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু’র মৃতদেহ ২০ মার্চ রাত সোয়া দশটার দিকে খুঁজে পান স্বয়ং তনুরই বাবা ইয়ার হোসেন। ইয়ার হোসেন সাহেবের কথায় “একটু উঁচু জায়গায় জঙ্গল ও গাছ গাছালির মধ্যে তনুকে পেলাম। গাছের তলায় ওর মাথা দক্ষিণ দিক আর পা উত্তর দিকে পরে আছে। মাথার নিচটা থেতলে গেছে। পুরো মুখে রক্ত ও আঁছড়ের দাগ। আমরা পাঁচজন মিলে সিএমএইচ-এ নিয়ে যাই।” সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তনুকে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা এখন সবার মুখে মুখে। ধারনা করা হচ্ছে ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে। এজন্য ধর্ষককে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে ... Read more - [খিলাফতই ইসলাম প্রতিষ্ঠার একমাত্র পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/03/21/khilafah-is-the-only-way-to-establish-islam/): “তোমরাই সর্বোত্তম জাতি, মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে, তোমরা সৎকাজে আদেশ করবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে”। (আল ইমরানঃ ১১০) সময়ের শুরু থেকেই যুগে যুগে পথহারা মানুষের হেদায়েতের জন্য আল্লাহ পাক অসংখ্য নবী-রাসূলকে পাঠিয়েছেন। দুনিয়ার যাবতীয় মিথ্যাচার, যুলুম এবং মিথ্যা উপাস্য থেকে মুখ ফিরিয়ে মানুষ যাতে একমাত্র আল্লাহ তায়ালার উপাসনা করতে পারে এবং সিরাত্বাল মুস্তাক্বিমের অনুসারী হতে পারে এজন্য পৃথিবীর প্রতিটি জনপদে আল্লাহ নবী-রাসূলদের পাঠিয়েছেন। তৎকালীন আরবের এক অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে যখন মানুষ একত্ববাদের পরিবর্তে মূর্তিপূজা এবং নানারকম অনাচারে ডুবে গিয়েছিল তখন শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা) এর আগমনে পৃথিবীর বিপন্ন মানবতার জন্য এক নতুন আশার সঞ্চার করে। নব্যুয়াত প্রাপ্তির পর ... Read more - [ইসলাম এক সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি](https://returnofislam.com/2016/03/15/islam-is-a-specific-way-of-life/): ইসলাম অন্য সবকিছু হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি। এটি মুসলিমদের জন্য এমন এক জীবনপদ্ধতি ধার্য করেছে যার একটি নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় ধারা রয়েছে যা পরিবর্তিত কিংবা পরিবর্ধিত হয়না। এটি তাদের এমনভাবে এ জীবনপদ্ধতি অনুযায়ী চলার নির্দেশ করে যাতে তারা এ পদ্ধতি ছাড়া অন্য কোনো পদ্ধতিতে জীবনধারন করার ব্যাপারে চিন্তা (فكرياً) ও মনন (نفسياً) থেকে স্বস্তি না পায়, এবং এ পদ্ধতি ব্যতিরেকে তারা যেন প্রশান্তি না পায়।  ইসলাম জীবন সম্পর্কে একগুচ্ছ ধারণা (مفاهيم) নিয়ে এসেছে। এটি কিছু সাধারন দিকনির্দেশনা (خطوط عريضة) নিয়ে এসেছে অর্থাৎ, কিছু সর্বজনীন চিন্তা এনেছে যা মানুষের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান করে, মানুষ যত সমস্যার মুখোমুখি হয়, তার ... Read more - [বিদ্যুৎ কি লাভজনক ব্যবসায়িক পণ্য?](https://returnofislam.com/2016/02/12/electricity-a-profitable-product/): প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও গবেষণা সংস্থা বিল্ড (বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট) এর সহায়তায় ঢাকার তারা ভরা রেডিসন হোটেলে দুই দিন ব্যাপী বিনিয়োগ সম্মেলনে (২৪ ও ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৬) জ্বালানি খাতে ৩০০ কোটি মার্কিন হলার বিনিয়োগুলো ঘোষণা দিয়েছে সামিট গ্রুপ। সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে ভারতের রিলায়েন্স ও আদানী গ্রুপ আলাদা আলাদা ভাবে বাংলাদেশে মোট ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা জানান। [সূত্র: প্রথম আলো ২৫/১/২০১৬] একটি ধর্মনিরপেক্ষ পুঁজিবাদী রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশে মালিকানার অবাধ স্বাধীনতা স্বীকৃত। তাই বাংলাদেশের শাসক শ্রেণি বিদ্যুতখাতকে দেশি-বিদেশি পুঁজিপতিদের মুনাফা অর্জনের আনন্দময় ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিদ্যুৎ খাতকে শুধু কিছু কোম্পানির ব্যবসার ক্ষেত্রে পরিণত করেই সরকার থেমে যায়নি বরং দেশকে ... Read more - [“(পুঁজিবাদী ব্যবস্থায়) শিক্ষা ধংসের চাবিকাঠি”](https://returnofislam.com/2016/01/20/capitalistic-destructive-education-system/): শিক্ষা উন্নয়নের পূর্বশর্ত- এই কথাটি আমাদের সমাজে খুবই প্রচলিত একটি বাক্য। ছোটকাল থেকেই এটা শুনে-বুঝেই বড় হচ্ছে নতুন প্রজন্ম। এরূপ আরও অনেক মন্ত্র মুখস্থ করতে বড় হওয়া শিশুরা জীবনে উন্নয়ন ঘটাতে দৌড়ঝাঁপ-প্রতিযোগিতা শুরু করেন। শিশু অবস্থায় তাদের ওজনের তুলনায় ব্যাগের ওজন বেশি থাকে আর বড় হলে তাদের জ্ঞানের তুলনায় টাকার ওজন বেশি হয়ে যায়। প্রতিযোগিতামূলক এই ব্যবস্থাতে শিশু অবস্থায় স্কুলে ভর্তির দৌড়ঝাঁপ এস.এস.সির গণ্ডি পেরুনোর পরও থামেনা কলেজে ভর্তির জন্য এবং এরপর ভার্সিটির ভর্তি তো আছে। লক্ষ্য একটাই, কিছু একটা করা; জীবনে উন্নতি সাধন। শেয়ার বাজারে শেয়ারের দাম নিম্নগতিতে হলেও উর্ধগতিতে বেড়ে চলেছে এসকল প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ফি। একদিকে শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ... Read more - [খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা সরকারের কোন সাফল্য নয়](https://returnofislam.com/2016/01/02/food-sufficiency/): শীতকালে প্রচুর সবজি বাজারে দেখা যাওয়া কিংবা রাশিয়াতে উদ্ধৃত আলু রপ্তানি করা দেখে আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় এর পেছনে সরকারের নীতিগত কোন অবদান রয়েছে। সরকারের দশ টাকায় কৃষকের ব্যাংক একাউন্ট খোলা বা সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি কিংবা বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিকে এই উৎপাদনশীলতার কারন হিসেবে বিবেচনা করলে ভুল হবে। কারন যেখানে বাংলাদেশের প্রান্তিক কৃষকের নুন আনতে পান্তা ফুরায় সেখানে তাদের উপর “অনিশ্চিত মুনাফার” (যা কিনা নুন কিনতেই ফুরিয়ে যায়) বিনিময়ে ঋণের বোঝা চাপানো হচ্ছে। ২০১৪-২০১৫ সালে বাজেটের ২.১ % বরাদ্ধ রাখা হয়েছে কৃষিতে অপরদিকে জনপ্রশাসন ও জননিরাপওার জন্য বরাদ্ধ প্রায় ৩৫% । যেখানে দেশের ৮০% ভুমি কৃষিতে ব্যবহারযোগ্য সেখানে এইরূপ পরিকল্পনা ... Read more - [খাদেমুল আমেরিকার নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর তথাকথিত ইসলামিক জোট- পশ্চিমা কুফর শক্তির ঘৃণ্য চক্রান্তের সর্বশেষ দৃষ্টান্ত](https://returnofislam.com/2015/12/31/american-led-saudi-coalition/): বাস্তবতা: গত মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর, ২০১৫) সৌদি আরব ৩৪টি মুসলিম দেশের সমন্বয়ে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, মিশর, আফগানিস্তান ও অন্যান্য মুসলিম দেশে তথাকথিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য একটি সামরিক জোটের ঘোষণা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং বলে যে, বাংলাদেশ এই জোটে অংশগ্রহনের জন্য আন্তরিকভাবে সম্মত হয়েছে কারণ এটা ‘সহিংস উগ্রবাদের’ বিরুদ্ধে তার সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, অন্যকথায়, ইসলামের বিরুদ্ধে যালিম হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  কারণ: মার্কিন নেতৃত্বাধীন  ক্রুসেডার পশ্চিমারা শক্তিশালী খিলাফত রাষ্ট্রের দাবিতে নিষ্ঠাবান মুসলিমদের বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে অংশগ্রহণকে ঠেকাতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে যা সিরিয়াতে তীব্ররূপ ধারন করেছে। সকল বিকল্প ব্যবহার শেষে, অবশেষে ... Read more - [জনসংখ্যার আধিক্য: আশির্বাদ নাকি অভিশাপ!](https://returnofislam.com/2015/12/11/population-is-power/): মা হওয়ার প্রতি উদ্ধুদ্ধ করার জন্য গোটা একদিন ছুটি ধার্য করেছে সরকার। সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন সংস্থা বিজ্ঞাপন দিয়ে দেশের দম্পতিদের গর্ভধারন করার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। যেই ভাবে শিশু জন্ম হার কমছে তা ক্রমশ নিন্ম হতে নিন্মগামী হচ্ছে। যা যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে সে দেশের সরকারের। দম্পতিদের যৌন সংসর্গ স্থাপনের জন্য বাড়তি ছুটির দিন ধার্য করা হয়েছে। এমনকি বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হচ্ছে “ডু ইট ফর মম, ডু ইট ফর কান্ট্রি”। উপরের তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে ডেনমার্ক সম্পর্কে। আবার, ডেনমার্কের মতই সন্তান জন্ম দানের জন্য মা-বাবাদের উদ্ধুদ্ধ করতে ২০০৭ সাল হতে ২০১২ সালকে জাতীয় গর্ভধারন দিবস হিসেবে ঘোষনা করেছে রাশিয়া ... Read more - [বিদেশী নাগরিকের হত্যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অসুস্থ চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ](https://returnofislam.com/2015/11/29/foreigners-killing/): গত ২৮শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশানের এক সড়কের ফুটপাতে ইতালিয় নাগরিক সিজার তাবেলাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কয়েক দিন যেতে না যেতেই রংপুরে খুন করা হয় জাপানি নাগরিক কুনিও হোশিকে। যদিও খুন হত্যা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য একটি নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। দেশে গড়ে প্রতিদিন ১০টির অধিক হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয় এর মাঝে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয় গড়ে ২-৩ টি। দেশীয় হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা না হলেও সিজার এবং কুনিও হোশিকে হত্যার পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠে। উত্তেজনা তৈরি হওয়াটাই ছিল স্বাভাবিক যেহেতু তারা দুজনই ছিল দুটি ভিন্ন রাষ্ট্রের নাগরিক। কারা এবং কেন এই হত্যাকাণ্ডগুলো সংগঠিত করেছে সে ব্যাপারে নিরাপত্তা বাহিনী ... Read more - [পুঁজিবাদি গণতন্ত্রের থাবায় শিক্ষা](https://returnofislam.com/2015/11/29/democratic-capitalism-destroys-education/): ১) বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো কিছুদিন পর পর বন্ধ করতে হয় কারণ আধিপত্য বিস্তার, হল দখল, এক সংগঠন কর্তৃক অন্য সংগঠন এর ছাত্রকে হত্যা, শিক্ষককে লাঞ্চনা, পরীক্ষা বাতিল ও পেছানোর দাবিতে। ২) আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আদায় করছে অতিরিক্ত টিউশন ফি, সার্টিফিকেট বিক্রি, মানসম্মত শিক্ষকের অভাব, তার উপর সরকার সময়ে সময়ে যুক্ত করেছ বর্ধিত ভ্যাট ইত্যাদি। ৩) স্কুল কলেজে প্রশ্নপত্র ফাঁস, বেতন বৃদ্ধিতে শিক্ষকদের কর্ম বিরতি, অতিরিক্ত ফি আদায়, প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করা ইত্যাদি। সমস্যার মূল কারণ: “লেখা পড়া করে যে গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে”,“পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি”। এধরনের বাক্য ছোটবেলা থেকে পুঁজিবাদী এই শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের দিয়ে আমাদের বড় করেছে। তাই ... Read more - [ভারতীয় পানি আগ্রাসনের এক নতুন অধ্যায়](https://returnofislam.com/2015/11/07/water-issue-with-india/): খবর: ভারত ধারাবাহিকভাবে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগুচ্ছে। সমগ্র প্রকল্পের আওতায় ৩৮টি নদ-নদীর মধ্যে আন্তঃসংযোগ ঘটানো হবে। এতে ৩০টি সংযোগ রক্ষাকারী খাল ও ৩৪টি বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। ভারতের ভিতর দিয়ে আসা ৫৪টি নদীর মধ্যে ভারত ইতিমধ্যে বাঁধ দিয়েছে। এই প্রকল্পের মূল বিষয়টি হচ্ছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের ব্রহ্মপুত্র ও উত্তর ভারতের গঙ্গার পানি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে সুদূর দক্ষিণাত্যে এবং পশ্চিমে রাজস্থানে। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এই দুই বড় নদী ও তাদের বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা খাল দ্বারা সংযোগ করে এদিককার পানি ওদিকে নেয়ার এক বিশালকার প্রকল্প হচ্ছে নদী সংযোগ প্রকল্প। এই ভাবে ৩৭টি নদীকে ৩০টি খাল দ্বারা সংযোগ করা হবে। খালগুলোর মোট দৈর্ঘ্য ... Read more - [‘উন্নয়নের জোয়ার বনাম ক্ষমতা’](https://returnofislam.com/2015/10/22/development-vs-power/): বেশ কিছুদিন যাবৎ ঢাকা চট্টগ্রাম সহ সারাদেশের প্রধান প্রধান জনবহুল সড়কগুলোর রাস্তার পাশে বিলবোর্ডগুলোতে একটি বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। আর সেই বিজ্ঞাপনটি হল- “এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”। যা কিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে পুর্বে আর কখনোই দেখা যায়নি এবং মিডিয়ায় বিভিন্ন নেতা কর্মীদের বক্তব্যে প্রায়ই শোনা যাচ্ছে যে-“উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে বাংলাদেশ”। সত্যি কথা বলতে গেলে বর্তমান সরকার “উন্নয়নের জোয়ার” নামক শব্দটি ব্যপকভাবেই জনগণের কাছে পৌছাতে পেরেছেন। সরকার মুলত জনগণকে যা বোঝাতে চাচ্ছেন তা হল- “চারিদিকে শুধু উন্নয়ন আর উন্নয়ন হচ্ছে যা কিনা শুধু বর্তমান সরকারের জন্যই সম্ভব হয়েছে এবং যদি বর্তমান সরকার ক্ষমতায় না থাকতো, তাহলে এতো দ্রুত গতিতে বাংলাদেশ উন্নতি ... Read more - [শিক্ষার উপর ভ্যাট - পুঁজিবাদি অর্থনীতি ও গণতান্ত্রিক শাসনের দেউলিয়াপনা এবং ইসলামি রাষ্ট্র - খিলাফতের সমাধান](https://returnofislam.com/2015/09/22/vat-on-education/): শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি জাতি তাঁর সভ্যতা সংস্কৃতি কাল ক্রমে চর্চা, গবেষণা, সভ্যতার বিকাশ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখে। আর শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রণীত শিক্ষা নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্র তাঁর নিজ সংস্কৃতি, আদর্শ, চিন্তা গুলোকে জনগণের মাঝে প্রোথিত করে এবং একটি আদর্শনির্ভর জাতি গঠনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব দরবারে নিজের শক্তিমত্তার জানান দেয় ও বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে নিজের আধিপত্যকে বজায় রাখতে সক্ষম হয়।  বাংলাদেশ এমনি একটি দেশ। যা পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক নীতি ও গণতান্ত্রিক শাসন কাঠামো দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্র। আর পুঁজিবাদি অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যই হল- পুঁজির স্বাধীনতা। যা মালিকানার স্বাধীনতার নামে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সকল বিষয়ে অর্থাৎ খাদ্য, ... Read more - [গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার প্রতিটি ক্ষণই যেন এক কালবেলা…](https://returnofislam.com/2015/08/10/child-oppression-in-democracy/): এ মুহূর্তে বাংলাদেশে একটি খুব আলোচিত একটি ঘটনা হচ্ছে শিশু রাকিব হত্যা। নৃশংস বর্বর এ ঘটনা মানুষকে স্তব্ধ করে দিয়েছে অথচ মাত্র কিছুদিন পূর্বেই আমরা কেঁপে উঠেছিলাম শিশু রাজনের লোমহর্ষক হত্যা কান্ডের ঘটনায়। খুব কম সময়ের মধ্যে পরপর এরকম বেশ কিছু হত্যা কান্ড অতঃপর পত্রপত্রিকায় তার নিউজ, ইন্টারনেট, টিভি তে আলোচনা, প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের মনে হতে পারে হঠাৎ বুঝি এ ধরনের ঘটনা ব্যপক ভাবে শুরু হয়েছে। আসলে মোটেও তা নয় বরং এটাই এখন এ দেশের, এই সমাজের বাস্তব চিত্র। খুব অল্প সংখ্যক ঘটনাই মিডিয়াতে আসে এবং মানুষ তা জানতে পারে অথচ প্রতিদিনই এমনই অনেক নৃশংস হত্যাকান্ড ঘটে চলেছে। রাজন হত্যার দু ... Read more - [উপমহাদেশে ইসলামি শাসনের ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা](https://returnofislam.com/2015/07/11/islamic-ruling-indian-subcontinent/): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর একটি সাক্ষাৎকার পড়ছিলাম বাঙালী জাতীয়তাবাদ নিয়ে। বাম বুদ্ধিজীবীদের একটি চিন্তা সেকুলার মহলে বেশ জনপ্রিয়ঃ বাঙ্গালী সমাজে ইসলাম ধর্মের প্রভাব হল একটি প্রতিক্রিয়াশীলতার বিষয়, অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে হিন্দুদের দ্বারা অর্থনীতিক নিপীড়ন বাঙালী সমাজে পাকিস্তান আন্দোলনের মাধ্যমে ‘মুসলমানিত্ব’-এর দাবীকে জোরালো করে। বাম দার্শনিকদের চোখে ‘ইসলামী শাসন’-এর বিষয়টি বাঙ্গালী মুসলিম সমাজে গভীরভাবে প্রথিত না। ওনাদের সাথে আলোচনা করলে এও শুনতে হয় ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ কখনই ‘কেন্দ্রিয় খিলাফতের’ আওতাধীনে ছিল না। আরও একটি ভ্রান্ত ধারণা তারা ছড়ানঃ আবহমান কাল থেকে বাংলাদেশ *মূলত* এই অঞ্চলের মানুষ (Indigenous people) দ্বারা শাসিত হয়ে এসেছিল যেখানে জাতীয়তাবাদী চেতনাই মুখ্য ছিল, তারা কখনই খিলাফতের ... Read more - [ভর্তি, নাকি আরেক ভোগান্তি?](https://returnofislam.com/2015/07/07/admission-suffering/): এবছর ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছুক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভর্তির ব্যবস্থা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। তার দাবি হচ্ছে ছাত্রছাত্রী ও অবিভাবকদের ভোগান্তি কমানো ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশন করা। যার অংশ হিসেবে তিনি টেলিটক সিমের মাধ্যমে এস এম এস ও শিক্ষাবোর্ডের প্রণীত ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন ও রোল নাম্বার দিয়ে ঢুকে কাঙ্ক্ষিত পাঁচটি কলেজ ও বিষয়ের জন্য আবেদন করার ব্যবস্থা করে দেন। ডিজিটালাইজেশন শব্দটি শুনতে সুন্দর হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনা বলেও একটি কথা রয়েছে। তাই আসুন বর্তমান সরকারের ভর্তির ব্যাবস্থাপনার উপর একটু চোখ বুলাই- ১. রেজাল্টের ভিক্তিতে ভাল কলেজগুলোতে ভাল ছাত্র-ছাত্রী, মধ্যম মানের কলেজ গুলোতে মধ্যম মানের ছাত্র-ছাত্রী ও নিম্নমানের কলেজগুলোতে নিম্ন ... Read more - [লুত (আ) ও তার জাতির বর্ণনা](https://returnofislam.com/2015/06/29/the-people-of-lut/): আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, وَكَأَيِّنْ مِنْ آيَةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَمُرُّونَ عَلَيْهَا وَهُمْ عَنْهَا مُعْرِضُونَ “আর আকাশ ও জমীনের কত নিদর্শনই না তারা অতিক্রম করে যায়, কিন্তু তারা তা হতে উদাসীন“। [সূরা ইউসুফ: ১০৫] আমরা অনেকেই জানি ভু-মধ্যসাগরের কাছে এক উপসাগরে অবস্থিত সডম জাতিই পৃথিবীতে সর্বপ্রথম সমকামিতা নামক ব্যাধির জন্ম দেয়। এই সডম শব্দ হতে ইংরেজিতে সডমাইট শব্দটি এসেছে। সমকামিদের এজন্যই অনেকে ‘সডমাইটস’ (ٍsodomites) বলে অভিহিত করে থাকেন। এই পথভ্রষ্ট জাতির কাছেই প্রেরিত হয়েছিলেন আল্লাহর নবী লুত (আ)। তিনি ডেসপারেট চেষ্টা করেও তাদের পতন ঠেকাতে পারেন নি। এ জাতিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কঠিনভাবে শাস্তি দেন, যার বিস্তারিত বর্ণনা পবিত্র ... Read more - [জাতীয় বাজেট, পুঁজিবাদের ভয়াল ছোবল](https://returnofislam.com/2015/06/22/national-budget-another-oppression/): খবর: জাতীয় সংসদে আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের জন্য যে বাজেট প্রস্তাব দিলেন, আকারে তা বিশাল, ২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এই বাজেট হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা, যা ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সুতরাং দেখা যাচ্ছে জিডিপি যতটা বেড়েছে, বাজেট সেই তুলনায় বাড়েনি, বরং কমেছে। অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদায়ী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ।ব্যয় করতে না পারায় অর্থমন্ত্রী চলতি অর্থবছরের বাজেটে বড় ধরনের সংশোধন করেছেন। এতে বাজেট হচ্ছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকার, যা জিডিপির ১৫ দশমিক ... Read more - [রমজান মাস - মুনাফা নাকি তাকওয়া অর্জনের মাস?](https://returnofislam.com/2015/06/21/ramadan-profit-or-taqwa/): রমজান মাস তাই বিভিন্ন মহলে সাড়া পড়ে গেছে, ১. কাপড় ব্যবসায়ীরা নতুন মডেলের কাপড় সংগ্রহে ব্যস্ত। সাড়া বছর এই একটি মাসের জন্য তারা অপেক্ষা করে। পুরাতন কাপড় সরিয়ে নতুন কাপড়ে শোরুম সাজাচ্ছে ক্রেতা আকৃষ্টে চলছে বিভিন্ন কৌশল। দাম ও পাওয়া যায় অন্য মাস থেকে দ্বিগুন বা তিনগুন। ২. নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস এর ব্যবসায়ীরা যেমন: ছোলা, চিনি, খেজুর, বিভিন্ন ডাল, তেল ইত্যাদি মজুদ করা হয়েছে যাতে রমজানে চওড়া দামে বিক্রি করা যায়। দাম বাড়ছে ২-২০ টাকা বেশি। যেন এ মাস না হলে আর কখন? ৩. সবজির বাজার তো ২০ থেকে ৩০ টাকার স্থলে ৬০ থেকে ৭০ টাকা করতে হবে, তা না হলে ... Read more - [পুঁজিবাদি সমাজে পারিবারিক সমস্যা ও এর প্রকৃত সমাধান](https://returnofislam.com/2015/06/19/family-crisis-in-capitalistic-society/): খবর: ‘‘কক্সবাজারের চকরিয়ার বদরল্কালি ইউনিয়নে চৌধুরি পাড়ায় আব্দুল গনি – ফাতেমা বেগম দম্পতির তিন মেয়ে এক ছেলে। গত শুক্রবার তাদের বাসা থেকে তিন মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (৯), শিরোজান্নাত (৯), ও তহুরা জান্নাত (২০) এর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তিন মেয়ের বাবা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি দিয়ে নিজের মেয়েদের জবাই করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। আব্দুল গনি দাবী করেন, স্ত্রী ফাতেমার অনৈতিক সম্পর্কের কারনে চরম মানসিক বিপর্যয়ে পরে তিনি নিজের মেয়েদের হত্যা করেছেন। তার স্ত্রী ফাতেমা ও গনীর বিরুদ্ধে পাল্টা পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন।’’ (কালের কন্ঠ ২২মে ২০১৫) মন্তব্য: পারিবারিক খুন, পরকীয়ার পাশাপাশি আত্বহননের ঘটনায় সমাজে আতংক ছড়িয়ে পরছে। ... Read more - [আত-তোঈফা আয-যোহেরা তথা বিজয়ী দল সম্পর্কে ব্যাখ্যা](https://returnofislam.com/2015/05/31/winner-team/): প্রশ্ন: আত-তোঈফা আয-যোহেরা (বিজয়ী দল) সম্পর্কে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে। এ হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা কী? এগুলো কি উসূলের আলেম কিংবা হাদীসের আলেমগণ সম্পর্কে বলা হয়েছে – যেমনটি কেউ কেউ ব্যাখ্যা করেছেন? এছাড়াও, আমরা মাঝে-মধ্যে শুনি যে অমুক বা তমুক দল হচ্ছে বিজয়ী দল – এক্ষেত্রে আমাদের ব্যাখ্যা কী হওয়া উচিত? আল্লাহ আপনাকে বরকত দান করুন। উত্তর: আলোচনাটি আমি দুটি অংশে করবো, ১. প্রথমত এই হাদীসগুলোর ব্যাখ্যা২. (আমাদের জীবনে) হাদীসগুলোর প্রয়োগ বিজয়ী দল (الطائفة الظاهرة) সম্পর্কে বেশ কিছু হাদীস রয়েছে।  বুখারীতে বর্ণিত আল মুগীরাহ ইবনে শু’বাহ বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন,  لاَ يَزَالُ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي ظَاهِرِينَ حَتَّى يَأْتِيَهُمْ أَمْرُ اللَّهِ وَهُمْ ظَاهِرُونَ “আমার উম্মাহর মধ্যে সবসময়ই একটি দল থাকবে ... Read more - [খিলাফতই নিপীড়িত মুসলিমদের একমাত্র সমাধান](https://returnofislam.com/2015/05/28/khilafah-is-solution-for-the-oppressed/): গত ৮ই মে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূল থেকে অন্তত ২ হাজার ৭৩০ জন অভিবাসীদর উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাইরে সাগরে ভাসমান অবস্থায় আছে আরও প্রায়ই চার হাজার মানুষ, জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা (UNHCR), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IMO) এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে জানা যায় ১১ দিনে প্রায় তিন হাজারেরও অধিক রোহিঙ্গা মুসলিমকে উদ্ধার করা হয়েছে যাদের মধ্যে অনেকেই মারা গেছে, অনেকে মরনাপন্ন অবস্থায়, অনেকে সাগরে নিখোঁজ হয়েছে এবং আরও চার হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম সাগরে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। যাদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে এবং যাদের বয়স ১ বছরেরও নিচে। শত শত মুসলিমকে থাইল্যান্ড ও মালেশিয়াতে জীবন্ত কবর দেয়া হয়েছে, বহু নারীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।  আমাদের ... Read more - [করোনা ও প্রতিক্রিয়াশীল ধার্মিকতা](https://returnofislam.com/2020/04/23/covid-and-reactionary-religiosity/): করোনার ভয়ে ধর্ম চর্চা বৃদ্ধি ইসলামি আকিদাকে আমরা কতটুকু বুঝি?? করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু বৃদ্ধির সংবাদে আমরা অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি? নিজের উপর করোনা বিপদ আসন্ন দেখছে সবাই। এই দুর্গতিতে নিজের অক্ষমতা বুঝতে পারছে। অনেকেরই আকড়ে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা সৃষ্টিকর্তাকে। মাঝে মাঝে মনে হয় শরীরে করোনার আসার ঐ ছিদ্রটি বন্ধ করলেই মনে হয় এই যাত্রায় রক্ষা। আবার পরক্ষণেই আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির খবর শুনে ভীত! যাব কি যাবনা, লকডাউন আর ছোঁয়াচের দোটানা। পরিসংখানের উত্থান পতনে নিয়মিত উঠানামা করছে ধর্ম চর্চার জ্বরের থার্মোমিটার! দোটানা থেকে জগাখিচুড়ি টাইপ আচরনের বহিঃপ্রকাশ। প্রতিদিনকার মত আধ্যাত্মিক কিছু চর্চা ছাড়া, জীবনের বাকি সব কিছুতেই, ভয়ে আকড়ে ধরা সৃষ্টিকরতার কি কোন সম্পর্ক নেই? এই কম্প্রমাইজ চিন্তার ভিত্তি ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: কোন অধিকারের ক্ষেত্রে প্রচলিত আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে?](https://returnofislam.com/2020/04/21/claiming-our-rights/): প্রশ্ন: বর্তমান ব্যবস্থায় মানুষ কোন কোন অধিকারগুলো আদায় করার জন্য প্রচলিত আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবে? উত্তর: কোনো অধিকার পুনরুদ্ধার বা ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে, শরীয়াহ স্বীকৃত অন্যায় অপসারণের ক্ষেত্রে তা জায়েয; অর্থাৎ অধিকারটি  ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা স্বীকৃত এবং যে অন্যায়টি করা হয়েছে তাও ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা অন্যায় বলে স্বীকৃত। সুতরাং, যে অধিকারটি ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা স্বীকৃত নয় তা পুনরুদ্ধার বা ফিরিয়ে দেবার জন্য আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে না। যদি কোনো শ্রমিক প্রচলিত আইন অনুসারে কোন অধিকার দাবি করে যা  শরীয়াহ অনুসারে অধিকার হিসেবে স্বীকৃত না, তবে তার পক্ষে তা করা জায়েয নয়। আর কেউ যদি প্রচলিত  আইন অনুসারে কোন অধিকার দাবি করে, যা শরিয়াহ অনুসারেও ... Read more - [করোনা, ব্যর্থ সেকুলার রাষ্ট্রব্যবস্থাপনা এবং এর প্রকৃত সমাধান](https://returnofislam.com/2020/04/18/corona-failed-state-management/): করোনা মহামারিতে লক ডাউনে কার্যত স্থবির একটা বাস্তবতায় আপনাদের সাথে কিছু প্রয়োজনীয় আলাপ নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। করোনা ভাইরাস যাতে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পরতে না পারে তার জন্য ২৬শে মার্চ থেকে ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছে সরকার। স্বাস্থ্য অদিদপ্তরের ভাষ্য মতে এখন পর্যন্ত দেশের অন্তত ১৯টি জেলা কার্যত লক ডাউন রয়েছে আর আংশিক লক ডাউন অবস্থায় রয়েছে ১৬টি জেলা। এখন প্রশ্ন হল একটার পর একটা জেলা লক ডাউনে যাওয়ার প্রেক্ষাপট কি? চীনের উহানে কোভিড-১৯ এর প্রাদূর্ভাব দেখা দেওয়ার পর যখন দক্ষিন কোরিয়া যখন করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে তখন বাংলাদেশ সরকারের ফোকাস পয়েন্ট ছিল মুজিববর্ষ উদযাপন। আর করোনা মোকাবেলায় ... Read more - [রজব মাসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য](https://returnofislam.com/2020/03/14/significance-of-rajab/): ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় রয়েছে। কিছু দিন, সপ্তাহ কিংবা মাস। মুসলমানরাও এর ব্যতিক্রম নয়। ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য এবং সত্যই স্মরণযোগ্য এই ঘটনাটি অবাক হওয়ার মতো যে, ৭ম শতাব্দীর বিশ্বে ইসলামী সভ্যতা একটি নতুন ভোর এনেছিল, কারণ এটি দিক-দিগন্ত জয় করে জমিনে জ্ঞান, সভ্যতা এবং সত্যিকারের অগ্রগতি নিয়ে এসেছিল। এটি সুপরিচিত যে ইসলামী চন্দ্র ক্যালেন্ডারে রজব একটি মাসের পবিত্র মাস এবং এটি সত্যিই এমন একটি মাস যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস বহন করে। বিশেষত, রজব ইসলামী ইতিহাসে চারটি ঘটনা দেখেছিল যা ইতিহাসের গতিপথকে পরিবর্তিত করেছিল। এটি নবুওয়াতের দশম বছরের রজব (৬২০ খ্রিস্টাব্দ) যখন আল-ইসরা ওয়া ওয়াল-মি’রাজ হয়েছিল। এক রাতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে জেরুজালেমে, তারপর আকাশে ও তার উপরের শেষপ্রান্তে চলে গেলেন। তাঁর চাচা আবু তালিব যে তাঁর দাওয়াতের শুরু থেকেই তাকে রক্ষা করেছিলেন, পাশাপাশি তাঁর প্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা) ... Read more - [বর্তমানে কিভাবে মুসলিম উম্মাহ পুনর্জাগরিত হতে পারে?](https://returnofislam.com/2020/01/06/how-muslim-ummah-will-be-revived/): পুনর্জাগরণ এক ধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। উন্নতি বলতে কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বোঝায় না। প্রমাণস্বরূপ কুয়েত অর্থনৈতিক দিক থেকে ইউরোপীয় রাষ্ট্র সুইডেন, হল্যান্ড এবং বেলজিয়াম থেকে উন্নত হলেও; সুইডেন, হল্যান্ড এবং বেলজিয়ামকে উন্নত মনে করা হয়। কিন্তু কুয়েতকে উন্নত মনে করা হয় না। তাছাড়া নৈতিকভাবে উন্নতিও পুনর্জাগরণ নয়। পৃথিবীতে যেকোন রাষ্ট্রের চেয়ে মদিনা নৈতিকভাবে সবচেয়ে উন্নত হলেও, এটাকে উন্নত মনে করা হয় না। সুতরাং, বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থানই একমাত্র পুনর্জাগরণ বা উন্নতি। পুনর্জাগরণ সঠিক বা ভূল হতে পারে। যেমন, আমেরিকা, ইউরোপ এবং রাশিয়া ভূল ভাবে উন্নত। কারণ তাদের পুনর্জাগরণ আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। সঠিক পুনর্জাগরণ সেটাই যা আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ যে পুনর্জাগরণ বা বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয় তা একধরণের ভূল বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। সুতরাং ইসলামি চিন্তা (আকিদা) ... Read more - [NRC ও CAA ইস্যুতে ভারত উত্তাল: সমস্যা ও সমাধান](https://returnofislam.com/2019/12/30/indias-uproar-over-nrc-and-caa-issues-problems-and-solutions/): গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ এ ভারতের সংসদে Citizenship Amendment Act (CAA) বা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইন হিসেবে পাশ হয়েছে। এটি ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইনের সংশোধন। এই সংশোধিত আইনের মূল কথা হচ্ছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আগত অবৈধ অধিবাসীদের মধ্যে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান ধর্মাম্ববলী বা অবৈধ অভিবাসীরা যদি ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৪ সালের আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকে তবে তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত। তবে মুসলিমদের জন্য এরকম কোন সুযোগ রাখা হয়নি অর্থাৎ এই তিন দেশ থেকে আগত মুসলিমরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যেমন, ভারতে অবস্থানরত রোহিঙ্গা মুসলিমগণ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অন্য ধর্মাবলম্বীরা শরণার্থী। National Register ... Read more - [আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর](https://returnofislam.com/2019/11/05/al-qada-wal-qadr/): আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর বিষয়টি একটি বহুল আলোচিত বিষয় এবং একটি গভীর চিন্তা-ভাবনার বিষয়। আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর বিষয়টি মানুষ তার কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীন নাকি পরাধীন সে বিষয়ের আলোচনা। অতীতে বহু স্কলার বিভিন্নভাবে বিষয়টিকে আলোচনা ও ব্যাখ্যা করেন কুর’আন এবং সুন্নাহ’র ভিত্তিতে। তারা বিষয়টিকে আল্লাহ’র সৃষ্টি, জ্ঞান ও তাঁর ইচ্ছার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে যৌক্তিক (logical) ভাবে আলোচনা করেন। এখানে উল্লেখ্য, আল্লাহর রাসূল ও সাহাবীদের আমলে আল-কাদা ওয়াল কাদর অর্থাৎ মানুষ কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীন না পরাধীন – এ আলোচনা ছিল না, তাদের মধ্যে কেবল আল-কদর তথা আল্লাহর সুবিশাল জ্ঞান নিয়ে আলোচনা ছিল, অর্থাৎ আল্লাহর জ্ঞানের বাইরে কিছুই নেই, সবকিছু তার জ্ঞান অনুযায়ী ঘটে। কিন্তু এ বিষয়টি মানুষকে স্বাধীন করে না পরাধীন ... Read more - [পুঁজিবাদের অলীক সুখ-স্বপ্ন](https://returnofislam.com/2019/10/09/the-illusory-happiness-of-capitalism-is-a-dream/): Capitalism তথা পুঁজিবাদ সুখের ডেফিনেশন দেয় consumerism তথা ভোগবাদের মাধ্যমে। ইন্দ্রিয়গত পরিতৃপ্তি সর্বোচ্চ বস্তুগত ভোগে, সবচেয়ে বেশি stuffs আর gadgets এর প্রাপ্তিতেই আমাদের সুখের definition খুঁজে ফেরা, এটা পশ্চিম পেয়েছে গ্রীক রোমানদের উত্তরসূরি হিসেবে। কিন্তু এখন জীবন সম্বন্ধে এই concepts গুলো আইডোলজিকাল ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে, ইন্টেলেকচুয়ালি সব জায়গায় ডমিনেট করছে। দিনশেষে সবই যা খুশি তাই করার, ইন্দ্রিয় পরিতৃপ্তির মাঝেই জীবনের অর্থ খুজে নেওয়ার তাগিদ দেয়। এই পশ্চিমা ওয়ার্ল্ডভিউয়ের কারণে আমরা পেয়েছি একটা ডিপ্রেসড সিভিলাইজেশন।যারা অর্থপূর্ন কোন কিছুর দিকে ছুটছে না, বরঞ্চ অলীক সুখের ঘূর্নিপাকে পড়ে অতল গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে পরিবারের ভাঙনে, আত্মহত্যা নয়তো মানসিক বিকারে। হারিয়ে যাচ্ছে ড্রাগে, হারিয়ে যাচ্ছে ফুলানো ফাপানো স্ট্যাটাস, সৌন্দর্য, অর্থের শো অফের অলিগলিতে। Capitalism এ তাই ব্যাবসায়ীরা ... Read more - [খিলাফত একমাত্র সমাধান](https://returnofislam.com/2019/10/09/khilafah-is-the-only-solution/): জুলুমের শাসন আমাদের কন্ঠ পুরোপুরি রোধ করার আগেই খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পরুন, যা রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করবে। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার অপরাধ ছিল সে ফেসবুকে ভারতের সাথে পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে ঐতিহাসিক কিছু ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দিয়েছিল। ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই ঘটনা আজ নতুন ঘটছে না, অতীতেও আমরা অসংখ্যবার এই একই ধরণের ঘটনা ঘটতে দেখেছি। দেশবাসী দেখেছে কীভাবে বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু বকরেরও পরিণতি হয়েছিল একইরকম। এরকম এক একটা ঘটনা ঘটে আর ... Read more - [ডেঙ্গুর মহামারি](https://returnofislam.com/2019/08/01/dengue-epidemic/): সরকারের দায়িত্বহীনতা ও দুর্নীতির পরিণতি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণ টের পাচ্ছে। কার্যত ঢাকা এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত নগরীতে পরিণত হয়েছে এবং সারাদেশে তা আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতি ১ মিনিটে গড়ে ১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলো রোগীর চাপ সামালাতে হিমশিম খাচ্ছে। আক্রান্তদের স্বজনরা হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ছুটে বেড়াচ্ছেন। সাধারণ জনগণ পরিবারের সদস্যদের বিশেষত শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে অন্যদিকে মৃতের সংখ্যাও। এবার বর্ষায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে এমন আগাম সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও জনগণের প্রতি উদাসীন এই সরকার ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশার নিধন ও বিস্তার রোধে ... Read more - [সামাজিক অবক্ষয় রোধে তাকওয়া ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা](https://returnofislam.com/2019/07/19/the-need-to-establish-a-society-based-on-piety-to-prevent-social-degradation/): বর্তমানে আমার আমাদের সামাজের দিকে তাকালে আমাদের এই সমাজে দেখতে পাই প্রতিনিয়ত কিভাবে মুসলিমরা একে অপরকে খুন করছে, ভাই ভাইকে হত্যা করছে, সন্তান পিতা মাতাকে হত্যা করছে, প্রতিবেশী অপর প্রতীবেশীকে হত্যা করছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে শতশত মানুষের সামনে এমনকি বিচারকের খাস কামরায় একে অপরকে হত্যা করছে। আজ নারী থেকে শিশু সন্তান পর্যন্ত তার পরিবারে সদস্য থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশী এমনকি শিক্ষকের হাতে তার শিশু ছাত্রীর সম্ভ্রম পর্যন্ত নিরাপদ নয়। এমনকি স্বামীর কাছে স্ত্রী এবং স্ত্রীর কাছে স্বামী নিরাপদ নয়। এমতাবস্থায় আমাদের সমাজে এই অন্যায় অনাচারের রোধে নতুন নতুন আইন হচ্ছে, এসকল আইনে মৃত্যু দণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে তারপরও এর সাথে ... Read more - [মুত্তাকীন](https://returnofislam.com/2019/07/19/muttakin/): “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।” [আল-বাক্বারাহ্: ১৮৩] নিশ্চয়ই প্রত্যেক মুসলিমের লক্ষ্য হওয়া উচিত মুত্তাকী হওয়া, কারণ মুত্তাকীগণ হচ্ছেন সেসব ব্যক্তি যাদেরকে আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ভালবাসেন এবং যাদেরকে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সহায়তা, করুণা, ক্ষমা, বিশাল পুরস্কার এবং জান্নাতের পাশাপাশি ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রক্ষা ও উত্তম কাজে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন: “কিন্তু হ্যাঁ, যে কেউ তার অঙ্গীকার পালন করে এবং আল্লাহ্কে ভয় করে – নিশ্চয়ই তখন, আল্লাহ্ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা মুত্তাকী।” [আল-ইমরান: ৭৬] একদা উমর ইবনে আল খাত্তাব (রা) উবাই ... Read more - [জান্নাত ও জাহান্নামের চিন্তা: একটি জীবন পরিবর্তনকারী চেতনা](https://returnofislam.com/2019/06/03/a-life-changing-consciousness/): জান্নাত জাহান্নামে বিশ্বাস মুসলিমদের আকীদার অংশ। আকীদা হল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বিশ্বাস যার ভিত্তিতে মানুষ তার জীবন পরিচালনা করে। কিন্তু বর্তমান সমাজে মানুষের কাছে জান্নাত জাহান্নাম অনেকটা তথ্যের মত রয়েছে; এটি জীবন পরিচালনাকারী বোধ বা চেতনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বিশ্বাস হিসেবে নেই। এর একটি প্রধান কারণ হল বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা (এর শাসক, সমাজব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা, মিডিয়া, বিচারব্যবস্থা) যা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত দুনিয়ার সফলতার কথা মনে করিয়ে দিলেও আখেরাতের বিষয়ে নীরব। কিন্তু একটি সময় ছিল খোলাফায়ে রাশেদীনদের সময় যখন শাসক জনগনকে পরকাল, দুনিয়ার জীবনের তুচ্ছতা মনে করিয়ে দিত।   উসমান ইবনে আফফান (রা) তার জীবনের শেষ খুতবায় বলেন, “আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তোমাদেরকে এ দুনিয়া দিয়েছেন ... Read more - [বেকারত্বের করাল গ্রাস থেকে মুক্তির একপথ খিলাফত](https://returnofislam.com/2019/05/21/khilafat-is-the-only-way-to-get-rid-of-unemployment/): ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে একটি অভিবাসনপ্রত্যাশী দলের অন্তত ৬০ জন মারা গেছেন। নৌকার আরোহীদের মধ্যে ৫১ জন বাংলাদেশি ছিলেন। (১) উচ্চ শিক্ষিত ছাত্রদের সবচেয়ে কাম্য ৪০ তম বিসিএস পরীক্ষায় অনুষ্টিত হল মে মাসে। তাতে মাত্র ১৯০৩টি চাকরীর বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ টি।(২) এই পরীক্ষার প্রতিযোগিতায় ৪ লাখ ১০ হাজার বেকারের কোন গতি হবেনা। সাথে কোটা নামের বৈষম্যতো আছেই। বেকার যুবকরা সরকারী চাকরীতে প্রবেশের সীমা ৩৫ করার দাবী করছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে বেকার ৩কোটি। শুভংকরের ফাকি বাদ দিলে প্রকৃত বেকারের সংখ্যা ৬ কোটির উপর। অর্থাৎ দেশের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্টির ৩৯.৪০শতাংশ বেকার। প্রতি বছর চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে ... Read more - [রমজান: ইসলামের জ্ঞান অনুসন্ধান করুন](https://returnofislam.com/2019/05/21/ramadan-search-for-islamic-knowledge/): এই মাসটিকে আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) রোজার মাস হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বিশ্বাসীদের জন্য রমজান মাসকে রহমত ও মাগফিরাতের মাস হিসেবে নির্ধারিত করে অন্যান্য মাসের উপরে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এই মাস সকল মাস অপেক্ষা উত্তম এবং বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন, আর এই মাসেই আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) তাঁর সর্বশেষ আসমানী কিতাব আল-কুর‘আন নাযিল করেছেন।  “হে ঈমানদারগণ,যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হলো যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার।” (সূরা আল-বাকারাহ্: ১৮৩)  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ রমজান মাসে আমরা প্রতিদিন কুর‘আন ... Read more - [রমযান: কুর‘আন -এর মাস](https://returnofislam.com/2019/05/19/ramadan-month-of-quran/): আবারও আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) আমাদেরকে এই বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কুর‘আন আল-কারীম-এর মাসে ইবাদত করার সুযোগ দান করেছেন। আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বলেন: إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ “নিশ্চয়ই আমি নাযিল করেছি এই কুর‘আন মহিমান্বিত রাত্রিতে।” (সূরা ক্বদর: ১) আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) পক্ষ থেকে এই উম্মাহ্’র জন্য রহমত হিসেবে বহু কিছু প্রদান করা হয়েছে, যেগুলোর কারনে আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত; বিশেষভাবে কুর‘আনের মাধ্যমে আমাদের প্রতি রহমত বর্ষনের জন্য আমরা আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) অশেষ শুকরিয়া আদায় করি। কুর‘আন কেবল হৃদয় ও মনকে প্রশান্তি দেয় না, বরং এটি আমাদের জীবনের জন্য দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। পৃথিবীতে আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নবীদের (আ.) মহাকাব্যিক কাহিনী ... Read more - [অধপতিত মুসলিম উম্মাহ’র পূর্ণজাগরণ কোন পথে?](https://returnofislam.com/2019/05/14/which-way-is-the-full-awakening-of-the-degenerate-muslim-ummah/): আল্লাহ বলেন, “তোমরাই (মুসলিমগণ) সর্বোত্তম জাতি, যাদেরকে মানুষের জন্য উত্থান ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে।” (সূরা আল ইমরান: ১১০) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় কেউই মুসলিম উম্মাহকে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বলতে পারবে না। মুসলিমগণ এখন অধপতিত। এটি সবাই বুঝতে পারছে। বিশ্ব নেতৃত্বে মুসলিম উম্মাহ নেই। ইউরোপ আমেরিকার হাতে আজকে বিশ্ব নেতৃত্ব। মুসলিম উম্মাহ নির্যাতিত, নিজ ভূমি থেকে বিতাড়িত শরণার্থী, নৈতিকভাবে অধপতিত, জ্ঞান বিজ্ঞানে পশ্চাদপদ, অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত যদিও মুসলিম ভূমিসমূহ তেল, গ্যাস, কয়লাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। কিন্তু কেন মুসলিম উম্মাহ আজকে অধপতিত? এ ব্যাপারে নানা মুনীর রয়েছে নানা ... Read more - [ইস্তিকামাহ: দ্বীনের পথে অবিচল বা দৃঢ়পদ থাকা](https://returnofislam.com/2019/05/13/istiqamah-to-be-steadfast-or-steadfast-in-the-path-of-religion/): সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাকাফী রা বলেন, আমি একবার রাসুল (সা) এর নিকট গিয়ে বললাম, হে আল্লাহ রাসুল আমাকে ইসলাম এর ব্যাপারে এমন কথা বলে দিন যেন সে বিষয়ে আপনি ছাড়া আর কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতে না হয়।তিনি (সা) বললেন, “বল, আমি ঈমান আনলাম, তারপর এর ওপর অবিচল (ইস্তিকামাহ) হয়ে যাও। ” [ মুসনাদ আল-আহমাদ, সহীহ মুসলিম] এই হাদিসে রাসুল সা ঈমানের পর সকল বিষয়কে একটি শব্দের দ্বারাই প্রকাশ করেছেন আর তা হল অবিচলতা বা ইস্তিকামাহ। ঈমান আনার পর বিলাল রা তার বুকে পাথরের বোঝা বহন করার পরও বলেছিলেন আহাদ!, এটাই ইস্তিকামাতের দৃষ্টান্ত। তাওহীদের স্বীকারোক্তির পর ইয়াসির পরিবারের উপর মক্কার জালিম শাসকদের ... Read more - [রমযান: পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী হোন](https://returnofislam.com/2019/04/21/ramadan-be-of-the-best-character-by-fully-entering-islam/): রহমতের মাস রমযান শুরু হয়েছে, যে মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে এবং শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলিমদের জন্য রমযান মাসকে করুণা ও ইবাদতের মাস হিসেবে নির্ধারিত করে অন্যান্য মাসের উপরে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা-এর পক্ষ থেকে এটা আমাদের জন্য একটি বিশেষ রহমত যে তিনি আমাদেরকে এই রমযানে জীবিত থাকার সুযোগ দিয়েছেন। যেহেতু এই মাসে আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ভালো কাজ করার প্রতি আমাদের আগ্রহ বেশি থাকে এবং আমাদের অন্তর ইবাদতের প্রতি অধিক মনোনিবেশ করে, সেহেতু আসুন আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করি যে, পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশের মাধ্যমে আল্লাহ্’র নৈকট্য লাভের জন্য ... Read more - [ভয় (খাউফ)](https://returnofislam.com/2019/03/12/fear/): বেঁচে থাকার প্রবৃত্তির একটি বহিপ্রকাশ হল ভয়। এটি মানুষের স্বভাবজাত। বাহ্যিক প্রণোদনা ছাড়া ভয় প্রকাশ পায় না। এ প্রণোদনাটি হতে পারে বাস্তবিক অথবা ভয়ের সাথে সর্ম্পকযুক্ত কোন চিন্তা। বাস্তবিক প্রণোদনার একটি উদাহরণ হল পাগলা কুকুর এবং চিন্তা বা কল্পনার সাথে বিজড়িত প্রণোদনা হল ভূতের ভয়-যার কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। ভয়ের কারণে অধপতিত ব্যক্তি ও দূর্বল জাতি অপমানিত হয় এবং পিছিয়ে থাকে। যদি কোন ব্যক্তির উপর ভয় প্রাধান্য বিস্তার করে তবে তার জীবনের সুখ থাকে না, তার মানসিক বিকার ঘটে, হিতাহিত জ্ঞান লোপ পায়, স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে যায়, সে মহৎ গুনাবলী বিবর্জিত হয় এবং ভাল মন্দ সনাক্ত করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। সবচেয়ে ... Read more - [বাস্তবতা (reality) ও চিন্তা (concepts) প্রবৃত্তিকে তাড়িত করে](https://returnofislam.com/2019/03/05/reality-and-concepts-drive-instinct/): প্রবৃত্তি জৈবিক চাহিদা থেকে ভিন্ন যদিও উভয়টি মানবজীবনের অপরিহার্য জীবনীশক্তি। জৈবিক চাহিদাকে অনিবার্যভাবে পূরণ করতে হয়, তা পূরণ না হলে মানুষের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু প্রবৃত্তির চাহিদার ব্যাপারটি ভিন্ন, এটি স্রেফ তৃপ্ত হতে চায়। এটি তৃপ্ত না হলে মানুষ অস্থিরতায় ভোগে, কিন্তু মানুষ বেঁচে থাকে, মৃত্যুবরন করে না। মানুষ যদি খাদ্য গ্রহন না করে বা প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া না দেয়, সে মারা যাবে; কিন্তু যদি প্রবৃত্তির চাহিদা তৃপ্ত না করে তার মৃত্যু হবে না। যদি সে কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক না করে কিংবা যদি সে উপাসনা না করে সে মারা যাবে না, কারণ প্রবৃত্তির চাহিদা অনিবার্যভাবে পূরণ হতে চায় না। উপরন্তু, ... Read more - [ইয়েমেনের স্কুল শিশু হত্যাকারী কসাই এবং উম্মাহর তেল সম্পদ লুণ্ঠনকারী পাকিস্তানে অবশ্যই স্বাগতম না](https://returnofislam.com/2019/02/28/yemen-school-children-killers/): সংকোচন নীতির আওয়াজ ও হৈচৈ তুলে, বাজওয়া-ইমরান সরকার সৌদি শাসক বিন সালমান (‘এমবিএস’) -কে স্বাগত জানানোর জন্য কোন খরচ বাদ দিচ্ছে না, উম্মাহর সম্পত্তি মুক্তভাবে খরচ করছে। ওদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তান বিমান বাহিনীর জেএফ-১৭ জেট এর মাধ্যমে এমবিএস এর জেট এর প্রোটোকল প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বিচারে জ্বালানী খরচ করছে। অথচ দখলকৃত কাশ্মিরের মুসলিমদের সামরিক সাহায্য হতে বঞ্চিত করছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ব্যস্ত রাখছে এমবিএসকে নিরাপদ করার জন্য, যদিও তার শতাধিক সৌদি আরবীয় রয়েল গার্ড রয়েছে। অথচ গৃহায়নের জন্য জনগণের উপর অভিশপ্ত সুদ ভিত্তিক ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। সরকার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন সাজাচ্ছে, ওদিকে এমবিএস ১১০০ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী ব্যক্তি, পাঁচ ট্রাক ... Read more - [ইমরান খান IMF-কে সহযোগিতার মাধ্যমে পাকিস্তানকে ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করছে](https://returnofislam.com/2019/02/28/imran-khan-surrenders-pakistan-to-colonial-rule-by-helping-imf/): ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আইএমএফ প্রধানের সাথে ইমরান খান এর বৈঠকটির দ্বারা উপনিবেশবাদীরা পাকিস্তানের জন্য নতুন বিপদ নিয়ে আসছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ফিল্ড ম্যানুয়াল, সেপ্টেম্বর, ২০০৮ এর একটি লেখা অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনী উপনিবেশিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক্ষতির একটি বড় উত্স হিসেবে বিবেচনা করে, যেমন IMF, বিশ্বব্যাংক ও OECD আর্থিক, অগতানুগতিক, “সাধারণ সহ বৃহৎ আকারের যুদ্ধকালীন সময়ের অস্ত্র”। প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি সত্য যে আইএমএফ একটি ঔপনিবেশিক হাতিয়ার যা ঔপনিবেশিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য কোনও দেশকে তার পায়ে দাঁড়াতে ঋণ গ্রহণ করতে কখনও অনুমতি দেয় না। ক্ষমতায় আসার আগেই ইমরান খান এই সত্যটি স্বীকার করেছিলেন। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান এ প্রকাশিত, ১৮ ই ... Read more - [একমাত্র খিলাফত শাসনব্যবস্থাই অর্থপাচার রোধ করে শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারে](https://returnofislam.com/2019/02/28/only-a-caliphate-regime-can-prevent-money-laundering-and-build-a-strong-economy/): সাম্প্রতিক সময়ে গ্লোবাল ফিনেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে অর্থ পাচারে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। বৈশ্বিকভাবে ১৯ তম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের এক বছরেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় ৫ শ’ ৯০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। পাচারের অর্থের বেশিরভাগই গেছে আমদানি-রফতানির বাণিজ্যের আড়ালে। ১৫ সালের আগের এগারো বছরে পাচার হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। (কালের কন্ঠ ২৯/১/২০১৯)  দেশ থেকে অতিমাত্রায় অর্থ বিদেশে চলে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারন হল বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পুজিবাদী শাসকেরা ৪৯ বছরেও দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে নি।  মূল সমস্যা নিয়ে ... Read more - [প্রাগমেটিজম: একটি অনৈসলামি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি](https://returnofislam.com/2019/02/24/pragmatism-an-unsophisticated-psychological-disorder/): প্রাগমেটিজম শব্দের কোন যুতসই বাংলা প্রতিশব্দ না পেয়ে এর ইংরেজী পরিভাষাটিই ব্যবহার করছি। শাব্দিক অর্থ নয় বরং এর প্রায়োগিক দিকটি নিয়েই আলোচনা করব। প্রাগমেটিজম বলতে বাস্তবতা প্রবণতাকে বুঝায়। কোন ব্যক্তির চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি যদি নিছক বাস্তবতাই হয় তবে তাকে প্রাগমেটিক বলে। সাধারণত যারা পুঁজিবাদী আদর্শ অনুসারে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা প্রাগমেটিক বা বাস্তবতানুরাগী হয়। কারণ পুঁজিবাদে সুনির্দিষ্ট কোন নীতি নেই, বরং বাস্তবতা থেকে আইন আসে বা বাস্তবতা হল আইনের উৎস। কিন্তু ইসলামে আইনের উৎস হল ইসলামী শরী’আহ-যা সুনির্দিষ্ট। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে এই শরী’আহ পরিবর্তনীয় নয়। সেকারণে একজন মুসলিম বিভিন্ন বাস্তবতায় সঙ্গতিপূর্ণ অপরিবর্তনীয় শরী’আহ এর দলিল থেকে তার করণীয় নির্ধারণ ... Read more - [উইঘুরের মুসলিমদের ভোগান্তি শেষ হওয়ার এটাই কি সঠিক সময় নয়?](https://returnofislam.com/2019/02/13/isnt-it-time-to-end-the-suffering-of-uyghur-muslims/): উইঘুরের মুসলিমদের ভোগান্তি শেষ হওয়ার এটাই কি সঠিক সময় নয়? চীনকে মনে রাখার মতো শিক্ষা দেয়ার এটি কি উপযুক্ত সময় নয়? সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আমরা মুসলিম ভুমির পূর্বপ্রান্তের দেশ পূর্ব তুর্কিস্তানের বসবাসকারী উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে চীনের আগ্রাসী নীতির নৃশংস বৃদ্ধির খবর শুনেছি। ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং তথা চীনা কমিউনিস্ট শাসন কর্তৃক ১ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলমানদের হত্যা ও ২৫ হাজার মসজিদ ধ্বংস করার পর চীনের সীমানার সাথে একে যুক্ত করা হয়েছিল। আটলান্টিক ম্যাগাজিন, বিবিসি ও আল-জাজিরার মতো অন্যান্য মিডিয়া দ্বারা প্রকাশিত তদন্তের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, চীন পূর্ব তুর্কিস্তান প্রদেশের প্রায় দশ লক্ষ মুসলিম বন্দী শিবিরে আটক! তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতিতে বলা হয়, ... Read more - [কিভাবে অতীত বর্তমানের সদৃশ্য হয়… দৃশ্যগুলো চলছে এবং একইভাবে দর্শকও!](https://returnofislam.com/2019/02/12/how-the-past-resembles-the-present-the-scenes-are-moving-and-so-is-the-audience/): ইহুদি সত্ত্বার দখলদার সৈন্যরা গত ৩০ জানুয়ারী ফিলিস্তিনের একটি মেয়েকে দখলকৃত আল-কুদস (জেরুজালেম)-এর আল-জাইম চেকপয়েন্টে গুলি দিয়ে ঝাঝরা করে হত্যা করেছে। এই শহীদ একজন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল, যে তার মৃত্যুদণ্ডের সময় তার স্কুল ব্যাগ বহন করছিল; কথিত ছুরিকাঘাত অপারেশন চালানোর চেষ্টার অভিযোগে তাকে হত্যা করা হয়। দখলদার সৈন্যরা তাকে বাঁচাতে অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের কাছে নিয়ে যেতে বাধা দেয়। তাকে রক্তঝরা অবস্থায় মৃত্যুর জন্য ফেলে রাখা হয়। অপরাধ ও গণহত্যার ধারাবাহিকতায় আরেকটি অপরাধ যুক্ত হল, যা ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে, এর যুবক পুরুষ, নারী, বৃদ্ধ ও সন্তানদের বিরুদ্ধে ইহুদি সত্তা কর্তৃক সন্ত্রাসবাদ ও নিষ্ঠুরতাকে কেবল প্রতিফলিত করে, যা তারা তাদের মিথ্যা যুক্তি এবং ... Read more - [আল-রুকবান শরণার্থী শিবিরের শিশুরা কি শীতার্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে মরে যাবে, তবে কি তারা তাদের উদ্ধারের জন্য কাউকে খুঁজে পাবে না](https://returnofislam.com/2019/02/06/will-the-children-in-al-rukban-refugee-camp-die-of-cold-and-hunger/): মঙ্গলবার ১৫/১/২০১৯ তারিখে ইউনিসেফের রিপোর্ট অনুযায়ী, পনেরোটি বিচ্ছিন্ন শিশু, তাদের বেশিরভাগ সদ্য প্রসূত শিশু, সিরিয়াতে মারাত্মক ঠান্ডা এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাবের কারণে মারা গেছে। এদের মধ্যে ১৩ জন শিশু, যারা এক বছরের কম বয়সী দক্ষিণ-পূর্ব সিরিয়ায় জর্ডান সীমান্তের নিকট আল-রুকবান ক্যাম্পে মারা যায়। আল-রুকবান এবং অন্যান্য শিবিরে মানবিক সাহায্যের গুরুতর অভাব রয়েছে, বিশেষ করে যখন উদ্বাস্তুরা পূর্বের শেষ আইএসআইএস ছিটমহল থেকে ক্লান্তিকর যাত্রা করে পালিয়ে আসে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার ইউনিসেফের আঞ্চলিক পরিচালক জিয়ার ক্যাপ্লেয়ার বলেন, আল-রুকবান অঞ্চলের তাপমাত্রা এবং কঠোর জীবনযাত্রার কারণে শিশুরা ক্রমবর্ধমানভাবে বিপন্ন হয়ে পড়েছে, “এক মাসের মধ্যে, অন্তত আট সন্তানের মৃত্যু হয়েছে – এদের মধ্যে বেশিরভাগই চার মাস ... Read more - [বাংলাদেশ কি গরিব নাকি গরিব করে রাখা হয়েছে?](https://returnofislam.com/2018/12/05/bangladesh-poor-or-potential-leading-land/): বিগত প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে বাংলাদেশ শব্দটি উচ্চারিত হলেই হতদরিদ্র, অপুষ্ট, প্রাকৃতিক দূর্যোগে পর্যুদস্ত একটি জনপদের চিত্র মানুষের চোখে ভেসে উঠে। সচেতন লোকমাত্রই জানে, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশীদের ‘মিসকীন’ নামে ডাকা হয়। যদিও বর্তমান সরকারের সময়ে হঠাৎ করে বাংলাদেশ ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ এ রূপান্তরিত হয়েছে বলে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করা হয়। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ অবশ্য তৃতীয় বিশ্বের হতদরিদ্র বাংলাদেশ ও ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ এর মধ্যে কোন পার্থক্য খুঁজে পায় না। ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ তকমাটির সাথে সরকার কিছু পরিসংখ্যানের কথা বলছে। সেগুলো হল: মাথাপিছু আয়, দৃঢ় জিডিপি, বিভিন্ন সামাজিক সূচক (স্বাক্ষরতার হার, সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতাধীন জনগণ, বাল্যবিবাহ, চিকিৎসা সুবিধার আওতাধীন জনগণ ইত্যাদি) প্রভৃতি। ... Read more - [মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র: নব্য উপনিবেশবাদের মোক্ষম হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2018/11/25/democracy-is-neocolonialism/): উপনিবেশবাদ বা সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের স্বাভাবিক পরিণতি। ইউরোপে খ্রীস্টান ধর্মযাজক, শাসকশ্রেণী এবং নির্যাতিত সাধারণ জনগণ ও বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মধ্যে শতকের পর শতক ধরে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর তারা জীবন থেকে ধর্মকে পৃথকীকরণের প্রতিক্রিয়াশীল সিদ্ধান্ত- ধর্মনিরপেক্ষতায় উপনীত হয়। এটি ছিল ইউরোপীয়দের পূর্ণজাগরণ। এ পূর্ণজাগরণ ইউরোপীয়দের একটি চিন্তার (অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা) ভিত্তিতে গড়ে উঠা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মাধ্যমে বস্তুগত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। যার ফলশ্রুতিতে শিল্প বিপ্লব আসে। কাঁচামাল, পুজি, জ্বালানী ও বাজারের জন্য ইউরোপের পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসূহ এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ল্যাটিন আমেরিকার রাষ্ট্রসমূহে প্রত্যক্ষ উপনিবেশ স্থাপন করে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল ছিল ব্রিটেন। তার পরের সারিতেই ছিল ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল। ব্রিটিশদের সর্ম্পকে বলা হয় তারা তাদের ... Read more - [বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সঠিক ইসলামি ভাবনা](https://returnofislam.com/2018/11/09/upcoming-election-and-islamic-thoughts/): নির্বাচনকে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবার সরগরম হয়ে উঠেছে। পশ্চিমাদের অনুকরণে ও প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রনে গড়ে উঠা বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক সংস্কৃতি মানেই হল জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেমের সস্তা বুলি এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক ক্ষমতার লড়াইয়ের হীন মহোৎসব। ইসলামে রাজনীতি বা সিয়াসাহ একটি ফরয বিষয়-যার অর্থ হল জনগনের দেখভাল করা। অপরদিকে পুঁজিবাদে রাজনীতি এর অথনীতিকে ঘিরে আবতিত হয়। সেকারণে পুঁজিবাদে রাজনীতি হল সাধারণ জনগনকে জিম্মী করে অথবা তাদেরকে ধোকা দিয়ে পুঁজিপতি শ্রেণীর পুঁজি বাড়ানোর একটি ঘৃণ্য কৌশল। মুখে উন্নয়ন, জনগনের সেবা ইত্যাদি শ্লোগান থাকলেও, পুঁজিবাদী রাজনীতি হল পুঁজিপতি শাসকশ্রেণীর ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম। একারণে বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের অধিকাংশই ব্যবসায়ী। এই ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থে আইন প্রণয়ন করে। ছলে বলে ... Read more - [উইগুর: দশ লক্ষাধিক বন্দির মুসলিম জনগোষ্ঠী](https://returnofislam.com/2018/10/20/imprisoned-uyghur-muslims/): چین و عرب ہمارا، ہندوستان ہمارا‬مسلم ہیں ہم، وطن ہے سارا جہاں ہمارا‬ “চীন ও আরাব হামারা, হিন্দুস্তান হামারা,মুসলিম হ্যায় হাম, ওয়াতান হ্যায় সারা জাহাঁ হামারা…” – ১৯১০ সালে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে লেখা আল্লামা ইকবাল [১৮৭৭-১৯৩৮]-এর বিখ্যাত গান “তারানা-ই-মিল্লি” [জাতীয় সঙ্গীত] এভাবেই শুরু। ইকবাল যখন বলছিলেন: “চীন ও আরব আমাদের, ভারতবর্ষ আমাদের / মুসলিম আমরা, সারা পৃথিবীই আমাদের দেশ…” – তখন ইকবাল কি “চীন” বলতে আমরা এখন যে “চীন” রাষ্ট্রকে চিনি, সেটাকে বুঝিয়েছিলেন? এই “চীন” তো কখনোই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না! তাহলে? আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, এই প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে “উইগুর” নামে বিশ্বের এক নিপীড়িত জাতির পরাধীনতার শৃঙ্খল।  আসলে ইকবালের সময়কালে “চীন” বলতে ... Read more - [কুরআনকে যেভাবে বুঝা উচিত ছিল](https://returnofislam.com/2018/10/09/understanding-the-quran/): পবিত্র কুরআন হল সেই গ্রন্থ যা সাহাবা (রা) এর জীবনে ব্যক্তিগতভাবে এবং সামষ্টিকভাবে ইসলাম গ্রহণের আগের জীবন ও পরের জীবনের মধ্যে ব্যাপক পাথর্ক্য গড়ে দিয়েছিল। নিষ্ফলা মরুভূমি ও বর্বর হওয়ায় রোমান ও পারস্য পরাশক্তিসমূহ আরবের যে অংশে রাসূলুল্লাহ (সা) এসেছিলেন সে অংশের প্রতি ছিল অনাগ্রহী এবং এ অংশের লোকদের অবজ্ঞার চোখে দেখত। কিন্তু কেবলমাত্র কুরআন এবং কুরআন সে বর্বর লোকগুলোকে শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত করল এবং রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্যকে পদানত করে এমন এক দীঘমেয়াদী উন্নত সভ্যতার জন্ম দিয়েছিল যা ছিল নজিরবিহীন।এর জন্য তারা শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন মুহাম্মদ (সা) কে যিনি ছিলেন জীবন্ত কুরআন। সাহাবীদের অবিকল সেই কুরআন এখন আমাদের মধ্যে আছে। ... Read more - [উই ওয়ান্ট জাস্টিস](https://returnofislam.com/2018/08/15/we-wamt-justice/): রাজধানী ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সামনে জাবালে নূর বাসের ধাক্কায় শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় পুরো দেশব্যাপী এক অভূতপূর্ব আন্দোলন গড়ে উঠে। সরকারের দূর্নীতিগ্রস্ত সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সর্বোপরি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রধানত স্কুলের কিশোর কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে টানা সাত দিন ব্যাপী যে তীব্র ঘৃণা ও বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে তা ছিল নজিরবিহীন। সরকার এ তুমুল জনপ্রিয় আন্দোলনকে আগের মত প্রতারণা এবং দলীয় পেশী শক্তি ও প্রশাসনের মাধ্যমে দমন করার চেষ্টা করেছে। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ ধরনের আন্দোলন এ সরকারের সময়ে আরও হয়েছে। যেমন শাহবাগী নাস্তিক চক্রের বিরুদ্ধে গড়ে উঠা হেফাজতের আন্দোলন, ভ্যাটবিরোধী ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রের সঙ্গীত](https://returnofislam.com/2018/07/18/anthem/): অন্যান্য জনগোষ্ঠী বা রাষ্ট্র থেকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী বা রাষ্ট্রকে আলাদা করার জন্য বিশেষ কোন শ্লোগাণ বা সঙ্গীত গ্রহণ করা শারী’আহ্ কর্তৃক অনুমোদিত (মুবাহ্) একটি বিষয়। অতীতে মুসলিমদের নির্দিষ্ট শ্লোগাণ ছিল, যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রট্টপক্ষকে মুকাবিলা করার সময় ব্যবহার করতো। রাসূল (সা) এর সময়ই এ বিষয়টি প্রচলিত ও অনুমোদিত ছিল। খন্দক ও বনু কুরাইযা’র বিরুদ্ধে যুদ্ধে মুসলিমদের শ্লোগাণ ছিল ‘হা মীম, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না’। আর, বনু মুসতালিক এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের শ্লোগাণ ছিল ‘তোমরা, যারা সাহায্যপ্রাপ্ত, মৃত্যু বহন করে আনো, মৃত্যু বহন করে আনো’ ইত্যাদি।  এছাড়া, দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি ও বাকশক্তি, এগুলো মানুষের মধ্যে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার রহমত হিসাবে প্রদত্ত ... Read more - [রাষ্ট্রের পতাকা ও ব্যানার](https://returnofislam.com/2018/07/17/flags_and_banners/): ইসলামী রাষ্ট্রের পতাকা (আল-ওয়্যিয়াহ্) ও ব্যানার (রাইয়াত) থাকবে যা নেয়া হয়েছে মদিনায় রাসূলুল্লাহ্ (সা) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের উদাহরণ থেকে। এগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপ:  ১. ভাষাগতভাবে পতাকা ও ব্যানারকে ’আলম বলা হয়। আল কামুস আল মুহীতে উল্লেখিত আছে যে, মূলতঃ আল-রাইয়া অর্থ হল আল-আলম, যার বহুবচন হল রাইয়াত। এছাড়া, আল-লিওয়া শব্দমূল থেকে আল-আলম শব্দটি এসেছে যার বহুবচন হল আল-ওয়্যিয়াহ্। এর পাশাপাশি এইসব প্রতিটি শব্দের শারী’আহ্ নির্ধারিত অর্থ ও তাৎপর্য রয়েছে:  – পতাকা (লিওয়া) হবে সাদা, যেখানে কাল অক্ষরে লেখা থাকবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদ উর রাসূলুল্লাহ্’। এটা সেনাবাহিনীর আমীর বা নেতার সাথে বাঁধা থাকবে। এটা তার অবস্থানের নিদর্শন হিসেবে থাকবে ... Read more - [মাজলিস আল উম্মাহ্](https://returnofislam.com/2018/07/16/ummah_council/): (উম্মাহ্’র কাউন্সিল, শূরা ও জবাবদিহিতা) মাজলিস আল উম্মাহ্ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি কাউন্সিল বা পরামর্শ সভা, যা বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠীর মতামতের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং যাদের সাথে প্রয়োজন হলে খলীফা বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাপারে পরামর্শ করবেন। আবার, অপরদিকে তারা শাসকদের জবাবদিহিতার সম্মুখীন করার ক্ষেত্রে উম্মাহ্’র প্রতিনিধিত্ব করবে। এ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর কর্মকান্ডের আলোকে গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ, তিনি (সা) আনসার ও মুহাজির’দের কিছু ব্যক্তিবর্গের সাথে পরামর্শ করতেন, যারা তাদের নিজ নিজ গোত্রের প্রতিনিধিত্ব করতেন। এছাড়া, তিনি (সা) পরামর্শদাতা হিসাবে কিছু সাহাবীকেও মনোনীত করেছিলেন, পরামর্শ কালে তিনি (সা) সাধারণতঃ অন্যদের চাইতে তাঁদের মতামতকে বেশী গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতেন; যেমন: আবু বকর ... Read more - [তথ্য বিভাগ (আল ই’লাম)](https://returnofislam.com/2018/07/15/the_information/): রাষ্ট্র এবং এর দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যতগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ আছে, তথ্যবিভাগ তাদের মধ্যে একটি। এটি জনস্বার্থের (মাসালিহ্) সাথে সম্পর্কিত নয় যে, এটি জনকল্যাণ বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে; বরং, রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমূহের মতোই একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে এটি সরাসরি খলীফার তত্ত্বাবধানের অধীন থাকবে।  একটি সুনির্দিষ্ট তথ্যনীতি যা বিশ্বের দরবারে ইসলামকে শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করবে, স্বাভাবিকভাবেই তা ইসলামের প্রতি গণমানুষের মনকে আকৃষ্ট করবে; সেইসাথে, তাদের আগ্রহী করবে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও চিন্তাভাবনা করতে। এছাড়া, মুসলিম ভূমিসমূহকে খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে একীভূত করার ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, তথ্য-উপাত্তের মধ্যে এমন অনেক বিষয় আছে, যা রাষ্ট্রের (ভাল-মন্দের) ... Read more - [বাইতুল মাল](https://returnofislam.com/2018/07/14/state_treasury/): বাইতুল মাল শব্দটি গঠনের দিক থেকে জটিল ও বহু অর্থবোধক এবং এটি রাষ্ট্রের এমন একটি স্থানকে নির্দেশ করে যেখানে ব্যয়ের পূর্ব পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রাপ্ত সকল রাজস্ব জমা রাখা হয়। এছাড়া, এর দ্বারা এমন একটি কর্তৃপক্ষকেও বোঝানো হয়ে থাকে, যা মুসলিমদের অধিকারকৃত সম্পদসমূহ গ্রহণ ও ব্যয়ের জন্য দায়িত্বশীল।  আমরা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, সেনাবাহিনী, বিচারব্যবস্থা এবং তহবিল ব্যতীত ওয়ালীকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হবে। সুতরাং, সমগ্র সেনাবাহিনীর একটি কেন্দ্রীয় বিভাগ থাকবে, যার নেতৃত্বে থাকবে আমীর-উল-জিহাদ।  একইভাবে, বিচারব্যবস্থার জন্যও একটি কেন্দ্রীয় বিভাগ, যাকে বিচারবিভাগ বলা হবে এবং রাষ্ট্রের সকল রাজস্ব বা তহবিল একটি কেন্দ্রীয় বিভাগের অধীনে থাকবে, যাকে বলা হবে বাইতুল মাল। ... Read more - [প্রশাসনিক ব্যবস্থা (জনকল্যাণ বিভাগ, Administrative System)](https://returnofislam.com/2018/07/13/administration_system/): রাষ্ট্র পরিচালনা ও জনগণের স্বার্থসংক্রান্ত কার্যাবলী বিভিন্ন অফিস, বিভাগ এবং প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় – যাদের কাজ হল জনগণের স্বার্থসংক্রান্ত বিষয়াবলী ও রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডের সুব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। প্রত্যেক অফিসের (মাসলাহা) প্রধান হিসেবে একজন মহাব্যবস্থাপক, প্রত্যেক বিভাগ (দায়রাহ্) ও প্রশাসনের (ইদারা) প্রধান হিসেবে একজন পরিচালক এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। এই পরিচালকগণ পেশাগতভাবে তাদের অফিস, বিভাগ ও প্রশাসনের মহাপরিচালকের কাছে এবং আইন ও সাধারণ নিয়মনীতি পালনের ক্ষেত্রে ওয়ালী বা আমীলের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সাধারণত প্রশাসন পরিচালনা ও জনগণের বিষয়াদি দেখভাল করতেন এবং প্রশাসনে কর্মরত সচিবদেরও তিনি (সা) নিয়োগ দিতেন। এভাবেই, রাসূলুল্লাহ্ (সা) মদীনার লোকদের দেখাশোনার দায়িত্ব নেন, তাদের বিভিন্ন ... Read more - [বিচার বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/12/judiciary/): আদালতের রায় কার্যকর করার লক্ষ্যে রায় প্রদান করা বিচারব্যবস্থার দায়িত্ব। এ বিভাগ জনগণের মধ্যকার বিবাদের মীমাংসা করে, জনস্বার্থ ক্ষুন্ন হতে পারে বা জনস্বার্থের জন্য হুমকীস্বরূপ বিষয়সমূহ প্রতিহত করে এবং জনগণ ও শাসনব্যবস্থার সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার বিবাদ নিরসন করে, এসব ব্যক্তিবর্গ হতে পারেন শাসক, সরকারী কর্মকর্তা, খলীফা বা অন্য কোন ব্যক্তি।  ইসলামী বিচারব্যবস্থার উৎস ও এর বৈধতার দলিল হল আল্লাহ্’র কিতাব ও রাসূল (সা) এর সুন্নাহ্।  আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,   ‘আর আপনি তাদের পারষ্পরিক বিষয়সমূহে আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তদানুযায়ী ফয়সালা করুন।’ [সূরা মায়েদা: ৪৯] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) আরও বলেন, ‘তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্য যখন তাদেরকে আল্লাহ্ ও ... Read more - [শিল্প বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/11/industry/): শিল্প বিভাগ হচ্ছে এমন একটি বিভাগ যা শিল্প সংক্রান্ত সকল বিষয়ের দায়িত্ব পালন করে থাকে; তা ভারী শিল্প সম্পর্কিতই হোক, যেমন: মোটর, ইঞ্জিন, যানবাহন, সরঞ্জামাদি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি কিংবা হালকা শিল্পের সাথে সম্পর্কিতই হোক। রাষ্ট্রে অবস্থিত গণমালিকানাধীন বা ব্যক্তি মালিকানাধীন সকল শিল্পকারখানা, যেগুলোর সাথে সামরিক শিল্পের সম্পর্ক রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই যুদ্ধনীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর কারণ হল, জিহাদের জন্য প্রয়োজন সেনাবাহিনী; আর, সেনাবাহিনীর প্রয়োজন অস্ত্রশস্ত্র। এই সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র যেন সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন এবং সর্বাবস্থায় সহজলভ্য হয় এজন্য রাষ্ট্রের নিজস্ব শিল্পকারখানা থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে সামরিক শিল্পকারখানা কারণ, জিহাদের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। খিলাফত রাষ্ট্র যেন স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির অধিকারী হয় ... Read more - [পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/10/foreign-affairs/): পররাষ্ট্র বিভাগ রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সম্পর্কিত বিষয় অর্থাৎ, খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে অন্যান্য রাষ্ট্র সম্পর্কিত সকল বিষয়ের দায়িত্ব পালন করে থাকে – এই বিষয় ও সম্পর্ক যাই হোক না কেন। এ বিষয়সমূহ রাজনৈতিক হতে পারে যেখানে শান্তি চুক্তি, যুদ্ধবিরতি, সমঝোতা চুক্তি, দূত নিয়োগ, বার্তাবাহক ও প্রতিনিধি প্রেরণ এবং দূতাবাস ও বাণিজ্যিক দূতের আবাস স্থাপন অন্তর্ভুক্ত। আবার অন্যান্য সম্পর্কও হতে পারে, যেমন: অর্থনৈতিক, কৃষি, বাণিজ্য, ডাকযোগাযোগ, তারযুক্ত বা তারবিহীন যোগাযোগ ইত্যাদি। খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক বজায় রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ এসব কার্যই সম্পাদন করে থাকে।    রাসূলুল্লাহ্ (সা) অন্যান্য বৈদেশিক রাষ্ট্র ও জনগোষ্ঠীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তিনি উসমান বিন আফফান ... Read more - [আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/09/internal-security/): আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে এবং এ বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন একজন মহাব্যবস্থাপক। প্রত্যেক প্রদেশে এই বিভাগের একটি করে শাখা থাকবে যাকে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শাখা বলা হবে, এর প্রধানকে বলা হবে সাহিব আল সুরতাহ্ (Sahib al-shurta) এবং সেখানে তিনি প্রাদেশিক গভর্ণরের তত্ত্বাবধানের কাজ করবেন। তবে, প্রশাসনিক বিষয়ে তিনি কেন্দ্রের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের অধীনস্ত থাকবেন যা পরিচালিত হবে একটি বিশেষ আইন দ্বারা।  আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন বিষয়ের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। এ বিভাগ পুলিশবাহিনীর (সুরতাহ্) মাধ্যমে রাষ্ট্রের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি বজায় রাখে। বস্তুতঃ এটাই হল নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান উপকরণ। নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে পুলিশবাহিনীকে যে কোন ... Read more - [আমীরুল জিহাদ-যুদ্ধ বিভাগ (সেনাবাহিনী)](https://returnofislam.com/2018/07/08/war-department/): যুদ্ধ বিভাগ হল রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এর প্রধানকে জিহাদের ব্যবস্থাপক না বলে আমীরুল জিহাদ বলা হয়। এর কারণ, রাসূলুল্লাহ্ (সা) সেনাবাহিনীর প্রধানদের আমীর নাম দিয়েছেন। ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন,  ‘যায়েদ বিন হারিছাহ হল মুসলিমদের আমীর; যদি তিনি শহীদ হয়ে যান তাহলে আমীর জাফর বিন আবি তালিব; এবং তিনি যদি শহীদ হন তাহলে আমীর আবদুল্লাহ ইবনে রুয়াহাহ্ এবং তিনিও যদি শহীদ হন তাহলে মুসলিমরা তাদের মধ্য হতে একজনকে আমীর নির্বাচিত করে নেবে।’ ইমাম বুখারী আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, “আল্লাহ্’র রাসূল (সা) মুতার যুদ্ধে যায়িদ ইবন হারিছাহ্’কে আমীর নিযুক্ত করেছিলেন…” আল বুখারী সালামাহ্ ইবন ... Read more - [জিহাদ](https://returnofislam.com/2018/07/07/war/): জিহাদ হল ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া এবং বিশ্বের কাছে ইসলাম পৌঁছে দেবার জন্য ইসলাম নির্ধারিত মৌলিক পদ্ধতি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইসলামের বিধিবিধান বাস্তবায়নের পর ইসলামের দাওয়াতী কাজ পরিচালনা করা ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধান কাজ। আল্লাহ্’র বাণীকে সুউচ্চে তুলে ধরার জন্য যে যুদ্ধ করা হয় তাকেই জিহাদ বলে। জিহাদ পরিচালনার জন্য প্রয়োজন সেনাবাহিনী এবং সেইসাথে প্রস্তুত করা প্রয়োজন এই বাহিনীর নেতৃত্ব, চীফ অফ স্টাফ, কর্মকর্তা ও সৈনিকদল। এছাড়া, এই সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামও প্রয়োজন, যার জন্য দরকার শিল্প কারখানা। সুতরাং, শিল্পকারখানা হচ্ছে সেনাবাহিনী ও জিহাদের জন্য একটি অপরিহার্য বিষয়। এই বাস্তবতার কারণে রাষ্ট্রের সব শিল্পকারখানা অবশ্যই যুদ্ধ শিল্পের (war industry) ... Read more - [গভর্ণরবৃন্দ (উলা’হ্)](https://returnofislam.com/2018/07/06/the-governors/): ওয়ালী (গভর্ণর) হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যাকে খলীফা খিলাফত রাষ্ট্রের ভেতর কোন একটি উলাই’য়াহ্ বা প্রদেশে শাসক এবং আমীর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। ইসলামী রাষ্ট্রের অন্তর্ভূক্ত ভূমিসমূহকে বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত করা হবে এবং প্রতিটি প্রদেশ একটি উলাই’য়াহ  হিসেবে পরিগণিত হবে। প্রতিটি উলাই’য়াহকে আবার কয়েকটি জেলায় বিভক্ত করা হবে এবং প্রতিটি জেলাকে ইমালাহ্ বলা হবে। উলাই’য়াহ দায়িত্বে যাকে নিযুক্ত করা হবে তাকে ওয়ালী বা আমীর বলা হবে এবং ইমালাহ্’র দায়িত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আমীল বা হাকীম বলা হবে। প্রতিটি ইমালাহ্ আবার কয়েকটি প্রশাসনিক এককে বিভক্ত, যাদের প্রত্যেককে কাসাবাহ্ (মেট্রোপলিস) বলা হয়। কাসাবাহ সমূহ আরও ছোট প্রশাসনিক এককে বিভক্ত যাদের প্রত্যেকটিকে হাই’ই (Hayy) বা ... Read more - [নির্বাহী সহকারীগণ (মু’ওয়ায়ীন আত তানফীদ)](https://returnofislam.com/2018/07/05/the-executive-assistants/): মু’ওয়ায়ীন আত তানফীদ এমন একজন সহকারী (ওয়াযির) যাকে খলীফা তার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত কার্যকর, তদারকি এবং নির্দেশ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে তার সহযোগী হিসাবে নিযুক্ত করে থাকেন। তিনি খলীফা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগ, জনগণ ও পররাষ্ট্র বিষয় সংক্রান্ত কার্যালয়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী ব্যক্তি। তিনি খলীফার নিকটে এবং খলীফার নিকট থেকে বার্তা বহনের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি খলীফার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার সহকারী, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন প্রকার ক্ষমতা তার নেই। অর্থাৎ, তার ভূমিকা বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা, কিন্তু শাসন করা নয়। তার কার্যালয় হচ্ছে এমন এক হাতিয়ার যার মাধ্যমে খলীফা আভ্যন্তরীন ও বৈদেশিক কার্যালয়সমূহে তার জারিকৃত নির্দেশসমূহ বাস্তবায়ন করে থাকেন। এবং এ সমস্ত কার্যালয়ের ... Read more - [খলীফার প্রতিনিধিত্বকারী সহকারী বা ডেপুটি (মু’ওয়ায়ীন আত তাফউয়ীদ)](https://returnofislam.com/2018/07/04/the-delegated-assistants/): সহকারীরা হলেন ওয়াযির (মন্ত্রী) যাদেরকে খলীফা খিলাফতের দায়িত্ব পালনে তাকে সহযোগিতা করার জন্য নিযুক্ত করে থাকেন। খিলাফত রাষ্ট্রের অসংখ্য কাজ রয়েছে; বিশেষ করে তখন যখন রাষ্ট্রের সীমানা ক্রমান্বয়ে বড় হচ্ছে এবং তা সম্প্রসারিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় খলীফার একার পক্ষে খিলাফতের গুরুদায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টসাধ্য। এ কারণেই তার ভার বহন করা এবং তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করার জন্য সহকারীর প্রয়োজন। তবে, কোন সীমাবদ্ধতা ছাড়া তাদের ওয়াযির (মন্ত্রী) বলা যুক্তিসঙ্গত হবে না। অন্যথায় ইসলামে ওয়াযির এর ধারণার সাথে বর্তমান ধর্মনিরপেক্ষ, পুঁজিবাদী, গণতান্ত্রিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত মানবরচিত ব্যবস্থা অথবা, অন্য যে সকল ব্যবস্থা আমরা দেখে থাকি, তাদের ধারণার দ্বন্দ বা বিভ্রান্তি তৈরি হবে। প্রতিনিধিত্বকারী ... Read more - [খলীফা](https://returnofislam.com/2018/07/03/the-khalifah/): খলীফা হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি শাসন, কর্তৃত্ব এবং শারী’আহ্‌’র বিধি-বিধান সমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহ্‌’র প্রতিনিধিত্ব করেন। ইসলাম এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে যে, শাসন ও কর্তৃত থাকবে উম্মাহ্‌’র অধিকারে। এজন্যই উম্মাহ্‌ শাসনকার্য পরিচালনা ও তাদের উপর শারী’আহ্‌’র হুকুম-আহ্‌কাম সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তার পক্ষ হতে একজনকে নিযুক্ত করে। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রতিটি শারী’আহ্‌ আইন বাস্তবায়ন করা উম্মাহ্‌’র জন্য বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। যেহেতু খলীফা মুসলিমদের দ্বারা নির্বাচিত হন, সেহেতু স্বভাবতই তাকে শাসন, কর্তৃত্ব ও শারী’আহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উম্মাহ্‌’র প্রতিনিধি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সুতরাং, কোন ব্যক্তিই ততক্ষণ পর্যন্ত খলীফা হতে পারবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি উম্মাহ্‌’র কাছ থেকে বাই’আত ... Read more - [ভূমিকা](https://returnofislam.com/2018/07/02/ajhizah-introduction/): খিলাফত রাষ্ট্রের কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার আগে কিছু বিষয়ে আলোকপাত করা প্রয়োজন: ১. ইসলামে শাসনব্যবস্থা বলতে খিলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বুঝায়, যা এ মহাবিশ্বের প্রতিপালক মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক নির্ধারিত এবং যেখানে রাষ্ট্রের প্রধান, খলীফা মুসলিমদের বাই’আত মাধ্যমে নিযুক্ত হয়ে থাকেন। এই বিষয়টির অকাট্য দলিল হচ্ছে আল্লাহ’র কিতাব, রাসূল (সা) এর সুন্নাহ্ এবং সাহাবাদের (রা.) ইজ্‌মা (ঐক্যমত) আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুর’আনে বলেন: “অতএব, আপনি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তা দিয়ে তাদের মাঝে শাসন করুন এবং আপনার কাছে যে মহান সত্য এসেছে, তা পরিত্যাগ করে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না।” [সূরা আল-মায়িদাহ: ৪৮] তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরও ... Read more - [মুখবন্ধ](https://returnofislam.com/2018/07/01/ajhizah-forward/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি বিশ্বখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম শাইখ আতা ইবনু খলীল আল-রাশতার অধীনে সম্পাদিত ‘আজহিজাতু দাওলিাতিল খিলাফাহ – ফিল হুকমি ওয়াল ইদারাহ’ বইটির বাংলা অনুবাদ হতে গৃহীত) সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার এবং দুরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ্ (সা), তাঁর পরিবার, সাহাবীগণ (রা.) এবং পরবর্তীযুগের অনুসারীদের প্রতি। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন: “তোমাদের মধ্য হতে যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ্ তাদের এ ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি তাদের পৃথিবীতে খিলাফত দান করবেন, যেরূপ তাদের পূর্ববর্তীদের দান করেছিলেন আর তিনি অবশ্যই তাদের দ্বীনকে, যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন, সুদৃঢ় করবেন এবং তাদের (বর্তমান) ভয়-ভীতির পরিবর্তে তাদের ... Read more - [বহুরূপী সেকুলারিজম!](https://returnofislam.com/2018/06/25/multiform-secularism/): ইদানিং আমাদের সমাজ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু কনসেপ্ট আলোচনা করা হয়। যেমন, সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ/ইহজাগতিকতাবাদ), প্লুরালিজম (বহুত্ববাদ), বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা এবং ইসলাম ও ইসলামের মধ্যে ফিরকার সাথে এর সম্পর্ক বা সংঘর্ষ কী। আজ আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। ১. Pluralism (বহুত্ববাদ): সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেকুলার গোষ্ঠী বহুত্ববাদকে সংজ্ঞায়িত করে। সমাজে বিভিন্ন ধরণের, বিভিন্ন চিন্তার মানুষ থাকে এবং বিভিন্ন (রাজনৈতিক/সামাজিক) ভাবে তারা তাদের মত/দাবীসমূহ প্রকাশ করে থাকে। সমাজের মানুষের বিভিন্ন ধাঁচের চিন্তাসমূহকে সেকুলার ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থেকে সমাজে জায়গা করে দেওয়া ও সহ-অবস্থানের সুযোগ দেয়ার নামই হচ্ছে প্লুরালিজম। তবে এ ক্ষেত্রে সেকুলার পুঁজিবাদী ফ্রেমওয়ার্ক তার বিরুদ্ধে কাজ করে এমন কোন চিন্তার অবস্থানের সুযোগ দিতে ... Read more - [আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ](https://returnofislam.com/2018/06/13/oil-price-hike-intl-market/): প্রশ্ন: বিগত ২৪/৫/২০১৮ তারিখে বিশ্বব্যাপী তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৭৯ মার্কিন ডলার এবং টেক্সাস ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৭১ মার্কিন ডলার মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। ২০১৪ সালের ক্রমাগত দরপতনের পর এই মূল্য বৃদ্ধি কী আবারও তেলের উচ্চ মূল্যের যুগের সূচনার লক্ষণ? আমরা কি অতীতের মত আবারও ব্যারেল প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার মূল্যের দিকে যাচ্ছি? এই উচ্চমূল্য বৃদ্ধির কারণ কী? উত্তর: অন্য যে কোন পণ্যের মত তেলের মূল্য চাহিদা এবং যোগানের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু অন্য সকল পণ্য থেকে তেলের মূল্য অতি মাত্রায় অস্থিতিশীল। আন্যভাবে বলা যায় চাহিদা বা যোগানের যে কোন উপাদানের সমান্যতম পরিবর্তন তেলের মূল্যকে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে। জ্বালানী ... Read more - [বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ইসলামে বৈধ?](https://returnofislam.com/2018/06/06/islamic-verdict-on-cryptocurrency/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব হতে সংগৃহীত ১) বিটকয়েন কোনো কারেন্সি তথা মুদ্রা নয়। এটি মুদ্রার শর্ত পূরণ করে না। কারণ নবী (সা) কর্তৃক গৃহীত ও বাস্তবায়িত মুদ্রা ছিল স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা অর্থাৎ, দিরহাম ও দিনার। এই ইসলামী মুদ্রা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করে: – এটি পন্য ও সেবা পরিমাপের ভিত্তি হতে হবে অর্থাৎ, এটি দাম ও মজুরীর নিরুপনকারী হতে হবে। – এটি একটি কেন্দ্রী কর্তৃপক্ষ প্রচলন করবে। যা দিনার ও দিরহাম প্রচলনের দায়ভার বহন করবে এবং এটি কোনো অজানা পক্ষ হতে পারবে না। ... Read more - [ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ওয়ালেট এ ক্যাশব্যাকের শর'ঈ বিধান](https://returnofislam.com/2018/05/24/ewallet-cashback/): নিচের প্রশ্নোত্তরটি অনুদিত। মূল ফতওয়ার জন্য অরিজিনাল ভার্শনটি পড়ুন।  প্রশ্ন: ইলেকট্রনিক ওয়ালেট অথবা পেমেন্ট ওয়ালেট এ ক্যাশব্যাক পাওয়ার ব্যাপারে হুকুম কী? অনেক ইলেকট্রনিক ওয়ালেট ৫% ক্যাশব্যাক দিচ্ছে এবং বেশি ব্যবহার তথা ইলেকট্রিসিটি বিল ইত্যাদি দেয়ার উপর ভিত্তি করে আরো বেশি দিচ্ছে, এই ক্যাশব্যাক কি সুদ বলে বিবেচিত হবে? উপরন্তু, কখনো কখনো এসব ওয়ালেট রিচার্জ করার পর যে এমাউন্ট পাই তা মুল এমাউন্ট হতে অতিরিক্ত হয়। উদাহরণসরূপ, যদি ১০০ রিয়াল রিচার্জ করি তাহলে আমরা ১১০ রিয়াল পাই ইলেকট্রনিক ওয়ালেটে। এই অতিরিক্ত পরিমান কি সুদ? এক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখতে হবে যে এসব ওয়ালেট ব্যাংক নয়। উত্তর: ইলেকট্রনিক ওয়ালেট হচ্ছে ডিজিটাল এপ্লিকেশন যাতে পেমেন্ট এর ব্যাবস্থাপনা ডিজিটালি ... Read more - [জাতি-রাষ্ট্র বনাম খিলাফত রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2018/03/22/nation-state-vs-khilafah/): জাতি-রাষ্ট্র: কুফর সাম্রাজ্যবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও উম্মাহকে বিভক্তি করার ফসল  খিলাফাহ রাষ্ট্র : নবী-রাসূলদের দেখানো পথ যা উম্মাহকে একত্রিত করে গত ৪৭ বছর ধরে, আমরা প্রতিবছর তথাকথিত স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি যা আমাদের জন্য আনন্দের (!) উৎসব হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। এ দিবস পালনের সময় আমদের প্রশ্ন করা উচিত এ রাষ্ট্রের বাস্তবতা কী, কে এটা তৈরি করেছে, কেন এবং কিইবা পেলাম? রাসূল (সা) মক্কা থেকে মদীনায় হিযরত করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ইচ্ছায় ইসলামী জীবনব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন যার মাধ্যমে ইসলাম বাস্তবায়িত ছিলো ও সমগ্র পৃথিবীতে দাওয়ার কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। তথন থেকেই কুফর ও হক্ব এর ... Read more - [এই উন্নয়ন, উন্নয়ন না, আরও উন্নয়ন আছে...!](https://returnofislam.com/2018/03/03/fake-developments/): বর্তমান বাংলাদেশ সরকার নিজেকে উন্নয়নে রোল মডেল হিসেবে দাবি করছে। ফলাও করে প্রচার করছে গত ৯ বছরে তাদের তথাকথিত অর্জনসমূহ। যার মধ্যে রয়েছে গুটি কয়েক ফ্লাইওভার, ণির্মানাধীন মেট্রোরেল প্রকল্প, এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে, রূপপূর পারমাণবিক প্রকল্প, পদ্মা সেতু, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, বাংলাদেশকে স্বল্প উন্নত দেশের কাতার থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, ছয় বা তার উপরে জিডিপি ধরে রাখা, ডলারের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি। এ ধরনের প্রচারণার পেছনে কারণ কী? এ ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে সরকার জনগনের দৃষ্টি মূল ইস্যু থেকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে রাখতে চায়। প্রশ্ন হচ্ছে কী সেসব মূল ইস্যু? এসব প্রচারণার মাধ্যমে সরকার আড়াল করতে চায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ... Read more - [সম্পদের স্বল্পতা বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার প্রধান কারণ নয়](https://returnofislam.com/2018/02/16/wealth-isnot-reason-to-create-hunger/): ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের আরেকটি বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (আইএফএডি) খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতি শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই তথ্য ২০১৪-১৬ সালের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রণীত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় গত বছরে (২০১৭) বিশ্বের ১১ শতাংশ মানুষের ক্ষুধা বেড়েছে। ওই রিপোর্ট প্রকাশের পর সংস্থাটির প্রধান গিলবার্ট হুংবো বলেছিলেন, ‘সম্পদের স্বল্পতা নয়, খাদ্যের অপচয়ই বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার প্রধান কারণ।’  তবে তারা যে বিষয়টি উল্লেখ করেনি তা হল, পশ্চিমাদের নীতির কারণেই তৃতীয় বিশ্ব দরিদ্র এবং উন্নত বিশ্বে অপব্যয়ের কারণেই সৃষ্ট খাদ্যসংকটের ফলে তারা দরিদ্রই থাকবে। পশ্চিমাদের দ্বারা নিয়ত্রিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক এবং এদের কাঠামোগত পরিবর্তন নীতি (Structural Adjustment Policy) ... Read more - [আত্মপরিচয়, যা থেকে আসে আত্মসম্মান!](https://returnofislam.com/2018/02/14/selfidentity-comes-from-selfdignity/): আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা তাদের পড়ালেখার Subject choice করা থেকে শুরু করে, বন্ধুত্ব নির্বাচন, লেনদেন, বিয়ে শাদী নানা রকম কর্মকান্ডে Standard maintain করার চেষ্টা করেন। সব জায়গায়, সব কিছু আসলে তার সাথে Chill করে না। ‘আমি করব তার সাথে বন্ধুত্ব!’ ‘আমি ওখানে যাব!’ ‘আমি এটা কিভাবে করব!’ এই টাইপ কথা বলে থাকেন। কারণ, এসব করতে তার আসলে আত্মসম্মানে নাড়া দেয়। আর যে কাজ করতে তার আত্মসম্মানে নাড়া দেয় সেই কাজ যত কঠিন হোক না কেন তা সে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একটু ভিন্ন ভাবে বিষয়টা আলোচনা করা যাক। আল্লাহ তায়ালা সুরা ইউসুফের ২৩ নম্বর আয়াতে আমাদের জানাচ্ছেন, “আর ... Read more - [পৌরুষদীপ্ত পুরুষ](https://returnofislam.com/2018/01/19/manly-man/): সাহসিকতা একজন মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গুণ। যারা সাহসিকতার সাথে কোনো কাজ সম্পন্ন করেন তারা সমাজে সমাদৃত হন। বিশেষ করে, পুরুষরা নিজেকে পৌরুষদীপ্ত পুরুষ প্রমাণে অনেক ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন কিংবা নিজের ইম্প্রেশন তৈরিতে কার রেসিং বা বাইক রেসিং করে থাকে। এতে সে তার সাহসিকতার প্রমাণের চেষ্টা করে। কিছু বালক কিংবা তরুণ এলাকায় মাস্তানি-সন্ত্রাস করে, হাতে অস্ত্র নাড়াচাড়া করে সাহস প্রমাণ করতে চায়, অসৎ রাজনৈতিক নেতার কাছে তার আনুগত্য প্রমাণ করতে চায়। কখনো বিভিন্ন নোংরামি কাজের বেলায় তারা নিজের সাহসিকতা দেখায়। আবার কিছু তরুণ ছেলে মাদক পাচারের জন্য যে সাহসিকতা দেখায় তা দেখে আমরা বিস্মিত হই। এখন আমরা একটু ... Read more - [গুম: ম্যাকেয়াভেলিয়ান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জুলুমের হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2018/01/10/abduction-machiavellian-bangladesh/): বাস্তবতা: ঢাকা ট্রিবিউন এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৪ মাসে ঢাকা থেকে মোট ১৪ জন নাগরিক গুমের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে মোট ৫ জন বিভিন্ন মেয়াদে নিখোজের পর জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন। সরকার এবং পুলিশ এগুলোকে মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল বললেও তথাকথিত মানবাধিকার কর্মী মনে করেন, চলমান নিখোজ প্রক্রিয়া অর্থের দ্বারা প্রভাবিত নয়; বরং এগুলো হচ্ছে সরকারের জন্য সম্ভাব্য হুমকি এবং ভীতি সঞ্চার করার উপায়। এই তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে ফেইসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট শেয়ার করা সাবেক রাষ্ট্রদূতও রয়েছে। যারা ফিরে আসছেন তারা অজানা ভয়ে কেউই মুখ খুলছেন না। কারণ: ১. পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বাস্তবায়নের কারণে ... Read more - [বিশ্ব ধাবিত হচ্ছে এক সুনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে](https://returnofislam.com/2017/12/26/new-world-order/): কোন কিছু থেমে নেই। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। সূর্য থেমে নেই। মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সীতে সূর্য চলমান। গ্যালাক্সীগুলো একে অপরের থেকে ক্রমাগত দূরে সরে যাচ্ছে। আধুনিক বিজ্ঞান এসব কথা বলে। সময়ও থেমে নেই। কথায় বলে, সময় ও নদীর ঢেউ কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সময় নদীর ঢেউয়ের মত বহমান। সময় পরিক্রমায় বিগত একশ বছর… ১৯২৪ সালে ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিমদের অভিভাবক রাষ্ট্র উসমানীয় খিলাফত ধ্বংস হওয়ার পর প্রায় এক শতাব্দী পার হতে চলেছে। গত একশবছরে পৃথিবী প্রত্যক্ষ করেছে অনেক কিছু, বিশেষত: মুসলিম বিশ্ব। এই একশ বছর ছিল বেশ ঘটনাবহুল। উপনিবেশবাদীরা ইসলামিক ভূমিসমূহে নব্য উপনিবেশবাদ বা Neo-colonialism এর আওতায় বিশ্বাসঘাতক তাবেদার শাসকদের বসিয়েছে। কুফর শাসনব্যবস্থা ... Read more - [বি পি এল কি কেবলই ক্রিকেট খেলা?](https://returnofislam.com/2017/12/04/bpl-game/): বাস্তবতা: বিগত কয়েক বছরের মত এ বছরও আই পি এল কে অনুসরণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টি টোয়েন্টি ক্রিকেট লীগ বি পি এল আয়োজন করেছে। মিডিয়ার ব্যাপক প্রচারণার কারণে বি পি এল নিয়ে সর্বসাধারণ বিশেষত তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। মিডিয়া মারফত আরও জানা যাচ্ছে বি পি এল কে ঘিরে জনাধিক্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশে জুয়া ব্যাপকতা লাভ করেছে।  কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বি পি এল কি কেবলই ক্রিকেট খেলা, নাকি এর পেছনে রয়েছে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে দূর্বৃত্তায়িত পুঁজিবাদী শাসকশ্রেণীর গভীর ষড়যন্ত্র। মূল আলোচনা: ষোড়শ শতাব্দীর ইটালিয়ান কূটনীতিবিদ ও রাজনৈতিক তাত্ত্বিক/বিশ্লেষক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলির মতে, ‘একজন ধূর্ত শাসকের পক্ষে ... Read more - [সুন্দরী প্রতিযোগিতা, পুুঁজিবাদ ও আমাদের মুসলিম পরিচয়](https://returnofislam.com/2017/11/22/beauty-contest-identity-crisis/): অতি সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মিস ইউনিভার্স বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা। যেখানে মিস ইউনিভার্সের মুকুট পড়েছে দেড়শ কোটি মানুষের দেশ ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানসী চিল্লার। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে জেসিয়া ইসলাম এতে অংশগ্রহণ করে। এর কিছু দিন আগে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী মিস বাংলাদেশ খুজে বের করতে স্থানীয়ভাবে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দুই সময়েই বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া সুন্দরীদের নিয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক খবর পরিবেশনে ছিল নজিরবিহীন। মিডিয়া যে ভুল চিন্তাসমূহ দেয়ার চেষ্টা করে: ১. সুন্দরী প্রতিযোগিতা নারী স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়নের পরিচায়ক। ২. সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী নারীরা সাহসী ও অনুকরণীয়। ৩. মিস ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থার খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা - ধারা ২](https://returnofislam.com/2017/11/12/explanation-of-constitution-article-2/): ধারা ২ দার আল-ইসলাম (ইসলামের আবাসস্থল বা ইসলামী রাষ্ট্র) হচ্ছে সেই অঞ্চল যেখানে ইসলামের আইনসমূহ বাস্তবায়ন করা হয় এবং যার নিরাপত্তা ইসলাম কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়। দার আল-কুফর (কুফরের আবাসস্থল বা কুফর রাষ্ট্র) হচ্ছে সেই অঞ্চল যেখানে কুফর আইনসমূহ বাস্তবায়িত হয় কিংবা এর নিরাপত্তা ইসলাম ব্যতিত অন্য কিছু দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। দার শব্দটির অনেকগুলো অর্থ রয়েছে, তার মধ্যে: ভাষাগতভাবে: এর অর্থ হচ্ছে “আবাসস্থল”, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র বাণীতে শব্দটি এভাবে এসেছে: “অতঃপর আমি তাকে ও তার বসবাসের স্থানকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিলাম” (সূরা আল-কাসাস : ৮১), এছাড়াও “যাত্রা-বিরতির স্থান” এবং জনগণের বসবাসের জায়গা হিসেবেও এসেছে, যাতে বলা হয়েছে যে মানুষ ... Read more - [ইসলামি জ্ঞান ও চিন্তার প্রক্রিয়া](https://returnofislam.com/2017/08/22/knowledge-and-way-of-thinking/): কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নিছক ইসলামি জ্ঞান নাকি সঠিক চিন্তার প্রক্রিয়া? নাকি এ দু’টো পরিপূরক? জ্ঞান মানে হল প্রয়োজনের নিরীখে যা জানি না তা জানা এবং যা চিনি না তা চেনা। জ্ঞান অর্জন করলে মানুষ অজ্ঞানতা বা মূর্খতা থেকে বের হয়ে আসে। ইসলামে জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টিকে ফরজ করা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, ‘পড়, তোমার প্রভূর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন……তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না….।’ (সূরা আলাক) রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরয।’ তবে চিন্তার সঠিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে কেবলমাত্র নিছক জ্ঞান ব্যক্তি বা জাতির পূর্ণজাগরণ সুনিশ্চিত করতে পারে না। যদি ইসলামের ভিত্তিতে মুসলিম ... Read more - [চিন্তা ও জাতিসমূহের অগ্রাধিকার](https://returnofislam.com/2017/08/16/thoughts-rights-of-nations/): আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া একটি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। কিন্ত বাস্তবে আমরা এরূপ বলতে শুনি না। বরং একটি জাতির প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, তার দক্ষ মানবসম্পদ, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি ইত্যদিকে উন্নয়নের নিয়ামক মনে করা হয়। আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া একটি জাতিকে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন করে, সঠিক পূর্ণজাগরণ সুনিশ্চিত করে এবং সঠিক ও টেকসই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝা যায় যে, দক্ষ মানবসম্পদ, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি জাতির আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফল। আবার আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া না থাকলে প্রচুর প্রাকৃতিক এবং খনিজ সম্পদ থাকলেও সে জাতি পৃথিবীর ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ’র উপর পশ্চিমা উপনিবেশিক সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরূপ প্রভাব](https://returnofislam.com/2017/08/14/cultural-aggression-on-ummah/): কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়া কী? কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়া বুঝতে হলে আমাদেরকে চিন্তা কাকে বলে তা আগে বুঝতে হবে। মস্তিষ্কে সংরক্ষিত পূর্ব ধারণার ভিত্তিতে মানুষের ইন্দ্রিয়ের (নাক, কান,ত্বক, জিহ্বা, চোখ) মাধ্যমে কোন বাস্তবতা সর্ম্পকে গৃহীত তথ্যাদি যাচাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াই হল চিন্তা। অর্থাৎ চিন্তার জন্য চারটি অপরিহার্য উপাদান আবশ্যক: বাস্তবতা, পঞ্চইন্দ্রিয়, মস্তিষ্ক ও পূর্বধারণা (Previous Information)। কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়ায় আমরা যা শিখি তা মূলত পূর্বধারণা (Previous Information) হিসেবে মস্তিষ্কে সংরক্ষিত থাকে এবং তা পরবর্তীতে নতুন কোন বাস্তবতা সর্ম্পকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কাজে লাগে। ইসলামে তাফসীর, হাদীসশাস্ত্র, ফিকহ ইত্যাদি এর কালচার। এছাড়া পুনর্জাগরণের জন্য নির্দিষ্ট কালচার তথা হালাকাহ, ... Read more - [বন্যা ও জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও খিলাফত রাষ্ট্রের আকাংখিত পরিবর্তন](https://returnofislam.com/2017/07/25/flood-and-waterlogging/): দুর্যোগ-পীড়িত অসহায় মানুষের দুর্দশা সরকার কর্তৃক সম্পূর্ণরূপে অবহেলিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সপ্তাহাধিককাল ধরে প্রায় সাত লক্ষ মানুষ নতুন করে বন্যা কবলিত হচ্ছে এবং কোন ধরনের সরকারি সাহায্য না পৌঁছার কারণে তারা অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। খাদ্য, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকটের পাশাপাশি বন্যা কবলিত মানুষেরা ইতিমধ্যেই পানিবাহিত মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে। এসব দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ ও আক্ষেপের সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কাজে সরকারের ব্যর্থতা সম্পর্কে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কান্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য করে যাচ্ছে। রাজধানীতে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে মায়া ... Read more - [কোথায় সেই শাসক যে বলবে, ‘যদি কর্ণফুলির তীরে একটি বকরী পিছলে পড়ে তবে আমি জিজ্ঞাসিত হবো’!](https://returnofislam.com/2017/06/17/kothai-shei-shashok/): গত কয়েকদিন পূর্বে আমরা দেখেছি চলমান বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামের জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এছাড়াও পাহাড় ধ্বসে চট্টগ্রাম শহর ও এর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকাতে বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা সহ প্রায় শতাধিক লোক নিহত হয়েছে। এ দুর্যোগে নিহত সেনা কর্মকর্তাসহ সকলের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন। হে মুসলিমগণ! আপনারা জানেন চট্টগ্রাম ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় লক্ষাধিক জনগণ রয়েছে যারা বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতাপ্রবণ ও পাহাড়সংলগ্ন বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ এলাকাসমূহতে বসবাস করছেন। একটু লক্ষ্য করলে দেখব, জলাবদ্ধতায় সৃষ্ট জটিলতা ও পাহাড়ধ্বসে মৃত্যুর ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়। প্রতি বছর পাহাড় ধ্বস ও অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার ফলে ... Read more - [অধ্যায় ৫: নিয়োগকৃত ব্যক্তি বা শ্রমিকের কাজ](https://returnofislam.com/2017/06/10/the-work-of-the-employee/): কাজের সংজ্ঞা ভাড়া করার সাথে ভাড়াকৃত বস্তুর উপযোগ ব্যবহারের বিষয়টি সম্পর্কিত। একজন শ্রমিককে ভাড়া করার/নিয়োগ দেয়ার অর্থ হলো তার সামর্থ্যকে কাজে লাগানো। একজন শ্রমিককে নিয়োগ/ভাড়া করার ক্ষেত্রে কাজটির প্রকৃতি, কাজের সময়কাল, পারিশ্রমিক ও শ্রমের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কাজটি অজ্ঞাত যাতে না হয় সেজন্য কাজের প্রকৃতি নির্ধারণ করে দিতে হবে, কেননা কাজ সম্পর্কে অজ্ঞ রেখে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ/ভাড়া করা অবৈধ (ফাসিদ)। কার্যকাল নির্ধারণ করাটাও জরুরি, অর্থাৎ সেটি কি দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক নাকি বাৎসরিক হবে। একইভাবে শ্রমিকের কাজের পারিশ্রমিকও সুনির্ধারিত হতে হবে। ইবনে মাসউদ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: “তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোন শ্রমিককে নিয়োগ দেয় তবে তাকে অবশ্যই তার ... Read more - [অধ্যায় ৪: মালিকানা লাভের প্রথম উপায়: কাজ (’আমাল)](https://returnofislam.com/2017/06/09/the-first-means-of-ownership/): যেকোন ধরনের সম্পত্তি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে সেগুলো অর্জনের জন্য কাজ করা প্রয়োজন, এক্ষেত্রে সম্পত্তিসমূহ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেতে পারে, যেমন: মাশরুম, কিংবা সেগুলো মানুষের শ্রম দ্বারা তৈরী হতে পারে, যেমন: এক টুকরো রুটি বা একটি গাড়ি। ’আমাল (কাজ) শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অনেকগুলো ধরন ও রূপ এবং ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল বিদ্যমান। সেজন্য শারী’আহ্ ’আমাল বা কাজ শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করা ব্যতিরেকে এটির প্রচলিত ধ্রুপদী অর্থের উপর ছেড়ে দেয়নি। এছাড়াও, শারী’আহ্ ’আমাল শব্দটিকে সাধারণভাবে সংজ্ঞায়িত করেনি, বরং বিশেষ কিছু কাজ হিসেবে এটিকে উপস্থাপিত করেছে। এটি কাজের প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করেছে এবং সেগুলোই মালিকানা অর্জনের উপায় হিসেবে অনুমোদিত হয়েছে। ... Read more - [অধ্যায় ৩: মালিকানার প্রকারভেদ (ব্যক্তি মালিকানা)](https://returnofislam.com/2017/06/08/types-of-ownership/): মানষের স্বাাভাবিক প্রবনতা হচ্ছে, সে তার অভাব পরণের জন্য কাজ করতে চায় ও সম্পদের অধিকারী হতে চায় এবং এই সম্পদ অর্জনের লক্ষ্যে সে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়। মানুষের অভাব পূরণ একটি অপরিহার্য বিষয়, যা থেকে নিজেকে সে নিবৃত্ত রাখতে পারে না। এছাড়াও, মানুষের প্রকৃতির অংশ হিসেবে সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও অনিবার্য হয়ে পড়ে। সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ও এর পরিমাণকে সীমাবদ্ধ করে দেয়ার যে কোন প্রচেষ্টা মানুষের প্রকৃতির সাথে সাংঘর্ষিক হবে। অতএব, মানুষ ও তার সম্পদ অর্জনের স্পৃহায় বাধা সৃষ্টি করা কিংবা ব্যক্তি ও তার সম্পদ সংগ্রহের প্রচেষ্টার মাঝে অবস্থান নেয়া প্রকৃতি বিরুদ্ধ হবে। যাই হোক, সম্পদ অর্জন, এই উদ্দেশ্যে ... Read more - [অধ্যায় ২: অর্থনীতি](https://returnofislam.com/2017/06/07/economics/): অর্থনীতি (Economy) শব্দটি একটি পুরনো গ্রীক শব্দ হতে উৎপত্তি হয়েছে, যার অর্থ হলো গৃহস্থালীর কাজের জন্য পরিকল্পনা করা যাতে এর কর্মক্ষম সদস্যগণ পণ্য উৎপাদন ও দায়িত্ব পালন করে, এবং এর সব সদস্যগণ তাদের অধীনে থাকা সবকিছু ভোগ করে। সময়ের আবর্তে লোকেরা গৃহের সংজ্ঞাকে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত একটি সম্প্রদায় পর্যন্ত পরিব্যপ্ত করেছেন। অর্থনীতি শব্দটি সঞ্চয় কিংবা সম্পদ বোঝানোর মতো ভাষাগত অর্থে প্রয়োগের অভিপ্রায়ে ব্যবহার করা হয়নি। বরং এখানে একে প্রায়োগিক অর্থে অর্থাৎ উৎপাদন বৃদ্ধি কিংবা একে নিশ্চিত করার মতো সম্পদের ব্যবস্থাপনার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অর্থনৈতিক বিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়; অথবা সম্পদের বন্টন ব্যবস্থার অর্থে যা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আলোচ্য বিষয়। যদিও অর্থনৈতিক বিজ্ঞান ... Read more - [সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/06/economic-system-of-socialism/): সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যেখানে কমিউনিজম এর একটি অংশ, এটি পুজিবাদের সাথে সাংঘর্ষিক। এর বৈশ্বিক ও আভ্যন্তরীণ প্রয়োগকারী সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে এর প্রভাব বিদায় হলেও ইসলামের দাওয়াহ প্রচারকারীগণের জন্য এই চিন্তাকে খন্ডন এবং এর ত্রুটিগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য এই বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখা অত্যাবশ্যক। কারণ সামগ্রিক কিংবা আংশিকভাবে হোক, গুটিকয়েক গোষ্ঠীর মধ্যে এই চিন্তাগুলো এখনও আলোচিত হয়। ঊনিশ শতকের দিকে অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক চিন্তার জন্ম হয়। উদারপন্থী মতবাদ অর্থ্যাৎ পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিকদের কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে। পুজিবাদের অধীনে সমাজে যে অসমতা বিরাজ করছিল এবং পাশাপাশি এর ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতার কারণে সমাজতন্ত্রের শক্তিশালী উত্থান ঘটেছিল। ... Read more - [প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায়সমূহ মিশ্রিতকরণ](https://returnofislam.com/2017/06/05/mixing-the-needs-and-the-means-of-satisfaction/): পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অর্থনীতি মূলতঃ মানুষের প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করে। সেকারণে প্রয়োজন পূরণের উপায় হিসেবে পণ্য ও সেবার উৎপাদন এবং পণ্য ও সেবার বন্টন তাদের দৃষ্টিতে একই বিষয়। প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায় পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত ও এমনভাবে অবিচ্ছেদ্য যে একটি আরেকটি মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে বিধায় এগুলো একই বিষয়। ফলে পণ্য ও সেবার উৎপাদনের মধ্যে পণ্য ও সেবার বন্টন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত। এর উপর ভিত্তি করে তারা অর্থনীতিকে একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে যেখানে অর্থনৈতিক পণ্য ও পণ্যের মালিকানা লাভ করার পদ্ধতিকে কোনরূপ পার্থক্য করা ছাড়া এক করে দেখা হয়। অর্থাৎ অর্থনৈতিক বিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে কোনরূপ পার্থক্য করা ছাড়া ... Read more - [পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/04/economic-system-of-capitalism/): আমরা যদি পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখি, তাহলে দেখতে পাব যে এর দৃষ্টিভঙ্গি হল এটি মানুষের প্রয়োজন (needs) এবং এসব প্রয়োজন পূরণের উপকরণ নিয়ে কাজ করে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মানুষের কেবলমাত্র বস্তুগত দিকটি নিয়েই আলোচনা করে এবং এটি তিনটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত: ১. প্রয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট পণ্য ও সেবার আপেক্ষিক অভাব (relative scarcity) রয়েছে। এর অর্থ হল মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন পূরণের জন্য পণ্য ও সেবার অপর্যাপ্ততা। তাদের দৃষ্টিতে এটাই হল সমাজের অর্থনৈতিক সমস্যা।২. অধিকাংশ অর্থনৈতিক গবেষণা ও অধ্যয়নের ভিত্তি হল উৎপাদিত পণ্যের মূল্য (value)।৩. উৎপাদন, ভোগ ও বন্টনে দামের (price) ভূমিকা। দাম হল পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি মৌলিক বিষয়। ... Read more - [অধ্যায় ১: অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিচিতি](https://returnofislam.com/2017/06/03/intro-of-economics/): সদ্যজাত যে কোন জাতি প্রাণ লাভ করার পর তার জীবদ্দশায় প্রাপ্ত সর্বোত্তম ঐশ্বর্য্য হচ্ছে চিন্তা; এবং এগুলো কোন প্রজন্মের জন্য তার পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে লাভ করা সর্বোত্তম উপহার। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হল জাতির মধ্যে আলোকিত চিন্তা গভীরভাবে প্রোথিত থাকতে হবে। বস্তুগত সম্পদ, শিল্প ও বৈজ্ঞানিক আবিস্কার এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয় চিন্তার চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবতা হচ্ছে, এসব বস্তুগত বিষয়াদি অর্জন এবং এগুলোর সংরক্ষণ নির্ভর করে চিন্তার উপর। বস্তুগত সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব যদি জাতি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংরক্ষণ করে। তবে যদি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং জাতি শুধুমাত্র বস্তুগত সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়, তবে তা খুব ... Read more - [ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/02/economic-system-of-islam/): নিম্নোক্ত বইটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিজামুল ইকতিসাদি ফিল ইসলাম’ (ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা) হতে নেয়া হয়েছে। ভূমিকা এটাই প্রথম বই যেখানে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে সমকালীন ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাস্তবতাকে পরিপূর্ণরূপে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে অর্থনীতি সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এবং এর উদ্দেশ্য, কিভাবে সম্পদের মালিকানা অর্জন ও তা বৃদ্ধি করা যায়, কিভাবে তা ব্যয় ও হস্তান্তর করা যায়, কিভাবে নাগরিকদের মধ্যে সম্পদ বন্টন এবং সমাজে সম্পদের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। বাইতুল মালের প্রাপ্য সম্পত্তি এবং যে খাতে তা ব্যয় করা হবে সেগুলোসহ সম্পদের প্রকারভেদ (ব্যক্তিগত, গণমালিকানাধীন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি) বইটিতে ব্যাখ্যা ... Read more - [মুহাম্মাদ বিন কাসিম এর ভারত বিজয়](https://returnofislam.com/2017/05/30/muhammad-ibn-qaasim-india-conquest/): ১ম অংশ ২য় অংশ - [সত্য বলা কখনই মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করে না এবং রিজিককেও সংকুচিত করে না](https://returnofislam.com/2017/05/28/speaking-truth-doesnt-shrink-rizq/): আবু আদ-দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন,  «العلماء ورثة الأنبياء» “আলেমগণ নবীগণের উত্তরসূরী।” [আবু দাউদ, তিরমিযি]  আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র পক্ষ থেকে আপনাদের উপর অর্পিত উচ্চ মর্যাদা ও দায়িত্বের কারণে আমরা আপনাদের প্রতি নিম্নোক্ত আহ্বানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই প্রত্যাশায় যেন আমরা সকলেই তাদের কাতারে শামিল হতে পারি যারা সত্যের পক্ষে অবস্থানকারী এবং আল্লাহ্ ছাড়া আর কাউকে ভয় করেনা। প্রিয় ভাইয়েরা ও কর্তব্যপরায়ণ আলেমগণ : আলেমগণ তাদের ঈমান, জ্ঞান, কর্ম এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেয়ার সাহসিকতার কারণে নবীগণের উত্তরসূরী হিসেবে পরিগণিত। কিন্তু আজকের সেই আলেমগণ কোথায়? নবীগণের এই যুগের উত্তরসূরীরা কোথায়? যেখানে আমাদের পূর্বের বড় বড় আলেমগণ তাদের অপরিসীম জ্ঞান ও দ্বীনকে সঠিকভাবে বোঝার সক্ষমতার কারণে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। ... Read more - [হাসিনার ভারত সফর, বাংলাদেশের ভারত দাসত্বের সেকাল-একাল](https://returnofislam.com/2017/03/25/slavery-to-india/): কয়েকদফা স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশেষে এপ্রিলে ভারত সফর করতে সম্মত হয়েছেন। এ সফরটি নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা জল্পনা কল্পনা ভাসছে। তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি,গংগা ব্যারেজ এগুলোই খুব বেশি আলোচনায় এসেছে কিন্তু এখন বুঝা যাচ্ছে এগুলো স্রেফ হিমবাহের শৃঙ্গ। পানির নিচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অংশটি আড়ালেই থেকে গিয়েছিল, আর সেটি হল বাংলাদেশকে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে নিয়ে যেতে চাইছে ভারত যার মেয়াদ হবে ২৫ বছর। বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘২৫ বছরের চুক্তি’ টার্মটি নতুন কিছু নয়, বরং ১৯৭৪ সালের ‘ইন্দিরা-মুজীব’র চুক্তির সাথেও বাংলাদেশের জনগণ পরিচিত। ২৫ বছরের দাসত্বের চুক্তি হলেও আজ অবধি বাংলাদেশ ভারতের দাসত্বের ঘানি টেনে যাচ্ছে। আজ পর্যন্ত মরণবাধ ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: "আমরা কি ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসূল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই"?](https://returnofislam.com/2017/02/12/are-we-bind-to-establish-islam/):      বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম  প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুৃম… আমাদের শাইখ… যে বলে যে, “আমরা ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই” তার জন্য আমাকে কি যথার্থ উত্তর দিতে পারেন? উত্তর: ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, সংক্ষেপে যথার্থ উত্তর হলো: যিনি বলেন, “আমরা ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই” উনাকে জিজ্ঞেস করেন: উনি ওযু করার জন্য কোন ধরণের দলীল-প্রমাণের সাহায্য নিবেন? ওযু সংক্রান্ত প্রমাণাদিই নিবেন না? নাকি হজ্জ্বের মাসলা মাসায়েল খু্ঁজবেন? তিনি উত্তর দিবেন যে, তিনি ওযুর দলীল-প্রমান চাইবেন। তারপর জিজ্ঞেস করুন যে তিনি কি সিয়ামের নিয়ম ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: সিনেমায় যাওয়া ও অশ্লীল ছবি দেখা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2017/02/12/watching-licentious-films/): সিনেমায় যাওয়া কিংবা সাধারণ সিনেমা দেখা কি বৈধ? যৌন-উত্তেজক অশ্লীল সিনেমা দেখা, এটি জেনে যে এগুলো ছবি মাত্র, সরাসরি শরীর নয়? যেসব মুসলিম এ ধরনের ছবি দেখে তাদের ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব কী: আমরা কি তাদের বারণ করবো নাকি যা খুশি করার ব্যাপারে তাকে ছেড়ে দেব? উত্তর: সিনেমায় যেয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছবি দেখা বৈধ, এ শর্তে যে হলে নারীদের সারি পুরুষদের সারি হতে পৃথক রয়েছে। এটি কোনো লেকচার বা সেমিনারে অংশ নেয়ার মতো, এটি করা বৈধ, এ শর্তে যে নারী ও পুরুষের সারি একে অপর হতে পৃথক রয়েছে। তবে – যেটি বৈধ – উল্লিখিত শর্তানুসারে, ছেড়ে দেওয়াই উত্তম, যাতে হলে উপস্থিত নারীদের ... Read more - [সার্চ কমিটি গঠন ও নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগ](https://returnofislam.com/2017/02/10/search-committee-election-commission/): সামগ্রিকভাবে পুরো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন করুন এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা করুন  গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের সমগ্র রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গন – রাজনৈতিক দলসমূহ, গণমাধ্যম ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবীগণ – সকলেই নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনায় লিপ্ত থাকতে দেখেছি। তারা রাজনৈতিক বক্তব্য/কর্মসূচী, বিবৃতি, পত্রিকার কলাম ও টক-শো’র মাধ্যমে সাধারণ জনগণের উপরে তাদের উদ্বেগ ও নিজস্ব মতামতসমূহ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এখন যখন নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে তখন তার নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে আবারও বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত রাখার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। ... Read more - [আল্লাহর রাসূল (সা)-এর দাফনে বিলম্ব ও খলীফা নিয়োগের বাধ্যবাধকতার ইজমা](https://returnofislam.com/2017/01/25/appointing-khaleefah-izma-sahabah/): দাফন বিলম্বের ব্যাপারে আলোচনার পূর্বে আমাদের শরীআহ হুকুমের ক্ষেত্রে কিছু উসূলী ব্যাপার উল্লেখ করা প্রয়োজন। মৌলিকভাবে প্রত্যেক শরীআহ বিষয় তা কোনো কাজ হোক কিংবা কথা, তা কোনো নির্দেশ হিসেবে গণ্য হতে হলে তার জন্য একটি কারীনা (আইনী সূচক) দরকার হয় যা হুকুমটির প্রকৃতি নির্দেশ করে। কারীনা চুড়ান্ত নির্দেশনা প্রদান করলে হুকুমটি ফরজ হিসেবে গণ্য হয়। আর কারীনা চুড়ান্ত নির্দেশ প্রদান না করলে তা মানদুব (উৎসাহিত) হিসেবে গণ্য হয়। আর কারীনা বাছাই (করা বা না করা)-এর নির্দেশনা দিলে তা মুবাহ হিসেবে গণ্য হয়। এবং এ বিষয়টি শরীআহর সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা আল্লাহর কিতাবের কোনো কথা হোক কিংবা রাসূল (সা) এর কোনো সুন্নাহ ... Read more - [খিলাফত সম্পর্কে হানাফী আলেমগণের মতামত](https://returnofislam.com/2017/01/23/hanafi-scholars-on-khilafah/): অন্যান্য মাযহাবের আলেমগণের মত হানাফী আলেমগণও খিলাফতের ভূমিকা ও প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ক্রমাগতভাবে সকল যুগেই। বস্তুতঃ অন্যান্য আলেমগণের চেয়ে হানাফী আলেমগণকে শাসন ও সরকার পরিচালনার মত বিষয়গুলোতে বেশি বক্তব্য দিতে হয়েছে; কারণ অনেক খলিফারাই (মূলতঃ আব্বাসীয় ও উসমানীয় খলিফারা) হানাফী মাযহাবকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণ করেছিলেন এবং তৎকালীন সময়ের হানাফী আলেমগণের নিকট পরামর্শ ও আইনের বিষয়ে জানতে চাইতেন। যেমন, আব্বাসীয় খলিফা হারুন আর রশিদ, আবু হানিফা (রহ.)-এর ছাত্র ও সহচর আবু ইউসুফ (রহ.)-এর নিকট প্রশ্ন লিখে রাষ্ট্রের অর্থায়নের ব্যবস্থাপনা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে আবু ইউসুফ লিখে পাঠিয়েছিলেন তার বিখ্যাত ও চমৎকার রচনা “আল-খারাজ” যাতে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের নানাবিধ শারী’আহ্‌ নিয়মের বিশদ ... Read more - [ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক](https://returnofislam.com/2017/01/15/mutual-relation-between-workers-of-islamic-movement/): ভূমিকা ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, আম্বিয়ায়ে কিরাম সর্বদাই মানব সমাজের পুনর্বিন্যাস করেছেন। তাঁরা মানব জাতিকে এক বুনিয়াদী আদর্শের দিকে আহবান জানিয়েছেন। এবং সে আহবানে যারা সাড়া দিয়েছে, তাদেরকে এক নতুন ঐক্যসূত্রে গেঁথে দিয়েছেন। যে মানব গোষ্ঠী বিভিন্ন দল-গোত্র-খান্দানে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছিলো, ছিলো পরস্পরের রক্ত পিপাসু ও ইজ্জতের দুশমন-এ আহবানর ফলে তারা পরস্পর পরস্পরের ভাই এবং একে অপরের ইজ্জতের সংরক্ষক বনে গেল। এই ঐক্যের ফলে এক নতুন শক্তির উদ্বোধন হলো এবং এই আহবান দুনিয়ার সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস সৃষ্টি করলো ও শ্রেষ্ঠতম সংস্কৃতি রূপায়ণের নিয়ামকে পরিণত হলো। এই গূঢ় সত্যের দিকেই আল কুরআন ইংগিত করেছে তার নিজস্ব ... Read more - [হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/hazrat-huzaifa-ibnul-yaman/): আসল নাম হুজাইফা, ডাকনাম আবু ’আবদিল্লাহ, এবং লকব বা উপাধি ‘সাহিবুস সির’। গাতফান গোত্রের ’আবস শাখার সন্তান। এজন্য তাঁকে আল- ’আবসীও বলা হয়। পিতার নাম হুসাইল মতান্তরে হাসাল ইবন জাবির এবং মাতার নাম রাবাহ বিনতু কা’ব ইবন ’আদী ইবন ’আবদিল আশহাল, মদীনার আনসার গোত্র আউসের আবদুল আশহাল শাখার কন্যা। ইবন হাজার রহ. বলেনঃ এ হুজাইফা একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহাবী। (আল-ইসাবা- ১/৩১৭; আল-ইসতী’য়াবঃ আল-ইসাবার পার্শ্বটীকা- ১/২৭৭) হুজাইফার পিতা হুসাইল ছিলেন মূলতঃ মক্কার বনী ’আবস গোত্রের লোক। ইসলামপূর্ব যুগে তিনি নিজ গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে মক্কা থেকে পালিয়ে ইয়াসরিবে আশ্রয় নেন। সেখানে বনী ’আবদুল আশহাল গোত্রের সাথে প্রথমে মৈত্রীচুক্তি, পরে বৈবাহিক সম্পর্ক ... Read more - [আবু দারদা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-darda/): ডাক নাম আবু দারদা। কন্যা দারদার নাম অনুসারে এ নাম এবং ইতিহাসে এ নামেই খ্যাত। আসল নামের ব্যাপারে মত পার্তক্য আছে। যথাঃ ’আমির ও ’উয়াইমির। আল-আসমা’ঈর মতে, ’আমির, তবে লোকে ’উয়াইমির বলতো। আর এটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। কেউ বলেছেন, ’উয়াইমির তাঁর লকব বা উপাধি। পিতার নামের ব্যাপারেও বিস্তর মত পার্থক্য আছে। যথাঃ মালিক, ’আমির, সা’লাবা, আবদুল্লাহ, যায়িদ ইত্যাদি। মায়েল নাম মুহাব্বাত বা ওয়াকিদাহ্। (তাহজীব আত-তাহজীব- ৮/১৫৬; আল-ইসাবা- ২/৪৫; উসুদুল গাবা- ৫/১৮৫; আল-ইসতী’য়াবঃ পার্শ্ব টীকাঃ আল-ইসাবা- ৪/৫৯) মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের ‘বালহারিস’ শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. সমবয়সী বা কিছুদিনের ছোট। (দারিয়া-ই-মা’য়ারিফ ইলামিয়্যা (উর্দ্দু)- ১/৮০০) তিনি ছিলেন আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, অশ্বারোহী ও বিচারক। ... Read more - [আনাস ইবন মালিক (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/anas-ibn-malik/): আনাস ইবন মালিক ছিলেন বিখ্যাত সাহাবী, খাদিমে রাসূল, ইমাম, মুফতী, মু’য়াল্লিমে কুরআন, মুহাদ্দিস, খ্যাতিমান রাবী, আনসারী, খাযরাজী ও মাদানী। কুনিয়াত আবু সুমামা ও আবু হামযা। খাদিমু রাসূলিল্লাহ লকব বা উপাধি। (দায়িরা-ই-মা’য়ারিফ ইসলামিয়া- ৩/৪০২, তাজকিরাতুল হুফ্ফাজ- ১/৪৪) আনাস বলতেনঃ আমি ‘হামযা’ নামক এক প্রকার সব্জী খুটতাম, তাই দেখে রাসুল সা. আদর করে আমাকে ডাকেন: ‘ইয়া আবা হামযা’। সে দিন থেকে এটাই আমার কুনিয়াত বা ডাকনাম হয়ে যায়। (তারীখে ইবন ’আসাকির- ৩/১৪১) ইয়াসরিবের (আল-ইসাবা- ১/৭১) বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরাতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খ্রীস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করে। (আল-আ’লাম- ১/৩৬৫, আল-ইসাবা- ১/৭১) এই গোত্রটি ছিল আনসারদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত। আনাসের পিতা ... Read more - [উবাই ইবন কা’ব আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/ubai-ibn-kab-al-ansari/): নাম উবাই, ডাকনাম আবূল মুনজির ও আবুত তুফাইল। (আল-আ’লাম- ১/৭৮; আল-ইসাবা- ১/১৯) সায়্যিদুল কুররা, সায়্যিদুল আনসার প্রভৃতি তাঁর লকব বা উপাধি। মদীনার খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখার সন্তান। পিতার নাম কা’ব ইবন কাইস, মাতার নাম সুহাইলা। তিনি বনী ’আদী ইবন নাজ্জারের কন্যা এবং প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবূ তালহা আল-আনসারীর ফুফু। সুতরাং উবাই, আবূ তালহার ফুফাতো ভাই। উবাইর আবুল মুনজির কুনিয়াতটি খোদ রাসূল সা. দান করেন এবং দ্বিতীয় কুনিয়াতটি হযরত ’উমার রা. তাঁর ছেলে তুফাইলের নাম অনুসারে আবুত তুফাইল রাখেন। তাঁর জন্মের সঠিক সন-তারিখ জানা যায় না। হযরত উবাইয়ের প্রথম জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। তবে হযরত আনাস ইবন মালিকের বর্ণনায় ... Read more - [হানজালা ইবন আবী ’আমির (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/hanzala-ibn-abi-amir/): নাম হানজালা, লকব বা উপাধি ‘গাসীলুল মালায়িকা’ ও তাকী। মদীনার আউস গোত্রের ‘আমর ইবন’ আউফ শাখার সন্তান। পিতার নাম আবু ’আমির ’আমর, মতান্তরে ’আবদু ’আমর, মাতার নাম জানা যায় না। তবে এতটুকু জানা যায় যে, তিনি খাযরাজ নেতা মুনাফিক ’আবদুল্লাহ ইবন ’উবাইয়ের বোন ছিলেন। হানজালার জন্ম ও কৈশোর সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় না। হানজালার পিতা আবূ ’আমির ছিলেন আউস গোত্রের একজন সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। সেই জাহিলী আরবে দ্বীনে হানীফের একজন বিশ্বাসী হিসেবে তিনি নবুওয়াত, রিসালা, কিয়ামাত ইত্যাদি বিশ্বাস করতেন। এই ধর্মীয় বিশ্বাস তাঁকে ‘রুহবানিয়্যাত’ (বৈরাগ্য)- এর দিকে নিয়ে যায় এবং সব রকম পার্থিব নেতৃত্ব ছেড়ে ধর্মীয় নেতৃত্ব অর্জন ... Read more - [মু’য়াজ ইবন জাবাল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/muaz-ibn-jabal/): নাম মু’য়াজ, ডাকনাম আবু আবদির রহমান এবং লকব বা উপাধি ‘ইমামুল ফুকাহা, কানযুল ’উলামা ও রাব্বানিয়্যূল কুলূব।’ মদীনার খাযরাজ গোত্রের উদায় ইবন সা’দ শাখার সন্তান। অনেকে তাঁকে সালামা ইবন সা’দ শাখার সন্তান বলে উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেছেন, প্রকৃত পক্ষে তিনি ছিলেন বনু কুদা’য়া গোত্রের সন্তান, উদায় ইবন সা’দ গোত্রের নাম। এ গোত্রের লোকেরা তাঁকে নিজেদের গোত্রের লোক বলে দাবী করতো। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৭, আল-ইসাবা- ৪/৪২৭, সীরাতু ইবন হিশাম- ১/৪৬৪, উসুদুল গাবা- ৪/৩৭৬) হিজরাতের ২০ বছর পূর্বে ৬০৩ খৃষ্টাব্দে ইয়াসরিবে (মদীনায়) জন্মগ্রহণ করেন। (আল-আ’লাম- ৮/১৬৬) তাঁর বংশের উর্ধ্বতন পুরুষ সা’দ ইবন আলীর ছিল দুই ছেলে। তাদের নাম সালামা ও উদায়। ... Read more - [আবূ সা’ঈদ আল-খুদারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-saeed-al-khudari/): নাম সা’দ, ডাক নাম আবূ সা’ইদ। খুদরাহ বংশের সন্তান হওয়ার কারণে খুদারী বা খুদরী বলা হয়। তাঁর পিতা মালিক ইবন সিনান উহুদের অন্যতম শহীদ। এ যুদ্ধে হযরত রাসূলে কারীম সা. আহত হলে তিনি রাসূলের সা. পবিত্র খুন চুষে গিলে ফেলেন। রাসূল সা. তখন মন্তব্য করেনঃ ‘আমার রক্ত যার রক্তে মিশেছে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।’ (সীরাতু ইবন হিশাম- ২/৮০, তাজকিরাতুল হুফ্ফাজ- ১/৪৪) তাঁর মা উনায়সা বিনতু আবী হারিসা বনু ’আদী ইবন নাজ্জারের কন্যা। দাদা সিনান ছিলেন মহল্লার রয়িস। তিনি ছিলেন একটি কিল্লার অধিপতি ও ইসলাম পূর্ব যুগের একজন বিচারক। তাঁর মার প্রথম স্বামী ছিল আউস গোত্রের ’আম্মান নামক এক ব্যক্তি। ... Read more - [আবু কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-qatadah-al-ansari/): হযরত আবু কাতাদাহ মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামা শাখার সন্তান। তাঁর আসল নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন ‘আল হারিস’; আবার কেউ বলেছেন ‘আমর’। আল-কালবী ও ইবন ইসহাকের মতে ‘আন-নু’মান’। তবে ‘আল-হারিস’ অধিকতর প্রসিদ্ধ। ইতিহাসে তিনি ‘আবু কাতাদাহ্’ এ ডাক নামেই খ্যাত। পিতা রাব’য়ী ইবন বালদামা এবং মাতা কাবশা বিনতু মুতাহ্হির। তিনিও খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামার সাওয়াদ ইবন গানাম শাখার মেয়ে। রাসূলুল্লাহর সা. মদীনায় হিজরাতের ১৮ বছর পূর্বে ৬০৪ খ্রীষ্টাব্দে মদীনায় জন্মগ্রহণ করেন। (উসুদুল গাবা- ৫/২৭৪, আল ইসাবা- ৪/১৫৮; আল-আ’লাম- ২/১৫৪) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করার কারণে যে কা’ব ইবন মালিক আল-আনসারীর শাস্তি হয় এবং পরে আল্লাহ পাক যাঁকে ক্ষমা ... Read more - [আবু মাস’উদ আল-বদরী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abu-masud-al-badri/): আবু মাস’উদ ডাক নাম, আর এ নামেই তিনি ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। আসল নাম ’উকবা এবং পিতার নাম ’আমর ইবন সা’লাবা। সর্বশেষ বাই’য়াতে ’আকাবায় যোগ দিয়ে সেখানেই ইসলাম গ্রহণ করেন। ওয়াকিদী বলেনঃ আবু মাস’উদ আকাবায় অংশগ্রহণ করেন, তবে বদরে অনুপস্থিত ছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেনঃ আকাবায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৫; সীরাতু ইবন হিশাম- ১/৪৫৯; উসুদুল গাবা- ৫/২৯৬) এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। উহুদ এবং উহুদ পরবর্তী কাফিরদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সকল যুদ্ধে তিনি রাসূলুল্লাহর সা. সাথে যোগ দেন। তবে তাঁর বদর যুদ্ধে যোগদানের ব্যাপারে সীরাত বিশেষজ্ঞদের অনেক মতভেদ আছে। অধিকাংশের মতে, তিনি বদরে যোগ দেন এবং এ কারণেই তাঁকে বদরী ... Read more - [আবু তালহা আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abu-talha-al-ansari/): নাম যায়িদ, ডাকনাম আবু তালহা। এ নামেই ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। হিজরাতের ৩৬ বছর পূর্বে ৫৮৫ খ্রীষ্টাব্দে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। (আল-আ’লাম- ৩/৯৮) পিতা সাহল ইবন আল-আসওয়াদ ইবন হারাম। বনু জাজীলার সন্তান। মাতা ’উবাদাহ্ বিনতু মালিক। প্রাচীন জাহিলী যুগে ইয়াসরিবে আবু তালহার খান্দান বিশেষ মর্যাদার অধিকারী ছিল। তাঁর পিতৃ ও মাতৃ বংশের মধ্যেও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। বর্তমান মসজিদে নববী সংলগ্ন পশ্চিম দিকে তাঁর খান্দানের বসতি ছিল। তিনি তাঁর সময়ে খান্দানের রয়িস বা নেতা ছিলেন। (আনসাবুল আশরাফ- ১/৪২, আল-ইসতীয়াব- ৪/১১৩, তাহজীবুল আসমা- ১/৪৪৫) ইসলাম-পূর্ব জীবনে সাধারণ আরববাসীর মত মূর্তি পূজারী ছিলেন। তাঁর মদ পানের আসরটিও ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। পানের আসরে নিয়মিত আড্ডা জমতো। সেই জাহিলী ... Read more - [’আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abdullah-ibn-rawaha/): ’আবদুল্লাহ নাম। কুনিয়াত বা উপনামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথাঃ আবু মুহাম্মদ, আবু রাওয়াহা অথবা আবু ’আমর। ‘শায়িরু রাসূলিল্লাহ’- ‘রাসূলুল্লাহর সা. কবি’ তাঁর উপাধি। মদীনার খাযরাজ গোত্রের বনী আল-হারিস শাখার সন্তান। পিতা রাওয়াহা ইবন সা’লাবা এবং মাতা কাবশা বিনতু ওয়াকিদ। সাহাবিয়্যা ’আমরাহ বিনতু রাওয়াহা তাঁর বোন এবং কবি সাহাবী নু’মান ইবন বাশীর তাঁর ভাগ্নে। ইতিহাসে তাঁর জন্মের সময়কাল সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তিনি জাহিলী ও ইসলামী উভয় জীবনে অতি মর্যাদাবান ব্যক্তি ছিলেন। (তাবাকাত- ৩/৫২৫, আল-আ’লাম- ৪/২১৭, তাহজীবুল আসমা ওয়াললুগাত- ১/২৬৫) তিনি তৃতীয় আকাবায় সত্তর জন (৭০) মদীনাবাসীর সাথে অংশগ্রহণ করে রাসূলুল্লাহর সা. হাতে বাই’য়াত করেন এবং সা’দ ইবনুর রাবূর’র সাথে ... Read more - [সা’দ ইবনুর রাবী’ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-rabi/): সা’দ ইবনুর রাবী আল-আনসারী মদীনার খাযরাজ গোত্রের বনু আল-হারিস শাখার সন্তান। হায়সাম উল্লেখ করেছেন, ‘আবু রাবী’ তাঁর কুনিয়াত বা ডাকনাম। পিতা আর-রাবী ও মাতা হুযাইলা বিন্তু ইন্বা। সীরাত বিশেষজ্ঞরা তাঁর জন্মসন সম্পর্কে নীরব। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৪, তাবাকাত- ৩/৫২২, উসুদুল গাবা- ২/২৭৭) সা’দ ইবনুর রাবী’র ইসলাম গ্রহণের সময়কাল সম্পর্কে মতভেদ দেখা যায়। আবু নু’য়াইম তাঁর ‘দালায়িল’ গ্রন্থে ’আকীল ইবন আবী তালিব ও যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন, প্রথম ’আকাবায়, যে বার ছয়জন ইয়াসরিববাসী মক্কায় রাসূলুল্লাহর হাতে সা. ইসলাম গ্রহণ করে বায়’য়াত করেন তাঁদের একজন ছিলেন সা’দ। সেই ছয় ব্যক্তি হলেনঃ ১. আস’য়াদ ইবন যুরারা ২. আবুল হায়সাম ইবন আত-তায়্যিহান ৩. আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা ... Read more - [সা’দ ইবন ’উবাদা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-ubada/): আসল নাম সা’দ, ডাকনাম আবু কায়স ও আবু সাবিত। প্রথমটি অধিকতর প্রসিদ্ধ। (উসুদুল গাবা- ২/২৮৩) লকব বা উপাধি সায়্যিদুল খাযরাজ। মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের ‘সায়িদাহ’ শাখার সন্তান। পিতার নাম ’উবাদা ইবন দুলাইম এবং মাতার নাম ’উমরা বিন্তু মাস’উদ। ’উমরা সাহাবিয়্যা (মহিলা সাহাবী) ছিলেন এবং হিজরী ৫ম সনে ইন্তিকাল করেন। সা’দ তখন রাসূলুল্লাহর সা. সাথে ‘দুমাতুল জান্দাল’ যুদ্ধে যোগদানের জন্য মদীনার বাইরে। মদীনায় ফিরে রাসূল সা. তাঁর মার কবরে যান এবং তাঁর জন্য দু’আ করেন। (তাবাকাত- ৩/৬১৪; আল-ইসাবা- ২/৩০) হযরত সা’দের সম্মানিত দাদা ‘দুলাইম’ ছিলেন খাযরাজ গোত্রের সবচেয়ে বড় নেতা। তাছাড়া মদীনার জনকল্যাণমূলক কাজেও তাঁর খ্যাতি ছিল। সায়িদাহ খান্দানের সম্মান ও গৌরব ... Read more - [সা’দ ইবন মু’য়াজ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/sad-ibn-muaz/): আসল নাম সা’দ, ডাকনাম আবু ’আমর, লকব বা উপাধি সায়্যিদুল আউস। মদীনার বিখ্যাত আউস গোত্রের আবদুল আশহাল শাখার সন্তান। পিতার নাম মু’য়াজ ইবন নু’মান, মাতা কাবশা মতান্তরে কুবাইশা ‘বিনতু রাফি’। প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবূ সা’ঈদ আল খুদরীর চাচাতো বোন। জাহিলী যুগেই পিতা মু’য়াজ্জের মৃত্যু হয়। তবে মাতা কাবশা হিজরাতের পরে ঈমান আনেন এবং সা’দের ইনতিকালের পরেও বহু দিন জীবিত ছিলেন। গোটা আউস গোত্রের মধ্যে আবদুল আশহাল শাখাটি ছিল সর্বাধিক অভিজাত এবং বংশানুক্রমে নেতৃত্ব ছিল তাদেরই হাতে। সা’দ ছিলেন তাঁর সময়ে একজন বড় মাপের নেতা। (দ্রঃ সীরাতু ইবন হিশাম- ২/২৫২, উসুদুল গাবা- ২/২৯৬, তাবাকাত- ৩/৪২০, তাহজীবুত তাহজীর- ৩/৪৮১) তাঁর জন্ম সন সম্পর্কে ... Read more - [আবু আইউব আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/abu-ayub-al-ansari/): নাম খালিদ, ডাক নাম আবু আইউব। পিতা যায়িদ ইবন কুলাইব আল-নাজ্জারী আল-খাযরাজী। কেউ কেউ মালিক ইবন নাজ্জারের সাথে সম্পর্কের কারণে ‘আল-মালিকী’ এবং আনসারদের ‘আযদী’ হওয়ার কারণে তাঁকে ‘আল-আযদী’ বলেও উল্লেখ করে থাকেন। (দারিয়া-ই মা’য়ারিফ-ই-ইসলামিয়্যা, উর্দু ১/৭৪২), মাতা হিন্দা বিনতু সা’দ। (উসুদুল গাবা- ২/৮০) তবে ইবন সা’দের মতে যাহরা বিনতু সা’দ। (তাবাকাত- ৩/৪৮৪) ‘যাহরা’ আবু আইউবের পিতার মামাতো বোন। আবু আইউব চল্লিশ ‘আমুল ফীল’ (হস্তী বৎসর) অর্থাৎ হিজরাতের একত্রিশ বছর পূর্বে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। ইতিহাসে তিনি ‘আবু আইউব’ ডাক নামে পরিচিত। (দারিয়া-ই-মা’য়ারিফ-ই-ইসলামিয়্যা, (উর্দু)- ১/৭৪২) নাজ্জার খান্দানটি ইয়াসরিবের অন্যতম অভিজাত খান্দান। আর সেই আভিজাত্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে রাসূলুল্লাহর সা. মাতুল গোত্র হওয়ার কারণে। ... Read more - [জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/jabir-ibn-abd-allah/): নাম জাবির, কুনিয়াত বা ডাকনামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথাঃ আবু ’আবিদিল্লাহ, আবু ’আবদির রহমান, ও আবু মুহাম্মাদ। ইবনুল আসীর প্রথমটি অধিকতর সঠিক বলে মনে করেছেন। (উসুদুল গাবা ১/২৫৭, আল-ইসাবা- ১/২১৩, তাহজীবুল আসমা ওয়া আল-লুগাত- ১/১৪৪) পিতা ’আবদুল্লাহ ইবন ’আমর এবং মাতা নাসীবা বিনতু উকবা। তাঁর বংশের উর্ধ্বতন পুরুষ হারাম ইবন কা’ব- এর মাধ্যমে পিতা-মাতা উভয়ের বংশ একত্রে মিলিত হয়েছে। জাবিরের পিতৃবংশের উর্ধ্বতন পুরুষ সালামা-র বংশধরগণ মদীনার হাররা ও মসজিদে কিবলাতাইন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। তবে তাঁর নিজ গোত্র বনু হারামের বসতি ছিল কবরস্থান ও ছোট্ট একটি মসজিদের মধ্যবর্তী স্থানে। তাঁর পিতা ’আবদুল্লাহ ইবন আমর ছিলেন শেষ ’আকাবায় মনোনীত অন্যতম ‘নাকীব’। (তাবাকাত- ৩/৬২০, ... Read more - [’উবাদা ইবনুস সামিত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/ubada-ibnus-samit/): আবুল ওয়ালীদ ’উবাদা মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনী সালীম শাখার সন্তান। হিজরতের ৩৮ বছর পূর্বে ৫৮৬ খৃষ্টাব্দে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। (আ’লাম- ৪/৩০) পিতা সামিত ইবন কায়স এবং মাতা কুররাতুল আইন। মা ছিলেন ’উবাদা ইবন নাদলা ইবন মালিক ইবন আজলানের কন্যা। তিনি নিজের পিতার নামে ছেলের নাম রাখেন ’উবাদা’ (উসুদুল গাবা- ৩/১০৬) ‘উবাদার ভাই আউস ইবন সামিতের স্ত্রী খুওয়াইলা বিনতু সা’লাবা। তিনি সেই মহিলা যাঁর শানে সূ’রা মুজাদিলার জিহারের আয়াত নাযিল হয়। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৫১)। মদীনার পশ্চিম দিকে কুবা সংলগ্ন প্রস্তরময় অঞ্চলে ছিল বনী সালীমের বসতি। ‘উতুম কাওয়াকিল’ নামে সেখানে তাদের কয়েকটি কিল্লা ছিল। এরই ভিত্তিতে বলা চলে ’উবাদার বাড়ীটি মদীনার কেন্দ্রস্থলের ... Read more - [উসাইদ ইবন হুদাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/usaid-ibn-hudair/): প্রখ্যাত আনসারী সাহাবী উসাইদ মদীনার ঐতিহ্যবাহী আউস গোত্রের বনী ’আবদুল আশহাল শাখার সন্তান। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪০) সীরাতের বিভিন্ন গ্রন্থে তাঁর একাধিক কুনিয়াত বা ডাকনাম দেখতে পাওয়া যায়। যেমনঃ পুত্র ইয়াহইয়ার নাম অনুসারে আবু ইয়াহইয়া, আবু ঈসা-এ নামে রাসূলুল্লাহ সা. তাঁকে ডেকেছেন বলে বর্ণিত আছে। (উসুদুল গাবা- ১/৯২) তাছাড়া আবু ’আতীক, আবু হুদাইর, আবু ’আমর ইত্যাদি নামের কথাও জানা যায়। (দ্রঃ সীয়ারে আনসার- ১/২২৮), উসুদুল গাবা- ১/৯২, আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪০, আল-আলাম- ১/৩৩০) তাঁর পিতার নাম হুদাইর ইবন সিমাক এবং মাতার নাম উম্মু উসাইদ বিনতু উসকুন। হুদাইর ছিলেন আউস গোত্রের একজন রয়িস বা নেতা। ইসলামপূর্ব যুগে মদীনার চির বৈরী আউস ও খাযরাজ গোত্রদ্বয়ের ... Read more - [আবুল হায়সাম ইবন আত-তায়্যিহান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/abul-haysam-ibn-at-tayyhan/): আবুল হায়সাম উপনামেই তিনি ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। আসল নাম এবং কোন্ গোত্রের সন্তান সে সম্পর্কে মতভেদ আছে। একটি মতে ‘আবদুল্লাহ’ তাঁর আসল নাম। তবে অন্য একটি মতে ‘মালিক’ তাঁর নাম। আর এ মতের ওপরই মুসা ইবন ’উকবা, ইবন সা’দ, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক, আবূ মা’শার ও মুহাম্মাদ ইবন ’উমার ঐক্যমত পোষণ করেছেন। তেমনিভাবে তাঁর গোত্র ও পিতার নামের ব্যাপারেও মতভেদ আছে। এক মতে পিতা বালী ইবন আমর ইবন আল-হাফ ইবন কুদা’য়া। এই হিসাবে তাঁকে আল-বালাবী বলা হয়। এটাই ইবন সা’দের মত। এ মতের বিরোধিতা করেছেন ইবন ইসহাক ও আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আম্মারা আল-আনসারী। ইবন ইসহাক বলেছেন, আবুল হায়সাম, যিনি বদরে অংশগ্রহণ করেছেন ... Read more - [আস’য়াদ ইবন যুরারা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/13/asyad-ibn-zurarah/): আবূ উমামা আস’য়াদ, যিনি আস’য়াদ আল-খায়র নামেও পরিচিত, মদীনার খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখার সন্তান। তাঁর পিতা যুরারা ইবন ’আদাস। (আল-ইসাবা-১/৩৪; উসুদুল গাবা-১/৭১) তাঁর জন্মের সন-তারিখ সম্পর্কে কিছু জানা যায় না। হযরত রাসূলে কারীমের সা. নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে সমগ্র আরব উপদ্বীপ কুফর ও গুমরাহীর অন্ধকারে আচ্ছন্ন ছিল। তবে এর মধ্যেও কিছু লোক বিশুদ্ধ স্বভাব বা ফিতরাতের দাবী অনুসারে তাওহীদ বা একত্ববাদের প্রবক্তা ছিলেন। আস’য়াদ ইবন ইবন যুরারা তাঁদেরই একজন। (তাবাকাত- ১/১৪৬) ইসলাম-পূর্ব যুগেও ইয়াসরিবের (মদীনা) লোকেরা নিজেদের ঝগড়া বিবাদে কুরাইশদের সমর্থন লাভ এবং তা ফায়সালার উদ্দেশ্যে মক্কায় যাতায়াত করতো। তাছাড়া হজ্জ ও ’উমরা আদায়ের জন্যও তারা সেখানে যেত। অতঃপর মক্কায় ইসলামের অভ্যূদয় ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন মাখরামা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/abdullah-ibn-makhrama/): পুরো নাম আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ, পিতা মাখরামা ইবন আবদিল উযযা এবং মাতা বাহসানা বিনতু সাফওয়ান। কুরাইশ বংশের আমেরী শাখার সন্তান। (আল ইসাবা-২/৩৬৫)। ইসলামী দাওয়াতের সূচনা লগ্নে মক্কায় ইসলাম গ্রহণ করেন। জাফর ইবন আবী তালিবের (রা) সাথে হাবশাগামী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। সেখান থেকে সরাসরি মদীনায় চলে যায় এবং হযরত কুলসুম ইবন হিদামের বাড়ীতে অতিথি হন। হরযত রাসূলে কারীম সা: ফারওয়া ইবন আমর আল বায়াদীর (রা) সাথে তার দ্বীনী ভাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে দেন। মদীনায় আসার পর সর্ব প্রথম বদর যুদ্ধে যোগদান করে বদরী সাহাবী হওয়ার মহা সম্মান অর্জন করেন। তখন তার বয়স ত্রিশ বছর। বদরের পর, উহুদ সহ সকল যুদ্ধে ... Read more - [ওয়াকিদ ইবন আবদিল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/waqid-ibn-abdillah/): নাম ওয়াকিদ, পিতা আবদুল্লাহ। বনী তামিম গোত্রের হানজালী ইয়ারবূয়ী শাখার সন্তান। জাহিলী যুগে খাত্তাব ইবন নুফাইলের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। (তাবাকাত-৩/৩৯০, আল ইসাবা -৩/৬২৮)। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনালগ্নে হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের বাড়ীতে প্রবেশের পূর্বেই ওয়াকিদ ইসলাম গ্রহণ করেন। হিজরাতের নির্দেশ আসার পর তিনি মদীনায় হিজরাত করেন এবং হযরত রিফায়া ইবন আবদিল মুনজিরের অতিথি হন। মদীনায় রাসূল সা: বিশর ইবন বারা ইবন মারুর এর সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক কায়েম করে দেন। (তাবাকাত-৩/৩৯০)। হযরত রাসূলে কারীম সা: মদীনায় হিজরাতের সতেরতম মাসটি ছিল রজব মাস। এ মাসে তিনি কুরাইশদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশের ... Read more - [আমর ইবন সাঈদ ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/amr-ibn-saeed-ibn-al-aas/): আমরের ডাক নাম আবু উকবা। পিতা সাঈদ ইবনুল আস। কুরাইশ বংশের উমাইয়া শাখার সন্তান। মা বনী মাখযুমের কন্যা। আমর হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের ফুফাতো ভাই। (উসুদুল গাবা-৪/১০৬)। (আল ইসাবা-২/৫৩৯)। সাঈদ ইবনুল আসের ৫ ছেলে- খালিদ, আবান, সাঈদ, আবদুল্লাহ, ও আমর। আগে পরে তারা সকলে ইসলাম গ্রহণ করেন। যুবাইর ইবন বাককার বলেন: সাঈদ ইবনুল আসের ছেলে আবু উহায়হা সাঈদ ইবন সাঈদ তায়িফ অবরোধের সময় শাহাদাত বরণ করেন। আবদুল্লাহ ইবন সাঈদের পূর্ব নাম ছিল হাকাম। রাসূল সা: তা পরিবর্তন করে আবদুল্লাহ রাখেন। আমর ইবন ‍সাঈদ আজনাদাইনের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন। খালিদ অত:পর আমর ইসলাম গ্রহণ করেন। ইবন ইসহাক বলেন, আমরের কোন সন্তানাদি ছিল ... Read more - [আবু আহমাদ ইবন জাহাশ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/abu-ahmad-ibn-jahash/): আসল নাম আবদ মতান্তরে আবদুল্লাহ, ডাকনাম আবু আহমাদ। পিতা জাহশ ইবন রিয়াব এবং মাতা উমাইমা বিনতু আবদিল মুত্তালিব। একদিকে রাসূলুল্লাহ সা: এর ফুফাতো ভাই, অন্যদিকে রাসুল সা: এর স্ত্রী উম্মুল মুমিনীন হযরত যয়নাব বিনতু জাহাশের আপন ভাই। (আনসাবুল আশরাফ-১/৮৮, আল ইসাবা-৪/৩)। মক্কায় রাসূলুল্লাহর সা: ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বে আহমাদ তার অন্য দুই ভাই- আবদুল্লাহ ও উবায়দুল্লাহর সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। মক্কায় রাসূলুল্লাহ সা: হযরত আল আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেওয়ার পূর্বেই তাদের ইসলাম গ্রহণের কাজটি সম্পন্ন হয়। বালাযুরী বলেছেন, তার অন্য দুই ভাই আবদুল্লাহ ও উবাদুল্লাহ হাবশায় হিজরাত করলেও তিনি হাবশায় হিজরাত করেননি। তিনি আরও বলেছেন, যে সব বর্ণনায় ... Read more - [মারসাদ ইবন আবী মারসাদ আল গানাবী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/marsad-ibn-abi-marsad-al-ghanabi/): মারসাদের পিতার নাম আবু মারসাদ কান্নায ইবন হুসাইন। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই পিতা পুত্র উভয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং বদর যুদ্ধের পূর্বেই হিজরাত করে মদীনায় চলে যান। মারসাদ মক্কায় হামযা ইবন আবদিল মুত্তালিবের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলেন এবং মদীনায় হিজরাতের পর রাসূল সা: তাকে প্রখ্যাত আনসারী ‍সাহাবী উবাদা ইবন সামিতের ভাই আউস ইবন সামিতের সাথে মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। (তাবাকাত-৩/৪৮. আল ইসাবা-৩/৩৯৮) হযরত মারসাদ ও পিতা আবু মারসাদ কান্নায বদর যুদ্ধের বীরযোদ্ধা। এ যুদ্ধে মারসাদ ‘সাবাল’ নামক একটি ঘোড়ার পিঠে সাওয়ার হয়ে রাসূলুল্লাহর সা: পাশপাশি অত্যন্ত বীরত্ব সহকারে যুদ্ধ করেন। উহুদ যুদ্ধেও তিনি যোগদান করেন। (তাবাকাত-৩/৪৮, সীরাতু ইবন ... Read more - [মিসতাহ ইবন উসাসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/mistah-ibn-usasa/): প্রকৃত নাম আউফ, ডাক নাম আবু আব্বাদ, এবং লকব বা উপাধি মিসতাহ। পিতা উসাসা ইবন আব্বাদ এবং মা হযরত আবু বকরের খালা মতান্তরে খালাত বোন। মাতা পিতা দুজনেই ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। (আল ইসাবা-৩/৪০৮) মিসতাহ ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। রাসূল সা: তার ও যায়েদ ইবন মুযায়্যিনের মধ্যে ভাতৃ সম্পর্ক স্থাপন করে দেন। তার হিজরাতের সময়কাল সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানা যায় না। তবে তিনি বদর যুদ্ধের পূর্বেই হিজরাত করে মদীনায় চলে যান এবং বদর যুদ্ধে তার যোগদানের কথা ইতিহাস ও সীরাত গ্রন্থ সমূহে পাওয়া যায়। বনী মুসতালিক যুদ্ধে তিনি যোগ দিয়েছিলেন। এ যুদ্ধ থেকে ফেরার পথে, ... Read more - [আমর ইবন উমাইয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/amr-ibn-umayyah/): নাম আমর কুনিয়াত বা ডাক নাম আবু উমাইয়া। পিতার নাম উমাইয়া। বনী কিনানা গোত্রের সন্তান। ইবন হিশাম তাকে রাসূলুল্লাহর সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির কাছাকাছি সময়ের জাহিলী আরবের একজন শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান ব্যক্তিরূপে উল্লেখ করেছেন এবং এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনাও বর্ণনা করেছেন। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/২০৪,২০৭)। তিনি বদর ও উহুদ যুদ্ধে মক্কার পৌত্তলিকদের পক্ষে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত বীরত্ব ও সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেন। উহুদের পরই তিনি ইসলাম গ্রহণ করে মদীনায় হিজরাত করেন। ইসলাম গ্রহণের পর সর্ব প্রথম বীরে মাউনা এর ঘটনায় অংশ গ্রহণ করেন। ঘটনাটি ছিল এই রকম: উহুদ যুদ্ধের পর চতুর্থ মাসে নাজদের বনী কিলাব গোত্রের সরদার আবু বারা আমের ইবন মালেক ইবন জাফর ... Read more - [আবান ইবন সাঈদ ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/aban-ibn-saeed-ibn-al-aas/): হযরত আবানের পিতার নাম আবু উহায়হা সাঈদ ইবনুল আস এবং মাতার নাম হিন্দা বিনতু মুগীরা। তার বংশের উপরের দিকের পঞ্চম পুরুষ আবদ মান্নাফে গিয়ে রাসূল সা: এর নসবের সাথে তার নসব মিলিত হয়েছে। (উসুদুল গাবা-১/৩৫) তার পিতা সাঈদ ছিল কুরাইশদের এক মর্যাদাবান ব্যক্তি। সে হিজরী ২য় অথবা ৩য় সনে কাফির অবস্থায় তায়িফে মারা যায় এবং তাকে সেখানেই দাফন করা হয়। (আনসাবুল আশরাফ-১/১৪২.৩৬৮)। তার কয়েকজন সুযোগ্য পুত্র ছিলেন। ইসলামের সূচনা পর্বেই তাদের মধ্যে খালিদ ও আমর ইসলাম গ্রহণ করে হাবশায় হিজরাত করেন। (আল ইসাবা-১/১৩)। আবান তার অন্য দুই ভাই উবাইদা ও আল আসের সাথে পৌত্তলিক থেকে গেলেন। তার দুই ভাই খালিদ ও ... Read more - [মুআইকিব ইবন আবী ফাতিমা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/muayqib-ibn-abi-fatimah/): মুআইকিব ছিলেন দাওস গোত্রের সন্তান। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে তিনি দাসে পরিণত হয়ে মক্কার সাঈদ ইবনুল আসের নিকট উপনীত হন। (আনসাবুল আশরাফ-১/২০০)। অন্য একটি বর্ণনামতে তিনি আযদ গোত্রের সন্তান এবং মক্কার বনী আবদি শামসের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং হাবশাগামী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। হাবশা থেকে খাইবার যুদ্ধের সময় মদীনায় আসেন। একটি বর্ননামতে তিনি আবু মূসা আশআরীর সাথে মক্কা থেকে মদীনায় আসেন এবং খাইবার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। আবার কোন কোন বর্ণনায় তার বদর যুদ্ধ ও বাইয়াতে রিদওয়ানে যোগদানের কথা পাওয়া যায় এই বর্ণনা দ্বারা বুঝা যায়, তিনি খাইবার যুদ্ধের পূর্বে ... Read more - [হিশাম ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/hisham-ibnul-as/): নাম হিশাম, কুনিয়াত বা ডাক নাম আবুল আস ও আবু মুতী। ইবন হিব্বান বলেন: জাহিলী যুগে হিশামের কুনিয়াত ছিল আবুল আস অর্থাত অবাধ্যের পিতা। ইসলাম গ্রহণের পর রাসূল সা: তা পরিবর্তন করে রাখেন আবু মুতী- অনুগতের পিতা। (আল ইসাবা-২/৬০৪) তার পিতা আল আস ইবন ওয়ায়িল। কুরাইশ গোত্রের বনী সাহম শাখার সন্তান। মিসর বিজয়ী প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আমর ইবনুল আসের ছোট ভাই। সৌভাগ্য বা দূর্ভাগ্য বয়সের তারতম্যের ওপর নির্ভর করে না। হিশাম আমর অপেক্ষা ছোট হলেও বড় ভাইয়ের চেয়ে অধিকতর সৌভাগ্যের অধিকারী ছিলেন। আমর যখন পৌত্তলিকতার অন্ধকারে হাবুডুব খাচ্ছেন, হিশামের ললাট তখন ইসলামের নূর ঝলক দিচেছ। মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ... Read more - [কুদামাহ ইবন মাজউন (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/12/qudamah-ibn-majoon/): নাম কুদামাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু উমার। পিতা মাজউন ইবন হাবীব এবং মা সুখাইলা বিনতুল আনবাস। (টীকা : সীরাতু ইবন হিশাম-১/২৫৩)। কুরাইশ বংশের বনী জুমাহ শাখার সন্তান। হযরত উমারের বোন সাফিয়্যা বিনতুল খাত্তাব তার স্ত্রী। হযরত কুদামাহ ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীকের (রা) আহবানে যে সকল ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেন উসমান ইবন মাজউন ও তার অন্য দুই ভাই কুদামাহ ও আবদুল্লাহ অন্যতম। তিনি দুই হিজরাতের অধিকারী। ইসলাম গ্রহণের পর অন্য দুই ভায়ের সাথে প্রথমে তিনি হাবশায় হিজরাত করেন। অত:পর মক্কাবাসীরা সকলে ইসলামের দীক্ষা নিয়েছে এমন একটি মিথ্যা গুজব শুনে অনেকে হাবশা থেকে মক্কায় প্রত্যাবর্তন করেন। এই ... Read more - [হাজ্জাজ ইবন ইলাত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/hajjaj-ibn-ilat/): নাম হাজ্জাজ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু কিলাব, মতান্তরে আবু মুহাম্মাদ ও আবু আবদুল্লাহ। পিতা ইলাত ইবন খালিদ। বনী সুলাইম গোত্রের সন্তান। ইবন সাদ বলেন, রাসূল সা: যখন খাইবারে তখন তিনি তার খিদমতে ‍হাজির হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। তারপর মদীনায় বসতি স্থাপন করেন। ইবন শিহাব থেকে বর্ণিত। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি রাসূলুল্লাহর সা: নবুওয়াত সত্য বলে স্বীকার করে তার কাছে লোক পাঠান। (আল ইসাবা-১/৩১৩)। তার ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে একটি চমকপ্রদ কাহিনী ইতিহাসে দেখা যায়। ইবন আব আদ দুনিয়া ‘হাওয়াতিফুল জিন’ গ্রন্থে এবং ইবন আসাকির ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: হাজ্জাজের ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি ছিল এমন। তিনি একটি কাফিলার ... Read more - [উসমান ইবন তালহা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/uthman-ibn-talha/): নাম উসমান, পিতার নাম তালহা ইবন আবী তালহা এবং মাতার নাম উম্মু সাঈদ সালামা। মক্কার কুরাইশ বংশের বনু আমর শাখার সন্তান। জাহিলী যুগে পবিত্র কাবার হাজেব বা তত্ত্বাবধায়ক ও চাবির রক্ষক ছিলেন। ইসলামী যুগেও এ দায়িত্ব পালন করেন। (উসুদুল গাবা-৩/৩৭২)। উসমান ইবন তালহার পিতা তালহা,তিন ভাই মুসাফি, কিলাব ও হারেস এবং তার চাচা উসমান ইবন আবী তালহা উহুদ যুদ্ধে কাফির অবস্থায় মুসলিম বাহিনীর হাতে নিহত হয়। তার পিতা তালহা হযরত আলীর (রা) সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। আলী (রা) তরবারির এক আঘাতে তাকে জাহান্নামে পৌঁছে দেন। (সীরাতু ইবন হিশাম ১ম খন্ড, টীকা নং-৩, পৃ. ৪৭০)। উসমান ইবন তালহার ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে ... Read more - [আমের ইবন রাবীয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/amer-ibn-rabiyya/): নাম আমের, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ এবং পিতা রাবীয়া। তার খান্দান হযরত উমারের (রা) পিতা খাত্তাব এর ‍হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিল। খাত্তাব তাকে এত ভালোবাসতেন যে, তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করেন। এ কারণে প্রথম জীবনে আমের ইবনুল খাত্তাব (খাত্তাবের পুত্র আমের) নামে পরিচিত হন। কিন্তু কুরআন যখন প্রথা বাতিল করে প্রত্যেক মানুষকে তার জন্মদাতা পিতার নামে পরিচয় গ্রহণের নির্দেশ দেয়, তখন হযরত আমেরও খাত্তাবের পরিবর্তে নিজের জন্মদাতা পিতা রাবীয়ার নামে পরিচিত হন। উল্লিখিত সম্পর্কের কারণে হযরত আমের ও হযরত উমারের মধ্যে শেষ জীবন পর্যন্ত অত্যন্ত মধুর সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। হযরত উমারের ‘বাইতুল মাকদাস’ সফরের সময় হযরত আমের তার সফরসঙ্গী ছিলেন। যে বছর ... Read more - [সালামা ইবন হিশাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/salama-ibn-hisham/): নাম সালামা, ডাক নাম আবু হাশেম। পিতা হিশাম ইবন মুগীরা এবং মাতা দাবায়া বিনতু আমের। ইসলামের ঘোরতর শত্রু আবু জাহলের ভাই। ড: মুহাম্মাদ হামীদুল্লাহ সালামার মা দাবায়া বিনতু আমেরের জাহিলী জীবনের এক চমকপ্রদ কাহিনী বর্ণনা করেছেন। হাইসাম ও ইবনুল কালবী বর্ণনা করেছেন: মুত্তালিব ইবন আবী ওয়াদায়া ইবন আব্বাসকে বলেছেন: দাবায়া বিনতু আমের ছিলেন হাওজা ইবন আলীর স্ত্রী। হাওজা মারা গেলে দাবায়া উত্তরাধিকারী হিসাবে প্রচুর সম্পত্তি লাভ করেন। অত:পর তিনি পিতৃ গোত্রে ফিরে আসেন। সেখানে আবদুল্লাহ ইবন জুদয়ান আত তাইমী দাবায়ার পিতার নিকট তাকে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। তার পিতা রাজী হন এবং আবদুল্লাহর সাথে তাকে বিয়ে দেন। এদিকে দাবায়ার পিতা বলেন,আমি তো ... Read more - [ওয়ালীদ ইবনুল ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/waleed-ibnul-waleed-ibnul-mugheera/): নাম ওয়ালীদ, পিতা ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা। কুরাইশ গোত্রের বনী মাখযুম শাখার সন্তান। প্রখ্যাত সাহাবী ও সেনানায়ক হযরত খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ও হিশাম ইবনুল ওয়ালীদের ভাই। একটি বর্ণনায় জানা যায়, তিনি হিশামের সহোদর ও খালিদের বৈমাত্রীয় ভাই। হযরত রাসূলে কারীমের সা: মক্কী জীবনে ওয়ালীদ ইসলাম গ্রহণ করেননি। এ সময় মুসলমানদের সাথে তার আচরণ কেমন ছিল, সীরাত গ্রন্থাবলীতে সে সম্পর্কে তেমন কিছু উল্লেখ নেই। তবে দেখা যায়, মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে বদর যুদ্ধে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং পরাজিত হয়ে হযরত আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ মতান্তরে সুলাইত ইবন কায়েসের সা: হাতে বন্দী হন। (আনসাবুল আশরাফ-১/৩০২)। ওয়ালীদের অন্য দুই ভাই খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ ... Read more - [আমর ইবন আবাসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/amr-ibn-abasa/): তার নাম আমর, আবু নাজীহ কুনিয়াত বা ডাকনাম। পিতা ‍আবাসা ইবন আমের এবং মাতা রামলা বিনতুল ওয়াকীয়া। প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবুযার আল গিফারীর (রা) বৈপিত্রীয় ভাই। (আল ইসাবা-৩/৫)। জীবনের প্রথম থেকেই আমর ছিলেন সত প্রকৃতির লোক। জাহিলী যুগে যখন গোটা আরব মূর্তি পূজায় লিপ্ত তখনও তিনি এ কাজকে ঘৃণা এবং মূর্তি পূজারীদের পথভ্রষ্ট বলে মনে করতেন। তিনি নিজেকে ইসলামের চতুর্থ ব্যক্তি অথবা ইসলামের এক চতুর্থাংশ বলে দাবী করতেন। তার কাছে যখন জানতে চাওয়া হলো, আপনি কিসের ভিত্তিতে এ দাবী করেন? তিনি বললেন: জাহিলী যুগে আমি মানুষকে পথভ্রষ্ট বলে বিশ্বাস করতাম। মূর্তির কোন গুরুত্ব আমার কাছে ছিল না। আমি জানতাম, এগুলি যেমন ... Read more - [সাওবান ইবন নাজদাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/sawban-ibn-najdah/): নাম সাওবান, পিতার নাম নাজদাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্রাহ। ইয়ামানের প্রসিদ্ধ হিময়ার গোত্রের সন্তান। (আসাহ হুস সিয়ার-৫৯৯) কোন কারণে তিনি দাসে পরিণত হন। হযরত রাসূলে কারীম সা: তাকে খরীদ করেন এবং পরে আযাদ করে দেন। আযাদ করার সময় তিনি সাওবানকে বলেন, ইচ্ছা করলে তুমি স্বগোত্রীয় লোকদের কাছে চলে যেতে পার অথবা আমার সাথে থাকতে পার। আমার সাথে থাকলে আমার পরিবারের সদস্য বলে গণ্য হবে। সাওবান নিজ গোত্রে ফিরে যাওয়ার চেয়ে রাসূলুল্লাহর সা: সাহচর্যে থাকাকেই শ্রেয় মনে করেন। হযরত রাসূলে কারীমের ওফাতের পর অল্প কিছুদিন তিনি মদীনায় ছিলেন। রাসূল সা: ছাড়া মদীনা তার কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। তিনি মদীনা ছেড়ে শামের ... Read more - [তুলাইব ইবন উমাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/tulaib-ibn-umayr/): নাম তুলাইব, ডাকনাম আবু আদী। পিতা উমাইর ইবন ওয়াহাব, মাতা রাসুলুল্লাহর (মা) ফুফু আরওয়া বিনতু আবদুল মুত্তালিব। কুরাইশ বংশের বনী আবদী শাখার সন্তান। (আনসাবুল আশরাফ-১/৮৮)। হযরত তুলাইবের জন্ম ও ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। ইসলামের সূচনা পর্বেই যে তিনি এক কাফিলায় শরিক হন সে কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। ইতিহাসে বর্ণিত কিছু কিছু ঘটনা দ্বারা বুঝা যায়, তার মামাতো ভাই মুহাম্মাদ ও তার দ্বীনের প্রতি ছিল তার সীমাহীন ভক্তি ও ভালোবাসা। রাসূল সা: প্রতি কুরাইশদের বৈরী আচরণে তুলাইব ছিলেন সব সময় ক্রুব্ধ। রাসূল সা: এর প্রতি কুরাইশদের রূঢ় আচরণের কঠিন জবাবও তিনি মাঝে মাঝে দিতেন। আর এসব কাজে ... Read more - [ফাদল ইবন আব্বাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/fadl-ibn-abbas/): নাম ফাদল, ডাক নাম আবু মুহাম্মাদ। পিতা প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা) এবং মাতা লুবাবা বিনতুল হারেস আল হিলালিয়্যাহ। রাসূল সা: এর চাচাতো ভাই। পিতার জ্যেষ্ঠ সন্তান। এ কারণে পিতা আব্বাসকে ডাকা হতো আবুল ফাদলের পিতা বলে এবং ‍মাতা লুবাবাকে বলা হতো উম্মুল ফাদল বা ফাদলের মা। বদর যুদ্ধের পূর্বেই পরিবারের অন্যদের সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন ; কিন্তু মক্কার কাফিরদের ভয়ে প্রকাশ করেননি। মক্কা বিজয়ের অল্প কিছুদিন পূর্বে পিতা হযরত আব্বাস ও ছোট ভাই আবদুল্লাহর (রা) সাথে মদীনায় হিজরাত করেন। হিজরাতের সময় তার বয়স ছিল তের বছর এবং আবদুল্লাহর বয়স আট বছর। (হায়াতুস সাহাবা-১/৩৭৩) তিনি মদীনায় হিজরাতের পর ... Read more - [আবু বারযাহ আল আসলামী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/11/abu-barzah-al-aslami/): আবু বারযাহর আসল নামের ব্যাপারে রিজাল শাস্ত্রবিদদের যথেষ্ট মতপার্থক্য আছে। সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য মতানুসারে নাদলা ইবন উবাইদ তার নাম এবং আবু বারযাহ কুনিয়াত বা উপনাম। (আল ইসাবা-৪/১৯) মক্কায় ইসলামী দাওয়াতের সূচনা পর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মুসলমান হওয়ার পর কাফিরদের সাথে যত সংঘর্ষ হয়েছে তার সবগুলিতে তিনি হযরত রাসূলে কারীমের সা: সাথে ছিলেন। মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলে কারীম সা: তার চরম শত্রুকেও ক্ষমা করে দেন। তবে শত্রুতা ও বিদ্রোহের সীমা লংঘনকারী কতিপয় দুষ্কৃতিকারীকে সেদিন হত্যা করা হয়েছিল। আবদুর রহমান ইবন খাতাল ছিল এমনি একজন। এ ব্যক্তি প্রথমে ইসলাম গ্রহণ করেছিল। কিন্তু তার এক মুসলমান দাসকে হত্যা করে ইসলামী দণ্ড ‘কিসাস’ থেকে বাঁচার ... Read more - [উকবা ইবন আমের আল জুহানী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/uqba-ibn-amer-al-juhani/): নাম উকবা, ডাক নাম আবু আমর, পিতা আমের। বনু জুহানা গোত্রের লোক। হযরত রাসূলে কারীম সা: যখন মদীনায় আসেন, উকবা তখন মদীনা থেকে বহু দূরে ছাগলের রাখালী করছিলেন। রাসূল সা: এর আগমন সংবাদ মদীনার অলি গলি ও তার আশ পাশের মরু ভূমি ও মরুদ্যানে ছড়িয়ে পড়ে। রাসূল সা: এর সাথে উকবার প্রথম সাক্ষাত কিভাবে ঘটে তা উকবার মুখেই শোনা যাক: ‘রাসূল সা: যখন মদীনায় এলেন আমি তখন মদীনার বাইরে আমার ছাগল চড়াচ্ছিলাম। খবরটি আমার কাছে পৌঁছার পর আমি সব কিছু ছেড়ে তার সাথে সাক্ষাতের জন্য চলে আসি। রাসূল সা: এর খিদমতে হাজির হয়ে আমি আরজ করলাম: ইয়া রাসুলুল্লাহ, আমাকে বাইয়াত (আনুগত্যের ... Read more - [বুরাইদাহ ইবনুল হুসাইব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/buraydah-ibnul-husayb/): নাম বুরাইদাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্লাহ। পিতার নাম হুসাইব ইবন আবদিল্লাহ। বনু আসলাম গোত্রের সরদার। রাসুল সা: হিজরাতের সময় বুরাইদাহ ইসলাম গ্রহণ করেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কা থেকে মদীনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে ‘গামীম’ নামক স্থানে পৌঁছলে বুরাইদাহ রাসূলুল্লাহর খিদমতে হাজির হন। রাসূল সা: তার সামনে ইসলামের দাওয়াত পেশ করেন এবং তিনি বিনা বাক্য ব্যয়ে তা কবুল করেন। উল্লেখ্য যে, এই ‘গামীম’ মক্কা থেকে দুই মনযিল দূরে অবস্থিত। এখানে তার সাথে বনু আসলামের আরও আশি ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে। রাসূল সা: সেখানে ইশার নামায আদায় করেন এবং বুরাইদাহ ও তার সঙ্গীরা রাসূল সা: পেছনে ইকতিদা করে নামায আদায় করেন। (হায়াতুস ... Read more - [আবু সুফইয়ান ইবন হারেস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/abu-sufyan-ibn-hares/): মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সা: ও আবু সুফইয়ান ইবন হারেসের মধ্যে যতখানি গভীর ও শক্ত সম্পর্ক ছিল তা খুব কম লোকের সাথেই ছিল। তার দুজন একই পরিবারে একই সময়ে জন্মগ্রহণ করেন। তারা দুজন পরষ্পর চাচাতো ভাই। আবু সুফইয়ানের পিতা হারেস ইবন আবদুল মুত্তালিব ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা: বড় চাচা। তিনি ইসলাম পূর্ব যুগে মারা যান। (টীকা: সীরাতু ইবন হিশাম-১/১৬৩)। রাসূল সা: ও আবু সুফইয়ান পরষ্পর দুধ ভাই। হযরত হালীমা আস সাদিয়্যাহ তাদের দুজনকে দুধ পান করান। রাসুল সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্ব পর্যন্ত তাদের দুজনের মধ্যে গভীর সম্পর্ক ছিল। দুজনের চেহারার মধ্যেও যথেষ্ট মিল ছিল। ইবনুল মোবারক ইবরাহীম ইবন মুনজির প্রমূখের মতে আবু সুফইয়ানের নাম ... Read more - [উমাইর ইবন আবী ওয়াককাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/umair-ibn-abi-waqqas/): নাম উমাইর, পিতা আবু ওয়াককাস, মাতা হামনা বিনতু সুফইয়ান। ইরান বিজয়ী হযরত সা’দ ইবন আবী ওয়াককাসের সহোদর। হযরত উমাইরের বড় ভাই সা’দ ইবন আবী ওয়াককাস ইসলামের সূচনা পর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন। তখন হযরত উমাইরের বয়স যদিও কম তথাপি তিনি বড় ভাই এর পদাঙ্ক অনুসরণ করেন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে হিজরাত করে মদীনায় পৌঁছেন। রাসূল সা: মদীনার আবদুল আশহাল গোত্রের সরদার হযরত সা’দ ইবন মুয়াজের ছোট ভাই হযরত আমর ইবন মুয়াজের সাথে তার দ্বীনী ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দেন। তারা দুজনই প্রায় সমবয়সী ছিলেন। হিজরী ২য় সনে বদর যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে। হযরত রাসূলে কারীম সা: সৈনিক নির্বাচন করছেন। হযরত উমাইরও সমাবেশে হাজির ... Read more - [শুকরান সালেহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shukran-saleh/): নাম সালেহ, লকব বা উপাধি ‘শুকরান’। পিতার নাম আদী। হযরত আবদুর রহমান ইবন আউফের (রা) হাবশী বংশজাত দাস। তবে এই দাসত্বের মধ্যেও নেতৃত্বদান তার ভাগ্যে ছিল। হযরত রাসূলে কারীম সা: নিজের কাজের জন্য তাকে নির্বাচন করেন। অর্থের বিনিময়ে তাকে আবদুর রহমানের নিকট থেকে খরীদ করেন। কোন কোন বর্ণনা মতে হযরত আবদুর রহমান কোন রকম অর্থ বিনিময় ছাড়াই তাকে রাসূল সা: এর অনুকূলে হিবা করেন। তার জীবনী সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় না। তিনি কখন কিভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন সে সম্পর্কেও তেমন কোন তথ্য সীরাতের গ্রন্থসমূহে পাওয়া যায় না। অধিকাংশ যুদ্ধে হযরত শুকরান যুদ্ধলদ্ধ সম্পদ ও কয়েদীদের হিফাজতের দায়িত্বে নিয়োজিত হতেন। এ কারণে ... Read more - [মিহরায ইবন নাদলা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/mihraj-ibn-nadla/): নাম মিহরায, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু ফাদলাহ। তবে প্রধানত: আখরাম আল আসাদী উপাধিতে প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি কখন কিভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন তা সঠিকভাবে জানা যায় না। তবে তিনি প্রথম পর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন বলে সীরাত বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত। মক্কা থেকে মদীনায় হিজরাত করার পর আবদুল আশহাল গোত্রের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন এবং হযরত আম্মার ইবন হাযামের (রা) সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। মূসা ইবন উকবা, ইবন ইসহাক ও অন্যরা তাকে বদরী সাহাবীদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন। ওয়াকিদী আয়্যূব ইবন নুমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: বদরে মুসয়াব ইবন উমাইরের ভাই আবু আযীয ইবন উমাইর বন্দী হয়। তাকে মিহরায ইবন নাদলার হিফাজতে ... Read more - [শুজা ইবন ওয়াহাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shuja-ibn-wahhab/): নাম শুজা, কুনিয়াত আবু ওয়াহাব এবং পিতা ওয়াহাব। জাহিলী যুগে তার খান্দান বনী আবদে শাࢮস এর হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিল। (উসুদুল গাবা-২/৩৮৬)। যারা ইসলামের সূচনা পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন, হযরত শুজা তাদেরই একজন। মক্কার মুশরিকদের অত্যাচারে বাধ্য হয়ে হাবশা হিজরাতকারী দ্বিতীয় দলটির সাথে হাবশা যান। (আল ইসাবা-৩/১৩৮)। তাদের হাবশা অবস্থানকালে যখন সেখানে এ গুজব রটে যে মক্কার সকল বাসিন্দা রাসুলুল্লাহর সা: আনুগত্য মেনে নিয়েছে, তখন স্বদেশের ভালোবাসা অনেকের মত তাকেও মক্কায় টেনে নিয়ে আসে। মক্কায় এসে দেখেন খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। কিছুদিন মক্কায় অবস্থানের পর নিরাপদে মদীনায় হিজরাত করেন। এখানে হযরত আউসের সাথে তার দ্বীনী ভাতৃ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। বদর, উহুদ সহ ... Read more - [শাম্মাস ইবন উসমান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/shammas-ibn-uthman/): নাম শাম্মাস, পিতার নাম উসমান এবং মাতার নাম সাফিয়্যাহ। কুরাইশ গোত্রের বনু মাখযুম শাখার সন্তান। হিশাম কালবী থেকে বর্ণিত হয়েছে, তার প্রকৃত নাম ছিল উসমান। শাম্মাস নামকরণের কারণ এই যে, একবার জাহিলী যুগে পরম সুন্দর এক খৃস্টান পুরুষ মক্কায় আসে। তার চেহারা থেকে যেন সূর্যের কিরণ চমকাচ্ছিল। তার এ অত্যাশ্চার্য সৌন্দর্য দেখে মানুষ বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে পড়ে। হযরত শাম্মাসের মামা উতবা ইবন রাবী’য়া এ সময় দাবী করলো যে, তার কাছে এর থেকেও বেশি সূর্য কিরণ বিচ্ছুরিত হচ্ছে এমন মানুষ আছে। আর সে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হযরত শাম্মাসকে উপস্থাপন করে। সেদিন থেকে উসমান শাম্মাসে পরিণত হন। শাম্মাস অর্থ অতিরিক্ত সূর্য কিরণ বিচ্ছুরণকারী। (উসুদুল গাবা-৩/৩৭৫)। ... Read more - [উকাশা ইবন মিহসান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/ukasha-ibn-mihsan/): নাম উকাশা বা উককাশা, কুনিয়াত বা ডাক নাম আবু মিহসান। পিতা মিহসান ইবন হুরসান। জাহিলী যুদে বনী আবদে শামসের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ ছিলেন। হিজরতের পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং অন্যদের সাথে মক্কা ছেড়ে মদীনায় চলে যান। (উসুদুল গাবা-৪/২)। বদর যুদ্ধে সাহসিকতার জন্য দারুণ নাম করেন। এ যুদ্ধে তার হাতের তরবারিটি ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। রাসুল সা: তাকে একটি খেজুরের ছড়ি দান করেন এবং তা দিয়েই তিনি সূচালো ছুরির মত শত্রুর ওপর আক্রমণ চালান। যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত তিনি এ ছড়ি দিয়েই লড়ে যান। (ইসতীয়াব) ইবন সাদ যায়িদ ইবন আসলাম ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করছেন: বদরের দিন উকাশা ইবন মিহসানের অসিটি ভেঙ্গে ... Read more - [আবু রাফে (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/10/abu-rafe/): হযরত আবু রাফে’র (রা) প্রকৃত নামের ব্যাপারে প্রচুর মতভেদ দেখা যায়। যেমন: ইবরাহীম, আসলাম, সিনান, ইয়াসার, সালেহ, আবদুর রহমান, কারমান, ইয়াযীদ, সাবেত, হুরমুয ইত্যাদি। এর মধ্যে আসলাম নামটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। (আল ইসাবা-৪/৬৭) আবু রাফে তার কুনিয়াত বা ডাকনাম। বংশ কৌলিন্যের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, হযরত রাসূলে কারীমের সা: খিদমত করার সৌভাগ্য তার হয়েছিল। রাসুল সা: তাকে স্বীয় পরিবারের মধ্যে শামিল করে নেন। এর বেশি খান্দানী শরাফত কোন মানুষের জন্য আর হতে পারে ‍না। আসলে তিনি ছিলেন একজন হাবশী দাস। হযরত আবু রাফে প্রথম হযরত আব্বাসের (রা) দাস ছিলেন। তিনি রাসুল সা:কে হিবা বা দান করেন। পরে হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত ... Read more - [উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/ubaidah-ibn-al-harith/): নাম উবাইদাহ, কুনিয়াত আবুল হারিস বা আবু মুআবিয়া। পিতা আল হারিস এবং মাতা সুখাইলা। দাদা আব্দুল মুত্তালিব ইবন আবদে মান্নাফ। কুরাইশ গোত্রের সন্তান। উবাইদাহ ইবনুল হারিস, আবু সালামা ইবনে আবদিল আসাদ, আল আরকাম ইবন আবিল ‍আরকাম এবং উসমান ইবন মাজউন হযরত আবু বকরের দাওয়াতে সাড়া দিয়ে এক সাথে ঈমান আনেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: তখন আল আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেননি। হযরত উবাইদাহ যখন ইসলাম গ্রহণ করেন তখন তিনি বনী আবদে মান্নাফের একজন নেতা। মক্কায় হযরত বিলালকে তিনি দ্বীনী ভাই হিসাবে গ্রহণ করেন। মদীনায় হিজরাতের নির্দেশ হলো। হযরত উবাইদাহ তার দুই ভাই তুফাইল, হুসাইন এবং মিসতাহ ইবন উসাসাহকে সাথে ... Read more - [হাকীম ইবন হাযাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/hakeem-ibn-hazam/): নাম হাকীম, ডাক নাম আবু খালিদ। পিতা হাযাম ইবনে খুওয়াইলিদ, মাতা যয়নাব মতান্তরে সাফিয়্যা। হাকীম নিজেই বলছেন: আমি ‘আমুল ফীল’ (হস্তী বৎসর) অর্থাত আবরাহার কাবা আক্রমণের তের বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করি। ওয়াকিদী বলেন: হাকীমের জন্ম রাসূলুল্লাহর সা: জন্মের পাঁচ বছর পূর্বে। তার পিতা হাযাম ফিজার যুদ্ধে মারা যায়। তিনি নিজেও এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুবাইর ইবন বাকার বলেন: হাকীম কাবার অভ্যন্তরে জন্ম গ্রহণ করেন। (আল ইসাবা-১/৩৪৯)। ইতিহাস বলছে, তিনি আরবের একমাত্র সন্তান যে কাবার অভ্যন্তরে ভূমিষ্ট হয়েছে। তার মা কয়েকজন বান্ধবী সহ কাবার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। সেদিন কোন এক বিশেষ উপলক্ষ্যে কাবার দরযা খোলা ছিল। সে সময় তার মা ছিলেন গর্ভবতী। ... Read more - [আকীল ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/aqeel-ibn-abi-talib/): নাম আকীল ডাক নাম আবু ইয়াযীদ। পিতা আবু তালিব ইবন আবদিল মুত্তালিব মাতা ফাতিমা। কুরাইশ বংশের হাশেমী শাখার সন্তান। চতুর্থ খলীফা হযরত আলীর সৎ ভাই এবং আলী অপেক্ষা বিশ বছর বড়। আকীল পিতা আবু তালিবের কাছে প্রতিপালিত হন। রাসুলুল্লাহর সা: নবুওয়াত প্রাপ্তির পূর্বে একবার মক্কায় দারুণ অভাব দেখা দেয়। কুরাইশদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সা: ও আব্বাসের অবস্থা তুলনামূলকভাবে একটু ভালো চিল। একদিন রাসূলুল্লাহ সা: আব্বাসকে বললেন: চাচা, আপনার ভাই আবু তালিবের অবস্থা তো আপনার জানা। তার সন্তান সংখ্যা বেশি। চলুন না আমরা তার কিছু সন্তানের দায়িত্ব নেই। তারা দুজন আবু তালিবের কাছে গিয়ে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করলেন। আবু তালিব বললেন, আকীল ছাড়া ... Read more - [আবু সালামা ইবন আবদিল আসাদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abu-salama-ibn-abdul-asad/): নাম আবদুল্লাহ, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু সালামা। পিতা আবদুল আসাদ, মাতা বাররাহ বিনতু আবদিল মুত্তালিব। রাসুলুল্লাহর সা: ফুফাতো ভাই। তাছাড়া সঠিক বর্ণনা অনুযায়ী রাসুলুল্লাহর সা: দুধভাই। আবু লাহাবের দাসী ‘সুওয়াইবা’ রাসুল্লাহ সা: হামযা ও আবু সালামাকে দুধ পান করান। (সীরাতু ইবন হিশাম-২/৯৬)। হযরত রাসূলে কারীম সা: হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে অবস্থান নেওয়ার পূর্বে তিনি মুমিনদের দলে শামিল হন। হযরত আবু বকর (রা) ইসলাম গ্রহণের পর সর্বপ্রথম উসমান ইবন আফফান, তালহা ইবন উবাইদিল্লাহ, যুবাইর ইবনুল আওয়াম, সাদ ইবন আবী ওয়াক্কাসকে ইসলামের দাওয়াত দেন। তাদের সকলকে রাসুলুল্লাহর সা: এর খিদমতে নিয়ে আসেন। তারা সকলে একসাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। পরের দিন তিনি ... Read more - [‍সালামা ইবনুল আকওয়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/salama-ibnul-aqwa/): নাম সিনান, পিতা আমর ইবনুল আকওয়া। কুনিয়াত বা ডাক নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথা: আবু মুসলিম, আবু ইয়াস, আবু আমের ইত্যাদি। তবে পুত্র ইয়াসের নাম অনুসারে আবু ইয়াস ডাক নামটি অধিক প্রসিদ্ধ। (আল ইসতিয়াব)। সীরাত বিশেষজ্ঞরা সালামার ইসলাম গ্রহণের সময়কাল সম্পর্কে নীরব। তবে এতটুকু ঐতিহাসিক সত্য যে, হিজরী ৬ষ্ঠ সনের পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদীনায়ও হিজরত করেন। অধিকাংশ মুহাজির পরিবার পরিজন সহ হিজরাত করেন; কিন্তু হযরত সালামা আল্লাহর রাস্তায় স্ত্রী ও সন্তানদের ত্যাগ করেই হিজরাত করেন। মদীনায় আসার পর তিনি প্রায় সকল যুদ্ধেই অংশগ্রহণ করেন। হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রেক্ষাপটে ‘বাইয়াতে রিদওয়ান’ বা ‘বাইয়াতে শাজারা’ এর ইসলামের ইতিহাসে এক বিশেষ গুরুত্ব ... Read more - [উমাইর ইবন ওয়াহাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/umair-ibn-wahhab/): নাম উমাইর, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু উমাইয়া। পিতা ওয়াহাব, মাতা উম্মু সাখীলা। কুরাইশদের অন্যতম বীর নেতা। ইসলাম পূর্ব জীবনে ইসলাম ও রাসুলুল্লাহর সা: চরম দুশমন। তীক্ষ ও গভীর দৃষ্টি সম্পন্ন প্রখর অনুধাবন ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তিত্ব। তিনি বদর যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে যোগ দেন এবং যুদ্ধ শুরুর পূর্ব মুহুর্তে কুরাইশ বাহিনী তাকে মুসলিম বাহিনীর শক্তি নিরূপণের দায়িত্ব দেয়। তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে মুসলিম বাহিনীর আশে পাশে চক্কর মেরে কুরাইশ চাউনীতে ফিরে গিয়ে জানান, ‘তারা তিনশোর মত হবে। এর কিছু কম বা বেশিও হতে পারে।’ তার অনুমান যথাযথ ছিল। কুরাইশরা তাকে জিজ্ঞেস করে,‘পেছনে তাদের কোন সাহায্য আসার সম্ভাবনা আছে কি? তিনি জবাব দেন, ... Read more - [আবুল আস ইবন রাবী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abul-as-ibn-rabi/): আবুল আসের প্রকৃত নামের ব্যাপারে ইতিহাসে বিস্তর মতভেদ দেখা যায়। যেমন: লাকীত, হিশাম, মিহশাম, ইয়াসির, ইয়াসিম ইত্যাদি। তবে তার কুনিয়াত বা ডাকনাম আবুল ‘আস’। এ নামেই তিনি ইতিহাসে খ্যাত। তার পিতা ‘রাবী’ ইবনে ‘আবদিল উযযা’ মাতা হযরত খাদীজার (রা) সহোদরা হালা বিনতু খুওয়াইলিদ। তিনি কুরাইশ গোত্রের ‘আবদু শামস’ শাখার সন্তান হওয়ার কারণে তাকে সংক্ষেপে ‘আবশামী’ বলা হয়। খালা হযরত খাদীজা (রা) ও খালু রাসুলুল্লাহ সা: বাড়ীতে আবুল আসের অবাধ যাতায়াত ছিল। তিনি ছিলেন ‍খালা খালুর অতি স্নেহের পাত্র। আবুল আস ধীরে ধীরে যৌবনে পদার্পণ করেন। তার আকর্ষণীয় চেহারা সকলের মন কেড়ে নেয়। বংশ গৌরব এবং আরবীয় বীরত্ব, প্রখর আত্মমর্যাদাবোধ ইত্যাদি গুণের ... Read more - [শুরাহবীল ইবন হাসান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/shurahbeel-ibn-hasan/): নাম শুরাহবীল, কুনিয়াত বা ডাকনাম আবু আবদিল্লাহ বা আবু আবদির রহমান। পিতা আবদুল্লাহ ইবনুল মুতা’, মাতা হাসানা। তবে আবু আমরের মতে হাসানা তার মেয়ের নাম। যাই হোক,শুরাহবীলের পিতা মারা যাওয়ার পর তার মা হাসানা দ্বিতীয়বার সুফইয়ান আনসারীকে বিয়ে করেন। এ কারণে তিনি পিতার পরিবর্তে মাতার নামে পরিচিত হন। এই হাসানার বংশ সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন কিন্দা গোত্রের, কেউ বলেছেন ‍তামীম গোত্রের, আবার অনেকের মতে বনী জুমাহ গোত্রের। তিনি মক্কায় ইসলামের প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পরিবারের অন্যদের সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। অত:পর সেখান থেকে মদীনায় চলে যান। (সীরাতু ইবন হিশাম-২/৩৬৪, ৩৬৯)। শুরাহবীল ইসলামের সূচনা পর্বেই মুসলমান হওয়ার গৌরব অর্জন ... Read more - [যায়িদ ইবনুল খাত্তাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/zayd-ibnul-khattab/): নাম যায়িদ, ডাক নাম আবু আবদির রহমান। পিতা খাত্তাব ইবন নুফাইল, মাতা আসমা বিনতু ওয়াহাব। হযরত উমার ইবনুল খাত্তাবের বৈমাত্রীয় ভাই এবং বয়সে হযরত উমার থেকে বড়। (উসুদুল গাবা-২/২২৮)। ইসলামের সূচনা পর্বে উমারের বাড়াবাড়ির কারণে যদিও খাত্তাবের বাড়ী সন্ত্রস্ত ছিল, তথাপি যায়িদ উমারের পূর্বেই ইসলাম কবুল করেন এবং মুহাজিরদের প্রথম কাফিলার সাথে মদীনায় হিজরাতও করেন। হযরত রাসূলে কারীম সা: মদীনায় আসার পর মা’ন ইবন ’আদী আল ’আজলানীর সাথে তার মুওয়াখাত বা ভাতৃসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে দেন। মদীনায় আসার পর সর্বপ্রথম ‘বদর’ যুদ্ধে শরীক হন। তারপর উহুদেও অংশ গ্রহণ করেন। দারুন ‍সাহসী ছিলেন। প্রত্যেক যুদ্ধে তিনি যতটা না বিজয় কামনা করতেন তার চেয়ে ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন সুহাইল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/09/abdullah-ibn-suhail/): নাম আবদুল্লাহ, ডাক নাম বা কুনিয়াত আবু সুহাইল। পিতা সুহাইল এবং মাতা ফাখতা বিনতু আমের। ইসলামের প্রথম পর্বে ঈমান আনেন এবং হাবশা অভিমূখী দ্বিতীয় কাফিলার সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। কিছুদিন হাবশায় অবস্থানের পর মক্কায় ফিরে এলে পিতা তাকে বন্দী করে এবং তার ওপর নির্দয় অত্যাচার চালায়। আবদুল্লাহ অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইসলাম ত্যাগ করে পুনরায় মুশরিকী জীবনে বা পৌত্তলিকতায় ফিরে যাওয়ার ভান করেন। মাতা পিতা ও মক্কার মুশরিকরা তার বাহ্যিক আচরণ দেখে ইসলাম পরিত্যাগ সম্পর্কে নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। এদিকে হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কা ছেড়ে মদীনায় চলে যান। মক্কা ও মদীনার মাঝে সামরিক সংঘর্ষ শুরু হয়। মক্কাবাসীরা আবদুল্লাহকে তাদের সহযোদ্ধা ... Read more - [আমের ইবন ফুহাইরা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/amer-ibn-fuhairah/): নাম আমের, ডাক নাম আবু আমর। পিতা ফুহাইরা, মতান্তরে ফুহাইরা তাঁর মাতার নাম। ইবন হিশাম বলেন, ‘আমের ইবন ফুহাইরা বনী আসাদের এক অনারব নিগ্রো দাস। হযরত আবু বকর সিদ্দীক তাঁকে খরীদ করে আযাদ করে দেন। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/২৫৯)। অন্য একটি বর্ণনা মতে, আমের ছিলেন হযরত আয়িশার বৈপিত্রীয় ভাই ইযদ গোত্রের তুফাইল ইবন আবদিল্লাহর দাস। হযরত সিদ্দীকে আকবর রা: হিজরাতের পূর্বে যাদের দাসত্ব থেকে মুক্ত করেন ‘আমের ইবন ফুহাইরা তাদের মধ্যে সপ্তম ব্যক্তি। (সীরাতু ইবন হিশাম-১/৩১৮)। হযরত রাসূলে কারীম সা: মক্কায় হযরত আরকামের গৃহে আশ্রয় গ্রহণের পূর্বেই ইসলামের সেই সূচনালগ্নে ‘আমের ইবন ফুহাইরা তাওহীদের দাওয়াত কবুল করেন। একে তো অসহায় দাস, তার ... Read more - [‘উতবা ইবন গাযওয়ান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/utbah-ibn-ghazwan/): নাম উতবা, ডাক নাম আবু আবদিল্লাহ। পিতা গাযওয়ান ইবন জাবির। ‍জাহিলী যুগে তার গোত্র বনী নাওফাল ইবন আবদে মান্নাফের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল। ইসলামের সূচনালগ্নে তাওহীদের আহবানে সাড়া দানকারীদের মধ্যে উতবা অন্য ব্যক্তি। একবার এক ভাষণে তিনি দাবী করেন, তিনি সপ্তম মুসলমান। (উসুদুল গাবা-৩) মক্কায় কাফিরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে হাবশার দ্বিতীয় হিজরাতে শরিক হন। তখন তার বয়স ৪০ বছর। কিছুদিন হাবশায় থাকার পর আবার মক্কায় ফিরে এসে বসবাস করতে থাকেন। হযরত রাসূলে করীম সা: তখনও মক্কায়। (আল ইসতিসাব, উসুদুল গাবা-৩/৩৬৪)। রাসুলুল্লাহ সা: যখন মদীনায় হিজরাত করেন এবং কুফর ও ইসলামের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হলো, তিনি এবং মিকদাদ একটি কুরাইশ বাহিনীর সাথে ... Read more - [হাতিব ইবন আবী বালতা’য়া (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/hatib-ibn-abi-baltaya/): নাম হাতিব, কুনিয়াত আবু মুহাম্মাদ, আবু আবদিল্লাহ। পিতার নাম আবু বালতা’য়া আমর। তাঁর বংশ পরিচয় ও মক্কায় উপস্থিতির ব্যাপারে সীরাত লেখকদের মতভেদ আছে। সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য মতে পিতৃ-পুরষের আদি বাসস্থান ইয়ামান। বনী আসাদ, অত:পর যুবাইর ইবনুল আওয়ামের হালীফ বা চুক্তিবদ্ধ হয়ে তারা মক্কায় বসবাস করতো। আবার কেউ বলেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে হুমাইদের দাস ছিলেন। মুকাতাবা বা চুক্তির ভিত্তিতে অর্থ পরিশোধ করে দাসত্ব থেকে মুক্তি লাভ করেন। (উসুদুল গাবা-১/৩৬১)। মারযুবানী তাঁর মুজামুশ শু’য়ারা গ্রন্থে বলেন, “তিনি জাহিলী যুগে কুরাইশদের অন্যতম খ্যাতিমান ঘোড় সাওয়ার ও কবি ছিলেন”। (আল ইসাবা-১/৩০০) হিজরাতের পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং মদীনা ইসলামের কেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর তাঁর দাস সা’দকে ... Read more - [সালেম মাওলা আবী হুজাইফা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/salem-mawla-abi-huzaifa/): হযরত রাসূলে কারীম(সা) একদিন সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন, “তোমরা কুরআন শেখ চার ব্যক্তির নিকট থেকেঃ আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, সালেম মাওলা আবী হুজাইফা, উবাই ইবনে কা’ব ও মুয়ায ইবনে জাবাল।” কে এই সালেম মাওলা আবী হুজাইফা- যাকে কুরআন শিক্ষার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ(সা) নির্ভরযোগ্য বলে ঘোষণা করেছেন? তাঁর নাম সালেম, কুনিয়াত আবু আব্দুল্লাহ। পিতার নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। ইবন মুন্দাহ বলেছেন, ‘উবায়েদ ইবনে রাবী’য়া। আবার কারো কারো মতে, মা’কাল। ইরানী বংশোদ্ভূত। পারস্যের ইসতাখরান তাঁর পূর্বপুরুষের আবাসভূমি। হযরত সুবাইতা বিনতু ইউ’য়ার আল আনসারিয়্যার দাস হিসেবে মদীনায় পৌছেন। হযরত সুবাইতা ছিলেন আবী হুজাইফার(রা) স্ত্রী। সুবাইতা তাকে নিঃশর্ত আযাদ করে দিলে আবু হুজাইফা তাকে ছেলে হিসেবে গ্রহণ করেন। ... Read more - [আবু হুজাইফা ইবন উতবা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/abu-hudhayfa-ibn-utbah/): নাম আবু হুজাইফা হাশীম, মতান্তরে হাশেম, পিতা উতবা, মাতা ফাতিমা বিনতু সাফওয়ান এবং ডাকনাম উম্মু সাফওয়ান। কুরাইশ গোত্রের সন্তান। আবু হুজাইফা সাবেকীনে ইসলাম অর্থাৎ প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম ব্যক্তি। তাঁর পিতা উতবা ইসলামের চরম দুশমন কুরাইশ নেতৃবৃন্দের এক প্রধান পুরুষ। ইসলামের বিরোধিতায় সে তার জীবন উৎসর্গ করেছিল। কিন্তু আল্লাহর কি মহিমা, তারই পুত্র আবু হুজাইফা ইসলামের দাওয়াত গ্রহণ করতে মোটেও বিলম্ব করেননি। মক্কায় রাসূলুল্লাহ (সা) হযরত আরকাম ইবন আবিল আরকামের গৃহে আশ্রয় নেওয়ার পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহণের গৌরব অর্জন করেন এবং আরো অনেকের মত কুরাইশদের হাতে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন। (উসুদুল গাবা-৫/১৭০) ইবন ইসহাক বলেন, তিনি তেতাল্লিশ (৪৩) জনের পর ... Read more - [মুগীরা ইবন শু’বা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/08/mughira-ibn-shuba/): নাম আবু আবদিল্লাহ মুগীরা, পিতা শু’বা ইবন আবী আমের। আবু আবদিল্লাহ ছাড়াও আবু মুহাম্মাদ ও আবু ঈসা তাঁর কুনিয়াত। বনী সাকীফ গোত্রের সন্তান। তাঁর মা উমামা বিনতু আফকাম বনী নাসের ইবন মুয়াবিয়া গোত্রের কন্যা। হিজরী পঞ্চম সনে খন্দক যুদ্ধের বছর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ঐ বছরই মক্কা থেকে মদীনায় হিজরাত করে রাসূলুল্লাহর (সা) সাহচর্যে অবস্থান করতে থাকেন। (আল-ইসাবা-৩/৪৫২, উসূদুল গাবা-৪/৪০৬, আল-ইসতিয়াব) হযরত রাসূলে কারীমের (সা) সাথে মুগীরার সর্বপ্রথম কখন পরিচয় হয় সে সম্পর্কে একটি ঘটনা বায়হাকী বর্ণনা করেছেন। মুগীরা বলেনঃ আমি প্রথম যেদিন রাসূলুল্লাহর সাথে পরিচিত হই, সেদিন আবু জাহল ও আমি মক্কার এক ছোট্ট গলিপথ দিয়ে হাঁটছিলাম। এমন সময় রাসূলুল্লাহর ... Read more - [খাব্বাব ইবনুল আরাত (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/khabbab-ibn-al-arat/): নাম খাব্বাব, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ, পিতার নাম আরাত। তাঁর বংশ সম্পর্কে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন, তিনি বনু তামীম, আবার কেউ বলেছেন, বনু খুযা’য়া গোত্রের সন্তান। তবে সহীহ মতানুযায়ী তিনি বনু তামীম গোত্রের সন্তান। (সীরাত ইবন হিশাম-১/২৫৪) শৈশবে তিনি দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়েন। তাঁর দাসত্বের কাহিনী ইতিহাসে এভাবে বর্ণিত হয়েছেঃ বনু খুযা’য়া গোত্রের উম্মু আনমার নাম্মী এক মহিলা মক্কার দাস কেনা-বেচার বাজারে গেল। তার উদ্দেশ্য, সে সুস্থ ও তাজা-মোটা দেখে এমন একটি দাস কিনবে, যে তার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করতে পারবে। বাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনীত দাসদের চেহারা সে গভীরভাবে দেখতে লাগলো। অবশেষে সে একটি কিশোর দাস নির্বাচন করলো, যে তখনও যৌবনে ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন হুজাফাহ আস-সাহমী-(রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/abdullah-ibn-hujafah-as-sahmi/): আবু হুজাফাহ আবদুল্লাহ নাম। পিতার নাম হুজাফাহ। কুরাইশ গোত্রের বনী সাহম শাখার সন্তান। ইসলামী দাওয়াতের প্রথম ভাগে মুসলমান হন এবং দীর্ঘদিন যাবত হযরত রাসূলেপাকের (সা) সাহচর্যে অবস্থান করেন। তাঁর ভাই কায়েস ইবন হুজাফাহকে সঙ্গে করে হাবশাগামী মুহাজিরদের দ্বিতীয় কাফিলার সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। (আল-ইসতিয়াব) একমাত্র বদর ছাড়া সকল যুদ্ধেই তিনি রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে শরিক হন। আবু সাঈদ আল খুদরী (রা) তাঁকে ‘বদরী’ বা বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বলে উল্লেখ করেছেন। তবে মুসা বিন উকবা, ইবন ইসহাক ও অন্যরা তাঁকে ‘বদরী’ বলে উল্লেখ করেননি। (আল-ইসতিয়াব) রাসূলুল্লাহ (সা) তাঁকে একটি অভিযানের আমীর বানিয়ে পাঠান। যাত্রার প্রাক্কালে তাঁর অধীনস্থ সৈনিকদের রাসূল (সা) নির্দেশ দেন, কক্ষণো ... Read more - [খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/khalid-ibn-al-waleed/): নাম আবু সুলাইমান খালিদ, লকব সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি)। পিতা ওয়ালীদ ইবনুল মুগীরা এবং মাতা লুবাবা আস-সুগরা, উম্মুল মুমিনীন হযরত মাইমুনা বিনতুল হারিস ও হযরত আব্বাস ইবন আবদিল মুত্তালিবের স্ত্রী লুবাবা আল-কুবরার বোন। রাসূলুল্লাহ (সা) ও হযরত আব্বাস (রা) তাঁর খালু। (উসুদুল গাবা-২/৯৩) তাঁর খান্দান ছিল জাহিলী আরবের কুরাইশদের মধ্যে অতি সম্ভ্রান্ত। কুব্বা ও আয়িন্না (সৈন্য ও সেনা ক্যাম্পের পরিচালন দায়িত্ব) –এ দু’টি দায়িত্ব ছিল তাঁর খান্দানের ওপর। ইসলামের অভ্যুদয়ের সময় খালিদ ছিলেন এই পদে অধিষ্ঠিত। (আল-ইসতিয়াব-১/১৫৭) হুদাইবিয়ার সন্ধির প্রাককালে মুসলমানদের গতিবিধি লক্ষ্য করার জন্য কুরাইশদের যে দলটি মক্কা থেকে বের হয়েছিল, তার নেতা ছিলেন খালিদ। উহুদ যুদ্ধে বীরত্বের সাথে মুসলিম বাহিনীর ... Read more - [আমর ইবনুল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/amr-ibnul-as/): আমর নাম, আবু আবদিল্লাহ ও আবু মহাম্মাদ কুনিয়াত। পিতা আস ও মাতা নাবিগা। তাঁর বংশের উর্ধপুরুষ কা’ব ইবন লুই-এর মাধ্যমে রসূলুল্লাহর (সা) নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। জাহিলী যুগেই আমর ইবনুল আসের খান্দান-‘বনু সাহম’ সম্ভ্রান্ত খান্দান হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। কুরাইশদের ঝগড়া-বিবাদের সালিশ-মিমাংসার দায়িত্ব এই খান্দানের ওপর অর্পিত হত। তাঁর জম্ম ও শৈশবকাল সম্পর্কে বিশেষ কোন তথ্য পাওয়া যায় না। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে পর্যন্ত তিনি ছিলেন কট্টর ইসলাম-দুশমন। কুরাইশ নেতৃবৃন্দের সাথে একাত্ম হয়ে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরোধিতায় তাঁর ছিল দারুণ উৎসাহ। বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহর (সা) চরম শত্রু কুরাইশদের তিন প্রধান পুরুষের একজন ছিলেন তিনি। যাদের বুরুদ্ধে শেকায়েত করে রাসূলুল্লাহ (সা) আল্লাহর ... Read more - [মিকদাদ ইবন ’আমর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/07/miqdad-ibn-amr/): নাম মিকদাদ, কুনিয়াত আবুল আসওয়াদ, আবু ’আমর ও আবু সাঈদ। পিতা ’আমর ইবন সা’লাবা। তাঁর পিতৃ পুরুষের আদি বাসস্থান ‘বাহারা’। ইবনুল কালবী বর্ণনা করেন, মিকদাদের পিতা ’আমর তাঁর গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে ‘কিসাস’ বা প্রতিশোধের ভয়ে ‘হাদরামাউতেই’ পালিয়ে যান এবং কিন্দার সাথে মৈত্রী চুক্তি করেন। এ কারণে তাঁকে ‘কিন্দী’ বলা হয়। তিনি হাদরামাউতের এক নারীকে বিয়ে করেন এবং তার গর্ভেই ‘মিকদাদ’ জম্মগ্রহণ করেন। এই হাদরামাউতেই মিকদাদ বেড়ে ওঠেন। এখানে আবু শাম্মার ইবন হাজার আল কিন্দী নামক এক ব্যক্তির সাথে তাঁর ঝগড়া হয় এবং তরবারির এক আঘাতে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। অতঃপর পালিয়ে মক্কায় চলে যান। মক্কায় তিনি আল-আসওয়াদ ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনিল আস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-amr-ibnil-as/): নাম আবদুল্লাহ, কুনিয়াত আবু মুহাম্মাদ, আবু আবদির রহমান ও আবু নুসাইর। তবে প্রথমোক্ত কুনিয়াত দু’টি সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। পিতা প্রখ্যাত সেনানায়ক ও কূটনীতিবিদ হযরত ‘আমার ইবনুল’ আস (রা) ও মাতা রীতা বিনতু মুনাববিহ। বর্ণিত আছে, আবদুল্লাহর ইসলাম-পূর্ব নাম ‘আল-আস’ (পাপী, অবাধ্য)। আবু যারয়া তাঁর তারীখে উল্লেখ করেছেন, একটি জানাযার অনুষ্ঠানে রাসূল (সা) তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘তোমার নাম কি?’ তিনি যখন বললেন, ‘আল-আস’, আসূল (সা) তখন বললেন, না, আজ থেকে তোমার নাম হবে ‘আবদুল্লাহ’। সেই দিন থেকে ‘আল-আস’ হলেন আবদুল্লাহ। ইবন সা’দ বলেন, আবদুল্লাহ তাঁর পিতা আমর ইবনুল আসের পূর্বেই ইসলাম গ্রহণ করেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, পুত্র আবদুল্লাহ অপেক্ষা পিতা আমরের বয়স ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন জাহাশ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-jahash/): নাম আবদুল্লাহ, আবু মুহাম্মাদ কুনিয়াত। পিতা জাহাশ, মাতা উমায়মা। বিভিন্ন দিক দিয়ে রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্ক। মা উমায়মা বিনতু আবদিল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহর (সা) ফুফু। বোন উম্মুল মু’মিনীন হযরত যয়নাব বিনতু জাহাশ রাসূলুল্লাহর (সা) স্ত্রী। তাই একাধারে তিনি রাসূলুল্লাহর (সা) ফুফাতো ভাই ও শ্যালক। তাঁর জম্ম সন সম্পর্কে ইতিহাসে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে হিজরী তৃতীয় সনে উহুদের যুদ্ধে শাহাদাত বরণের সময় তাঁর বয়স হয়েছিল চল্লিশ বছরের কিছু বেশী। এ তথ্যের উপর ভিত্তি করে বলা যায় রাসূলুল্লাহর (সা) নবুয়াত লাভের চব্বিশ/পঁচিশ বছর পূর্বে তিনি মক্কায় জম্ম গ্রহণ করেন। জাহিলী যুগে তিনি হারব ইবন উমাইয়্যার হালীফ (মৈত্রী বন্ধনে আবদ্ধ) ছিলেন। ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abdullah-ibn-umar/): আবদুল্লাহ নাম, কুনিয়াত আবু আবদির রহমান। পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব, মাতা যায়নাব। সঠিক বর্ণনা মতে হিজরী তৃতীয় সনে উহুদ যুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল চৌদ্দ বছর। এই হিসাবে নবওয়াতের দ্বিতীয় বছরে তার জম্ম। নবওয়াতের ষষ্ঠ বছরে হযরত্ন উমার যখন ইসলাম গ্রহণ করেন, তখন আবদুল্লাহর বয়স প্রায় পাঁচ। বুদ্ধি হওয়ার পব থেকেই আবদুল্লাহ নিজের বাড়ীটি ইসলামের আলোকে আলোকিত দেখতে পান। ইসলামী পরিবেশেই তিনি বেড়ে ওঠেন। অবশ্য কোন কোন বর্ণনা মতে, পিতার পূর্বেই তিনি ইসলাম গ্রহন করেন। তবে সঠিক মত এই যে, পিতার ইসলাম গ্রহণের সময় তিনি অল্প বয়স্ক। অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তান হিসাবে তিনিও পিতার ধর্মানুসারী হয়ে যান। হযরত উমার (রা) কাফিরদের অত্যাচারে ... Read more - [উসমান ইবন মাজউন (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/uthman-ibn-majoon/): নাম উসমান, কুনিয়াত আবু সায়িব। পিতা মাজউন, মাতা সুখাইলা বিনতু উনাইস। জাহিলী যুগেও তিনি অত্যন্ত পূতঃ পবিত্র স্বভাব-প্রকৃতির অধিকারী ছিলেন। স যুগের বিপুল সংখ্যক লোক মদ পানে অভ্যস্ত ছিল। কিন্তু তিনি তা একবারও স্পর্শ করেননি। যারা মদপান করতো, তাদেরকে তিনি বলতেন, এমন জিনিস পান করে কী লাভ যাতে মানুষের বুদ্ধি লোপ পায়, নীচ শ্রেণীর লোকের হাসির পাত্রে অরিণত হতে হয় এবং নেশা অবস্থায় মা-বোনের কোন বাছ-বিচার থাকেনা? তাঁর অন্তরটিও ছিল দারুণ স্বচ্ছ। রাসূলুল্লাহর (সা) দাওয়াত খুব দ্রুত তাঁকে প্রভাবিত করে। সীরাত লাখকদের মতে তাঁর পুর্বে মাত্র তের ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি হলেন চৌদ্দতম মুসলমান। ইবন সা’দের একটি বর্ণনায় জানা যায়, ... Read more - [আম্মার ইবন ইয়াসির (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/ammar-ibn-yasir/): নাম ‘আম্মার, কুনিয়াত ‘আবুল ইয়াকজান’। পিতা ইয়াসির, মাতা সুমাইয়্যা। পিতা কাহতান বংশের সন্তান। আদি বাসস্থান ইয়ামন। তাঁর এক ভাই হারিয়ে যায়। হারানো ভাইয়ের খোঁজে অন্য দু’ভাই হারিস ওমালিককে সংগে করে তিনি মক্কায় পৌঁছেন। অন্য দু’ভাই ইয়ামন ফিরে গেলেও ইয়াসির একা মক্কায় থেকে যান। মক্কার বনী মাখযুমের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আবু হুজাইফা মাখযুমির ‘সুমাইয়্যা’ নাম্নী এক দাসীকে বিয়ে করেন। এই সুমাইয়্যার গর্ভেই হযরত আম্মার জম্মগ্রহণ করেন। আবু হুজাইফা শিশুকালেই আম্মারকে আযাদ করে দেন এবং আমরণ পিতা-পুত্রের মত দু’জনের সম্পর্ক বজায় রাখেন। হযরত আম্মার ও হযরত সুহাইব ইবন সিনান দু’জনই একই সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন। আম্মার বলেনঃ ‘আমি সুহাইবকে আরকামের বাড়ীর দরযায় দাঁড়িয়ে ... Read more - [সুহাইব ইবন সিনান আর-রুমী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/suhaib-ibn-sinan-ar-rumi/): নাম ‘সুহাইব, কুনিয়াত আবু ইয়াহইয়া। পিতা সিনান, মাতা সালমা বিনতু কাঈদ। পিতা আরবের বনী নুমাইর এবং মাতা বনী তামীম খান্দানের সন্তান। তাঁকে রুমী বা রোমবাসী বলা হয়। আসলে তিনি কিন্তু রোমবাসী ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন আরব। রাসূলুল্লাহর (সা) নবুওয়াত প্রপ্তির আনুমানিক দ’দশক পূর্বে পারশ্য সাম্রাটের প্রতিনিধি হিসাবে তার পিতা সিনান ইবনে মালিক বসরার এক প্রচীন শহর ‘উবুল্লার’ শাসক ছিলেন। সুহাইব ছিলেন পিতার প্রিয়তম সন্তান। তাঁর মা সুহাইবকে সংগে করে আরো কিছু লোক লস্করসহ একবার ইরাকের ‘সানিয়্যা’ নামক পল্লীতে বেড়াতে যান। হঠাৎ এক রাতে রোমান বাহিনী অতর্কিতে পল্লীটির ওপর আক্রমন করে ব্যাপক হত্যাও লুটতরাজ চালায়। নারী ও শিশুদের বন্দী করে দাস ... Read more - [আবু মুসা আল আশয়ারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/06/abu-musa-al-ashari/): আব্দুল্লাহ নাম, আবু মুসা কুনিয়াত। কুনিয়াত দ্বারাই তিনি অধিক পরিচিত। পিতা কায়েস, মাতা তাইয়েব্র। তার ইসলাম পূর্ব জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। এতটুকু জানা যায় যে, তিনি ইয়ামানের অধিবাসী ছিলেন। তথাকার আল আশয়ার গোত্রের সন্তার হওয়ায় তিনি আল আশয়ারী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। হযরত আবু মুসা ইসলামের পরিচয় লাভ করে ইয়ামান থেকে মক্কায় আসেন এবং রাসূলুল্লাহ (সা) এর হাতে বাইয়াত হন। মক্কার আবদু শামস গোত্রের সাথে বন্ধু সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিছুদিন মক্কায় অবস্থানের পর স্বদেশবাসীকে ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইয়ামান ফিরে যান। হযরত আবু মুসা ছিলেন তার খান্দানের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। খান্দানের লোকেরা খুব দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে দাওয়াতে সাড়া দেয়। ... Read more - [মুসয়াব ইবন ’উমাইর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/musab-ibn-umair/): নাম মুসয়াব, কুনিয়াত আবু মুহাম্মদ। ইসলাম গ্রহণের পর লকব হয় মুসয়াব আল-খায়ের। পিতা ’উমাইর এবং মাতা খুনাস বিনতু মালিক। পিতা-মাতার পরম আদরে ঐশ্বর্যের মধ্যে লালিত মক্কার অন্যতম সুদর্শন যুবক ছিলেন তিনি। মা সম্পদশালী হওয়ার কারণে অত্যন্ত ভোগ বিলাসের মধ্যে তাঁকে প্রতিপালন করেন। তখনকার যুগে মক্কার যত রকমের চমৎকার পোশাক ও উৎকৃষ্ট খুশবু পাওয়া যেত সবই তিনি ব্যবহার করতেন। রাসূলুল্লাহর সা. সামনে কোনভাবে তাঁর প্রসংগ উঠলে বলতেনঃ ‘মক্কায় মুসয়াবের চেয়ে সুদর্শন এবং উৎকৃষ্ট পোশাকধারী আর কেউ ছিল না।’ (তাবাকাত) ঐতিহাসিকরা বলেছেনঃ ‘তিনি ছিলেন মক্কার সর্বোৎকৃষ্ট সুগন্ধি ব্যবহারকারী।’ সৌন্দর্য্য, সুরুচি ও সৎ স্বভাবের সাথে সাথে আল্লাহ তা’আলা তাঁর অন্তরটি দারুণ স্বচ্ছ করে তৈরী করেছিলেন। তাওহীদের ... Read more - [আসমা’ বিনত আবী বকর (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/asma-bint-abi-bakr/): হযরত রাসূলে কারীমের (সা) জীবনকালের অন্তরঙ্গ বন্ধু, ওফাতের পর তাঁর প্রথম খলীফা হযরত আবূ বকর সিদ্দীক (রা) হযরত আসমার (রা) পিতা। মাতা কুতাইলা বিনত ‘আবদিল ‘উযযা। এই ‘আবদুল ‘উযযা ছিলেন কুরায়শ বংশের একজন বিখ্যাত সম্মানীয় নেতা। আবূ বকরের (রা) সম্মানিত পিতা আবূ কুহাফা বা আবূ ‘আতীক তাঁর পিতামহ। ‘আবদুল্লাহ ইবন আবী বকর তাঁর সহোদর ভাই ও উম্মুল মু‘মিনীন হযরত ‘আয়িশা (রা) সৎ বোন। রাসূলুল্লাহর (সা) হাওয়ারী তথা বিশেষ সাহায্যকারী যুবায়র ইবনুল ‘আওয়াম (রা) স্বামী এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে শহীদ হযরত ‘আবদুল্লাহর ইবন যুবায়র (রা) তাঁর পুত্র। হিজরাতের ২৭ (সাতাশ) বছর পূর্বে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তখন তাঁর পিতা হযরত আবূ বকর ... Read more - [ইকরিমা ইবন আবী জাহল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/ikrima-ibn-abi-jahl/): রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর সম্পর্কে বলেনঃ ‘শিগগিরই ইকরিমা কুফর ত্যাগ করে মুমিন হিসেবে তোমাদের কাছে আসছে। তোমরা তার পিতাকে (আবু জাহল) গালি দেবেনা। কারণ মৃতকে গালি দিলে জীবিতদের মনোকষ্টের কারণ হয় এবং মৃতের কাছে তা পৌঁছেনা।’ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সা. যখন মক্কায় দ্বীনের দাওয়াত দিতে শুরু করেন তখন ইকরিমার বয়সের তৃতীয় দশকটি শেষ হতে চলেছে। কুরাইশদের মধ্যে বংশের দিক দিয়ে তিনি ছিলেন সর্বাধিক সম্মানিত ও ধনশালী। মক্কার সম্ভ্রান্ত গৃহের সন্তান সা’দ ইবন আবী ওয়াক্কাস, মুস’য়াব ইবন উমাইর প্রমুখে রমত তাঁরও উচিত ছিল প্রথম স্তরেই ইসলাম গ্রহণ করা। কিন্তু তাঁর পিতার জন্য তা সম্ভব হয়নি। তাঁর পিতা আবু জাহল ছিল মক্কার সবচেয়ে বড় ... Read more - [সুরাকা ইবন মালিক (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/suraqah-ibn-malik/): কুরাইশদের মাঝে যখন এ কথাটি ছড়িয়ে পড়লো যে, মুহাম্মাদ সা. মক্কায় নেই তখন একদিকে যেমন কুরাইশ নেতৃবৃন্দ খবরটি বিশ্বাসই করত পারছিলনা, অন্য দিকে মক্কায় একটি ভীতির ভাবও ছড়িয়ে পড়ে। সাথে সাথে তারা বনু হাশিমের প্রতিটি বাড়ীতে তল্লাশী শুরু করে দেয়। মুহাম্মাদের সা. ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বাড়ী-ঘর তল্লশী করতে করতে তারা আবু বকরের বাড়ীতে উপস্থিত হয়। তাদের সাড়া পেয়ে আবু বকরের মেয়ে আসমা বেরিয়ে আসেন। কুরাইশ নেতা আবু জাহল তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, ‘তোমার আব্বা কোথায়?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘তিনি এখন কোথায় তাতো আমি জানিনা।’ নরাধম আবু জাহল আসমার গালে সজোরে এক থাপ্পড় বসিয়ে দিলে তাঁর কানের দুলটি ছিট্‌কে পড়ে এবং তিনিও মাটিতে  লুটিয়ে ... Read more - [সাঈদ ইবন ’আমের আল–জুমাহী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/05/saeed-ibn-amer-al-jumahi/): ঐতিহাসিকরা বলেছেনঃ সাঈদ ইবন ’আমের এমন ব্যক্তি যিনি দুনিয়ার বিনিময়ে আখিরাত খরিদ করে নেন এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে সা. অন্য সব কিছুর ওপর প্রাধান্য দান করেন। তাঁর পিতার নাম ’আমের এবং মাতা আরওয়া বিনতু আবী মুয়ীত। খাইবার বিজয়ের পূর্বে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। মক্কার কুরাইশরা ধোঁকা দিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. সাহাবী খুবাইব ইবন আদীকে রা. বন্দী করে মক্কায় নিয়ে আসে এবং সমবেত জনমণ্ডলীর সামনে প্রকাশ্যে জীবিত অবস্থায় অত্যন্ত নৃশংসভাবে তাঁর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে তাঁকে শুলবিদ্ধ করে। এ হৃদয় বিদারক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য মক্কায় ঢেড়া পিটিয়ে দেওয়া হয়। এ দৃশ্য দেখার জন্য মক্কার তানয়ীম এলাকা থেকে আগত লোকদের মধ্যে সাঈদ ইবন ’আমের ... Read more - [তুফাইল ইবন ’আমর আদ–দাওসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/tufail-ibn-amr-ad-dawsi/): নাম তাঁর তুফাইল। ‘যুন-নূর’ উপাধি। ‘দাওস’ গোত্রের সন্তান হওয়ার কারণে দাওসী বলা হয়। কবীলা-দাওস ইয়ামনে বসবাসকালী একটি শক্তিশালী গোত্র। তিনি ছিলেন এ গোত্রের ‘রয়িস’ বা সরদার। ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল তাঁর পেশা। এ কারণে মাঝে মধ্যে তাঁকে মক্কায় আসা-যাওয়া করতে হতো। তুফাইল ছিলেন জাহিলী যুগের আরবের সম্ভ্রান্ত ও আত্মমর্যাদাশীল ব্যক্তিবর্গের অন্যতম। তাঁর ‍চুলো থেকে হাঁড়ি কখনো নামতো না। অতিথির জন্য তাঁর বাড়ীর দরজা থাকতো সর্বদা উন্মুক্ত। তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধা, প্রখর বুদ্ধিমত্তা, সহজাত কাব্য প্রতিভা ও সূক্ষ্ণ অনুভূতির অধিকারী। ভাষার মধুরতা, তিক্ততা ও ভাষার ইন্দ্রজাল সম্পর্কে তিনি ছিলেন সুবিজ্ঞ। একবার তুফাইল ইবন ’আমর ব্যবসা উপলক্ষে তাঁর গোত্রের আবাসস্থল তিহামা অঞ্চল থেকে মক্কায় উপস্থিত ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/abdullah-ibn-umm-maktoum/): মুয়ায্‌যিনুর রাসূল হযরত আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম সেই মহান সাহাবী যাঁর জন্য সপ্তম আকাশের ওপর থেকে নবী করীমকে সা. তিরস্কার করা হয়েছে এবং যাঁর শানে আল্লাহর নিকট থেকে হযরত জিবরীল আ. অহী নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নিকট অবতরণ করেছেন। তিনি সেই গর্বিত মহাপুরুষ যাঁর সম্পর্কে আল-কুরআনের সর্বমোট ষোলটি আয়াত নাযিল হয়েছে। মদীনাবাসীরা তাঁকে ডাকতেন আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম বলে। তবে ইরাকীদের নিকট তিনি ‘উমার ইবন উম্মে মাকতুম’ নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন মক্কার কুরাইশ গোত্রের সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. সাথে তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্কও ছিল। তিনি ছিলেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদীজা বিনতু খুওয়ালিদের মামাতো ভাই। তাঁর পিতা কায়েস বিন যায়িদ ও মাতা আতিকা বিনতু আবদিল্লাহ। ... Read more - [উসামা ইবন যায়িদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/usama-ibn-zayd/): হিজরাতের পূর্বে মক্কায় নবুওয়াতের সপ্তম বছর চলছে। রাসূলুল্লাহ সা. ও তাঁর সাহাবীরা তখন কুরাইশদের চরম বাড়াবাড়ির শিকার। ইসলামী দাওয়াতের কঠিন দায়িত্ব ও বোঝা পালন করতে গিয়ে পদে পদে তিনি নানা রকম দুঃখ বেদনা ও মুসীবতের সম্মুখীন হচ্ছেন। এমন সময় তাঁর জীবনে একটু খুশির আলোক আভা দেখা দিল। সুসংবাদ দানকারী খুশীর বার্তা নিয়ে এলো, ‘উম্মু আয়মন’ একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন। রাসূলুল্লাহর সা. পবিত্র মুখমণ্ডল আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠলো। সেই সৌভাগ্যবান নবজাতক, যার ধরাপৃষ্ঠে আগমণ সংবাদে আল্লাহর রাসূল সা. এত উৎফুল্ল হয়েছিলেন, তিনি উসামা ইবন যায়িদ। শিশুটির ভূমিষ্ঠ হওয়ার সংবাদে রাসূলুল্লাহর সা. এত উৎফুল্ল হওয়াতে সাহাবীরা কিন্তু বিস্মিত হননি। কারণ, রাসূলুল্লাহর সা. ... Read more - [সালমান আল–ফারেসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/salman-al-farisi/): রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘সালমান নবী পরিবারেরই একজন।’ এটি একজন সত্য-সন্ধানী ও আল্লাহকে পাওয়ার অভিলাষী এক ব্যক্তির জীবন কথা। তিনি হযরত সালমান আল-ফারেসী। সালমান আল-ফারেসীর যবানেই তাঁর সেই সত্য প্রাপ্তির চমকপ্রদ বর্ণনা রয়েছে। তিনি বলেনঃ আমি তখন পারস্যের ইসফাহার অঞ্চলের একজন পারসী নওজোয়ান। আমার গ্রামটির নাম ‘জায়্যান’। বাবা ছিলেন গ্রামের দাহকান-সর্দার। সর্বাধিক ধনবান ও উচ্চ মর্যাদার অধিকারী। জন্মের পর থেকেই আমি ছিলাম তাঁর কাছে আল্লাহর সৃষ্টিজগতের মধ্যে সবচে বেশি প্রিয়। আমার বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার প্রতি তাঁর স্নেহ ও ভালবাসাও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে কোন অমঙ্গলের আশংকায় তিনি আমাকে মেয়েদের মত ঘরে আবদ্ধ করে রাখেন। আমার বাবা-মার মাজুসী ধর্মে আমি কঠোর ... Read more - [আবু যার আল–গিফারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/04/abu-dharr-al-ghiffari/): বাইরের জগতের সাথে মক্কার সংযুক্তি ঘটিয়েছে যে ‘অদ্দান’ উপত্যকাটি, সেখানেই ছিল ‘গিফার’ গোত্রের বসতি। মক্কার কুরাইশদের বাণিজ্য কাফিলা ওখান দিয়ে সিরিয়া যাতায়াত করত। এসব  কাফিলার নিরাপত্তার বিনিময়ে যে সামান্য অর্থ লাভ করতো তা দিয়েই তারা জীবিকা নির্বাহ করতো। ডাকাতি, রাহাজানিও ছিল তাদের পেশা। যখন কোন বাণিজ্য কাফিলা তাদের দাবী অনুযায়ী খাদ্যসামগ্রী বা অর্থ আদায় করত না তখন তারা লুটতরাজ চালাতো। জুনদুন ইবন জুনাদাহ, আবু যার নামেই যিনি পরিচিত- তিনিও ছিলেন এ কবীলারই সন্তান। বাল্যকাল থেকেই তিনি অসীম সাহস, প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও দূরদৃষ্টির জন্য ছিলেন সকলের থেকে স্বতন্ত্র। জাহিলী যুগে জীবনের প্রথম ভাগে তাঁর পেশাও ছিল রাহাজানি। ‘গিফার’ গোত্রের একজন দুঃসাহসী ডাকাত ... Read more - [আবু হুরাইরা আদ–দাওসী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abu-huraira-ad-dawsi/): আবু হুরাইরা, এ নামটি জানে না মুসলিম জাতির মধ্যে এমন কেউ কি আছে? ইসলামপূর্ব জাহিলী যুগে লোকে তাঁকে ডাকতো- ‘আবদু শামস’ বলে। পরবর্তীকালে আল্লাহ তা’আলা যখন ইসলামের দিকে হিদায়াত দান করে তাঁর ওপর অনুগ্রহ করলেন এবং রাসূলুল্লাহর সা. সাথে সাক্ষাৎ দানে মাধ্যমে তাঁকে গৌরবান্বিত করলেন, রাসূল সা. তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘নাম কি?’ তিনি জবাব দিলেন, ‘আবদু শামস (অরুন দাস)।’ রাসূল সা. বললেন, ‘না আজ  থেকে তোমার নাম আবদুর রহমান।’ আবু হুরাইরা রা. বললেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার নামে কোরবান হোক। আমার নাম আজ  থেকে আবদুর রহমান-ই হবে।’ ‘আবু হুরাইরা’ তাঁর কুনিয়াত বা উপনাম। ছোট বেলায় একটি বিড়াল শাবকের সাথে তিনি ... Read more - [আল–আরকাম ইবন আবিল আরকাম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/al-arqam-ibn-abil-arqam/): নাম আবু আবদিল্লাহ আল আরকাম। পিতা আবূল আরকাম আবদু মান্নাফ, মাতা উমাইমা। হযরত আরকামের খান্দান জাহিলী যুগের আরবে বিশেষ মর্যাদা ও ক্ষমতার অধিকারী ছিল। তাঁর দাদা আবু জুনদুব আসাদ ইবন আবদিল্লাহ তার যুগে মক্কার একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন। হযরত আরকাম এগারো অথবা বারো জনের পরে ইসলাম গ্রহণ করেন। আল–বিদায়া গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, হযরত আবু বকর ইসলাম গ্রহণের পর উসমান ইবন আফ্‌ফান, তালহা ইবন উবাইদিল্লাহ, যুবাইর ইবনুল আওয়াম ও সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাসের নিকট ইসলামের দাওয়াত পেশ করেন। তাঁরা সকলে সাথে সাথে এ দাওয়াত কবুল করেন। পরদিন তিনি উসমান ইবন মাজউন, আবু উবাইদা এবং আল-আরকাম ইবন আবিল আরকামকে নিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. খিদমতে হাজির হন। ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abdullah-ibn-masud/): রাসূলুল্লাহ সা. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. সম্পর্কে বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি বিশুদ্ধভাবে কুরআন পাঠ করে আনন্দ পেতে চায়, যেমন তা অবতীর্ণ হয়েছে- সে যেন ইবন উম্মু আবদের পাঠের অনুসরণে কুরআন পাঠ করে।’ এটা সেই সময়ের কথা যখন তিনি একজন কিশোর মাত্র, তখনও যৌবনে পদার্পণ করেননি। কুরাইশ গোত্রের এক সর্দার ’উকবা ইবন আবু মু’ইতের একপাল ছাগল নিয়ে তিনি মক্কার গিরিপথগুলোতে চরিয়ে বেড়াতেন। লোকের তাঁকে ‘ইবন উম্মু আবদ’ বলে ডাকতো। তবে তাঁর নাম আবদুল্লাহ, পিতার নাম মাসউদ, কুনিয়াত আবু আবদির রহমান এবং মাতার নাম উম্মু আবদ। তাঁর গোত্রে যে একজন নবীর আবির্ভাব ‍ঘটেছে, সে সম্পর্কে নানা খবর এ কিশোর ছেলে সবসময় শুনতেন। তবে অল্প ... Read more - [আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/abdullah-ibn-abbas/): আবদুল্লাহ নাম, আবুল আব্বাস কুনিয়াত। পিতা আব্বাস, মাতা উম্মুল ফাদল লুবাবা। কুরাইশ বংশের হাশেমী শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই এবং উম্মুল মুমিনীন হযরত মায়মুনা রা. তাঁর আপন খালা। মহান সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রা. নানা দিক থেকেই সম্মান ও গৌরবের অধিকারী ছিলেন। রক্ত-সম্পর্কের দিক দিয়ে তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই। অগাধ জ্ঞান পাণ্ডিত্যের জন্য তিনি আরব জাতি তথা উম্মাতে মুহাম্মাদীর ‘হাবর ও বাহর’ (পূণ্যবান জ্ঞানী ও সমুদ্র) উপাধি লাভ করেছিলেন। তাকওয়া ও পরহিযগারীর তিনি ছিলেন বাস্তব নমুনা। তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি দিনে রোযাদার, রাতে ইবাদাত গোযার এবং রাতের শেষে প্রহরে তাওবাহ ও ইসতিগফারকারী। আল্লাহর ভয়ে তিনি এত ... Read more - [যায়িদ ইবন হারিসা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/03/zayd-ibn-haritha/): আবু উসামা যায়িদ নাম। হিব্‌বু রাসূলিল্লাহ (রাসূলুল্লহার প্রীতিভাজন) তাঁর উপাধি, পিতা হারিসা এবং মাতা সু’দা বিনতু সা’লাবা। সু’দা বিনতু সা’লাবা তাঁর শিশু পুত্র যায়িদকে সঙ্গে করে পিতৃ গোত্র বনী মা’নের নিকট যাওয়ার জন্য যাত্রা করলেন। পিতৃ-গোত্রে পৌঁছার পূর্বেই একদিন রাতে বনী কায়নের লুটেরা দল তাঁদের তাঁবু আক্রমণ করে ধন সম্পদ, উট ইত্যাদি লুণ্ঠন এবং শিশুদের বন্দী করে নিয়ে যায়। এই বন্দী শিশুদের মধ্যে তাঁর পুত্র যায়িদ ইবন হারিসাও ছিলেন। যায়িদের বয়স তখন আট বছর। লুটেরা দল তাঁকে বিক্রির উদ্দেশ্যে ‘উকাজ’ মেলায় নিয়ে যায়, হাকীম ইবন হিযাম ইবন খুয়াইলিদ নামে এক কুরাইশ নেতা চার শো’ দিরহামে তাঁকে খরীদ করেন। তাঁর সাথে আরো ... Read more - [জা’ফর ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/jafar-ibn-abi-talib/): আবু আবদিল্লাহ জা’ফর নাম, পিতা আবু তালিব এবং মাতা ফাতিমা। কুরাইশ গোত্রের হাশেমী শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. চাচাত ভাই এবং হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহুর সহোদর। বয়সে আলী রা. থেকে দশ বছর বড়। বনী আবদে মান্নাফের পাঁচ ব্যক্তির চেহারা রাসূলুল্লাহর সা. চেহারার সাথে এত বেশী মিল ছিল যে প্রায়শঃ ক্ষীণ দৃষ্টির লোকেরা তাদের মধ্যে পার্থক্য করতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলতো। সে পাঁচ ব্যক্তি হলেনঃ ১. আবু সুফিয়ান ইবনুল হারিস ইবন আবদিল মুত্তালিব। তিনি একাধারে রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই এবং দুধ ভাইও। ২. কুসাম ইবনুল আব্বাস ইবন মুত্তালিব। তিনিও রাসূলুল্লাহর সা. চাচাতো ভাই। ৩. আস-সায়িব ইবন ’উবায়িদ ইবন আবদে ইয়াযিদ ইবন হাশিম। তিনি ... Read more - [বিলাল ইবন রাবাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/bilal-ibn-rabah/): আবু আবদুল্লাহ বিলাল তাঁর নাম। পিতা রাবাহ এবং মাতা হামামাহ। হাবশী বংশোদ্ভূত ক্রীতদাস। তবে মক্কায় জন্মলাভ করেছিলেন। বনু জুমাহ ছিল তাদের মনিব। হাবশী দাস হিসাবে তাঁর বাহ্যিক রং কালো হলেও অন্তর ছিল দারুণ স্বচ্ছ। আরবের গৌরবর্ণের লোকেরা যখন আভিজাত্যের ও কৌলিণ্যের বিভ্রান্তিতে লিপ্ত হয়ে হকের দাওয়াত অস্বীকার করে চলেছিল, তখনই তাঁর অন্তর ঈমানের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল। অল্প কিছু লোক দাওয়াতে হক কবুল করলেও যে সাত ব্যক্তি প্রকাশ্য ঘোষণার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে এ হাবশী গোলাম অন্যতম। চিরকালই দুর্বলরা অত্যাচার উৎপীড়নের শিকার হয়ে থাকে। বিলালের সামাজিক অবস্থানের কারণে তাঁর ওপর অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট নেমে আসে। শাস্তি ও যন্ত্রণার নানা রকম অনুশীলনের মাধ্যমে ... Read more - [আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/abbas-ibn-abdul-muttalib/): নাম আবুল ফজল আব্বাস। পিতা আবদুল মুত্তালিব, মাতা নাতিলা, মতান্তরে নাসিলা বিনতু খাব্‌বাব। রাসূলুল্লাহর সা. চাচা। তবে দু’জন ছিলেন প্রায় সমবয়সী। ঐতিহাসিকদের ধারণা, সম্ভবতঃ তিনি রাসূলুল্লাহর সা. দুই বা তিন বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছোট বেলায় একবার তিনি হারিয়ে যান। মা মান্নত মানেন, আব্বাস ফিরে এলে কা’বায় রেশমী গিলাফ চড়াবেন। কিছু দিন পর তিনি সহি-সালামতে ফিরে এলে অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে আবদুল মুত্তালিব তাঁর মান্নত পুরা করেন। জাহিলী যুগে তিনি ছিলেন কুরাইশদের একজন প্রতাপশালী রঈস। পুরুষানুক্রমে খানায়ে কা’বার রক্ষণাবেক্ষণ ও হাজীদের পানি পান করানোর দায়িত্ব লাভ করেন। রাসূলুল্লাহ সা. নবুওয়াত লাভ করলেন। মক্কায় প্রকাশ্যে তিনি তাওহীদের দাওয়াত দিতে লাগলেন। হযরত আব্বাস যদিও ... Read more - [হামযা ইবন আবদুল মুত্তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/hamza-ibn-abdul-muttalib/): নাম তাঁর হামযা, আবু ইয়ালা ও আবু ’আম্মারা কুনিয়াত এবং আসাদুল্লাহ উপাধি। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. আপন চাচা। হযরত হামযার জননী হালা বিনতু উহাইব রসূলুল্লাহর সা. জননী হযরত আমিনার চাচাতো বোন। তাছাড়া হামযা ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. দুধ ভাই। আবু লাহাবের দাসী ‘সুওয়াইবা’ তাঁদের দু’জনকে দুধ পান করিয়েছিল। বয়সে তিনি রাসূলুল্লাহর সা. অপেক্ষা দু’বছর মতান্তরে চার বছর বড়। ছোট বেলা থেকেই তরবারি চালনা, তীরন্দাযী ও কুস্তির প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। ভ্রমণ ও শিকারে ছিল তাঁর সীমাহীন আকর্ষণ। জীবনের বিরাট এক অংশ তিনি এ কাজে ব্যয় করেন। বেশ কিছুকাল যাবত মক্কার অলি গলিতে তাওহীদের দাওয়াত উচ্চারিত হচ্ছিলো। তবে হামযার মত সিপাহী-স্বভাব মানুষের ... Read more - [সাঈদ ইবন যায়িদ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/02/saeed-ibn-zayd/): নাম সাঈদ, কুনিয়াত আবুল আ’ওয়ার। পিতা যায়িদ, মাতা ফাতিমা বিন্‌তু বা’জা। উর্ধ্বপুরুষ কা’ব ইবন লুই-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। সাঈদের পিতা যায়িদ ছিলেন জাহিলী যুগের মক্কার মুষ্টিমেয় সৌভাগ্যবান ব্যক্তিদের একজন যাঁরা ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বেই শিরক ও পৌত্তলিকতা থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখেন, সব রকম পাপাচার ও অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকেন। এমন কি মুশরিকদের হাতে যবেহ করা জন্তুর গোশ্‌তও পরিহার করতেন। একবার নবুওয়াত প্রকাশের পূর্বে ‘বালদাহ’ উপত্যকায় রাসূলুল্লাহর সা. সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। রাসূলুল্লাহর সা. সামনে খাবার আনা হলে তিনি খেতে অস্বীকৃতি জানান। যায়িদকে খাওয়ার অনুরোধ করা হলে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদেরকে বলেনঃ ‘তোমাদের দেব-দেবীর নামে যবেহকৃত পশুর ... Read more - [আবু উবাইদা ইবনুল জার্‌রাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/abu-ubaidah-ibn-al-zarrah/): রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেনঃ ‘লিকুল্লি উম্মাতিন আমীনুন, ওয়া আমীনু হাজিহিল উম্মাহ আবু উবাইদা- প্রত্যেক জাতিরই একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছে। আর এ মুসলিম জাতির পরম বিশ্বাসী ব্যক্তি আবু উবাইদা।’ তিনি ছিলেন উজ্জ্বল মুখমণ্ডল, গৌরকান্তি, হালকা পাতলা গড়ন ও দীর্ঘদেহের অধিকারী। তাঁকে দেখলে যে কোন ব্যক্তির চোখ জুড়িয়ে যেত, সাক্ষাতে অন্তরে ভক্তি ও ভালোবাসার উদয় হত এবং হৃদয়ে একটা নির্ভরতার ভাব সৃষ্টি হত। তিনি ছিলেন তীক্ষ্ণ মেধাবী, অত্যন্ত বিনয়ী ও লাজুক প্রকৃতির। তবে যে কোন সংকট মুহূর্তে সিংহের ন্যায় চারিত্রিক দৃঢ়তা তাঁর মধ্যে ফুটে উঠত। তাঁর চারিত্রিক দীপ্তি ও তীক্ষ্ণতা ছিল তরবারীর ধারের ন্যায়। রাসূলের সা. ভাষায় তিনি ছিলেন উম্মাতে মুহাম্মাদীর ‘আমীন’- বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তি। ... Read more - [সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাস (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/saad-ibn-abi-waqqas/): নাম আবু ইসহাক সা’দ, পিতা আবু ওয়াক্কাস মালিক। ইতিহাসে তিনি সা’দ ইবন আবী ওয়াক্‌কাস নামে খ্যাত। কুরাইশ বংশের বনু যুহরা শাখার সন্তান। মাতার নাম ‘হামনা’। পিতা-মাতা উভয়েই ছিলেন কুরাইশ বংশের। সা’দের পিতা আবু ওয়াক্‌কাস ইসলাম গ্রহণ করে রাসূলুল্লাহর সা. সাহাবী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। তাঁর অন্তিম রোগশয্যায় রাসূল সা. তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। মাতা হামনাও ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তবে প্রথমতঃ তাঁর পুত্র সা’দের ইসলাম গ্রহণের কথা শুনে হৈ চৈ ও বিলাপ শুরু করে লোকজন জড়ো করে ফেললেন। মায়ের কাণ্ড দেখে ক্ষোভে দুঃখে হতভম্ব হয়ে সা’দ ঘরের এক কোণে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকলেন। কিছুক্ষণ বিলাপ ও হৈ চৈ করার পর মা পরিষ্কার বলে ... Read more - [আবদুর রহমান ইবন ’আউফ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/abdur-rahman-ibn-awf/): ইমাম বুখারীর মতে জাহিলী যুগে আবদুর রহমান ইবন ’আউফের নাম ছিল ’আবদু ’আমর। ইবন সা’দ তাঁর ‘তাবাকাতে’ উল্লেখ করেছেন, জাহিলী যুগে তাঁর নাম ছিল ’আবদু কা’বা। ইসলাম গ্রহণের পর রাসূল সা. তাঁর নাম রাখেন ‘আবদুর রহমান’। তাঁর মাতা-পিতা উভয়ে ছিলেন ‘যুহরা’ গোত্রের লোক। মাতার নাম শিফা বিনতু ’আউফ। দাদা ও নানা উভয়ের নাম ’আউফ। ইবন সা’দ ওয়াকিদীর সূত্রে উল্লেখ করেছেন, তিনি ’আমূল ফীলের (হস্তীর বৎসর) দশ বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। এ বর্ণনার ভিত্তিতে তিনি রাসূলুল্লাহ সা. থেকে বয়সে দশ বছর ছোট। রাসূল সা. ’আমুল ফীলের ঘটনায় পঞ্চাশ দিন পর জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ইবন হাজার তাঁকে রাসূলুল্লাহর সা. তের বছর ছোট বলে উল্লেখ করেছেন। ... Read more - [তাল্‌হা ইবন উবাইদুল্লাহ (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/talha-ibn-ubaidullah/): আবু মুহাম্মাদ তাল্‌হা তাঁর নাম। পিতা উবাইদুল্লাহ এবং মাতা সা’বা। কুরাইশ গোত্রের তাইম শাখার সন্তান। হযরত আবু বকর রা.ও ছিলেন এই তাইম কবীলার লোক। তাঁর মা সা’বা ছিলেন প্রখ্যাত শহীদ সাহাবী হযরত ’আল ইবনুল হাদরামীর বোন। হযরত তালহা ইসলামের সূচনা পর্বেই মাত্র পনেরো বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। হযরত আবু বকর সিদ্দীকের রা. দাওয়াতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। জাহিলী যুগে আবু বকরের বাড়ীতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের তিনি ছিলেন নিয়মিত সদস্য। তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি বড় চমকপ্রদ। তিনি গেছেন কুরাইশদের বাণিজ্য কাফিলার সাথে সিরিয়া। তাঁরা যখন বসরা শহরে পৌঁছলেন, দলের অন্য কুরাইশ ব্যবসায়ীরা তাঁর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাজারের বিভিন্ন স্থানে কেনা-বেচায় ব্যস্ত হয়ে ... Read more - [যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/01/zubaira-ibnul-awam/): নাম যুবাইর, কুনিয়াত আবু আবদিল্লাহ এবং ‘হাওয়ারিয়্যূ রাসূলিল্লাহ’ লকব। পিতার নাম ‘আওয়াম’ এবং মাতা ‘সাফিয়্যা বিনতু আবদিল মুত্তালিব।’ মা হযরত সাফিয়্যা ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. ফুফু। সুতরাং যুবাইর ছিলেন রাসূলুল্লাহর সা. ফুফাতো ভাই। উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজাতুল কুবরা ছিলেন তাঁর ফুফু। অন্যদিকে হযরত সিদ্দিকে আকবরের কন্যা হযরত আসমাকে বিয়ে করায় রাসূলুল্লাহ সা. ছিলেন তাঁর ভায়রা। হযরত আসমা রা. ছিলেন উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশার রা. বোন। এভাবে রাসূলুল্লাহর সা. সঙ্গে ছিল তাঁর একাধিক আত্মীয়তার সম্পর্ক। হযরত যুবাইর রা. হিজরাতের আটাশ বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশবকালীন জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। তবে এটা নিশ্চিত যে প্রথম থেকেই তাঁর মা তাঁকে এমনভাবে ... Read more - [’আলী ইবন আবী তালিব (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/ali-ibn-abi-talib/): নাম আলী, লকব আসাদুল্লাহ, হায়দার ও মুরতাজা, কুনিয়াত আবুল হাসান ও আবু তুরাব। পিতা আবু তালিব আবদু মান্নাফ, মাতা ফাতিমা। পিতা-মাতা উভয়ে কুরাইশ বংশের হাশিমী শাখার সন্তান। আলী রাসূলুল্লাহর সা. আপন চাচাতো ভাই। রাসূলুল্লাহর সা. নবুওয়াত প্রাপ্তির দশ বছর পূর্বে তাঁর জন্ম। আবু তালিব ছিলেন ছাপোষা মানুষ। চাচাকে একটু সাহায্য করার উদ্দেশ্যে রাসূল সা. নিজ দায়িত্বে নিয়ে নেন আলীকে। এভাবে নবী পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে তিনি বেড়ে ওঠেন। রাসূল সা. যখন নবুওয়াত লাভ করেন, আলীর বয়স তখন নয় থেকে এগারো বছরের মধ্যে। একদিন ঘরের মধ্যে দেখলেন, রাসূলে কারীম সা. ও উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদীজা রা. সিজদাবনত। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, এ ... Read more - [’উসমান ইবন ’আফ্‌ফান (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/uthman-ibn-affan/): নাম ’উসমান, কুনিয়াত আবু ’আমর, আবু আবদিল্লাহ, আবু লায়লা এবং লকব যুন-নূরাইন। (তাবাকাত ৩/৫৩, তাহজীবুত তাহজীব) পিতা ’আফ্‌ফান, মাতা আরওরা বিনতু কুরাইয। কুরাইশ বংশের উমাইয়্যা শাখার সন্তান। তাঁর উর্ধ্ব পুরুষ ’আবদে মান্নাফে গিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। খুলাফায়ে রাশেদার তৃতীয় খলীফা। তাঁর নানী বায়দা বিনতু আবদিল মুত্তালিব রাসূলুল্লাহর সা. ফুফু। জন্ম হস্তীসনের ছ’বছর পরে ৫৭৬ খৃষ্টাব্দে। (আল–ইসতিয়াব) এ হিসাবে রাসূলে করীম সা. থেকে তিনি ছয় বছর ছোট। তবে তাঁর জন্মসন সম্পর্কে বিস্তর মতভেদ রয়েছে। ফলে শাহাদাতের সময় তাঁর সঠিক বয়স কত ছিল সে সম্পর্কে অনুরূপ মতপার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। কোন কোন বর্ণনা মতে, তাঁর জন্ম হয় তায়েফে। (ফিত্‌নাতুল কুবরা, ডঃ তোহা হুসাইন) হযরত ’উসমান রা. ছিলেন মধ্যমাকৃতির সুঠাম দেহের অধিকারী। ... Read more - [’উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/umar-ibn-al-khattab/): নাম ’উমার, লকব ফারুক এবং কুনিয়াত আবু হাফ্‌স। পিতা খাত্তাব ও মাতা হান্‌তামা। কুরাইশ বংশের আ’দী গোত্রের লোক। ’উমারের অষ্টম উর্ধ্ব পুরুষ কা’ব নামক ব্যক্তির মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। পিতা খাত্তাব কুরাইশ বংশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। মাতা ‘হানতামা’ কুরাইশ বংশের বিখ্যাত সেনাপতি হিশাম ইবন মুগীরার কন্যা। ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ এই মুগীরার পৌত্র। মক্কার ‘জাবালে ’আকিব’- এর পাদদেশে ছিল জাহিলী যুগে বনী ‘আ’দী ইবন কা’বের বসতি। এখানেই ছিল হযরত উমারের বাসস্থান। ইসলামী যুগে ’উমারের নাম অনুসারে পাহাড়টির নাম হয় ‘জাবালে ’উমার’- ’উমারের পাহাড়। (তাবাকাতে ইবন সা’দ ৩/৬৬) ’উমারের চাচাত ভাই, যায়িদ বিন নুফাইল। হযরত রাসূলে কারীমের আবির্ভাবের পূর্বে ... Read more - [আবু বকর আস-সিদ্দীক (রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/abu-bakr-as-siddiq/): আবদুল্লাহ নাম, সিদ্দীক ও আতীক উপাধি, ডাকনাম বা কুনিয়াত আবু বকর। পিতার নাম ’উসমান, কুনিয়াত আবু কুহাফা। মাতার নাম সালমা এবং কুনিয়াত উম্মুল খায়ের। কুরাইশ বংশের উপর দিকে ষষ্ঠ পুরুষ ‘মুররা’ তে গিয়ে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহর জন্মের দু’বছরের কিছু বেশী সময় পর তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং অনুরূপ সময়ের ব্যবধানে তাঁরা উভয়ে ইনতিকাল করেন। তাই মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল রাসূলুল্লাহর সা. বয়সের সমান। তিনি ছিলেন উজ্জ্বল গৌরবর্ণ, পাতলা ছিপছিপে ও প্রশস্ত ললাট বিশিষ্ট। শেষ বয়সে চুল সাদা হয়ে গিয়েছিল। মেহেন্দীর খিজাব লাগাতেন। অত্যন্ত দয়ালু ও সহনশীল ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্মানিত কুরাইশ ব্যক্তিবর্গের অন্যতম। জ্ঞান, মেধা, অভিজ্ঞতা, ... Read more - [খাদীজা বিনতু খুওয়াইলিদ(রা)](https://returnofislam.com/2016/11/30/khadija-bint-khuwaylid/): নাম তাঁর খাদীজা। কুনিয়াত ‘উম্মু হিন্দ’ এবং লকব ‘তাহিরা’। পিতা খুওয়াইলিদ, মাতা ফাতিমা বিনতু যায়িদ। জন্ম ‘আমুল ফীল’ বা হস্তীবর্ষের পনের বছর আগে মক্কা নগরীতে। পিতৃ-বংশের  উর্ধ্ব পুরুষ কুসাঈ-এর মাধ্যমে রাসূলুল্লাহর সা. নসবের সাথে তাঁর নসব মিলিত হয়েছে। জাহিলী যুগেই পূতপবিত্র চরিত্রের জন্য ‘তাহিরা’ উপাধি লাভ করেন। (আল–ইসাবা) রাসূলুল্লাহ সা. ও খাদীজার রা. মধ্যে ফুফু-ভাতিজার দূর সম্পর্ক ছিল। এ কারণে, নবুওয়াত লাভের পর খাদীজা রা. রাসূলুল্লাহকে সা. তাঁর চাচাতো ভাই ওয়ারাকা ইবন নাওফিলের কাছে নিয়ে গিয়ে বলেন, ‘আপনার ভাতিজার কথা শুনুন।’ সম্ভবতঃ বংশগত সম্পর্কের ভিত্তিতেই তিনি একথা বলেছিলেন। পিতা খুওয়াইলিদ তৎকালীন আরব সমাজের বিশিষ্ট তাওরাত ও ইনজীল বিশেষজ্ঞ ওয়ারাকা ইবন নাওফিলকে খাদীজার বর ... Read more - [বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি কী হবে: তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নাকি ইসলাম?](https://returnofislam.com/2016/11/26/foundation-of-bangladesh-secularism-or-islam/): জন্মলগ থেকেই বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ দ্বারা শাসিত হয়ে আসছে, কখনও আওয়ামী লীগ কর্তৃক তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে, আবার কখনও বিএনপি কিংবা জাতীয় পার্টি কর্তৃক অন্যান্য শ্লোগাণের নামে। তথাপিও মহান ইসলামী উম্মাহ্‌’র অংশ, এদেশের মুসলিমদেরকে বিশ্বব্যাপী ইসলামী জাগরণ হতে বিচ্ছিন্ন রাখা যায়নি। এবং বিশেষ করে, এই শতাব্দীর শুরু থেকে রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে ইসলামের পক্ষে গণজোয়ার, ব্যাপক প্রসার ও জনসমর্থন, এবং ইসলামী রাজনৈতিক কর্মকান্ড প্রচন্ড গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে; এবং ইসলামী শাসনের (খিলাফত) দাবী একটি গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে সাম্রাজ্যবাদী ক্রুসেডার শক্তিসমূহ, মার্কিন ও তার মিত্ররা, এবং তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত দালাল শাসকেরা শঙ্কিত; এবং ইসলাম যাতে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে না পারে সেজন্য তারা একত্রে ... Read more - [আশুরা শুধুমাত্র শোক আর বিশ্লেষণের জন্য নয়](https://returnofislam.com/2016/10/09/ashura-isnot-only-for-mourn-and-analysis/): :: আশুরা শুধুমাত্র শোক আর বিশ্লেষণের জন্য নয়; বরং নব্য ফিরাউন (আমেরিকা) ও মুসলিম ভূমিসমূহে তার সহকারী হামান আর কারুনদের উৎখাত করে খিলাফত প্রতিষ্ঠার মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই দিনের মূল শিক্ষা :: মহররম মাস এবং বিশেষ করে আশুরার দিনটি মুসলিম উম্মাহর জন্য খুবই পবিত্র এবং পাশাপাশি ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপুর্ন। বেশ গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনার অবতারনা এই মাসেই হয়েছিল যা চিরকাল মুসলিম উম্মাহর জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে। আশুরা বলতে আমরা অনেকেই শুধু কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকেই স্মরণ করি কিন্তু এই ঘটনা সম্পর্কে অবগত নই যে এই মহররমেই আল্লাহ সুবহানাওয়াতা’লা মুসা (আ) কে বিজয় দান করেছিলেন অত্যাচারী যালেম ফিরাউনের বিরুদ্ধে। তাই এটি শুধু শোকের মাস নয়, ... Read more - [করোনা ও প্রতিক্রিয়াশীল ধার্মিকতা](https://returnofislam.com/2020/04/23/covid-and-reactionary-religiosity/): করোনার ভয়ে ধর্ম চর্চা বৃদ্ধি ইসলামি আকিদাকে আমরা কতটুকু বুঝি?? করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু বৃদ্ধির সংবাদে আমরা অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি? নিজের উপর করোনা বিপদ আসন্ন দেখছে সবাই। এই দুর্গতিতে নিজের অক্ষমতা বুঝতে পারছে। অনেকেরই আকড়ে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা সৃষ্টিকর্তাকে। মাঝে মাঝে মনে হয় শরীরে করোনার আসার ঐ ছিদ্রটি বন্ধ করলেই মনে হয় এই যাত্রায় রক্ষা। আবার পরক্ষণেই আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির খবর শুনে ভীত! যাব কি যাবনা, লকডাউন আর ছোঁয়াচের দোটানা। পরিসংখানের উত্থান পতনে নিয়মিত উঠানামা করছে ধর্ম চর্চার জ্বরের থার্মোমিটার! দোটানা থেকে জগাখিচুড়ি টাইপ আচরনের বহিঃপ্রকাশ। প্রতিদিনকার মত আধ্যাত্মিক কিছু চর্চা ছাড়া, জীবনের বাকি সব কিছুতেই, ভয়ে আকড়ে ধরা সৃষ্টিকরতার কি কোন সম্পর্ক নেই? এই কম্প্রমাইজ চিন্তার ভিত্তি ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: কোন অধিকারের ক্ষেত্রে প্রচলিত আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে?](https://returnofislam.com/2020/04/21/claiming-our-rights/): প্রশ্ন: বর্তমান ব্যবস্থায় মানুষ কোন কোন অধিকারগুলো আদায় করার জন্য প্রচলিত আদালতের শরণাপন্ন হতে পারবে? উত্তর: কোনো অধিকার পুনরুদ্ধার বা ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে, শরীয়াহ স্বীকৃত অন্যায় অপসারণের ক্ষেত্রে তা জায়েয; অর্থাৎ অধিকারটি  ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা স্বীকৃত এবং যে অন্যায়টি করা হয়েছে তাও ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা অন্যায় বলে স্বীকৃত। সুতরাং, যে অধিকারটি ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা স্বীকৃত নয় তা পুনরুদ্ধার বা ফিরিয়ে দেবার জন্য আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে না। যদি কোনো শ্রমিক প্রচলিত আইন অনুসারে কোন অধিকার দাবি করে যা  শরীয়াহ অনুসারে অধিকার হিসেবে স্বীকৃত না, তবে তার পক্ষে তা করা জায়েয নয়। আর কেউ যদি প্রচলিত  আইন অনুসারে কোন অধিকার দাবি করে, যা শরিয়াহ অনুসারেও ... Read more - [করোনা, ব্যর্থ সেকুলার রাষ্ট্রব্যবস্থাপনা এবং এর প্রকৃত সমাধান](https://returnofislam.com/2020/04/18/corona-failed-state-management/): করোনা মহামারিতে লক ডাউনে কার্যত স্থবির একটা বাস্তবতায় আপনাদের সাথে কিছু প্রয়োজনীয় আলাপ নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। করোনা ভাইরাস যাতে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পরতে না পারে তার জন্য ২৬শে মার্চ থেকে ২৫শে এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষনা করেছে সরকার। স্বাস্থ্য অদিদপ্তরের ভাষ্য মতে এখন পর্যন্ত দেশের অন্তত ১৯টি জেলা কার্যত লক ডাউন রয়েছে আর আংশিক লক ডাউন অবস্থায় রয়েছে ১৬টি জেলা। এখন প্রশ্ন হল একটার পর একটা জেলা লক ডাউনে যাওয়ার প্রেক্ষাপট কি? চীনের উহানে কোভিড-১৯ এর প্রাদূর্ভাব দেখা দেওয়ার পর যখন দক্ষিন কোরিয়া যখন করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে তখন বাংলাদেশ সরকারের ফোকাস পয়েন্ট ছিল মুজিববর্ষ উদযাপন। আর করোনা মোকাবেলায় ... Read more - [রজব মাসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য](https://returnofislam.com/2020/03/14/significance-of-rajab/): ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় রয়েছে। কিছু দিন, সপ্তাহ কিংবা মাস। মুসলমানরাও এর ব্যতিক্রম নয়। ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য এবং সত্যই স্মরণযোগ্য এই ঘটনাটি অবাক হওয়ার মতো যে, ৭ম শতাব্দীর বিশ্বে ইসলামী সভ্যতা একটি নতুন ভোর এনেছিল, কারণ এটি দিক-দিগন্ত জয় করে জমিনে জ্ঞান, সভ্যতা এবং সত্যিকারের অগ্রগতি নিয়ে এসেছিল। এটি সুপরিচিত যে ইসলামী চন্দ্র ক্যালেন্ডারে রজব একটি মাসের পবিত্র মাস এবং এটি সত্যিই এমন একটি মাস যা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস বহন করে। বিশেষত, রজব ইসলামী ইতিহাসে চারটি ঘটনা দেখেছিল যা ইতিহাসের গতিপথকে পরিবর্তিত করেছিল। এটি নবুওয়াতের দশম বছরের রজব (৬২০ খ্রিস্টাব্দ) যখন আল-ইসরা ওয়া ওয়াল-মি’রাজ হয়েছিল। এক রাতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা থেকে জেরুজালেমে, তারপর আকাশে ও তার উপরের শেষপ্রান্তে চলে গেলেন। তাঁর চাচা আবু তালিব যে তাঁর দাওয়াতের শুরু থেকেই তাকে রক্ষা করেছিলেন, পাশাপাশি তাঁর প্রিয় স্ত্রী খাদিজা (রা) ... Read more - [বর্তমানে কিভাবে মুসলিম উম্মাহ পুনর্জাগরিত হতে পারে?](https://returnofislam.com/2020/01/06/how-muslim-ummah-will-be-revived/): পুনর্জাগরণ এক ধরণের বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। উন্নতি বলতে কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বোঝায় না। প্রমাণস্বরূপ কুয়েত অর্থনৈতিক দিক থেকে ইউরোপীয় রাষ্ট্র সুইডেন, হল্যান্ড এবং বেলজিয়াম থেকে উন্নত হলেও; সুইডেন, হল্যান্ড এবং বেলজিয়ামকে উন্নত মনে করা হয়। কিন্তু কুয়েতকে উন্নত মনে করা হয় না। তাছাড়া নৈতিকভাবে উন্নতিও পুনর্জাগরণ নয়। পৃথিবীতে যেকোন রাষ্ট্রের চেয়ে মদিনা নৈতিকভাবে সবচেয়ে উন্নত হলেও, এটাকে উন্নত মনে করা হয় না। সুতরাং, বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থানই একমাত্র পুনর্জাগরণ বা উন্নতি। পুনর্জাগরণ সঠিক বা ভূল হতে পারে। যেমন, আমেরিকা, ইউরোপ এবং রাশিয়া ভূল ভাবে উন্নত। কারণ তাদের পুনর্জাগরণ আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয়। সঠিক পুনর্জাগরণ সেটাই যা আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। অর্থাৎ যে পুনর্জাগরণ বা বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান আধ্যাত্মিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত নয় তা একধরণের ভূল বুদ্ধিবৃত্তিক উত্থান। সুতরাং ইসলামি চিন্তা (আকিদা) ... Read more - [NRC ও CAA ইস্যুতে ভারত উত্তাল: সমস্যা ও সমাধান](https://returnofislam.com/2019/12/30/indias-uproar-over-nrc-and-caa-issues-problems-and-solutions/): গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ এ ভারতের সংসদে Citizenship Amendment Act (CAA) বা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইন হিসেবে পাশ হয়েছে। এটি ১৯৫৫ সালের নাগরিক আইনের সংশোধন। এই সংশোধিত আইনের মূল কথা হচ্ছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আগত অবৈধ অধিবাসীদের মধ্যে ধর্মীয় কারণে নিপীড়িত সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান ধর্মাম্ববলী বা অবৈধ অভিবাসীরা যদি ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৪ সালের আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকে তবে তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত। তবে মুসলিমদের জন্য এরকম কোন সুযোগ রাখা হয়নি অর্থাৎ এই তিন দেশ থেকে আগত মুসলিমরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী যেমন, ভারতে অবস্থানরত রোহিঙ্গা মুসলিমগণ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অন্য ধর্মাবলম্বীরা শরণার্থী। National Register ... Read more - [আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর](https://returnofislam.com/2019/11/05/al-qada-wal-qadr/): আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর বিষয়টি একটি বহুল আলোচিত বিষয় এবং একটি গভীর চিন্তা-ভাবনার বিষয়। আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর বিষয়টি মানুষ তার কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীন নাকি পরাধীন সে বিষয়ের আলোচনা। অতীতে বহু স্কলার বিভিন্নভাবে বিষয়টিকে আলোচনা ও ব্যাখ্যা করেন কুর’আন এবং সুন্নাহ’র ভিত্তিতে। তারা বিষয়টিকে আল্লাহ’র সৃষ্টি, জ্ঞান ও তাঁর ইচ্ছার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে যৌক্তিক (logical) ভাবে আলোচনা করেন। এখানে উল্লেখ্য, আল্লাহর রাসূল ও সাহাবীদের আমলে আল-কাদা ওয়াল কাদর অর্থাৎ মানুষ কাজের ক্ষেত্রে স্বাধীন না পরাধীন – এ আলোচনা ছিল না, তাদের মধ্যে কেবল আল-কদর তথা আল্লাহর সুবিশাল জ্ঞান নিয়ে আলোচনা ছিল, অর্থাৎ আল্লাহর জ্ঞানের বাইরে কিছুই নেই, সবকিছু তার জ্ঞান অনুযায়ী ঘটে। কিন্তু এ বিষয়টি মানুষকে স্বাধীন করে না পরাধীন ... Read more - [পুঁজিবাদের অলীক সুখ-স্বপ্ন](https://returnofislam.com/2019/10/09/the-illusory-happiness-of-capitalism-is-a-dream/): Capitalism তথা পুঁজিবাদ সুখের ডেফিনেশন দেয় consumerism তথা ভোগবাদের মাধ্যমে। ইন্দ্রিয়গত পরিতৃপ্তি সর্বোচ্চ বস্তুগত ভোগে, সবচেয়ে বেশি stuffs আর gadgets এর প্রাপ্তিতেই আমাদের সুখের definition খুঁজে ফেরা, এটা পশ্চিম পেয়েছে গ্রীক রোমানদের উত্তরসূরি হিসেবে। কিন্তু এখন জীবন সম্বন্ধে এই concepts গুলো আইডোলজিকাল ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে, ইন্টেলেকচুয়ালি সব জায়গায় ডমিনেট করছে। দিনশেষে সবই যা খুশি তাই করার, ইন্দ্রিয় পরিতৃপ্তির মাঝেই জীবনের অর্থ খুজে নেওয়ার তাগিদ দেয়। এই পশ্চিমা ওয়ার্ল্ডভিউয়ের কারণে আমরা পেয়েছি একটা ডিপ্রেসড সিভিলাইজেশন।যারা অর্থপূর্ন কোন কিছুর দিকে ছুটছে না, বরঞ্চ অলীক সুখের ঘূর্নিপাকে পড়ে অতল গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে পরিবারের ভাঙনে, আত্মহত্যা নয়তো মানসিক বিকারে। হারিয়ে যাচ্ছে ড্রাগে, হারিয়ে যাচ্ছে ফুলানো ফাপানো স্ট্যাটাস, সৌন্দর্য, অর্থের শো অফের অলিগলিতে। Capitalism এ তাই ব্যাবসায়ীরা ... Read more - [খিলাফত একমাত্র সমাধান](https://returnofislam.com/2019/10/09/khilafah-is-the-only-solution/): জুলুমের শাসন আমাদের কন্ঠ পুরোপুরি রোধ করার আগেই খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পরুন, যা রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করবে। বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার অপরাধ ছিল সে ফেসবুকে ভারতের সাথে পানিবন্টন চুক্তি নিয়ে ঐতিহাসিক কিছু ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দিয়েছিল। ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই ঘটনা আজ নতুন ঘটছে না, অতীতেও আমরা অসংখ্যবার এই একই ধরণের ঘটনা ঘটতে দেখেছি। দেশবাসী দেখেছে কীভাবে বিশ্বজিতকে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু বকরেরও পরিণতি হয়েছিল একইরকম। এরকম এক একটা ঘটনা ঘটে আর ... Read more - [ডেঙ্গুর মহামারি](https://returnofislam.com/2019/08/01/dengue-epidemic/): সরকারের দায়িত্বহীনতা ও দুর্নীতির পরিণতি যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণ টের পাচ্ছে। কার্যত ঢাকা এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত নগরীতে পরিণত হয়েছে এবং সারাদেশে তা আশঙ্কাজনক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতি ১ মিনিটে গড়ে ১ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালগুলো রোগীর চাপ সামালাতে হিমশিম খাচ্ছে। আক্রান্তদের স্বজনরা হাসপাতাল থেকে হাসপাতাল ছুটে বেড়াচ্ছেন। সাধারণ জনগণ পরিবারের সদস্যদের বিশেষত শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে অন্যদিকে মৃতের সংখ্যাও। এবার বর্ষায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে এমন আগাম সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও জনগণের প্রতি উদাসীন এই সরকার ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশার নিধন ও বিস্তার রোধে ... Read more - [সামাজিক অবক্ষয় রোধে তাকওয়া ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা](https://returnofislam.com/2019/07/19/the-need-to-establish-a-society-based-on-piety-to-prevent-social-degradation/): বর্তমানে আমার আমাদের সামাজের দিকে তাকালে আমাদের এই সমাজে দেখতে পাই প্রতিনিয়ত কিভাবে মুসলিমরা একে অপরকে খুন করছে, ভাই ভাইকে হত্যা করছে, সন্তান পিতা মাতাকে হত্যা করছে, প্রতিবেশী অপর প্রতীবেশীকে হত্যা করছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে শতশত মানুষের সামনে এমনকি বিচারকের খাস কামরায় একে অপরকে হত্যা করছে। আজ নারী থেকে শিশু সন্তান পর্যন্ত তার পরিবারে সদস্য থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন পাড়া প্রতিবেশী এমনকি শিক্ষকের হাতে তার শিশু ছাত্রীর সম্ভ্রম পর্যন্ত নিরাপদ নয়। এমনকি স্বামীর কাছে স্ত্রী এবং স্ত্রীর কাছে স্বামী নিরাপদ নয়। এমতাবস্থায় আমাদের সমাজে এই অন্যায় অনাচারের রোধে নতুন নতুন আইন হচ্ছে, এসকল আইনে মৃত্যু দণ্ডের বিধান রাখা হচ্ছে তারপরও এর সাথে ... Read more - [মুত্তাকীন](https://returnofislam.com/2019/07/19/muttakin/): “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।” [আল-বাক্বারাহ্: ১৮৩] নিশ্চয়ই প্রত্যেক মুসলিমের লক্ষ্য হওয়া উচিত মুত্তাকী হওয়া, কারণ মুত্তাকীগণ হচ্ছেন সেসব ব্যক্তি যাদেরকে আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ভালবাসেন এবং যাদেরকে তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) সহায়তা, করুণা, ক্ষমা, বিশাল পুরস্কার এবং জান্নাতের পাশাপাশি ক্ষয়-ক্ষতি থেকে রক্ষা ও উত্তম কাজে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) বলেন: “কিন্তু হ্যাঁ, যে কেউ তার অঙ্গীকার পালন করে এবং আল্লাহ্কে ভয় করে – নিশ্চয়ই তখন, আল্লাহ্ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা মুত্তাকী।” [আল-ইমরান: ৭৬] একদা উমর ইবনে আল খাত্তাব (রা) উবাই ... Read more - [জান্নাত ও জাহান্নামের চিন্তা: একটি জীবন পরিবর্তনকারী চেতনা](https://returnofislam.com/2019/06/03/a-life-changing-consciousness/): জান্নাত জাহান্নামে বিশ্বাস মুসলিমদের আকীদার অংশ। আকীদা হল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বিশ্বাস যার ভিত্তিতে মানুষ তার জীবন পরিচালনা করে। কিন্তু বর্তমান সমাজে মানুষের কাছে জান্নাত জাহান্নাম অনেকটা তথ্যের মত রয়েছে; এটি জীবন পরিচালনাকারী বোধ বা চেতনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বিশ্বাস হিসেবে নেই। এর একটি প্রধান কারণ হল বর্তমান রাষ্ট্রব্যবস্থা (এর শাসক, সমাজব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা, মিডিয়া, বিচারব্যবস্থা) যা আমাদেরকে প্রতিনিয়ত দুনিয়ার সফলতার কথা মনে করিয়ে দিলেও আখেরাতের বিষয়ে নীরব। কিন্তু একটি সময় ছিল খোলাফায়ে রাশেদীনদের সময় যখন শাসক জনগনকে পরকাল, দুনিয়ার জীবনের তুচ্ছতা মনে করিয়ে দিত।   উসমান ইবনে আফফান (রা) তার জীবনের শেষ খুতবায় বলেন, “আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তোমাদেরকে এ দুনিয়া দিয়েছেন ... Read more - [বেকারত্বের করাল গ্রাস থেকে মুক্তির একপথ খিলাফত](https://returnofislam.com/2019/05/21/khilafat-is-the-only-way-to-get-rid-of-unemployment/): ইতালি যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে একটি অভিবাসনপ্রত্যাশী দলের অন্তত ৬০ জন মারা গেছেন। নৌকার আরোহীদের মধ্যে ৫১ জন বাংলাদেশি ছিলেন। (১) উচ্চ শিক্ষিত ছাত্রদের সবচেয়ে কাম্য ৪০ তম বিসিএস পরীক্ষায় অনুষ্টিত হল মে মাসে। তাতে মাত্র ১৯০৩টি চাকরীর বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৪ লাখ ১২ হাজার ৫৩২ টি।(২) এই পরীক্ষার প্রতিযোগিতায় ৪ লাখ ১০ হাজার বেকারের কোন গতি হবেনা। সাথে কোটা নামের বৈষম্যতো আছেই। বেকার যুবকরা সরকারী চাকরীতে প্রবেশের সীমা ৩৫ করার দাবী করছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে বেকার ৩কোটি। শুভংকরের ফাকি বাদ দিলে প্রকৃত বেকারের সংখ্যা ৬ কোটির উপর। অর্থাৎ দেশের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্টির ৩৯.৪০শতাংশ বেকার। প্রতি বছর চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে ... Read more - [রমজান: ইসলামের জ্ঞান অনুসন্ধান করুন](https://returnofislam.com/2019/05/21/ramadan-search-for-islamic-knowledge/): এই মাসটিকে আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) রোজার মাস হিসেবে মনোনীত করেছেন। তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বিশ্বাসীদের জন্য রমজান মাসকে রহমত ও মাগফিরাতের মাস হিসেবে নির্ধারিত করে অন্যান্য মাসের উপরে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এই মাস সকল মাস অপেক্ষা উত্তম এবং বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন, আর এই মাসেই আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) তাঁর সর্বশেষ আসমানী কিতাব আল-কুর‘আন নাযিল করেছেন।  “হে ঈমানদারগণ,যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হলো যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকী হতে পার।” (সূরা আল-বাকারাহ্: ১৮৩)  يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمْ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ রমজান মাসে আমরা প্রতিদিন কুর‘আন ... Read more - [রমযান: কুর‘আন -এর মাস](https://returnofislam.com/2019/05/19/ramadan-month-of-quran/): আবারও আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) আমাদেরকে এই বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কুর‘আন আল-কারীম-এর মাসে ইবাদত করার সুযোগ দান করেছেন। আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) বলেন: إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ “নিশ্চয়ই আমি নাযিল করেছি এই কুর‘আন মহিমান্বিত রাত্রিতে।” (সূরা ক্বদর: ১) আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) পক্ষ থেকে এই উম্মাহ্’র জন্য রহমত হিসেবে বহু কিছু প্রদান করা হয়েছে, যেগুলোর কারনে আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত; বিশেষভাবে কুর‘আনের মাধ্যমে আমাদের প্রতি রহমত বর্ষনের জন্য আমরা আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) অশেষ শুকরিয়া আদায় করি। কুর‘আন কেবল হৃদয় ও মনকে প্রশান্তি দেয় না, বরং এটি আমাদের জীবনের জন্য দিক-নির্দেশনা প্রদান করে। পৃথিবীতে আল্লাহ্’র (সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা) দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য নবীদের (আ.) মহাকাব্যিক কাহিনী ... Read more - [অধপতিত মুসলিম উম্মাহ’র পূর্ণজাগরণ কোন পথে?](https://returnofislam.com/2019/05/14/which-way-is-the-full-awakening-of-the-degenerate-muslim-ummah/): আল্লাহ বলেন, “তোমরাই (মুসলিমগণ) সর্বোত্তম জাতি, যাদেরকে মানুষের জন্য উত্থান ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের আদেশ দেবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে।” (সূরা আল ইমরান: ১১০) আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলিম উম্মাহকে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় কেউই মুসলিম উম্মাহকে সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বলতে পারবে না। মুসলিমগণ এখন অধপতিত। এটি সবাই বুঝতে পারছে। বিশ্ব নেতৃত্বে মুসলিম উম্মাহ নেই। ইউরোপ আমেরিকার হাতে আজকে বিশ্ব নেতৃত্ব। মুসলিম উম্মাহ নির্যাতিত, নিজ ভূমি থেকে বিতাড়িত শরণার্থী, নৈতিকভাবে অধপতিত, জ্ঞান বিজ্ঞানে পশ্চাদপদ, অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত যদিও মুসলিম ভূমিসমূহ তেল, গ্যাস, কয়লাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। কিন্তু কেন মুসলিম উম্মাহ আজকে অধপতিত? এ ব্যাপারে নানা মুনীর রয়েছে নানা ... Read more - [ইস্তিকামাহ: দ্বীনের পথে অবিচল বা দৃঢ়পদ থাকা](https://returnofislam.com/2019/05/13/istiqamah-to-be-steadfast-or-steadfast-in-the-path-of-religion/): সুফিয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাকাফী রা বলেন, আমি একবার রাসুল (সা) এর নিকট গিয়ে বললাম, হে আল্লাহ রাসুল আমাকে ইসলাম এর ব্যাপারে এমন কথা বলে দিন যেন সে বিষয়ে আপনি ছাড়া আর কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করতে না হয়।তিনি (সা) বললেন, “বল, আমি ঈমান আনলাম, তারপর এর ওপর অবিচল (ইস্তিকামাহ) হয়ে যাও। ” [ মুসনাদ আল-আহমাদ, সহীহ মুসলিম] এই হাদিসে রাসুল সা ঈমানের পর সকল বিষয়কে একটি শব্দের দ্বারাই প্রকাশ করেছেন আর তা হল অবিচলতা বা ইস্তিকামাহ। ঈমান আনার পর বিলাল রা তার বুকে পাথরের বোঝা বহন করার পরও বলেছিলেন আহাদ!, এটাই ইস্তিকামাতের দৃষ্টান্ত। তাওহীদের স্বীকারোক্তির পর ইয়াসির পরিবারের উপর মক্কার জালিম শাসকদের ... Read more - [রমযান: পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করে সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী হোন](https://returnofislam.com/2019/04/21/ramadan-be-of-the-best-character-by-fully-entering-islam/): রহমতের মাস রমযান শুরু হয়েছে, যে মাসে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ থাকে এবং শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা মুসলিমদের জন্য রমযান মাসকে করুণা ও ইবাদতের মাস হিসেবে নির্ধারিত করে অন্যান্য মাসের উপরে এটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা-এর পক্ষ থেকে এটা আমাদের জন্য একটি বিশেষ রহমত যে তিনি আমাদেরকে এই রমযানে জীবিত থাকার সুযোগ দিয়েছেন। যেহেতু এই মাসে আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে ভালো কাজ করার প্রতি আমাদের আগ্রহ বেশি থাকে এবং আমাদের অন্তর ইবাদতের প্রতি অধিক মনোনিবেশ করে, সেহেতু আসুন আমরা নিজেদেরকে প্রশ্ন করি যে, পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশের মাধ্যমে আল্লাহ্’র নৈকট্য লাভের জন্য ... Read more - [ভয় (খাউফ)](https://returnofislam.com/2019/03/12/fear/): বেঁচে থাকার প্রবৃত্তির একটি বহিপ্রকাশ হল ভয়। এটি মানুষের স্বভাবজাত। বাহ্যিক প্রণোদনা ছাড়া ভয় প্রকাশ পায় না। এ প্রণোদনাটি হতে পারে বাস্তবিক অথবা ভয়ের সাথে সর্ম্পকযুক্ত কোন চিন্তা। বাস্তবিক প্রণোদনার একটি উদাহরণ হল পাগলা কুকুর এবং চিন্তা বা কল্পনার সাথে বিজড়িত প্রণোদনা হল ভূতের ভয়-যার কোন বাস্তব ভিত্তি নেই। ভয়ের কারণে অধপতিত ব্যক্তি ও দূর্বল জাতি অপমানিত হয় এবং পিছিয়ে থাকে। যদি কোন ব্যক্তির উপর ভয় প্রাধান্য বিস্তার করে তবে তার জীবনের সুখ থাকে না, তার মানসিক বিকার ঘটে, হিতাহিত জ্ঞান লোপ পায়, স্মৃতিশক্তি ক্ষীণ হয়ে যায়, সে মহৎ গুনাবলী বিবর্জিত হয় এবং ভাল মন্দ সনাক্ত করার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। সবচেয়ে ... Read more - [বাস্তবতা (reality) ও চিন্তা (concepts) প্রবৃত্তিকে তাড়িত করে](https://returnofislam.com/2019/03/05/reality-and-concepts-drive-instinct/): প্রবৃত্তি জৈবিক চাহিদা থেকে ভিন্ন যদিও উভয়টি মানবজীবনের অপরিহার্য জীবনীশক্তি। জৈবিক চাহিদাকে অনিবার্যভাবে পূরণ করতে হয়, তা পূরণ না হলে মানুষের মৃত্যু ঘটে। কিন্তু প্রবৃত্তির চাহিদার ব্যাপারটি ভিন্ন, এটি স্রেফ তৃপ্ত হতে চায়। এটি তৃপ্ত না হলে মানুষ অস্থিরতায় ভোগে, কিন্তু মানুষ বেঁচে থাকে, মৃত্যুবরন করে না। মানুষ যদি খাদ্য গ্রহন না করে বা প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া না দেয়, সে মারা যাবে; কিন্তু যদি প্রবৃত্তির চাহিদা তৃপ্ত না করে তার মৃত্যু হবে না। যদি সে কোনো নারীর সাথে যৌন সম্পর্ক না করে কিংবা যদি সে উপাসনা না করে সে মারা যাবে না, কারণ প্রবৃত্তির চাহিদা অনিবার্যভাবে পূরণ হতে চায় না। উপরন্তু, ... Read more - [ইয়েমেনের স্কুল শিশু হত্যাকারী কসাই এবং উম্মাহর তেল সম্পদ লুণ্ঠনকারী পাকিস্তানে অবশ্যই স্বাগতম না](https://returnofislam.com/2019/02/28/yemen-school-children-killers/): সংকোচন নীতির আওয়াজ ও হৈচৈ তুলে, বাজওয়া-ইমরান সরকার সৌদি শাসক বিন সালমান (‘এমবিএস’) -কে স্বাগত জানানোর জন্য কোন খরচ বাদ দিচ্ছে না, উম্মাহর সম্পত্তি মুক্তভাবে খরচ করছে। ওদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়াচ্ছে, কিন্তু পাকিস্তান বিমান বাহিনীর জেএফ-১৭ জেট এর মাধ্যমে এমবিএস এর জেট এর প্রোটোকল প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বিচারে জ্বালানী খরচ করছে। অথচ দখলকৃত কাশ্মিরের মুসলিমদের সামরিক সাহায্য হতে বঞ্চিত করছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ব্যস্ত রাখছে এমবিএসকে নিরাপদ করার জন্য, যদিও তার শতাধিক সৌদি আরবীয় রয়েল গার্ড রয়েছে। অথচ গৃহায়নের জন্য জনগণের উপর অভিশপ্ত সুদ ভিত্তিক ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। সরকার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন সাজাচ্ছে, ওদিকে এমবিএস ১১০০ কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী ব্যক্তি, পাঁচ ট্রাক ... Read more - [ইমরান খান IMF-কে সহযোগিতার মাধ্যমে পাকিস্তানকে ঔপনিবেশিক কর্তৃত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করছে](https://returnofislam.com/2019/02/28/imran-khan-surrenders-pakistan-to-colonial-rule-by-helping-imf/): ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আইএমএফ প্রধানের সাথে ইমরান খান এর বৈঠকটির দ্বারা উপনিবেশবাদীরা পাকিস্তানের জন্য নতুন বিপদ নিয়ে আসছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রকাশিত ফিল্ড ম্যানুয়াল, সেপ্টেম্বর, ২০০৮ এর একটি লেখা অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনী উপনিবেশিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ক্ষতির একটি বড় উত্স হিসেবে বিবেচনা করে, যেমন IMF, বিশ্বব্যাংক ও OECD আর্থিক, অগতানুগতিক, “সাধারণ সহ বৃহৎ আকারের যুদ্ধকালীন সময়ের অস্ত্র”। প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি সত্য যে আইএমএফ একটি ঔপনিবেশিক হাতিয়ার যা ঔপনিবেশিক শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য কোনও দেশকে তার পায়ে দাঁড়াতে ঋণ গ্রহণ করতে কখনও অনুমতি দেয় না। ক্ষমতায় আসার আগেই ইমরান খান এই সত্যটি স্বীকার করেছিলেন। ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান এ প্রকাশিত, ১৮ ই ... Read more - [একমাত্র খিলাফত শাসনব্যবস্থাই অর্থপাচার রোধ করে শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারে](https://returnofislam.com/2019/02/28/only-a-caliphate-regime-can-prevent-money-laundering-and-build-a-strong-economy/): সাম্প্রতিক সময়ে গ্লোবাল ফিনেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নামক একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে অর্থ পাচারে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে। বৈশ্বিকভাবে ১৯ তম। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের এক বছরেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয় ৫ শ’ ৯০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। পাচারের অর্থের বেশিরভাগই গেছে আমদানি-রফতানির বাণিজ্যের আড়ালে। ১৫ সালের আগের এগারো বছরে পাচার হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। (কালের কন্ঠ ২৯/১/২০১৯)  দেশ থেকে অতিমাত্রায় অর্থ বিদেশে চলে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারন হল বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ পুজিবাদী শাসকেরা ৪৯ বছরেও দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে নি।  মূল সমস্যা নিয়ে ... Read more - [প্রাগমেটিজম: একটি অনৈসলামি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি](https://returnofislam.com/2019/02/24/pragmatism-an-unsophisticated-psychological-disorder/): প্রাগমেটিজম শব্দের কোন যুতসই বাংলা প্রতিশব্দ না পেয়ে এর ইংরেজী পরিভাষাটিই ব্যবহার করছি। শাব্দিক অর্থ নয় বরং এর প্রায়োগিক দিকটি নিয়েই আলোচনা করব। প্রাগমেটিজম বলতে বাস্তবতা প্রবণতাকে বুঝায়। কোন ব্যক্তির চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি যদি নিছক বাস্তবতাই হয় তবে তাকে প্রাগমেটিক বলে। সাধারণত যারা পুঁজিবাদী আদর্শ অনুসারে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা প্রাগমেটিক বা বাস্তবতানুরাগী হয়। কারণ পুঁজিবাদে সুনির্দিষ্ট কোন নীতি নেই, বরং বাস্তবতা থেকে আইন আসে বা বাস্তবতা হল আইনের উৎস। কিন্তু ইসলামে আইনের উৎস হল ইসলামী শরী’আহ-যা সুনির্দিষ্ট। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে এই শরী’আহ পরিবর্তনীয় নয়। সেকারণে একজন মুসলিম বিভিন্ন বাস্তবতায় সঙ্গতিপূর্ণ অপরিবর্তনীয় শরী’আহ এর দলিল থেকে তার করণীয় নির্ধারণ ... Read more - [উইঘুরের মুসলিমদের ভোগান্তি শেষ হওয়ার এটাই কি সঠিক সময় নয়?](https://returnofislam.com/2019/02/13/isnt-it-time-to-end-the-suffering-of-uyghur-muslims/): উইঘুরের মুসলিমদের ভোগান্তি শেষ হওয়ার এটাই কি সঠিক সময় নয়? চীনকে মনে রাখার মতো শিক্ষা দেয়ার এটি কি উপযুক্ত সময় নয়? সাম্প্রতিক মাসগুলিতে আমরা মুসলিম ভুমির পূর্বপ্রান্তের দেশ পূর্ব তুর্কিস্তানের বসবাসকারী উইঘুর মুসলিমদের বিরুদ্ধে চীনের আগ্রাসী নীতির নৃশংস বৃদ্ধির খবর শুনেছি। ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং তথা চীনা কমিউনিস্ট শাসন কর্তৃক ১ লাখেরও বেশি উইঘুর মুসলমানদের হত্যা ও ২৫ হাজার মসজিদ ধ্বংস করার পর চীনের সীমানার সাথে একে যুক্ত করা হয়েছিল। আটলান্টিক ম্যাগাজিন, বিবিসি ও আল-জাজিরার মতো অন্যান্য মিডিয়া দ্বারা প্রকাশিত তদন্তের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, চীন পূর্ব তুর্কিস্তান প্রদেশের প্রায় দশ লক্ষ মুসলিম বন্দী শিবিরে আটক! তদন্তে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতিতে বলা হয়, ... Read more - [কিভাবে অতীত বর্তমানের সদৃশ্য হয়… দৃশ্যগুলো চলছে এবং একইভাবে দর্শকও!](https://returnofislam.com/2019/02/12/how-the-past-resembles-the-present-the-scenes-are-moving-and-so-is-the-audience/): ইহুদি সত্ত্বার দখলদার সৈন্যরা গত ৩০ জানুয়ারী ফিলিস্তিনের একটি মেয়েকে দখলকৃত আল-কুদস (জেরুজালেম)-এর আল-জাইম চেকপয়েন্টে গুলি দিয়ে ঝাঝরা করে হত্যা করেছে। এই শহীদ একজন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল, যে তার মৃত্যুদণ্ডের সময় তার স্কুল ব্যাগ বহন করছিল; কথিত ছুরিকাঘাত অপারেশন চালানোর চেষ্টার অভিযোগে তাকে হত্যা করা হয়। দখলদার সৈন্যরা তাকে বাঁচাতে অ্যাম্বুলেন্স কর্মীদের কাছে নিয়ে যেতে বাধা দেয়। তাকে রক্তঝরা অবস্থায় মৃত্যুর জন্য ফেলে রাখা হয়। অপরাধ ও গণহত্যার ধারাবাহিকতায় আরেকটি অপরাধ যুক্ত হল, যা ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে, এর যুবক পুরুষ, নারী, বৃদ্ধ ও সন্তানদের বিরুদ্ধে ইহুদি সত্তা কর্তৃক সন্ত্রাসবাদ ও নিষ্ঠুরতাকে কেবল প্রতিফলিত করে, যা তারা তাদের মিথ্যা যুক্তি এবং ... Read more - [আল-রুকবান শরণার্থী শিবিরের শিশুরা কি শীতার্ত ও ক্ষুধার্ত হয়ে মরে যাবে, তবে কি তারা তাদের উদ্ধারের জন্য কাউকে খুঁজে পাবে না](https://returnofislam.com/2019/02/06/will-the-children-in-al-rukban-refugee-camp-die-of-cold-and-hunger/): মঙ্গলবার ১৫/১/২০১৯ তারিখে ইউনিসেফের রিপোর্ট অনুযায়ী, পনেরোটি বিচ্ছিন্ন শিশু, তাদের বেশিরভাগ সদ্য প্রসূত শিশু, সিরিয়াতে মারাত্মক ঠান্ডা এবং স্বাস্থ্যসেবার অভাবের কারণে মারা গেছে। এদের মধ্যে ১৩ জন শিশু, যারা এক বছরের কম বয়সী দক্ষিণ-পূর্ব সিরিয়ায় জর্ডান সীমান্তের নিকট আল-রুকবান ক্যাম্পে মারা যায়। আল-রুকবান এবং অন্যান্য শিবিরে মানবিক সাহায্যের গুরুতর অভাব রয়েছে, বিশেষ করে যখন উদ্বাস্তুরা পূর্বের শেষ আইএসআইএস ছিটমহল থেকে ক্লান্তিকর যাত্রা করে পালিয়ে আসে। মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার ইউনিসেফের আঞ্চলিক পরিচালক জিয়ার ক্যাপ্লেয়ার বলেন, আল-রুকবান অঞ্চলের তাপমাত্রা এবং কঠোর জীবনযাত্রার কারণে শিশুরা ক্রমবর্ধমানভাবে বিপন্ন হয়ে পড়েছে, “এক মাসের মধ্যে, অন্তত আট সন্তানের মৃত্যু হয়েছে – এদের মধ্যে বেশিরভাগই চার মাস ... Read more - [বাংলাদেশ কি গরিব নাকি গরিব করে রাখা হয়েছে?](https://returnofislam.com/2018/12/05/bangladesh-poor-or-potential-leading-land/): বিগত প্রায় পঞ্চাশ বছর ধরে বাংলাদেশ শব্দটি উচ্চারিত হলেই হতদরিদ্র, অপুষ্ট, প্রাকৃতিক দূর্যোগে পর্যুদস্ত একটি জনপদের চিত্র মানুষের চোখে ভেসে উঠে। সচেতন লোকমাত্রই জানে, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশীদের ‘মিসকীন’ নামে ডাকা হয়। যদিও বর্তমান সরকারের সময়ে হঠাৎ করে বাংলাদেশ ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ এ রূপান্তরিত হয়েছে বলে ব্যাপক প্রচারণা শুরু করা হয়। বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ অবশ্য তৃতীয় বিশ্বের হতদরিদ্র বাংলাদেশ ও ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ এর মধ্যে কোন পার্থক্য খুঁজে পায় না। ‘মধ্যম আয়ের দেশ’ তকমাটির সাথে সরকার কিছু পরিসংখ্যানের কথা বলছে। সেগুলো হল: মাথাপিছু আয়, দৃঢ় জিডিপি, বিভিন্ন সামাজিক সূচক (স্বাক্ষরতার হার, সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতাধীন জনগণ, বাল্যবিবাহ, চিকিৎসা সুবিধার আওতাধীন জনগণ ইত্যাদি) প্রভৃতি। ... Read more - [মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র: নব্য উপনিবেশবাদের মোক্ষম হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2018/11/25/democracy-is-neocolonialism/): উপনিবেশবাদ বা সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদের স্বাভাবিক পরিণতি। ইউরোপে খ্রীস্টান ধর্মযাজক, শাসকশ্রেণী এবং নির্যাতিত সাধারণ জনগণ ও বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মধ্যে শতকের পর শতক ধরে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর তারা জীবন থেকে ধর্মকে পৃথকীকরণের প্রতিক্রিয়াশীল সিদ্ধান্ত- ধর্মনিরপেক্ষতায় উপনীত হয়। এটি ছিল ইউরোপীয়দের পূর্ণজাগরণ। এ পূর্ণজাগরণ ইউরোপীয়দের একটি চিন্তার (অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষতা) ভিত্তিতে গড়ে উঠা পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মাধ্যমে বস্তুগত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। যার ফলশ্রুতিতে শিল্প বিপ্লব আসে। কাঁচামাল, পুজি, জ্বালানী ও বাজারের জন্য ইউরোপের পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসূহ এশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ল্যাটিন আমেরিকার রাষ্ট্রসমূহে প্রত্যক্ষ উপনিবেশ স্থাপন করে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সফল ছিল ব্রিটেন। তার পরের সারিতেই ছিল ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল। ব্রিটিশদের সর্ম্পকে বলা হয় তারা তাদের ... Read more - [বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও সঠিক ইসলামি ভাবনা](https://returnofislam.com/2018/11/09/upcoming-election-and-islamic-thoughts/): নির্বাচনকে নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন আবার সরগরম হয়ে উঠেছে। পশ্চিমাদের অনুকরণে ও প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রনে গড়ে উঠা বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক সংস্কৃতি মানেই হল জাতীয়তাবাদ, দেশপ্রেমের সস্তা বুলি এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক ক্ষমতার লড়াইয়ের হীন মহোৎসব। ইসলামে রাজনীতি বা সিয়াসাহ একটি ফরয বিষয়-যার অর্থ হল জনগনের দেখভাল করা। অপরদিকে পুঁজিবাদে রাজনীতি এর অথনীতিকে ঘিরে আবতিত হয়। সেকারণে পুঁজিবাদে রাজনীতি হল সাধারণ জনগনকে জিম্মী করে অথবা তাদেরকে ধোকা দিয়ে পুঁজিপতি শ্রেণীর পুঁজি বাড়ানোর একটি ঘৃণ্য কৌশল। মুখে উন্নয়ন, জনগনের সেবা ইত্যাদি শ্লোগান থাকলেও, পুঁজিবাদী রাজনীতি হল পুঁজিপতি শাসকশ্রেণীর ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম। একারণে বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের অধিকাংশই ব্যবসায়ী। এই ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থে আইন প্রণয়ন করে। ছলে বলে ... Read more - [উইগুর: দশ লক্ষাধিক বন্দির মুসলিম জনগোষ্ঠী](https://returnofislam.com/2018/10/20/imprisoned-uyghur-muslims/): چین و عرب ہمارا، ہندوستان ہمارا‬مسلم ہیں ہم، وطن ہے سارا جہاں ہمارا‬ “চীন ও আরাব হামারা, হিন্দুস্তান হামারা,মুসলিম হ্যায় হাম, ওয়াতান হ্যায় সারা জাহাঁ হামারা…” – ১৯১০ সালে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে লেখা আল্লামা ইকবাল [১৮৭৭-১৯৩৮]-এর বিখ্যাত গান “তারানা-ই-মিল্লি” [জাতীয় সঙ্গীত] এভাবেই শুরু। ইকবাল যখন বলছিলেন: “চীন ও আরব আমাদের, ভারতবর্ষ আমাদের / মুসলিম আমরা, সারা পৃথিবীই আমাদের দেশ…” – তখন ইকবাল কি “চীন” বলতে আমরা এখন যে “চীন” রাষ্ট্রকে চিনি, সেটাকে বুঝিয়েছিলেন? এই “চীন” তো কখনোই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না! তাহলে? আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, এই প্রশ্নের উত্তরেই লুকিয়ে আছে “উইগুর” নামে বিশ্বের এক নিপীড়িত জাতির পরাধীনতার শৃঙ্খল।  আসলে ইকবালের সময়কালে “চীন” বলতে ... Read more - [কুরআনকে যেভাবে বুঝা উচিত ছিল](https://returnofislam.com/2018/10/09/understanding-the-quran/): পবিত্র কুরআন হল সেই গ্রন্থ যা সাহাবা (রা) এর জীবনে ব্যক্তিগতভাবে এবং সামষ্টিকভাবে ইসলাম গ্রহণের আগের জীবন ও পরের জীবনের মধ্যে ব্যাপক পাথর্ক্য গড়ে দিয়েছিল। নিষ্ফলা মরুভূমি ও বর্বর হওয়ায় রোমান ও পারস্য পরাশক্তিসমূহ আরবের যে অংশে রাসূলুল্লাহ (সা) এসেছিলেন সে অংশের প্রতি ছিল অনাগ্রহী এবং এ অংশের লোকদের অবজ্ঞার চোখে দেখত। কিন্তু কেবলমাত্র কুরআন এবং কুরআন সে বর্বর লোকগুলোকে শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত করল এবং রোমান ও পারস্য সাম্রাজ্যকে পদানত করে এমন এক দীঘমেয়াদী উন্নত সভ্যতার জন্ম দিয়েছিল যা ছিল নজিরবিহীন।এর জন্য তারা শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন মুহাম্মদ (সা) কে যিনি ছিলেন জীবন্ত কুরআন। সাহাবীদের অবিকল সেই কুরআন এখন আমাদের মধ্যে আছে। ... Read more - [উই ওয়ান্ট জাস্টিস](https://returnofislam.com/2018/08/15/we-wamt-justice/): রাজধানী ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে কুর্মিটোলা হাসপাতালের সামনে জাবালে নূর বাসের ধাক্কায় শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় পুরো দেশব্যাপী এক অভূতপূর্ব আন্দোলন গড়ে উঠে। সরকারের দূর্নীতিগ্রস্ত সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সর্বোপরি দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রধানত স্কুলের কিশোর কিশোরী ও তাদের অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে টানা সাত দিন ব্যাপী যে তীব্র ঘৃণা ও বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়েছে তা ছিল নজিরবিহীন। সরকার এ তুমুল জনপ্রিয় আন্দোলনকে আগের মত প্রতারণা এবং দলীয় পেশী শক্তি ও প্রশাসনের মাধ্যমে দমন করার চেষ্টা করেছে। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ ধরনের আন্দোলন এ সরকারের সময়ে আরও হয়েছে। যেমন শাহবাগী নাস্তিক চক্রের বিরুদ্ধে গড়ে উঠা হেফাজতের আন্দোলন, ভ্যাটবিরোধী ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রের সঙ্গীত](https://returnofislam.com/2018/07/18/anthem/): অন্যান্য জনগোষ্ঠী বা রাষ্ট্র থেকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী বা রাষ্ট্রকে আলাদা করার জন্য বিশেষ কোন শ্লোগাণ বা সঙ্গীত গ্রহণ করা শারী’আহ্ কর্তৃক অনুমোদিত (মুবাহ্) একটি বিষয়। অতীতে মুসলিমদের নির্দিষ্ট শ্লোগাণ ছিল, যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রট্টপক্ষকে মুকাবিলা করার সময় ব্যবহার করতো। রাসূল (সা) এর সময়ই এ বিষয়টি প্রচলিত ও অনুমোদিত ছিল। খন্দক ও বনু কুরাইযা’র বিরুদ্ধে যুদ্ধে মুসলিমদের শ্লোগাণ ছিল ‘হা মীম, তারা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না’। আর, বনু মুসতালিক এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের শ্লোগাণ ছিল ‘তোমরা, যারা সাহায্যপ্রাপ্ত, মৃত্যু বহন করে আনো, মৃত্যু বহন করে আনো’ ইত্যাদি।  এছাড়া, দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি ও বাকশক্তি, এগুলো মানুষের মধ্যে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার রহমত হিসাবে প্রদত্ত ... Read more - [রাষ্ট্রের পতাকা ও ব্যানার](https://returnofislam.com/2018/07/17/flags_and_banners/): ইসলামী রাষ্ট্রের পতাকা (আল-ওয়্যিয়াহ্) ও ব্যানার (রাইয়াত) থাকবে যা নেয়া হয়েছে মদিনায় রাসূলুল্লাহ্ (সা) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের উদাহরণ থেকে। এগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা নিম্নরূপ:  ১. ভাষাগতভাবে পতাকা ও ব্যানারকে ’আলম বলা হয়। আল কামুস আল মুহীতে উল্লেখিত আছে যে, মূলতঃ আল-রাইয়া অর্থ হল আল-আলম, যার বহুবচন হল রাইয়াত। এছাড়া, আল-লিওয়া শব্দমূল থেকে আল-আলম শব্দটি এসেছে যার বহুবচন হল আল-ওয়্যিয়াহ্। এর পাশাপাশি এইসব প্রতিটি শব্দের শারী’আহ্ নির্ধারিত অর্থ ও তাৎপর্য রয়েছে:  – পতাকা (লিওয়া) হবে সাদা, যেখানে কাল অক্ষরে লেখা থাকবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদ উর রাসূলুল্লাহ্’। এটা সেনাবাহিনীর আমীর বা নেতার সাথে বাঁধা থাকবে। এটা তার অবস্থানের নিদর্শন হিসেবে থাকবে ... Read more - [মাজলিস আল উম্মাহ্](https://returnofislam.com/2018/07/16/ummah_council/): (উম্মাহ্’র কাউন্সিল, শূরা ও জবাবদিহিতা) মাজলিস আল উম্মাহ্ বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত এমন একটি কাউন্সিল বা পরামর্শ সভা, যা বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠীর মতামতের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং যাদের সাথে প্রয়োজন হলে খলীফা বিভিন্ন বিষয়ের ব্যাপারে পরামর্শ করবেন। আবার, অপরদিকে তারা শাসকদের জবাবদিহিতার সম্মুখীন করার ক্ষেত্রে উম্মাহ্’র প্রতিনিধিত্ব করবে। এ বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্ (সা) এর কর্মকান্ডের আলোকে গ্রহণ করা হয়েছে। কারণ, তিনি (সা) আনসার ও মুহাজির’দের কিছু ব্যক্তিবর্গের সাথে পরামর্শ করতেন, যারা তাদের নিজ নিজ গোত্রের প্রতিনিধিত্ব করতেন। এছাড়া, তিনি (সা) পরামর্শদাতা হিসাবে কিছু সাহাবীকেও মনোনীত করেছিলেন, পরামর্শ কালে তিনি (সা) সাধারণতঃ অন্যদের চাইতে তাঁদের মতামতকে বেশী গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতেন; যেমন: আবু বকর ... Read more - [তথ্য বিভাগ (আল ই’লাম)](https://returnofislam.com/2018/07/15/the_information/): রাষ্ট্র এবং এর দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যতগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ আছে, তথ্যবিভাগ তাদের মধ্যে একটি। এটি জনস্বার্থের (মাসালিহ্) সাথে সম্পর্কিত নয় যে, এটি জনকল্যাণ বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে; বরং, রাষ্ট্রের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমূহের মতোই একটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে এটি সরাসরি খলীফার তত্ত্বাবধানের অধীন থাকবে।  একটি সুনির্দিষ্ট তথ্যনীতি যা বিশ্বের দরবারে ইসলামকে শক্তিশালী ও কার্যকরভাবে উপস্থাপন করবে, স্বাভাবিকভাবেই তা ইসলামের প্রতি গণমানুষের মনকে আকৃষ্ট করবে; সেইসাথে, তাদের আগ্রহী করবে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও চিন্তাভাবনা করতে। এছাড়া, মুসলিম ভূমিসমূহকে খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে একীভূত করার ক্ষেত্রেও এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া, তথ্য-উপাত্তের মধ্যে এমন অনেক বিষয় আছে, যা রাষ্ট্রের (ভাল-মন্দের) ... Read more - [বাইতুল মাল](https://returnofislam.com/2018/07/14/state_treasury/): বাইতুল মাল শব্দটি গঠনের দিক থেকে জটিল ও বহু অর্থবোধক এবং এটি রাষ্ট্রের এমন একটি স্থানকে নির্দেশ করে যেখানে ব্যয়ের পূর্ব পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রাপ্ত সকল রাজস্ব জমা রাখা হয়। এছাড়া, এর দ্বারা এমন একটি কর্তৃপক্ষকেও বোঝানো হয়ে থাকে, যা মুসলিমদের অধিকারকৃত সম্পদসমূহ গ্রহণ ও ব্যয়ের জন্য দায়িত্বশীল।  আমরা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি যে, সেনাবাহিনী, বিচারব্যবস্থা এবং তহবিল ব্যতীত ওয়ালীকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হবে। সুতরাং, সমগ্র সেনাবাহিনীর একটি কেন্দ্রীয় বিভাগ থাকবে, যার নেতৃত্বে থাকবে আমীর-উল-জিহাদ।  একইভাবে, বিচারব্যবস্থার জন্যও একটি কেন্দ্রীয় বিভাগ, যাকে বিচারবিভাগ বলা হবে এবং রাষ্ট্রের সকল রাজস্ব বা তহবিল একটি কেন্দ্রীয় বিভাগের অধীনে থাকবে, যাকে বলা হবে বাইতুল মাল। ... Read more - [প্রশাসনিক ব্যবস্থা (জনকল্যাণ বিভাগ, Administrative System)](https://returnofislam.com/2018/07/13/administration_system/): রাষ্ট্র পরিচালনা ও জনগণের স্বার্থসংক্রান্ত কার্যাবলী বিভিন্ন অফিস, বিভাগ এবং প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হয় – যাদের কাজ হল জনগণের স্বার্থসংক্রান্ত বিষয়াবলী ও রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ডের সুব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। প্রত্যেক অফিসের (মাসলাহা) প্রধান হিসেবে একজন মহাব্যবস্থাপক, প্রত্যেক বিভাগ (দায়রাহ্) ও প্রশাসনের (ইদারা) প্রধান হিসেবে একজন পরিচালক এর পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। এই পরিচালকগণ পেশাগতভাবে তাদের অফিস, বিভাগ ও প্রশাসনের মহাপরিচালকের কাছে এবং আইন ও সাধারণ নিয়মনীতি পালনের ক্ষেত্রে ওয়ালী বা আমীলের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। রাসূলুল্লাহ্ (সা) সাধারণত প্রশাসন পরিচালনা ও জনগণের বিষয়াদি দেখভাল করতেন এবং প্রশাসনে কর্মরত সচিবদেরও তিনি (সা) নিয়োগ দিতেন। এভাবেই, রাসূলুল্লাহ্ (সা) মদীনার লোকদের দেখাশোনার দায়িত্ব নেন, তাদের বিভিন্ন ... Read more - [বিচার বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/12/judiciary/): আদালতের রায় কার্যকর করার লক্ষ্যে রায় প্রদান করা বিচারব্যবস্থার দায়িত্ব। এ বিভাগ জনগণের মধ্যকার বিবাদের মীমাংসা করে, জনস্বার্থ ক্ষুন্ন হতে পারে বা জনস্বার্থের জন্য হুমকীস্বরূপ বিষয়সমূহ প্রতিহত করে এবং জনগণ ও শাসনব্যবস্থার সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গের মধ্যকার বিবাদ নিরসন করে, এসব ব্যক্তিবর্গ হতে পারেন শাসক, সরকারী কর্মকর্তা, খলীফা বা অন্য কোন ব্যক্তি।  ইসলামী বিচারব্যবস্থার উৎস ও এর বৈধতার দলিল হল আল্লাহ্’র কিতাব ও রাসূল (সা) এর সুন্নাহ্।  আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,   ‘আর আপনি তাদের পারষ্পরিক বিষয়সমূহে আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তদানুযায়ী ফয়সালা করুন।’ [সূরা মায়েদা: ৪৯] তিনি (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) আরও বলেন, ‘তাদের মধ্যে ফয়সালা করার জন্য যখন তাদেরকে আল্লাহ্ ও ... Read more - [শিল্প বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/11/industry/): শিল্প বিভাগ হচ্ছে এমন একটি বিভাগ যা শিল্প সংক্রান্ত সকল বিষয়ের দায়িত্ব পালন করে থাকে; তা ভারী শিল্প সম্পর্কিতই হোক, যেমন: মোটর, ইঞ্জিন, যানবাহন, সরঞ্জামাদি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি কিংবা হালকা শিল্পের সাথে সম্পর্কিতই হোক। রাষ্ট্রে অবস্থিত গণমালিকানাধীন বা ব্যক্তি মালিকানাধীন সকল শিল্পকারখানা, যেগুলোর সাথে সামরিক শিল্পের সম্পর্ক রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই যুদ্ধনীতির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর কারণ হল, জিহাদের জন্য প্রয়োজন সেনাবাহিনী; আর, সেনাবাহিনীর প্রয়োজন অস্ত্রশস্ত্র। এই সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র যেন সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন এবং সর্বাবস্থায় সহজলভ্য হয় এজন্য রাষ্ট্রের নিজস্ব শিল্পকারখানা থাকা আবশ্যক। বিশেষ করে সামরিক শিল্পকারখানা কারণ, জিহাদের সাথে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। খিলাফত রাষ্ট্র যেন স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির অধিকারী হয় ... Read more - [পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/10/foreign-affairs/): পররাষ্ট্র বিভাগ রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সম্পর্কিত বিষয় অর্থাৎ, খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে অন্যান্য রাষ্ট্র সম্পর্কিত সকল বিষয়ের দায়িত্ব পালন করে থাকে – এই বিষয় ও সম্পর্ক যাই হোক না কেন। এ বিষয়সমূহ রাজনৈতিক হতে পারে যেখানে শান্তি চুক্তি, যুদ্ধবিরতি, সমঝোতা চুক্তি, দূত নিয়োগ, বার্তাবাহক ও প্রতিনিধি প্রেরণ এবং দূতাবাস ও বাণিজ্যিক দূতের আবাস স্থাপন অন্তর্ভুক্ত। আবার অন্যান্য সম্পর্কও হতে পারে, যেমন: অর্থনৈতিক, কৃষি, বাণিজ্য, ডাকযোগাযোগ, তারযুক্ত বা তারবিহীন যোগাযোগ ইত্যাদি। খিলাফত রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক বজায় রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ এসব কার্যই সম্পাদন করে থাকে।    রাসূলুল্লাহ্ (সা) অন্যান্য বৈদেশিক রাষ্ট্র ও জনগোষ্ঠীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তিনি উসমান বিন আফফান ... Read more - [আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ](https://returnofislam.com/2018/07/09/internal-security/): আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে এবং এ বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন একজন মহাব্যবস্থাপক। প্রত্যেক প্রদেশে এই বিভাগের একটি করে শাখা থাকবে যাকে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা শাখা বলা হবে, এর প্রধানকে বলা হবে সাহিব আল সুরতাহ্ (Sahib al-shurta) এবং সেখানে তিনি প্রাদেশিক গভর্ণরের তত্ত্বাবধানের কাজ করবেন। তবে, প্রশাসনিক বিষয়ে তিনি কেন্দ্রের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের অধীনস্ত থাকবেন যা পরিচালিত হবে একটি বিশেষ আইন দ্বারা।  আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট যে কোন বিষয়ের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। এ বিভাগ পুলিশবাহিনীর (সুরতাহ্) মাধ্যমে রাষ্ট্রের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি বজায় রাখে। বস্তুতঃ এটাই হল নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান উপকরণ। নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে পুলিশবাহিনীকে যে কোন ... Read more - [আমীরুল জিহাদ-যুদ্ধ বিভাগ (সেনাবাহিনী)](https://returnofislam.com/2018/07/08/war-department/): যুদ্ধ বিভাগ হল রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এর প্রধানকে জিহাদের ব্যবস্থাপক না বলে আমীরুল জিহাদ বলা হয়। এর কারণ, রাসূলুল্লাহ্ (সা) সেনাবাহিনীর প্রধানদের আমীর নাম দিয়েছেন। ইবনে সাদ বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন,  ‘যায়েদ বিন হারিছাহ হল মুসলিমদের আমীর; যদি তিনি শহীদ হয়ে যান তাহলে আমীর জাফর বিন আবি তালিব; এবং তিনি যদি শহীদ হন তাহলে আমীর আবদুল্লাহ ইবনে রুয়াহাহ্ এবং তিনিও যদি শহীদ হন তাহলে মুসলিমরা তাদের মধ্য হতে একজনকে আমীর নির্বাচিত করে নেবে।’ ইমাম বুখারী আব্দুল্লাহ্ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, “আল্লাহ্’র রাসূল (সা) মুতার যুদ্ধে যায়িদ ইবন হারিছাহ্’কে আমীর নিযুক্ত করেছিলেন…” আল বুখারী সালামাহ্ ইবন ... Read more - [জিহাদ](https://returnofislam.com/2018/07/07/war/): জিহাদ হল ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া এবং বিশ্বের কাছে ইসলাম পৌঁছে দেবার জন্য ইসলাম নির্ধারিত মৌলিক পদ্ধতি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে ইসলামের বিধিবিধান বাস্তবায়নের পর ইসলামের দাওয়াতী কাজ পরিচালনা করা ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধান কাজ। আল্লাহ্’র বাণীকে সুউচ্চে তুলে ধরার জন্য যে যুদ্ধ করা হয় তাকেই জিহাদ বলে। জিহাদ পরিচালনার জন্য প্রয়োজন সেনাবাহিনী এবং সেইসাথে প্রস্তুত করা প্রয়োজন এই বাহিনীর নেতৃত্ব, চীফ অফ স্টাফ, কর্মকর্তা ও সৈনিকদল। এছাড়া, এই সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ এবং যুদ্ধ সরঞ্জামও প্রয়োজন, যার জন্য দরকার শিল্প কারখানা। সুতরাং, শিল্পকারখানা হচ্ছে সেনাবাহিনী ও জিহাদের জন্য একটি অপরিহার্য বিষয়। এই বাস্তবতার কারণে রাষ্ট্রের সব শিল্পকারখানা অবশ্যই যুদ্ধ শিল্পের (war industry) ... Read more - [গভর্ণরবৃন্দ (উলা’হ্)](https://returnofislam.com/2018/07/06/the-governors/): ওয়ালী (গভর্ণর) হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যাকে খলীফা খিলাফত রাষ্ট্রের ভেতর কোন একটি উলাই’য়াহ্ বা প্রদেশে শাসক এবং আমীর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন। ইসলামী রাষ্ট্রের অন্তর্ভূক্ত ভূমিসমূহকে বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত করা হবে এবং প্রতিটি প্রদেশ একটি উলাই’য়াহ  হিসেবে পরিগণিত হবে। প্রতিটি উলাই’য়াহকে আবার কয়েকটি জেলায় বিভক্ত করা হবে এবং প্রতিটি জেলাকে ইমালাহ্ বলা হবে। উলাই’য়াহ দায়িত্বে যাকে নিযুক্ত করা হবে তাকে ওয়ালী বা আমীর বলা হবে এবং ইমালাহ্’র দায়িত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আমীল বা হাকীম বলা হবে। প্রতিটি ইমালাহ্ আবার কয়েকটি প্রশাসনিক এককে বিভক্ত, যাদের প্রত্যেককে কাসাবাহ্ (মেট্রোপলিস) বলা হয়। কাসাবাহ সমূহ আরও ছোট প্রশাসনিক এককে বিভক্ত যাদের প্রত্যেকটিকে হাই’ই (Hayy) বা ... Read more - [নির্বাহী সহকারীগণ (মু’ওয়ায়ীন আত তানফীদ)](https://returnofislam.com/2018/07/05/the-executive-assistants/): মু’ওয়ায়ীন আত তানফীদ এমন একজন সহকারী (ওয়াযির) যাকে খলীফা তার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত কার্যকর, তদারকি এবং নির্দেশ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে তার সহযোগী হিসাবে নিযুক্ত করে থাকেন। তিনি খলীফা এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগ, জনগণ ও পররাষ্ট্র বিষয় সংক্রান্ত কার্যালয়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী ব্যক্তি। তিনি খলীফার নিকটে এবং খলীফার নিকট থেকে বার্তা বহনের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি খলীফার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তার সহকারী, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন প্রকার ক্ষমতা তার নেই। অর্থাৎ, তার ভূমিকা বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা, কিন্তু শাসন করা নয়। তার কার্যালয় হচ্ছে এমন এক হাতিয়ার যার মাধ্যমে খলীফা আভ্যন্তরীন ও বৈদেশিক কার্যালয়সমূহে তার জারিকৃত নির্দেশসমূহ বাস্তবায়ন করে থাকেন। এবং এ সমস্ত কার্যালয়ের ... Read more - [খলীফার প্রতিনিধিত্বকারী সহকারী বা ডেপুটি (মু’ওয়ায়ীন আত তাফউয়ীদ)](https://returnofislam.com/2018/07/04/the-delegated-assistants/): সহকারীরা হলেন ওয়াযির (মন্ত্রী) যাদেরকে খলীফা খিলাফতের দায়িত্ব পালনে তাকে সহযোগিতা করার জন্য নিযুক্ত করে থাকেন। খিলাফত রাষ্ট্রের অসংখ্য কাজ রয়েছে; বিশেষ করে তখন যখন রাষ্ট্রের সীমানা ক্রমান্বয়ে বড় হচ্ছে এবং তা সম্প্রসারিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় খলীফার একার পক্ষে খিলাফতের গুরুদায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টসাধ্য। এ কারণেই তার ভার বহন করা এবং তার দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করার জন্য সহকারীর প্রয়োজন। তবে, কোন সীমাবদ্ধতা ছাড়া তাদের ওয়াযির (মন্ত্রী) বলা যুক্তিসঙ্গত হবে না। অন্যথায় ইসলামে ওয়াযির এর ধারণার সাথে বর্তমান ধর্মনিরপেক্ষ, পুঁজিবাদী, গণতান্ত্রিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত মানবরচিত ব্যবস্থা অথবা, অন্য যে সকল ব্যবস্থা আমরা দেখে থাকি, তাদের ধারণার দ্বন্দ বা বিভ্রান্তি তৈরি হবে। প্রতিনিধিত্বকারী ... Read more - [খলীফা](https://returnofislam.com/2018/07/03/the-khalifah/): খলীফা হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি শাসন, কর্তৃত্ব এবং শারী’আহ্‌’র বিধি-বিধান সমূহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহ্‌’র প্রতিনিধিত্ব করেন। ইসলাম এটি নির্ধারণ করে দিয়েছে যে, শাসন ও কর্তৃত থাকবে উম্মাহ্‌’র অধিকারে। এজন্যই উম্মাহ্‌ শাসনকার্য পরিচালনা ও তাদের উপর শারী’আহ্‌’র হুকুম-আহ্‌কাম সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তার পক্ষ হতে একজনকে নিযুক্ত করে। বস্তুতঃ আল্লাহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা প্রতিটি শারী’আহ্‌ আইন বাস্তবায়ন করা উম্মাহ্‌’র জন্য বাধ্যতামূলক করে দিয়েছেন। যেহেতু খলীফা মুসলিমদের দ্বারা নির্বাচিত হন, সেহেতু স্বভাবতই তাকে শাসন, কর্তৃত্ব ও শারী’আহ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে উম্মাহ্‌’র প্রতিনিধি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সুতরাং, কোন ব্যক্তিই ততক্ষণ পর্যন্ত খলীফা হতে পারবেন না যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি উম্মাহ্‌’র কাছ থেকে বাই’আত ... Read more - [ভূমিকা](https://returnofislam.com/2018/07/02/ajhizah-introduction/): খিলাফত রাষ্ট্রের কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার আগে কিছু বিষয়ে আলোকপাত করা প্রয়োজন: ১. ইসলামে শাসনব্যবস্থা বলতে খিলাফত রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বুঝায়, যা এ মহাবিশ্বের প্রতিপালক মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কর্তৃক নির্ধারিত এবং যেখানে রাষ্ট্রের প্রধান, খলীফা মুসলিমদের বাই’আত মাধ্যমে নিযুক্ত হয়ে থাকেন। এই বিষয়টির অকাট্য দলিল হচ্ছে আল্লাহ’র কিতাব, রাসূল (সা) এর সুন্নাহ্ এবং সাহাবাদের (রা.) ইজ্‌মা (ঐক্যমত) আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুর’আনে বলেন: “অতএব, আপনি আল্লাহ্ যা নাযিল করেছেন তা দিয়ে তাদের মাঝে শাসন করুন এবং আপনার কাছে যে মহান সত্য এসেছে, তা পরিত্যাগ করে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না।” [সূরা আল-মায়িদাহ: ৪৮] তিনি সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আরও ... Read more - [মুখবন্ধ](https://returnofislam.com/2018/07/01/ajhizah-forward/): (নিম্নোক্ত প্রবন্ধটি বিশ্বখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলেম শাইখ আতা ইবনু খলীল আল-রাশতার অধীনে সম্পাদিত ‘আজহিজাতু দাওলিাতিল খিলাফাহ – ফিল হুকমি ওয়াল ইদারাহ’ বইটির বাংলা অনুবাদ হতে গৃহীত) সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার এবং দুরূদ ও সালাম রাসূলুল্লাহ্ (সা), তাঁর পরিবার, সাহাবীগণ (রা.) এবং পরবর্তীযুগের অনুসারীদের প্রতি। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেন: “তোমাদের মধ্য হতে যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে আল্লাহ্ তাদের এ ওয়াদা দিয়েছেন যে, তিনি তাদের পৃথিবীতে খিলাফত দান করবেন, যেরূপ তাদের পূর্ববর্তীদের দান করেছিলেন আর তিনি অবশ্যই তাদের দ্বীনকে, যা তিনি তাদের জন্য মনোনীত করেছেন, সুদৃঢ় করবেন এবং তাদের (বর্তমান) ভয়-ভীতির পরিবর্তে তাদের ... Read more - [বহুরূপী সেকুলারিজম!](https://returnofislam.com/2018/06/25/multiform-secularism/): ইদানিং আমাদের সমাজ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ কিছু কনসেপ্ট আলোচনা করা হয়। যেমন, সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ/ইহজাগতিকতাবাদ), প্লুরালিজম (বহুত্ববাদ), বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা এবং ইসলাম ও ইসলামের মধ্যে ফিরকার সাথে এর সম্পর্ক বা সংঘর্ষ কী। আজ আমরা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। ১. Pluralism (বহুত্ববাদ): সমাজ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেকুলার গোষ্ঠী বহুত্ববাদকে সংজ্ঞায়িত করে। সমাজে বিভিন্ন ধরণের, বিভিন্ন চিন্তার মানুষ থাকে এবং বিভিন্ন (রাজনৈতিক/সামাজিক) ভাবে তারা তাদের মত/দাবীসমূহ প্রকাশ করে থাকে। সমাজের মানুষের বিভিন্ন ধাঁচের চিন্তাসমূহকে সেকুলার ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে থেকে সমাজে জায়গা করে দেওয়া ও সহ-অবস্থানের সুযোগ দেয়ার নামই হচ্ছে প্লুরালিজম। তবে এ ক্ষেত্রে সেকুলার পুঁজিবাদী ফ্রেমওয়ার্ক তার বিরুদ্ধে কাজ করে এমন কোন চিন্তার অবস্থানের সুযোগ দিতে ... Read more - [আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ](https://returnofislam.com/2018/06/13/oil-price-hike-intl-market/): প্রশ্ন: বিগত ২৪/৫/২০১৮ তারিখে বিশ্বব্যাপী তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৭৯ মার্কিন ডলার এবং টেক্সাস ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৭১ মার্কিন ডলার মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে। ২০১৪ সালের ক্রমাগত দরপতনের পর এই মূল্য বৃদ্ধি কী আবারও তেলের উচ্চ মূল্যের যুগের সূচনার লক্ষণ? আমরা কি অতীতের মত আবারও ব্যারেল প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার মূল্যের দিকে যাচ্ছি? এই উচ্চমূল্য বৃদ্ধির কারণ কী? উত্তর: অন্য যে কোন পণ্যের মত তেলের মূল্য চাহিদা এবং যোগানের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু অন্য সকল পণ্য থেকে তেলের মূল্য অতি মাত্রায় অস্থিতিশীল। আন্যভাবে বলা যায় চাহিদা বা যোগানের যে কোন উপাদানের সমান্যতম পরিবর্তন তেলের মূল্যকে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে। জ্বালানী ... Read more - [বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ইসলামে বৈধ?](https://returnofislam.com/2018/06/06/islamic-verdict-on-cryptocurrency/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব হতে সংগৃহীত ১) বিটকয়েন কোনো কারেন্সি তথা মুদ্রা নয়। এটি মুদ্রার শর্ত পূরণ করে না। কারণ নবী (সা) কর্তৃক গৃহীত ও বাস্তবায়িত মুদ্রা ছিল স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা অর্থাৎ, দিরহাম ও দিনার। এই ইসলামী মুদ্রা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করে: – এটি পন্য ও সেবা পরিমাপের ভিত্তি হতে হবে অর্থাৎ, এটি দাম ও মজুরীর নিরুপনকারী হতে হবে। – এটি একটি কেন্দ্রী কর্তৃপক্ষ প্রচলন করবে। যা দিনার ও দিরহাম প্রচলনের দায়ভার বহন করবে এবং এটি কোনো অজানা পক্ষ হতে পারবে না। ... Read more - [ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ওয়ালেট এ ক্যাশব্যাকের শর'ঈ বিধান](https://returnofislam.com/2018/05/24/ewallet-cashback/): নিচের প্রশ্নোত্তরটি অনুদিত। মূল ফতওয়ার জন্য অরিজিনাল ভার্শনটি পড়ুন।  প্রশ্ন: ইলেকট্রনিক ওয়ালেট অথবা পেমেন্ট ওয়ালেট এ ক্যাশব্যাক পাওয়ার ব্যাপারে হুকুম কী? অনেক ইলেকট্রনিক ওয়ালেট ৫% ক্যাশব্যাক দিচ্ছে এবং বেশি ব্যবহার তথা ইলেকট্রিসিটি বিল ইত্যাদি দেয়ার উপর ভিত্তি করে আরো বেশি দিচ্ছে, এই ক্যাশব্যাক কি সুদ বলে বিবেচিত হবে? উপরন্তু, কখনো কখনো এসব ওয়ালেট রিচার্জ করার পর যে এমাউন্ট পাই তা মুল এমাউন্ট হতে অতিরিক্ত হয়। উদাহরণসরূপ, যদি ১০০ রিয়াল রিচার্জ করি তাহলে আমরা ১১০ রিয়াল পাই ইলেকট্রনিক ওয়ালেটে। এই অতিরিক্ত পরিমান কি সুদ? এক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখতে হবে যে এসব ওয়ালেট ব্যাংক নয়। উত্তর: ইলেকট্রনিক ওয়ালেট হচ্ছে ডিজিটাল এপ্লিকেশন যাতে পেমেন্ট এর ব্যাবস্থাপনা ডিজিটালি ... Read more - [জাতি-রাষ্ট্র বনাম খিলাফত রাষ্ট্র](https://returnofislam.com/2018/03/22/nation-state-vs-khilafah/): জাতি-রাষ্ট্র: কুফর সাম্রাজ্যবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও উম্মাহকে বিভক্তি করার ফসল  খিলাফাহ রাষ্ট্র : নবী-রাসূলদের দেখানো পথ যা উম্মাহকে একত্রিত করে গত ৪৭ বছর ধরে, আমরা প্রতিবছর তথাকথিত স্বাধীনতা দিবস পালন করে আসছি যা আমাদের জন্য আনন্দের (!) উৎসব হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। এ দিবস পালনের সময় আমদের প্রশ্ন করা উচিত এ রাষ্ট্রের বাস্তবতা কী, কে এটা তৈরি করেছে, কেন এবং কিইবা পেলাম? রাসূল (সা) মক্কা থেকে মদীনায় হিযরত করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ইচ্ছায় ইসলামী জীবনব্যবস্থা বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন যার মাধ্যমে ইসলাম বাস্তবায়িত ছিলো ও সমগ্র পৃথিবীতে দাওয়ার কার্য সম্পাদিত হয়েছিল। তথন থেকেই কুফর ও হক্ব এর ... Read more - [এই উন্নয়ন, উন্নয়ন না, আরও উন্নয়ন আছে...!](https://returnofislam.com/2018/03/03/fake-developments/): বর্তমান বাংলাদেশ সরকার নিজেকে উন্নয়নে রোল মডেল হিসেবে দাবি করছে। ফলাও করে প্রচার করছে গত ৯ বছরে তাদের তথাকথিত অর্জনসমূহ। যার মধ্যে রয়েছে গুটি কয়েক ফ্লাইওভার, ণির্মানাধীন মেট্রোরেল প্রকল্প, এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে, রূপপূর পারমাণবিক প্রকল্প, পদ্মা সেতু, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, বাংলাদেশকে স্বল্প উন্নত দেশের কাতার থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করা, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, ছয় বা তার উপরে জিডিপি ধরে রাখা, ডলারের রিজার্ভ বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি। এ ধরনের প্রচারণার পেছনে কারণ কী? এ ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে সরকার জনগনের দৃষ্টি মূল ইস্যু থেকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে রাখতে চায়। প্রশ্ন হচ্ছে কী সেসব মূল ইস্যু? এসব প্রচারণার মাধ্যমে সরকার আড়াল করতে চায় নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ... Read more - [সম্পদের স্বল্পতা বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার প্রধান কারণ নয়](https://returnofislam.com/2018/02/16/wealth-isnot-reason-to-create-hunger/): ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের আরেকটি বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (আইএফএডি) খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতি শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই তথ্য ২০১৪-১৬ সালের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে প্রণীত ওই প্রতিবেদনে বলা হয় গত বছরে (২০১৭) বিশ্বের ১১ শতাংশ মানুষের ক্ষুধা বেড়েছে। ওই রিপোর্ট প্রকাশের পর সংস্থাটির প্রধান গিলবার্ট হুংবো বলেছিলেন, ‘সম্পদের স্বল্পতা নয়, খাদ্যের অপচয়ই বিশ্বজুড়ে ক্ষুধার প্রধান কারণ।’  তবে তারা যে বিষয়টি উল্লেখ করেনি তা হল, পশ্চিমাদের নীতির কারণেই তৃতীয় বিশ্ব দরিদ্র এবং উন্নত বিশ্বে অপব্যয়ের কারণেই সৃষ্ট খাদ্যসংকটের ফলে তারা দরিদ্রই থাকবে। পশ্চিমাদের দ্বারা নিয়ত্রিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্বব্যাংক এবং এদের কাঠামোগত পরিবর্তন নীতি (Structural Adjustment Policy) ... Read more - [আত্মপরিচয়, যা থেকে আসে আত্মসম্মান!](https://returnofislam.com/2018/02/14/selfidentity-comes-from-selfdignity/): আমাদের সমাজে এমন কিছু মানুষ আছেন যারা তাদের পড়ালেখার Subject choice করা থেকে শুরু করে, বন্ধুত্ব নির্বাচন, লেনদেন, বিয়ে শাদী নানা রকম কর্মকান্ডে Standard maintain করার চেষ্টা করেন। সব জায়গায়, সব কিছু আসলে তার সাথে Chill করে না। ‘আমি করব তার সাথে বন্ধুত্ব!’ ‘আমি ওখানে যাব!’ ‘আমি এটা কিভাবে করব!’ এই টাইপ কথা বলে থাকেন। কারণ, এসব করতে তার আসলে আত্মসম্মানে নাড়া দেয়। আর যে কাজ করতে তার আত্মসম্মানে নাড়া দেয় সেই কাজ যত কঠিন হোক না কেন তা সে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একটু ভিন্ন ভাবে বিষয়টা আলোচনা করা যাক। আল্লাহ তায়ালা সুরা ইউসুফের ২৩ নম্বর আয়াতে আমাদের জানাচ্ছেন, “আর ... Read more - [পৌরুষদীপ্ত পুরুষ](https://returnofislam.com/2018/01/19/manly-man/): সাহসিকতা একজন মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গুণ। যারা সাহসিকতার সাথে কোনো কাজ সম্পন্ন করেন তারা সমাজে সমাদৃত হন। বিশেষ করে, পুরুষরা নিজেকে পৌরুষদীপ্ত পুরুষ প্রমাণে অনেক ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন কিংবা নিজের ইম্প্রেশন তৈরিতে কার রেসিং বা বাইক রেসিং করে থাকে। এতে সে তার সাহসিকতার প্রমাণের চেষ্টা করে। কিছু বালক কিংবা তরুণ এলাকায় মাস্তানি-সন্ত্রাস করে, হাতে অস্ত্র নাড়াচাড়া করে সাহস প্রমাণ করতে চায়, অসৎ রাজনৈতিক নেতার কাছে তার আনুগত্য প্রমাণ করতে চায়। কখনো বিভিন্ন নোংরামি কাজের বেলায় তারা নিজের সাহসিকতা দেখায়। আবার কিছু তরুণ ছেলে মাদক পাচারের জন্য যে সাহসিকতা দেখায় তা দেখে আমরা বিস্মিত হই। এখন আমরা একটু ... Read more - [গুম: ম্যাকেয়াভেলিয়ান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জুলুমের হাতিয়ার](https://returnofislam.com/2018/01/10/abduction-machiavellian-bangladesh/): বাস্তবতা: ঢাকা ট্রিবিউন এ প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৪ মাসে ঢাকা থেকে মোট ১৪ জন নাগরিক গুমের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে মোট ৫ জন বিভিন্ন মেয়াদে নিখোজের পর জীবিত অবস্থায় ফিরে এসেছেন। সরকার এবং পুলিশ এগুলোকে মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল বললেও তথাকথিত মানবাধিকার কর্মী মনে করেন, চলমান নিখোজ প্রক্রিয়া অর্থের দ্বারা প্রভাবিত নয়; বরং এগুলো হচ্ছে সরকারের জন্য সম্ভাব্য হুমকি এবং ভীতি সঞ্চার করার উপায়। এই তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাংবাদিক থেকে শুরু করে ফেইসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট শেয়ার করা সাবেক রাষ্ট্রদূতও রয়েছে। যারা ফিরে আসছেন তারা অজানা ভয়ে কেউই মুখ খুলছেন না। কারণ: ১. পুঁজিবাদী অর্থনীতি ও ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বাস্তবায়নের কারণে ... Read more - [বিশ্ব ধাবিত হচ্ছে এক সুনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে](https://returnofislam.com/2017/12/26/new-world-order/): কোন কিছু থেমে নেই। পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। সূর্য থেমে নেই। মিল্কিওয়ে নামক গ্যালাক্সীতে সূর্য চলমান। গ্যালাক্সীগুলো একে অপরের থেকে ক্রমাগত দূরে সরে যাচ্ছে। আধুনিক বিজ্ঞান এসব কথা বলে। সময়ও থেমে নেই। কথায় বলে, সময় ও নদীর ঢেউ কারও জন্য অপেক্ষা করে না। সময় নদীর ঢেউয়ের মত বহমান। সময় পরিক্রমায় বিগত একশ বছর… ১৯২৪ সালে ৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিমদের অভিভাবক রাষ্ট্র উসমানীয় খিলাফত ধ্বংস হওয়ার পর প্রায় এক শতাব্দী পার হতে চলেছে। গত একশবছরে পৃথিবী প্রত্যক্ষ করেছে অনেক কিছু, বিশেষত: মুসলিম বিশ্ব। এই একশ বছর ছিল বেশ ঘটনাবহুল। উপনিবেশবাদীরা ইসলামিক ভূমিসমূহে নব্য উপনিবেশবাদ বা Neo-colonialism এর আওতায় বিশ্বাসঘাতক তাবেদার শাসকদের বসিয়েছে। কুফর শাসনব্যবস্থা ... Read more - [বি পি এল কি কেবলই ক্রিকেট খেলা?](https://returnofislam.com/2017/12/04/bpl-game/): বাস্তবতা: বিগত কয়েক বছরের মত এ বছরও আই পি এল কে অনুসরণ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড টি টোয়েন্টি ক্রিকেট লীগ বি পি এল আয়োজন করেছে। মিডিয়ার ব্যাপক প্রচারণার কারণে বি পি এল নিয়ে সর্বসাধারণ বিশেষত তরুণ সমাজের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। মিডিয়া মারফত আরও জানা যাচ্ছে বি পি এল কে ঘিরে জনাধিক্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশে জুয়া ব্যাপকতা লাভ করেছে।  কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বি পি এল কি কেবলই ক্রিকেট খেলা, নাকি এর পেছনে রয়েছে মুসলিম উম্মাহকে নিয়ে দূর্বৃত্তায়িত পুঁজিবাদী শাসকশ্রেণীর গভীর ষড়যন্ত্র। মূল আলোচনা: ষোড়শ শতাব্দীর ইটালিয়ান কূটনীতিবিদ ও রাজনৈতিক তাত্ত্বিক/বিশ্লেষক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলির মতে, ‘একজন ধূর্ত শাসকের পক্ষে ... Read more - [সুন্দরী প্রতিযোগিতা, পুুঁজিবাদ ও আমাদের মুসলিম পরিচয়](https://returnofislam.com/2017/11/22/beauty-contest-identity-crisis/): অতি সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মিস ইউনিভার্স বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতা। যেখানে মিস ইউনিভার্সের মুকুট পড়েছে দেড়শ কোটি মানুষের দেশ ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানসী চিল্লার। জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে জেসিয়া ইসলাম এতে অংশগ্রহণ করে। এর কিছু দিন আগে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণকারী মিস বাংলাদেশ খুজে বের করতে স্থানীয়ভাবে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দুই সময়েই বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া সুন্দরীদের নিয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক খবর পরিবেশনে ছিল নজিরবিহীন। মিডিয়া যে ভুল চিন্তাসমূহ দেয়ার চেষ্টা করে: ১. সুন্দরী প্রতিযোগিতা নারী স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়নের পরিচায়ক। ২. সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী নারীরা সাহসী ও অনুকরণীয়। ৩. মিস ... Read more - [খিলাফত ব্যবস্থার খসড়া সংবিধানের ব্যাখ্যা - ধারা ২](https://returnofislam.com/2017/11/12/explanation-of-constitution-article-2/): ধারা ২ দার আল-ইসলাম (ইসলামের আবাসস্থল বা ইসলামী রাষ্ট্র) হচ্ছে সেই অঞ্চল যেখানে ইসলামের আইনসমূহ বাস্তবায়ন করা হয় এবং যার নিরাপত্তা ইসলাম কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়। দার আল-কুফর (কুফরের আবাসস্থল বা কুফর রাষ্ট্র) হচ্ছে সেই অঞ্চল যেখানে কুফর আইনসমূহ বাস্তবায়িত হয় কিংবা এর নিরাপত্তা ইসলাম ব্যতিত অন্য কিছু দ্বারা নিশ্চিত করা হয়। দার শব্দটির অনেকগুলো অর্থ রয়েছে, তার মধ্যে: ভাষাগতভাবে: এর অর্থ হচ্ছে “আবাসস্থল”, আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র বাণীতে শব্দটি এভাবে এসেছে: “অতঃপর আমি তাকে ও তার বসবাসের স্থানকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিলাম” (সূরা আল-কাসাস : ৮১), এছাড়াও “যাত্রা-বিরতির স্থান” এবং জনগণের বসবাসের জায়গা হিসেবেও এসেছে, যাতে বলা হয়েছে যে মানুষ ... Read more - [ইসলামি জ্ঞান ও চিন্তার প্রক্রিয়া](https://returnofislam.com/2017/08/22/knowledge-and-way-of-thinking/): কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নিছক ইসলামি জ্ঞান নাকি সঠিক চিন্তার প্রক্রিয়া? নাকি এ দু’টো পরিপূরক? জ্ঞান মানে হল প্রয়োজনের নিরীখে যা জানি না তা জানা এবং যা চিনি না তা চেনা। জ্ঞান অর্জন করলে মানুষ অজ্ঞানতা বা মূর্খতা থেকে বের হয়ে আসে। ইসলামে জ্ঞান অর্জন করার বিষয়টিকে ফরজ করা হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, ‘পড়, তোমার প্রভূর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন……তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না….।’ (সূরা আলাক) রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জ্ঞান অর্জন করা ফরয।’ তবে চিন্তার সঠিক প্রক্রিয়া ব্যতিরেকে কেবলমাত্র নিছক জ্ঞান ব্যক্তি বা জাতির পূর্ণজাগরণ সুনিশ্চিত করতে পারে না। যদি ইসলামের ভিত্তিতে মুসলিম ... Read more - [চিন্তা ও জাতিসমূহের অগ্রাধিকার](https://returnofislam.com/2017/08/16/thoughts-rights-of-nations/): আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া একটি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। কিন্ত বাস্তবে আমরা এরূপ বলতে শুনি না। বরং একটি জাতির প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, তার দক্ষ মানবসম্পদ, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি ইত্যদিকে উন্নয়নের নিয়ামক মনে করা হয়। আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া একটি জাতিকে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন করে, সঠিক পূর্ণজাগরণ সুনিশ্চিত করে এবং সঠিক ও টেকসই অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝা যায় যে, দক্ষ মানবসম্পদ, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অগ্রগতি জাতির আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক ফল। আবার আদর্শিক চিন্তা ও উৎপাদনমুখী চিন্তা প্রক্রিয়া না থাকলে প্রচুর প্রাকৃতিক এবং খনিজ সম্পদ থাকলেও সে জাতি পৃথিবীর ... Read more - [মুসলিম উম্মাহ’র উপর পশ্চিমা উপনিবেশিক সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরূপ প্রভাব](https://returnofislam.com/2017/08/14/cultural-aggression-on-ummah/): কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়া কী? কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়া বুঝতে হলে আমাদেরকে চিন্তা কাকে বলে তা আগে বুঝতে হবে। মস্তিষ্কে সংরক্ষিত পূর্ব ধারণার ভিত্তিতে মানুষের ইন্দ্রিয়ের (নাক, কান,ত্বক, জিহ্বা, চোখ) মাধ্যমে কোন বাস্তবতা সর্ম্পকে গৃহীত তথ্যাদি যাচাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াই হল চিন্তা। অর্থাৎ চিন্তার জন্য চারটি অপরিহার্য উপাদান আবশ্যক: বাস্তবতা, পঞ্চইন্দ্রিয়, মস্তিষ্ক ও পূর্বধারণা (Previous Information)। কালচারিং বা চিন্তা বিকাশ প্রক্রিয়ায় আমরা যা শিখি তা মূলত পূর্বধারণা (Previous Information) হিসেবে মস্তিষ্কে সংরক্ষিত থাকে এবং তা পরবর্তীতে নতুন কোন বাস্তবতা সর্ম্পকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কাজে লাগে। ইসলামে তাফসীর, হাদীসশাস্ত্র, ফিকহ ইত্যাদি এর কালচার। এছাড়া পুনর্জাগরণের জন্য নির্দিষ্ট কালচার তথা হালাকাহ, ... Read more - [বন্যা ও জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ব্যর্থতা ও খিলাফত রাষ্ট্রের আকাংখিত পরিবর্তন](https://returnofislam.com/2017/07/25/flood-and-waterlogging/): দুর্যোগ-পীড়িত অসহায় মানুষের দুর্দশা সরকার কর্তৃক সম্পূর্ণরূপে অবহেলিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। সপ্তাহাধিককাল ধরে প্রায় সাত লক্ষ মানুষ নতুন করে বন্যা কবলিত হচ্ছে এবং কোন ধরনের সরকারি সাহায্য না পৌঁছার কারণে তারা অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। খাদ্য, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকটের পাশাপাশি বন্যা কবলিত মানুষেরা ইতিমধ্যেই পানিবাহিত মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে শুরু করেছে। এসব দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ ও আক্ষেপের সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কাজে সরকারের ব্যর্থতা সম্পর্কে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কান্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য করে যাচ্ছে। রাজধানীতে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে মায়া ... Read more - [কোথায় সেই শাসক যে বলবে, ‘যদি কর্ণফুলির তীরে একটি বকরী পিছলে পড়ে তবে আমি জিজ্ঞাসিত হবো’!](https://returnofislam.com/2017/06/17/kothai-shei-shashok/): গত কয়েকদিন পূর্বে আমরা দেখেছি চলমান বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় চট্টগ্রামের জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। এছাড়াও পাহাড় ধ্বসে চট্টগ্রাম শহর ও এর পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকাতে বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা সহ প্রায় শতাধিক লোক নিহত হয়েছে। এ দুর্যোগে নিহত সেনা কর্মকর্তাসহ সকলের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন। হে মুসলিমগণ! আপনারা জানেন চট্টগ্রাম ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় লক্ষাধিক জনগণ রয়েছে যারা বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতাপ্রবণ ও পাহাড়সংলগ্ন বিভিন্ন ঝুকিপূর্ণ এলাকাসমূহতে বসবাস করছেন। একটু লক্ষ্য করলে দেখব, জলাবদ্ধতায় সৃষ্ট জটিলতা ও পাহাড়ধ্বসে মৃত্যুর ঘটনা নতুন কোন বিষয় নয়। প্রতি বছর পাহাড় ধ্বস ও অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার ফলে ... Read more - [অধ্যায় ৫: নিয়োগকৃত ব্যক্তি বা শ্রমিকের কাজ](https://returnofislam.com/2017/06/10/the-work-of-the-employee/): কাজের সংজ্ঞা ভাড়া করার সাথে ভাড়াকৃত বস্তুর উপযোগ ব্যবহারের বিষয়টি সম্পর্কিত। একজন শ্রমিককে ভাড়া করার/নিয়োগ দেয়ার অর্থ হলো তার সামর্থ্যকে কাজে লাগানো। একজন শ্রমিককে নিয়োগ/ভাড়া করার ক্ষেত্রে কাজটির প্রকৃতি, কাজের সময়কাল, পারিশ্রমিক ও শ্রমের পরিমাণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। কাজটি অজ্ঞাত যাতে না হয় সেজন্য কাজের প্রকৃতি নির্ধারণ করে দিতে হবে, কেননা কাজ সম্পর্কে অজ্ঞ রেখে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ/ভাড়া করা অবৈধ (ফাসিদ)। কার্যকাল নির্ধারণ করাটাও জরুরি, অর্থাৎ সেটি কি দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক নাকি বাৎসরিক হবে। একইভাবে শ্রমিকের কাজের পারিশ্রমিকও সুনির্ধারিত হতে হবে। ইবনে মাসউদ হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন: “তোমাদের মধ্যে কেউ যদি কোন শ্রমিককে নিয়োগ দেয় তবে তাকে অবশ্যই তার ... Read more - [অধ্যায় ৪: মালিকানা লাভের প্রথম উপায়: কাজ (’আমাল)](https://returnofislam.com/2017/06/09/the-first-means-of-ownership/): যেকোন ধরনের সম্পত্তি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে সেগুলো অর্জনের জন্য কাজ করা প্রয়োজন, এক্ষেত্রে সম্পত্তিসমূহ প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যেতে পারে, যেমন: মাশরুম, কিংবা সেগুলো মানুষের শ্রম দ্বারা তৈরী হতে পারে, যেমন: এক টুকরো রুটি বা একটি গাড়ি। ’আমাল (কাজ) শব্দটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অনেকগুলো ধরন ও রূপ এবং ভিন্ন ভিন্ন ফলাফল বিদ্যমান। সেজন্য শারী’আহ্ ’আমাল বা কাজ শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করা ব্যতিরেকে এটির প্রচলিত ধ্রুপদী অর্থের উপর ছেড়ে দেয়নি। এছাড়াও, শারী’আহ্ ’আমাল শব্দটিকে সাধারণভাবে সংজ্ঞায়িত করেনি, বরং বিশেষ কিছু কাজ হিসেবে এটিকে উপস্থাপিত করেছে। এটি কাজের প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করেছে এবং সেগুলোই মালিকানা অর্জনের উপায় হিসেবে অনুমোদিত হয়েছে। ... Read more - [অধ্যায় ৩: মালিকানার প্রকারভেদ (ব্যক্তি মালিকানা)](https://returnofislam.com/2017/06/08/types-of-ownership/): মানষের স্বাাভাবিক প্রবনতা হচ্ছে, সে তার অভাব পরণের জন্য কাজ করতে চায় ও সম্পদের অধিকারী হতে চায় এবং এই সম্পদ অর্জনের লক্ষ্যে সে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়। মানুষের অভাব পূরণ একটি অপরিহার্য বিষয়, যা থেকে নিজেকে সে নিবৃত্ত রাখতে পারে না। এছাড়াও, মানুষের প্রকৃতির অংশ হিসেবে সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও অনিবার্য হয়ে পড়ে। সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ও এর পরিমাণকে সীমাবদ্ধ করে দেয়ার যে কোন প্রচেষ্টা মানুষের প্রকৃতির সাথে সাংঘর্ষিক হবে। অতএব, মানুষ ও তার সম্পদ অর্জনের স্পৃহায় বাধা সৃষ্টি করা কিংবা ব্যক্তি ও তার সম্পদ সংগ্রহের প্রচেষ্টার মাঝে অবস্থান নেয়া প্রকৃতি বিরুদ্ধ হবে। যাই হোক, সম্পদ অর্জন, এই উদ্দেশ্যে ... Read more - [অধ্যায় ২: অর্থনীতি](https://returnofislam.com/2017/06/07/economics/): অর্থনীতি (Economy) শব্দটি একটি পুরনো গ্রীক শব্দ হতে উৎপত্তি হয়েছে, যার অর্থ হলো গৃহস্থালীর কাজের জন্য পরিকল্পনা করা যাতে এর কর্মক্ষম সদস্যগণ পণ্য উৎপাদন ও দায়িত্ব পালন করে, এবং এর সব সদস্যগণ তাদের অধীনে থাকা সবকিছু ভোগ করে। সময়ের আবর্তে লোকেরা গৃহের সংজ্ঞাকে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত একটি সম্প্রদায় পর্যন্ত পরিব্যপ্ত করেছেন। অর্থনীতি শব্দটি সঞ্চয় কিংবা সম্পদ বোঝানোর মতো ভাষাগত অর্থে প্রয়োগের অভিপ্রায়ে ব্যবহার করা হয়নি। বরং এখানে একে প্রায়োগিক অর্থে অর্থাৎ উৎপাদন বৃদ্ধি কিংবা একে নিশ্চিত করার মতো সম্পদের ব্যবস্থাপনার অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অর্থনৈতিক বিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়; অথবা সম্পদের বন্টন ব্যবস্থার অর্থে যা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আলোচ্য বিষয়। যদিও অর্থনৈতিক বিজ্ঞান ... Read more - [সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/06/economic-system-of-socialism/): সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে যেখানে কমিউনিজম এর একটি অংশ, এটি পুজিবাদের সাথে সাংঘর্ষিক। এর বৈশ্বিক ও আভ্যন্তরীণ প্রয়োগকারী সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে এর প্রভাব বিদায় হলেও ইসলামের দাওয়াহ প্রচারকারীগণের জন্য এই চিন্তাকে খন্ডন এবং এর ত্রুটিগুলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য এই বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখা অত্যাবশ্যক। কারণ সামগ্রিক কিংবা আংশিকভাবে হোক, গুটিকয়েক গোষ্ঠীর মধ্যে এই চিন্তাগুলো এখনও আলোচিত হয়। ঊনিশ শতকের দিকে অধিকাংশ সমাজতান্ত্রিক চিন্তার জন্ম হয়। উদারপন্থী মতবাদ অর্থ্যাৎ পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিকদের কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে। পুজিবাদের অধীনে সমাজে যে অসমতা বিরাজ করছিল এবং পাশাপাশি এর ত্রুটি ও সীমাবদ্ধতার কারণে সমাজতন্ত্রের শক্তিশালী উত্থান ঘটেছিল। ... Read more - [প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায়সমূহ মিশ্রিতকরণ](https://returnofislam.com/2017/06/05/mixing-the-needs-and-the-means-of-satisfaction/): পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় অর্থনীতি মূলতঃ মানুষের প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায় নিয়ে আলোচনা করে। সেকারণে প্রয়োজন পূরণের উপায় হিসেবে পণ্য ও সেবার উৎপাদন এবং পণ্য ও সেবার বন্টন তাদের দৃষ্টিতে একই বিষয়। প্রয়োজন ও তা পূরণের উপায় পারস্পরিকভাবে সম্পর্কযুক্ত ও এমনভাবে অবিচ্ছেদ্য যে একটি আরেকটি মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে বিধায় এগুলো একই বিষয়। ফলে পণ্য ও সেবার উৎপাদনের মধ্যে পণ্য ও সেবার বন্টন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত। এর উপর ভিত্তি করে তারা অর্থনীতিকে একটি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে যেখানে অর্থনৈতিক পণ্য ও পণ্যের মালিকানা লাভ করার পদ্ধতিকে কোনরূপ পার্থক্য করা ছাড়া এক করে দেখা হয়। অর্থাৎ অর্থনৈতিক বিজ্ঞান ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে কোনরূপ পার্থক্য করা ছাড়া ... Read more - [পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/04/economic-system-of-capitalism/): আমরা যদি পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরীক্ষা করে দেখি, তাহলে দেখতে পাব যে এর দৃষ্টিভঙ্গি হল এটি মানুষের প্রয়োজন (needs) এবং এসব প্রয়োজন পূরণের উপকরণ নিয়ে কাজ করে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মানুষের কেবলমাত্র বস্তুগত দিকটি নিয়েই আলোচনা করে এবং এটি তিনটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত: ১. প্রয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট পণ্য ও সেবার আপেক্ষিক অভাব (relative scarcity) রয়েছে। এর অর্থ হল মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন পূরণের জন্য পণ্য ও সেবার অপর্যাপ্ততা। তাদের দৃষ্টিতে এটাই হল সমাজের অর্থনৈতিক সমস্যা।২. অধিকাংশ অর্থনৈতিক গবেষণা ও অধ্যয়নের ভিত্তি হল উৎপাদিত পণ্যের মূল্য (value)।৩. উৎপাদন, ভোগ ও বন্টনে দামের (price) ভূমিকা। দাম হল পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি মৌলিক বিষয়। ... Read more - [অধ্যায় ১: অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিচিতি](https://returnofislam.com/2017/06/03/intro-of-economics/): সদ্যজাত যে কোন জাতি প্রাণ লাভ করার পর তার জীবদ্দশায় প্রাপ্ত সর্বোত্তম ঐশ্বর্য্য হচ্ছে চিন্তা; এবং এগুলো কোন প্রজন্মের জন্য তার পূর্ববর্তী প্রজন্ম থেকে লাভ করা সর্বোত্তম উপহার। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হল জাতির মধ্যে আলোকিত চিন্তা গভীরভাবে প্রোথিত থাকতে হবে। বস্তুগত সম্পদ, শিল্প ও বৈজ্ঞানিক আবিস্কার এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয় চিন্তার চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবতা হচ্ছে, এসব বস্তুগত বিষয়াদি অর্জন এবং এগুলোর সংরক্ষণ নির্ভর করে চিন্তার উপর। বস্তুগত সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হলে তা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব যদি জাতি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংরক্ষণ করে। তবে যদি বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং জাতি শুধুমাত্র বস্তুগত সম্পদ দ্বারা সমৃদ্ধ হয়, তবে তা খুব ... Read more - [ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2017/06/02/economic-system-of-islam/): নিম্নোক্ত বইটি প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও গবেষক শাইখ তাকী উদ্দীন আন-নাবহানি (রাহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক লিখিত ‘নিজামুল ইকতিসাদি ফিল ইসলাম’ (ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা) হতে নেয়া হয়েছে। ভূমিকা এটাই প্রথম বই যেখানে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্টভাবে সমকালীন ইসলামিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাস্তবতাকে পরিপূর্ণরূপে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে অর্থনীতি সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এবং এর উদ্দেশ্য, কিভাবে সম্পদের মালিকানা অর্জন ও তা বৃদ্ধি করা যায়, কিভাবে তা ব্যয় ও হস্তান্তর করা যায়, কিভাবে নাগরিকদের মধ্যে সম্পদ বন্টন এবং সমাজে সম্পদের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। বাইতুল মালের প্রাপ্য সম্পত্তি এবং যে খাতে তা ব্যয় করা হবে সেগুলোসহ সম্পদের প্রকারভেদ (ব্যক্তিগত, গণমালিকানাধীন এবং রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি) বইটিতে ব্যাখ্যা ... Read more - [মুহাম্মাদ বিন কাসিম এর ভারত বিজয়](https://returnofislam.com/2017/05/30/muhammad-ibn-qaasim-india-conquest/): ১ম অংশ ২য় অংশ - [সত্য বলা কখনই মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করে না এবং রিজিককেও সংকুচিত করে না](https://returnofislam.com/2017/05/28/speaking-truth-doesnt-shrink-rizq/): আবু আদ-দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেন,  «العلماء ورثة الأنبياء» “আলেমগণ নবীগণের উত্তরসূরী।” [আবু দাউদ, তিরমিযি]  আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র পক্ষ থেকে আপনাদের উপর অর্পিত উচ্চ মর্যাদা ও দায়িত্বের কারণে আমরা আপনাদের প্রতি নিম্নোক্ত আহ্বানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই প্রত্যাশায় যেন আমরা সকলেই তাদের কাতারে শামিল হতে পারি যারা সত্যের পক্ষে অবস্থানকারী এবং আল্লাহ্ ছাড়া আর কাউকে ভয় করেনা। প্রিয় ভাইয়েরা ও কর্তব্যপরায়ণ আলেমগণ : আলেমগণ তাদের ঈমান, জ্ঞান, কর্ম এবং সত্যের পক্ষে অবস্থান নেয়ার সাহসিকতার কারণে নবীগণের উত্তরসূরী হিসেবে পরিগণিত। কিন্তু আজকের সেই আলেমগণ কোথায়? নবীগণের এই যুগের উত্তরসূরীরা কোথায়? যেখানে আমাদের পূর্বের বড় বড় আলেমগণ তাদের অপরিসীম জ্ঞান ও দ্বীনকে সঠিকভাবে বোঝার সক্ষমতার কারণে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। ... Read more - [হাসিনার ভারত সফর, বাংলাদেশের ভারত দাসত্বের সেকাল-একাল](https://returnofislam.com/2017/03/25/slavery-to-india/): কয়েকদফা স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশেষে এপ্রিলে ভারত সফর করতে সম্মত হয়েছেন। এ সফরটি নিয়ে অনেক দিন ধরেই নানা জল্পনা কল্পনা ভাসছে। তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি,গংগা ব্যারেজ এগুলোই খুব বেশি আলোচনায় এসেছে কিন্তু এখন বুঝা যাচ্ছে এগুলো স্রেফ হিমবাহের শৃঙ্গ। পানির নিচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ অংশটি আড়ালেই থেকে গিয়েছিল, আর সেটি হল বাংলাদেশকে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে নিয়ে যেতে চাইছে ভারত যার মেয়াদ হবে ২৫ বছর। বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘২৫ বছরের চুক্তি’ টার্মটি নতুন কিছু নয়, বরং ১৯৭৪ সালের ‘ইন্দিরা-মুজীব’র চুক্তির সাথেও বাংলাদেশের জনগণ পরিচিত। ২৫ বছরের দাসত্বের চুক্তি হলেও আজ অবধি বাংলাদেশ ভারতের দাসত্বের ঘানি টেনে যাচ্ছে। আজ পর্যন্ত মরণবাধ ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: "আমরা কি ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসূল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই"?](https://returnofislam.com/2017/02/12/are-we-bind-to-establish-islam/):      বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম  প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুৃম… আমাদের শাইখ… যে বলে যে, “আমরা ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই” তার জন্য আমাকে কি যথার্থ উত্তর দিতে পারেন? উত্তর: ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, সংক্ষেপে যথার্থ উত্তর হলো: যিনি বলেন, “আমরা ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর পদ্ধতি অনুসরণে বাধ্য নই” উনাকে জিজ্ঞেস করেন: উনি ওযু করার জন্য কোন ধরণের দলীল-প্রমাণের সাহায্য নিবেন? ওযু সংক্রান্ত প্রমাণাদিই নিবেন না? নাকি হজ্জ্বের মাসলা মাসায়েল খু্ঁজবেন? তিনি উত্তর দিবেন যে, তিনি ওযুর দলীল-প্রমান চাইবেন। তারপর জিজ্ঞেস করুন যে তিনি কি সিয়ামের নিয়ম ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: সিনেমায় যাওয়া ও অশ্লীল ছবি দেখা কি বৈধ?](https://returnofislam.com/2017/02/12/watching-licentious-films/): সিনেমায় যাওয়া কিংবা সাধারণ সিনেমা দেখা কি বৈধ? যৌন-উত্তেজক অশ্লীল সিনেমা দেখা, এটি জেনে যে এগুলো ছবি মাত্র, সরাসরি শরীর নয়? যেসব মুসলিম এ ধরনের ছবি দেখে তাদের ব্যাপারে আমাদের দায়িত্ব কী: আমরা কি তাদের বারণ করবো নাকি যা খুশি করার ব্যাপারে তাকে ছেড়ে দেব? উত্তর: সিনেমায় যেয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছবি দেখা বৈধ, এ শর্তে যে হলে নারীদের সারি পুরুষদের সারি হতে পৃথক রয়েছে। এটি কোনো লেকচার বা সেমিনারে অংশ নেয়ার মতো, এটি করা বৈধ, এ শর্তে যে নারী ও পুরুষের সারি একে অপর হতে পৃথক রয়েছে। তবে – যেটি বৈধ – উল্লিখিত শর্তানুসারে, ছেড়ে দেওয়াই উত্তম, যাতে হলে উপস্থিত নারীদের ... Read more - [সার্চ কমিটি গঠন ও নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগ](https://returnofislam.com/2017/02/10/search-committee-election-commission/): সামগ্রিকভাবে পুরো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন করুন এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা করুন  গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশের সমগ্র রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গন – রাজনৈতিক দলসমূহ, গণমাধ্যম ও তথাকথিত বুদ্ধিজীবীগণ – সকলেই নতুন নির্বাচন কমিশন নিয়োগের জন্য সার্চ কমিটি গঠন এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনায় লিপ্ত থাকতে দেখেছি। তারা রাজনৈতিক বক্তব্য/কর্মসূচী, বিবৃতি, পত্রিকার কলাম ও টক-শো’র মাধ্যমে সাধারণ জনগণের উপরে তাদের উদ্বেগ ও নিজস্ব মতামতসমূহ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। এখন যখন নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে তখন তার নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা ইত্যাদি নিয়ে আবারও বিতর্ক ও আলোচনা শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত রাখার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। ... Read more - [আল্লাহর রাসূল (সা)-এর দাফনে বিলম্ব ও খলীফা নিয়োগের বাধ্যবাধকতার ইজমা](https://returnofislam.com/2017/01/25/appointing-khaleefah-izma-sahabah/): দাফন বিলম্বের ব্যাপারে আলোচনার পূর্বে আমাদের শরীআহ হুকুমের ক্ষেত্রে কিছু উসূলী ব্যাপার উল্লেখ করা প্রয়োজন। মৌলিকভাবে প্রত্যেক শরীআহ বিষয় তা কোনো কাজ হোক কিংবা কথা, তা কোনো নির্দেশ হিসেবে গণ্য হতে হলে তার জন্য একটি কারীনা (আইনী সূচক) দরকার হয় যা হুকুমটির প্রকৃতি নির্দেশ করে। কারীনা চুড়ান্ত নির্দেশনা প্রদান করলে হুকুমটি ফরজ হিসেবে গণ্য হয়। আর কারীনা চুড়ান্ত নির্দেশ প্রদান না করলে তা মানদুব (উৎসাহিত) হিসেবে গণ্য হয়। আর কারীনা বাছাই (করা বা না করা)-এর নির্দেশনা দিলে তা মুবাহ হিসেবে গণ্য হয়। এবং এ বিষয়টি শরীআহর সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা আল্লাহর কিতাবের কোনো কথা হোক কিংবা রাসূল (সা) এর কোনো সুন্নাহ ... Read more - [খিলাফত সম্পর্কে হানাফী আলেমগণের মতামত](https://returnofislam.com/2017/01/23/hanafi-scholars-on-khilafah/): অন্যান্য মাযহাবের আলেমগণের মত হানাফী আলেমগণও খিলাফতের ভূমিকা ও প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ক্রমাগতভাবে সকল যুগেই। বস্তুতঃ অন্যান্য আলেমগণের চেয়ে হানাফী আলেমগণকে শাসন ও সরকার পরিচালনার মত বিষয়গুলোতে বেশি বক্তব্য দিতে হয়েছে; কারণ অনেক খলিফারাই (মূলতঃ আব্বাসীয় ও উসমানীয় খলিফারা) হানাফী মাযহাবকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গ্রহণ করেছিলেন এবং তৎকালীন সময়ের হানাফী আলেমগণের নিকট পরামর্শ ও আইনের বিষয়ে জানতে চাইতেন। যেমন, আব্বাসীয় খলিফা হারুন আর রশিদ, আবু হানিফা (রহ.)-এর ছাত্র ও সহচর আবু ইউসুফ (রহ.)-এর নিকট প্রশ্ন লিখে রাষ্ট্রের অর্থায়নের ব্যবস্থাপনা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে আবু ইউসুফ লিখে পাঠিয়েছিলেন তার বিখ্যাত ও চমৎকার রচনা “আল-খারাজ” যাতে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নের নানাবিধ শারী’আহ্‌ নিয়মের বিশদ ... Read more - [ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক](https://returnofislam.com/2017/01/15/mutual-relation-between-workers-of-islamic-movement/): ভূমিকা ইতিহাস পর্যালোচনা করলে একথা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, আম্বিয়ায়ে কিরাম সর্বদাই মানব সমাজের পুনর্বিন্যাস করেছেন। তাঁরা মানব জাতিকে এক বুনিয়াদী আদর্শের দিকে আহবান জানিয়েছেন। এবং সে আহবানে যারা সাড়া দিয়েছে, তাদেরকে এক নতুন ঐক্যসূত্রে গেঁথে দিয়েছেন। যে মানব গোষ্ঠী বিভিন্ন দল-গোত্র-খান্দানে দ্বিধাবিভক্ত হয়েছিলো, ছিলো পরস্পরের রক্ত পিপাসু ও ইজ্জতের দুশমন-এ আহবানর ফলে তারা পরস্পর পরস্পরের ভাই এবং একে অপরের ইজ্জতের সংরক্ষক বনে গেল। এই ঐক্যের ফলে এক নতুন শক্তির উদ্বোধন হলো এবং এই আহবান দুনিয়ার সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস সৃষ্টি করলো ও শ্রেষ্ঠতম সংস্কৃতি রূপায়ণের নিয়ামকে পরিণত হলো। এই গূঢ় সত্যের দিকেই আল কুরআন ইংগিত করেছে তার নিজস্ব ... Read more - [হযরত হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/hazrat-huzaifa-ibnul-yaman/): আসল নাম হুজাইফা, ডাকনাম আবু ’আবদিল্লাহ, এবং লকব বা উপাধি ‘সাহিবুস সির’। গাতফান গোত্রের ’আবস শাখার সন্তান। এজন্য তাঁকে আল- ’আবসীও বলা হয়। পিতার নাম হুসাইল মতান্তরে হাসাল ইবন জাবির এবং মাতার নাম রাবাহ বিনতু কা’ব ইবন ’আদী ইবন ’আবদিল আশহাল, মদীনার আনসার গোত্র আউসের আবদুল আশহাল শাখার কন্যা। ইবন হাজার রহ. বলেনঃ এ হুজাইফা একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহাবী। (আল-ইসাবা- ১/৩১৭; আল-ইসতী’য়াবঃ আল-ইসাবার পার্শ্বটীকা- ১/২৭৭) হুজাইফার পিতা হুসাইল ছিলেন মূলতঃ মক্কার বনী ’আবস গোত্রের লোক। ইসলামপূর্ব যুগে তিনি নিজ গোত্রের এক ব্যক্তিকে হত্যা করে মক্কা থেকে পালিয়ে ইয়াসরিবে আশ্রয় নেন। সেখানে বনী ’আবদুল আশহাল গোত্রের সাথে প্রথমে মৈত্রীচুক্তি, পরে বৈবাহিক সম্পর্ক ... Read more - [আবু দারদা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-darda/): ডাক নাম আবু দারদা। কন্যা দারদার নাম অনুসারে এ নাম এবং ইতিহাসে এ নামেই খ্যাত। আসল নামের ব্যাপারে মত পার্তক্য আছে। যথাঃ ’আমির ও ’উয়াইমির। আল-আসমা’ঈর মতে, ’আমির, তবে লোকে ’উয়াইমির বলতো। আর এটিই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ। কেউ বলেছেন, ’উয়াইমির তাঁর লকব বা উপাধি। পিতার নামের ব্যাপারেও বিস্তর মত পার্থক্য আছে। যথাঃ মালিক, ’আমির, সা’লাবা, আবদুল্লাহ, যায়িদ ইত্যাদি। মায়েল নাম মুহাব্বাত বা ওয়াকিদাহ্। (তাহজীব আত-তাহজীব- ৮/১৫৬; আল-ইসাবা- ২/৪৫; উসুদুল গাবা- ৫/১৮৫; আল-ইসতী’য়াবঃ পার্শ্ব টীকাঃ আল-ইসাবা- ৪/৫৯) মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের ‘বালহারিস’ শাখার সন্তান। রাসূলুল্লাহর সা. সমবয়সী বা কিছুদিনের ছোট। (দারিয়া-ই-মা’য়ারিফ ইলামিয়্যা (উর্দ্দু)- ১/৮০০) তিনি ছিলেন আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, অশ্বারোহী ও বিচারক। ... Read more - [আনাস ইবন মালিক (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/anas-ibn-malik/): আনাস ইবন মালিক ছিলেন বিখ্যাত সাহাবী, খাদিমে রাসূল, ইমাম, মুফতী, মু’য়াল্লিমে কুরআন, মুহাদ্দিস, খ্যাতিমান রাবী, আনসারী, খাযরাজী ও মাদানী। কুনিয়াত আবু সুমামা ও আবু হামযা। খাদিমু রাসূলিল্লাহ লকব বা উপাধি। (দায়িরা-ই-মা’য়ারিফ ইসলামিয়া- ৩/৪০২, তাজকিরাতুল হুফ্ফাজ- ১/৪৪) আনাস বলতেনঃ আমি ‘হামযা’ নামক এক প্রকার সব্জী খুটতাম, তাই দেখে রাসুল সা. আদর করে আমাকে ডাকেন: ‘ইয়া আবা হামযা’। সে দিন থেকে এটাই আমার কুনিয়াত বা ডাকনাম হয়ে যায়। (তারীখে ইবন ’আসাকির- ৩/১৪১) ইয়াসরিবের (আল-ইসাবা- ১/৭১) বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরাতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খ্রীস্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করে। (আল-আ’লাম- ১/৩৬৫, আল-ইসাবা- ১/৭১) এই গোত্রটি ছিল আনসারদের মধ্যে সর্বাধিক সম্মানিত। আনাসের পিতা ... Read more - [উবাই ইবন কা’ব আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/ubai-ibn-kab-al-ansari/): নাম উবাই, ডাকনাম আবূল মুনজির ও আবুত তুফাইল। (আল-আ’লাম- ১/৭৮; আল-ইসাবা- ১/১৯) সায়্যিদুল কুররা, সায়্যিদুল আনসার প্রভৃতি তাঁর লকব বা উপাধি। মদীনার খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখার সন্তান। পিতার নাম কা’ব ইবন কাইস, মাতার নাম সুহাইলা। তিনি বনী ’আদী ইবন নাজ্জারের কন্যা এবং প্রখ্যাত সাহাবী হযরত আবূ তালহা আল-আনসারীর ফুফু। সুতরাং উবাই, আবূ তালহার ফুফাতো ভাই। উবাইর আবুল মুনজির কুনিয়াতটি খোদ রাসূল সা. দান করেন এবং দ্বিতীয় কুনিয়াতটি হযরত ’উমার রা. তাঁর ছেলে তুফাইলের নাম অনুসারে আবুত তুফাইল রাখেন। তাঁর জন্মের সঠিক সন-তারিখ জানা যায় না। হযরত উবাইয়ের প্রথম জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায় না। তবে হযরত আনাস ইবন মালিকের বর্ণনায় ... Read more - [হানজালা ইবন আবী ’আমির (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/hanzala-ibn-abi-amir/): নাম হানজালা, লকব বা উপাধি ‘গাসীলুল মালায়িকা’ ও তাকী। মদীনার আউস গোত্রের ‘আমর ইবন’ আউফ শাখার সন্তান। পিতার নাম আবু ’আমির ’আমর, মতান্তরে ’আবদু ’আমর, মাতার নাম জানা যায় না। তবে এতটুকু জানা যায় যে, তিনি খাযরাজ নেতা মুনাফিক ’আবদুল্লাহ ইবন ’উবাইয়ের বোন ছিলেন। হানজালার জন্ম ও কৈশোর সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় না। হানজালার পিতা আবূ ’আমির ছিলেন আউস গোত্রের একজন সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। সেই জাহিলী আরবে দ্বীনে হানীফের একজন বিশ্বাসী হিসেবে তিনি নবুওয়াত, রিসালা, কিয়ামাত ইত্যাদি বিশ্বাস করতেন। এই ধর্মীয় বিশ্বাস তাঁকে ‘রুহবানিয়্যাত’ (বৈরাগ্য)- এর দিকে নিয়ে যায় এবং সব রকম পার্থিব নেতৃত্ব ছেড়ে ধর্মীয় নেতৃত্ব অর্জন ... Read more - [মু’য়াজ ইবন জাবাল (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/muaz-ibn-jabal/): নাম মু’য়াজ, ডাকনাম আবু আবদির রহমান এবং লকব বা উপাধি ‘ইমামুল ফুকাহা, কানযুল ’উলামা ও রাব্বানিয়্যূল কুলূব।’ মদীনার খাযরাজ গোত্রের উদায় ইবন সা’দ শাখার সন্তান। অনেকে তাঁকে সালামা ইবন সা’দ শাখার সন্তান বলে উল্লেখ করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসহাক বলেছেন, প্রকৃত পক্ষে তিনি ছিলেন বনু কুদা’য়া গোত্রের সন্তান, উদায় ইবন সা’দ গোত্রের নাম। এ গোত্রের লোকেরা তাঁকে নিজেদের গোত্রের লোক বলে দাবী করতো। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৭, আল-ইসাবা- ৪/৪২৭, সীরাতু ইবন হিশাম- ১/৪৬৪, উসুদুল গাবা- ৪/৩৭৬) হিজরাতের ২০ বছর পূর্বে ৬০৩ খৃষ্টাব্দে ইয়াসরিবে (মদীনায়) জন্মগ্রহণ করেন। (আল-আ’লাম- ৮/১৬৬) তাঁর বংশের উর্ধ্বতন পুরুষ সা’দ ইবন আলীর ছিল দুই ছেলে। তাদের নাম সালামা ও উদায়। ... Read more - [আবূ সা’ঈদ আল-খুদারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-saeed-al-khudari/): নাম সা’দ, ডাক নাম আবূ সা’ইদ। খুদরাহ বংশের সন্তান হওয়ার কারণে খুদারী বা খুদরী বলা হয়। তাঁর পিতা মালিক ইবন সিনান উহুদের অন্যতম শহীদ। এ যুদ্ধে হযরত রাসূলে কারীম সা. আহত হলে তিনি রাসূলের সা. পবিত্র খুন চুষে গিলে ফেলেন। রাসূল সা. তখন মন্তব্য করেনঃ ‘আমার রক্ত যার রক্তে মিশেছে তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।’ (সীরাতু ইবন হিশাম- ২/৮০, তাজকিরাতুল হুফ্ফাজ- ১/৪৪) তাঁর মা উনায়সা বিনতু আবী হারিসা বনু ’আদী ইবন নাজ্জারের কন্যা। দাদা সিনান ছিলেন মহল্লার রয়িস। তিনি ছিলেন একটি কিল্লার অধিপতি ও ইসলাম পূর্ব যুগের একজন বিচারক। তাঁর মার প্রথম স্বামী ছিল আউস গোত্রের ’আম্মান নামক এক ব্যক্তি। ... Read more - [আবু কাতাদাহ্ আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/15/abu-qatadah-al-ansari/): হযরত আবু কাতাদাহ মদীনার বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামা শাখার সন্তান। তাঁর আসল নামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। কেউ বলেছেন ‘আল হারিস’; আবার কেউ বলেছেন ‘আমর’। আল-কালবী ও ইবন ইসহাকের মতে ‘আন-নু’মান’। তবে ‘আল-হারিস’ অধিকতর প্রসিদ্ধ। ইতিহাসে তিনি ‘আবু কাতাদাহ্’ এ ডাক নামেই খ্যাত। পিতা রাব’য়ী ইবন বালদামা এবং মাতা কাবশা বিনতু মুতাহ্হির। তিনিও খাযরাজ গোত্রের বনী সুলামার সাওয়াদ ইবন গানাম শাখার মেয়ে। রাসূলুল্লাহর সা. মদীনায় হিজরাতের ১৮ বছর পূর্বে ৬০৪ খ্রীষ্টাব্দে মদীনায় জন্মগ্রহণ করেন। (উসুদুল গাবা- ৫/২৭৪, আল ইসাবা- ৪/১৫৮; আল-আ’লাম- ২/১৫৪) তাবুক যুদ্ধে যোগদান না করার কারণে যে কা’ব ইবন মালিক আল-আনসারীর শাস্তি হয় এবং পরে আল্লাহ পাক যাঁকে ক্ষমা ... Read more - [আবু মাস’উদ আল-বদরী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abu-masud-al-badri/): আবু মাস’উদ ডাক নাম, আর এ নামেই তিনি ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। আসল নাম ’উকবা এবং পিতার নাম ’আমর ইবন সা’লাবা। সর্বশেষ বাই’য়াতে ’আকাবায় যোগ দিয়ে সেখানেই ইসলাম গ্রহণ করেন। ওয়াকিদী বলেনঃ আবু মাস’উদ আকাবায় অংশগ্রহণ করেন, তবে বদরে অনুপস্থিত ছিলেন। মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক বলেনঃ আকাবায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। (আনসাবুল আশরাফ- ১/২৪৫; সীরাতু ইবন হিশাম- ১/৪৫৯; উসুদুল গাবা- ৫/২৯৬) এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। উহুদ এবং উহুদ পরবর্তী কাফিরদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সকল যুদ্ধে তিনি রাসূলুল্লাহর সা. সাথে যোগ দেন। তবে তাঁর বদর যুদ্ধে যোগদানের ব্যাপারে সীরাত বিশেষজ্ঞদের অনেক মতভেদ আছে। অধিকাংশের মতে, তিনি বদরে যোগ দেন এবং এ কারণেই তাঁকে বদরী ... Read more - [আবু তালহা আল-আনসারী (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abu-talha-al-ansari/): নাম যায়িদ, ডাকনাম আবু তালহা। এ নামেই ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। হিজরাতের ৩৬ বছর পূর্বে ৫৮৫ খ্রীষ্টাব্দে ইয়াসরিবে জন্মগ্রহণ করেন। (আল-আ’লাম- ৩/৯৮) পিতা সাহল ইবন আল-আসওয়াদ ইবন হারাম। বনু জাজীলার সন্তান। মাতা ’উবাদাহ্ বিনতু মালিক। প্রাচীন জাহিলী যুগে ইয়াসরিবে আবু তালহার খান্দান বিশেষ মর্যাদার অধিকারী ছিল। তাঁর পিতৃ ও মাতৃ বংশের মধ্যেও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। বর্তমান মসজিদে নববী সংলগ্ন পশ্চিম দিকে তাঁর খান্দানের বসতি ছিল। তিনি তাঁর সময়ে খান্দানের রয়িস বা নেতা ছিলেন। (আনসাবুল আশরাফ- ১/৪২, আল-ইসতীয়াব- ৪/১১৩, তাহজীবুল আসমা- ১/৪৪৫) ইসলাম-পূর্ব জীবনে সাধারণ আরববাসীর মত মূর্তি পূজারী ছিলেন। তাঁর মদ পানের আসরটিও ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। পানের আসরে নিয়মিত আড্ডা জমতো। সেই জাহিলী ... Read more - [’আবদুল্লাহ ইবন রাওয়াহা (রা)](https://returnofislam.com/2016/12/14/abdullah-ibn-rawaha/): ’আবদুল্লাহ নাম। কুনিয়াত বা উপনামের ব্যাপারে মতভেদ আছে। যথাঃ আবু মুহাম্মদ, আবু রাওয়াহা অথবা আবু ’আমর। ‘শায়িরু রাসূলিল্লাহ’- ‘রাসূলুল্লাহর সা. কবি’ তাঁর উপাধি। মদীনার খাযরাজ গোত্রের বনী আল-হারিস শাখার সন্তান। পিতা রাওয়াহা ইবন সা’লাবা এবং মাতা কাবশা বিনতু ওয়াকিদ। সাহাবিয়্যা ’আমরাহ বিনতু রাওয়াহা তাঁর বোন এবং কবি সাহাবী নু’মান ইবন বাশীর তাঁর ভাগ্নে। ইতিহাসে তাঁর জন্মের সময়কাল সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তিনি জাহিলী ও ইসলামী উভয় জীবনে অতি মর্যাদাবান ব্যক্তি ছিলেন। (তাবাকাত- ৩/৫২৫, আল-আ’লাম- ৪/২১৭, তাহজীবুল আসমা ওয়াললুগাত- ১/২৬৫) তিনি তৃতীয় আকাবায় সত্তর জন (৭০) মদীনাবাসীর সাথে অংশগ্রহণ করে রাসূলুল্লাহর সা. হাতে বাই’য়াত করেন এবং সা’দ ইবনুর রাবূর’র সাথে ... Read more - [সেমিকন্ডাক্টরের ভূ-রাজনীতি এবং বিশ্বব্যাপী চিপ নিয়ন্ত্রণের লড়াই](https://returnofislam.com/2026/09/12/geopolitics-of-semiconductors-the-race-to-control-chip-production/): আধুনিক মানব সভ্যতার প্রতিটি স্তরে সেমিকন্ডাক্টর বা মাইক্রোচিপের প্রভাব আজ অনস্বীকার্য। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ডেটা সেন্টার, মহাকাশযান এবং সামরিক সরঞ্জাম—সবকিছুর মূলেই রয়েছে এই ক্ষুদ্র প্রযুক্তি। কিন্তু একটি নখের চেয়েও ছোট এই বস্তুটিই বর্তমানে বিশ্ব ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান নির্ধারণীতে পরিণত হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো, বিশ্বের কোনো একক দেশ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বরং, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ গ্লোবাল সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করেছে.. - [রবিউল আউয়াল: নবীর জন্ম, ইসলামি রাষ্ট্র এবং খিলাফত](https://returnofislam.com/2026/08/26/rabiul-awwal-the-month-of-establishing-khilafah/): ১২ই রবিউল আউয়াল মুসলমানদের যথাযথভাবে স্মরণ করা উচিত, এমনকি যদি তা পালন করা কোনো ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা (ফরজ) নাও হয়। এটি মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের জন্মতারিখ (মাওলিদ) নির্দেশ করে, যাকে আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) সর্বশেষ নবী হিসেবে মর্যাদাবান করেছেন। তিনি হলেন মুহাম্মদ (সা.), যার জন্ম এবং সমগ্র জীবন ছিল সত্যিই অসাধারণ, যা তাকে শুধু এই পৃথিবীতেই নয় বরং পরকালেও সবচেয়ে ব্যতিক্রমী ও অনন্য মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে.. - [ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে: নবুওয়াতের আদলে খিলাফতে রাশিদাহ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কিতাব ও সুন্নাহকে পুনরুজ্জীবিত করুন](https://returnofislam.com/2026/08/25/true-celebration-of-mawlid-un-nabi/): মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা যখন ইসলামকে সর্বশেষ দ্বীন বা বার্তা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, আমাদের নেতা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বশেষ রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন এবং আমাদের জন্য এই দ্বীনকে সংরক্ষণ করে এতে যেকোনো ধরনের বিকৃতি ও পরিবর্তনের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন... তার অর্থ হলো, আল্লাহ ইসলামকে মানবজাতির জন্য সর্বকাল ও সর্বস্থানের এবং কিয়ামত পর্যন্ত প্রযোজ্য একমাত্র সত্য দ্বীন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নিয়ে আসা কিতাব ও সুন্নাহকে আল্লাহর দ্বীনের একমাত্র মানদণ্ড ও সূত্র বানিয়েছেন.. - [কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সার্বভৌম সাইবার নিরাপত্তা](https://returnofislam.com/2026/08/21/artificial-intelligence-and-independent-cybersecurity/): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রকৃতপক্ষে সাইবার যুদ্ধের ময়দানে প্রবেশ করেছে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি বিষয়ের সাথে জড়িয়ে গেছে। আজ যে রাষ্ট্র নিজের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিলম্ব করবে, সে কেবল একটি বা দুটি ব্যবস্থা হারাবে না, বরং যে মুহূর্তে তার সার্বভৌম সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে, ঠিক তখনই সে তার কৌশলগত অবস্থান ও সক্ষমতার পুরো পরিধিটাই হারিয়ে ফেলবে। যদিও এর প্রস্তুতির ব্যয় অনেক বেশি, তবুও সময়মতো প্রস্তুতি না নেওয়ার অনুশোচনা ভবিষ্যতে অত্যন্ত চড়া মূল্যে পরিশোধ করতে হবে.. - [মক্কা চুক্তি: মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মায়াজাল নাকি আমেরিকার কৌশলগত আধিপত্যের হাতিয়ার?](https://returnofislam.com/2026/08/19/makkah-pact-an-american-alliance-for-us-regional-hegemony/): ১. প্রস্তাবনা: আবেগ বনাম বাস্তবতা সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের জন্য অন্যতম একটি আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা হলো পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি, যা ‘মক্কা প্যাক্ট’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। মক্কার পবিত্র ভূমিতে বসে, এহরাম পরিহিত অবস্থায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার ছবি যখন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তখন বিশ্বের সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো এবার ফিলিস্তিন, কাশ্মীর বা সিরিয়ার মজলুম মুসলিমদের রক্ষার্থে মুসলিম বিশ্ব এক হচ্ছে। পাকিস্তানের পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত রাস্তায় রাস্তায় এই চুক্তির সমর্থনে বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। কিন্তু এই বাহ্যিক ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং অপটিক্সের আড়ালে লুকিয়ে আছে ... Read more - [মুসলিম নারী ও দাওয়াহ বহনের গুরুত্ব](https://returnofislam.com/2026/08/17/muslim-women-and-the-importance-of-carrying-dawah/): আল্লাহ তায়ালা নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতির প্রতি প্রেরণ করেছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন: قل يا أيها الناس إني رسول اللـه إليكم جميعاً… (বলো: হে মানুষ! আমি তোমাদের সকলের প্রতি আল্লাহর রাসূল…) [সূরা আল-আরাফ: ১৫৮] يا أيها الناس اعبدوا ربكم الذي خلقكم.. (হে মানবমন্ডলী! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন…) [সূরা আল-বাকারাহ: ২১] يا أيها الناس اتقوا ربكم الذي خلقكم من نفس واحدة، وخلق منها زوجها، وبثّ منهما رجالاً كثيراً ونساءً… (হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গিনীকে সৃষ্টি করেছেন, আর বিস্তার করেছেন ... Read more - [রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা শরঈ দৃষ্টিকোন থেকে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদ নয়](https://returnofislam.com/2026/08/14/forming-a-political-party-is-not-a-division-within-ummah/): শর’ঈ দৃষ্টিকোণ থেকে দলীয় বা রাজনৈতিক কাজ (العمل الحزبي) ‘হিযব’ (حزب) শব্দের আভিধানিক অর্থ: আরবি ভাষায় ভাষাবিদদের (অর্থাৎ প্রাচীন অভিধান প্রণেতা ও ভাষাবিদদের) নিকট ‘হিযব’ (حِزْب) শব্দের বেশ কয়েকটি অর্থ ও তাৎপর্য রয়েছে। তা নিচে স্পষ্ট করা হলো: মূল আভিধানিক অর্থ: ‘হিযব’ (الحِزْب) বলতে মূলত এমন একদল মানুষকে বোঝায় যারা কোনো এক মত বা লক্ষ্যের ওপর একত্রিত হয়। ইবনে ফারিস তাঁর ‘মাকায়িসুল লুগাহ’ গ্রন্থে বলেছেন: “হিযব: মানুষের দল, আর এর মূল অর্থ হলো একত্রিত হওয়া এবং মিলিত হওয়া।” আল-জাওহারী তাঁর ‘আস-সিহাহ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন: “হিযব: মানুষের একটি গোষ্ঠী বা দল, এর বহুবচন হলো ‘আহযাব’ (أحْزاب)।” ‘হিযব’ শব্দের অন্যান্য অর্থ: অংশ বা ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: সূরা আন-নিসার ৭৮ ও ৭৯ নং আয়াতে ভালো (হাসানাহ) ও মন্দের (সাইয়্যিআহ) ধারণা](https://returnofislam.com/2026/07/21/qa-the-concept-of-good-hasana-and-evil-saiya-in-verses-78-and-79-of-surah-an-nisa/): প্রথম আয়াতটি ইহুদি ও মুনাফিকদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল, কারণ যখন আল্লাহর রাসূল (সা.) মদিনায় আগমন করেন, তখন তারা বলেছিল: "এই লোকটি এবং তার সঙ্গীরা আমাদের কাছে আসার পর থেকে আমাদের ফল ও ফসলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।" তারা এই ঘাটতি ও খরাকে অকল্যাণ (সাইয়্যিআহ) হিসেবে আখ্যায়িত করে রাসূল (সা.)-এর প্রতি আরোপ করত.. - [বিয়ন্ড দ্যা সিমুলেশন](https://returnofislam.com/2026/07/08/beyond-the-simulation/): ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া 'The Matrix' মুভিতে দেখানো হয়, পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ আসলে এক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি ডিজিটাল জগতে বন্দি। তারা নিজেদের মুক্ত মনে করে, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয় বলে ভাবে। অথচ বাস্তবে তাদের প্রতিটি চিন্তা, ইচ্ছা এবং অনুভূতি একটি সুনির্দিষ্ট কোড দিয়ে নিয়ন্ত্রিত। মরফিয়াস যখন নিওকে সত্যিকারের পৃথিবী দেখায়, তখন নিও প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারে না। কারণ সে যে জগতকে 'বাস্তব' বলে জেনে এসেছে, সেটাই আসলে ছিল সবচেয়ে বড় মিথ্যা। যদিও এই মুভিতে পুরো বিষয়টা রুপক অর্থে বুঝিয়েছে কিন্তু এটি আমাদের বর্তমান জীবনের সাথে অনেকটাই মিলে যায়। - [মহররম ও ফিরআউনের পতন](https://returnofislam.com/2026/06/21/muharram-the-fall-of-firawn/): আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা)-এর এই বাণীগুলো তখন স্মরণ হয় যখন বরকতময় মহররম মাস আবারও আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা) মুসলিমদেরকে এই মাসগুলো কাটানোর সুযোগ দিয়ে ধন্য করেছেন যাতে আমরা পূর্ববর্তী প্রজন্মদের স্মরণ করতে পারি, যারা আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা'আলা)-এর ইবাদত ও তাঁর প্রতি আনুগত্যের দিকে ডাকতেন এবং কীভাবে তারা বাতিলের (মিথ্যার) বিরুদ্ধে নিজেদের সংগ্রামে সফল হয়েছিলেন - [ধর্ষণের কারণ ও সমাধান কী?](https://returnofislam.com/2026/06/11/reason-for-rape-and-its-remedy/): রেইপ কেবল একটি সামাজিক অপরাধ নয়; বরং আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র ও সভ্যতার গভীর অসুস্থতার একটি ভয়ংকর লক্ষণ। আমরা এমন এক সময় অতিক্রম করছি, যখন বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ, নারী ধর্ষণ, এমনকি ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার ঘটনাগুলো মানুষকে আতঙ্কিত, ক্ষুব্ধ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলছে। প্রায় প্রতিদিন সংবাদপত্র খুললে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করলে, কিংবা টেলিভিশনের সংবাদ দেখলে আমরা নতুন নতুন বিভীষিকার মুখোমুখি হচ্ছি। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, এই ঘটনাগুলো এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে হয় না। বরং এগুলো ধীরে ধীরে সমাজের ভেতরে নিয়মিত আতঙ্কে পরিণত হচ্ছে। আমরা আজ যে প্রশ্নের মুখোমুখি, তা হলো: কেন এই অপরাধগুলো বারবার ঘটছে? কেন প্রতিবার মানুষের ক্ষোভ, ... Read more - [আপনজনদের সাথে ‘স্বল্প যোগাযোগ’ বজায় রাখা: এক উপেক্ষিত সংকট](https://returnofislam.com/2026/06/02/maintaining-low-contact-with-families-an-overlooked-crisis/): আমাদের আধুনিক বিশ্বে এটা একটা সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, আমরা সন্তানেরা প্রায়শই আমাদের বাবা-মায়ের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে রাখার চেষ্টা করি। এটি শুধু পরিবারের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, আমাদের আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ সকল নিকট সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে এ প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং পুরো সমাজে এটি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি প্রায় পরিত্যক্ত বাসা থেকে ৭৫ বছর বয়সী নুরজাহান বেগমের গলিত মরদেহ উদ্ধার হবার এ বিষয়টি আবারো আলোচনায় এসেছে। কখনও কখনও এই যোগাযোগ একটি সাধারণ ‘হাই’ এবং ‘হ্যালো’-র মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং কেবল সেইসব প্রয়োজনীয় কথাবার্তা হয়, যা ছাড়া আমরা আমাদের জীবন চালাতে পারি না। এভাবে অনেক পরিবার হোস্টেলের মতো ... Read more - [জিলহজের প্রথম দশ দিন ও আকাবার বাইয়াত](https://returnofislam.com/2026/05/31/ten-days-of-jul-hijjah-and-the-baiyah-of-aqabah/): জিলহজের প্রথম দশ দিন ও আকাবার বাইয়াত: যখন এই বিশেষ সময়ের মর্যাদার সাথে যুক্ত হয়েছিল নুসরাহ প্রদাণের মর্যাদা, আর তখনই জন্ম হয়েছিল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রের সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা, সর্বশেষ নবী ও রাসূল মুহাম্মদ (ﷺ), তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবায়ে কেরাম এবং কিয়ামত পর্যন্ত তাঁর দেখানো পথের অনুসারীদের ওপর। প্রতি বছর মুসলমানদের জীবনে যে মহান ঈমানী মৌসুমগুলো আসে, তার মধ্যে অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন। এগুলো এমন দিন, আল্লাহ তাঁর কিতাবে যার মর্যাদা ঘোষণা করেছেন, যার কসম খেয়েছেন এবং দুনিয়ার অন্যান্য সব দিনের চেয়ে যার মর্যাদা সমুন্নত করেছেন। এমনকি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ... Read more - [হজ্জ - উম্মাহর বিশালত্ব, শক্তি ও ঐক্যের প্রতীক](https://returnofislam.com/2026/05/25/the-sleeping-giant-hajj-call-for-global-unity/): প্রতি বছর, বিশ্বজুড়ে বিশ লাখেরও বেশি মুসলিম পবিত্র এক খণ্ড ভূমিতে সমবেত হন সম্মিলিত ইবাদতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি কাজ পালন করার জন্য: আর তা হলো হজ। হজযাত্রীরা একই সাদা পোশাক পরিধান করে, একই বাক্য উচ্চারণ করে এবং একই আচার-অনুষ্ঠান পালন করে সেখানে উপস্থিত হন – যা এমন এক দ্বীনের জীবন্ত প্রমাণ, যা জাতীয়তা, ভাষা, সংস্কৃতি এবং সামাজিক মর্যাদাকে ছাড়িয়ে যায় – আর এই সবকিছুর একমাত্র উদ্দেশ্য হলো: আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা)-র ইবাদত। হজ হলো ইসলামের অন্যতম মহান স্তম্ভ; এটি একটি ইবাদত – অনেকটা প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মতোই, যা আমাদের পরিশুদ্ধ করতে এবং আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা)-এর সাথে বান্দার সম্পর্ককে নবায়ন ... Read more - [শেয়ার বাজারের বাস্তবতা ও এর শর'ঈ বিধান](https://returnofislam.com/2026/05/16/the-problem-of-share-market/): এই প্রবন্ধটি ১৯৯৭ সালে রচিত “The turbulence of the stock markets: Their cause & the Shariah rule pertaining to the causes” নামক বই থেকে নেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক চিন্তাধারা হলো একটি সুবিধাবাদী চিন্তাধারা যা মানুষকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে নিয়ে যায়, কারণ এটি মানুষের নিকৃষ্টতম প্রবৃত্তির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। যেসব সমাজ এই চিন্তাধারা গ্রহণ করেছে তাদের বাস্তবতা হলো, তারা কেবল জীবিকা, উৎপাদন ও ভোগের পেছনে ছুটতে থাকে এবং বস্তুগত মূল্যবোধই তাদের একমাত্র চিন্তার বিষয়। এর বাস্তবতা আরও দেখায় যে, মুষ্টিমেয় কিছু পুঁজিপতি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে, যারা কঠোর পরিশ্রম করে এবং প্রতিনিয়ত দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন পার করে। এদের ... Read more - [রিসেট ইউর অ্যালগরিদম](https://returnofislam.com/2026/05/12/reset-your-algorithm/): রাত ১১টা বাজে, আগামীকাল পরীক্ষা। নোট খোলা আছে সামনে, কিন্তু হাতে ফোন। শুধু “একটু” দেখবো বলে Instagram খুললাম। একটা রিলস, তারপর আরেকটা, তারপর আরেকটা। হঠাৎ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত দেড়টা। দুই ঘণ্টা কোথায় গেল? কী দেখলাম? মনে নেই ঠিকমতো। একটা র‍্যান্ডম রান্নার ভিডিও, কারো ট্যুরের ভ্লগ, একটা ক্রাইম নিউজ, কিছু মিম, একটা মোটিভেশনাল কোট, আর মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপন। কিন্তু একবারও থামাতে পারিনি নিজেকে। এই অনুভূতিটা আমরা প্রায় সবাই ই রিলেট করতে পারি। এর নাম Doom Scrolling! এবং এটি একটি সুনির্দিষ্ট ডিজাইন। ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা একটা সিস্টেম, যেটার একমাত্র কাজ হলো আমাদের স্ক্রিনের সামনে আটকে রাখা। যত বেশি সময় আমরা থাকবো, ... Read more - [ইসলাম: একটি ফিকরাহ (আদর্শ) ও তরীকা (কর্মপদ্ধতি)](https://returnofislam.com/2026/05/08/islam-is-an-idea-and-a-method/): এ কারণেই ইসলাম কেবল সেই ফিকরাহ (ধারণা বা দর্শন)-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি যা প্রবৃত্তি ও জৈবিক চাহিদাগুলোর সঠিক পূরণের দিক নির্দেশনা দেয়, বরং এটি সেই তরীকা (পদ্ধতি)-কেও বর্ণনা করেছে যার মাধ্যমে এই মতাদর্শ বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়, সমাজে বাস্তবায়িত হয়, সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এবং এর মাধ্যমে তা সংরক্ষিত হয়। আর এ কারণেই বলা হয়, ইসলাম হলো "ফিকরাহ ও তরিকা" (আদর্শ ও কর্মপদ্ধতি) - [উম্মাহর বার্তা](https://returnofislam.com/2026/05/07/letter-of-ummah/): আর তা হলো পার্থিব জীবনে তাদের একটি 'রিসালাত' বা বার্তার উপস্থিতি, যা ধারণ করে তারা বেঁচে থাকে এবং যার জন্য তারা বাঁচে। এটি তাদের সুপ্ত শক্তিকে জাগ্রত করে, তাদের প্রতিভাকে বিকশিত করে এবং তাদের উন্নতি ও পুনর্জাগরণের উৎস হয়ে দাঁড়ায় - [ওপেক (OPEC) - এর ঐতিহাসিক পটভূমি, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ](https://returnofislam.com/2026/05/04/opec-history-evolution-and-future/): সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) ওপেক (OPEC) ত্যাগ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা বিশ্ব অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে চলেছে। সংবাদমাধ্যমগুলোতে এটিকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের দামের গতিপ্রকৃতি বদলে দিতে পারে এবং ওপেকের মতো শক্তিশালী তেল কার্টেলের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান ঘটাতে পারে। তবে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে শুধু অর্থনৈতিক হিসাব-নিকাশ কাজ করছে না। এর গভীরে লুকিয়ে আছে সৌদি আরবের সাথে আমিরাতের ক্ষমতার নীরব লড়াই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক কৌশল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং বর্তমান জায়নিস্ট-মার্কিন-ইরান সংঘাত। এই সম্পূর্ণ পরিস্থিতি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হলে আমাদের ইতিহাসের পাতা উল্টে ওপেক ... Read more - [পশ্চিমা বিশ্ব ও তৃতীয় বিশ্বের সম্পদ: উপনিবেশবাদ থেকে আধুনিক অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস](https://returnofislam.com/2026/05/03/the-great-wealth-drain/): আধুনিক বিশ্বে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা বা বয়ান (Narrative) হলো, পশ্চিমা বিশ্ব—বিশেষ করে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপীয় দেশগুলো—তাদের বর্তমান অর্থনৈতিক পরাশক্তি এবং প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের শিখরে আরোহণ করেছে কেবল তাদের নিজস্ব মেধা, কঠোর পরিশ্রম, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর মাধ্যমে। কিন্তু ইতিহাসের পাতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির গভীরতর সামষ্টিক বিশ্লেষণ আমাদের সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বাস্তবতার মুখোমুখি করে। এই নির্জলা বাস্তবতা হলো শোষণ, উপনিবেশবাদ (Colonialism) এবং সুকৌশলী আধুনিক আর্থিক কাঠামোর মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্ব বা গ্লোবাল সাউথ (Global South) থেকে অবিরাম সম্পদ পাচারের এক ভয়াবহ ও ধারাবাহিক চিত্র। প্রদত্ত ভিডিওটির মূল সুর এবং বিভিন্ন গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে এটি স্পষ্ট যে, পশ্চিমা উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি তাদের ... Read more - [ঈমানের মাধুর্য; মানব নেতৃত্বের হৃদস্পন্দন](https://returnofislam.com/2026/05/02/sweetness-of-imaan/): ঈমানের মাধুর্য (حَلاوةُ الإيمانِ হালাওয়াতুল ঈমান); মানব নেতৃত্বের হৃদস্পন্দন হযরত আনাস ইবন মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন— «ثَلَاثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ حَلَاوَةَ الْإِيمَانِ: مَنْ كَانَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَمَنْ أَحَبَّ عَبْدًا لَا يُحِبُّهُ إِلَّا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَمَنْ يَكْرَهُ أَنْ يَعُودَ فِي الْكُفْرِ بَعْدَ إِذْ أَنْقَذَهُ اللَّهُ مِنْهُ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُلْقَى فِي النَّارِ» “তিনটি গুণ আছে; যার মধ্যে এগুলো থাকবে, সে ঈমানের মাধুর্য (মিষ্ট স্বাদ) লাভ করবে: আল্লাহ ও তাঁর রাসূল তার কাছে অন্য সবকিছুর চেয়ে অধিক প্রিয় হবে; সে কোনো বান্দাকে ভালোবাসবে কেবল আল্লাহর জন্য; এবং আল্লাহ তাকে কুফর ... Read more - [মার্কিন ডলারের আধিপত্য: ব্রেটন উডস থেকে পেট্রোডলার এবং ভবিষ্যতের বিশ্ব ব্যবস্থা](https://returnofislam.com/2026/04/28/history-of-petrodollar/): মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিয়ত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বস্তুগত পণ্য আমদানি করছে—জার্মানির বিলাসবহুল গাড়ি, জাপানের অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক্স, চীনের তৈরি পোশাক ও যন্ত্রাংশ, কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেল। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র যা দিচ্ছে, তা মূলত ছাপাখানার কাগজ বা ডিজিটাল স্পেসের কিছু সংখ্যা—যার নাম 'মার্কিন ডলার' - [ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের পদধ্বনি: বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের অনাহারের ঝুঁকি](https://returnofislam.com/2026/04/21/catastrophic-food-crisis-coming/): ভূমিকা: একটি আসন্ন বৈশ্বিক বিপর্যয় এই মুহূর্তে বাংলাদেশের কোনো এক প্রান্তিক কৃষকের মাথায় হয়তো এই চিন্তাই ঘুরছে যে, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই মৌসুমে তার পক্ষে ধান চাষ করা আদৌ সম্ভব কি না। ঠিক একই সময়ে, পৃথিবীর অন্য প্রান্তে, আমেরিকার মিডওয়েস্ট অঞ্চলের একজন কৃষক ভুট্টার বদলে সয়াবিন চাষের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে বিচ্ছিন্ন মনে হলেও এই ধরনের সিদ্ধান্তগুলো আগামী ছয় মাসের মধ্যে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য তাদের বাজারদর ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ রূপ নিতে পারে যে, জাতিসংঘ ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে যে প্রায় সাড়ে চার কোটি (৪৫ মিলিয়ন) মানুষ তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হতে পারে এবং অনেক বিশেষজ্ঞ এমনকি বিশ্বব্যাপী একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ... Read more - [কেন কিছু কিছু মানুষ হঠাৎ চুপ হয়ে যায়](https://returnofislam.com/2026/04/10/why-some-people-turn-silent/): কখনো কি এমন মুহূর্ত এসেছে যখন আমাদের মনে এ অনুভূতি এসেছে, “আমি এই বিষয়ে আর কথা বলতে চাই না”? কিছু মানুষের মনে এই ভাবনা অন্যদের চেয়ে বেশি আসে। কখনো কখনো “চুপ করে থাকা” কেবলই মানসিক পরিপক্কতার একটি চিহ্ন; অনেকের মাঝে এ উপলব্ধি তৈরি হয় যে, বেশি কথা বললেই যে যোগাযোগ আরও ভালো হবে, এমনটা নয়। তাই তারা যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই কথা বলেন। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন, যে আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান রাখে যে যেন কথা বললে উত্তম কথা বলে নতুবা নিশ্চুপ থাকে কিন্তু কখনো কখনো মানুষ অন্য কারণেও চুপ করে থাকে। মানুষের “চুপ করে থাকার” কিছু কারণ: অন্যদের সাথে কম মেলামেশা করা ... Read more - [শত্রুতা ঘোষণা না করেই চীনের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ](https://returnofislam.com/2026/04/02/controlling-chinas-energy-supply-lines-without-declaring-hostility/): بسم الله الرحمن الرحيم শত্রুতা ঘোষণা না করেই চীনের জ্বালানি সরবরাহ লাইন নিয়ন্ত্রণ(অনূদিত) আল-রায়াহ পত্রিকা – সংখ্যা ৫৯৩ – ০১/০৪/২০২৬লেখক: উস্তাদ নাবিল আব্দুল করিম সমসাময়িক বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে, প্রধান শক্তিগুলো অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অঙ্গনে আধিপত্য বিস্তারের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, যাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের সংগ্রাম হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে। এটি কেবল একটি বাণিজ্যিক বা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং উদীয়মান বিশ্বব্যবস্থার রূপরেখা নির্ধারণের একটি সংগ্রাম। এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকায় চীনের দ্রুত প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক প্রভাব আমেরিকার দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা আধিপত্যকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্যকে নতুন ... Read more - [সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণে নির্ভরশীলতার যুক্তি](https://returnofislam.com/2026/03/31/the-argument-from-dependency/): কল্পনা করুন, আপনি একদিন বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় ডোমিনোর একটি লম্বা সারি রয়েছে। এই সারি এতই দীর্ঘ যে চোখের শেষ সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত। হঠাৎ একটি পরিচিত শব্দ কানে এলো – ডোমিনো পড়ার আওয়াজ। ছোটবেলায় আপনি ডোমিনো খেলতেন, তাই এই শব্দ চেনা। আওয়াজটি ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছে এবং কাছে আসছে। কিছুক্ষণ পর দেখলেন, সত্যিই একের পর একে ডোমিনোগুলো পড়ে আসছে। পদার্থবিদ্যার সাধারণ নিয়মে এমন দুর্দান্ত দৃশ্য দেখে আপনি মুগ্ধ। কিন্তু একটু দুঃখও লাগলো, কারণ শেষ ডোমিনোটি আপনার পায়ের কাছে এসে পড়ে গেছে। এই চমৎকার অভিজ্ঞতায় রোমাঞ্চিত হয়ে আপনি স্থির করলেন – রাস্তা ধরে হেঁটে প্রথম ডোমিনো খুঁজে বের করবেন। যে ব্যক্তি ... Read more - [ফিলিস্তিন এখন তৃতীয় প্রকল্পের অপেক্ষায়](https://returnofislam.com/2026/03/28/palestine-is-waiting-for-the-third-project/): ​১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর ইহুদিদের দ্বারা দখল হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিন ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুটি প্রকল্প বা পরিকল্পনা একে অপরের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছে। প্রথমটি হলো আমেরিকান পরিকল্পনা, যার লক্ষ্য আন্তর্জাতিক আইন ও সংস্থাসমূহের কাঠামোর মধ্যে একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়টি হলো ইহুদি প্রকল্প, যার মূল লক্ষ্য হলো পশ্চিম তীরের ভূমি দখল করা। ​প্রথম পরিকল্পনাটি কয়েক দশক ধরে স্থবির হয়ে আছে এবং এটি কেবল মিডিয়া, রাজনৈতিক উদ্যোগ এবং কনফারেন্স হলগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় বা ইহুদি পরিকল্পনাটি প্রতিদিন অত্যন্ত নির্মমভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইহুদিরা পশ্চিম তীর দখল করে এর মর্যাদা ‘আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অধিকৃত অঞ্চল’ থেকে পরিবর্তন করে তাদের ‘নিজস্ব ... Read more - [ইরান যুদ্ধ ও শক্তির পরীক্ষা](https://returnofislam.com/2026/03/27/iran-war-power-play/): ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইহুদি রাষ্ট্র (ইসরায়েল) যে আগ্রাসী যুদ্ধ শুরু করেছে, তা কেবল উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি সামরিক অভিযান নয়। বরং এটি মার্কিন শক্তির সীমাবদ্ধতা এবং একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক শক্তি কাঠামোর মধ্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সক্ষমতার এক জটিল পরীক্ষা। কারণ, সামরিক শক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তা দিয়ে বড় কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করা সবসময় সম্ভব হয় না। অধিকন্তু, পারস্য উপসাগরের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলের সামরিক সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার এবং বিশ্ব বাণিজ্যের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত—বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নৈকট্যের কারণে, যেখান দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়। ​শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করেছিল যে, ইরানের সাথে যুদ্ধ ... Read more - [সূরাতুল কদর – তাফসীর মাযহারী](https://returnofislam.com/2026/03/15/suratul-qadr-tafseer-majhari/): সূরা কদর ৫ আয়াত, ১ রুকূ’, মক্কী بسم الله الرحمن الرحيم ॥ দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে ॥ শানে নুযূল: তিরমিযী, হাকিম ও ইবন জারীর তাবারী (র) হাসান ইবন আলী (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা)-কে স্বপ্নে দেখানো হলো যে, উমায়্যা গোত্র তাঁর মিম্বরে অধিষ্ঠিত। স্বপ্নটি তাকে পীড়া দিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সূরা কাওছার ও সূরা কদর নাযিল হয়। সূরা কদরে বলা হয়েছে, ‘আমি এটা অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে। আর মহিমান্বিত রজনী সম্বন্ধে আপনি কী জানেন? মহিমান্বিত রজনী হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেয়। অর্থাৎ উমায়্যা গোত্র যে হাজার মাস রাজত্ব করবে, তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। কাসিম ইব্‌ন ফাযল হামাদানী (র) বলেন: ... Read more - [সূরাতুল কদর - তাফসীর ইবন কাছীর](https://returnofislam.com/2026/03/13/tafseer-of-surah-al-qadr/): [بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَـنِ الرَّحِيمِ ] এটি মক্কায় অবতীর্ণ কদরের রাত্রির মর্যাদা আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন জানিয়ে দিচ্ছেন যে, লাইলাতুল কদরে কুরআনুল কারীম অবতীর্ণ করেন। এই রাতকে লাইলাতুল মুবারাকও বলা হয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, إِنَّا أَنزَلْنَـهُ فِى لَيْلَةِ الْقَدْرِ আমি তো ইহা অবতীৰ্ণ করেছি এক মুবারাক রাতে । (সূরা দুখান, ৪৪: ৩) কুরআন কারীম দ্বারাই এটা প্রমাণিত যে, এ রাত রামাযানুল মুবারাক মাসে রয়েছে। যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন, [شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِى أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ] রামাযান মাস, যে মাসে বিশ্বমানবের জন্য পথ প্রদর্শন এবং সু-পথের উজ্জ্বল নিদৰ্শন এবং হক ও বাতিলের প্রভেদকারী কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে । (সূরা বাকারাহ, ২: ১৮৫) ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: হাদীসে বর্ণিত রায়া (ঝাণ্ডা) ও লিওয়া (পতাকা)](https://returnofislam.com/2026/03/12/qa-hadiths-mentioning-ar-raya-the-banner-and-al-liwa-the-flag/): রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রায়া (الراية) ও লিওয়া (اللواء) সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আমাদের সম্মানিত শায়খ, আপনি কেমন আছেন? আমার একটি প্রশ্ন রয়েছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর রায়া (الراية) সম্পর্কে কতগুলো হাদিস বর্ণিত হয়েছে এবং সেগুলোর বিশুদ্ধতা (Authenticity) কতটুকু? এবং যদি আপনি কোনো হাদিস উল্লেখ করেন, তাহলে অনুগ্রহ করে তার সনদ (السند)-এর মান বা গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কেও উল্লেখ করবেন। উত্তর: ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। লিওয়া (পতাকা) এবং রায়া (ব্যানার) এবং সেগুলোর উপর কী লেখা ছিল— এ বিষয়ে আমাদের গ্রন্থসমূহে আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষভাবে এ বিষয়ে আলোচনা রয়েছে “আযহিজা” (Ajhiza – أجهزة الدولة في الخلافة: The Institutions of ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: স্বর্ণের দামের ওঠা-নামা](https://returnofislam.com/2026/03/12/qa-the-fluctuations-in-gold-prices/): প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ, আমাদের সম্মানিত শাইখ। আমি আশা করি এই প্রশ্নটি আপনার কাছে সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতার সাথে পৌঁছেছে। আমি আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা)’র কাছে দু’আ করি যেন তিনি আপনাকে তাঁর দ্বীনকে সমুন্নত রাখতে এবং তাঁর আইন বাস্তবায়নে সহায়তা করেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে: সাম্প্রতিক সময়ে আমরা স্বর্ণের মূল্যে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করছি। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে এর মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে। এর অর্থ কি এই যে, স্বর্ণ—যা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থিতিশীল ধাতু এবং মুদ্রাব্যবস্থার মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে—এখন আর সেই স্থিতিশীলতা বজায় রাখছে না, বরং পরিবর্তনশীল হয়ে উঠেছে? নাকি এই মূল্য পরিবর্তনের পেছনে কিছু নির্দিষ্ট শাসকগোষ্ঠীর ... Read more - [অঙ্কন, আলোকচিত্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিধান](https://returnofislam.com/2026/03/10/using-ai-photography-drawing-and-videos/): শরীয়াহ অনুযায়ী অঙ্কন (drawing), আলোকচিত্র (photography) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিধান ইসলামি জীবনবিধানে ছবি বা প্রতিকৃতি তৈরির বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং এ সম্পর্কে বিস্তারিত শর’ঈ নির্দেশনা রয়েছে। আধুনিক যুগে প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে অঙ্কন (Drawing), আলোকচিত্র (Photography) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) মাধ্যমে ছবি তৈরির নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। নিম্নে এ সংক্রান্ত শরঈ বিধানগুলো আলোচনা করা হলো। ১. প্রাণবন্ত বস্তুর ছবি বা প্রতিকৃতি অঙ্কনের বিধান শরীয়াহ অনুযায়ী মানুষ, পশু বা পাখির মতো প্রাণসম্পন্ন (যার প্রাণ বা ‘রুহ’ আছে) কোনো বস্তুর ছবি অঙ্কন করা স্পষ্টত নিষিদ্ধ বা হারাম। এটি কাগজে আঁকা, কাপড়ে বোনা, অলঙ্কার বা মুদ্রায় খোদাই করা কিংবা মাটির তৈরি ভাস্কর্য—যেকোনো মাধ্যমেই ... Read more - [কুরআনের সাত হরফ](https://returnofislam.com/2026/02/13/seven-letters-of-the-quran/): তৃতীয় অধ্যায় কুরআনের সাত হরফ একটি সহীহ হাদীসে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ “নিশ্চয় এ কুরআন সাত হরফে অবতীর্ণ করা হয়েছে। সুতরাং সেগুলোর মধ্য হতে তোমাদের সহজ-সাধ্য পন্থা অবলম্বন করে পাঠ কর।”১১৯ এই হাদীসে কুরআনুল কারীম সাত হরফে অবতীর্ণ হওয়া দ্বারা কি উদ্দেশ্য? এটি অসংখ্য মতামতের মিলনমেলা এবং বিশাল পরিধি বিশিষ্ট একটি আলোচনা৷ আর সন্দেহাতীতভাবে তা কুরআনুল কারীমের দুর্বোধ্য ও কঠিনতম আলোচনার একটি। এখানে সম্পূর্ণ আলোচনা উদ্ধৃত করা তো মুশকিল। তবে এর সাথে সংশ্লিষ্ট অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো উপস্থাপন করছি। উপরে যে হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে অর্থের দিক থেকে তা ... Read more - [চিন্তা পরিবর্তনের সাথে সাথে আচরণের আমূল পরিবর্তন](https://returnofislam.com/2026/02/09/attitude-changes-with-the-change-of-thoughts/): ইসলামের এক মহান দ্বীন যেখান এমন সব বিধান, শিক্ষা, সংগঠন ও আইনে পরিপূর্ণ যা মানুষকে দুর্দশা ও অবক্ষয়ের অবস্থা থেকে মর্যাদা, গর্ব ও আভিজাত্যের দিকে উন্নীত করে, তুচ্ছ বিষয়ের ঊর্ধ্বে তুলে ধরে। আজকের আলোচনায়, আমরা ইসলামের প্রাথমিক যুগের মুসলমানদের বাস্তবতার অনেক উদাহরণের মধ্যে একটির কথা আলোচনা করব। আমাদের নবী এবং আমাদের প্রিয় নেতা মুহাম্মদ (সা) এর হৃদয়ে অবতীর্ণ ইসলামের আহ্বান নারীদের ব্যতিরেকে কেবল পুরুষদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। নারীরা এই বরকতময় আহ্বানের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন, আল্লাহর বাণীকে উচ্চে তুলে ধরার জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন। শহীদ সুমাইয়া বিনতে খায়য়াত (রা.) এর ঘটনা আমাদের অজানা নয়, তিনি ছিলেন প্রথম শহীদ যিনি ইসলামের পথে আরোহণ করেছিলেন, ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রে শিক্ষা পাঠ্যক্রমের ভিত্তি | ভূমিকা ও নীতিসমূহ](https://returnofislam.com/2026/02/06/foundations-for-education-curriculum-in-the-khilafah-state/): ১. ভূমিকা যেকোনো জাতির সংস্কৃতি (ثقافة) তার অস্তিত্ব ও টিকে থাকার মেরুদণ্ড। এই সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করেই উম্মাহর সভ্যতা (حضارة) প্রতিষ্ঠিত হয়, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারিত হয় এবং এর জীবনধারা সংজ্ঞায়িত হয়। উম্মাহর ব্যক্তিরা এই সংস্কৃতির মাধ্যমে একটি অভিন্ন ধারায় গড়ে ওঠে, যার ফলে উম্মাহ অন্যান্য জাতি থেকে স্বতন্ত্র হয়ে ওঠে। এই সংস্কৃতি হলো: উম্মাহর বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদ (আকিদা) এবং এই মতবাদ থেকে উদ্ভূত বিধি, সমাধান ও ব্যবস্থা। এটি হলো এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা জ্ঞান ও বিজ্ঞান, সেইসাথে এই বুদ্ধিবৃত্তিক মতবাদের সাথে সম্পর্কিত ঘটনাবলী, যেমন উম্মাহর জীবনচরিত (সিরাত) ও ইতিহাস। যদি এই সংস্কৃতি বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে এই উম্মাহ ... Read more - [ইসলামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোর ষড়যন্ত্র | ২য় অধ্যায়](https://returnofislam.com/2026/02/05/the-conspiracies-of-the-european-countries-against-the-islamic-state/): কিভাবে খিলাফত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ২য় অধ্যায়: ইসলামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় দেশগুলোর ষড়যন্ত্র মুসলমানদের ভূমি ভাগাভাগি নিয়ে কাফেরদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও, ইসলামকে ধ্বংস করার ব্যাপারে তারা সম্পূর্ণ একমত ছিল। এই উদ্দেশ্যে তারা বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। প্রাথমিকভাবে, তারা ইউরোপীয় দেশগুলোতে জাতীয়তাবাদ ও স্বাধীনতার অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। তারা মানুষকে ইসলামী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উস্কে দেয় এবং এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার জন্য অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহ করে, যেমনটি সার্বিয়া ও গ্রিসের ক্ষেত্রে ঘটেছিল। এভাবে ইউরোপীয় দেশগুলো ইসলামী রাষ্ট্রের পিঠে ছুরিকাঘাত করার চেষ্টা করেছিল। ফ্রান্স ১৭৯৮ সালের জুলাই মাসে মিশর আক্রমণ করে এবং তা দখল করে নেয়, তারপর ফিলিস্তিনের দিকে অগ্রসর হয়ে সেটিও দখল করে। ফ্রান্স ... Read more - [“কম ক্ষতি বেছে নেওয়া” নীতি: শরিয়াহ, রাজনীতি ও নির্বাচনে এর অপপ্রয়োগ](https://returnofislam.com/2026/02/01/lesser-of-two-evils-misapplication/): ভূমিকা সমসাময়িক রাজনীতি, বিশেষত গণতান্ত্রিক নির্বাচন ও ভোটের প্রশ্নে মুসলিম সমাজে প্রায়শই ব্যবহৃত একটি যুক্তি হলো — “মন্দের ভালো” তথা “দুটি অনিষ্টের মধ্যে কম অনিষ্টটি বেছে নেওয়া” (The Lesser of Two Evils / Lesser of the Two Harms)। অনেক ইসলামি কর্মী, সংগঠন ও চিন্তাবিদ এই নীতিকে সামনে রেখে সংসদীয় রাজনীতি, আইন প্রণয়নকারী পরিষদ কিংবা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বৈধ প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই নীতি কি সত্যিই শরিয়াহসম্মত? এর সঠিক ক্ষেত্র ও শর্ত কী? আর আধুনিক নির্বাচনী রাজনীতিতে এর প্রয়োগ কি আদৌ সঠিক, নাকি এটি একটি মারাত্মক অপব্যাখ্যা? এই প্রবন্ধে এই প্রশ্নগুলোর বিস্তারিত ও সুস্পষ্ট শরঈ বিশ্লেষণ তুলে ধরার চেষ্টা ... Read more - [ইসলাম ও কুফরের মধ্যকার সংগ্রাম | ১ম অধ্যায়](https://returnofislam.com/2026/01/28/how-the-khilafah-was-destroyed-chapter1/): কিভাবে খিলাফত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১ম অধ্যায়: ইসলাম ও কুফরের মধ্যকার সংগ্রাম ইসলামী চিন্তাধারা ও কুফরি চিন্তাধারার মধ্যে এবং মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যে তীব্র সংগ্রাম ইসলামের সূচনা লগ্ন থেকেই চলে আসছে। যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রেরণ করা হলো, তখন এই সংগ্রামটি ছিল কেবল একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম, এবং এর সাথে কোনো বস্তুগত সংগ্রাম জড়িত ছিল না। এই অবস্থা মদিনায় ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত বজায় ছিল, এরপর সেনাবাহিনী ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বস্তুগত সংগ্রামের সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রামকে একত্রিত করেন। জিহাদের আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হয় এবং সংগ্রাম চলতে থাকে। কেয়ামত আসা পর্যন্ত এবং ... Read more - [জিলবাব ও মুসলিম নারীর পোশাকবিধি](https://returnofislam.com/2026/01/19/jilbaab-muslim-women-dresscode/): ইসলামী আইনের উৎসসমূহ ইসলামী আইনের প্রধান উৎস হলো কুরআন ও সুন্নাহ। কুরআন — যা মুসলমানদের কাছে পবিত্র গ্রন্থ — এতে প্রায় ৫০০টি আয়াত রয়েছে, যা বিভিন্ন বিষয়ে আইনি গুরুত্ব বহন করে। সুন্নাহ বলতে বোঝায় নবী মুহাম্মদ ﷺ–এর বাণী, কাজ ও অনুমোদনের বর্ণনাসমূহের সংকলন। সুন্নাহর ভূমিকা হলো কুরআনের নির্দেশনাগুলোকে ব্যাখ্যা ও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা। এই দুটি মূল উৎস থেকে আরও কিছু গৌণ উৎস নির্ধারিত হয়েছে, যেমন ইজমা (আইনগত ঐকমত্য), কিয়াস (তুলনামূলক যুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ) এবং আরও কিছু বিতর্কিত উৎস, তবে এগুলো বর্তমান আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। ইসলামী পোশাকবিধির ধারণা ইসলামী আইন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন ও সামাজিক আচরণ—উভয় ক্ষেত্রেই একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: গান, সঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রের উপর শরীয়তের বিধান?](https://returnofislam.com/2025/10/20/qa-shari-rule-on-songs-music-singing-and-instruments/): প্রশ্ন: গান গাওয়া বা শোনার ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? বাদ্যযন্ত্র ব্যবহারের হুকুম কী এবং এর ব্যবসা কি অনুমোদিত? আমি আপনাকে দলিল সহ বিস্তারিত উত্তর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি? উত্তর: ইমাম (মুজতাহিদ) এবং ফকীহগণ গান গাওয়ার বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন এবং তাদের বিভিন্ন মতামত রয়েছে যেমন হারাম (নিষিদ্ধ), মাকরুহ (অপছন্দনীয়) এবং মুবাহ (অনুমোদিত), যারা এটি নিষিদ্ধ করেছেন তারা হলেন তাদের মধ্যে যারা গান গাওয়াকে ব্যবসা বা পেশা হিসেবে নিষিদ্ধ করার মতামত রাখেন এবং ইমাম শাফিঈ (রহ.) থেকেও একই মতামত এসেছে, এবং যারা এটি অপছন্দ করেছেন তাদের মধ্যে আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ.) এই বিষয়টিকে অপছন্দ করেছেন এবং এর পরিবেশনাকে অপছন্দনীয় কাজের মধ্যে শ্রেণীবদ্ধ ... Read more - [নবী-রাসূলগণের ইসমত](https://returnofislam.com/2025/10/19/ismah-of-prophets-and-messengers/): নবী ও রাসূলগণের ‘ইসমাহ’ (তথা নিষ্পাপ হওয়া) বুদ্ধিবৃত্তি দ্বারা নির্ধারিত একটি বিষয়। কারণ তিনি একজন নবী বা রাসূল হওয়ায় তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পক্ষ থেকে বার্তা পৌছানোর ক্ষেত্রে নিষ্পাপ। যদি (তাদের) একটি বিষয়ে ‘ইসমাহ’ না থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তাহলে এই ত্রুটি প্রতিটি বিষয়েই পৌঁছে যাবে (অর্থাৎ সন্দেহযুক্ত হবে); এবং এতে সমগ্র নবুয়্যত ও বার্তার (সত্যতার বিষয়টি) ভেঙে পড়বে। একজন ব্যক্তি আল্লাহর নবী অথবা আল্লাহর রাসূল হওয়ার প্রমাণের অর্থ হল তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে যা প্রচার করেন তাতে তিনি নিষ্পাপ। সুতরাং তার পৌছানোর ক্ষেত্রে নিষ্পাপতা (বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে) অনিবার্য, এবং এই নিষ্পাপতার প্রত্যাখ্যান হলো তিনি যে বার্তা নিয়ে এসেছেন এবং যে নবুয়্যত ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: সময়ের পূর্বেই যাকাত প্রদান](https://returnofislam.com/2025/10/15/qa-paying-zakat-before-its-due/): প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম আমাদের শাইখ, আল্লাহ আপনাকে ইসলামের সাথে প্রতিপালন করুন এবং ইসলামকে আপনার সাথে লালন করুন। আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি যে আমি যেন তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হই যারা আপনাকে নবুূয়্যতের আদলের খিলাফতের জন্য বাইয়াত দান করবেন, কারণ তিনিই সবকিছুর একচ্ছত্র ক্ষমতাবান। যাকাত, ব্যবসায়িক লেনদেন বা অর্থের যাকাত সম্পর্কে আমার একটি প্রশ্ন আছে; পূর্ণ এক (চন্দ্র) বছর (আল-হাওল) অতিবাহিত হওয়ার আগে কি এদের যাকাত বা এদের কিছু অংশের যাকাত দেওয়া জায়েজ হবে এবং (আল-হাওল) কি যাকাত প্রদানের জন্য শর্ত? আল্লাহ আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাতে ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য কল্যাণকর কিছু করার জন্য সাহায্য করুন, ওয়া আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: যুদ্ধরত রাষ্ট্রগুলোর সাথে লেনদেন](https://returnofislam.com/2025/10/05/dealing-with-the-actual-state-of-war/): প্রশ্ন-উত্তরপ্রকৃতপক্ষে যুদ্ধরত রাষ্ট্রগুলোর সাথে লেনদেনপ্রাপক: আবু মুহাম্মদ সালিম(অনুবাদিত) প্রশ্ন: আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ আবু মুহাম্মদ সালিম আমি মহান আল্লাহর কাছে দুআ করছি যে আপনি সুস্থ থাকুন, এবং আল্লাহ আপনাকে একটি মহান বিজয় দান করুন। আমি আল্লাহর কাছে দুআ করছি যে তিনি আপনার হাত দিয়ে কল্যাণের সকল দরজা খুলে দিন। আমি এই প্রশ্নটি আমাদের শেখ এবং প্রিয়, হিযবুত তাহরীরের আমির, আতা বিন খলিল আবু আল-রাশতাহকে উদ্দেশ্য করে করছি: এক ভাই আমাকে বারকান বসতিতে কন্টেইনার তৈরির একটি কারখানায় কাজ করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। সম্প্রতি, এই কারখানার একটি অংশ ‘ইসরায়েলি’ সেনাবাহিনীর সুবিধার জন্য রূপান্তরিত করা হয়েছে এবং এটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর এবং অন্যান্য ... Read more - [একজন মতাদর্শিক মুসলিম হওয়ার অপরিহার্যতা](https://returnofislam.com/2025/09/15/necessity-of-being-an-ideological-driven-muslim/): অক্সফোর্ড ডিকশনারি Ideology (আদর্শ) শব্দটির সংজ্ঞা দিয়েছে এভাবে: “a system of ideas and ideals, especially one which forms the basis of economic or political theory and policy or a set of beliefs characteristic of a social group or individual.” অর্থাৎ, একটি ধারণা ও বিশ্বাসের সমষ্টি, যা বিশেষভাবে কোনো রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক তত্ত্ব ও নীতির ভিত্তি গঠন করে, কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্যমূলক বিশ্বাসব্যবস্থা। “Ideology” শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি বিপ্লবের সময়। ১৭৮৯ সালে ফরাসি দার্শনিক Antoine Destutt de Tracy প্রথম এটি ব্যবহার করেন idéologie শব্দ থেকে, যার মূল অর্থ ছিল “science of ideas” বা ধারণার বিজ্ঞান। পরবর্তীতে এটি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামাজিক ... Read more - [গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার চিন্তা: হুকুম শরীয়াহ এবং ইতিহাসের আলোকে বাস্তবতা ও ভ্রান্তি](https://returnofislam.com/2025/08/26/establishing-islam-by-democracy/): الحمد لله، والصلاة والسلام على رسول الله، وعلى آله وصحبه ومن والاه، أما بعد আজকের মুসলিম সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা হলো — “গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে, সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।” প্রথমে বিষয়টি শুনতে আকর্ষণীয় মনে হলেও, শরীয়াহর দৃষ্টিতে এবং বাস্তবতার আলোকে এটি একটি ভয়াবহ ভ্রান্তি। কেননা, এটি ইসলামের মৌলিক রাজনৈতিক চিন্তার সাথে সাংঘর্ষিক, এবং ইসলামী পদ্ধতির পরিবর্তে কাফিরদের পদ্ধতি গ্রহণের নামান্তর। গণতন্ত্র কী এবং কেন এটি ইসলামের পরিপন্থী? সংক্ষেপে, গণতন্ত্র এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে সার্বভৌমত্ব মানুষের হাতে। সংসদে বসে মানুষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মত অনুযায়ী আইন তৈরি হয়। এক কথায়, মানুষ যা চাইবে, তাই হবে — ... Read more - [একটি আদর্শ শাসনব্যবস্থা: গণতন্ত্র না খিলাফাহ — প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ](https://returnofislam.com/2025/08/25/the-ideal-system-of-life/): সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার, যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, ও কুরআন ও রাসূলের (সা.) মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা দিয়েছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি, যাঁর মাধ্যমে মানবজাতি এক পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলাম পেয়েছে। বর্তমান দুনিয়ায় মুসলিম উম্মাহর একটি বড় অংশ ইসলামি শাসনব্যবস্থা তথা খিলাফাহ এবং পশ্চিমা শাসনব্যবস্থা, বিশেষ করে গণতন্ত্রের পার্থক্য বোঝে না। অনেকে এই দুটি ব্যবস্থাকে মিলিয়ে দেখে, কেউ আবার খিলাফাহকে মধ্যযুগীয় বা অগণতান্ত্রিক ভাবে অপপ্রচার করে। অথচ খিলাফাহ একটি স্বতন্ত্র এবং আল্লাহ-নির্ধারিত শাসনব্যবস্থা, যেখানে সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর। বিপরীতে, গণতন্ত্র মানুষের তৈরি একটি পদ্ধতি—যেখানে আইন প্রণয়ন ও শাসনের অধিকার জনগণের হাতে। এই ... Read more - [ইসলাম কি আসলেই একটি মৌলবাদ?](https://returnofislam.com/2025/08/22/is-islam-a-fundamentalism/): ১৯ শতকের শেষের দিকে সর্বপ্রথম ইউরোপে “মৌলবাদ” শব্দটির আবির্ভাব ঘটে। এটি তখন সাধারণত নব বিজ্ঞান ও দর্শনের বিরুদ্ধে চার্চের দৃষ্টিভঙ্গি এবং খৃষ্টান বিশ্বাসের প্রতি গোঁড়া আনুগত্যকে বোঝাতে ব্যবহৃত হতো। প্রোটেস্টেন্ট আন্দোলনকে মৌলবাদের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই মতবাদের মৌলিক নীতিমালা ১৮৭৮ সালের নায়াগ্রা কনফারেন্স এবং ১৯১০ সালে অনুষ্ঠিত জেনারেল প্রিসবিটারিয়ান সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হয়। তারা এমন কিছু খ্রিস্ট-মতাদর্শের ভিত্তিতে নিজেদের নীতি নির্ধারণ করে, যেগুলো সুস্পষ্টত জীবন থেকে ধর্মকে আলাদা করার পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত পুঁজিবাদীদের তথাকথিত বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রার পথে অন্তরায় ছিল। যদিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই মতবাদ বিলীন হয়ে যায়, তথাপি ইউরোপীয়দের বদ্ধমূল ধারণা হচ্ছে উন্নতি এবং অগ্রযাত্রার পথে মৌলবাদ ... Read more - [অনুন্নত দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, মেধা পাচার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা](https://returnofislam.com/2025/07/09/lack-of-vision-regarding-technological-development/): খবর: বিএসসি প্রকৌশলীদের প্রতি বৈষম্য নিরসনের তিন দফা দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন চুয়েট, চবি, আইআইইউসি সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শনিবার (৫ জুলাই) বিকাল ৪টায় নগরীর ২ নং গেইট এলাকায় তারা এই প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেন।  এ সময় বিক্ষোভ মিছিলে হাজারো শিক্ষার্থীদের ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’; ‘কোটা না মেধা, মেধা, মেধা’; ‘কোটার নামে বৈষম্য, চলবে না, চলবে না’; ‘এই মুহূর্তে দরকার, কোটাপ্রথার সংস্কার’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে দেখা যায়। ২ নং গেইট থেকে শুরু হয়ে জিইসি মোড় ঘুরে আবার উৎপত্তিস্থলে ফেরত আসে মিছিলটি। এরপর অনুষ্ঠিত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবিতে বক্তব্য দেয়া শুরু করেন। এ সময় তারা তাদের পূর্বে ... Read more - [ইরান সরকারটি কেমন?](https://returnofislam.com/2025/07/09/how-is-the-government-of-iran/): ইরানের যেকোনো ইস্যু আসা মাত্রই এক শ্রেণির মানুষ ইরানিদের শিয়া মতবাদ নিয়ে এমনভাবে আলোচনা তোলেন যেন ইরানকে নিয়ে যাবতীয় সমস্যার কারণ তাদের শিয়া মতবাদ। কারো কারো আক্বীদাগত উত্তেজনা এই সময়গুলোতে এতই বৃদ্ধি পায় যে, মনে হয় ইস*রা*য়ে*লই হয়ত আহলে সুন্নাহ ও সুন্নি মাজহাবগুলোর ভ্যানগার্ড হিসেবে ইরানের কুফরী আক্বীদাগুলোকে গুড়িয়ে দিচ্ছে! আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির সকল হিসাব-নিকাশ ছাপিয়ে কেবল শিয়া মতবাদ নিয়ে তারা মেতে থাকে। তাই ইরানি শাসকদেরকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়নের আগে এই আক্বীদাগত বিষয়টি সম্বন্ধে প্রকৃত কিছু সত্য তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছি। বাস্তবতা হলো, শিয়া মতবাদ শুরুতে রাজনৈতিক বিরোধই ছিল। এই রাজনৈতিক বিরোধ পরবর্তীতে বৃহত্তর ফিকহী বিরোধে রূপান্তরিত হয়। ... Read more - [আল্লাহ হচ্ছে সেই সত্য যার অস্তিত্বকে উপলব্ধি করা যায় এবং এটি মস্তিস্কপ্রসুত কোনো ধারণা না](https://returnofislam.com/2025/07/04/allah-is-a-truth-whose-existence-is-perceived-and-not-an-idea-imagined-by-the-mind/): অনেক মানুষই বিশেষ করে পশ্চিমা বিশ্বে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখে, কিন্তু তাদের দৃঢ় বিশ্বাস এ ভিত্তি থেকে যে আল্লাহ (শুধুমাত্র) একটি চিন্তা, (সর্বজনীন) সত্য না। এধরনের ব্যক্তিগণ কোনো সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাসকে কোনো উপাস্যের উপর বিশ্বাসের মতোই মনে করে; তারা বলে, এটি একটি সুন্দর চিন্তা। এটি এ জন্য, যতক্ষন মানুষ এটি কল্পনা করবে, এতে বিশ্বাস করবে এবং এর শক্তির কাছে সমর্পণ করবে, ততক্ষন সে এ ধারণার উদ্দীপনায় মন্দ হতে নিজেকে দুরে রাখবে এবং কল্যাণে নিকটবর্তী হবে। তাই এটি একটি অন্তর্নিহিত নিরোধক যা বাহ্যিক নিরোধক হতে বেশি প্রভাব রাখে। তাই তারা সমর্থন করে যে মানুষের অবশ্যই আল্লাহতে বিশ্বাস করা উচিত এবং তারা ... Read more - [পপুলিস্ট দাওয়াহ ইসলামী পুনর্জাগরণের পথকে বাধাগ্রস্থ করে তোলে](https://returnofislam.com/2025/07/02/gray-identity-in-popular-dawah-obscuring-the-path-of-islamic-revival/): সোশ্যাল মিডিয়ার আজ সবার জন্য জনপ্রিয় হবার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আজকের যুগে যেন একটাই মন্ত্র: “জনপ্রিয়তা মানেই টাকা”। যত বেশি সাবস্ক্রাইবার বা ফলোয়ার তত বেশি সফলতা—এই ধারণা আজকের প্রজন্মের স্বপ্ন হয়ে উঠেছে। আজকের তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর যুগে, পপ কালচার দর্শনীয় ও মোহময় উদ্দীপনার মাধ্যমে চিত্রসংস্কৃতি ও রুচিসংস্কৃতি গঠনে বড় ভূমিকা রাখছে। ধূসর শক্তি (Gray Power) গত এক দশকে সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন এক প্রভাবশালী শক্তি উঠে এসেছে— সেলেবগ্রাম বা ইউটিউবারদের মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা, যারা ধূসর সম্প্রদায় ও তথাকথিত ‘সংবেদনশীলদের’ প্রতিনিধিত্ব করে, এবং মূলত পুঁজিবাদী শক্তির প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে। যদিও এটা নতুন কিছু নয়, তথাপি ডিজিটালাইজেশনের যুগে এই ধূসর নৈতিক শক্তি (gray moral ... Read more - [ইরানের উপর পরিকল্পিত হামলা - কারণ ও প্রেক্ষাপট](https://returnofislam.com/2025/07/02/preventive-attack-on-iran-causes-context/): বিশ্বাসঘাতকতা, ভুল হিসাব, ​​অথবা কৌশলগত কারণেই হোক না কেন, ফলাফল অনস্বীকার্য: ১৩ জুন ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক অবকাঠামোর উপর ইসরায়েলের ভোরবেলা আক্রমণ তেহরানের জন্য কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নিরাপত্তার উপর আঘাত। কয়েক ঘন্টা ধরে চালানো এই হামলায় ইরানের সামরিক উচ্চ কমান্ড এবং শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীদের একাংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এর কমান্ডার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি; সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি; ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কৌশলের স্থপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ; এবং কুদস বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ইসমাইল কানি। এছাড়াও নিহত হয়েছেন সর্বোচ্চ নেতার একজন সিনিয়র উপদেষ্টা অ্যাডমিরাল আলী শামখানি এবং পারমাণবিক ... Read more - [ইসরাইল ধ্বংস হবে এবং জেরুজালেম (বাইতুল মুকাদ্দাস) হবে খিলাফতের রাজধানী](https://returnofislam.com/2025/06/23/israel-will-be-destroyed-jerusalem-will-become-the-capital-of-the-khilafah/): এই কঠিন সময়ে আমাদের ভেঙে পড়া উচিত নয়; আমাদের দূরদর্শিতা থাকতে হবে এবং সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে ইসরায়েল পরাজিত হবে এবং জেরুজালেম ইসলামী খিলাফতের রাজধানীতে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। কুরআন ও হাদীস থেকে নিম্নলিখিত দলিলসমূহ এই বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়: আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তা’আলা) ইরশাদ করেন: “وَقَضَيْنَا إِلَىٰ بَنِيٓ إِسْرَٰٓءِيلَ فِي ٱلْكِتَٰبِ لَتُفْسِدُنَّ فِي ٱلْأَرْضِ مَرَّتَيْنِ وَلَتَعْلُنَّ عُلُوّٗا كَبِيرٗا ٤ فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ أُولَىٰهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادٗا لَّنَآ أُوْلِي بَأْسٖ شَدِيدٖ فَجَاسُواْ خِلَٰلَ ٱلدِّيَارِۚ وَكَانَ وَعْدٗا مَّفْعُولٗا ٥ ثُمَّ رَدَدْنَا لَكُمُ ٱلْكَرَّةَ عَلَيْهِمْ وَأَمْدَدْنَٰكُم بِأَمْوَٰلٖ وَبَنِينَ وَجَعَلْنَٰكُمْ أَكْثَرَ نَفِيرًا ٦ إِنْ أَحْسَنتُمْ أَحْسَنتُمْ لِأَنفُسِكُمْۖ وَإِنْ أَسَأْتُمْ فَلَهَاۚ فَإِذَا جَآءَ ... Read more - [উত্তর আধুনিকতাবাদে ইসলামী উম্মাহ](https://returnofislam.com/2025/06/16/the-islamic-ummah-in-postmodernism/): পোস্টমডার্নিজম (তথা উত্তরাধুনিকতাবাদ)-এর আবির্ভাব ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে ঘটে যাওয়া সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সঙ্কটের পটভূমিতে ঘটে। আধুনিকতার ব্যর্থতা—যেমন দুটি বিশ্বযুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের উত্থান, উপনিবেশবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী সহিংসতা (যেমন আলজেরিয়া ও ভিয়েতনাম যুদ্ধ), এবং শ্রেণী বৈষম্য—এই সকল বিষয়ে হতাশা থেকেই পোস্টমডার্ন সমালোচনার উদ্ভব ঘটে। মিশেল ফুকো ও জ্যাক দেরিদার মতো চিন্তাবিদগণ আধুনিকতার রৈখিক অগ্রগতির দাবি ও যুক্তির কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেন এবং এর পরিবর্তে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতার আপেক্ষিকতার উপর জোর দেন। পোস্টমডার্নিজম প্রথমে পশ্চিমা বিশ্বের সার্বজনীন দাবিকে চ্যালেঞ্জ করার মাধ্যম হিসেবে গড়ে উঠলেও, পরবর্তী সময়ে কিছু চিন্তাধারার পক্ষ থেকে তা ইসলামি রাজনৈতিক আন্দোলনকে খাটো করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। পরিচয় ও ঐতিহ্যকে “গঠিত” বা ... Read more - [জীবন ও মৃত্যুর রহস্য](https://returnofislam.com/2025/05/22/the-mystery-of-life-and-death/): নিম্নে আল-ওয়াই ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ দেওয়া হল, আরবি থেকে অনুবাদিত জীবন একটি ছোট যাত্রা যা প্রতিটি প্রাণীর অনিবার্য মৃত্যুর সাথে শেষ হয় ১- মানুষ স্বভাবতই মৃত্যুকে ভয় পায় এবং এর আবির্ভাবের ব্যাপারে সতর্ক থাকে। এমনকি সে মৃত্যু থেকে পালাতে চায়, এর শক্তি থেকে বাঁচতে চেষ্টা করে। জীবনের অসংখ্য ঘটনা এই মানুষের এই প্রকৃতিকে প্রমাণ করে এবং মহান আল্লাহর কিতাবের অনেক আয়াতে (এ ব্যপারে) বলা হয়েছে: أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ خَرَجُواْ مِن دِيَارِهِمْ وَهُمْ أُلُوفٌ حَذَرَ الْمَوْتِ فَقَالَ لَهُمُ اللّهُ مُوتُواْ ثُمَّ أَحْيَاهُمْ إِنَّ اللّهَ لَذُو فَضْلٍ عَلَى النَّاسِ وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لاَ يَشْكُرُونَ তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা মৃত্যুর ভয়ে ... Read more - [ইহসান উল আ'মাল](https://returnofislam.com/2025/05/14/ihsan-ul-amal/): কোন কাজকে হাসান তথা ভালো করার জন্য ‘আল্লাহর জন্য নিয়তকে আন্তরিকভাবে বিশুদ্ধ করা এবং কাজটি শরীয়াহ তথা ইসলামী আইন এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া আবশ্যক। এই কারণে, শুরুর দিককার আলেমগণ (তাদের উপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) এই মৌলিক নীতিগুলোকে একত্র করে চিন্তা করতেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন: الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا যিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন তোমাদের যাচাই করতে যে তোমাদের মধ্যে কে কাজকর্মে শ্রেষ্ঠ। [সূরাতুল মুলক ৬৭:২] এই আয়াত সম্পর্কে আল-ফুদাইল বিন ‘ইয়াদ বলেন, এর অর্থ হল: أَخْلَصُهُ (তথা সর্বাধিক আন্তরিক) এবং أَصْوَبُهُ (তথা সর্বাধিক সঠিক)। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: ‘أَخْلَصُهُ এবং أَصْوَبُهُ বলতে কী বোঝায়?’ ... Read more - [তাকওয়ার প্রকৃত অর্থ](https://returnofislam.com/2025/05/14/the-true-meaning-of-taqwa/): يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسْلِمُونَ হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যথাযথ ভয়। আর তোমরা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পন করা ছাড়া মৃত্যুবরণ করো না। [আলে ইমরান ৩:১০৩] আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা পবিত্র কুরআনে অসংখ্যবার তাকওয়ার ব্যপারে গুরুত্বারোপ করেছেন। তাকওয়া ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চিন্তার মধ্যে একটি। তাকওয়ার মাধ্যমেই (মুসলিম) সমাজের মানুষ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত হয়, তাদের কার্যাবলী সম্পাদন করার ক্ষেত্রে। তাকওয়ার বিশাল গুরুত্বের কারণে কুরআন ও সুন্নাহতে অসংখ্যবার মুসলিমদের জীবনে তাকওয়ার প্রাসঙ্গিকতা ও তাৎপর্যের প্রতি জোর দিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।  দুনিয়া ও আখেরাতে তাকওয়ার অবলম্বনের অসীম পুরস্কারের কথা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা জোর দিয়ে ... Read more - [পশ্চিমা সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ছে](https://returnofislam.com/2025/04/30/empire-is-falling/): কয়েক দশক ধরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে অর্থনৈতিক, সামরিক এবং নৈতিকভাবে বিশ্বের চিরন্তন নেতা হিসেবে চালিয়েছে। কিন্তু এখন পতনের লক্ষণগুলি অনস্বীকার্য। আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা কেবল একটি পরাশক্তির ক্ষয় নয়, বরং আমেরিকান আধিপত্যের উপর নির্মিত বিশ্বব্যবস্থার ভেঙে পড়া। বুশ-যুগের যুদ্ধ থেকে শুরু করে এর ধারাবাহিকতায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে বিশৃঙ্খলা পর্যন্ত, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং বিশ্বব্যাপী বিশ্বাসযোগ্যতা ভেঙে পড়া এই ব্যবস্থার মধ্যেই একটি গভীর অসুস্থতার প্রতিফলন। ১৯৯৭ সালে, আমেরিকান মতাদর্শীদের একটি দল “প্রজেক্ট ফর দ্য নিউ আমেরিকান সেঞ্চুরি (PNAC)” শুরু করে। তাদের লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট: একবিংশ শতাব্দী সম্পূর্ণরূপে আমেরিকান স্বার্থ ও মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হবে, তা নিশ্চিত করা। এর অনেক উদ্যোক্তা পরবর্তীতে ... Read more - [লেটস প্লে দ্যা রিলস - স্ক্রলের নেশা, শোষণের ফাঁদ!](https://returnofislam.com/2025/04/28/lets-play-the-reels/): রিলস (Reels) হলো সোশ্যাল মিডিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অথচ সবচেয়ে ভয়ানক ফিচারগুলোর একটা। এটা এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন মানুষের ব্রেইন প্রতিটা স্ক্রলে একধরনের ডোপামিন হিট পায়। আমরা যখনই ভাবি ‘আরেকটা দেখে বের হবো’, কিন্তু,’ সেই ‘আরেকটা’ আর শেষ হয় না। রিলস আসলে নতুন কিছু না—এই আইডিয়াটা এসেছে মানুষের স্বল্প মনোযোগের সুযোগ নিয়ে একটা লাভজনক কনটেন্ট ফর্ম তৈরি করার চিন্তা থেকে। এর পেছনের মূল কথা হলো: “অল্প সময়ে বেশি এন্টারটেইনমেন্ট”। রিলসের ধারণা প্রথম জনপ্রিয়তা পায় ২০১৬ সালে চীনা অ্যাপ TikTok (তৎকালীন Musical .ly)-এর মাধ্যমে। এরপর Instagram, Facebook, YouTube – সব বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শর্ট ভিডিও ফিচার চালু করে। মূল উদ্দেশ্য ছিল ... Read more - [গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রহসন](https://returnofislam.com/2025/04/04/free-media-farce-in-democracy/): ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যা নিয়ে Secularist দের দম্ভের শেষ নেই। তারা দাবী করে Media একটি Shadow Goverment এর মত কাজ করে সরকারকে কঠিন জবাবদিহিতার মধ্য রাখে যেন তারা জনস্বার্থ বিরোধী কোন কাজ করতে না পারে। জনগণের কাছে ফাঁস হয়ে যাবার হুমকির ভয়ে তারা সঠিক কাজটি করবে এটাই আশা। তারা দাবী করে তাদের  স্বাধীন গণমাধ্যম একদিকে নানা জনস্বার্থমূলক বিষয়ে জনমত ও সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তাদের মধ্যে সেতু হিসাবে কাজ করে, অন্যদিকে এসব বিষয়ে Expert দের মতামত এক করে সরকারকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে জনগণকে দেখভালের কাজে সরকারকে সহায়তা করে। তাই ভিন্ন মত প্রকাশের অন্যতম Platform হল মিডিয়া। এটা নাকি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এই ... Read more - [ধর্ষণ: ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ নাকি বিকৃত যৌন আচরণ?](https://returnofislam.com/2025/03/20/rape-an-expression-of-power-or-deviant-sexual-behavior/): সমাজে একটি বিতর্ক দেখা যায় যে ধর্ষণ কি নারীর পোশাক/লাইফস্টাইলের দোষ নাকি পুরুষদের শক্তি প্রদর্শণের অভিব্যক্তি। এই বাইনারির মাঝে বিতর্কটি চলতে থাকে। আসুন, এই প্রবন্ধের মাধ্যমে আমরা জেনে নেই ধর্ষণের প্রকৃত কারণসমূহ কী এবং কিভাবে তা প্রতিরোধ করা যায় - [ধর্ষণ মহামারীর একমাত্র প্রতিষেধক ইসলাম](https://returnofislam.com/2025/03/19/cure-of-rape-epidemic-is-islam/): বিশ্বব্যাপী চলছে ধর্ষণের মহোৎসব। UNICEF এর ২০২৪ অক্টোবরের সার্ভে মতে বিশ্বজুড়ে প্রতি ৮ জনে ১ জন নারী ১৮ বছর বয়স হবার আগে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। Irony হল, উন্নত বিশ্বে ধর্ষণের হার সবচেয়ে বেশি, যদিও টা উল্টো হবার কথা। প্রতি ৬৮ সেকেন্ডে আমেরিকাতে ১ জন ধর্ষিত হয়। লন্ডনে ২০২৩ সালে পুলিশের কাছে গড়ে প্রতিদিন ২৪ টি ধর্ষণের রিপোর্ট জমা হয়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশে ধর্ষণের হার এখনও কম হলেও পিছিয়ে নেই। ২০২৫ ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে ১২ টি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মনে রাখা প্রয়োজন, ধর্ষণ মানে কিন্তু শুধুই জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন নয়, বরং হিংস্র যৌন সহিংসতা। ছোট ছোট শিশুদের যৌনাঙ্গ চিরে ফেলা বা ... Read more - [মুমিনের জীবনে তাকওয়ার প্রভাব](https://returnofislam.com/2025/03/13/effect-of-taqwa-on-the-life-of-a-believer/): আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তাআলা) তার বান্দাদেরকে কুরআনের অনেক স্থানে তাকওয়া অবলম্বন করতে আদেশ দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে: ((يَا أَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُواْ رَبَّكُمُ الَّذِي خَلَقَكُم مِّن نَّفْسٍ وَاحِدَةٍ)) “হে মানুষ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো, যিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন।” [আন-নিসা: ১] এবং তিনি বলেন: ((وَاتَّقُواْ اللّهَ إِنَّ اللّهَ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ)) “এবং আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের হৃদয়ের গোপন বিষয় ভালোভাবে জানেন।” [আল-মায়িদা: ৭] এবং তার এই বলা: ((وَاتَّقُواْ اللّهَ إِنَّ اللّهَ خَبِيرٌ بِمَا تَعْمَلُونَ)) “এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।” [আল-মায়িদা: ৮] এবং হাদিসে যা আহমদ আবু যার ও মু’আজ ইবন জাবাল ... Read more - [ধর্ষণ - সেকুলার বিষবৃক্ষের একটি অন্যতম ফল](https://returnofislam.com/2025/03/11/rape-a-fruit-of-poisonous-secular-tree/): মাগুরায় বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে বোনের শ্বশুরের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয় ৮ বছরের শিশু (আছিয়া)। গত ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে লাইফ সাপোর্টে থাকাকালীন অবস্থায় ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হয়। ওই সময় শিশুটি সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থায় ছিল।  শিশুটির গলার সামনের দিকে গভীর ক্ষত এবং শরীরের অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরীক্ষায় শিশুটির ডান ফুসফুসে বাতাস জমা হওয়া (নিউমোথোরাক্স), তীব্র শ্বাসকষ্ট সিনড্রোম, মস্তিষ্কে ব্যাপক ফোলা ধরা পড়ে। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা এখন মুখে মুখে। ধর্ষককে গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে আন্দোলন ... Read more - [ট্রাম্পের কথায় পশ্চিমাদের প্রকৃত ঔপনিবেশিক চরিত্র ফুটে উঠেছে](https://returnofislam.com/2025/02/14/donald-trump-western-colonial-nature-gaza/): মার্কিন নেতার লুণ্ঠনমূলক “গাজা দখল” এর ভাষা পশ্চিমাদের উপনিবেশ স্থাপনের আকাঙ্ক্ষাকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছে সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক গাজাকে দখল করে নেওয়া, এর মালিকানা নিয়ে নেওয়া, একে রিভেরা কিংবা রিসোর্টে পরিণত করা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তার বক্তব্য বিশ্বব্যাপী ঔপনিবেশিক ওদ্ধত্যের এক বহিঃপ্রকাশ হিসেবে সমালোচিত হয়েছে। এসব বক্তব্যের মাধ্যমে পশ্চিমাদের আসল চেহারা তথা তাদের ঔপনিবেশিক পুঁজিবাদী ডিএনএকেই কেবলমাত্র উন্মোচিত করে। যুদ্ধাপরাধী নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প নির্লজ্জভাবে একে অপরকে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবে কাজ করার প্রশংসা করে প্রশংসা করেছেন। গাজায় তাদের গণহত্যা – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার জন্য সহায়তা করেছে – তা-ই কি ... Read more - [ডোনাল্ড ট্রাম্প কি সত্যিই গাজার দখল নিতে চলেছে?](https://returnofislam.com/2025/02/13/is-donald-trump-really-going-to-take-over-gaza/): এর একটা কারণ হতে পারে যে, ট্রাম্পের ব্যবসা করার ধরণই এটি। সে এমন একজন ব্যবসায়ী যে সে যা কিনতে চায় তা এত কম দামে কিনতে চায় এবং তার জন্য দর কষাকষি শুরু করে যে, এটি বিক্রেতার জন্য অপমানজনক হয়! কিন্তু একই সাথে সে এমন একজন ব্যবসায়ীও যার পেছনে শক্তি (muscle) আছে। সে বাজারের সেই সওদাগরদের মতো যে কৃষকদেরকে দিয়ে একেবারেই কম দামে সবজি বিক্রি করাতে পারে, এমনকি যদি তাদের দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিও থাকে… কারণ তাদের কাছে তা করার মতো আর্থিক শক্তি আছে। এবং আন্তর্জাতিক ময়দানে ট্রাম্পের ঠিক এটাই কর্মপদ্ধতি - [গাজার মুসলিমদেরকে বাস্তুচ্যুত করার ট্রাম্পের নীতিকে প্রত্যাখ্যান করা মুসলিমদের ঈমানি দায়িত্ব](https://returnofislam.com/2025/02/07/its-a-duty-to-resist-the-force-displacement-of-gazan-people/): দীর্ঘ ১৫ মাসের ধংসযজ্ঞের পর গত ১৫ জানুয়ারী ইসরাঈল ও হামাস এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় এবং গত ১৯ জানুয়ারী হতে তা কার্যকর হতে শুরু হয়েছে যা এখনো চলমান। আমরা জানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর নেতৃত্বে তার ক্ষমতায় আসার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে দেখা যাচ্ছে, যা থেকে পরিস্কারভাবে বোঝা যায় যে মার্কিনিরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এ যুদ্ধ এতদিন জিইয়ে রেখেছিল, আরো অনেক পুর্বেই ধ্বংস ও গণহত্যা বন্ধ করা সম্ভব ছিল।  ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছে, তারা তথা যুক্তরাষ্ট্র গাজা উপত্যকা দখল করবে, সেটির মালিক হবে এবং গাজাকে পুনঃনির্মান করবে। এই লক্ষ্যে ... Read more - [ইসকন-সহ সকল উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধকরণ: আইনী প্রেক্ষিত](https://returnofislam.com/2024/12/03/isckon-hindutva-anti-state-activities-legal-context/): ইসকন-সহ সকল উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধকরণ: আইনী প্রেক্ষিত আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ, ইংরেজিতে International Society for Krishna Consciousness, সংক্ষেপে ISKCON/ইসকন-এর কার্যক্রম বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে কিছু উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন যেভাবে বিদ্বেষমূলক ও সহিংস কর্মকাণ্ড করে বেড়াচ্ছে, তাতে জনমনে ইসকনসহ অন্য হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম কোর্টে ইসকন সমর্থকদের সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর এবং তরুণ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ-কে হত্যার ঘটনায় দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ইসকন-কে নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয়েছে। “ইসকন বাংলাদেশ”-এর নেতৃবৃন্দ অবশ্য ইতোমধ্যে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ... Read more - [খিলাফত রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পতাকা কী হবে?](https://returnofislam.com/2024/10/21/what-is-the-official-flag-of-caliphate/): ইসলামি রাষ্ট্রের সরকারী পতাকাকে রাইয়াহ (الراية) বলা হয়। এটি একটি কালো আয়তক্ষেত্রাকার পতাকা যার উপর সাদা রঙে لا إِلٰهَ إِلَّا ٱلله مُحَمَّدٌ رَسُولُ ٱلله লেখা রয়েছে। এর পেছনের ইজতিহাদের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো। ঐতিহাসিকভাবে, পতাকাগুলো মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে বিভিন্ন সেনাবাহিনীকে চিহ্নিত করার জন্য যুদ্ধে ব্যবহৃত হত। আধুনিক সময়ে বিভিন্ন দেশকে চিহ্নিত করতে পতাকা ব্যবহার করা হয় এবং কোনো জাতিকে একত্রিত করার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আমেরিকাতে, পতাকার জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে এবং বেশিরভাগ পাবলিক স্কুলগুলিকে এর আবৃত্তির জন্য নিয়মিত সেশন নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক: “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার প্রতি আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, এবং যে প্রজাতন্ত্রের জন্য এটি দাঁড়িয়ে আছে, ঈশ্বরের ... Read more - [ইসলামের সংবিধানই একমাত্র বিকল্প](https://returnofislam.com/2024/10/07/islamic-constitution-is-the-only-alternative/): ৫ই অগাস্ট গণঅসন্তোষ থেকে সৃষ্ট রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জালিম হাসিনার ১৬ বছরের দুঃশাসনের অবসান ঘটল। চারিদিকে এখন পরিবর্তনের ডাক। দেশের মানুষ আশা করছে যে এবার তারা রাষ্ট্রকে এমনভাবে মেরামত করবে যে পুনরায়  যেন এইধরনের জালিম শাসকের জন্ম এবং অসহনীয় পরিস্থিতির উদ্ভব না হয়। আমাদের সংবিধানে যে মারাত্মক কোন সমস্যা আছে তা সবাই বুঝে, তাই পরিবর্তনটা সেখান থেকেই শুরু করার দাবী জোরাল হচ্ছে। অথচ শাসক ও সুশীল সম্প্রদায় – “পশ্চিমা নয় প্রাচ্য ধাচের বা inclusive society উপযোগী” ইত্যাদি নানা term এ  ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে মূল সমস্যাকে আড়াল করে সেই সেকুলার গণতান্ত্রিক সংবিধান আমাদের ধরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। তাই  ইউনুস সরকার সংবিধান সংস্কারের আলোচনার টেবিলে আসার শর্ত দিয়েছে ... Read more - [যুগে যুগে ফকীহ্‌গণ খিলাফত সম্পর্কে কী বলেছেন](https://returnofislam.com/2024/09/24/classical-scholars-on-khilafah/): Classical Scholars on Khilafah: আমিরুল মু’মিনিন উমর আল-ফারুক (রা.) সম্পর্কে আদ-দারামি (রহ.) ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ.) আল-খতিব আল-বাগদাদী (রহ.) ইমাম আন-নববী (রহ.) ইমাম আল-মাওয়ার্দী (রহ.) ইবনে তাইমিয়্যাহ্ (রহ.) ইবনে খালদুন (রহ.) ইমাম শামস আদ-দ্বীন আর-রামলী আল-আনসারী (রহ.) আল-হায়ছামী (রহ.) শেখ আলী বেলহাজ (হা.) শেখ আত-তাহির ইবনে আশুর (রহ.) ফকীহ্ আবু আল-ফাতেহ্ আশ-শাহরিসতানী‌ (রহ.) قال الدارمي عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه في (سنته) إنه لا إسلام إلا بجماعة ولا جماعة إلا بإمارة ولا إمارة إلا بطاعة فمن سوده قومه على الفقه كان حياة له ولهم ومن سوده قومه على غير فقه كان هلاكا له ولهم Ad-Darami (rh) about Ameer ul-Mu’mineen, ... Read more - [ইসলামে রাজনীতি](https://returnofislam.com/2024/08/27/politics-in-islam/): বর্তমানে রাজনীতি একটা অতীব অপছন্দের বস্তুতে পরিণত হয়েছে। হানাহানি , লুটপাট আর দোষাদোষীর এ রাজনীতিতে মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে। এই সেকুলার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আমরা ৫ বছর পর পর ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচন করি যেন তারা আমাদের হয়ে সংসদে কথা বলে, এলাকার উন্নয়ন হয়, আমরা একটু শান্তি, স্বস্তিতে, সন্তান-সন্তুতি নিয়ে নিরাপদে ধর্ম-কর্ম পালন করতে পারি। অথচ রাজনীতির প্রকৃত চর্চা যেটা দেখা যায় তা হলো, জনগণকে এই দিব সেই দিব নামক এক গাল মিথ্যা কথা বলে  ক্ষমতায় যাওয়া, আর তারপর ব্যক্তিবিশেষ বা বিশেষ গোষ্ঠী এমনকি বিদেশি শক্তির হাতে জিম্মি করে যেকোনো মুল্যে সেখানে বসে থাকা। এর যেন কোন ব্যাতিক্রম নেই। এখানে সরকারি দলের মূল কাজ ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: মোটাতাজা বাছুর কুরবানি করা](https://returnofislam.com/2024/06/16/sacrificing-fattened-calves/): আমজাদ আল-তামরির প্রশ্ন: আমাদের প্রিয় আমীর, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ। আমি আল্লাহর কাছে আপনাকে সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি। আমার প্রশ্ন: মোটাতাজা বাছুর দুই বছরের কম বয়সী হলে কি কোরবানির জন্য গ্রহণযোগ্য? হাইথাম আবু শিখাইদিম প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম। দুই বছরের কম বয়সী মোটাতাজা বাছুর কোরবানি করা কি জায়েজ? উত্তর: আপনাদের উভয়ের প্রশ্ন একই বিষয়ে, এবং এর উত্তর হচ্ছে: ওয়া আলাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহ ১) কুরবানী একটি ইবাদত এবং রাসূল (সা:) এর শর্তাবলী ব্যাখ্যা করেছেন। কোরবানির শর্তের মধ্যে রয়েছে এর বয়স। রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন: «لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةً، إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ، فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنَ الضَّأْنِ» “শুধুমাত্র একটি ... Read more - [যুল হিজ্জার প্রথম ১০ দিন - তাৎপর্য ও পুরস্কার](https://returnofislam.com/2024/06/09/first-10-days-of-dhul-hijjah-significance-and-rewards/): যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিন কী? এই দিনগুলো আসে এবং মুসলমানদের সাথে তাদের গুরুত্ব অজানা রেখে চলে যায়, অনেকেই গাফেল থেকে যায়। কখনো কখনো এই দিনগুলোকে ঈদের কাউন্টডাউন ছাড়া আর কিছুই মনে করা হয় না। আলেমদের মতামত ইবনুল কাইম ব্যাখ্যা করেছেন যে বছরের শ্রেষ্ঠ রাত হল রমজানের শেষ দশ রাত এবং বছরের শ্রেষ্ঠ দিন হল যুল হিজ্জার প্রথম দশ দিন। ইবনে তাইমিয়াকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল এবং তার উত্তর ছিল, “রমজানের শেষ দশ রাত রাতের দিক থেকে উত্তম এবং যিলহজ্জের প্রথম দশ দিন দিনগুলির দিক থেকে উত্তম”। ইবনুল কাইয়্যিম এটি নিশ্চিত করেছেন এবং ইবনে কাছীর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। কুরআনে তাৎপর্য যিলহজ্জের ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: বাই'আহ শব্দের কোন শর'ঈ অর্থ আছে কি?](https://returnofislam.com/2024/05/09/meaning-of-baiyah/): হাদীসে উল্লিখিত “আল-বাইয়াহ” শব্দের অর্থ ‘খলীফাহ ও উম্মাহর মধ্যে চুক্তি’। “আল-বাইআহ” শব্দটি কি একটি ভাষাগত (হাকীকি) অর্থ নাকি আইনগত (শরঈ) অর্থ? “বাইয়াহ” শব্দটি একটি আইনগত (শরঈ) অর্থ, এটি প্রথাগত (শাব্দিক) অর্থ বা একটি নির্দিষ্ট প্রথাগত (ইসতিলাহি) অর্থ নয়। কারণ এর সংজ্ঞা আইনপ্রণেতা (আল্লাহ) দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়েছে, ঐতিহ্য (উরফ) দ্বারা নয়। এর ব্যাখ্যা হচ্ছে, আরবি ভাষায় “বাইয়াহ” বিক্রি (আল-বাই’) এবং ক্রয় (আল-শিরা’) থেকে উদ্ভূত হয়েছে। ب ي ع (অক্ষর): Ba ya ‘Aa: একটি জিনিস “সে বিক্রি করেছে”; “সে এটি বিক্রি করে” “এটি বিক্রি করছে” … [মুখতার আল-সিহাহ] বা’আহু: বিক্রি করা, ক্রয় করা…[আল-কামুস আল-মুহীত, অভিধান] বাই’য়: বিক্রি করা: ক্রয়ের বিপরীত। বিক্রয়: এছাড়াও ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: শয়তান কিংবা জ্বিন কি মানুষের উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে?](https://returnofislam.com/2024/05/08/shaitan-jinn-possession/): কিছু রোগ আছে যা মানুষকে আক্রান্ত করে এবং তারা জ্বীনকে দায়ী করে। এমন লোকও আছে যারা জ্বিনদের দেখার ও শোনার দাবি করে এবং তাদের নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে বা তাদের মাধ্যমে মানুষকে আদেশ ও অনেক কাজ সম্পাদন করিয়ে নেয়। এর বাস্তবতা কী? মানুষ ও জ্বিনের মধ্যে কি কোন বস্তুগত, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সম্পর্ক আছে? ১. জ্বিন অদৃশ্য বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত; আমরা তাদের দেখতে পারি না। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন, «يَرَاكُمْ هُوَ وَقَبِيلُهُ مِنْ حَيْثُ لَا تَرَوْنَهُمْ» “সে তোমাদের দেখে, সে ও তার গোত্র, যে অবস্থা থেকে তোমরা তাদের দেখতে পাও না” (আল আরাফ: ২৭), অর্থাৎ ইবলীস এবং তার সম্প্রদায় বা অন্য কথায়, জ্বীন, এই ... Read more - [ধার্মিকতা একটি প্রবৃত্তি](https://returnofislam.com/2024/05/07/religiousness-is-an-instinct/): মানুষের মধ্যে জীবনী শক্তি আছে যা তাকে কাজের ক্ষেত্রে চালিত করে এবং তুষ্টি কামনা করে। এই জীবন শক্তির দুটি দিক রয়েছে: তাদের মধ্যে একটির অনিবার্য তুষ্টি প্রয়োজন, এবং এটি তুষ্ট না হলে মানুষ মারা যাবে। এটি জৈবিক চাহিদা, যেমন খাওয়া, পান করা এবং প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া। দ্বিতীয়টিরও তুষ্টি প্রয়োজন, কিন্তু তা তুষ্ট না হওয়ার কারণে মানুষ মরে না, যদিও তা তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত সে তাড়িত থাকবে; আর এটি হল প্রবৃত্তি, যা স্বাভাবিক অনুভূতির মাধ্যমে ক্রিয়াশীল থাকে এবং উদগীরণের তুষ্টি অন্বেষন করে। যাইহোক, তাড়নাভেদে প্রবৃত্তি জৈবিক চাহিদার থেকে ভিন্ন। এর কারণ হল জৈবিক চাহিদা ভিতর থেকে তাড়িত হয়, আর প্রবৃত্তিকে ... Read more - [ম্যাকার্থিজমের পুনঃঅনুমোদন](https://returnofislam.com/2024/05/06/mccarthysim/): ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিলেন্স অ্যাক্ট (FISA) এর ৭০২ ধারা পুনঃঅনুমোদিত করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের সাম্প্রতিক অনুমোদন নাগরিক স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তাকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই বিতর্কিত নজরদারি কর্মসূচি দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক স্বাধীনতা সংস্থাগুলির মধ্যে উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে বিচারিক ওয়ারেন্ট ছাড়াই ইলেকট্রনিক নজরদারি পরিচালনা করতে সুযোগ করে দেয় ৷ ৬০-৩৪ ভোটে বিলটির পাস, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মার্কিন নাগরিক স্বাধীনতার মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে তুলে ধরছে। ম্যাককার্থিজম, যা Second Red Scare নামেও পরিচিত, যা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৪০-৫০ সাল মধ্যকার রাজনৈতিক দমন-নিপীড়ন এবং ৫০এর দশকের শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের উপর কথিত কমিউনিস্ট ও সোভিয়েত ... Read more - [এডেন উপসাগরের জলদস্যু, ভূরাজনৈতিক আধিপত্যের হাতিয়ার!](https://returnofislam.com/2024/04/06/piracy-in-aden-sea/): বৃটেন-আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে এডেন উপসাগর। এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগর হচ্ছে পৃথিবীর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথের মধ্যে একটি।  আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যবর্তী স্থানে সংকীর্ণভাবে এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরের অবস্থান যেটি ভারত মহাসাগরকে সুয়েজ খাল এবং ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।  এডেন উপসাগরের একপাশে আছে সোমালিয়া ও অপর পাশে আছে ইয়েমেন। এই বাণিজ্য পথেই পৃথিবীর ১৫ শতাংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য সংঘটিত হয়। প্রতিবছর গড়ে চব্বিশ হাজার বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করে। পৃথিবীর ২০% পণ্যবাহী কন্টেইনার, ১০% সমুদ্রজাত তেল ও ৮% তরলকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিহবন হয়ে এই পথে। তাই ভৌগলিকভাবে এই সামুদ্রিক পথ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, কোন রাষ্ট্র যদি এই সামুদ্রিক পথের পূর্ণ ... Read more - [লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য](https://returnofislam.com/2024/04/06/significance-of-laylatul-qadr/): মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনে বলেন: إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ * وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ * لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ * تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ * سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ আমি একে নাযিল করেছি কদর রাত্রি। কী আপনাকে জানাবে কদর রাত্রি কী? কদর রাত্রি এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। একটি নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। [সূরা আল-কদর] আমরা এখন রমজানের শেষ তৃতীয়াংশে প্রবেশ করেছি এবং আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই শেষ ১০ দিন সম্পর্কে বলেছেন, «تَحَرَّوْا ... Read more - [আইন জালুতের যুদ্ধ](https://returnofislam.com/2024/03/24/the-battle-of-ain-jaloot/): আইন জালুতের যুদ্ধ (৬৫৮ হিজরি) ছিল তাতারদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের অন্যতম সেরা বিজয়গুলোর মধ্যে একটি । ৬৫৬ হিজরিতে তাতাররা ইসলামি খিলাফতের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আগ্রাসন শুরু করে, যার ফলে তারা খিলাফতের রাজধানী বাগদাদ দখল করে নেয়, খলিফা মুসতা’সিম বিল্লাহকে হত্যা করে, মুসলিমদের তিন চতুর্থাংশ ভূমি দখল করে নেয়। তারা মুসলিমদের সবচেয়ে শক্তিশালী দুর্গ মিশরের আমিরকে দূত মারফত চিঠি প্রেরণ করে বলে “আমরা খিলাফতের এই ভূমিকে ধংস করে দিয়েছি, শিশুদের এতিম বানিয়েছি, মুসলিমদের নির্যাতন করেছি আর হত্যা করেছি, সম্মানিতদের অমর্যাদা করেছি আর বন্দি করে রেখেছি”। তুমি কি মনে কর তোমরা আমাদের হাত থেকে বাঁচতে পারবে? একটু পর তুমিও জানতে পারবে তোমাদের উপর কী আসছে…। ... Read more - [দক্ষিণ বিশ্বের উত্থান](https://returnofislam.com/2024/01/30/rise-of-the-global-south/): বৈশ্বিক দক্ষিণ বা দক্ষিণ বিশ্ব একটি নতুন ট্রেন্ড, সবাই এ নিয়ে কথা বলছে। চীন ও রাশিয়া বলছে তারাই বিশ্বের ভবিষ্যত এবং পশ্চিমারা যারা এদের দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলা করেছে তারাও একটি উদার ভবিষ্যত বজায় রাখার জন্য এদের অপরিহার্য হিসেবে দেখে। গোটা পৃথিবীর ক্ষমতার ভারসাম্যের যখন টালমাতাল অবস্থা তখন পৃথিবীর ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কাঠামোকে অবশ্যই গ্লোবাল সাউথ তথা বৈশ্বিক দক্ষিণকে বিবেচনায় নিতে হবে। এ পর্যন্ত ভূরাজনীতি পৃথিবীকে দেখে এসেছে পূর্ব পশ্চিম দৃষ্টিকোণ থেকে। বিশ্বের ধনী দেশ, বৃহত্তম সামরিক বাহিনী ও সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশগুলি সেখানে উপস্থিত রয়েছে। এটি বাণিজ্য ও যোগাযোগের অনুমোদন দেয় এমন জলপথে তাদের পদচারণার উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে ছিল। বৈশ্বিক উত্তরে বসবাসকারী জাতিগুলি উত্তরেই ... Read more - [সেকুলারিজম কি একটি আকীদা?](https://returnofislam.com/2024/01/30/is-secularism-an-aqeedah/): দ্বীনকে রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি, অর্থাৎ দুনিয়াবি জীবন থেকে দ্বীনের বিচ্ছিন্নতা অনেক সহজ হত যদি ব্যক্তি এটিকে জটিল না করত, এবং যদি সে এটিকে অস্পষ্ট না করত, তবে তা আরও পরিষ্কার হত। অতএব, রাষ্ট্র থেকে দ্বীনের বিচ্ছিন্নতার উৎস সম্পর্কিত ইতিহাসকে স্পর্শ না করেই এবং এর পরিণতির ঐতিহাসিক ও বাস্তব দিক আলোচনা ছাড়াই, আমাদের অধ্যয়নকে বরং সেই চিন্তার দিকে মনোনিবেশ করা উচিত যা আমাদের সামনে রয়েছে: এই চিন্তা কি কোনো আকিদা গঠন করে? অন্য কথায়, এই চিন্তার বাস্তবতা কি আকিদার মত হয় কিনা? সমস্যাটি হচ্ছে বাস্তবতা অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট চিন্তার অধ্যয়ন। এটা কি আকিদা নাকি না? চিন্তাটির বাস্তবতা অধ্যয়ন করার আগে, ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: ব্যাংক কিংবা ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে চাকরী করা](https://returnofislam.com/2024/01/21/working-in-bank-or-financial-sector/): নিম্নোক্ত প্রশ্নটি আমরা আমাদের একজন পাঠকের কাছ থেকে পেয়েছি এবং আমাদের উত্তর দেয়া হলো: প্রশ্ন: অনুগ্রহ করে ব্যখ্যা করবেন, ব্যাঙ্কে কাজ করার অনুমতি আছে কি এবং যদি তা-ই হয় তাহলে কোন ধরনের পদে, যেমন ব্যাঙ্কে আইটি বা সফ্টওয়্যার এ কাজ করা কি অনুমোদিত? এছাড়াও সাধারণভাবে আর্থিক খাতের জন্য একই প্রশ্ন, যেমন স্টক মার্কেট, বীমা, ইত্যাদি। উত্তর: শেখ তাকিউদ্দীন আন-নাবহানী রচিত ‘ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা’-এর ইংরেজি অনুবাদ থেকে বিষয়টির উপর আলোকপাত করে  নিম্নে একটি নির্যাস দেওয়া হল: নিষিদ্ধ বিষয়ে নিয়োগ প্রদান সংক্রান্ত বিধান: কোনো কাজে কারো নিয়োগ আইনত বৈধ হওয়ার জন্য, বিষয়টি অবশ্যই অনুমোদিত (হালাল) হতে হবে। অর্থাৎ কর্মচারীকে নিষিদ্ধ কিছু করার জন্য নিয়োগ দেয়া ... Read more - [হাদীস সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর সন্দেহ ও তার জবাব](https://returnofislam.com/2024/01/17/refutation-of-rejectors-of-hadeeth-so-called-ahle-quran/): আমরা যেই হাদীসের বইগুলো পড়ি সেগুলো ৩০০ হিজরি বা হিজরতের তিনশত বছর পর লেখা হয়েছে। এত বছর পর কি আসলেই রাসুল (সা) এর কথা ও কাজ নিখুঁতভাবে জানা ও লিপিবদ্ধ করা সম্ভব? হাদীসগুলো লেখা হয়েছে নবী (সা) এর মৃত্যুর পর, খুলাফায়ে রাশিদিনদের পর, উমাইয়া খেলাফতের পর এবং আব্বাসীয় খেলাফতের শুরুর দিকে। এর মধ্যে কত যুগ ও প্রজন্ম গত হয়েছে কিন্তু এরপরও কিছু লেখক ও গবেষকরা কিভাবে দাবি করতে পারে এগুলো রাসুল (সা) এর হাদীস? এটা কি বাস্তব সম্মত? ইমাম বুখারি নাকি ছয় লক্ষ হাদীস সংগ্রহ করে এরপর বিচার বিশ্লেষণ করে সহীহ বুখারি রচনা করেছেন। এটা কি একজন ব্যক্তির পক্ষে কখনো সম্ভব ... Read more - [ইউক্রেন যুদ্ধের ক্লান্তি](https://returnofislam.com/2024/01/12/ukraine-war-fatigue/): ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ তার প্রথম বছর পূর্ণ করেছে এবং ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এর দু বছর পূর্ণ হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আক্রমণের নির্দেশ দেওয়ার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহে বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনকে আত্মরক্ষার জন্য গভীরভাবে জমে থাকা ক্ষোভের সদ্ব্যবহার করতে প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা দিয়েছিল। সিরিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের মতো, ইউক্রেন সংঘাতেও মার্কিন পদক্ষেপে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা খুব কমই ছিল। আর এর মধ্যেই ওয়াশিংটনের রাজনীতিতে আরও মেরুকরণ ঘটতে থাকে। যুদ্ধে আমেরিকান সম্পৃক্ততার প্রথম অংশটি ছিল ইউক্রেনকে সাহায্য-সহযোগিতা সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং একই সাথে রাশিয়ার উপর যাতে বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় আরোপিত হয়।  যখন রাশিয়ার ব্লিটজক্রেগ (সংক্ষিপ্ত ও দ্রুত আক্রমণ) ব্যর্থ হল তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ... Read more - [জেন্ডার, অস্পষ্ট জেন্ডার, ট্রান্সজেন্ডার ও ট্রানসেক্সুয়াল সম্পর্কিত ইসলামের বিধান](https://returnofislam.com/2024/01/11/islams-ruling-on-gender-genderism-transgender-and-transexual/): জেন্ডারিজম (Genderism) নিজস্ব খেয়াল-খুশি দ্বারা লিঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করার জন্য একটি পাশ্চাত্য ধারণা বিগত কয়েক দশকে পশ্চিমারা জেন্ডার বিষয়ে একটি নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। খৃষ্টান চার্চ এবং এর নিপীড়নমূলক মতবাদের কারণে নারীদের প্রতি শতাব্দী ধরে নিষ্ঠুর বৈষম্যের আচরণ করার ফলে পশ্চিমারা লিঙ্গকে সংজ্ঞায়িত করার জন্য ‘জেন্ডারিজম’ এর দিকে ঝুঁকেছে। ফলে পশ্চিমারা (প্রাকৃতিক) লিঙ্গ ধারণা তথা বায়োলজিকাল জেন্ডারের ধারণা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, অর্থাৎ পুরুষ ও নারী জেন্ডারের পরিবর্তে ‘জেন্ডারিজম’ ধারণার দিকে ঝুঁকছে। জেন্ডারিজমের অধীনে, একজন ব্যক্তির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক গঠন অনুসারে লিঙ্গ সংজ্ঞায়িত করা হয়। জেন্ডারিজমের অধীনে, লিঙ্গটি একজন ব্যক্তির চিন্তার দ্বারা নির্ধারিত হয়, আত্ম-উপলব্ধি দ্বারা, জীববিজ্ঞান দ্বারা নয়। যেমনটি ফরাসি অস্তিত্ববাদী ... Read more - [ইসরায়েল কি অজেয়?](https://returnofislam.com/2023/11/09/is-israel-invincible/): অনেকে বলে থাকেন, চারটি যুদ্ধে ইতোমধ্যে ইসরাইল নিজেকে অপরাজেয় প্রমাণ করেছে; মুসলিম উম্মাহ্’র উচিত এর অবস্থানকে মেনে নেয়া। আসুন আমরা বিশ্লেষন করে দেখি বিষয়টি কতটুকু সত্য: ১৯৪৮ সালে ইসরাইল সৃষ্টির পর থেকে এর সামরিক শক্তিকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অপরাজেয় হিসেবে তুলে ধরবার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। মজার ব্যাপার হল এ ধরণের আষাঢ়ের গল্প ইসরাইল নিজে স্বপ্রণোদিত না হয়ে যতটা প্রকাশ করবার চেষ্টা করেছে তার চেয়ে বেশী কাজ করেছে বিশ্বাসঘাতক মুসলিম শাসকগুলো। ১৯৪৮, ১৯৫৬, ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ এর যু্দ্ধগুলোতে পারদর্শিতা সামরিকক্ষেত্রে ইসরাইলের পরিষ্কার প্রাধান্যকে প্রমাণ করে। এ পরিষ্কার প্রাধান্য ও মুসলিম ভূমির জবরদখল আরব রাষ্ট্রসমূহকে এই ধারণা দেয় যে, সামরিক নয় বরং কূটনৈতিক সমঝোতাই ... Read more - [সাইফুল আজম: ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি বিমান গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশি](https://returnofislam.com/2023/11/08/saiful-azam-destroyer-of-zionist-aircrafts/): খবর: ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বিরোধ চলছে কয়েক দশক ধরে। গোটা আরব মিলে ইসরাইলের সঙ্গে এ পর্যন্ত ৩ বার যুদ্ধ হয়েছে। তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ হয় ১৯৬৭ সালে। তবে এই যুদ্ধে বীরত্ব দেখায় এক বাংলাদেশী। ইসরাইলের বিমান ভূপাতিত করে রেকর্ড করেন তিনি। এমনকি ইসরাইলের ইতিহাসে কোন একক ব্যক্তির হাতে সবচেয়ে বেশি যুদ্ধ বিমান ধ্বংসের রেকর্ড এই বাংলাদেশীর। বাংলাদেশের এই আকাশ যোদ্ধার নাম সাইফুল আজম সুজা। পৃথিবীর মাত্র ২২ জন “লিভিং ইগল” খেতাব পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি একজন। আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সাইফুল আজম একটি অনন্য রেকর্ড তৈরি করেন। ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভূপাতিত করেছেন সর্বোচ্চ তিনটি ইসরায়েলি বিমান।  ... Read more - [ইউরোপে সেকুলারিজমের উত্থান](https://returnofislam.com/2023/11/08/rise-of-secularism-in-europe/): পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলো তাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক মুল্যবোধ চাপিয়ে দিতে প্রতিনিয়ত ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও আঘাত করে  চলেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর আমেরিকার রাষ্ট্রদূতগণ একের পর এক সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত মুসলিম ভুমিগুলোতে সফর শুরু করে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের ইসলামী জীবনাদর্শ দূরে রাখা এবং সেকুলার পুঁজিবাদী আদর্শ মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দেওয়া। আমরা এই আর্টিকেলে ইউরোপে সেকুলার চিন্তার উত্থান নিয়ে আলোচনা করব। সেকুলার পুঁজিবাদী চিন্তা কত ঠুনকো, প্রতিক্রিয়াশীল এবং কোন স্বাভাবিক/বুদ্ধিবৃত্তিক চিন্তার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত নয়; আমরা তা আলোকপাত করব। সুদীর্ঘ সময় চার্চের জুলুম অত্যাচারের ফলে ১৮ শতকে ইউরোপের মানুষের মাঝে একধরনের চিন্তার বিপ্লব ঘটে। ফলে চার্চ সবক্ষেত্রে তার জুলুমে নিয়ন্ত্রিত রাজনৈতিক ও ... Read more - [নারী কিসে আটকায়?](https://returnofislam.com/2023/08/28/what-women-wants/): খবর: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রেন্ডিং বা আলোচনায় আছে যে বিষয়টি তা হলো, নারী কিসে আটকায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টইন ট্রুডো ও তাঁর স্ত্রী সোভি গ্রেগয়ের ট্রুডোর আলাদা থাকার ঘোষণার পরই আলোচনাটির সূত্রপাত। এর জের হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইতে শুরু করে মিম, ট্রল আর পোস্ট–পাল্টা পোস্টের ঝড়। এর মধ্যে একটি পোস্টের বক্তব্য ছিল এমন, ‘জাস্টিন ট্রুডোর ক্ষমতা, বিল গেটসের টাকা, হাকিমির জনপ্রিয়তা হুমায়ুন ফরিদীর ভালোবাসা, তাহসানের কণ্ঠ কিংবা হৃত্বিক রোশানের স্মার্টনেস। কোনো কিছুই নারীকে আটকাতে পারে নাই, বলতে পারবেন নারী কিসে আটকায়?’ (https://www.prothomalo.com/onnoalo/treatise/f8o1qkyren)  মন্তব্য: “বিবাহবন্ধন” শব্দটি আমাদের বর্তমান সেক্যুলার সমাজে সত্যিকার অর্থেই ‘বন্ধন’ বা ‘handcuff’ এর চেয়ে অতিরিক্ত কোন তাৎপর্য বহন করছেনা। বিয়ে ... Read more - [৭ মাসে ১০ বার ডুবল চট্রগ্রাম](https://returnofislam.com/2023/08/09/chittagong-under-water/): বাস্তবতা: ভারী বর্ষন ও জোয়ারের পানিতে যাতে জলাবদ্ধতা না হয় সে জন্য অনেক ব্যয় বহুল উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের একটি, চট্রগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সি ডি এ) দুটি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্পের আওতায় ১১ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকার কাজ চলছে। এর মধ্যে গত ছয় বছরে ৫ হাজার ৭৯০ কোটি টাকার খরচ হলেও খুব বেশি সুফল আসেনি। জোয়ার ঠেকাতে নগরের বিভিন্ন খালের মুখে ৪০ টি জলকপাটের মধ্যে মাত্র ৫ টি নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। বাকি ৩৫ টি কাজ ছয় বছর ধরেই চলছে। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, (সি ডি এ) তাদের প্রকল্পের আওতাধীন খাল গুলো থেকে যে পরিমাণ মাটি (সাড়ে ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: মুদ্রা বিনিময়](https://returnofislam.com/2023/01/13/currency-exchange/): প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু, আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে আপনি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন এবং ভাল করছেন এবং আমি আশা করি যে অবশেষে মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুসংবাদ এসে পৌছেছে। আমার প্রশ্ন হল: কোনো কিছু নগদ না করে একটি মুদ্রা অন্যের সাথে বিনিময় করা এবং এটি অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা কি অনুমোদিত? উদাহরণস্বরূপ: আমি সবকিছুর সাথে একমত হয়ে এক্সচেঞ্জারের কাছ থেকে ১০০০ দিনার কিনতে চাই এবং আমি তাকে ঘটনাস্থলেই সম্মতি অনুযায়ী অর্থ প্রদান করেছি এবং ১০০০ দিনার নগদ না করে একটি নির্দিষ্ট স্থানে টাকা পাঠানোর জন্য তাকে জানিয়েছি। এটা কি অনুমোদিত নাকি নগদ বুঝে নিয়ে হওয়া উচিত? ... Read more - [শীতের যুদ্ধ ও গনীমত](https://returnofislam.com/2023/01/10/winter-challenges-and-reward/): গ্রীষ্মপ্রধান দেশগুলোতে শীতকাল একটি অল্প সময়ের বিষয় এবং এ সময়কালে যেমন কিছু সহজ বাস্তবতা রয়েছে তেমনি রয়েছে কিছু কষ্টসাধ্য বাস্তবতা। বিশেষ করে ঈমানদারদের এ সময়ে বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। যেমন, সালাতের সময়ে পরিবর্তন। রাত গড়াতে শুরু করলে ঈশার সালাত পড়া অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে, একইভাবে ঘুম থেকে উঠে ফজর সালাত পড়াও অনেকের জন্য কষ্টসাধ্য হয়। আবার, জোহর, আসর ও মাগরিবের সালাতের মাঝের ব্যবধান এতই কমে আসে যে একটু দেরি করলেই অনেকের জন্য সালাত কাযা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। এর বাইরে শীতের তীব্রতায় ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল কিংবা ওযু করাটিও কষ্টকর কাজ। তবে লড়াই যত কঠিন, এর পুরস্কারও ... Read more - [পুনর্জাগরণের পথে বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতিই একমাত্র সঠিক চিন্তা পদ্ধতি](https://returnofislam.com/2023/01/02/rational-thinking-is-only-correct-process/): মুসলিমদের মাঝে ইসলামী রাষ্ট্রের অনুপস্থিতি এবং ফলশ্রুতিতে সঠিক ইসলামী চিন্তা না থাকার ফলে ‘জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে’ মুসলিম মননে বেশ কিছু ভুল চিন্তা পদ্ধতি স্থান করে নিয়েছে। এ ধারা বেশ আগে থেকেই হয়ে রয়েছে, তবে তথ্যপ্রযুক্তির কল্যাণে এখন তা দ্রুত সারফেসে উঠে আসছে। ফলে বিভ্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য মুসলিম। এ বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনার দাবি রাখে। তবে আমরা সংক্ষেপে কয়েকটি বিপথগামি চিন্তা পদ্ধতির কথা উল্লেখ করবো ইন শা আল্লাহ। ১) আবেগি চিন্তা পদ্ধতি এ ধরনের চিন্তায় মানুষ গভীর চিন্তা খাটিয়ে সমাধানে আসে না। বরং আবেগকেই বেশি প্রাধান্য দেয়। উপরিতলের চিন্তায় আবেগীভাবে মশগুল থাকাটাই এ চিন্তার বৈশিষ্ট্য। এ ধরণের চিন্তায় মানুষ ‘সেভিয়র’ তথা ‘ত্রাণকর্তা’ খুঁজে ... Read more - [ইসলামে পিতৃত্বের অবস্থান (Fatherhood in Islam)](https://returnofislam.com/2022/01/30/fatherhood-in-islam/): ভূমিকা: একজন মুসলিম পিতা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শক্ত ভিত গড়ে দেন ইসলামে পিতৃত্ব এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, মূলত এর মাধ্যমেই মুসলিমদের বংশ-পরিচয় নির্ধারিত হয়। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, [ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِندَ اللَّهِ] “তাদেরকে (সন্তানদেরকে) তোমরা তাদের পিতার পরিচয়ে সম্বোধন কর। এটাই আল্লাহ্’র দৃষ্টিতে অধিক ন্যায়সঙ্গত” [সূরা আল-আহযাব: ৫]। এই আয়াত পিতৃত্বের ভিত গড়ে দিয়েছে, যা হচ্ছে সন্তান লালন-পালনে পিতার বাধ্যবাধকতার ভিত্তি। যার মধ্যে রয়েছে সাহচর্য বা সঙ্গদান, আর্থিক ভরণপোষণ, ইসলামী চিন্তাসমূহ প্রোথিত করা, আক্বীদার প্রতি বিশ্বাস সুদৃঢ়করণ ও তাদেরকে শাসনের মাধ্যমে সুশৃঙ্খল রাখা। নিঃসন্দেহে বলা যায় ইসলামে পিতার ভূমিকা শুধুমাত্র ছেলে-মেয়েদের নামকরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর চেয়ে অনেক ... Read more - [প্রশ্ন-উত্তর: নামাযে দূরত্ব বজায় রাখা একটি বিদ’আহ্, যার গুনাহ্ শাসকদের আমলনামায় লিপিবদ্ধ হচ্ছে](https://returnofislam.com/2020/07/01/distancing-in-salah/): নিচের অনুবাদটি সম্মানিত মুজতাহিদ ও মুফাচ্ছির শাইখ আতা ইবন খলীল আবু আল-রাশতা (আল্লাহ তাকে হেফাজত করুন) কর্তৃক দেয়া এক প্রশ্নের জবাব, আরবী থেকে অনুদিত সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা’র, এবং আল্লাহ্’র রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক রাসূলুল্লাহ্ (সা), তাঁর (সা) পরিবার, সাহাবাগণ (রা), এবং তাঁর (সা) অনুসারীদের প্রতি। তাদের সবাইকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্নোত্তর, যারা আমাকে জুম্মা এবং অন্যান্য জামাতে নামায আদায়ের সময়ে ইবাদতকারী এবং তার পাশের জনের মধ্যে দুই-মিটার ব্যবধান বা দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন… এবং তারা বলেছেন, কিছু মুসলিম দেশের শাসকেরা মসজিদসমূহ বন্ধ করে এবং অতঃপর সেগুলো খুলে দেয়ার পর তারা ইবাদতকারীদেরকে পরষ্পরের মধ্যে দুই-মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য করছে। তারা এই ... Read more - [বর্ণবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদ: আদর্শিক দৈন্যতায় ভারাক্রান্ত বিশ্ব...বিকল্প কী?](https://returnofislam.com/2020/06/20/racism-in-capitalism/): ২৫শে মে, ২০২০, যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাওভিন। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় যে ফ্লয়েডকে গাড়ি থেকে বের করে কোন কারণ ছাড়াই এই পুলিশ অফিসার রাস্তার উপরে তার ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে রাখে। এমন অবস্থায় ফ্লয়েড বারবার সেই পুলিশ অফিসারকে বলতে থাকেন যে তিনি নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না। কিন্তু সেই পুলিশ অফিসার হাঁটু সরিয়ে না নেয়ায় আস্তে আস্তে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। এরপর দেখা যায় যে, একটি এ্যাম্বুলেন্স এসে রাস্তায় নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকা ফ্লয়েডকে তুলে নেয়, এবং পরবর্তীতে জানা যায় যে তিনি মারা গেছেন। এই ঘটনার চারদিন পর ২৯শে ... Read more - [করোনা সংকট মোকাবেলায় ইসলামের সমাধান](https://returnofislam.com/2020/05/11/countering-covid-crisis/): সরকার পুঁজিবাদী রাষ্ট্রসমূহের অনুকরণে “ভাইরাস অথবা ক্ষুধা”-এর মধ্যে যেকোন একটিকে বেছে নিতে জনগণকে বাধ্য করছে একমাত্র খিলাফত রাষ্ট্র অর্থনীতি ও জনজীবনকে সচল রেখে মহামারী সংকট মোকাবেলা করতে সক্ষম হে দেশবাসী, আমরা এমন একটি সময়ে মহিমান্বিত রমযান মাস প্রত্যক্ষ করছি, যখন আমরা ঈমানের দিকে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে আছি এবং অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের দিক থেকেও চরম অবস্থানে আছি। মহিমান্বিত এই মাস সম্পর্কে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “রমযান হচ্ছে সেই মাস যে মাসে কুর’আন নাযিল হয়েছে, মানবজাতির হিদায়াত ও পথনির্দেশ এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী হিসেবে।” [সূরা আল-বাক্বারাহ্ : ১৮৫]। এবং এই কুর’আন সম্পর্কে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, “নিশ্চয়ই আমি আপনার প্রতি সত্য কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের মধ্যে শাসন ... Read more ## Pages - [Qur'an](https://returnofislam.com/books/general-library/quran/): এই পেজে কুরআনের তাফসীর ও উলূমুল কুরআন সংক্রান্ত বিভিন্ন লেখা প্রকাশ করা হবে কুরআনের সাত হরফ – মুফতি তাকী উসমানী – উলূম উল কুরআন (তৃতীয় অধ্যায়) সূরাতুল কদর – তাফসীর ইবন কাছীর সূরাতুল কদর – তাফসীর মাযহারী - [Password Reset](https://returnofislam.com/password-reset/): [ultimatemember_password] - [Account](https://returnofislam.com/account/): [ultimatemember_account] - [Logout](https://returnofislam.com/logout/) - [Members](https://returnofislam.com/members/): [ultimatemember form_id=”9463″] - [Register](https://returnofislam.com/register/): [ultimatemember form_id=”9460″] - [Login](https://returnofislam.com/login/): [ultimatemember form_id=”9461″] - [User](https://returnofislam.com/user/): [ultimatemember form_id=”9462″] - [Convert Stories](https://returnofislam.com/multimedia/convert-stories/): অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের মর্মস্পর্শী ঘটনার বর্ণনা - [Insight Dialogues](https://returnofislam.com/insight-dialogues/): Download Podcasts from Archive - [Thoughts Unchained Podcast](https://returnofislam.com/thoughts-unchained-podcast/): Download Podcasts from Archive - [Political Analysis [রাজনৈতিক বিশ্লেষন]](https://returnofislam.com/multimedia/political-analysis-video/) - [ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য](https://returnofislam.com/books/general-library/beauty-of-character/): ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক - [Lives of the Sahabah](https://returnofislam.com/books/general-library/lives-of-the-sahabah/): সাহাবীদের জীবনী - [Speech, Talks and Khutbah](https://returnofislam.com/multimedia/speech-talk/): সঠিক ইসলামী দল করার অপরিহার্যতা [ইসলামী আলোচনা] মুহাম্মাদ বিন কাসিম এর ভারত বিজয় Ramadan – Month of Taqwa Five for Five – Khutbah by Mohammad Hannini Politics – Burhan Hanif Victory – Burhan Hanif Sabr – Burhan Hanif Scholars – Burhan Hanif Tawba – Burhan Hanif Tawheed or Khilafah First – Bida & Shirk – Ustadh Mohammad Ali – iHalaqa Classroom - [Talk Show](https://returnofislam.com/multimedia/talk-show/) - [Waaz & Naseeha](https://returnofislam.com/multimedia/waaz-naseeha/): ওয়াজ-নসীহত আবদুর রাকীব খান – রমজান ২০০৯ এর আলোচনা - [General Library](https://returnofislam.com/books/general-library/): সীরাত গ্রন্থ সাহাবীদের জীবনী কুরআন হাদীস আল্লাহর ভয় আদর্শিক গ্রন্থ ফিকহী গ্রন্থ ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্য - [Islamic Movies, Animation & TV Series](https://returnofislam.com/multimedia/islamic-movies-series-animation/): ইসলামের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত বিভিন্ন মুভি, টিভি সিরিজ ও অ্যানিমেটেড ফিল্ম এখানে সন্নিবেশিত করা হয়েছে - [General Podcast](https://returnofislam.com/multimedia/podcast/general-podcast/): সমাজের বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়াদি নিয়ে বিজ্ঞ আলোচকবৃন্দের পডকাস্ট একাধিক প্লাটফর্ম থেকে নিয়ে আমাদের শ্রোতাদের জন্য এখানে সন্নিবেশিত করা হয়েছে নতুন পডকাস্ট এপিসোড উপরের দিকে Illusion of Freedom of Speech – May 21, 2024 When will the Victory of Allah come? – March 12, 2024 What to do with Ramadhan 1445? – March 5th, 2024 Is the BD Govt. Policy Towards Myanmar mysterious!!! – February 27th, 2024 Border: The Symbol of Liberation or Oppression – February 20th, 2024 Commemoration of 28 Rajab 1342 AH, Destruction of the Khilafah Exploring new Paradigms in the Aftermath – February 13th, 2024 Gaza Genocide – Will ... Read more - [Youth Podcast](https://returnofislam.com/multimedia/podcast/youth-podcast/): Podcast related to various contemporary issues faced by today’s youth are shared in this page. We have searched podcasts from various platforms and gathered specific episodes of interests here for our listeners. Newer Podcasts episodes are on the top Ramadan – A Social Construct – March 8th, 2024  Postmortem of Postmodernism – March 1, 2024 Sex vs Gender – February 23rd, 2024 My perspective, your perspective and the right perspective – February 16th, 2024 Wake up to Reality! – February 9th, 2024 Escapism: Is escape button your most favourite? – February 2nd, 2024 Genderism: A tool of Western Cultural Aggression – ... Read more - [Podcast](https://returnofislam.com/multimedia/podcast/): এই পেজে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ইসলামী আলোচকদের পডকাস্ট শুনতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন Youth Podcast General Podcast - [Interview](https://returnofislam.com/multimedia/interview/): দাওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের সাথে সাক্ষাৎকার-এর অডিও-ভিডিও দাওয়ার পথিকৃত – হুসাইন আবদুল্লাহ [আল্লাহ তাঁর উপর রহম করুন] - [Nasheed](https://returnofislam.com/multimedia/nasheed/): ইসলামী নাশীদ, কবিতা - [Islamic Documentaries](https://returnofislam.com/multimedia/islamic-documentaries/): ইসলামী তথ্যচিত্র গাজার আর্তনাদ – কোথায় মুসলিমগণ, কোথায় তাদের সাহায্য? কিভাবে খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে হবে কিভাবে খিলাফত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছিল অনৈসলামী নির্বাচনে ভোট প্রদান সংক্রান্ত ২০১০ সালের একটি তথ্যচিত্র ইসলামের ইতিহাস ও এর ব্যবস্থার প্রত্যাবর্তন নিয়ে তথ্যচিত্র আর কতকাল? উম্মাহর প্রতি এক আর্তনাদ The Way to Madinah – সীরাতের কর্মপদ্ধতি - [General Documentaries](https://returnofislam.com/multimedia/general-documentaries/): সাধারণ তথ্যচিত্র - [Reminders](https://returnofislam.com/multimedia/reminders/): অন্ধকার রাতের মত ফিতনা আসার আগেই তোমরা নেক আমলের প্রভি অগ্রসর হও। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফির হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফির হয়ে যাবে। দুনিয়ার সামগ্রীর বিনিময়ে সে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে। - [Multimedia](https://returnofislam.com/multimedia/): Islamic Documentaries [ইসলামী তথ্যচিত্র] General Documentaries [সাধারণ তথ্যচিত্র] Political Analysis [রাজনৈতিক বিশ্লেষন] Podcast [অডিও পডকাস্ট] Interview [সাক্ষাৎকার] Talk Show [আলোচনা চক্র] Speech, Talks and Khutba Convert Stories [ইসলাম গ্রহণের বর্ণনা] Waaz & Naseeha [ওয়াজ-নসীহত] Reminders [বিভিন্ন আলোচনার চুম্বকাংশ] Islamic Movies, TV Series and Animated Films Nasheed [নাশীদ] - [ACCESS RESTRICTED](https://returnofislam.com/error-number-404/): কী ভাই, এডমিন প্যানেলে ঢুকতে চান কেন? উদ্দেশ্য কী? - [Disclaimer](https://returnofislam.com/disclaimer/): The views and opinions expressed in Return of Islam blog are those of the authors and do not necessarily reflect the official policy or position of Return of Islam. Any content provided by our bloggers or authors are of their opinion and are not intended to harm the lawful rights of any religion, ethnic group, club, organization, company, individual or anyone or anything. - [খিলাফতের রাষ্ট্রকাঠামো (Ajhizah)](https://returnofislam.com/books/ajhizah/): সূচীপত্র মুখবন্ধ ভূমিকা ১. খলীফা ২. খলীফার প্রতিনিধিত্বকারী সহকারী বা ডেপুটি (মু’ওয়ায়ীন আত তাফউয়ীদ – Delegated Assistants) ৩. নির্বাহী সহকারীগণ (মু’ওয়ায়ীন আত তানফীদ – Executive Assistants) ৪. ওয়ালী বা গভর্ণরবৃন্দ (উ’লাহ্) ৫. জিহাদ আমীর-উল-জিহাদ (যুদ্ধ বিভাগ) ৬. আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ ৭. পররাষ্ট্র বিষয়ক বিভাগ ৮. শিল্প বিভাগ ৯. বিচার বিভাগ ১০. প্রশাসনিক ব্যবস্থা (জনকল্যাণ বিভাগ) ১১. বাইতুল মাল ১২. তথ্য বিভাগ (আল ই’লাম) ১৩. মাজলিস আল উম্মাহ্ – উম্মাহ্’র   কাউন্সিল (শূরা ও জবাবদিহিতা) ১৪. খিলাফত রাষ্ট্রের পতাকা ও ব্যানার ১৫. খিলাফতের রাষ্ট্রীয় সঙ্গীত - [Women's Section](https://returnofislam.com/womens-section/): মুসলিম নারী ও দাওয়াহ বহনের গুরুত্ব নারী কিসে আটকায়? সুন্দরী প্রতিযোগিতা, পুঁজিবাদ ও আমাদের মুসলিম পরিচয় নারীর প্রতি সহিংসতা; একই সমস্যায় ঘুরপাক খাচ্ছে সমাজ: সমাধান কোথায়? তনু হত্যা : পশ্চিমা সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ফল একমাত্র ইসলামই পারে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় নারী নির্যাতন ও শোষণের পরিসমাপ্তি ঘটাতে একমাত্র খিলাফত ব্যবস্থাই উচ্চমানের নারী শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনবে ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অধিকার নারী, ফুটন্ত কড়াই থেকে জলন্ত উনুনে ইসলামী সমাজব্যবস্থায় নারীর সম্মান ও মর্যাদা উম্মু শুরাইক (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা অনেক ক্ষেত্রেই পুরুষের উপর নারীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে ইসলাম সম্মান ও মর্যাদায় নারী-পুরুষকে সমান ঘোষণা করেছে ইসলাম একমাত্র ইসলামই দিয়েছে ‌’নারীর সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার - [Viewpoint](https://returnofislam.com/viewpoint/): বিয়ন্ড দ্যা সিমুলেশন ইসলাম: একটি ফিকরাহ (আদর্শ) ও তরীকা (কর্মপদ্ধতি) আপনজনদের সাথে ‘স্বল্প যোগাযোগ’ বজায় রাখা: এক উপেক্ষিত সংকট উত্তর আধুনিকতাবাদে ইসলামী উম্মাহ উম্মাহর বার্তা রিসেট ইউর অ্যালগরিদম পপুলিস্ট দাওয়াহ ইসলামী পুনর্জাগরণের পথকে বাধাগ্রস্থ করে তোলে অনুন্নত দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, মেধা পাচার ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা ইসরাইল ধ্বংস হবে এবং জেরুজালেম (বাইতুল মুকাদ্দাস) হবে খিলাফতের রাজধানী পশ্চিমা সাম্রাজ্য ভেঙে পড়ছে লেটস প্লে দ্যা রিলস – স্ক্রলের নেশা, শোষণের ফাঁদ! গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রহসন গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার চিন্তা: হুকুম শরীয়াহ এবং ইতিহাসের আলোকে বাস্তবতা ও ভ্রান্তি একটি আদর্শ শাসনব্যবস্থা: গণতন্ত্র না খিলাফাহ — প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ ধর্ষণ: ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ নাকি ... Read more - [Scholarly Q&A](https://returnofislam.com/usool-fiqh/scholarly-qa/): প্রশ্ন-উত্তর: সূরা আন-নিসার ৭৮ ও ৭৯ নং আয়াতে ভালো (হাসানাহ) ও মন্দের (সাইয়্যিআহ) ধারণা প্রশ্ন-উত্তর: হাদীসে বর্ণিত রায়া (ঝাণ্ডা) ও লিওয়া (পতাকা) প্রশ্ন-উত্তর: স্বর্ণের দামের ওঠা-নামা প্রশ্ন-উত্তর: গান, সঙ্গীত ও বাদ্যযন্ত্রের উপর শরীয়তের বিধান? প্রশ্ন-উত্তর: সময়ের পূর্বেই যাকাত প্রদান প্রশ্ন-উত্তর: যুদ্ধরত রাষ্ট্রগুলোর সাথে লেনদেন প্রশ্ন-উত্তর: মোটাতাজা বাছুর কুরবানি করা প্রশ্ন-উত্তর: বাই’আহ শব্দের কোন শর’ঈ অর্থ আছে কি? প্রশ্ন-উত্তর: শয়তান কিংবা জ্বিন কি মানুষের উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে? প্রশ্ন-উত্তর: নামাযে দূরত্ব বজায় রাখা একটি বিদ’আহ্, যার গুনাহ্ শাসকদের আমলনামায় লিপিবদ্ধ হচ্ছে প্রশ্ন-উত্তর: কোন অধিকারের ক্ষেত্রে প্রচলিত আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যাবে? প্রশ্ন-উত্তর: “আমরা কি ক্ষমতা অর্জন ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর ... Read more - [The Economic System of Islam](https://returnofislam.com/books/the-economic-system-of-islam/): ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভূমিকা অধ্যায় ১: অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিচিতি অধ্যায় ২: অর্থনীতি অধ্যায় ৩: মালিকানার প্রকারভেদ (ব্যক্তি মালিকানা) অধ্যায় ৪: মালিকানা লাভের প্রথম উপায়: কাজ (’আমাল) অধ্যায় ৫: নিয়োগকৃত ব্যক্তি বা শ্রমিকের কাজ - [Islamic Thought](https://returnofislam.com/books/islamic-thought/): ইসলাম এক সুনির্দিষ্ট জীবনপদ্ধতি আল্লাহ হচ্ছে সেই সত্য যার অস্তিত্বকে উপলব্ধি করা যায় এবং এটি মস্তিস্কপ্রসুত কোনো ধারণা না কর্মের মানদন্ড Ideology (মতাদর্শ) ধার্মিকতা একটি প্রবৃত্তি বাস্তবতা (reality) ও চিন্তা (concepts) প্রবৃত্তিকে তাড়িত করে - [The System of Islam](https://returnofislam.com/books/the-system-of-islam/): আল্লাহর অস্তিত্বের বৃুদ্ধিবৃত্তিক প্রমাণ হযরত মুহাম্মদ (সা)-এর নবুয়্যতের প্রমাণ ইসলামী দাওয়াহ বহন করার পদ্ধতি ইসলামী সভ্যতা (আল-হাদারাহ আল-ইসলামীয়্যাহ) হুক্‌ম শর’ঈ সুন্নাহ রাসূল (সা) এর কাজের অনুসরণ (আত-তা’আস্সি) খসড়া সংবিধান – ধারাসমূহ - [Analysis](https://returnofislam.com/analysis/): ওপেক (OPEC) – এর ঐতিহাসিক পটভূমি, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের পদধ্বনি: বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের অনাহারের ঝুঁকি মার্কিন ডলারের আধিপত্য: ব্রেটন উডস থেকে পেট্রোডলার এবং ভবিষ্যতের বিশ্ব ব্যবস্থা ফিলিস্তিন এখন তৃতীয় প্রকল্পের অপেক্ষায় শত্রুতা ঘোষণা না করেই চীনের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ ইরান যুদ্ধ ও শক্তির পরীক্ষা ডোনাল্ড ট্রাম্প কি সত্যিই গাজার দখল নিতে চলেছে? গাজার মুসলিমদেরকে বাস্তুচ্যুত করার ট্রাম্পের নীতিকে প্রত্যাখ্যান করা মুসলিমদের ঈমানি দায়িত্ব ইরানের উপর পরিকল্পিত হামলা – কারণ ও প্রেক্ষাপট ইসকন-সহ সকল উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধকরণ: আইনী প্রেক্ষিত ম্যাকার্থিজমের পুনঃঅনুমোদন এডেন উপসাগরের জলদস্যু, ভূরাজনৈতিক আধিপত্যের হাতিয়ার! দক্ষিণ বিশ্বের উত্থান ইউক্রেন যুদ্ধের ... Read more - [Books](https://returnofislam.com/books/): ইসলামী জীবন ব্যবস্থা (The System of Islam) ইসলামী চিন্তা (Islamic Thought) ইসলামের দাওয়াত (Dawah to Islam) ইসলামের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (The Economic System of Islam) খিলাফত রাষ্ট্রের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো (Ajhiza Dawlat al-Khilaafah) ইসলামের সামাজিক ব্যবস্থা ইসলামী রাষ্ট্র (The Islamic State) ভু-রাজনৈতিক কল্পকথা (Geopolitical Myths) নাফসিয়্যাহ (From the essential elements of Islamic disposition) খিলাফত রাষ্ট্রের সম্পদ (Funds in the Khilaafah state) খিলাফত রাষ্ট্রের খসড়া সংবিধান - [Nafsiyyah](https://returnofislam.com/nafsiyyah/): মহররম ও ফিরআউনের পতন জিলহজের প্রথম দশ দিন ও আকাবার বাইয়াত হজ্জ – উম্মাহর বিশালত্ব, শক্তি ও ঐক্যের প্রতীক কেন কিছু কিছু মানুষ হঠাৎ চুপ হয়ে যায় ঈমানের মাধুর্য: মানব নেতৃত্বের হৃদস্পন্দন ইহসান উল আ’মাল যুল হিজ্জার প্রথম ১০ দিন – তাৎপর্য ও পুরস্কার লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য আবদুল্লাহ ইবনে মাস’উদ (রা)-এর আল-কুরআন চর্চা উম্মু শুরাইক (রা)-এর ঈমানী দৃঢ়তা একজন মুসলিমের দুটো আবশ্যক থাকা গুনাবলী আর কিছু কথা খাব্বাব বিন আল-আরাত (রা) এর ঈমানী দৃঢ়তা তফসীর – সূরা বাকারাহ: আয়াত ১৫২ বরফের মতোই গলে যাওয়া… বিররুল ওয়ালিদাইন – একটি ঘটনা মুমিনদের ভবিষ্যত অবশ্যই অবশ্যই অতীত হতে উত্তম হবে মুমিনের কোনোদিন পরাজয় নাই… রমজান এর ... Read more - [Usool-Fiqh](https://returnofislam.com/usool-fiqh/): উসূল ও ফিকহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রবন্ধ অঙ্কন, আলোকচিত্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিধান জিলবাব ও মুসলিম নারীর পোশাকবিধি “কম ক্ষতি বেছে নেওয়া” নীতি: শরিয়াহ, রাজনীতি ও নির্বাচনে এর অপপ্রয়োগ খিলাফত রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক পতাকা কী হবে? যুগে যুগে ফকীহ্‌গণ খিলাফত সম্পর্কে কী বলেছেন খিলাফত ও এর ফিকহ সম্পর্কে হানাফী আলেমগণের মতামত কুরআনের সাত হরফে নাযিল হওয়া মানতূক ও মাফহূম হারামের উপায়ও হারাম হিসেবে সাব্যস্ত হবে জন্মপূর্বে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ – ইসলামী শরী’আহর হুকম মুনকার পরিবর্তনের জন্য শক্তি প্রয়োগ সামর্থ্যের উপর নির্ভরশীল ইলমুল ফিকহ – উৎপত্তি ও বিকাশ সারা বিশ্বে একইসাথে চাঁদ দেখার পক্ষে বিভিন্ন আলেমদের বক্তব্য আল্লাহর রাসূল (সা)-এর দাফনে বিলম্ব ও খলীফা নিয়োগের ... Read more - [Economics](https://returnofislam.com/economics/): অর্থনৈতিক বিষয়ক বিভিন্ন প্রবন্ধ শেয়ার বাজারের বাস্তবতা ও এর শর’ঈ বিধান পশ্চিমা বিশ্ব ও তৃতীয় বিশ্বের সম্পদ: উপনিবেশবাদ থেকে আধুনিক অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস ওপেক (OPEC) – এর ঐতিহাসিক পটভূমি, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের পদধ্বনি: বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের অনাহারের ঝুঁকি মার্কিন ডলারের আধিপত্য: ব্রেটন উডস থেকে পেট্রোডলার এবং ভবিষ্যতের বিশ্ব ব্যবস্থা প্রশ্ন-উত্তর: মুদ্রা বিনিময় প্রশ্ন-উত্তর: ব্যাংক কিংবা ফিন্যান্সিয়াল সেক্টরে চাকরী করা বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি কি ইসলামে বৈধ? ইলেকট্রনিক পেমেন্ট ওয়ালেট এ ক্যাশব্যাকের শর’ঈ বিধান ভারচ্যুয়াল অর্থনীতির সারকথা ইসলামী ব্যাংকিং-এর প্রয়োজনীয়তা ও বিকল্প প্রশ্ন-উত্তর: ইসলামী ব্যাংকের সাথে Profit Sales (মুরাবাহা) প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা সম্পর্কিত হুকুম ব্যাংকিং ও ইসলামী ... Read more - [History](https://returnofislam.com/history/): ওপেক (OPEC) – এর ঐতিহাসিক পটভূমি, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের ভবিষ্যৎ পশ্চিমা বিশ্ব ও তৃতীয় বিশ্বের সম্পদ: উপনিবেশবাদ থেকে আধুনিক অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের এক সুদীর্ঘ ইতিহাস যুগে যুগে ফকীহ্‌গণ খিলাফত সম্পর্কে কী বলেছেন আইন জালুতের যুদ্ধ ইউরোপে সেকুলারিজমের উত্থান রজব মাসের ঐতিহাসিক তাৎপর্য মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র: নব্য উপনিবেশবাদের মোক্ষম হাতিয়ার উইগুর: দশ লক্ষাধিক বন্দির মুসলিম জনগোষ্ঠী আশুরা শুধুমাত্র শোক আর বিশ্লেষণের জন্য নয় উপমহাদেশে ইসলামি শাসনের ইতিহাস নিয়ে কিছু কথা ইউরোপে সেকুলারিজমের উত্থান মু’তাজিলাদের উত্থান-পতন খিলাফত ও ভারতীয় উপমহাদেশ মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনের মূল কারণ চিন্তার অধঃপতন “ইসরাইল রাষ্ট্র”-এর বৈধতার ভিত্তি কী? কমিউনিজমের রাজনৈতিক বিবর্তন সিরিয়ার গণজাগরণ কেন ভিন্ন? বৃটেন যেভাবে আরববিশ্বকে ... Read more - [Concepts](https://returnofislam.com/concepts/): ইসলাম: একটি ফিকরাহ (আদর্শ) ও তরীকা (কর্মপদ্ধতি) উম্মাহর বার্তা ঈমানের মাধুর্য; মানব নেতৃত্বের হৃদস্পন্দন সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণে নির্ভরশীলতার যুক্তি ইসলাম কি আসলেই একটি মৌলবাদ? জীবন ও মৃত্যুর রহস্য ইহসান উল আ’মাল তাকওয়ার প্রকৃত অর্থ মুমিনের জীবনে তাকওয়ার প্রভাব লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য হাদীস সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর সন্দেহ ও তার জবাব জেন্ডার, অস্পষ্ট জেন্ডার, ট্রান্সজেন্ডার ও ট্রানসেক্সুয়াল সম্পর্কিত ইসলামের বিধান পুনর্জাগরণের পথে বুদ্ধিবৃত্তিক পদ্ধতিই একমাত্র সঠিক চিন্তা পদ্ধতি ইসলামে পিতৃত্বের অবস্থান (Fatherhood in Islam) বর্ণবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদ: আদর্শিক দৈন্যতায় ভারাক্রান্ত বিশ্ব…বিকল্প কী? বর্তমানে কিভাবে মুসলিম উম্মাহ পুনর্জাগরিত হতে পারে? আল ক্বাদা ওয়াল ক্বদর পুঁজিবাদের অলীক সুখ-স্বপ্ন মুত্তাকীন জান্নাত ও জাহান্নামের চিন্তা: একটি জীবন পরিবর্তনকারী চেতনা ইস্তিকামাহ: দ্বীনের ... Read more - [Home](https://returnofislam.com/home/) - [Geopolitical Myths](https://returnofislam.com/books/geopolitical-myths/): ভূ-রাজনৈতিক কল্পকথা আদনান খান "আলিফ লাম মীম, রোমকরা পরাজিত হয়েছে, নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতিসত্তর বিজয়ী হবে, কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র-পশ্চাতের কাজ আল্লাহ্‌র হাতেই। সেদিন মুমিনগণ আনন্দিত হবে। আল্লাহ্‌র সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।" (সূরা রূম: ১-৫) সূচীপত্র গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত প্রায় সব গবেষণায় ধরে নেয়া হয় যে, গণতন্ত্র উন্নয়নের পূর্বশর্ত – হোক সেটা অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত কিংবা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন। মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির জগৎবিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ম্যানকার ওলসেন তার পুরষ্কারপ্রাপ্ত Power & Prosperity (2000)- গ্রন্থে উল্লেখ করেন, অন্যান্য যে কোন সরকার ব্যবস্থার চেয়ে গণতন্ত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতি বেশী হয়ে থাকে। ওলসেন যুক্তি প্রদান করেন যে, ... Read more - [Dawah to Islam](https://returnofislam.com/books/dawah-to-islam/): ইসলামের দাওয়াত সূচনা ১ম অধ্যায়: ইসলামী দাওয়াত বহন করার গুরুত্ব ২য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনে ঈমানের গুরুত্ব এবং ফরয কাজসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকার ৩য় অধ্যায়: দাওয়াত বহনকারী একটি দল বর্তমান থাকার অপরিহার্যতা ৪র্থ অধ্যায়: যে ভাবে দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র) প্রতিষ্ঠা করতে হয় ৫ম অধ্যায়: যেসব পদ্ধতি শরী’য়া পদ্ধতির সাথে সাংঘর্ষিক ৬ষ্ঠ অধ্যায়: আহকাম (হুকুম) বুঝবার জন্য ইসলামের পদ্ধতি ৭ম অধ্যায়: দলের বিকাশ প্রক্রিয়া (Culture) ৮ম অধ্যায়: দলের জন্য প্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনাসমূহ গ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা ৯ম অধ্যায়: একাধিক ইসলামী দল বা আন্দোলন থাকা কি বৈধ? ১০ম অধ্যায়: ক্রমান্বয়ে ইসলামের বাস্তবায়ন ১১তম অধ্যায়: চিন্তা (Idea) ও পদ্ধতি (Method) হিসেবে আদর্শের প্রতি আনুগত্য ১২তম অধ্যায়: কুফর ... Read more - [The Islamic State (ইসলামী রাষ্ট্র)](https://returnofislam.com/books/the-islamic-state/): সূচীপত্র: ## Optional - [Agent (MCP protocol)](websites-agents.hostinger.com/returnofislam.com/mcp) [comment]: # (Generated by Hostinger Tools Plugin)